| R.G. Kar কাণ্ডের প্রতিবাদের দেয়ালিকা <<<॥ পাতাটি ডাইনে-বামে স্ক্রল করে॥ Page scrolls left-right ॥ >>> |
| ||||||||||
| সূচীপত্র >>>>> |
| হতেও পারে এই লেখাই শেষ লেখা... কবি দুলাল কাটারী। গীতশ্রী সিনহা সম্পাদিত দিনাজপুর ডেইলি পত্রিকায় প্রকাশিত। গনতন্ত্র মরণ শয্যাতে শাসকের তৃষ্ণা মেটে না মা-বোনের ইজ্জতে না হতেও পারে এই-বার-ই শেষ বার যেহেতু যুগে যুগে অত্যাচারীর আবির্ভাব আবার হতেও পারে এই-বার-ই শেষ লড়াই তাই বাঁধ ভাঙা আন্দোলনের ডাক দিয়ে যাই বন্ধু আমার,হে প্রিয়! এখনো কি ভাবছো বলো? দিকে দিকে অধিকারের সুর তোলো এখনো কি স্বাধীনতার উত্তেজনা রক্তে জাগে নাই? মায়ের চোখের জল শুকিয়ে গেছে অনেক আগেই তাই প্রাণ ফিরে আসুক সব জিন্দা লাশে সবাই মিলে পথ চলো পাশে পাশে বোবা প্রতিবাদেরা আজ পেয়েছে ভাষা অবশ্য বিতাড়িত হবে শাসকের যত পোষ্য ভেঙে ফেলো অত্যাচারীর মেরুদণ্ড তুলে নাও গুপ্ত কৃপাণ,ঝাড়ু- দণ্ড অধিকার বুঝে নাও চোখে রেখে চোখ পৃথিবীর অর্ধেক তার হলে বাকি অর্ধেক তোমার হোক। |
| কবি দুলাল কাটারী কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৪.৯.২০২৪ |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৪.৯.২০২৪ |
| প্রায় একমাস - কবি আর্যতীর্থ। রচনা ৫.৯.২০২৪। প্রায় এক মাস, বঙ্গভূমির অঙ্গ জুড়ে টালমাটাল, দোষীর খোঁজে হন্যে মানুষ, উথালপাথাল হাসপাতাল, প্রায় এক মাস, রাত্রি হলেই ভিড়ে মোবাইল টর্চ জ্বলে, কান্নাজলের আগুন ছড়ায় নতুন নতুন অঞ্চলে। ঢেউ উঠেছে নিস্পৃহ সব শবের মতো স্থির পাড়ায়, দাঁড়ায় মানুষ জোর পেয়ে আজ ভুলতে বসা শিরদাঁড়ায় কেউ ভাবেনি আসবে যারা অচেনা মেয়ের ন্যায় চেয়ে ওই চলেছে মিছিল তাদের নতুন ভোরের গান গেয়ে প্রায় এক মাস রাজনীতিহীন দাউ জ্বলেছে লোকের রোষ, রাজপ্রাসাদের ভিতকে কাঁপায় সমস্বরের সে নির্ঘোষ , ভিতু যখন ভয় তাড়িয়ে কণ্ঠে আনে বাজ ডেকে, সে বিপ্লবের হাত থেকে আর অত্যাচারী বাঁচবে কে ! এদেশ জানে বিচার হারায় কোর্টকাছারির চক্করে, তারিখ পেছান টালবাহানায় দুঁদে উকিল ছক করে, প্রমাণ যতই হোক না প্রকট , তবুও দ্রুত নয়তো রায়, ন্যায়বিচারে শ্যাওলা জমে আদালতের কাঠগড়ায়। এবার যেন নাহয় সেটা, সেই হেতু এই দ্রোহের ডাক, মাছের কুবাস ঢাকবে না আর সাফাই গাওয়া রাজার শাক, চাইছে যারা বাঁধা গৎ-এ মামলা চলুক খুব ঢিমে, বলছি তাদের, খেলা হলে তৈরি আছি ফুল টিমে। তার খুনীদের শাস্তি দ্রুত , চাইছে বেশি খুব কি মেয়ে, যাবে না এই জোয়ার ভাঁটায় , পিছিয়ে তারিখ সুপ্রীমে। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কলকাতার R.G. Kar হাস্পাতালে, রাতের কর্তব্যরতা লেডি ডাক্তারের রহস্যজনক নির্যাতন ও মৃত্যুর বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কবিতা, মিলনের কার্টুন ও ১৪ই অগাস্ট ২০২৪ এর রাতের নারীদের রাত দখল আন্দোলনের দেয়ালিকা। |
| কবি সাগরিকা সেনগুপ্ত মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৪.৯.২০২৪ |
| বিশ্ব জুড়ে ঝড় উঠেছে - কবি সাগরিকা সেনগুপ্ত। রচনা ৯.৯.২০২৪। |

| ধর্ষিতা দেবী কবি দুলাল কাটারী। রচনা ১১.৮.২০২৪। ভক্তি ভরে খুঁটি পুজো করে অনুদানের মন্ডপ গড়ে পূজা অর্চনা করো সেই দেবীর যে দেবী সংসারে নারী রূপে আসে তারপর পরিনত হয় ধর্ষিতা-লাশে কিংবা ফ্যামিলিসাইডের গ্রাসে অবশেষে মিলিয়ে যায় পোড়া ছাইপাঁশে |
| কবি দুলাল কাটারী কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৪.৯.২০২৪ |
| ধর্ষিতা দেবী কবি দুলাল কাটারী। রচনা ১১.৮.২০২৪। ভক্তি ভরে খুঁটি পুজো করে অনুদানের মন্ডপ গড়ে পূজা অর্চনা করো সেই দেবীর যে দেবী সংসারে নারী রূপে আসে তারপর পরিনত হয় ধর্ষিতা-লাশে কিংবা ফ্যামিলিসাইডের গ্রাসে অবশেষে মিলিয়ে যায় পোড়া ছাইপাঁশে |
| কবি দুলাল কাটারী কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৪.৯.২০২৪ |
| ধর্ষিতা দেবী কবি দুলাল কাটারী। রচনা ১১.৮.২০২৪। ভক্তি ভরে খুঁটি পুজো করে অনুদানের মন্ডপ গড়ে পূজা অর্চনা করো সেই দেবীর যে দেবী সংসারে নারী রূপে আসে তারপর পরিনত হয় ধর্ষিতা-লাশে কিংবা ফ্যামিলিসাইডের গ্রাসে অবশেষে মিলিয়ে যায় পোড়া ছাইপাঁশে |
| কবি দুলাল কাটারী কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৪.৯.২০২৪ |
| আমার মৃত্যুই আমার অস্ত্র কবি দুলাল কাটারী। রচনা ১৮.৮.২০২৪। ঘুমের মধ্যেই আঁতকে উঠি! বারেবারে খবরের চ্যানেলে ছুটি! অপরাধী কি এবার পড়লো ধরা? মৃ ত যো নি পথে যৌ ন শান্তি খুঁজেছিলো যারা! নি র্যাতিতা ন্যায় বিচার পেলো কি? কিন্তু আমি এ-সব কি দেখি! এ কোন নি র্মম ঘোর কলিকাল! নি র্যাতিতার একি হাল! উন্মাদ রাজা বলে 'নি র্যাতিতাকে ফাঁসিতে ঝোলান।' এসব দেখে আমি কি পাগল হয়ে যাবো! নিজের মাথা চিবিয়ে খাবো! না কি উন্মাদ হয়ে ছুটে যাবো রাজপথে? হ্যাঁ।হ্যাঁ। যাবো। পথেই আমি যাবো! এ কেমন বিচার!বিচারকের কি বিবেকটাও কানা! পথে যদি নামতেই হয় আর কিন্তু ফিরবো না যা ইচ্ছে হয় তাই করবো যার রাজত্বে উন্মাদ আমি তাকেও উন্মাদ করে ছাড়বো। |
| কবি দুলাল কাটারী কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৪.৯.২০২৪ |
. |
| অপরাধী কবি সান্ত্বনা চট্টোপাধ্যায়। রচনা ১১.৯.২০২৪। একটা অমার্জনীয় অপরাধ, রক্ত শীতল করা অনুভুতি, ছেয়ে আছে আমাদের আকাশ কেউ প্রকাশ করে গানে বা কবিতায়। বক্তৃতা সোচ্চার দাবীতে ; উদাসী ব্যাথায় ছেয়ে আছে দৃষ্টি সন্তানহারা মাতা পিতার। বন্ধু স্বজন সকলের সহমর্মিতা, গড়ে তুলেছিল একটি পৃথিবী সমান ধ্বনি -চাই বিচার। সহসা কোথা থেকে সরল হৃদয় নিঃসৃত আবেদন ভেঙে জন্ম নিল ছোট ছোট অপরাধ। বিভাজন করে দিল কে বা কারা- সহজ সরল দৃঢ আবেদন চাই বিচার॥ আরো আরো দূর্বল অসহায় রোগীর প্রতি হোক অবিচার ! অভয়ার অন্তরে চেয়ে দেখো, সে মেয়ে কি চেয়েছিল তাঁর শোকে মূহ্যমান অন্তর সকল গড়ে তুলবে দল, তুমি, আমি ,সবল ,দূর্বল। একবার অন্তর্মূখী হও ভেবে দেখো, তোমাদের ও অন্তর চায় কি না এমন বিভাজন। |
| কবি সান্ত্বনা চট্টোপাধ্যায় মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৪.৯.২০২৪ |
| কবি পবিত্র সরকার এখানে তোলা হয়েছে ১৪.৯.২০২৪ |
| দ্রুত দুটি - কবি পবিত্র সরকার। |

| প্রথমে একটা গোলাপ দেওয়া হল কবি সংহিতা। রচনা ১১.৯.২০২৪। প্রথমে একটা গোলাপ দেওয়া হল, যদি গোলাপের গন্ধে মানবতা জেগে উঠে বুকে দেহটার, না মানবতা জাগেনি, কারন ও দেহে হৃদয় নেই, তারপর ধীরে ধীরে যখন বোঝা গেল আসলে দেহটার শিরদাঁড়া নেই, তখন একটাআস্ত শিরদাঁড়া দেওয়া হল দেহটাকে, দেহটা তবুও দাঁড়াতে পারল না কিছুতেই, এক মাস ধরে একটা দেহ কিছুতেই কোন সাড়া দিচ্ছে না, চারিদিকেএত কান্না,এত প্রতিবাদ,এত মানুষ পথ ভরা,এত চিৎকার কোলাহল, তবে সে কি দেখতে পাচ্ছে না কিছুই, তবে কি দেহটার চোখ নেই? এরপর দেহটাকে দেওয়া হল এক জোড়া স্বচ্ছ চোখ, যে চোখ জোড়া একমাস ধরে যা দেখতে পাচ্ছে তা জলের মত পরিষ্কার, তবুও দেহটা দেখতে পেল না কিছুই, তবে কি দেহটার মাথা কাজ করছে না , নাকি মাথাটাই নেই- এবার মেরুদন্ডহীন, মনহীন, চোখহীন দেহটাকে দেওয়া হল একটা মগজাস্ত্র, না তাতেও কাজ হল না বিশেষ, বোঝা গেল পায়ের নখ থেকে মাথা পর্যন্ত দেহটার প্রতিটি অঙ্গই মৃত পচা, |
| কবি সংহিতা কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৪.৯.২০২৪ |
| কবি তমোঘ্ন মুখোপাধ্যায় কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৪.৯.২০২৪ |
| উৎসব - কবি তমোঘ্ন মুখোপাধ্যায়। রচনা ৯.৯.২০২৪। |

| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৪.৯.২০২৪ |
| ভুল ঢিল - কবি আর্যতীর্থ। রচনা ১০.৯.২০২৪। উৎসব, উৎসব.. যে মলম ঢেকে দেয় রাষ্ট্রের খুঁত সব, আগামী আঁধারে ঠেলে মেগাওয়াট আলো জ্বেলে ধাঁধিয়ে ভোলাতে পারে ন্যায় চাওয়া ভূত শব ! মানুষেরা সুখ খোঁজে, হোক না তা ক্ষণিকের বিভ্রম, আলোকিত রাস্তা ও ঝকমকে মোহন বিলাস, ভোলাতে পারেই যদি বিচার পায়নি আজও মেয়েটার লাশ, জনতার আক্রোশে তবে হয় বিষ কম, রাষ্ট্রও হাঁফ ছেড়ে বাঁচে । সমবেত বিষাদেরও হবে দিকভ্রম। সমস্যা অল্প.. প্রায় সব উৎসবে কম বেশি লেগে থাকে ধর্মের গল্প, ঈশ্বর রাষ্ট্রের অতি প্রিয় খেলোয়াড়, ঝামেলায় পড়লে এগোনো বিকল্প, খেললেই মাঠে নেমে, জেতা তবে হারা গেম-এ কত বার পার হলো সরকারি দল গো। |
| কবি নির্মাল্য ব্যানার্জী মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৪.৯.২০২৪ |
| মা দুর্গার কথা কবি নির্মাল্য ব্যানার্জী। রচনা ১১.৯.২০২৪। |

| কবি নীলাঞ্জন ঘোষাল পাঠ – সায়নী ভট্টাচার্য এখানে তোলা হয়েছে ১৪.৯.২০২৪ |
| এ অত্যাচার থামবে কবে? কবি নীলাঞ্জন ঘোষাল, পাঠ – সায়নী ভট্টাচার্য, Houston, USA তে। মিত্রা চট্টোপাধ্যায়ের ফেসবুক থেকে নেওয়া। শুনে লেখা। থামবে কবে? এ অত্যাচার থামবে কবে? নামবে কবে? তুমি পথে নামবে কবে? থামবে কবে? এ অত্যাচার থামবে কবে? থামবে কবে? রাত জাগে শুধু জংলী হায়না শিক্ষার আলো দেখতে চায়না সুস্থ সমাজ গড়তে দেয় না ক্ষমতার লোভে ওরাই শেয়ানা মানুষের মতো দেখতে বলেই সবাই কিন্তু মানুষ হয় না থামবে কবে? এ অত্যাচার থামবে কবে? থামবে কবে? তুমি পথে নামবে কবে? থামবে কবে? ওদের মাথার উপর কাদের হাত সবাই জানে সাহস কারা দিচ্ছে ওদের সবাই জানি |
. |
| কবি সুব্রত দেব কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৪.৯.২০২৪ |
| একদিন হবে কবি সুব্রত দেব। রচনা ১২.৯.২০২৪। একদিনে না-ই হোক, একদিন হবে। বিভূষিত হবে তুমি জয়ের গৌরবে । আজ তুমি একা নও, আমরাও আছি দূরে নয় তোমারই খুব কাছাকাছি । ধর্মেরই জয় হবে, অধর্মের ক্ষয়, মহাভারতের কথা জানো নিশ্চয়। ধূমায়িত আগুন তো যায় নিষ্ফলে ফস করে একসাথে ওঠো তাই জ্বলে। নিকষ আঁধার যত হবে তবে দূর, আলো হাতে দেবে দেখা ফুটফুটে ভোর। আঁধারের জীব যত থেকে থেকে ভয় দেখালেও পিছু হটার কক্ষনো নয় । অন্যায় অবিচার করে দিতে শেষ এক্ষুনি পরা চাই রুদ্রের বেশ। সুবিচার কবে আর কোন্ দিন হায়! জনতার আদালতই দেবে শেষ রায়? ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৪.৯.২০২৪ |
| মিথ্যা এবং সত্যি - কবি আর্যতীর্থ। রচনা ১২.৯.২০২৪। মিথ্যা তো চায় জৌলুসে তার সত্যটি পাক কম প্রচার, না দেখা যায় আলোর ভ্রমে ভেজাল দেওয়া অন্ধকার, মিথ্যা যে চায়, কে ঠিক দোষী উপায় থাকুক কম বোঝার, সত্য যেন শাক না সরায় শুঁকে মাছের গন্ধ তার.. খুব স্বাভাবিক, চায় না মিছে, হোক লাইভে সম্প্রচার। লাইভ মানেই, টিভির সামনে আটকে আছে লক্ষ চোখ, লুকোচুরির জায়গাটি নেই, যুক্তিরা যার পক্ষ হোক। মিথ্যা জানে , কারচুপি তার ফেলবে ধরে দক্ষ লোক, চাইবে না সে সত্যি কথার সঙ্গে সবার সখ্য হোক, মিথ্যা থোড়াই চাইতে যাবে সত্য সবার লক্ষ্য হোক । মিথ্যা ভীষণ অহংকারী, গলার জোরে জিততে চায়, মেক-আপ প্রলেপ এমন লাগায়, সত্যি কে আর শিখতে চায়, তথ্য প্রমাণ যতই থাকুক, ফালতু সেসব দিক কে যায়, পোস্টট্রুথের এই রমরমা’তে মিথ্যে ছেড়ে ঠিক কে চায় লাইভ যেসব প্রমাণ রাখে তেমন কাঁটার খিঁট কে চায়! সত্যি যখন বেলুন ফুটোর রাখতে পারে দম খোঁচার, জ্বালতে মশাল হাত থেকে হাত বেড়ায় ঘুরে লম্ফ তার, মিথ্যে তখন আগলাতে চায় নেতিয়ে পড়া দম্ভ তার, শেষ-এর তারিখ সামনে দেখে বাড়ন্ত হৃৎকম্প তার… কেমন করে দেয় সে হতে হারের লাইভ সম্প্রচার? ভাগশেষে যে শূন্য পাবে যেই সমাধান অংকটার.. ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি শৌনক ঠাকুর কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৪.৯.২০২৪ |
| আমরা যারা… - কবি শৌনক ঠাকুর। ১ আমরা , যারা নিজেদের পুরুষ বলে দাবি করি আমরা , যারা পৌরুষের অহংকারে মত্ত সেই আমরাই সীতার অগ্নি পরীক্ষার সময় বগলে দু’হাত গুঁজে দাঁড়িয়ে ছিলাম আর অপেক্ষা করছিলাম কখন মানবীর দেবীত্ব লাভ হবে। ২. আমরা , যারা নিজেদের পুরুষ বলে দাবি করি আমরা , যারা শক্তির দম্ভে দাম্ভিক সেই আমরাই দ্রৌপদীর বস্ত্র হরণের সময় জুলজুল করে দেখছিলাম আর প্রশ্ন তুলছিলাম যুধিষ্ঠিরের পাশা খেলার অজ্ঞতা নিয়ে। ৩ আমরা , যারা নিজেদের পুরুষ বলে দাবি করি আমরা , যারা স্বীয় বুদ্ধিমত্তার গৌরবে বিভোর সেই আমরাই নির্দোষ অহল্যার ধর্ষণের সময় পক্ষ নিয়েছিলাম দেবরাজ ইন্দ্রের। আর ঘটনাটাকে চালিয়েছিল মহিমা রূপে। ৪ আমরা , যারা নিজেদের পুরুষ বলে দাবি করি আমরা , যারা আধুনিকতার অহমিকায় অন্ধ সেই আমরাই সতীদাহের সময় জ্বলন্ত চিতার সামনের খোল-কত্তাল বাজাচ্ছিলাম আর পরীক্ষা করছিলাম মেয়েটির সতী কি না ! |
| কবি অলোক সরকার সুর শুভ জোয়ারদার শিল্পী অনিতা মৃধা। কারিগরী – শুভজিৎ দত্ত ও সুদীপ মৃধা। এখানে তোলা হয়েছে ১৬.৯.২০২৪ |
| উত্তর দাও কবি অলোক সরকার, সুর - শুভ জোয়ারদার, শিল্পী - অনিতা মৃধা। কারিগরী – শুভজিৎ দত্ত ও সুদীপ মৃধা। শুভ জোয়ারদারের ফেসবুক থেকে নেওয়া। শুনে লেখা। তিলোত্তমা চাইছে বিচার প্রশাসনের দোরে তিলোত্তমা চাইছে বিচার প্রশাসনের দোরে আর কত রাত জাগতে হবে রাস্তা দখল করে তিলোত্তমা চাইছে বিচার প্রশাসনের দোরে আর কত রাত জাগতে হবে রাস্তা দখল করে যতই তুমি পাথর থাকো ছাড়বো না আমরা উত্তর দাও উত্তর দাও উত্তর দাও দাও উত্তর দাও উত্তর দাও উত্তর দাও দাও উত্তর দাও উত্তর দাও উত্তর দাও দাও সিংহাসনের অহংকারে পিষলে মানুষের অধিকারে সিংহাসনের অহংকারে পিষলে মানুষের অধিকারে চার পোয়া কাল পূর্ণ তোমার চার পোয়া কাল পূর্ণ তোমার এইবার লাটাই গোটাও উত্তর দাও উত্তর দাও উত্তর দাও দাও উত্তর দাও উত্তর দাও উত্তর দাও দাও উত্তর দাও উত্তর দাও উত্তর দাও দাও |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৬.৯.২০২৪ |
| আয় বৃষ্টি - কবি আর্যতীর্থ। রচনা ১৪.৯.২০২৪। আয় বৃষ্টি ঝেঁপে, শিরদাঁড়া দ্যাখ মেপে, ভিজতে ভিজতে লড়ছে কেমন আমার ছেলেমেয়েরা আয় রে আয় নিম্নচাপ, ভাই খুলেছিস কোথায় খাপ, একজনকেও পারিস যদি ধর্না থেকে ফেরা। দরকারে যোগ কর না ঝড়, চাইছে বিচার আর জি কর, সেই দাবীকে আর্জি ভেবে করিস না তুই ভুল, ঢাল ভাঁড়ারের সবটা মেঘ, কম হবে না এই আবেগ, ন্যায় না পেয়ে ওই জমায়েত নড়বে না একচুল। মাটির মেঝে, তারার ছাদ, চোখের থেকে নিদ্রা বাদ, চাইতে বিচার আজকে এসব প্রাত্যহিকীর অভ্যাসে, আনবে ওরা ভোর কাছে , জল যা আছে তোর কাছে, সব ফুরালে ভাবিস ওদের কোথার থেকে দম আসে। |
| কবি শুভ্র শংকর নাগ কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৬.৯.২০২৪ |
| চিরকুট কবি শুভ্র শংকর নাগ। |

| কবি সংহিতা কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৬.৯.২০২৪ |
| একটা মৃত্যু ত্রিশূলের মত কবি সংহিতা। রচনা ১৬.৯.২০২৪। একটা মৃত্যু ত্রিশূলের মত, বিঁধছে সবার বুকে, বাঁচতে চাইছে মানুষ আসলে, বিদ্রোহ চারিদিকে একটা মৃত্যু বোবা কান্নার মত, কাঁদছে সবার বুকে, দিকে দিকে তাই মানুষ মেতেছে নিদারুন এই শোকে একটা মৃত্যু সুনামি ডেকেছে, আছড়ে পড়েছে ঢেউ, মানুষের হাত মানুষ ধরেছে নাম জানেনা কারুর কেউ একটা মৃত্যু বৃষ্টি বাদল, তুফান পেরিয়ে হাঁটে, আগুন হয়ে হাতটা বাড়ায় ছুঁতে চায় যেন কাকে ঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| অজ্ঞাত কবি এখানে তোলা হয়েছে ১৬.৯.২০২৪ |
| একটা মৃত্যু...... অজ্ঞাত কবি। সোসিয়াল মিডিয়া থেকে পাওয়া। একটা মৃত্যু দেখিয়ে গেল মৃত্যু কাকে বলে, একটা মৃত্যু জানিয়ে গেল অন্ধকারও জ্বলে। একটা মৃত্যু দখল নিল অন্ধকারের রাত, একটা মৃত্যু উঠিয়ে দিল মুষ্টিবদ্ধ হাত। একটা মৃত্যু ধরলো তুলে ন্যায়বিচারের দাবি, একটা মৃত্যু আনলো খুঁজে মনুষ্যত্বের চাবি। একটা মৃত্যু করলো প্রকাশ ঘৃণ্য অপরাধ, একটা মৃত্যু ছড়িয়ে দিল বিশ্বে প্রতিবাদ। একটা মৃত্যু ঝিমিয়ে দিল উৎসবকালের ধূম, একটা মৃত্যু ভাঙ্গিয়ে দিল আমজনতার ঘুম। একটা মৃত্যু ঘুচিয়ে দিল সবরকমের ভেদ, একটা মৃত্যু চাগিয়ে দিল অন্তবিহীন জেদ। একটা মৃত্যু খুঁজে দিল হারানো শিরদাঁড়া, একটা মৃত্যু জাতিটাকে করলো পায়ে খাড়া। একটা মৃত্যু উথাল পাথাল করলো জনস্রোত, একটা মৃত্যু দিল তাকেই শৃঙ্খলতার বোধ। |
| কবি দেবেশ ঠাকুর মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৬.৯.২০২৪ |
| তিলোত্তমার মা কবি দেবেশ ঠাকুর। ধরা যাক আমি তিলোত্তমার মা সারা রাতদিন আকাশ ধরছি হাতে যে হাতে ধরেছি তার তুলতুল হাত আজ তারা গুণি অমাবস্যার ছাতে খাইয়ে না দিলে যে খেতে পারত না চুল না বাঁধলে কাঁদত অবুঝ মেয়ে স্কুল যেতে পথে আঙুলও যে ছাড়ত না আজ এলো চুল রাতের আকাশ ছেয়ে আজ আমাদের কিবা রাত কিবা দিন আমি, তোর বাবা আর ফ্রেমে বাঁধা তুই বুকের পাখিটা করে যায় চিনচিন কাচ-বাঁধা তুই কী ভাবে যে তোকে ছুঁই! এ ফোঁড় ও ফোঁড় সেলাই করছে বাবা শুধুই কি জামা? সেলাই করছে স্মৃতি-- নিরাপদ ঘরে আজ শ্বাপদের থাবা পাড়ার লোকেরা বলত, মেয়েটা কৃতী |
| কবি নন্দিনী সেনগুপ্ত কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৬.৯.২০২৪ |
| ঝড় মেঘ মাথায় করে দেখ কবি নন্দিনী সেনগুপ্ত। ঝড় মেঘ মাথায় করে দেখো বৃষ্টি ভিজছে ওরা পথে বৃষ্টিও বাসছে ওদের ভালো তোমাদের নাই বা মিলুক মতে। তোমরা ওদের গায়ে যতই ছিটিয়ে দাও না কালি কাদা, সব্বাই বাসছে ওদের ভালো তোমাদের চোখে গোলকধাঁধা ওরা তো ধাঁধার জবাব জানে ফিরবে না ওরা খালি হাতে সব্বার সারবে অসুখ জানি এ শহর বাঁচবে দিনে রাতে এ শহর বাসবে আবার ভালো বিশ্বাস হবে ঘরে জমা জ্বালাবে ওরাই ন্যায়ের আলো সুবিচার পাবেই তিলোত্তমা। সব্বাই বাসছে ওদের ভালো শহরের নামও তিলোত্তমা। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি সোমনাথ কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৬.৯.২০২৪ |
| চলুক চলছে কবি সোমনাথ। চলুন কিছু শপিং করি এসব চলতে থাকবে যা চলছে চলবে, ইতিহাস হিসাব রাখবে। নতুন শাসক চাইছে যারা তারা জানে না, ভিন্ন শাসক নতুন কিছু করে না, কারো পেট ভরে না তারা একই শোষণ ভিন্নভাবে করে। পদ্ধতি বদলে যেতেও পারে। ধরুন আপনি সিপিএম নেতা নোন.সমর্থক সেদিন যদি আওয়াজ তুলতেন লক্ষণ শেঠ নিপাত যাক টিকে যেতেন বুদ্ধদেব ভাবমূর্তি অচল তাঁর কিন্তু এটাই ভবিতব্য ঔদ্ধত্য সর্বসার তুমি আমি বদ হারামী এটাই মোদের অহংকার। |
| সবাই বুঝি সব ধান্দা নিজের ধান্ধা কইছি কই? ধান্দাবাজে জীবন অচল সৎ মানুষী হইছি কই? কিন্তু এটাই ভবিতব্য ঔদ্ধত্য সর্বসার তুমি আমি বদ হারামী এটাই মোদের অহংকার। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
. |
| কবি সুব্রত দেব কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৬.৯.২০২৪ |
| নিজের কবর তবে কবি সুব্রত দেব। রচনা ১০.৯.২০২৪। বিলম্বিত বিচারই যে বিড়ম্বিত বিচার রায়দানের ক্ষেত্রে এ তো সর্বজ্ঞাত ফিচার। রাজার সাথে রায়দাতা তো সেটিং- এ স্থিত , ‘সুপ্রিম’ রায় দেখে তাই হই না বিস্মিত। আসল বিচার ছেড়ে আকাশেতে চোখ দিয়ে রায় তাই, আগে কাজে ফেরা হোক। না হলে তো আরো কত রোগী যাবে মারা! এই দুঃখে জজবাবু কেঁদে এক সারা ! |
. |
| কবি রত্নদীপা দে ঘোষ কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৬.৯.২০২৪ |
| মাননীয়াকে কবি রত্নদীপা দে ঘোষ। রচনা ১০.৯.২০২৪। আপনি বরাবর উদোর পিন্ডি বুদোর ঘাড়ে। গ্যালিলিওর সঙ্গে মার্কস, মার্কসের সঙ্গে গৌতম বুদ্ধ, নজরুলের সঙ্গে পদার্থবিদ্যা এমনকী রবিঠাকুরের সঙ্গে চেঙ্গিস খা! আপনার জ্ঞানগম্মির বহর দেখে আমরা হেসে বাঁচি না। গতকাল আপনি অশোচ আর উৎসব – এক পাত্রে গুলিয়ে ফেললেন শব! শোকের আয়ু নির্দিষ্ট হল এক মাস। আর আমরা হাসতে পারছি না মাননীয়া! আমাদের মাথার ওপরে আপনার শকুন বাহিনী ওদের দু' হাত উল্লাস! আঙুলে দাপাদাপি, দাঁতে তাণ্ডব! আমাদের বুকে মৃত সন্তানের অবয়ব! অসহ্য আগুনে ছারখার হচ্ছে অসহায় কন্যা! আমরা আর হাসতে পারছি না। ময়না তদন্তে জ্বলতে জ্বলতে স্লোগান বাজাচ্ছে শিরদাঁড়ার বুলেট চোখে চোখে গণস্লোগান আর কাশফুলের বেয়নেট! রাক্ষসের রক্তে সারবো স্নান প্রতিজ্ঞা এক আকাশ এক ঘর জাস্টিস ফর আর জি কর! ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
. |
| কবি দীপন মিত্র মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৬.৯.২০২৪ |
| তিলোত্তমা কবি দীপন মিত্র। পিচ্ছিল, বিষাক্ত কিছু সরীসৃপ প্রায় নিদ্রামগ্ন তাপসীকে ভেবেছিল হায় কুসুমের মতো ছিঁড়ে কুচি কুচি করে তাদের পাপের কালো গলির কবরে পুতে দেবে ঘোর অবিমৃষ্যকারিতায় কালের গহ্বরে যাবে হারিয়ে বনিতা মাটি ফুঁড়ে বের হয়ে এলো প্রিয় কন্যা বিদ্রোহের অভ্যুত্থানে এলো জন-বন্যা লক্ষ, লক্ষ সূর্যে জাগে গভীর রজনী রাতের দখল নেয় দুহিতা, জননী এ দৃশ্য দেখেনি বাংলা, দেখেনি এ দেশ গোটা বিশ্ব চেয়ে থাকে, দেখে নির্ণিমেষ নতুন বাংলার জন্ম দিলো তিলোত্তমা নারীই মর্যাদা শ্রেষ্ঠা, নারীই পরমা ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি মীনাক্ষী বন্দ্যোপাধ্যায় মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৯.২০২৪ |
| পুনরাগমন কবি মীনাক্ষী বন্দ্যোপাধ্যায়। রচনা ১৫.৯.২০২৪। এতদিন পরে সেই ছোট্ট ছেলেটা ফিরে এসেছে, যে অনেকদিন আগে হারিয়ে গেছিল। কবি বলেছিলেন, কেউ বোধহয তাকে কোনো পাহাড়ের গোপন গুহায় লুকিয়ে রেখেছে, সেখানে সে হয়ত পাথর-ঘাস-মাটি নিয়ে খেলতে খেলতে ঘুমিয়ে পড়েছে, অথবা কোনো দূর নির্জন নদীর ধারে, কিংবা কোনো দূর প্রান্তরের গাছের ছায়ায় ঘুরে বেড়াচ্ছিল আপনমনে। সে আজ ফিরে এসেছে, এসেছে দলবেঁধে, আর এসে আবালবৃদ্ধবনিতাকে সঙ্গে নিয়ে সমস্বরে চিৎকার করছে.... .... "রাজা তোর কাপড় কোথায়?" ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি সুদেষ্ণা এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৯.২০২৪ |
| লাশকে যারা ভোগ্য বানায় কবি সুদেষ্ণা। রনিতা দে ভট্টাচার্যর ফেসবুক থেকে পাওয়া...। লাশকে যারা ভোগ্য বানায়; লাশের করে বলাৎকার... তাদের রাজ্যে তুই কিরে মা এতো- সহজেই পাবি ছাড়! ওরা জীবন্ত, হাত পা নাড়ে তুই তো তাও পারিস না; কখন দেখবি টেনে হিঁচড়ে ওরা;ন্যাংটো করবে তোরও গা, ওদের শুধু নারী লাগে হোক সে বাঁচা মরা... তুই ও তো সেই মেয়ে মানুষই হ'লিই বা খড় মাটির গড়া উন্নত দুই বক্ষ আছে, থাই এর মাঝে যোনি... ভেবেই নেবে ওরা সবাই ওটাই সুখের খনি, প্রণাম ছলে হাত বুলিয়ে স্পর্শ নেবে তোর তার পর সব একে একে গণধর্ষণ ঘোর... |
. |
| কবি গৌতম কুমার গুপ্ত কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৯.২০২৪ |
| মৃত্যু কবি গৌতম কুমার গুপ্ত। রচনা ১৭.৯.২০২৪। এই মৃত্যু চেয়েছিল বুঝি! নিজেরই কর্মস্থলের কোন এক শৌচাগারে অথবা বিশ্রাম শয়ানের সেমিনার হলে ধর্ষিতা হতে পারে অনুমান ছিল নাকি কোনদিন কী জানি জানিবার কখনো কোন কারণও ছিল না তাঁর আজ তবে এইভাবে কেন তাঁকে চলে যেতে হয় মরণের পথে ঘুমাও ললনা তুমি গাঢ় আঁধারের দেশে যেখানে ঘুমায়ে আছে আরো সব অবিচারের দেহ এ দেশ বড়ো নৃশংস কঠিন কঠোর নিষ্ঠুর বিচারের বাণী চেয়ে মানুষদের যেতে হয় রাজপথে অথবা মিটিংয়ে মিছিলে কোন বাতানুকূল গৃহে তবু সব চায় বিচারের বাণী যেন সরবে খিলখিল হাসে এখানে সূর্য উদিত হয় আবার প্রতিদিন অস্তাচলে যায় দেখা দেয় চাঁদ ও নক্ষত্র বিষণ্ণ বধির আকাশে রাত্রি বাড়ে বৃক্ষকুল মাথা নাড়ে শনশন বাতাসের সাথে কে বা কারা বসে থাকে খোলা আকাশের নিচে |
. |
| কবি সুব্রত দেব কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৯.২০২৪ |
| তিলোত্তমার ‘সুপ্রিম’ বিচারে কবি সুব্রত দেব। রচনা ১৬.৯.২০২৪। এবার জানি কত রে ভাই, এবার জানি কত? প্রশ্ন শুনে তোমরা কেন খাচ্ছ থতমত! প্রথম দিনে একুশ উকিল দ্বিতীয় দিনে আরো তেরো জন তো যুক্ত হল টাকার কথা ছাড়ো। দোষীরা তাঁর ‘বন্ধুও না, শত্রুও না’ তাই জিতিয়ে দিতে কালকে আরো কত জন যে চাই! ঃঃঃঃঃঃঃ |
. |
| কবি সুব্রত দেব কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৯.২০২৪ |
| নিরপেক্ষ কবি সুব্রত দেব। রচনা ১৭.৯.২০২৪। দুই হাতে কাটমানি পেতে তুমি চাও, তাই বুঝি নিরপেক্ষ আজও থেকে যাও! নিরপেক্ষ আজও যদি সেজে থাকো ভাই, জনতার ঘৃণায় তো পুড়ে হবে ছাই। নিরপেক্ষ সেজে দিতে যেওনাকো ধোঁকা নাগরিক আজ আর নয় এত বোকা। নিরপেক্ষ বলে কিছু আসলে তো নাই। এই নিয়ে অকারণ ধানাই পানাই! মাথা উঁচু করে যদি বাঁচাটাই লক্ষ্য, চোখ কান খুলে নাও প্রতিবাদী পক্ষ। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি নন্দিনী সেনগুপ্ত কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৯.২০২৪ |
| পেটকাটি চাঁদিয়াল মোমবাতি উড়ছে কবি নন্দিনী সেনগুপ্ত। পেটকাটি চাঁদিয়াল মোমবাতি উড়ছে আকাশ দখল, হাওয়া কোনদিকে ঘুরছে? বিচারের দাবি যায় মাটি থেকে শূন্যে উৎসব বদলায় কোন মহাপুণ্যে? শ্লোগান মিলেছে বুঝি মন্ত্রের সঙ্গে জাগে গণদেবতা আজ এই বঙ্গে। পেটকাটি চাঁদিয়াল প্রতিবাদ উড়ছে। হৃদয়ের সাথে কত মোমবাতি পুড়ছে। অপেক্ষা লাটাইয়ের সুতো প্যাঁচ-পয়জার, প্রতিবাদী ঘুড়িদের দাবি শুধু সুবিচার। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৯.২০২৪ |
| হীরক রাজার পরে - কবি আর্যতীর্থ। রচনা ১৭.৯.২০২৪। প্রজারা হইহই করে টানতে টানতে মূর্তিটা ফেলে দিলো। চাষীরা টানলেন। হীরের শ্রমিকরা টানলেন। উদয়ন পণ্ডিতের সাথে ছাত্ররা টানলেন । এমন কি মগজ ধোলাই খেয়ে রাজামশাইও এলেন এগিয়ে, টানলেন মন্ত্রীদের নিয়ে। মূর্তিটা হেললো, নড়লো , তারপর মাটিতে পড়ে টুকরো টুকরো হয়ে গেলো, রাজ্যের খোল ও নলিচা বদলিয়ে গেলো পুরোটাই। এই অবধি লাইভ স্ট্রিমিংএ দেখেছে সবাই। কিন্তু তারপর? হীরক রাজ্যে কী হলো? রাজা কে হলেন, মন্ত্রীই বা কারা? কীভাবে তাঁদের বাছা হলো? ক্ষমতা পেয়ে কেমন করে রাজ্য চালালেন তাঁরা, হীরের খনির লাভ প্রাসাদেই থিতু হলো কিঞ্চিৎ অনুদান দিয়ে প্রজাদের, নাকি সত্যি নিলো সে দেশ প্রগতির দিক? নাহ, এসবের ইঙ্গিত কোনো ডায়রিতে লিখে রেখে যাননি মানিক। ভাবো তো হীরকের দেশে রাজা পতনের পরে, সিংহাসন নিয়ে কী গোল বেঁধেছিলো! |
| চাষীরা বললেন তাঁদের কমলেই হবে খাজনা, দেশ চালানো তাদের কাজ না। শ্রমিকরা দাবী করলেন কাজের সুষ্ঠু পরিবেশ, সঠিক মজুরি আর সুস্থতার আশ্বাস, তাঁদেরও ইচ্ছে নেই চালাতে সে দেশ। আর উদয়ন পণ্ডিত? তিনি তো শুধু মানুষ গড়ার কারিগর, রাজত্বে আগ্রহী নন। তাহলে কার হাতে গেলো হীরকের প্রাসাদ আর গড়? ধরো সে ক্ষমতা গিয়েছিলো এমন কোনো মানুষের হাতে, ঠিক সময়ে ঠিক জায়গায় যে ছিলো সেই সংঘাতে, জনতার চিৎকারে এমনভাবে মিলিয়ে দিয়েছিলো স্বর, চাষী , শ্রমিক এমনকি উদয়ন পণ্ডিতও ভরসা করেছিলেন তার ওপর, অথচ তার ইতিহাস পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে দেখা গেলে ঘেঁটে, বোঝা যেতো, হীরকরাজার ছবি সর্বদা রাখা তার হৃদয়-পকেটে। ধরো, সেই মানুষটা রাজা হয়েছিলো। হীরকের রাজার ভুলগুলো সে আর করেনি, অলিতেগলিতে খুলে দিয়েছিলো নেশার ঠেক, যৎকিঞ্চিৎ ভিক্ষেকে ঢাক ঢোল পিটিয়ে পরিয়েছিলো অনুদানের ভেক, পাঠশালা চালু রেখে উদয়নদের নিয়োগে এনেছিলো অস্বচ্ছ দুর্নীতি, যেখানে রাজকোষে ক্যাশ দিলে তবে তার চাকরিতে স্থিতি! |
| আর ধরো, সে চালু রেখেছিলো নিরবচ্ছিন্নভাবে মগজ-ধোলাই যন্তরখানা, বদলানো মন্তরে যা কাজ করে যাচ্ছিলো একটানা, বৈজ্ঞানিককে সে নিয়েছিলো প্রধান মন্ত্রীর ভূমিকায়.. ধরো, আসলে বিরতি ছিলো , শেষ যাকে ভেবেছিলে ছায়াপর্দায়? বাকিটুকু দেখাননি শ্রী সত্যজিৎ রায়, আমরা ভাবতে পারি শুধু, ধরো পেরিয়ে সে সীমাহীন হতাশার ধু ধু, একদিন, আবার একবার , সম্ভব হয়েছিলো জনতার জাগা, পুনরায় গণদাবী উঠেছিলো, মগজধোলাই ঘরে স্থায়ী তালা লাগা, রাজাটাকে ভাগা! ধরো, ভূতের রাজার বরে জুনিয়র ডাক্তার সেজে এসেছিলো সেসময় গুপি আর বাঘা… ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
. |
| কবি সুব্রত দেব কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৯.২০২৪ |
| ফল পেতে কবি সুব্রত দেব। রচনা ১৯.৯.২০২৪। কল.তান থামবে না থামবে না কল.রব, রং ভুলে সোচ্চার এক.জোট আজ সব। এক.তাই শেষমেষ একতাই আনে জয় বিভেদের ফলেই তো যত সব পরাজয়। পথে নেমে এক.তার চাষ তাই করে যাও জল- সার দিলে তবে হাতে- হাতে ফল পাও। ফল যদি পোকা ধরা ছুঁড়ে ফেলো তদ্দূর, ভালো ফল পেতে হাঁটো যেতে হয় যদ্দূর। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি সঞ্জয় সাহা কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৯.২০২৪ |
| আকাশভেদী আলো কবি সঞ্জয় সাহা। |

| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৯.২০২৪ |
| ঘুঁটির নিবেদন - কবি আর্যতীর্থ। রচনা ১৯.৯.২০২৪। হুজুর মা বাপ, হুকুম যা দেন সাধ্যমত মানি ( সবাই জানে, না মানলে কী হবে সে হয়রানি) আপনি যেমন গৎ বেঁধে দেন তেমনি ধরি পোঁ, এমনি করেই কাটছে জীবন, গোলে হরিবোল। কাটছে মানে কাটছিলো বেশ, এই এতদিন ধরে, কেটেও যেতো .. গোল বাধালো মেয়েটা গিয়ে মরে। ঢাকতে সে খুন হুকুম যা দেন তামিল বিনা ফোঁস, দেখছি এখন সেই সেলামের ঘাড়েই চাপে দোষ। আমরা হলাম সেপাই-ঘুঁটি, সেই খোপে হই খাড়া আপনি যেটা বেছে বলেন, ওখানটাতে দাঁড়া। যেই পরিচয় হোক আমাদের, গজ বোড়ে বা নৌকো আপনি যেমন চাল বেঁধে দেন, তার বেশি দম নেই কো। খুন ধর্ষণ কতই তো হয়, ভাবায় না আর লোককে, কাজ রয়েছে হাজার পড়ে, ওদিক দেবে চোখ কে। কারোর যদি স্বর উঁচু হয়, সামলানো নয় মুশকিল, থ্রোটে কুলুপ লাগাবে থ্রেট কিংবা ক্যাশের বান্ডিল। যতই জানি রাঘব বোয়াল মারছে কোথায় ঘাই রে, তদন্তে যে দন্ত দেখায়, যায় সে খেলার বাইরে, এই কথাটা মাথায় রেখে পাকড়ে চুনোপুঁটি, মনকে বোঝাই, ডিউটি-কালে শিরদাঁড়াটির ছুটি। |
এমনি করেই চলছিলো বেশ,ঢেউ ছিলো না দেশে, ডাকলো মেয়েটা সুনামি এক এমন সব্বোনেশে আমরা তো ছার, লাগলো কাঁপন সিংহাসনের ভিতে, গড্ডলিকার বিপরীতের ভিড় বুঝি যায় জিতে! আপনি হুজুর এই খেলাতে সবার থেকে দড় তবুও এবার সামাল দিতে ঘাবড়ে গেলেন বড়, হুড়োতাড়ায় সেপাই-ঘুঁটির পালটে দেওয়া খোপে, বুঝলো সবাই, বদল কিছুই হলো না আদপে । আমরা ঘুঁটি, পাঠিয়ে দেবেন যেইদিন যেইখানে চলে যাবো, এই খেলাটার নিয়ম সবাই জানে। হুজুর মা বাপ, তাই তো হুকুম দু চোখ বুজে মানি শিরদাঁড়াটি হারিয়ে দেখুন হয়নি কিছুই হানি। কিন্তু হুজুর , হওয়া উচিৎ এইবারে সাবধানী, বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে স্রোতের পানি, হতেও পারে, মাথার খোঁজে টানছে ঘুঁটির কানই.. ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| ধর্ষিতা দেবী কবি দুলাল কাটারী। রচনা ১১.৮.২০২৪। ভক্তি ভরে খুঁটি পুজো করে অনুদানের মন্ডপ গড়ে পূজা অর্চনা করো সেই দেবীর যে দেবী সংসারে নারী রূপে আসে তারপর পরিনত হয় ধর্ষিতা-লাশে কিংবা ফ্যামিলিসাইডের গ্রাসে অবশেষে মিলিয়ে যায় পোড়া ছাইপাঁশে |
| কবি দুলাল কাটারী কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৪.৯.২০২৪ |
| প্রতিবাদে ফিরুন কবি দুলাল কাটারী। রচনা ২০.৯.২০২৪। তবে, এখন দেখার বিষয় মহীয়সী তিলোত্তমার জীবনের বিনিময়ে জেগে ওঠা ঘুমন্ত সমাজ কতক্ষণ জেগে রয়,কতোটা সজাগ হয় নাকি জৈবিক ক্রিয়া সম্পন্ন করে আবারও পাশ ফিরে শোয়... বিস্মিত হই!অশ্রদ্ধাময় কি নিদারুণ অবিচার ব্যবস্থা! প্রতিক্ষায় থাকি দিন গুনি মনে মনে গুমরে মরি আবারও কবে উঠবে জ্বলে মোমবাতি মশাল উঠবে জ্বলে মানুষের মানবিক আত্মা প্রতিবাদ পবিত্রতা না হারিয়ে ফেলে ইস্যু ক্রিয়েটিং রাজনীতির চালে... ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি দুলাল কাটারী কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৯.২০২৪ |
| কবি স্বপ্না ঘোষ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৯.২০২৪ |
| উৎসব হবে কবি স্বপ্না ঘোষ। রচনা ১৯.৯.২০২৪। দুর্গাপূজায় উৎসব হবে না বলে ফতোয়া জারি করলেই হল! উৎসব তো হতেই হবে এই উৎসব হতদরিদ্রের নুন ভাতের উৎসব , বাদ দেয় সাধ্য কার! বালিকাটি বায়না ধরে বাবা একটা মালা কিনে দেবে চিন্ময়ী প্রতিমার কানে যেতেই সে কথা প্রতিমা তার বহু মালার একটি মালা খুলে বালিকাকে পরিয়ে দিতেই , আনন্দে লজ্জায় বালিকা মাঠ ভেঙে ছুট লাগায় সন্ধি পূজার শঙ্খ ঘন্টা- ধ্বনি শুরু হয় দরিদ্রের পাতে শাক-ভাত পরিবেশনে। উৎসব সার্থক হয় ফুটপাতে হকারদের বিক্রি বাটায় মুখে হাসি ফোটে নববধূর টাঙ্গাইল শাড়িটি পেয়ে খুশির লজ্জায় তার কপালের লাল টিপ সূর্যোদয়কে মনে করায়। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি সুজিৎ পুরকায়স্থ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৯.২০২৪ |
| তিলোত্তমার প্রতি কবি সুজিৎ পুরকায়স্থ। রচনা ২১.৯.২০২৪। আর একটু এগিয়ে গেলেই রাত্রি শেষের ভোর ভেবেছিলাম আমাদের আয়ত্তের মধ্যে চলে এসেছে ন্যায় আর একটু এগিয়ে গেলেই কলকাতা তিলোত্তমা হবে তোমাকে একটু একটু করে ভুলছি আমরা, একদিন পুরো ভুলে যাব তোমার কথা আর আলোচনা হবে না কোথাও যে ঘরে মৃতদেহ শেষ পড়েছিল ঘড়ি সেখানে সময় দেখাবে যেভাবে পার্ক স্ট্রিট, কামদুনি, হাঁসখালি চলন্ত ট্রেনের ফেলে আসা বিস্মৃত ষ্টেশন হয়ে আছে তেমনি তুমি শুধু প্রসঙ্গ হয়ে থেকে যাবে কোনো দুঁদে উকিল বা সাংবাদিকের হিসেবের খাতায় একটু এগিয়ে গেলেই রাত্রি শেষের ভোর এই মিথ্যা আশার প্রহশন বোঝাতে হয়তো একদিন কথাটা খুব মাত্রা পেয়ে যাবে– জাস্টিস ফর: আর জি কর ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
. |
| কবি কৃষ্ণা গুহ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৯.২০২৪ |
| পুজো হোক উৎসব নয় কবি কৃষ্ণা গুহ। বাতাসে ভাসেনি শিউলি গন্ধ , কাশবনে লাগেনি দোলা, আকাশে ভাসায়নি মেঘ পেঁজা পেঁজা, ওই দেখ !! পূর্ণ দৃষ্টিতে চেয়ে আছে তিলোত্তমা। প্রকৃতি রুষ্ট, বন্যা কবলিত শহর,গঞ্জ গ্রাম, গৃহহীন জল মগ্ন মানুষ আজ বিপদ সীমায়। মৃত্যু নিশান উড়ছে হাওয়ায়, মানুষ বড্ড অসহায়!! মনের ঘরে অগাধ প্রশ্ন এর উপশম কোথায়? উৎসব এবার বড়ই বেদনাবহ!! আনন্দ বার্তা ভাসেনা, বিস্ময়বোধক চিহ্ন শহর জুড়ে নারী সুরক্ষার সমাধান হবে কোন প্রযুক্তিতে ?? দগ্ধ মন, জমা অভিমান সংঘাতে ভরা জীবন!! চারিদিকে ঘোর অন্ধকার আলো জ্বালবো কখন? মা তুমি যাবে না তো রেগে, এবার নাইবা হল হৈ হুল্লোড়, আড়ম্বর উৎসবের দিনগুলো থাকুক ফিকে। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
. |
| কবি রণেশ রায় মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৯.২০২৪ |
| ন্যায়ের ঠিকানা কবি রণেশ রায়। রচনা ২৩.৯.২০২৪। মেয়ে আমার, উদ্গত অংকুর, তুমি নির্ভয়া, তিলোত্তমা অভয়া বা দুর্জয়া ---- বা আদিবাসী মেয়েটি আমার পথ যে বড় বন্ধুর ! বন্ধ থেকো না আর নিঃশাস তোমার মুক্ত বাতাস, ভাঙ ভাঙ পৌরুষের কারাগার। মুঠো শক্ত কর, তুলে ধর এ আকাশ, হৃদয়ের আলো জ্বালো---- অর্ধেক আকাশ সে যে প্রাপ্য তোমার। কোন অনুগ্রহ নয় নয় কোন দয়া, ছিনিয়ে নিতে হবে অধিকার ---- সে যে ন্যায্য পাওনা তোমার। নেমে এসো পথে, রাতের সে অন্ধকার পথ, দখল চাই সে পথের---- পথই পথ দেখায় এ আঁধারে। চলতে চলতে চলতে জানা যায় আর কত পথ চলতে হবে----- কত দূরে আর সে মোহনা সাম্যর বার্তা বয় মুক্তির সে সীমানা লেখা আছে সেখানে ন্যায়ের ঠিকানা। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
. |
| কবি অজিত বাইরী মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৯.২০২৪ |
| প্রতিবাদ কবি অজিত বাইরী। রচনা 8.৯.২০২৪। মাঝরাতে জ্বলছে সারি সারি মোমবাতি; এ কোন বিজয় মিছিল নয়, এ কোন শোক মিছিল নয়, এ মিছিল প্রতিরোধের, এ মিছিল প্রতিবাদের। এ মিছিল এক শহর থেকে অন্য শহরে, এ মিছিল উত্তর থেকে দক্ষিণে, পূর্ব থেকে পশ্চিমে । এ মিছিল এক রাজ্য থেকে ভিন্ন রাজ্যে, এ মিছিল এক দেশ থেকে আরেক দেশে। এ মিছিল সংগঠিত অপরাধের বিরুদ্ধে, এ মিছিল নিষ্ঠুর এক হত্যার বিরুদ্ধে, এ মিছিল প্রতিকার না-পাওয়া প্রশাসনের বিরুদ্ধে, এ মিছিল প্রশ্রয়দাতা আরক্ষা বাহিনির বিরুদ্ধে, এ মিছিল ন্যায়াধিকরণ থেকে বিচার পাবার লক্ষ্যে । একটি মুখই লক্ষ লক্ষ বাতি হয়ে জ্বলছে। একটি মুখই প্রতিবাদের ভাষা জোগাচ্ছে লক্ষ মুখে । একটি মুখই প্রত্যয় জাগাচ্ছে লক্ষ বুকে। একটি মুখই জনগণকে নামিয়েছে পথে, একটি মুখই সাহস জোগাচ্ছে সামনে এগোবার। |
. |
| কবি অজিত বাইরী মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৯.২০২৪ |
| গণহত্যাকারী কবি অজিত বাইরী। রচনা ২০.৯.২০২৪। কবি যখন জঘন্য নিষ্ঠুর ষড়যন্ত্র, ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় বন্ধ্যা রাখেন কলম, তখন তিনি মানুষের, সমাজের শত্রু। যে সমাজ দিয়েছিল কবির স্বীকৃতি; স্বার্থমগ্ন সেই কবি যখন অন্যায় দেখেও বুজিয়ে রাখেন চোখ, স্বেচ্ছায় বোবা-কালা সেজে থাকেন, তখন তিনি কদর্য, ঘৃণ্য কীট। যে কবি হত্যা করেন মানবিকতাকে, যে কবি মানুষের বিশ্বাসকে করেন বলাৎকার, যে কবি অন্যের যন্ত্রণা, মর্মবেদনাকে স্বার্থের তুলাদণ্ডে করেন বিচার, তিনি ধর্ষক, খুনির থেকেও ঢের বেশি অপরাধী। আজ সেই কণ্ঠস্বর বিদ্রূপের মতো শোনায়: এখনো যদি ঘরে বসে নিজেকে বাঁচাই; আমার সমস্ত শিল্প আজ থেকে গণহত্যাকারী। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
. |
| কবি অজিত বাইরী মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৯.২০২৪ |
| দেওয়াল-লিখন কবি অজিত বাইরী। রচনা ২২.৯.২০২৪। দেওয়াল-লিখন আলকাতরা দিয়ে ঢেকে দেওয়া যত সহজ, মানুষের মন থেকে তত সহজে লিখন মুছে ফেলা যায় না। অপরাধ-প্রবণ মন যে অক্ষরগুলিকে ভয় পায়, তারাই তার অজেয় চিরশত্রু । অক্ষর কখনও কখনও জ্বলন্ত মশালের মতো মুহূর্তে দাবদাহ ছড়িয়ে দিতে পারে সাজানো রাজ্যপাটে; খড়ের গম্বুজের মতো পুড়ে যেতে পারে মহারানির আত্মদম্ভ। অক্ষরকে তাই মুছে ফেলতে চায়, সরিয়ে দিতে চায় চোখের সামনে থেকে, যাতে তারা ভয় না দেখায় । অক্ষর কিন্তু অক্ষয়, শিলাবৃষ্টি অগ্নুৎপাতেও ধ্বংস হয় না; অক্ষর ধায় অনন্তের দিকে, তার মৃত্যু নেই। আলকাতরা দিয়ে ঢেকে দিলেও, অক্ষর থেকে যায় মানুষের মনের মধ্যে, প্রাচীর ভেঙে পড়লেও আদর্শ কখনও মুখ থুবড়ে পড়ে না। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
. |
| কবি শ্রীজাত মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৯.২০২৪ |
| তোমার হাতে বজ্র তুলে দিলাম কবি শ্রীজাত। তোমার হাতে বজ্র তুলে দিলাম। পাঁজর থেকে খুলে দিলাম হাড়। তোলো আওয়াজ মাটি-আকাশ জুড়ে-- পৌঁছে দাও, আমার চিৎকার। আমি যখন ঘুমোতে যাচ্ছিলাম, বুঝিনি, সে-ই শেষবারের ঘুম। আমার শ্বাস রুদ্ধ হয়ে তবু জাগিয়ে গেল মৃত্যু-মরসুম। দু'চোখ পুড়ে হলো যখন ছাই, অশ্রু নয়। রক্ত ছিল জমা। উসুল যদি করতে পারো তাকে, তবেই আমি হবো তিলোত্তমা। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি অরুণাচল দত্ত চৌধুরী কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৯.২০২৪ |
| তাতে কী? কবি অরুণাচল দত্ত চৌধুরী। রচনা ২২.৯.২০২৪। আমার কাছে তোর একগাদা ছবি রয়েছে তোর নাম মুখে আনা নিষেধ, নিষেধাজ্ঞা এমনকি ছবিতেও। তাতে কী? এর ঠিক তেইশ বছর আগে বামিয়ানের বুদ্ধমূর্তি ভেঙেছিল তালিবানেরা তালেবানদের মত এরাও তোকে... তাতে কী? ওই বুদ্ধমূর্তির ফাঁকা গহ্বর থেকে যাবে অনন্ত কাল তার ভেতরে অদৃশ্য অনির্বাণ মূর্তিটা আমাদের জাগিয়ে রাখবে তুই চলে যাবার পরে না, কোনও বিচার না, প্রহসন না বুকের ফাঁকা গহ্বরে চিরকাল জ্বলতে থাকবে তোর আলো। যে আলো ওরা মুছতে পারেনি। পারবেও না। তোর ছবি দিতে পারব না। তাতে কী? বামিয়ানের সেই শূন্যস্থান! তার ছবি তো দিতেই পারি। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
. |
| কবি সুব্রত দেব কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৯.২০২৪ |
| হৃদয়ে লেখা কবি সুব্রত দেব। রচনা ২৪.৯.২০২৪। দেয়াল- লেখা মুছে দিতে করছো মিছেই কষ্ট! সবার বুকেই লেখা যে তা দেখতে পাচ্ছি স্পষ্ট। পড়তে যদি না- চাও তো হয়ে পথভ্রষ্ট শেষমেশ হবেই যে হে তুলেমূলে নষ্ট। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
. |
| কবি তন্ময় অধিকারী (উজ্জ্বল) কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৯.২০২৪ |
| আমি তিলোত্তমার বাবা বলছি কবি তন্ময় অধিকারী (উজ্জ্বল)। হঠাৎ বেজে উঠলো ফোনটা, আচমকা বুকের মাঝে কেমন বাজে। মেয়ে আমার দূর শহরে, জানি না কেমন আছে ডাক্তারির কাজে। তিলোত্তমার মা বলল,- ফোনটা ধরো মেয়ে মনে হয় ফোন করেছে! দোকানে যাবে, দেখো কটা বাজে। মেয়ের ফোন ছিল না, ফোনটা করে ছিল কোন অপরিচিত কেউ যে। হাসপাতাল থেকে ফোন করে বলছে একটি মেয়ে,- মেয়ে আমার ভর্তি আছে সদরে। হাসপাতালে পৌঁছে দেখি মেয়ের ক্ষত বিক্ষত শরীরটা, নিয়ে পড়ে আছে নীল চাদরে। ভেবে ছিলাম রাতের ডিউটি করে শরীরটা খারাপ, শুয়ে আছে ঘুমের অঘোর ঘোরে। যখন বুঝলাম রাক্ষস গুলো ছিঁড়ে খেয়েছে মেয়েটাকে, সে ফিরবে না আর ঘরে। মেয়েকে দেখে বুকের ভিতর হার্টবিটটা স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল কিছুক্ষণ ধরে। মেয়ে নেই শুনে পাহাড় ভেঙ্গে পড়ল মাথায় বুকটা আমার ভরলো ব্যথায়। তাড়াতাড়ি মেয়ের শরীর নিয়ে চলল, পুলিশ গাড়ি শ্মশান আছে যেথায়। দূর থেকে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছি, মেয়ের শরীর পুড়ে হচ্ছে ছাই। প্রশাসনের দালাল গুলো, মেয়ের কাছে যেতে চাইলে আমাকে টেনে ধরছে তাই। জানি না ওদের কিসের ভয়, দোষীদের ছেড়ে, আমার মেয়েকে পুড়িয়ে সারছে দায়। আইন ওরা কিনেছে সব টাকা ক্ষমতা আছে যে ওদের, অন্ধ সাজে আইন তাই। তাই তো ওরা সুযোগ বুঝে নৃশংস ভাবে দানবতায় পিষে দিয়েছে, আমার মেয়ের শরীরটাই। মেয়ের অস্বাভাবিক মৃত্যু বলে আইন ধারী, মিছে সান্তনা মুখে দিচ্ছে তাই। ইচ্ছে করে প্রতিবাদের আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে ফেলি মেকি এই মানুষ গুলোর মুখের মুখোশটাই সহানুভূতির নাটক দেখিয়ে লক্ষ টাকায় লোভ দেখিয়ে আমার মেয়ের সভ্রাম কিনতে চায়। মারে এই পৃথিবীটা তোর জন্য বাস যোগ্য করতে আর পারলাম কই। পৃথিবীর সব বাবারা আমার মত বদ হয় এই ভাবে অসহায় হোই। |
| আমার মেয়েকে রাক্ষসেরা ছিঁড়ে কুটে খেয়ে গেল, এই অন্যাযের কথা কারে বলি। ওই আইনের উর্দিধারিরা সবাই জানে এই অন্যায় করেছে কয় জনে ,- আমার মেয়েটা কেমন ভাবে হয়েছে ওই রাক্ষসদের হাতে বলি। মনে হয় ওই রাক্ষস গুলোকে পেলে, গোপন অঙ্গ কেটে, গাছে ঝুলিয়ে ওদের চোখ দুটো যেন তুলি। মনে হয় এই রক্ত বীজের ঝাড়কে সমাজ থেকে একেবারে রক্ত হীন করে উপড়ে ফেলি। ওদের শরীরের সব অঙ্গ পতঙ্গ কেটে কেটে তিলে তিলে কষ্ট দিয়ে মারতাম। যদি হাতের কাছে রাক্ষস গুলোকে পেতাম শক্তিবান বাবা হতাম। মেয়ের আত্মা শান্তি পেত জানি এই টুকু যদি করতে পারতাম। তাহলে হাসতে হাসতে ফাঁসির কাটে আমি ও ঝুলতাম॥ বুকের মাঝে আগুন জ্বলে পুড়িয়ে ফেলি এই নিয়ম কানুন কিতাবি সব বই। মেয়েটা যে আমার কাঁদছে বসে চিতার আগুন মাঝে বাঁচাতে আর পারছি কই। অসহায় বাবা আমি চোখের জল ফেলি শেষে অনেক কষ্ট চেপে বুকের মাঝে ব্যথা সই। মেরে ফেলব,পুড়িয়ে ফেলব বলছি শুধু, মেয়ের চিতার আগুণে রাক্ষস পুড়াতে পাচ্ছি কই। বুকের ভিতর জ্বলছে আগুন আমি তিলোত্তমা বাবা বলছি তাই। দালাল গুলো বেচতে চায় আমার মেয়ের মরে পড়ে থাকা শরীরটাই। আগুনের উপর হেটে বলছে মেয়ে,- বাবা আমার বিচার চাই, বাবা আমার বিচার চাই। তোমরা যতই প্রদীপ জ্বালো, মোমবাতি জ্বালাও, মিছিল করে হাটো। এই রাজ্যের আইন কানুন তাদের মান যে, বিবেক বর্জিত অনেক খাটো। এ দেশের আইন কানুন বদলাবে না কিছু, প্রহসনের চাপে পড়ে সু-বিচার থাকবে মাথা নিচু॥ চিতার আগুনে দাউ দাউ করে পুড়ছে আমার মেয়ে, মনে হয় এই কিতাবি আইন-কানুনে আগুন দিই ছেয়ে॥ আগুন দিই ছেয়ে। আমি আগুন দিই চেয়ে। আমি আগুন দিই ছেয়ে॥ ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি অরুণাচল দত্ত চৌধুরী কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১২.১০.২০২৪ |
| তুই যে চলে গেছিস বুক পুড়িয়ে কবি অরুণাচল দত্ত চৌধুরী। রচনা ২৫.৯.২০২৪। তুই যে চলে গেছিস বুক পুড়িয়ে বুঝছি ক্ষনে ক্ষণে তবু এসেওছিলি এই আঁধারে সে কথা রয় মনে যেন ভুলে না যাই, বেদনা পাই শয়নে স্বপনে তোরই কাজের ঘরে ওরা মারল তোকে ধরে খুনের প্রমাণ যতই মুছে ফেলুক আঁধারে গোপনে তবু যাবার পরেও থেকে গেছিস সে কথা রয় মনে যেন ভুলে না যাই, বেদনা পাই শয়নে স্বপনে। ওদের মুখে খুনির হাসি যতই বাজছে পুলিশ বাঁশি ওরা দারুণ ব্যস্ত ভুল উৎসবের নকল আয়োজনে |
| অজ্ঞাত কবি এখানে তোলা হয়েছে ১০.১০.২০২৪ |
| মেয়েটা ঘুরছে আর জি কর থেকে পিজিতে অজ্ঞাত কবি। শ্রী নারায়ণ মণ্ডলের ফেসবুক থেকে পাওয়া। মেয়েটা ঘুরছে আর জি কর থেকে পিজিতে, বর্ধমান থেকে উত্তর বঙ্গ হাসপাতালে, রাতের অন্ধকারে একলা বসে গুন গুন করে গাইছে, আর কবে, আর কবে॥ মেয়েটা কলকাতার রাস্তায় একলা হাঁটছে , তোমরা দেখেই দেখছো না, পাশ দিয়ে চলে যাচ্ছে মেয়েটা, হঠাৎ ফিস ফিস করে বলে উঠছে জমাট বাতাসে, কবে পাবো আমি বিচার? প্রশ্নটা শুনে পিছন ঘুরে তাকাতেই মিলিয়ে যাচ্ছে আকাশে বাতাসে! মেয়েটা ঘুরছে, মেয়েটা একবার মরে নি শুধু,মেয়েটা আজও প্রতিদিন প্রতিরাতে মরছে! তোমরা দেখেও দেখছো না, ওর চোখ থেকে গড়িয়ে পড়া রক্ত, ওর ভেঙে যাওয়া হাড়ের গোঙানি, ওর সুন্দর দেহটার লাশ হয়ে যাওয়া॥ |