| R.G. Kar কাণ্ডের প্রতিবাদের দেয়ালিকা <<<॥ পাতাটি ডাইনে-বামে স্ক্রল করে॥ Page scrolls left-right ॥ >>> |
| ||||||||||
| কবি কাজী কামাল নাসের কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৩.৮.২০২৪ |
| গান আসছে না কবি কাজী কামাল নাসের আমার কলমে গান আসছে না আর। কী ভাবে লিখবো স্বরলিপি বলো এই বোবা কান্নার! পার্ক স্ট্রিট থেকে কামদুনি হয়ে আর জি করের মেয়ে তোমাদের নিয়ে আর কত গান লিখবো, উঠবো গেয়ে? এই বাংলার খ্যাতনামা যত পেশাদার প্রতিবাদী তাদের কলম দশকেরও বেশি বন্ধ্যা ও অনাবাদী! আমার মতই দু একটা বোকা আজও চিৎকার করে ফেসবুকে সেই পোস্ট দেখে আরও কিছু লোক লাইক করে। কলমের নিবে ক্লান্তি জমছে ক্রোধ জমে তারও বেশি চোয়াল ক্রমেই শক্ত হচ্ছে ফুলছে মাংসপেশী। শাসককে তাই সাবধান করি এখনও সময় আছে |
| সূচীপত্র >>>>> |
| কথা - দুষ্টকবি সুর ও কণ্ঠ - দেবাশিস রায় মিলনসাগরে কবির পাতা. . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৯.৮.২০২৪ |
| বিদ্রোহ কর সুর ও কণ্ঠ - দেবাশিস রায়। সঙ্গীতায়ন - অমিত রায়। কথা - দুষ্ট কবি। আজও যদি অন্তর তব বিদ্রোহ নাহি করে ! অশ্রুকণা দুই নয়নে, ঝর ঝর নাহি ঝরে ! উত্তাপহীন শীতল মননে, ক্রোধ নাহি ফেটে পরে ! ক্ষোভানল জ্বেলে, ছারখার ক'রে দিতে মন তব ডরে ! জেনো হে মানব, তুমি নিশ্চিত, পাষাণ হয়েছো ম'রে ! বিদ্রোহ কর, বিদ্রোহ কর, বিদ্রোহী নাহি মরে ! স্বাধীন দেশ আজ পরাধীনতার শৃঙ্খলে বাঁধা প'ড়ে ! নিজ দেশবাসী নিজেদেরই দ্যাখো কেমন দখল করে ! জাতীয় কেতন দেখি না, শুধু দলের নিশান ওড়ে ! আজও যদি অন্তর তব বিদ্রোহ নাহি করে ! জেনো হে মানব, তুমি নিশ্চিত, পাষাণ হয়েছো ম’রে ! বিদ্রোহ কর, বিদ্রোহ কর, বিদ্রোহী নাহি মরে ! দুষ্ট কবির বাংলায় ফের "বিদ্রোহ" গান করে ! দেশবাসী আজ নেমে এসো পথে, নব বিদ্রোহ সুরে ! তুমি ঘুরে আজ রুখে দাঁড়ালেই, আঁধার যাবে যে স’রে ! আজও যদি অন্তর তব বিদ্রোহ নাহি করে ! জেনো হে মানব, তুমি নিশ্চিত, পাষাণ হয়েছো ম’রে ! বিদ্রোহ কর, বিদ্রোহ কর, বিদ্রোহী নাহি মরে ! |
| কবি আকাশ চক্রবর্তী কণ্ঠ - ডোনা গুপ্ত এখানে তোলা হয়েছে ১৯.৮.২০২৪ |
| চিৎকার করো মেয়ে, দেখি কতদূর গলা যায় কথা ও সুর - কবি আকাশ চক্রবর্তী । ভিডিও আমরা পেয়েছি Dipankar Sinha এর ইউটিউব চ্যানেল থেকে। কণ্ঠ – ডোনা গুপ্ত কথা আমরা পেয়েছি এই ব্লগ . . . থেকে। চিৎকার করো মেয়ে, দেখি কতদূর গলা যায়, আমাদের শুধু মোমবাতি হাতে নীরব থাকার দায়। চিৎকার করো মেয়ে, দেখি কতদূর গলা যায়, আমাদের শুধু ধ্বজা ভাঙ্গা রথে এগিয়ে চলার দায়। চিৎকার করো মেয়ে, দেখি কতদূর গলা যায় জন্মের আগে মৃত্যু দিয়েছে, জন্মের পরে ভয়, সকালে - বিকালে শরীর আগলে লুকিয়ে বাঁচতে হয়। যদি ভুলচুক হয় কোনভাবে অসাবধানের বশে, দুই বছরেই ধর্ষিতা তুই! তোরই কিন্তু দোষে! আরো খানিকটা বড় হলে ওরা ন্যাংটো করবে তোকে, কোল্ডড্রিংক্স জুড়ে তোর খোলা পিঠ সাপটে গিলবে লোকে বিক্কিরি হবে আরো আছে তোর যা কিছু ব্যক্তিগত, আমরা শুধুই খানিক লোলুপ, খানিকটা বিব্রত! সম্ভব হলে সূর্যের আলো মাখিশ না চোখেমুখে, না হলেও খুব চুপিচুপি মাখ, পাছে দেখে ফেলে লোকে! এরপরও খোলা রাস্তায় ওরা খেয়ে ফেলে গেলে তোকে, প্রশাসন শুধু হাততালি দিয়ে বেশ্যা বলবে তোকে! চিৎকার করো মেয়ে, দেখি কতদূর গলা যায়, আমাদের শুধু মোমবাতি হাতে নীরব থাকার দায়। চিৎকার করো মেয়ে, দেখি কতদূর গলা যায়, আমাদের শুধু ধ্বজা ভাঙ্গা রথে এগিয়ে চলার দায়। |
| কবি শিল্পী ফারজনা ওয়াহিদ সায়ান কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৪.৮.২০২৪ |
| এই মেয়ে শোন এই রাত এই ভোর কবি শিল্পী ফারজনা ওয়াহিদ সায়ান, বাংলাদেশ। রচনা ১৩.৮.২০২৪। এই মেয়ে শোন এই রাত এই ভোর যতখানি পুরুষের ততখানি তোর এই মেয়ে শোন এই রাত এই ভোর যতখানি পুরুষের তারও বেশী তোর এ শহর গ্রাম নদী এ পথ ঘাট এখানে সাতার কাট এইখানে হাঁট এখানে হা ডু ডু খ্যাল্ এখানে হা ডু ডু খ্যাল্ কানা মাছি ভোঁ জীবনে যা কিছু চাস সব কিছু ছোঁ সব কিছু ছোঁ তুই সব কিছু ছোঁ জীবনে যা কিছু চাস সব কিছু ছোঁ সব কিছু ছোঁ তুই সব কিছু ছোঁ জীবনে যা কিছু চাস সব কিছু ছোঁ কেউ কিছু বলবে না কি আছে বলার লগ্নে বা রাতে হবে আওয়াজ গলার এ পাড়ার ও পাড়ার রাস্তার মোড় এ পাড়ার ও পাড়ার রাস্তার মোড় যতখানি পুরুষের তারও বেশী তোর এই মেয়ে শোন এই রাত এই ভোর যতখানি পুরুষের ততখানি তোর এই মেয়ে শোন এই রাত এই ভোর যতখানি পুরুষের তারও বেশী তোর ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২২.৮.২০২৪ |
| মার্ক - কবি আর্যতীর্থ। রচনা ১৮.৮.২০২৪। মেয়েটির ধর্ষণ-খুনে প্রতিবাদে প্রথমে আওয়াজ তুললো তার সহপাঠী সব। শাসকের কানে গেলে, আড়মোড়া ভেঙে বললেন তিনি, ‘ এসব ঝুটঝামেলা ছাড়ো তো দিকিনি, সামনেই উৎসব, সেইদিকে মন দাও।’ আর হ্যাঁ, মার্ক করে রাখো, নজরের থেকে বাদ নয় একটাও। তারপরে সরব হলো গোটা কলেজ। শাসক বললেন, দুদিনে ফুরিয়ে যাবে তেজ, আমার সঙ্গে আছে গোটা রাষ্ট্রযন্ত্র, যা বলবো আমি, সেটাই জনগণের মন্ত্র, অধ্যক্ষকে দিয়ে খানিক হুমকি দিলেই দেখবে লড়বার মতো আর কেউ নেই। তবে হ্যাঁ, মার্ক করে রাখো, ভবিষ্যতে সিভি-তে এ কলেজ যদি থাকে, দেখে নেবো তবে সেই বেটি-ব্যাটাকে। কিন্তু পরের দিন প্রতিবাদ ছড়িয়ে গেলো সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে, মিছিল থাকলো হতে এখানে ওখানে, ক্যান্টিন থেকে উঠলো শ্লোগান, বিচার চাই, হোস্টেলে কারা যেন বেঁধে নিলো গান, বিচার চাই লাইব্রেরীর মৌনতায় কারা যেন ফিসফিসালো, বিচার চাই, ক্লাস ছেড়ে জমায়েতে জ্বলে বললো ঝাঁকে ঝাঁকে মোবাইলের আলো, বিচার চাই. |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২২.৮.২০২৪ |
| শ্রীচরণেষু - কবি আর্যতীর্থ। রচনা ১৭.৮.২০২৪। শ্রীচরণেষু.. এমন করেই লিখতে হতো বাংলা চিঠি নাকি আপনি গুরুজন। কী বলে যে করবো সম্ভাষণ, বুঝছি না ঠিক, তাই ভাবলাম এমনভাবেই ডাকি। অবশ্য এই ডাক আর আপনি শুনতে পাবেন না, শেষ ঘন্টার যন্ত্রণা রাগ কষ্ট ও ঘেন্না , সেসব নিয়ে হারিয়ে গেছি.. অন্তত তাই ভেবেছিলো ধ্বস্তকারীর থাবা, কয়েকটাদিন কাঁদতে পারে একলা মা আর বাবা, কিন্তু দেখুন লক্ষ মনে কেমন বেঁচে আছি, আমার কথা বেড়ায় ঘুরে ফোনের থেকে ফোনে, পার পাবে না দায়ী যারা অকাল-বিসর্জনে, তথ্যপ্রমাণ হোক বা না হোক ছাই, গর্জালে দেশ এমনভাবে ‘ ন্যায্য বিচার চাই’, কোন গর্তে লুকোবে কালপ্রিট, কয়েকদিনেই খুলে গুজব-গিঁট, জানা যাবে দোষীর পরিচয় । কিন্তু আমার এ পত্রটি সেই কারণে নয়, আলোচনা থাক, শুনতে পেলাম যখন দেবেন বাবাকে দশ লাখ, তখন থেকেই ভাবছি চিঠি লেখাটা দরকারি, |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২২.৮.২০২৪ |
| শব্দ বিভ্রাট - কবি আর্যতীর্থ। রচনা ১৯.৮.২০২৪। ‘রাতে নারী নিরাপদ নয়..’ বাক্যটিতে ‘নয়’ কথাটাকে উড়িয়ে দিতে হবে। নারীদের এইরকম আব্দার গেলো প্রশাসনের কাছে। প্রশাসনে অনেক ধাপ। এক সিঁড়ির থেকে পরের সিঁড়ি অবধি উঠতে লালফিতের ফাঁস পেরোতে প্রসারিত বাঁহাতে যথোপযুক্ত দক্ষিণা দিতে হয়, সেইসব ছিলো না বলে, নানা ঝুটঝামেলা পেরিয়ে যখন গুরুত্বপূর্ণ কানগুলোতে সেটা পৌঁছালো, তখন ‘বাক্যটিতে’ আর ‘ উড়িয়ে দিতে হবে’ শুধু স্পষ্ট, কী ওড়াতে হবে সেটা মুছে গেছে। ‘রাতে’ কথাটা উড়িয়ে দেখা গেলো, ‘নারী নিরাপদ নয়’ ব্যাপারটা স্বতঃসিদ্ধ হলেও, প্রশাসনিক বিজ্ঞপ্তি হিসেবে ভালো বিজ্ঞাপন নয়। নারীদের কাছে অমন ভুল বার্তা গেলে হুল ফুটতে পারে নির্বাচনে। |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২২.৮.২০২৪ |
| পিছু হাঁটা - কবি আর্যতীর্থ। রচনা ২০.৮.২০২৪। আগাছার মতো বেড়েছে শ্বাপদ, পথেঘাটে চলা নয় নিরাপদ, কিছু ঘটে গেলে ঘুম থেকে তুলে দেয় জনতার গর্জন, কোথায় মন্ত্রী, কই সেনাপতি, মিছিলে ইমেজে হয় কত ক্ষতি, সে সব হিসেবে না রেখে খালি বাঁহাতে উপার্জন! আজবরাজার ধমকে কাঁপেন রাজ-সভাসদগণ। ইদানিং রাজা মহা খেপে লাল, সারারাত ধরে মিছিল-মশাল, ঘুম কেড়ে নিলো গণ-চিৎকার ‘জাস্টিস চাই’ বলে, নিয়মিত ঘটা ধর্ষণ-খুনে, ঘি দিলো কারা হঠাৎ আগুনে, একখানা শুধু মোটে যোগ হলো, রাজ-আসন তাতে দোলে। চিরদিন মুখ নিচু ছিলো যারা হুট করে মুখ খোলে ! মন্ত্রী বলেন, আহা মহারাজ, কতদূর আর যাবে ও আওয়াজ, কটাদিন পরে পথ শুনশান বাকি ঘটনার মতো , রাজা বললেন ততদিনে যদি, নড়বড় করে ধসে যায় গদি, নিরাপদ কিছু প্রোপোজাল খুঁজে বের করো অন্তত! সাপ মেরে দিয়ে লাঠিটিও যাতে থেকে যায় অক্ষত। |
| কবি সুব্রত দেব কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২২.৮.২০২৪ |
| জাস্টিস ফর ‘আরজিকর’ কবি সুব্রত দেব। রচনা ১৯.৮.২০২৪। বাতিল কেন ডার্বি ম্যাচ? এর পেছনে কিসের প্যাঁচ? তিন প্রধানের একই স্বর, জাস্টিস ফর ‘আরজিকর’। অঝোর ধারায় ভিজছে মাথা, তিনের মাথায় একটি ছাতা। প্রতিবাদ করতে মানা বাড়ি বাড়ি পুলিশ হানা! স্বৈরাচারীর নোখ ও দাঁত যাচ্ছে দেখা ‘সহীহ বাত’। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি ইমন মুখার্জী কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২২.৮.২০২৪ |
| সব বিক্রী পঁচাশি হাজারে কবি ইমন মুখার্জী। রচনা ২০.৮.২০২৪। শুনে টাইপ করা। তোদের বোনের তোদের মেয়ের লাশটা ছিঁড়ে শয়তানে খাক আমরা নিবো দু হাত পেতে, আমরা নেবো প্রায় এক লাখ বছর বছর বাড়ছে টাকা, তাই কোশাগার ভরছে ভরুক আমরা পুজো করবো বড়, বাদ বাকিরা লড়াই করুক ওর গলাটা ধরুক টিপে, দুচোখ দিয়ে রক্ত গড়াক আমরা পুজো কাঁপিয়ে দেবো, ছাড়বো কেন প্রায় এক লাখ! এবার যদি না করে দিই, পরের বছর আর দেবে কি? থিম ছেড়ে তো আবার ঠাকুর, আনতে হবে সেই সাবেকি দশটা মিলে ঝাঁপিয়ে পড়ুক, ওর কোমোরের হাড় ভেঙে যাক দিচ্ছে যখন নেবোই নেবো, পোনেরো কম প্রায় এক লাখ! সেদিন কেন ঘর গেলে না, বোকার মতো রাত কাটালে কারণ তুমি জানতে না যে, ধর্ষণও হয় হাসপাতালে তোমার ব্যাপার তোমার জীবন, তোমার শত ছিন্ন পোষাক আমরা নেবো মূল্য ধরে, আমরা নেবো প্রায় এক লাখ ফালতু কেন ছাড়বো টাকা, পাচ্ছি যখন পুরোই ফ্রীতে আমরা খুশি, বিক্রি হবে দুর্গা হাজার পঁচাশিতে দুর্গা জ্বলুক, দুর্গা পুড়ুক, দুর্গা মরুক, ধর্ষিতা হোক আমরা ক্লাবে ক্যারাম খেলি, আমরা ক্লাবের ধারক বাহক ফিরিয়ে যারা দিচ্ছে টাকা, আন্দোলনের মস্তানিতে রাত দখলে নামুক তারা, আমরা হাজা পঁচাশিতে পুজোয় কোনো আপোশ না হোক, ধর্ষণে তাও কমপ্রোমাইস অষ্টমীতে খিচুড়ি থাক নবমী তে ফ্রাইড রাইস |
| কবি ইমন মুখার্জী কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২২.৮.২০২৪ |
| হেরে বসে আছো হে ভারতমাতা FOR তিলোত্তমা কবি ইমন মুখার্জী। রচনা ১৮.৮.২০২৪। শুনে টাইপ করা। হেরে বসে আছো হে ভারতমাতা, স্বাধীনতা ছুঁড়ে ফেলে, তোমারই আঁচলে রক্তের ফোঁটা ছেটায় তোমারই ছেলে নিরাপদ কোনো রাত নেই কেন? কি জবাব দেবে তার? শিবে জল ঢেলে তবে কি বাড়ালে খুনীর লিঙ্গে ধার? নারীর শ্রীলতা যত কোমলতা ধ্বংস করেছে ওরা তীরের ফলায় বিষ মাখিয়েছি, বাকি আছে শুধু ছোঁড়া কে ওরা, কি করে, কি নাম, কি খায়, একা তো ছিলো না, ক’জন? ধড় থেকে মাথা কেটে ফেলা হোক, ছেটে ফেলা হোক ওজন পশু নামে কেউ ডেকো না ওদের, পশুরও লজ্জা হয় খাবার জোটাতে শিকার করাটা কোনো ধর্ষণ নয় নরপিশাচ বা রাক্ষস বলো, কিম্বা দানব দত্তি মানুষও নেমেছে রাস্তায়, পথ ছাড়বে না এক রত্তি উঠেছে স্লোগান, বেজেছে শঙ্খ, ঢোল করতাল কাশি, মানষই এবার জল্লাদ হয়ে, গলায় পড়াবে ফাঁসী ষত চেষ্টাই কর না তোমরা, দিতে চাও ধামাচাপা খোঁজ নিয়ে দেখো, শুরু হয়ে গেছে, খুনীদের বুক কাঁপা ধর্ষক যদি সৃষ্টি করহে, ঈশ্ব রাখো শুনে --- মরে যাবে ওরা জন্মের আগে, মায়ের পেটেই ভ্রূণে ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি ইন্দ্রাণী মণ্ডল কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২২.৮.২০২৪ |
| মৃত রূপকথারা কবি ইন্দ্রাণী মণ্ডল। ভালোবাসাহীন রুক্ষ শহরে রূপকথারা মরে, লোভ-লালসার রিক্ত চিতায়, দারুণ বিকার জ্বরে! এখানে ধ্বংস, এখানে আগুন, মড়ক ও মহামারী নিরাপত্তার গভীর অভাবে মরছে এখানে নারী। কোমল পাঁপড়ি পুড়ছে এখানে দারুণ অগ্নিবাণে, বোবা মানুষেরা সত্যি কি তার কোনো প্রতিকার জানে? মহাভারতের দুঃশাসনেরা এখনও বাড়ায় হাত, অন্ধকারে সুযোগ বুঝে বের করে নখ-দাঁত। দ্রৌপদীদের চিৎকারে তাই কেঁপে ওঠে কালো রাত। আদিম রিপু চেনায়, মানুষ এখনও পশুর জাত! এই অনাচারী আর উৎপীড়কেরা কবে হবে উৎখাত? রূপকথার মৃত শরীরে এখানে সূর্য অস্ত যায়! ধর্ষক নরপশুরা এখানে নারীর মাংস খায়! কোমল শরীর পুড়ছে এখানে দারুণ কামনাবাণে! ভীরু মানুষেরা সত্যি কি তার কোনো প্রতিকার জানে? ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি প্রসূন ভৌমিক মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২২.৮.২০২৪ |
| অঞ্জলি পিসি কবি প্রসূন ভৌমিক। নারী জন্ম হওয়া পাপ, বলেছিল কাজের মেয়েটি পিসি বলল: ভুল, পাপী মরদের ছোঁকছোঁক মন নারীর সুরক্ষা চাওয়া মিছিলেও নারী অসহায় ভিড়ে তার বুকে হাত, লালসার বলিষ্ঠ কনুই আমি চাই শুভ হোক শুভ হোক কল্যাণী পৃথিবী হিম্মত প্রদান করো, অস্ত্র দাও মেয়ের তুনীরে যে দেশে ক্ষমতা শুধু ব্রিজভূষণের পদতলে যে পৃথিবী আশারাম, যে পৃথিবী রামরহিমের যা বললে, গুরুত্বহীন, শুধুমাত্র লেখা থেকে যায় ভাতের থালায় দেখি সে কন্যার পোড়া স্বরলিপি দেখি তার ঠোঁট ফাটা, রক্তদাগ, দু'চোখে আঘাত দেখি হাঁসফাস করছে, বজ্রমুঠি গলা চেপে ধরা শিউরে উঠেছি, থালা ছুঁড়ে ফেলি, উচ্ছিষ্ট দেওয়ালে ধর্ষিতা মেয়ের শ্রাদ্ধে পিণ্ড পাক অর্চনা গুহও! ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি অরুণাচল দত্ত চৌধুরী কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২২.৮.২০২৪ |
| গাণ্ডীবের খোঁজ কবি অরুণাচল দত্ত চৌধুরী। রচনা ১৮.৮.২০২৪। মিও যুদ্ধে গেছ, জানতে পারোনি। এই যুদ্ধ শুরু খুব ভেতরে ভেতরে। পাতাল-গহ্বর থেকে উঠে আসে এই যুদ্ধ... এই আর্তনাদ! আকাশের নীল থেকে এই যুদ্ধ ঝাঁপিয়ে পড়েছে। মায়ের দিব্যি নয়, কন্যার দিব্যি নয়, সঙ্গিনীরও দিব্যি নয়, মানবজাতির দিব্যি... চাও বা না চাও তুমি, এই যুদ্ধে জড়িয়ে গিয়েছ। অস্ত্র? শোনো সব্যসাচী, শমীবৃক্ষে বাঁধা। এখন একটাই কাজ, শমীবৃক্ষটাকে খুঁজে পাওয়া ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি শুভ জোয়ারদার কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২২.৮.২০২৪ |
| অসুর নিধন কবি শুভ জোয়ারদার। রচনা ১৮.৮.২০২৪। অসুর মানে অত্যাচারী, অসুর মানে লম্পট আর জি করে দুর্গা মেরে নিমেষে দেয় চম্পট। অসুর আছেন প্রতিষ্ঠানে অর্ডার ফাইল মধ্যতে ধর্মে আছেন কর্মে আছেন রাজনীতি আর পদ্যতে। দুর্গারা আজ রেপ হয়ে যায়, মাফিয়াদের তান্ডবে গান্ডীবে গুণ পরায় মানুষ, ডাক দিয়েছেন পান্ডবে। কন্যামেধের যজ্ঞ বাতিল, দেবশিশুরা ধরেন গান অসুর যাবে মৃত্যুগুহায় দুর্গারা সব দেন বিধান, হ্যাঁচকা টান, সবাই চান !!! ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি নির্মাল্য ব্যানার্জী মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২২.৮.২০২৪ |
| আমাদেরও মেয়ে ছিল কবি নির্মাল্য ব্যানার্জী। ১৪ই অগাস্ট ২০২৪ এর রাতে কবির শারীরিক সমস্যাকে অগ্রাহ্য করে দীর্ঘ পথ হেঁটেছিলেন। |

| কবি সুতপা সেনগুপ্ত মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২২.৮.২০২৪ |
| এখন তুমি যেখানে যাও সেখানে যায় কালো আকাশ কবি সুতপা সেনগুপ্ত। |

| কবি ঋতশ্রী মজুমদার কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২২.৮.২০২৪ |
| মস্ত বড় ভুল! কবি ঋতশ্রী মজুমদার। রচনা ১৪.৮.২০২৪। ঘুমকে বরং না বলে প্রতি রাত্রি করো দখল ত্রাতা রূপে এগিয়ে এসো কন্যারূপী সকল এ ঘোর রাত্রি পেরিয়ে উঠুক নতুন দিনের সূর্য লক্ষ কন্ঠে উঠুক বেজে স্বাধীনতার তূর্য! মুখরিত হোক মিছিলের স্বর হেঁটে যাক পথ দিয়ে মেয়েটি বোধহয় ঘুমিয়ে গিয়েছে স্বপ্ন চোখে নিয়ে মাথায় যে তার সোনার কাঠি, পায়ের কাছে রুপো আলোর কাছে আঁধার তুমি আরেকটিবার ঝুঁকো! মাথার কাছে সোনার কাঠি, পায়ের কাছে ফুল আর যেন তুই করিস নে মা ছোট্ট কোনও ভুল এবার তোকে শিখতে হবে ক্যারাটে আর জুডো অবসরে খেলিস নে আর একটু আধটু লুডো! তারচে বরং শরীরটাকে এমন ভাবে গড় দেখলে তোকে আসে যেন অমানুষের জ্বর হাত ব্যাগেতে যত্ন করে রাখবি ভরে স্প্রে গোলমরিচের ভয়ে কাছে ঘেঁষবে না কেউ রে। তাও কি রে তুই বাঁচবি মেয়ে এমনতর দেশে? দানব ঘুরে বেড়ায় যখন নানান ছদ্মবেশে! মাথার কাছে সোনার কাঠি পায়ের কাছে ফুল নারী হয়ে পোড়া দেশে জন্মানোটাই ভুল! ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি ডাক্তার অর্পণ চক্রবর্তী অসীম গিরির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২২.৮.২০২৪ |
| আর ফিরিস না এই বাংলায় কবি ডাক্তার অর্পণ চক্রবর্তী। সংগৃহীত। অসীম গিরির ফেসবুক থেকে। দোহাই মেয়ে, আর ফিরিস না এই বাংলায় শঙ্খচিল নয় শকুনের দল বসে আছে হেথায় উরুর ভাঁজে খুঁটে খাবে তায়। দোহাই মেয়ে আর ফিরিস না এই বাংলায় ধানসিড়ি নয় নর্দমার কীট দুর্গন্ধ ছড়ায় আর্তি হেথায় কন্ঠ হারায়। দোহাই মেয়ে আর ফিরিস না এই বাংলায় লাল ঘুঙুর নয় শোণিত অন্তর্বাস বাবা মা কে মনে করায় খুকু যেন আর না জন্মায়। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি দেবীস্মিতা দেব কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২২.৮.২০২৪ |
| আপনি কি শুনতে পাচ্ছেন? কবি দেবীস্মিতা দেব। একটা মেয়ের মৃ ত্যুকে ঘিরে কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী গোটা দেশ এমনকি বিদেশের মাটিও কেঁপে উঠল। কিন্তু যাঁর হৃদয় কেঁপে উঠলে মেয়েটা একটা ন্যায় বি চার পেতে পারত তাঁর হৃদয় এখন পর্যন্ত একটি ফোঁটাও কেঁপে উঠল না। প্রত্যক্ষ জনসমাবেশ কাঁপিয়ে গতকালকেও তিনি শ্লো গান দিয়ে উঠলেন, ‘নির্যা তিতার ফাঁ সি হোক। নির্যা তিতার ফাঁ সি হোক।’ তারপর লাইনটিকে তৎক্ষণাৎ শুধরে নিয়ে আকাশ বাতাস প্রায় বিদীর্ণ করে আবারও বলে উঠলেন, ‘ধ র্ষিতাদের ফাঁ সি হোক।’ মেয়েটি ম রে গেছে। |
| কবি অরুণাচল দত্ত চৌধুরী কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২২.৮.২০২৪ |
| হাত পাতলেই সকল হিসেব সালটে যেতো কবি অরুণাচল দত্ত চৌধুরী। হাত পাতলেই সকল হিসেব সালটে যেতো। ক্ষোভের লেবু কচলে গেলে দারুণ তেতো। একটা মেয়ে মরল। হ্যাঁ তা মরতে পারে। মৃত্যু ঢাকতে মিথ্যে সাজাই, নির্বিচারে। সকল ক্ষতির পূরণ দিতে দারুণ দক্ষ। এক দুই নয়, চাইলে দেব দশটি লক্ষ আমার আছে... রাজ কোষাগার... বাপের টাকা। দু একটা নোট ছড়িয়ে দিলেই... জয় পতাকা। কী বললি কী? এ রাজ্যটা যাচ্ছে চুলোয়? চলুক চুরি, যার যতটা সাধ্যে কুলোয়! চলুক ফালতু রাগ অভিমান... আমড়াগাছি। নোট বিলোতে, ভোট কুড়োতে আমরা আছি। কার সন্তান মরল? বৃথাই ফাটছে বক্ষ। হাত পাতলেই বাড়িয়ে দেব দশটি লক্ষ। ক্ষোভ বিক্ষোভ একটুও নয় অভিপ্রেত। Po হাত পাতলেই সকল হিসেব সালটে যেত॥ ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
. |
| কবি বিকাশ আমাদের কাছে কবির কোনো তথ্য নেই এখানে তোলা হয়েছে ২২.৮.২০২৪ |
| মধ্য রাতের গর্জন কবি বিকাশ। রচনা ১৫.৮.২০২৪। তিলোত্তমার দেখানো পথে এখনও হাঁটার হয়নি শেষ- ভবিষ্যতে সে পথে হাঁটবে ভারতবর্ষ, হাঁটবে বঙ্গদেশ। সম্রাট, তুমি বেহালা ছেড়ে হাতে তুলে নাও চাবুক- নারী লোলুপেরা পিছু হটে গিয়ে,একটু হলেও ভাবুক। তুমি কি শুনতে পাচ্ছো না? মধ্য রাতের গর্জন ও কান্না! ন্যায্য বিচার কে পেয়েছে কবে? তুমিও তো মা,গরীব ও ধনীর ধামা খুলে দেখো পেয়ে যাবে যত অপরাধী কেউটের মনি। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি সুব্রত দেব কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২২.৮.২০২৪ |
| আসল - মেকি কবি সুব্রত দেব। রচনা ১৭.৮.২০২৪। আর তো বোকা নয় কেউই আগের মতো, নাটক দেখেই যাবে ভুলে বুকের ক্ষত। শিখণ্ডীকে ফাঁসির জন্য তাড়াটা কি, আসল দোষী রক্ষা করার লক্ষ্যে নাকি? চোটের নাটক ভোটের নাটক নাটক কত আসল নাকি মেকি বোঝো যে যার মতো। বুঝে নিলেই হাতে -নাতে তুমিও পাশ বাহুবলীর বঙ্গে যদি তোমারো বাস। |
. |
| কবি শীর্ষেন্দু মৈত্র কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২২.৮.২০২৪ |
| আসলে আমরা ভয় পাই কবি শীর্ষেন্দু মৈত্র। রচনা ১৭.৮.২০২৪। আসলে আমরা ভয় পাই, ভীষণ ভয় চলতে ভয় বলতে ভয় প্রতিবাদী হতে ভয় একটাই জীবন প্রাণের মায়া সবারই হয় তাই, ভয় হয়, ভীষণ ভয়। কিন্তু ভয় তো হওয়ার কথা নয়! স্বাধীন দেশে জন্ম নিয়ে এমন ভয় তো হওয়ার নয়!! হাত বাড়ালেই বন্ধু পাবো জীবন যুদ্ধে সঙ্গী পাবো এমনটাই তো হওয়ার কথা তবুও কেন ভীষণ ভয়!! ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
. |
| কবি কৃষ্ণা গুহ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৩.৮.২০২৪ |
| জবাব চাই জবাব দাও কবি কৃষ্ণা গুহ। নরপিশাচ আর নরখাদকের লালসার শিকার হলো মেয়েটি!! দুর্বৃত্তরা শুধুই মেয়েটির দেহর আবরণ উন্মোচন করেনি, রক্তাক্ত করেছে, খুবলে খেয়েছে মাংসপিণ্ড গুলি !! বিবস্ত্র করেছে সমগ্র নারী জাতি কে!! কলুষিত করেছে সমাজকে। শরীরের মাঝে লুকানো সম্পদ কে আঁচড়ে খেয়েছে ধর্ষকেরা। মেয়েটির আর্তনাদ পৌঁছায়নি কারোর কানে। এখন শহরের অলিতে গলিতে চলছে ধিক্কার মিছিল !! মানুষ সংগ্রামী হয়ে উঠেছে, এবারে ধর্ষক বিহীন সমাজ গড়ার কারিগর খুঁজতে হবে, খুঁজতে হবে ,পুরো চক্রটাকে , পোস্টমর্টেম এর আগেই আত্মহত্যা বলে চালাতে চেয়েছে খুঁজতে হবে তাদেরকে। বুকের ভেতর আগুন জ্বালাও ----প্রতিবাদী হও নারী!! দশ হাতে ধরো তরবারি!! স্বাধীনতার সাতাত্তর বছর পর ও নারী স্বাধীনতা কোথায়??? জবাব দাও সমাজ !! এবার জবাব চাই !! জবাব দাও। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
. |
| কবি কৃষ্ণা গুহ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৩.৮.২০২৪ |
| স্বস্তি চাই কবি কৃষ্ণা গুহ। এখানে নেই সুরেলা বাঁশি!! নেই একতারায় বোধের গান । জীবনের আলপথে শুধুই অবিশ্বাস, আর বেদনার আর্তনাদ। শহর জুড়ে দাবানল, এক অস্থির কোলাহল। শিক্ষা কি শুধুই উপার্জনের পথ দেখায়? প্রকৃত মানুষ গড়ার কারিগর খোঁজে কই!! মায়ের শরীর জুড়ে রক্তক্ষরণ ,দৃষ্টিতে নেই আলো !! স্বস্তিতে মাথা রেখে ঘুমাবো কোথায় বলো? ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৩.৮.২০২৪ |
| কাটছে না - কবি আর্যতীর্থ। রচনা ২২.৮.২০২৪। শত প্রতিবাদ, হাজার মিছিল, মৌচাকে ছোঁড়া অগুন্তি ঢিল, মৌমাছি হুল, গুজবের গুল , তথ্যতত্ত্বে চিরে ফেলা চুল, বদলিয়ে যাওয়া জাগবার ব্রতে নির্জীব যত রাত চেনা, খবরে নজর কারা প্রতিবাদে কে কে মিছিলে হাঁটছে না.. দিন চলে যায় এক একটা করে, মনখারাপটা কাটছে না। কুয়াশার মতো থিতু এ বিষাদে, শান্তি আসে না লাখ প্রতিবাদে যা কিছু লিখছি বলছি ভাবছি, নিজেকেই যেন নিজে ঠকাচ্ছি, আলো কত দূরে , এমন আঁধারে জোনাকিও চোখে ভাসছে না, গিয়েছে যে মেয়ে, সে তো নয় চেনা, তবু রাতে ঘুম আসছে না.. একটা একটা করে বাড়ে দিন, মনখারাপটা কাটছে না। রোজকার কাজ রোবটের মতো, সংসারে যার দায় বাধ্যত, করেই চলেছি, দিচ্ছি না ফাঁকি, কাজের আড়াল নেওয়ার চালাকি কাজ দিচ্ছে না, আমারও তো দায় রয়েছে শুধতে লাশ-দেনা, কীভাবে মেয়েটা পাবে যে বিচার , আস্তিনে সাপ খাস চেনা.. ভূত আর সর্ষে অনুপাত দেখে, মনখারাপটা কাটছে না। |
| কবি সিদ্ধার্থ মিত্র মিত্রা চট্টোপাধ্যায়ের ফেসবুক থেকে নেওয়া এখানে তোলা হয়েছে ২৩.৮.২০২৪ |
| মৃত্যুর স্বাদ - কবি সিদ্ধার্থ মিত্র। মিত্রা চট্টোপাধ্যায়ের ফেসবুক থেকে। |

| কবি অদিতি চক্রবর্তী মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৩.৮.২০২৪ |
| আত্মজা কবি অদিতি চক্রবর্তী। রচনা ২০০৮। চল তোকে যাই নিয়ে এপৃথিবীর কিনারা ছাড়িয়ে, মুখোশের আড়ালে থাকা ওই ক্লীব কামুকের শ্বাপদ নাগাল পেরিয়ে! কত যত্নে রেখেছি ভ্রুণ থেকে দশ মাস, ভূমিষ্ঠ হতে, শপথ করছি এই দনুজদলনীতে বিকৃত মাথা যত তোর চার দিকে নির্দ্ধিদায় নেমে যাবে ধড় থেকে ভূমে! ভরসা নেই আর কোনো ধর্মাচারে, নেই কোনো বিশ্বাস আর ধর্মাবতারে! শানিয়েছি অস্ত্র তাই দিগঙ্গনা রণে জেগেছে স্বত্ত্বা আজ মাভৈঃ মন্ত্রে! প্রলয় আসুক ভেঙে আত্মজার তরে! ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি শঙ্খ ঘোষ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৩.৮.২০২৪ |
| সবিনয় নিবেদন কবি শঙ্খ ঘোষ। আমি তো আমার শপথ রেখেছি অক্ষরে অক্ষরে যারা প্রতিবাদী তাদের জীবন দিয়েছি নরক করে। দাপিয়ে বেড়াবে আমাদের দল অন্যে কবে না কথা বজ্র কঠিন রাজ্যশাসনে সেটাই স্বাভাবিকতা। গুলির জন্য সমস্ত রাত সমস্ত দিন খোলা বজ্র কঠিন রাজ্যে এটাই শান্তি শৃঙ্খলা। যে মরে মরুক, অথবা জীবন কেটে যাক শোক করে--- আমি আজ জয়ী, সবার জীবন দিয়েছি নরক করে। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি কলমচি কৌশিক কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৩.৮.২০২৪ |
| লজ্জা কবি কলমচি কৌশিক। রচনা ১২.৮.২০২৪। বিকিয়ে গেছে বিবেক ওদের, বিকিয়ে গেছে শিরদাঁড়া মিথ্যা দিয়ে সত্য ঢাকার মঞ্চে জমায় ভিড় যারা। বদ্ধ কপাট, প্রমাণ লোপাট, চলছে নাটক রাত্রিদিন মিথ্যা স্বয়ং স্ক্রিপ্ট লিখেছে, তদন্ত সব ভিত্তিহীন। শাসক চালায় স্বজনপোষণ, দুর্নীতির ওই আঁধার রাত ধর্ষকও তাই পার পেয়ে যায়, থাকলে মাথায় নেতার হাত। "খেলা হবে"র শ্লোগান ছিল, তাইতো খেলা চলছে জোর এক ছাতাতে এক হয়েছে খুনী, ডাকাত, ছিঁচকে চোর। আড়াল করার চলছে খেলা, তাইতো ওদের বন্ধ চোখ... হাতের মুঠোয় একটা মাতাল, বলির পাঁঠা সেটাই হোক॥ ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি কলমচি কৌশিক কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৩.৮.২০২৪ |
| প্রশ্ন থাক কবি কলমচি কৌশিক। রচনা ১৮.৮.২০২৪। পিসিগো পিসি, ভীষণ ফিশি, এইযে তুমি ভুলছ স্ক্রিপ্ট দিচ্ছ শ্লোগান, নেইকো দু'কান, বলছে লোকে "ইস্টুপিট"। চাইছ ফাঁসি, দুঃখে হাসি, তাওবা কিনা ধর্ষিতার! ভুল বকুনি, সবটুকুনি, ধার কমে না অস্মিতার। তুমিও নারী, আনতাবাড়ি, বলার আগে ভাববে না! তুলবে আঙুল, কার চোখে ধুল, ঠোঁট তবুও কাঁপবে না! কন্সপিরেসি, দিন বা নিশি, বাঁচাও কাকে বলবে তা? চামচা ক'টি, চাটছে চটি, আর কতকাল চলবে তা? প্রিন্সিপালও, খেল দেখালো, চরণ ধোয়া চটির জল নেইতো ঘোড়া, গাধায় ভরা, দেখছি তোমার আস্তাবল। খুনীর দলে, আর কে চলে, খুন যে কাদের শ্বদন্তে তোমার পুলিশ, এতোই ফুলিশ, পায় না কিছুই তদন্তে? ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৩.৮.২০২৪ |
| অশিক্ষিত - কবি আর্যতীর্থ। রচনা ২০২৩। মেয়েদের বুকের থেকে মুখের দিকে প্রথমে চোখ রাখতে আমাকে শিখতে হয়েছে। আকৈশোর নারীদের শুধু শরীর ভাবতে শেখানো’র শিক্ষা চুঁইয়ে চুঁইয়ে এতটাই চেতনার তলা পর্যন্ত চোরাবালি করে রেখেছে, লিঙ্গবিহীন মানুষ ভাবার ক্ষমতা পায়ের নিচে শক্ত জমি পায় না। সেই সব ভাবনারা আদপে যে মানসিক ধর্ষণ, সেটা বুঝে, ভীষণ বিমর্ষ থাকে আজ আয়না। পুংজীবনের ছোটোবেলা থেকে এটাই বোঝানো হয়েছে , কাদের শরীর নিয়ে ভাবতে নেই, গুরুস্থানীয়া, আত্মীয়া বোন বা বন্ধুর বান্ধবী, কিন্তু কেউ বলে দেয়নি, বাকি যে সব এক্স এক্স ক্রোমোজোমবাহী হোমো স্যাপিয়েন্সরা পড়ে রইলো, তারাও শরীর নয়, আস্ত মানুষ সবই. তাদের প্রত্যেকের শরীরের মধ্যে একটা গোটা মগজ আছে, মগজের মধ্যে আমারই মতো আবেগ আর রিপু’র প্রভাব, যার শরীরময় আমার ভাবনার আঙুল ঘুরে বেড়ায়, তার মন নিয়ে চিন্তিত হতে আমায় কেউ শেখায়নি, ভ্রান্ত মানুষ করে আমায় গিয়েছে গড়ে আমারই স্বভাব। আমাদের পাড়ায় ও স্কুলে , মেয়েদের পরিচিতি ছিলো শিশুর খাদ্যউৎপাদক এক গ্রন্থির আকার ও আয়তন অনুপাতে কার বড় আর কার ছোটো, |
| সেই উদ্দীপক আলোচনায় প্লাবিত কিশোরেরা কখনো ভাবতে বসেনি, কে আবৃত্তি করে, কে দুর্দান্ত রবীন্দ্রসঙ্গীত গায় বা কে ডিবেটে স্কুল চ্যাম্পিয়ন, জেগে থাকা স্বপ্নতে যাকে চায় রাতে, সেখানে শুধুই শরীর। প্রেমের সমস্ত আবেদনপত্রে গায়ের রঙ, টিকালো নাক আর ভাইটাল স্ট্যাটিস্টিক্স প্রাধান্য পেয়েছে, আমার পারিপার্শ্বিক বিনোদন ও বিজ্ঞাপনের যাবতীয় কৌশল সেই প্রবণতাকেই দিয়েছে উস্কানি আমাকে ভাবতে বাধ্য করেছে দৈহিক সৌন্দর্য নারীদের প্রধান আর একমাত্র কাম্য বৈশিষ্ট্য, সীমান্তপারের নিষিদ্ধ হাতছানি। অনেক, অনেক পরে, আগামী যখন আজ হাতে কম অতীতের চেয়ে, তখন বুঝতে পারি, সেটাও প্রচুর ঠেকে ঠেকে , যোনি ও জরায়ু বলে নারীকে চেনানো প্রথা পাল্টানো কত দরকারি, হয়তো তা বদলানো প্রয়োজন এমন কি আরো বহু নারীদের-ও মনে। পুরুষের দাবী মেনে কত নারী সে কতটা নারী তার মাপকাঠি আটকায় কোমরের মাপে অথবা গায়ের রঙে, ইয়ত্তা নেই, হাজার বছর ধরে মানুষ ঢেলেছে মন এ বাধা গতেই, এমনকি কবিরাও মানসীর বর্ণনা চুল আর মুখে দিয়েছেন, বিদিশা শ্রাবস্তী ছেড়ে কে বলতে পারে, মানুষ কেমন ছিলো বনলতা সেন? বুকে নয়, মুখে চেয়ে দেখাটা জরুরি, এ শিক্ষা এখনো যে বাদ পুরোপুরি, তা নিয়ে কোথাও নেই গূঢ় আলোচনা, যে শেখে , নিজে নিজে শেখে সে ধারণা। তা ছাড়া দায়িত্ব বোধহয় কারো না। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| হারতে তোমায় দেব না তিলোত্তমা! কবি ঋতশ্রী_মজুমদার। রচনা ২২.০৮.২০২৪। হারতে তোমায় দেব না তিলোত্তমা সাক্ষী থাকবে এই শহরের রাজপথ অলি গলি আর তোমার মফসসলের মানুষের তোলা হাজারো জনমত! তোমাকে ভেবে ঘুমোতে পারিনি জানো নির্ঘুম রাতে এসেছো স্বপ্নে কত ! পাশটিতে ছিল চুপ করে শুয়ে মেয়ে ওর মুখে পড়ে তোমার ছায়াটি যত - ততবার আমি শিউরে উঠেছি ভয়ে! আঁধারে ঢেকেছে পূর্ণিমার ওই চাঁদ ভেবে যাই শুধু সেইদিন ঐখানে কারা পেতেছিল তোমার মৃত্যু ফাঁদ? যন্ত্রণা যত পেয়েছিলে সেই রাতে অনুভব করে শিউরে উঠেছি আমি যারা দিয়েছিল তোমায় নিঃশেষ করে পাওনা ওরাও পাবে নির্ঘাত জানি! হারতে তোমায় দেব না তিলোত্তমা এ লড়াই আগে দেখেছে কি এই দেশ? অন্দরে যত গলদ থাক না কেন জন সাধারণ দেখে নেবে এর শেষ! |
| কবি ঋতশ্রী_মজুমদার কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৩.৮.২০২৪ |
| কবি অরুণাচল দত্ত চৌধুরী কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৩.৮.২০২৪ |
| কান্না? ছিলই। কী ছিল সুর? কী ছিল তার তাল? কবি অরুণাচল দত্ত চৌধুরী। রচনা ২২.৮.২০২৪। কান্না? ছিলই। কী ছিল সুর? কী ছিল তার তাল? নিকেশ যখন করেছিলাম নিয়েনডার্থাল। মেয়েগুলোই কাঁদছিল কি? ওরাই সহজ শিকার। সভ্যতার এই ইতিহাসটা কোরো না অস্বীকার। দুমড়ে দিয়ে মুচড়ে দিয়ে কাপড়ও নিই কেড়ে। লক্ষ্য রাখি একটা মেয়েও যেন না যায় বেড়ে। লজ্জা ডোবাই লোহার ফলায়, মজ্জা অপমানে। সেই মেয়েটা ডুবতে ডুবতে ভোলে বাঁচার মানে। বীরত্বটা প্রকাশ্য হয়, ন্যাংটো মেয়ে হাঁটে। হোঁচট খেয়ে লুটিয়ে পড়ে রাষ্ট্রের চৌকাঠে। রক্ত দিয়ে সুরুয়া হয়, মাংসতে কোর্মা। সেই মেয়েটা চেঁচিয়ে বলে, আমি যে তোর মা। প্রাকইতিহাস পেরিয়ে এসব একবিংশের কথা... মহান গণতন্ত্রে এখন ঝিকোচ্ছে সভ্যতা। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৮.২০২৪ |
| ফুলকি - কবি আর্যতীর্থ। রচনা ২৪.৮.২০২৪। তড়িঘড়ি পোড়ানো মেয়েটার দেহ শিগগিরই এক মালসা ছাই হয়ে বেরিয়ে এলো। সে ছাই বালাই বলে ফেলে দেওয়া হলো জলে। ওরা মুখ ঘোরাতেই .. ও কি! ভস্মের কণাগুলো দপ করে জ্বলে… আগুন নেভেনি তবে কি? ধিকি ধিকি জ্বলা ওরা পাখি না জোনাকি, তা বোঝা গেলো না। যেটা দেখা গেলো, জল ছেড়ে বেরোলো অগুন্তি আলোর ফুলকি.. ওরা উড়লো , শ্মশানেই সব শেষ ধারণা পেরিয়ে, তড়িঘড়ি-তোড়জোড়কারীদের নজর এড়িয় ওরা ছড়িয়ে গেলো শহরে, গ্রামে, প্রদেশে, রাজ্যে ,দেশে .. সারা বিশ্বে। ফুলকিরা পৌঁছালো সেই কম্প্যুটারে, যেখানে পর্নসাইটে সার্চ করা হচ্ছিলো মেয়েটার নাম। ছেলেগুলো দেখলো , কে যেন দখল নিয়েছে স্ক্রিনের, যেভাবে সাইবার-ডাকাতেরা নেয়, আর ওদের চোখের সামনে কোনো এক ডিজিটাল ম্যাজিকে যে সিনেমাটা চলছে, তাতে ওরা সবাই আছে, তবে ধর্ষক নয়, ধর্ষিত হিসেবে। গুহ্যতে ঢোকা প্রতি লিঙ্গের প্রহারে পর্দার ‘অবতার’এর সাথে ওদেরও সমান ব্যথা লাগছে, ওরা কাতরাচ্ছে , প্রাণপণ চেষ্টা করছে, কিন্তু ল্যাপটপ বন্ধ হচ্ছে না.. যতবার বন্ধ করতে যাচ্ছে, স্ক্রিনে ভেসে উঠছে ‘ অভয়া’। |
| রোজ নাকি নব্বইটা ধর্ষণ হয়। যারা সে সংখ্যাটা বলে, তারা জানে না বা এড়িয়ে যায়, প্রতি একটা অভিযোগে দশটা করা হয় না, করা যায় না। আর প্রতি একটা ধর্ষণে কমপক্ষে একশোটা শ্লীলতাহানি থাকে, প্রতি শ্লীলতাহানিতে এক হাজারটা ইভটিজিং, প্রতি ইভটিজিংয়ে কত ‘মন্দ ছোঁয়া’ থাকে, সেটা গোনার ক্যালকুলেটর তৈরি হয়নি । অথচ সেটাই হিসেব করে ফুলকিগুলো নিখুঁত ভাবে ঢুকে গেলো এমন প্রতিটি ঘটনার মধ্যে, প্রতি সম্ভাব্য শিকারের চোখের জ্যোতি যেন সুপারম্যানের লেজার চোখ , ধর্ষক, মলেস্টার, ইভটিজার ছোঁয়ার আগেই কুঁকড়ে গেলো তাদের হুংকার শুনে ‘ অভয়া! ‘ সাড়ে তিন বছরের একটি মেয়েকে ক্ষতবিক্ষত পেয়ে বাবা মা দাঁড়িয়েছিলো থানার বড়বাবুর সামনে, করজোড়ে। ঘটনাস্থল পশ্চিমবঙ্গ, কিংবা উত্তরাখণ্ড, কিংবা মহারাষ্ট্র, কিংবা আসাম, কিংবা তামিলনাডু.. মানে পাঞ্জাব-সিন্ধু-গুজরাট-মারাঠা-বঙ্গের যে কোনো জায়গায়, দৃশ্যটি অবিকল এক। ক্ষমতাহীন মা বাবা, ধর্ষিত নাবালিকা, পুলিশের এফ আই আর করতে অস্বীকার… তবে আজ নয়। |
| কোত্থেকে যেন পৌঁছে গেছে ফুলকিরা সেই সব থানায়, ওই দেখো, বাঙালী, বিহারী, তামিল, গুজরাটি, হিমাচলি মেয়ের বাবা মা’রা একজোটে চিৎকার করে উঠলো ‘অভয়া! ‘ পুলিশ শশব্যস্ত হয়ে রিপোর্ট লিখেই গাড়ি বের করলো.. ধর্ষক কে তা তো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই জানা । আদালতে বাদী ও বিবাদী সওয়াল করছিলেন, মেয়েটা গ্যাংরেপড হয়ে মরে গেছে বছর পাঁচেক আগে, বাবা মা আসেন, উকিলের ফি দেন, বসে থাকেন, তারপর আবার ফিরে যান পরের তারিখে আসার জন্য। আজকেও জজসাহেব পরের ডেটের জন্য সবে কলম ধরেছেন, হঠাৎই ফুলকিগুলো এসে তাঁর চোখ আর মন , দুটোই ধাঁধিয়ে দিলো। তিনি বলে উঠলেন, এই মোকদ্দমা আজকেই শেষ হবে। আদালতের নীরবতা আইন ভেঙে মেয়েটির মা হঠাৎই হুংকারের মতো চেঁচিয়ে উঠলেন ‘ অভয়া! ‘ গলির মোড়ের ক্লাবে ভয়ের বাসা যে কিশোরী জানতো, ফুলকি তাকে শিখিয়ে দিলো অভয়া-মন্ত্র, বসের রোজের ছোঁয়া প্রাণপণ সহ্য করতো যে পরিবারের অন্নদাত্রী, ফুলকি তাকে দিলো অভয়া-দীক্ষা, যে উঠতি অভিনেতা মেয়েটিকে আজ সন্ধ্যায় প্রযোজকের বাড়ি হাজিরা দিতে হবে, ফুলকি তাকে দিলো অভয়া-বর্ম, |
সোনাগাছি’র যে মেয়েটিকে কিনে রোজ স্যাডিস্ট খদ্দের ছিঁড়েকুটে তছনছ করতো, ফুলকি তাকে দিলো অভয়া-অস্ত্র। সংসদে তখন তুমুল আলোচনা চলছিলো এবারে তাঁদের মাইনে কত বাড়ানো হবে, মূল্যবৃদ্ধির সাথে তাল রাখতে গিয়ে দ্বিগুণ না তিনগুণ তাই নিয়ে সবে ধ্বনিভোট হতে যাবে, হঠাৎই ফুলকির উজ্জ্বলতায় চোখ ধাঁধিয়ে স্পিকার বলে উঠলেন ‘ অভয়া!’ কেন্নোর মতো গুটানো শিরদাঁড়ারা টানটান হলো, শোনা যাচ্ছে বিচার একমাসের মধ্যে শেষের আইন প্রণয়ন হলেই, তার সমর্থন ‘ নারীর আগামী সংরক্ষণ’ রেকর্ড ভেঙে দেবে। ফুলকিরা থমকালো এক আটপৌরে বাড়ির ভেতরে। সেখানে মেয়ের সদ্য বাঁধানো মালা দেওয়া ছবির দিকে তাকিয়ে আছেন এক দম্পতি। ফুলকিরা মায়ের কোলে বসলো, বাবার কাঁধে মাথা রাখলো। তারপর আলোর অক্ষরে লিখে দিলো ফটোটার ওপরে, ‘ এখন তোমাদের কোটি কোটি মেয়ে, শুধু অভয়া বলে ডাকলেই হবে’। অভয়া। নারীর অজপা হোক এই নাম। যুদ্ধ তো শুরু হলো সবে। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি গৌতম তালুকদার এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৮.২০২৪ |
| বাংলা যখন চাইছে শাস্তি কবি গৌতম তালুকদার। মৃদুল শ্রীমানীর ফেসবুক থেকে নেওয়া। বাংলা যখন চাইছে শাস্তি, হয় ফাঁসি, নয় পিটিয়ে ...প্রাপ্তি, সেই সময়ে সুপ্রিম বলে, কাজে ফিরে যাও, ছাড় অশান্তি॥ চলছিল মামলা কলকাতাতে, শিবজ্ঞানম স্যারের তদারকিতে, কাল হল তাকে দিল্লীতে নিয়ে স্বতঃপ্রণোদিতের ঘাঁটাকলে দিয়ে॥ "নেই কাজ তো, খই ভাজ" সুপ্রিমে তাই দেখলাম আজ। মূল দাবী যাচ্ছে তলিয়ে হাজারো সমস্যার ঢুকছে জাহাজ॥ |
| কবি বহতা অংশুমালি মুখোপাধ্যায় কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৮.২০২৪ |
| বন্যপরিচয় কবি বহতা অংশুমালি মুখোপাধ্যায়। রচনা ১৫.৮.২০২৪। চটি হাঁটে চট চট বোমা পড়ে ফট ফট শুভা আঁকে কাগা আগে অ পরে আ পুলিশ লুকিয়ে পড়ে হাসপাতালের ঘরে কামদুনি বগটুই দীর্ঘ ঈ হ্রস্বই ঘটনা ঘটলে পরে রাজকবি ছড়া ধরে পুড়বে তো মেয়ে বৌ হ্রস্বউ দীর্ঘঊ চাকরি বা ডিএ চায় বদলে সে কলা পায় শিক্ষকও ভিখিরি পরে লি ও আগে রি |
| কবি বহতা অংশুমালি মুখোপাধ্যায় কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৮.২০২৪ |
| প্রেত ভূতেদের বললো কবি বহতা অংশুমালি মুখোপাধ্যায়। রচনা ২৩.৮.২০২৪। প্রেত ভূতেদের বললো ওকে টাঙিয়ে দে শমীগাছে বেটি আমাদের নাচ দেখে ফেলেছিল এমন ভাবে টাঙাস, যেন মনে হয় নিজে নিজেই ঝুলেছে জিভ যখন বেরিয়ে পড়বে, যেন মনে হয় ও লজ্জা পেয়েছে আমাদের কার্যকলাপ দেখে ফেলে আমাদের উলঙ্গ নাচ দেখে ফেলে মর্গের গন্ধের মধ্যে আমাদের মহাভোজ দেখে ফেলে লজ্জা পেয়েছে যেন, লজ্জাই নারীর ভূষণ টাঙিয়ে দিস, শমীগাছে, সাবধানে কালকে ঘোষণা! --------------------- ভুতের দল আজকাল অত ট্রেনিং প্রাপ্ত নয় দীয়তাং ভুজ্যতাং রাজ্য "সবই আমাদের বেডরুম" টাইপের শ্মশান মেয়েটাকে টাঙাতে গিয়ে ভুতেদের মনে হল অত দূরে কেন? এখেনেই উঠোনে ঝোলাই তারপর হয়তো মনে হল, নষ্ট করি কেন? ঝোলাবার আগে চুমো খাই |
| ভুতেদের চুমো মানে অনেক দাঁতের খেলা ভুতের আদর মানে ব্যাপারই আলাদা এরকম হয় আমরা ওঝা ডাকি ওই পাঁচটা ভুতকে সর্ষে মারো বলে হাঁকি সর্ষের মধ্যে থেকে প্রেত উঁকি মারে এখন আর রাত লাগে না ঝোপ ঝাড় লাগে না আশ শ্যাওড়া গাছ লাগে না সর্বত্রই তারা রোদে ইমিউনড, জলে ইমিউনড ইমিউনড ওঝাদের আদালতে ভুতেদের বিরুদ্ধে পিশাচ মিছিল বার করে পিশাচের বিরুদ্ধে হাঁক দেয় রাক্ষস খোক্কস সবার অধিকারের মিছিলে কাদের অধিকার যেন একাকার হয়ে যায় যায়, যাক! পাপ চুকে গেছে ঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি জগবন্ধু মুখোপাধ্যায় কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৮.২০২৪ |
| আমি চাই না কবি জগবন্ধু মুখোপাধ্যায়। আমি চাই না মোমবাতি নিয়ে মিছিল হোক। আমি চাই না মুখে কালো কাপড় বেঁধে মৌন মিছিল হোক। আমি চাই মহাভারত হোক। ভরা রাজসভায় দ্রৌপদী লাঞ্ছিত হয়েছিলেন, অপমানিত হয়েছিলেন। তার প্রতিবাদে মোমবাতি নিয়ে পথে নামেনি কেউ। কুরুক্ষেত্র যুদ্ধ হয়েছিল। শেষ হয়ে গেছিলো গোটা কৌরব কুল... তেমনি একটা যুদ্ধ হোক। শেষ হয়ে যাক ধর্ষক কুল। আমি চাই আবার একটা রামায়ণ হোক। সীতা কে তুলে নিয়ে গেছিলো রাবন। অযোধ্যায় মৌন মিছিল হয়নি। পুড়ে ছারখার হয়েছিলো স্বর্ণলঙ্কা। |
| এ ভাবেই পুড়ে যাক শয়তানের আঁতুরঘর। আমাদের সংস্কৃতি মুখ বন্ধ করে নয়, তলোয়ার খুলে আমাদের লড়তে শেখায়। যুদ্ধ টা হোক আত্মসম্মানের... যুদ্ধ টা হোক বেঁচে থাকার.. ঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি বিকাশ গুঁই মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৮.২০২৪ |
| বেহায়ার কথা কবি বিকাশ গুঁই। রচনা ১৮.৮.২০২৪। যারা ধ-র্ষ-ক,খু-নিকে যে কোনো মূল্যে বাঁচাতে চায়- ছিঃছিঃ! তারাই মিছিলে উঁচু গলায়, ওদেরই বিচার চায়। লজ্জা তুমি কি বেঁচে আছো? যদি থাকো, তবে কোথায় ? যারা বেহায়া!একটুও নেই লাজ- খুঁজে খুঁজে যাও তাদের বাসায়। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি বিকাশ গুঁই মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৮.২০২৪ |
| তুমি কি কান্না শুনতে পাচ্ছ? কবি বিকাশ গুঁই। রচনা ২১.৮.২০২৪। জীবনে তিনবার কেঁদেছি জানেন ! প্রথমবার জন্ম মুহূর্তে, দ্বিতীয়বার বাবা মারা যাবার পর আর তৃতীয়বার যখন মাকে হারালাম। তারপর কেটে গেছে বহু দিন,মাস,বছর। কত অহিংসা,কত কত যুদ্ধ, কত ধর্ষণ, রাষ্ট্রের পতন চোখ বুজে দেখলাম। তাও কাঁদিনি। প্রাণ কেঁদে উঠলেও চোখে জল আসেনি। অথচ, কয়েকদিন থেকে একটা উদ্গত অশ্রু বাঁধ ভেঙে বেরোতে চাইছে। ভাবছি কেন এমনটা হচ্ছে। সে তো আমার কেউ নয়। না আত্মীয়, না বন্ধু, না পরিচিত ! কেন ভেতরটা গুমরে গুমরে উঠছে ? কেন একটা কষ্ট মাঝে মাঝে দমুড়ে, মুচড়ে দিচ্ছে ? আসলে,আমার বঙ্গভূমি,আমার জন্মভূমির একটা একটা করে ভবিষ্যতের স্বর্ণপ্রসবিনী আত্মজারা চলে যাচ্ছে। নৃশংস নির্যাতনে কী নিদারুণ যন্ত্রণা নিয়ে চিরতরে হারিয়ে যাচ্ছে ভাবতেই শিউরে উঠছি। বর্তমান তথা ভবিষ্যত প্রজন্মের মেয়েরা কিভাবে পথ চলবে ভেবে দুচোখ জলে ভরে যাচ্ছে। কাঁদছে জন্মভূমি, কাঁদছে রাতের পথঘাট, কাঁদছে ভূমিকন্যা। কে সুরক্ষা দেবে তাদের ? কে রক্ষা করবে এই রসাতলে তলিয়ে যাওয়া বঙ্গভূমিকে ? এই অন্ধ ধৃতরাষ্ট্রের বংশধর শাসক ও শাসন যন্ত্রের পরিণতীর কথা ভেবে আমার করুণা হচ্ছে। এদের অবস্থা যেন শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশের মত না হয়! আর ভবিষ্যতে কোনও মা,বাবাকে কাঁদতে হবে না একথা ভাবার সময় এখনও আসেনি । আর আদৌ আসবে কিনা সে গ্যারান্টি এখনও হিমঘরে। স্বপ্ন দেখি- প্রতিটি মধ্য রাত্রি যেন হয় বোধনের রাত্রি। প্রতিটি রাত্রি শেষের আলোকোদয় যেন বাঁধা থাকে প্রতিটি তিলোত্তমার আঁচলে। তাই একটা সুবিচার আজ বড় প্রয়োজন। যে সুবিচার মুছিয়ে দেবে এই বঙ্গভূমির প্রতিটি মা-বোনের চোখের জল। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি করবী মুখোপাধ্যায় কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৮.২০২৪ |
| বাক্য আজ থমকে কবি করবী মুখোপাধ্যায়। শোক ভেঙেছে লজ্জার কাঠামো ঢেকেছে মুখ তোমার আমার শরীর খুঁড়ে ছিঁড়ে যাওয়া সে রাত্রি রক্তে নগ্নতায় নষ্ট গুহায় বাক্য আজ থমকে। দায়হীন রাজনীতি শ্বাস চেপে সোচ্চার নির্মম মৃত্যুর বিকল্পে কৌশলের বাঁক জিভে বিষে মাখামাখি মূর্খের তোড়জোড় - শাকের চুড়ো দিয়ে আমিষ ঢাকার নিঃস্ব চোখ। আকাশ বিঁধিয়ে জনউত্তাল ঢেউ বানায় দুঃখ সেতু জমা করে সম্ভ্রম ছেঁড়া কঠোর রোষানল। 'চাল-আড়াল' শব্দবন্ধ কর্তাভজা কানে ঘুরছে ফিরছে। নিজের বিরুদ্ধে নিজেই গলা বড়ো করছে। আকাশ জুড়ে নরমুন্ড তেতে লাল মৃত্যু ধাঁধার পাশে সংহত স্বর 'চাই জাষ্টিস ' আকাশ ছোঁয়া হাত করে নিশপিশ॥ ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৬.৮.২০২৪ |
| জবানবন্দি - কবি আর্যতীর্থ। রচনা ২৪.৮.২০২৪। ধর্মাবতার, ধরে নেওয়া যাক মেয়ে আমার সে একাই মেরেছে, ওই লোকটাই কেড়েছে আমার ইহজীবনের সমস্ত সুখ, ধরে নেওয়া যাক, অত ক্ষত দিয়ে খুনটা করতে নিজেই পেরেছে, আমার মেয়েটার অন্তিম ক্ষণে দৃষ্টিতে ছিলো পিশাচের মুখ। কিন্তু হুজুর, দুই খানা ‘চার’ কেন মনে ঘুরে আসে বারবার, মেনে নিতে চাই, মনকে মানাই, যাই হয়ে যাক, মেয়ে ফিরবে না, শুধু ওই দুটো ব্যাখ্যা পেলেই শান্ত হতাম ধর্মাবতার, তা যদি না পাই সন্দেহ তবে বিশ্বাসী কুলে আর ভিড়বে না। সারারাত ছেড়ে কেন ক্রিমিনাল নিঁখুত বাছলো ভোর চারটেকে, আমাকে ছাড়ুন, মেয়ে হারা বাপ, স্বপ্নের ভয়ে নিদ্রা বৈরী. এজলাসে যত মানুষ রয়েছে, ওসময় কাজে বেরোবেন কে কে , অথচ তখনই সাজগুজু করে খুন-ধর্ষণে পিশাচ তৈরি? ধর্মাবতার, যদি ধরে নিই, পিশাচ-ভাবনা পুরো বিপরীতে হয়তো বা হবে, কিন্তু তখনই একলা ঘুমায় আমার মা’টি সেই কথা ওর জানা কোনভাবে, কে পারবে তার উত্তর দিতে, জবাব না পেলে কীভাবে মানবো ‘একলাই ছিলো’ ধারণাটি খাঁটি? ধর্মাবতার, আমার মেয়েটা একতলা কোনো ঘরে ছিলো না |
তো, তরতর করে পিশাচ উঠলো সিধা চার তলা কী গন্ধ শুঁকে, এমন তো নয় ঠিক ওখানেই সেসময় সে রোজই ঘুমাতো, কীভাবে বুঝলো তালাহীন ঘরে যাওয়া যাবে দ্রুত নিঃসাড়ে ঢুকে? এই দুটো ‘চার’ জাগায় আমায় , সেদিনের থেকে সবকটা রাত, ঠিকঠাক যার ব্যাখ্যাটা পেলে হয়তো বা কিছু কমতো আঘাত। ওটা বাদে যাই জাস্টিস দিন, সেই শাক হবে মৎস্যগন্ধী, ধর্মাবতার, এ আর্জিটাই অভাগা বাপের জবানবন্দি। আমি যে জানি না , পিশাচের পিছে রয়েছে কাদের জবান বন্দী। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি দেবাশিস রায় মিলনসাগরে কবির পাতা . . . মিলনসাগরে শিল্পীর গান শুনুন . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৬.৮.২০২৪ |
| তোমাদের দূর্গা - কবি দেবাশিস রায়। রচনা ২৪.৮.২০২৪। তোমার দূর্গা কোথায় আছে বলতে তুমি পারো কি মা! তুমি আমার গর্ভধারিণী সেটাও তুমি জানো না? তোমার দূর্গা লাশকাটা ঘরে ছিন্নভিন্ন দেহ যে তার, হায়নারা সব ওৎ পেতেছিল তোমার দূর্গা হোল শিকার॥ পড়েছি শুধুই সবকিছু ছেড়ে অজ্ঞীকার, ভালো ডাক্তার, সমাজেতে যারা অবহেলা পায়, তাঁদের সেবায় এ জীবন পার॥ হলো না কিছুই, স্বপ্ন শুধুই রয়ে গেল সব এ'মনে। এ কোন সমাজ, এ কোন দেশ, যেথা, বোকারাই শুধু স্বপ্ন বোনে! |
| জানো মা মনে প্রশ্ন জাগে কেন দিয়েছিলে এ জনম? যেথা সমাজের ওপরের সারি, ছড়ায় শুধু মিথ্যের ভ্রম॥ কত লড়াই, কত বঞ্চনা, সয়েছ তোমরা আমার তরে, চেয়ে দ্যাখো আজ, আমি নেই তবু হাজারো দূর্গা লড়াই করে॥ চলে তো আমি গেলাম ঠিকই প্রশ্ন অনেক দিলাম ছুঁড়ে, দ্যাখো ললনারা আজ বেরিয়ে এসে বীরের মতো লড়াই করে॥ উত্তর সব পেয়ে যাবে সখা কালের গর্ভে যতনে পালন। লড়াই শুধু জারি রেখ বন্ধু দুষ্ট দমনে সৃষ্টি পালন॥ ঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি অরুণাচল দত্ত চৌধুরী কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৬.৮.২০২৪ |
| কান্না? ছিলই। কী ছিল সুর? কী ছিল তার তাল? কবি অরুণাচল দত্ত চৌধুরী। কান্না? ছিলই। কী ছিল সুর? কী ছিল তার তাল? নিকেশ যখন করেছিলাম নিয়েনডার্থাল। মেয়েগুলোই কাঁদছিল কি? ওরাই সহজ শিকার। সভ্যতার এই ইতিহাসটা কোরো না অস্বীকার। দুমড়ে দিয়ে মুচড়ে দিয়ে কাপড়ও নিই কেড়ে। লক্ষ্য রাখি একটা মেয়েও যেন না যায় বেড়ে। লজ্জা ডোবাই লোহার ফলায়, মজ্জা অপমানে। সেই মেয়েটা ডুবতে ডুবতে ভোলে বাঁচার মানে। বীরত্বটা প্রকাশ্য হয়, ন্যাংটো মেয়ে হাঁটে। হোঁচট খেয়ে লুটিয়ে পড়ে রাষ্ট্রের চৌকাঠে। রক্ত দিয়ে সুরুয়া হয়, মাংসতে কোর্মা। সেই মেয়েটা চেঁচিয়ে বলে, আমি যে তোর মা। প্রাকইতিহাস পেরিয়ে এসব একবিংশের কথা... মহান গণতন্ত্রে এখন ঝিকোচ্ছে সভ্যতা। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি সুনীল মাজি মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৬.৮.২০২৪ |
| কবি প্রসূন ভৌমিক মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৬.৮.২০২৪ |
| চেতনা : ২ কবি সুনীল মাজি। রচনা ২৪.৮.২০২৪। আগুন তোমাকে প্রণাম। তোমার জন্য আমি অই শরীর করেছি ছাই। আগুন তুমি ঘুমাও। তোমার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ যার-পর-নাই। জানি জানি জানি, আমার আছে বাহিনী, তবু ভয় অই কলতান অই স্বর। হরি বোল হরি বোল হরে কৃষ্ণ হরে ! বিবি খাতুনরা যেন চিৎকার না করে : আমার নাম তোমার নাম আর জি কর আর জি কর। শুনছ মনসবদার সিপাহীশালার কবরস্থান ! সাবধান! সাবধান! ওরা করে করুক। মরুক। ছাই ঘাঁটুক। খুঁজে মরুক মৃত্যুর কারণ। ব্যাধি অসুখ। কী করবে আমার? কচু করবে! আমি করে দিয়েছি সব শেষ! মাঝে মাঝে নিজেই চিনতে পারি না নিজেকে, হে আমার প্রেত ছদ্মবেশ! ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| আমি তিলোত্তমা কবি প্রসূন ভৌমিক। রচনা ২৪.৮.২০২৪। নাম ধরে ডাকো কেন, মৃত্যুর পরেও কেন মারো শোকে ক্লান্ত মা বাবারা, ওদের আড়ালে কাঁদতে দাও একদিন তো ভুলে যাবে, ফিরেও তাকাবে? সত্যি বলো অন্য ইস্যু এসে গেলে মনেও রেখেছ কোনোদিন! বেহালা বাজানো ছেলে মারা গেলে কদিন উত্তাল শেষে ভুলে গেছ তার একাকী নিঃসঙ্গ বাবাকেও কেন ডাকো, নাম লেখো, কেন ছবি দাও, পরিচয় গোপন রাখার বিধি শেখায়নি তোমাকে সমাজ! আমাকে বিচার দাও, শাস্তি দাও যারা অত্যাচার... সন্তানে সুরক্ষা দাও, খুনিদের জন্য নেই ক্ষমা চোখের দেখার চেয়ে প্রয়োজন দেখার নয়ন নতুন পৃথিবী হোক কাঁধে কাঁধ সমানাধিকারে ঘরে ঘরে রং করো, রাত দখল করো নন্দিনীরা আমাকে প্রতীকী রেখো, আমি তোমাদের তিলোত্তমা! ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি শুভ জোয়ারদার কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৬.৮.২০২৪ |
| কৃতজ্ঞতা কবি শুভ জোয়ারদার। রচনা ২৫.৮.২০২৪। ডাক্তার মেয়ে ছিল ঋজু শিরদাঁড়া সেটা সামলাতে লাগে গোটা সিসটেম, ছ্যাঁদাফুটো সব সিল করে দিয়ে নামো প্রতিবাদী অভিনয়ে, তুমি শেম শেম! কতফুট দূরে রেপের প্রমাণ? কজন উকিল অর্থে কালো কোটগুলো সাদা করে নেবে কোন ক্ষমতার শর্তে? শুধু মেয়ে নয়, রেপ হয়ে গেছে বিচার, পুলিশটুপি, যোনি ফেটেযাওয়া স্বাস্থ্যকমিটি, মাঝরাতে চুপিচুপি! গোটাদেশ আজ পথেতে নেমেছে এই হলো শিরদাঁড়া, প্রশাসন কোর্ট যা বলে বলুক গ্রাম শহরেতে সাড়া। আমি কৃতজ্ঞ কালসিটেপড়া ঐ মেয়েটার কাছে, মরে গিয়ে মেয়ে শেখালো আমার পিঠে শিরদাঁড়া আছে, মা কে ভুলে যাই পাছে !!! ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি তৈমুর খান মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৬.৮.২০২৪ |
| সভ্যতার রাত্রি কবি তৈমুর খান। রচনা ২০.৮.২০২৪। কয়েকটি ধর্ষকের মুখ স্পষ্ট হয়ে ওঠে সভ্যতার রাত্রি জুড়ে প্রহরীবিহীন দেশ সত্যবাদী প্রাচীন আলোরা নিভে যেতে থাকে শুধু ধর্ষিতার ক্রন্দন ছড়িয়ে দেয় বাতাস হ্রদের পাশেই আমরা জীবিত মেষপালক নিজেদের মেষগুলিকে ঘুমিয়ে রাখি আর রাত্রি কাবার করতে করতে অন্যরাত্রির দিকে যাই রাষ্ট্র তবু একটা মাঠ, মাঠময় পাহাড়-পর্বত, অরণ্য-নদী-জলাশয় সিংহের পোশাক পরা কোনো কোনো জন্তু ময়ূরের কৃত্রিম শিখা লাগানো পাখি মাঝে মাঝে শূন্যে উড়ে যাওয়া বাজ ছলাকলা আর কৌশলগুলির ভেতর আমরা ধোঁয়া উড়িয়ে দিই অসহ্য দিনগুলি অস্বচ্ছ হয়ে ঘুরপাক খায় ধর্ষকেরা মালা পরে নেমে আসে ঈশ্বরের নতুন শিবিকায় ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি হৈমন্তী বন্দ্যোপাধ্যায় কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৬.৮.২০২৪ |
| সমস্ত পৃথিবী আজ... কবি হৈমন্তী বন্দ্যোপাধ্যায়। রচনা ১৯.৮.২০২৪। চোখদুটো জ্বলছে, মানুষ,নাকি হায়েনা ? ঠিক মানুষেরই মত, দুটো হাত,দুটো পা,বাদবাকি সমস্তকিছু বাইরে তুমুল বৃষ্টি, বৃষ্টি,নাকি রক্ত ? রক্তে ভেসে যাচ্ছে সমস্ত পৃথিবী, লজ্জায় কুঁকড়ে যাচ্ছে মনুষ্যত্ব, নরম চেতনার গলা টিপে ধরে আছে ততক্ষন,যতক্ষন না চোখ দিয়ে রক্ত বেরিয়ে আসে। রক্ত,নাকি বৃষ্টি ? বৃষ্টি,নাকি শ্রাবণ ? শ্রাবণ,নাকি বারুদ ? তবে কি এ রাত মহাপদ্যের ? আগামী প্রভাতে ছারখার হবে পৃথিবী ? রক্তেরা থিতু হয়,মাছিরাও, চোখেমুখে চকচক করে ওঠে বারুদ। |
| কবি দিশারী মুখোপাধ্যায় মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৩.৮.২০২৪ |
| রাত দখলের কবিতা ২ - কবি দিশারী মুখোপাধ্যায়। রচনা ২৪.৮.২০২৪। |

| কবি অতনু হুই তিথি বিশ্বাসের ফেসবুক থেকে নেওয়া . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৬.৮.২০২৪ |
| এই নারী আমার মা কবি অতনু হুই। তিথি বিশ্বাসের ফেসবুক থেকে। নারী নিছক মাংসপিণ্ড নয় যাকে দলে পিষে চেটেপুটে জ্যান্ত কিম্বা মৃত খুবলে খাওয়া যায়। নারীকে আবিষ্কার করতে শেখো তার শরীরে পৃথিবী খুঁজে পাবে। হৃদয় অতলান্তের গভীরে গিয়ে দেখো এক পবিত্র মন্দিরে দেবীর উপাসনা। নারীর চোখে শরতের নীল আকাশ ওষ্ঠে বসন্তের রক্তরাগ -রুদ্রপলাশ। তলোয়ারের মতো বাঁকা চিবুকের মাঝে মুক্ত হাসিতে মাঘী জ্যোৎস্নার আলো। তার লম্বা চুলে বিলিকেটে হেমন্তের পাকা ধানে ঢেউ দেখোনি? চোখের জলে নায়েগ্রার জলবাষ্পে জেগে ওঠা রামধনুকে খোঁজোনি? নারীকে স্পর্শ করে দেখো, আমলকীবনের মতো কাঁপন তোলা দেহে সে জলতরঙ্গের বাঁশি। নারীকে মা বলতে শেখো পাষাণও প্রাণ ফিরে পাবে। নারীকে কন্যা জ্ঞানে দেখো মরা মানুষ বলে উঠবে- তোর জন্যই আবারো বাঁচতে চাই। |
| কবি সঞ্জয় সাহা কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৭.৮.২০২৪ |
| অপেক্ষার ১৪দিন কবি সঞ্জয় সাহা। রচনা ২২.৮.২০২৪। আরো একটা দীর্ঘশ্বাস। আরো একটা সন্ধ্যা নেমে এল তুলসী তলায় গাঢ় একটা অন্ধকার- মেয়ের উরুতে শুকিয়ে যাওয়া অবিকল রক্তের মত কালো I মায়ের কম্পমান হাতে একটা শঙ্খ- নারকীয় অনাচার সহ্য করা বিক্ষত দেহটা ঢেকে দেওয়া চাদরের মতো অবিকল সাদা। সমুহ দীর্ঘশ্বাস অসহায় বুকের কোটরে জমে বারুদ। আমি দেখলাম: সহস্র তুলসী তলায় বেজে উঠেছে সমবেত শঙ্খনিনাদ প্রতিটি শঙ্খের থেকে বেরিয়ে আসছে বুকের আগুন লেলিহান পাবকে ছারখার হচ্ছে সমস্ত লাল চোখ ঝলসে যাচ্ছে অপশক্তির সমবেত আস্ফালন . . . আর পুড়ে যাওয়া সমস্ত অবিচার থেকে বিদ্যুৎ গর্জালো। ক্ষণপ্রভায় দেখলাম: প্রতিটি মায়ের হাতে আগুন প্রতিটি মেয়ের মুখ আলো। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি সঞ্জয় সাহা কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৭.৮.২০২৪ |
| অপেক্ষার ১৫দিন কবি সঞ্জয় সাহা। রচনা ২৩.৮.২০২৪। রাত গেল রাত গেল, হাওয়ায় হাওয়ায় অনেক খবর দাওয়ায় ভেসে এলো রাত জাগে রাত জাগে বিনিদ্র রাত; সেলাই মেশিন ঝাপসা দেখায় প্রবল অশ্রুদাগে রাত গেল রাত গেল, মেয়ে কি ঘরে এলো ? না পাওয়া একটি ডায়রির একটা পাতা -------------------------------------------- কত কথা জমে আছে বুকে পাহাড়ের মত তোমাকে দেখিনি কয়েকদিন বুকের ভেতর মন খারাপের সুর তিন দিনরাত অপলক চোখ কখন যেন নিম্মিলীত মৃত্যুফাঁদে বসে তোমায় ডাইরি লিখছি, হঠাৎ তখন কারা যেন চড়াও হল। বোঝার আগেই মুখ-হাত বেঁধে.. আর মনে নেই। মনে থাকলেও পারবোনা যে বলতে মা I চিৎকার করে বলতে চাইছি চিৎকার করে বলছি তোমরা শুনতে পাও না। আমি তোমাদের থেকে অনেক দূরে এখনো চলে যাইনি। লড়াইয়ের হাত শক্ত করতে রণভূমিতেই ঠাঁই নি। এখানেই আছে এখানেই আছে এখানেই সব পাবে মা। এখানেই আছে নরক আমি সেই নরকের বলি মা। |
| কবি সঞ্জয় সাহা কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৭.৮.২০২৪ |
| অপেক্ষার ১৬দিন কবি সঞ্জয় সাহা। রচনা ২৪.৮.২০২৪। ছাত্র যদি গর্জে ওঠে গর্জে ওঠে ছাত্রীরা আকাশ সাথে গর্জে ওঠে গর্জে ওঠে রাত্রিরা শোষক তুমি পথ পাবেনা আসবে বিচার নতুন ভোর মিথ্যে দিয়ে সত্য মারো? আসছে দেখো যুগান্তর শিক্ষা যদি দেয় চেতনা, বিপ্লব আর বিদ্রোহের বর্ম থাকুক ধর্ম আমার চাইছি বিচার নিগ্রহের তোমার গ্রামে আমার গ্রামে শহর নগর বন্দরে বজ্র হাতে আগুন জ্বালো বিচার যে আজ অন্ধ রে যে হাতখানি কলম চালায় যে হাতখানি স্টেথো সেহাত যদি থেঁতলে দেবে ভাবো- কাফন সেলাই করো; নিজের মৃত্যু-মালা গেঁথো.. ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি সঞ্জয় সাহা কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৭.৮.২০২৪ |
| অপেক্ষার ১৭দিন কবি সঞ্জয় সাহা। রচনা ২৫.৮.২০২৪। বুকের ভেতর সতেরো দিনের শোক পুষেছি শ্রাদ্ধ করিনি বোনের শোকের বুকে আগুন আছে রাখা আগুন জ্বলে শরীর পোড়ায় মনের এক এক করে খুলছে পরত অপেক্ষাতে, ধৈর্য ধরি, পেট ভর্তি বারুদ তাই অত্যাচারী বিনত হও ; ফুঁসছে মানুষ- পাপীর সাথে পাপ করে দেবে চিতার ছাই পথে প্রান্তরে নগর-শহরে বিচার চাইছে যারা সারে সারে যারা প্রতিবার ভুল বুঝে যায় নিজেরাই মরে, মারে তাদের ভাবছো গাধা? তাবেদার তারা, লোভী? তারা মোট বয় দেশটাকে ভালবেসে পিছপা হয় না, স্বজন হারালে ক্ষমতার অভ্যেসে জেনে রেখো, বোনের কাজল মায়ের আঁচল রক্তে যদি ভরে এই লেখনীর আখর সেনারা বন্দুক হতে পারে! পঁচিশে আগস্ট ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি দীপঙ্কর মুখোপাধ্যায় কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৭.৮.২০২৪ |
| মিছিলে হেঁটেছি বুকে কবি দীপঙ্কর মুখোপাধ্যায়। রচনা ২৭.৮.২০২৪। মিছিলে হেঁটেছি বুকে ক্রোধ আর শোক, বিপরীতে রাষ্ট্র এবং শাসক খুন হওয়া মেয়ে তুমি আগুন-মশাল, চিনিয়ে দিয়েছো কারা এখনও দালাল। শিরদাঁড়া সোজা রাখা কোটি কোটি লোক, চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ছে দেখো তোমায় শাসক! ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি ঋজুরেখ চক্রবর্তী কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৭.৮.২০২৪ |
| দখল করো রাত কবি ঋজুরেখ চক্রবর্তী। রচনা ১৩.৮.২০২৪। দখল করো রাত, মেয়েরা, দখল করো রাত। ভয়ের ডোরে আর কত বা বাঁধবে দুটো হাত? বাঁধতে যদি হবেই তবে কোমর বাঁধো কষে─ ঝড়ের সাথে বজ্রপাতে দারুণ নির্ঘোষে যেমন করে আকাশ কাঁপে সর্বনাশা ঝোঁকে, ঠিক তেমনই আগুনশিখা জ্বলুক দুটি চোখে। সেই অনলই অন্ধকারে আলোকসম্পাত─ দখল করো রাত, মেয়েরা, দখল করো রাত। দখল করো রাত, মেয়েরা, দখল করো রাত। দিনও তোমার দখলে নেই বুঝলে অকস্মাৎ─ দেয়ালে পিঠ ঠেকল যদি, আর পিছোবে কই? এবার রুখে দাঁড়াও, দেখো, হাত বাড়িয়ে সই ডাক দিয়েছে তোমায়, তুমি এগিয়ে চলো বেগে। সহনশীলা ঢের সেজেছ, এবার ওঠো রেগে─ পবিত্র এ ক্রোধের ভাষা নতুন ধারাপাত। দখল করো রাত, মেয়েরা, দখল করো রাত॥ ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি ঋজুরেখ চক্রবর্তী কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৭.৮.২০২৪ |
| ক্ষতিপূরণ কবি ঋজুরেখ চক্রবর্তী। রচনা ১৬.৮.২০২৪। এক সন্তান হারিয়ে লক্ষ সন্তান এল ঘরে─ এত অনায়াসে এ কঠিন কথা বলা যায় নিচু স্বরে? সব যে হারায়, সেই শুধু জানে ক্ষতিপূরণের মানে─ এ অর্থ অতি অনর্থ ঘোর, রুচি নেই এই দানে! বাৎসল্য যে অমূল্য, তাই বিক্রয় হয় না তা─ প্রত্যাখ্যানে প্রতি-আখ্যান লিখে দেন পিতামাতা। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি ঋজুরেখ চক্রবর্তী কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৭.৮.২০২৪ |
| অনিদ্রা কবি ঋজুরেখ চক্রবর্তী। রচনা ১৭.৮.২০২৪। ও মেয়ে তুই একলা রাতে যা সয়েছিস যন্ত্রণাতে, শব্দ গেঁথে সমস্তটা অসাধ্য তা কুলিয়ে ওঠা─ ও মেয়ে তুই আর কী করে রোগ সারাবি কার? অসুখ সারে, রোগ সারে না যে সমাজের বিবেক কেনা─ অপরাধীও বিচার চেয়ে ছাড়ছে গলা, দেখ রে মেয়ে! মানুষ শুধু মানুষ জানে বাঁচার অধিকার। ঘুম আসে না, আমিও পিতা─ স্বার্থকথা? হোক তাই তা! সার্থকতা এইটুকুনই, বুকের মাঝে ধুকপুকুনি─ তোর নামই যে জেগে থাকার নতুন অঙ্গীকার! ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি ঋজুরেখ চক্রবর্তী কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৭.৮.২০২৪ |
| অনভিমান কবি ঋজুরেখ চক্রবর্তী। রচনা ২০.৮.২০২৪। বিচার চেয়েছ, খর প্রতিবাদও, আর কিছু উদ্ধৃতি─ আকালের দিনে সহচারিতার এ চিরাচরিত রীতি। অন্ধ তোমার কুসুমপ্রণাম রেখেছ গতায়ু বুকে, গন্ধ নাওনি সে কুসুমের যে নিবেদনে আছে ঝুঁকে। ঝুঁকে আছে যারা নত শ্রদ্ধায়─ঝুঁকি নিল বেপরোয়া─ তোমার অতীতমহিমাগাথার দুঃখবিলাসে ছোঁয়া হাহাকারে তুমি ফেরালে তাদের অবহেলা অপমানে, ফেরালে করুণ গতে বাঁধা সুরে বেদনাগরবী গানে। তবে তাই হোক, চাইনি আরতি, চাই না পূজার থালা, নিজের বিবেক নিজেরই আঘাতে হয়েছে যে ফালাফালা; কোনও জোর নেই─চলৎশক্তি─এই ভাষাটুকু ছাড়া আর কিছু নেই, কোনওই রসদ, দিতে পারি যাতে সাড়া। তাই কথা বলি, তাই গান গাই, সুরে বা বেসুরে বাঁধা─ কিছু বা বজ্রে, কিছু বিদ্যুতে, কিছু বৃষ্টিতে সাধা। ওই যে কন্যা খুন হয়ে গেল ভয়াল অত্যাচারে, তার শেষ কিছু নিঃশ্বাস যেন ধরা থাকে অধিকারে। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি ঋজুরেখ চক্রবর্তী কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৭.৮.২০২৪ |
| অগ্নিরূপেণ কবি ঋজুরেখ চক্রবর্তী। রচনা ২৩.৮.২০২৪। |

| কবি ঋজুরেখ চক্রবর্তী কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৭.৮.২০২৪ |
| ওগো মেয়ে তুমি কবি ঋজুরেখ চক্রবর্তী। রচনা ২৪.৮.২০২৪। |

| কবি ঋজুরেখ চক্রবর্তী কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৭.৮.২০২৪ |
| অভাগী, তোকে কবি ঋজুরেখ চক্রবর্তী। রচনা ২৬.৮.২০২৪। |

. |
| কবি কৃষ্ণা গুহ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৭.৮.২০২৪ |
| তিলোত্তমা তোমার জন্য কবি কৃষ্ণা গুহ। হে দেবকী নন্দন !! এখনো কি সময় হয়নি তোমার আবার অভ্যুত্থানের ? তুমিই তো বলেছিলে, যুগে যুগে আবির্ভূত হবে তুমি যখন ক্লেশ হিংসা বর্বরতায় পৃথিবী ভরে উঠবে -- তখন তুমিই কঠোর হস্তে দমন করতে নেমে আসবে মর্ত্য ধামে। লম্পট দুর্যোধন দুঃশাসনের লাম্পট্য থেকে যে দ্রৌপদীকে বস্ত্র দিয়ে লজ্জা নিবারণ করিয়েছিলে আজ সহস্র দ্রৌপদী কাঁদছে তোমার তরে। হে সখা আর বিলম্ব নয়!! তুমি তো কত অসুর রাক্ষস বধ করেছো, মুখোশধারী রক্তবীজেরা সব রাজনীতির ছত্রছায়ায় বেমালুম ঘুরে বেড়াচ্ছে। কল্লোলিনী ভাসছে সহস্র জনতার চোখের জলে!! ঘোর অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছে দিকে দিকে !! এবার সময় এসেছে জাগো মাধব জাগো!! বাজাও তোমার পাঞ্চজন্য বাজাও !! সুদর্শন চক্র দিয়ে নররুপী কীট ও হায়না গুলোকে বিনাশ কর !! তোমার শঙ্খ নিনাদে ধুয়ে যাক পাপ -- প্রতিটি নির্যাতিতা সঠিক বিচার পাক । |
. |
| কবি দীপন মিত্র মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৭.৮.২০২৪ |
| ছড়িয়ে গিয়েছে গোটা দেশে আজ একটি করুণ রক্তধারা কবি দীপন মিত্র। ছড়িয়ে গিয়েছে গোটা দেশে আজ একটি করুণ রক্তধারা বেদনা কাতর একটি আর্তি জাগায় অযুত বক্ষে সাড়া লক্ষ লক্ষ সূর্যে দীপিত মধ্যরাতের বাংলার বুক স্যালুট বাংলা মায়ের মেয়েরা ক্রূর ক্ষমতার ভেঙেছ মুখ A thread of blood reached the edges of the whole country A painful cry created resonances in every heart Thousands suns bloomed at the midnight of Kolkata I salute, oh daughters of Mother Bengal You have smashed the face of cruelty of power ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কলকাতার R.G. Kar হাস্পাতালে, রাতের কর্তব্যরতা লেডি ডাক্তারের রহস্যজনক নির্যাতন ও মৃত্যুর বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কবিতা, মিলনের কার্টুন ও ১৪ই অগাস্ট ২০২৪ এর রাতের নারীদের রাত দখল আন্দোলনের দেয়ালিকা। |