| কবি বাসুদেব ঘোষ এর বৈষ্ণব পদাবলী |
| গৌরাঙ্গ বিরহ রে হিয়া ছটপট করে গৌরাঙ্গ বিরহ জ্বরে হিয়া ছটফট করে ভণিতা বাসুদেব ঘোষ কবি বাসুদেব ঘোষ এই পদটি ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত, সতী ঘোষ সম্পাদিত “প্রত্যক্ষদর্শীর কাব্যে মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্য”, ১১৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। গৌরাঙ্গ বিরহে রে হিয়া ছটপট করে জীবনে না বান্ধে থেহা। না দেখিয়া চাঁদ মুখ বিদরিয়া যায় বুক কি জানি কেমন করে দেহা॥ প্রাণের হরি কহো মোর জীবন উপায়। এ দুখের দুখিত যে এ দুখ জানয় সে আর আমি নিবেদিব কায়॥ গৌরাঙ্গ মুখের হাসি সুধা খসে রাশিরাশি এবে কেন না পাই দেখিতে। যত প্রিয় সঙ্গীগণ তাহারা হৈল নিদারুন আমি জিয়ে কি সুখ খাইতে॥ গদাধর আদি করি না দেখিলে প্রাণে মরি মধুমতী আর না দেখিয়া। তোমারে করিত দয়া সে গেল নিঠুর হয়্যা বাসু কেন না গেল মরিয়া॥ এই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি. কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট, https://shodhganga.inflibnet.ac.in ) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৬৭৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ রাগোল্লেখ নেই॥ গৌরাঙ্গ বিরহ জ্বরে হিয়া ছটফট করে জীবন না বান্ধে থেহা। না দেখিয়া চাঁদমুখ বিদরিয়া যায় বুক কি জানি কেমন করে দেহা॥ প্রাণের হরি, কহ মোর জিবন উপায়। এ দুখে দুখিত যে এ দুখ জানয়ে সে আর আমি নিবেদিব কায়॥ গৌরাঙ্গ মুখের হাসি সুধা খসে রাশি রাশি এবে কেন না পাই দেখিতে। যত প্রিয় সঙ্গীগণ তারা হৈল নিকরুন আমি জিয়ে কি সুখ খাইতে॥ গদাধর আদি করি না দেখিলে প্রাণে মরি মধুমতী আর না দেখিয়া। যে ঘোরে করিত দয়া সে গেল নিঠুর হৈয়া বাসু কেন না গেল মরিয়া॥ সূত্র - ক। কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় পুথি ৩১৮, ২৫৬৩। খ। পাঠবাড়ী পুথি ২১ক, ২১ঘ, ২৯(কীর্ত্তনানন্দ) গ। সাহিত্য পরিষদ পুথি ১৭৭। ঘ। বিশ্বভারতী পুথি ১৭৪১, ৩৬৪৩। ঙ। পদরত্নাকর পৃ. ৪৬৫। চ। প্রত্যক্ষদর্শীর কাব্যে শ্রীচৈতন্য - সতী ঘোষ, পৃ. ১১৪। ছ। বাসু ঘোষের পদাবলী, মালবিকা চাকী, পদ - ১৪৯। ---চিত্রা রায়॥ . ************************ . সূচীতে . . . মিলনসাগর |