| আলোর চিঠি কবি ঋতশ্রী_মজুমদার। |

| R.G. Kar কাণ্ডের প্রতিবাদের দেয়ালিকা <<<॥ পাতাটি ডাইনে-বামে স্ক্রল করে॥ Page scrolls left-right ॥ >>> |
| ||||||||||
| কবি কাজী কামাল নাসের কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৩.৮.২০২৪ |
| গান আসছে না কবি কাজী কামাল নাসের আমার কলমে গান আসছে না আর। কী ভাবে লিখবো স্বরলিপি বলো এই বোবা কান্নার! পার্ক স্ট্রিট থেকে কামদুনি হয়ে আর জি করের মেয়ে তোমাদের নিয়ে আর কত গান লিখবো, উঠবো গেয়ে? এই বাংলার খ্যাতনামা যত পেশাদার প্রতিবাদী তাদের কলম দশকেরও বেশি বন্ধ্যা ও অনাবাদী! আমার মতই দু একটা বোকা আজও চিৎকার করে ফেসবুকে সেই পোস্ট দেখে আরও কিছু লোক লাইক করে। কলমের নিবে ক্লান্তি জমছে ক্রোধ জমে তারও বেশি চোয়াল ক্রমেই শক্ত হচ্ছে ফুলছে মাংসপেশী। শাসককে তাই সাবধান করি এখনও সময় আছে |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৩.৮.২০২৪ |
| কোনখানে ভুল - কবি আর্যতীর্থ। রচনা ১০.৮.২০২৪। একটা মেয়ে ঝুলছিলো, নির্বসনা দুলছিলো, দূর গাঁয়ে নয় , রাজধানীতে, হাসপাতালে ডিউটি দিতে, রোগীর সেবায় জাগছিলো সে, স্রেফ সেটুকু ভুল ছিলো। আর্জি করে পায়নি সে ঘর, যেমন পারিস ডিউটিটা কর, মোস্ট সিনিয়র ডাক্তারেরও সময় একই রুল ছিলো, ঘুম কাড়া রাত, ঘাম ঝরা দিন, এ শিক্ষাতে নেহাত রুটিন, বাকির মতোই তাই করে মেয়ে স্বপ্ন গড়ে তুলছিলো.. ধর্ষিত আর খুন হওয়া যার মর্গেতে লাশ ফুলছিলো। হাসপাতালে সিকিউরিটি.. থাকা উচিৎ, ছিলো না রে আসতে যেতে সিসিটিভি.. থাকা উচিৎ, বাজেট বাড়ে, ডিউটিতে থাক দুজন রাতে.. |
| সূচীপত্র >>>>> |
| কবি সাগরিকা সেনগুপ্ত মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৩.৮.২০২৪ |
| গর্জে ওঠো - কবি সাগরিকা সেনগুপ্ত। রচনা ১৩.৮.২০২৪। পাশবিকতার আঙুলগুলি মুচড়ে ভেঙে লালসা ভরা জিভের ডগা উপড়ে ফেলে বিরাম বিহীন বিদ্রোহে আজ সামিল হয়ে আওয়াজ তোলো,গর্জে ওঠো। পিশাচ সদৃশ উল্লাসেতে মাতছে কারা? জন্মেছে মা'র গর্ভে সেটাই ভুলছে তারা! তারও ঘরে বোন আছে সেও ভুলছে ওরা। গর্জে ওঠো, গর্জে ওঠো। স্বপ্ন ভাঙার হাতগুলি সব গুঁড়িয়ে দিতে সম্ভ্রম লুঠ করছে যারা সে দস্যুদের- এক হও সব চরমতম শাস্তি দিতে। সবাই জোটো, গর্জে ওঠো। চাল বেচালের দোহাই দিলে চলবে না তা, রাত-ডিউটির মাশুল গুনল যে মেয়েটা ডাক্তার সে, উচ্চমেধার, মুক্তচেতা-। প্রতিবাদে মুখর হয়ে গর্জে ওঠো। |
| কলকাতার R.G. Kar হাস্পাতালে, রাতের কর্তব্যরতা লেডি ডাক্তারের রহস্যজনক নির্যাতন ও মৃত্যুর বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কবিতা, মিলনের কার্টুন ও ১৪ই অগাস্ট ২০২৪ এর রাতের নারীদের রাত দখল আন্দোলনের দেয়ালিকা। |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৩.৮.২০২৪ |
| গ্যাপ - কবি আর্যতীর্থ। রচনা ১১.৮.২০২৪। সংসার নিয়ে মুচমুচে কিছু লিখবে রাই বা আর্য সেরকম আশা নিয়ে কবিতায় রবিবার করা ধার্য। কিন্তু কখনো কোনো রবি আসে যেইদিনে এত কান্না আমাকে তো ছাড়ো, বরবাবুটিও হাসি খুঁজে আর পান না। আর্জি করছে বিবেক এবারে, আর জি কর-এ যা ঘটনা, এমন আঁধারে দেশে পরিবেশ ঠাট্টাহাসির মতো না। মেয়েমানুষের মেয়ে ও মানুষে আজও গ্যাপ দেওয়া গেলো কই, জন্মের থেকে ঘাটে যাওয়া তক নারী হলে কেউ ‘ সেফ’ নই। আমাদের আছে দুখানা কন্যা, একেবারে ওর বয়েসের বিদেশ বিভুঁইয়ে জীবন কাটায় যে যার নিজের চয়েস-এর রাত করে ফেরে, ছোটো প্যান্ট পরে, একা একা ঘোরে শহরে পুরুষের থেকে আলাদা কিছু তো তফাৎ পড়ে না নজরে। তবুও ফারাক রয়েছে বইকি, ভিড় বাসে গেলে কোনোদিন, নিজেকে বাঁচাতে উদ্যত থাকে আঙুলে সেফটিপিন । ব্যাগের মধ্যে পেপার স্প্রে-টি সযত্নে থাকে শুয়ে ঠিক, মেয়ে-মানুষের গ্যাপ যারা ভোলে, একবার শুধু ছুঁয়ে নিক। বরবাবুটির মত আছে এক, যাতে বেশ আছে যুক্তি, সব টোন-কাটা সাজা পেলে হবে ধর্ষণ থেকে মুক্তি। প্রতি ধর্ষক পার পায় আগে ‘ছোটো’ ভাবা অপরাধে তারপরে তার হাতেখড়ি হয় বড় বড় বরবাদে। ভিড় বাসে কেউ শরীরকে ছুঁলে সেখানে নীরব হলে, আগামী রেপিস্ট তৈরি করার নরকের দ্বার খোলে। |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৩.৮.২০২৪ |
| মুষল - কবি আর্যতীর্থ। রচনা ১২.৮.২০২৪। আমরা সবাই খুঁজতে থাকি দোষী। হিসেব করে গণিতগুলো কষি, যাদের আগেই দাগিয়ে রাখা আছে, রোজ পুড়ে যায় ঘেন্না-রাগের আঁচে, তাদের সাথে মিল খুঁজে বের করে, আমরা সবাই ঝাঁকিয়ে মাথা জোরে, বলতে থাকি ‘ এই তো ওদের কাজ, সমাজ কোথায় যাচ্ছে বলো আজ!’ যুগের ধর্ম এটাই। চাইছি যাদের পেটাই, সুযোগ পেলেই তাদের ঝেড়ে গায়ের জ্বালা মেটাই। সব খুনী আর ধর্ষকেরা ওদের, একপেশে এক আজব জীবনবোধের আমরা সবাই শিকার, কেউ করি আর কেউ করি না স্বীকার, কিন্তু বিভাজনের বিকার সব মগজে থিতু, নিজের গণ্ডী পেরিয়ে গেলেই সীতার মতো ভীতু, তার বাইরে যারা থাকে সবাই দশানন, সেই ভাবনায় আটকে আছে সব মানুষের মন। কাজেই গেলে হাতের বাইরে পরিস্থিতি বাড়িয়ে চলে ভেদের ভীতি কুরাজনীতি, ‘ ওই ওরা’ দের কুমীরছানায়, মানুষভাগের যুক্তি বানায়, তোমার মাঝে , আমার মাঝে, ‘ আমরা’ কথার সংজ্ঞাটা যে ঠিক সেখানেই ঘা দিয়ে দিয়ে হয় দল পাকানো, তার পরে তো খুবই সহজ অন্য দিকে মন ঘোরানো, সব দোষই যায় ‘ ওদের’ ঘাড়ে, রাজনীতি তার দায় এড়িয়ে কাঁধের থেকে ধুলো ঝাড়ে। কেউ দেখি না সেই সুযোগে ঘরের ঘাসে মুষল বাড়ে, আমার ক্ষতি যে করে যায়, আমার থেকে দূরে না রে… |
| কবি শ্রীজাত মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৩.৮.২০২৪ |
| যোনি মানে তো চিরে রাখা রাস্তাই একটা কবি শ্রীজাত। রচনা ১১.৮.২০২৪। যোনি মানে তো চিরে রাখা রাস্তাই একটা, একটা সরু গলিপথ। কিন্তু সেটুকুতে মন উঠল না তোমার। তুমি সেই রাস্তায় কাটারি চালিয়ে আরও বড় রাস্তা বানালে। চেরাকে সোজা ফালা করে দিলে। আরও বড় জায়গা তৈরি হল। তুমি রক্ত মাংস কাদার মধ্যে দিয়ে হাত চালিয়ে ভেতর থেকে বার করে আনলে নাড়িভুড়ি। বাইরে পাহাড় তৈরি হল ছোটখাটো। আর ভেতরে জায়গা। অনেকখানি। এইবার তুমি যোনির মধ্যে রড ঢোকালে। তারপর স্টোন চিপস। তারপর ট্রাক। তারপর হোটেল। তারপর পেট্রল পাম্।তারপর শপিং মল। তারপর জাহাজ বোঝাই বন্দর। তারপর বিমানপোত। তারপর মহাসমুদ্র। তারপর হাতের মুঠোয় চেপে ধরে ঠেসেঠুসে গোটা পৃথিবীটা তুমি গুঁজে দিলে সেখানে। কিন্তু, কী আশ্চর্য, তোমার কৌতূহলী মন তাতেও শান্ত হল না। শেষমেশ ব্যাপারটা কী, বুঝে নিতে তুমি নিজেই ঢুকলে ভেতরে। মাথা, বুক, কোমর, হাঁটু, পা। এইভাবে পুরোটা ঢুকে গেলে। ন’মাস পর তদন্ত সেরে যখন বেরিয়ে এলে, ডাক্তারের হাত, টেনে বার করল তোমাকে। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৩.৮.২০২৪ |
| কৃষ্ণা জানকী নন - কবি আর্যতীর্থ। রচনা ১২.৮.২০২৪। Neet PG চান্স পাওয়া মেয়েটিকে বাপ মা যদি বলেন, শোন মা, এমন স্পেশালিটি নিস যাতে নাইটডিউটি নেই, লোকের সাথে মেলামেশা নেই.. সাবধান! আপনারা কিন্তু জিতিয়ে দিচ্ছেন ধর্ষণকেই। প্রতি ধর্ষক চায় মেয়েরা নিচে থাকুক, আতংক ঘুরপাক খাক অন্দরে, পুরুষের সমান হওয়ার চেষ্টা করার ‘ অপরাধ’ যেন নারী না করে, তার প্রতি গতিবিধি যেন ইচ্ছে নয়, ভয় দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। আপনার বাড়ির মেয়েটির পেশা, সখ, স্বপ্ন আর ইচ্ছাগুলো আগামী ধর্ষণের সম্ভাবনায় বদলাতে হলে, সেটা কিন্তু আদতে ধর্ষকের জয়। যতই বাড়িতে মা বাবা ছেলে মেয়ে সমান বলে মানুষ করুন, প্রতিটি পুরুষ বাইরে বেরোলে বোঝে, লিঙ্গপ্রাধান্যে তার মাফ সাতখুন, বেশ্যা বা খানকি কথাটার কোনো পুংলিঙ্গ নেই, শিক্ষিকা থেকে পাড়ার কাকিমা, সহপাঠী থেকে পার্কে দেখা দূরবর্তী অপরিচিতা, সকলকে শরীরের মাপকাঠিতে তুলনা করা যায়, তাকে কেউ বোঝায় না মানুষকে স্রেফ শরীর ভাবা মহা-অন্যায়, এমন কোনো নারী নেই, কোনো পুরুষের মনে যে কখনো হয়নি ধর্ষিতা। ‘ দ্যাখ একটা মেয়ে তোকে টপকে গেলো’ ‘ তুই কি মেয়ে যে কাঁদছিস’ ক’জনের গুরুজন বাড়ির ছেলের কানে দেননি এ’জাতীয় নিরামিষ বিষ, হাতে গুনে বলা যায়। নারী মানে ন্যূন হবে মেধা ও মননে, রূপ রন্ধন আর গৃহকর্মনিপুণ তার গুণ প্রধানত, দ্বিসহস্রাব্দ ধরে সে বিচার ঘুরছে সমাজে, পুরুষ ও নারীদের সে ধারণা লাগে তাই বিধিসম্মত। |
| যে কোনো পুরুষকে নারীকে সমান ভাবা শিখতে গড্ডলিকার বিরুদ্ধে নিতে হয় ভাবনাকে, খামোখা সে শিখবেও কেন, অনেক সুবিধা হয় মিশে গেলে ঝাঁকে। সুতরাং, এ লড়াই নারীদের একার লড়াই। প্রতিটি ধর্ষণ যার রাশ টেনে ধরে, পোশাক স্বভাব পেশা গুরুত্ব পায় , ‘ ওখানে ওসময় কেন ছিলো’ কেউ ঠিক দেয় সেই অভিযোগ করে, যেন ধর্ষক পুরুষকে চুম্বকে টেনে আনে নারীর মোহিনী মায়াজাল, এ সব জঞ্জাল-উক্তি ছিলো আছে ও থাকবে, যে বোঝাবে নারীদেহ নিজেই দিয়েছে কেটে হাঙর কুমীর আসা খাল। সীতাকে আদর্শ কোরো না, লংকাবিজয়ে তিনি পুরুষের মানরক্ষার ঘুঁটি ছাড়া কিছু নন, দ্রৌপদীর শরণ নিও না , পুরুষ আর পুরুষের যুদ্ধের মাঝে পড়ে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বস্ত্রহরণ, ধর্ষক তো চাইবেই তার ভয়ে মেয়েরা পেছোক, আসল সমস্যা হবে ‘নিরাপত্তা’ ভেবে যদি ঠিক তাই চান সব অভিভাবক, সবে তো যাত্রা শুরু, এখনো অনেক পথ যেতে হবে নারী, দয়া করে ধরে রাখো দমটাকে, আত্মরক্ষা নাও,নিজেকে বাঁচাতে শেখো, শূন্য না করা যাক, শারীরিক বিপদেরা যেন ক্রমে হতে কম থাকে। সেদিকেই যাওয়া যাক, ‘নিরাপদ’ পথ বেছে পিছিয়ে না যেতে বলে কোনো কন্যাকে। পুরাণে শরণ যদি নেহাতই নিতে চান কেউ, কৃষ্ণা জানকী নন, স্মরণে আনুন তবে কাশীরাজদুহিতা জেদী অম্বাকে। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি পার্থ দাশগুপ্ত কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৩.৮.২০২৪ |
| ডক্টর শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়, M.Poet (Gynaecology) কবি পার্থ দাশগুপ্ত। রচনা ১২.৮.২০২৪। বঙ্গরত্ন শ্রী-জাত খাইয়া কচুরি ঘি-জাত রচিয়াছেন এক অমর পদ্য যাহা গাইনোকলজি-জাত। সেথায় যতেক রমণী ফুলাইয়া শিরা ধমনী 'আহা রে' 'বাহা রে' ধ্বনিতে মুখর করিছেন পাতা e-জাত। ভাবিয়াছিলাম রুধিব দুয়ার, খেদাইয়া দিব দিয়া একধার কিন্তু কেহ বা ভগিনী আমার, কেহ বা নাতিনী মামাতো বুয়ার, কেহ বা প্রণয় অভিলাষিণী যে, কাহারও বা আমি জিজা-তো!! ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি অরুণাচল দত্ত চৌধুরী কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৩.৮.২০২৪ |
| ইস্তফা কবি অরুণাচল দত্ত চৌধুরী। রচনা ১২.৮.২০২৪। প্রিন্সি থেকে পদত্যাগ। আমি এই পেশা ছাড়িনি তো! নারীমাংস উপাদেয়। তবু পাতে নিতে হয় তিতো। তাতে খিদেটিদে বাড়ে। এই সবই শাস্ত্রে লেখা আছে। এক ফোনে পেয়ে যাবি। আমি আছি আনাচে কানাচে। ফিরে আসবই ঠিক। দেখে নিস্... নায়কের বেশে। সেমিনার টেমিনার ভরে দেব নয়া উপদেশে। আমার বিরহে তোরা একদমই মরিস না ভুগে। এই কুরুক্ষেত্রে আমি সম্ভবামি হব যুগে যুগে। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি স্বপ্না ঘোষ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৩.৮.২০২৪ |
| কোন পাগলে বলে কবি স্বপ্না ঘোষ। রচনা ১২.৮.২০২৪। বাশিওয়ালা ও বাঁশিওয়ালা , তুমি আমায় নিয়ে যাবে সৎ মানুষের দেশে ! যেখানে বিচার আছে প্রেম আছে ন্যায়নীতির নামে দুর্নীতির ভিমরুলেরা লুকিয়ে নেই ঝাঁকে ঝাঁকে বেরিয়ে পড়ে সুযোগ পেলে ওপরতলার নির্দেশ এলে । বাঁশিওয়ালা তুমি জানো না আমি তো মৃত । সে যে কী যন্ত্রণা , কয়েকটি পিশাচ এসে নৃশংসতমভাবে আমায় হত্যা করলো ধর্ষণ করে সেই থেকে আমি চলেছি তোমার পিছু পিছু । সবাই বিচার চাইছে বিচার কি করে হবে ? নামি দামি ডাক্তার ও রাজনীতিকরা দুর্নীতিতে জড়িয়ে আছে , ধরেছে চুনোপুঁটি সঞ্জয়কে , আজ্ঞাবহ এক ছিঁচকে মা-বাবার কথা খুব মনে পড়ছে । |
| কবি স্বপ্না ঘোষ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৩.৮.২০২৪ |
| ফলাফল লিখছে কবি স্বপ্না ঘোষ। রচনা ১১.৮.২০২৪। আবারও এক নির্দোষকে দোষী সাজানো হবে আবারও হতবুদ্ধি নির্দোষ আকাশের তারা গুণবে কত সহজ গরীবকে আদ্যোপান্ত দোষী সাজানো সহজ , মৃত্যুর ওপর নকল তদন্ত চাপানো দূষিত মাছি ঢুকে গেছে, নোটবুকে তদন্তের ফলাফল লিখছে। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি ডঃ অম্বর এ. কোনার কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৩.৮.২০২৪ |
| আর্জি করিস না কবি ডঃ অম্বর কোনার। রচনা ১১.৮.২০২৪। পরিচ্ছন্ন বিছানা, ছিটকিনি আর টয়লেটের আর্জি করিস না। বরং চোখের নীচে কালি, কাজে নির্ঘুম রাত আর নিরাপত্তাহীনতায়... ঝরে যাস চুপচাপ। ডিউটিতে রিপ্লেসমেন্ট আসবেই, বাড়ীতে ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি ..ঋষি ( Senjit Bose ) কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৩.৮.২০২৪ |
| আর কোন ধর্ষন নয় কবি ..ঋষি ( Senjit Bose )। রচনা ১১.৮.২০২৪। আমরা পিছনে ফিরে তাকাবো না কারণ আমরা ওর কেউ নই, আমরা সামনের দিকে তাকাবো না কারণ আমাদের পরিবার বিপদে পড়বে আমরা নিচে,উপরে কোনদিকেই তাই তাকাবো না বরং চোখ বন্ধ রাখবো তাতেই মঙ্গল। . আমরা ফেমিনিস্ট নই আমরা কোন জঙ্গি বা মাওবাদী কিছুই নই আমাদের পিস্তল নেই তবে আইন আছে আমরা দেখতে পাই না তবে চোখ আছে আমরা খবর শুনি, দু:খ প্রকাশ করি আমরা শান্তি চাই, অটোর লাইনে দাঁড়াই আমরা জনসভায় উপস্থিত থাকি,ভোট দি কিন্তু প্রশ্ন করি না কেন? কেন বারংবার? . পুরুষের ভোগে ব্রথেল আছে কমবেশি সকলের অধিকার কিংবা বিয়ের সার্টিফিকেট আছে প্রত্যেকের বাড়িতে খাট,গদি, চাদর,বালিশ সব আছে প্রত্যেকেরি তো কম বেশি একটা শরীর আছে |
| তবে কেন? তবে কেন বারংবার এই নারীদের সম্মানে হানা? তবে কেন বারংবার ক্ষতবিক্ষত,রক্তাক্ত যোনি? বাংলা বিহার উত্তরপ্রদেশ কোথাও বাদ যায় না পাঁচ থেকে পচারত্তর কেউ বাদ যায় না শরীর শুধু শরীর, মাংস শুধু মাংস বিংশ শতাব্দী পার করেও আমরা এখনো বদলায়নি এখনো তো আমরা সবাই মানুষ হতে পারি নি। . হ্যা মশাই আপনাকে বলছি আজ আরজিকর কাল হয়তো আমি, পরশু আপনি আপনা মেয়ে এখন কি করছে ? পড়তে বসেছে, আপনার স্ত্রী এখন কি করছেন? রান্না করছেন আর আপনার মা ? আচ্ছা গীতা পড়ছেন। ভাবুন আরেকটু ভাবুন, যদি আপনার ? কি ভয় করছে ? মশাই এখনো সময় আছে, আপনারও........ |
| আর কাহাতক একই খবর বারংবার আর কতদিন? একই জনরোষ কিছুক্ষণ শুধু এইটুকুই খবর, মিডিয়া,বেচাকেনা, টি আর পি কিছুদিন মোমবাতি মিছিল,শোক জ্ঞাপন আর বিজ্ঞাপন কিছুই যায় আসে না,আমরা শুধু ভুলে যাই কারণ আমরা ওদের কেউ না, কিন্তু যার যায় তার যায় আর আমরা, আবার কোন ধর্ষনের খবরের অপেক্ষায়। অনেক তো হলো, এইবার উঠুন, জাগুন যে নারীকে আমরা দেবীর মর্যাদা দি, প্রণাম করি উচ্চারণ করি " যা দেবীসর্বভূতেষু শক্তিরূপেণ সংস্থিতা। নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমো নমঃ॥" তাকে এইবার স্বআসনে অধিষ্ঠিত করার সময় হলো সময় হলো রুখে দাঁড়িয়ে বলার একটাই শাস্তি........ কেটে নেবো। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি সুব্রত দেব কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৩.৮.২০২৪ |
| কলকাতা কবি সুব্রত দেব। রচনা ১১.৮.২০২৪। ‘সিটি অব জয় আজ সিটি অফ ভয়’। মূলে কার অবদান, জানো নিশ্চয়। ভয়কে দেখালে পরে আরো বড় ভয় জীবনযুদ্ধে তবে আসবেই জয়। চোখ বুজে থাকে যারা তারা ‘গুড বয়’। শিরদাঁড়া আছে কি না সন্দেহ হয়। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি দেবীস্মিতা দেব কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৩.৮.২০২৪ |
| সভ্যতার মানচিত্র কবি দেবীস্মিতা দেব। রচনা ১১.৮.২০২৪। হা হা হা হা হা! আবার সভা বসেছে সমিতি বসেছে ধর্মতলা থেকে মোমবাতি হাতে মিছিলটা এবারে জানি ঠিক ক’টায় শুরু হবে? আসলে মুশকিলটা কী বলি… আজকাল তো আবার লোডশেডিংটা কম হয়। ঘরে তাই মোমবাতি মজুত থাকে না যে আমাদের। কাল পাড়ার পল্টু বিষ্টুদের দোকান থেকে এক প্যাকেট… নাহ্, এক প্যাকেট নয়। কয়েক প্যাকেট মোমবাতি তাহলে আনিয়ে রাখতে হবে। আরে, বিকেলে ধর্মতলা থেকে আরও অনেকের সঙ্গে মোমবাতি মিছিলে সামিল হতে হবে যে আমাকেও। হা হা হা হা হা! ড্রামা, ড্রামা, ড্রামা হচ্ছে সব। এবার নাকি ময়নাতদন্ত হবে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না বেরোনো পর্যন্ত জনজাতিকে আবারো ঠুঁটো জগন্নাথ হয়ে বসে থাকতে হবে যে। নাহ্, এবারে আমরা আর চোখ কান বন্ধ রেখে আদ্যোপান্ত ঠুঁটো জগন্নাথ হয়ে বসে থাকব না। |
| তারপর একদিন পূর্ব, একদিন পশ্চিম… এমনি করে ঈশাণ, অগ্নি, নৈঋত, বায়ু, উর্দ্ধ, অধঃ সব… সবদিক থেকেই তিন থেকে তিরাশির শিশুকন্যা থেকে বৃদ্ধার অপ্রত্যাশিত মৃত্যুর খবর ভেসে আসতে থাকবে আমাদের কানে। বেঁচে যাওয়া মোমবাতি হাতে আবারো আমরা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করব। মৃত্যুমিছিলে সামিল হব, পালন করব শোকসভা… সমবেত কণ্ঠে গেয়ে উঠব, ‘আছে দুঃখ, আছে মৃত্যু’... কিংবা আবারও প্রতিবাদের শেষ হাতিয়ার হিসেবে বেছে নেব অনশনের পথ। অন্যদিকে একটু ঘাড় ঘুরিয়ে তাকালেই দেখতে পাব আরেক পক্ষ নির্লজ্জ বেহায়া অশিক্ষিত ছেলের দল কী এক পৈশাচিক উল্লাসে সত্তরোর্ধ্ব এক মাতৃসমা নারীর অন্তর্বাস হাতে তুলে দিগ্বিজয়ীর মতো হেসে উঠছে… হা হা হা হা হা। এইসব ডামাডোলের মধ্যে বিকেল গড়াতে না গড়াতেই শহরের বুকে কোনো এক জনপ্রিয় মাল্টিপ্লেক্স, ঐতিহ্যবাহী কোনও এক লাইব্রেরি |
| কবি তনিমা হাজরা কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৩.৮.২০২৪ |
| হাজার হাজার মুখোশের ভিড়ে কবি তনিমা হাজরা। রচনা ১০.৮.২০২৪। হাজার হাজার মুখোশের ভিড়ে ধারণাই নেই তোর, কারা যে আদৌ মানুষ আর কারা কারা শ্বাপদ, তাই, যোগ্যতা দিয়ে অর্জিত নিজের কার্য্যালয়েও তুই নোস নিরাপদ। যোগ্যতা তোর যাইহোক রে মামণি- ওদের চোখে তুই শুধুই একটা মেয়ে লোভ চকচক চামড়া, মাংস, স্তন আর যোনি। কখন কে কোথায় করছে আড়ালে ফন্দি, একলা পেলেই খাবে তোর হাড় মাস, হাড়গোড় খেয়ে প্রাণটাও খাবে ছিঁড়েখুঁড়ে, ফেলে রেখে যাবে লাশ। তোর মেধা আর তোর দীপ্তিকে ভয় পেয়েছে ওরা, তাই তোর প্রতিবাদটাকে, |
| কবি দিশারী মুখোপাধ্যায় মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৩.৮.২০২৪ |
| জাস্টিস ফর আর-জি-কর কবি দিশারী মুখোপাধ্যায়। রচনা ১২.৮.২০২৪। জাস্টিস ফর আর-জি-কর , জাস্টিস ফর পৃথিবী পৃথিবী একটি গ্রহ , তার উপর কোনো অশুভ গ্রহের ছায়া পড়েছে , নাকি সে নিজেই হয়ে উঠেছে এক অশুভ গ্রহ ? এসব নিয়েই ভাবছি ২৪ ঘন্টা । বহুদিন আগে থাকতেই জানি প্রত্যেকটা লোকের সারাদিনের ২৪ ঘণ্টার মাপ আলাদা আলাদা হয় , কারো সেটা মিনিটে সেকেন্ডে , কারো মাসে বছরে ; এসবই নির্ভর করে চারদিকের চাপ এবং তাপের উপরে । আমার ২৪ ঘণ্টার শরীর এবং আত্মা পেঁয়াজের মতো । তো সেইরকম ২৪ ঘন্টায় আমার কেবল ঘুম পায় , অথচ সারারাত ঘুম হয় না , সারাদিন ঘুম হয় না , ঘুমের ভেতর থাকে না ঘুমের ছিটেফোঁটাও। বুকের পাঁজরের তলায় , পিঠের মেরুদণ্ডের দুধারে শুধু অনুভব করছি চাপ-চাপ ডেলা-ডেলা আর-জি-কর । ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি মালতী মণ্ডল কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৩.৮.২০২৪ |
| স্বপ্নের ব্যবচ্ছেদ কবি মালতী মণ্ডল। রচনা ১১.৮.২০২৪। আবারো আসছে একটা স্বাধীনতা মাখা ভোর, পতাকা উঠবে রাজভবন থেকে নিষিদ্ধ পল্লীতে.... দেশের ভিতর, আরও একটা জেগে উঠবে নতুন দেশ লাশের পর লাশ সাজানো। নির্ভয়া, কামদুনি হয়ে আর জি করে মরবে আগামীর স্বপ্নেরা। হিংস্র জানোয়ারের থাবা নৃশংস অত্যাচার সোনালি ভবিষ্যতের শরীরে। তবু আবারো বক্তৃতায় ভাসবে দেশ শ্লোগান উঠবে লাল কেল্লা থেকে নবান্নে স্বাধীনতার জয়গান, প্রতিশ্রতির বন্যা। বস্তির কচি -কাঁচারা সাদা ঘুড়ি, উড়াবে গেরুয়া আকাশে..সবুজ বুকের প্রান্তরে দাঁড়িয়ে | মোমবাতি মিছিল ছেড়ে গলি থেকে রাজপথ ভরে উঠবে গৈরিক পতাকায়, ভাষণের পর ভাষণ... আমজনতার চোখে লোভনীয় ভান্ডার। কবে স্বাধীনতার আলো পাবে, আর জি কর, কামদুনি নির্ভয়া!!!! ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি মালতী মণ্ডল কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৩.৮.২০২৪ |
| শপথ কবি মালতী মণ্ডল। রচনা ১১.৮.২০২৪। আকাশ জুড়ে নামে অক্ষর বৃষ্টি - বিবেকের ঘরে অন্ধকারের চাবি , উঠে এসো প্রিয় সুখ -শয্যা ছেড়ে বৃষ্টিকণা আজ তুলুক বজ্রের দাবি। ভেসে কেন যাবে মায়ায় জড়ানো নদী? মোহনাই বা কেন হবে ক্ষত বিক্ষত? নদীকে যে নামেই ডাকি না কেন আসলে সে সত্যিই মায়ের মতো। মুখোশ অস্ত্রে খড়্গ আসছে নেমে উঠুক আওয়াজ কলমের নিব ভ'রে , বন্ধু আজকে ভীষণ দুঃসময় - চলো পথে হাঁটি শপথের হাত ধরে। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| অজ্ঞাত কবি কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৩.৮.২০২৪ |
| ওপেন হার্ট সার্জারি অরিজিত বাগচীর ফেসবুক থেকে নেওয়া। ছবিতে কবির সইটির আমরা পাঠোদ্ধার করতে পারিনি। |

| কবি সুনীল মাজি মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৩.৮.২০২৪ |
| চেতনা : শূন্য কবি সুনীল মাজি। রচনা ১১.৮.২০২৪। কার যে কখন ঘড়ি অচল হয়ে যাবে? কার বাগানের ফুলপুষ্প কখন যে চুরি যাবে! কবে থেকে ছিঁচকে চোরগুলো এত বড় বড় বর্দী পরে ডাকাত হলো? সবকিছুই রঙসম্ভব ! সব প্রেম রঙের জাদু! বুঝলে চাঁদু জাদুঘরে শূন্য পেলেও তুমি বিকলাঙ্গ শরীরে জয় করতে পারো ম্যারাথন। কেননা তোমার দৌড়ানোর দরকার নেই। তোমার বদলে রেসের গাড়ি আছে। রথচক্রে অষ্ট্রাবক্র এই বেশ আছ খেলা শুরুর আগেই তুমি পুরস্কৃত। অতএব মিথ্যা বলো। অতএব বলো যে, এখানে কোনও কীট পতঙ্গ আরশোলা ইঁদুর নেই বলো কীটনাশকের প্রয়োজন নেই বলো আকাশে শকুন চিল বাদুর ও চামচিকি নেই বলো আধুনিক সভ্যতার স্বর্ণযুগে মানুষ সততার প্রতীক বলো মানুষের নিঃশ্বাসে কোনও ধোঁয়া নেই বলো মানুষ পলিথিন পলিমার সিলিকন গুঁড়ো কী জানে না অথবা কিছু না বলে শূন্য থাকো মা বাবার শূন্য কোলে একটি করে পুতুল দাও ! বলো, কেউ ধর্ষিত হয়নি—যা দেখছেন ওটা সেক্স-ডল! নব্য-বণিকের দেশে তবে কি দাসপ্রথা চালু হলো আবার! ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি ব্লাগা দিমিত্রোভা, ( বুলগেরিয়া ) অনুবাদ কবি যশোধরা রায়চৌধুরী মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৩.৮.২০২৪ |
| একাকী নারী, রাস্তায় কবি ব্লাগা দিমিত্রোভা ( বুলগেরিয়া )। অনুবাদ কবি যশোধরা রায়চৌধুরী সত্যিই ঝুঁকি আর অসুবিধে এটা এখনো এ ‘পুরুষের’ পৃথিবীতে । উদ্ভট কোন অতর্কিত মোলাকাত প্রতিটি বাঁকের মুখে রয়েছে যেন। এমনকি, সড়কেরাও কৌতূহলী চোখ দিয়ে বিঁধিয়ে দিচ্ছে তোমায়। একাকী নারী, রাস্তায় । তোমার একমাত্র প্রতিরোধ তোমার প্রতিরোধহীনতাই। কোন পুরুষকে করে নাওনি তোমার ক্রাচ, ভর দেবার জন্য। বরং ভর দাও একটা গাছের গুঁড়িতেই ঝড় থেকে বাঁচো একটা দেওয়ালে ভর দিয়েই। একা রাস্তায় নেমেছিলে সে-পুরুষের সঙ্গে সমানে সমানে মিলবে বলে তাকে সত্যিকারের ভালবাসবে বলে। তুমি কি নিজের গন্তব্যে পৌঁছবে, না কি উলটে পড়বে, কাদা মাখামাখি হয়ে? না কি চোখ ধাঁধিয়ে যাবে দৃশ্যপটে? জানা নেই এখনো, তবু তুমি একগুঁয়ে। |
প্রতিটি পদক্ষেপ নিচ্ছ বিশ্বাসের শপথ নিয়ে সেই ছায়াচ্ছন্ন মূর্তির প্রতি যার ভয় ওরা তোমাকে বহুদিন দেখিয়ে এসেছে। পাথরে তোমার পায়ের শব্দ ওঠে। একাকী নারী , রাস্তায় সবচেয়ে পেলব আর সবচেয়ে সাহসী পা ফেলছ অপমানিতা মা ধরিত্রীর বুকে। সেও, আর এক একাকী নারী। রাস্তায়। অনুবাদ যশোধরা রায়চৌধুরী ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| Poet Rajashree Ray-Bandyopadhyay Poet's Facebook . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৩.৮.২০২৪ |
| Dear Tilottama Poet Rajashree Ray-Bandyopadhyay, 12.8.2024. . Dear Tilottama , I am a daughter and a sister I am a wife and a mother I am a doctor and a teacher But above all I am a woman. A woman who has loved and been loved Who has dreamt and been inspired. By friends, colleagues and teachers. But my child, you are all of these and beyond. You are the brave beautiful Nightingale who has fought with her life. So that generations of women after you Feel safe to pursue their careers. For you, millions today are aware Of the toil and sacrifices that are made each day in white coats By young girls and boys at the prime of their lives Tilottama, even if I cry, You won't come back to live the rest of your unfulfilled dreams. Even if I pray, Your parents will not hold you just once more in their arms. What shall I do then ? What shall I ? Will I shout out loud? Or shall I just endure? Like women have endured before us.? ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি তন্দ্রা ভট্টাচার্য্য মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৩.৮.২০২৪ |
| যা কিছু ঘটে গেল কবি তন্দ্রা ভট্টাচার্য্য। রচনা ১১.৮.২০২৪। যোনির সদর দরজা ঠেলেই সে প্রথম সূর্যের আলো দেখেছিল। পেন্সিল ছাড়া, রং ছাড়া আমি স্বপ্ন এঁকেছিলাম। আমি বিরাট বড় ছাতাটা সেই থেকে ধরে ছিলাম। ধীরে ধীরে পুরুষ হলো পুত্র এবং চিতা বাঘও । যুদ্ধ বিধ্বস্ত নারী শরীর এলাকা, লুটে নিল একা। ছেলে আর মেয়েদের মানচিত্রে প্রেম দিয়ে আঁকা, সংসার রেখা। রক্ত বীজের হিংস্র ফসল, ও মুর্শিদ এ কেমন তোমার অংকের যোগফল? এই পৃথিবীতে এখন সব বাবা ও মা উলঙ্গ উন্মাদ পাগল। স্তন ও যোনির ভেতর বর্শা ঢুকিয়ে রক্ত সাগর পার হয়ে যাচ্ছে দলে দলে। স্তনের ভার শিশুর দুধের জন্য বইতে হবে বারবার। যোনির কাছে বন্দুক ঠেকিয়ে কে যেন বলল বন্ধ কর ধর্ষকের জন্ম রাস্তা। ধরত্রী চিৎকার করে কেঁদে বলে পৃথিবী অন্তঃসত্ত্বা। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি মনিরুল কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৩.৮.২০২৪ |
| বলবে ওরা, "ধর্য্যি ধর" কবি মনিরুল। রচনা ১০.৮.২০২৪। বলবে ওরা, "ধর্য্যি ধর"... কবির আরজি, "এখনই কর"... দাগিয়ে দিবি বলে বর্বর ? আগে R G kar এর বিচার কর ... ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি মনিরুল কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৩.৮.২০২৪ |
| অন্যায়টা দেখার পরেও কবি মনিরুল। রচনা ১০.৮.২০২৪। অন্যায়টা দেখার পরেও, আজ হয় না কারো রাগ... তার চাইতে দু:খটা হয়, কেন পেলাম না তার ভাগ ... ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি দীপশিখা পোদ্দার কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৩.৮.২০২৪ |
| সাক্ষী কবি দীপশিখা পোদ্দার। রচনা ১১.৮.২০২৪। যোনির ভিতর থেকে মাথা তুলে জানাচ্ছে শ্বেতবিন্দুগুলি, একা নই, একা নই, আমরা দু'জন। অভিশপ্ত সেই শেষরাত সেই আসন্ন সকালের নেভা নেভা নিশ্চুপ বাতাস সেই অন্ধকার ভেদ করে উঠে আসা আর্ত চিৎকার একটি লাল কম্বল আর যোনির ভিতরে পড়ে থাকা বীর্যটুকু ছাড়া আর কেউ মেয়েটিকে মরে যেতে চাক্ষুষ করেনি। একটি মেয়ের মৃত্যু বুকে করে পৃথিবী কাঁপানো এক নৃশংস বলাৎকার বুকে করে অন্ধকার গুহার ভিতরে দাঁতে দাঁত চেপে সত্য আঁকড়ে বসে থাকা নির্ভীক সিমেন তোমাকে সেলাম। পৃথিবীর সব সাক্ষী মিথ্যে বললেও সমস্ত প্রমাণ লোপাট হয়ে গেলেও হে শুক্ররস, হে আদিম তরল, তোমাকে অস্বীকার করবে এমন বিচারালয় নেই কোত্থাও। লোকে বলে পাপীর রক্তে পাপ লেগে থাকে। থাকে তো! কিন্তু বন্ধ দরজার গায়েও লেখা থাকে পরবর্তী পথের ঠিকানা। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি তরুণ বোস কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৩.৮.২০২৪ |
| খুঁজবো তোকে ওই আকাশে কবি তরুণ বোস। রচনা ১১.৮.২০২৪। ওই দেখোনা খুকির বাবা! খুকি কেমন ঘুমিয়ে আছে! যেতে আমি পারছিনা আর আমার ছোট্ট খুকির কাছে। খুকির বাবা! বলনা গো? আমার খুকির কী হয়েছে? কেন খুকি এই অবেলায় চাদর ঢেকে ঘুমিয়ে আছে? হয়তো খুকির শীত করছে! বাবা তখন ফ্যালফ্যালিয়ে তাকিয়ে আছে মেয়ের দিকে ও ভগবান! করলে একি? কেড়েই নিলে মেয়েটাকে? স্বপ্ন ছিলো ডাক্তার হয়ে থাকবে মেতে রোগী-সেবায় কোন জানোয়ার মেয়েটাকে দিয়েই দিলো চিরবিদায়! জানোয়ার তো একজন নয়! ঘুরছে তারা হাজার হাজার চিকিৎসালয় ওদের হাতে তুলছে গড়ে খুনীর বাজার। |
| কবি দেবীপ্রসাদ ঘোষ কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৩.৮.২০২৪ |
| যে কোন বিষয় গল্প তৈরি কবি দেবীপ্রসাদ ঘোষ। রচনা ১২.৮.২০২৪। যে কোন বিষয় গল্প তৈরি আহা নন্দবাজার পারদর্শী ব়্যা কে ট 'টা যে এত বড় আর কূট খটমট হদিশই পাবো না পিছনের প্রকৃত প্রেক্ষাপট একটা লোককে শিখণ্ডী করে ব়্যা কে ট 'টাকে গল্প আড়ালে চেষ্টা প্রাণপন,না করলে চলে? কি করে জানবে কোন ঘরে নিচ্ছে বিশ্রাম মৌমিতা, জেগে থাকা লোকগুলির নজর এড়ানো এত সোজা একটা লোকের এ খুন জখমের মোটিভ কোথা এ, ব়্যা কে টএ, ব্যবসাচক্রী,নন্দ-বাজারী পুলিশি চক্র, গুণ্ডাবর্দী বা দক্ষ রাজনীতি সামিল আছে, অবশ্যম্ভাবী এ কাজ একার পক্ষে নয় সম্ভব মৌমিতারও যথেষ্ট দোহারা সৌষ্ঠব, ছিলই ছিল দুই বা তার অধিক পুঙ্গব মৃত ধর্ষণে আনন্দ পেতো গোলওয়াকর জিঘাংসা চরিতার্থ হয় কি? মৃত্যুর পর গল্প বানায় পুলিশ,কাগজ,যার দরকার। |
| কবি রুদ্রনীল ঘোষ কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৩.৮.২০২৪ |
| স্টেথোস্কোপ কবি রুদ্রনীল ঘোষ । কবিতাটি শুনে লেখা। স্টেথোস্কোপের গা টা ঠাণ্ডা ভাঙা চশমাটা চুপ হাসিমুখে মেয়েটা ফটোর ফ্রেমে সামনে জ্বলন্ত ধূপ ডাক্তারিতে চান্স পাবার খবরে হয়তো সেদিন মেয়েটার বাড়ি জুড়ে ছিল হৈ চৈ রান্নাঘর থেকে খুন্তি হাতে দৌড়ে বেরিয়েছিল মা চিৎকার করে বলেছিল --- ওগো সুখবর আছে পাড়া প্রতিবেশী সব গেলে কই? ওগো মেজ বৌদি শুনছো--- মেয়ে তো ডাক্তারিতে চান্স পেলো এই নুলুর মা, আরে বাবা আমার মেয়ের খবর কি তোমাদের কানে গেল? মেয়ে আমার আ রজি করে ডাক্তার হতে চললো জান বৌদি, মনে হয় গত জন্মের পুণ্য হয়তো এবার সত্যি হয়ে ফললো আত্মীয় স্বজন উত্তর দিয়েছিল --- ব্যাস আর চিন্তার কি বৌদি, তোমার মেয়ে তো আমাদেরও মেয়ে অসুখবিসুখ মানে এবার এবাড়িতেই ডাক্তার মা বলেছিল--- কি যে সব বল বৌদি এ সব না তোমাদের বাড়াবাড়ির আবদার শোনো বৌদি --- আমার মেয়ে না দেশের সব খবর জানে কত গরিব মানুষ চিকিৎসা পায়না |
| দুষ্টকবি মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৩.৮.২০২৪ |
| নারীজন্মের মাশুল দুষ্টকবি। রচনা ১১.৮.২০২৪। আরও কতবার মৌনমিছিলে? আরও কতবার মোমবাতি জ্বেলে? আরও কত জোরে চিৎকার দিতে হবে? তবু শুনবে কি? কানে তুলবে কি? জিভে আসা জল কভু থামবে কি? নারীজন্মের আর কত মাশুল দিতে হবে? এই অপরাধী চেনা দুষ্কর, ভদ্র, সভ্য, শিক্ষিতবর, ঈশ্বরেও চেনার ক্ষমতা নেই। এ যে হত্যাকারীর চেয়েও বিভীষণ, এরা পাকাপাকি সমাজ-দূষণ, সমাজে এদের রেখে কোনো লাভ নেই। সঠিকভাবে খুঁজে বার করো। ঠগীদের মতো নির্মূল করো। আইন কানুনের দোহাই মানবো নে। মায়েরা যদি ন্যায় নাহি পায়, এর শেষ যদি দেখা নাহি যায়, মুখে মারো লাথি টেনে প্রতিষ্ঠানের। |
| শিল্পী কবি মুকুল পুরকায়স্থ মিলনসাগরে শিল্পী কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৩.৮.২০২৪ |
| ঐ মেয়েটা আর জি করে শিল্পী কবি মুকুল পুরকায়স্থ। রচনা ১৩.৮.২০২৪। ঐ মেয়েটা আর জি করে হারিয়ে গেল হারিয়ে গেল ঘরে ফেরার ছিল কথা এক্কেবারে পালিয়ে গেল॥ শকুন থাবা উরুর ভাঁজে ইন্দ্রিয়দ্বার খুবলে খেলো খুবলে খেলো কলজেটাকে স্বপ্নগুলো ঝরে গেল॥ স্বপ্নচোরা অসুর গুলো বুক চিতিয়ে শরীর খেলো তার বুকেতে প্রেম যে ছিলো কুড়িয়ে পেলো পথের ধুলো॥ এই শহরে কদিন পরে আসবে দুগ্গা আলোয় আলো খুঁজবে যে মা আলোর মাঝে আমার দুগ্গা কোথায় গেলো॥ |
| কবি শিল্পী ফারজনা ওয়াহিদ সায়ান কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৪.৮.২০২৪ |
| এই মেয়ে শোন এই রাত এই ভোর কবি শিল্পী ফারজনা ওয়াহিদ সায়ান, বাংলাদেশ। রচনা ১৩.৮.২০২৪। এই মেয়ে শোন এই রাত এই ভোর যতখানি পুরুষের ততখানি তোর এই মেয়ে শোন এই রাত এই ভোর যতখানি পুরুষের তারও বেশী তোর এ শহর গ্রাম নদী এ পথ ঘাট এখানে সাতার কাট এইখানে হাঁট এখানে হা ডু ডু খ্যাল্ এখানে হা ডু ডু খ্যাল্ কানা মাছি ভোঁ জীবনে যা কিছু চাস সব কিছু ছোঁ সব কিছু ছোঁ তুই সব কিছু ছোঁ জীবনে যা কিছু চাস সব কিছু ছোঁ সব কিছু ছোঁ তুই সব কিছু ছোঁ জীবনে যা কিছু চাস সব কিছু ছোঁ কেউ কিছু বলবে না কি আছে বলার লগ্নে বা রাতে হবে আওয়াজ গলার এ পাড়ার ও পাড়ার রাস্তার মোড় এ পাড়ার ও পাড়ার রাস্তার মোড় যতখানি পুরুষের তারও বেশী তোর এই মেয়ে শোন এই রাত এই ভোর যতখানি পুরুষের ততখানি তোর এই মেয়ে শোন এই রাত এই ভোর যতখানি পুরুষের তারও বেশী তোর ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি সংহিতা কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৪.৮.২০২৪ |
| রাতের দখল চাইছে নারীরা কবি সংহিতা। রচনা ১৪.৮.২০২৪। তের দখল চাইছে নারীরা, গড়ছে দেখ সৈন্যদল, রুখবে তাকে কোন সাহসে, আজ বারুদ হয়েছে চোখের জল অসুর বাঁচায় যে হাত গুলো, গুড়িয়ে সেগুলো করবে ছাই, সব নারীর বুকে জ্বলছে আগুন আজ অসুরের রক্ষা নাই ঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি সংহিতা কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৪.৮.২০২৪ |
| শক্তি দিয়ে যায় না মোছা কবি সংহিতা। রচনা ১৩.৮.২০২৪। শক্তি দিয়ে যায় না মোছা, কলঙ্ক যার নাম, চারিদিকে তাকিয়ে দেখ কেবল তোমারি বদনাম- আগুন দিয়ে পোড়ালে যাকে, পুড়ল কি তার সব প্রমান, চারিদিকে তাকিয়ে দেখ কেবল তোমারি বদনাম- ক্ষমতা দিয়ে যায় কি রোখা, যখন বিদ্রোহী ক্ষুদিরাম, চারিদিকে তাকিয়ে দেখ কেবল তোমারি বদনাম- ন্যায় বিচারে অনীহা তোমার, কেবল শুধু গদির টান, চারদিকে তাকিয়ে দেখ কেবল তেমারি বদনাম- ন্যায়ের বুকে মারছ ছুরি, উদার সেজে ভিক্ষাদান, চারিদিকে চেয়ে দেখ আজ তোমারি বদনাম |
| কবি ঋজুরেখ চক্রবর্তী কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৪.৮.২০২৪ |
| দখল করো রাত কবি ঋজুরেখ চক্রবর্তী। রচনা ১৩.৮.২০২৪। দখল করো রাত, মেয়েরা, দখল করো রাত। ভয়ের ডোরে আর কত বা বাঁধবে দুটো হাত? বাঁধতে যদি হবেই তবে কোমর বাঁধো কষে─ ঝড়ের সাথে বজ্রপাতে দারুণ নির্ঘোষে যেমন করে আকাশ কাঁপে সর্বনাশা ঝোঁকে, ঠিক তেমনই আগুনশিখা জ্বলুক দুটি চোখে। সেই অনলই অন্ধকারে আলোকসম্পাত─ দখল করো রাত, মেয়েরা, দখল করো রাত। দখল করো রাত, মেয়েরা, দখল করো রাত। দিনও তোমার দখলে নেই বুঝলে অকস্মাৎ─ দেয়ালে পিঠ ঠেকল যদি, আর পিছোবে কই? এবার রুখে দাঁড়াও, দেখো, হাত বাড়িয়ে সই ডাক দিয়েছে তোমায়, তুমি এগিয়ে চলো বেগে। সহনশীলা ঢের সেজেছ, এবার ওঠো রেগে─ পবিত্র এ ক্রোধের ভাষা নতুন ধারাপাত। দখল করো রাত, মেয়েরা, দখল করো রাত॥ ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| कवि श्रीतमा सेनगुप्ता कवि का फेसबुक . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৪.৮.২০২৪ |
| क्या यही है आज़ादी का मतलब कवि श्रीतोमा सेनगुप्ता। रचना 14.8.2024 क्या यही है आज़ादी का मतलब, नारी की अस्मिता पर वार? भय के साए में जी रही बेटियां, क्या यही है स्वतंत्रता का सार? जिस धरती पर राम, कृष्ण ने जन्म लिया, वहां कैसे नारी असुरक्षित हुई? जिस भारत में देवी की पूजा होती, वहीं उसकी आबरू क्यों लुटी? बदलनी होगी यह सोच हमारी, न्याय का दीप जलाना होगा। औरत को समझना होगा इंसान, समानता का मंत्र अपनाना होगा। आज हर बेटी की पुकार यही, मुझे जीने का अधिकार दो। न्याय और सुरक्षा का वचन दो, एक नए भारत का निर्माण हो। आज़ादी का सही अर्थ तब होगा, जब हर नारी स्वतंत्र हो जाएगी। डर की बेड़ियों को तोड़कर, वह अपने सपनों को पा जाएगी। चलो मिलकर प्रण करें, अत्याचार का अंत करें। |
| কবি মীনাক্ষী বন্দ্যোপাধ্যায় মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৫.৮.২০২৪ |
| তেরঙ্গাটা নামিয়ে আন কবি মীনাক্ষী বন্দ্যোপাধ্যায়। রচনা ১৫.৮.২০২৪। তেরঙ্গাটা নামিয়ে আন তেরঙ্গাটা নামিয়ে দাও, আমার দেখতে বড্ড কষ্ট হচ্ছে, চোখটা জ্বালা করছে। রামমোহন যেদিন জ্বলন্ত চিতা থেকে আমাকে তুলে এনেছিলেন-- সেদিনের থেকেও বেশি জ্বালা। তেরঙ্গাটা আর কত উঁচুতে টাঙাবে ? মাথাটা তো তুলতে পারছি না, ঘাড়ের হাড়গুলো ওরা যে ভেঙে দিয়েছে ! কিন্তু অত উঁচু কেন ? যাতে কারও দৃষ্টি না পৌঁছয়, তাই? অথচ যেদিন বিদ্যাসাগর মশাই আমার সাদা থান ছাড়িয়ে রঙীন শাড়ি পরিয়ে পিঁড়িতে বসালেন, কত লোকের কটূ কথা -- খুব কষ্ট হচ্ছিল, আজ তার থেকেও বেশি কষ্ট হচ্ছে। তেরঙ্গাটা নামিয়ে আন, ওটা তুলতে তোমাদের লজ্জা করছে না ? আমি না হয় বেশরম ডাক্তার, শরীরের নাড়ী নক্ষত্র আমার জানা |
| কবি সুব্রত চক্রবর্তী (শ্যাম) মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৫.৮.২০২৪ |
| গোপন সত্য---? কবি সুব্রত চক্রবর্তী (শ্যাম)। রচনা ১৪.৮.২০২৪। কলোললীনি---তিলোত্তমা হারিয়ে গেছে! নিরুপায় বাবা-মা অভিযোগ করবে কোথায়? কারণ যিনি অভিযোগ লেখেন, তার প্রিয় পেনটি, নিরুদ্দেশ বহুদিন। মুখ থুবড়ে পড়ে আছে--বিচার। মহাভারতের সঞ্জয়ের সাথে-- অনেক মহারথীর ছিল যোগাযোগ। কিন্তু এই সঞ্জয়, পেছনে আছে আরো বড় যোদ্ধা। জ্বলজ্বলে টকটকে শরীর, নমনীয় জঙ্ঘার খাদে, ঝলসে ওঠে--- রাত্রির কালো ছায়া। যুদ্ধ শেষ- ভগ্ন রথ-- খণ্ড খণ্ড সব অস্ত্রশস্ত্র। শুয়ে আছে রথের চাকা। তৃষ্ণা! নর্মদা জল--আর বোতলের জলের, তফাৎ খুঁজে না। এসব লিখতে গেলে, আমার প্রিয় অক্ষরেরা, বন্ধ করে হাঁটা। |
| কবি শঙ্কর তালুকদার কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৫.৮.২০২৪ |
| প্রতিবাদ হোক সময়ময় কবি শঙ্কর তালুকদার। ধর্ষণকারী আসলেই রুগী, সে-যেন অ্যাসাইলামে বন্দী হোক, আর ধর্ষকদের আড়ালকারী- জনসমক্ষে কোতোল হোক ! কোন অজুহাত যেন সুযোগ না দেয়- ধর্ষকদের বেঁচে যাওয়ার- অচিরেই যেন চরম শ্বাস্তি মেলে- যেন সেই সব নচ্ছার গুলোর! আসলেই কত জঘন্য এ আচার, না বলে-সময় চুরির অছিলায়? অপরাধী যেন চিহ্নিত হয়, আবার নকল কাউকে বলি দিয়ে নয় ! লজ্জা আর শরম এসো, এসো সকল মানুষ মিলে সেই প্রতিবাদ সভায়! বিচার যেন নিজ অন্তরে হয়, এ অপমান যে সম্পূর্ণ মানবতার- জ্বলুক মশাল উচ্চ শিখায়, চরম প্রতিবাদী সেই মহা লহমায়- কেবল রাত্রী নয়, মনস্তাপের এ আগুন যেন ছড়িয়ে পড়ে সময় ময়! ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| মাতৃভূমি কবি অর্ণব চক্রবর্তী। ছিড়ে খাক বুক, ছিড়ে খাক যোনি এর নাম দিই, মাতৃভূমি। ভূমি তো বাবার, মার কবে হোলো? দেবী মূর্তির কাপড়টি তোলো পেলে কি রক্ত? অস্থি মাংস? ভুলেছ তারাও তোমারই অংশ। কালো কালো ঘর, কালো কালো রাত কালো থাবা নখে কালো সংঘাত ঘাত প্রতিঘাতে কালিমালিপ্ত চটচটে লাল কাপড়ে সিক্ত সেই লাল রং চন্দনে বেটে কাকে দিলে বলি, কাকে দিলে কেটে? কার জিভ লাল? খড়গ সে হাতে আসছে ক মাসে, সে কথা জানাতে। যদিও লোকাও তথ্য প্রমাণ নিশ্চিত যেনো, কেড়ে নেবে প্রাণ। আজ হোলো হার সর্বহারার, কাল চাই মা গো শুধু সংহার, শুধু সংহার, শুধু সংহার ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি অর্ণব চক্রবর্তী কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৫.৮.২০২৪ |
| কবি সুতপা সেনগুপ্ত মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৫.৮.২০২৪ |
| ধর্ষণ দেখে জরায়ুও আজ থামাতে চাইছে নিজের বিয়োনো কবি সুতপা সেনগুপ্ত। ধর্ষণ দেখে জরায়ুও আজ থামাতে চাইছে নিজের বিয়োনো বলছে, গর্ভ, দোহাই তোমার! অমন পুরুষ জন্ম দিয়ো না ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি সুতপা ভট্টাচার্য চক্রবর্তী মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৫.৮.২০২৪ |
| লজ্জা কবি সুতপা ভট্টাচার্য চক্রবর্তী। রচনা ১৫.৮.২০২৪। লজ্জা শব্দটি আর আহত করে না ঝরাতে পারে না অজস্র রক্তপাত যাতে ব্যবসায়ী শয়তান ঘাতকের জমাট বাধা রক্ত কলঙ্কিত হাতে ধরে ফেলে নরমাংসের প্রচন্ড উল্লাস ধরে নিচ্ছে সেমিনার রুমে থাকাকালীন সময়ে মেয়েটি হয়তো... ধরে নিচ্ছি কবিতা লিখে দারুন আনন্দ পাচ্ছে একদল কবিও ধরে নিচ্ছি হয়তো বাড়ির জন্য সামান্য কিছু কিনেও রেখেছিল কেননা এযুগের কবিদের মতো বলিষ্ঠ কাঁধে মেয়েটিও অংশ নিয়েছিল যুদ্ধে ও জীবনে হয়তো হালকা পোশাকে মেয়েটিও হাঁটতে চেয়েছিল সুদীর্ঘ পথ তবু ও তবুও তবুও... এই নগ্ন সময়ে লজ্জা শব্দটি আর আসে না কলমের ডগায় জীবনে ভালোবাসায় প্রেম আর অপ্রেমে ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি শঙ্খ ঘোষ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . চলচিত্র সম্পাদক কোরক মিশ্রর ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৬.৮.২০২৪ |
| নিরুপায় কবি শঙ্খ ঘোষ। গোটাদেশজোড়া জউঘর (২০১০) কাব্যগ্রন্থের কবিতা। চলচিত্র সম্পাদক কোরক মিশ্রর ফেসবুক থেকে নেওয়া। |

| কবি নির্মাল্য বন্দ্যোপাধ্যায় মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৬.৮.২০২৪ |
| ধৃতরাষ্ট্র উবাচ কবি নির্মাল্য বন্দ্যোপাধ্যায়। রচনা ১৫.৮.২০২৪। ১৪ই অগাস্ট ২০২৪ এর রাতে কবির শারীরিক সমস্যাকে অগ্রাহ্য করে দীর্ঘ পথ হেঁটেছিলেন। ছাড়া আছে কিছু শ্বাপদের দল, ছিঁড়ে খায় নারীমাংস, সব জায়গাই দখলে তাদের, অক্ষ ও দ্রাঘিমাংশ । হাসপাতালের ওয়ার্ডেও আছে, আছে তারা স্কুলে কলেজে, কী করে বা বলো রুখবো তাদের, ওরাই আমার ছেলে যে ! অবশ্য ওরা ভালো ছেলে সব, কথার বড়ই বাধ্য, খেটে খুটে করে চুরি, তোলাবাজি, তবে জোটে কিছু খাদ্য । বারো আনা তার আমার জন্যে, চার-আনা ওদের পাওনা, আপত্তি আছে ? মাসে এক হাজার - সে টাকাটা বুঝি চাও না ? ভালো ছেলে, তবু একটু আধটু 'দুষ্টুমি' - সে তো করবেই, গীতায় বলেছে, যুদ্ধক্ষেত্রে যারা মরবার মরবেই ! ওই ছেলেগুলো নিমিত্ত শুধু, আসলে মেরেছে আর কেউ, |
| কবি বিকাশ গুঁই মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৬.৮.২০২৪ |
| মধ্য রাতের গর্জন কবি বিকাশ গুঁই। রচনা ১৫.৮.২০২৪। তিলোত্তমার দেখানো পথে এখনও হাঁটার হয়নি শেষ- ভবিষ্যতে সে পথে হাঁটবে ভারতবর্ষ, হাঁটবে বঙ্গদেশ। সম্রাট, তুমি বেহালা ছেড়ে হাতে তুলে নাও চাবুক- নারী লোলুপেরা পিছু হটে গিয়ে,একটু হলেও ভাবুক। তুমি কি শুনতে পাচ্ছো না? মধ্য রাতের গর্জন ও কান্না! ন্যায্য বিচার কে পেয়েছে কবে? তুমিও তো মা,গরীব ও ধনীর ধামা খুলে দেখো পেয়ে যাবে যত অপরাধী কেউটের মনি। |
| কবি সাধন সাহা কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৬.৮.২০২৪ |
| দোহাই মেয়ে কবি সাধন সাহা। রচনা ১৪.৮.২০২৪। সাধন সাহার ফেসবুক থেকে নেওয়া। |

| কবি দেবেশ ঠাকুর মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৬.৮.২০২৪ |
| দামিনী কবি দেবেশ ঠাকুর। মেয়েটির নাম কি ছিল দামিনী সাহসিনী? বাড়ি কোথায়? দিল্লি নাকি কোলকাতাতে? তাঞ্জাভোরে পার্ক স্ট্রিটে না বারাসাতে? তার নাম কি শর্মিলা- সেই মনিপুরে? নাকি তারই নাম ভারতবর্ষ । ভারতবর্ষ নাকি ভারতবর্ষণ সেই দামিনীর জন্য আমার পদ্য আঁকা সেই দামিনীর জন্য স্বদেশ ফুঁসছে রাগে এক একখানি মোমবাতিটির দাবানলে এক এক ফোঁটা রক্ত বুকে ছিটকে লাগে সীতার মতো আর কতদিন পুড়বে নারী ধরনী কি দ্বিধায় ফেটে কাঁদবে সয়ে সতীর মতো দক্ষশালায় পুড়বে না আর অসুর নাশন করবে কবে দুর্গা হয়ে এই মেয়েটা যাস কোথারে সন্ধ্যেবেলা |
| কবি দেবেশ ঠাকুর মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৬.৮.২০২৪ |
| যাদের যাদের স্কন্ধে এখন মেয়ের লাশ কবি দেবেশ ঠাকুর। আমরা এখন কিরকম যেন নির্বিকার শামুকের মত কঠিন খোলসে মুখ লুকাই নিষাদ যখন অনায়াসে ধরে তার শিকার শঙ্খের গৃহে ছাদে আলসেতে চুল শুকাই। কী যেন ঘটেছে পাশের বাড়ির কন্যাটির আর জি করের ডাক্তার নাকি ছাত্রী সে ' আত্মহত্যা', দাগিয়ে দিয়েছে পুলিশ-বীর আহা উহু ইতি সহানুভূতির পাত্রী সে! অমেরুদন্ডী সান্ত্রীর ঢাল মন্ত্রী-পায় পুলিশ কাঁধের তারা খুললেই মেয়ের বাপ মাথা-হারা থানা কনিষ্ক হবে এতটা দায়! শাঁখের করাতে মাথা নামিয়েছ নিরুত্তাপ। ক্ষতবিক্ষত এ লাশ আমরা নামাবো না রুদ্রের মত কাঁধে নিয়ে ঘুরি সারাটা দেশ লাশবাহী কাঁধ কোথাও আমরা থামাবো না নরকে নেমেই নারকীয়তার দেখবো শেষ। |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৮.৮.২০২৪ |
| সন্ধিক্ষণ - কবি আর্যতীর্থ। রচনা ১৮.৮.২০২৪। তাড়াতাড়ি খেয়ে শুয়ে পড়ো আজ, আমার বেরনো রয়েছে, ফিরতে দুটো বা আড়াইটে হবে, জাগার সময় হয়েছে, চিৎকার করে রাস্তা কাঁপাবে মূক ভাবা মুখগুলি চুপ করে থেকে আছি কালো মেখে, এইবারে মুখ খুলি। বক্তাটি আমি, শ্রোতা বরবাবু ,চোদ্দ আগস্ট সন্ধ্যা সুখের ভাবনা এদেশে নারীর বিচারের মতো বন্ধ্যা। মিছে বলবো না , এ ব্যাপারে নেই গিন্নি বনাম কর্তা, মেয়েরা বা আমি যেরকম ভাবি, সাপোর্ট করেন বর তা। বলে বরবাবু আজ তো মেয়েদের রাত-দখলের যুদ্ধ, বোঝাতে হবেই , অবশ বিচারে আমরা কতটা ক্রুদ্ধ। কিন্তু শহরে কত ভিড় হবে , ইয়ত্তা কিছু নেই তার, ধিক্কারে আজ সবাই বেরোবে মাঝরাত করে অধিকার। তাই তো বলছি , কেন একা যাবে, আমি গেলে খুব দোষ কি, এমন আবেগে গলা না মেলালে আমিও পাবো না স্বস্তি! চুপ থাকা মানে মেনে নেওয়া আজ, মাঝরাত্তিরে ওঠাবো আওয়াজ, এখানে মূলত নারীদের রাজ , তুমি গিয়ে শুনি করবে কী কাজ? ঝামটাই আমি, সবখানে কি গো যেতে হবে পিছু পিছু বিয়ে হয়ে গেছে বলে কি একলা করাই যাবে না কিছু? বরবাবু ক’ন , নারী পুরুষের মোটে না পৃথক পথ তো, দুজনে যে চাই, যত দ্রুত হোক সামনে আসুক সত্য। |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৮.৮.২০২৪ |
| পাঁচ মাইল - কবি আর্যতীর্থ। রচনা ১৭.৮.২০২৪। আমাকে এমন একটা পাঁচ মাইল রাস্তা খুঁজে দাও, যেখানে চব্বিশ ঘন্টা এ-মাথা থেকে ওমাথা যেতে পারে প্রহরীবিহীন একা নারী। এত বড় দেশ, এত লাখ মাইলের পিচঢালা আলপনা তার বুক বেয়ে পাঁচটা গাঁয়ের মতো সেটুকু সূচ্যগ্র মেদিনী তো চেয়ে নিতে পারি? পারবে না? ছাড়েনি এক ইঞ্চি বুঝি আজও দুর্যোধন? মধুসূদনহীন এই ঘোর কলিতে ত্রাহি বলবার কেউ নেই, দুঃশাসনেরা করে বস্ত্রহরণ , যখন তখন আর যেখানে সেখানে, পাঁচটা মাইল মোটে একলা যায় না যাওয়া, শিশু থেকে থুত্থুরি, সব নারী জানে। কন্যাকুমারী থেকে কাশ্মীর, তাওয়াং থেকে জয়শলমীর, পাঁচটা মাইল রাস্তা কেউ পারছো না যদি দিতে খুঁজে, দেশের অর্ধেক তবে স্বাধীন হয়নি আজও, মেনে নাও সেটা মুখ বুজে । আচ্ছা রাস্তা ছাড়ো, সেখানে নিয়ন্ত্রণ করা ভারী মুশকিল , কোন মৌচাকে কে যে ছুঁড়ে দেবে দুম করে ঢিল, হুল জুড়ে কত ভুল বিষ … কী পোশাক পরেছে যে, ইশশশ, ঘোমটা বা হিজাব অভাব, |
| এক্স ওয়াই সেই চাপে নিজেদের ইগো-ভরা মত বদলাবে, মেয়েদের ন্যূন ভেবে বরঞ্চ দুনো জোরে পথ আটকাবে। সত্যি যেদিন মেয়েরা চলবার সেই স্বাধীনতা পাবে, পাঁচ থেকে পাঁচ হাজার.. পাঁচ লাখ , পাঁচ কোটি মাইলের পথ হেঁটে যাবে.. আজকে যে পাঁচমাইল দিতে অপারগ পুরুষ-প্রধান এই সমাজ আর কাল, তার দোষ খণ্ডানো যাবে কোনোভাবে? ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি অরুণাচল দত্ত চৌধুরী কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৮.৮.২০২৪ |
| মুক্তি চাই কবি অরুণাচল দত্ত চৌধুরী। রচনা ১৮.৮.২০২৪। চটিটা মুখ থেকে নামিয়ে আর একবার গেয়ে উঠুন আমি বাংলার গান গাই আর একবার, বেশি না আর মাত্র একবার হাহাকার করে উঠুন, হৃদি ভেসে যায় অলকানন্দা জলে... না, আপনাকে গোয়ের্নিকা আঁকতে বলছি না, অন্তত সোমনাথ জয়নুলের ছবির জলছাপ আঁকুন আপনাকে নিয়ে এই রকম প্রচুর লেখা যায় লিখব না। আপনার সে যোগ্যতা নেই। নির্দল? থাকতেই পারেন, অরাজনৈতিক থাকবেন না প্লিজ। ওটা কামোফ্লেজ। খেলা হবে। আপনি যে খেলাটা খেলছেন... খেলেই চলেছেন খেলাটা দিব্যি বোঝা যাচ্ছে। আমরা আশায় আছি, খেলা হবে ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি শঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৮.৮.২০২৪ |
| কন্যে এখন লাশ কবি শঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। রচনা ২৯.১২.২০১২। এক যে ছিল কন্যে আমরা সবাই তাহার জন্যে খুব বলেছি, খুব ভেবেছি, করেছি হাহুতাশ কন্যে এখন লাশ । এক যে ছিল কন্যে কিছু ইতর প্রাণীর জন্যে খুব সয়েছে, খুব বয়েছে, ভেঙেছে বিশ্বাস কন্যে এখন লাশ । এক যে ছিল কন্যে শুধু নারী হবার জন্যে খুব কেঁদেছে, খুব সেধেছে, খুব মেখেছে ত্রাস কন্যে এখন লাশ । এক যে ছিল কন্যে তার ধ্বস্ত হবার জন্যে খবর হোল, খবর ছিল, আজকে ইতিহাস কন্যে এখন লাশ । হায় রে দুখি কন্যে এ পৃথিবী তোর জন্যে খুব চেঁচাবে, খুব পেঁচাবে, বদলাবে না খাস কন্যে এখন লাশ । ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি ঋতশ্রী_মজুমদার কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৮.৮.২০২৪ |
| জাগো মা কবি ঋতশ্রী_মজুমদার। |

| কবি ঋতশ্রী_মজুমদার কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৮.৮.২০২৪ |
| কবি নির্মাল্য বন্দ্যোপাধ্যায় মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৮.৮.২০২৪ |
| বাবুরাম সাপুড়ে - নিউ এডিশান কবি নির্মাল্য বন্দ্যোপাধ্যায়। রচনা ১৭.৮.২০২৪। ১৪ই অগাস্ট ২০২৪ এর রাতে কবির শারীরিক সমস্যাকে অগ্রাহ্য করে দীর্ঘ পথ হেঁটেছিলেন। বাবুরাম সাপুড়ের আধুনিক এডিশান, বেশি কিছু বলবো না, হয়ে যাবে সিডিশান । শান্তিপূর্ণ কোন জমায়েত ছোট-বড়ো, লাঠি হাতে ভেঙে দিতে তাঁরা অতিশয় দড়ো । আর কোনখানে কেউ দেখালেই বিক্ষোভ বাবুরাম হাঁক দেন - সাবধান, চোপ ! চোপ ! চোর বা ডাকাত তাঁরা পারেন না ধরতে, গুন্ডার দল এলে ঢুকে যান গর্তে । অথবা সবাই মিলে চলে যান বাথরুমে, সারাটা বছর তাঁরা থেকে যান শীতঘুমে । চিটিং বা রাহাজানি, তোলাবাজি, ছিনতাই, ধরার ব্যাপারে তাঁরা করেন না চিন্তাই । লোকে বলে তাঁরা নাকি বখরাটা বুঝে নেন, ছোট বড়ো নেতাদের আশ্রয় খুঁজে নেন । তবে যদি ধর্ষণ অথবা মার্ডার হয়, বাবুরাম তদন্তে কখনও পিছপা নয় । মুছে দেন সমস্ত প্রমাণ ও সাক্ষ্য, এই কাজে বাবুরাম চূড়ান্ত দক্ষ । ঢেকে দেন দুর্গত মানুষের চিৎকার, কবি বলে, বাবুরাম, ধিক ধিক ধিক্কার ! |
| কবি অদিতি চক্রবর্তী মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৮.৮.২০২৪ |
| যতবার বলতে চাই, চুপ করে যাই কবি অদিতি চক্রবর্তী। রচনা ১৭.৮.২০২৪। যতবার বলতে চাই, চুপ করে যাই যদিও জানি দিনান্তে গরম ভাত খাই, চারিদিক দেখি আর সহ্য করে যাই হয়তো তুমি ভুল ভেবেছো তাই! যা বোঝাচ্ছো বুঝতে পারছি তাই ভাণ করছো ভালো চাইছি ভাই! যেমন কর্ম তেমনটি ফল নাই ভাবছো, স্বর্গ যেন হাত বাড়ালেই পাই! চুপ করেছিলাম, ভেবোনা ভয় পাই, এ খেলাতে হারতে হারতে ভাই.... পিঠ ঠেকেছে দেয়ালে, দেয়াল নাই.. পাল্টা মারের সময় এসেছে ভাই.. ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি শুভ জোয়ারদার মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৮.৮.২০২৪ |
| জ্যান্ত দুর্গা রেপ করে দাও মাটির মাকে পুজো কবি শুভ জোয়ারদার। রচনা ১৭.৮.২০২৪। জ্যান্ত দুর্গা রেপ করে দাও মাটির মাকে পুজো? তোমাদের মেরুদন্ডগুলো আর জি করে খুঁজো, বিচার বিবেক নর্দমাতে, সব পচেছে, বুঝো! ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| হন্যে হয়ে কবি আভা সরকার মণ্ডল। |

| কবি আভা সরকার মণ্ডল কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৮.৮.২০২৪ |
| কথা - দুষ্টকবি সুর ও কণ্ঠ - দেবাশিস রায় মিলনসাগরে কবির পাতা. . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৯.৮.২০২৪ |
| বিদ্রোহ কর সুর ও কণ্ঠ - দেবাশিস রায়। সঙ্গীতায়ন - অমিত রায়। কথা - দুষ্ট কবি। আজও যদি অন্তর তব বিদ্রোহ নাহি করে ! অশ্রুকণা দুই নয়নে, ঝর ঝর নাহি ঝরে ! উত্তাপহীন শীতল মননে, ক্রোধ নাহি ফেটে পরে ! ক্ষোভানল জ্বেলে, ছারখার ক'রে দিতে মন তব ডরে ! জেনো হে মানব, তুমি নিশ্চিত, পাষাণ হয়েছো ম'রে ! বিদ্রোহ কর, বিদ্রোহ কর, বিদ্রোহী নাহি মরে ! স্বাধীন দেশ আজ পরাধীনতার শৃঙ্খলে বাঁধা প'ড়ে ! নিজ দেশবাসী নিজেদেরই দ্যাখো কেমন দখল করে ! জাতীয় কেতন দেখি না, শুধু দলের নিশান ওড়ে ! আজও যদি অন্তর তব বিদ্রোহ নাহি করে ! জেনো হে মানব, তুমি নিশ্চিত, পাষাণ হয়েছো ম’রে ! বিদ্রোহ কর, বিদ্রোহ কর, বিদ্রোহী নাহি মরে ! দুষ্ট কবির বাংলায় ফের "বিদ্রোহ" গান করে ! দেশবাসী আজ নেমে এসো পথে, নব বিদ্রোহ সুরে ! তুমি ঘুরে আজ রুখে দাঁড়ালেই, আঁধার যাবে যে স’রে ! আজও যদি অন্তর তব বিদ্রোহ নাহি করে ! জেনো হে মানব, তুমি নিশ্চিত, পাষাণ হয়েছো ম’রে ! বিদ্রোহ কর, বিদ্রোহ কর, বিদ্রোহী নাহি মরে ! |
| কবি আকাশ চক্রবর্তী কণ্ঠ - ডোনা গুপ্ত এখানে তোলা হয়েছে ১৯.৮.২০২৪ |
| চিৎকার করো মেয়ে, দেখি কতদূর গলা যায় কথা ও সুর - কবি আকাশ চক্রবর্তী । ভিডিও আমরা পেয়েছি Dipankar Sinha এর ইউটিউব চ্যানেল থেকে। কণ্ঠ – ডোনা গুপ্ত কথা আমরা পেয়েছি এই ব্লগ . . . থেকে। চিৎকার করো মেয়ে, দেখি কতদূর গলা যায়, আমাদের শুধু মোমবাতি হাতে নীরব থাকার দায়। চিৎকার করো মেয়ে, দেখি কতদূর গলা যায়, আমাদের শুধু ধ্বজা ভাঙ্গা রথে এগিয়ে চলার দায়। চিৎকার করো মেয়ে, দেখি কতদূর গলা যায় জন্মের আগে মৃত্যু দিয়েছে, জন্মের পরে ভয়, সকালে - বিকালে শরীর আগলে লুকিয়ে বাঁচতে হয়। যদি ভুলচুক হয় কোনভাবে অসাবধানের বশে, দুই বছরেই ধর্ষিতা তুই! তোরই কিন্তু দোষে! আরো খানিকটা বড় হলে ওরা ন্যাংটো করবে তোকে, কোল্ডড্রিংক্স জুড়ে তোর খোলা পিঠ সাপটে গিলবে লোকে বিক্কিরি হবে আরো আছে তোর যা কিছু ব্যক্তিগত, আমরা শুধুই খানিক লোলুপ, খানিকটা বিব্রত! সম্ভব হলে সূর্যের আলো মাখিশ না চোখেমুখে, না হলেও খুব চুপিচুপি মাখ, পাছে দেখে ফেলে লোকে! এরপরও খোলা রাস্তায় ওরা খেয়ে ফেলে গেলে তোকে, প্রশাসন শুধু হাততালি দিয়ে বেশ্যা বলবে তোকে! চিৎকার করো মেয়ে, দেখি কতদূর গলা যায়, আমাদের শুধু মোমবাতি হাতে নীরব থাকার দায়। চিৎকার করো মেয়ে, দেখি কতদূর গলা যায়, আমাদের শুধু ধ্বজা ভাঙ্গা রথে এগিয়ে চলার দায়। |
| কবি শিল্পী পল্লব কীর্ত্তনীয়া মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৬.৮.২০২৪ |
| মানুষকে প্রাণ দেবে বলে তুমি হলে ডাক্তার কথা, সুর ও কণ্ঠ - কবি শিল্পী পল্লব কীর্ত্তনীয়া । এই গানটি YouTube-এ . . .। মানুষকে প্রাণ দেবে বলে তুমি হলে ডাক্তার কিন্তু তোমার প্রাণের কানাকড়ি দাম নেই কোথাও পাবে না নিরাপদ কোনো বিশ্রামাগার মৃত্যু ছোবল মারবে ক্লান্ত ঘুমের মাঝেই ডাক্তার খুন, ধর্ষিত নিজ হাসপাতালে প্রশাসন আহা সহানু-নু-নুভূতিশীল শাসক বাঁচায় ঘুঘুর বাসাটি প্রিন্সিপালের খুনের ঘরটি ভেঙে ফেলো, করো প্রমাণ বাতিল ডাক্তার খুন, ধর্ষিত নিজ হাসপাতালে প্রশাসন আহা সহানু-নু-নুভূতিশীল শাসক বোধহয় মাসতুতো ভাই প্রিন্সিপালের কে কাকে বাঁচাবে সেই ধান্দায় হচ্ছে সামিল মন্ত্রীরাণীর দুঃখপ্রকাশ যেমন কুমির শাক দিয়ে তার পুলিশ কত না মাছ ঢেকে যায় তড়িঘড়ি করে পুড়িয়ে দিল সে মেয়ের শরীর আগুনটি যেন নাহি লাগে কোনো ঘুঘুর বাসায়! হাসপাতালেতে কত কিছু নেই কার কী তাতে! প্রশ্ন করে না রাষ্ট্রকে জনকণ্ঠের স্বর ডাক্তার দায়ী মারো তাকে মারো সবক শেখাতে ডাক্তার পাড়ি দেয় তোমাদের মারের সাগর! |
| কবি শিল্পী মনীন্দ্র বর্মন এখানে তোলা হয়েছে ২৬.৮.২০২৪ |
| ও নারী তুমি নাকি দুর্গা কালী কথা, সুর ও কণ্ঠ - উত্তরবঙ্গের রাজবংশী শিল্পী মনীন্দ্র বর্মন। শুনে লেখা। এই গানটি YouTube-এ . . .। ও নারী... তুমি নাকি দুর্গা কালী তুমি নাকি দুর্গা কালী তাই মিনতি তোমায় করি তুমি নাকি দুর্গা কালী তাই মিনতি তোমায় করি ধর তোমার রুদ্ররূপ দুঃশাসনের বড়ই উপদ্রব এবার ধর তোমার রুদ্ররূপ দুঃশাসনের বড়ই উপদ্রব ও নারী . . . তোমার পেটে জন্ম নিয়ে তোমার পেটে জন্ম নিয়ে তোমাকে যে হরণ করে তোমার পেটে জন্ম নিয়ে তোমাকে যে হরণ করে চাই না এমন কাপুরুষ মানুষ নামের এরা অমানুষ চাই না এমন কাপুরুষ মানুষ নামের এরা অমানুষ ও নারী . . . প্রমিলা জবা মামপি দলি |
| আর কবে কথা, সুর ও কণ্ঠ - কবি শিল্পী অরিজিৎ সিং। এই গানটি YouTube-এ শুনতে এখানে ক্লিক করুন . . .। গানটি শুনে লেখা। জমছে এক পাহাড়, অসহ্য অবিচার স্তব্ধ হয়েছিল তারা ব্যাস্ততা হাজার তাই যে নাই খেয়াল পেছনে দেয়াল যে যেমন সে নিচ্ছি মেনে নাম দিয়ে কপাল কেউ মরণ অকাল কেউ ভয়ে কাতর কেউ বা নিরুপায় বা অসহায় হয়ে পাথর আর কবে, আর কবে, আর কবে, আর কবে, আর কবে আর কবে, আর কবে, আর কবে, আর কবে, আর কবে আর কবে, আর কবে, কণ্ঠ শক্তি পাবে আর কবে, আর কবে, চিত্ত স্বাধীন হবে আর কবে, আর কবে, সিক্ত হবে হৃদয় আর কবে, আর কবে, শির উঠে দাঁড়াবে আর কবে, আর কবে, আর কবে, আর কবে, আর কবে আর কবে, আর কবে, আর কবে, আর কবে, আর কবে আর কবে, আর কবে, আ - - - - - আর কবে, আর কবে, আ - - - - - এ ব্যথা আমার নয় শুধু একার বিপ্লবী তিলোত্তমা করেছে অঙ্গীকার লুটিয়েছে প্রাণ, তাই ধরেছি গান করছি প্রার্থনা বিফল না যায় সে বলিদান আজ উঠুক জেগে, সূপ্ত চেতনা অন্ধকার হতে আলোকে হোক না পথ চেনা আর কবে, আর কবে, আর কবে, আর কবে, আর কবে |