কবি বাসুদেব ঘোষ এর বৈষ্ণব পদাবলী
ঝুলত গোরাচাঁদ সুন্দর রঙ্গিয়া
ভণিতা বাসু ঘোষ
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ, ২০৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

ঝুলত গোরাচাঁদ সুন্দর রঙ্গিয়া।
প্রেমভরে হৈয়া ডগমগিয়া॥
রাধার ভাবেতে ধারা বয়ানেতে ভাসে।
ভাব বুঝি গদাধর ঝুলে বাম পাশে॥
মুরলী বলিয়া চাহে বদন হেরিয়া।
বাসু ঘোষ গায় গোরাগুণ সোঙরিয়া॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১৬৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

ঝুলনলীলা
॥ ধানশী॥

ঝুলত গোরাচাঁদ সুন্দর রঙ্গিয়া।
প্রেমভরে হৈয়া ডগমগিয়া॥
রাধার ভাবেতে ধারা বয়ানেতে ভাসে।
ভাব বুঝি গদাধর ঝুলে বাম পাশে॥
মুরলী বলিয়া চাহে বদন হেরিয়া।
বাসু ঘোষ গায় গোরাগুণ সোঙরিয়া॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৫৮১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

ঝুলত গোরাচাঁদ সুন্দর রঙ্গিয়া।
প্রেমভরে হৈয়া ডগমগিয়া॥
রাধার ভাবেতে ধারা বয়ানেতে ভাসে।
ভাব বুঝি গদাধর ঝুলে বাম পাশে॥
মুরলী বলিয়া চাহে বদন হেরিয়া।
বাসুঘোষ গায় গোরাগুণ সোঙরিয়া॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
বৃন্দাবনের ভাবে গোরা ফিরায় পাঁচনি
ভণিতা বাসুদেব ঘোষ
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ, ২১২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

বৃন্দাবনের ভাবে গোরা ফিরায় পাঁচনি।
আবা আবা রবে ডাকে গোরা গুণমণি॥
ভাবিছেন গোরাচাঁদ সেই ভাবাবেশে।
বৃন্দাবনের ভাবে গোরার হইল আবেশে॥
শচী প্রতি কহে মালিনী চল দেখিবারে।
বিপিনে যাইবে গোরা গোষ্ঠ করিবারে॥
শ্রীবাসের ব্রাহ্মণী ধাইয়া চলিল।
বাসুদেব ঘোষ কহে যাইতে হইল॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১৬৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

গোষ্ঠলীলা
॥ ধানশী॥

বৃন্দাবনের ভাবে গোরা ফিরায় পাঁচনি।
আবা আবা রবে ডাকে গোরা গুণমণি॥
ডাকিছেন গোরাচাঁদ সেই ভাবাবেশে।
বৃন্দাবনের ভাবে গোরার হইল আবেশে॥
শচী প্রতি কহে চল যাই দেখিবারে।
বিপিনে যাইবে গোরা গোষ্ঠ করিবারে॥
শ্রীবাসের ব্রাহ্মণী ধাইয়া চলিল।
বাসুদেব ঘোষ কহে যাইতে হইল॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৫৭৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

বৃন্দাবনের ভাবে গোরা ফিরায় পাঁচনি।
আবা আবা রবে ডাকে গোরা গুণমণি॥
ভাবিছেন গোরাচাঁদ সেই ভাবাবেশে।
বৃন্দাবনের ভাবে গোরার হইল আবেশে॥
শচী প্রতি কহে চল যাই দেখিবারে।
বিপিনে যাইবে গোরা গোষ্ঠ করিবারে॥
শ্রীবাসের ব্রাহ্মণী ধাইয়া চলিল।
বাসুদেব ঘোষ কহে যাইতে হইল॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
অভিরাম ডাকে দ্বারেতে আরে রে গৌর যাবি খেলাতে
ভণিতা বাসু
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ, ২১২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ললিত॥

অভিরাম ডাকে দ্বারেতে আরে রে গৌর যাবি খেলাতে।
গৌরব করে বৈসে আছ শচী মায়ের কোলেতে॥
ব্রজের খেলা গোচারণ      নৈদার খেলা সংকীর্তন
.                যাতে মত্ত শিশুগণ।
হারে রে রে জানা যাবে, যেয়ে সুরধুনীর তীরেতে।
সময়ে অসময় হলো         গোঠে যাওয়ার সময় গেল
.                গৌর যাবি কিনা বল।
অভিমানে বৈসে আছ শচী মায়ের কোলেতে॥
শুনে অভিরামের কথা       কহিছেন শচী মাতা
.                তোরা যাবি রে কোথা।
গোঠে যাবে গোরাচাঁদ, বাসু যায় নিয়া ছাতা॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৭৬৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
চিত্রা রায় পদটিকে “সন্দিগ্ধ পদ” হিসেবে রেখেছেন।

॥ ললিত॥

অভিরাম ডাকে দ্বারেতে, আরে রে গৌর যাবি খেলাতে।
গৌরব করে বৈসে আছ শচীমায়ের কোলেতে॥
ব্রজের খেলা গোচারণ              নৈদার খেলা সংকীর্ত্তন
.                যাতে মত্ত শিশুগণ।
হারে রে রে জানা যাবে, যেয়ে সুরধুনীর তীরেতে।
সময়ে অসময় হোল                 গোঠে যাওয়ার সময় গেল
.                গৌর যাবি কিনা বল।
অভিমানে বৈসে আছ শচীমায়ের কোলেতে॥
শুনে অভিরামের কথা               কহিছেন শচিমাতা
.                তোরা যাবিরে কোথা।
গোঠে যাবে গোরাচাঁদ                বাসু যায় নিয়া ছাতা॥

.                      ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
আজু রে কনকাচল নীলাচলে গোরা
ভণিতা বাসুদেব ঘোষে
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ, ২১৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তুড়ী॥

আজু রে কনকাচল নীলাচলে গোরা।
গোবিন্দের সঙ্গে ফাগুরঙ্গে ভেল ভোরা॥
কণ্ঠে লোহিত দোলে বকুলকি মাল।
অরুণ ভকতগণ গাওয়ে রসাল॥
কত কত ভাব উঠে বিথারল অঙ্গ।
নয়ন ঢুলু ঢুলু প্রেমতরঙ্গ॥
গদাধরে হেরিয়া লহু লহু হাসে।
সো নাহি সমুঝল বাসুদেব ঘোষে॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১৭২-পৃষ্ঠায় ভণিতায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

নীলাচলে শ্রীগৌরাঙ্গ
॥ তুড়ী॥

আজু রে কনকাচল নীলাচলে গোরা।
গোবিন্দের সঙ্গে ফাগুরঙ্গে ভেল ভোরা॥
কণ্ঠে লোহিত দোলে বকুলকি মাল।
অরুণ ভকতগণ গাওয়ে রসাল॥
কত কত ভাব বিথারল অঙ্গ।
দুনয়ন ঢুলু ঢুলু প্রেমতরঙ্গ॥
গদাধরে হেরিয়া লহু লহু হাসে।
সো নাহি সমুঝল বাসুদেব ঘোষে॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৭৬৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
চিত্রা রায় পদটিকে “সন্দিগ্ধ পদ” হিসেবে রেখেছেন।

॥ তুড়ী॥

আজুরে কনকাচল নীলাচলে গোরা।
গোবিন্দের সঙ্গে ফাগুরঙ্গে ভেল ভোরা॥
কণ্ঠে লোহিত দোলে বকুলকি মাল।
অরুণ ভকতগণ গাওয়ে রসাল॥
কত কত ভাব উঠে বিথারল অঙ্গ।
নয়ন ঢুলু ঢুলু প্রেমতরঙ্গ॥
গদাধরে হেরিয়া লহু লহু হাসে।
সো নাহি সমুঝল বাসুদেব ঘোষে॥

.           ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
উঠ উঠ গোরাচাঁদ নিশি পোহাইল
উঠ উঠ গোরাচান্দ নিশি পোহাইল
ভণিতা বাসু ঘোষ / বাসুদেব  ঘোষ
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি আনুমানিক ১৭২৫ সালে, রাধামোহন ঠাকুর (রাধামোহন দাস) দ্বারা সংকলিত ও
বিরচিত এবং ১৮৭৮ সালে, রামনারায়ণ বিদ্যারত্ন দ্বারা সম্পাদিত বৈষ্ণব
পদাবলী সংকলন “পদামৃত সমুদ্র”, ৪০১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

অখ নিত্য লীলা।
তত্রৈব জাগরণ প্রকার তদ্গানোচিত
গৌরচন্দ্রো যথা॥
॥ রাম কিরীরাগ নিঃসারক তালৌ॥

.        উঠ উঠ গোরাচান্দ নিশি  পোহাইল।  নগরের লোক
সব  উঠিয়া  বসিল॥  ময়ূর  ময়ূরী  রব  কোকিলের  ধ্বনি।
কত সুখে নিদ্রা হয় যায় গোরামণি॥ অরুণ উদয় ভেল কমল
প্রকাশ।  তেজল  মধুকর  কুমুদিনী  পাশ॥  করজোর  করি
বোলে  বাসুদেব  ঘোষে।  কত  নিদ্রা  যায়  গোরা  প্রেমের
আলসে॥

ই পদটি দীনবন্ধু দাস দ্বারা ১৭৭১ সালে লিখিত, দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের
সংগ্রহের পুথি (সংকলনের সাল নিয়ে আমরা নিশ্চিত নই), ১৯২৯ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য
পরিষদ থেকে অমূল্যচরণ বিদ্যাভূষণ দ্বারা সম্পাদিত ও মুদ্রিত পদাবলী সংকলন
“শ্রীশ্রীসংকীর্ত্তনামৃত”, ৪৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

অথ প্রাতঃ শয্যোত্থানাদিঃ।
তত্র গৌরচন্দ্রঃ।
॥ রামকেলি রাগ॥

উঠ উঠ গোরাচান্দ নিশি পোহাইল।
নগরের লোক সব উঠিঞা বসিল॥
ময়ুর ময়ুরী-রব কোকিলের ধ্বনি।
কত সুখে নিদ্রা যাও ওহে গোরা দ্বিজমণি॥
অরুণ উদয় ভেল কমল প্রকাশ।
শশধর তেজল কুমুদিনীবাস॥
বাসুদেব ঘোষ কহে মনের হরিষে।
কত নিদ্রা যাও গোরা প্রেমের অলসে॥

ই পদটি দ্বিজ মাধব সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতীর
গ্রন্থশালার ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, ৭২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তত ভাবাঢ্য গৌরচন্দ জাগ্রত পূর্ব্বরাগ॥

উঠ উঠ গোরাচাঁন্দ নিশি পোহাইল। নগরের লোক সব উঠিয়া বসিল॥
মউর মউরি রব কোকিলের ধ্বনি। কত সুখে নিদ্রা জায় গোরা দ্বিজ গুণমণি॥ অরুণ উদয়
ভেল কমল প্রকাশ। তেজল মধুকর কুমুদিনী পাশ॥
করজোর করি বোলে বাসুদেব ঘোষ। কত নিদ্রা জায় গোরা প্রেমের আলস॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ (১ম সংস্করণ ১৯০২), ২২৩-পৃষ্ঠায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

উঠ উঠ গোরাচাঁদ নিশি পোহাইল।
নদীয়ার লোক সব জাগিয়া উঠিল॥
কোকিলার কুহুরব সুললিত ধ্বনি।
কত নিদ্রা যাও ওহে গোরা গুণমণি॥
অরুণ উদয় ভেল কমল প্রকাশ।
শশধর তেজল কুমুদিনীবাস॥
বাসুদেব ঘোষ কহে মনের হরিষে।
কত নিদ্রা যাও গোরা প্রেমের অলসে॥

ই পদটি ১৯৩০ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী নিত্যস্বরূপ সম্পাদিত, শ্রীহরি সাধক-কণ্ঠহার
পদ-সংকলন, ৩৩৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

উত্থান আরতি।

উঠ উঠ গোরাচাঁদ নিশি পোহাইল।
নদীয়ার লোক সব জাগিয়া বৈঠল॥
ময়ুর ময়ুরী রব কোকিলের ধ্বনি।
কত সুখে নিদ্রা যাও হে গৌরগুণমণি॥
অরুণ উদয় ভেল কমল প্রকাশে।
মধুকর তেজল কুমুদিনী পাশে॥
করযোড় করি কহে বাসুদেব ঘোষে।
কত নিদ্রা যাওহে গৌর ত্যজহ আলিসে॥

ই পদটি ১৯৩২ সালে প্রকাশিত, ব্রজমোহন দাস সংকলিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
সেবা আরতি ও কীর্ত্তন পদাবলী ও নিত্যক্রিয়া পদ্ধতি”, ১৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

উঠ উঠ গোরাচাঁদ নিশি পোহাইল।
নদীয়ার লোক সব জাগিয়া বৈঠল॥
ময়ূর ময়ূরী রব কোকিলের ধ্বনি।
কত সুখে নিদ্রা যাও গোরা দ্বিজমণি॥
অরুণ উদয় ভেল কমল প্রকাশ।
তেজল মধুকর কুমুদিনী পাশ॥
করযোড় করি কহে বাসুদেব ঘোষে।
কত নিদ্রা যাও প্রভু আলস আবেশে॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১৬২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

কুঞ্জভঙ্গ
॥ ধানশী॥

উঠ উঠ গোরাচাঁদ নিশি পোহাইল।
নদীয়ার লোক সব জাগিয়া উঠিল॥
কোকিলার কুহুরব সুললিত ধ্বনি।
কত নিদ্রা যাও ওহে গোরা গুণমণি॥
অরুণ উদয় ভেল কমল প্রকাশ।
শশধর তেজল কুমুদিনীবাস॥
বাসুদেব ঘোষ কহে মনের হরিষে।
কত নিদ্রা যাও গোরা প্রেমের আলসে॥

ই পদটি ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত, সতী ঘোষ সম্পাদিত “প্রত্যক্ষদর্শীর কাব্যে মহাপ্রভু
শ্রীচৈতন্য”, ১০৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

উঠ উঠ গোরাচাঁদ নিশি পোহাইল।
নগরের লোক সব উঠিয়া বসিল॥
ময়ূর ময়ূরী রব কোকিলের ধ্বনি।
কত সুখে নিদ্রা যায় গোরাগুণমণি॥
অরুণ উদয় ভেল কমল প্রকাশ।
তেজল মধুকর কুমুদিনী পাশ॥
করজোড় করি বলে বাসুদেব ঘোষে।
কত নিদ্রে যায় গোরা নিন্দের আবেশে॥

ই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত বিমানবিহারী মজুমদার সম্পাদিত “পাঁচশত বত্সরের
পদাবলী ১৪১০-১৯১০”, ১৭৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

কুঞ্জভঙ্গ

উঠ উঠ গোরাচান্দ নিশি পোহাইল।
নগরের লোক সব উঠিয়া বসিল॥
ময়ূর ময়ূরী রব কোকিলের ধ্বনি।
কত সুখে নিদ্রা হায় যায় গোরামণি॥
অরুণ উদয় ভেল কমল প্রকাশ।
তেজল মধুকর কুমুদিনী পাশ॥
করজোড় করি বোলে বাসুদেব ঘোষে।
কত নিন্দ যায় গোরা প্রেমের আলসে॥

ই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত, বিমান বিহারী মজুমদার সম্পাদিত “ষোড়শ শতাব্দীর
পদাবলী-সাহিত্য”, ৪৯০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

উঠ উঠ গোরাচান্দ নিশি পোহাইল।
নগরের লোক সব উঠিয়া বসিল॥
ময়ূর ময়ূরী রব কোকিলের ধ্বনি।
কত সুখে নিদ্রা হায় যায় গোরামণি॥
অরুণ উদয় ভেল কমল প্রকাশ।
তেজল মধুকর কুমুদিনী পাশ॥
করজোড় করি বোলে বাসুদেব ঘোষে।
কত নিন্দ যায় গোরা প্রেমের আলসে॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৫৬৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ রামকেলি রাগ॥

উঠ উঠ গোরাচান্দ নিশি পোহাইল।
নগরের লোক সব উঠিয়া বসিল॥
ময়ুর ময়ুরী সব কোকিলের ধ্বনি।
কত সুখে নিদ্রা যাও গোরা গুণমণি॥
অরুণ উদয় ভেল কমল প্রকাশ।
তেজল মধুকর কুমুদিনী পাশ॥
করজোড় করি বলে বাসুদেব ঘোষে।
কত নিদ্রা যাও গোরা নীদের আলসে॥

.           ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
বায়স কোকিলকুল ঘুঘু দহিয়াল-রব
বায়স কোকিল ঘুঘু দহিয়াল-রব
ভণিতা বাসু ঘোষ
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ, ২২৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

বায়স কোকিলকুল ঘুঘু দহিয়াল-রব।
তা সহ মিলিয়া ডাকে পরিকর সব॥
অলস তেজিয়া গোরা উঠে শেজ হৈতে।
আঁখি কচালিয়া হাতে চায় চারি ভিতে॥
পরিকর সহ গোরা প্রাতঃকৃত্য সারি।
অঙ্গেতে সুগন্ধি তৈল মাখে ধীরি ধীরি॥
তৈল মাখি যায় সবে গঙ্গা-অভিমুখে।
বাসু ঘোষ স্নানলীলা গায় মনসুখে॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১৬২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

স্নানলীলা
॥ ধানশী॥

বায়স কোকিল ঘুঘু দহিয়াল রব।
তা সহ মিলিয়া ডাকে পরিকর সব॥
আলস তেজিয়া গোরা উঠে শেজ হৈতে।
আঁখি কচালিয়া হাতে চায় চারি ভিতে॥
পরিকর সহ গোরা প্রাতঃকৃত্য সারি।
অঙ্গেতে সুগন্ধি তৈল মাখে ধীরি ধীরি॥
তৈল মাখি যায় সবে গঙ্গা-অভিমুখে।
বাসু ঘোষ স্নানলীলা গায় মনসুখে॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৫৬৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

বায়স কোকিলকুল ঘুঘু দহিয়াল রব।
তা সহ মিলিয়া ডাকে পরিকর সব॥
অলস তেজিয়া গোরা উঠে শেজ হৈতে।
আঁখি কচালিয়া হাতে চায় চারি ভিতে॥
পরিকর সহ গোরা প্রাতঃকৃত্য সারি।
অঙ্গেতে সুগন্ধি তৈল মাখে ধীরি ধীরি॥
তৈল মাখি যায় সবে গঙ্গা-অভিমুখে।
বাসু ঘোষ স্নানলীলা গায় মনসুখে॥

.           ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
কি আনন্দ খণ্ডপুরে ঠাকুর নরহরি ঘরে
ভণিতা বাসু
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন
“শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ, ২২৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

কি আনন্দ খণ্ডপুরে                ঠাকুর নরহরি ঘরে।
মহোৎসবের কে করে আনন্দ।
সকল মহান্ত আসি                 প্রেমানন্দ রসে ভাসি
নিরখিয়ে গৌরমুখচন্দ॥
দ্বাদশ গোপাল আর                চৌষট্টি মহান্ত সাথ
আর ক্রমে ছয়টি গোসাঞী।
শাখা উপশাখা যত                  আইল সকল ভক্ত
আনন্দেতে গৌরগুণ গাই ॥
শ্রীনিবাস জনে জনে                বসাইল স্থানে স্থানে
বসিল মহান্ত সারি সারি।
যার যৈছে অনুমানে                বসাইল স্থানে স্থানে
দুই প্রভুর মধ্যে গৌরহরি॥
দক্ষিণেতে নিত্যানন্দ                বামেতে অদ্বৈতচন্দ
তার বামে গদাধরাচার্য্য।
ভোজনে বসিলা সভে                রখুনন্দন আসি তবে
করে পরিবশনের কায্য॥
মহাপ্রভু সুখোল্লাসে                করে লৈয়া এক গ্রাসে
দেন প্রভু নিতাইয়ের মুখে।
এইরূপ পরস্পর                          নরহরি গদাধর
ভোজন করয়ে প্রেমসুখে॥
ভোজনান্তে জয়ধ্বনি                  জয় গৌর দ্বিজমণি
সভে মিলি কৈল আচমন।
শ্রীনিবাস সুখোল্লাসে                করে লৈয়া মুখবাসে
সভে দিল মাল্য চন্দন॥
নরহরি ঠাকুর ধন্য                  যার গৃহে শ্রীচৈতন্য
নিত্যানন্দ সহিত আপনি।
তা দেখি বৈষ্ণবগণ                 হরি বোলে ঘন ঘন
বাসু মাগে চরণ দুখানি॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি. কলা (বাংলা)
উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https://shodhganga.inflibnet.ac.in )
“বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী  
সংকলন, ৭৭৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। চিত্রা রায় পদটিকে “সন্দিগ্ধ পদ” হিসেবে রেখেছেন।

॥ ধানশী॥

কি আনন্দ খণ্ডপুরে                ঠাকুর নরহরি ঘরে।
মহোৎসবের কে করে আনন্দ।
সকল মহান্ত আসি                 প্রেমানন্দ রসে ভাসি
নিরখিয়ে গৌরমুখচন্দ॥
দ্বাদশ গোপাল আর                 চৌষট্টি মহান্ত সাথ
আর ক্রমে ছয়টি গোসাঞী।
শাখা উপশাখা যত                  আইল সকল ভক্ত
আনন্দেতে গৌরগুণ গাই ॥
শ্রীনিবাস জনে জনে                বসাইল স্থানে স্থানে
বসিল মহান্ত সারি সারি।
যার যৈছে অনুমানে                বসাইল স্থানে স্থানে
দুই প্রভুর মধ্যে গৌরহরি॥
দক্ষিণেতে নিত্যানন্দ               বামেতে অদ্বৈতচন্দ
তার বামে গদাধরাচার্য্য।
ভোজনে বসিলা সভে             রখুনন্দন আসি তবে
করে পরিবশনের কায্য॥
মহাপ্রভু সুখোল্লাসে               করে লৈয়া এক গ্রাসে
দেন প্রভু নিতাইয়ের মুখে।
এইরূপ পরস্পর                        নরহরি গদাধর
ভোজন করয়ে প্রেমসুখে॥
ভোজনান্তে জয়ধ্বনি                জয় গৌর দ্বিজমণি
সভে মিলি কৈল আচমন।
শ্রীনিবাস সুখোল্লাসে               করে লৈয়া মুখবাসে
সভে দিল মাল্যচন্দন॥
নরহরি ঠাকুর ধন্য                  যার গৃহে শ্রীচৈতন্য
নিত্যানন্দ সহিত আপনি।
তা’দেখি বৈষ্ণবগণ                 হরি বোলে ঘন ঘন
বাসু মাগে চরণ দুখানি॥

.           ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
গৌরাঙ্গচাঁদের মনে কি ভাব পড়িল
গৌরাঙ্গচাঁদের মনে কি ভাব হইল
গৌরাঙ্গচান্দের মনে কি ভাব উঠিলা
ভণিতা বাসুদেব ঘোষ
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি নরহরি চক্রবর্তী (ঘনশ্যাম) দ্বারা আনুমানিক ১৭২৫ সাল নাগাদ বিরচিত এবং  
৪২৬ গৌরাব্দে (১৯১৩ খৃষ্টাব্দ), রামদেব মিশ্র দ্বারা প্রকাশিত “ভক্তিরত্নাকর” গ্রন্থ, ৯৩৬-
পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ গীতে যখা - কামোদঃ॥

গৌরাঙ্গচাঁদের মনে কি ভাব পড়িল। পাশা সারী লইয়া
গোরা খেলা সিরজিল॥ গদাধর সঙ্গে গোরা খেলে পাশা
সারী। ফেলিতে লাগিলা পাশা হারি জিনি বলি॥ দুয়া চারি
বলি দান ফেলে গদাধর। পঞ্চ তিন করি ডারে গৌরাঙ্গ
সুন্দর॥ দুই জন মগ্ন হৈল পাশা-খেলা-রসে। জয় জয় দিয়া
গায় বাসুদেব ঘোষে॥

ই পদটি দ্বিজ মাধব সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতীর
গ্রন্থশালার ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, ২০৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

পুনশ্চ পাশক্রীড়া আরম্ভ তদভাবাবৃত গৌরচন্দ্র॥
॥ রাগ তালো যথা॥

গৌরাঙ্গচান্দের মনে কি ভাব উঠিলা। পাসাসারি লয়্যা পহু খেলা আরম্ভিলা॥
প্রিয় গদাধর সঙ্গে খেলে পাসাসারি। ফেলিতে লাগিলা পাসাহারি জিনি করি।
দুই চারি বলি দান ফেলে গদাধর। পঞ্চ তিন বলি ডাকে গৌরাঙ্গসুন্দর॥
দুই জন মগন হইলা পাসারসে। জয় জয় দিয়া গায় বাসুদেব ঘোষে॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ, ২২৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

গৌরাঙ্গচাঁদের মনে কি ভাব হইল।
পাশা সারি লৈয়া প্রভু খেলা আরম্ভিল॥
প্রিয় গদাধর সঙ্গে খেলে পাশা সারি।
ফেলিতে লাগিলা পাশা হারি জিনি করি।
দুই চারি বলি দান ফেলে গদাধর।
পঞ্চ তিন বলি ডাকে রসিক নাগর॥
দুই জন মগন হইল পাশা রসে।
জয় জয় দিয়া গায়ে বাসুদেব ঘোষে॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১৬৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

পাশাখেলা
॥ ধানশী॥

গৌরাঙ্গচাঁদের মনে কি ভাব হইল।
পাশা সারি লৈয়া প্রভু খেলা আরম্ভিল॥
প্রিয় গদাধর সঙ্গে খেলে পাশা সারি।
ফেলিতে লাগিলা পাশা হারি জিনি করি।
দুই চারি বলি দান ফেলে গদাধর।
পঞ্চ তিন বলি ডাকে রসিক নাগর॥
দুই জন মগন হইল পাশা রসে।
জয় জয় দিয়া গায় বাসুদেব ঘোষে॥

ই পদটি ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত, সতী ঘোষ সম্পাদিত “প্রত্যদর্শীর কাব্যে মহাপ্রভু
শ্রীচৈতন্য”, ১০৩-পৃষ্ঠায় ভণিতাহীন রূপে দেওয়া রয়েছে।

গৌরাঙ্গ চাঁদের মনে কি ভাব পড়িল।
.        পাশা সারি লইয়া গোরা দান সিরজিল॥
গদাধর সঙ্গে গোরা খেলে পাশা সারি।
.        খেলিতে লাগিলা পাশা হারি জিতি করি॥
দিয়া চারি করি দান ফেলে গদাধর।
পঞ্চ তিন বলি ডাকে গৌরাঙ্গ সুন্দর॥
দুইজন মগন ভেল পাশা বেশে।
.        জয় জয় দিয়া গায় বাসুদেব ঘোষে॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৫৮৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ কামোদ রাগ॥

গৌরাঙ্গচাঁদের মনে কি ভাব পড়িল।
পাশাসারি লইয়া গোরা খেলা সিরজিল॥
গদাধর সঙ্গে গোরা খেলে পাশাসারি।
ফেলিতে লাগিলা পাশা ‘হারি জিনি’ বলি॥
দুয়া চারি বলি দান ফেলে গদাধর।
পঞ্চ তিন করি ডাকেরে গৌরাঙ্গসুন্দর॥
দুইজন মগ্ন হৈলা পাশা খেলা রসে।
জয় জয় দিয়া গায় বাসুদেব ঘোষে॥

.           ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
বিষ্ণুপ্রিয়া সঙ্গিনীরে পাইয়া বিরলে
ভণিতা বাসু
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ, ২৩৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

বিষ্ণুপ্রিয়া সঙ্গিনীরে পাইয়া বিরলে।
ব্যাকুল হিয়ায় গদগদ কিছু বলে॥
আজি কেন নদীয়া উদাস লাগে মোরে।
অঙ্গে নাহি পাই সুখ দুটি আঁখি ঝুরে॥
নাচিছে দক্ষিণ অঙ্গ দক্ষিণ-নয়ন।
খসিয়া পড়িল মোর কর্ণের ভূষণ॥
সুরধুনী পুলিনে মলিন তরুলতা।
ভ্রমর না খায় মধু শুকাইল পাতা॥
স্থগিত হইল কেন জাহ্নবীর ধারা।
কোকিলের রব নাহি হৈল মূক পারা॥
এই বড় ভয় লাগে বাসুর হিয়া মাঝে।
নবদ্বীপ ছাড়ে পাছে গোরা দ্বিজরাজে॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১৬৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীগৌরাঙ্গের সন্ন্যাস লীলা
॥ ধানশী॥

বিষ্ণুপ্রিয়া সঙ্গিনীরে পাইয়া বিরলে।
ব্যাকুল হিয়ায় গদগদ কিছু বলে॥
আজি কেন নদীয়া উদাস লাগে মোরে।
অঙ্গে নাহি পাই সুখ দুটি আঁখি ঝুরে॥
নাচিছে দক্ষিণ অঙ্গ দক্ষিণ নয়ন।
খসিয়া পড়িল মোর কর্ণের ভূষণ॥
সুরধুনী পুলিনে মলিন তরুলতা।
ভ্রমর না খায় মধু শুকাইল পাতা॥
স্থগিত হইল কেন জাহ্নবীর ধারা।
কোকিলের রব নাহি হৈল মূক পারা॥
এই বড় ভয় লাগে বাসুর হিয়া মাঝে।
নবদ্বীপ ছাড়ে পাছে গোরা দ্বিজরাজে॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৬২৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

বিষ্ণুপ্রিয়া সঙ্গিনীরে পাইয়া বিরলে।
ব্যাকুল হিয়ায় গদগদ কিছু বলে॥
আজি কেন নদীয়া উদাস লাগে মোরে।
অঙ্গে নাহি পাই সুখ দুটি আঁখি ঝুরে॥
নাচিছে দক্ষিণ অঙ্গ দক্ষিণ নয়ন।
খসিয়া পড়িল মোর কর্ণের ভূষণ॥
সুরধুনী-পুলিনে মলিন তরুলতা।
ভ্রমর না খায় মধু শুকাইল পাতা॥
স্থগিত হইল কেন জাহ্নবীর ধারা।
কোকিলের রব নাহি হৈল মূক পারা॥
এই বড় ভয় লাগে বাসুর হিয়া মাঝে।
নবদ্বীপ ছাড়ে পাছে গোরা দ্বিজরাজে॥

.           ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
পাগলিনী বিষ্ণুপ্রিয়া ভিজা বস্ত্র চুলে
ভণিতা বাসু ঘোষ
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ, ২৩৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

পাগলিনী বিষ্ণুপ্রিয়া ভিজা বস্ত্র চুলে।
ত্বরা করি বাড়ী আসি শাশুড়ীরে বলে॥
বলিতে না পারে কিছু কাঁদিয়া ফাঁফর।
শচী বলে মাগো এত কি লাগি কাতর॥
বিষ্ণুপ্রিয়া বলে আর কি কব জননি।
চারিদিকে অমঙ্গল কাঁপিছে পরাণি॥
নাহিতে পড়িল জলে নাকের বেশর।
ভাঙ্গিবে কপাল মাথে পড়িবে বজর॥
থাকি থাকি প্রাণ কাঁদে নাচে ডান আঁখি।
দক্ষিণে ভুজঙ্গ যেন রহি রহি দেখি॥
কাঁদি কহে বাসু ঘোষ কি কহিব সতি।
আজি নবদ্বীপ ছাড়ি যাবে প্রাণপতি॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১৬৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীগৌরাঙ্গের সন্ন্যাস লীলা
॥ ধানশী॥

পাগলিনী বিষ্ণুপ্রিয়া ভিজা বস্ত্র চুলে।
@@ করি বাড়ী আসি শাশুড়ীরে বলে॥
বলিতে না পারে কিছু কাঁদিয়া ফাঁফর।
শচী বলে মাগো এত কি লাগি কাতর॥
বিষ্ণুপ্রিয়া বলে আর কি কব জননি।
চারিদিকে অমঙ্গল কাঁপিছে পরাণি॥
নাহিতে পড়িল জলে নাকের বেশর।
ভাঙ্গিবে কপাল মাথে পড়িবে বজর॥
থাকি থাকি প্রাণ কাঁদে নাচে ডাহিন আঁখি।
দক্ষিণে ভুজঙ্গ যেন রহি রহি দেখি॥
কাঁদি কহে বাসু ঘোষ কি কহিব সতি।
আজি নবদ্বীপ ছাড়ি যাবে প্রাণপতি॥

@@ - অপাঠ্য অক্ষর।

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৬২৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

পাগলিনী বিষ্ণুপ্রিয়া ভিজা বস্ত্র চুলে।
ত্বরা করি বাড়ী আসি শাশুড়ীরে বলে॥
বলিতে না পারে কিছু কাঁদিয়া ফাঁফর।
শচী বলে মাগো এত কি লাগি কাতর॥
বিষ্ণুপ্রিয়া বলে আর কি কব জননি।
চারিদিকে অমঙ্গল কাঁপিছে পরাণি॥
নাহিতে পড়িল জলে নাকের বেশর।
ভাঙ্গিবে কপাল মাথে পড়িবে বজর॥
থাকি থাকি প্রাণ কাঁদে নাচে ডাহিন আঁখি।
দক্ষিণে ভুজঙ্গ যেন রহি রহি দেখি॥
কাঁদি কহে বাসু ঘোষ কি কহিব সতি।
আজি নবদ্বীপ ছাড়ি যাবে প্রাণপতি॥

.           ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর