ক্রমশ তোমার কাছে আশ্রয় খুঁজি। পাশের বাড়ির ছেলে বিদেশ ভ্রমণ সেরে ফিরে আসে ঘরে। দোতলার ব্যালকনি পুষ্পহীন নতুন সারণী তুমি সাজিয়েছো উৎসবে, এত আলোড়নে !
এমনকি পাতাঘেরা সেই বনপথ যেখানে পায়ের ছাপ মুছে গেলে আলোর শপথ এসে উদযাপন করে নেয় সব ব্রতভার। দখিন বলয় থেকে একরাশ কালো চুল, মুখোমুখি বসে বলে, কতটা সময় তুমি দিয়েছিলে এই স্বপ্ন-লেখে !
প্রকৃত বিস্ময় থেকে দূর চক্রযান রাতের পোশাক ছেড়ে ভোর অভিমুখী। আমাকে কি বলতে দেবে কারুকাজ অথবা দেবে না কোনো উদ্ভাস, পলাশমাধুরী --- প্রতিটি বৃষ্টি জল গভীরের রূপায়ণ জেনে গেছ, ধুলো ওড়ে পাতার অসুখে আজ দীর্ঘদিনভর, তোমাদের অশ্রুপথে ছবিখানি এসে পড়ে নতমুখ বিষাদ-বালক। কাউকে বলার আগে দুমিনিট কপালের ভাঁজ মসৃণ শুষে নেয় কক্ষ পথ যে যেখানে সিড়ি দিয়ে ওঠানামা করে আর প্রতিবেশী ছেলে বিদেশভ্রমণ সেরে ফিরে আসে ঘরে ! ক্রমশ তোমার কাছে পেতে চাই শরণার্থী শিবিরের ভাষা আমার ভ্রমণ মানে, একঘর টপকিয়ে, অন্য ঘরে আসা । . **************** . সূচীতে . . .
এইসব জোড়গুলি খুলে দেখছি কেমন করে লাগাও তোমার রঙ তুলি, বন্ধুতার শব্দগুলি কীভাবে ঝুঁকে থাকে নীচের দিকে ; খুব স্রোত থেকে একে একে শীতকাল জমে থাকে মরচে ধরা বেডিং আর প্রগলভতায় ।
যাতায়াতের পথ আজ ভরে উঠছে বন্ধুতায়। কেন? এরকমভাবে দেখাশোনা হতে হতে আসলে কোনো কথাই বলা হবে না কোনোদিন। . **************** . সূচীতে . . .
পতাকা টাঙানো যখন আরম্ভ হল তখন আমার ঘড়িতে দশটা বেজে দশ টিপ টিপ বৃষ্টি পথে পিছলে যাচ্ছে বাস, তারপর আর কিছু জানি না। কখন শেষ হল সেই পতাকার দৌড় সকালে পৌঁছে দেখলাম শুধু একটা দড়ি, ঘড়িতে দশটা বেজে দশ
বন্ধুরা সরিয়ে নিয়েছে পতাকা আর রং-তুলি . **************** . সূচীতে . . .