| R.G. Kar কাণ্ডের প্রতিবাদের দেয়ালিকা <<<॥ পাতাটি ডাইনে-বামে স্ক্রল করে॥ Page scrolls left-right ॥ >>> |
| ||||||||||
| সূচীপত্র >>>>> |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২.৯.২০২৪ |
| নাম - কবি আর্যতীর্থ। রচনা ৩১.৮.২০২৪। নাম জানা অনেকেরই, নেওয়াটা বারণ, কারণ আইনগত। আমরা দিয়েছি দিয়ে নিজেদের মতো, কবচের মতো বুকে করেছি ধারণ, আগুনে শ্লোগানে আর অশ্রুর বাঁধভাঙা শোকে অভয়া তিলোত্তমা নামে ডাকি ওকে। কিন্তু চিনেছো কেউ, আসলে ও কে? আমরা ছিলাম ঘুমে, মেনে ও মানিয়ে নিয়ে, মগজের চারদিকে পরিখা বানিয়ে নিয়ে, খবর দেখতে গেলে প্রতি পাঁচ অন্তর, প্রতি চার অন্তর, প্রতি তিন, প্রতি দুই, কোনোদিন পরপর ধর্ষণ, ধর্ষণ, ধর্ষণ.. আগে কত বিশেষণ.. কখনো গণ, কখনো নাবালিকা, শিশু, বৃ্দ্ধা, মানসিক ভারসাম্যহীন.. মাস দিন বছর তো ছাড়ো, গত দুদশক ধরে খবরের পাতা খুঁজে ধর্ষণ ছাড়া পাবে বলো ক’টা দিন? অথচ আমরা জাগিনি, বিচারের পেছনে ভাগিনি, |
| চাওয়া-পাওয়া - কবি অরুণাচল দত্ত চৌধুরী। রচনা ২৮.৮.২০২৪। যে যা চেয়েছিল, প্রায় প্রত্যেকেই চাহিদা মতন সব কিছু পেয়ে গেল... অবিকল... যারা সিবিআই চায়, পেয়ে গেল। যে চেয়েছে সুগভীর চন্দ্রচূড়-স্নেহ সেও পেল যথাযথ সুয়োমোটো নিরাপত্তাটুকু। প্রমাণ মুছতে চাওয়া রাষ্ট্রীয় মাংসাশীর দল, যথার্থ পেয়ে গেল সময় ও সুযোগ। পতাকা প্রচার পেল... যারা বলল পতাকা বিষাক্ত আর চূড়ান্ত খারাপ... প্রত্যেকে প্রচার পেল ঘন নেট-যুগে ব্যারিস্টার ফিজ্ পেলো মিথ্যে সাজাবার লেখকেরা প্লট পেল উত্তেজিত গল্প পেলো তন্নিষ্ঠ পাঠক অজস্র সাবস্ক্রিপশন পেল উদগ্র ইউটিউবার। শুধু অন্ধকার ঘরে মুখোমুখি বসে থাকা, অভাগা ও অভাগিনী যা চেয়েছে, কিছুই পেল না। আর কোনও দিনই তৃষ্ণাদগ্ধ সে দুজন শুনতে পাবে না, "মা, আজকে বাড়ি ফিরব। বাপী, তুমি ওষুধ খেয়েছ?" ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি অরুণাচল দত্ত চৌধুরী কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২.৯.২০২৪ |
| "মেয়েরা জাগছে" - কবি অনির্বাণ ধরিত্রীপুত্র। রচনা ১৬.৮.২০২৪। ..."মেয়েরা জাগছে"... কারা বলে, শুনি!... ...মেয়েরা ত জেগে... আছে, চিরদিনই!... ...রাত্রির দখল... দিনের দখল... ... মেয়েদেরই হাতে... সমূহ!... সকল!... ..."গর্জ গর্জ ক্ষণং মূঢ়! "... মেয়ে বলে!... ...যতক্ষণ তার... মধুপান চলে!... ...নিত্য জাগরণ!... ঘুমোয় না ত, তারা!... ...কৃষ্ণের প্রসব!... কংসের সে কারা!... ...মেয়ে জন্ম দেয়... মেয়েই পালন... ...করে!... কি মথুরা!... কি বা বৃন্দাবন!... ...মেয়ে আকাশপথে... উড়ে যেতে যেতে... |
| কবি অনির্বাণ ধরিত্রীপুত্র কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২.৯.২০২৪ |
| নারী শক্তি - কবি রনেশ রায়। রচনা ২৮.৮.২০২৪। নিশি ডেকে বেড়ায় চোখ বন্ধ, রাত ঘুম হারায়, কার যেন পদধ্বনি শুনি---- কোন এক নীরবতা জানায়, কথা বলে আমার অশরীরি বেটি অভয়া বা নির্ভয়া বা তিলোত্তমা বা ওই আদিবাসী মেয়েটি--- সুপ্ত নারীশক্তির জাগরণ, ওদের বুকে ত্রাস ছড়ায় নতুন দিনের দিশা দেখায় অন্ধকার পথে আলো ছড়ায়, ছিনিয়ে নেয় চলার অন্ধকার পথ, লক্ষ্য কোটি মানুষের গর্জন জ্বলে ওঠে মশাল রাতের আঁধারে ঊষার আগমন। চোখে উজ্জ্বল সকাল, আমি বসি উঠে অপেক্ষায় থাকি কখন ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি রনেশ রায় মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২.৯.২০২৪ |
| এ পরিবর্তন আমরা চাই নি কবি বিকাশ গুঁই। রচনা ২৮.৮.২০২৪। এ পরিবর্তন আমরা চাই নি - বলতে গাঁ– ফাটে কারো কারো? শিরদাঁড়া সোজা রেখে তেলমারা ভুলে, তুমিও বলতে পারো। অবশেষে, তুমিও গান্ধারী হলে ? চোখ বেঁধে, না দেখে মিথ্যে বলে, দিনের শেষে বলো, কি পেলে? রাজধর্ম ডুবেছে অতল জলে। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি বিকাশ গুঁই মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২.৯.২০২৪ |
| মহাভারতে আরজিকর কবি ডঃ সুমিত চট্টোপাধ্যায়। রচনা ৩১.৮.২০২৪। খ্রিষ্ট পূর্ব ১১ ৫০ সাল / স্থান : কুরু রাজসভা দুঃশাসন: এই কে আছো? চটপট নিয়ে এসো দ্রৌপদীকে। ওর বস্ত্রহরণ করব। অন্যান্য কৌরবেরা: হ্যাঁ হ্যাঁ, শিগ্রি নিয়ে এসো। আমাদের অনেক দিনের শখ। পান্ডবরা লজ্জায় মাথা নত। হঠাৎ একজন শার্ট প্যান্ট পরা লোকের আবির্ভাব। গোল গাল। চটপটে। পেছনে ক্যামেরাম্যান। শকুনি:এই , তুমি কে বাওয়া ? নবাগত: আজ্ঞে আমি ঘুনাল্কোষ। শল্য:অহো ! কি চমৎকার মহাভারতীয় নাম। কি চাই বাবা তোমার? ঘুনাল্কোষ:শুনলাম এখানে ধর্ষণ টর্শন হবে। তাই দেখতে এলাম। দূর্যোধন: ভাগ! যতসব ভুলভাল ইনফো ।ওসব কিছু হবে না। প্লেন এন্ড সিম্পল বস্ত্রহরণ। ভীষ্ম: তোমার চোখে ওটা কি বাবা? ঘুনাল্কোষ: আজ্ঞে, এটা চশমা। ভীষ্ম: চশমা! এ আবার কি নন মহাভারতীয় নাম। ঘুনাল্কোষ: আপনি গ্লাস বস্ত্রম বলতে পারেন। দ্রোণাচার্য:এ দিয়ে কি হয় ? ঘুনাল্কোষ: এ দিয়ে আপনি চোখে ভালো দেখতে পাবেন । দ্রোণাচার্য: আহা এরকম একটা জিনিসই তো আমার দরকার। বয়স হয়েছে চোখে ভালো দেখতে পাই না । প্রায়ই টার্গেট মিস করি। স্টুডেন্ট গুলো হাসে। ভীম (চোখ মুছতে মুছতে): আর তোমার পেছনে ওই বড়সড় যন্ত্রটা কি ভাই? |
| কবি সুমিত চট্টোপাধ্যায় কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২.৯.২০২৪ |
| দেশ বলে তবে রইল কী? কবি সংহিতা।রচনা ৩১.৮.২০২৪। রানী তুমি শুনতে পাচ্ছ- আজ কেবল একটা শিশু নয়, সমস্ত মানুষ চিৎকার করে বলছে রানী তুমি উলঙ্গ- তোমার কাপড় কই? রানী তুমি কি শুনতে পাচ্ছ? রানী তোমার কান কোথায়? তোমার চারিদিকে তোমার পোষা কুমীর নেকড়ে হায়নার দল রেখেছো , মানুষের চলার পথ যেন তোমার কাছ অব্দি না পৌঁছায়... কিন্তু দেখ, একটা মৃত মেয়ের চোখ থেকে বেরিয়ে আসা ওইটুকু রক্তে, তুমি কেমন ভিজে গেলে- শুধুমাত্র একটা চিতার আগুন নেভাতে এত জল কামানের জলে ভাসিয়ে ডুবিয়ে দিলে গোটা শহর, কোথায়, আগুন তো নিভল না- রানী তোমার চোখ কোথায়? রানী তুমি দেখতে পাচ্ছ, তোমার শরীর,তোমার স্তন,তোমার নগ্ন উরুতেও রক্ত মাখা দাগ, গোটা শহরের রাজপথ,রাজপথ জুড়ে সমস্ত মানুষ ও মানুষের কান্না কেলাহলকে কত শত জল কামানের তুখোড় জল স্রোতে ধুয়ে দিলেও, নিজেকে ধুতে পারছ না কিছুতেই- |
| কবি সংহিতা কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২.৯.২০২৪ |
| সূর্য নিভে গেছে চিরতরে কবি বিকাশ গুঁই। রচনা ৩১.৮.২০২৪। সূর্য নিভে গেছে চিরতরে। শত শত মোমবাতির আলোতেও কাটছে না অন্ধকার ঘরে ও বাইরে। একটা আলোর সুত্র দরকার। যে সুত্র ধরে বেঙ্গল নাইটেঙ্গল ফিরে আসবে অধ্যক্ষের ঘরে সুবিচারের সার্টিফিকেট নিতে। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি বিকাশ গুঁই মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২.৯.২০২৪ |
| অভাগীর আর্জি কবি ঋজুরেখ চক্রবর্তী। রচনা ২৮.৮.২০২৪। অপরাধী এই ব্যবস্থাটার সহ্য করেছি যে অত্যাচার তোমরা কি তার হিসেব নেবে না খুবলে খেয়েছে শেয়াল হায়েনা খুবলে খেয়েছে আমার শরীর আমার শরীর আমার শরীর শোধ নেবে না কি প্রতি ইঞ্চির সেই কবে শুরু মানুষের ভিড় ভিড় বড় হয় ভিড় ছোট হয় পুকুরের ঢেউ জলের বলয় ভিড় ভেঙে যায় ভিড় ওঠে গড়ে শিরোনাম আমি কাগুজে খবরে সভা সমাবেশে ধর্না মিছিলে যুক্তির জালে মিলে গোঁজামিলে এমনই কি দিন কেটে যাবে শুধু মা-বাবার চোখে শূন্যতা ধুধু মা-বাবার মনে শূন্যতা ধুধু মা-বাবার ঘরে শূন্যতা ধুধু এমনি করেই আমার আর্ত চিৎকার ভেবে মা কি ভয়ার্ত |
| কবি ঋজুরেখ চক্রবর্তী কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২.৯.২০২৪ |
| তাহাদের কাহানী কবি অসীম গিরি। রচনা ৩১.৮.২০২৪। অনেক কথা তোলা ছিলো বলবো তোমায় রূপকথায় তোমার শহর তিলোত্তমা ? খুন, ধর্ষণ, চু-উ-প কথায় অনেক কথা ছিলো তোলা বলবো বলে চুপি চুপি নটে গাছের ঘাড় মুড়ালো পার্কস্ট্রিট হয়ে কামদুনি । উন্নাওয়ের ধর্ষিতা মেয়ে আজ নেমেছে কলকাতায় হাথরস আর বিলকিস বানুর ধর্ষণ বাহবা পায় ফুলমালায় । তাপসী মালিকের লাশ পুড়ছে অনিতা দেওয়ানরা হেথায় হোথায় নন্দীগ্রামের ধর্ষিতারা আজও কাঁদে বিচার চায় । আমার নেতা তোমার নেতা নানা রঙে মুখ লোকায় হিন্দু আর মুসলমানের ঘর পুড়বে ফের দাঙ্গায়। এসো বলো কলকাতা হবে কল্লোলিনী তিলোত্তমা কোথায় হবে ?চেয়ে দেখো ধর্ষিতা প্রেম , মানবতা। |
| কবি অসীম গিরি মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২.৯.২০২৪ |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২.৯.২০২৪ |
| শান্তি-বিরতি - কবি আর্যতীর্থ। রচনা ১.৯.২০২৪। কুচকুচে এই অন্ধকারে যাপনকথা মুচমুচে খুঁজতে গিয়ে হচ্ছি নাকাল, গিয়েছে সব সুখ ঘুচে। রাত করে শুই, ক্লান্ত দেহে ঘুমের আশায় একটানা এড়িয়ে চলি চ্যানেলগুলোর আর জি করের ব্যাখ্যানা, কিন্তু হঠাৎ ঘুম ছিঁড়ে দেয় তিতকুটে এক ভাবনাতে, হয়তো কোথাও ডিউটি থেকে মেয়ে তুলে খায় হায়নাতে.. কষ্ট, ভীষণ কষ্টে এখন ঘুম আসে না আর রাতে। বরবাবুও তথৈবচ, আসছে যাচ্ছে করছে কাজ, কিন্তু কোনো রসিকতায় মন যেন তাঁর নেই গো আজ। কথায় কথায় লাগা পিছে, ধরা কথার ভুল যত, করেন না আর, হাসিরা দেয় আর জি করের শুল্ক তো, হোয়াটসঅ্যাপে এখন যে হয় একটা কথাই সব গ্রুপে জাস্টিস চাই, বের করো কে সর্ষেবাসী ভূত রূপে! এখন বিষাদ রুটিন থেকে সুখ চুষে খায় নিশ্চুপে। এখন সময় লড়তে থাকার, গর্জে ওঠা চাই বিচার, রংতামাশা গুমঘরে থাক, এই শোকে তা অদরকার। ঠিক যতদিন না বদলাবে পথ-মিছিলের এই ছবি আর্যরাইয়ের নিয়ম করে আর আসা নয় ফি রবি। হালকা কথার খুচরো মজা ফিরবে লড়াই জেতার পর, যোদ্ধা বনার কারখানা হোক তোমার আমার সবার ঘর। দেখা হবে বন্ধু আবার, শান্ত হলে দ্রোহের ঝড়, সবার স্বরে জারি থাকুক, ‘জাস্টিস ফর আর জি কর!’ ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি নন্দিনী সেনগুপ্ত কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২.৯.২০২৪ |
| কত দাগ মুছে দেবে বলো? কথা সুর ও কণ্ঠ - কবি নন্দিনী সেনগুপ্ত। কত দাগ মুছে দেবে বলো? পথে পথে দাবিদাওয়া আঁকা আলপনা মুছে দিয়ে ভাবছ কি, ভুলিয়ে দেওয়াটা ভারি সোজা এ তো নয় খুশি মাখা গান, নয় মিথ্যের জাল বোনা… কত দাগ মুছে দেবে শহরের বুকে? ক্ষত দাগ জেগে আছে প্রতিটি হৃদয়ে চিৎকার করে তারা, ভুলবে না ভুলবে না কিছু আবার লিখবে দাবি পথে পথে দৃঢ় প্রত্যয়ে প্রমাণ মুছবে কত বলো? মানুষ জেনেছে সব, ভুলবে না দাবি মোমের নরম আলো হয়েছে মশাল শহরের পথ হবে মানুষের নদী.. মানুষেরই হাতে আছে ম্যাজিকের চাবি। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরী কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২.৯.২০২৪ |
| হাতিয়ার - কবি অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরী। রচনা ১.৯.২০২৪। |

| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ৭.৯.২০২৪ |
| সিঁড়িভাঙা - কবি আর্যতীর্থ। রচনা ৩.৯.২০২৪। গণিতের প্রশ্নটা বড় সোজা হয়ে যাচ্ছে, রাজামশাই। সিঁড়িভাঙা অংকটা কিছুতেই তৈরি হচ্ছে না ছাই, ‘বদমাস’ নিয়ম মেনে ব্র্যাকেটের মাঝে লুকিয়েছি তথ্যপ্রমাণগুলি, ভাগে রেখেছি রাজনীতির ‘আমরা-ওরা, আর গুণে একসাথে অনেকের সটান বদলি , ক্রমেই যোগ করে গেছি সেই সব অন্ধদের, আপনার হয়ে গলা ফাটাবে যারা, বিয়োগে রেখেছি স্বচ্ছতা, সততা আর শিরদাঁড়া মোটের ওপর, বানানো হয়েছিলো একটা ভয়ানক কড়া ধাঁধা .. কিন্তু রাজামশাই, এবারে ছাত্রদের ধাতুই আলাদা, অভয়া ‘ আর ‘জাস্টিস’ আওড়াতে আওড়াতে তছনছ করে দিয়েছে ব্র্যাকেটের আড়াল, বিসর্জন দিয়েছে ভাগ , নস্যাৎ করেছে গুণ , যোগ করা জোকারদের গুল ধরে ফেলে করেছে নাজেহাল, খুঁজে খুঁজে ফিরিয়ে এনেছে বিয়োগ করা জিনিস তিনখানা, যেভাবেই সাজাই না কেন রাজামশাই, ওদের দেখছি সব, সঅব ফর্মূলা জানা! |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ৭.৯.২০২৪ |
| উড়ো খই - কবি আর্যতীর্থ। রচনা ২.৯.২০২৪। ওঁদের শেখানো হয়, ওঁরা আইনের রক্ষক, দেশের সুরক্ষা বলয়। তারপরে সেই সব শাসকের চাকরি করতে হয়, যাঁরা নিজেদের ইচ্ছেকে আইন ভাবেন আর নিজের দলের ম্যানিফেস্টোকে সংবিধান। আইনকে সুতোয় নাচা পুতুল বানিয়ে তাঁরা আঙুলে বিচার নাচান, দেশের প্রহরীদের এক ঝটকায় বানিয়ে দেন দেহরক্ষী, বিবেকের কথা শুনলে ট্রান্সফার ও কমপালসারি ওয়েটিং, আর চোখ বুজে কথা শুনলে গৃহতে থিতু লক্ষ্মী। সম্মানিত পাঠকবৃন্দ, এই অবস্থায় আপনি বা আমি কী করতাম? ঢেউ যেদিকে সেদিকে ভাসতাম, নাকি সিনেমার হিরোর মতো একা লড়তাম? আয়না জানে , এই এম সি কিউয়ের উত্তর একটাই, আপনি আমি ইনি উনি সকলেই ঝামেলাহীন হয়ে বাঁচতে চাই। যে কোনো দাঙ্গা বা দুর্ঘটনায় প্রথম শো’কজ পান পুলিশের বড়কর্তা, তারপর মেজ, সেজ, ন’ ধরে একেবারে নিচের সিঁড়ি তক। তাঁদের ওপর দায় ঝেড়ে ফেলে নিশ্চিন্তে ঘুমান গণতন্ত্রের বেছে নেওয়া শাসক, |
| কবি সাগরিকা সেনগুপ্ত মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ৭.৯.২০২৪ |
| অভিনব সেই রাত - কবি সাগরিকা সেনগুপ্ত। রচনা ৩.৯.২০২৪। |

| কবি সমীন্দ্র ভৌমিক কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ৭.৯.২০২৪ |
| যাঁরা এখন পাঁচিলে কবি সমীন্দ্র ভৌমিক। রচনা ৪.৯.২০২৪। যাঁরা এখন পাঁচিলে, তাঁরা ভাবছেন ভেবে যাচ্ছেন এই যাত্রায় বাঁচিলে– তাল ঠুকে আর মাল মুখে সব কেমন হবে নাচিলে? # # # ওরে বাপরে বাপ! এপাশ থেকে ওপাশ থেকে কারা দিচ্ছে ঝাঁপ? কারা বলছে কারা বলছে ইনসাফ!ইনসাফ? ও রানীমা আমি কিন্তু রয়েছি চুপচাপ। # # # |
. |
| কবি কৃষ্ণা গুহ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ৭.৯.২০২৪ |
| মানব বন্ধন কবি কৃষ্ণা গুহ। রচনা ৪.৯.২০২৪। মানুষ জেগেছে , দৃষ্টি হয়েছে প্রসারিত!! অবাক হয়ে দেখলাম মানবতার দৃঢ়বদ্ধন , হাতে হাত রেখে চলেছে অবিরত । পৃথিবীর সমস্ত সৌন্দর্য তার কাছে ফিকে , আশ্চর্যে হয়েছি বিমোহিত। একটি মেয়ের জীবন পাশবিক অত্যাচারে হলো অবসান, সাধারণ নারী নয়তো সে,হয়ত এসেছিল মহা মানবী রূপে!! সকলকে এক সূত্রে বেঁধে দিলো ভালোবাসা আর মৈত্রীর বন্ধনে। হাতে হাত রেখে অঙ্গীকার বদ্ধ হল ,একসাথে গাইলো মানুষের জয় গান । প্রতিটি মানুষের শিরায় শিরায় বয়ে গেল জাগরণের মন্ত্র । পৃথিবীর সমস্ত আওয়াজ ম্লান হলো কবিগুরু আর কাজী নজরুলের গানে গানে!! দুচোখ ভরা স্বপ্ন আর মুক্ত দিনের খোঁজে কল্লোলিনী জেগে উঠেছে আজ জন জোয়ারে। অনেক যন্ত্রনায় অনেক লাঞ্ছনায় প্রতিটি মানুষ বিদ্রোহের আগুনে জ্বলছে!! আর কত দিন!! এবার কথা দাও প্রকৃত বিচার হবেই হবে। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
. |
| কবি সুব্রত দেব কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ৭.৯.২০২৪ |
| কবি ঋজুরেখ চক্রবর্তী কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ৭.৯.২০২৪ |
| কল্লোলিনী কলকাতা কবি ঋজুরেখ চক্রবর্তী। রচনা ৩.৯.২০২৪। |

| কবি অরুণাচল দত্ত চৌধুরী কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ৭.৯.২০২৪ |
| তুই চলে গেছিস বুক পুড়িয়ে কবি অরুণাচল দত্ত চৌধুরী। রচনা ১২.৮.২০২৪। তুই চলে গেছিস বুক পুড়িয়ে বুঝছি ক্ষনে ক্ষণে তবু এসেওছিলি এই আঁধারে সে কথা রয় মনে যেন ভুলে না যাই, বেদনা পাই শয়নে স্বপনে ওই কলেজের ঘরে ওরা মারল তোকে ধরে ওরা যতই মুছে ফেলুক প্রমাণ আঁধারে গোপনে তবু যাবার পরেও থেকে গেছিস সে কথা রয় মনে যেন ভুলে না যাই, বেদনা পাই শয়নে স্বপনে। যতই দেখি হাসি যতই শুনি পুলিশ বাঁশি বুঝি রাষ্ট্র সাজছে নকল আয়োজনে তবু না থেকেও তুই যে আছিস সেকথা রয় মনে যেন ভুলে না যাই, বেদনা পাই শয়নে স্বপনে |
| কবি শুভেন্দু মাইতি মিলনসাগরে কবির পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ৭.৯.২০২৪ |
| তিলোত্তমার গান কথা সুর ও কণ্ঠ - কবি শুভেন্দু মাইতি। আশি বছর বয়সে গানটি রেকর্ড করেছেন! এত যাতনার ঢেউ রক্তে গিয়েছে মিশে নয়ই আগস্ট দু হাজার চব্বিশে এত যাতনার ঢেউ রক্তে গিয়েছে মিশে নয়ই আগস্ট দু হাজার চব্বিশে চোয়াল হয়েছে শক্ত... চোয়াল হয়েছে শক্ত মুছতে দেব না আমার বোনে রক্ত মুছতে দেব না বন্ধু তিলোত্তমার রক্ত রাজপথ থেকে আলপথ প্লাবিত মিছিলে বুকফাটা হাহাকার রাজপথ থেকে আলপথ প্লাবিত মিছিলে বুকফাটা হাহাকার বিচার চাই, চাই বিচার বিচার চাই, চাই বিচার চোয়াল হচ্ছে শক্ত এত যাতনার ঢেউ রক্তে গিয়েছে মিশে নয়ই আগস্ট দু হাজার চব্বিশে চোয়াল হচ্ছে শক্ত মুছতে দেব না আমার বোনে রক্ত মুছতে দেব না বন্ধু তিলোত্তমার রক্ত আর কত দিন থাকবে ঘাতক আড়ালে? মানুষের চিৎকার আকাশ ছাড়ালে? আর কত দিন থাকবে ঘাতক আড়ালে? |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ৭.৯.২০২৪ |
| খোলা চিঠি - কবি আর্যতীর্থ। হুকুম যে দেন ফিরতে কাজে, ফিরতে চাই। রোগীর ভিড়ে আবার সবাই ভিড়তে চাই। অসুখ অ-সুখ সারিয়ে তোলা শিখতে চাই, পোস্টার নয় , প্রেসক্রিপশন লিখতে চাই। বাপের ঘাড়ে খাওয়ার মতো নবাব নই, ফাঁকি দেবো, তেমন অলস-স্বভাব নই, বিরোধী-সুর বাজিয়ে চলার রবাব নই. কিন্তু তোলা সওয়ালগুলোর জবাব কই? কে বা কারা মারলো ছিঁড়ে বন্ধুকে? সেভ করা সেই নামগুলো কার ফোন-বুকে? আদালতে পেশ হবে কেস কোন যুগে? জবাব বিনা আয়না দেখি কোন মুখে.. আপনি দেখুন , প্রশ্ন মোটে এই কটা, দাবী-দাওয়ার আর তো বিশেষ নেই ঘটা ঘুরে ফিরে ছাপ যদি দেন সেই NOTA, আমাদেরও পিছু তবে নেই হটা। জবাব কী আর হবে এদের খুব জটিল? গোপন কোনো মৌচাকে কি পড়ছে ঢিল? আমারা সেসব জানি না তো, কি মুশকিল, চাইছি কটা বন্ধ দোরের খুলুক খিল। |
| কবি অদিতি চক্রবর্তী মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ৭.৯.২০২৪ |
| একুশটা দিন চলে গেল কবি অদিতি চক্রবর্তী। কে বলে তুই নেই! এই যে নীল আকাশে উজ্জ্বল রোদ !চারিদিক ঝলমল করছে! দেখ ভাদ্র লক্ষ্মীর মুখটা যে অবিকল তোর মত। ওই তো দেখছি চোখ ভর্তি টলটলে জল ঠোঁটের কোণে করুন হাসির রেখাটি লেগে! বাংলার শহরে, মাঠে প্রান্তরে ছড়িয়ে পড়ছে যে আলো, নীল আকাশে যে মেঘের খেলা অবিরত তার মাঝে তো তুই রয়ে গেছিস! এ মায়ার বাঁধন আলগা করে কোথায় যাবি! এই যে এত মানুষের গলা মিলে যাচ্ছে! সবার উপরে তো শুনছি তোর গলাটাই! "বিচার চাই বিচার চাই আমরা সবাই বিচার চাই"! এই চাওয়া কখনো বিফলে যাবে না! এতদিনের পাথর চাপা সমস্ত নিয়ম ভেঙ্গে যে তুই এগিয়ে চলেছিস। জানি মায়ের কোলে ফিরতে পারবি না যে আর, কিন্তু একটা জাতির অজগর ঘুম যে তুই ভাঙ্গিয়ে দিয়েছিস মা!! একুশটা দিন চলে গেল! ধৈর্য তো আছে অপেক্ষারও! এই ধৈর্যের বাঁধ ভাঙ্গলে যে প্রপাত নামবে তাকে আটকাতে পারবে? হাজার শক্তিধর হলেও! ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি বিজন রায় (জঙ্গিপুর) এখানে তোলা হয়েছে ৭.৯.২০২৪ |
| ইট মারছো পুলিশ বলে কবি বিজন রায় (জঙ্গিপুর)। |

| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ৭.৯.২০২৪ |
| জাস্টিস - কবি আর্যতীর্থ। জাস্টিস কিন্তু শুধু অভয়া’র জন্য চাওয়া নয়। কয়েকটা আসামীর জলদি শাস্তি হলে হবে না এ যুদ্ধবিজয়, এই ক্ষত করে গেছে আরো যত ভয়ানক ক্ষতি জাস্টিস তবে হবে যদি হয় সেই সবকিছু মেরামতি। ডাক্তারি পড়ুয়া-মগজে লিঙ্গের ভেদাভেদ কখনো ছিলো না, পিঠোপিঠি এক বেডে মাঝরাতে ক্ষণিক জিরিয়ে নেওয়া ছেলেটা ও মেয়েটার ভাবনায়, ধর্ষণ দূরে থাক, জাগেনি শ্লীলতাহানিরও সম্ভাবনা, সবকিছু বদলে গিয়েছে, সন্দেহ সকলের মন কুরে খায়, সহপাঠী মানে স্রেফ বন্ধু সে বিশ্বাস যদি আর না ফিরে আসে, তাহলে কয়েকটা যাবজ্জীবন আর ফাঁসি হলে, জাস্টিস পুরো হবে না সে । যে কাদামাখা সিস্টেমের কথা উঠে আসছে, চাউর হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়াতে, সেখানে মেধা দুর্নীতির কাছে দশগোল খেয়েছে, টাকায় বিকাচ্ছে পরীক্ষা পাশ ও গোল্ডমেডেল, যে সব ডাক্তার এইসময় বেরোচ্ছেন , পশ্চিমবঙ্গের ডিগ্রি হলে সে সন্দেহ তাঁদের হবে আজীবন সামলাতে, অথচ মেধা ও সম্মানের এই গণধর্ষকদের না হবে ফাঁসি, |
| না হবে জেল তাঁরা বড়জোর বদলি হতে পারেন এক সিন্ডিকেট থেকে আরেক সিন্ডিকেটের কোলে, এই সব ঘুঘুর বাসা যদি অটুট থাকে, আর জি করের মেয়েটা সত্যি জাস্টিস কি পাবে তাহলে? মেয়েরা রাতে বেরোবে, যখন আর যেমন প্রয়োজন, কাজে, আড্ডায় পার্টিতে অথবা এমনিই তারপর ইচ্ছেমতো সময়ে বাড়ি ফিরবে। এসময় পথে,কাজের জায়গা ও আড্ডাগুলো থাকবে নিরাপদ, পুরুষ বেরোলে ঠিক যতটা , ততটাই। এর জন্য যেই পরিবেশ দরকার, রাষ্ট্র চেষ্টা করবেন করতে তেমনি, সেই আশাতেই পথে নামা, হাঁটা , রাত দখল, মোমবাতি। দাবী তো একটাই। ধরা চাই সুযোগসন্ধানী যত দ্বিপদ শ্বাপদ! এখন যদি উল্টো নোটিশ আসে ‘ নাইটডিউটি’ করে দাও কাটছাঁট, পিছু হটা সেটা তবে, নিঃসাড়ে চালু করা তালিবানি পাঠ, আগামী কন্যার জন্য সে অভ্যাস হবে মহাভয়ংকর, শেকল পরানো পায়ে রাষ্ট্র দেখাবে তবে নারীর জায়গা হলো ঘর। |
| কবি সুদীপ তন্তুবায় নীল এখানে তোলা হয়েছে ৭.৯.২০২৪ |
| ঝড় উঠেছে, ঝড়টা থাকুক - কবি সুদীপ তন্তুবায় নীল। ঝড় উঠেছে, ঝড়টা থাকুক তুমিও থেকো ঝড়ে প্রতিবাদই সব প্রতিরোধ ভাঙুক যত্ন করে। বৃষ্টি এলে আসুক, ধূলো মুছবে মিছিল পায়ে শুধু ন্যায়ের চাদর জড়িয়ে দিও তিলোত্তমার গায়ে। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ৭.৯.২০২৪ |
| নিবেদনমিদং - কবি আর্যতীর্থ। রচনা ৫.৯.২০২৪। যথাবিহিত প্রণাম এবং অভিবাদন পূর্বক নিবেদনমিদং.. শ্রীচরণেষু, নারীর হয়ে জঙ-এর ধরণ লাগছে বেজায় জবরজং, অবশ্য দোষ আপনার নয়, এই সমাজের মগজ জুড়ে মধ্যযুগের জং। দেখছেনই তো, পালটে গেছে একটা গোটা রাজ্য, শহর থেকে শহরতলি, গঞ্জ থেকে গ্রাম, মা অভয়া আসার আগেই রাস্তা জুড়ে , হাটবাজারে, লোকের মুখে মেয়ে অভয়ার নাম, রাত দখলে নামছে মেয়েরা, তছনছ সব নিষেধ বেড়া, ডিউটি ছাঁটাই করলে রাতে কোথায় তাদের দাম? আমরা যারা একটি ভোটের নেই-কণ্ঠ, ভয়েই বাঁচি জন্ম থেকে শবের তারিখ তক, অনুদানের ভিক্ষাজীবী, কয়েক জিবি খরচ রিলে এবং করে ফেসবুকে বকবক, |
| হঠাৎ তাদের হকচকিয়ে, হকের কথা এই জাগরণ উঠলো বলে, পড়লো মনে সব শাসকের আমরা পরীক্ষক। সেই ভরসায় পত্র লিখি, নয়তো এত সাহস কোথায় ভয়-তাড়িত ফুসফুসে! শহর জুড়ে তড়িৎ বিচার চাওয়ার দাবী, রাগ ভাঙানোর মোহন চাবি ভেবে যে এক আইন হলো ‘রাত’ দুষে, বলছে তাতে ডিউটি নারীর হোক সীমিত, মোটামুটি স্বীকার করে রাষ্ট্র বিফল ধরতে তাদের, ঘুরছে যারা অন্ধকারে শিকার করার প্ল্যান পুষে। তাই বলি কি, আইনটাকে উল্টে দিয়ে শিকারীকেই দিন ঢুকিয়ে বরং খাঁচায় , ‘ রাতে পুরুষ বেরোবে না’, এমন যদি নিয়ম করেন, থানা এবং পুলিশ তবে সময় বাঁচায়, যেমন করে নারীর আজব নিয়ম বেরোয়, তেমন করেই পুং-ডিউটি আটকিয়ে দিন ঘন্টা বারোয়, রান্না করুক , বাচ্চা দেখুক, জেলে ভরুন যদি তাতে পুরুষ চেঁচায়। |
| জানি আমি , এ প্রস্তাবে আসবে ঠোঁটে বক্র হাসি, আমায় পাগল জোকার ভেবে, তাই যদি হয়, এতই যখন অস্বাভাবিক পুরুষবিহীন নিশুত রাতে ডিউটি শুধুই নারীই দেবে, সবিনয়ে প্রশ্ন রাখি, হাস্যকর এই প্ল্যানটা যতই দেন উড়িয়ে, ‘ রক্ষাকবচ’ বলে তো আজ একই নিয়ম নারীর করেন নাক ঘুরিয়ে, রাতে তাঁদের ঘরে থাকার তালিবানি আইন বানান কোন হিসেবে? এইটুকুনই ছিলো বলার, একটু ভাবুন, অগ্রগতির উল্টো চলার প্রথা এদেশ কোথায় নেবে। এই অধমের প্রণাম নেবেন.. ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি ঝিলাম গুপ্ত এখানে তোলা হয়েছে ৭.৯.২০২৪ |
| তোমার স্বর আমার স্বর জবাব চাইছে কথা সুর ও কণ্ঠ - কবি ঝিলম গুপ্ত। গানটি ভিডিও লিংকটি এখানে শেয়ার করা যাচ্ছে না। তাই গানটি শুনতে এখানে ক্লিক করুন . . . । আমরা পেয়েছি ৫.৯.২০২৪ তারিখে। যদি কোনো কাকু এসে কনুইটা বুকে ঘষে হুট হাট পার পেয়ে যায় কি জবাব দেব আমি বল অন্তর্যামি Oh Shit! এ সব তো মেনে নিতে হয়। ট্রেন আমার সব জানে ছোট বড় বেলা ট্রেনেই তো এক কাকু করেছিল খেলা ক্লাস সেভেনের আমি ফ্রক পরি শুধু ওদিকে কাকুর মনে পাছা আর দুদু স্টেশনে নামার আগে লোহা দরজায় ধরলো একটা লোক সজোরে আমায় বছর বারোর আমি সেদিনের মেয়ে তাকে আজও অভিষাপ দিই |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ৭.৯.২০২৪ |
| বাহ জুনিয়র, বাহ - কবি আর্যতীর্থ। রচনা ৩.৯.২০২৪। লালবাজারে লাল গোলাপ? সাংঘাতিক! ও ইতিহাস, রাখিস মনে সালটা ঠিক, যখন নতুন করে গান্ধী চেনে বর্তমানের সাংবাদিক.. আজ সবুজের লক্ষ্য সোজা, দেখবে না সে ডান বাঁদিক। হাজার যুব-চিকিৎসক, আটকে দেওয়ার তৈরি ছক, ব্যারিকেডে পথ জুড়ে। হায় শাসকের মজনু রে,অত তোদের নেই রে ধক, হক ছিনাতে ওই ভিড়ে আজ যে তরুণী আর যুবক, ডিগ্রী তাদের এম বি বি এস, পাশ করা’তে দম লাগে বেশ, এমন করে রাত জাগা যার সেরেফ রোজের কাজ নিছক। দুর্বিনীত নয় ওরা! নতুন যুগের জয়-ঘোড়া খুব বিনয়ে চাইছে বিনীত্-সাক্ষাৎই, এই পচা মাছ ঢাকার তিনি শাক নাকি, কিন্তু ভিড়ের সামনে যেতে থরথরালো বুটজোড়া, দেয় না গালি, ইঁট ছোঁড়ে না , এই প্রতিবাদ তাঁর অচেনা, ভীষণ ভয়ে তাই তো এড়ান লাল গোলাপের ফুল-তোড়া যেই সলিলে আজকে ডোবা, নিজের হাতেই ভুল খোঁড়া। |
সাবাস নবীন সাবাস কাঁচা, এদিন দেখার জন্য বাঁচা, সাবাস আমার সবুজ স্টেথোর দল, তোদের হেতু মানব-শিকল, লাখো লোকের ঢল, তোদের জন্য মানুষ-জোয়ার ভেঙে ভয়ের খাঁচা। দুষ্টু লোকে গুনছে প্রমাদ, ঘুঘুর বাসা দেখছে যে ফাঁদ, তোদের হাতেই বদল সেসব খোল নলিচার ধাঁচা, অনেক হলো ভুল লোকেদের মাথায় তুলে নাচা। এই সিনিয়র চাইছে তোদের আকাশটা হোক মাচা। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি অদিতি চক্রবর্তী মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ৭.৯.২০২৪ |
| একটা স্লোগান মুখর রাত কবি অদিতি চক্রবর্তী। রচনা ৫.৯.২০২৪। একটা স্লোগান মুখর রাত প্রতিবাদী মানুষের মুষ্টিবদ্ধ হাত, বিচারের দাবীতে সোচ্চার জনগণ! মিছিলে মিছিলে ছয় লাপ শহর! দূরে চলে গেছে আমার চেনা গলিপথ। ত্রিবেণী সঙ্গমের মতো মিলেছে যত মত, হাতে হাত রেখে যত অঙ্গীকার! তুমি কি ভুলে যাবে নিস্তব্ধ সকাল? ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
. |
| কবি সুব্রত দেব কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ৭.৯.২০২৪ |
| বিচারের রায় কবি সুব্রত দেব। রচনা ৪.৯.২০২৪। রায় পেতে দেরি হবে জেনে ‘হায় হায়’ করো কেন অকারণ আদালত- রায় পেতে দেরি হবেই যে এ তো বাঁধা গৎ শেষ রায় জনতার তাই একমত হয়ে যদি ধরে রেখে ক্ষোভ-বিক্ষোভ একতার সাগরেতে দিতে পারো ডুব সেটিং থাকেও যদি ঝাঁকুনি তা খায় নায্য বিচার তবে কে-ই আটকায়? ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
. |
| মানুষ এক হোক কবি সান্ত্বনা চট্টোপাধ্যায়। অভয়ার জন্য কবিতা। কে বা কারা, জগতের কলঙ্ক, নয় মানুষ ,নয় পশু, পাখী নয় ,মাছ নয় ,নয় সর্প। ঘৃণার অযোগ্য কুজাতো ধর্ষক অথর্ব। তাই চুপ চাপ দল বেঁধে, নিশিকালে, বুকে হেঁটে একা নারী বুঝে করো আক্রমন। তোমাদের নস্ট বিকৃত ধন ঘিনঘিনে। একই অস্ত্র করো ব্যবহার দশ কুড়ি জন। এর পরে থাকো মুখ ঢেকে। জগতের পুরুষ জাতি আছো কেন মাথা নত করে॥ ডেকে বলি যত আছ বাবা ভাই দাদা স্বামী বন্ধু জন, এখন তোমাকে প্রয়োজন॥ উচ্চ করে শির দাঁড়াও তো ঘুরে। পাও যতো অমানুষ ধর্ষক জীব বন্ধু বেশে ঘোরে, নামিয়ে আনো রাজ পথে তুলে দাও হাতে খিপ্ত জনতার॥ |
| কবি সান্ত্বনা চট্টোপাধ্যায় মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ৭.৯.২০২৪ |
. |
| সুবিচার কবি সান্ত্বনা চট্টোপাধ্যায়। অভয়ার জন্য কবিতা। দেখলাম আসছে তারা হামাগুডি দিয়ে রাতের অন্ধকার চিরে চিরে শ্বাপদের প্রায়। কোথা হতে আসে এরা কে দিয়েছে কাজ মিথ্যা রটাবার॥ গলার নীল শিরা ফুলে ওঠে রক্ত চক্ষু জ্বলে হায়নার কান্না হাসি এক সাথে দোলে দেখছে সকলে!! আহা কি ভাষা ! ভয়ে কাঁপছে জনতা, প্রতিবাদী নারী -নাম রক্ত লেখা॥ কি চায় এরা সব - চেঁচিয়ে সুবিচার সুবিচার ! এরা সব জানল কি করে - কে বা কারা করেছে অবিচার॥ যদি সবই জানে কেন , কে ঘটাল ঘটনা দিয়ে অমানবিক পরিচয়॥ তদন্ত পুলিশ বিচার আদালত কিসের প্রয়োজন॥ |
| কবি সান্ত্বনা চট্টোপাধ্যায় মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ৭.৯.২০২৪ |
. |
| অন্ধকারের কবিতা কবি দেবেশ ঠাকুর। রচনা ৫.৯.২০২৪। এই রাত প্রতিবাদের এই রাত অন্ধকারের নিভে যাক সকল বাতি আমাদের আঁধার ভালো আঁধারেই পথ খুঁজে নিক আমাদের তিলোত্তমা যে পথে রাক্ষসেরা হুমকির চুমকি বেচে আমাদের থানা গারদ আমাদের জেল কারাগার এসবের কোন প্রয়োজন! বাইরেই কয়েদখানা ঘুরছে বুক ফুলিয়ে লাখ লাখ হুমকিওলা তাইতো আঁধার ভালো নাগরিক বন্যজীবন |
| কবি দেবেশ ঠাকুর মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ৭.৯.২০২৪ |
. |
| জাস্টিস ফর আর জি কর কবি নির্মাল্য বন্দ্যোপাধ্যায়। রচনা ৫.৯.২০২৪। একটা মেয়ে জীবন দিলো, গোটা দেশে উঠলো ঝড়, মানুষ পথে চেঁচিয়ে বলে, জাস্টিস ফর আর জি কর ! খুনির রক্ষক প্রমাদ গণে, ভয় দেখালো তার চাকর, তবু মানুষ ভয় পেলো না, জাস্টিস ফর আর জি কর ! মাইল মাইল মানব বন্ধন, সবাই হাতে হাতটা ধর, চলেছে মোমবাতির মিছিল জাস্টিস ফর আর জি কর ! মেয়েরা যায় রাত দখলে, ভেসে গেলো গ্রাম শহর, ১৪ই অগস্ট চেঁচিয়ে বলল, জাস্টিস ফর আর জি কর ! |
| কবি নির্মাল্য বন্দ্যোপাধ্যায় মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ৭.৯.২০২৪ |
. |
| কবি সুব্রত দেব কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ৭.৯.২০২৪ |
| নাটের চেলা কবি সুব্রত দেব। রচনা ৩.৯.২০২৪। নাটের চেলা ধরা পড়ায় নাটের গুরুর ভয়, এবার তার নিজের বেলা কী জানি কী হয়! কান টানলে মাথা আসবে, ভেবে রণে ক্ষান্ত দাও যদি তো অবশেষে হবে সর্বস্বান্ত। গান-শ্লোগানে মুখর থাকুক প্রতিবাদের ঢেউ, কান ভাঙ্গানি দিতে পারে মাইনে করা ফেউ। শেষ না- দেখে ছাড়বে না কেউ থামছে না কেউ তাই দাবি সবার, ‘তিলোত্তমা’র ন্যায্য বিচার চাই। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
. |
| অজ্ঞাত কবি এখানে তোলা হয়েছে ৭.৯.২০২৪ |
| খুব জানতে ইচ্ছে করে অজ্ঞাত কবি। আমরা পেয়েছি ৫.৯.২০২৪ তারিখে। খুব জানতে ইচ্ছে করে আচ্ছা, সেই রাত্রে ওখানে যারা ছিল, তারা এখন কী করছে? আয়েশ করে ভাত খাচ্ছে? নাকি বৃষ্টি হচ্ছে বলে খিচুড়ি ইলিশ মাছ ভাজা! টিভিতে আন্দোলন দেখছে? দেখে মিটিমিটি হাসছে! সহভোগীকে ফোন করছে! গতকাল রাতে মদ খেয়েছিল? সঙ্গে কষা মাংস, পরোটা! মাংসটা কী ওর মা বানিয়েছিলেন? বা বোন অথবা ভাবি! ওর প্রেমিক বা প্রেমিকা কী বলছে? ভয় পাচ্ছে! নাকি বিন্দাস! এসেছিল একদিন! চুমু খেলো! ঠোঁটটা কষা ছিল না তো! বা রক্তের মতো নোনতা-নোনতা! আচ্ছা, সেই রাতে ওখানে যারা ছিল, ওদের বাবা মা দু'জনে কেমন আছেন? তাঁরা কী গর্বিত! চিন্তিত! তাঁরা কী বাজার যাচ্ছেন! চিকেন মটন মাছ দর করছেন! ছেলের মাথায় হাত বোলাচ্ছেন মা, বাছার মুখটা শুকিয়ে গেছে বলে! নাকি বলছেন, চিন্তা করিস না বাবা, ওপরওয়ালা আছে! আচ্ছা, সেই রাতে ওখানে যারা ছিল, ওরা ওদের মায়ের পায়ের পাতা দেখতে পাচ্ছে! বা বোনের চোখ, ঠোঁট, মাসির পিঠ! ভাবির গলা! |
| মোবাইলের গ্যালারিতে প্রেমিকার এক চিলতে বুক বা পেট! খুব জানতে ইচ্ছে করছে, রাতে ঘুম কেমন হচ্ছে! নিশ্ছিদ্র! নাকি মাঝেমাঝে কোথা থেকে একটা গোঙানির শব্দ শুনে ভেঙে যাচ্ছে ঘুমটা! পায়খানা পরিস্কার হচ্ছে আশা করি! শৌচ করতে গিয়ে মনে হচ্ছে না তো, জায়গাটা অনেকটাই ফাঁকা! জয়েন্টটা নেই! খেয়াল করেনি! আচ্ছা, হাঁটতে কোনও সমস্যা হচ্ছে না, মানে হাঁটু ঠিকই আছে! বাঃ, কোমর! তাও ঠিক আছে! আচ্ছা, তাহলে তো ভালই। রাতে বাড়ির বাবা মা, ছোট বোন দিদি বউদি সবাই মিলে সিনেমা দেখছে! এখন তো ফ্রি আছেন! ইউটিউবে বহু পুরনো একটা ভাল ফরাসি ছবি দেখতে পারেন। অভিনেত্রী মনিকা বেলুচ্চির, 'ইরেভার্সিবল'। খুব ভাল লাগবে। আপনাদের বাড়ির লোকও এনজয় করবে। ছেলের কীর্তিতে বুকটা ভরে যাবে। আপনি তো সেদিন ফ্লোরে ছিলেন। অ্যাকশানে! এবার স্ক্রিনে দেখতে পাবেন, ব্যাপারটা কীরকম লাগে! ও, জিজ্ঞেস করতে ভুলে গেছি, আপনাদের স্যর ফোন করেছিলেন? 'ডোন্ট ওয়ারি' বলেছেন তো! বাঃ। |
. |
| কবি শঙ্কর তালুকদার কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ৭.৯.২০২৪ |
| গণতন্ত্রের বোঝা কবি শঙ্কর তালুকদার। রচনা ৬.৯.২০২৪। বিবেচনা! আর টাকায় কেনা যুক্তি তর্ক ই বৃথা! গনতন্ত্রে খারাপ-ভালো বিচারে সংখ্যার দ্বিধা! সাথে আছে লোভের ব্যবসা, যা কি না টাকায় কেনা সোজা- চারিদিকে দেখি সেই ধ্বংশ লীলা, অর্থহীন তাই সে বোঝা! মিথ্যে হেথায় সত্যিই যখন লোভের ভিক্ষার সাথী; কে যে হবে ঠিক অভয়াদের সঠিক সমব্যাথী! আর আছে সব উলটপুরাণ চুরি করেই যে শুধু- সমাজ যাক না রসাতলে আমি/আমরা দেখাই যাদু! তার পরে তো যাদুর সংখ্যা ঐ গনতন্ত্রেরই বোঝা- বিবেক ও মনকে জিজ্ঞাসিলে উত্তর পাবে সোজা! ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
. |
| কবি ঋতশ্রী মজুমদার কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ৭.৯.২০২৪ |
| খোলা চিঠি শ্রীকৃষ্ণকে কবি ঋতশ্রী মজুমদার। রচনা ৬.৯.২০২৪। ক'দিন যাবৎ ধরে এই ঘোর কলিযুগে তোমায় করিতে প্রভু সন্ধান, খুঁজে গেছি গলিঘুঁজি, চক্ষুও বুজি বুজি মন্দিরে বসে করি জয়গান! কুলুকুলু শব্দে কত জল বয়ে গেল, যমুনার সেই রূপ নাই গো-- তবুও বংশীধারী তোমার চরণ ধরি প্রার্থনা করে দেখা চাই গো। ধর্ম-অধর্মের সেই মহাযুদ্ধ, কতদিন ধরে ঠিক চলল? আঠারো দিনেই নাকি শেষ করে সে হিসেব হাতেনাতে ফলাফল মিলল! তবে কেন অবিচার এই ঘোর কলি কালে? জাস্টিস ঝুলে থাকে শূন্যে! কোন সে মন্ত্রবলে জয় ব্যোম ভোলে বলে অধর্ম বাড়ে কোন পুণ্যে? |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ৭.৯.২০২৪ |
| প্রতি মণ্ডপে - কবি আর্যতীর্থ। রচনা ৬.৯.২০২৪। একটা অ্যাপ্রন আর একটা স্টেথো, প্রতিটি মণ্ডপে যেন থাকে। তুমি তো জানো না, মেয়েটা থাকলে বেঁচে, কোন পুজো দেখতে সে যেতো। মরে গেলে সব শেষ , বস্তুবাদীর দাবী, বিজ্ঞান আত্মা মানে না। পুজোর ওই কটা দিন, যুক্তি চুলোয় দিয়ে পরকাল বলে কিছু আছে বলে ভাবি, বিজ্ঞান তো সমস্ত জানে না! তাছাড়া, নয়ই আগস্ট থেকে এতগুলো দিন তো পেরলো মেয়েটাকে তবু বলো তিল ভোলা গেলো? কে করো না মনে বলো আজও তাকে, রুটিনের ফাঁকে ফাঁকে এসে বসে থাকে স্টেথো হাতে অ্যাপ্রন পরা যে মুখহীন মেয়েটি, এড়িয়ে সে অবয়ব কোনখানে যাবে? দেহ গিয়ে দুনিয়ায় গিয়েছে ছড়িয়ে যে ডাক্তার বেটি, চলো না, এবার তাকে ঠাকুর দেখাবে! না না, দুর্গা গড়ো না বাপু অভয়া-আদলে, অ্যাপ্রন পরিয়ো না জননীকে যেন, হাতে যদি স্টেথো দাও, |
| বলা তো যায় না, ত্রিনয়ন যদি ওঠে জ্বলে, অসুরদলনী তিনি গর্জে ওঠেন যদি বলে, ‘ মেয়ে গেছে, চারদিকে তবু আলো-উৎসব কেন!’ ন্যায্য সে প্রশ্নের কী দেবে জবাব’ ‘ যেহেতু নিয়ম মা গো, পঞ্জিকা মেনে তাই ..’ সাবধান , সাবধান, যুক্তিতে ভিতের অভাব মা যদি গর্জান ‘ ঘটে কেন সারোনি বালাই?’ বাণী ও কমলা যদি তার সাথে ছুঁড়ে দেন ‘ বলো, আর কবে!’ উত্তরে তারই বা বলবে কী তবে.. দেবীরা ছাড়েন যদি, তবু নয় অভয়া’র থিম, পঁচাশি পোচিং হয়ে পাবে তবে অশ্বের ডিম, বলা তো যায়না , আরো কী কী হতে পারে ক্ষতি যতই পুরনো পুজো হোক, পুলিশ আর ফায়ারের লাগে অনুমতি, সেদিকেও রাখা চাই চোখ, সুতরাং.. We want just peace, প্রতিমা বা থিমে দাবী নয় জাস্টিস। |
| কবি জাহির আব্বাস আপন মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ৭.৯.২০২৪ |
| কলকাতার R.G. Kar হাস্পাতালে, রাতের কর্তব্যরতা লেডি ডাক্তারের রহস্যজনক নির্যাতন ও মৃত্যুর বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কবিতা, মিলনের কার্টুন ও ১৪ই অগাস্ট ২০২৪ এর রাতের নারীদের রাত দখল আন্দোলনের দেয়ালিকা। |
| কবি সঞ্জয় সাহা কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৪.৯.২০২৪ |
| অপেক্ষার ২৯ - কবি সঞ্জয় সাহা। রচনা ৬.৯.২০২৪। অবিচার, হত্যা, প্রমান-লোপাট, ঘুষ, ছেলে ঢোকানো- কতশত শব্দ শিখে ফেলেছে আমাদের আত্মজ ; মিছিলের ক্লান্ত পদছাপ মোমবাতির সাম্য সৌম্য জ্যোতি মিলিয়ে যাচ্ছে নিকষ স্তব্ধতায় নিভে যাচ্ছে আগুন অনায়াস করাল ফুৎকারে; জীবনের দাবি যখন অপূর্ণ হতে হতে ক্লিশে, অর্থনৈতিক রাজনৈতিক সমাজতান্ত্রিক অনৈতিক অজস্র বিপ্লব-প্রতিবিপ্লবের পুড়ে যাওয়া শেষে আগামীকে শোনাতে মন করে- পৃথিবীর ভুলে যাওয়া অন্ততঃ দু-একটি শব্দবন্ধ : আনন্দ ঈশ্বর বা মনুষ্যত্ব । কিংবা মাটিতে শুধু রক্ত বা সেলুলোজ নয়; শিউলি তলে সুখের নদীতীরে সত্যি ফুটতো টকটকে শিমুল.. ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি জাহির আব্বাস আপন মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৪.৯.২০২৪ |
| কবি অরুণাচল দত্ত চৌধুরী কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৪.৯.২০২৪ |
| . |
| কবি শিল্পী পল্লব কীর্ত্তনীয়া মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৪.৯.২০২৪ |
| সেই মেয়েটির গান কথা, সুর, কণ্ঠ ও সম্পাদনা : পল্লব কীর্ত্তনীয়া। ক্যামেরা : দেবস্মিতা বিশেষ কৃতজ্ঞতা : সমীর সরকার। এখনও কি হৃদপিণ্ডের ধুকপুক এখনও কি তোর ধমনী বইছে লাল? চেয়ে দেখ তবে রাত্তির উন্মুখ চল ছিঁড়ে আনি নতুন এক সকাল। এখনও কি চোখে বাকি আছে কিছু নোনা, এখনও কি বাকি একটু মানুষ-মন? চল বলি, ‘রানি তোর অপরাধ মানব না!’ চল, রানির স্বৈরাচার আর মানব না চল ভেঙে ফেলি ক্ষমতার সিংহাসন। এখনও কি বাকি আছে কিছু ভালোবাসা, এখনও সততা ফুঁসে ওঠে উত্তাল? তবে তোর কাছে আগামীর প্রত্যাশা চল ছিঁড়ে আনি নতুন এক সকাল! |
| কবি দেবেশ ঠাকুর মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৪.৯.২০২৪ |
| লক্ষ্মী-আঁচল ঘুমোচ্ছে গ্রাম কবি দেবেশ ঠাকুর। রচনা ৯.৯.২০২৪। রাত জাগছে শহর জাগছে বুধের মহানগর বিলেত প্যারিস বন্-এর সঙ্গে টরোন্টো অকল্যান্ড গ্রাম বাঁধছে খুঁটে লক্ষ্মী পুড়ছে দেখে রগড় বাংলা জানে সবই অটুট যতই বাজুক ব্যান্ড রাত জাগছে কলকাতা কছ্ কোচবিহার আর কাঁথি গ্রামের বুকে তীব্র আগুন লক্ষ্মী ধরা হাতে বেরিয়ে পড়ার পথ খুঁজছে বাসরে আঁতি পাতি আঁচলে বাঁধা লক্ষ্মী যাদের ঘুম আসে না রাতে আলের ধারে রক্তচক্ষু পুকুরপাড়ে হুমকি ' যা হবে হোক বেরিয়ে পড়ি' পথে নামার রোখ্ কি! এপাশ ওপাশ বিছানাতে নষ্ট রাতের ঘুম কি দুর্গা চাইছে ত্রিশূল ধরতে আটকে দিচ্ছে লক্ষী গ্রাম কিনেছ এক টাকাতে তিন টাকাতে শহর খাঁচার ভিতর অচিন পাখির উত্তেজনা বাড়ে হাতের সঙ্গে যুক্ত হাতের বাড়ছে যত বহর আঁচল-বাঁধা লক্ষী বিবেক রাতের কড়া নাড়ে যতই কাঁদুক পোড়া বিবেক অটুট পরিসংখ্যান খোকা ঘুমোবে পাড়া জুড়াবে বর্গি আসে দেশে কান্না চলুক রান্না চলুক সঙ্গে চলুক দান-ধ্যান অনটনে খাওয়ার জন্য মুরগি রাখি পুষে। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি শিল্পী নন্দিনী সেনগুপ্ত কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৪.৯.২০২৪ |
| যতই হোক না কালো রাতের আঁধার কথা, সুর, কণ্ঠ -: নন্দিনী সেনগুপ্ত। যতই হোক না কালো রাতের আঁধার পথ আছে বাকি, নেই সময় কাঁদার, রাত পেতে দিয়েছে যে মায়েরই কোল॥ রাতদখল রাতদখল, রাতদখল॥ পথে পথে হেঁটে যায় মানুষ মানুষ আর ঘুমিও না তুমি, হয়ো না বেহুঁশ। বহুকাল বেঁধে রাখা শৃঙ্খল খোল॥ জ্বালাও মশাল, আজ বাড়ছে মিছিল হোক না বৃষ্টি ঝড়, পথ পিচ্ছিল সুবিচার চেয়ে পথে জাগে কলরোল॥ রাতের কালোকে কেন দোষ দাও তুমি, জঠর- আঁধার যে তোমারও ধাত্রীভূমি, মেয়েরা নেমেছে পথে, খুলেছে আগল সবাই নেমেছে পথে, খুলেছে আগল॥ এই রাত হারাবে না আর কোনো কন্যে মায়ের মতন জাগে মেয়েদের জন্যে আমাদের সাথে রাত হয়েছে পাগল। কন্যে হারিয়ে রাত হয়েছে পাগল॥ |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৪.৯.২০২৪ |
| ফিরে যাক - কবি আর্যতীর্থ। রচনা ৯.৯.২০২৪। এই শোক ,এ দ্রোহের উৎস যে শবে বিচার অধরা আজও রয়ে গেছে তার, কী হেতু ফেরত যাবো তবে উৎসবে, কন্যাকে ভুলে গেলে দোষী হবো মা’র, বিচারের আগে নেই সুখে অধিকার। বরং হে সিংহাসন , করজোড়ে বলি, অভয়া’র না ঘটলে শোক-নিবারণ অভয়া’র পুজো ঘট-এ হোক না কেবলই, ‘জাস্টিস দেহি’ হোক মন্ত্রে উচ্চারণ , অশৌচে উৎসব করা তো বারণ। উৎসতে ফেরা যাক আর জি কর-এতে উৎসবে ফেরা যাবে জানবার পর, এত বাধা কেন আসে এ খবর পেতে, মেয়েটাকে ছিঁড়ে খেলো ক’টা বর্বর, ক’জন প্রমাণ-লোপে গিয়েছে সে ঘর। শব ভুলে উৎসব? পারেন রাজারা, আমরা সামান্য লোক, অত না ক্ষমতা, মাটি’র মা’কে পেয়ে মানুষে গা ছাড়া, অমন ঠুনকো ধাঁচে গড়া না মমতা, শোকে আর সুখে নেই কোনো সমঝোতা। |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৪.৯.২০২৪ |
| পুজো-পরিক্রমা - কবি আর্যতীর্থ। রচনা ৮.৯.২০২৪। বলে দিলুম, দেবো না ঘুম, দেখবো পুজো পাঁচখানা দিন যে ক’খানা পারি, বলে দিলুম, রাত নিঝুমেও থাকবো পথে, ভীষণ কমই ফিরবো এবার বাড়ি। তবে কিনা.. তবে কিনা শর্ত বিনা নয় সে ঘোরাঘুরি, নয়ই আগস্ট থেকে সুখের ঘুম গিয়েছে চুরি, নিদ্রা এলেই ফিসফিসিয়ে কে বলে যায় যেন, ‘বিচার আজও পায়নি সে মেয়ে, এখন ঘুমাও কেন?’ তাই তো যাবো.. তাই তো যাবো খুঁজতে তাকে প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে, কোন মণ্ডপ চাইছে যাতে জলদি বিচার মেলে, কে দিয়েছে জায়গা তাকে নিজের মনে করে, অভয়াকে রাখলো কোথায় চোখের জলে ধরে, দেখবো আগে.. দেখবো আগে, কাদের রাগে শান্তিজলের ছিটে, মিলিয়ে গেছে কাদের মনে সেই ব্যথা-কালসিটে, মেয়ে অভয়া ব্রাত্য করে মা অভয়ার পুজো, করছে কারা, শিরদাঁড়া কার এই লড়াইয়েও কুঁজো করবো বিচার.. |
করবো বিচার, মেয়ের অধিকার কে ফেলেছে ছুঁড়ে, তা যদি হয়, সেই প্যান্ডেল দেখবো না আর ঘুরে, মৃৎশিল্পী হোন না নামী, উপচে পড়ুক যতই কোটি টাকা, মেয়ের কথা ভুললে তবে মা ডাকা যে ফাঁকা, জানা সবার.. জানা সবার , কালা বোবার পার্ট করবার কারণ, এটাও জানা, মেয়ে-স্মরণে কাদের কড়া বারণ, সেই ধমকে যেই কমিটি’র বুক করে ধুকপুক আহা, সুস্থতা পাক, সারুক তাদের পা-কাঁপা অসুখ, নাহয় তখন.. নাহয় তখন, ঠিক যাবো’খন, আপাতত যাবো না যে, ভুললে অভয়া আগ্রহ নেই সেই প্রতিমার সাজে। বলে দিলাম, নামী ও অনাম, দেখে যাবো পুজো খুঁজে, কার কার স্বর জাস্টিস চায় , কারা থাকে মুখ বুজে, যত থাক খ্যাতি.. যত থাক খ্যাতি ,এই বিচ্যুতি পাবে না কখনো ক্ষমা, দেবী আরাধনা কখনো ঘটে না শিরদাঁড়া রেখে জমা। এবার পুজোয় রাত জেগে হবে অভয়া-পরিক্রমা। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |