|
| দেয়ালে দেয়ালে মনের খেয়ালে লিখি কথা | আমি যে বেকার, পেয়েছি লেখার স্বাধীনতা || |

| এই পাতাটি পাশাপাশি, ডাইনে-বামে স্ক্রল করে! This page scrolls sideways - Left - Right ! |


| চীন অথবা আমেরিকা থেকে শুরু হওয়া করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে মানুষের লড়াই, মানুষের জীবন, ভয়, আতঙ্ক, কান্না, হাসি, ঠাট্টা, সুখ-দুঃখ এবং সতর্কতা - তাই নিয়ে এই পাতার ছড়া ও কবিতা |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা কবির মূল সংগ্রহ এখানে তোলা হয়েছে ২১.৩.২০২০ |
| শেকল ছেঁড়ো কবি আর্য তীর্থ চেন ভেঙে দাও ,শেকল ছেঁড়ো সাবান দিয়ে, চৌকাঠে দাও দুষ্টুরোগের রথ থামিয়ে। ট্রেনে বাদুর, বাসের ভেতর চ্যাপ্টা চিঁড়ে, ভাইরাসে তো খামচে দেবেই এমন ভিড়ে, ঘরে ফিরে সবার আগে সাবান হাতে, ধোয়ার পরে তবে কথা লোকের সাথে। তোমায় না দেয় ভাইরাস তার দূত বানিয়ে চেন ভেঙে দাও, শেকল কাটো সাবান দিয়ে। তোমার থেকে আমি , আমার থেকে ওর হাতের ছোঁয়ায় ভাইরাসেরা ছুটন্ত খুব জোর। আশেপাশে দেখছো যাদের, শিকলি সবাই, ও পথ দিয়েই নিঃসাড়ে হয় মানুষ জবাই। যেই তুমি যাও রাস্তাঘাটে দোকানপাটে, ঝন ঝন ঝন , তোমার সাথেই শেকল হাঁটে। কোভিড টিবি সব জীবাণুর একই দাওয়াই. না ধুলে হাত নিজের হাতে তাদের খাওয়াই। ভিড়ের থেকে ফিরেই যেও কলের কাছে, হাতটা ধুলেই তোমার থেকে মানুষ বাঁচে। |
| সামনে এলেই বন্ধু যাদের জাপ্টে ধরো এখন তা স্রেফ বোকামি না, ভয়ঙ্করও। বদলে ফেলো সব চুমুদের উড়ুক্কুতে, কয়েকটা দিন প্রেমের রেটিং যাক নিচুতে। হ্যান্ডশেক বা হাই ফাইবও ভুলতে হবে, মোটের ওপর , ভুগবে তারা যারাই ছোঁবে। নমস্কারেও হাত ছুঁয়ে যায় আরেক হাতে, বরং পারো দূরের থেকে হাত নাড়াতে। চাইছে কোভিড আংটা বনো ওর শেকলে চেন ভেঙে দাও, শেকল ছেঁড়ো সাবানজলে। হারবে কোভিড আমরা সবাই একলা হলে। |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা কবির মূল সংগ্রহ এখানে তোলা হয়েছে ২১.৩.২০২০ |
| করো না, কোরো না কবি আর্য তীর্থ দিন এসেছে রুটিনগুলো বদলে নেবার স্টেজ থ্রি দ্বারে, কে জানে কি হবে এবার। এসো ঘাঁটি রোজনামচার থোড় আর বড়ি ‘করো না’ আর ‘কোরো না’দের লিস্টি করি। দুধের প্যাকেট জলে ধুয়ো আসার পরেই কোথায় কোথায় ছুঁয়ে এলো তা জানা নেই। মোবাইলে তো খবর এখন পাওয়া সহজ বাদ দিয়ে দাও দশ হাত ঘোরা খবর-কাগজ। অ্যামাজন ও সুইগিরা থাক বন্ধ কদিন কাদের ছুঁয়ে কৌটো আসে, বলা কঠিন। ক্যুরিয়ারে ঘর বয়ে খাম নিয়ে এলে না খুলে তা একখানা দিন রেখো ফেলে। কাজের মাসী ঢোকার পরেই সটান কলে হাত ধোবে সে একটা মিনিট সাবান জলে কাজের সময় ধরতে মোবাইল কোরো মানা, ( বলা সহজ, মানবে কত আছে জানা) যে যতবার কলিংবেলে টিং করে যায় ঠিক ততবার বেলটি মোছার রেখো উপায় লিক্যুইড সোপ বা সাবানজলে ভেজা ন্যাতা এখন তা নয় শূচিবাই-এর আদিখ্যেতা। |
দু চারদিনের সবজিবাজার একসাথে হোক ছুঁয়ে দেখে তবেই কেনে ওইখানে লোক। বাড়ি ফিরেই সবজিকে ধোও কলের জলে, নিজের হাতেও সাবান দিতে কেউ না ভোলে। রিমোট মোবাইল কিবোর্ড সাফাই করতে হবে শত্রু তোমার আঙুলডগা চায় নীরবে। সাইকেল বা বাইক এখন তোমার বাহন হাঁটতে শেখো , অটোয় চাপা নয় অকারণ। যাত্রা শুরু এবং শেষে , পারলে ফাঁকে জলে ধুয়ে ছুঁয়ে নিও সাবানটাকে। জিম পুল আর জুম্বা নাচা এখন নিষেধ বাড়লে মাসল ইম্যুনিটির হয় না প্রভেদ। কোচিং ক্লাসকে মারো গুলি এই কটা দিন, ক্রিকেটও বাদ, বাঁচলে পরে তবেই শচীন। বাড়ি ফিরেই পোশাকগুলো ছিটকে ছেড়ে সাবানজলে ফেলো কোভিডচিহ্ন ঝেড়ে। বয়স্কদের হাঁটতে যাওয়াও মুলতুবি থাক পার্কে এখন বেঞ্চিগুলো মাছি তাড়াক। যতই মনে হোকনা এসব শূচিবায়ু, মানলে এসব বাড়বে প্রিয়জনের আয়ু। স্টেজ থ্রি আসে, তৈরী রেখো প্রতি স্নায়ু.. |
| কবি অজিত বাইরী মিলনসাগরে কবির পাতা এখানে তোলা হয়েছে ২১.৩.২০২০ |
| মৃত্যু লিখে রাখে নাম কবি অজিত বাইরী মানুষের আলিঙ্গনকে এত ভয় পাইনি কখনও। মানুষের কাছে যেতেও ভয়; যদি স্পর্শ লাগে, যদি দেহে বাসা বাঁধে ব্যাধির বীজাণু,প্রিয়জনকেও কাছে টেনে নিতে সংশয়ী মন; তফাৎ রেখে কথা বলি; শুনি দূর থেকে; অথচ সারাজীবন কাঙ্ক্ষিত ছিল মানুষের উষ্ণ আলিঙ্গন, প্রিয়তমার নিবিড় বন্ধনে সাগরের ঢেউ হতে চেয়েছিল মন। এখন আতঙ্কের শিবিরে বন্দি সবাই; ধনী, নির্ধন,খ্যাত,অখ্যাত কারুরই রেহাই নেই। হাত বাড়িয়েও হাত সরিয়ে নিই; যদি হাতের তালুতে মৃত্যু লিখে রাখে নাম! |
| কবি বিশ্বজিত চ্যাটার্জী এখানে তোলা হয়েছে ২১.৩.২০২০ |
| আমার বুঝি শুনতে হ'ল ভ্রম কবি বিশ্বজিত চ্যাটার্জী আমার বুঝি শুনতে হ'ল ভ্রম, কেউ শুধোল "অবনী, আর ইউ হোম"? আমি অবনী আটকে আছি ঘরে, কখন এসে করোনা ভূতে ধরে। হাঁচছি না আর, জোরেও কাশছি না, তোমাদেরকে ভালোও বাসছিনা। দুয়ার আঁটা,তবুও কড়া নাড়া - নিশির ডাকে দিচ্ছিনা আর সাড়া। |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা কবির মূল সংগ্রহ এখানে তোলা হয়েছে ২১.৩.২০২০ |
| চার লাইনের দশ কবি আর্যতীর্থ . ১ সব কিছু আটকিয়ে চোদ্দটা ঘন্টা, হতো যদি, সব দেশ মানতো সে পন্থা। উহানে মাসাধিক, বাকি দেশও সেই দিক আমরা একটা দিন? খুঁতখুঁতে মনটা। . ২ বিদেশের থেকে আসা দেশের সুপুত্তুর করোনা ছড়িয়ে আজ সামাজিক শত্তুর ওপরতলার লোক তাই বেপরোয়া ঝোঁক এরকম নাগরিকে দেশ যাবে কদ্দুর? . ৩ মোটে দুইজন আজ কোভিডের পজিটিভ তবু রোগী নিয়ে গেলে আই ডি তে কাটে জিভ সকলে আশঙ্কায় বাড়ে যদি সংখ্যায় শান্তি সবার মনের থেকে নিলো বুঝি মাস লিভ। . ৪ কাজের লোক , মিস্তিরিকুল , দিনের শ্রমিক তাদের কাছে খুব জরুরী পারিশ্রমিক থাকলে ঘরে কোভিডত্রাসে মরবে তারা উপবাসে তাদের কথা ভেবে রাষ্ট্র ব্যবস্থা নিক। . ৫ ইম্যুনিটি বেশি বুঝি উচ্চমাধ্যমিকদের? মুখে নুড়ো এই আকালে এমন শিক্ষাবিদদের। জমায়েতকে রোখার কালে শিক্ষিতদের এমন হালে বুঝছি না ঠিক দৌড় কতদূর এমন অচল বিদ্যের। |
| . ৬ পাঁচটি টাকার মাস্কগুলোকে বেঁচে যারা ষাট টাকায় একজনও কি পড়লো ধরা? গারদগুলো সেই ফাঁকায়। হ্যান্ডরাবদের নিলাম করে কাটছে যারা গলা ধরে তারাই আসল দেশদ্রোহী, তাদের দিকে কেউ তাকায়? . ৭ বাড়ছে কোভিড হুহু করে বাকি রাষ্ট্রেরই মতো দিন পনেরোর খবরগুলোকে ঘুরে দেখো অন্তত একবার গেলে হাতের বাইরে তার থেকে কারো রক্ষা নাই রে তবু দেখি নানা জমায়েত ছবি পোস্ট হয় অবিরত। . ৮ ঘরগুলোকে দুর্গ করো, দরজাটাকে প্রাকার ওটাই জেনো আজ সমাধান কোভিড দূরে রাখার। জরুরী আজ ভাবছো যাকে টিকলে তুমি তবেই থাকে যুগ এটা নয় বাইরে গিয়ে ‘গো করোনা’ হাঁকার। . ৯ কোন ওষুধে কোভিড গেছে, কোথায় নয়া আবিষ্কার দোহাই বন্ধু , এই বাজারে সেসব নিয়ে ভাবিস না। হাত ধুতে থাক সাবানজলে বাঁচতে এখন ওটাই চলে বরঞ্চ নে সুখ কিছুদিন বিছানা আর বালিশটার। . ১০ প্রদেশে মুখ্য, রাষ্ট্রে প্রধান, মন্ত্রী দিশারী আজকে তাঁরা যা বলেন মুখ বুজে মেনো ফেলে দিয়ে সব কাজকে। রাজনীতি সব রেখে দাও তুলে মানুষ বাঁচাতে সব যাও ভুলে বিরোধিতা নয়, একসাথে চলো রুখবো হামলাবাজকে। |
| কবি মনিরুল এখানে তোলা হয়েছে ২১.৩.২০২০ |
| কিনে দেড়শো টাকায় ৪০০ মি.লি, গোমুত গিললো শিবু গড়াই ! হল কিছুক্ষনের পরেই শুরু, তার জীবন নিয়েই লড়াই !! |
| কবি সুরজিৎ সী এখানে তোলা হয়েছে ২১.৩.২০২০ |
| করোনা কবি সুরজিৎ সী বিশ্বজোড়া বিবর্ণতা ফুরিয়ে গেছে হাসি। মক্কা খালি মদিনা খালি খালি গয়া-কাশি। মুখ থুবড়ে ধর্মধ্বজা এই পৃথিবীর বুকে। আতঙ্কিত দেবতা ও মাস্ক লাগায় মুখে। মাস্ক খুলে ভারতবাসী বলতো একটি কেশে, রাম মন্দির বাবরি মসজিদ নাকি হাসপাতাল চাই দেশে? মন্দির আর মসজিদ যদি এরপরেও চাই, সন্দেহ নেই তোরাই আসল করোনার সত্ভাই। |
| কবি রাজেশ দত্ত মিলনসাগরে কবির পাতা রচনা - ২১.৩.২০২০ এখানে তোলা হয়েছে ২১.৩.২০২০ |
| গুজবের ভাইরাস কবি রাজেশ দত্ত করোনার চেয়ে ভয় গুজবের ভাইরাসে, সোশ্যাল মিডিয়া সব ভরে গেছে ছাইপাঁশে। হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক রটনায় ছেয়ে যায় -- টিভি, নিউজ-পেপারেও গুজবটা ধেয়ে যায়। 'কান নিয়ে গেছে চিলে', শুনে ছুটে চলে সব -- কান থেকে কানাকানি, মুঠোফোনে জনরব। গুজবের ভাইরাস ঠেকাবে সাধ্য কার? হিমশিম খেয়ে যান বিজ্ঞানী-ডাক্তার। কেউ বলে, 'রোদে পোড়ো', কেউ পান করে চোনা! কেউ খায় জড়িবুটি, হোমিওপ্যাথির দানা। তুলসীতলায় কেউ সন্ধ্যা আরতি করে। গঙ্গাজলেতে গুলে কয়লার টিপ পরে! গ্রামের থানের মাটি কেউ খায় চেটেপুটে, থানকুনি পাতা রস খায় কেউ শিলে বেটে। কেউ বলে, 'করোনার ভাইরাস চিকেনে'! লাল বাতি জ্বলে গেল মুরগির দোকানে। কারো বাণী, 'শঙ্খধ্বনি জীবাণু নাশ করে'! মহামারী ঘটছে নাকি শনিগ্রহের ফেরে! |
| জ্যোতিষী কবচ বেচে, চলে যাগযজ্ঞ --- ধুনো-কর্পূরে নাকি রোগের আরোগ্য! চন্দনের তিলক কেউ কাটছে কপালে, লাগে হাওয়া নিত্যনতুন গুজবের পালে। কেউ বলে, 'ডেটলেই করোনার নির্মূল'! গল্পের গরু কত গাছে চড়ে বিলকুল। গুজবের আতঙ্কে জনগণ নাজেহাল। আরো কত হাবিজাবি দাবি হয় 'ভাইরাল'। নস্ত্রাদামুস থেকে বাইবেল কাহিনি --- করোনার ছিল নাকি 'ভবিষ্যৎ বাণী'! ব্রাউন, কুন্টজের বাজারি কেতাব ঘেঁটে করোনায় বিনাশের আজব গুজব রটে। গুজবে গুজবে নেট-দুনিয়াটা ছয়লাপ, গালগল্প বানিয়ে কত ছড়ায় প্রলাপ। গুজব এড়াতে চাই বুদ্ধি ও যুক্তি, করোনার গ্রাস থেকে বিজ্ঞানেই মুক্তি॥ |
| কবি রাজেশ দত্তর এই ছড়ার পরে শ্রদ্ধেয় কবি অলকরঞ্জন বসুচৌধুরীর কমেন্ট নীচে সংযোজন করা হলো : কেউ বলে, গোমাতার নাম নিয়ে গোধূলিতে সবে মিলে শুরু করো থালাবাটিতে ঘা দিতে। বাতাসে কাঁপন ধরাবে সে থালাবাদ্য, এরপরও বাঁচে, নেই করোনার সাধ্য!! গুরু, তুমি কর শুরু তবে থালাবাদ্যি --- তুমি কষে ধর হাল, আমরাও সাথ দি! |
| কবি অলকরঞ্জন বসুচৌধুরী কবিতাটি পাঠিয়েছেন কবি রাজেশ দত্ত এখানে তোলা হয়েছে ২১.৩.২০২০ |
| এ কী আজব মহামারী কবি অলকরঞ্জন বসুচৌধুরী জামশেদপুর এ কী আজব মহামারী! লোককে যে আজ ডরায় লোকে, কাশলে তাকায় তেরছা চোখে, এ ব্যাধিকে কে আজ রোখে -- সবাই এখন 'নাকোশ'ধারী! শুনছি যতই স্বাস্থ্যবিধি, আতঙ্কে যে কাঁপছে হৃদি, এর চে' ভালো ছিল যদি হত অ্যাটাক করোনারি! দাঙ্গা, ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া চিকেন ফ্লু, চিকনগুনিয়া -- সব সয়েছে এই দুনিয়া এবার পালা করোনারই! |
| ভয় 'কোরোনা' কোরোনা নিয়ে সতর্কবার্তা সুকুমার রায়কে প্রনাম জানিয়ে- কবি শান্তনু মুখার্জ্জী (জয়) ভয় 'কোরোনা' ভয় 'কোরোনা' তোমায় আমি মারবোনা- সত্যি বলছি, চেষ্টা করেও, মারতে তোমায় পারবোনা। মনটা আমার বড্ড নরম, হাতটা তুমি ধোবে যেই, তোমার ভেতর করবো প্রবেশ, এমন আমার সাধ্যি নেই! পাশের লোককে কাশতে দেখে, ভয় পেয়েছ কতইনা- জানোনা কি মানলে নিয়ম কাউকে আমি গুঁতোই না ? থাকো থাকো ঘরে থাকো, মাত্র তুমি সাতটি দিন, আদর করে বাড়ির সবাই রাখবে তোমায় রাত্রি দিন। জ্বরের সাথে শুকনো হাঁচি দেখলে কাছে ঘেঁষবে না, ভিড় ভাট্টা জমজমাটি থাকলে সেথায় যাবেই না। অভয় দিচ্ছি শুনছো না যে মুখের ভেতর হাত কেন? দাঁত দিয়ে নখ কেটেছো দেখি প্রাণেতে ভয় নেই যেন! আমি আছি ঘাপটি মেরে, একবারটি বাগে পেলে- তোমার মধ্যে ঢুকে যাবো, সাবধানতা না নিলে॥ |
| কবি শান্তনু মুখার্জ্জী (জয়) কবিতাটি পাঠিয়েছেন কবি রাজেশ দত্ত এখানে তোলা হয়েছে ২১.৩.২০২০ |
| কবি অনিরুদ্ধ হাজরা কবিতাটি পাঠিয়েছেন কবি রাজেশ দত্ত এখানে তোলা হয়েছে ২১.৩.২০২০ |
| সরকার বেশ চিন্তা করে অনিরুদ্ধ হাজরা সরকার বেশ চিন্তা করে এঁটেছে ভালো ফন্দি, কাল রবিবার সকলে যেন থাকেই গৃহবন্দি। একটি দিনেই পালাবে "করোনা", ভুগবে না কেউ রোগে! সুস্থ হয়েই থাকবে মর্ত্যে, যাবে না মায়ের ভোগে ঘোষণাখানি চলুক রোজই, মানবো সবাই কথা। সরকারি আর বেসরকারি চালাক এমন প্রথা। আরামখানি মিলবে তো বেশ, ঘুমের সাথে খাওয়া। নির্দেশিকা এমন হলে সত্যি বড়ো পাওয়া।। |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা কবির মূল সংগ্রহ কবিতাটি আমাদের পাঠিয়েছেন ডঃ সোমেন ব্যানার্জী এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৩.২০২০ |
| ভেতর যাও কবি আর্যতীর্থ দেশ ডেকেছে আজকে তোমায়, ঋণ চুকাও বাইরে বিপদ, সব নাগরিক ভেতর যাও। বাঘ বেরোলে নিশুতরাতে যেমন মানা, এই কটাদিন তেমন ভেবেই বেরিওনা, রাস্তা থেকে সব জমায়েত দূর হটাও, দেশকে যদি ভালোবাসো, ভেতর যাও। তত্ত্বকথার বকমবকম অনেক হোলো, দোহাই এবার বাস্তবিকের চোখটা খোলো ভাবছো যদি থাকলে ঘরে চলবে কি আর মরলে তুমি, বিশ্ব ঠিকই চলবে ডিয়ার, ঘরের বাকি লোকদেরও কি সেই দশা চাও? আগে বাঁচো , তারপরে কাজ, ভেতর যাও। শাহীনবাগের এবার ওঠার সময় হলো, মারী থামুক , তারপরে ফের আওয়াজ তোলো করোনা ঠিক বুঝতে চায়না এন আর সি কি তার কাছে এক সবরকমের দাড়ি টিকি খুব বোকামো বাইরে বসে বিরোধিতাও, লড়াই টড়াই পরে হবে, ভেতর যাও। |
| ধার্মিকেরা হপ্তাদুয়েক একলা থাকুন, বন্ধ ঘরে একলা নিজের ইষ্ট ডাকুন। ধর্মস্থানে ঝুলুক কদিন মস্ত তালা ঘরের ঠাকুর পরুন ফুলের ঝুটো মালা নিজেই কেন নিজের বাকি আয়ু কাটাও? আর ক’বছর থাকতে বেঁচে, ভেতর যাও। বাইরে ঘোরে মহামারী , ওষুধবিহীন দোহাই তোমার, ঘরে থাকো এই কটা দিন। লাশের পরে লাশ হয়েছে কত দেশে, কেউ জানেনা সংখ্যা কোথায় দাঁড়ায় শেষে যেচে কেন এই দেশে সেই শঙ্কা বাড়াও? চাইছে ভারত, সব নাগরিক ভেতর যাও। আজকে সবাই দেশপ্রেমের প্রমাণ দাও। |
| |||||
| |||||
| |||||||||||
| কবি নচিকেতা চক্রবর্তী কবিতাটি পাঠিয়েছেন কবি রাজেশ দত্ত এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৩.২০২০ |
| করোনা কবি নচিকেতা চক্রবর্তী করোনা নামের মহামারী. তুমি যাও, তুমি যাও, করোনা নামের মহামরী, তুমি যাও, তুমি যাও, একটা বিনীত অনুরোধ, তোমার ভয়টাকে রেখে যাও। ওগো ভয়, তোমারই হোক জয়। তুমি নির্ভিক তরবারি, তুমি নির্মেদ অক্ষয়। তোমারই হোক জয়। তোমার জন্য বন্ধ হয়েছে, ওগো ভয়, তোমার জন্য বন্ধ হয়েছে সভ্যতা নামে দূষণ। তোমার জন্য বহুদিন পরে আকাশে পুষণ। তোমার জন্য মানুষ ভুলেছে পুষে রাখা বিদ্বেষ। ভয়, শুধু ভয় করে দিলো বিভেদহীন এক দেশ। কারোর মুখই যাচ্ছে না দেখা, কারোর মুখই যাচ্ছে না দেখা, আল্লাহ অথবা রাম। সবার মুখই মাস্কেতে ঢাকা সবার কপালে ঘাম। |
হাতে নাগরিক পঞ্জির খাতা, কাগজে চায় প্রমাণ। হাতে নাগরিক পঞ্জির খাতা, কাগজে চায় প্রমাণ। এখন তারা কোথায়? দিতে পারেন সন্ধান? মৃত্যুর কোন দেশ তো লাগে না। কাঁটাতার ছিঁড়ে যায়। মৃত্যুর কোন দেশ তো লাগে না। কাঁটাতার ছিঁড়ে যায়। নগর থাকলে নাগরিক, সে নগরকে কে বাঁচায়? রোজ আমাদের হিংশে মন্ত্র শেখায় যে পুরোহিতই রোজ আমাদের হিংশে মন্ত্র শেখায় যে পুরোহিতই যুগ যুগ ধরে আমরা তো জানি, তার নাম রাজনীতি। করোনা তোমার ভয়ে বন্ধ সে মন্ত্র উচ্চারণ করোনা তোমার ভয়ে বন্ধ সে মন্ত্র উচ্চারণ মানুষ বুঝেছে জীবন, নেই পুরোহিত প্রয়োজন। করোনা, তুমি যাও, তুমি যাও শেহেজাদী শুধু ভয়টুকু থাক, হোক ভয়টা সাম্যবাদী। |
| |||||||||||
| কবি রাজেশ দত্ত মিলনসাগরে কবির পাতা রচনা - ২৩.৩.২০২০ এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৩.২০২০ |
| করোনায় করণীয় কবি রাজেশ দত্ত নাই বা রাখলে হাতে হাত, অন্তরে হও একসাথ। বন্ধন গড়ো প্রাণে প্রাণে, ভরসা থাকুক বিজ্ঞানে। অজ্ঞানতা, কুসংস্কার ঘুচিয়ে মনের অন্ধকার যুক্তিবাদের আলো জ্বালো, স্বাস্থ্যবিধান মেনে চলো। রুদ্ধ যখন ঘরের দোর --- সংহতি দিক মনের জোর। বন্ধ ঘরেও সজাগ থেকো, মনের জানলা খুলেই রেখো। শৃংখল নয়, শৃঙ্খলা থাক -- আতঙ্ক সব দূর হয়ে যাক। লড়াই চলুক, ভয় কোরোনা। রুখবোই এ মারণ করোনা॥ সবাই ভালো থেকো। সাবধানে থেকো। |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা কবির মূল সংগ্রহ এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৩.২০২০ |
| মেহের আলী কবি আর্যতীর্থ পাগলটা চিৎকার করছে। শুনতে পাচ্ছো না? তোমরা যেই সোল্লাসে ঘরবন্দী খেলবে বলে মদের দোকানে লাইন দিচ্ছো, তোমাদের পাশে দাঁড়িয়ে ছেঁড়া আলখাল্লা পরে চুলদাড়ির জঙ্গল থেকে হেঁকে উঠছে সে, ‘ সব সচ হ্যায়! সব সচ হ্যায়! তফাত যাওওওওওওও!’ কিংফিশার আর ব্যাকার্ডির হিসেবে মগ্ন তোমরা আধানগ্ন লোকটাকে তবুও দেখতেই পাচ্ছোনা! পাগলটা পাঁই পাঁই ঘুরছে চারদিকে। সবজির ঠেলাঠেলি নিলামে হামলে পড়ছে, নমাজের জমায়েতে গিয়ে ঠোক্কর খাচ্ছে, মাকালীর থানে পাঁচশো লোকের ভোগের পংক্তিতে হঠাৎ তিড়িংবিড়িং নৃত্য করছে, আর সাথে ওই বিকট চিৎকার ‘তফাত যাও! তফাত যাও! সব সচ হ্যায়য়য়য়য়য়য়য়!’ বদ্ধ উন্মাদটা এত চেঁচিয়ে যাচ্ছে যে ফুসফুস দুটো ওর গলা দিয়ে বেরিয়ে আসতে পারে, অথচ কোত্থাও তার আওয়াজ পৌঁছাচ্ছে না! কেউ শিঁটকে সরে যাচ্ছে না একটুও, বরঞ্চ আরো গা ঘেঁষাঘেঁষি করে বসছে। সবাই কি এক সাথে কানা আর কালা হয়ে গেলো নাকি! |
| পাগলটা ঘুমায়না , খায় না, অন্য কিছু গায় না, শতাব্দীমলিন পোশাকে জনতার ভিড়ে ঘুরে বেড়ায়। নেতাদের স্তাবক জনতার মাঝে, কোচিং ক্লাসে অবুঝ জয়েন্টপিপাসু রোবটের মেলায়, ‘অত কিছু হবে না’ বলে হো হো আড্ডার পাড়ার ক্লাবে ও বিবেকের ভূতের মতো ভেসে বেড়ায়। অনেক হত্যা দেখা চোখে আরও দেখার আতংক নিয়ে দুই হাতে ও সবাইকে আলাদা করার চেষ্টা করছে গত তিনমাস ধরে। শুনতে পাচ্ছো? তফাত যাওওওও বলে আর্তনাদ কেউ কি শুনতে পাচ্ছো? শুনছে না কেউ মেহের আলি, তুমি খালি চিৎকারই করে যাচ্ছো.. |
| |||||||||||
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা কবির মূল সংগ্রহ এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৩.২০২০ |
| কুশপুতুল কবি আর্যতীর্থ তোমরা বলো যুদ্ধে যেতে, বর্ম নেই। উত্তেজনা আটকে আছে হরমোনেই পুরনো মাস্ক , স্যানিটাইজার গরহাজির, রোজ সকালে আউটডোরে দারুণ ভিড়, শত্রু কোভিড এসব দেখে চনমনেই, আমরা বোধহয় শহীদ হতেই জন্ম নিই। PPE কি হাতের মোয়া, অমনি পাবো ওসব ছাড়াই অগত্যা তাই যুদ্ধে যাবো। যদিও জানি বর্মবিহীন সংগ্রামে, হার নিশ্চিত, যুদ্ধ শুধু ঢং নামে, তবুও কেউ এত কি আর তলিয়ে ভাবো, হারলে পরে সেই তোমাদের ধমক খাবো। |
| আসল ব্যাপার, আমরা শুধু কুশপুতুল, কাঁধের ওপর চাপানো যায় বেবাক ভুল অস্ত্রে খরচ, স্বাস্থ্যখাতে প্রাপ্য ঢুঁ ঢুঁ মানি তো নেই, তাই জুটছে বাণীই শুধু, লড়াই করার সবকিছু আজ অপ্রতুল, ‘ তৈরী ভারত’ , নেতার দেওয়া ভয়াল গুল। লড়াই করতে মানুষ শুধু তৈরী আজ, দিচ্ছে না কেউ মাঠে নামার যুদ্ধসাজ। হাজার কোটির রাফায়েল বা অ্যাপাচে না PPE আর স্যানিটাইজার চাইছে সেনা, ফ্রন্টলাইনে অস্ত্র জোগান রাজার কাজ, ফক্কা সবই, ভুল ছবি দেয় বক্কাবাজ। ঝুটো লাগে গণতালির ওই আওয়াজ। |
| |||||||||||
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা কবির মূল সংগ্রহ এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৩.২০২০ |
| অন্যপক্ষ কবি আর্যতীর্থ রোদ্দুরে কি একটু বেশি আলো? পাখি ডাকে একটু যেন জোরে পৃথিবীও অনেকখানি ভালো, কাশে না আর বুক ধরে রোজ ভোরে। চতুর্দিকে ফুরফুরে ভাব ভারী, গাছরা নানান রঙ মেখেছে চুলে, বাতাস জুড়ে বইছে সুবাস তারই, বেরোয় সবাই আস্তানা দোর খুলে। বেরোয় হরিণ রোজনামচা মেনে, খরগোশেরা গর্ততে নেই মোটে, বেরোয় বাঘও শিকার পাবে জেনে, মোষ সম্বর গায়ে ঘেঁষে ছোটে। বলছে কারা বিশ্ব জুড়ে অসুখ? মানুষ ছাড়া ফাউ নাকি বাদবাকি? হোমো স্যাপিয়েন্স পাংশু করে মুখ, দিব্যি আছে বাকি পশুপাখি। হাওয়া এখন দূষণরহিত প্রায়, নদীরা সব স্বচ্ছতোয়া আরো, কোভিড যখন মানুষ মেরে খায়, ক্ষতি তখন হয়না বাকি কারো। ঘর ছিনানো মানুষ এখন ঘরে, গুনতি তবু বাড়িয়ে চলে লাশ, যদি বা তার বেরোতে ভয় করে, বাকি কারো যায় আসেনা খাস। বোধহয় মানুষ সৃষ্টি হওয়ার পরে, পৃথিবী নেয় বুক ভরে ফের শ্বাস। |
| কবি জয়িতা সরকার কবিতাটি পাঠিয়েছেন কবি রাজেশ দত্ত এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৩.২০২০ |
| বাঁচো এবং রাখো কবি জয়িতা সরকার বাঁচো এবং রাখো, ও আমার দেশ! এখানে ঝরাপাতার মধ্যেও খুঁজে পাই ইচ্ছের রেশ। ড্রপলেটে উড়ে যায় প্রেমের জীবাণু। মোবাইল ফোন স্ক্রিনে লেগে আছে প্রীতিভরা বিষাক্ত অনু-পরমাণু। এ কেমন কালো দিন, মহাজনী কোন দাসখতে রাখা ছিল এত এত ঋণ? উদভ্রান্ত আতঙ্কে কাটে অহর্নিশ! এমনকি চুম্বনে বিষ! |
| জনগণমন গানটি পাঠিয়েছেন কবি রাজেশ দত্ত এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৩.২০২০ |
| করোনার চেয়ে বড় খুনী এন.আর.সি. ভাইরাস জনগণমন মরছে মানুষ অবিরত, ভাঙছে যে বিশ্বাস ওরে করোনার চেয়ে বড় খুনী ওরে করোনার চেয়ে বড়ে খুনী, আহা করছে সর্বনাশ ওরে মরছে মানুষ অবিরত, ভাঙছে যে বিশ্বাস মরছে মানুষ অবিরত, ভাঙছে যে বিশ্বাস করোনার চেয়ে বড় খুনী ওরে করোনার চেয়ে বড়ো খুনী, করছে সর্বনাশ করছে সর্বনাশ, ওরে করছে সর্বনাশ অনাহারে মরছে শিশু, মরছে চাষি ঋণে অনাহারে মরছে শিশু, মরছে চাষি ঋণে ওরে যার আছে সে মাস্ক পড়ে নেয় বাজার থেকে কিনে ওরে যার আছে সে মুখোশ আঁটে বাজার থেকে কিনে হুঁশিয়ার! সব দেশের মানুষ ওরে হুঁশিয়ার! সব দেশের মানুষ, সাবধান হয়ে যাস করোনার চেয়ে বড় খুনী ওরে করোনার চেয়ে বড় খুনী, ওরে সি.এ.এ. ভাইরাস ওরে সি.এ.এ. ভাইরাস |
যে মানুষের ঘর দোর নেই, পথে যাদের বাস যে মানুষের ঘর দোর নেই, পথে যাদের বাস বল কাদের ঘরে ধুকবে তারা বল কাদের ঘরে ঢুকবে তারা, উপায় টা বাতলাস তোরা উপায় টা বাতলাস বল কাদের ঘরে ঢুকবে তারা, উপায় টা বাতলাস ভুখা মানুষ হাত ধুয়ে নে, খাবার নাই বা পাস ভুখা মানুষ হাত ধুয়ে নে, খাবার নাই বা পাস দেশ বাঁচাতে তাড়া রে ভাই সমস্ত ভাইরাস ওরে দেশ বাঁচাতে তাড়া রে ভাই সমস্ত ভাইরাস তোরা ভয় দেখাবি, কাঁপবে না বুক, বুকে ভাইয়ের লাশ তোরা ভয় দেখাবি, কাঁপবে না বুক, বুকে ভাইয়ের লাশ ওরে করোনা যাবে, তোরাও যাবি ওরে করোনা যাবে, তোরাও যাবি, লাটসাহেবের দাস তোরা লাটসাহেবের দাস ওরে করোনা যাবে, তোরাও যাবি, লাটসাহেবের দাস তোরা লাটসাহেবের দাস ওরে লাটসাহেবের দাস |
| |||||||||||
| শিল্পীকবি মুকুল পুরকায়স্থ মিলনসাগরে শিল্পীর ভাস্কর্যের পাতা মিলনসাগরে তাঁর কবিতার পাতা রচনা ২৫.৩.২০২০ এখানে তোলা হয়েছে ২৫.৩.২০২০ |
| আগে থেকে ভেঙে ছিল সব কবি মুকুল পুরকায়স্থ আগে থেকে ভেঙে ছিল সব কেছে থেকেও মনগুলো পর হাতে হাত রাখা আজ মানা বুকে টানাটানি দুষ্কর॥ কত ছিল তোমার অহংকার এই বাড়ি এ গাড়ি আমার তবে কেন আজ নিরুপায় বন্দীঘরে একা হাহাকার॥ একলা চলার দিন এল চেয়েছিলে এটাই, সেতো ভালো কবির কথায় পথ চলো কালের নিয়মে সব ধূলো॥ |
| |||||||||||||
| কবি পার্থসারথী কবিতাটি পাঠিয়েছেন কবি রাজেশ দত্ত রচনা - ২৪.৩.২০২০ এখানে তোলা হয়েছে ২৫.৩.২০২০ |
| মন্দের ভালো পার্থসারথী সব মন্দের পরও থেকে যায় আশা, যেমন অন্ধকার কেটে আসে আলো --- ধ্বংসের পেছনেই সৃষ্টির হাতছানি। এই ধ্বংস হয়তো ভবিষ্যতে ভালো। এই করোনা ভাইরাস আজ মহামারী, মানুষ গৃহবন্দী সব অহংকার ভুলে। আজ প্রকৃতি কিন্তু প্রাণ ভরে হাসছে, সভ্যতার হুঙ্কার আজ চড়েছে শূলে। এক ঝটকায় আজ আকাশটা নির্মল, বাতাস বুঝি আজ দূষণ কাটিয়ে মুক্ত। পরিযায়ী পাখিরা ডানা দিয়েছে মেলে --- সেই প্রাণীরাও ফিরছে যারা ছিল লুপ্ত। এক ক্ষুদ্র ভাইরাস সব বদলে দিলো, জল, বায়ু, পরিমণ্ডল স্বচ্ছ হচ্ছে দ্রুত। পৃথিবী ঘুরছে কয়েক শতাব্দী পিছে দুই মেরুর উষ্ণায়ন কমছে ক্রমাগত। নকল ক্ষমতার মিথ্যে আস্ফালনে ধনতান্ত্রিক দেশগুলো করছিল বড়াই পৃথিবীর রিমোট নাকি তাদের হাতে, ষড়যন্ত্রে চারিদিকে বাধাচ্ছিলো লড়াই। আজ তারাই করছে বাঁচার আর্তনাদ, দিকে দিকে হাহাকার গ্রাস মহামারী --- অচেনা নিরীহ এক করোনা ভাইরাস বিষাক্ত কামড়ে তার লাশের ছড়াছড়ি। |
| অজ্ঞাত কবি সোসিয়াল মিডিয়ার কবিতা কবিতাটি পাঠিয়েছেন কবি রাজেশ দত্ত এখানে তোলা হয়েছে ২৫.৩.২০২০ |
| আমার ফ্যামিলি যেন থাকে দুধেভাতে অজ্ঞাত কবি। উৎসর্গ: সকল মজুতকারীদের। দুই দিনে কিনিয়াছি চার মণ চাল আশি কেজি আটা আর কুড়ি কেজি ডাল! আরও কিছু ডাল কিনে করিব মজুদ ষাট কেজি কিনিয়াছি প্যাকেটের দুধ! তেল এত কিনিয়াছি – সব ঢালি যদি, নিমেষেই হয়ে যাবে ছোটোখাটো নদী। লবণের বস্তাটা সস্তাই ছিল ভাবা যায়, পেয়ে গেছি ত্রিশ টাকা কিলো! কিনিয়াছি চা-র পাতা, ঘৃত আর চিনি, মশলার গুঁড়াগুলি ঘুরে ঘুরে কিনি। পেঁয়াজ-রসুন-আদা বস্তা ভরিয়া কিনিয়াছি, দুর্দিন স্মরণ করিয়া। বিস্কুট-চানাচুর-সেমাই আর ম্যাগি কিনে কিনে ভরিয়াছি তিন-চার ব্যাগই! আপাতত কিনিয়াছি চারশত ডিম সামনের দিনে যদি খাই হিমশিম! মাছ কিনে রাখিয়াছি ডিপ ফ্রিজে ভরে খাওয়া যাবে দশজনে ছয়মাস ধরে। সাধ ছিল পুরা পাঁঠা কিনে রাখি ফ্রিজে, পারি নাই সেটা ভেবে দুঃখিত নিজে! |
| কবি অলকরঞ্জন বসুচৌধুরী কবিতাটি পাঠিয়েছেন কবি রাজেশ দত্ত এখানে তোলা হয়েছে ২৫.৩.২০২০ |
| করোনার ছড়া: 'ছড়োনা' কবি অলকরঞ্জন বসুচৌধুরী, জামশেদপুর। (১) চারিদিকে এত করোনা, এখন আর গাড়ি চড়ো না! প্লেনে যাদের আসা যাওয়া, মারিওনাকো তাদের ছায়া। সেবন করো খোলা হাওয়া, নাকেতে 'নাকোশ' পরো না! (২) ধরে তো ধরুক করোনা, তবু আমায় মানা করো না! শিশিতে সাবানজল ভরে, নাক ঢাকা নাকোশ পরে যাব আমি যেথায় খুশি, দোহাই, পেছনে পড়ো না! |
| |||||||||||||
| কবি অসীম গিরি কবিতাটি পাঠিয়েছেন কবি রাজেশ দত্ত এখানে তোলা হয়েছে ২৬.৩.২০২০ |
| নাগরিকপঞ্জী কোথায় গেল কবি অসীম গিরি নাগরিকপঞ্জী কোথায় গেল কাগজ দেখানো গেলো কোথায় করোনা ভাইরাস এসে দেখো দেশের ব্যবধান মুছে দিল। মৃত্যু কার নাগরিক বলো মৃত্যু কার দেশ লেখে মৃত্যু কিসের পঞ্জী দেখায় (অথবা) ডিটেনশন ক্যাম্পে ডাকে? ডিটেনশন ক্যাম্প কেমন আছো তোমাদের নিয়ে ভাবছে কে ? রাষ্ট্র মাস্কে মুখ ঢেকে করোনা ছোবল সামলাচ্ছে। তবু বলি করোনা যাও মানুষ ভালো হয়ে উঠুক করোনা রোগের অবসান হোক মানুষের সংকট কাটুক॥ |
| শিল্পীকবি মুকুল পুরকায়স্থ মিলনসাগরে শিল্পীর ভাস্কর্যের পাতা মিলনসাগরে তাঁর কবিতার পাতা রচনা ২৬.৩.২০২০ এখানে তোলা হয়েছে ২৮.৩.২০২০ |
| কবি নিরুপম মণ্ডল কবিতাটি পাঠিয়েছেন কবি রাজেশ দত্ত এখানে তোলা হয়েছে ২৬.৩.২০২০ |
| যত কারিগুরী মিছে হল সব মিছে হল সব ফন্দী, পাখি পেলো আজ মুক্ত আকাশ মানুষ খাঁচায় বন্দী॥ . কবি মুকুল পুরকায়স্থ |
| কবিতা পাঠের ভিডিও শুনতে এখানে ক্লিক করুন . . . https://www.youtube.com/watch?v=B81JRZNzZ8M&feature=youtu.be |

| শিল্পীকবি মুকুল পুরকায়স্থ মিলনসাগরে শিল্পীর ভাস্কর্যের পাতা মিলনসাগরে তাঁর কবিতার পাতা রচনা ২৭.৩.২০২০ এখানে তোলা হয়েছে ২৮.৩.২০২০ |
| চাই, চাই, চাই সব হল ছাই, আজ একটাই চাওয়া আমি বাঁচতে চাই॥ . কবি মুকুল পুরকায়স্থ |
| কবি দিগন্ত রায় কবিতাটি পাঠিয়েছেন কবি রাজেশ দত্ত এখানে তোলা হয়েছে ২৮.৩.২০২০ |
| করোনা ভাইরাস কবি দিগন্ত রায় ছোঁয়ায় ছোঁয়ায় নাচে করোনা ভাইরাস অদেখা লীলায় যাও মৃত্যুকে চুমি ঠাকুরেরা সব মুখ লুকিয়ে অসহায় রাম, রহিমকে জোট বাঁধিয়েছো তুমি... |
| |||||||||||||
| কবি ধুরন্ধর ভাট কবিতাটি পাঠিয়েছেন কবি রাজেশ দত্ত রচনা - ২৬.৩.২০২০ এখানে তোলা হয়েছে ২৮.৩.২০২০ |
| মনে হয়েছিল কবি ধুরন্ধর ভাট মনে হয়েছিল একদিন হবে কিন্তু সে আর হয়নি যার পিছে পিছে ঘুরেই মরেছি একবারো কথা কয়নি । মনে হয়েছিল এখন না হোক একদিন টাকা হবেই হয়েছিল কিছু কিন্তু কিন্তু ফাঁকা হয়ে গেছে কবেই । বড় আশা ছিল জ্বালা যন্ত্রণা শেষ হবে একদিন শেষ তো হয়নি বরং বেড়েছে দিনের পরেতে দিন । জানি না কী পাপ করেছি আমি যে কিংবা সকলে মিলে প্রকৃতি এখন শোধ নিতে চায় সুদ-আসলে তিলে তিলে । জানালার পাশে পাখিদুটো আসে জানি না কী অভিসন্ধি মুক্ত পৃথিবী তাদের ডানায় আমি আজ গৃহবন্দী । |
| কবি তাপস চক্রবর্তী কবিতাটি পাঠিয়েছেন কবি রাজেশ দত্ত এখানে তোলা হয়েছে ২৮.৩.২০২০ |
| মুখোশে স্তম্ভিত করে চলে গেলে ঝুঁকে কবি তাপস চক্রবর্তী (মানবাধিকারকর্মী) মুখোশে স্তম্ভিত করে চলে গেলে ঝুঁকে সমস্ত বন্দরে ছিল আগে জানাশোনা। জঙ্গলে দাঁড়ানো কিছু পুরনো বন্ধুকে শেখালে শব্দের আধুনিক প্রতারণা। শঙ্খের সাধনা ছিল। সুনীলের দিক। আর কেউ মত্ত ছিল রোমান্টিক মদে। কবিতারা মঞ্চ জুড়ে আজ নিরাপদে প্রচলিত অবগাহে সতর্ক শরিক। কারও কারও জানা ছিল, এরকমই হবে --- কেন না ধারাটি বহুদিনকার চেনা। কুণ্ঠিত সৌজন্য ঝেরে হননগৌরবে রাস্ট্রীয় কর্তব্যে চলে আনুগত্য কেনা। |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা কবির মূল সংগ্রহ এখানে তোলা হয়েছে ২৮.৩.২০২০ |
| ছ্যাবলামি কবি আর্যতীর্থ চীনদেশি করোনায় সব দেশে কম্প রোগীর সংখ্যা রোজ বাড়ে দিয়ে লম্ফ ভাইরাসে ত্রাহি ত্রাহি ইউ এস ফ্রান্সে ঢুকে যদি পড়ে কোনো পেয়ে যাওয়া চান্সে মহামারী হয়ে গিয়ে ক্ষতি হবে বিস্তর, কোয়ারান্টাইন তাই অতি কড়া ত্রি-স্তর ওষুধটি জানা নেই, টিকা আজও অধরা ছোঁয়াচ বাঁচিয়ে তাই ঘুমহীন প্রহরা এর আগে আসেইনি এ জীবাণু বিশ্বে বোঝা তাই ভারী দায় কতখানি বিষ সে মারক করোনা নিয়ে তথ্যের অভাবে দুনিয়া ব্যর্থ আজ যুতসই জবাবে WHO থতমত খেয়ে রেড অ্যালার্ট দিচ্ছে রোজ ভাইরাস আরো প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে কেউ যদি রসিকতা করে এই সময়ে, জেনো সে মানুষ নয়, মাথা ভরা গোময়ে। করলো কে? রোসো রোসো, জেনে রাখা দরকার নিদারুণ রসিকতা করেছেন সরকার। |
| |||||||
| ভারতের ছাপ মারা আয়ুষের দপ্তর, বলেছেন করোনাকে মারা যাবে সত্ত্বর, যেমন ভল্ডেমর্ট মরে হ্যারি জাদুতে অ্যাডাভাক্যাডাভ্রা পারেই না গা ছুঁতে, সেরকমই ঔষধে করোনারও বিধি বাম ‘পার্শ্বে রাখিও সদা আর্সেনিকাম’ ইউনানি হেকিমিতে আছে নাকি টোটকা, আয়ুর্বেদেও নেই কোনোখানে খটকা, করোনা এদেশে এলে হবে তার মরণই আয়ুষ সামলে দেবে টলোমলো তরণী, বাকি দেশ দেখো তবু আঁধারেই হাতড়ায়, আয়ুষ দিশারী আজ নিরাময় রাস্তায়। যদিও জীবাণুটাকে আগে কেউ দেখেনি, তাই বলে পুরাতন কেতাবে কি লেখেনি, করোনা বা করোনারি, সব রোগ সারবেই, জেনে রেখো এ ব্যাপারে আয়ুষের হার নেই। রসিকতা না হয়ে যদি হয় সত্যি, আর তবে দেরি নয় করা একরত্তি। যারা এই ওষুধের দিয়েছেন ফরমান, তাঁদের প্রাপ্তি হবে নোবেলের সম্মান, |
| শুধু এ ওষুধ নিয়ে উঠে পড়ে বিমানে, সত্ত্বর চলে যাওয়া চাই ওই উ-হানে, ওইখানে লোক মরে , বেড়ে চলে করোনা, যাও হে আয়ুষ গিয়ে হাল তার ধরোনা, কত লোকে বেঁচে যাবে , নাম হবে ভারতের খ্যাতি পাবে, নাম হবে, টাকা পাবে আরো ঢের কই দেখি লিস্টিটা, যেতে রাজি কোনজন, কপালে তিলক কেটে করি তবে আয়োজন? আর যদি নাই গেলে, করোনা’র শহরে, একটি প্রতিশ্রুতি মুখ ফুটে কহো রে করোনায় ভোগে যদি মন্ত্রীর অমুকে, শুধুই আয়ুষ দেবে মন দিয়ে ও মুখে, আর্সেনিকাম যেন খেয়ে সব আমলায় হাসিমুখে করোনার মহামারী সামলায়। তা যদি নাই পারো, ভয় পাও সেসবে তবে সে ওষুধ দিয়ে জনতার কি হবে? নিরাপদ রোগ খুঁজে বিজনেস ধরো না, মহামারী নিয়ে বাপু ছ্যাবলামি কোরো না। |
| কবি সুরেশ কুণ্ডু কবিতাটি পাঠিয়েছেন কবি রাজেশ দত্ত এখানে তোলা হয়েছে ২৮.৩.২০২০ |
| করোনা : অণুকবিতা কবি সুরেশ কুণ্ডু করোনা হানায় পৃথিবী মৃত্যুময়, প্রাণের বাংলার অমর কবিতা, তখনও তো জেগে রয়। |
| কবি বিপুল চক্রবর্তী মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবিতাটি পাঠিয়েছেন কবি রাজেশ দত্ত এখানে তোলা হয়েছে ২৮.৩.২০২০ |

| কবি রুনা রশিদ ডালিয়া কবিতাটি পাঠিয়েছেন কবি রাজেশ দত্ত এখানে তোলা হয়েছে ২৮.৩.২০২০ |

| |||||||
| শিল্পী কবি দেবাশিস রায় সঙ্গীতজ্ঞ ও "বাংলা জ্বলছে"-র সুরকার মিলনসাগরে তাঁর সঙ্গীতের পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৮.৩.২০২০ |
| কোরো না কোরো না ফিসফাস শিল্পী কবি দেবাশিস রায় কোরো না কোরো না ফিসফাস কোরো না কোরো না বিশ্বাস কোরো না কোরো না ফিসফাস কোরো না কোরো না বিশ্বাস জিতে যাওয়ার সংকল্প, সে আসছে, সে আসছে, সে আসছে সে আসছে, সে আসছে, কে? করোনা! চারি দেকে শোনো হাহাকার তার সময় নাই ধনী নির্ধন বাছার চারি দেকে শোনো হাহাকার তার সময় নাই ধনী নির্ধন বাছার যেখানে সেখানে যখন তখন সে আসছে, সে আসছে, সে আসছে সে আসছে, সে আসছে, কে? করোনা! সে মানে নাকো দেশ ও বিদেশ সে মানে নাকো দেশ ও বিদেশ লক্ষ্য তার মানব জাতির নিকেশ সে মানে নাকো দেশ ও বিদেশ লক্ষ্য তার মানব জাতির নিকেশ জনতার ভীড় তার পছন্দের ঠিকানা সেখানেই বসে গড়ে এ জাতির ধ্বংশের কারখানা জনতার ভীড় তার পছন্দের ঠিকানা |
| সেখানেই বসে গড়ে এ জাতির ধ্বংশের কারখানা সে আসছে, সে আসছে, সে আসছে তাই বলি তাই বলি তাই বলি শোনো মানুষ তুমি এখন একলা চলতে শেখো তাই বলি তাই বলি তাই বলি শোনো মানুষ তুমি এখন একলা চলতে শেখো ঘরে থেকে রাজপথ সুনসান রেখো তাই বলি তাই বলি তাই বলি শোনো মানুষ তুমি এখন একলা চলতে শেখো ঘরে থেকে রাজপথ সুনসান রেখো মানব জাতির বাঁচার তাগিদে তোমার পানে তাকিয়ে দেখ মানব জাতির বাঁচার তাগিদে তোমার পানে তাকিয়ে দেখ তোমার পানে তাকিয়ে দেখ তোমার পানে তাকিয়ে দেখ সে আসছে, সে আসছে, সে আসছে সে আসছে, সে আসছে, কোরো না কোরো না ফিসফাস কোরো না কোরো না বিশ্বাস জিতে যাওয়ার সংকল্প, সে আসছে, সে আসছে, সে আসছে, কে? করোনা ! সে আসছে, সে আসছে, সে আসছে, |
| |||||||||||||
| কবি অজিত বাইরী মিলনসাগরে কবির পাতা এখানে তোলা হয়েছে ৩০.৩.২০২০ |
| সমিধ ও আয়ুধ কবি অজিত বাইরী সংকট থেকে যখন বেরিয়ে আসব তখন আমরা নতুন মানুষ। আমাদের চোখে দিগন্ত-ছোঁয়া আকাশ আর প্রান্তর-ভরা সবুজ। ভোরের পাখিরা ফেরে যেমন আকাশে ; আমরাও ফিরবো চেনা গঞ্জ, বন্দুর, শহরে। গৃহবন্দী এখন, স্বেচ্ছা-নির্বাসনে অন্তরীণ। কিন্তু একদি খুলে যাবে আলোর দরজা--- গাছের মতো খসিয়ে দেব আতঙ্ক আর উদ্বেগের বাকল। আমরা নতুন করে স্বপ্ন বুনবো বুকে ; ভরসার বীজ বুনবো বুকে ; সব ক্ষতি পূরণ করে নেব উদ্যোমে, শ্রমে। সংকট থাকে না চিরকাল ; মানুষও নয় নিয়তির দাস, তার আছে ত্রাণের সমিধ ও আয়ুধ। |
| |||||
| কবি রাজেশ দত্ত এখানে তোলা হয়েছে ৩০.৩.২০২০ |
| মহামারী না মন্বন্তর? অনুকবিতা কবি রাজেশ দত্ত মহামারী না মন্বন্তর? কোন বধ্যভূমে মরণ? দেশ গোণে আতঙ্ক প্রহর! কে আনছে মৃত্যু পরোয়ানা? অসাম্য না নোভেল করোনা? |
| কবি জয়ন্ত দে কবিতাটি পাঠিয়েছেন কবি রাজেশ দত্ত এখানে তোলা হয়েছে ৩০.৩.২০২০ |
| এটি ‘শেষের কবিতা’ নয় কবি জয়ন্ত দে (অভিনব এই কবিতাটিতে বাংলা কথাসাহিত্যের জনপ্রিয় সব গ্রন্থের নাম ছড়িয়ে আছে) এটি ‘শেষের কবিতা’ নয়। ‘কথামৃত’ যে বলব এমন সাহসও নেই। তবে হতে পারে এটাই আপাতত ঘরবন্দিজীবনের ‘পথের পাঁচালী’। কাল রাতে ঘুমটা ভালোই হল। কারণ ‘ফুটপাত বদল হয় মধ্যরাতে’ যাদের জন্য তারা বাড়িতে। আর বাড়ির দরজায়, ‘অবনী বাড়ি আছো’ বলে হাঁকডাক নেই। ‘কলকাতার কাছে’ই আমাদের বাড়ি। না, না, ‘বারো ঘর এক উঠোন’ নয়। তবে আছে একটি ‘কুয়োতলা’। বাড়ির কথা বললাম কেন ‘ঘরে বাইরে’ এখন সত্যিকারের ‘কালবেলা’। বা বলতে পারেন, ‘মুষলপর্ব’! কারণ, ‘আঘাত’ আসতে চলেছে, তাই ‘আমাকে দেখুন’ মানে নিজেকে দেখুনের সময় এটা। এটাই ‘সেই সময়’। কেন বলছি এ কথা, আপনি ‘রসেবশে’ থাকতেই ভালোবাসেন। স্বভাবে ‘দেবদাস’। আপনার ‘গৃহদাহ’ হয়েছে বার বার। তখন আপনি ‘দীনজনে’ সম্বল ‘লোটাকম্বল’। অথচ জীবনযন্ত্রণার এই ‘বিষবৃক্ষ’ সামলে আপনি এখনও ‘নীলকণ্ঠ পাখির খোঁজে’ই বাঁচেন। আবার আপনিই চিৎকার করেন ‘আমি আরব গেরিলাদের সমর্থন করি’। তাই যদি ভাবেন, ‘কলেরার দিনগুলিতে প্রেম’এর মতো হয়ে করোনার দিনগুলিতে থাকবেন, সেটি হবে না। আপনাকে ‘লৌহকপাট’এর আড়ালেই থাকতে হবে। একথা ‘চুপিচুপি বলছি’ আপনার পাশের বাড়িতে এসেছে ‘আলালের ঘরের দুলাল’। এছাড়াও ‘চলো দুবাই’এর লোকজনও ফিরেছে, ওরা কিন্তু ‘মলাট খুললেই বিপদ’। |
| ওদের জন্য এ ‘অসময়’, অবশ্য ‘দেয়াল’ তোলার ব্যবস্থা হয়েছে। ওরা নয় ‘আহাম্মুখ’, নয় ‘গাধা’। কিন্তু কে শোনে কার কথা। ফলে বিপন্ন ’স্বজনভূমি’, কে নেবে ‘প্রকৃতি পাঠ’? এখন ‘এই এই লোকগুলো’ বলেছে, ‘আমার কোনো অসুখ নেই’। আমি আপনাকে যেটা বলছি এটাই ‘সময় অসময়ের বৃত্তান্ত’ । আপনার থাকতে পারে ‘কুবেরের বিষয়আশয়’, কিন্তু ‘সর্ষে ছোলা ময়দা আটা’ যদি না মেলে তখন ‘রন্ধনশালা’ বন্ধ? থাকবে না ‘বহ্নিশিখা’। ‘তুমি, পিতামহ’— হয়ে, এখন আপনাকেই হতে হবে ‘কম্পাসওয়ালা’, তাই ‘দূরবীন’এ চোখ রাখুন। সেখানে শুধু ‘যাও পাখি’ নেই। দেখবেন, ‘রাজপাট’ তুলে ইংল্যান্ডের রানি বাকিংহ্যাম প্যালেস ছেড়েছেন। টলমল ‘কলকাতার যীশু’ ট্রাম্পকে বলছে ‘চিলেকোঠার সেপাই’! ‘প্রাচ্য ও পাশ্চত্য’, ‘উপনিবেশ’ এখন একই সুরে বাঁধা। ইতালি স্পেন আমেরিকা, ‘দেশে ও বিদেশে’ করোনার ‘চিত্রপট’এ ‘তরঙ্গ ওঠে’। করোনা না কি ‘শজারুর কাঁটা’! ‘এখন মৃত্যুর ঘ্রাণ’, বদলে যাচ্ছে ‘দিবারাত্রির কাব্য’। যে যতই বলুক ‘মৃত্যুর স্বাদ মিষ্টি’, অন্ধ না কি দেখুক বিপন্ন এ আমাদের ‘নেংটি জীবন’। অথচ গভীরে রয়েছে ‘অক্ষয় মালবেরি’! |
| এ কীসের ‘অশনি সংকেত’! অথচ আমাদেরই হাতে ছিল ‘অরণ্যের অধিকার’, তবু ‘নদী মাটি অরণ্য’ বিপন্ন করে আমরা মুখোমুখি ‘চৈতালী ঘূর্ণি’র। যেন আজই ‘শতাব্দীর মৃত্যু’! ‘চিরসখা’ এবার হাহাকার করো...‘দেখি নাই ফিরে’! ‘কাঁদো, নদী কাঁদো’ বয়ে যেতে যেতে বলো, ‘এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ নয়’। তবু, আমরাই ‘শিকলছেঁড়া হাতের খোঁজে’র সেই ‘অলীক মানুষ’, যার মাথায় ‘হলদে পাখির পালক’, বুকে ‘অচিন রাগিনী’। ‘কে বাজায় বাঁশি’? কু ঝিক ঝিক ‘আগুনের গাড়ি’...যাব ‘কোয়েলের কাছে’, আমরা অপেক্ষায় ‘মহুল সুখার চিঠি’—, ‘শেষ নমস্কার-শ্রীচরণেষু মাকে’। তবু বলি মা গো, আমরাই ‘আগুন পাখি’। এখন আমাদেরই ‘কোনি’র ক্ষিতদা হয়ে লড়ে যেতে হবে— ফাইট কোনি, ফাইট। ‘বাবরের প্রার্থনা’য় ‘আকাশের নীচে মানুষ’। ‘নতজানু’ হই। ‘ইতি পলাশ’ ও ‘সুবর্ণলতা’ |
| কবি সুজন মন্ডল কবিতাটি পাঠিয়েছেন কবি রাজেশ দত্ত রচনা - ২৭.৩.২০২০ এখানে তোলা হয়েছে ৩০.৩.২০২০ |
| এই যুদ্ধে আমিও এক সৈনিক কবি সুজন মন্ডল এই যুদ্ধে আমিও এক সৈনিক জীবনের মূল্য তাচ্ছিল্যতায় ছুঁড়ে ফেলে! এগিয়ে যাই মৃত্যুময়ী জ্যোৎস্নার দেশে — তবুও, যেতে যেতে ধনলোভী, সাম্রাজ্যবাদ হতে সৃষ্ট, করোনার অক্টোপাস হতে! আঙুল চুবিয়ে তুলে নিই : কয়েক ফোঁটা জলের মতোন মানুষের কিছু মুখ — তারপর, রেখে যাবো অন্তিম নিঃশ্বাসে, চুম্বনের আশ্চর্য চিহ্ন — এই যুদ্ধে আমিও এক সৈনিক হয়তো অজ্ঞানতায় — কিংবা চরম বিভ্রান্তিতে— চাঁদ কিংবা সূর্য গ্ৰহণের মতো, মানুষের শরীরে লেগে থাকা, করোনার বীভৎসময় : কালো কালো ছায়া সরিয়ে দিতে— হয়তোবা, কোথাও কোথাও যৌথতায় বাজিয়ে গেছি! খোল, করতাল, কাঁসর ঘন্টা — এমনকি থালা, সঙ্গে শাঁখের ধ্বনিও... অথচ, খেয়াল করিনি এতেই গ্ৰহণের মাত্রা পেয়েছে বৃদ্ধি! |
| এই যুদ্ধে আমিও এক সৈনিক তাই তো করোনা মোকাবিলায়! এতদিনের অমায়িক পরিশ্রমে সঞ্চিত : আন্দোলনে'র মধু — আপাতত গচ্ছিত রেখেছি বুকের ভেতরে... এমনকি, নিয়েছি 'কাফিলে'র মতোন রাজনৈতিক নির্বাসনও... তবুও, খিদার চোটে, মোড়ে মোড়ে রাষ্ট্রের ঘৃণিত লাঠির বাড়িতেও — তোয়াক্কাহীন ভাবে করে যাচ্ছি তর্ক বিতর্ক! এমনকি, সারা শরীরে মেখে নিচ্ছি নির্বিচারে : রাষ্ট্রীয় ভাইরাসে'র চিহ্নও — তবুও, ঘরে না ফেরার শপথ... এই যুদ্ধে আমিও এক সৈনিক তাই তো লিখে রাখছি "হৃদয়ের রক্ত নিংড়ে" : "মারণ একবিংশ" শতকের, মৃত্যুর দীর্ঘতম কবিতা... এমনকি, এটাও লিখে রাখছি আজ ক্ষুধা, দারিদ্র্য, মহামারী ধ্বংসের মহৌষধি নয় : নিউট্রন বোমাও. |
| কবি সুজন মন্ডল কবিতাটি পাঠিয়েছেন কবি রাজেশ দত্ত রচনা - ২৫.৩.২০২০ এখানে তোলা হয়েছে ৩০.৩.২০২০ |
| দেবতা নয়, মানুষই জেগেছে কবি সুজন মন্ডল কোনো অস্পষ্টতা নয়, সূর্যের আলোর মতোন স্পষ্টতই সমগ্ৰ বাতাস যখন মুখরিত : "করোনায় নয়, আমি মরবো খিদায়!" সত্যিই তখন কি বলব? কি করব? কি লিখব? ভেবেই পাচ্ছিনা কোন কিছুই... আমি তখন সদ্যজাত শিশুর মতোই তুমুল কেঁদে উঠি! অথচ, বোঝাতে পারিনা এ বুকের ব্যাথা— এমনকি, যখন তীব্রতম যন্ত্রণায় ছটপট করতে থাকি! তখন, বাস্তবিকই কোন ঈশ্বর, আল্লাহ, গড ছুটে আসে না... কোলে তুলে,দেয় না এ যন্ত্রণার ক্ষতে : ভালোবাসার কোন স্পর্শ— উপরন্তু, থাকে তাঁরা নির্লজ্জ পাথরের ভেতরে অন্তর্ধান... অথচ, দেখো আজ সারা পৃথিবীর দিকে তাকিয়ে মানুষের চোখের জলে দেবতা নয়, কিছু 'মানুষের মতো মানুষ'ই জেগে উঠেছে... |
| কবি সুজন মন্ডল কবিতাটি পাঠিয়েছেন কবি রাজেশ দত্ত রচনা - ২০.৩.২০২০ এখানে তোলা হয়েছে ৩০.৩.২০২০ |
| ফিরে যাও, করোনা কবি সুজন মন্ডল তুমি ফিরে যাও করোনা, ফিরে যাও ফিরে যাও আর এগিও না... এ পর্যন্ত যতটুকু এগিয়েছ, ফেলেছ পা! তাতেই কেঁপে উঠেছে : সারা পৃথিবীর মানচিত্র— ক্রমশঃ ঝরে পড়ছে আমের মুকুলের মতোন লাশের ফুল... তুমি ফিরে যাও করোনা, ফিরে যাও ফিরে যাও আর এগিও না... দেখছ তো, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য : আজ কোন ঈশ্বর নেই! কতিপয় মানুষের ছা' ছাড়া— তাই বলছি, করোনা, তুমি ফিরে যাও... ফিরে যাও ফিরে যাও আর এগিও না... যতটুকু এগিয়েছ, ফেলেছ পা! |
| তাতেই তো ধসে গেছে : অসংখ্য মানুষের পাঁজর— আরও, যদি এগোও— তাহলে, উড়ে যাবে টিনের ছাউনি, খসে পড়বে বাঁশের বেড়া— উলঙ্গ হয়ে পড়বে বস্তির মাটি... তুমি ফিরে যাও করোনা, ফিরে যাও ফিরে যাও আর এগিও না... এগিও না আর আমাদের এই দারিদ্র্যের দেশে— এগিও না আর আমাদের এই অভাবের দেশে— এমনিতেই মহাব্যাধি ক্ষুধার আঁচড়ে : ক্ষত-বিক্ষত— সেই ওষুধের জোগান দিতেই রক্ত জল হয়ে যাই! তার' পরে তোমার চাপিয়ে দেওয়া অমানবিক ট্যাক্স... না, না, পারবো না পারবো না আমরা দিতে... তাই, আজ আমাদেরকে ক্ষমা করে, ফিরে যাও ফিরে যাও ফিরে যাও, করোনা... |
| কবি সুজন মন্ডল কবিতাটি পাঠিয়েছেন কবি রাজেশ দত্ত রচনা - ১৭.৩.২০২০ এখানে তোলা হয়েছে ৩০.৩.২০২০ |
| করোনা, তোমাকে ভয় পাই না কবি সুজন মন্ডল করোনা, আমি তোমাকে ভয় পাই না! কেন ভয় পাবো? তুমি তো দারিদ্র্যের চেয়ে বিষাক্ত নও... তুমি তো ক্ষুধার চেয়ে ভয়ঙ্কর নও... তাহলে, তাহলে, কেন ভয় পাবো তোমাকে? করোনা, আমি তোমাকে ভয় পাই না! ভয় পাই না বলেই আজও করিনি অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে গোবর জলে স্নান— কিংবা পান করিনি গোমূত্র'ও— এমনকি, হত্ত্যে দিয়ে পড়ে থাকিনি : কোন 'ধর্ম' নামক রূপকথা'র দেশে— করোনা, আমি তোমাকে ভয় পাই না! কেননা, আমার দেহের প্রতিটা হাড়, সেই মহা-মৃত্যুঞ্জয় ইস্পাতে তৈরি! যে ইস্পাত দারিদ্র্যকে নাশ করার ক্ষমতা রাখে... সেখানে তুমি তো নগণ্য মাত্র— করোনা, আমি তোমাকে ভয় পাই না! ভয় পাই না আমি তোমাকে... যেখানে দারিদ্র্যের ভাইরাসেও বেঁচে আছি আজও! সেখানে তুমি কি পারবে, আমাকে মুছে ফেলতে... |
| কবি সুজন মন্ডল কবিতাটি পাঠিয়েছেন কবি রাজেশ দত্ত রচনা - ১৭.৩.২০২০ এখানে তোলা হয়েছে ৩০.৩.২০২০ |
| আসুন, একটুখানি পাশে দাঁড়াই কবি সুজন মন্ডল আসুন, একটুখানি পাশে দাঁড়াই এবং দাঁড়িয়ে রেখে যাই হিংস্রতার এই পৃথিবীতে — মানবতার পদছাপ... আসুন, একটুখানি পাশে দাঁড়াই এবং দাঁড়িয়ে বিবেকের আহ্বানে দিয়ে যাই এই মহামারীময় পৃথিবীতে — অন্তত সহানুভূতির এক ফোঁটা অশ্রু... আসুন, একটুখানি পাশে দাঁড়াই এবং দাঁড়িয়ে যাঁরা ভেসে গেছে তাঁদের উদ্ধার করি! এবং যাঁরা ভেসে যাচ্ছে, হাত বাড়িয়ে দিই তাঁদের দিকেও — অন্তত।তাঁরা প্রাণে বেঁচে উঠুক! এ হাতকে অবলম্বন করেই... আসুন, একটুখানি পাশে দাঁড়াই এবং দাঁড়িয়ে কিছু যদি করতে নাও পারি! অন্তত তাঁদের; দু'হাত তুলে স্যালুট জানাতে তো পারবো... যাঁরা জীবনকে উৎসর্গ করেছে মানুষের সেবায়... যাঁরা গ্ৰহণ করেছে মহাব্রত; মানুষের সেবায়... |
| আসুন, একটুখানি পাশে দাঁড়াই এবং দাঁড়িয়ে তুলে ধরি আবার ধর্মোন্মাদ, যুদ্ধোন্মাদ, পরমাণুবাদ পৃথিবীর বুকে — ধর্ষিত মানবতার শ্রেষ্ঠ পতাকা... আসুন, একটুখানি পাশে দাঁড়াই এবং দাঁড়িয়ে ভুলে যাই ব্যক্তিগত আরাম আয়েশ, ধর্মের সংকীর্ণতা, জাতের ক্ষুদ্রতা — আর দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানিয়ে দিই আকাশে, বাতাসে, পৃথিবীর সর্বত্র আমরা সবাই মানুষ মানুষ আমরা সবাই... তাই এই মহামারীতে উজাড় হয়ে যাওয়া, মানুষের পাশে — দাঁড়ানোই হোক আমাদের ধর্ম... |
| |||||
| |||||||
| |||||||
| |||||||
| |||||||
| দুষ্টকবি মিলনসাগরে কবির পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ৩০.৩.২০২০ |

| কবি অজিত বাইরী মিলনসাগরে কবির পাতা এখানে তোলা হয়েছে ৩০.৩.২০২০ |

| শিল্পীকবি মুকুল পুরকায়স্থ মিলনসাগরে শিল্পীর ভাস্কর্যের পাতা মিলনসাগরে তাঁর কবিতার পাতা রচনা ২৬.৩.২০২০ এখানে তোলা হয়েছে ২৮.৩.২০২০ |
| তবে কি মুকুল ঝরে যাবার সময় এলো? শিল্পী কবি মুকুল পুরকায়স্থ তবে কি মুকুল ঝরে যাবার সময় এলো? অজানা ভয় বুকটা জুড়ে কাঁপে থরো থরো, নেই ছুটির আনন্দ, গল্প, আড্ডা নিশ্চুপ এক আতঙ্কে হৃদয়টা জ্বরো জ্বরো . অজানা ভয় বুকটা জুড়ে . কাঁপে থরো থরো॥ আমরা মানুষেরা আসলে কি জানি? সুখ ঘর ভরে যায় পেলে কতখানি . আমরা মানুষেরা . আসলে কি জানি? চাই চাই রোশে পৃথিবীটা আজ ভরেছে ভাইরাসে, মাটিতে বিষ, নিঃশ্বাসে বিষ শুধু দূষিত আকাশ সেই কেবলই হাসে॥ |
| YouTube এ সৈকত সেন রাণার, কবি আর্যতীর্থের "ভেতর যাও" কবিতা পাঠ। |
| কবি পার্থসারথী কবিতাটি পাঠিয়েছেন কবি রাজেশ দত্ত রচনা ২৯.৩.২০২০ এখানে তোলা হয়েছে ৩১.৩.২০২০ |
| দেশ কোয়ারান্টিনে কবি পার্থসারথী বিশ্ব জুড়ে এক যাতনা আতঙ্কের নাম করোনা। শুকিয়ে গেছে মুখের হাসি আতঙ্কে আজ ভারতবাসী। দেশের প্রতি মেটান ঋণ দেশভক্তির পরিচয় দিন। নিজে ঘরে থেকে সুস্থ থাকুন প্রতিবেশীকেও ভালো রাখুন। এ পর্যন্ত সব ঠিকই ছিল কিছু বিষয় গুলিয়ে দিল। চাষের ফসল ওঠার সময় গ্রামের মানুষ কেমনে ঘুমায়? সবাই যখন ঘুমিয়ে ঘরে চ্যানেলগুলো ব্যবসা করে। কোটি টাকার বিজ্ঞাপনে খবর বেঁচছে জনে জনে। নেতা মন্ত্রী আর সেলিব্রিটি জ্ঞানেই বিলোয় চ্যারিটি। সবাই নিজের ঘরে থাকুন জিনিসপত্র কিনে রাখুন। গল্প করুন, টিভি দেখুন যোগা করে সুস্থ থাকুন। এটা করুন, ওটা করুন সঙ্গে মুখটা বন্ধ রাখুন। মুখ খুললেই বাড়বে বিপদ গরিব মানুষ সে তো আপদ। |
| তাদের কথা বলতে গেলে ধরবে পুলিশ ঠেলবে জেলে। ক্ষেতের ফসল খেতেই নষ্ট তবু রাজার আদেশ স্পষ্ট। খালি পেটে মরলে লোকে সব খবরই রাখবে ঢেকে। তাদের কথা বলতে মানা, এ ব্যাপারে সবার জানা। পথের কুকুর আর ভবঘুরে সবার থেকেই থাকবো দূরে। কিন্তু ওদের ঘর কোথায়? ছাদ নেইতো ওদের মাথায়। ওরা খাবার কোথায় পাবে? কেই বা ওদের কাছে যাবে? গরিবি আর খিদের জ্বালা এবার ওদের মরার পালা। খালি পেটে মরলে মরুক ভাইরাস তো দূরে হটুক। খিদের ঠেলায় মরে গেলে ভাগাড়ে লাশ দেবো ফেলে। দিনমজুর আর সব নিচুজাত একুশটা দিন খাবে না ভাত। মাঝেমধ্যেই মিডিয়া নিয়ে খাবার প্যাকেট আসবো দিয়ে। |
| |||||||
| কবি সুব্রত বসু কবিতাটি পাঠিয়েছেন কবি রাজেশ দত্ত রচনা ২৯.৩.২০২০ এখানে তোলা হয়েছে ৩১.৩.২০২০ |
| মৃত্যুভয় তুমি এতো মানবিক? কবি সুব্রত বসু আকাশ টা আজ একটু বেশী নীল সাদা বকটা বড্ডো বেশী সাদা শাহীনবাগে চড়ে বেড়াচ্ছে কবুতর নাগরিকপঞ্জী নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে না কেউ যারা বলছিলো, ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেবে এ দেশ থেকে নিজেরাই তাঁরা স্বেচ্ছা নির্বাসনে কাশ্মীরে কেউ ছুঁড়ছে না আর পাথর কোনো জিহাদী ছুঁড়ছে না কোনো বোমা তিরঙ্গায় ঢাকা লাশের মিছিল বন্ধ হয়ে গেছে রাহুল গান্ধী মোদির প্রশংসা করছে দিদি প্রথমবার মোদিকে গালি না দিয়ে ছুঁটে বেড়াচ্ছে হসপিটালে হসপিটালে। হে মৃত্যুভয় আমি জানতাম না তুমি সাম্যবাদ এনে দিতে পারো ছাদে উঠেছিলাম, আকাশে তারা দেখা যাচ্ছে ঠান্ডা হাওয়া ছুঁয়ে যাচ্ছে কপাল |
| কে যেন বললো ডলফিন এসেছে মেরিন ড্রাইভে নবী মুম্বাইয়ের ফ্লেমিংগো গুলো বলছিলো এবার কিছুদিন বেশি থাকবে এবছরটা নাকি তাদের তেমন ফেরার তাড়া নেই সেক্টর ৪৮ এ শনি মন্দিরের দরজায় তালা, পূজারী পালিয়েছে সেক্টর ৫০ এ সুন্নিদের মসজিদে শুক্কুরবারের নামাজ বন্ধ আজ প্রথম বার জেএনইউ চুপ যাদবপুর চুপ কানহাইয়া চুপ জিগনেশ চুপ ব্রাহ্মণ দলিত চুপ হিন্দু মুসলমান চুপ হে মৃত্যুভয় আমি জানতাম না, তুমি মানুষকে মানুষ বানাতে পারো ঈশ্বর আল্লাহ যীশু যা পারেনি তুমি করে দিলে হাসতে হাসতে হে মৃত্যুভয় মানুষ কে মানুষ করে দিলে |
| কবি উত্তম মজুমদার কবিতাটি পাঠিয়েছেন কবি রাজেশ দত্ত এখানে তোলা হয়েছে ৩১.৩.২০২০ |
| হিং টিং ছট কবি উত্তম মজুমদার অবনী তো আছেই বাড়ি তবে কেন নাড়ছো কড়া মন কী বাতের ছুটছে বুলি ভাষণ শুনতে যাও হে ত্বরা। (২) মারণ রোগে মরছে মানুষ মরবে আরও অনাহারে পথের পরে ক্লিষ্ট মানুষ কাদের জন্য হাহাকারে ? |
| कवि संजय कुंदन কবি সঞ্জয় কুন্দন বাংলায় অনুবাদ কবি মোহিত রণদীপ কবিতাটি পাঠিয়েছেন কবি রাজেশ দত্ত रचना 27.3.2020 এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৩.২০২০ |
| जा रहे हैं हम... कवि संजय कुंदन जैसे आए थे वैसे ही जा रहे हैं हम यही दो-चार पोटलियां साथ थीं तब भी आज भी हैं और यह देह लेकिन अब आत्मा पर खरोंचें कितनी बढ़ गई हैं कौन देखता है कोई रोकता तो रुक भी जाते बस दिखलाता आंख में थोड़ा पानी इतना ही कहता - यह शहर तुम्हारा भी तो है उन्होंने देखा भी नहीं पलटकर जिनके घरों की दीवारें हमने चमकाईं उन्होंने भी कुछ नहीं कहा जिनकी चूड़ियां हमने 1300 डिग्री तापमान में कांच पिघलाकर बनाईं किसी ने नहीं देखा कि एक ब्रश, एक पेचकस, एक रिंच और हथौड़े के पीछे एक हाथ भी है जिसमें खून दौड़ता है जिसे किसी और हाथ की ऊष्मा चाहिए हम जा रहे हैं हो सकता है कुछ देर बाद हमारे पैर लड़खड़ा जाएं हम गिर जाएं खून की उल्टियां करते हुए |
| আমরা চলে যাচ্ছি... কবি সঞ্জয় কুন্দন বাংলা অনুবাদ : কবি মোহিত রণদীপ যেমন করে এসেছিলাম ফিরে যাচ্ছি সেভাবেই দু'চারটে পুঁটলি তখনও সঙ্গে ছিল আজও তেমনি আছে আর আছে এই শরীর কিন্তু এখন হৃদয়-আত্মা কতটা ক্ষত-বিক্ষত কে আর তা দেখে কেউ যদি বলতো, 'থেকে যাও', থেকেও যেতাম যদি দু' চোখে একটু জল থাকতো এটুকুই বলতো, --'এ শহর তো তোমারও!' ওরা ফিরেও কেউ দেখলো না যাদের ঘরের দেয়াল আমাদেরই হাতে ঝকমকে, তারাও কিছু বললো না তেরোশ ডিগ্রি তাপে কাঁচ গলিয়ে বানালাম যাদের হাতের চুড়ি কেউ দেখলো না, একটা ব্রাশ, একটা স্ক্রু ড্রাইভার, একটা রেঞ্চ আর হাতুড়ির পিছনে একটা হাতও আছে তার মধ্যে রক্ত চলাচল করে সে চায়, অন্য আর এক হাতের উষ্ণতা! |
| |||||||||||
| আমরা চলে যাচ্ছি হতে পারে কিছুক্ষণ পর আমাদের পা টলতে থাকবে আমরা কোথাও পড়ে যাবো রক্তবমি করতে করতে হতে পারে আমরা পৌঁছোতে পারলাম না এমনিতেই বা কোথায় আর পৌঁছেছি আমরা আমাদের আর পৌঁছোতেই বা দেওয়া হলো কোথায় আমরা বই অব্দি পৌঁছোতে পৌঁছোতে থমকে গেলাম বিচারালয়ের সিঁড়ির মুখেই থামিয়ে দেওয়া হলো পৌঁছোলো না আমাদের চাওয়াগুলো কোথাও পড়ে পড়ে শুধু অন্যায় সয়ে গেলাম চলে যাচ্ছি আমরা একথা ভেবেই যে আমাদের একটা ঘর ছিল কখনো এখন তা যদি নাও থাকে তবুও সেই দিকেই চলেছি আমরা কিছু তো সেখানে বেঁচে থাকবে যা নিজের মতো মনে হবে! ----------------------------------------- কৃতজ্ঞতা: কবি যশোধরা রায়চৌধুরী। |
| কবি বিদিশা করীম মিলনলাগরে কবির পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ৩১.৩.২০২০ |
| আমি পৃথিবী কবি বিদিশা করীম, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, তৃতীয় বর্ষ, তুলনামূলক সাহিত্য প্রানবন্ত আমি, আমি পয়মন্ত এই আলোকবর্ষে আমি এক ও অদ্বিতীয় আমি পৃথিবী। প্রানের একমাত্র অধিকারি, প্রান প্রদানকারী জলের একমাত্র উৎস, আমি পৃথিবী। ভাবিনি কখনো প্রাণ এনে, . আমি প্রাণহীন হবো, ভাবিনি কখনো মানুষের দরজাতে . এভাবে খিল আটবো। ভেবেছিলাম তাদের মাটি,জল,বায়ু দিয়ে . তাদের খেয়াল রাখবো, তাদের জায়গা দিয়ে আমি তাদের . মনে জায়গা নেবো। আমি দিলাম মাটি, তারা দেশ বানালো আমার মাটিতে দাঁড়িয়ে আমায় ভাগ করলো, আমার বুকের উপর তারা কাঁটাতার ঘিরলো আমি তো চাইনি তা- আমি দিলাম বায়ু, তারা গ্যাস বানালো, উন্নতির শিখরে উঠতে উঠতে বাতাসকে ভুলে গেলো, গাছ কাটলো, বাড়ী করলো, অক্সিজেনকে কমিয়ে দিলো আমি তো চাইনি তা- |
| আমি দিলাম জল, তারা দুষিত করলো কলকারখানার যত নোংরা আবর্জনা আমার নীলে ফেললো, জলের বুক চিরে যুদ্ধ জাহাজ গেলো আমি তো চাইনি তা- আমি মানুষ দিলাম, তারা ধর্ম বানালো ধর্ম বানিয়ে একে অপরকে কাটলো, সবার রক্ত লাল দেখেও তারা অবুঝ থাকলো আমি তো চাইনি তা- এত জ্বালা, যন্ত্রনা, বুকে নিয়েও . আমি তাদের ভালো বেসেছি কখনো দাবানলে, কখনো ভূমিকম্পে, সুনামিতে . জানান দিয়েছি “আমি আছি”, তাদের প্রথম বানানো চাকাকে উৎসাহ দিয়েছি . কিন্তু এমন উন্নতি আমি চাইনি দিকে দিকে, ধোঁয়া, শব্দ, বারুদের গন্ধে . আমি আমার প্রাপ্য পাইনি। পাখীর ডাকে আমি বহুদিন ঘুম থেকে উঠিনি, নদীর কুলুকুলু ধ্বনি কানে বহুদিন বাজেনি, সবুজ গাছেদের এত আরাম আমি বহুকাল দেখিনি, এত নীরব সুর আমি বহুকাল শুনিনি। |
| কবি রাম চক্রবর্তী কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ৩১.৩.২০২০ |
| বিশ্বমানবতা যখন আক্রান্ত কবি রাম চক্রবর্তী বিশ্বমানবতা যখন আক্রান্ত - সভ্যতা যখন বিপন্ন বিশ্বব্যাপী ভয়ানক বাস্তবের মাঝে ধর্মবিশ্বাসী মানুষেরা এক নিশ্চিত আশ্রয়ের ঠিকানা খুজছে যখন সর্বধর্মের দেবালয়ের দ্বার ভক্তদের জন্য *অবরুদ্ধ* তখন বিশ্বময় একে একে মানব সেবায় উন্মুক্ত হয়েছে *সেবালয়ের দ্বার* গলায় ষ্টেথিষ্কোপ ঝুলিয়ে নিদ্রাহীন - ক্লান্তকাতর পথ চেয়ে দাড়িয়ে আছে আমাদের প্রাণচঞ্চল প্রিয়জনকে বাঁচাবার প্রতিজ্ঞা নিয়ে - সাথে রয়েছে আমার *বোনেরা* আমরা যখন মৃত্যু ভয়ে সেচ্ছা গৃহবন্দী - তখন দিনরাত মানব সেবায় আজকের ভগিনী নিবেদিতারা =শিবজ্ঞানে জীবপূজার পূজারিনী= "জীবে প্রেম করে যেই জন- সেই জন সেবিছে ঈশ্বর" বীর সন্নাসীর অমৃত বাণী আত্মস্হ করে মৃত্যু পথযাএী আমাদের আত্মজের জন্য মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে আমার প্রানের দেবতারা - "অন্ধজনে দেহ আলো মৃতজনে দেহ প্রাণ" মানবতার পূজারী গুরুদেব রবীন্দ্রনাথের অমৃত সৃষ্টি অনুসরন করে সমগ্র স্বাস্হ্য কর্মী সহ মানব সেবার এই পবিত্র কর্মযজ্ঞে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত সমস্ত পুরোহিত ও সেবাইত দের = শুনরে মানুষ ভাই-সবার উপর মানুষ সত্য তাহার উপর আর কেহ নাই = |
| কবি ডঃ অরুণাচল দত্তচৌধুরী কবিতাটি পাঠিয়েছেন কবি রাজেশ দত্ত এখানে তোলা হয়েছে ৩১.৩.২০২০ |
| পরিযায়ীনামা কবি ডঃ অরুণাচল দত্তচৌধুরী। কার্টুন - শুভেন্দু সরকার খিদের জ্বালায় ভিনরাজ্যে গেছ মানচিত্রের আঁধারে ঘুপচিতে মুখ লুকিয়ে বেঁচেছ কোনওমতে ভেবেছ বুঝি লড়াই গেছ জিতে! আজ দুর্যোগ, খিদে মেটার আশা এই প্রবাসে সুদূর পরাহত কাজেই ফিরে যাবে নিজের গ্রামে ইতিহাসের প্রাচীন প্রথামতো। মানুষ তুমি ঘরে ফেরার পথে। হয়তো মৃত্যু রয়েছে... গায়ে মুখে। খাবার না দিক, সভ্য রাষ্ট্র জানে স্প্রে-গান দিয়ে মুছতে জীবাণুকে। হাজার পাখি, পর্বত টপকিয়ে প্রাণ বাঁচাতে আসত গৃহহারা। ঠিক এই ভাবে ছররা গুলি দিয়ে খুন করত মাংসলোভী যারা। |

| কবি অজিত বাইরী মিলনসাগরে কবির পাতা এখানে তোলা হয়েছে ৩.৪.২০২০ |

| কবি দিবাকর সরকার কবিতাটি পাঠিয়েছেন কবি রাজেশ দত্ত এখানে তোলা হয়েছে ৩.৪.২০২০ |

| কবি অজিত বাইরী মিলনসাগরে কবির পাতা এখানে তোলা হয়েছে ৩.৪.২০২০ |

| কবি অলকরঞ্জন বসুচৌধুরী কবিতাটি পাঠিয়েছেন কবি রাজেশ দত্ত এখানে তোলা হয়েছে ৩.৪.২০২০ |
| গৃহবন্দীর কবিতাযাপন : করোনা কবি অলকরঞ্জন বসুচৌধুরী। জামশেদপুর। করোনা করোনা রাক্ষসী করোনা, গরলেতে ভরা বুক, ধার কারো ধারো না! অঞ্চলে সঞ্চিত মৃত্যুর আশ্বাস কারোকে রেহাই দেবে, নেই সেই বিশ্বাস, ঝুলি ভরা মারীবীজ, নেই কোনো করুণা! . করোনা! মানুষের প্রাণ-হরা, জগতের দুশমন! তোর বিষে ছারখার নিখিল-জনজীবন, তোর হাতের কাল-ছাপ লাগে যার অঙ্গে, মরণের কালো ছায়া ফেরে তার সঙ্গে, দলে দলে বদ্যির দ্বারে দেয় ধর্না। . করোনা! এসো শান্তির দেশে খলখল হাস্যে পিশাচীর হাসি দেখি ঝলে ওই আস্যে, কত তাজা জীবনের করো তুমি অন্ত ছিঁড়ে খায় কত প্রাণ তোমার ঐ দন্ত --- ভরসার ভরা ঘট ভেঙে বলো -- 'মরো না'! . করোনা! মরণের উৎসবে তুই মারী-ধাত্রী, মানুষের বুক চিরে হলাহলদাত্রী, মৃত্যুর অঞ্জলি দিতে দিতে তুই যাস, শ্মশান হয় জনপদ লেগে তোর নি:শ্বাস! কত যে ক্ষমতা তোর, নেই কারো ধারণা! . করোনা! |
| কবি মৌতুলী নাগসরকার কবিতাটি পাঠিয়েছেন কবি রাজেশ দত্ত এখানে তোলা হয়েছে ৩.৪.২০২০ |
| সুসময় এসো কবি মৌতুলী নাগসরকার মারী কেটে গেলে সুসময় এসো, ওখানে গোধূলি আলোয় খুব মেখে নেব শেষ রঙটুকু। বসন্ত ঝরিয়েছে যত পাতা ---- মারী কেটে গেলে, হেঁটে যাব সে সব ছুঁয়ে। মারী কেটে গেলে, নয়ানজুলি ছুঁয়ে লিখে দেব আমাদের বিচ্ছিন্নতার কথা। সুসময় এসো।। |
| কবি অজিত বাইরী মিলনসাগরে কবির পাতা এখানে তোলা হয়েছে ৩.৪.২০২০ |

| কবি দিগন্ত রায় কবিতাটি পাঠিয়েছেন কবি রাজেশ দত্ত এখানে তোলা হয়েছে ৩.৪.২০২০ |
| মারণ ভাইরাস কবি দিগন্ত রায় ভোগের লালসা ভেঙেছে যে ভারসাম্য সবুজ এ ধরা বেড়িটার বন্ধনে, অমৃত খুঁজে গরল উঠেছে যে নেচে -- ত্রাহি ত্রাহি রব...প্রকৃতির মন্থনে! বসার ডালটা নিজেই কেটেছ মানুষ, কী হবে সে নীলকণ্ঠের সন্ধানে!... |
| কবি দিগন্ত রায় কবিতাটি পাঠিয়েছেন কবি রাজেশ দত্ত এখানে তোলা হয়েছে ৩.৪.২০২০ |
| ছোঁয়া কবি দিগন্ত রায় ফুটিফাটা নিষ্প্রাণ জমির কঠিন আলপথ ধরে যেতে যেতে সেই সব ছোঁয়াগুলো নিঃশব্দ শিশিরের মতো ভেজায় পথ অজান্তে মাথায় ধরে মেঘের ছাতা, শীতল করে এক পশলা বৃষ্টি ক্লান্ত পথিক মনকে সবুজ করে একটু সোঁদামাটির গন্ধ। ছোঁয়াচে ছোঁয়াগুলো ঝরাপাতদের স্মৃতির বাগানে নীরবে ফুটিয়ে চলেছে গন্ধরাজগুলো। প্রবল জ্বরে বেহুঁশ, পৃথিবী যেন শূণ্য 'খোকা, ভাল লাগছে', জলপটি দেওয়া মায়ের হাতের ছোঁয়া -- একনিমেশে কোথায় যেন হারাল সকল ক্লান্তি! স্কুলের পরীক্ষায় রেজাল্ট খুব খারাপ, বাড়িতে দেখাব কি করে! সহসা মাথায় ভেঙে পড়েছে গোটা আকাশ দুশ্চিন্তায় পথের ধারে গাছতলায় কখন গিয়েছি ঘুমিয়ে! 'ভেঙে পড়লে হবে, চেষ্টা কর, পরের বারে দেখিস ঠিক ভাল হবেই'-- বাংলা স্যারের স্নেহসিক্ত হাতের স্পর্শে সব মেঘ যেন কেটে গেল! সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রাস্তায় এক রকম দৌড়াচ্ছি স্টেশনের দিকে লাস্ট ট্রেনটা ধরবো বলে দূর থেকে ট্রেনটাকে দেখা যাচ্ছে...পেতেই হবে… হঠাৎ একটা ছোট গর্তে পা গেল হড়কে… পড়ার আগেই পাশের মেয়েটি ধরে ফেললো, 'লাগেনিত' ধন্যবাদ দেওয়ার ভাষা খুঁজে না পেয়ে স্তব্ধ হয়ে গেলাম! |
| বসন্তে দেখেছিলাম সময়ের ক্ষতে পলাশ ফোটানোর স্বপ্ন খসে গেল মা, কালো মেঘে ঢেকে গেল পলাশের বন দীর্ঘ বেকারিত্বের আগুন ছড়িয়ে দিল দখিনা বাতাস… মোড়ের মাথায় হঠাৎ দেখা ছোটবেলায় হারান সেই মেঘবালিকার নানা জিজ্ঞাসার পর চাকরির কথায় আমি কাঁচুমাঁচু কাঁধে সহমর্মিতার ছোঁয়া, 'লেগে থাক, দেখিস ঠিক পেয়ে যাবি' সময়ের স্রোতে ভাসতে ভাসতে এলাম, এ কোন পৃথিবী! পথঘাট, বাজার, স্টেশন পায়ের স্পর্শ না পেয়ে সব ঘুমিয়ে বাড়িগুলোর কী এক অশনি সংকেতে দরজা-জানলা বন্ধ আজ এ কোন বসন্ত জাগ্রত দ্বারে দ্বারে! জীবনের খরায় যে ছোঁয়াগুলো লাল স্বপ্ন দেখায় দখিনা হাওয়াও যেন সংক্রামক, বিষের গন্ধ! মানুষে মানুষে দেয়াল তুলতে পারেনি সে অদৃশ্য শত্রু বরং টিকি-দাড়িগুলো সেতু বেঁধেছে একে অপরের সাথে বিশ্বজুরে কাঁটাতারগুলো ভেঙেছে একতার ঝড়ে ঠাকুরেরা সব মুখ ঢেকেছে লাজে মন্দিরে মসজিদে ছোঁয়াচে ছোঁয়ারা বোতলবন্দী জ্ঞানের আলোয় কালের ঢেউয়ে বারে বারে তুমি আঁছড়ে পড়েছ মানুষে জ্ঞানের মশালে একতার ঢালে রুখেছি আমরা তোমাকে একা থেকে আজ ঘরে ঘরে বেঁধেছি হৃদয়গুলো ছুঁয়ে ছুঁয়ে মৃত্যুমিছিল প্রতিহত হবে জ্ঞানের মশালে আগের মতোই মানুষ গাইবে জীবনের জয়গান করোনার এপিটাফে... |
| কবি উত্তম মজুমদার কবিতাটি পাঠিয়েছেন কবি রাজেশ দত্ত এখানে তোলা হয়েছে ৩.৪.২০২০ |
| প্রশ্ন কত কবি উত্তম মজুমদার আমরা যারা এই শহরে দিব্যি আছি বন্দী ঘরে খাচ্ছি-দাচ্ছি শুনছি রবি রক সঙ্গীত, দেখছি ছবি ভাবছি নাকি একটি বার খিদেয় নিল জীবন কার? জবাবটা তাই দেব কী ভুখা পেটে আত্মঘাতী সেই যে মানুষটি । আবার দেখুন হাঁটছে মানুষ আকাশটাকে উল্টে ধরে, ঘামের স্রোতে পথ থেমে যায় তিনশো কি মি-র চাপেই মরে । কোথায় গেল মনের বুলি পি.এম.-কেয়ার্স টাকার ঝুলি? চোখের তারায় জ্বলছে ক্রোধ বলেই ফেলে কেউ অবোধ ---- খুন করেছে সরকার বন্ধু, তবু বলেই যাবেন ------ রাজনীতিটা কেন আনেন খুব কি এখন দরকার? |
| কবি রাজেশ হালদার তাঁর ইমেল - halderrajesh2010@gmail.com এখানে তোলা হয়েছে ৩.৪.২০২০ |
| আমাদের যে ঘর যেতেই লাগে কবি রাজেশ হালদার আবার সামনে ট্রাফিক মোড় খেলাম বুঝি ডান্ডা বা দু থাপ্পর। আর কত পথ বাকি জানিনে, সকাল থেকে হেঁটে চলেছি দল বেঁধে, কি আছে কপালে, আছে যা হবে। বৌটা কি করে ? নিয়ে ছেলে পুলে, বুঝি বা ভয়ে কেদেঁ না খেয়ে মরে। মাস প্রয়লা হপ্তা হলে টাকা কখান পাঠাতাম তারে, খেতে পারতো ডাল রুটি বেলে। আমাকে যে ঘর যেতেই লাগে। রনবীর নামে কেউ মরেছে পথে, লোক মুখে শুনে বলে গেল ঐ দলে, টিভি তে খবর হল কি কে জানে, টিভি বালারা তো দেখায় তাদের ইচ্ছে পুরলে। বুড়ো বাপ মা টা কি করে, আমাকে যে যেতে লাগে ঘরে। টিভি দেখুক কেনে নেতা মন্ত্রী, যে যেখানে থাকতে বলেছেন প্রধান মন্ত্রী। খাবারের ব্যাবস্থা করবেন শুনেছি, সে ছোট্ট থেকে শুনি কোন ভরষাই দিন গুনি, গরীবি সব হটে যাবে মুছে যাবে দুঃস্বপ্ন, সবাই দু মুঠো পেট পুরে খাবে মিছে সে এখনো। |
| Poet Ashok Gupta His Facebook - The Poet works at University of Delhi Published here on 4.4.2020 এখানে তোলা হয়েছে ৪.৪.২০২০ |
| ABSURDITY RULES by Ashok Gupta This is the country where all is topsytervy We are being rolled in absurdity Rulers rule with impunity Populace suffer indignity. Judiciary is elastic Justice made spastic. The Supremo has donned the robes of a saviour. Fully dictatorial in behaviour. Master at addressing millions Promising the nation of trillions. We are being led by whims, Freedom has lost its wings. God knows what is going to befall, The threat from the virus looming large. What will lighting the lamps signify? That we are having mini Diwali While humanity cries and propaganda thrives. |
| কবি সুব্রত মজুমদার তাঁর ইমেল - subrata.mjder@gmail.com এখানে তোলা হয়েছে ৫.৪.২০২০ |
| ঘর ঢুকো গো খুঁড়ো আমার কবি সুব্রত মজুমদার বলছি খুঁড়ো কি দিন অ্যালো গুণ্ডুগুলের নাইকো শ্যাষ চুরের মতন মুখট বেঁধে ঘুরছে লুকে, লাগছে বেশ। রাগ কোরোনা ওগো খুঁড়ো মুখ্যুসুখ্যু বুঝিই কি ? লাতি বললে রোগ এসেছে, বেপজ্জনক মহামারী। তুমি খুঁড়ো অষ্টআশি আমারও তো ঊনষাট, বিড়ির ধুমোয় কাশি আসে, দমের রোগ, হাঁটুয় বাত। লাতি বললে, শুনগো বুড়ো ঘরের বাইরে বেরোস না, হ্যানওয়াশে হাতট ধুবি, বাইরে রুগের কারখানা । বলি, হারে পুঁয়েমুখো, তু শিখেবি আমাকে? দু'চার পাতা বই পড়ে পা পড়ে না দেমাকে। জানিস কেনে আঁতুর ঘরে ঢুকতে নাই সবাইকে ? একুশট দিন থাকতে হয়, মা আর ছা কে একসাথে। ওরে হোড়োল, ইটোও তো অ্যাক রকমের লকডাউন, বাইরে হতে আসবে না রুগ, অ্যাই লিয়মের অ্যামনি গুন। অনেক কিছু আগেও ছিলো, আজও আছে, বুঝলি ভাই, লাতি আমার তাকিন থাকে, ই কথাটর জবাব নাই। বুঝলে খুঁড়ো ডরাই নাকো মহামারীই মরতে, কিন্তু ক্যানে রুগ ছড়াবো বিচের বুদ্ধি থাকতে ? মাস্ এনেছি বাঁধব মুখে, বেরেবো নাকো বাইরে আর; লিয়ম মেনে সুস্থ থাকো, ঘর ঢুকো গো খুঁড়ো আমার।। |
| কবি ডঃ সুদীপ মণ্ডল মিলনসাগরে কবির পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ৫.৪.২০২০ |
| করোনা তুমি করুণা করো না কবি ডঃ সুদীপ মণ্ডল করোনা তুমি করুণা করো না, একটিও প্রাণ আর কেড়ে নিও না। বিশ্বব্যাপী আজ এ এক মহামারী অসহায় মোরা কি আর করিতে পারি, আপন মুখে মুখোশ টানি তোমার লাগাম টানা গেল না। গৃহের মাঝে বন্দী দশা এটাই স্বদেশ-প্রেম ভালোবাসা, ডাইনে রাম; বামে রহিম সবার বুকের রক্ত হিম। হাত ধুইবো মোরা সাবান দিয়ে চলবো ফিরবো গা বাঁচিয়ে, করোনা তোমার করুণা চাহি না মরণকে আর পরোয়া করি না। |
| কবি ইউসুফ মোল্লা তাঁর ইমেল - yousufamin07@gmail.com এখানে তোলা হয়েছে ৫.৪.২০২০ |
| আমি কে? কবি ইউসুফ মোল্লা লিখতেও ভয় করে, না জানি কী আছে কপালে! এমন সময় লেবুগাছটার কাছে মশার উপদ্রবে পেঁচাটাও ডেকে ওঠে। আর কোনো শব্দ নেই;বুকের মধ্যে ভয়টা মিশে গেছে শিশিরের সকালে। সমাজটা আজ চলছে রোদ্দুর রায়ের দাপটে। সস্তা যৌবন মিশে গেছে মমতাময়ী মায়ার মুখে, আর কারো কৈশোর আসবে না ভেঙে চাকরির সুখে! পচা সমাজে আবার ধরেছে করোনার মহামারী, প্যাঁচার মুখে থাকা ইঁদুরের কাছে এ কী এমন আহামরি। সন্তানহারা মায়ের কাছে বলো, এর থেকে আরো চাও কী? রাজ্যসভায় আসন পাবে যদি থাকে তোমার রাষ্ট্রপতি। আসলে আমার একাকিত্ব নেই, আমি ঈশ্বরে বিশ্বাসী। # হঠাৎ আমি চমকে উঠে, অবাক হই, আমি কে? আজ আর চিনতে পারিনা নিজেকে।। |
| শিল্পীকবি মুকুল পুরকায়স্থ মিলনসাগরে শিল্পীর ভাস্কর্যের পাতা মিলনসাগরে তাঁর কবিতার পাতা রচনা ৩১.৩.২০২০ এখানে তোলা হয়েছে ৫.৪.২০২০ |
| মন্দির নয় মসজিদ নয় শিল্পী কবি মুকুল পুরকায়স্থ মন্দির নয়, মসজিদ নয় দেশে হাসপাতালে ভরো মহামারী করোনা সেটাই জানান দিলো॥ একদিন আজান না দিলে, আল্লাহ অখুশি হবেনা একদিন পুজো না পেলে, ভগবান রুষ্ঠ হবেনা একদিন চিকিৎসা না পেলে, একটা অমূল্য জীবন থাকবেনা॥ কাবায়, মন্দিরে, গুরুদ্বোয়ারে ফুল না চড়িয়ে সে ফুলের মালা গেঁথে তাদের গলা ভরিয়ে দাও যারা ছোঁয়াচে শরীরের পাশে দিনরাত উজাড় করে ঘরে ফেরালো তোমার প্রিয় মানুষটিকে॥ |
| কবি অসীমরঞ্জন ভট্টাচার্য মিলনসাগরে তাঁর গণসঙ্গীতের পাতা . . . রচনা ৫.৪.২০২০ এখানে তোলা হয়েছে ৫.৪.২০২০ |
| হুকুম তোমার মানবোনা কবি অসীমরঞ্জন ভট্টাচার্য ৫ই এপ্রিল ২০২০ তারিখের রাত ৯য়টায়, প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর, সব দেশবাসীকে সব আলো নিভিয়ে মোমবাতি জ্বালাতে বলার উত্তরে লেখা কবিতা . . . হুকুম তোমার মানবোনা মোমের বাতি জ্বালবোনা "তোমার অনেক টাকা-কড়ি, অনেক দড়া অনেক দড়ি, অনেক অশ্ব অনেক করী-- অনেক তোমার আছে ভবে। ভাবছ হবে তুমিই যা চাও, জগৎটাকে তুমিই নাচাও-- দেখবে হঠাৎ নয়ন খুলে হয়না যেটা সেটাও হবে॥ |
| কবি রাতুল ঘোষ কবিতাটি পাঠিয়েছেন কবি রাজেশ দত্ত এখানে তোলা হয়েছে ৬.৪.২০২০ |
| আলো কি কখনো কারো শত্রু হতে পারে? কবি রাতুল ঘোষ আলো কি কখনো কারো শত্রু হতে পারে? আলো কি কখনো কারো বাড়া ভাতে দিতে পারে ছাই? সত্যি কি ভাত বাড়া ছিল? থালা গলে গেছে বুঝি অনাহারে। আমরা কি আঁধার ঘোচাব বলে আলো জ্বেলে যাই? মড়া মানুষের মুখ শান্ত লাগে আজ। যারা বেঁচে আছে যদি তাদের মুখের দিকে চেয়ে দেখি, আলোর ভেতর ঝাঁপ দিল যে পোকাটি, তার পোড়া ডানার বিকার দেখা যায়। সে দৃশ্য দেখার জন্য আলো নেই আর। আলো কি কখনো কোনো ক্ষতি করতে পারে? সে তো ভালো। অন্ধকার জমে থাকে - গ্রামে গ্রামে মহল্লা মহল্লা যারা আগুন জ্বালালো, তারা মশালের আলো নিয়ে ঠা ঠা কড়া নাড়ে, ভয়ে কারা লুকিয়ে রয়েছে, অন্ধকারে? আলো বুঝি তাদের দারুণ কোনো ক্ষতি করতে পারে? আমরা তো বুঝিনা। দিয়া জ্বালি। নারকেল পাতার নীচে চাঁদ ডুবে যায় দেশোয়ালি। |
| কবি দিগন্ত রায় কবিতাটি পাঠিয়েছেন কবি রাজেশ দত্ত এখানে তোলা হয়েছে ৬.৪.২০২০ |
| রাত ৯টা কবি দিগন্ত রায় আঁধারের আস্তিনে লুকিয়ে আছে না জানি কত কী ছায়ার মতো বাড়ি বাড়ি উঁকি দিয়ে যায় মৃত্যুর বাঁকা হাসি গোলায় উদ্বৃত্ত ফসল...বাজারে হাহাকার, মুনাফার গল্প খই ছড়ানো পথে চিতায় পুড়ছে ক্ষুধা অস্পৃশ্য মৃত্যুর ভিড় পথে বাজারে অনটনের ছায়ায় যমের সাথে অসম যুদ্ধে অপ্রতুল কিছু নিধিরাম অন্ধ ধৃতরাষ্ট্র বসেছেন সন্ন্যাসে সুপ্ত আগ্নেয়গিরির ওপর মেতেছেন আজ ঘরের আলোটা নিভিয়ে অকাল দীপাবলিতে দীপের আলোয় পতঙ্গদের মতো বাকিরা ঝাঁপিয়ে পড়বে বলে!... |
| কবি তড়িৎ রায়চৌধুরী তাঁর ইমেল - eloraroy76@gmail.com এখানে তোলা হয়েছে ৭.৪.২০২০ |
| বড্ড বোর হয়ে পড়েছি কবি তড়িৎ রায়চৌধুরী বড্ড বোর হয়ে পড়েছি কতদিন ফুচকা খাইনি রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে বিরিয়ানির গন্ধ পাইনি কতোদিন চীন তোর ভালো হবে না দেখিস। এসময় মন কে খুশী রাখাই প্রধান কাজ ভয় পাস না,মৌজ মস্তি কর সেলফি না হোক, চ্যালেঞ্জ পোস্ট দে সুখের চাটনি ছড়িয়ে রাখ চারিপাশে খুশী থাক খুশী ভয় পাসনি খুকি। তবু,বুকের পাঁজর বেয়ে উঠে আসছে ঠাণ্ডা শিরশিরে হাওয়া পোস্ট দিতে গিয়েই চোখে পড়ল সেদিন হাজার হাজার মানুষ মানুষ না মানুষ না---পরিযায়ী শ্রমিক মাথার উপর ছাদ নেই সামনে ভাতের থালা নেই কাতারে কাতারে জড়ো হয়েছে রাজার দরজায়। ওরা বাড়ি ফিরতে চায়---বাড়ি। বিদেশ বিভুঁই-এ শেয়াল কুকুরের মতো মরবে না এই ওদের পণ। কিন্তু এখন তো কোয়ান্টায়িন এখন তো ঘরে থাকার সময় সুরক্ষিত দুর্গের মতো ঘর। |
| কবি তড়িৎ রায়চৌধুরী তাঁর ইমেল - eloraroy76@gmail.com এখানে তোলা হয়েছে ৭.৪.২০২০ |
| আরো বেশি একা হতে শেখো কবি তড়িৎ রায়চৌধুরী আরো বেশি একা হতে শেখো দম্ভে না ভয়ে না আত্মবিশ্বাসে ভর করে একাকীত্বে ডুব দিতে শেখো। আল্লার আশ্রয় ছাড়ো ছেড়ে দাও সব ধর্মস্থান মনের গভীরে গিয়ে দেখো অমিত শক্তিশালী প্রাণ। চলো তার পূজা করি আজ দোয়া মাগি দুয়ারে তাহার নিজেদের পায়ে হাত দিয়ে কাঁধে তুলে নিই দায়ভার। যত বেশি ভয় পাবে তুমি তত বেশি বিক্রি হয়ে যাবে যত বেশি দম্ভে উজ্জ্বল তত বেশি অন্ধ অনর্গল। বরং আড়ালে এসো সরে দেখো ঐ বৃক্ষটি একা শিকড়ে শিকড়ে তার যোগ মাটি জল মিলেমিশে খাওয়া। ছুঁয়ে ছুঁয়ে থাকা তো সহজ নির্ভরতা ভালোবাসা নয় ভগবান জানি ম্যাজিক সলিউশান দৃষ্টি বদলে নাম ও বদল হয়। |
| কবি তড়িৎ রায়চৌধুরী তাঁর ইমেল - eloraroy76@gmail.com এখানে তোলা হয়েছে ৭.৪.২০২০ |
| আমার অন্য কোন ঈশ্বর নেই কবি তড়িৎ রায়চৌধুরী আমার অন্য কোন ঈশ্বর নেই তুমি ছাড়া হে আমার নশ্বর পৃথিবীর মরণশীল লড়াকু মানুষ। মৃত্যু সীমান্তে এখন যুদ্ধ উপযুক্ত বর্ম নেই অস্ত্রেও শান নেই ততো নিধিরাম দাঁড়িয়ে আছে শুধু জেদ আর কর্তব্যের পায়ে ভর দিয়ে। মহাকাব্য রচিত হচ্ছে মুহূর্তে মুহূর্তে ভবিষ্যৎ চলচ্চিত্রের মন্তাজ বানাচ্ছে মৃত্যু তবুও সে লড়ে যাচ্ছে দিন থেকে রাত রাত থেকে মহাজাগতিক। যখন ভেবেছি বসে এখন সে দিন নেই আর কেউ বুঝি থাকে না কারো পাশে পায়রার খোপে থেকে মন মরে গেছে তখন দেখালে তুমি কতবড় বক্ষপট কতটা জীবন বেঁচে আছে। |
| |||||||||||
| |||||||||||
| |||||||||||||||||||||||
| |||||||||||||||||||||||
| |||||||||||||||||||||||
| |||||||||||||||||||||||
| |||||||||||||||||||||||
| |||||||||||||||||||||||
| |||||||||||||||||||||||
| |||||||||||||||||||||||
| |||||||||||||||||||||||
| |||||||||||||||||||||||
| |||||||||||||||||||||||
| |||||||||||||||||||||||
| কবি স্বপ্না ঘোষ মিলনসাগরে তাঁর কবিতার পাতা - এখানে তোলা হয়েছে ৮.৪.২০২০ |
| ভরসায় ছুঁয়ে থাকি কবি স্বপ্না ঘোষ পরিবারে যে কজন আছি , ইদানীং ইচ্ছে করেই আমরা / একটু উঁচু স্বরে , বেশি বেশি কথা বলি , / বসন্তবাতাস জানুক ঘরে মানুষ আছেন ধরিত্রী জুড়ে । / কথার ফাঁকে তাকিয়ে দেখি , বাড়িতে , কয়েকটি টবে / গাছেরা অধিকতর উদ্ভাসিত , / হেতু , বায়ুদূষণ্ স্তিমিত ? / স্খলন কিছু যদি হয়েও থাকে-/ আলো হাওয়া গাছেরা , এভাবে আলাদা করে আমাদের / দূরে ঠেলে দিও না , / কাছে থাকো , ভরসায় ছুঁয়ে থাকি / খবর তো শুনেছো, ভালো নেই মানবজাতি। |
| কবি কৌশিক চট্টোপাধ্যায় গানটি পাঠিয়েছেন কবি রাজেশ দত্ত এখানে তোলা হয়েছে ৮.৪.২০২০ |
| প্রদীপ জ্বালবো না গীতিকার: কৌশিক চট্টোপাধ্যায়। সুরকার: প্রদ্যুৎ চৌধুরী। কণ্ঠশিল্পী: প্রত্যুষা চৌধুরী। নিবেদন: প্রগ্রেসিভ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। মাথার ওপর জ্বলছে আগুন নেইকো পথের শেষ পেটের ভেতর জ্বলছে আগুন হাঁটছে সারাদেশ। সেই আগুনেই প্রদীপ জ্বেলে মিথ্যায় ভুলবো না, মন্ত্রী তোমার হুকুম মেনে প্রদীপ জ্বালবো না। কিসের অকাল দীপাবলি মিথ্যা আলো খুঁজি লকডাউনের বন্দী দেশে বন্ধ রুটি রুজি, বাইরে মারী,ঘরে খিদে জীবন যন্ত্রণা মন্ত্রী তোমার লোক দেখানো প্রদীপ জ্বালবো না। কঠিন সময় একতা চাই বলছো সবার কাছে তুমিই জানো দেশের ভেতর আর একটা দেশ আছে। |
| |||||||||||
| কবি বিশ্বজিত চ্যাটার্জী তাঁর ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ১১.৪.২০২০ |
| আরে বাবা,আমি বেঁচে থাকি কবি বিশ্বজিত চ্যাটার্জী আরে বাবা,আমি বেঁচে থাকি, তোমরা নরকে গেলে যাবে ; পেটে খিদে?তবু বোঝনা কি তোমরাই করোনা ছড়াবে? সহমানুষের জন্যে ভাবো, বসে থাকো পেটে মেরে কিল। সারাদিন শুধু "খাব খাব" সারাদিন ক্ষুধার মিছিল- এসব সহেনা আর বাছা, বিরক্তির কিছু সীমা থাকে; খুলে গেলে মধ্যবিত্ত কাছা, কেউ নেই বাঁচাবে তোমাকে। |
| কবি দেবী পালিত কবিতাটি আমাদের পাঠিয়েছেন শ্রী পার্থসারথী সরকার প্রথমে আমরা কবিতাটিকে অজ্ঞাত কবির কবিতা বলে প্রকাশ করেছিলাম। আমরা কৃতজ্ঞ কবি বিশ্বজিত চ্যাটার্জীর কাছে, যিনি ১.৫.২০২০ তারিখে এই কবির প্রকৃত নাম আমাদের জানিয়েছেন। কবি বিশ্বজিত চ্যাটার্জীর ফেসবুক পাতা... এখানে তোলা হয়েছে ১১.৪.২০২০ |
| মনে আছে? অজ্ঞাত কবি মনে আছে? সিরিয়ার সেই তিনবছরের ছেলেটির কথা বোমায় ক্ষতবিক্ষত শরীর নিয়ে মরে যাবার আগে যে বলেছিল- 'আমি ঈশ্বরকে সব বলে দেব' সে হয়তো ঈশ্বরকে সব বলে দিয়েছে। হয়তো বলে দিয়েছে - আমাদের পৈশাচিকতার কথা; আমাদের লোভের কথা; আমাদের অসভ্যতার কথা; আমাদের নির্যাতনের কথা। আমরা মানুষ মেরেছি হাজারে হাজার, আমরা একে অপরকে ধ্বংস করার জন্য মারণাস্ত্র বানিয়েছি লক্ষ-কোটি, মানুষে মানুষে বিভেদ বাড়ানোর জন্য তৈরি করেছি নানা গোপন অস্ত্র। সে হয়তো ঈশ্বরকে সব বলে দিয়েছে। |
| অজ্ঞাত কবি কবিতাটি আমাদের পাঠিয়েছেন শ্রীমতী সাগরিকা সেনগুপ্ত এখানে তোলা হয়েছে ১১.৪.২০২০ |
| জন্ম ও মৃত্যু ??? অজ্ঞাত কবি দেখতে দেখতে বয়স প্রায় , , হল পাঁচ মাস , , সবার কোলেই হচেছ বড় , , করনা ভাইরাস । . চীনে হল হাতে-খড়ি , , ফ্রান্সে পড়াশোনা , , ইতালিতে কলেজ জীবন , , জার্মানে অধ্যাপনা । বৃটেনে প্রেম-পর্ব , , এক পলকের দেখায় , , বিবাহটা ফেলল সেরে , , সুদূর আমেরিকায় । বউভাতটা জমিয়ে হল , , প্রচুর ধুমধাম , , , সোহাগ করে আনল ধরে , , দয়াবতী ইরান । স্পেনে গিয়ে মধু-চন্দ্রিমা , , কত না হুল্লোড় , , কানাডাতে নতুন করে , , বসাল আসর । |
| কবি ব্রতী মুখোপাধ্যায় তাঁর ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ১১.৪.২০২০ |
| দেখো কোথায় মুসলমান ফড়িং আছে কবি ব্রতী মুখোপাধ্যায় দেখো কোথায় মুসলমান ফড়িং আছে খুঁজে বের করো ডানা ছিঁড়ে দাও জি, হুজুর দেখো কোথায় মুসলমান প্রজাপতি আছে খুঁজে বের করো ডানা ছিঁড়ে দাও জি, হুজুর রজনী অপরাজিতা শিরীষ বকুল ফুল বটে দেখো কে কে মুসলমান পাপড়ি ছিঁড়ে দাও জি, হুজুর করোনাভাইরাস? হিন্দু? না মুসলমান? দাঁড়াও দেখি চিন্তন বৈঠকে সংঘ আমাদের কী বলছেন দেখি |
| কবি অমিতাভ ভট্টাচার্য কবিতাটি আমাদের পাঠিয়েছেন শ্রীমতী সাগরিকা সেনগুপ্ত এখানে তোলা হয়েছে ১৪.৪.২০২০ |
| অথচ. . . . কবি অমিতাভ ভট্টাচার্য পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমতাবান মানুষটি আজ সবচেয়ে বড় পরিহাসের পাত্র । একবার ভারতকে চমকায় , ওষুধ দাও । একবার হু কে ধমকায় , টাকা দেব না , যাও । গতকাল আমেরিকায় করোনায় মৃত্যুসংখ্যা 20000 এর কাছাকাছি । আর-একজন শক্তিমান নিজেই ভর্তি হাসপাতালে । তাঁর উপদেষ্টাদের দেওয়া হার্ড ইমিউনিটির তত্ত্ব বুমেরাং হয়ে ফিরে এসেছে । ক্ষমতাকে বড় অসহায় দেখায় । যাদের একটি সম্মতিসূচক ঘাড় নাড়ায় উড়ে যেত ঝাঁকে ঝাঁকে বোমারু বিমান , কিংবা দূরপাল্লার মিসাইল অথবা বিধ্বংসী পরমাণু অস্ত্র । অসামরিক আবালবৃদ্ধবনিতার মৃতদেহর স্তূপ প্রমাণ দিত যাদের শক্তির । |
| তারা আজ মৃত্যুভয়ে ভীত । করোনা মোকাবিলা ছাড়া রাষ্ট্রগুলোর আর কোনো কাজ নেই । শক্তিশালী বাহিনীর দুর্ভেদ্য সাঁজোয়া গাড়ি আর সমীহ জাগায় না । জেনারেল ব্রিগেডিয়ার নয় ডাক্তারবাবু আর নার্সরা । মেশিনগান নয় ভেন্টিলেটর । বুলেটপ্রুফ নয় পিপিই । কন্ট্রোলরুমের সমরবিশারদ নয় ওষুধ সন্ধানী গবেষক । আর ওদিকে মৃত্যুভয়কে পরোয়া না করে মাঠে মাঠে কৃষক শুরু করেছেন চাষের প্রস্তুতি । বেকারি শ্রমিকরা অক্লান্ত হাতে বানিয়ে চলেছেন রুটি । স্তব্ধ পৃথিবীতে কাজ করে চলেছেন ওরা । |
| খাবার ওষুধ তৈরি , জায়গায় জায়গায় পৌঁছনো । বহু বহু মেহনতী জেগে আছেন লকডাউনের মধ্যে । আর চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছেন , বেঁচে থাকতে হলে ঐ হিংস্র রাষ্ট্রনেতাদের কোনো প্রযোজন নেই । সুসজ্জিত সামরিক বাহিনীর কোনো প্রযোজন নেই । নীরবে কাজ করে চলা সাধারণ মানুষরাই সভ্যতার জিওনকাঠি । অথচ. . . । |
| কবি ব্রতী মুখোপাধ্যায় কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৫.৪.২০২০ |
| রাস্তায় পড়ে কবি ব্রতী মুখোপাধ্যায় রাস্তায় পড়ে। ধুপ হি ধুপ। ছাদ নেই মাথায়। রাস্তায় পড়ে। কামা-ধান্ধা নেই। কামাই নেই। রাস্তায় পড়ে। শেল্টার বলে যো ভি দিলেন, জানোয়ারের নাতজামাইরা আগ লাগিয়ে রাখ বানিয়ে গেছে। রাস্তায়। ভিক্ষের খিচুড়ি যেদিন কেউ দিল, মহাপ্রাণ থোড়া দেড় শান্ত। তারপরই ভুখ। ভুখ কা চীজ আপকো মালুম নেহি। খেতে পাননি এমন দিন আপনার জিন্দেগীতে আসেনি। এখানে আমার এইরকম হাল। দেশগাঁয়ে, বিহার ইউপি উড়িষ্যা বাঙ্গাল, গাঁও-গাঁওমে বাপমা বউবাচ্চা একইরকম ভুখ নিয়ে পড়ে। হাদ হয়ে গেল। হিন্দুস্তান কী সার্কাস বোলা যায়। একা নই। হাজার। হাজার হাজার। গিনতি করুন, মালুম হবে। বান্দ্রা রেল স্টেশন। সাবনে বোলে চালো। গেলম। তখন আপ পুলিশ ভেজিয়ে দিলেন । তাগড়া তাগড়া লাঠি নিয়ে দৌড়কে আয়ী পুলিশ। হায় রাম, বেধড়ক পিটল। বলল আমি হিন্দুস্তান কী দুষমন। বলল আমি দেশদ্রোহী। আব তো আমার হাত টুটা, পায়ের ভি টুটা। হিলনা-দুলনা বান্ধ। ফির দেখো টিভি টিভিমে শুয়ার কা বাচ্চোঁ চিল্লা রাহে আমি বুদ্ধু আছি, উজবুক আছি, কারোনা ভাইরাস পুরা ইন্ডিয়ামে ইস্প্রেড করে দুবো... |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা কবির মূল সংগ্রহ কবিতাটি পাঠিয়েছেন শ্রী শেখর মজুমদার এখানে তোলা হয়েছে ১৫.৪.২০২০ |
| ম্যাঁও নিজে সামলিও কবি আর্যতীর্থ ঘরে বাঁধা থাকা কায়দা কানুন যতভাবে যিনি গোচরে আনুন যত ভয় থাক বেরোলেই খুন , সে নিষেধ নয় প্রিয়, যত কেন ভাবো রাষ্ট্রের দায়, ঝেড়ে কেশে কথা বলি হে তোমায় রোগ হয়ে গেলে একই উপায়, ম্যাঁও নিজে সামলিও। অকুলান আজও নিদান বিশ্বে, এমনই মারক জীবাণু বিষ সে ইচ্ছে করলে বেরিয়ে গ্রীষ্মে ,তাকে ঘরে ডেকে নিও, শেকল টেকানো সেই বাহাদুরি, নিজের শরীরে সিঁদ কেটে চুরি তোমার কাঁধেই দায় পুরোপুরি, ম্যাঁও নিজে সামলিও। বাইরে যাওয়ার অত ছটপট, উপহার দিলো এত হটস্পট, মারী করে আজ দ্বারে খটখট, তুমি কানে তুলো দিও, রাষ্ট্র বন্ধু পাড়া প্রতিবেশী, করবে কি আর এর থেকে বেশি গায়ে জ্বর এলে করে ঘেঁষাঘেষি, ম্যাঁও নিজে সামলিও। আড্ডা বাজার চা উপাসনা করে চলো মনে যা আছে বাসনা, নাহয় আসবে গা বেয়ে করোনা, ব্যাপার এমন কি ও? নিয়মের মুখে মেরে দিয়ে লাথি বনে যাও বোমা স্বজন স্বঘাতী রোগ হলে ওহে কোভিডের সাথী , ম্যাঁও নিজে সামলিও। বিনাপয়সার নিষেধ শোনোনি, জান দিয়ে দাম দিও। |
| কবি ডঃ অরুণাচল দত্তচৌধুরী কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৫.৪.২০২০ |
| যদি ফিরে আসি কবি ডঃ অরুণাচল দত্তচৌধুরী যদি ফিরে আসি, তত দিন বাঁচি, দেখাটি করতে যাব খুব তাড়াতাড়ি সেরে ওঠো অমিতাভ। প্রাণপাত করা তোমার লড়াই, দেয়ালে ঠেকেছে পিঠ প্রতিবেশীদের বোঝার অতীত, ওদের মগজে গিঁট। শানাবেই ওরা দাঁত নখ, যারা আত্মীয় বেশ ধরে একই আবাসনে, ঈর্ষা পুষত চেনা সে কোন্নগরে প্রিয় অমিতাভ, প্রশাসনও নাকি থেকেছে নির্বিকার নির্বিকল্প এই যে সমাজ, সত্যিই তুমি কার? মুখের মুখোস সরিয়ে মহান সাজে জনপ্রতিনিধি আগডুম যত বাগডুম তার ভরিয়ে দিচ্ছে হৃদি, সে শিখেছে শুধু ভোটের যজ্ঞ, তোমাকে আহুতি দিয়ে জনতাভোজের রসনা সাজাবে... লুচি ভাজা হবে ঘিয়ে। জন্তুরা শুধু গর্জাতে জানে জান্তব প্রতিভায় অমিতাভদের ধর্মই হল, তাদের বাঁচাতে যায় |
| কবি বিপুল চক্রবর্তী মিলনসাগরে কবির পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৫.৪.২০২০ |

| কবি ডঃ অরুণাচল দত্তচৌধুরী কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৫.৪.২০২০ |
| একলা কবি ডঃ অরুণাচল দত্তচৌধুরী ★ মলয় পাত্রর পরামর্শে এডিটেড! গুজব রটেছে... মেড ইন চায়না… ভালোবাসা তাই টেকানো যায় না। ঘৃণাও এসেছে। কিছুটা পলকা। গায়ে লাগে তার আগুন হলকা। শব্দ ভাঁড়ার খুব দরিদ্র। ঘুণপোকা কাটে গোপন ছিদ্র। লকডাউনের দিন কাটে বৃথা। বড় অসময়ে এলে... হে কবিতা। এসে দেখে যাও মরতে মরতে কী রোগ পাচ্ছি... রাজার শর্তে। মিছে তমসুক... কাগজপত্রে আমাকে পোড়ায় ছত্রে ছত্রে। রোগ তাণ্ডবে ঝাপসা দৃষ্টি বিষতেতো হল বাঁচা জিনিসটি। হড়কা বানের জলতরঙ্গে ভাইরাস মেখে নিচ্ছি অঙ্গে। এসো সভ্যতা, পৃথিবীগর্ভে শোক হয়ে শুই, নিহত গর্বে। গণকবরের জাপটাজাপটি ঢেকে দিক আহা... শেষ বিলাপটি। |
| কবি রাজেশ দত্ত মিলনসাগরে কবির পাতা রচনা - ১ বৈশাখ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ (১৪.৪.২০২০) এখানে তোলা হয়েছে ১৫.৪.২০২০ |
| একলা থাকার পয়লা বৈশাখে কবি রাজেশ দত্ত মৃত্যুমিছিল হাতছানি দিয়ে ডাকে। বিশ্ব কাতর অতিমারীর কোপে, অনিশ্চিতের শঙ্কায় মন কাঁপে। মন্বন্তর ভয়াল করাল গ্রাসে মারীর সাথেই কালো ছায়া ফেলে আসে... তবুও মানুষ অজেয়, অকুতোভয় জোট বেঁধে লড়ে, মানবে না পরাজয়। জীবনের চেয়ে জীবাণু বড়ো তো নয়, বন্ধ হবেই একদিন এ প্রলয়। নতুন বছরে অন্তরে জাগে আশা, বিজ্ঞান দেবে মুক্তিপথের দিশা। |
| |||||||||||
| |||||||||||
| |||||||||||
| সংকল্পের সংহতি গড়ে তুলে একতার জোরে বাঁচবো সবাই মিলে। কালরাত্রির গহীন অন্ধকারে চেতনার আলো জ্বেলে দেবো প্রতি ঘরে। শোক যাতনার বিষ-জ্বালা অবসানে অমৃত উঠুক জীবনের মন্থনে। নববর্ষে ঘুচে যাক নৈরাশ্য --- সঞ্জীবনী মন্ত্রে বাঁচুক বিশ্ব॥ শুভ নববর্ষে অশেষ ভালোবাসায়, অটুট সংহতিতে, অনন্ত স্বপ্নে, প্রত্যয়ী সংকল্পে ও অফুরান শুভ কামনায়.... |
| কবি পার্থ মুখার্জি সোসিয়াল মিডিয়ায় এই কবিতাটি কবি জীবনানন্দ দাশের বলে ঘুরে বেড়াচ্ছে! এখানে তোলা হয়েছে ১৫.৪.২০২০ |
| শঙ্খচিল কবি পার্থ মুখার্জি ইউটিউবে . . . আমাদের দেখা হোক মহামারী শেষে, আমাদের দেখা হোক জিতে ফিরে এসে। আমাদের দেখা হোক জীবাণু ঘুমালে, আমাদের দেখা হোক সবুজ সকালে। আমাদের দেখা হোক কান্নার ওপারে, আমাদের দেখা হোক সুখের শহরে। আমাদের দেখা হোক হাতের তালুতে, আমাদের দেখা হোক ভোরের আলোতে। আমাদের দেখা হোক বিজ্ঞান জিতলে, আমাদের দেখা হোক মৃত্যু হেরে গেলে। আমাদের দেখা হোক আগের মত করে। আমাদের দেখা হোক সুস্থ শহরে। |
| কবি সান্ত্বনা চ্যাটার্জি মিলনসাগরে কবির পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৫.৪.২০২০ |
| করুনা করো কবি সান্ত্বনা চ্যাটার্জি বাবু আমার মস্ত বড়োলোক, অনেক বাড়ি গাড়ি; গিন্নিমা তো রোজই পরেন নতুন দামি সারি । আলমারিটা ঠাসা থাকে সারি আর গয়নাতে; ঠাকুর জানেন আমার মনে লোভ জাগেনা তাতে। এসব নিয়ে... কি করব আমি! বাপ মা হারা মূর্খ ছোটো জাত, বরটা আমার মাতাল বদ্জাত। ভাত দেয় না কিল মারার গোঁসাই। ভাতের খিদেকাজ করে মেটাই। এক সকালে খবর এল , আমার বরের নাকি জ্বর! লিখল আমার মানুষ, লক্ষ্মী ফিরে এস সত্বর। মরার আগে ক্ষমা চাইব গো বৌ! প্রাণ মন জুরে নোনা জলভাঙ্গা ঢেউ! |
| |||||||||||
| |||||||||||
| অজ্ঞাত কবি আমাদের পাঠিয়েছেন কবি সান্ত্বনা চ্যাটার্জি মিলনসাগরে কবির পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৭.৪.২০২০ |

| যদি বেঁচে যাও এবারের মতো যদি কেটে যায় মৃত্যু ভয় জেনো বিজ্ঞান লড়েছিল একা মন্দির বা মসজিদ নয় |
| কথা, সুর ও শিল্পী কবি নীতীশ রায় মিলনসাগরে কবির গণসঙ্গীতের পাতা... এখানে তোলা হয়েছে ১৯.৪.২০২০ |
| করোনা ভাইরাসে বলো ভয়টা কী! কথা, সুর ও শিল্পী: কবি নীতীশ রায় মন্বন্তরে মরিনি আমরা, মারী নিয়ে ঘর করি! করোনা ভাইরাসে বলো ভয়টা কী! কাশি-জ্বর-গলাব্যথা -- হইলে নাও সতর্কতা, ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলো রে ভাই এখনি। পজেটিভ রিপোর্ট এলে যেতে হবে হাসপাতালে --- নেগেটিভ হলে পরেও ঘরে থাকলে নাই ক্ষতি। করোনা ভাইরাসে বলো ভয়টা কী! লকডাউনে ঘরে থাকো, চোখ-কান খোলা রাখো, শারীরিক দূরত্ব রাখো, সামাজিক সংহতি। সাবানজল-অ্যালকোহলে -- বারেবারে হাত ধুইলে, ঠিক মতো মাস্ক পরিলে ভয়ের বলো আছে কী! করোনা ভাইরাসে বলো ভয়টা কী! কত মানুষ কাজ হারিয়ে, ঘরে ক্ষুধার জ্বালা সয়ে! বাহিরখাটা মানুষ নিয়ে সরকার ব্যাটায় করছে কী? থালাবাটি বাজাইয়ে, মোমবাতি সাজাইয়ে কুসংস্কার ছড়াইয়ে শুধুই করে হুজ্জুতি! করোনা ভাইরাসে বলো ভয়টা কী! ইনফ্লুয়েঞ্জা, প্লেগ কলেরা --- মরতো মানুষ জগৎ জোড়া । |
| কবি সোমা রায় কবিতাটি পাঠিয়েছেন কবি রাজেশ দত্ত এখানে তোলা হয়েছে ১৫.৪.২০২০ |
| নববর্ষের রবি - ১৪২৭ বঙ্গাব্দ কবি সোমা রায় হেরি তব মুখ, প্রণতি জানাই, অভ্যাস মোর নিত্য ---- নব বরষের, দিবাকর-ও যেন, 'মাস্ক' পরিয়াছে -- সত্য? হাল্কা বাদলে, আকাশ নিয়েছে, বস্ত্র আজ এক শরমে ---- তারি কিছু ভাগে, তুমিও ঢাকিলে, বিফলতা তব মরমে! দর্প তোমার, হয়েছে চূর্ণ, ---- কিরণের কোথা ক্ষমতা? পলে পলে শুধু, ঐ শোনা যায়, ধ্বংসের দুখ-বারতা! এখনও কেন গো, নির্দয় তুমি? করো কাজ, নিয়ে ভক্তি ---- রবির কিরণে, নাশ ক'রে দাও ধরার অশুভ শক্তি! |
| কবি ইমরান মাহফুজ কবিতাটি পাঠিয়েছেন কবি রাজেশ দত্ত এখানে তোলা হয়েছে ১৫.৪.২০২০ |
| অসহায় দেশে করোনা কবি ইমরান মাহফুজ করোনা, তুমি কেন এসেছো বাংলাদেশে? পঞ্চাশ বছরেও যাদের মৌলিক চাহিদা মেটেনি সেখানে তোমায় নিয়ে ভাবা, অভাবী মানুষের বিলাসিতা ছাড়া আর কী! এখানে প্রায় প্রতিটি মানুষ অন্ধকারে দিন শুরু করে, আর সারাদিন ভাতের হাহাকারে শূন্যতায় ঘরে ফেরে! দেখো, তুমি নিজেই দেখো বেশি দামে কেনা কম দামে বেচা স্বাধীনতার দেশে তারুণ্য ঘুমায় ক্ষুধার বাকলের নিচে। মেধাবীরা নতজানু হয় চেয়ারের কাছে। ঐতিহাসিক রাজপথ কাপে চোরাকারবারিদের দাপটে। নিত্যনৈমিত্তিক মানুষ হত্যা পত্রিকার শিরোনাম, সুন্দরীরা অভিজাতদের বুকে শুয়ে থাকে নির্বিকার শিল্পকর্মের মতো; দেখে ছেকে গ্লাসভর্তি কান্না হাতে বের করে দেয়! কেউ কাউকে বোঝে না, কেউ কাউকে দেখে না। প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় আমরা বিজ্ঞান ও ব্যবসা, সাহিত্য সংস্কৃতি সমাজ ও রাজনীতি অর্থনীতি গার্হস্থ্যনীতি সব জানি, সব পড়ি কিন্তু— অধরা থাকে মানবতা! একচোখা সমাজে দাড়িয়ে থাকে হারামজাদার বিশ্ববিদ্যালয়। কলেজগুলোতে ঘাস কাটে নীতিহীন হাজারো রাখাল! এইভাবে প্রশংসার দেশে কেউ কাউকে বলে না, কিংবা কেউ কাউকে কিছু বলতে পারেও না! |
| কবি বিদ্যুৎ চৌধুরী কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৩.৪.২০২০ |
| ভেঙ্গেও যারা লড়ছে রোজ টিকিয়ে রাখার যুদ্ধে এগিয়ে তারাই যেত পারে বাকি সকলের ঊর্দ্ধে |
| কবি নির্মলেন্দু গুণ কবিতাটি পাঠিয়েছেন কবি রাজেশ দত্ত এখানে তোলা হয়েছে ২৩.৪.২০২০ |
| করোনা ভাইরাস কবি নির্মলেন্দু গুণ আবৃত্তি - নাজমুল আহসান করোনা ভাইরাস করোনায় যাঁদের মৃত্যু হয়েছে, হচ্ছে, হবে-- তাঁদের জন্য এক ফোঁটা চোখের জলও যেন অবশিষ্ট নেই আর আমাদের চোখে। মৃতকে এখন শেষ-বিদায় জানাচ্ছে মৃত্যু। আহা! এই গ্রহবাসীদের ভাগ্যপত্রে এমন মৃত্যুর কথাই তবে লিখে রেখেছিলে, হে ঈশ্বর? এই অভাবিত, অকল্পনীয়, অগ্রহণীয় মৃত্যুর মহামারী যেন কখনোই "মনুষ্যসৃষ্ট" বলে প্রমাণিত না হয়। যেন না হয়! যেন না হয়। যদি হয়, যে-সম্ভাবনা বারবার উঁকি দিচ্ছে আমার মনে, চাই তা ভুল বলে প্রমাণিত হোক- চাই তা মিথ্যে বলে প্রমাণিত হোক। যদি না হয়, যদি না হয়, তবে এই নির্বিকার ধরিত্রীর বুকে অসহায় মানুষের দুঃখ রাখার আর কোনো জায়গাই অবশিষ্ট থাকবে না। তবে কি মানুষ পৌঁছে যাবে সেই দুঃসময়ে, যখন কারো কান্নাই কেউ শুনতে পাবে না? ♦ নয়াগাঁও, বিশ্ব কবিতা দিবস ২১ মার্চ ২০২০। |
| |||||||||||
| কবি ডঃ সুদীপ মণ্ডল মিলনসাগরে কবির পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৩.৪.২০২০ |
| আমরা করবো জয় ডঃ সুদীপ মণ্ডল আমরা করবো জয় আমরা করবো জয় নিশ্চয়, হারবে মানবে বিপর্যয়। সবাই মিলেমিশে এক সাথে সবার হাত রেখে হাতে, পেরিয়ে যাবো এই দুঃসময়। ঝড় থেমে গেলে একদিন ফ্যাকাশে পৃথিবী হবে স্বপ্ন রঙীন। ফুটবে ফুল শাখে শাখে ভাঙবে ঘুম পাখির ডাকে, পৃথিবী আবার হবে মধুময় পৃথিবী আবার হবে ছন্দময় পৃথিবী আবার হবে কাব্যময়। |
| কবি রাজেশ দত্ত মিলনসাগরে কবির পাতা রচনা - ২৩ এপ্রিল ২০২০ এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৪.২০২০ |
| নরকবাসের কবিতা কবি রাজেশ দত্ত মুখোশ পরে আটকানো যায় করোনা ভাইরাস। কোন মুখোশেঢাকবে বলো রাষ্ট্রের সন্ত্রাস? কোন মুখোশে করবে আড়াল অসাম্য বঞ্চনা? গরিবগুরবো মানুষগুলোর শোষণ-লাঞ্ছনা? বলো, কোন মুখোশে লুকোনো যায় পোড়া দেশের হাল? ভাতের অভাব, বেরোজগারি চিকিৎসার আকাল! মুখোশের রাজনীতি আজ করছে সর্বনাশ --- করোনার চেয়েও ভয়াল শোষণের নাগপাশ! |
সাবান জলে দু'হাত ধুলে করোনা দূর হবে। দুর্নীতির পাঁকের কালো কোন সাবানে ধোবে? গরিবের রক্ত লেগে ধনপতিদের হাতে! পারবে কি সেই খুনের দাগ সাবান জলে ধুতে? ভেদ-বিভেদের কলুষতা ঘুচিয়ে দিতে পারে এমন কোনো স্যানিটাইজার মিলবে কি বাজারে? লকডাউনে লোকজীবনে চলছে নরকবাস --- মারীর কোপে মুমূর্ষু দেশ অনন্ত উপবাস! -- রাজেশ দত্ত ২৩ এপ্রিল ২০২০ |
| কবি বিপুল চক্রবর্তী মিলনসাগরে কবির পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৬.৪.২০২০ |

| |||||||
| শিল্পীকবি মুকুল পুরকায়স্থ মিলনসাগরে শিল্পীর ভাস্কর্যের পাতা মিলনসাগরে তাঁর কবিতার পাতা রচনা ২৬.৪.২০২০ এখানে তোলা হয়েছে ২৬.৪.২০২০ |
| তবে এ পৃথিবী কবি মুকুল পুরকায়স্থ তবে এ পৃথিবী আর বেশী দিন নয় মানুষের ইতিউতি আনাগোনা অন্তরিক্ষ থেকে মাটি সবটাই তো দূষণময়॥ লকডাউন ভাঙে যাবে পথে নামবে মানুষ ফিরে আসবে প্লাস্টিক ধোঁয়া বাতেসে ফিরবে ফিরে যাবে পাখির দল ফিরবে ডলফিন স্বস্তির পদচারণা বন্ধ হবে বন্য পশুদের। আবার শব্দ দূষণ, আবার ধূসর হবে নীল আকাশ। থামবে পাখির কলরব। আমরা মানুষ এর চেয়ে তো আর বেশী কিছু করতে পারি না। |
| |||||||
| কবি বিদিশা করীম মিলনসাগরে কবির পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ৩১.৩.২০২০ |
| COVID-19 কবি বিদিশা করীম, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, তৃতীয় বর্ষ, তুলনামূলক সাহিত্য ১৯১৪ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ, ১৯৩৯ সালে দ্বিতীয়- হয়তো ২০২০ তেই আমরা সাক্ষী থাকলাম তৃতীয়ের লড়ছে সবাই আমেরিকা, ইতালি, ভারত আরোও অনেকে- . যুদ্ধটা মানুষ বনাম মানুষ নয়, . শক্তি বনাম ষড়যন্ত্র নয়, . বরং ভাইরাস বনাম মানুষের॥ এই যুদ্ধে, মানুষের AK-47 আজ ব্যর্থ হয়তো লুকিয়ে আছে অনেকেরই স্বার্থ। গোলা, গুলি বন্দুকের আওয়াজ আজ একদমই উধাও হাঁ, তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধে শুধু শান্তিতে আছে পশু-পাখী-লতাও- . মানুষ লড়ছে, তবে আর্মি-এর পোষাকে নয় . লড়ছে দেবতার বেশে, গলায় স্থেথোস্কোপ নিয়ে . সাদা অ্যাপ্রন-এ, মুখে সর্বক্ষন মাস্ক পরে, প্রতিটি ক্ষনে লড়ছে তারা, ভুলেছে নিজের বাড়ী- মানবজাতিকে বাঁচিয়ে রাখার দায়িত্ব এখন তাদেরই- মন্দির মসজিদে ঝুলছে তালা, গীর্জায় বাড়ছে ঝুল করোনা এখন চীন ছেড়ে, সারা বিশ্বে করছে রুল। . জাতের নামে বজ্জাতি করে শান্তি পেত যারা . মৃত্যুর ভয় বাজছে কানে, ভয় পাচ্ছে তারা . ধর্মকে যারা ভালোবেসে গড়েছে এতোও ধর্মস্থান . সেই স্থানেই এখন যাওয়া বারন,কারন প্রহর গুনছে প্রান। ২০ লাখ মন্দির, মসজিদ তিন লাখ, এই ভারতের মানুষের থেকে ধর্ম বেশী পাক যাদের পেটে জোটেনা অন্ন, যারা দিনে এনে দিনে খেতো এখন তাদের কী অবস্থা, সময় পেলে ভেবো। |
. বাড়ীতে থাকাই এখন সেফ, লকডাউন সারা বিশ্বে . কিন্তু যাদের আকাশটাই ছাদ, নিজেদের ঘিরবে তারা কীসে?? মহামারীতে যদি কোনো শিক্ষা পেয়ে থাকো- ধর্মের নামে অনেক হসপিটাল বানিও। জাতপাতকে পাশে রেখে মানুষ হয়ে বেঁচো- দ্বন্দ্ব দলাদলি সব সরিয়ে ভালোবেসে হেসো। দেখবে, মানবতার যুদ্ধে জিতে গেছো শুধু একটু হেসে, পৃথিবীকে তুমি বাঁচাতে পারবে পৃথিবীকে ভালবেসে। ধর্ম বলে, ধর্মকে নয় মানুষকে ভালোবাসো, জাতপাত ভুলে সবাই একত্রে ভালো থাকো। |
| |||||||
| কবি তড়িৎ দাশগুপ্ত কবির ফেসবুক . . . রচনা ২৭.৪.২০২০ এখানে তোলা হয়েছে ২৭.৪.২০২০ |
| "করোনা" কে ভয় করো না কবি তড়িৎ দাশগুপ্ত "করোনা" কে ভয় করো না শুনছি বারে বারে মনের থেকে সরছে না ভয় আছি অন্ধকারে। কথা থেকে এলো এ আপদ ভাবছে জগতবাসি কূলকিনারা নেইকো কোথাও ভাষণ রাশি রাশি। উৎস যদি হোত করোনার আমাদের এই দেশে করত কত বিদ্রুপ না জানি কি না বলতো হেসে। বিজ্ঞানের ধ্বজাধারী আছে যে সব দেশ মুখ পুড়েছে তাদের সবার শুধু বাড়াচ্ছে ক্লেশ। বিজ্ঞানের জয়যাত্রা একেবারে স্তব্ধ নিত্য নতুন তত্ত্বে হয়নি করোনা জব্দ। |
| কবি বিশ্বজিত চ্যাটার্জী কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৮.৪.২০২০ |
| আবার তো তিনি আসবেন কিছু বলতে কবি বিশ্বজিত চ্যাটার্জী আবার তো তিনি আসবেন কিছু বলতে ; আমরা আঁধারে পাকিয়ে চলেছি সলতে। অগ্নিশলাকা যদি থাকে তাঁর হাতে, প্রদীপ জ্বলবে,অন্ন জুটবে পাতে। নাকি দূর থেকে আশ্বাসফুলঝুরি জ্বলে নিভে যাবে,আগুন থাকবে দূরই। এইসব ভেবে,আলোচনা নিয়ে মেতে সলতে পাকাই অ-বাক রাত্তিরেতে। |
| |||||
| কবি সরদার আমজাদ আলী এখানে তোলা হয়েছে ২৮.৪.২০২০ |
| সন্ন্যাসী কবি সরদার আমজাদ আলী ঋণ খেলাপির টাকা আমি মকুব করেছি ; তা'তে তোমার বাবার হলো কি ? এ তো তোমার বাবার টাকা নয়, আমার যখন যেটাই মনে হয় করতে পারি আমি, আর কেউ না এই ভারতের আমিই তো ভূস্বামী । যখন খুশী করবো যেটা সেটাই মেনে নেবে হুকুম পেলে লেংটো হয়ে হাততালি ও দেবে । বুঝলে ভারতবাসী তোমরাই তো দিলে আমায় অরফিয়ুসের বাঁশি । করোনাতে,ভুখমারী তে মরলে আমার কি ? এই ভারতের আমি ই রাজা রামের রাজত্বি। চালাই কেমন দেখছ খোকার দলে , মৃত্যু মিছিল দাঁড়িয়ে দেখিস জয় হরিবোল বলে। |
| এই তো সবে শুরু, নাগপুরেতে বাজায় কাঁসি মোহন আমার গুরু । আমার হুকুম চলবি মেনে এই ফরমান দিলাম, এই ভারতের রাজা আমি নরেন আমার নাম। আর এক নরেন ছিল বটে সে বেটা সন্ন্যাসী, ঘর ছেড়ে সে গেরুয়া পরে হয়নি কাশীবাসী, বউ ছিল না ছাড়বে টা কি দুনিয়া ঘুরে ঘুরে , আমার মতো পেরেছে কি যেতে প্রমোদ টুরে ! শোনো ভারত বাসী, হুকুম পেলেই উদোম হয়ে বাজাবে ঢোল কাঁসি । আমি রাজা রাজ্যে আমার তোমরা সব গোলাম , দুনিয়া জুড়ে খাতি আমার নরেন্দ্র ভাই নাম । |
| কবি সুনীতি কুমার মাইতি কবির ফেসবুক . . . রচনা ৮.৪.২০২০ এখানে তোলা হয়েছে ২৮.৪.২০২০ |
| বিশ্বগ্রাসী করোনার ত্রাসে কবি সুনীতি কুমার মাইতি আনন্দের দুঃখ আছে অজ্ঞাত অনাগত দিনে। দুঃখের ও আনন্দ আছে অন্তরের অতল গহনে। আশার হতাশা আছে আশাভঙ্গের মুহ্যমানতায়। হতাশার ও আশা আছে কৃতনিশ্চয় প্রচেষ্টায়। মুদ্রার দুপিঠ আছে তাতে তীব্র বিরোধিতা। এক পিঠে পরাজয় অন্যে জয়টিকা। আলোর ও আঁধার আছে শীতল মস্তিষ্কে দুষ্কৃতি। আঁধারের আলো আছে সে এক অনিন্দ্য দিব্য জ্যোতি। বিপদের ও প্রাপ্তি আছে, নির্বিবাদ সুখে ও সম্পদে ভুলে থাকা,বিপদ ভঞ্জন। |
| বিস্মৃতির অতলান্ত তলে তলিয়ে যে গেছে, বড়ই আপন জন। ভীড় ক'রে আসে তারা, ভরে গেছে স্মৃতির অঙ্গন। ঈশ্বরের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি গৃহবন্দী কাঁপে বিশ্বগ্রাসী 'মহামৃত্যু' করোনার ত্রাসে। 'মৃত্যুই অন্তিম সত্য' একথা বুঝেছে প্রতিদিন, প্রতিপল নীল নিঃশ্বাসে । |
| কবি অজিত বাইরী মিলনসাগরে কবির পাতা এখানে তোলা হয়েছে ২.৫.২০২০ |

| কবি সুনীতি কুমার মাইতি কবির ফেসবুক . . . রচনা ৮.৪.২০২০ এখানে তোলা হয়েছে ২৮.৪.২০২০ |
| কিমাশ্চর্য্যম্ সুনীতি কুমার মাইতি মহাভারতের বনপর্বে একটি অতি বিখ্যাত কাহিনী: যুধিষ্ঠিরের প্রতি বকরূপী ধর্মের চারিটি প্রশ্ন। কাশীরাম দাসের মহাভারতে যেমন লেখা - "কিবা বার্ত্তা, কি আশ্চর্য্য, পথ বলি কারে। কোনজন সুখী হয় এই চরাচরে॥ দ্বিতীয় প্রশ্নটি ছিল 'কিমাশ্চর্য্যম্ '। প্রশ্নের উত্তর যুধিষ্ঠির যেমন দিয়েছিলেন তার উদ্ধৃতি দিয়েই কবিতা শুরু করেছি। বর্তমান বিশ্ব ও করোনার প্রেক্ষিতে এই কবিতা . . . ॥ কিমাশ্চর্য্যম্॥ সুনীতি কুমার মাইতি ৩০-০৪-২০২০। করোনা লকডাউনের দ্বিতীয় পর্যায়ের ১৬ তম দিন। মধুমিতা এ্যপার্টমেন্ট। মহামায়াতলা। গড়িয়া। " অহন্যহনি ভূতানি গচ্ছন্তি যমমন্দিরম্। শেষাঃ স্থিরত্বমিচ্ছন্তি কিমাশ্চর্য্যমতঃপরম্॥" "প্রতিদিন জীবজন্তু যায় যমঘরে। শেষে থাকে যারা, তারা ইহা মনে করে॥ আপনারা চিরজীবী নাহি হইব ক্ষয়। ইহা হৈতে কি আশ্চর্য্য আছে মহাশয়॥" *********** মহাভারতের পৃষ্ঠে এ প্রশ্ন মহান। দেখ সুধী এই প্রশ্ন আজও বিদ্যমান॥ চারিদিকে দেখ, শুন সংবাদ নিচয়। এই প্রশ্ন রাত্রি দিন শুনিবে নিশ্চয়॥ মানুষ হৈল এত সভ্য, এতই শিক্ষিত। কত কিছু আসে সামনে পঠিত লিখত॥ তবু নাহয় বুদ্ধি তবু নাহয় বোধোদয়। ইহা হৈতে কি আশ্চর্য আছে মহাশয়॥ |
| পাণ্ডুপুত্র আমার যে এই প্রশ্ন চারি। উত্তর করিয়া তূমি পান কর বারি॥ |
| দেবাশিস রায়ের গান কথা দুষ্টকবি মিলনসাগরে কবির পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ৩.৫.২০২০ |
| চিকিত্সক যোদ্ধাদের প্রতি দেবাশিস রায়ের গান। সুর ও কণ্ঠ - দেবাশিস রায়, কথা দুষ্টকবি। |

| The Notorious Poet His Pages in Milansagar . . . Wrote on - 2.5.2020 Published on - 3.5.2020 |
| To the Medical Warriors |

| কবি ডঃ গৌতম বন্দ্যোপাধ্যায় কবিতাটি আমরা পেয়েছি শ্রী সাধন বিশ্বাসের ফেসবুক থেকে . . . এখানে তোলা হয়েছে ৬.৫.২০২০ |

| শিল্পীকবি মুকুল পুরকায়স্থ মিলনসাগরে শিল্পীর ভাস্কর্যের পাতা মিলনসাগরে তাঁর কবিতার পাতা রচনা ২৮.৪.২০২০ এখানে তোলা হয়েছে ৬.৫.২০২০ |
| করোনা ভয়ে কাঁপছে বিশ্ব কবি মুকুল পুরকায়স্থ করোনা ভয়ে কাঁপছে বিশ্ব কাঁপছে মানুষ জন... করোনা ফেরালো ঘরের মানুষ সাজালো ঘরের কোণ॥ ধূসর কাটিয়ে হাসছে আকাশ পাখিরা এলো ফিরে... এতদিনে পেলো স্বাধীন বাঁচা গাইছে বসে নিড়ে॥ শৃঙ্খলা হীন সমাজটা আজ এক চাবুকে সোজা... কেমন ছিলে কেমন হলে এটাই কালের সাজা॥ করোনা শেখালো চলার নিয়ম বেপরোয়া আর নয়... সীমারেখা টানো জীবন জুয়ায় নইলে অবক্ষয়॥ অতিক্ষুদ্র অতিমারি আজ অতি বড়ো বিস্ময়... অতি মানুষ আজ অতি অসহায় মৃত্যু আশঙ্কায়॥ ধনীর দুলাল পথের কাঙাল সবার একই চাওয়া... এতো সাধের জীবন টা কি এবার যাবে খোয়া॥ |
| |||||
| কবি মলয় রায়চৌধুরী মিলনসাগরে তাঁর কবিতার পাতা . . . মিলনসাগরে হাংরিয়ালিস্ট আন্দোলন বা হাংরি জেনারেশানের কবিতার পাতা . . . রচনা ৫.৫.২০২০ এখানে তোলা হয়েছে ৬.৫.২০২০ |
| রাজনৈতিক ভাইরাস কবি মলয় রায়চৌধুরী উৎসর্গ : বীরেন চট্টোপাধ্যায় হাঁটছে, হেঁটেই চলেছে, দিন-রাত, রাত-দিন, কোথায় ছিল এতোদিন এইসব লোকগুলো, শিশুকোলে কাঁধে-খোকা বা খুকু, মানুষ-মানুষীরা কোশের পর কোশ হাঁটছে বাড়ির দিকে ভারতবর্ষের গাঁ-শহর চষে এদের জন্য কই কখনও গেটসভা মোড়সভা মিটিঙ-মিছিল-রেলি হতে তো দেখিনি মাঠ-ময়দানে গর্জে ওঠা লাউডস্পিকার-সমাবেশে এদের নেতা হয় না দলবাজি করেনা ছোকরা বা বুড়ো ঝাণ্ডাধারিরা তাই এরা হাঁটছে তো হাঁটছেই খালি পেটে হয়তো বা হাজার মাইল মাস্ক পরা দরকার মনে হয়নি ; কীই বা হবে পরে যদি না জীবন্ত ফেরে হেঁটে-হেঁটে নিজেদের বাড়ি ? পরিযায়ী বলতে কে জানে কী বোঝায় ! খালিপেটে নিষ্কপর্দক হয়ে গেলে সপরিবারে এমন বেপরোয়া হওয়া যায় ? করোনাভাইরাস এসে দেখালো কীরকম মানুষজন্ম কাটাতে হচ্ছে ও হয়। |
| শিল্পীকবি মুকুল পুরকায়স্থ মিলনসাগরে শিল্পীর ভাস্কর্যের পাতা মিলনসাগরে তাঁর কবিতার পাতা রচনা ৬.৫.২০২০ এখানে তোলা হয়েছে ৬.৫.২০২০ |
| শোনো বন্ধু শোনো কবি মুকুল পুরকায়স্থ কবি বিমলচন্দ্র ঘোষের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়ে... শোনো বন্ধু শোনো প্রাণহীন এই মানুষের ইতিকথা... বুকের পাঁজর লোহার গারদ বুকটা আত্মা হারা॥ মদের দোকানে উবছে পড়ছে বাঁচবেনা মদ ছাড়া... ওরা মরুক আপত্তি নেই বাকিরা যে দিশেহারা॥ দু'টাকার চালে দিব্য বাছাধন চালের পয়সা মালে... কে বলে এরা অসহায় আতুর টান পড়েছে চালে॥ উচ্চ বিত্ত কত জ্ঞানিজন দু'টাকার চালে ঢলে... আগে বিকোতো বারো পনেরোয় এখন ঝি এর নামে চলে॥ এরা চালের বেলা হত দরিদ্র মালের বেলা উদার... মওকা বুঝে চল্লিশ কোটি ভরলো কোষাগার॥ লকডাউনে রইলো যারা পণ্ড হলো সব... চোর কে বলা করতে চুরি ফাঁকা চৌকিদারি রব॥ |
| কবি দেবেশ ঠাকুর মিলনসাগরে তাঁর কবিতার পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ৯.৫.২০২০ |
| রেল লাইনে ষোড়শ লাশ কবি দেবেশ ঠাকুর রক্তমাখা রুটি, নাকি সংবিধানের পাতা? রেললাইনে পড়ে আছে পিষ্ট ষোড়শ দেহ এদিক-ওদিক সস্তা চটি শতচ্ছিন্ন ছাতা রাষ্ট্রনীতির চোখে মুখে প্রচণ্ড সন্দেহ। পরিযায়ী শ্রমিক মানে যক্ষপুরীর বিশু? ঠিকানা নেই আধার আছে--আঁধার চারিদিক মায়ের কোলে বাপের কাঁধে ফসিল নীরব শিশু ভোটের সময় ছাড়া যারা নিতান্ত প্রান্তিক। যাদের হাতে চাকা ঘোরে।একুশ তলা বাড়ি গড়ে ওঠে যাদের ছোঁয়ায় পারাপারের সেতু হাজার মাইল পাড়ি দেবে অন্নহীনের সারি মরলে শবব্যবচ্ছেদে খুঁজবে কারণ, হেতু-- এদিক রোগ, ওদিক খিদে মধ্যিখানে ফেরা কোন রাজ্যের সীমায় পড়ে কোন রাজ্যের লাশ ঘর নেই যার ঘরবন্দি! জের নেই তার জেরা! দাক্ষিণ্যের ছবি তোলা বিপন্ন বিশ্বাস। মহারাষ্ট্রে বাংলা কাঁদে, বাংলাতে ঝাড়খন্ড এনার আঙুল ওনার দিকে--আঙুল কলাগাছে টম কাকার কুটিরে পায় ক্রীতদাসের বন্ড? আমার যখন ভোটার নয় ওদের কি দাম আছে! শ্রমিক হাঁটে উলুবেড়িয়ায়,সুরাতে, ইন্দোরে গায়ে ছেটাও রাসায়নিক শুদ্ধ করো বিষে ক্ষুধাদীর্ণ ষোড়শ পদের রুটি ধুলোয় পড়ে রেশন না থাক বরাদ্দ হোক এক এক গরম শিসে-- |
| কবি শিল্পী সুরকার দেবাশিস রায় মিলনসাগরে কবির সঙ্গীতের পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ৯.৫.২০২০ |
| কালো আন্ধার ঘনায় যদি দিনের বেলায় এসে সুর কথা ও কণ্ঠ - দেবাশিস রায় কালো আন্ধার ঘনায় যদি দিনের বেলায় এসে, কোথায় এখন পথ খুঁজি ভাই রাতের বেলার শেষে। ও বিধি রে . . . . . . . . . পরিযায়ী পাখি নয় গো পরিযায়ী শ্রমিক, ঘর ছাড়িলাম স্বপ্ন বুনতে বছর দুই তিনেক। পরিযায়ী নতুন নামে চমক নাই কিছুই ; করোনারই কড়াল গ্রাসে, আমি পরিযায়ী শ্রমিক। ও বিধি রে . . . . . . . . . বৌ টা আমার পথ চেয়ে ছোট্ট দুই ছেলে, জানিনা দিনটা ওদের কাটে কোন ছলে। দ্যাশের মধ্যেই চলে ফরমান যাওয়ার উপায় নাই ঠিক, কারোনরেই কড়াল গ্রাসে, আমি, পরিযায়ী শ্রমিক। ও বিধি রে॥ শুনছি স্বাধীন দ্যাশের মানুষ মোরা, স্বাধীন চিন্তা কই। তোমরা কি হইতে পার, মোর পরিবারের সই? অন্ন চিন্তা বড় চিন্তা আন্ধার সবই দিক, করোনারই কড়াল গ্রাসে, আমি, পরিযায়ী শ্রমিক। |
| কবি দেবেশ ঠাকুর মিলনসাগরে তাঁর কবিতার পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ৯.৫.২০২০ |
| রেল লাইনে ষোড়শ লাশ কবি দেবেশ ঠাকুর রক্তমাখা রুটি, নাকি সংবিধানের পাতা? রেললাইনে পড়ে আছে পিষ্ট ষোড়শ দেহ এদিক-ওদিক সস্তা চটি শতচ্ছিন্ন ছাতা রাষ্ট্রনীতির চোখে মুখে প্রচণ্ড সন্দেহ। পরিযায়ী শ্রমিক মানে যক্ষপুরীর বিশু? ঠিকানা নেই আধার আছে--আঁধার চারিদিক মায়ের কোলে বাপের কাঁধে ফসিল নীরব শিশু ভোটের সময় ছাড়া যারা নিতান্ত প্রান্তিক। যাদের হাতে চাকা ঘোরে।একুশ তলা বাড়ি গড়ে ওঠে যাদের ছোঁয়ায় পারাপারের সেতু হাজার মাইল পাড়ি দেবে অন্নহীনের সারি মরলে শবব্যবচ্ছেদে খুঁজবে কারণ, হেতু-- এদিক রোগ, ওদিক খিদে মধ্যিখানে ফেরা কোন রাজ্যের সীমায় পড়ে কোন রাজ্যের লাশ ঘর নেই যার ঘরবন্দি! জের নেই তার জেরা! দাক্ষিণ্যের ছবি তোলা বিপন্ন বিশ্বাস। মহারাষ্ট্রে বাংলা কাঁদে, বাংলাতে ঝাড়খন্ড এনার আঙুল ওনার দিকে--আঙুল কলাগাছে টম কাকার কুটিরে পায় ক্রীতদাসের বন্ড? আমার যখন ভোটার নয় ওদের কি দাম আছে! শ্রমিক হাঁটে উলুবেড়িয়ায়,সুরাতে, ইন্দোরে গায়ে ছেটাও রাসায়নিক শুদ্ধ করো বিষে ক্ষুধাদীর্ণ ষোড়শ পদের রুটি ধুলোয় পড়ে রেশন না থাক বরাদ্দ হোক এক এক গরম শিসে-- |
| কবি দেবপ্রিয়া ভৌমিক মিলনসাগরে তাঁর কবিতার পাতা . . . যোধপুর পার্ক গার্লস হাই স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্রী। এখানে তোলা হয়েছে ৯.৫.২০২০ |
| বেরিও না কবি দেবপ্রিয়া ভৌমিক যোধপুর পার্ক গার্লস হাই স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্রী। মন্দ তো ছন্দ পতন তাগিদ যখন বাঁচা স্বেচ্ছায় তাই বেছেছে সবাই চার দেয়ালের খাঁচা! হয়তো আকাশ লাগছে দূরে নাগাল পেতে ভয় কিন্তু জেনো কোন দুর্যোগই চিরস্থায়ী নয়। মেনে চলো লকডাউন পা রেখো না বাইরে এই কটা দিন সময় কাটাও পরিবারের সঙ্গে জীবনটা তো ব্যর্থ হলো, অফিস, ট্রামে, বাসে এবার না হয় দাঁড়াও এসে ব্যালকনিটার পাশে। কিন্তু, দয়া করে বেরিও না সবার সাথে ঘরে থাকো রুখতে এই করোনা। |
| কবি দেবপ্রিয়া ভৌমিক মিলনসাগরে তাঁর কবিতার পাতা . . . যোধপুর পার্ক গার্লস হাই স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্রী। এখানে তোলা হয়েছে ৯.৫.২০২০ |
| বর্তমান আর কর্তব্য কবি দেবপ্রিয়া ভৌমিক যোধপুর পার্ক গার্লস হাই স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্রী। গ্রাম-শহরে ভিড়ের মেলা রয়েছে সব বন্ধ, চারিদিকে রাস্তাঘাট এখন নির্জন, শান্ত, স্তব্ধ॥ হাসপাতালে চলছে আজ জনতার কোলাহল, স্টেডিয়াম ভেঙে তৈরি হলো COVID-19 HOSPITAL॥ সাবান দিয়ে হাত ধোও সুস্থ রাখো নিজেকে, রোগ জীবাণু মুক্ত করো বাঁচতে শেখাও ভারতকে॥ বাড়ির বাইরে পা রেখো না বন্দি রেখো নিজেকে, সাবধানে থেকো পরিষ্কার থেকো ভীত মুক্ত করো সবাইকে॥ নিস্তব্ধতা বজায় রেখো মেনে চলো লকডাউন, সাহস নিয়ে চলতে শেখো করবো না এই মৃত্যু বরণ॥ |
| কবি দেবপ্রিয়া ভৌমিক মিলনসাগরে তাঁর কবিতার পাতা . . . যোধপুর পার্ক গার্লস হাই স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্রী। এখানে তোলা হয়েছে ৯.৫.২০২০ |
| অনুভব কবি দেবপ্রিয়া ভৌমিক যোধপুর পার্ক গার্লস হাই স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্রী। এই যে! আছিস কেমন মানুষেরা লাগছে কেমন বল বুঝেছি মনে তে তোর ভয় ঢুকেছে এই বুঝি প্রাণ ফক্বা পেটের ভেতর তলিয়ে গেছে তামাক, বিড়ির ঢক্বা ছল-ছাতুরি করেই যেতিস কত রকম রঙ্গে করোনা যে ছড়ালো এবার বার্লিন থেকে বঙ্গে কত চেষ্টাই করলি ব্যাটা! সব কিছুই জলে মুখোশটি যে খুলতে হবে স্যানিটাইজার বলে। টাকার গরম, সোনা-দানা, ভুঁড়ি ভোজ খাওয়া হঠাৎ করেই দেখ না কেমন এক নিমেষেই হাওয়া বুঝলি এবার প্রকৃতির কেমন খেল আমার তো মনে হয় তুই ডাহা ফেল। |
| কবি দেবপ্রিয়া ভৌমিক মিলনসাগরে তাঁর কবিতার পাতা . . . যোধপুর পার্ক গার্লস হাই স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্রী। এখানে তোলা হয়েছে ৯.৫.২০২০ |
| করোনা কবি দেবপ্রিয়া ভৌমিক যোধপুর পার্ক গার্লস হাই স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্রী। জনসমাজ আতঙ্কিত থমকে গোটা বিশ্ব, সব কিছুকে হার মানিয়ে করোনা আজ শীর্ষ ; মৃত্যুপুরী দিয়েছো বানিয়ে মানুষ আজ নিরুপায় - হাহাকার আর আর্তনাদ বলছে হায় ! হায় !!! করোনা তোমার নাই করুণা মৃত্যু দাও উপহার, অসহায় আমরা, নিরুপায় আমরা কি করে করব এর প্রতিকার? কেন তুমি এলে এ জগতে করতে সব ধ্বংস, সবেতেই তুমি নির্দয়, আর পাষাণ নৃশংস। গীর্জা, মন্দির, মসজিদ করেছো আজ শূণ্য নিরীহ মানুষ অনাহারে জোটেনা পেটে অন্ন। আত্মীয় স্বজন, মা-বাবা কেউ এড়ায় না ভয়, গর্বিত তুমি, আনন্দিত তুমি মানুষ মারার জয়। করোনা তুমি আর কোরোনা এ গোটা দেশ ধ্বংস ; তোমার জন্য আজ লকডাউনে ঘরের মধ্যে বন্ধ! |
| কবি দেবপ্রিয়া ভৌমিক মিলনসাগরে তাঁর কবিতার পাতা . . . যোধপুর পার্ক গার্লস হাই স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্রী। এখানে তোলা হয়েছে ৯.৫.২০২০ |
| মুক্তির যুদ্ধ কবি দেবপ্রিয়া ভৌমিক যোধপুর পার্ক গার্লস হাই স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্রী। বিপদে মোরে রক্ষা করো এ হেন মোর প্রার্থনা, এ যুদ্ধে আমার কাছে হার মানে যেন করোনা। |
| কবি সান্ত্বনা চট্টোপাধ্যায় মিলনসাগরে কবির পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ৯.৫.২০২০ |
| |||||||||||

| কবি দীপন মিত্র তাঁর ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১০.৫.২০২০ |
| আমার দেবতা কবি দীপন মিত্র ভারত, তোমার দেব দেবতারা হেঁটে যান, শত শত ক্রোশ আশ্রয়বিহীন দীন, অন্নহীন, নিঃসহায়, নিরীহ নির্দোষ জনক-জননী যেন, অন্ন দেন, বস্ত্র দেন করেন লালন থাকেন বস্তির খোলে, চৌকির ওপরে চৌকি সারাটা জীবন ওই তো বালক কৃষ্ণ, মৃতপ্রায়, ক্ষুধা, ক্লান্তি, ঘুমে পড়ে ঢুলে রক্তাক্ত চরণ তোর, অন্নপূর্ণা মা আমার, দে না কোলে তুলে হাজার বছর জানি কেউ ধুয়ে দেয়নি তো, দিয়েছে ধিক্কার মন্দিরে মা তোর মূর্তি, পত্র-পুস্পে পুজো পায় দেশের রাজার রেললাইনের ধার, - হাঁটছেন অবিরাম আমার দেবতা ফুরিয়েছে মুড়ি-জল, খালিপেটে বেঁচে থাকা এমন কী কথা? কেউ কেউ মরছেন, সে তো মরতেই হবে, তেমনই নিয়ম বহুদূরে বউ-বাচ্চা, সে ঘুমোয় শেষ ঘুম, কাহিনি খতম দেবতা তোমরা বড় ভুল করো বারবার ঠেকেও শেখো না ইতিহাসে লিখে রাখি ক্রূরতার খুঁটিনাটি, হিসেব নেবো না! |
| |||||||||||
| কবি ডঃ অরুণাচল দত্তচৌধুরী কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১০.৫.২০২০ |
| হে মৈত্রেয় কবি ডঃ অরুণাচল দত্ত চৌধুরী একদিন পেয়ে যাব করুণার ছোঁয়া পেয়ে যাব সেই শান্তি, যা গিয়েছে খোয়া। জ্যোৎস্না গভীর হবে, বায়ু হবে প্রীত মুখে মাস্ক্ সভ্যতার ফিরবে সম্বিতও। খিদে পেট ভাত পাবে, পরিযায়ী ঘর উপকুলে পৌঁছে যাবে ভাঙা নৌবহর। তুমিই তো বলে গেছ, যত রাত হোক আমাদের রাত জাগবে মৈত্রেয় জাতক। অপেক্ষায় হে সুগত ঠায় বসে আছি ঠিকই দেখা হবে, যদি ততদিন বাঁচি। দেখা যদি না ও হয়, তবুও নিজেকে নিয়ত তোমার প্রেমে মুগ্ধ রেখে রেখে, ভুল বাস্তবের এই মূঢ় পৃথিবীকে দেখো, ঠিক নিয়ে যাব আলোটির দিকে। আমাদের বোধিবৃক্ষ যেন জেগে থাকে মৈত্রেয় চিনিয়ে দিয়ো চির সুজাতাকে। |
| |||||||||||
| चुनाव से पहले और बाद में ! BEFORE & AFTER ELECTIONS ! कवि अखिल कविराय |
| कवि अखिल कविराय Akhilendu Arjeria कवि का फेसबुक . . . यहां प्रकाशित हुआ 11.5.2020 এখানে তোলা হয়েছে ১১.৫.২০২০ |

| इन्हे देख कर मांग लो माफी तुम श्रीमान कवि अखिल कविराय |
| कवि अखिल कविराय Akhilendu Arjeria कवि का फेसबुक . . . यहां प्रकाशित हुआ 11.5.2020 এখানে তোলা হয়েছে ১১.৫.২০২০ |

| কবি দেবেশ ঠাকুর মিলনসাগরে তাঁর কবিতার পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ৯.৫.২০২০ |
| কবি দেবেশ ঠাকুর মিলনসাগরে তাঁর কবিতার পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ৯.৫.২০২০ |
| করুণার বিবরণ॥ খিদে সিরিজ কবি দেবেশ ঠাকুর এক. এনামুল শেখের চালু চায়ের দোকান কাপের পরে কাপ উড়ে যায় কলেজ মোড়ে কিছুদিনের জন্য আমার ছাত্র ছিল কৃতজ্ঞতায় দাম নিতো না চা-বিস্কুটের কাল দেখলাম ঠেলাগাড়ি-- ঠ্যালায় পড়ে অল্প কিছু শসা নিয়ে বিক্রি করছে বাড়ি বাড়ি -- চায়ের দোকান বন্ধ এখন কি করব স্যার! --- শুধুই শসা আর কিছু নেই? -- হয়ে যাবে। দুদিন পরে এটা সেটা নিয়ে আসব শসা নিলাম। দাম নিলো আজ। বলতে হল, ঘুরে দাঁড়াবি। আগের মতই ব্যবসা হবে। --হবে না স্যার। তেমন দিন আর ফিরবে নাকো। খালার বাড়ি গিয়েছিলাম বসিরহাটে ফিরে আসতে লোকে ভাবল অন্যকিছু বাঁকা চাহনি, বিরূপ কথা। বোধহয় আমি--- চায়ের দোকান চলবে না আর চায়ের কাপ আর ঠোঁটের মাঝে জীবন্ত যা সন্দেহ-- |
| দুই. আজ এক নতুন মাছ ওলা ছোকড়া এলো বেশ টাটকা রুই কাতলা নিয়ে, দাম দস্তুর করে অনেক সস্তায় নিলাম কেজিখানেক রুদ্ধদ্বার স্বেচ্ছানির্বাসনে রয়ে বসে খাওয়া যাবে মাছ দিয়ে ছোকড়া চলে যাচ্ছিল, বললাম, মাছ কেটে কুটে দিয়ে যাও মাছ বিক্রির এটাই তো দস্তুর সে বলল, দিন তিনেক বেরিয়েছি মাছ বেচতে এখনো কাটতে শিখিনি। -- টাকা ফেরত দিয়ে যাও মাছ ফিরিয়ে নাও। -- আজকের মত নিন দিদি, পরের দিন ঠিক কেটে দিয়ে যাব। -- লাট সাহেব! -- না দিদি, এম এ পড়ি। টিউশনি করে চলত। দেড় মাস কেউ পড়ে না। ঢুকতেই দেয় না বাড়িতে। মেস ভাড়া খাওয়ার খরচ জোটাতে সদ্য মাছ বিক্রি করতে নেমেছি। পরের দিন ঠিক শিখে যাব কাটতে। |
| তিন. এত বছর ডাক্তারি করছি এমন আবদার কোনদিন শুনিনি এক মাস আগেও দেখিয়ে নিয়ে গেছে সঙ্গের তরুণটি খুব উৎফুল্ল। কাল হঠাৎ একা মেয়েটি এসে বলল, গর্ভপাত করান ডাক্তারবাবু। আমি বললাম, এ হয়না। ভ্রূণ যথেষ্ট পরিণত একাজ এখন বিপজ্জনক। অনৈতিক। তোমার সেই সঙ্গী কোথায়? -- রেজিস্ট্রারকে নোটিশ দেওয়া ছিল। লক ডাউনে কাজ চলে গেছে তার। পরশু হতাশায় আত্মহত্যা করেছে। সন্তান নষ্ট করতে তারই ছিল তীব্র আপত্তি এক মুঠো টাকা টেবিলে নামিয়ে আমার পায়ে ধরে বলল, বাঁচান--- পরদিন মজা বাঁকায়,মাতৃ দিবসে ফুটফুটে মৃত ভ্রূণ পড়ে থাকতে দেখে সজাগ জনতা বলছে, মা, না রাক্ষুসি! |
| চার. ওইদিকে আমাদের গ্রাম এই দিকে বাঁশ বাঁধা বেড়া সন্দিগ্ধ সিভিক পুলিশ চারিদিক নিরাপদে ঘেরা। দুশো ক্রোশ রেলপথ ধরে হেঁটে হেঁটে পরিবারসহ কাল এসে দাঁড়িয়েছি গাঁয়ে খিদে ক্লান্তি যত দূর্বহ অনেক আঘাত তার চেয়ে ঢুকতে দেবে না ওরা গাঁয়ে নিজ ঘর নিজের উঠোন জল দেবো দগদগে পায়ে পর হয়ে যায় বন্ধুরা "বেশি টাকা পেতে ঘরছাড়া"-- ওরাও চায়না গাঁয়ে ফিরি দূরে গেল কাছে ছিল যারা-- |
| ওটাই তো আমাদের ঘর জামরুল বকুলের সাজে আজ এত দূরে চলে গেল! ঘরে নয় পারে নয়--মাঝে-- রোগ এসে হানা দেয় ঘাড়ে মানুষ মরছে অনাহারে। |
| কবি অজিত বাইরী মিলনসাগরে কবির পাতা এখানে তোলা হয়েছে ১৩.৫.২০২০ |
| বলো, ভারতবর্ষ বলো কবি অজিত বাইরী শোন ভারতবর্ষ, তাদের কথা শোন-- যারা রেললাইনে ছিন্নভিন্ন হয়ে গেল। শোন ভারতবর্ষ, তাদের কথা শোন-- যাদের ক্ষুধার পোড়া রুটি ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকলো রেললাইনের আশপাশে। বাড়ি ছাড়া সেইসব পরিযায়ী শ্রমিকদের কথা শোন, যারা বহুদূরের পথ পাড়ি দিয়ে ফিরতে চেয়েছিল স্ত্রী, পুত্র- কন্যা, পরিবার, পরিজনের কাছে । যারা ফেরার কোন যান না-পেয়ে হাঁটতে শুরু করেছিল মাইলের-পর-মাইল । কেউ চল্লিশ, কেউ পঞ্চাশ মাইল হেঁটে এসেছিল, তারপর ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিল রেললাইনের উপর । বোঝেনি এ- পথে দৌড়ে আসবে মৃত্যুদূত; আর ফলের খোসার মতো পিষে দিয়ে যাবে। |
| কবি সুতপা সেনগুপ্ত মিলনসাগরে কবির পাতা , . . এখানে তোলা হয়েছে ১৫.৫.২০২০ |
| চলো, নিরাপদে থাকা যাক কবি সুতপা সেনগুপ্ত চলো, নিরাপদে থাকা যাক ওরা হেঁটে হেঁটে মরে না খেয়ে চলো নিরাপদে থাকা যাক আজ নতুন রান্না শিখেছি চলো, নিরাপদে থাকা যাক ওরা আটকানো যেন জন্তু চলো নিরাপদে থাকা যাক দান দিলে কেন ছবি দেব না? চলো, নিরাপদে থাকা যাক ওরা রেলের চাকায় পিস পিস চলো নিরাপদে থাকা যাক ওফ পার্লার কবে খুলবে? |
| ছড়া, সে যে কোন ধরণেরই হোক না কেন, এই দেয়ালে তুলতে হলে আমাদের কাছে নিচের ইমেলে পাঠাবেন। আমাদের ওয়েবসাইটের সম্পাদক মণ্ডলীর অনুমোদন সাপেক্ষে আমরা তা তুলে দেবো। সোশিয়াল মিডিয়ার দৌলতে অনেক অনবদ্য সুন্দর কবিতা আমরা পাচ্ছি। কিন্তু বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই কবির নাম জানা যায়না। সঠিক কবির নাম জানালে আমরা সেই কবিতার পাশে কবির নাম-প্রেরক কে কৃতজ্ঞতা জানাবো। আমাদের ই-মেল: srimilansengupta@yahoo.co.in তাহলে আর দেরী কেন? ছড়ার ছররা ছড়িয়ে, দেয়াল তুলুন ভরিয়ে...! . রাজেশ দত্ত কবিদের পাতায় যেতে তাঁদের নামের উপর ক্লিক করুন |
| |||||
| কবি সায়ন দাস কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৮.৮.২০২১ |
| আমাদের দেখা হোক মহামারী শেষে কবি সায়ন দাস, রচনা ২৩.৩.২০২০। |
