কবি বাসুদেব ঘোষ এর বৈষ্ণব পদাবলী
গোরা হেম-জলদ-অবতার
গোরা হেন জলদ-অবতার
ভণিতা বাসুদেব ঘোষ
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি আনুমানিক ১৭০০ সালে, বিশ্বনাথ চক্রবর্তী (হরিবল্লভ দাস) দ্বারা সংকলিত ও
বিরোচিত এবং ১৯২৪ সালে, রাধানাথ কাবাসী দ্বারা সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“শ্রীশ্রীক্ষণদা-গীতচিন্তামণি”, পঞ্চবিংশ ক্ষণদা - শুক্লা দশমী, ১৯৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া
রয়েছে।

শ্রীগৌরচন্দ্রস্য।
॥ সুহই বা গান্ধার॥

গোরা হেম জলদ-অবতার।
সঘনে বরিখে জল-ধার॥
নিজ গুণে করিয়া বাদর।
গভীর নাদে দিগ টলমল॥
করুণা-বিজুরী দিন রাতি।
বরিখয়ে আরতি-পিরীতি॥
সুখ-পঙ্ক করি ক্ষিতি-তলে।
প্রেম ফলাইল নানা ফলে॥
এক ফলে নব রস ঝরে।
আরতি কে কহিতে পারে॥
নাম গুণ কর্ম্ম চিন্তামণি।
কহে বাসু অদভুত বাণী॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ, ৩৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ শ্রীগান্ধার॥

গোরা হেন জলদ-অবতার।        সঘনে বরিখে জলধার॥
নিজ গুণে করিয়া বাদল।          গভীর নাদে দিক্ টলমল॥
করুণা-বিজুরী দিনরাতি।          বরিখয়ে আরতি পিরীতি॥
সুখপঙ্ক করি ক্ষিতিতলে।         প্রেম ফলাইল নানা ফুলে॥
এক ফলে নব রস ঝরে।           ভাব তার কে কহিতে পারে॥
নামগুণ কর্ম্মচিন্তামণি।             কহে বাসু অদ্ভূত বাণী॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১৫৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ শ্রীগান্ধার॥

গোরা হেম জলদ অবতার।
সঘনে বরিখে জলধার॥
নিজ গুণে করিয়া বাদল।
গভীর নাদে দিক্ টলমল॥
করুণা বিজুরী দিন রাতি।
বরিখয়ে আরতি পিরীতি॥
সুখপঙ্ক করি ক্ষিতিতলে।
প্রেম ফলাইল নানা ফুলে॥
এক ফলে নব রস ঝরে।
ভাব তার কে কহিতে পারে॥
নামগুণ কর্ম্মচিন্তামণি।
কহে বাসু অদ্ভুত বাণী॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৫২১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই বা গান্ধার॥

গোরা হেম জলদ অবতার।
সঘনে বরিখে জলধার॥
নিজগুণে করিয়া বাদর।
গভীর নাদে দিক টলমল॥
করুণা বিজুরি দিন-রাতি।
বরিখয়ে আরতি-পিরীতি॥
সুখ-পঙ্ক করি ক্ষিতিতলে।
প্রেম ফলাইল নানা ফলে॥
এক ফলে নব রস ঝরে।
আরতি কে কহিতে পারে॥
নাম গুণ কর্ম্ম চিন্তামণি।
কহে বাসু অদভুত বাণি॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
নদীয়া-আকাশে আসি উদিল গৌরাঙ্গশশী
ভণিতা বাসু
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন
“শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ (১ম সংস্করণ ১৯০২), ৩৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। এই পদে
গৌরাঙ্গের জন্ম-কালে ঘটে যাওয়া চন্দ্র গহণের কথা আছে, যা NASA-র রেকর্ডে সত্য বলে প্রমাণিত।

॥ কল্যাণ॥

নদীয়া-আকাশে আসি            উদিল গৌরাঙ্গশশী
ভাসিল সকলে কুতূহলে।
লাজেতে গগনশশী                মাখিল বদনে মসি
কাল পেয়ে গ্রহণের ছলে॥
বামাগণ উচ্চস্বরে                জয় জয় ধ্বনি করে
ঘরে ঘরে বাজে ঘণ্টা শাক।
দামামা দগড় কাঁসি               সানা ভেউড় বাঁশী
তুরী ভেরী আর জয়ঢাক॥
মিশ্র জগন্নাথ মন                     মহানন্দে নিমগণ
শচীর সুখের সীমা নাই।
দেখিয়া নিমাই-মুখ                    ভুলিলা প্রসবদুখ
অনিমিখে পুত্র-মুখ চাই॥
গ্রহণের অন্ধকারে              কেহ না চিহ্নয়ে কারে
দেব-নরে হৈল মিশামিশি।
নদীয়া-নাগরী সঙ্গে                দেবনারী আসি রঙ্গে
হেরিছে গৌরাঙ্গ-রূপরাশি॥
পুত্রের বদন দেখি                    জগন্নাথ মহাসুখী
করে দান দরিদ্র সকলে।
ভুবন আনন্দময়                     গৌরবিধু সমুদয়
বাসু কহে জীব-ভাগ্যফলে॥

ই পদটি ১৯৩৩ সালে প্রকাশিত, মহানামশুক নবদ্বীপচন্দ্র ঘোষ সম্পাদিত পদাবলী সংকলন
শ্রীশ্রীগৌরপদরত্নমালা, ৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ মায়ূর - তেওট॥

নদীয়া আকাশে আসি,           উদিল গৌরাঙ্গ শশী,
ভাসিল সকলে কুতূহলে।
লাজেতে গগন শশী,                মাখিল বদনে মসী,
কাল পেয়ে গ্রহণের ছলে॥
বামাগণ উচ্চস্বরে,                জয় জয় ধ্বনি করে,
ঘরে ঘরে বাজে ঘণ্টা শাক।
দামামা দগড় কাঁসি,              সানাই ভেঁউড় বাঁশী,
তুরী ভেরী আর জয় ঢাক॥
মিশ্র জগন্নাথ মন,                     মহানন্দে নিমগণ,
শচীর সুখের সীমা নাই।
দেখিয়া নিমাইর মুখ,                ভুলিলা প্রসব দুখ,
অনিমিখে পুত্রমুখ চাই॥
গ্রহণের অন্ধকারে,               কেহনা চিহ্নয়ে কারে,
দেব নরে হৈল মিশা মিশি।
নদীয়া নাগরী সঙ্গে,               দেবনারী আসি রঙ্গে,
হেরিছে গৌরাঙ্গ রূপরাশি॥
পুত্রের বদন দেখি,                   জগন্নাথ মহা সুখী,
করে দান দরিদ্র সকলে।
ভুবন আনন্দময়,                     গৌরবিধু সমুদয়,
বাসু কহে জীব ভাগ্য ফলে॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
পদাবলী”, ১৫১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীগৌরাঙ্গের আবির্ভাব
॥ কল্যাণ॥

নদীয়া আকাশে আসি            উদিল গৌরাঙ্গশশী
ভাসিল সকলে কুতূহলে।
লাজেতে গগনশশী                মাখিল বদনে মসী
কাল পেয়ে গ্রহণের ছলে॥
বামাগণ উচ্চস্বরে                জয় জয় ধ্বনি করে
ঘরে ঘরে বাজে ঘণ্টা শাঁখ।
দামামা দগড় কাঁসি               সানা ভেঁউড় বাঁশী
তুরী ভেরী আর জয়ঢাক॥
মিশ্র জগন্নাথ মন                    মহানন্দে নিমগণ
শচীর সুখের সীমা নাই।
দেখিয়া নিমাইমুখ                  ভুলিলা প্রসব দুখ
অনিমিখে পুত্রমুখ চাই॥
গ্রহণের অন্ধকারে             কেহ না চিহ্নয়ে কারে
দেব নরে হৈল মিশামিশি।
নদীয়া নাগরী সঙ্গে               দেবনারী আসি রঙ্গে
হেরিছে গৌরাঙ্গ রূপরাশি॥
পুত্রের বদন দেখি                    জগন্নাথ মহাসুখী
করে দান দরিদ্র সকলে।
ভুবন আনন্দময়                     গৌরবিধু সমুদয়
বাসু কহে জীবভাগ্যফলে॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি. কলা (বাংলা)
উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https://shodhganga.inflibnet.ac.in )
“বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের
পদাবলী সংকলন, ৫৩৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ কল্যাণ॥

নদীয়া আকাশে আসি           উদিল গৌরাঙ্গশশী
ভাসিল সকলে কুতূহলে।
লাজেতে গগনশশী                মাখিল বদনে মসী
কাল পেয়ে গ্রহণের ছলে॥
বামাগণ উচ্চস্বরে                জয় জয় ধ্বনি করে
ঘরে ঘরে বাজে ঘণ্টা শাঁক।
দামামা দগড় কাঁসি               সানাই ভেঁউড় বাঁশী
তুরী ভেরী আর জয়ঢাক॥
মিশ্র জগন্নাথ মন                    মহানন্দে নিমগণ
শচীর সুখের সীমা নাই।
দেখিয়া নিমাই মুখ                   ভুলিলা প্রসবদুখ
অনিমিখে পুত্র মুখ চাই॥
গ্রহণের অন্ধকারে              কেহ না চিহ্নয়ে কারে
দেব নরে হৈল মিশামিশি।
নদীয়া-নাগরী সঙ্গে                দেবনারী আসি রঙ্গে
হেরিছে গৌরাঙ্গ রূপরাশি॥
পুত্রের বদন দেখি                    জগন্নাথ মহাসুখী
করে দান দরিদ্র সকলে।
ভুবন আনন্দময়                      গৌরবিধু সমুদয়
বাসু কহে জীবভাগ্যফলে॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
চাঁচর চিকুর চূড়া চারু ভালে
চাচর চিকুর চারু ভালে
ভণিতা বাসুদেব
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি নরহরি চক্রবর্তী (ঘনশ্যাম) দ্বারা আনুমানিক ১৭২৫ সাল নাগাদ বিরচিত এবং  
৪২৬ গৌরাব্দে (১৯১৩ খৃষ্টাব্দ), রামদেব মিশ্র দ্বারা প্রকাশিত “ভক্তিরত্নাকর” গ্রন্থ, ৯৩৪-
পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ গীতে কামোদ॥

চাঁচর চিকুর চূড়া চারু ভালে। বেঢ়িয়াছে মালতীর মালে॥
তাহে দিয়া ময়ূরের পাখা। সপত্র সহিত ফুলশাখা॥ কসিত
কাঞ্চন জিনি অঙ্গ। কটি মাঝে বসন সুরঙ্গ॥ চন্দন তিলক
শোভে ভালে। আজানু লম্বিত বন মালে॥ নটবরবেশ
গোরাচাঁদ। রমণীগণের কিবা ফাঁদ॥ তা দেখিয়া বাসুদেব
কাঁদে। প্রাণ মোর থির নাহি বাঁধে॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ, ১০৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

চাচর চিকুর চারু ভালে।          বেঢ়িয়া মালতীর মালে॥
তাহে দিয়া ময়ূরের পাখা।         পত্রের সহিত ফুল শাখা॥
কষিল কাঞ্চন জিনি অঙ্গ।          কটি মাঝে বসন সুরঙ্গ॥
চন্দনতিলক শোভে ভালে।         আজানুলম্বিত বনমালে॥
নটবর বেশ গোরাচাঁদে।            রমণীকুলের কিবা ফাঁদে॥
তা দেখিয়া বাসুদেব কাঁদে।        প্রাণ মোর স্থির নাহি বাঁধে॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১৫৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

চাঁচর চিকুর চারু ভালে।
বেঢ়িয়া মালতীর মালে॥
তাহে দিয়া ময়ূরের পাখা।
পত্রের সহিত ফুলশাখা॥
কষিল কাঞ্চন জিনি অঙ্গ।
কটি মাঝে বসন সুরঙ্গ॥
চন্দনতিলক শোভে ভালে।
আজানু লম্বিত বনমালে॥
নটবর বেশ গোরাচাঁদ।
রমণীকুলের কিবা ফাঁদ॥
তা দেখিয়া বাসুদেব কাঁদে।
প্রাণ মোর স্থির নাহি বাঁধে॥

ই পদটি ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত, সতী ঘোষ সম্পাদিত “প্রত্যদর্শীর কাব্যে মহাপ্রভু
শ্রীচৈতন্য”, ৯৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

চাঁচর চিকুর চারু ভালে।
বেড়িয়া মালতীর মালে॥
তাহে দিয়া ময়ূরের পাখা।
সপত্র সহিত ফুল শাখা॥
কষিত কাঞ্চন জিনি অঙ্গ।
কটিমাঝে বসন সুরঙ্গ॥
চন্দন তিলক শোভে ভালে।
আজানুলম্বিত বনমালে॥
নটবর বেশ গোরাচাঁদ।
রমণী কুলের কিবা ফাঁদ॥
তা দেখিয়া বাসুদেব কান্দে।
প্রাণ মোর স্থির নাহি বান্ধে॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৬৮৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ কামোদ॥

চাঁচর চিকুর চুড়া চারু ভালে।
বেঢ়িয়াছে মালতীর মালে॥
তাহে দিয়া ময়ূরের পাখা।
সপত্র সহিত ফুলশাখা॥
কষিত কাঞ্চন জিনি অঙ্গ।
কটি মাঝে বসন সুরঙ্গ॥
চন্দন তিলক শোভে ভালে।
আজানুলম্বিত বনমালে॥
নটবরবেশ গোরাচাঁদ।
রমণীগণের কিবা ফাঁদ॥
তা’দেখিয়া বাসুদেব কাঁদে।
প্রাণ মোর থির নাহি বান্ধে॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
কি কহব রে সখি অপরূপ সাজ
কি হেরিনু আগো সই বিদগধরাজ
কি হেরিনু আগো মাই! বিদগধ-রাজ
ভণিতা বাসুদেব
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি দীনবন্ধু দাস দ্বারা ১৭৭১ সালে লিখিত, দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের সংগ্রহের পুথি
(সংকলনের সাল নিয়ে আমরা নিশ্চিত নই), ১৯২৯ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে
অমূল্যচরণ বিদ্যাভূষণ দ্বারা সম্পাদিত ও মুদ্রিত পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীসংকীর্ত্তনামৃত”,
১৬২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

অথ ভাবোল্লাসঃ।
তত্র গৌরচন্দ্রঃ।

কি কহব রে সখি অপরূপ সাজ।
ভকতকলপতরু নবদ্বীপ মাঝ॥
পিরিতির শাখা সব অনুরাগ পাত।
আরতি কুসুম তাহে জগত মোহিত॥
ভকত-চাতক পিক করে অভিলাষ।
উপজল বহু প্রেম না পূরল আশ॥
নিরমল প্রেমফল ফলে সর কাল।
এক ফলে নব রস গলএ রসাল॥
পদখঞ্জন খোজে ভকত-অলিকুলে।
কহে বাসু অদভুত অবনিমণ্ডলে॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ, ১০৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই বা দেশরাগ॥

কি হেরিনু আগো সই বিদগধরাজ।
ভকত কলপতরু নবদ্বীপ মাঝ॥
পীরিতির শাখা সব অনুরাগ পাতে।
কুসুম আরতি তাহে জগত মোহিতে॥
নিরমল প্রেমফল ফলে সর্ব্বকাল।
এক ফলে নব রস ঝরয়ে অপার॥
ভকত চাতক পীক শুক অলি হংস।
নিরবধি বিলসয়ে রস পরশংস॥
স্থির চর সুরনর যার ছায়া পৈসে।
বাসুদেব বঞ্চিত আপন কর্ম্মদোষে॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১৫৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীগৌরাঙ্গ অনুরাগে
॥ সুহই বা দেশরাগ॥

কি হেরিনু আগো সই বিদগধরাজ।
ভকত কলপতরু নবদ্বীপ মাঝ॥
পীরিতির শাখা সব অনুরাগ পাতে।
কুসুম আরতি তাহে জগত মোহিতে॥
নিরমল প্রেমফল ফলে সর্ব্বকাল।
এক ফলে নব রস ঝরয়ে অপার॥
ভকত চাতক পিক শুক অলি হংস।
নিরবধি বিলসয়ে রস পরশংস॥
স্থির চর সুরনর যার ছায়ায় পৈসে।
বাসুদেব বঞ্চিত আপন কর্ম্মদোষে॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৫২০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই দেশাগ॥

কি হেরিনু আগো মাই! বিদগধ-রাজ।
ভকত-কলপতরু নবদ্বিপ মাঝ॥
পিরীতের শাখা সব অনুরাগ পাতে।
কুসুম আরতি তাহে জগত মোহিতে॥
নিরমল প্রেমফল ফলে সর্বকাল।
একফলে নব রস ঝরয়ে অপার॥
ভকত চাতক পিক শুক অলিহংস।
নিরবধি বিলসয়ে রস পরশংস॥
স্থির চর সুর নর যার ছায়া পোষে।
বাসুদেব বঞ্চিত আপন কর্ম্মদোষে॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
গোরারূপ লাগিল মরমে
গোরারূপ লাগিল নয়নে
ভণিতা বাসুদেব / বাসু ঘোষ
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি নরহরি চক্রবর্তী (ঘনশ্যাম) দ্বারা আনুমানিক ১৭২৫ সালে সংকলিত
ও বিরোচিত এবং ৪৬২  গৌরাব্দে (১৯৪৯), হরিদাস দাস দ্বারা সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “শ্রীশ্রীগীতচন্দ্রোদয় (পূর্বরাগ)”, ৭৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ পুনঃ তোড়ী॥

গোরারূপ লাগিল মরমে। কিবা নিশি কিবা দিশি শয়নে-স্বপনে॥ ধ্রু॥
যে দিকে পড়য়ে দিঠি সেই দিকে দেখি। পিছলিতে করি সাধ না পিছলে আঁখি।
কি খেণে দেখিলু গোরা কিবা মোর হ’ল। নিরবধি গোরারূপ নয়ানে লাগিল॥
চিত নিবারিতে চাহি নহে নিবারণ। বাসুদেব রহে গোরা রমণীমোহন।

ই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল),
২য়খণ্ড,৩য় শাখা, ১১শপল্লব ,আক্ষেপানুরাগ, ৮৯৯-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ শ্রীরাগ॥

গোরা-রূপ লাগিল নয়নে।
কিবা নিশি কিবা দিশি শয়নে স্বপনে॥
যে দিগে ফিরাই আঁখি সেই দিগে দেখি।
পিছলিতে করি সাধ না পিছলে আঁখি॥
কি খেণে দেখিলাম গোরা কি না মোর হৈল।
নিরবধি গোরা-রূপ মরমে লাগিল॥
চিত নিবারিতে চাহি নহে নিরারণ।
বাসুঘোষে বলে গোরা রমণী-মোহন॥

ই পদটি দীনবন্ধু দাস দ্বারা ১৭৭১ সালে লিখিত, দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের
সংগ্রহের পুথি (সংকলনের সাল নিয়ে আমরা নিশ্চিত নই), ১৯২৯ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য
পরিষদ থেকে অমূল্যচরণ বিদ্যাভূষণ দ্বারা সম্পাদিত ও মুদ্রিত পদাবলী সংকলন  
“শ্রীশ্রীসংকীর্ত্তনামৃত”, ১২০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ পঠমঞ্জরী॥

গোরা রূপ লাগিল মরমে।
কিবা নিশি কিবা দিশি শয়নে স্বপনে॥
যে দিগে পড়এ আখি সেই দিগে দেখি।
পিছলিতে করি সাধ না পিছলে আখি।
কি খেনে দেখিলাম গোরা কি না মোর হল্য।
নিরবধি গোরারূপ মরমে রহিল॥
চিত নিবারিতে চাহি নহে নিবারণ।
বাসু ঘোষ কহে গোরা রমণীমোহন।

ই পদটি দ্বিজ মাধব সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতীর
গ্রন্থশালার ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, ৬৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তত অনুরাগ শ্রীমহাপ্রভু॥

গোরা রূপ লাগিল নয়ানে। কিবা নিশি কিবা দিশি সয়ান সপনে॥
জি দিখে ফিরাই আঁখি সেই দিগে দেখি। পিছুনি করিতে সাধ না পিছলে আঁখি।
কি খেনে দেখিলাম গোরা কি না মোর হইল। নিরবধি গোরারূপ মরমে লাগিল॥
চিত নিবারিতে চাহি নহে নিবারণ। বাসু ঘোষ কহে গোরা রমণীমোহন।

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ (১ম সংস্করণ ১৯০২), ১০৯-পৃষ্ঠায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ শ্রীরাগ॥

গোরারূপ লাগিল নয়নে।
কিবা নিশি কিবা দিশি শয়নে স্বপনে॥
যে দিকে ফিরাই আঁখি সেই দিক দেখি।
পিছলিতে করি সাধ না পিছলে আঁখি।
কি ক্ষণে দেখিলাম গোরা কি না মোর হৈল।
নিরবধি গোরারূপ নয়নে লাগিল॥
চিত নিবারিতে চাহি নহে নিবারণ।
বাসু ঘোষ বলে গোরা রমণীমোহন।

ই পদটি ১৯১০ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত
মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ১ম খণ্ড, ৫০৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

রূপানুরাগ
শ্রীগৌরচন্দ্র।
॥ সুহই - দশকুশী॥

গোরা-রূপ লাগিল নয়নে।
কিবা নিশি কিবা দিশি শয়নে স্বপনে॥
যে দিকে ফিরাই আঁখি সেই দিক দেখি।
পিছলিতে করি সাধ না পিছলে আঁখি।
কি খেনে দেখিলাম গোরা কি না মোর হইল।
নিরবধি গোরারূপ নয়নে লাগিল॥
চিত নিবারিতে চাহি নহে নিবারণ।
বাসু ঘোষ কহে গোরা রমণীমোহন।

ই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত “পদামৃত লহরী”,
১০৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

উত্কণ্ঠিতা
গৌরচন্দ্র
॥ শ্রীরাগ - তাল মধ্যম দশকুশি॥

গোরারূপ লাগিল নয়নে। কিবা নিশি কিবা দিশি শয়নে
স্বপনে॥ যে দিকে ফিরাই আঁখি সেইদিকে দেখি। পিছলিতে
করি সাধ না পিছলে আঁখি॥ কি ক্ষণে দেখিলাম গোরা কিনা
মোর হইল। নিরবধি গোরারূপ নয়নে লাগিল॥ চিত নিবারিতে
চাহি নহে নিবারণ। বাসু ঘোষ কহে গোরা রমণী মোহন॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১৫৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীগৌরাঙ্গ অনুরাগে
॥ শ্রীরাগ॥

গোরারূপ লাগিল নয়নে।
কিবা নিশি কিবা দিশি শয়নে স্বপনে॥
যে দিকে ফিরাই আঁখি সেই দিক দেখি।
পিছলিতে করি সাধ না পিছলে আঁখি।
কি ক্ষণে দেখিলাম গোরা কি না মোর হৈল।
নিরবধি গোরারূপ নয়নে লাগিল॥
চিত নিবারিতে চাহি নহে নিবারণ।
বাসু ঘোষ বলে গোরা রমণীমোহন।

ই পদটি ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত, সতী ঘোষ সম্পাদিত “প্রত্যদর্শীর কাব্যে মহাপ্রভু
শ্রীচৈতন্য”, ৯৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

গোরারূপ লাগিল নয়নে।
কিবা নিশি কিবা দিশি শয়নে স্বপনে॥
যেদিগে পড়য়ে আঁখি
সেইদিগে গোরা দেখি।
পিছলিতে করি সাধ
.                না পিছলে আঁখি॥
কি ক্ষণে দেখিনু গোরা
.                কিবা মোর হৈল।
নিরবধি গোরারূপ মরমে লাগিল॥
চিত নিবারিতে চাহি
.                নহে নিবারণ।
বাসুঘোষ কহে গোরা
.                রমণী মোহন॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৭০৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তুড়ী॥

গোরারূপ লাগিল মরমে।
কিবা নিশি কিবা দিশি শয়নে স্বপনে॥
যে দিকে পড়য়ে দিঠি সেই দিগে দেখি।
পিছলিতে করি সাধ না পিছলে আঁখি।
কি খেনে দেখিলু গোরা কিবা মোর হ’ল।
নিরবধি গোরারূপ নয়ানে সাগিল॥
চিত নিবারিতে চাহি নহে নিবারণ।
বাসুদেব কহে গোরা রমণীমোহন।

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
সজনি লো গোরারূপ জনু কাঁচা সোণা
ভণিতা বাসু
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ, ১০৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

সজনি লো গোরারূপ জনু কাঁচা সোণা।
দেখিতে নারীর মন ঘরেতে টিকে না॥
বাঁকা ভুরু বাঁকা নয়ন চাহনিতে যায় চেনা।
ও রূপে মন দিলে সই কুলমান থাকে না॥
নয়নে লেগেছে রূপ না যায় পাশরা।
যেদিকে চাই দেখিতে পাই শুধুই সেই গোরা॥
চিন চিন লাগে কিন্তু চিন্ তে না যায় পারা।
বাসু কহে নাগরি ঐ গোপীর মনচোরা॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১৫৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীগৌরাঙ্গ অনুরাগে
॥ সুহই॥

সজনি লো গোরারূপ জনু কাঁচা সোনা।
দেখিয়া যুবতী ত্যজে ঘরের বাসনা॥
বাঁকা ভুরু বাঁকা আঁখি চেনা সে চাহনি।
ও রূপে নয়ন দিলে হরে মান মণি॥
নয়নে লেগেছে রূপ না যায় পাশরা।
যেদিকে চাই দেখিতে পাই শুধুই সেই গোরা॥
চিন চিন লাগে কিন্তু চিনিতে না যায় পারা।
বাসু কহে নাগরি ঐ গোপীর মনচোরা॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৭৭৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
চিত্রা রায় পদটিকে “সন্দিগ্ধ পদ” হিসেবে রেখেছেন।

॥ সুহই॥

সজনি লো গোরারূপ জনু কাঁচা সোনা।
দেখিতে নারীর মন ঘরেতে টেঁকেনা॥
বাঁকা ভুরু বাঁকা নয়ন চাহনিতে যায় চেনা।
ও রূপে মন দিলে সই কুলমান থাকে না॥
নয়নে লেগেছে রূপ না যায় পাশরা।
যেদিকে চাই দেখিতে পাই শুধুই সেই গোরা॥
চিন্ চিন্ লাগে কিন্তু চিনতে না যায় পারা।
বাসু কহে নাগরি ঐ গোপীর মনচোরা॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
নিশিপরভাতে বসি আঙ্গিনাতে বিরস বদনখানি
ভণিতা বাসু ঘোষ
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি ১৮৪৯ সালে প্রকাশিত গৌরমোহন দাস সংকলিত পদাবলী সংকলন “পদকল্পলতিকা”,
৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া দেওয়া রয়েছে।

॥ বিভাস॥

নিশি পরভাতে বসি আঙ্গিনাতে বিরস বদন
খানি। গৌরাঙ্গ চাঁদের হেন ব্যবহার এমতি কভু না জানি॥
সই এমতি করিল কে। গোরা গুণনিধি বিধির অবধি তাহারে
পাইল সে॥ ধ্রু॥ কস্তুরি চন্দন করি ঘরিষণ গাথিয়া ফুলের
মালা। বিচিত্র পালঙ্কে, শেজ বিছাইনু শুইবে শচির বালা॥
হেদে গো সজনী সকল রজনী জাগিয়া পোহাল বসি।
তিলে তিনবার দণ্ডে শতবার মন্দিরে বাহিরে আসি॥ বাসু
ঘোষ বলে গৌরাঙ্গ আইলে এখনি কহিব তারে। হেথা না
আয়ল রজনী বঞ্চল আছিল কাহার ঘরে॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন
“শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ, ১০৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বিভাস-দশকুশি॥

নিশিপরভাতে, বসি আঙ্গিনাতে, বিরস বদনখানি।
গৌরাঙ্গচাঁদের হেন ব্যবহার, এমতি কভু না জানি॥
সই এমতি করিল কে?
গোরা গুণনিধি, বিধির অবিধি, তাহারে পাইল সে॥ ধ্রু॥
কস্তুরি চন্দন, করি বরিষণ, গাঁথিয়া ফুলের মালা।
বিচিত্র পালঙ্কে, শেজ বিছাইনু, শুইবে শচীর বালা॥
হে দে গো সজনি, সকল রজনী, জাগিয়া পোহাল বসি।
তিলে তিনবার, দণ্ডে শতবার, মন্দির বাহিরে আসি॥
বাসু ঘোষ বলে, গৌরাঙ্গ আইলে, এখনি কহিব তাহে।
হেথা না আয়ল, রজনী বঞ্চল, আছিল কাহার ঘরে॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
পদাবলী”, ১৬০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

খণ্ডিতা
॥ বিভাস-দশকোশি॥

নিশিপরভাতে                        
বসি আঙ্গিনাতে                        
বিরস বদনখানি।
গৌরাঙ্গচাঁদের                        
হেন ব্যবহার                        
এমতি কভু না জানি॥                
সই এমতি করিল কে।                
গোরা গুণনিধি                        
বিধির অবিধি                        
তাহারে পাইল সে॥ ধ্রু॥
কস্তুরি চন্দন                        
করি বরিষণ                        
গাঁথিয়া ফুলের মালা।
বিচিত্র পালঙ্কে                        
শেজ বিছাইনু                        
শুইবে শচীর বালা॥
হে দে গো সজনি                
সকল রজনী                        
জাগিয়া পোহালুঁ বসি।
তিলে তিনবার                        
দণ্ডে শতবার                        
মন্দির বাহিরে আসি॥
বাসু ঘোষ বলে                        
গৌরাঙ্গ আইলে                        
এখনি কহিব তারে।
হেথা না আয়ল                        
রজনী বঞ্চল                        
আছিল কাহার ঘরে॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি. কলা (বাংলা)
উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ ( সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https://shodhganga.inflibnet.ac.in )
“বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের
পদাবলী সংকলন, ৭৩০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বিভাস - দশকুশি॥

নিশি পরভাতে                         বসি আঙ্গিনাতে
বিরস বদন খানি।
গৌরাঙ্গচাঁদের                             হেন ব্যবহার
এমতি কভু না জানি॥
সই এমতি করিল কে?
গোরা গুণনিধি                           বিধির অবধি
তাহারে পাইল সে॥ ধ্রু॥
কস্তুরি চন্দন                              করি বরিষণ
গাঁথিয়া ফুলের মালা।
বিচিত্র পালঙ্কে                          শেজ বিছাইনু
শুইবে শচীর বালা॥
হেদেগো সজনি                           সকল রজনী
জাগিয়া পোহাল বসি।
তিলে তিনবার                           দণ্ডে শতবার
মন্দির বাহিরে আসি॥
বাসু ঘোষ বলে                        গৌরাঙ্গ আইলে
এখনি কহিব তাহে।
হেথা না আয়ল                            রজনী বঞ্চল
আছিল কাহার ঘরে॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
সো বহুবল্লভ গোরা জগতের মনচোরা
সে বহুবল্লভ গোরা জগতের মনচোরা
ভণিতা বাসুদেব ঘোষ
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন
“শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ, ১১০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বিভাস॥

সো বহুবল্লভ গোরা                        জগতের মনচোরা।
তবে কেন আমার করিতে চাই একা।
হেন ধন অন্যে দিতে                      পারে বল কার চিতে
ভাগাভাগি নাহি যায় দেখা॥
সজনি লো মনের মরম কই তোরে।
না হেরি গৌরাঙ্গ-মুখ                        বিদরিয়া যায় বুক
কে চুরি করিল মনচোরে॥ ধ্রু॥
লও কুল লও মান                           লও শীল লও প্রাণ
লও মোর জীবন যৌবন।
দেও মোরে গোরানিধি                      যাহে চাহি নিরবধি
সেই মোর সরবস ধন॥
ন তু সুরধুনীনীরে                          পশিয়া তেজিব প্রাণ
পরাণের পরাণ মোর গোরা।
বাসুদেব ঘোষে কয়                           সে ধন দিবার নয়
দণ্ডে দণ্ডে তিলে হই হারা॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
পদাবলী”, ১৬৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

আক্ষেপানুরাগ
॥ বিভাস॥

সে বহুবল্লভ গোরা                        জগতের মনচোরা
আমার করিতে চাই একা।
হেন ধন অন্যে দিতে                    পারে বল কার চিতে
ভাগাভাগি নাহি যায় দেখা॥
সজনি লো মনের মরম কই তোরে।
না হেরি গৌরাঙ্গমুখ                       বিদরিয়া যায় বুক
কে চুরি করিল মনচোরে॥ ধ্রু॥
লও কুল লও মান                         লও শীল লও প্রাণ
লও মোর জীবন যৌবন।
দেও মোরে গোরানিধি                    যাহে চাহি নিরবধি
সেই মোর সরবস ধন॥
ন তু সুরধুনীনীরে                        পশিয়া তেজিব প্রাণ
পরাণের পরাণ মোর গোরা।
বাসুদেব ঘোষে কয়                        সে ধন দিবার নয়
দণ্ডে দণ্ডে তিলে হই হারা॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি. কলা (বাংলা)
উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https://shodhganga.inflibnet.ac.in )
“বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের
পদাবলী সংকলন, ৭৭৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। চিত্রা রায় পদটিকে “সন্দিগ্ধ পদ” হিসেবে রেখেছেন


॥ বিভাস॥

সো বহুবল্লভ গোরা                        জগতের মনচোরা।
তবে কেন আমার করিতে চাই একা।
হেন ধন অন্যে দিতে                      পারে বল কার চিতে
ভাগাভাগি নাহি যায় দেখা॥
সজনি লো মনের মরম কই তোরে।
না হেরি গৌরাঙ্গ-মুখ                        বিদরিয়া যায় বুক
কে চুরি করিল মনচোরে॥ ধ্রু॥
লও কুল লও মান                          লও শীল লও প্রাণ
লও মোর জীবন যৌবন।
দেও মোরে গোরানিধি                     যাহে চাহি নিরবধি
সেই মোর সরবস ধন॥
নতু সুরধুনীতিরে                        পশিয়া তেজিব প্রাণ
পরাণের পরাণ মোর গোরা।
বাসুদেব ঘোষে কয়                        সে ধন দিবার নয়
দণ্ডে দণ্ডে তিলে হই হারা॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
আজু মুই কি পেখিলুঁ গোরা নটরায়
আজু মুঞি কি পেখনু গোরা নটরায়
আজু মুই কি দেখিলুঁ গোরা নটরায়
ভণিতা বাসুদেব ঘোষ
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি নরহরি চক্রবর্তী (ঘনশ্যাম) দ্বারা আনুমানিক ১৭২৫ সালে সংকলিত
ও বিরোচিত এবং ৪৬২  গৌরাব্দে (১৯৪৯), হরিদাস দাস দ্বারা সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “শ্রীশ্রীগীতচন্দ্রোদয় (পূর্বরাগ)”, ৭২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ পুনঃ সুহই॥

আজু মুই কি পেখিলুঁ গোরা নটরায়। অসীম মহিমা গোরার কহনে না যায়॥
কেমনে গড়ল বিধি কত রস দিয়া। ঢরঢর গোরাতনু কাঞ্চন জিনিয়া॥
কত কত চাঁদ জিনি বদনকমল। রমণীর চিত্ত হরে নয়নযুগল॥
বাসুদেব ঘোষ কহে হইয়া বিভোর। সুরধুনীতীরে গোরা করিল উজোর॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ, ১১০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

আজু মুই কি দেখিলুঁ গোরা নটরায়।
অসীম মহিমা গোরার কহনে না যায়॥
কেমনে গঢ়ল বিধি কত রস দিয়া।
ঢল ঢল গোরাতনু কাঞ্চন জিনিয়া॥
কত শত চাঁদ জিনি বদনকমল।
রমণীর চিত হরে নয়ন যুগল॥
বাসুদেব ঘোষ কহে হইয়া বিভোর।
সুরধুনীতীরে গোরাচাঁদ উজোর॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১৫৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

আজু মুই কি দেখিলুঁ গোরা নটরায়।
অসীম মহিমা গোরার কহনে না যায়॥
কেমনে গঢ়ল বিধি কত রস দিয়া।
ঢল ঢল গোরাতনু কাঞ্চন জিনিয়া॥
কত শত চাঁদ জিনি বদনকমল।
রমণীর চিত হরে নয়ন যুগল॥
বাসুদেব ঘোষ কহে হইয়া বিভোর।
সুরধুনীতীরে গোরাচাঁদ উজোর॥

ই পদটি ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত, সতী ঘোষ সম্পাদিত “প্রত্যদর্শীর কাব্যে মহাপ্রভু
শ্রীচৈতন্য”, ৯৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

আজু মুঞি কি পেখনু গোরা নটরায়।
অসীম মহিমা গোরার কহনে না যায়॥
কেমনে গঢ়ল বিধি কত রস দিয়া।
ঢলঢল গোরা তনু কাঞ্চন জিনিয়া॥
কত চাঁদ জিনি গোরার বদন কমল।
রমণীর চিত হরে নয়ন যূগল॥
বাসুদেব ঘোষ কহে হৈয়া বিভোর।
সুরধুনী তীর গোরা করিল উজোর॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৭০০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

সুহই॥

আজু মুই কি পেখিলু গোরা নটরায়।
অসীম মহিমা গোরার কহনে না জায়॥
কেমনে গড়ল বিধি কত রস দিয়া।
ঢর ঢর গোরাতনু কাঞ্চন জিনিয়া॥
কত কত চাঁদ জিনি বদন কমল।
রমণীর চিত্ত হরে নয়ন যুগল॥
বাসুদেব ঘোষ কহে হইয়া বিভোর।
সুরধুনী তীরে গোরা করিল উজোর॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
নিরবধি গোরারূপ দেখি
ভণিতা বাসু
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ, ১১০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

নিরবধি গোরারূপ দেখি।        নিঝরে ঝরয়ে দুটী আঁখি॥
কি কহব কি হবে উপায়।        প্রাণ মোর ধরণে না যায়॥
নিশি দিশি কিছুই না জানি।        মরমে লাগিল দ্বিজমণি॥
না দেখিয়া গোরাচাঁদ মুখ।        কহে বাসু বিদরয়ে বুক॥

ই পদটি ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত
মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ২য় খণ্ড, ৭৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

রূপানুরাগ
শ্রীগৌরচন্দ্র।
॥ সুহই - দশকুশী॥

নিরবধি গোরারূপ দেখি।
নিঝরে ঝরয়ে দুটি আঁখি॥
কি করিব কি হবে উপায়।
প্রাণ মোর ধরণে না যায়॥
নিশি দিশি কি হইল না জানি।
মরমে লেগেছে দ্বিজমণি॥
না দেখিয়া গোরা-চাঁদমুখ।
কহে বাসু বিদরয়ে বুক॥

ই পদটি ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত, সতী ঘোষ সম্পাদিত “প্রত্যদর্শীর কাব্যে মহাপ্রভু
শ্রীচৈতন্য”, ৯৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

নিরবধি গোরারূপ দেখি।
.        নিঝরে ঝরয়ে দুটী আঁখি॥
কি করিব কি হবে উপায়।
.        প্রাণ মোর ধরণে না জায়॥
নিশি দিশি কিছুই না জানি।
.        মরমে লাগিল দ্বিজমণি॥
না দেখিয়া গোরা চাঁদ মুখ।
কহে বাসু বিদরয়ে বুক॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৬৯৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

নিরবধি গোরারূপ দেখি।
নিঝরে ঝরয়ে দুটি আঁখি॥
কি কহব কি হবে উপায়।
প্রাণ মোর ধরণে না জায়॥
নিশি দিশি কিছুই না জানি।
মরমে লাগিল দ্বিজমণি॥
না দেখিয়া গোরাচাঁদ মুখ।
কহে বাসু বিদরয়ে বুক॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর