কবি ঈশিতা ভাদুড়ীর কবিতা
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।  www.milansagar.com
*
কি হবে অক্ষর-বৃষ্টিতে
ঈশিতা ভাদুড়ী


পায়ে পায়ে হারিয়ে গেছে যে জলরঙ-স্বপ্ন
কি হবে তার মুখে অক্ষর-আলো এনে ?
ঢেকে গেছে যে চাঁদ ছাই-ছাই মেঘে
তাকে নীল ওড়না কেন আর ?
যে হলুদ ফুল উড়ে গেছে মখমল
কি হবে অক্ষর-বৃষ্টিতে ভিজে তার ?
ফিরে গেছে যে নদী পাড় থেকে দূরে
বৈশৈখী মেঘ কি দেবে তাকে আর ?
অস্পষ্ট কুয়াশায় হেঁটে গেছে যে সকাল
শিশিরপাতের শব্দে সে কি উঠবে আর জেগে ?

.        *************************                 
.                                                                             
সূচিতে...   



মিলনসাগর
*
অন্ধগলিতে
ঈশিতা ভাদুড়ী

একা এক সকাল ঢুকে পড়েছে অন্ধগলিতে |
দেওয়ালে ঠেকে গেছে পিঠ |  পালানোর পথ নেই |
সামনে ড্রাগনের চোখ |  একা এক সকাল |
মাথার ওপরে উড়ছে শকুন |আশেপাশের
বাড়ির চিলেকোঠার থেকে উঁকি মারছে ভয় |
কার্ণিশ বেয়ে নেমে আসছে গরম নিঃশ্বাস |
একা এক সকাল  অন্ধগলিতে | দেওয়ালে পিঠ |
জেগে উঠছে অসুখ |  আর,  আকাশ থেকে
ঝরে পড়ছে রাত্রি |

.        *************************                 
.                                                                           
সূচিতে...     



মিলনসাগর
*
বিষাদের ফেনা হাতে
ঈশিতা ভাদুড়ী

কি করে রয়েছি দাঁড়িয়ে একা,
নিশুতির মাঠে ?
কি করে নদী থেকে দূরে,
ক্লান্তি ও ক্লেদে ?


কেঁপে ওঠে বুক অস্পষ্ট অন্ধকারে----
আর, উড়ে যায় শূন্যতার বেলুন সারা আকাশ------


কি করে রয়েছি দাঁড়িয়ে একা
শিউলি-ফোটা-তোর থেকে দূরে ?
কি করে রয়েছি দাঁড়িয়ে
বিষাদের ফেনা হাতে ?

.        *************                
.                                                                          
সূচিতে...     



মিলনসাগর
*
বিষণ্ণতা
ঈশিতা ভাদুড়ী

এই যে তুমি বিষণ্ণ দাঁড়িয়ে থাকো
.    বন্ধ কোলাপসিব্ লের ওপাড়ে
আমি হেঁটে যাই কাজে
আমিও সারাদিন থাকি বিষণ্ম একা

এই যে তুমি বিষণ্ণ চোখে দাঁড়িয়ে থাকো
.    ফোর্থ ফ্লোর ব্যালকনিতে
ওসান ব্লু গাড়িতে  আমি চলে যাই কাজে
আমিও সারাদিন থাকি বিষণ্ণ একা

জানি, পরবর্তী অধ্যায়ে
তুমি চলে  যাবে, আর
আমি দাঁড়িয়ে থাকবো প্ল্যাটফর্মে একা একা

.        *************                
.                                                                           
সূচিতে...   
 


মিলনসাগর
*
দখল
ঈশিতা ভাদুড়ী

এন্ট্রান্স ডোরের নিচে আধ ইঞ্চি ফাঁক দিয়ে কখন ঢুকে পড়েছে ঘরে
একেকজন একেক দিকে |
সিলিং ফ্যানের পাশে ছাদে শুয়ে সার্কাস দেখায় সারাক্ষণ কেউ,
কেউ বা দেওয়াল বেয়ে তরতর ছুটে চলে আড়ালে অন্য দিকে |
বইএর আলমারি বা টিভির পেছনে কখনো |
কখনো জানালার কাচে, যেন ক্যানভাসে আঁকা ছবি |
ঘরময়  একটি টিকটিকি ও তার পরিবার |

তিন কামরার ফ্ল্যাট কবে কখন কিভাবে যেন চলে গেছে দখলে তাদের |
সারা ঘর অবাধ চলাফেরা, মাঝরাতে দেওয়ালে ফিসফাস,
লফ্ ট-স্ল্যাবে হুটোপুটি |  উদ্দাম সোনালি জীবন প্রতিদিন বাড়ছে তাদের |
আর, আমি ভয়ে গুটিসুটি একপাশে একা,  ঢুকে যাচ্ছি ডিপ ব্ল্যাকহোলে |

.                              *************                
.                                                                                          
সূচিতে...  


মিলনসাগর
*
হেমবর্ণ বিকেল আমার
ঈশিতা ভাদুড়ী

তোমার গন্ধে ভরে ওঠে আকাশ
তোমার স্বপ্নে দেবদারু গাছ
তোমাকে আমি নক্ষত্র দেখি
তোমায় আমি রোদের মতো
তুমি আমার হিরন্ময় আলো
তুমি আমার হলুদ ভালোবাসা
তুমি বৃষ্টি হতে পারো
তুমি মেঘও হতে পারো
তুমি জোনাকি হও যখন
তুমি রোদ্দুর হও যখন
তোমাকে দেবো আমি গন্ধরাজ-সন্ধ্যা
তোমাকে দেবো আমি রাত্রিভর কবিতা


বৃষ্টিতে ভিজে যায় ঘর
সেই ঘরে জ্যোত্স্না-রঙ ভালোবাসা
তোমাকে আমি সূর্য দেখি
তোমায় আমি ঢেউ-এর মতো
তুমি আমার নীল দিগন্ত
তুমি আমার অবিরাম জলপ্রপাত
তুমি সমুদ্র হতে পারো
তুমি নদীও হতে পারো
তুমি পর্বত হও যখন
তুমি অরণ্য হও যখন
তোমাকে দেবো আমি অপেক্ষার ঝড়
তোমাকে দেবো আমি উচ্ছল ঝর্ণা
তোমাকে আমি আগুন হতে দেবো
তোমাকে আমি দোয়েল হতে দেবো
তোমাকে নিয়ে ভেসে যাবো আমি মেঘপাহাড়ে
তোমাকে নিয়ে হেমবর্ণ বিকেল আমার

.                              *************                
.                                                                                 
সূচিতে...   



মিলনসাগর
*
হোর্ডিং-এ দুঃস্বপ্ন
ঈশিতা ভাদুড়ী

ক্রমশ রেলিঙ থেকে ঝুঁকে পড়ছে
শরীর
শূন্যতার নির্ভুল ঠিকানায় |

#         #   

ক্রমশ কেঁদে উঠছে নদী অন্ধকারে,
ক্রমশ হোর্ডিং-এর নিটোল দুঃস্বপ্ন  |

#         #


ক্রমশ সত্তর ইঞ্চি সত্তর ইঞ্চি
বড় হচ্ছে বিপন্নতা,
ক্রমশ ডুবে যাচ্ছে আকাশ
বিপন্নতার গহ্বরে |

#          #

ক্রমশ এইভাবে প্রতিদিন |

.       *************                
.                                                                                 
সূচিতে...    


মিলনসাগর
*
ইচ্ছে করে,  ইচ্ছে করে
ঈশিতা ভাদুড়ী

ইচ্ছে করে তোমায় আমি স্বপ্ন নয়, স্পর্শ করি যেন
স্নিগ্ধ সকাল তোমার সঙ্গে বিসমিল্লা শুনি
ইচ্ছে করে ভীষণ------

#

মেঘলা আকাশ বৃষ্টি দুপুর উড়ালপুলে হাঁটি
সূর্যডোবা বিকেলবেলা নদীর জলে ভাসি
রাত্রিভোর চাঁদকে ছুঁয়ে স্বপ্নমায়ায় থাকি
ইচ্ছে করে,  ইচ্ছে করে ভীষণ-------
#

সকাল সন্ধে রজনীগন্ধা হাসি
তোমার সঙ্গে বসন্ত শীত কাঁদি
ইচ্ছে করে, ইচ্ছে করে, ইচ্ছে করে ভীষণ----

.               *************                
.                                                                                 
সূচিতে...      



মিলনসাগর
*
ক্রমশ বিস্মরণ
ঈশিতা ভাদুড়ী

অক্টোপাসের মতো ঘিরে ধরছে
.               বিস্মরণ আমায়
ক্রমশ পা এ্যালজাইমার অভিমুখে
ক্রমশ অন্ধকার
.                নামছে মস্তিষ্ক বেয়ে

#      #

ক্রমশ বিস্মরণ
.                গিলে খাচ্ছে হায়নার মতো
ক্রমশ কালো কালো মেঘে
.                 ভরে উঠছে কোষ
ক্রমশ পা বিস্মৃতির দিকে-----

#   #

ক্রমশ-------

.               *************                
.                                                                                 
সূচিতে...     
 


মিলনসাগর
*
এভাবেই উলঙ্গ অক্ষরেরা
ঈশিতা ভাদুড়ী
( শ্রদ্ধেয় কবি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর জন্যে )


তোমার  হাতের তালুতে
.        উলঙ্গ অক্ষরেরা
.                করে বসবাস-----

  তুমি তাদের নিয়ে স্নানঘরে যাও,
 .        মাখাও নতুন সাবান,
.        জামা পড়াও তাদের গায়ে,
.        তারপর তুমি ওড়াও ঘুড়ি-----
আর, হাওয়াতে উড়তে উড়তে
.        অমলকান্তি
.                এসে পড়ে আমার ঘরে,
.                  যে একদিন রোদ্দুর হতে চেয়েছিল |


তোমার হাতের তালুতে
.        উলঙ্গ অক্ষরেরা
.                করে বসবাস----


মায়াবী রহস্যে তুমি তাদের করো রচনা-----

আর, তাদের হাত ধরে

.        টালমাটাল

.                পার হয় কলকাতার যীশু |


এভাবেই উলঙ্গ অক্ষরেরা ভেসে যায় জ্যোত্স্নানদীতে------
এভাবেই উলঙ্গ অক্ষরেরা রামধনু হয়ে যায় আকাশে------

.               *************                
.                                                                                 
সূচিতে...       


মিলনসাগর
*
সেই সব নির্ভুল সমীকরণে
ঈশিতা ভাদুড়ী

যে সব নির্ভুল সমীকরণে পেয়েছো
.                     পুষ্পস্তবক
সেই নির্ভুল অঙ্কের ব্যাখ্যা জানে
.                      আরও কেউ কেউ,
কিভাবে নিমগাছে কৃত্রিম বকুল-গন্ধ -----
কিভাবে প্রখর সূর্যতাপেও আনা যায়
.                       দুরন্ত বৃষ্টি------
কিভাবে মরা নদীতে বানের ছবি------
সেই সব নির্ভুল সমীকরণের
.                         একটা অন্য অঙ্ক আজ |

যে তোমাকে দিয়েছে পুষ্পস্তবক,
যে তোমাকে দিয়েছে মানুষের ভুল ছবি,
সেই নির্ভুল গণিত
কোনোদিন যদি
হারিয়ে যায় নির্জন নদী-পাড়ে,
যদি প্রবাসী হয় কোনো গভীর অরণ্যে,
সেইদিন নিমগাছে নিমফুল
আর, মরা নদীতে শুষ্ক চর
সেইদিন
কোনো সমীকরণ, অথবা,
কোনো গুণ-ভাগ ছাড়াই
কবিরা কবি হয়ে উঠবে,

সেইদিন গ্রন্থে বিশুদ্ধ ধারাপাত,
সেইদিন রামধনুর নিজস্ব রঙ----

.               *************                
.                                                                                 
সূচিতে...      


মিলনসাগর
*
রবীন্দ্রনাথ
ঈশিতা ভাদুড়ী

এই যে মেঘ-ভাঙা-ব়ৃষ্টি
আর, ঝলক বিদ্যুৎ
দিয়েছো আমায়-----
এই যে এক চিলতে আকাশ
ফাঁকে ফাঁকে বৃক্ষ সারি
দিলে আমায়----
তোমাকে কি দেবো আমি ?


এই যে ধূ-ধূ মাঠ
আর, গোধূলি বেলার আগুন আকাশ
দিয়েছো আমায়-----

.               *************                
.                                                                                 
সূচিতে...      



মিলনসাগর
*
রবীন্দ্রনাথ প্রতিপদে
ঈশিতা ভাদুড়ী

ঘাসফুল ভিজে যায় অশ্রুপাতে যখন
অথবা পূর্ণিমা রাতে যখন খসে পড়ে নক্ষত্র
তুমিই তো তখন দাঁড়াও হাতে আলো
.                অমোঘ নদী আর জুঁইফুলে

#

বৃষ্টি তখন হলুদ বনে
কৃষ্ণচূড়া রাতে তখন
.                বসন্ত ঝুঁকে পড়ে

#

ক্ষুব্ধ জলে অথবা বিষ-রাতে
হীরেকুচি দুপুরে কোনো
কমা সেমিকোলোন আর যতিচিহ্নে
.                তুমিই তো রবীন্দ্রনাথ প্রতিপদে

.               *************                
.                                                                                 
সূচিতে...    


মিলনসাগর
*
আর কি কোনোদিন রুদ্রপলাশ
ঈশিতা ভাদুড়ী

একবার যদি দুঃখগুলো ওঠে শিরদাঁড়া বেয়ে
কোনো মায়াস্পর্শই কি আর তারপর  ?

#

যদি ভরে ওঠে ঘর একবার বারুদের গন্ধে
আর কি কোনোদিন তবে রুদ্রপলাশ ?

#

একবার যদি ঝরে পড়ে গুঁড়ো গুঁড়ো অন্ধকার
আর কি কোনোদিন সোনা-রোদ আকাশ ?

#

নিস্তব্ধতা যদি একবার দাঁড়ায় শিরীষগাছে
কোনো সমুদ্রনিনাদই কি তারপর ?

#

একবার ঘুনপোকা ধরে নেয় যদি মধ্যরাত
আর কি কোনো হেমন্তের বিকেল তবে ?

.               *************                
.                                                                                 
সূচিতে...    



মিলনসাগর
*
অনুতাপে সংকল্প
ঈশিতা ভাদুড়ী

মলাটের নিচে                                দু’হাতে দু’টো মুখ
নিয়ে মিছে                                    মহার্ণবে নষ্ট সুখ
.            অন্য গুঞ্জনে স্মৃতি ছুঁয়ে যায়

একে একে সেই মুখচ্ছবি                পুরানো রেখার ভ্রূভঙ্গ
ছিঁড়ে দেব সবই
.            আর যে মধুর ঘ্রাণ কোনো আছে
সোহাগে-সুখে আনি                        সারারাত কাছে

শুধু সংসৃত মুখখানি

.                        *************                
.                                                                                 
সূচিতে...    


মিলনসাগর
*
স্মৃতি
ঈশিতা ভাদুড়ী

দিনগুলো সব পাথরের মত বসে থাকছে বুকে
আর, রাতগুলো অন্ধকারে বিভীষিকা------


স্মৃতি দুলছে হাওয়ায় পেন্ডুলামের মত
আর, অনুপস্থিতি বিঁধছে বুকে
.                        ছুরির ফলার মতন----


প্রতিটি দিন প্রতিটি রাত আটকে আছে
.                        নিরুত্তর বিষণ্ণতায়-------

.                        *************                
.                                                                             
সূচিতে...     



মিলনসাগর
*
সেইদিন স্মৃতিশব্দ নয়
ঈশিতা ভাদুড়ী

যখন তুলোর মতো উড়বে ছাই
তখন বৃষ্টিপ্রপাত নয়
অথবা শোকপ্রস্তাব কোনো

#

যেদিন ডুবে যাবো অনিবার্য ঘুমে
সেইদিন কোনো স্মৃতিশব্দ ভেঙে না পড়ে
অথবা ক্রিয়াপদ কোনো

#

ঝরে যাবো যেদিন পালকের মতো
কোনো বৃক্ষ সেইদিন ঝুঁকে না পড়ে
অথবা নীল মেঘগুলি

#

সেইদিন সমুদ্রজলে বর্ণময় সূর্যাস্ত কোনো

.                        *************                
.                                                                                 
সূচিতে...    



মিলনসাগর
*
জননীর মুখও ভুলে যায়
ঈশিতা ভাদুড়ী

মৃত্যুর পরে প্রিয়জনের মুখও
যেভাবে ভুলে যাওয়া যায়
ঠিক সেইভাবে,
কি তার চেয়েও আরো সহজভাবে
আমি একটি শহরকে ভুলে যেতে চাই |
সেই শহরের মানুষজন,
প্রত্যেকটা গলি, মোড়ে মোড়ে বাতিস্তম্ভ------
কোলকাতার সমস্ত খুঁটিনাটি
আমিও ভুলে যেতে চাই |


মৃত জননীর মুখও তো কত অনায়াসে
ভুলে যায় দু’চারজন |

.           *************                
.                                                                                 
সূচিতে...    



মিলনসাগর
*
সেই তাজা কিশোরটি
ঈশিতা ভাদুড়ী

সদ্য কিশোরটি সুন্দর আঙুলে তার ঠিকানা লিখে
বলেছিলো  :  যমুনাদি চিঠি লিখো ;
হাসপাতালের বিছানায় চিৎ হয়ে শুয়ে
সেই কিশোর তাকিয়েছিল এক নিমেষে,
পরমুহূর্ত্তেই স্বপ্নে হাহাকার চাহনি
জানালার বাইরে-----------
হয়তো সে ভেবেছিল, হাসপাতালের দরোজা
পার হয়ে
যমুনাদি তার কথা রাখবে না  |    হয়তো সে
ভেবেছিল------
কিন্তু সেই কিশোর নিজেই কথা রাখে নি |
সবুজ-পালক চিঠির জন্যে না দাঁড়িয়ে
হাসপাতালের জানালা ভেঙ্গে সেই তাজা কিশোর
এক লাফে আকাশে উঠে গেছে |


চাঁদ আর  নক্ষত্রেরা কি পৃথিবীর চেয়েও
বেশী স্নেহ দিতে জানে ?


তবে কেন ‘য়মুনাদি চিঠি লিখো’  বলে
অন্য ঠিকানায় চলে গেল সেই উজ্জ্বল কিশোরটি ?

.           *************                
.                                                                                
সূচিতে...    



মিলনসাগর
*
পড়ন্ত বিকেলে মানুষই পারে
ঈশিতা ভাদুড়ী

পড়ন্ত বিকেলে কেবল মানুষই পারে
জেগে উঠতে,
ফুলের মতো সহজ হ’তে |
কেবল মানুষই পারে
সাতশো কি আরো বেশী বছরের
প্রাচীন ইতিহাস ভেঙ্গে চুরমার করতে |


কয়েক শতাব্দীর পুরোনো ভালবাসা,
ব্রহ্ম কমল ফুলের গপ্পো
তারাই জানে মাত্র |


রোদ-বৃষ্টি-মেঘের গোপন সম্পর্ক
পড়ন্ত বিকেলে
প্রথম মানুষই পারে জানতে |

.           *************                
.                                                                                 
সূচিতে...    



মিলনসাগর