.
.
প্রতিবাদী কবিতার দেয়ালিকা
এই পাতাটি পাশাপাশি, ডাইনে-বামে ও কবিতাগুলি উপর-নীচ স্ক্রল করে!
This page scrolls sideways < Left - Right >. Poems scroll ^ Up - Down v.
.            প্রতিবাদী
.        কবিতার
.    আগের
পাতায় যেতে
.    এখানে.
.
        ক্লিক
.               করুন
এই পাতার পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার জেলের,
যা যে কোনো রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের উপরে চরম
নিপীড়ন ও নির্যাতনের প্রতীক। আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
মিলনসাগরের এই প্রতিবাদী কবিতার দেয়ালিকার কবিদের সাজানো
হয়েছে পাতার পর পাতা কালানুক্রমিকভাবে বাঁ থেকে ডান দিকে।
পাঠকের সুবিধার জন্য কবিদের সূচীটি বর্ণানুক্রমিক রাখা হয়েছে।
প্রতিবাদী কবিতার দেয়ালিকার সূচীতে যেতে >>>>>
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
এই পাতার প্রতিবাদী কবিরা ---
বিদিশা করীম (২)
জগন্নাথদেব মণ্ডল (১)
অর্ঘ্য দত্ত (৪)
দেবপ্রিয়া ভৌমিক (৬)
প্রানবন্ত আমি, আমি পয়মন্ত
এই আলোকবর্ষে আমি এক ও অদ্বিতীয়
আমি পৃথিবী।
প্রানের একমাত্র অধিকারি, প্রান প্রদানকারী
জলের একমাত্র উৎস,
আমি পৃথিবী।

ভাবিনি কখনো প্রাণ এনে,
.                          আমি প্রাণহীন হবো,
ভাবিনি কখনো মানুষের দরজাতে
.                         এভাবে খিল আটবো।
ভেবেছিলাম তাদের মাটি,জল,বায়ু দিয়ে
.                        তাদের খেয়াল রাখবো,
তাদের জায়গা দিয়ে আমি তাদের             
.                           মনে জায়গা নেবো।

আমি দিলাম মাটি, তারা দেশ বানালো
আমার মাটিতে দাঁড়িয়ে আমায় ভাগ করলো,
আমার বুকের উপর তারা কাঁটাতার ঘিরলো
আমি তো চাইনি তা-
কবি বিদিশা করীম
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
আমি পৃথিবী কবি বিদিশা করীম (জন্ম ৯.১১.১৯৯৭)। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, তৃতীয় বর্ষ,
তুলনামূলক সাহিত্য।
.
মিলনসাগরের প্রতিবাদী কবিতার দেয়ালিকার
আগের পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন . . .
আমি দিলাম বায়ু, তারা গ্যাস বানালো,
উন্নতির শিখরে উঠতে উঠতে বাতাসকে ভুলে গেলো,
গাছ কাটলো, বাড়ী করলো, অক্সিজেনকে কমিয়ে দিলো
আমি তো চাইনি তা-

আমি দিলাম জল, তারা দুষিত করলো
কলকারখানার যত নোংরা আবর্জনা আমার নীলে ফেললো,
জলের বুক চিরে যুদ্ধ জাহাজ গেলো
আমি তো চাইনি তা-

আমি মানুষ দিলাম, তারা ধর্ম বানালো
ধর্ম বানিয়ে একে অপরকে কাটলো,
সবার রক্ত লাল দেখেও তারা অবুঝ থাকলো
আমি তো চাইনি তা-

এত জ্বালা, যন্ত্রনা, বুকে নিয়েও
.                       আমি তাদের ভালো বেসেছি
কখনো দাবানলে, কখনো ভূমিকম্পে, সুনামিতে
.                       জানান দিয়েছি “আমি আছি”,
তাদের প্রথম বানানো চাকাকে উৎসাহ দিয়েছি
.                    কিন্তু এমন উন্নতি আমি চাইনি
দিকে দিকে, ধোঁয়া, শব্দ, বারুদের গন্ধে
.                        আমি আমার প্রাপ্য পাইনি।

পাখীর ডাকে আমি বহুদিন ঘুম থেকে উঠিনি,
নদীর কুলুকুলু ধ্বনি কানে বহুদিন বাজেনি,
সবুজ গাছেদের এত আরাম আমি বহুকাল দেখিনি,
এত নীরব সুর আমি বহুকাল শুনিনি।
আমি হাঁপিয়ে উঠেছি, ভেঙেছে ধৈর্যের সব বাঁধ
হিংসা,যুদ্ধ,ক্ষোভের দামামা, বাজে দিন-রাত
প্রকৃতিকে উপেক্ষা করে, মানুষ চলেছে নিরন্তর
একটি ভাইরাসের প্রকোপে মানুষের গতি আজ মন্থর।

থেমেছে গতি, থেমেছে যুদ্ধ, পারদ কাঁপিয়ে বাড়ছে ভয়
প্রকৃতি যেন বলতে চাইছে, “আমার সাথে পাল্লা নয়”,
এই ভয়টাই এক সুতোয় বেঁধেছে হিন্দু-মুসলিম-শিখকে
বুঝিয়েছে শুধু মানবতা সত্য, জাত-পাত সব মিথ্যে।
জানো তো, সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপর নাই
হাজার দ্বন্দের পরেও, তোমাদের এক মাটিতেই ঠাঁই।
আমি চাই, তোমরা থাকো ভালো, তোমাদের পৃথিবীতে
একসাথে থেকো, ভালোবেসে থেকো আমার পৃথিবীতে।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
IPL এর কলঙ্ক শুধু নয়
.        তুমি ভারতীয় ক্রিকেটের কলঙ্ক
তোমার বিরুদ্ধে পুলিশের তল্লাসিতে
.        মিলে যাচ্ছে সব অঙ্ক
সারা বিশ্বে ঘুরে বেড়াচ্ছে
.        শ্রীসন্ত, তোমার ওই স্পট্ ফিক্সিং কাণ্ড
কী য়ে খারাপ কাজ করেছ, অজিত, অঙ্কিত আর তুমি
.        এবার বুঝতে কি পারছো ?
তোমার নিজের মুখ শুধু নিচু হয় নি
.        তোমার দলের সতীর্থদের কাছে
তুমি ভারতীয়দের মাথা নিচু করেছ
.        সারা বিশ্ববাসীর মাঝে
তুমি নাকি ধোনীর
Lucky Champ
.        তোমার কাজ নাকি দলকে তাতানো
তোমার এই টাকার লোভে
.        উচিত তোমাকে জাতীয় দল থেকে হটানো
এই টাকার লোভে
IPL আজ দাঁড়িয়ে কঠগড়ায়
.        লীগ বন্ধ হলে, অজিত অঙ্কিত না শ্রীসন্ত
.        দোষটা হবে কার ?
কবি বিদিশা করীম
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
স্পট্ ফিক্সিং (Spot Fixing)
কবি বিদিশা করীম (জন্ম ৯.১১.১৯৯৭)। ৭ই জুন ২০১৩ তারিখে রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে, CTVN
টেলিভিশন চ্যানেলের একটি অনুষ্ঠানে, এই প্রতিবাদী কবিতাটি টেলিফোনে সরাসরি পাঠ করে
শোনায় আলিপুর বহুমুখী রাষ্ট্রীয় বালিকা বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রী বিদিশা করীম। ক্রিকেট
বেটিং নিয়ে এই কবিতা।
.
ক্রিকেট মহলে প্রশ্ন এখন
.        কেন এত বেটিং
টাকার জন্য ক্রিকেটাররা
.        করছে কেন ফিক্সিং ??
উদ্বোধনে মেতেছিল এবার
.        টলিউড বলিউড
জুয়ার জালে জড়িয়ে গেল
.        বলিউড টলিউড
খেলা মানে শুধুই আনন্দ
.        থাকবে হার-জিত
বেটিং না করে ব্যাটিং দেখ
.        তবে ক্রিকেটের হবে জিত
জুয়া না খেলে ক্রিকেট খেল
.        সেটাই আসল মিথ্।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
মোড়ের মাথায় শনিমন্দির
সন্ধ্যে লাফ দিয়ে নামল টানা রিক্সা থেকে
রুক্ষচুল, পিঁচুটি চোখ, ফেনামখা একা পাগল
থুতু ছুঁড়ছে আকাশের দিকে
সেই থুতু অভিশাপ হয়ে নেমে আসছে
ভদ্রবেশী শয়তানদের মুখে
কবি জগন্নাথদেব
মণ্ডল
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
পাগল
কবি জগন্নাথদেব মণ্ডল (জন্ম ২৭.১১.১৯৯৭)। এই কবিতাটি
মিলনসাগরে তোলা হয় ২০১৭ সালের ২৫শে বৈশাখে।
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
চারিপাশ টা দেখছি রঙিন চশমার ওপার থেকে ,
.        কোনো রঙ চোখে পড়েনা তেমন !
তাই, উষ্ণতা-তেজ স্থির যেন আজ।
সুবিধাবাদীদের বিভীষিকায় উত্তপ্ত
.      কোটি প্রহর-কোটি মানুষের শীতঘুম !
আদিম শেকড়ের ঘ্রান আদিমতায় লুপ্ত।
বিদেশী আরাধনায় জমছে ধুলো
.     স্তূপাকার দেশি ফাইলে, অবিরত !
মাকড়সা করছে সন্ধি, দেখছে নামের ক্ষত।
কেউ শুনতে পাচ্ছেনা বুঝি
.      ক্লীব, বিধবা রাজতন্ত্রের হৃদধ্বনির সাইরেন !
পরমুখোপেক্ষিতা, গর্জনের ফিসফিসে বাণী। (বেশ)
(তবে) ধনুক-ছিলামে বাঁধা প্রতিবাদ, অপেক্ষা মুখরতার
.     চারিপাশে শব্দঝড়, স্লোগান, বিসর্জনের ডাক !
কেউ শুনলে আর্জি জানাবেন , পাশে থাকার অঙ্গীকার।
কবি অর্ঘ্য দত্ত
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
ঘুমন্ত
কবি অর্ঘ্য দত্ত (জন্ম ২০.১.২০০০)।
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
বছরভর 'পিতৃতন্ত্র'র পর কয়েকদিন 'দেবীপক্ষ' ,
দশমীতেই হয়তো খুন হয় দেবীপক্ষের সময়সীমা ।

যেন 'অবসান' ঘটে মা-বোনের স্বাধীন চলাফেরার,
যেন 'অবসান' ঘটে মাঝরাতে নারী স্বাধীনতার।

দেখছো না ,
নেকড়েগুলো আবার তাদের দাঁত নখ বের করে
হামলে পড়ার উপক্রম করছে ।

চ্যানেল ঘুরিয়ে দেখলাম আজ -
কোথাও  নির্ভয়া কাণ্ডের ছায়া !
কোথাও বা খুন হয়েছে 'মা' অবলীলায় !
যেন বহু কষ্টে চার দিন দুষ্টু আত্মাগুলো
আবদ্ধ ছিল মন্ত্রপুত মদের বোতলে ; ছিল ক্ষূধার্ত।

আজ আবার দ্বারা মুক্ত !
শুরু হলো আবার দেবত্ব নারীস্বত্তার হত্যা।
কবি অর্ঘ্য দত্ত
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
অবসান
কবি অর্ঘ্য দত্ত (জন্ম ২০.১.২০০০)।
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
মৃতদের মিছিল চলছে  সুপ্ত কারাগারে ,
দূরে ; ওই দূরে তাদের গোঙানির ক্ষীণ প্রতিধ্বনি
বজ্রপাতে বিলীন, আর আধারে যায় মিশে।

প্রতিবাদ কে এরা ফেলেছে জলন্ত হোমকুন্ডে
বাধা-কাঁটাপূর্ণ পথকে দূরে ফেলে,
পচা-গলা দেহে পরশমনির খোঁজে।

বনবাসী হৃদয় এদের, আত্মসুখের অন্ধকারে ডুবে
পথহারা পাখির মত অস্থায়ী চিত্তে,
অসত্যের পর্দা সরিয়ে মিথ্যা বাস্তব খুঁজে।

মৃতদের মিছিল চলবে সেই গুপ্ত কারাগারে
কর্মরত মাথাগুলি দোলে আশায়-আশায়,
ক্ষীন আলোচনা ঢাকা পড়ে একনায়কতন্ত্রে।
কবি অর্ঘ্য দত্ত
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
মৃতদের মিছিল
কবি অর্ঘ্য দত্ত (জন্ম ২০.১.২০০০)।
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
সামনের লক্ষ্য দেখেছো কোনোদিন নিজ চোখে?
কতো পাখির কতো কুজন - দুর থেকে ভালো ,
বাইরেটা দেখে কতো সমালোচনা! কতো নিন্দার ফুলকি !
.                -  কত বেনামী স্বত্তার।
আমি কিন্তু অক্ষম, স্বল্পদৃষ্টি যে আমার।

সমাজের দূষিত রক্ত ধমনীকে পেঁচিয়ে দিয়েছে !
জাতিসত্তার কলুষতা সফলতার পরিধি বাড়িয়েছে।
উন্নতির রাস্তায় কতো পর্দা !  এগোতে গিয়ে,
সাদা ইউনিফ্রম দূষণের বিষে নীল হবে ,
লাল হবে তারপর সম্মান অর্জনের মেঠোপথে ,
.                    স্বসম্মান বলির রক্তে।

রাস্তাটা এবড়োখেবড়ো নয়, মসৃণতার প্রলেপ লেপা।
প্রতিটি বাঁক চেতনার পরিপন্থী ,
ক্লান্ত পথিক সফলতার রাস্তায় খুন হয় ( নিঃশব্দে)
বিকৃত চাপা গর্জনে বহাল তবু শান্তি।
কবি অর্ঘ্য দত্ত
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
ক্লান্ত পথিক আর সফলতা
কবি অর্ঘ্য দত্ত (জন্ম ২০.১.২০০০)।
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
আজকের গণতন্ত্র?
সে তো চেনাই যায় না
দেশের ইতিহাস?
তাও তো বোঝাই যায় না
টাকার হিসাব?
সে আর মেলানো যাবে না
বিচারে গলদ হচ্ছে কি আর সাধে,
তাইতো এবার মন্ত্রীরা সব
এদল ছেড়েও ওদলে ভেড়ে
ভোটের আগে জুলুমবাজি একের পর এক
মূর্খেরা সব বলে দিল নম্বরেতে ৯০% ছাড়।
মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক অনায়াসেই হতে পারতো!
ভাইরাস তখন কম ছিল দেখা যেত যখন আবার বাড়তো।
স্কুলে স্কুলে দাঙ্গা মারপিট উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে,
ছাত্রীরা সব ক্ষেপে গেছে পারলে যাবে তেড়ে
ঠিকই তো ! সব ভোটের কাজে ব্যস্ত ছিল তখন
বিদ্যার দৌড় বোঝা যেত পরীক্ষা হতো যখন।
কবি দেবপ্রিয়া
ভৌমিক
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
গণতন্ত্রের হিসাব
কবি দেবপ্রিয়া ভৌমিক (জন্ম ৪.১০.২০০৬)। ২.৮.২০২১ তারিখে,
দুঃসহ করোনা মহামারীর কালে, এই কবিতা রচনার সময়ে কবি
৯ম শ্রেণীর ছাত্রী।
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
লড়াইয়ের দিনে সম্পর্ক ছিল নামহীন
রাস্তার ধারে সেই রক্তমাখা দেহগুলো,
পড়ে আছে স্বাধীন।
অস্ত্রের আঘাতে ছিন্নভিন্ন দেহ নয়!
জেতার আনন্দ ছিল তোমার কাছে দামি
মনে আছে আজও গৰ্জিত  রুদ্ধশ্বাসে উদ্ধত বাণী।
আকাশ জুড়ে শুরু হলো ঝড়ের জগঝম্প
এখনও শেষ হয়নি বিদ্রোহের গল্প।
ছুটছি আবার নতুন খোঁজে,
প্রতিশোধের সেই কন্ঠ
সেই প্রতিবাদী গলা এখনো রয়েছে অশান্ত।
কবি দেবপ্রিয়া
ভৌমিক
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
প্রতি হিংসা
কবি দেবপ্রিয়া ভৌমিক (জন্ম ৪.১০.২০০৬)।
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
মোরা বিবাদ করে
করব কিরে বল
এই সবই আমাদের ভাগ্যফল
হিন্দু-মুসলিম, জৈন-বৌদ্ধ ধর্মের একই ভগবান
সবাইকেই করি ভক্তি প্রণাম
জেনে রেখো, আমরা সবাই একই মায়ের সন্তান
কাউকেই করো না হেয়োতান
দেহ রেখে কেউ
বলে কি জাতি আমি অন্য
মৃত্যুকাল পর্যন্ত জেনে রেখো
এটাই নগণ্য
কবি দেবপ্রিয়া
ভৌমিক
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
জাতির বিভেদ
কবি দেবপ্রিয়া ভৌমিক (জন্ম ৪.১০.২০০৬)।
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
যুদ্ধের মাঠে যখন অন্ধকার নেমে আসে,
জীবনের সবটাই প্রায় শিরা-ধমনির  ধ্বংসাবশেষ
মৃত্যু আর মুখোশের মাঝে,
প্রতিবাদের লড়াই খুঁজি॥
কবি দেবপ্রিয়া
ভৌমিক
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
মুখোশ
কবি দেবপ্রিয়া ভৌমিক (জন্ম ৪.১০.২০০৬)।
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
মেয়ের জন্য মায়ের কাঁদন সেসব এখন নয় প্রয়োজন
আঠারো হয়নি করবো বিয়ে
সেও এখন দূর আবহ
শাসন আছে, দমন আছে আমি একা পথে
পড়বো না আজ দমকা হাওয়া আর না কোন আঘাতে
কলম ধরেছি মোরা বেড়েছে মনোবল
এগিয়ে  এসো নারীগণ নারীশক্তি হয়েছে প্রবল
ঘোমটা খুলেছি, এগিয়ে চলেছি আঁধারের হোক অবসান
বাঁচাবো দেশ, রাখবো মান হোক নারীদের জয়গান॥
কবি দেবপ্রিয়া
ভৌমিক
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
নারী
কবি দেবপ্রিয়া ভৌমিক (জন্ম ৪.১০.২০০৬)।
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
পাতলা বরণ, শাড়ির ভাঁজে,
জেগে ওঠো নারী
নিজের মনেই গর্জে ওঠো
দেখবে আমরাও পারি।
বাবার কাছে ছোট্ট আমি লক্ষী সোনা মেয়ে,
ধন্য নারী ধন্য তুমি মাতৃরূপী হয়ে।
পণপ্রথা আর নির্যাতন সব সইতে পারি
হাজার হোক এ জগতের জন্মদাত্রী আমি॥
কবি দেবপ্রিয়া
ভৌমিক
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
নারী ২
কবি দেবপ্রিয়া ভৌমিক (জন্ম ৪.১০.২০০৬)।
.
.
.
মিলনসাগরের প্রতিবাদী কবিতার দেয়ালিকার
. . . . সূচীর পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন
প্রতিবাদী            .
কবিতার        .
সূচীর    .
পাতায় যেতে
এখানে    .
ক্লিক         .
করুন              .
এই পাতার পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার জেলের,
যা যে কোনো রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের উপরে চরম
নিপীড়ন ও নির্যাতনের প্রতীক। আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
মিলনসাগরের এই প্রতিবাদী কবিতার দেয়ালিকার কবিদের সাজানো
হয়েছে পাতার পর পাতা কালানুক্রমিকভাবে বাঁ থেকে ডান দিকে।
পাঠকের সুবিধার জন্য কবিদের সূচীটি বর্ণানুক্রমিক রাখা হয়েছে।
প্রতিবাদী কবিতার দেয়ালিকার সূচীতে যেতে >>>>>
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার প্রতিবাদী কবিরা ---
বিদিশা করীম (২)
জগন্নাথদেব মণ্ডল (১)
অর্ঘ্য দত্ত (৪)
দেবপ্রিয়া ভৌমিক (৬)