কবি প্রবীর মজুমদার - ছিলেন বাংলা আধুনিক গানের স্বর্ণযুগের প্রখ্যাত গীতিকার-সুরকার। তিনি
জন্ম গ্রহণ করেন ১৯২৯ সালের ৬ই জানুয়ারী তারিখে। তাঁর পিতার নাম সুরবন্ধু মজুমদার।

কবির স্ত্রী শ্রীমতী চিত্রা দেবী ছিলেন আকাশবাণীর বিশিষ্ট কণ্ঠ শিল্পী। কন্যা সায়ন্তনী মজুমদার বর্তমান
সংগীত জগতের একজন প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী।
সায়ন্তনী মজুমদার সম্বন্ধে জানতে এখানে ক্লিক করুন

১৯৯০ সালে প্রকাশিত,
কবি সুব্রত রুদ্র সম্পাদিত, “গণসংগীত সংগ্রহ” গ্রন্থটিতে আমরা কবির “শোন গো ও
দূরের পথিক” ও “আমরা এই বিশ্বের বুকে গড়বো রঙমহল” গণসংগীত দুটি পাই।

তাঁর সুরের কালজয়ী গানের মধ্যে রয়েছে অনল চট্টোপাধ্যায়ের কথায় ও দ্বিজেন মুখোপাধ্যায়ের কণ্ঠে
“জীবনের এই বালুকাবেলায়”,  শ্যামল ঘোষের কথায় ও বনশ্রী সেনগুপ্তর কণ্ঠে “আজ বিকেলের
ডাকে তোমার চিঠি”, সত্যেন দত্তর কথায় ও সনৎ সিংহের কণ্ঠে “কে আমারে বলতে পারে রং মশালের
মশলা কৈ?”, রঞ্জিত দের কথায় ও সনৎ সিংহের কণ্ঠে “এক এক্কে এক দুই এক্কে দুই নামতা পড়ে ছেলেরা
সব” প্রভৃতি।

কবি,
কবি গীতিকার সুরকার সলীল চৌধুরীর সমসাময়িক এবং আমরা তাঁকে দেখেছি সেই সময়কার
দূরদর্শনের বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও।

আমরা দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে কবি সম্বন্ধে এর বেশী তথ্য আমাদের কাছে নেই। আমরা আবেদন করছি
সবার কাছে যাতে বাঙালীর নস্টালজিয়া জাগানো এই কবি-গীতিকার-সুরকার সম্বন্ধে যদি কেউ আমাদের
আরও তথ্য, গানের কথা ইত্যাদি পাঠান তাহলে আমারা প্রেরকের নাম সমেত তা এখানে প্রকাশ করবো।
আমরা চেষ্টা করছি কবির যতগুলো সম্ভব গান ও কবিতার কথা যোগাড় করে এখানে তুলে দিতে।

খুব বিচিত্র এই বাঙালী জাতি! এমন লেখাপড়া জানা বাঙালী হয়তো খুঁজে পাওয়া দুষ্কর যাঁর জীবনের কোনো
না কোনো সময়ে দু এক লাইন কবিতা লেখেন নি! বাংলা ভাষায় যে পরিমান কবিতার আন্দোলন
ঘটে গেছে, যে পরিমান কাব্যচর্চা চলেছে, তেমনটি বোধহয় ভারবর্ষের আর কোনো ভাষায় দেখা যাবে না।
অথচ আধুনিক যুগে লক্ষ্য করি যে গীতিকারদের কবি হিসেবে স্বীকৃতি দিতে বাঙালী ভীষণ কুণ্ঠা বোধ  
করেন!
পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় একবার বড় আক্ষেপের সুরে বলেছিলেন ... আমি কি কবি নই ? ব্যাপারটা
যেন এমন, যে কবিতায় সুর দিলেই সেই কবি আর কবি থাকেন না!
নজরুলের আগে কিন্তু এমনটা দেখতে
পাই না।
রবীন্দ্রনাথ বলুন, দ্বিজেন্দ্রলাল বলুন, রজনীকান্ত বলুন, অতুলপ্রসাদ বলুন, দিলীপ রায় বলুন, তাঁরা
আধুনিক (?) যুগের এই বিচিত্র ভেদাভেদের মানসিকতা থেকে বেঁচে গিয়েছিলেন।

প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়! কেন গীতিকারদের কবিদের সভায় স্থান দেওয়া হচ্ছে ? আমাদের উত্তর হলো এই
যে, মিলনসাগরে আমরা মনে করি যে গান তো প্রথমে কবিতা। তাই আমরা গান ও কবিতায় কোন পার্থক্য
দেখি না। অনেকে বলেন যে সব গানই কবিতা কিন্তু সব কবিতা গান হয় না!

আমরা
মিলনসাগরে  তাঁর গান ও কবিতা প্রকাশিত করে আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে পারলে
আমাদের এই প্রচেষ্টা সার্থক বলে মনে করবো।

You Tube এ কবিকন্যা সায়ন্তনী দেবীর প্রস্তুত করা, প্রবীর মজুমদারের গানের ভিডিওর পাতা দেখতে নিচের
লিংকটায় ক্লিক্ করুন।
http://www.youtube.com/playlist?list=PL8B1F15CECF7A168F

কবির কথায় ও সুরারোপিত গান শুনতে নিচের লিংকগুলিতে ক্লিক্ করুন।
www.saregama.com/       
www.raaga.com/        
  
কবি প্রবীর মজুমদারের মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন

.                     
উত্স:
জয় মুখার্জী, গোমোলো.কম,      


আমাদের ই-মেল
- srimilansengupta@yahoo.co.in      


এই পাতার প্রথম প্রকাশ - ৮.৮.২০১২

...