রবিঠাকুর আমি এখন খুবই ছোট ক্লাস ওয়ানে পড়ি রাতের বেলা স্বপ্ন দেখি যাচ্ছি স্কুলে পুলকারেতে চড়ি অর্ক দীপ টিটো পাপাই নিমো বান্টি পুপু মিশা মিতুল ঝগড়া ভুলে সবাই মিলে খুব হাসছি অঙ্ক হলে ভুল
সকাল হলে ভাল্লাগে না ঘরের মাঝে বন্দী হয়ে থাকি তাইতো আমি সারাটা দিন একমনেতে তোমায় শুধু ডাকি কাকাই বলে তোমার নাকি বুদ্ধি বেশি সবার কথা ভাবো বলে দাও না রবিঠাকুর কবে আবার স্কুলবাড়িতে যাবো?
পেনের কালি লাগলে ড্রেসে বকতো মিস কান মলত মা কাঁদলে পরে চোখ মুছিয়ে আদর করে বলতো মামন খা বদলে গেছে বাড়ির লোক ঠাম্মি দাদু বাবা কাকাই কাকি জানো ঠাকুর মা আজকাল বকে ভীষণ কেমন করে থাকি?
বাবার নাকি চাকরি নেই মুখ গুমরে কাকাও থাকে বাড়ি কাকি বলেছে এমন হলে কেমন করে চড়বে ভাতের হাঁড়ি? রবিঠাকুর কবিঠাকুর একটা কিছু উপায় তুমি করো করোনা নামে দুষ্টু রাক্ষসটাকে ঘাড় মটকিয়ে ধরো
শুনেছি আমি ওটাই নাকি সব কিছু সর্বনাশের মূলে ফিরিয়ে দাও সবার কাজ আমার স্কুল দাও আবার খুলে রবিঠাকুর তোমার পায়ে দিলাম আমি নয়নতারা ফুল ছোট্ট বলে আমার কথা রাখতে তুমি কোরোনা যেন ভুল . **************** . সূচীতে . . .
যে পথটা শিমুল পলাশের পাপড়ি ঝরে লাল হবার কথা ছিল সেই পথে আজ রক্তের আল্পনা আঁকা ওই যে পাখিটা খাবার খুঁজতে খুঁজতে খুঁটে খাচ্ছে শস্যদানা তার ঠোঁটে লেগে আছে রক্ত যে চারাগাছটা নতুন পৃথিবী দেখবে বলে উঁকি মারছে পাথরের আড়াল থেকে, তার পাতায় রক্তের ছিটে রক্ত-রক্ত-রক্ত— গরম রক্ত, ঠান্ডা রক্ত ঠান্ডা রক্ত জমাট বেঁধে আছে লাশের শরীরে খোলা চোখে বিস্ময় ! আমায় মারলে কেন ?
আড়ালে কেন কবিতা? এগিয়ে এসো, উত্তর দাও ওই শিশুটির চোখের কোণে টলটল করছে মুক্তোদানা মুছিয়ে দাও কবিতা, হাসি ফোটাও শিশুর মুখে তুমি পারবে কবিতা, তুমিই পারবে তুমি ছাড়া আর যারা আছে, তারা কেউ আগুনে ঘি ঢালবে, কাঠ দিয়ে উস্কে দেবে আগুনটাকে কেউ রড আনবে মাথা ফাটানোর জন্যে, আনবে পিস্তল, অ্যাসিড, বোমা ওসব দেখে তোমাকে ভয় পেলে চলবে না এগিয়ে যেতে হবে দৃঢ় পায়ে তোমার গর্জনে পিছু হঠতে বাধ্য হবে কালো কাপড়ে মুখ ঢাকা অন্যায়, অত্যাচার
তুমিই পারবে কবিতা সাম্যকে আবার ফিরিয়ে আনতে পারবে গোলকধাঁধায় পথ হারিয়ে ফেলা দেশকে ঠিক পথের সন্ধান দিতে, নতুন দিশা দেখাতে ভুললে চলবে না এ দেশ তোমার, এ দেশ আমার, এ দেশ সবার
সাম্যের মৈত্রীর ভালবাসার
এ দেশের নাম ভারতবর্ষ। . **************** . সূচীতে . . .
জন্মদিন আসে পিতার একটি বছর পরে সতেরোই মার্চ শাঁখ বাজে সব বাঙালির ঘরে আঁধার কেটে সকাল আসে নতুন সূর্য ওঠে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে শিমুল পলাশ ফোটে
গাছের শাখায় কোকিল ডাকে কৃষ্ণচূড়া ঝরে এমন দিনে শেখ মুজিবকে সবার মনে পড়ে মায়ের কোলে এসেছিলেন টুঙ্গিপাড়া গ্রামে মাতা সায়েরা বাবা লুত্ফর ডাকতো খোকা নামে
ছোটো খোকা কাটতো সাঁতার বাইগার নদীর জলে ময়না পাখির ছানা পুষতো মজার খেলার ছলে বাসতো ভালো ছোটদেরকে করতো খুব আদর শিশুদিবসে তার নামেতে মাজারে চড়াই চাদর
রাধাচূড়া পাপড়ি ছড়ায় জন্মদিনটি এলে দুই বাংলার জল বাতাসে তাঁরই পরশ মেলে জন্ম হল বাংলাদেশের জাতির পিতার জন্য মহান নেতা শেখ মুজিব ধন্য তুমি ধন্য। . **************** . সূচীতে . . .
তারপরে সে কান্ড হল পাসনে ভয় জলের তলে খেঁজুর কাঁটা সাজিয়ে রাখা এদিক যেতে ওদিক যেতে লাগছে খোঁচা বড়শি গেঁথে ডাকাত তোলে রক্ত মাখা
আমি তখন দুচোখ বুজে মায়ের কোলে ঘুমিয়েছিলাম | এসব কথা শুনেছি পরে সত্যি যদি দেখতে হত সেই দৃশ্য ভয়ের চোটে তোদের ঠামি যেতই মরে। . **************** . সূচীতে . . .