কবি গণসঙ্গীতকার দিলীপ বাগচীর গান ও কবিতা
*
নভেম্বরের ডাক শোনো
কথা ও সুর : দিলীপ বাগচী
শংকর সান্যাল ও তাপস চক্রবর্তী সংকলিত ও সম্পাদিত এক আসাধারণ সাধারণ মানুষ
দিলীপ বাগচী : জীবন ও সৃষ্টি থেকে নেওয়া |

নভেম্বরের ডাক শোনো,
.                কাঁধে নাও রক্ত নিশান |
এ যুগেতে লেনিন জানায়
.                ( শোনো ) মাওয়ের গলায় আহ্বান ||
ভলগার স্রোতধারা রুদ্ধ.
.                হোয়াংহো বহে তাই উদ্দাম |
যুদ্ধ বাজের ডানা স্তব্ধ,
.                 এশিয়ায় জ্বলে ভিয়েৎনাম ||
লাঙলের ফলা হোক সঙ্গীন,
.                 আমরা যে চাই আরো বাঁচতে,
নিশানটা খুনে করো রঙ্গীন,
.                 হাতিয়ার হোক আজ কাস্তে ||
দুষমন আসুক না ভয় কি ?
.                 ( মোরা ) মাও সে তুংয়ের ডাকে বলীয়ান |
নকশাল উঁচু করে ধরেছে
.                  এশিয়ার বিপ্লবী সম্মান ||

.      **************************  
.                                                                                
সূচিতে . . .    


মিলনসাগর
*
আজ মে দিবস, শ্রমিকের রক্তস্নান
কথা ও সুর : দিলীপ বাগচী
শংকর সান্যাল ও তাপস চক্রবর্তী সংকলিত ও সম্পাদিত এক আসাধারণ সাধারণ মানুষ
দিলীপ বাগচী :  জীবন ও সৃষ্টি থেকে নেওয়া |  [ শ্রী সুধীর চক্রবর্তী সম্পাদিত ‘ধ্রুবপদ’
সংকলন গ্রন্থ ( ১৯৯৯ )  ও জলার্ক ( ত্রয়োবিংশ সংকলন ) – এর সৌজন্যে ]

আজ মে দিবস, শ্রমিকের রক্তস্নান
অস্ত্রে অস্ত্রে সর্বহারার মুক্তির ঐ আহ্বান !
নকশালবাড়ি, তুমি ভারতের ভিয়েৎনাম !
নিহত স্তালিন তোমাতে পেয়েছে নতুন প্রাণ !
কমরেড মাও তোমাতে পেয়েছে নতুন নাম !
হে-বাজার,  লাল সেলাম !
নকশালবাড়ি লাল সেলাম !
লেনিন, স্তালিন, মাও সে তুং, লাল সেলাম !
কারাগারে শুনি অগ্নিশাঁখ,---
শপথ নিলাম, তোমার ডাক –
‘আজকের দিন সব দিন হোক !
মে দিবস লাল সেলাম !!’

.      **************************  
.                                                                                
সূচিতে . . .    


মিলনসাগর
*
মন চল্যাঁছে শুশুনিয়া পাহাড়ে ( হঁ বটে )
কথা ও সুর : দিলীপ বাগচী
শংকর সান্যাল ও তাপস চক্রবর্তী সংকলিত ও সম্পাদিত এক আসাধারণ সাধারণ মানুষ
দিলীপ বাগচী :  জীবন ও সৃষ্টি থেকে নেওয়া | [ শ্রী সুধীর চক্রবর্তী সম্পাদিত ‘ধ্রুবপদ’
সংকলন গ্রন্থ ( ১৯৯৯ )– এর সৌজন্যে ]

মন চল্যাঁছে শুশুনিয়া পাহাড়ে ( হঁ বটে ) |
মন থমকে দাঁড়ায়, হুই জুগুনথল্যায়
.                 মোরগের লড়াই হবেক,
.                 ধাতিন ধাতিন মাদল বাজে,
বাঁশীতে মন মাতানিয়া সুর আহারে ( হঁ বটে ) ||
নদী গন্ধেশ্বরী, দু’পার বালুচরি,
.                  মাঝে তা রূপালী জল
.                  ঝির্ ঝিরিয়ে তির্ তিরিয়ে
বসে যায় মহুয়া রসিয়া ছাঁদের বাহারে ( হঁ বটে ) ||
পলাশ আগুন ছড়ায়    পাহাড়ের চূড়ায় চূড়ায়
.                   ও মাহৈ ধারাপরব
.                   ফুল ( প্রেমিক / বন্ধু ) আছে জেলে হে
লাল নিশান লিয়ে ডাকবে সে আজ কাহারে ( হঁ বটে ) ||

.                 **************************  
.                                                                                
সূচিতে . . .    


মিলনসাগর
*
সুবর্ণরেখার সোনা সোনা জলে
কথা ও সুর : দিলীপ বাগচী
শংকর সান্যাল ও তাপস চক্রবর্তী সংকলিত ও সম্পাদিত এক আসাধারণ সাধারণ মানুষ
দিলীপ বাগচী :  জীবন ও সৃষ্টি থেকে নেওয়া | [ অনীক ( জুন  ১৯৮১ ) পত্রিকার সৌজন্যে ]

গণবিষাণ গণসঙ্গীত গোষ্ঠির গাওয়া গানটি শুনুন এখানে ক্লিক করে . . .    

সুবর্ণরেখার সোনা সোনা জলে----
সাগরের নোনা নোনা হাওয়া,
শাল-গমহারের ছায়া কাঁপে---
.                 কাঁপে কাঁপে কাঁপে রে ||
শোলা বাঁধা ভেলার খেলা খেলা নায়ে ---
জেলেদের ভেসে ভেসে যাওয়া,
রূপালী ইলিশের রূপে ||
.                   কাঁপে কাঁপে কাঁপে রে --- ছায়া কাঁপে ||
ঢেউ খেলানো নদী, আর ঢেউ খেলানো জমি,
ধানের শীষে ঢেউ ঝাঁপে |
ঝিলিমিলি গ্রামে      মেঘ ভাঙ্গা রোদ নামে,
সাঁওতালী মাদলের আলাপে ||
.                    কাঁপে কাঁপে কাঁপে রে ---- ছায়া কাঁপে ||
সুবর্ণরেখার রাঙ্গা রাঙ্গা জলে
পাহাড়ের থরো থরো যৌবন –
দু’পারের গাঁয়ের সীমায় ঝাঁপে ||
.                     কাঁপে কাঁপে কাঁপে রে ---- ছায়া কাঁপে ||
তীর ভাঙ্গানো ঢেউ,  আর ঘর ভাঙ্গানো ঢেউ
ধানভাসি ঢেউয়ের বিলাপে |
ঝিলিমিলি গ্রামে       রক্ত ঝরা ঘামে
হেঁইয়া হো বাঁধ বাঁধে দাঁত চেপে
হাজারো ভুখা হাতে রে.---- হেঁইয়া হো বাঁধ বাঁধে দাঁত চেপে ||
.                 সুবর্ণরেখা রে----
.                 আমার ঘরভাঙ্গা নদী,
.                 আমার বুকভাঙ্গা নদী,
.                 আমার ধানভাসি নদী---
.                 আমার ঘর গড়া নদী রে,
.                 বুক বাঁধা নদী রে,
.                 সোনার ধানের নদী রে------ সুবর্ণরেখা রে !!

.                  **************************  
.                                                                                
সূচিতে . . .    


মিলনসাগর
*
মে-দিবসের গান
কথা ও সুর : দিলীপ বাগচী
শংকর সান্যাল ও তাপস চক্রবর্তী সংকলিত ও সম্পাদিত এক আসাধারণ সাধারণ মানুষ
দিলীপ বাগচী :  জীবন ও সৃষ্টি থেকে নেওয়া | [ অনীক ( মে, ১৯৮৮ ) পত্রিকার  সৌজন্যে ]

আবার উঠুক ঝড়, দুরন্ত ঝড়!
দিগন্ত জ্বলন্ত বহ্নি ঝড় !
বেদনার ধূপ জ্বেলে অগ্নি শপথ নিক –
ভারতের যত গ্রাম গ্রামান্তর ! --- বহ্নি ঝড় !!

.               মুক্তির মত্ত ক্ষুধা –
.               আজো ঢেউ তোলে শোনিত স্রোতে !
.               ( তাই ) নগরে প্রান্তরে, দ্বীপে-দ্বীপান্তরে---
.               অতীতের ভুল ঢেকে, তপ্ত অশ্রু থেকে ---
গর্জে উঠুক ফের সংগ্রামী শপথের স্বর !  দুরন্ত ঝড় !!

.               ( এসো ) হাতে হাত রাখো,
.                মিছিলে পথ দেখো,
.                শতধা মিলুক এক পথে !
.                আকাশের সীমা ছেড়ে,
.                শত হাতে তুলে ধ’রে,
.                রক্ত নিশান রাখো সাথে !

.                মে দিবস ডাকে,   “এক হও !—
.                লও, রক্তের সাথী চিনে লও !
,                 জনতা দিশাহারা, দেখাও ধ্রুব তারা,
স্তব্ধতা ভেঙ্গে ফেলে, উদ্দাম কলরোলে –
জনজলতরঙ্গে ভেসে যাক্ জড়তার জ্বর !—
.                                               দুরন্ত ঝড় !!

.                  **************************  
.                                                                                
সূচিতে . . .    


মিলনসাগর
*
মাগো, তোমার বুকে ঝরলো যে খুন
কথা ও সুর  : দিলীপ বাগচী
শংকর সান্যাল ও তাপস চক্রবর্তী সংকলিত ও সম্পাদিত এক আসাধারণ সাধারণ মানুষ
দিলীপ বাগচী :  জীবন ও সৃষ্টি থেকে নেওয়া |  [ জলার্ক ( ত্রয়োবিংশ সংকলন ) পত্রিকার
এর সৌজন্যে ]

নিশান্তিকা গণসঙ্গীত গোষ্ঠি প্রকাশিত সি.ডি. "তরাইয়ের গান" থেকে গানটি শুনুন এখানে
ক্লিক করে . . .     

মাগো, তোমার বুকে ঝরলো যে খুন,
তাই আমার চোখে জ্বলে আগুন |
ওদের করবো না ক্ষমা  ( ৪ )
মোদের ক্ষেতের সোনালী ঐ ধান,
ওরা চুরি করে ঢুকিয়ে দ্যাছে নোনা জলের বান |
মোদের কোলের সোনার শিশু কেড়ে
ওরা নেকড়ের মুখে দিয়েছে যে ছেড়ে,
তাই ওদের সুখের স্বপ্নের আল ছিঁড়ে ফেলে
করবো  যে খান খান ---
মোদের ক্ষেতের ---
ওগো গ্রাম বাংলার কিষানী মা শোন
ওদের সুখের ঘরে প্রদীপ দিতে রাখবো না কোন জন |
গণশিল্পী মোরা ডাক দিয়ে যাই বাংলার ঘরে ঘরে
পিশাচের শেষ করিতে তোমরা
.                 শান দাও হাতিয়ারে ( ৩ ) |
শান দাও হাতিয়ারে শান দাও
কাস্তে হাতুড়ীটা তুলে নাও
শত্রুকে চিহ্নিত করে নাও,
.                 হাতিয়ারে শান দাও ( ৩ ) |
বন্ধু তোমার ছাড়ো উদ্বেগ
সুতীক্ষ্ণ করে নাও চিত্ত,
বাংলার মাটি দুর্জয় ঘাঁটি
.                 বুঝে নিক দুর্বৃত্ত |
আমার সোনার ধান আমার মাটি
কারখানা কলে ক্ষেতে আমরা খাটি
শত্রুর লক্ লকে জিভখানা টেনে নিয়ে
ছিঁড়ে ফেলো ( ২ ) আরবার ----
.                  শান দাও হাতিয়ারে --- |

.                  **************************  
.                                                                                
সূচিতে . . .    


মিলনসাগর
*
গাজীর গান ( কানোরিয়া সংস্করণ )
কথা  : দিলীপ বাগচী,  ( প্রচলিত লোকসুর )
শংকর সান্যাল ও তাপস চক্রবর্তী সংকলিত ও সম্পাদিত এক আসাধারণ সাধারণ মানুষ
দিলীপ বাগচী :  জীবন ও সৃষ্টি থেকে নেওয়া | [ প্রতিবাদী চেতনা ( মে দিবস
সংখ্যা,  ১৯৯৪ )– এর সৌজন্যে ]

* ( ) বন্ধনীর অংশ আগের চরণের সাথে ধরতাই হ’য়ে আসবে |*

আমি সবার আগে সেই মানুষের করি যে বন্দনা,
গতর দিয়ে চালান যাঁরা এই দুনিয়া খানা |
( যাঁরা না বাঁচিলে ) যান বিফলে আল্লা-ভগবান,
যাঁদের ঘরে জন্মে যীশু নবী পেলেন মান ||
( সেই শ্রমজীবি ) আমার নবী করি তাঁর বন্দনা,
তার পরেতে গাজীর গান শুনেন সর্বজনা ||
( শুনেন জনগণ ) দিয়া মন পান সুপারী হাতে ---
ঘরে ঘরে সবাই কেমন আছে দুধে ভাতে |
( এই লাল বঙ্গে ) মহারঙ্গে উড়ে লাল নিশান,
জল-স্থল-অন্তরীক্ষ নাদে কম্পমান ||
“ ( ঐ বিপ্লব আসে )” সবাই নাচে হইয়া কাছাখোলা,
মরবে এবার মালিক জোতদার ঘুচবে তাদের লীলা ||
( আর নাইরে দেরী ) বাজে ভেরী সাইরেন তাহার নাম,
মন্ত্রী আসেন, শপথ পড়েন, মহা মহা বাম ||
( তারা নানা দলের )  গ্যাঁড়াকলের মারকশবাদী নেতা,
নানা মতের বিপ্লব চাইয়া খাইল কানের মাথা ||
( কিন্তু একমত সবাই ) মন্ত্রীত্ব চাই যেন তেন ভাবে ,
লাথি ঝাঁটা খেয়েও তারা গদী কামড়ে রবে ||
( তবু চিক্ষুর পারে ) রাখতে ধরে ভাবমূর্তিখানি,
নইলে, ক্যাডার পালায় মারের ঠ্যালায় চক্ষে হবে পানি ||
( বড়দার মস্তানীতে ) পস্তানীতে ভরে তাদের চিত্ত,
তবু সব ভুলে যায় ছেলুট পাইয়া, আর পাইয়া বিত্ত ||
( নেতার বিদেশ ভ্রমণ ) যখন তখন লন্ডন-চায়না-রুশে ,
স্বদেশ পরিণত হইল কের্ মশো বিদেশে ||
( আসেন মাঝে মাঝে ) বুঝে সুঝে বলেন দু’চার কথা,
দেশের জল তাঁর সয়না পেটে, ওঠে ফিকের ব্যথা ||
( তখন ডাক্তারে কয় ) যান মহাশয় লন্ডন কিম্বা মস্কো,
নিরাময়ের ওষুধ পাবেন, সারবেন শুনে ডিস্কো ||
( দেশের হাসপাতালে ) দলে দলে শূয়োর কুকুর ঘোরে,
ঔষধ পথ্য বিনে রোগী যায় যে যমের ঘরে ||
( দেখে রামের লীলা ) টাটা বিড়লা আসে হেসে হেসে ,
বিদেশীদের পুঁজি এসে দরজায় খুক খুক কাশে  ||
( ছাঁটাই লক্ আউটে ) শ্রমিক মুটে দিচ্ছে গলায় দড়ি,
শ্রমমন্ত্রী মজদুর রেতে যান মালিকের বাড়ি ||
( আনে শর্তখানা ) কয়েকজনা ছাঁটাই মেনে নিলে,
বাকীরা পাবে অর্ধবেতন তবে না মিল খোলে ||
( কায়দা কত ) সে মিলাবি ঘুরে বাড়ি বাড়ি,
বেকারের সংখ্যা সারা দ্যাশে পঞ্চাশ লাখ যায় ছাড়ি ||
( তাইতো ফুলেশ্বরে ) সমস্বরে চটকলে মজদুর বলে,
‘দলের পোষা মজদুর নেতা’ যাক না রসাতলে ||
( আমরা নিজ জোরে ) নিব গড়ে মোদের ইউনিয়ন,
খালি পেটে শুনবো না আর দলের সংকীর্তন ||
( করবো বাঁচার লড়াই ) কারে ডরাই ? চালাই যে মেশিন,
তৈরী মাল যায় দেশ বিদেশ মার্কিন-জাপান-চীন ||
( আমরা ভাঙ্গবো তালা ), মেশিন গুলা আমাদের সন্তান,
মোদের হাতের ছোঁয়া পেলে গাইবে জীবন গান ||
( লোকে জানবে নিশ্চয় ) কামচোরা নয়, বাংলার মজদুর যত,
গতর খেটে উড়িয়ে দেব বদনাম শত শত ||
( তখন কানোরিয়ায় ) চাকা ঘোরায় সকল মজদুর মিলে,
ত্রাহি ! ত্রাহি ! রব উঠিল নেতাদের গোকুলে ||
( তেলে জলে মিশে ) ওঠে ফুঁসে একই মঞ্চ থেকে,
সুব্রত আর নীরেনবাবু একই সুরে হাঁকে ||
( যত বস্তা পচা ) গালির খোঁচা, তার সাথে দেয় হুমকি,
টাটকা বোঁদের সাথে জমে খাস্তা গরম নিমকি ||
( নাকি, এসব পথে ), ওঁদের মতে, সমস্যা না মেটে,
কোন্ পথে তা মিটবে, সেটা বলেন না কো মোটে ||
( নতুন লড়াই দেখে ) অবাক চোখে তাকায় বঙ্গবাসী
ছাত্র-যুবক-মধ্যবিত্ত গ্রাম গঞ্জের চাষি ||
( আনেন সাধ্যমত ) অর্থ যত, গয়না-গাটি বেচে,
রক্ত বেচে টাকা তোলেন, লড়াই যেন বাঁচে ||
( গলায় গানের ডালি ) নিয়ে চলি শিল্পী মোরা সবে,
মানুষের জয়, জীবনের জয় হবে নিশ্চয় হবে ||
( নেতা বলেন রেগে ) বিদেশ থেকে দিচ্ছে অর্থ-অন্ন,
আপন গন্ধে বিভোর ছুঁচো পায়না গন্ধ অন্য ||
( খাঁকী বাবাজীরা ) নেতাজীরা মিলে করেন কায়দা,
পাসারীরা গ্রেপ্তার হয়না, উল্ টে তোলে ফায়দা ||
( যত টাকা মেরে ) জমার ঘরে দেখায় কেবল ফাঁকা,
‘কেন্দ্র দায়ী’ এই গান গেয়ে জ্যোতি বোস দেয় ধোঁকা ||
( বন্ধ এক এক করে ) ধীরে ধীরে কত যে কারখানা,
অনশন আর আত্মহনন গা সওয়া ঘটনা ||
( বলি, তাই কানোরিয়া ) যায় লড়িয়া সকলের লড়াই,
চাষি-বেকার-মধ্যবিত্ত-দোকানী সবাই---
( সামিল হও লড়াইয়ে ) দাও ছড়ায়ে দেশে প্রতি কোণে,
গলা মেলাও গাজীর সাথে কানোরিয়ার গানে ||
( শেষ হোক গাজীর গান ) থাকুক তান সবার মনে মনে,
তুষের আগুন ধিকি ধিকি জ্বলুক সবার প্রাণে ||
( দ্যাখো মিছিল চলে ) দলে দলে রেল লাইনের বাঁধে,
গ্রামে গঞ্জে চলে মিছিল ভন্নি দুপুর রোদে ||
( চলে সবাই মিলে ) ঐ মিছিলে, এই গানে দাও সাড়া
“জাগো, জাগো, জাগো সর্বহারা
অনশন বন্দি ক্রীতদাস,
শ্রমিক দিয়াছে আজ সাড়া
উঠিয়াছে মুক্তির আশ্বাস |”

[ প্রয়োজনে ‘আন্তর্জাতিক’ গান শেষ পর্যন্ত গাওয়া যাবে ]

.                  **************************  
.                                                                                
সূচিতে . . .    


মিলনসাগর