কবি মোজাম্মেল হক্-এর কবিতা
*
সাধনা ও সিদ্ধি
কবি মোজাম্মেল হক্
মওলানা আকরম খাঁ সম্পাদিত, “আঞ্জুমানে ওলামায়ে বাঙ্গালা”-র মুখপত্র হিসেবে প্রকাশিত
“আল এসলাম” মাসিক পত্রিকার আষাঢ় ১৩২২ সংখ্যায় (জুন ১৯১৫) প্রকাশিত।

সাধনা ও সিদ্ধি।

পুণ্য-হেরা-গিরি নিভৃত কন্দরে
.                বসিয়া ধূলির পর,
নিখিল নাথের গভীর ধেয়ানে
.                মগ্ন যোগীবর!
মুদি নয়ন স্খলিত বসন,
.                বাহ্য জ্ঞেয়ান হারা,
'অপাঙ্গে ঝরিছে ঝর ঝর ঝর,
.                তপ্ত অশ্রু ধারা!
বহে কি না বহে শ্বাস নাসিকায়,
.                বন্ধ দুটী কর!
নিখিল-নাথের গভীর ধেয়ানে,
.                মগ্ন যোগীবর!

আহা কি মধুর মোহন মূরতি,
.                পুণ্য-জ্যোতিতে গড়া!
স্থির-অবিচল ক্ষণেকেরো তরে
.                নহেক নড়াচড়া!
নীরব ভাষায় মনের মন্দিরে,
.                অহো, কাঁদাকাটি কত!
কতই সাধনা, কত গাথা বাজে
,                হিয়া-যন্ত্রে অবিরত!
দূরিতে দেশের দারুণ দুর্গতি
.                লভিতে গো শুভ বর,
নিখিল-নাথের গভীর ধেয়ানে
.                মগ্ন যোগীবর।

নিতি নিতি হেন কঠোর সাধনা,
.                প্রাণপাত আরাধন।
ভকতের ডাকে কাঁপিয়া উঠিল,
.                ধাতার সিংহাসন।
এক দিন আহা, শুভ দিন সেই,
.                দেব-দূত শুতক্ষণে,
বিরাট আকারে দিলা দরশন,
.                সাধকের যোগাঙ্গনে!

ঘোষিলেন দূত, বিভুর আদেশ,
.                বসুধার শুভকর ;
ধ্বনিলা আকাশে, সাধনায় সিদ্ধি
.                লভিলেন যোগীবর।

.              ****************                          
.                                                                            
সূচীতে . . .    


মিলনসাগর
*
উদ্দীপনা
কবি মোজাম্মেল হক্
১৯৪৫ সালে প্রকাশিত, আবদুল কাদির ও রেজাউল করীম সম্পাদিত, বাঙ্গালী মুসলমান
কবিদের রচিত কবিতাবলীর সংকলন “কাব্য-মালঞ্চ” থেকে নেওয়া। কবির ১৯১২ সালে
প্রকাশিত “জাতীয় ফোয়ারা” কাব্যগ্রন্থের কবিতা।

যাও কর্ম্মভূমে ত্বরিত গমনে,
জীবনের ব্রত সাধ প্রাণপণে,
শুভদা বিদ্যার বিমল কিরণে
.        আলোকিত করো হৃদয়-ধাম।
পরস্পরে সবে হইয়া মিলিত
চির-ভ্রাতৃভাব করহ স্থাপিত,
উন্নতির পথে হও হে ধাবিত---
.        সমুজ্জ্বল করো জাতীয় নাম॥
তবে ত হইবে কলঙ্ক মোচন,
তবে ত দেখিবে সুখের বদন,
যশঃ-মান-ধন প্রীতি-সম্ভাষণ
.        চারিদিক্‌ হ'তে স্বতঃই পা’বে।
দেখিয়া জগৎ মানিবে বিস্ময়,
চমক লাগিবে দেখে’ অভ্যুদয়,
মানব বলিয়া দিয়া পরিচয়
.        তখন সকলে মহিমা গা’বে॥

.              ****************                          
.                                                                            
সূচীতে . . .    


মিলনসাগর
*
হজরতের জন্মগ্রহণ
কবি মোজাম্মেল হক্
১৯০৩ সালে প্রকাশিত, কবির “হজরত মুহাম্মদ” কাব্যগ্রন্থের কবিতা।

॥ পঞ্চম সর্গ॥

সুশীলা আমেনা দেবী ভাবী তনয়ের
হিত-কামনায় স্মরি বিশ্ম-বিধাতায়
প্রবোধ দিলেন চিতে, বসন অঞ্চলে
মুছিলেন নেত্রবারি, কিন্তু একেবারে
হৃদয়ের বিষণ্ণতা গেল না তাঁহার।
দুষ্ট দুরাচার রাহু হায় পরশিলে
পূর্ব্বের সুষমা চাঁদে রহে কি গো আর
পশিলে কমলে কীট থাকে কি কখন
নয়নরঞ্জন ছাঁদ শোভা-প্রভা তার?
সহস্র যতনে দেবী বুঝান মনেরে
কিন্তু বুঝেনাক মন, অবোধ বর্ব্বর!!
জাগ্রত স্বপনে মনে পড়ে সে আনন,
সে মূরতি জাগে স্মৃতিপটে অনিবার।
শান্তি-অশান্তির মাঝে পড়ি এইরূপে
ভাসিলা আমেনা কাল-সাগরে নীরবে।
একে একে করি দিন লাগিলা কাটিতে
শিশুও অদ্ভুতরূপে স্বর্গ-সুধা পিয়ে
বাড়িতে লাগিলা আহা মায়ের উদরে।

অতঃপর এক দিন তৃতীয় মাসের @
দ্বাদশ দিবসে গর্ভধারণ দেবীর
নয় মাস পূর্ণ হয় বিভুর প্রসাদে।
মধুর বসন্তকাল আছিল তখন,
সুখদ সমীর বহে মৃদুল হিল্লোলে---
বিতরিয়া শীতলতা, ভীষণ মরুর
উগ্রভাব নাশ করি ; বিহঙ্গমদল
আলাপি কোমল কণ্ঠে গীত মধুময়
আনন্দে প্রমত্ত করে মক্কাবাসিগণে।
অলক্ষ্যে স্বর্গীয় শাস্তি-সুধার লহরী
বরষে যেন রে পুণ্য আরব-ভূবনে!!
এহেন মধুর দিনে---সুপবিত্র দিন
হয়নি, হবে না আর ধরায় তেমন ;---
আমেনা অনন্যমনে প্রসন্ন বয়ানে
বসিয়া আছেন গৃহে ; উদ্বেগের চিন
লেশ মাত্র নাই, নাই প্রসব-বেদনা,
সহসা সুক্ষণে সেই নারীকুলমণি
প্রসবিলা সুত এক সুঠাম সুন্দর,
স্বর্গীয় সুধায় ধৌত, গ্রীবার উপরে
অঙ্কিত প্রেরিত-চিহ্ন, অদ্বিতীয় ভবে।

ভুবনমোহন সেই কুমারের রূপে
উজ্জ্বল হইল গৃহ, ভানুর উদয়ে
যথা বিশ্ব ; আর তাঁর অঙ্গের সৌরভে
আমোদিল দশ দিক, অদ্ভুত ঘটনা
ঘটিল অমনি কত ; স্বর্গে মর্ত্ত্যে যেন
বাধিল তুমুল কাণ্ড মধুরে ভীষণ!!
কাঁপিল মেদিনী ঘন ঘোর আলোড়নে,
কাণপে খরখরি পাপ-পুরুষ দুর্ম্মতি
প্রমাদ গণিয়া মনে, কা’বার ভিতরে
হলব দেবতারাজ, অহো কি দুর্গতি,
সন্ত্রাসে ভূতলে পড়ি হ'ল চুরমার।
ভ্রান্ত অগ্নিপূজকের অনলের রাশি
অকস্মাৎ নির্ব্বাপিত, উপাস্য দেবের
হেরি হেন তিরোধান---চরম দুর্দ্দশা,
চিন্তিত পূজকবৃন্দ ; পারস্য-ভূপের
উন্নত প্রাসাদ-চূড়া লুটিল ধরায়!
ফোরাতের # বারিরাশি ঢলাঢলি করি’
প্রবল তরঙ্গ তুলি’ দু'কূল ভাসায়।
আবার এদিকে দেখ, কি খেলা বিধির!
সওয়া হ্রদ, ---অম্বুরাশি শুকাইয়া তার,---
ভীষণ মরুতে হয় সদ্য পরিণত!
স্তম্ভিত বিস্মিত লোক এ সব দেখিয়া।
আরেক বিচিত্র দৃশ্য---গগনমণ্ডলে
প্রদীপ্ত তারকা এক উদে সেই দিন ;
যাহা হেরি জ্যোতির্ব্বিদ কোবিদনিকর
ধর্ম্মবীর আবির্ভাব করেন প্রচার
অনন্ত ঘটনা হেন বিধির বিধানে
ঘটে দিগ্ দিগন্তরে বর্ণিব কেমনে!!
কুমার ভূমিষ্ঠ মাত্র দিব্য দূতগণ
অবতরি অবিলম্বে অবনীমণ্ডলে,
আশীষিয়া আমেনারে ধন্যবাদ সহ
মধুরে বিনম্রভাবে সে দেব-শিশুরে
‘সালাম’ প্রদানে কত ; অনুরাগে আর
বরষি সুধার ধারা কোমল ঝঙ্কারে
গুণ গৌরবের গাথা গাহে সমস্বরে।

@ - তৃতীয় মাস - রবিয়স আউয়ল।
# - ইউফ্রেটেস।

.              ****************                          
.                                                                            
সূচীতে . . .    


মিলনসাগর
*
গাথা
কবি মোজাম্মেল হক্
১৯০৩ সালে প্রকাশিত, কবির “হজরত মুহাম্মদ” কাব্যগ্রন্থের কবিতা।

॥ পঞ্চম সর্গ॥

দয়া সদাচার সহ সুবিচার
করিতে,---ঘুচাতে ধরার ভার,
আজি ভূপোত্তম লভিলা জনম,
আহা রে সুখের নাহিক পার।

লভিলা জনম রসুল-প্রধান @
ইহ-পরকাল-নিস্তার-নিদান,
ত্রিদিবের চাঁদ চারুতা-নিধান,
পরাৎপর প্রভু পুরুষসার।

ভ্রম-মাতোয়ারা মানব-নিকরে
ধরমের পথ দেখাবার তরে,
নিয়ে জ্ঞান-বাতি উজ্জ্বল ভাতি
আসিলা পুণ্য-পুরুষকার!

জনমিলা সেই পতিতপাবন,
কওসর-সুধা-অধিপ যে জন,
পাপ-তাপত্রাস মহাবিচক্ষণ,
ধরাধামে নাই উপমা যাঁর।

যাঁর গমনের পথ সমুদয়
স্বরগ-সৌরভে সুরভিত হয়,
পুণ্য-পিঠে যাঁর ‘নবুয়ত্’-হার @@
প্রেরিতের চিন চমত্কার।

দানসিন্ধু প্রভু একমাত্র ভবে,
তিনি ভিন্ন নাই তারিতে মানবে,
বিশ্ব-ধর্ম্মাগুরু হেন, হের সবে,
হয় নাই, কভু হবে না আর।

দীনদেব আজি স্বর্গ পরিহরি
অবতীর্ণ হ'ল অবনী উপরি,
ত্রাহি ত্রাহি রবে সবে যাঁরে ধরি,
শেষের সে দিনে হবে গো পার।

জগত-গৌরব জগত-সৌরভ,
লভিলা জনম জগত-দুর্লভ,
কায়মনঃপ্রাণে ওরে রে মানব!
চরণ বন্দনা কর রে তাঁর।

স্বরগের দূতগণ শির করি নত
যাঁহার মাহাত্ম্যে মজি করে গুণগান।
আমরা মানবকুল তাঁর অনুগত,
সাজে কি নিশ্চিন্ত থাকা জড়ের সমান?

আইস ত্বরায় সবে উল্লাসে ভরিয়া,
আইস ভকতিভরে খুলি মনঃপ্রাণ,
হৃদয়ের আবেদন জ্ঞাপন করিয়া
অপার যতনে করি সালাম প্রাদান।

@ - রসুল - ঐশিক তত্ত্ববাহক।
@@ - হজরতের পৃষ্ঠদেশে প্রেরিতত্বের চিহ্নস্বরূপ মোহরাঙ্কিত ছিল।

.              ****************                          
.                                                                            
সূচীতে . . .    


মিলনসাগর
*
হজরতের নামকরণ
কবি মোজাম্মেল হক্
১৯০৩ সালে প্রকাশিত, কবির “হজরত মুহাম্মদ” কাব্যগ্রন্থের কবিতা।

॥ ষষ্ঠ সর্গ॥

প্রাচীন শাস্ত্রীয় গ্রন্থে                এই দেব-কুমারের
আবির্ভাব-কাল আছে বর্ণিত যেমন,
নূহ, ইসা, মুসা আর,                যতেক পয়গম্বরে
বলিয়া গেছেন যেই সব সুলক্ষণ,
সেই নিরূপিত কালে,              দয়াল বিভুর বরে,
ঠিক সেই অপরূপ রূপ-গুণ ল’য়ে,
জন্মিলা মহান্ শিশু,             ধর্ম্মের দুন্দুভি-ধ্বনি,
ধ্বনিত হইল মর্ত্ত্যে স্বরগনিলয়ে।
পবিত্র হইল মক্কা,                  পাবিত্র হইল পুরী,
আমেনা পবিত্রা ধন্যা এ গর্ভ ধারণে,
আনন্দের পারাবার               উছলি আরবে বহে
ধরে না আনন্দ আজি জননীর মনে।
আত্মীয় স্বজন বন্ধু,                আনন্দে মগন সবে,
কুমারে নিরখে আসি কাতারে কাতার,
যে দেখে, সে অপলকে          চেয়ে থাকে কতক্ষণ,
অন্তর ভরিয়া ছুটে বিস্ময়-পাথার।
শিশুর মাতুল এক                  পরম দৈবজ্ঞ ছিল,
আকুতি-প্রকৃতি তিনি হেরি বিধিমতে,
কহেন---“বালক এই,               না হবে সামান্য জন,
অমব অক্ষয় র’বে নশ্বর জগতে।
দৈবের আদেশক্রমে,               উপাড়ি অধর্ম্ম-মূল,
ধর্ম্মের অমৃত-তরু করিবে বোপণ,
বসি নরনারী যার                  সুখদ শীতল ছায়ে,
কবিবে সফল জন্ম. সফল জীবন।”
কি বালক যুবা বৃদ্ধ,                রমণীর দল কিবা,
“অন্ভুত এ দেবশিশু!” মুখে সবাকার,
মহামতি মভালেব,              শুনে তাই হৃষ্ট অতি,
স্ফূর্ত্তিতে হইল স্ফীত হৃদয় তাঁহার।
জন্মের তৃতীয় দিনে.            আদর-আহ্লাদে কত,
ধরিয়া শিশুরে বুকে পরম যতনে,
কাবা-উপাসনালয়ে                ল’য়ে যান জ্ঞানীবর,
আশিস মাগেন তাঁর মঙ্গল কারণে।
কিন্তু কি বিষম ভ্রম,               দেখ হে জগত জন!
আশিস বিলাতে ভবে জনম যাঁহার,
কি বর মঙ্গল প্রদ             মাগিবে গো তাঁর তরে?
যাচে কি সলিল-কণা মহাপারাবার!!
স্বরগে সুখ্যাতি-ধ্বনি,               উঠে যাঁর অনিবার,
আকাশে যশের গীতি দেবগণ গায়,
মর্ত্ত্যেও বিমল খ্যাতি           কেন্দ্রে কেন্দ্রে ছুটিয়াছে,
তাই মহম্মদ আখা? দিলেন তাঁহায়।
অতঃপর স্নেহময়                    পিতামহ কুমারের
সপ্তম দিবসে যত আত্মীয় স্বজনে,
নিমন্ত্রণ করি আনি,                 যেমন আছিল প্রথা,
তুষিলেন উপাদেয় পান ও ভোজনে,
হইল তখন কিবা                      ভবন আনন্দনয়,
আবাল-বনিতা-বৃদ্ধ উৎসবে মাতিল,
কতই যতন করি’                 কুমারে ধরিয়া বুকে
মধুর বচনে সবে আদর করিল।

.              ****************              
.                                                                            
সূচীতে . . .    


মিলনসাগর
*
স্বর্গীয় দূতগণের সহিত হজরতের দর্শনলাভ
কবি মোজাম্মেল হক্
১৯০৩ সালে প্রকাশিত, কবির “হজরত মুহাম্মদ” কাব্যগ্রন্থের কবিতা।

॥ ষোড়শ সর্গ॥

সমধিক সাবধানে যতনে অশেষ
স্নেহময় খুল্লতাত তালেব আপনি
পালিতে লাগিলা প্রিয় কুমার-রতনে।
পরে যবে উপনীত হন হজরত
বিংশ বর্ষ বয়ঃক্রমে, ধাতার আজ্ঞায়
উজ্জ্বল বিশদকান্তি দিব্য দূতগণে
পান দেখিবারে তিনি নিদ্রার আবেশে---
স্বপনেতে নিতি নিতি ; ঘটনা কতই
অপার্থিব, রমণীয়, অতুল জগতে
দেখে আর। একদা সে স্বপ্ন-কথা তিনি
স্নেহময় পিতৃব্যের নিকটে যাইয়া
কহিলেন বিবরিয়া, তালেব শুনিয়া
চকিত বিস্মিত ক্ষুণ্ণ ; অমঙ্গল কত
জাগিল মানসে তাঁর ; ভাবিলেন আহা
বুঝিবা কঠিন রোগে প্রিয় মহাম্মদ
হইলা আক্রান্ত ; তাই আকুল-হৃদয়ে
ডাকিলেন বৈদ্য এক তৎপর হইয়া।

কহিলেন বৈদ্যরাজ বিবিধ বিধানে
পরীক্ষিয়া, বাহ্য ভাব-ভঙ্গী আর দেখি
সযতনে, “হে তালেব, চিন্তা কি কারণ?
নীরোগ এ দেব-শিশু, বুঝিনু লক্ষণে
মহান পুরুষ ইনি, বিভুর কৃপায়
সাধিবে অমর কীর্ত্তি সর্ব্ব শুভকর
ধরাতলে : সমুজ্জ্বল সুবর্ণ অক্ষরে
কেবলি মঙ্গল লেখা সর্ব্ববাঙ্গে ইঁহার,
কেবলি মঙ্গল মন্ত্র নিহিত হৃদয়ে।”
এই অনুকূল বাণী শুনে, তালেবের
ভাবনা হইল দূর, উল্লাসে অন্তর
নাচিয়া উঠিল, স্নেহ-যত্নে সমধিক
পালিতে লাগিলা পুনঃ পূর্ব্বের মতন।

.              ****************              
.                                                                            
সূচীতে . . .    


মিলনসাগর