| শিক্ষকের উপর অবিচার ও অত্যাচারের প্রতিবাদের দেয়ালিকা |
| যে কোনো কবিতায় ক্লিক্ করলেই সেই কবিতাটি আপনার ব্রাওজারের ডান দিক ঘেঁষে ফুটে উঠবে |
| |||||
| ঠিক হলো না কবি আর্যতীর্থ। রচনা ৩.৪.২০২৫। কী একটা যেন কথা ছিলো না.. ও হ্যাঁ হ্যাঁ, ইদানিং মুশকিল হয় মনে করা, ‘হাজার দোষী যত পার পেয়ে যাক, দেখো যেন একজন নির্দোষও শাস্তি না পায়..’ ভারতীয় আইন নাকি এইভাবে গড়া। তাই যদি হবে, তবে শীর্ষ কীভাবে দেন অন্যায় রায়? হ্যাঁ, এটা অন্যায়ই, চাল থেকে না বেছে কাঁকরগুলোকে, পুরো চাল ডাস্টবিনে ফেলা। হ্যাঁ এটা অন্যায়ই, সৎ ও যোগ্যদের খুঁজে বের করাতে পর্ষদকেই ফের নির্দেশ দেওয়া। হ্যাঁ এটা অন্যায়ই, সরকার ও দায়ী আমলাদের শাস্তিবিহীন হলে এই অবহেলা। হ্যাঁ এটা অন্যায়ই, ছাব্বিশ গুণ চারে, এক লাখ মানুষের ভাত কেড়ে নেওয়া। তিনটে মাসের মধ্যে পরীক্ষা দিয়ে যারা পাশ, থাকবেন কেবল তারাই অকৃতকার্য হলে দুহাজার ষোলো থেকে মাইনে ফেরত, সে ভীষণ চাপ সয়ে ক’জন দশক আগের পড়া করেন ঝালাই, সন্দেহ আছে। দুর্নীতি-দমনে দূর নীতি নয়, আদালত নিয়েছেন শর্টকাট পথ, যাতে মেধা আর ঘুষ এক হয়ে গেছে। |
|
|
| এই পাতাটি পাশাপাশি, << >> ডাইনে-বামে << >> স্ক্রল করে! This page scrolls sideways - Left - Right ! |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির মূল সংগ্রহ . . . কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৮.৪.২০২৫ |
ঘুষ যারা দিয়েছেন, তারা যে মেধাবী নন কে তা বলেছে? তিন মাস পরে যে পরীক্ষা হবে, কি গ্যারান্টি সেখানেও ঘুষ চলবে না? আগেকার মেধাবী যদি চাকরি বাঁচাতে ঘুষ দেয় এইবারে, খুব কি দোষ দেওয়া যায় তাঁদেরকে? দরকারে দেবেন তা করে ধারদেনা, কে ফের মেধা’তে ঝুঁকি নিতে পারে বলো এই খরার বাজারে? দুর্নীতি হয়েছে তা জেনেও, সে ঘুষকাণ্ডে জড়িত আছে কারা কারা, সে ব্যাপারে কারো জানা আছে? কী শাস্তিবিধান হবে সেই ক্রিমিনালদের? আবার পরীক্ষা নেওয়া যেন বে ড়ালকে বলা দে রে মাছটা পাহারা, দুর্নীতি আরো মসৃণ হয়ে গেছে এ নয় বছরে, এইবারে কেউ আর পাবেই না টের। ‘হাজার দোষী পেয়ে যাক পার, নির্দোষ শাস্তি না পায়’ সে নিয়ম-স্রষ্টারা রায় দিয়ে ভাঙলেন রুল নিজেদের। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| প্রশ্ন তোলে না কেহ কবি মনিরুল রচনা ১৪.৪.২০২৫। প্রশ্ন তোলে না কেহ, কেন শিক্ষা বিপন্ন ? রবে সে অধরা কেন, আজ গরীবের জন্য ?? কেন শিক্ষক নিয়োগেতে, হয় ন্যায়নীতি অমান্য ? দেশে আইন কি শুধু তবে, টাকাওয়ালাদের জন্য ?? ঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি মনিরুল কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৮.৪.২০২৫ |
| সেখানেই হও বিরোধী পক্ষ কবি তনিমা হাজরা। রচনা ১০.৪.২০২৫। মানুষ যেখানে ভয়ে কোণঠাসা ক্ষমতার গ্রাসে মানুষই খাদ্য দিকে দিগন্তে বাজে মিথ্যারই বাদ্য ত্রাসসঞ্চারে দখলই লক্ষ্য বিরুদ্ধে তাদের গর্জে উঠুক তোমার কন্ঠ সেখানেই হও বিরোধী পক্ষ। শিক্ষক প্রহৃত, ডাক্তার খুন ছাত্রকে পিষে ফেলে মন্ত্রীর চাকা, হাজারো জালিয়াতে ধরা পড়ে টাকা, নিরীহের ঘরে ঘরে জ্বলছে আগুন, বিরুদ্ধে তাদের গর্জে উঠুক তোমার কন্ঠ সেখানেই হও বিরোধী পক্ষ। অন্ধ এবং সুযোগসন্ধানী, হাতে খঞ্জনী সুবোধ বালক আর কতকাল ভিক্ষায় কাঙাল লোভের গোছায় বিবেক বন্ধনী, বিরুদ্ধে তাদের গর্জে উঠুক তোমার কন্ঠ সেখানেই হও বিরোধী পক্ষ। |
| কবি তনিমা হাজরা কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৮.৪.২০২৫ |
| মানবিকতার মানে কবি দেবেশ ঠাকুর । রচনা ১০.৪.২০২৫। মানবিকতার দোহাই শিক্ষকের গায়ে হাত তুলো না পুলিশ কয়েক হাজার ইশকুলের কয়েক কোটি ছাত্রকে ওরা পড়িয়েছে এতগুলো বছর ধরে আজও পড়ায় তোমাদের উর্দির আড়ালে চেনা মুখের সেই স্নেহময় শিক্ষককে মার খেতে দেখলে কাকদ্বীপ থেকে কোচবিহার চাঁচল থেকে চাপদানি মহিষাদল থেকে ময়নাগুড়ির ছাত্র-ছাত্রীরা আঁতকে উঠছে জুলেখা বলছে জয়জিতকে, ইস কী নির্মমভাবে আমাদের মুসা স্যারকে মারছে দেখ সুনীল টুডু বলছে সুবর্ণ সান্যালকে লাঠি আর লাথি মেরে আমাদের অঙ্ক দিদিমণি সরস্বতীদিকে মাটিতে ফেলে দিল দেখ |
| কবি দেবেশ ঠাকুর মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৮.৪.২০২৫ |
| সত্যিটা খুঁজতে কবি দেবেশ ঠাকুর । রচনা ৪.৪.২০২৫। সত্যিটা আর কেউ জানুক না জানুক দুজন অন্তত ঠিক ঠিক জানে টাকা যে দিয়েছে আর টাকা যে নিয়েছে দুজনের একজন অন্তত যদি সামনে এসে দাঁড়ায় এই ছাব্বিশ হাজার বিধ্বস্ত বিপর্যস্ত বিপন্ন ভাঙাচোরা কর্মঠ যুবককে এত অন্ধকার দেখতে হয় না স্রেফ এই দুজন, যে দিয়েছে আর যে নিয়েছে সবচাইতে আশ্চর্যের প্রাতিষ্ঠানিক অপরাধীরা এই দুজনকে চেনে তাদের নাড়ি নক্ষত্র জন্ম কুণ্ডলী সব জানে প্রতিষ্ঠান সব জানে প্রতিষ্ঠান শবের হিসাব জানে জীবিতের হিসাব তো জানতেই হবে এই সব অঙ্কের কথা জেনেও মিথ্যা দিয়ে ঢাকা দেয় পাপের কঙ্কাল একটা মিথ্যাকে ঢাকা দিতে পঞ্চাশটা মিথ্যে কথা বলতে হয় |
| কবি দেবেশ ঠাকুর মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৮.৪.২০২৫ |
| শিক্ষক খায় লাথি আর লাঠি কবি দেবীস্মিতা দেব। রচনা ৯.৪.২০২৫। শিক্ষক খায় লাথি আর লাঠি, শিক্ষামন্ত্রী জেলে--- এমন আজব রাজ্য কি আর ভূভারতে মেলে? ঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি দেবীস্মিতা দেব কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৮.৪.২০২৫ |
| এখনও উৎসব চলবে! কবি অরুণাচল দত্ত চৌধুরী। রচনা ৪.৪.২০২৫। এখনও উৎসব চলবে! ধন্য রে বাঙালি... ধন্য তোর খচরামি, শিরদাঁড়াহীনতা। শয়তানের কর্মকাণ্ডে দিস হাততালি চোর, খুনিটার শাস্তি... চাস্ এক দিনও তা? ইন্ডোর স্টেডিয়ামে যাবি এরই মাঝে শুনে আসবি, গলাবাজি, মিথ্যের বেসাতি মনে লোভ, ফের যদি ফেরা যায় কাজে দালাল কে টাকা দিবি, খচ্চর প্রজাতি। এই ভাবে এ ভাবেই ঘুরে চলবে চাকা রাশি রাশি নির্বোধেরা সাহিত্য মারাবে সাতশ সাহিত্যিক আসবে... ধরে মামা কাকা বাঙালি উদ্বেল হবে উৎসবের ভাবে আকাশই তোমায় খুঁজবে... লেখা তন্তুজাল ভুল পড়েছিস গান্ডু... আকাশ না "আকাল" ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি অরুণাচল দত্ত চৌধুরী কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৮.৪.২০২৫ |
| লাথি খান তলপেটে কবি শুভ জোয়ারদার। রচনা ১৪.৮.২০২২। লাথি খান তলপেটে লাঠি ভাঙে পৃষ্ঠ, বঙ্গতে জন্মিলে এটাই অদৃষ্ট, তোলা মূল ইষ্ট, পুষ্ট ও হৃষ্ট! ঃঃঃঃঃঃ |
| কবি শুভ জোয়ারদার কবির ফেসবুক পাতা . . . মিলনসাগরে কবির পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৮.৪.২০২৫ |
|
| দুষ্টকবি মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৮.৪.২০২৫ |
| কী আসে যায়! কার কী আসে যায়? দুষ্টকবি মহামান্য আদালত বললেন--- যোগ্য-অযোগ্য খুঁজে পাওয়া গেল না। তাই ২৬ হাজার চাকরি খেয়ে নিলাম কলমের এক খোঁচায়। কিন্তু মহামান্য আদালত আরও বললেন--- কে ঘুষ খেয়েছে আর কে খায়নি, তাও তো খুঁজে পাওয়া গেল না। তাই ঘুষ খাওয়ার জন্য কারও চাকরি খেলাম না। বোধহয় মহামান্য আদালতের কাছে, যারা ঘুষ খেয়েছিলো, তাদের চাকরির মূল্যের কাছে যোগ্য শিক্ষকের চাকরি নিতান্ত মূল্যহীন! কলমের এক খোঁচায় ২৬ হাজার শিক্ষককে অপরাধের প্রমাণ ছাড়াই পথে বসিয়ে দিলে... কী আসে যায়! কার কী আসে যায়? |
| |||||
| এই পাতাটি পাশাপাশি, ডাইনে-বামে স্ক্রল করে! This page scrolls sideways - Left - Right ! |
| সাবধানবাণী কবি আর্যতীর্থ। রচনা ১০.৪.২০২৫। প্রতিবাদ কোরো না। চুপচাপ যা দিচ্ছি সোনামুখে নাও। যেখানে গণ্ডী দেবো সেটাই সীমানা। ওর বেশি বাড়িও না একখানা পা-ও। কী বললে? দাবী আছে কিছু? আরে ধুর, হটে যাও পিছু, দাবী নিয়ে না ভাবছি আজ, না ভাববো ভাবীতে, পুতুল এ দেশ চলে আমারই চাবিতে যেদিকে চাইবো নিতে সেদিকেই যাবে সোৎসাহে। সেটা আঁধারের দিক, মন্দ লোকের করা ভুল কুৎসা এ, পড়ে আছো তপ্ত কটাহে আর পেরোলেই গনগনে আঁচ, পালাবার পথ নেই, যত খোঁজো আনাচ-কানাচ, সব পথ এইখানে শেষ হয় রোমে নয়, আমার দুপা’য়, |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির মূল সংগ্রহ . . . কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৮.৪.২০২৫ |
| কেন সেটা নিয়ে টানাটানি, বয়ে গেছে গঙ্গার পানি তারপর অনেক বছর, আমি একমেবাদ্বিতীয়ম, শেষে শেষ, প্রথমে প্রথম, আমি ছাড়া তোমাদের আর নেই অন্য উপায়! তবুও খুলছো মুখ? মূক থাকা কত সুখ এতবার বোঝাবার পরে, এখনো খেদানো বুনো মোষ খেয়ে ঘরে? ওহ হো হো, এই ক্ষীণ দ্রোহ বুঝি বন্ধ বেতনে সেই খাওযারই অভাবে? কী করবো বলো, বিচারক খুশি নন আমার জবাবে, চাল থেকে কাঁকর বাছা এটা নয়, তুলনাই যদি দিতে হয়, দুধ থেকে জল হলে বরঞ্চ কাছাকাছি যায়.. কত অনুপাতে সেটা জিজ্ঞেস করাটাই ঘোর অন্যায়, স্ক্রু ঢিলে না থাকলে ক্লু কেউ রাখে? ঝাঁকের সে কৈ কবে মিশে গেছে ঝাঁকে, কার ভাগে গেছে কতখানি, |
| ভরা গাঙ ভরা আজ ধু ধু বালুচর, বেতন জীবন ধন সবই অনিত্য এখানে, আমার বেদীটি শুধু অচল অনড়। ভালোভাবে এইসব যত কেন বলি, তোমাদের স্বর তাও ওঠেই কেবলই, চুপ! নয়তো দেখতে পাবে ভয়ানক রূপ, যে কূপ দিয়েছি গড়ে তাতে বসে থাকো হয়ে ভেক, মনে ভাবো যা পেয়েছি এই তো অনেক! তবু শুনছো না! তবু ভাবো তোমাদের করি বঞ্চনা? বেশ তবে থাকে আলোচনা, চোওপ! সহ্য করি না আমি কোনো বেয়াদপ, এসবের থেকে শুরু দ্রোহ, বহুবার জেনেছে এ গ্রহ! এইবারে নামবে কুলীশ, সাথে আছে বাধ্য পুলিশ, পেটে বুকে গলায় মাথায়.. লাঠি দিয়ে সব করা যায়, |
| কদিন আগেই দেখতে পেলাম কবি মনিরুল রচনা ১০.৪.২০২৫। কদিন আগেই দেখতে পেলাম, মারছে পুলিশ লাথি... সেদিন মোরা ছিলাম কজন, নির্যাতিতের সমব্যথী...?? ঘুষ খেয়ে খেয়ে, ঘুষ খেয়ে খেয়ে, বেড়েছে বুকের ছাতি ... আজ তাই তো এত সাহস বুকে, শিক্ষককে মারে লাথি.... ঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি মনিরুল কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৪.৮.২০২২ |
| বুলডোজারকে স্বাগত জানাও কবি মনিরুল রচনা ৯.৪.২০২৫। বুলডোজারকে স্বাগত জানাও হোক রাষ্ট্র পীড়নযন্ত্র... পুলিশের বেত শিক্ষকের পিঠে, গনতন্ত্রের নয়া মন্ত্র... ঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি মনিরুল কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৪.৮.২০২২ |
| ঘৃণা কবি অজিত বাইরী। রচনা ১২.৫.২০২৫। সেইসব কবি লেখকরা এখন নিশ্চুপ ; প্রকৃত অর্থে যারা কেউ বোবা কালা নয়, বোবা কালার ভান করছে সংকীর্ণ স্বার্থসিদ্ধির লোভে; আজ তারা নয় কেউ মানুষের সপক্ষে; অথচ মানুষের কথা বলবে বলেই কলম ধরেছিল একদিন। আজ তাদের পরিচয় চাটুকার,ভণ্ড,অর্থলোভী পাদুকা-লেহনকারী খিতমতগার। এরা কবি? পুলিশের লাথির সপক্ষে যারা সওয়াল করে? যারা মহত্ত্বের দাবিদার কপটতা লুকিয়ে দাড়ির আড়ালে? মানুষ একদিন চিনে নেবে, প্রচার মাধ্যম বড় কবি বানালেও মানুষ জানবে নিকৃষ্ট জীব, ঘৃণ্য, নরকের কীট। মরে পড়ে থাকলেও অভুক্ত শিবারা এদের অভিশপ্ত শব ছুঁয়েও দেখবে না। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি অজিত বাইরী কবির ফেসবুক পাতা . . . মিলনসাগরে কবির পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৮.৪.২০২৫ |
| অন্ধ স্কুলে ঘণ্টা কবি অজিত বাইরী। রচনা ১০.৫.২০২৫। আজ ঘণ্টা বাজবে না স্কুলে; আজকের ভোর দেখবে না কচিকাঁচারা কাঁধে ব্যাগ ঝুলিয়ে পায়ে পায়ে চলেছে পড়া শিখতে। তারা জেনেছে, স্কুল বন্ধ; জেনেছে, মাস্টাররা আজ থেকে আসবে না পড়াতে। তাদের মনে অনেক জিজ্ঞাসা; কিন্তু কোন উত্তর নেই। চারপাশে ধেয়ে আসছে অন্ধকার; কিন্তু কতটা গভীর দক্ষ ডুবুরিরও অনুমানের অতীত। ঘণ্টা বাজছে অন্ধ স্কুলে; ক্লাসঘরে বসে আছে বিদ্যার প্রেতাত্মা। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি অজিত বাইরী কবির ফেসবুক পাতা . . . মিলনসাগরে কবির পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৮.৪.২০২৫ |
| বিপন্ন ভবিষ্যৎ---? কবি শ্যাম চক্রবর্তী। রচনা ১৩.৪.২০২৫। তাক ধিনা ধিন ধিন--- চৈত্র মাসের শেষ লগ্নে, আমার জন্মদিন। বুড়ো দাঁতে, সোনার ঝলক আমি কি ভাই, ছোট্ট বালক? চারদিকে ভাই বাবার চরক, ভয় কি তোদের, হবে না মড়ক। প্রতিমাসে আসে না কেন--- এমন শুভ দিন। তাক ধিনা ধিন ধিন--- আমার জন্মদিন। আয়রে বুড়ো, আয়রে খুড়ো, লাগা না রে ভাই, শ্মশান ধুলো--- সিঁদুর আছে কপালভরা, বড়শিতে আছে চামড়া ধরা, পুরুষ পায়ে, ঘুরে পায়েল--- গাজনের গানে, সবাই ঘায়েল। প্রতিমাসে আসে না কেন, এমন শুভ দিন। তাক ধিনা ধিন ধিন। আমার জন্মদিন। ছিলাম পেটে, অন্য দেশে, এলাম আবার কোন প্রদেশে? |
| কবি শ্যাম চক্রবর্তী মিলনসাগরে কবির পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৮.৪.২০২৫ |
| প্রতিবাদ করলেই পিষে ফেলো কবি তনিমা হাজরা। রচনা ২.৩.২০২৫। প্রতিবাদ করলেই পিষে ফেলো, কিনে নাও জনতার আওয়াজ নিরেট ভাতায়। ঝরে পড়ে থোকা থোকা রক্ত, তৃণের উপরে, মানুষ তো সবই দ্যাখে, অথচ কী করে যে ভুলে যায়। পোকাধরা বাংলার মাঠে ঘাটে ভিনভিনে ভয়ের রাজনীতি, জাতিটাকে মৃত্যুর দিকে নিয়ে যায়। আর কতদিন, আর কতদিন, আর কতদিন আর কতদিন আর কতদিন আর কতদিন দুর্ভোগ এ দশায়। সুস্থ, সচেতন মানুষ এসব প্রশ্নের উত্তর চায়॥ ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি তনিমা হাজরা কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৮.৪.২০২৫ |
| সবই জানে সবাই কিন্তু কবি দেবেশ ঠাকুর । রচনা ৮.৪.২০২৫। অন্ধকারে ডুবলে স্বদেশ নিওন বাতির আলো কিসের কানের পাশে ছুটে যাচ্ছে রাষ্ট্রসিদ্ধ গুলি শিশের অবস্থাটা যেমনই হোক ব্যবস্থাটা জেগেই থাকে তোমার মত আমার মত মানুষ ডোবে কুম্ভীপাকে শিশুও জানে আজকালকার অপরাধের উৎস কোথায় রাষ্ট্র দুষ্ট-গাভীর মত দুধ না দিয়ে শুধুই গোঁতায় সবাই কিন্তু সবই জানে কোনটা রাংতা কোনটা সোনা যন্ত্র অচল। যন্ত্রী রসিক। শুদ্ধ মানুষ আঙুল-গোনা হিমালয়টা চুরি হলেও বিদ্যানেরা নীরব থাকে নীরবতার মূল্য অনেক যক্ষ-ভাঁড়ার লুকিয়ে রাখে যোগাসনের জন্যে মানুষ চর্চা করে ভোরে ওঠার যে গুটিকয় মানুষ ছিল এখন তারা শুধুই ভোটার চোরই যখন বিচার করে পকেটমারের অপরাধের নামতে নামতে রাষ্ট্র তখন দাঁড়িয়ে থাকে ধ্বস্ত খাদে ব্যবস্থাটা টিকেই যাবে পাঁজির গণন ব্যর্থ করে মনন বেচে কাবাব খাব কড়ি জমাব গাত্র জুড়ে মগজজীবী মুখ খুলোনা ছিটকে যাবে আমজনতায় গাছ হতে চাও ছিটকে গেলে মিশতে হবে আলোকলতায় ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি দেবেশ ঠাকুর মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৮.৪.২০২৫ |
| যুবতীর চোখের জল যুবকের বুক বেয়ে নামে কবি স্বপ্না ঘোষ। রচনা ৯.৪.২০২৫। যুবতীর চোখের জল যুবকের বুক বেয়ে নামে শাসক অকারণ শিক্ষকদের সাথে এত অন্যায় করতে পারে ! কীসের ধর্ম ! কোথায় ঈশ্বর ! ঘাতকরূপী শাসক রাজ্যবাসীর রক্ত চাটে ঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি স্বপ্না ঘোষ কবির ফেসবুক পাতা . . . মিলনসাগরে কবির পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৮.৪.২০২৫ |
| চাকরিহারা শিক্ষকদের হাহাকার শুনে কবি স্বপ্না ঘোষ। রচনা ৯.৪.২০২৫। চাকরিহারা শিক্ষকদের হাহাকার শুনে উত্তররাকাশে ধ্রুবতারাও কেঁপে ওঠে ঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি স্বপ্না ঘোষ কবির ফেসবুক পাতা . . . মিলনসাগরে কবির পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৮.৪.২০২৫ |
| চাকরিহারা শিক্ষকদের হাহাকার শুনে কবি দেবীপ্রসাদ ঘোষ। রচনা ১০.৪.২০২৫। এইতো রাজ্য সর্বৈব অরাজক জুটেছে সব চোর, ঠগ আর প্রতারক কুশিক্ষাতেই হাত পাকানো ছেলেবেলা ল্যাজে গোবরে মাখামাখি, তাও কথা বলা কলসি একেবারেই ফাঁকা সম্মান কাকে দেবে! দুর্বোধ, যোগ্গু, মত্ত'কে নিয়ে পথে চলবে! ঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি দেবীপ্রসাদ ঘোষ কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৮.৪.২০২৫ |
| শিক্ষকতার স্বপ্নভঙ্গ কবি বিশ্বজিৎ হালদার। পাঠে - অমৃতা পাল। ভিডিওটি অমৃতা পালের ফেসবুকে দেখতে এখানে ক্লিক করুন . . .। খুব ভুল সময়ে জন্মেছি! জানেন খুব ভুল সময়ে জন্মেছি! বুক সেলফ এ সাজানো বই গুলো দেখলে কষ্ট হয়, কষ্ট হয় সারা জীবন ধরে সঞ্চয় করা স্কুল কলেজের সার্টিফিকেটগুলো দেখলে! বড়োদের দেখে কি শিখবে ছোটরা…. পড়াশোনা পাঠ ছিঁকেই তুলে পাড়ার মাচায় ভিড় জমাবে, ছেলে মেয়েরা অশিক্ষিত থাকলে অনেক সুবিধা ! ভোট উৎসব চালু থাক.. রুটি তরকারি আর মদের বোতলেই সমস্যা মিটে যাবে! |
| কবি বিশ্বজিৎ হালদার অমৃতা পালের ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৮.৪.২০২৫ |
| এসো হে বৈশাখ এসো বাংলায়, কবি ও শিল্পী প্রলয় মৃধা। নববর্ষে ভিটেহারা ফিরুক ভিটায় যোগ্য মানুষ চাকরিটা যেন পিরে পায় ২ নববর্ষে এই মঙ্গল গীতিকায় এসো হে বৈশাখ এসো বাংলায় নববর্ষে ভাল থাক অভয়ার মা ২ যেখানে থাকুক ভাল থাকুক অভয়া নববর্ষে তবু ন্যায়বিচারের আশায় এসো হে বৈশাখ এসো বাংলায় এসো কালবৈশাখী ঝড় বাংলার আগুন নেভাও কৃষ্ণ মেঘের জলে তুমি মঙ্গল ঘট ভরে দাও নববর্ষে প্রার্থনা করি বার বার দাঙ্গাবাজেরা হোক না বাজে চুরমার ২ সম্প্রীতি ফুটে থাক বছরের নতুন খাতায় এসো হে বৈশাখ এসো বাংলায় এসো হে বৈশাখ এসো বাংলায় এসো হে বৈশাখ এসো বাংলায় ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি ও শিল্পী প্রলয় মৃধা .এখানে তোলা হয়েছে ১৮.৪.২০২৫ |
| রক্তের কান্না কবি পবিত্র মণ্ডল। কী বর্বর হাতে আমাদের ভাগ্য! শুধু ‘ছিঃ’ বলে আর চলছে না, দু’চোখে রক্তের কান্না নামছে! অত্যাচারী এমনই ঘৃণ্য ছিল নাকি? নির্লজ্জ আক্রোশ ফুঁসছে : এমন অপদমন,এমন অন্ধকাররাজ… কাকে লাথি মারো? কার বুকে? ওঁরা কি রাজদ্রোহী,দুর্বৃত্ত-তস্কর? জল নয়,কান্নার আগুন উড়ছে! ঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি পবিত্র মণ্ডল এখানে তোলা হয়েছে ১৮.৪.২০২৫ |
| কয়লা চুরি, বালি চুরি, সারদা, নারদায় চুরি, কবি ও শিল্পী মণীন্দ্র বর্মন। গানটি ফেসবুকে শুনতে এখানে ক্লিক করুন . . . কয়লা চুরি, বালি চুরি, সারদা, নারদায় চুরি চুরির নাইকো শেষ এবার শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে জমছে মজা বেশ কয়লা চুরি, বালি চুরি, সারদা, নারদায় চুরি চুরির নাইকো শেষ এবার শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে জমছে মজা বেশ ওরে হাজার হাজার চাকরি চুরি ওরে হাজার হাজার চাকরি চুরি লজ্জাহীনা চোরের রাণী ওরে হাজার হাজার চাকরি চুরি লজ্জাহীনা চোরের রাণী দুর্নীতিবাজ ভ্রষ্টাচারী ভণ্ডামীতে একনম্বরী দুর্নীতিবাজ ভ্রষ্টাচারী ভণ্ডামীতে একনম্বরী ও পিসী যা ইচ্ছা তাই করছো চুরি ও পিসী যা ইচ্ছা তাই করছো চুরি রাজ্যটা তোর বাপের নাকি দুর্নীতিবাজ অত্যাচারী ভণ্ডামীতে এক নম্বরী দুর্নীতিবাজ অত্যাচারী ভণ্ডামীতে এক নম্বরী |
| কবি ও শিল্পী মণীন্দ্র বর্মন .এখানে তোলা হয়েছে ১৮.৪.২০২৫ |
| শিক্ষাগুরুর গায়ে হাত, কবি ও শিল্পী সঙ্গীত সরকার। গানটি ইউটিউবে শুনতে এখানে ক্লিক করুন . . . আমার দু চোখ অন্ধ হোলেই ভাল হতো বুঝি আজ শিক্ষা গুরুর গায়ে হাত ওঠে চায় না এই সমাজ যে দেশে চির উন্নত ছিল শিক্ষা গুরুর শির শিক্ষক সেথা মাথা নীচু এ কি পরিচয় বাঙালীর বাংলার মেধাবি এই কি মেধার পরিচয় যদি সমাজ গড়ার কারিগর কে লাঞ্ছিত হতে হয় মূর্খের দল পচে গলে তোরা হয়ে যাবি নিঃশেষ ধ্বংস করলি আমার সুজলা সুফলা সোনার দেশ ডাস্টার-এ জমা ধুলো আজ ব্ল্যাকবোর্ড এর ও রঙ হয়েছে লাল ওরা পিতার কাছে পিতৃত্তের পদত্যাগ চেয়ে আর্জি করবে কাল এই অনাচার আর কতকাল কাণ্ডারি তুমি ধরবে কি হাল মুষ্টি তোমার কর শক্ত বুক চিরে পান কর রক্ত জাগো বাঙালী জাগো হাতে মশাল তুলে লও তুমি ঘরে ব’সে থাকা ললিপপ চাটা ছোট্ট শিশু তো নও ধর যদি আজ হাল কাল কেটে যাবে কালো রাত ভোরের পাখি গাইবে আবার আসবে নব প্রভাত সোণার দেশে জন্মেছ তুমি দেবে না কি তার মান জানিনা চেতনা ফিরবে কি তবু রেখে গেলাম এই গান ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি ও শিল্পী সঙ্গীত সরকার .এখানে তোলা হয়েছে ১৮.৪.২০২৫ |


| মোমবাতি নয়, মশাল জ্বালো কবি - বৈশাখী পাল, আবৃত্তি – অনুভব মাইতি। ভিডিওটি ফেসবুকে দেখতে এখানে ক্লিক করুন . . .। শিক্ষকেরা লুটিয়ে পথে পুলিশগুলোর খাচ্ছে লাথি এসব কিছু দেখার পরেও আজকে যদি চুপটা থাকি ধীক আমাদের ঠিক যতদিন শিরদাঁড়াটা এমনি করেই নরম রবে রাজ্যটাকে নরম করার ওদের আরই সাহস হবে বুকের মাঝে শিরায় শিরায় প্রতিবাদের আগুন জ্বালো মোমবাতি নয় ঔই হাতে আজ মশাল ধর মশাল ধর |
| কবি বৈশাখী পাল এখানে তোলা হয়েছে ১৮.৪.২০২৫ |
| থাপ্পড়, কথা, সুর, কণ্ঠ ও যন্ত্রানুষঙ্গ : পল্লব কীর্ত্তনীয়া। গানটি ইউটিউবে শুনতে এখানে ক্লিক করুন . . . এই গান যদি সূর্য হতে চায় এই গান যদি স্পর্ধিত দাঁড়ায় অন্ধকারের বিরুদ্ধ হাওয়ায় তুমি আসবে কি? নগ্ন রাজা মগ্ন ক্ষমতায় কবির শিরদাঁড়া নুয়ে পড়ে পায় একটি গানে যদি রক্ত ঝরে যায় তুমি ভাসবে কি? ভালোবাসবে কি? এখানে চোরেদের, লুঠেরা ফড়েদের, হিংস্র ঘোড়েলের অন্য নাম শাসক শুধু সে গান হোক, যে গানে বোজা চোখ! বাজারে খাবে লোক! গানেরা হিসেবী স্তাবক স্তাবক! এই গান যদি বুকে আগুন জ্বালে |
| কবি ও শিল্পী পল্লব কীর্ত্তনীয়া .এখানে তোলা হয়েছে ১৮.৪.২০২৫ |
| হঠাৎ স্যারের চাকরি ছুটি? কবি - পবিত্র হাজরা, আবৃত্তি - ইচ্ছেবাতি। ভিডিওটি ইউটিউবে দেখতে এখানে ক্লিক করুন . . .। হঠাৎ স্যারের চাকরি ছুটি! কেউ ভাবছে – বেশ হয়েছে এবার আবার কেউ বা ভাবছে --- চাকরিটা নাই, করবো কী যে এবার কেউ বলছে চাকরি চুড়ি কেউ নিয়েছে টাকা এরবারও কেউ ভেবে দেখেছে? --- শিক্ষক নেই স্কুলে, তাই স্কুলগুলো সব ফাঁকা আমরা কি কেউ ভুল করেছি পড়তে এসে স্কুলে আমরা কি কেউ ভুল করেছি পড়তে এসে স্কুলে |
| কবি পবিত্র হাজরা এখানে তোলা হয়েছে ১৮.৪.২০২৫ |
| দোষ কবি শঙ্খ ঘোষ। দোষী খুঁজতে খুঁজতে এতদূর আসা গেল। সবাই সবাইকে পরখ করে দেখছে এ না ও। ধরা যে শেষ পর্যন্ত যাবে না তাও অবশ্য জানতাম। এদিকে, ভিতরে তাকিয়ে দেখি ঘর আলো করে বসে আছে চামুণ্ডা তার দুকষ বেয়ে গড়িয়ে নামছে অবিরল পানের পিক। |
| কবি শঙ্খ ঘোষ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৮.৪.২০২৫ |
| ছাব্বিশ হাজার চাকরি গেল বাউলশিল্পী তরণীমোহন বিশ্বাস। ভিডিওটি ফেসবুকে দেখতে এখানে ক্লিক করুন . . .। বলি ছাব্বিশ হাজার চাকরি গেল বলি ছাব্বিশ হাজার... ছাব্বিশ হাজার চাকরি গেল কেবল মাত্র ঘুষের দায়ে এমন আজব কাণ্ড করল ভণ্ড আগে দেখি নাই তারা ঘুষ খাইয়া যায় বলিহারি আবার দেয় শিক্ষকের মাথায় বারি তারা ঘুষ খাইয়া যায় বলিহারি আবার দেয় শিক্ষকের মাথায় বারি গো... ও যে সঙ্গে মারে লাথি ঘুশি আবার সঙ্গে মারে লাথি ঘুশি যেন ইংরেজকেও হার মানায় যেন ইংরেজকেও হার মানায় এমন আজব কাণ্ড করল ভণ্ড আগে দেখি নাই এমন আজব কাণ্ড করল ভণ্ড আগে দেখি নাই |
| বাউলশিল্পী তরণীমোহন বিশ্বাস এখানে তোলা হয়েছে ১৮.৪.২০২৫ |