ই ভাস্কর একজন নাবিকও বটে !  
দিনের পর দিন, মাসের মাস নাবিকের
তার প্রিয়জনদের কথা মনে পড়ে |
তার ভালবাসার জনদের কাছে পেতে
ইচ্ছে করে | নির্বাসন চরমে উঠলে
তার মনের অনেকটাই জুড়ে থাকে
নারী | সে তখন প্রায় সব কিছুতেই
নারীকে খুঁজে পাবার চেষ্টা করে !
এমন কি সমুদ্রের মাছও তার কাছে
সুন্দর নারীর মতন লাগে ! এ
অবস্থায় নারীর সব চেয়ে কাছাকাছি
আসে কল্পনার অর্ধেক-মানবী-অর্ধেক-
মত্স !
মত্সকন্যা বা জলপরী!

আসলে সে কালে নাবিকরা "ডুগং"
বলে এক রকমের সামুদ্রিক প্রাণীকেই
দূর থেকে ভুল করে মত্স কন্যা বলে
ভাবতো |
চকে নাবিকের কল্পনা
HOME
HOME BANGLA
এখানে কোনো কাজই দেখে নকল করা নয় |

চক ভাস্কর্য সাধারণ বোর্ডের উপর লেখার চক খোদাই
করে তৈরী করা হয়, তাই মাত্র এক থেকে আড়াই ইঞ্চি
লম্বা হয় |
আপনি এখানে চক ভাস্কর্যের
অতি বর্ধিত ছবি দেখছেন |
একটি মূর্তি তৈরী করতে সাত থেকে আট ঘন্টা সময়
লাগে |  একটি ব্লেড এবং একটি সূঁচই হল এই কাজের
মূল উপকরণ |

এর মধ্যে অনেক মূর্তিই ব্যক্তিগত সংগ্রহে
রক্ষিত রয়েছে |

শিল্পী আর চক ভাস্কর্য বিক্রী না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ
করেছেন এবং যদি সম্ভব হয় তবে আগামী দিনে
কলকাতা শহরে একটি স্থায়ী প্রদর্শনী করার কথা
ভাবছেন |

চক ভঙ্গুর মাধ্যম বলে খোদাই পর্ব শেষ করার পর
মুর্তিটিকে শক্ত করার প্রক্রিয়া সারতে হয় |
শিল্পীর কাছে প্রায় ৩৫ - ৪০ বছরের পুরানো চক ভাস্কর্য
খুব ভাল অবস্থায় রয়েছে |

শিল্পীর কাজ দেখে যদি দর্শক বন্ধুদের মনে একটুও
আনন্দ আসে তাহলেই এর সার্থকতা | শিল্পী তাঁর চার
পাশের জগৎ থেকেই শিল্পের সৃষ্টি করেন | তাই তাঁর
কাজ তাঁর জীবনের নানা অভিজ্ঞতারই প্রতিফলন |
জলপরীর মুক্তা!
চুম্বন
একাকীনী
জলপরী
নোঙ্গর-শৃঙ্খলে
মত্সকন্যা
নোঙ্গর-শৃঙ্খলে
মত্সকন্যা
জলপরীর ঐশ্যর্য!
নাবিক ও
জলপরীর
জলকেলি
ডুবুরীকে
চুম্বনরত
মত্সকন্যা