মাধব ঘোষ – ছিলেন চৈতন্য সমসাময়িক পদকর্তা এবং চৈতন্যদেবের অনুচর ও ভক্ত এবং  বড়
পদকর্তা
বাসুদেব ঘোষের ভাই। তিনি ছিলেন সুগায়ক।

তাঁর আর এক ভাই
গোবিন্দ ঘোষ ছিলেন সুনর্তক এবং তাঁরা সবাই বৈষ্ণব পদাবলী রচনা করে গিয়েছেন।



জগবন্ধু ভদ্রর ৬ জন মাধব -
১৯০২ সালে প্রকাশিত পদাবলী সংকলন গৌরপদ-তরঙ্গিণীর প্রথম সংকলনে,
জগবন্ধু ভদ্র ছয়জন মাধবের
উল্লেখ করেছেন, যাঁদের মধ্যে তিনজনেরই নাম মাধব মিশ্র! এই ছয়জন হলেন . . .
১। মাধব মিশ্র - ইনি গদধর পণ্ডিতের পিতা। তিনি চট্টগ্রামের বেলেটি গ্রাম থেকে এসে নবদ্বীপে বসবাস শুরু
করেন। এনার পদ-রচনা সম্বন্ধে কোনো উল্লেখ নেই।
২। দুই ভাই জগন্নাথ ও মাধব - তাঁরা নবদ্বীপের বিখ্যাত জগাই-মাধাই, যাঁদের নিত্যানন্দ প্রভু উদ্ধার
করেছিলেন। এনারা পদকর্তা ছিলেন না বলেই আমরা জানি।
৩। মাধবাচার্য্য - ইনি নিত্যানন্দ প্রভুর শিষ্য এবং জামাতা। পিতা বিশ্বেশ্বর ও মাতা মহালক্ষ্মী। জন্মকালে
মাতার মৃত্যু ও তারপরে পিতা, সন্ন্যাসী হয়ে কাশীযাত্রা করলে, মাধবকে পরম যত্নে মানুষ করেন পিতা-
মাতার পরমবন্ধু দম্পতি, ভগীরথ ও জয়দুর্গা। মাধব নানা শাস্ত্রপাঠ করে মাধব আচার্য্য উপাধি লাভ করেন
এবং নিত্যানন্দ প্রভুর ভক্ত হয়ে তাঁরই আজ্ঞায় কন্যা গঙ্গা দেবী কে বিবাহ করেন। ইনি নিত্যানন্দ
দাস রচিত শ্রীপ্রেমবিলাস গ্রন্থের উনবিংশ বিলাসের ১৮৫-পৃষ্ঠায় উল্লেখিত, দ্বিতীয় মাধবাচার্য্য। এনার
রচনাবলি সম্বন্ধে কোনো উল্লেখ নেই। কিন্তু ইনি নিত্যানন্দ দাসকে বাদ্য শিক্ষা দিয়েছিলেন বলে সেখানে
উল্লেখিত রয়েছে।
৪। মাধব ঘোষ - ইনি বাসুঘোষ ও গোবিন্দ ঘোষের আপন ভাই। এঁরা সবাই কবি ও গায়ক ছিলেন। বাসু ও
মাধব ছিলেন নিত্যানন্দ প্রভুর ভক্ত। তাঁরা চৈতন্য সমকালীন কবি। তাঁর পদে “মাধব ঘোষ” ভণিতা রয়েছে।
কিছু “মাধব” ভণিতার পদও তাঁর রচনা হতে পারে।
৫। মাধব মিশ্র - পিতার নাম পরাশর, পিতামহের নাম ধরণীধর ও পুত্রের নাম জয়রাম মিশ্র। তাঁর বাসস্থান
ছিল ত্রিবেণীর ধারে সপ্তগ্রামে। সেখান থেকে তাঁরা ময়মনসিংহ জেলায়, মেঘনার পারে নবীনপুর বা ন্যায়পুর
গ্রামে বসবাস শুরু করেন। তিনি ১৫০১ শকে সারদাচরিত নামে একটি চণ্ডীগ্রন্থ রচনা করেন।
“ইন্দুবিন্দুবাণধাতা শক নিয়োজিত। দ্বিজ মাধবে গায় সারদাচরিত॥” ইনিও একটি কৃষ্ণমঙ্গল রচনা করেন।
৬। মাধব মিশ্র - ইনি শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর দ্বিতীয় স্ত্রী বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীর কাকা কালিদাস মিশ্রের পুত্র মাধব।
নিত্যানন্দ দাসের প্রেমবিলাসে রয়েছে যে এই কালিদাসের নামও পরাশর ছিল।
“জ্যেষ্ঠ সনাতন কনিষ্ঠ পরাশর কালিদাস। পরম পণ্ডিত সর্ব্ব গুণের আবাস॥”
শ্রীকৃষ্ণমঙ্গলের এই পংক্তির টীকায় দেওয়া আছে - পরাশর কালী ভক্ত ছিলেন বলে তাঁর নাম কালিদাস হয়।
মাধব নানা শাস্ত্রে পাণ্ডিত্য লাভ করে মাধব আচার্য্য উপাধি লাভ করেন। ইনি কেবল শ্রীচাতন্যের শ্যালকই
নন, ইনি কিছুকাল নিমাইপণ্ডিতের (শ্রীচৈতন্যের পূর্বাশ্রমের ডাক নাম) টোলের ছাত্র ছিলেন! ইনি
শ্রীমদ্ভাগবতের দশম স্কন্ধের সুন্দর সরল অনুবাদ করে “শ্রীকৃষ্ণমঙ্গল” নামে প্রকাশ করে
শ্রীচৈতন্যের পাদপদ্মে অর্পণ করেন। ইনি পরবর্তিতে কবিবল্লভ-আচার্য ও কলি-ব্যাস নামেও খ্যাত হন। ইনি
নিত্যানন্দ দাস রচিত শ্রীপ্রেমবিলাস গ্রন্থের উনবিংশ বিলাসের ১৮৩-পৃষ্ঠায় উল্লেখিত, প্রথম মাধবাচার্য্য।



মাধব ভণিতা প্রসঙ্গে মৃণালকান্তি ঘোষ -
গৌরপদতরঙ্গিণীর দ্বিতীয় সংকলনে ভণিতা প্রসঙ্গে, সম্পাদক মৃণালকান্তি ঘোষ লিখেছেন . . .
“গৌরপদতরঙ্গিণীতে মাধব ঘোষ -ভণিতার পাঁচটী, মাধবদাস ভণিতার দুইটী, মাধব -ভণিতাযুক্ত পাঁচটী এবং
দ্বিজ মাধব -ভণিতার একটী মাত্র পদ সংগৃহীত হইয়াছে। এই মাধ ঘোষ যে বাসু ও গোবিন্দ  ঘোষের
সহোদর, তাহাতে কোন সন্দেহ নাই। তত্ত্বনিধি মহাশয়ের মতে কালিদাস-তনয় মাধবই, দ্বিজমাধব-ভণিতাযুক্ত
পদটীর রচয়িতা।
সতীশবাবু (পদকল্পতরুর সম্পাদক) বলেন, ‘পরাশরাত্মজ মাধব অপেক্ষা কালিদাসাত্মজ
মাধবের পদাবলী পদকল্পতরুতে সংগৃহীত হইবার বেশী সম্ভাবনা।’ আমরা ইহা বলিতে পারিনা। মাধব ও
মাধবদাস ভণিতাযুক্ত সাতটী পদ যে একজনার রচিত নহে. তাহা পাঠ করিলেই বেশ বুঝা যায়। তবে কোন্
পদটী কাহার রচিত, তাহা বলা সুকঠিন।”



বিভিন্ন রূপে "মাধব" ভণিতা ও তার অপভ্রংশ -                                  পাতার উপরে . . .   
আমরা মিনলসাগরে যে বিভিন্ন রূপে “মাধব” ও তার অপভ্রংশ রূপের ভণিতাযুক্ত পদ সংগ্রহ করতে
পেয়েছি তা হলো "মাধব", "মাধব দাস", "দ্বিজ মাধব", "মাধব আচার্য্য", "শ্রীমাধব", "মাধাই", "মাধো", "মাধব
ঘোষ", "মাধবেন্দ্র পুরী", "মাধবী" এবং "মাধবী দাসী"।

মিলনসাগরে প্রকাশিত "মাধব" সম্বলিত বিভিন্ন ভণিতায় ক্লিক করলেই সেই পাতায় চলে যেতে পারবেন।
মাধব   
মাধব দাস    
দ্বিজ মাধব   
দ্বিজ মাধব দাস   
মাধব আচার্য্য   
শ্রীমাধব   
মাধাই    
মাধব ঘোষ   
মাধবেন্দ্র পুরী    
মাধবী    
মাধবী দাসী      
মাধো   ...   
আমরা
মিলনসাগরে  কবি মাধব ঘোষের বৈষ্ণব পদাবলী আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে পারলে এই  
প্রচেষ্টার সার্থকতা।



বৈষ্ণব পদাবলী নিয়ে মিলনসাগরের উদ্দেশ্য                                       পাতার উপরে . . .    
নরহরি চক্রবর্তীর কবিতা বা পদাবলির মান দ্বিতীয় শ্রেণীর কি না, তাঁর কবিতা বিদ্যাপতি-চণ্ডীদাসের তুল্য
কি না বা
জ্ঞানদাসের কাব্যের মানের কাছাকাছি কি না, এই সব গূঢ় তাত্ত্বিক তর্ক-বিতর্কের আলোচনায়
উনিশ ও বিংশ শতকের বাংলার পদাবলী সাহিত্য সরগরম হয়েছিল! সেসময়ের বিভিন্ন গ্রন্থকারের লেখা
পড়লেই তা চোখে পড়ে। কিন্তু মিলনসাগর এ বিষয়ের অতি সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম তত্ত্বকথায় যেতে আগ্রহী নয়! তাই
এই আলোচনা আমরা এখানে করলাম না।

আমাদের উদ্দেশ্য, উত্কর্ষের নিরিখে বৈষ্ণব পদাবলীর বিচার করা নয়। আমাদের উদ্দেশ্য পদকর্তাদের
যতগুলি সম্ভব পদ একত্রে এখানে প্রকাশ করা। বৈষ্ণব পদকর্তা ও সংকলকগণ যে আজীবন   কঠোর
পরিশ্রম  করে এই বিশাল সাহিত্য বাঙালীকে এযুগে উপহার দিয়ে যেতে পেরেছেন, আমরা মিলনসাগরে
তাঁদের সবাইকে আমাদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও নমস্কার জানাই।

আমরা প্রতিটি পদে, সেই পদেটির উত্স-গ্রন্থের নাম উল্লেখ করেছি। একাধিক ক্ষেত্রে একাধিক রূপে পাওয়া
একই পদ একত্রে তুলে দিয়েছি  তুলনার জন্য।  সংস্কৃত ভাষার  পদগুলির বাংলায় অনুবাদ বা ব্যাখ্যা হাতে
পেলেই তুলে দেওয়ার চেষ্টা করছি।




বৈষ্ণব পদাবলীর "রাগ"                                                              পাতার উপরে . . .   
বৈষ্ণব পদাবলীর পদগুলি মূলত গান হিসেবেই রচনা করা হোতো। প্রায় প্রতিটি পদের শুরুতেই সেই পদটির
“রাগ”-এর উল্লেখ থাকে। তবে কিছু পদের আগে তার “রাগ”-এর উল্লেখ নেই এমনও পাওয়া গিয়েছে। বৈষ্ণব
পদাবলীর সংকলকগণ যখন তাঁদের সংকলনে পদ সাজান, তখন পর পর একাধিক গানের যদি একই সুর বা
রাগ থাকে, তাহলে তাঁরা প্রথম গানটিতে তার রাগ উল্লেখ ক’রে পরের গানটিতে রাগের যায়গায় “তথা রাগ”
বা “যথা” শব্দ বসিয়ে দিতেন, এই বোঝাতে যে পরের গানটি একই রাগাশ্রিত। কিন্ত এমনও পাওয়া গিয়েছে
যে একই গান বিভিন্ন সংকলকের সংকলনে ভিন্ন রাগাশ্রিত বলে উল্লেখিত। বহু পদই মুখে মুখে গীত   
অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে।  তাই  একই গান  বিভিন্ন  গায়কের মুখে ভিন্ন ভিন্ন সুরে পাওয়া গিয়ে থাকতেই
পারে। তাই অনেক বিদগ্ধজনেরা মনে করেন যে এখন আর পদের রাগের উল্লেখ না করলেও চলে। যে  
যেমন সুরে চায়, গেয়ে আনন্দ লাভ করলেই এর সার্থকতা। আমরা অবশ্য যে সংকলন থেকে যে পদ   
নিয়েছি, সেই সংকলনে উল্লেখিত রাগটি মিলনসাগরের পাতায় তুলে দিয়েছি। এমন হতে পারে বিশেষজ্ঞরা
অন্য সংকলনে সেই গানটির অন্য রাগ দেখতে পাবেন।
          


কবি মাধব ঘোষ এর মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন।    


উত্স -
  • রূপ গোস্বামী দ্বারা সংগৃহীত, বিরোচিত ও পঞ্চদশ শতকে প্রকাশিত, প্রাচীন বৈষ্ণব এবং শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য-
    মহাপ্রভুর স্বকৃত শ্লোকসম্বলিত, ১৮৮২ সালে রামনারায়ণ বিদ্যারত্ন দ্বারা অনুদিত, গ্রন্থ “পদ্যাবলী”।
  • বৃন্দাদন দাস দ্বারা ষোড়শ শতকে বিরচিত, অতুলকৃষ্ণ গোস্বামী সম্পাদিত, “শ্রীচৈতন্যভাগবত”, ১৯১৫।
  • নিত্যানন্দ দাস দ্বারা ১৬০০ সালে বিরচিত, বাবু যশোদালাল তালুকদার প্রকাশিত, “শ্রীপ্রেমবিলাস”, ১৯১৩।
  • ১৫২২ শকাব্দে অর্থাৎ ১৬০০ খৃষ্টাব্দে, মাধবাচার্য বা দ্বিজ মাধব দ্বারা রচিত শ্রীকৃষ্ণমঙ্গল কাব্য, ১১১৮
    বঙ্গাব্দে (১৭১১ সালে) লেখা শেষ করা পুথি থেকে, কলকাতার ভবানীচরণ দত্তের ষ্ট্রীটের বঙ্গবাসী কার্যালয়
    থেকে, ফাল্গুন ১৩১০ বঙ্গাব্দে (ফেব্রয়ারী ১৯০৪) নটবর চক্রবর্ত্তী দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত।
  • কৃষ্ণদাস কবিরাজ দ্বারা ১৬১৫ সালে বিরচিত, জগদীশ্বর গুপ্ত দ্বারা সরল টীকা ও ব্যাখ্যা সহিত সম্পাদিত,
    “শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত”, ১৮৮৯।
  • রামগোপাল দাস (গোপাল দাস) দ্বারা ১৬৪৩-১৬৭৬ সময়কালে, সংকলিত ও বিরচিত এবং ১৯৪৬ সালে
    হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়, সুকুমার সেন ও প্রফুল্ল পাল দ্বারা সম্পাদিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
    "শ্রীশ্রীরাধাকৃষ্ণ-রসকল্পবল্লী”।
  • পীতাম্বর দাস দ্বারা সপ্তদশ শতকে সংকলিত ও বিরচিত এবং ১৯৪৬ সালে হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়,  
    সুকুমার সেন ও প্রফুল্ল পাল দ্বারা সম্পাদিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন "অষ্টরস-ব্যাখ্যা ও রসমঞ্জরী”।  
  • বিশ্বনাথ চক্রবর্তী (হরিবল্লভ দাস) দ্বারা আনুমানিক ১৭০০ সালে  সংকলিত ও বিরচিত এবং ১৯২৪
    সালে, রাধানাথ কাবাসী দ্বারা সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীক্ষণদা-গীতচিন্তামণি”।
  • নরহরি চক্রবর্তী (ঘনশ্যাম) দ্বারা আনুমানিক ১৭২৫ সালে সংকলিত ও বিরচিত এবং ৪৬২ গৌরাব্দে
    (১৯৪৯), হরিদাস দাস দ্বারা সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীগীতচন্দ্রোদয় (পূর্বরাগ)”।
  • রাধামোহন ঠাকুর (রাধামোহন দাস) দ্বারা আনুমানিক ১৭২৫ সালে সংকলিত ও বিরচিত এবং ১৮৭৮
    সালে, রামনারায়ণ বিদ্যারত্ন দ্বারা সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “পদামৃত সমুদ্র”।
  • গোকুলানন্দ সেন (বৈষ্ণবদাস) দ্বারা আনুমানিক ১৭৫০ সালে সংকলিত ও বিরচিত এবং ১৯১৫-১৯৩১
    সময়কালে, সতীশচন্দ্র রায় দ্বারা সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীপদকল্পতরু”, ৫ খণ্ডে, সটীক
    সংস্করণ, ১৯১৫-১৯৩১। প্রথম সংস্করণ ১৮৯৬।
  • দ্বিজ মাধব দ্বারা সংকলিত, বিশ্বভারতী গ্রন্থশালায় সংরক্ষিত ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”,  
    উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত।
  • গৌরমোহন দাস সংকলিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “পদকল্পলতিকা”, ১৮৪৯।
  • অক্ষয়চন্দ্র সরকার সম্পাদিত, ১৮৮৪ সালে প্রকাশিত, “প্রাচীন কাব্য সংগ্রহ, প্রথম খণ্ড”।
  • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শ্রীশচন্দ্র মজুমদার দ্বারা সম্পাদিত, ১৮৮৫ সালে প্রকাশিত, পদাবলী সং
    “পদরত্নাবলী”-এর পরিবর্ধিত আনন্দ সংস্করণ, ২০০৬।
  • জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত ও মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, ১৯৩৪,
    প্রথম সংস্করণ ১৯০২।
  • দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”, ১৯০৫।
  • হরিলাল চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীপদরত্ন-মালা”, ১৯১৬।
  • চন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় সংগৃহীত রাজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা প্রকাশিত “শ্রীশ্রীপদামৃতসিন্ধু”, ১৯২২।
  • সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “অপ্রকাশিত পদরত্নাবলী”, ১৯২৬।
  • নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রের মহাজন পদালী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ১৯৩৭।
  • আবদুল কাদির ও রেজাউল করীম সম্পাদিত, বাঙ্গালী মুসলমান কবিদের রচিত কবিতাবলীর সংকলন
    “কাব্য-মালঞ্চ”, ১৯৪৫।
  • যতীন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “বাঙ্গালার বৈষ্ণব-ভাবাপন্ন মুসলমান কবি”, ১৯৪৫।
  • হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১৯৪৬।
  • সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত “পদামৃত লহরী”।
  • খগেন্দ্রনাথ মিত্র, সুকুমার সেন, বিশ্বপতি চৌধুরী ও শ্যামাপদ চৌধুরী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
    “বৈষ্ণব পদাবলী (চয়ন)”, ১৯৫২।
  • সুকুমার সেন সংকলিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১৯৫৭।
  • দুর্গাচরণ বিশ্বাস সংগৃহীত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “কীর্ত্তন-পদাবলী”, ১৯৫৯।
  • সরোজ বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদরত্নাবলী”, ১৯৬০।
  • বিমান বিহারী মজুমদার সম্পাদিত “পাঁচশত বত্সরের পদাবলী”, ১৯৬১।
  • বিমান বিহারী মজুমদার সম্পাদিত “ষোড়শ শতাব্দীর পদাবলী-সাহিত্য”, ১৯৬১।
  • দেবনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদসঙ্কলন”, ১৯৭৭।
  • জয়দেব মুখোপাধ্যায়ের গ্রন্থ “কাঁহা গেলে তোমা পাই”, ১৯৭৮।
  • যুধিষ্ঠির জানা (মালীবুড়ো) দ্বারা প্রকাশিত, “শ্রীচৈতন্যের অন্তর্ধান রহস্য” অখণ্ড, ১৯৮৫ এর পরে
  • সুকুমার সেন সম্পাদিত "বাংলা কবিতা সমুচ্চয়" প্রথম খণ্ড, ১৯৯১।
  • শিশিরকুমার দাশ সম্পাদিত "সংসদ বাংলা সাহিত্য সঙ্গী", ২০০৩।
  • সুবোধচন্দ্র সেনগুপ্ত ও অঞ্জলি বসু সম্পাদিত "সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান", ১ম ও ২য় খণ্ড, ২০১০।
  • ডঃ নিরঞ্জন ধরের প্রবন্ধ সংকলন "অবতার থেকে মানুষ", ২০১৩।
  • নমিতা চৌধুরী ও অনিন্দিতা বসু সান্যাল সম্পাদিত, “মহিলা কবিদের কবিতা সংকলন ১৪০০-২০০০
    দামিনী”, ২০১৩।


কবি মাধব ঘোষ এর মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন।    



আমাদের ই-মেল -
srimilansengupta@yahoo.co.in     


এই পাতার প্রথম প্রকাশ - ২৮.৬.২০১৪
১ম পরিবর্ধিত সংস্করণ -
.৮.২০১৭                                                             পাতার উপরে . . .   
মাধব ঘোষ
শ্রীচৈতন্য দেবের সমকালীন ষোড়ষ শতক
কবির একটি ছবি ও তাঁর জীবন সম্বন্ধে
আরও তথ্য যদি কেউ আমাদের পাঠান
তাহলে আমরা, আমাদের কৃতজ্ঞতাস্পরূপ
প্রেরকের নাম এই পাতায় উল্লেখ করবো।
আমাদের ঠিকানা -
srimilansengupta@yahoo.co.in
এই পাতার কবিতার ভণিতা -
মাধব ঘোষ
জগবন্ধু ভদ্রর ৬ জন মাধব    
মাধব ভণিতা প্রসঙ্গে মৃণালকান্তি ঘোষ    
বিভিন্ন "মাধব" সম্বলিত ভণিতা ও তার অপভ্রংশ    
বৈষ্ণব পদাবলী নিয়ে মিলনসাগরের উদ্দেশ্য   
বৈষ্ণব পদাবলীর "রাগ"    
উত্স গ্রন্থাবলী     
মিলনসাগরে কেন বৈষ্ণব পদাবলী ?     
*
*
*
*
*
*
*