কবি বাসুদেব ঘোষ এর বৈষ্ণব পদাবলী
ভুজযুগ আরোপিয়া বয়স্যের কান্ধে
ভণিতা বাসুদেব
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি. কলা (বাংলা)
উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https://shodhganga.inflibnet.ac.in )
“বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের
পদাবলী সংকলন, ৫৫২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ শ্রীরাগ॥

ভুজযুগ আরোপিয়া বয়স্যের কান্ধে।
চলিয়া জাইতে                   নারে গোরা মোর
হরিবোল বলিয়া কান্দে॥
প্রেমে ছলছল                            নয়ন জুগল
কত নাদি বহে ধারে।
পুলকে পুরিল                        গোরা কলেবর
ধরণী খারিতে নারে॥
সঙ্গে পারিষদ                        ফিরে নিরন্তর
হরি হরি বোল বলে।
সখার কান্ধে                          ভুজজুগ দিয়া
হেলিয়া দুলিয়া চলে॥
ভুবন ভরিয়া                        প্রেম উতরোল
গৌরাঙ্গ গুনের ধাম।
শুনিয়া ভরসা                       বাসুদেব ঘোষে
পতিত পাবন নাম॥

সূত্র -
ক। পদরত্নাকর, পৃ - ১১৩।
---চিত্রা রায়॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
গৌর গদাধর সঙ্গে কৃষ্ণকথা রস রঙ্গে
ভণিতা বাসুদেব
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি. কলা (বাংলা)
উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https://shodhganga.inflibnet.ac.in )
“বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের
পদাবলী সংকলন, ৫৫৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

গৌর গদাধর সঙ্গে                        কৃষ্ণকথা রস রঙ্গে
কহিতে নয়নে বহে বারি।
কি ভাব গদাধরের মনে                বুঝন না জায় কেনে
পালটি বসিলা মুখ ফেরি॥
তখন দেখিয়া গৌরাঙ্গচাঁদ।
- - - - - - - - - -                         - - - - - - - - - - -
- - - - - - - - - - -
ধারা বহে দু'নয়নে                       - - - - - - - - - - -
অনুভাব বুঝিতে না পারি।
কহিতে মনের কথা                     অন্তরে মরম বেথা
বাসু কান্দে গুমরি গুমরি॥

সূত্র -
ক। কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় পুথি ৬২০৪/১৬৫৯।
খ। বাসু ঘোষের পদাবলী, মালবিকা চাকী, পদ - ৬২।

মন্তব্য -
পদটি গৌর গদাধর লীলা সংক্রান্ত। মাঝের দুই ছত্র পড়া যায় নি। গদাধর এখানে মান লীলার
ভাবে ভাবিত। এই ভাবের মর্ম অনুভব করা সহজ কাজ নয়।

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
ভাবে গোরা গৌরীদাস মুখ চাই
ভণিতা বাসুদেব
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত, সতী ঘোষ সম্পাদিত “প্রত্যদর্শীর কাব্যে মহাপ্রভু
শ্রীচৈতন্য”, ১০২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

ভাবে গোরা গৌরীদাস মুখ চাই।
কহ কহ গৌরীদাস কাঁহা মোর রাই॥
রাধা বলি কান্দে গোরা ফুকরি ফুকরি।
অরুণ নয়নে কত ঘন বহে বারি॥
ভাব বুঝি সহচর গৌরাঙ্গ নিল কোলে।
ঝাড়িয়ে অঙ্গের ধূলা বাসুদেব বলে॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৫৬০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

ভাবে গোরা গৌরীদাস মুখ চাই।
কহে কহ গৌরীদাস কাঁহা মোর রাই॥
রাধা বলি কান্দে গোরা ফুকরি ফুকরি।
অরুণ নয়নে কত ঘন বহে বারি॥
ভাব বুঝি সহচর গৌরাঙ্গ নিল কোলে।
ঝাড়িয়ে অঙ্গের ধূলা বাসুদেব বলে॥

সূত্র -
ক। কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় পুথি ১০২।
খ। কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় পুথি ৪২০৭।
---চিত্রা রায়॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
নিত্যানন্দচান্দ মোর মানিনী হইল
ভণিতা বাসুদেব
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৫৬১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ রাগোল্লেখ নেই॥

নিত্যানন্দচান্দ মোর মানিনী হইল।
পায়ে ধরি গোরাচাঁদ অনেক সাধিল॥
প্রেমাবেশে মান প্রভুর সমাধান না হইল।
অমনি চরণতলে গৌর লুকাইল॥
বাসুদেব ঘোষ কহে হায় কি হইল।
এখনি আছিল গোরা কোখা লুকাইল॥

সূত্র -
ক। কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় পুথি ৬২০৪, পদ - ১৬৭২।
খ। বাসু ঘোষের পদাবলী, মালবিকা চাকী, পদ - ৫২।

মন্তব্য -
এই সংক্ষিপ্ত পদটিতে দেখা যাচ্ছে যে, নিত্যানন্দ রাধার ভাবে আবিষ্ট হয়ে
গৌরাঙ্গের কাছে মান করেছেন। কৃষ্ণ-ভাবিত গৌরাঙ্গ তাঁর মান ভাঙাবার জন্য অনেক
সাধলেন। কিন্তু দুর্জয় মান, সে মান ভাঙল না। তখন প্রেমাবেশে গৌরাঙ্গ নিত্যানন্দের
চরণতলে লুকিয়ে পড়লেন। গৌর গদাধরের মধ্যে এরকম লীলার বহু পদ আছে কিন্তু গৌর
নিত্যানন্দও যে কখনো কখনো রাধা কৃষ্ণভাবে আবিষ্ট হয়ে নানাবিধ লীলা করতেন --- এই
পদটি তারই প্রমাণস্থল। ---চিত্রা রায়॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
কি আনন্দ নবদ্বীপে শ্রীবাস আচার্য্য-গৃহে
ভণিতা বাসুদেব
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি. কলা (বাংলা)
উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https://shodhganga.inflibnet.ac.in )
“বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের
পদাবলী সংকলন, ৫৬৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

কি আনন্দ নবদ্বীপে                শ্রীবাস আচার্য্য-গৃহে
শূভ দিন শুভ অতিশয়।
গৌরাঙ্গ আনন্দমন                নিত্যানন্দে ডাকি কন
প্রেমপূর্ণ কর নদীয়ায়॥
অনর্থ কলির কাম                   নাহি মুখে কৃষ্ণনাম
অসৎ কথায় সতত মগন।
ভত্তি গন্ধ নাহি পায়                   কেবল পশুর প্রায়
হরিনাম না করে গ্রহণ॥
হইয়া মায়ার দাস                   করে নানা অভিলাষ
মিছা দ্বন্দ্বে যাইছে জীবন।
উদ্ধারিতে জগজন                       আনহ মহান্তগণ
কৃপাবলে তরিবে ভুবন॥
নিত্যানন্দ পত্র লঞা                মুকুন্দে সপিলা যাঞা
মুকুন্দ পাঠায়ল ঠাঁই ঠাঁই।
আইলা মহান্ত যত                  গণনা কে করে কত
অসংখ্য মহন্ত অন্ত নাই॥
সবার নয়নে ধারা                    সজল নয়নে গোরা
আলিঙ্গন করে সম্ভাষণ।
পদ প্রক্ষালন করি                  বসিলা গৌরাঙ্গ ঘেরি
চাঁদমুখ করে দরশন॥
রোপিল কদলী চারি                    গঙ্গাজল ঘট ভরি
নারিকেল তাহার উপর।
গন্ধবাস উপহারে                    শ্রীকৃষ্ণ অর্চ্চন করে
নারীগণে করে জয়কার॥
শঙ্খ ঘন্টা করতাল                   মৃদাঙ্গ বাজায় ভাল
প্রেমানন্দে নাচে দুই ভাই।
সঙ্গে নাচে ভক্তগণ                      হরিবোল ঘন ঘন
প্রেম পুলকের অন্ত নাই॥
মাল্য চন্দন দান                   ভক্ষ্য ভোজ্য বাসস্থান
সুখেতে রহিল সব জন।
বাসুদেব ঘোষে বলে                আসিবে প্রভাতকালে
কালি হবে হরিসংকীর্ত্তন॥

সূত্র -
গোবিন্দ কুণ্ডের পুথি (মালবিকা চাকী কর্ত্তৃক উদ্ধৃত)
---চিত্রা রায়॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
সুরধুনী তীরে পহু গোরাঙ্গসুন্দর
ভণিতা বাসুদেব
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৫৭৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

সুরধুনী তীরে পহু গোরাঙ্গসুন্দর।
ধবলী শ্যামলী বলি ডাকে নিরন্তর॥
পহু কন্ঠ শুনি আইল ধেনুগণ।
গোরামুখ চাই গাভীর ঝরে দুনয়ন॥
দুগ্ধ ঝরি পড়ে বাঁটে গোরা অঙ্গ চাটে।
নব নব বৎস সব পুচ্ছ তুলি নাচে॥
হেরিয়ে ভকতগণ করে হরিধ্বনি।
বাসূদের ঘোষ গোরার যাইয়ে নিছনি॥

সূত্র -
ক। কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় পুথি ৬২০৪, পদ - ২০৯২।
খ। বিশ্বভারতী পুথি ৯৫০।
গ। বাসু ঘোষের পদাবলী, মালবিকা চাকী, পদ - ৪৪।
---চিত্রা রায়॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
নিশি অবশেষে গোরা দুনয়নে বহে ধারা
ভণিতা বাসুদেব
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি. কলা (বাংলা)
উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট, https://shodhganga.inflibnet.ac.in ) “বৈষ্ণব
সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৫৭৮-
পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ রাগোল্লেখ নেই॥

নিশি অবশেষে গোরা                দুনয়নে বহে ধারা
কোথা মোর সোনার মুরলী।
তুঙ্গবিদ্যা সুচিত্রা                       রঙ্গদেবী ললিতা
কোখা মোর রাধাচন্দ্রাবলী॥
মুরলীর স্বরে কত                   ডাকিতাম অবিরত
শয়নে স্বপনে রাধানাম।
বাসুদেব ঘোষ কহে                        শুনহরে সখি
মুরলী বিহনে প্রাণ যায়॥

সূত্র -
ক। কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় পুথি ৬২০৪।
গ। সাহিত্য পরিষদ পুথি ২৪৩৩।
গ। বাসু ঘোষের পদাবলী, মালবিকা চাকী, পদ - ২০০।

মন্তব্য -
পদটি কলিকাতা বিশুবিদ্যালয়ের একটি বড় ও প্রাচীন পুথিতে রক্ষিত আছে। এতে স্পষ্ট 'বাসুদেব ঘোষ'
ভণিতা প্রযুক্ত হয়েছে। পদটির আকার সংক্ষিপ্ত অথচ এরই মধ্যে ভাবের প্রকাশে এটি অব্যর্থ। এতে রূপ
গোস্বামী সৃষ্ট তুঙ্গ বিদ্যা, সুচিত্রা, রঙ্গদেবী, ললিতার নাম উল্লিখিত হয়েছে। রূপ গোস্বামী বাসু ঘোষের
সমসাময়িক, তাঁর সৃষ্ট চরিত্রগুলি এই কবির অপরিচিত ছিল না - এই পদটি খেকে তা বোঝা যায়।
---চিত্রা রায়॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
পূরবের ভাবে গোরা রায়
ভণিতা বাসুদেব
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৫৮৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ রাগোল্লেখ নেই॥

পূরবের ভাবে গোরা রায়
যেন সূর্য্যমণ্ডলে চলি যায়॥
সুগন্ধি মালতি নিল তুলি।
পুলকে পৃরিত তনু গোরা বনমালি॥
সুরধুনী তীরে যায় দিয়ে জয় জয়।
সঙ্গের ভকতগণ হরিগুণ গায়॥
সুরধুনী তীরে বসি সুজনের ছলে।
অঞ্জলি করিয়ে ফুল ফেলাইছে জলে॥
বৃন্দাবনের লীলা কৈল গঙ্গাতীরে।
বাসু ঘোষ গোরাগুণ গায় ধীরে ধীরে॥

ক। কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় পুথি ৬২০৪, পদ - ১১৫৯।
---চিত্রা রায়॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
আজুরে গৌরাঙ্গের মনে কি ভাব পড়য়
ভণিতা বাসুদেব ঘোষ
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৫৯১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

আজুরে গৌরাঙ্গের মনে কি ভাব পড়য়।
সুরধুনীর তীরে গিয়া রাধাগুণ গায়॥
রাধার মহিমা গুণ করয়ে কীর্ত্তন।
গৌরীদাসের বদন হেরি করয়ে রোদন॥
গৌরীদাস বলে প্রভু কেন অচেতন।
তব অঙ্গে আছে রাধা কর দরশন॥
এতেক শুনিয়া প্রভু হুইলা চেতন।
বাসুদেব ঘোষ কহে ধৈর্য্য ধর মন॥

সূত্র -
ক। বাসু ঘোষের পদাবলী, মৃণালকান্তি ঘোষ, পৃ - ৬৫।
খ। বাসু ঘোষের পদাবলী, মালবিকা চাকী, পদ - ৪২।
---চিত্রা রায়॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
বিহরই গোরাচাঁদ নদীয়া নগরে
ভণিতা বাসুদেব ঘোষ
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৫৯৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

বিহরই গোরাচাঁদ নদীয়া নগরে।
আচম্বিতে কৃষ্ণনাম শুনি মনোহরে॥
নব অনুরাগ প্রভুর অন্তরে উদয়।
অবিরত দু’নয়নে প্রেমধারা বয়॥
কম্প রোদন ক্ষণে, ক্ষণে অট্টহাস।
ক্ষণে ক্ষণে সুখানন্দ, ক্ষণে ছাড়ে শ্বাস॥
পহিলে শুনিনু কৃষ্ণনাম দু'আখরে।
সেই নামে তুণ্ড মোর তিরপিত করে॥
হেন কালে ঈশ্বরপুরী আসিয়া কহিল।
বাসুদেব ঘোষের মনে আনন্দ বাঢ়িল॥

সুত্র -
অপ্রকাশিত পদরত্নমালা (মালবিকা চাকী কর্ত্তৃক উদ্ধৃত)
---চিত্রা রায়॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর