কবি বাসুদেব ঘোষ এর বৈষ্ণব পদাবলী
কী দেখিনু গোরা নটরায়
কি দেখিনু গোরা নটরায়
ভণিতা বাসুদেব ঘোষ
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত, সতী ঘোষ সম্পাদিত “প্রত্যদর্শীর কাব্যে মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্য”, ৯৭-পৃষ্ঠায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

কী দেখিনু গোরা নটরায়।
বদন শারদ শশী,              তাহে মন্দ মন্দ হাসি
কুলবতী হেরি মূরছায়॥
করিবর জিনি                        বাহুর সুবলনী
অঙ্গদ বলয়া সাজে তায়।
অরুণ বসন সাজে               চরণে নুপুর বাজে
বাসুদেব  ঘোষ রস গায়॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি. কলা (বাংলা)
উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https://shodhganga.inflibnet.ac.in )
“বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের
পদাবলী সংকলন, ৬৯১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ করুণ মল্লাররাগ॥

কি দেখিনু গোরা নটরায়।
বদন শরদ শশী                 তাহে মন্দ মন্দ হাসি
কুলবতী হেরি মুরছায়॥
মল্লিকা মালতিমালে              বনমালা দোলে গলে
কণ্ঠে মণিমুকুতার হার।
আজানুলম্বিত ভুজে                অঙ্গদ বলয়া সাজে
অঙ্গমধ্যে বিন্দু বিন্দু ঘাম॥
অরুণ বসন অতি              কিবা সে তাহার জুতি
প্রতাপে অন্ধকার নাশ।
সতী কূলবতী জত                   নদীয়া নগরে কত
ছাড়ে পতি-সুতের বিলাস॥
কি কব রূপের কথা                কেমন সে বিধাতা
গঢ়িল বা কত সুধা দিয়া।
কমল চরণ মাঝে                 সোনার নূপুর সাজে
বাসু গায় ও রূপ দেখিয়া॥

সূত্র -
ক। পাঠবাড়ী পুথি ২১ক।
খ। বাসু ঘোষের পদাবলী, মালবিকা চাকী, পদ-৭৫।
---চিত্রা রায়॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
নগরের নারিগণ হেরইতে ঐছন
ভণিতা বাসুদেব ঘোষ
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি. কলা (বাংলা)
উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https://shodhganga.inflibnet.ac.in )
“বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের
পদাবলী সংকলন, ৬৯২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ করুণ মন্দার॥

নগরের নারিগণ                       হেরইতে ঐছন
গোরারুপ নটবর ঠান।
চঞ্চল নয়নশরে                 তাহে কি ধৈরজ ধরে
রসবতি বিদরে পরাণ॥
দেখ দেখ গোরা নটরায়।
বদন শারদ শশী                তাহে মন্দ অন্দ হাসি
কুলবতী হেরি মুরছায়॥
করিবর কর জিনি                   বাহু যুগ সুবলনী
অঙ্গদ বলয়া শোভে তায়।
অরুণ বসন সাজে                 চরণে নূপুর বাজে
বাসুদেব ঘোষ রস গায়॥

সূত্র -
ক। সাহিত্যপরিষদ পুথি ২৮৪৫, ১৯৭, ৯৭০।
খ। পাঠবাড়ী পুথি ২৬ধ।
গ। কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় পুথি ৩১৫, ২৫৬৫, ৬৬১৩।
ঘ। প্রত্যক্ষদর্শীর কাব্যে শ্রীচৈতন্য, সতী ঘোষ, পৃ. ৯৭।
ঙ। বাসু ঘোষের পদাবলী, মালবিকা চাকী, পদ-৭০।
---চিত্রা রায়॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
গৌরাঙ্গ বিহার করে সুরধুনীতীরে
ভণিতা বাসুদেব ঘোষ
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৬৯৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

গৌরাঙ্গ বিহার করে সুরধুনীতীরে।
না হেরিয়া সেই রূপ কেমনে রই ঘরে॥
গৌরাঙ্গ নদীয়াশশী যে হেরে নয়নে।
সফল নয়ন তার সফল জীবনে॥
যে শুনিল গৌরাঙ্গের সুধামাখা ধ্বনি।
সেই সে অমিয়ারসে ডুবিল অমনি॥
বাসুদেব ঘোষে কহে মন অনুরাগে।
সোনার বরণ গোরা হিয়ার মাঝে জাগে॥

সূত্র -
পদরত্নমালা (অপ্রকাশিত)।
( মালবিকা চাকি কর্ত্তৃক উদ্ধৃত )
---চিত্রা রায়॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
আজানুলম্বিত গৌরবর জনু
ভণিতা বাসুদেব ঘোষ
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৭০৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তুড়ীরাগ॥

আজানুলম্বিত গৌরবর জনু।
বরণ কাঁচা সোনা কিশোর তনু॥
গৌরাঙ্গের বরণ কনক চাঁপা।
বিহি দিয়াছে রুপ অঞ্জলি মাপা॥
নবিন বয়স চাঁচর কেশ।
রুপ দেখি ভুলল নদিয়া দেশ॥
নদিয়া-নাগরি কুলের বধু।
শ্রবণে দিয়ে তারা বচন মধু॥
বলিলাঙ তোরে সই কি কহিলাঙ তোরে।
পীরিতি কাল সাপে দংশল মোরে॥
বাসুদেব ঘোষে কয় এ কথা দঢ়।
গৌরাঙ্গের পীরিতি বিষম বড়॥

সূত্র -
ক। পাঠবাড়ী পুথি নং ২৯ (কীর্ত্তনানন্দ)।
খ। পদরত্নাকর গ্রন্থ, পৃ. ৭৬।
গ। বাসু ঘোষের পদাবলী, মালবিকা চাকি, পদ - ১০১।
---চিত্রা রায়॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
সুরধুনী তীরে গোরা যায়
ভণিতা বাসুদেব ঘোষ
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৭০৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

সুরধুনী তীরে গোরা যায়।
হেরিয়ে নাগরি মুরছায়॥
ভাবে দেখি তার গুরুজন।
নাগারির কি হলো এখন॥
আসে জত নাগরির গণ।
মন্ত্র জানে শচীর নন্দন॥
বাসুদেব ঘোষ শুনি ধায়।
ধরে যাঞা গৌরাঙ্গের পায়॥

সূত্র -
ক। কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় পুথি ৬২০৪, পদ - ২৩৯৭।
খ। বাসু ঘোষের পদাবলী, মালবিকা চাকি, পদ - ৮৮।
---চিত্রা রায়॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
আগো সখী কী না হৈল মোরে
আগো সখি কি না মোর হৈল
ভণিতা বাসুদেব ঘোষ
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত, সতী ঘোষ সম্পাদিত “প্রত্যদর্শীর কাব্যে মহাপ্রভু
শ্রীচৈতন্য”, ৯৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

আগো সখী কী না হৈল মোরে।
হিয়ার মাঝারে রূপ জাগিস অন্তরে॥
.        সথীগণ অঙ্গে যাইতে জলে।
.                চকিতে চাহিতে আঁখি ঝরে॥
অপরুপ গোরাচাঁদে
.        বাসুদেব ঘোষ পড়িল ফাঁদে॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৭১৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই রাগ॥

আগো সখি কি না মোর হৈল।
মনের মাঝে গোরারুপ জাগিয়া রহিল॥
সথীগণ অঙ্গে জাইতে জলে।
দেখিয়া সে গোরারুপ পড়ি গেল ভোলে॥
চরণ না চলে মোর গোরারুপ দেখি।
আঁখিতে চাহিতে গো ঝরয়ে দুটি আঁখি॥
অপরুপ দেখি গোরাচাঁদে।
বাসুদেব ঘোষ পড়ি গেল ফাঁদে॥

সূত্র -
ক। পাঠবাড়ী পুথি নং ২৬ধ, ২১ক, ২৯(কীর্ত্তনানন্দ)।
খ। কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় পুথি ৩১৫, ২৫৬৩, ৬৬১৩।
গ। সাহিত্য পরিষদ পুথি ৯৭০।
ঘ। প্রত্যক্ষদর্শীর কাব্যে মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্য, সতী ঘোষ, পৃ. ৯৯।
ঙ। বাসু ঘোষের পদাবলী, মালবিকা চাকি, পদ - ১০৩।
---চিত্রা রায়॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
কলধৌত কলেবর আর কি না হেরিব
অবধৌত কলেবর আর কিএ না হেরব
ভণিতা বাসুদেব ঘোষ
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত, সতী ঘোষ সম্পাদিত “প্রত্যক্ষদর্শীর কাব্যে মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্য”,
১১৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

কলধৌত কলেবর                আর কি না হেরিব
সে চাঁদ বয়ান।
অরুণ দৃগাঞ্চলে                  প্রেম দান না করব
না করব অমিঞা সিনান॥
আর কি গোরা চাঁদ                    না হেরব রে
হৃদি মাঝে দেওল শেল।
ও রূপ মাধুরী                  ও দিঠি না চাও বি
উনহিক সঙ্গ ভি গেল॥
সহচর মাঝে পহুঁ                 আব নাকি বৈঠব
না করব প্রেম বিলাস॥
বাসুদেব ঘোষ কহে            পহুঁ খেদ দুরে রহে
বাঢ়ল প্রেম পিয়াস॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি. কলা (বাংলা)
উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https://shodhganga.inflibnet.ac.in )
“বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের
পদাবলী সংকলন, ৭৩৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই রাগ॥

অবধৌত কলেবর            আর কিএ না হেরব
না হেরব সে চাঁদ বয়ান।
অরুণ দৃগঞ্চলে                 প্রেম দান না করব
না করব অমিয়া সিনান॥
আর কি গোরাচাঁদ                   না হেরব রে
হৃদি মাঝে দেওল শেল।
ও রূপ মাধুরি                      ও দিঠি চাতুরি
উনহিক সঙ্গে চলি গেল॥
সহচর মাঝে গোরা             আর কি না বৈঠব
না করব প্রেম বিলাষ॥
কহে বাসদেব পহু                  খেদ দুরে রহু
বাঢ়ল বিষম পিয়াস॥

সূত্র -
ক। কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় পুথি ৩১৮, ৬৮২৯।
খ। পাঠপাড়ী পুথি, ২১ক, ২১খ, ২৯(কীর্ত্তনানন্দ)।
গ। সাহিত্য পরিষদ পুথি ৯৭৭, চিত্তরঞ্জন সংগ্রহ ৩৬৫।
ঘ। পদরত্নাকর, পৃ -৪৬৮।
চ। প্রত্যক্ষদর্শীর কাব্যে শ্রীচৈতন্য, সতী ঘোষ, পৃ - ১১৫।
ছ। বাসু ঘোষের পদাবলী, মালবিকা চাকী, পদ - ১২৪।
---চিত্রা রায়॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
গৌরাঙ্গ দেখিয়া জুড়াইল হিয়া
ভণিতা বাসুদেব ঘোষ
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি. কলা (বাংলা)
উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https://shodhganga.inflibnet.ac.in )
“বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের
পদাবলী সংকলন, ৭৪০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ কামোদরাগ॥

গৌরাঙ্গ দেখিয়া                    জুড়াইল হিয়া
অমিয়া সিঞ্চিল গায়।
জুবতির মন                        জীবন জৌবন
নিছিয়া ফেলিনু পায়॥
গৌরাঙ্গ গুণের নিধি।
বহি পূন্যফলে                        নদীয়া নগরে
আনি মিলাইল বিধি॥ ধ্রু॥
রাকা শশধর                      জিনিয়া সুন্দর
বদন অমিয়া ধাম।
মনের আঁধার                       হরিল সভার
পূরিল সকল কাম॥
রূপের মাধুরি                       হেরি নরনারি
পূলকে পূরিত ভেল।
নবদ্বীপময়                           সুখের উদয়
সব দুখ দুরে গেল॥
করুণা নয়ানে                    চাহে জার পানে
ও মোর গৌরাঙ্গ রায়।
বাসু ঘোষ বলে                সে তো বিনি মূলে
বিকায় ও রাঙ্গা পায়॥

সূত্র -
ক। পদরত্নাকর, পৃ. ৫৩৩।

মন্তব্য -
পদটি গৌরনাগরী ভাবের। পদরত্নাকর ছাড়া অন্য কোনো সংকলনগ্রন্থে পদটি দেখা যায় না। পদটির ছন্দে
গানের সুরের রেশ অনুভূত হয়। এখানে গৌরাঙ্গের অপরূপ রূপমাধুরীই যে নাগরীকে তাঁর প্রতি অনুরক্ত
করেছে --- এবং সে রূপ সবার মনের আঁধারই দূর করতে সক্ষম একথাই ব্যক্ত হয়েছে।
---চিত্রা রায়॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
শুন শুন সহচরি করি নিবেদন
ভণিতা বাসুদেব ঘোষ
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৭৪১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শুন শুন সহচরি করি নিবেদন।
আনিব গৌরবর ষুনহ বচন॥
যেখানে আছয়ে মোর গৌর-রসিয়া।
সেখানে যায়বি তুয়া গরব করিয়া॥
মিঠ বচন কভু না কহবি তায়।
বাসুদেব ঘোষ তবে গোরাগুণ গায়॥

সূত্র -
ক। কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় পুথি ৬২০৪, পদ - ১৭০০।
খ। বাসু ঘোষের পদাবলী, মালবিকা চাকি, পদ - ৯১।

মন্তব্য -
এখানেও পুথির পাঠ অধিকতর সুন্দর এবং গ্রহণযোগ্য। সংকলন-গ্রন্থটিতে বিকৃতি ঘটেছে
বলে প্রকৃত বক্তব্য বাধাপ্রাপ্ত হয়েছে।---চিত্রা রায়॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
নদীয়া নগরে যতেক নাগরী
ভণিতা বাসুদেব ঘোষ
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি. কলা (বাংলা)
উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https://shodhganga.inflibnet.ac.in )
“বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের
পদাবলী সংকলন, ৭৪২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ রাগোল্লেখ নেই॥

নদীয়া নগরে                        যতেক নাগরী
দেব পূজিবার তরে।
নানা উপহার                      করিঞে সম্ভার
চলিলা দেবের ঘরে॥
বড়ই আকুল হঞে।
করি করপুটে                       দেবের নিকটে
পুণায় করিল জাঞে॥
শচীর কুঙার                        গৌরাকিশোর
দেবকুলে দিলা বর।
আশীষ পাইঞে                     প্রণাম করিঞে
সভে গেলা নিজ ঘর॥
ষুজ্য পূজার                        ভাব রাধিকার
মনে বুঝি গোরা রায়।
সে ভাবে ভাবিত                  হয়ে আনন্দিত
বাসু ঘোষ গুণ গায়॥

সূত্র -
ক। কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় পুথি ৬২০৪, পদ - ১১৫৮।
খ। বাসু ঘোষের পদাবলী, মালবিকা চাকি, পদ - ১৯৩।

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর