কবি স্নিগ্ধদীপ চক্রবর্তী - জন্মগ্রহণ  করেন  পশ্চিমবঙ্গের  উত্তর ২৪পরগণা  জেলার  মফঃস্বল শহর  
হাবড়ায়। পিতা নির্মল কুমার চক্রবর্তী এবং মাতা সাগরিকা দেবী। ২০১৭ সালে তিনি
কবি পায়েলী ধরের  
সঙ্গে বিবাহসূত্রে আবদ্ধ হন।

কবির শিক্ষাজীবনে মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিকে উত্তীর্ণ হয়েছেন যথাক্রমে প্রফুল্লনগর বিদ্যামন্দির ও হাবড়া
হাই স্কুল থেকে। এরপর  তিনি  প্রেসিডেন্সি  কলেজ  থেকে  বঙ্গভাষা  ও  সাহিত্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর
করেছেন। উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচ.ডি. করেছেন
কবি বিনয় মজুমদারের জীবন ও সাহিত্যের
ওপর।

কর্মজীবনে  কবি, বর্তমানে  হাবড়া-র  শ্রীচৈতন্য  কলেজে  বাংলা  বিভাগে অধ্যাপনা করছেন।  তিনি  
অ্যাকাডেমিক কাউন্সেলর হিসেবে যুক্ত রয়েছেন  নেতাজি  সুভাষ  মুক্ত  বিশ্ববিদ্যালয়ের  হাবড়া শ্রীচৈতন্য
কলেজ, স্টাডি সেন্টারের সঙ্গে।

কবি স্নিগ্ধদীপ কবিতা, গল্প, গান, প্রবন্ধ ইত্যাদি নিয়মিত লেখেন।  প্রথম জীবনে তিনি একটি দৈনিক বাংলা
সংবাদপত্রে সহ-সম্পাদনার দায়িত্ব সামলেছেন।

কবি স্নিগ্ধদীপ চক্রবর্তী তাঁর কবিতার ভাবনাচিন্তার কথা বলেছেন এ ভাবে . . .
“বিশেষ কোনও উদ্দেশ্য-বিধেয় নিয়ে কবিতা লিখিনি। তবে রবীন্দ্রভাষ্যে যাকে অধরা মাধুরী ছন্দোবন্ধনে ধরা
বলে, মনে হয় এমনই কিছু কখনও গোপনে তাড়িত করে থাকবে। শরীরগঠনে এক তবু জননী ও রমণী যে
এক নয় যেদিন প্রথম বুঝেছি, তখনও বুঝিনি ইদ ও ইগোর লড়াই আমায় ভিতরে-ভিতরে ঠিক কতটা পেড়ে
ফেলবে। অক্ষরের জন্ম-যন্ত্রণায় হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেছে। তখন আদিকবির মতোই বলতে ইচ্ছে হয়েছে—
“ঘোর অন্ধকার-মাঝে, এ কী জ্যোতি ভায়!/ অবাক্!— করুণা এ কার!”  এই  আনন্দবেদনার ভাঁড়ার সঙ্গে
করেই তো পথ-পথ চলে আসা। এখনও নারী, মা, দেশ, মানুষ— যা লিখি, ব্যথাই বিধান হয়ে যায়!”

এ-যাবৎ তাঁর প্রকশিত কবিতার বই দু’টি “হৃদয়ে তেইশ নট” (২০১০) ও “সূর্যাস্তে চুম্বন” (২০২০)। “স্বলীন  
সংলাপ” (২০১৩) নামে তিনি একটি কাব্যনাটকে লিখেছেন। সম্পাদনা করেন “ক্রেংকার” ওয়েব-পত্রিকা।
পাশাপাশি গান, গিটার, কি-বোর্ড তাঁর অন্যান্য ভালোবাসার জায়গা।

২০০৬ সালে পশ্চিমবঙ্গের সিঙ্গুরে এবং পরে নন্দীগ্রামে, বলপূর্বক জমি অধিগ্রহণের প্রতিবাদে শুরু হয় সিঙ্গুর-
নন্দীগ্রাম আন্দোলন। সেই আন্দোলনে তদানিন্তন সরকারের বিরুদ্ধে, বুদ্ধিজীবী সমাজ গর্জে উঠেছিলেন।  
তারই  প্রতিফলন দেখা যায় বাংলা সাহিত্যের শত শত কবিতার মধ্য দিয়ে, যা "
সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামের কবিতা"
নামে পরিচিতি লাভ করে। ২০০৬ সালে, কবির ছাত্রাবস্থাতেই তাঁর কবিতা প্রকাশিত হয় দিলীপ  চক্রবর্তী
সম্পাদিত "সপ্তাহ" পত্রিকায়।      

কবির প্রাপ্ত সম্মাননার মধ্যে রয়েছে কবিতাবিষয়ক গবেষণার জন্য ২০১৮য় “বিনয় মেধা পুরস্কার”। এছাড়া
২০২০-তে ৯১.৯ ফ্রেন্ডস্ এফ.এম.-এর আর.জে. রাজা-র “কবিতাস্টুডিও” তাঁকে সাহিত্যের জন্য “অয়ন সৃজন
সম্মান”-এ ভূষিত করেছেন।


আমরা  
মিলনসাগরে  স্নিগ্ধদীপ চক্রবর্তীর কবিতা তুলে আনন্দিত।



কবির সঙ্গে যোগাযোগ -
ইমেল -
informtosnigdho@gmail.com      
চলভাষ - +৯১ ৯৮০৪৬৪৩২৪২



উত্স -   
  • বির সঙ্গে ইমেলে যোগাযোগ।



কবি স্নিগ্ধদীপ চক্রবর্তীর মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন


আমাদের ই-মেল -
srimilansengupta@yahoo.co.in     


এই পাতার প্রথম প্রকাশ - ১৬.৭.২০২০                                                            ^^ উপরে ফেরত   
...