আমার মাষ্টারমশাই -- সুধীন দাশগুপ্ত
মিতালী সেনগুপ্ত, সঙ্গীত শিল্পী
চলভাষ : +৯১৯৮৩৬৩৯৯১১৩   

১৯৭৪-৭৫ সাল নাগাদ আমার বাবার চাকুরীজীবনের অবসর আর আমাদের কলকাতায় আসা |
তার আগে নানান জায়গায় বাবার সঙ্গে ঘুরেছি আর গান শেখাও হয়েছে খাপছাড়া ভাবে - তেমন মনোমত
কোথাও না | ইতিমধ্যেই বড়দিদিদের দেখাদেখি রেডিওতে অডিশন দিয়ে ‘যুববানীতে’ গান গাইতে ঢুকি বয়স
বাড়িয়ে, কেননা ১৫ বছরের আগে ‘যুববানী’তে ঢোকা যেতোনা | তখন ‘আধুনিক’ গানের অডিশনের জন্য
লাগতো রেকর্ড না হওয়া গান, মানে মৌলিক গান আর সে ধরনের গান পাওয়া ছিল দুস্কর | কেননা তখন
জানতামইনা কাদের কাছে গেলে ভাল আধুনিক গান পাওয়া যাবে, যেগুলো তখন রেকর্ড হয়নি | ‘অনুরোধের
আসর’ আর ‘ছায়াছবির গান’ ই তো তখন আমাদের আধূনিক গান শেখার একমাত্র উপায় |

কলকাতায় আসার পর একদিন বেড়াতে গেলাম আমার এক পিসির বাড়ী হরিশ মুখার্জ্জী রোডে |
দোতলায় উঠছি --- নীচতলার একটা ঘর থেকে গানের আওয়াজ পেয়ে উঁকি মারলাম -- দেখি একজন
ভদ্রমহিলা গানের ক্লাস নিচ্ছেন | ওপরে পিসির কাছে শুনলাম নীচের ঐ ভদ্রমহিলার নাম বনশ্রী সেনগুপ্ত |  
শুনে তো আমি দারুন খুশী-- কেননা বনশ্রীদির ওই বছরের পূজোর গানগুলো দারুন হিট | আমারও খুব
পছন্দের | গান দুটি ছিল ‘নিঃঝুম রাত নিরালা’ আর ‘আহারে মরি কি বাহার’ ---- সুরকার ছিলেন সুধীন
দাশগুপ্ত | পিসি বললেন, আচ্ছা বনশ্রীর সঙ্গে তোকে আলাপ করিয়ে দেবো | তা বনশ্রীদিই বললেন যে
‘আধুনিক গান শিখতে চাও তো যাও সুধীন দাশগুপ্তের কাছে, আমিই নিয়ে যাবো তোমাকে’ |  তখন
মিউজিক ডিরেক্টর সুধীন দাশগুপ্তের তো খুব নাম -- উনি যে সিনেমাতেই সুর দেন - সেটাই
B.F.J.A. পুরস্কার
পায় | এ হেন মানুষের কাছে গিয়ে গান শেখা তো স্বপ্নেও ভাবিনি | বনশ্রীদি মাকে বললেন কোন চিন্তা
নেই --- দেবতুল্য মানুষ সুধীনদা --- মেয়েকে নিশ্চিন্তে দিতে পারেন ওর ক্লাসে |

বনশ্রীদির কথামতো মা একদিন আমাকে নিয়ে দেশপ্রিয় পার্কের ‘বাণীচক্রে’ গেলেন সুধীন দাশগুপ্তের সঙ্গে
দেখা করতে | উনি আমার একটা গান শুনলেন | একটা নজরুলগীতি গেয়েছিলাম | উনি বললেন কার কাছে
শিখেছো --- বেশ
Uncommon গান তো |  আমি বললাম ‘স্বরলিপি দেকে তুলেছি’ |  উনি বললেন , ‘বাঃ
স্বরলিপি দেখে এরকম গান তুলেছো’ ? উনি আর বিশেষ কিছু বললেন না মাকে, শুধু বললেন ‘এখানে স্কুলে
ভিড়ের মধ্যে ভাল করে শেখানো যায় না, মেয়েকে নিয়ে আমার বাড়ীতে আসবেন |’
Remuneration অনেক
বেশী, আর আমাদের দেওয়ার ক্ষমতা ছিল না | তাই মা বললেন যে ‘মাষ্টারমশাই, আপনার কাছে মেয়েকে
গান শেখানোর সাধ আছে আমার, কিন্তু সাধ্য নেই |’ তখন উনি বললেন, ‘আপনার যা ইচ্ছে আপনি তাই
দেবেন আমাকে |’ মা আশ্বস্ত হলেন আর আমি আনন্দে আত্মহারা | পরে বনশ্রীদির কাছে শুনেছি  উনি
আমার গানের খুব প্রশংসা করেছিলেন | তারপর আমার শুরু হল সুধীন দাশগুপ্তের বাড়ী গিয়ে ওনার কাছে
গান শেখা | মা জিজ্ঞেস করেছিলেন ও কী বলে ডাকবে আপনাকে ?  উনি বলেছিলেন ‘সবাই তো সুধীনদাই
ডাকে, কিন্তু ও তো ছোট, ও মাষ্টারমশাই বলেই ডাকবে’ | আর উনি আমার ডাকনাম ‘রুবী’ বলেই ডাকতেন |

৬নং ডোভার রোড, ‘ডোভার কোর্ট’ এর ৭ তলায় ছিল মাষ্টারমশাই-এর ফ্ল্যাট |
Lift-এ চড়ে উঠতে হতো |  
সেও প্রথম অভিজ্ঞতা |
Liftman না থাকলে সিঁড়ি দিয়ে উঠতাম, একা একা Lift-এ উঠতে ভয় পেতাম এতো |
মা সঙ্গে করে নিয়ে যেতেন, দুটো বাস পাল্টে যেতে হতো, মফস্বলের মেয়ে, সবে কলকাতায় এসেছি, একা
যাবার সাহসই ছিল না |

মাষ্টারমশাই-এর কাছে যে কত ধরনের গান শিখেছি --- আধুনিক গান তো ছিলই --- তার সঙ্গে কত ভজন,
গীত, গজল --- অসাধারণ সব সুর | মাষ্টারমশাই বলতেন রুবী খুব চট করে গান শিখে নিতে পারে | তখন
রেডিওতে একটা একটা
subject বাড়াচ্ছি | ইতিমধ্যে general  এ অডিশন দিয়ে পাশ করেছি |  Subject
মোটামুটি অনেকগুলিই --- আধুনিক, গীত, ভজন, অতুলপ্রসাদী, নজরুলগীতি ইত্যাদি | তখন রেডিওতে কত
Choral Programme , Special Programme হতো সরস্বতী বন্দনা, বসন্ত পঞ্চমী, যীশুখ্রীষ্টের বন্দনা, আরো কত
অনুষ্ঠান | দেশাত্মমূলক অনুষ্ঠান তো লেগেই থাকতো -- কত শিল্পীরা মিলে, কতদিন ধরে
rehearsal  করে
সেসব গানের
recording হতো  | রেডিওর সে সব দিন গুলো আজও স্মৃতিতে উজ্জ্বল |  অতুলপ্রসাদী,
রজনীকান্তের গানের
stock  বড়ই কম | Radio Programme এর জন্য regular  লাগে | আমার মাষ্টার মশাই
একটা চিরকুট দিয়ে পাঠালেন
Merlin Park – এ কৃষ্ণা চট্টোপাধ্যায়-এর কাছে | উনি সাগ্রহে আমাকে শেখাতে
রাজি হলেন | নজরুলগীতি পরবর্তীকালে শিখতে যাই বিমান মুখোপাধ্যায়ের কাছে  |

মাষ্টারমশাই-এর কাছে শেখাকালীন
Radio Gradation- এর পরীক্ষার জন্য গান চাই, উনি আমার জন্য একটা
খুব সুন্দর গান --
folk tune এর উপর তৈরী করে শিখিয়ে দিলেন -- এক Chance-এই Upgradation হল | পরে
এই গানটা একজন নামকরা শিল্পী
record  করেছিলেন --- কিন্তু আমি বলি ওটা আমার গান, আমার জন্য উনি
ওটা লিখেছিলেন, সুর করেছিলেন | গানটি ছিল “ললিতে, আগেই যদি এসব কথা জানতাম” | ওটা আমার
সাংঘাতিক
favourite আর পয়া গান ছিলো--- সব জায়গায় ওটা করতাম | আমার প্রথম T .V. Programme -
এও ওটা করেছিলাম | সারা বাংলার ছেলেমেয়েদের আধুনিক গানের একটা
competition এ ওটা গেয়েই first
হয়েছিলাম --- তখন
T.V তে ‘তরুণদের জন্য’ অনুষ্ঠানে ওটা হয়েছিল |

মাষ্টারমশাই-এর কাছে আমি একাই শিখতাম -- তবে মাঝে মাঝেই কেউ কেউ আসতেন বিশেষ কাজে,
Music
Room
--- এই বসতেন তারা | অরুন্ধুতী হোম চৌধূরী সেবার প্রথম পূজোর গান করবেন, মাষ্টারমশাই -এর
সুরে | উনি আমার পাশে বসে গান তুলে নিলেন, ছোট্ট
tape recorder -এ গান tape করে নিলেন | সব শিল্পীরাই
চাইতেন মাষ্টারমশাই-এর সুরে প্রথম গান
record করতে, কেননা প্রায় সব গানগুলিই sure hit  হতো | আরতি
মুখোপাধ্যায় ও মাঝে মাঝে আসতেন
music room - এর দরজা ঠেলে সহাস্যে উঁকি দিতেন, কি আস্তে আর
মিষ্টি করে কথা বলতেন উনি | তাঁর পরিবারের সবাই আমার খুব কাছের মানুষ হয়ে গিয়েছিলেন | বাড়ীতে
থাকতেন মাষ্টারমশাই-এর স্ত্রী মঞ্জুষা দাশগুপ্ত, আমি মাসীমা ডাকতাম, এক ছেলে সৌম্য, ডাকনাম ছিল বাবু
আর এক মেয়ে সাবেরী, ডাকনাম রিন্টি | বাবুর চেয়ে রিন্টি ১৭/ ১৮ বছরের ছোট ছিল | বাবুর সঙ্গে আমার
বিশেষ আলাপ ছিল না, ওর ঘর থেকে গীটারের আওয়াজ পেতাম | রিন্টি আমার খুব ভক্ত ছিলো | খুবই
ছোট ছিল--- আমায় ‘রুবীদিদি’ না বলে বলতো ‘রুগীদিদি’ | আমরা হাসতাম! মাষ্টারমশাই--এর জন্য অপেক্ষা
করার সময়টা ছিল ওর সঙ্গে খেলা করার সময় | বাবা
music room -এ ঢুকলেই ও পালাতো | ভারী মিষ্টি
বাচ্চা ছিল | এখনও পুরোনো গানের খাতায় ওর আঁকিবুকি, লেখা, ছবি গুলি দেখলে সেই সব দিন গুলো মনে
পড়ে |

মাঝে মাঝেই উনি আমার গানের ডায়েরী নিয়ে গানটা লিখে দিতেন | কি যে সুন্দর ছিলো ওঁর হাতের
লেখা --- মুক্তোর মতো --- আমি আবার ওনার হাতের লেখা
copy করার চেষ্টাও করতাম | মাসীমাও খুব
ভালবাসতেন আমাকে -- প্রায়ই এটা ওটা করে খাওয়াতেন | একদিনের কথা ভুলবোনা | মাসীমা বাড়ীতে
ছিলেন না --- গান শেখানোর পর মাষ্টারমশাই বললেন ‘রুবী, আজকে তো তোমার মাসীমা নেই--- তোমাকে
কি খাওয়ানো যায় --- আমি তো লজ্জায় পড়ে গেছি --- ‘খাবোনা, খাবোনা’ বলছি। উনি বললেন  ‘দাঁড়াও,
মাসীমা নেই তো কি হয়েছে আমিও রান্না করতে পারি |’ উনি রান্নাঘরে গিয়ে এটা ওটা নানা জিনিস দিয়ে কি
দারুন ওমলেট বানিয়ে আমাকে খেতে দিয়ে বললেন ‘দ্যাখো খেয়ে কেমন হয়েছে’ |

তখন ওইসব ছোটখাটো ব্যাপারকে সাধারণ মনে হয়েছে, তেমন গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়নি | কিন্তু এখন ভাবতে
বসলে অবাক লাগে যে একজন ছাত্রীকে কতই না স্নেহ করতেন উনি, মেয়ের মতো দেখতেন | আজকাল
এরকম ব্যবহার বোধ করি কেউ আশাও করতে পারেনা | ওনার আমার প্রতি স্নেহের আরও একটা দিক
বলি --- একদিন একটা সুন্দর
colourful dress পরে গেছি --- উনি বললেন, ‘বাঃ,  সুন্দর লাগছে | মাসীমার
কাছ থেকে
camera টা নিয়ে এসো ,একটা ছবি তুলি | আমি তো দারুন খুশী |

ওঁর কাছে শিক্ষাকালীন আমার আর একটা অভিজ্ঞতা হয়েছিলো | আমাদের বাড়ীতে
phone
ছিলো না --- একটা film এ একটা chorus গানে --- গান ঠিক নয় দশাবতার স্ত্রোত্র --- কি যে অসাধারণ সুর
করেছিলেন সেটার --- গাইবার জন্য আমাকে ডাকতে পাঠিয়েছিলেন অংশুমান রায়কে দিয়ে | তিনি তো
অন্যদের বলেছেন কী কান্ড বলোতো, রুবীদের বাড়ীতে প্রথম গেলাম, তাও পাঁচিল টপকে! মানে আমাদের
বাড়ীর গেটটা সারাই করার জন্য বেঁধে রাখা হয়েছিল, তাই সে যে কি হাসাহাসি হয়েছিল!  
Recording টা
Technicions Studio-তে হয়েছিল | কি দারুন অভিজ্ঞতা--- কি অপূর্ব সুরের সেই দশাবতার স্ত্রোত্রম “প্রলয়
পয়োধি জলে ধৃতবানাসি বেদম্” মনটা আনন্দেতে ভরে গিয়েছিল --- ‘পদ্মাবতী জয়দেব’ বলে একটা
film এর
জন্য হয়েছিল  |

উনি তখন ব্যস্ত ‘হংসরাজ’ ছবির জন্য |  ছবি
release করলো, সেটাও super hit আর গানগুলো তো
কিংবদন্তী |  আবার
B.F J.A A ward | মনে মনে আশা রাখতাম আমিও নিশ্চয়ই একদিন না একদিন
মাষ্টারমশাই-এর সুরে গান গাইবো | এরমধ্যে আমি
B.Sc পাশ করেছি, যথারীতি বিয়ের কথাবার্তা চলছে,
বিয়ে ঠিকও হয়ে গেল --- অনেকটাই দূরে
Salt Lake -এ | বিয়েতে মাষ্টার মশাই সপরিবারে এসেছিলেন, খুব
সুন্দর একটা শাড়ী দিয়েছিলেন | বিয়ের পর বেশ কিছুদিন মাষ্টারমশাই-এর কাছে যাওয়া হয়নি | প্রায় বছর
খানেক বাদে ওনার সঙ্গে যোগাযোগ করে আবার যাবো ঠিক করলাম | এবার বরকে সঙ্গে নিয়ে গেলাম |
দিনটা ছিল
1982 - 9th January | মাষ্টার মশাই মাসীমা খুব খুশী আমাকে বিয়ের পর দেখে | উনি মজা করে
বললেন ‘এবারে কিন্তু বরের কাছ থেকে বেশী করে টাকা নেবো | এতদিন তোমার মা’র কাছ থেকে নিইনি’ |

বাড়ী ফিরতে বেশ বেলা হয়ে গিয়েছিল | সন্ধ্যায়
T. V খুলে স্তম্ভিত! কি বলছে NEWS - এ! প্রখ্যাত সুরকার
সুধীন দাশগুপ্তের
Cerebral Attack -এ জীবনাবসান | আমি ভাবছি এটা কি করে সম্ভব --- আমি ক’ঘন্টা
আগেই ওনার কাছ থেকে গান শিখে এলাম --- আমার পরে আর কেউ আসেও নি শিখতে | আমিই শেষ
শিক্ষার্থী | পরদিন আবার ছুটলাম
Dover Road  এ কাঁদতে কাঁদতে | মাসীমার কাছে শুনলাম, বাথরুমে বসেই
attack টা হয়েছিল --- আর বাঁচানো গেল না | মনে পড়ে গেল --- উনি মাঝে মাঝেই বলতেন দ্যাখো, আমার
কপালের পাশের শিরাগুলো . . . . . |

ভাবা যায়না --- এরকম ভাবে --- এত অল্পসময়ে --- কিই বা এমন বয়স হয়েছিল তাঁর | হয়তো
প্রতিভাধর মানুষেরা বেশীদিন থাকেন না, তবে উনি যা সুর সৃষ্টি করে গেছেন, তা ওঁকে অমর করে রাখবে |

‘সুধীন দাশগুপ্ত’ সম্বন্ধে কিছু বলতে গেলে তো আমি শুধু সুরকার গীতিকার সুধীন দাশগুপ্ত
সম্বন্ধে কিছু বলতে পারিনা---- আমায় বলতে হয় পুরোপুরি ‘মানুষ’টা সম্বন্ধে -- যা  কিনা আমি অনুভব
করেছি ওঁর কাছে ক’বছর গান শেখার সুবাদে --- সেটা হল যে উনি শুধুই প্রখ্যাত সুরকার ছিলেন না ---
ছিলেন একজন সত্যিকারের ‘ভালোমানুষ’ |


আমরা
মিলনসাগরে  শিল্পী মিতালী সেনগুপ্তর কাছে কৃতজ্ঞ, তাঁর শত ব্যস্ততার মধ্যেও এই  লেখাটি লিখে
পাঠানোর জন্য।

মিতালী সেনগুপ্তর সঙ্গে যোগাযোগ :
চলভাষ : +৯১৯৮৩৬৩৯৯১১৩     

মিলনসাগরে কবি সুধীন দাশগুপ্তর মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন।   

ইনটারনেটে সুধীন দাশগুপ্তর কালজয়ী গান শুনতে নিচের ওয়েবসাইটগুলিতে যেতে পারেন . . .   

http://calcuttaglobalchat.net/calcuttablog/bangla-adhunik/sudhin-dasgupta/
http://www.indianetzone.com/36/sudhin_dasgupta_indian_music_director.htm    
http://www.hummaa.com/music/artist/Sudhin+Dasgupta/3229    
http://gaana.com/artist/sudhin-dasgupta-56060     
http://www.muzigle.com/artist/sudhin-dasgupta/songs_composed/     
http://www.saavn.com/s/#!/search/album/Best+Of+Sudhin+Dasgupta+-+Bengali+Modern+Songs     
http://paulsajal.blogspot.in/2009/06/smaraniyo-surokar-sudhin-dasgupta.html     


উত্স:   
উইকিপেডিয়া     
.              calcuttaglobalchat.net              
.              
www.indianetzone.com             
.              
www.hummaa.com            

আমাদের ই-মেল - srimilansengupta@yahoo.co.in                                            উপরে    


...
মিলনসাগরে কবি সুধীন দাশগুপ্তর মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন
মিলনসাগরে কবি সুধীন দাশগুপ্তর পরিচিতির পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন