কবি মানস সরকার-এর সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামের কবিতা
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।   www.milansagar.com
১।   ভগবান উবাচ       
২।   
আশ্চর্য প্রদীপ
৩।   অনুদান             
৪।   
প্রকৃত স্বরূপ      
৫।   
শত্রুপক্ষ                          
৬।   
এ কোন নিয়তি         
৭।   
শাসনযন্ত্র  
৮।   
লজ্জা        
৯।   
তবে গুলি খাও      
 
*
[ একটি অনুরোধ - এই সাইট থেকে আপনার ব্লগ্ বা সাইটে, আমাদের কোন লেখা, কবিতা বা
তার অংশবিশেষ নিলে, আমাদের মূল পাতা
http://www.milansagar.com/index.html
দয়া করে একটি ফিরতি লিঙ্ক দেবেন আপনার ব্লগ্  বা সাইট থেকে, ধন্যবাদ ! ]
বিভিন্ন পত্র পত্রিকা থেকে কবির কয়েকটি কবিতা এখানে
আমদের সংগ্রহে তুলে রেখেছি |
আমরা এই কবিকে আমাদের ওয়েব
সাইটের
"কবিদের সভা"-র অন্তর্ভুক্ত
করতে ইচ্ছুক | যদি কেউ আমাদের এই
কবির
১।  জন্ম-তারিখ,
২। সংক্ষিপ্ত পরিচয়,
৩। একটি ছবি
এবং
৪। তাঁর যোগাযোগের ঠিকানা
জানান, তাহলে আমরা কৃতজ্ঞতা- স্বরূপ,
প্রেরকের নাম ঐ পাতায় উল্লেখ করবো |
আশ্চর্য প্রদীপ

একদিন আলাদীনের আশ্চর্য প্রদীপ
আমরা তোমাদের হাতে তুলে দিয়েছিলাম
তখন তোমরা ওদের বাঁ দিকে ছিলে
তখন অন্ধকার নিয়ে তোমরা খুব চেঁচামেচি করতে
তোমাদের সেই চীত্কার শুনে, একদিন আমরাও ভেবেছিলাম
বাঁদিক থেকে আলো ফেললে হয়তো অন্ধকার দূর হয়ে যাবে
তাই আমরা নির্ভয় হতে, --- শুধু একটা দিনেই
তোমাদেরকে আলাদীনের আশ্চর্য প্রদীপ এনো দিয়েছিলাম |
এখন বোতল থেকে বেরিয়ে সর্বত্র দাপিয়ে বেড়াচ্ছে সেই দৈত্যটা |
|

.              **************

এই কবিতাটি আকিঞ্চন পত্রিকা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত, কবির "এখন অসম্ভব
রক্তিম সূর্যের রঙ" নামক কাব্যগ্রন্থে প্রকাশিত হয়েছিল জানুয়ারী ২০০৮ সালে |
                          
.                                                                     
উপরে
.                                  অন্যান্য কবিদের সূচির পাতায় ফেরত
.                           সিঙ্গুরের কবিতার মূল সুচির পাতায় ফেরত
.                                                   দুষ্ট কবির ধৃষ্ট কবিতা
*
অনুদান

যুবকের অস্বাভাবিক মৃত্যুর খবর ধামাচাপা দিতে
কবি নামের ছদ্মবেশে তোর ওই কলঙ্কিত মুখ
সাদা মুখোশেও আড়াল হলো না যে
সবাই চিনে ফেলেছে খুনীর মুখের মত তোর আসল রূপ |

ভালোবাসার গায়ে জাতপাতের লেবেল এঁটে
আড়াল তুলিস্ যেই, --- সমস্বরে গর্জে ওঠে গ্রাম ও নগরী
রক্তনদীর ভেতর নিহিত পরিত্রাণ কেন খোঁজে তোর ওই রাজনীতি |

খুনের খবর জানাজানি হতেই, --- তড়িঘড়ি আড়াল দিতে
প্রেমিক যুবকের মৃত্যু থেকে খুব ধীর সন্তর্পণে
সংখ্যালঘু আগুন বিলি করিস অনুদানে অনুদানে |


.              **************

এই কবিতাটি আকিঞ্চন পত্রিকা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত, কবির "এখন অসম্ভব
রক্তিম সূর্যের রঙ" নামক কাব্যগ্রন্থে প্রকাশিত হয়েছিল জানুয়ারী ২০০৮ সালে |
                        
.                                                                     
উপরে
.                                  অন্যান্য কবিদের সূচির পাতায় ফেরত
.                           সিঙ্গুরের কবিতার মূল সুচির পাতায় ফেরত
.                                                   দুষ্ট কবির ধৃষ্ট কবিতা
ভগবান উবাচ     
মানস সরকার
(জল্লাদ সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষকদের প্রতি)

ভাইসব, ঝলসানো রুটির মতো চাঁদের দশা কাটিয়ে
বর্তমানে সোনার থালার আকারে পূর্ণিমার চাঁদ চৈতন্যে
জাগ্রত হলে, পুরানো খোলস পাল্টে এখন আমিই তোমাদের
দণ্ডমুণ্ডের হর্তাকর্তাবিধাতারূপে, এবার দুনিয়ার খেটে খাওয়া
মানুষের স্বার্থে ভালুকছানা মোলে লক্ষ লক্ষ টাকা
তার শ্রাদ্ধে খরচা হবে সরকারি-খাতে | কেননা পরিবেশের
ভারসাম্য নষ্ট হলে জীবন যে বিপন্ন হবে --- সেই অদূর
ভবিষ্যতের কথা ভেবে, সুসংহত শিল্পই ভবিতব্য মেনে
তোমাদের রক্ত বেচে অতীতেই তো বক্রেশ্বর জিতেছি |
বিনিময় তোমাদের সন্তান-সন্ততির শরীরে ঘুণ ধরাতে
রক্তপরীক্ষার জাল সরঞ্জাম সরবরাহকারী ও তার
পাণ্ডাদের প্রতি অগাধ বিশ্বাসে আমরা ধৃতরাষ্ট্র হয়েছি |
সেই সব খুনী ও দালাল মাফিয়াদের কারও ফাঁসি চায়নি
আমার সহধর্মিনী, ধনঞ্জয়ের কেস ছিল আলাদা |
যতই হোক আমি তো মেয়ের বাবা, তাই মেয়ের মুখের
দিকে চেয়ে, বাধ্য হয়েই আমার স্ত্রী জন্ম দিয়েছেন জল্লাদ---
সংস্কৃতির, অবশ্য এ ব্যাপারে অন্য মতবাদও আছে,
স্বাধীনতা সংগ্রামীর ফাঁসির মঞ্চে কর্তব্যরত জল্লাদের
ছেলেকেও আমাদের সঙ্গে পেয়েছি | এ পথেই তার
যত পাপবোধ ধুয়ে মুছে আত্মশুদ্ধির মধ্যে দিয়ে
সময়োপযোগী করে তুলেছি জল্লাদ প্রথাকেই |
শাসন কার্য চালাতে গেলে ন্যায় বিচার অবশ্য জরুরি
যদিও অসত ও সত সকলেই সমান, আমি তো নই
ফাঁসির পক্ষপাতী | দলও তাই আফজলের ফাঁসির
হুকুমে সরাসরি মুখ না খুলেও ঠারেঠোরে তো সেকথা
স্পষ্ট বুঝিয়েছি, কেন্দ্রীয় চাপ বজায় রাখতে
সাদ্দামের হয়ে যথারীতি প্রতিবাদ মিছিল করেছি |
আমার পূর্বসূরী যখন বিপর্যস্ত --- বিরাটি, বানতলা, নেহারবানুর
মতো ঘটনা নিয়ে, তার উক্তি পাগলের প্রলাপ বলে
সব দৈনিকে প্রকাশ হলে তখন আমি তার পাশে থেকেই
শিক্ষিত হয়ে তড়িঘড়ি সব বুদ্ধিজীবীদের সামাল দিতে
বৈঠক ডেকে সবার মুখ বন্ধ করে দিয়েছি |
দুঃসময়ের কথা ভেবে গদি ছেড়ে নেমে এসে, নাটমঞ্চে
বসে শক্তহাতে কলম ধরেছি | বংশপরম্পরার উত্তরাধিকার
নিয়ে, সংস্কৃতির যে ইজারা পেয়েছিলাম, বলিষ্ঠ হাতে
কলম ধরায় হৃতরাজ্য তো ফিরে পেয়েছিই, সেইসঙ্গে
হাতের মুঠোয় পেয়ে গেছি পুলিশের লাগামও |
এখন ভালোমতো পুলিশতন্ত্র শিখে, পুরানো কেল্লায়
জাঁকিয়ে বসে, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নামে বাজারের বই
নিষিদ্ধ করেছি---সে তো কবি সাহিত্যিক বুদ্ধিজীবীদের
মতামত নিয়েই | যদিও বংশপরম্পরার উত্তরাধিকারে
আমার থেকে বেশী কে বোঝে জন-সংস্কৃতি, সেটাই জানাতে
বাংলা কবিতা উত্সবের উদ্বোধন করেছি ইংরেজী কবিতা-
পাঠে | আর এই তো সেদিন জল্লাদ-সংস্কৃতির বিরুদ্ধ-
তথ্যচিত্রে, ধনঞ্জয়ের ফাঁসির দিনগুলি ঘুরে ফিরে এলে
সেইসব অপপ্রচার বন্ধ করেছি সুকৌশলে | এখন আমিই সর্বেসর্বা
আমার হাতে পুলিশ, প্রশাসন, সংঘ এবং জনগণ সকলেই |
ঝুটঝামেলা অবশ্য অনেক সহ্য করেছি তবে এখন
আন্দোলন টান্দোলন বিচ্ছিন্ন ঘটনা মাত্র, বাংলার
মাটিতে যতই মেধা আর মমতা ঝরুক টাটা বাই বাই করবই |
জমি হস্তান্তরের ঘটনা নতুন কিছু নয় সারা বিশ্বে | আমি তো
আদ্যোপান্ত কার্ল মার্ক্স পড়েছি --- সেই পথেই এখনও হাঁটছি |
শিল্প না হলে পুঁজির বৃদ্ধি নেই, আর পুঁজিবাদ প্রতিষ্ঠা
করতে না পারলে, সাম্যবাদের কোনো অস্তিত্ব নেই, আপনারা
যদি প্রকৃতই মার্ক্স পড়ে থাকেন, ভারতের ইতিহাসে চোখ বুলিয়ে
দেখবেন---জমির মালিকানা থেকে চাষিকে উচ্ছেদ করে
শ্রমিক বানাতে না পারলে বিপ্লব অসম্ভব | তাই আমরা
শিল্পপতিদের দ্বারস্থ হয়েছি, এখন দিল্লীতে বন্ধুরা আছেন
আপাতত স্পিকার থেকে রাষ্ট্রপতি হয়ে তারপর যা বাকি থাকে
সেই অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছোতে আর বেশী দেরি নেই, বারবার তো
ঐতিহাসিক ভুল ঘটতে দেওয়া যায় না, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে
পাল্টে যাচ্ছে পুঁজিপতিদের ধ্যানধারণাও | সুতরাং ভাইসব,
মনে রেখো, ব্যক্তির বিকাশে সংঘং শরণাং গচ্ছামি
বুদ্ধং শরণাং গচ্ছামি ইতি ভগবান উবাচ |

.              **************              
.                                                                          
উপরে
.                                       অন্যান্য কবিদের সূচির পাতায় ফেরত
.                                 সিঙ্গুরের কবিতার মূল সুচির পাতায় ফেরত       

এই কবিতাটি 'একুশে ফেব্রুয়ারি উদযাপন কমিটি'-র পত্রিকার ১ জুলাই ২০০৭ এর
সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল |

মিলনসাগ
*
*
প্রকৃত স্বরূপ

বহু ব্যবহৃত তোমাদের কথাগুলি
এখন চারিদিকে বড় বেশি দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে
ভন্ডামির পচা ভ্যাপসা গন্ধে দম বন্ধ হয়ে আসছে মানুষের |
এদিকে টুঁ শব্দটি করলে কোন দিন কাকে উবে যেতে হবে
সেই আতঙ্ক সর্বত্র ছড়িয়ে দিতে, --- খুন, ধর্ষণ আর শিশুহত্যার
সার্বিক সফলতা নিয়ে তুমি তো বলেছিলে, ---
তোমাদের পোষা ডালকুত্তারা খুব ভালোমানুষ |
পরক্ষণেই হাওয়া মোরগের মুখ ঘুরিয়ে হাসতে হাসতে
নিপীড়কেরা শিশুদের প্রতি সহানুভূতি বশত ছুটে যাচ্ছে
গ্রামে গঞ্জে গজিয়ে ওঠা মগজ ধোলাইয়ের কারখানায়
সেখানে দ্বিপ্রহরিক ভোজনের ফাঁদে ফেলে দলীয় ব্যকরণ সম্মত
গলাধঃকরণের সরল সমীকরণ মক্সো করানো হচ্ছে অবোধ শিশুদের |
মুখ বন্ধ করার প্রশিক্ষণে উন্নতির সুপারিশ প্রথা অনুযায়ী
এক-একটি মৃত্যু-রহস্য উদ্ঘাটনে, --- সবকিছু গুলিয়ে দিতে
মাথামুণ্ডুহীন অজস্র প্রশ্নের মুখোমুখি ঠেলে দেওয়া হচ্ছে মানুষকে |

তোমাদের নির্লজ্জ প্রকাশ কৌশল দেখে মানুষ এখন বুঝে নিচ্ছে
রাজা-মন্ত্রী চোর-পুলিশ বানানোর খেলায় একদিনের প্রকৃত স্বরূপ |



.              **************

এই কবিতাটি আকিঞ্চন পত্রিকা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত, কবির "এখন অসম্ভব
রক্তিম সূর্যের রঙ" নামক কাব্যগ্রন্থে প্রকাশিত হয়েছিল জানুয়ারী ২০০৮ সালে |
                      
.                                                                     
উপরে
.                                  অন্যান্য কবিদের সূচির পাতায় ফেরত
.                           সিঙ্গুরের কবিতার মূল সুচির পাতায় ফেরত
.                                                   দুষ্ট কবির ধৃষ্ট কবিতা
*
শত্রুপক্ষ

তোমরা বললে ওখানে বহিরাগতরা ঘাঁটি গেড়েছে
তোমরা বললে ওরা সব সন্ত্রাসবাদী
তোমরা বললে ওটা মুত্তাঞ্চল হয়ে গেছে |
ভেতরে ভেতরে পুলিশ ও প্রশাসনকে নিষ্ক্রিয় করে দিয়ে বললে
ওখানে কোন প্রশাসন নেই, --- এভাবে কোন কিছু চলতে পারে নাকি ?

অবশেষে সার্বিক দাবিয়ে রাখার বাতাবরণ সৃষ্টিতে
বন্দুকের নল থেকে সর্বত্র বহিরাগত আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়ে
দখল নিশ্চিত করতে যারা নিরস্ত্র মানুষের মিছিলে
নির্বিচারে গুলি চালিয়ে তোমাদের শান্তি ফিরে এলো

বহিরাগত রূপে আকাশ থেকে ছিটকে আসা চাঁদের হাসির মত
সেই জোছনা সম্পদে উল্লসিত তোমরা গর্বিত হয়ে বললে
এখন থেকে এলাকা দখলে ক্যাডার বাহিনীই যথেষ্ট |
আর সন্ত্রাসবাদী --- যুদ্ধে যারা তোমাদের সঙ্গে নেই
তাদের সবার পেছনে দেগে দাওয়া হচ্ছে শত্রুপক্ষ শব্দ |


.              **************

এই কবিতাটি আকিঞ্চন পত্রিকা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত, কবির "এখন অসম্ভব
রক্তিম সূর্যের রঙ" নামক কাব্যগ্রন্থে প্রকাশিত হয়েছিল জানুয়ারী ২০০৮ সালে |
                    
.                                                                     
উপরে
.                                  অন্যান্য কবিদের সূচির পাতায় ফেরত
.                           সিঙ্গুরের কবিতার মূল সুচির পাতায় ফেরত
.                                                   দুষ্ট কবির ধৃষ্ট কবিতা
*
এ কোন নিয়তি

রাজা ও নন্দিনী নেই বলে রক্তকরবী করা হ’লো না এ যাত্রায় |
আজ এ কোন নিয়তি মানুষের |
কেবল রাজা নিজেই এসে ভাঙবে তার অচলায়তন
আমরা কি তবে ভাঙছি না কিছুই!
মানুষ বিপন্ন জেনেও, সেই ভালোমানুষ রাজার অপেক্ষাতে
আমরা কি এখনো ঘুমিয়ে কাটাবো কাল ?
রাজা যদি ভন্ড মুখোসধারী হয় ?
রাজা যদি শয়তান হয় ?
রাজা যদি খুনী জহ্লাদ হয় ?
রাজা যদি পুতুল রাজা হয়, --- তাহলে ?

তাহলে আমরা তো পারি, --- একটা দিনেই
শুধু একটা দিনেই পাল্টে দিতে রাজার সব জারিজুরি
তা না হলে দিনের পর দিন রক্ত ঝরিয়ে
এখনো আমরা কেন লিখছি কবিতা!
সেকি শুধুই মুখোসধারী ভন্ড রাজার সভাকবি হতে ?
মাথায় করে রাখতে তার কলঙ্কিত রাজ অনুগ্রহ ?
তার আগে লজ্জায় ঘৃণায় ধিক্কারে ধিক্কারে
কেন ছিন্নভিন্ন করছি না নিজেদের অনুগৃহিত হবার বাসনা ?
রাজার হাতে মানুষ বিপন্ন জেনেও কোন ভরসায় বাঁচবে মানুষ ?
রাজার হাতে প্রেমও বিপন্ন জেনে কোন আশায় বাঁচবে মানুষ ?
আজ এ কোন নিয়তি মানুষের!
এখন সূর্যের রঙ রক্তিম অসম্ভব ---
ততোধিক ভয়াবহ রক্তিম মানুষের এই বিপন্ন জীবনযাপন

রাজা ও নন্দিনী নেই বলে রক্তকরবী করা হ’লো না এ যাত্রায় |



.              **************

এই কবিতাটি আকিঞ্চন পত্রিকা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত, কবির "এখন অসম্ভব রক্তিম
সূর্যের রঙ" নামক কাব্যগ্রন্থে প্রকাশিত হয়েছিল জানুয়ারী ২০০৮ সালে |
                  
.                                                                     
উপরে
.                                  অন্যান্য কবিদের সূচির পাতায় ফেরত
.                           সিঙ্গুরের কবিতার মূল সুচির পাতায় ফেরত
.                                                   দুষ্ট কবির ধৃষ্ট কবিতা
*
শাসনযন্ত্র

মানুষের প্রয়োজনে তৈরি যন্ত্রটা ব্যবহৃত হতে হতে
একদিন যন্ত্র ব্যবহারেও নিজস্ব নিয়মরীতি তৈরি হলো
কঠিন কঠোরভাবে যন্ত্রের নিয়ম পালন করতে করতে
একসময় মানুষও নিয়ন্ত্রিত হতে থাকে যন্ত্রের নিয়মে |

যন্ত্রের চালক হয়ে এক এক দল মানুষ আসে আর যায়
কিন্তু ওই যন্ত্রটার কোন বদল ঘটে না
শোষক পোকার দল আষ্টেপৃষ্টে আঁকড়ে ধরে যন্ত্রটাকে
আজও কোন বিকল্প নেই সেই সনাতন শাসন যন্ত্রের |




.              **************

এই কবিতাটি আকিঞ্চন পত্রিকা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত, কবির "এখন
অসম্ভব রক্তিম সূর্যের রঙ" নামক কাব্যগ্রন্থে প্রকাশিত হয়েছিল জানুয়ারী ২০০৮ সালে
|
                
.                                                                     
উপরে
.                                  অন্যান্য কবিদের সূচির পাতায় ফেরত
.                           সিঙ্গুরের কবিতার মূল সুচির পাতায় ফেরত
.                                                   দুষ্ট কবির ধৃষ্ট কবিতা
*
লজ্জা

তুই আমাদের লজ্জা
তুই আমাদের কলঙ্কিত মুখ
তুই তো তেমন রাজা ন’স
তোর হাতে প্রেমিক হলো খুন |

সাদা মুখোস পরে যতই বলিস সুচেতনার অধিকারী তুই
লোকে বলবে তুই ভন্ড, স্বেচ্ছাচারী
তুই তো তেমন রাজা ন’স
তোর হাতে নিরীহ মানুষ হচ্ছে খুন |


.              **************

এই কবিতাটি আকিঞ্চন পত্রিকা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত, কবির "এখন
অসম্ভব রক্তিম সূর্যের রঙ" নামক কাব্যগ্রন্থে প্রকাশিত হয়েছিল জানুয়ারী ২০০৮ সালে
|
              
.                                                                     
উপরে
.                                  অন্যান্য কবিদের সূচির পাতায় ফেরত
.                           সিঙ্গুরের কবিতার মূল সুচির পাতায় ফেরত
.                                                   দুষ্ট কবির ধৃষ্ট কবিতা
*
তবে গুলি খাও

ব’য়ে বুশ আর ব’য়ে বুদ্ধ
ইরাক যুদ্ধের পর অভিযোগের কি পাওয়া গেল ?

ব’য়ে বুশ ব’য়ে বুদ্ধ
নন্দীগ্রামে কারা আসলে বহিরাগত ছিল ?
ঘাতকেরা কোথায় উধাও হয়ে গেল ?
আক্রমণের সব তীর যে শেষে উল্টো অভিমুখে ধাবিত হলো!

ব’য়ে বুশ আর ব’য়ে বুদ্ধ
এ দুয়ের গড় মিল নিয়ে যদি ফের
বেয়াড়া সব প্রশ্ন করেছো
তবে, তুমিও গুলি খাও |



.              **************

এই কবিতাটি আকিঞ্চন পত্রিকা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত, কবির "এখন
অসম্ভব রক্তিম সূর্যের রঙ" নামক কাব্যগ্রন্থে প্রকাশিত হয়েছিল জানুয়ারী ২০০৮ সালে
|
            
.                                                                     
উপরে
.                                  অন্যান্য কবিদের সূচির পাতায় ফেরত
.                           সিঙ্গুরের কবিতার মূল সুচির পাতায় ফেরত
.                                                   দুষ্ট কবির ধৃষ্ট কবিতা