কবি দিলীপ কুমার বসুর  জন্ম ১২ই সেপ্টেম্বর ১৯৪৩, পূর্ববঙ্গের ঢাকা জেলার নারায়নগঞ্জে। দেশ
ভাগের পর সারে ছয় বছর বয়সে ১৯৫০ সালে দিল্লী চলে আসেন
।  স্কুল জীবন দিল্লীতেই কাটে।  এরপর
১৯৬২ তে কলকাতায় আসেন এবং স্কটিশ চার্চ কলেজ থেকে স্নাতক হয়ে ১৯৬৫ সালে যাদবপুর
 
বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরাজী সাহিত্যে  এম. এ তে ভর্ত্তি হন
। ১৯৬৭ সালে এম. এ পাশ করেন।
  
এরপর ১৯৬৮ সালে প্রথম চাকুরী নিয়ে ত্রিপুরার কৈলাশহরে যান
। অল্প কিছুদিন কৈলাশহরে চাকুরী করবার
পর ১৯৬৯ সালের অগষ্ট মাসে আবার দিল্লী ফিরে আসেন এবং রাজধানী কলেজে ইংরাজী সাহিত্যের
 
অধ্যাপকের চাকুরী গ্রহন করেন
। ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তিনি অবসর গ্রহন করেন। ২০০৯-১০ এই
এক বছর দিল্লী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষা সাহিত্য বিভাগে বাংলা সাহিত্যে অধ্যাপনা করেন
।
  
কবি বাংলা বই পড়া শুরু করেন খুব ছোট বয়সে,
কৃত্তিবাসী রামায়ণ পড়ে। বর্ণপরিচয় জাতীয় তখনও তিনি
পান নি
। তার ঠাকুরমা তাকে পড়ে শোনাতেন রোজ, তারপর এক সময় খানিকটা পড়তে দিতেন, এরপর
কবি পড়ে শোনাতেন এবং উনি শুনতেন
। পয়ার তাই শৈশবেই কবির কানে ও মর্মে বাসা বেঁধেছিল। ছয়
বছর বয়সের মধ্যেই কবি কিশোর পাঠ্য এবং ‘বড়দের’ উপন্যাস, গল্প ও কিছু শিক্ষণীয় বিষয় পড়েছিলেন
কিন্তু পাতার হিসাবে কবি পদ্য রচনাই বেশি পড়েছেন
। কবির কাজ ছিল ঐ সময় কাশীদাসী মহাভারত,  
ব্রহ্মবৈবর্তপুরাণ,
কৃষ্ণদাস কবিরাজের চৈতন্য চরিতামৃত পাঠের সঙ্গে শ্রীকৃষ্ণের অষ্টোত্তর শত নাম জাতীয়
বইয়ের বৃহৎ অংশ মুখস্ত করা
।
   
কবি প্রথম কবিতা লেখেন ৮ বছর বয়সে
।  কবি ১৯ বছর বয়সে কলকাতায় এসেই এক বান্ধবীর কাছ থেকে
খাতা পেয়ে লিখতে শুরু করেন “আলোকশতাব্দ”
। আবার ১৯৬৯ সালে দিল্লী ফিরে গিয়ে ১৯৭৫ সালে
“কঙ্কণমালা” নামে আর একটি কাব্যোপন্যাস লেখেন
।  এটা লিখে কবি খুবই আনন্দ পেয়েছিলেন। এরপর
১৯৭৬ সালে প্রথম প্রকাশিত কবিতার বই “ ভালবাসার কবিতা”
। কবি কবিতা লেখেন নিজের মত করে,
কোন ধারায় বা কোন বাদে বিশ্বাস করে নয়
।
  
একসময় কবি কবিতা লেখা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন, নাটক ও পড়ানো নিয়েই সময় কাটাতেন
।  কিন্তু
কবিতা যার রক্তে তিনি কি করে কি করে কবিতাকে ছারবেন ? থিয়েটার নিয়ে একটা অসমাপ্ত
  
কাব্যোপন্যাস লিখেছেন
। এর পাঁচ বছর আগে শ্রীচরনেষু পত্রিকা ও কবি অমিতাভ গুপ্ত -র উদ্যোগে কবি
দিলীপ কুমার বসুর একটি বই বেরিয়েছিল
।  ২০০৯ সালে প্রকাশিত হয়েছে কবির আর একটি বই “ভাঙা
ছন্দ পঙ্ ক্তি পদ”
।  এরপর আগষ্ট ২০১০ সালে প্রকাশিত হল “কথানদীর বাঁকে বাঁকে” এবং নভেম্বর ২০১৩
তে প্রকাশিত হয়েছে "যাওন-আসন" (জ়াওন-আসন)
।
  
কবি ভারতবর্ষের পথে , মহিষের-মানুষের মিছিলের পাশ দিয়ে , নদীর পাশাপাশি মনে মনে , গ্রহ-গ্রহান্তরে
কল্পনায়, সময়ের, ইতিহাসের পথ ধরে হাঁটতে ভালবাসেন
। কবি, বিশ্ব প্রকৃতিতে হেঁটে ঘুরে বেরিয়ে  
পাঠকদের আরও ভাল ভাল কবিতা উপহার দেবেন এই আমাদের বিশ্বাস
। কবি দিলীপ কুমার বসুর দীর্ঘায়ু
কামনা করি
।

আমরা আনন্দিত এই জন্য যে
, কবি দিলীপকুমার বসু আমাদের সাইটে তাঁর কিছু স্বনির্বাচিত  কবিতা   
তোলার অনুমতি দিয়েছেন।


কবির সঙ্গে যোগাযোগের ঠিকানা -
চলভাষ -  +৯১৯৮১০২৭৩৩৩৯     


উত্স:  
আগস্ট ২০১০ এ নেওয়া কবি দিলীপ কুমার বসুর সাথে একটি সাক্ষাত্কার
।
মিলনসাগরের পক্ষে সাক্ষাত্কারটি নিয়েছিলেন মানস গুপ্ত।

কবি দিলীপকুমার বসুর মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন।


আমাদের যোগাযোগের ঠিকানা :-
srimilansengupta@yahoo.co.in    




এই পাতার প্রথম প্রকাশ - আগস্ট ২০১০
কঙ্কনমালা কব্যোপন্যাস নিয়ে পরিমার্জিত সংস্করণ - ২৬.৭.২০১৩
পরবর্তী সংস্করণ - ২৬.১১.২০১৩   
...