কবি বিপুল চক্রবর্তী-র কবিতা
*
.                দোল

.        রঙ        পাহাড়ের, নদী-ঝর্ণার
.        রঙ        পলাশের, ঋতু-পর্ণার

.        রঙ        ফুলে ফুলে আর কলিতেও
.        রঙ        খোলা মাঠে অলি-গলিতেও

.        রঙ        গুটি গুটি পায়ে পোকাটির
.        রঙ         আদুল গায়ের খোকাটির

.        রঙ        হাজারো মানুষ-মানুষীর
.        রঙ         মেখে নেব নতজানু শির


.        রঙ        তোমাকে

.                   ****************                                                  
উপরে   


মিলনসাগর
  তোমাকে চেয়েছি

  ১
.        তোমাকে চেয়েছি গানের পাশে
.        তোমাকে চেয়েছি ধানের পাশে


.        নিয়ন আলোতে, নিঝুম আঁধারে
.        শহরের পথে, বনে ও বাদাড়ে
.        তোমাকে চেয়েছি প্রতি মুহূর্তে
.        তোমাকে চেয়েছি প্রাণের পাশে


  ২
.        আজও তোমাকেই চাই-----
.        আজও বাকি আছে পথ চলা
.        আজও বাকি আছে কথা বলা
.        আজও বাকি আছে শত সহস্র
.        চড়াই ও উতরাই


.        তোমাকে চেয়েছি একদিন, আর
.        আজও তোমাকেই চাই

.                   ****************                                                       
উপরে  


মিলনসাগর
*
  পীতম

.        শব যদি,  তো গভীর রাতে বালিশ ভেজে কী করে
.        নিভন্ত নীল আঁচের আগুন আছে কি গো শিকড়ে


.        বাঁচো রে ভাই শিকড় নিয়ে, শিমুল নিয়ে বাঁচো
.        অন্ধকারেও, জেনো, তুমি আলোর মাঝে আছো


.        নইলে , বলো, অন্ধকারকে দেখছ তুমি কী করে
.        নিভন্ত নীল আঁচের আগুন আছে তোমার শিকড়ে


.        বাঁচো রে ভাই পাথর নিয়ে, পলাশ নিয়ে বাঁচো
.        অন্ধকারের উত্স হতে আলোর কথা যাচো


.                   ****************                                                       
উপরে     


মিলনসাগর
*
.                অনুষ্টুপ

.        তোমায় দিলাম আকাশভাঙা এই শ্রাবণের বৃষ্টিধারা
.        তোমায় দিলাম পাহাড়তলির সাধ্যমতো ধানের চারা


.        তোমায় দিলাম পথের ধারে বৃষ্টিভেজা কী উন্মুখ
.        তোমায় দিলাম স্কুলফেরতা একটি-দুটি শিশুর মুখ


.        তোমায় দিলাম জলে ঢাকা একটি নদীর মুখরতা
.        তোমায় দিলাম, জন্মদিনে, আরও  আরও জন্মকথা

.                   ****************                                                       
উপরে     


মিলনসাগর
*
     তোকে চাই

.        রোদ্দুরে চাই, বৃষ্টিতে চাই তোকে
.        আলস্যে চাই, সৃষ্টিতে চাই তোকে


.        সমুদ্রে চাই, পাহাড়েও চাই তোকে
.        অনাহারে চাই, আহারেও চাই তোকে


.        আদর-সোহাগ-চুম্বনে চাই তোকে
.        যা  খুশি ইচ্ছে বলুক অন্য লোকে


.        বন্ধনে চাই,  মুক্তিতে চাই তোকে
.        উল্লাসে চাই,  যুক্তিতে চাই তোকে


.        হতাশায় চাই, আশাতেও চাই তোকে
.        ভাষাহীনতায়,  ভাষাতেও চাই তোকে


.        আদর-সোহাগ-চুম্বনে চাই তোকে
.        যা খুশী ইচ্ছে বলুক অন্য লোকে

.                   ****************                                                       
উপরে     


মিলনসাগর
*
     কুপি

.        সূর্য, সে তো রবি ঠাকুর
.        বলছি চুপি চুপি
.        আমি হলাম, অন্ধকারে
.        তোমার হাতের কুপি


.        ভীষণ ঝড়ের রাতে
.        কাঁপব আমি কাঁপব, তবু
.        থাকব তোমার সাথে

.                   ****************                                                       
উপরে      


মিলনসাগর
*
নিভৃতি

তোমার প্রাণ
আমার প্রাণে
আমার প্রাণ
তোমার প্রাণে
মিশতে মিশতে
মিলিয়ে যাচ্ছে
সবখানে আর
সকল প্রাণে

তবু, জেনো
নেই ভাবনা
নেই ভীতি

প্রাণ খুঁজে পায়
নিজেই নিজের
নিভৃতি

সে নিভৃতি
অনুভবের
তোমার আমার
অনুভবের

****************                                                                   
উপরে      


মিলনসাগর
*
  আকাশপথে

.         আকাশপথে দিচ্ছি পাড়ি
.         জানতে চাইলে, কোথায় বাড়ি
.         আমি বললাম, মঙ্গলে


.         অমনি নভোমন্ডলে
.         চতুর্দিকে আঁধার নামে
.         তোমার বাড়ি কোন্ গেরামে, চাঁদে



.          অনেক আলোকবর্ষ দূরে
.         হয়তো সেদিন অচিনপুরে
.         এই পৃথিবীর দুটি পরান এমনি করেই কাঁদে


.                 ****************                                                          
উপরে      


মিলনসাগর
*
  সহজ বিশ্বাসে

.        আজও আমি সহজ বিশ্বাসে
.        তোমার কাছে গাছের মতো দাঁড়াই
.        আজও আমি সহজ বিশ্বাসে
.        শাখায় শাখায় সহস্র হাত বাড়াই


.        বোকার মতো দৌড়ে মরো তুমি
.        মুহূর্তেই হারাও তোমার ভূমি
.        বোকার মতো দৌড়ে মরো তুমি
.        আকাশ ফেলে দু-হাতে ঝুমঝুমি


.        ভাবছ আমি দাঁড়িয়ে আছি ঠায়
.        আমার চলা বনান্তে গড়ায়
.        ভাবছ আমি দাঁড়িয়ে আছি ঠায়
.        আমার কথা দিগন্তে ছড়ায়


.        স্রোতস্বিনী  গড়ায় আমার সঙ্গে
.        আকাশ এসে লুটিয়ে পড়ে অঙ্গে
.        তুমি যতই জ্বালাও দাবদাহে
.        আমার শাখা সবুজ গানই গাহে

.                 ****************                                                          
উপরে      


মিলনসাগর
*
  নাভি

.        দিগন্ত  থেকে লাফিয়ে নেমেছে মানুষ
.        জয়দেবের মেলায়
.        নদী ফুঁড়ে উঠে এসেছে মানুষ
.        জয়দেবের মেলায়


.        আমিও এসেছি
.        কুষ্ঠ ও গীতগোবিন্দের পাশে, মাথানিচু
.        দাঁড়িয়ে থেকেছি
.        বাউলের দরবেশের তাড়িত গানের পাশে, চুপ
.        দাঁড়িয়ে থেকেছি
.        মকরস্নানের পাশে, সারা গায়ে ধুলো
.        দাঁড়িয়ে থেকেছি


.        বটের ঝুরির মতো নেমেছে মানুষ
.        কেউ বলে, নাভি থেকে
.        কেউ বলে, নভ থেকে
.        মাটির এমনই টান তার কাছে সব নেমে আসে
.        নাভি নেমে আসে নভ নেমে আসে


.        আমিও এসেছি

.                 ****************                                                          
উপরে      


মিলনসাগর
*
  আমাদের ভাষা

  ১
.        গেঁড়ি গুগলি শামুকের অথৈ সংসারে
.        শালুকের মতো
.        নক্ষত্রের দিকে চেয়ে যে-ভাষা জেগেছে


.        চড়ুই শালিখ ঘুঘু ফড়িঙের পায়ে পায়ে
.        ঘাসফুলের মতো
.        যে-ভাষা দুলেছে রৌদ্রে হাওয়ায় হাওয়ায়

.        যখন দাঁড়াই আজও
.        কোন মাঠে কোন জলাশয়ের কিনারে
.        কাশফুল হেসে ওঠে শালুকেরা ঘোমটা তুলে চায়


  ২
.        মাদলে মাদলে জাগে আমাদের ভাষা


.        সন্ধ্যাতারার নিচে
.        একতারা বেজে ওঠে আমাদেরই তাড়িত ভাষায়

.                 ****************                                                          
উপরে      


মিলনসাগর
*
  ঘূর্ণন

.        ফাল্গুনের এ ঝোড়ো সন্ধ্যায়
.        আদিবাস থেকে, দেখি, শুকনো পাতারা ওড়ে-------উড়তে উড়তে
.        তোমার তন্দুর-হাট, পিত্সা-হাট, শপিং মল-কে ঘিরে
.        জড়ো হয়----- পাক খেতে থাকে
.        ফ্লাইওভার ঢেকে যায় শুকনো পাতায়
.        ঢেকে যায় থানার চত্বর


.        শহরের সরকারি গাছের পাতারা ইতস্তত
.        নিজস্ব আশ্রয় ছেড়ে শাখায় শাখায়
.        হাওয়ায় ঘূর্ণনে এসে জোটে
.        হিসেবের কী ভীষণ ভুল হয়ে যায়


.        থমকে দাঁড়ায় পথে----- পথে পথে ছোট--বড় অসম ট্রাফিক
.        তিরের ফলার মতো অজানা বিদ্যুৎ ছোটে
.        এলোমেলো সিগন্যাল
.        এম্বুলেন্স কেঁদে কেঁদে মরে


.        তুমি কোথায় লুকিয়ে আছো এমন সন্ধ্যায়
.        সরকারি অথবা বেসরকারি,  যে--বাসেই থাকো
.        নেমে এসো
.        তোমাকে ডাকছে আজ তোমার প্রাচীন
.        নেমে এসো
.        তোমাকে ডাকছে আজ তোমার অস্ফুট
.        তুমি নেমে এসো

.                 ****************                                                          
উপরে      


মিলনসাগর
*
সিঙ্গুর কিম্বা খাম্মাম


.        সিঙ্গুর কিম্বা খাম্মাম
.        পুঁজিপতিদের হামাম
.        সেবায় ডানেরা সেবায় বামেরা
.        সেবায় নেতারা তামাম

.        মানুষ যুদ্ধ হাঁকছে
.        তোমাকে সঙ্গে ডাকছে

.                 ****************                                                          
উপরে      


মিলনসাগর
*
তোমাকে ডাকছে, তসলিমা

.        যে দেশের বামপন্থী মিছিলে
.        লালপেড়ে শাড়ি আর শিশুদের নিয়ে
.        কয়েকটি বিশেষ পঙ্ ক্তি এখনও সাজানো হয়

.        সেই দেশ বারবার তোমাকে তাড়াবে


.        সে দেশের মধ্যে আছে অন্য এক দেশ-----
.        শিক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তোলে অন্ধকার বোরখা ফেলে দিয়ে
.        জমির লড়াইয়ে ছোটে বঁটি হাতে অহেতুক ঘোমটা ঠেলে দিয়ে


.        সেই দেশে কখনও কি তুমি এসে সটান দাঁড়াবে


.        সে দেশ মানে না কোন কাঁটাতার , ভৌগলিক সীমা
.        বাংলাদেশ, পাকিস্থান অথবা ভারতবর্ষ
.        তোমাকে ডাকছে , তসলিমা

.                 ****************                                                          
উপরে      


মিলনসাগর
*
  সহজ

.        সহজ কথাটা বলছি হে সোজাসাপটা
.        বন্ধ মিলের যত ঝড় যত ঝাপটা
.        সইতে সইতে শুকিয়ে মরছে বাপটা


.        আমি তার ছেলে, বলেছি সেদিন বাপকে
.        কত কাল আর পুষবি রে কাল-সাপকে
.        হুকুম কর না, এখনই মারছি চাবকে


.        চুপ চুপ চুপ,  চুপ কর তুই বাপু রে
.        এসেছিস যেন মস্ত একটা সাপুড়ে
.        ভুল পা রাখলে আগুনে, যাবেই পা পুড়ে


.        ছাঁটাই মানুষ, তবু আমি মজদুর যে
.        যেতে হবে জানি যেতে হবে বহু দূর যে
.        ফুরোয়নি আজো ফুরোয়নি তেজ সূর্যের

.                 ****************                                                          
উপরে      


মিলনসাগর
*
  কলকাতা

.        ছড়িয়ে আছে ছড়িয়ে থাক
.        গাছের যত পাতা
.        ছড়িয়ে আছে ছড়িয়ে থাক
.        শহর কলকাতা

.        ছড়িয়ে আছে ছড়িয়ে থাক
.        দুঃখ যত, সুখও
.        ঝড়ের দিনে আমরা জেনো
.        সকলে একমুখো


  ২
.        রোদের সঙ্গে উঠে দাঁড়াচ্ছে
.        বোধের সঙ্গে উঠছে না
.        মেঘের সঙ্গে মিলিয়ে যাচ্ছে
.        এ কলকাতা খুব চেনা


  ৩
.        আছাড় খাচ্ছে উঠে দাঁড়াচ্ছে
.        আছাড় খাচ্ছে বারবার-----
.        কোথাও কি জয় নেই আমাদের
.        এ খেলা শুধু কি হারবার


.        না কি এই বেশ, নাটক চলবে
.        মশাল নিববে,  মশাল জ্বলবে


.        ইচ্ছে করে যে দেখবার
.        এই কলকাতা ঘুরে দাঁড়াচ্ছে
.        মেধার মননে একবার

.        অন্তত আরও একবার

.                 ****************                                                          
উপরে      


মিলনসাগর
*
  বদল

.        দূরের কোন স্টেশনে এসে নেমেছি----        
.        অজানা সব রাস্তা-ঘাট
.                     অচেনা সব মানুষজন
.        আমাকে তবু এখন থেকে এ তল্লাটে থাকতে হবে
.        একা আমার এই বিজন

.        বিকেলবেলা তাকিয়ে আছে বিষাদ নিয়ে
.        কে তুমি ভাই, প্রশ্ন করে ঝরা-পাতার হাওয়া
.        যাবেন কোথা, জানতে চায় রিকশঅলা
.        কোথায় যাব জানি না, তবু যাওয়া


.        জানি না একা থাকব, না কি
.        থাকতে হবে আরও পাঁচের সাথে
.        দিন তো যাবে দিনের হাটে
.        জানি না ঘুম আসবে কিনা রাতে


.        মাঠের মাঝে দাঁড়িয়ে, হ্যালো হ্যালো
.        তাকেও আর পাই না ডেকে ডেকে
.        এখানে খুবই খারাপ নেটওর্য়াক -----
.        ছেলে-মেয়ের কন্ঠস্বর ক্রমশ ক্ষীণ
.                   ঝাপসা হয়ে আসছে ঘরবাড়ি
.        সকল আমি হারাই থেকে থেকে


.        বাড়িতে গিয়েছিলাম, গিয়ে
.        দেখি যে সব বদলে গেছে
.                    নতুন রঙ লেগেছে তার গায়ে
.        নতুন সব নতুন সব নতুন চারিদিকে
.                   নতুন চলা নতুন পায়ে পায়ে


.        সকলে তারা বলছে হেসে, হাই
.        পুরাতনকে ছাড়ুন,  বস্
.                       এই নতুনে আপনাকেও নতুন করে চাই


.        আবার তাই ফিরে এলাম এ তল্লাটে-----
.        এখানে আমি থাকতে চাইনি তো
.                    এখানে আমি থাকতে চাইছি না
.        তবুও কেন এই বিজনে ফেরা


.        সামনে, দূরে তেমনি ঠায়
.        বিষাদ-মাখা সূর্য তারা
.                     আঁধার দিয়ে ঘেরা  

.                 ****************                                                          
উপরে      


মিলনসাগর
*
  একটি নদী কথা

.        এ দেশে প্রকল্পগুলি নদীকেও জিন্ স পরাতে চাইছে
.        নদীর হাতে তুলে দিতে চাইছে সেলফোন
.        যেন প্রধানমন্ত্রীর আজ্ঞা বহির্বিশ্বের আজ্ঞা
.        সরাসরি শুনতে পায় নদী


.        কম্পিউটরের স্ক্রিনে
.        নদীর আটপৌরে নাম আবহমানের নাম মুছে গিয়ে
.        নতুন নাম জেগে উঠছে-----
.        গঙ্গা   গঙ্গা নয়    ফারাক্কা ব্যারেজ
.        ময়ূরাক্ষী    ময়ূরাক্ষী নয় আর


.        একটি নদী ফুঁসে উঠল,  না         
.        একটি নদী, শত-শত নেংটি-পরা মানুষের মা
.        একটি নদী, নর্মদা বা মেধা পটকর
.        যে নামেই ডাকো

.                 ****************                                                          
উপরে      


মিলনসাগর
*
ডেমোক্রেসি

ডান - বাম
ডান - বাম
দুলতে থাকে
পেন্ডুলাম

চাইছো চুমি
আর কী বেশি
এর-ই নাম তো
ডেমোক্রেসি

.  ***********    
.                                                                                        
উপরে      


মিলনসাগর
*
ডাক     

চাইনা তোমাকে দক্ষিণে কিবা বামে
মানুষের সাথে আছো তুমি, ডাকি
মানুষের সংগ্রামে

গ্রিস ফ্রান্স আর এমনকী আমেরিকায়
মানুষের মুখ প্রতিভাত আজ
আগুনের লাল শিখায়

তোমার স্বদেশও পুঁজিপতিদের হামাম
সেবায় ডানেরা সেবায় বামেরা
সেবায় নেতারা তামাম

বিরুদ্ধতার চাবুক ওঠাও হাতে---
ফারাওয়ের সাথে স্পার্টাকাসের
অধুনার সংঘাতে

.  ***********    
.                                                                                        
উপরে      


মিলনসাগর
*
আন্ধারে কে গো     
কবি বিপুল চক্রবর্তী

আন্ধারে কে গো, আন্ধারে কে
বসি একা ফেল চোখের জল

জমিন্ দারে ভাঙছে তোর ঘর বুঝি
সাধের জমিন্ নিছে রে দখল

জমিন্ দারে মারছে তোর মরদ বুঝি
টানছে তোর বুকের-ই আঁচল

আন্ধারে কে গো, আন্ধারে কে
বসি একা ফেল চোখের জল


দিম্-দিম্-দিম্ দিদম্-দিদম্
দিম্-দিম্-দিম্ দিদম্ দিদম্

লড়াই হাঁকে গো, লড়াই হাঁকে
দিদম্-দিদম্ বাজিছে মাদল

কাঁদিস না তুই, কাঁদিস না লো, কাঁদিস না তুই
হকের জমিন্ ছিনাই লিব, চল।


.
          ***********    
.                                                                                        
উপরে      


মিলনসাগর