| কবি বাসুদেব ঘোষ এর বৈষ্ণব পদাবলী |
| সাজেন পসরা জাইতে মথুরা ভণিতা বাসুদেব কবি বাসুদেব ঘোষ এই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি. কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট, https://shodhganga.inflibnet.ac.in ) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব ঘোষ”, ৪র্থ অধ্যায়, নবাবিষ্কৃত পদাবলী এবং পালাগান, ২২০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। সাজেন পসরা জাইতে মথুরা গোপিনী সকল জায়। গজেন্দ্র গামিণী রাধা সুলোচনী পথ মাঝে সোভা পায়॥ সঙ্গে সহচরি গোপের নাগরি চামর ঢুলায় অঙ্গে। জায়া ধিরে ধিরে প্রেমের সায়রে নাগর সম্ভাষে রঙ্গে॥ সুনগো বড়াই কহিছেন রাই কতদুর মধুপুর। না পারে চলিতে কহিল তোমাতে আর সে না জাব দুর ॥ বড়াই কহেন সুনগো বচন সবে দেখ পথ চাঞ্যা নিকট হইল আটক রহিল জতেক গোপের মেয়্যা॥ জাইতে জাইতে দেখি সৈকতে দানি হল আগুয়ান। জতেক কামিনী গোপের রমণী সভার লইব দান॥ বাসুদেব কয় কহিলাম নিশ্চয় আটক হইল পথ। মোনের কামনা মাধব ভাবনা পুরুক মোনের রথ॥ সূত্র - সাহিত্য পরিষদ পুথি ২৪১৬, বিচ্ছিন্ন পত্র - ১৬। মন্তব্য - পদটি কোন সংকলন গ্রন্থে ধৃত হয় নি। রাধাকৃষ্ণলীলার অন্তর্গত দানলীলা অবলম্বনে বাসুদেব ঘোষ পদটি রচনা করেছেন।---চিত্রা রায়॥ . ************************ . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| রহ রহ বলি কহে বনমালি ভণিতা বাসু ঘোষ কবি বাসুদেব ঘোষ এই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি. কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট, https://shodhganga.inflibnet.ac.in ) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব ঘোষ”, ৪র্থ অধ্যায়, নবাবিষ্কৃত পদাবলী এবং পালাগান, ২২১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। রহ রহ বলি কহে বনমালি এড়ান নাহিক পাবে। বুঝে দেহ দান দিতে হছে দান তবে সে মথুরা যাবে॥ সুন গো বুড়ি বড় দেখি **** কিসের ম *** দান। এতো দিন পথে আসি মথুরাতে কখন না শুনি আন॥ বাসু ঘোষে কয় সুন অতিশয় ঠেকিলে জানিবে তাই। দিতে হল দান দিখে নাহি মোন এড়ান পাইবে নাই॥ সূত্র - সাহিত্য পরিষদ পূথি - ২৪১৬, পদ - ৫০, বিচ্ছিন্ন পত্র। ---চিত্রা রায়॥ . ************************ . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| গৌরাঙ্গ লাবন্যরূপে কি কহিব একমুখে একে সে লাবণ্য রূপে কি কহিব একমুখে ভণিতা বাসু / জয়ানন্দ / নয়নানন্দ কবি বাসুদেব ঘোষ / জয়ানন্দ / নয়নানন্দ এই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি. কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট, https://shodhganga.inflibnet.ac.in ) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব ঘোষ”, ৪র্থ অধ্যায়, নবাবিষ্কৃত পদাবলী এবং পালাগান, ২২৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ( রাগোল্লেখ নেই ) গৌরাঙ্গ লাবন্যরূপে কি কহিব একমুখে আর তাহে ফুলের সাজনি। ও চাঁদের মুখের হাস জিব লাগি হেনবাস আর তাহে পিরিতি চাহনি॥ কেমন কেমন করে মন সুরে লাগে উচাটন পরাণ পুথলি তাহে কান্দে। হেরিঞা গৌরাঙ্গ রূপ বিদরএ জায় বুক ইথে নাকি আর না সুর বান্ধে॥ দারুণ বিধিরে বলিব কি করিলে কুলের ঝি আর তাহে লএ সত-তরে। পরাণ রহিবার নয় কি করিব কুলভয় মোনের আনলে পুড়ে মরে॥ কহিব কাহার আগে কহিলে পীরিতি ভাঙ্গে উপায় বল জাথে দুই ছান্দে। বাসুদেব ঘোষের বাণি সোন প্রিয়া সোজনি ঠেকিলে গৌরাঙ্গ প্রেমফান্দে॥ সূত্র - ক। বিশ্বভারতী পুথি, ৫০৪৬। খ। জয়ানন্দের চৈতন্যমঙ্গল, পৃ*৬২ (জয়ানন্দ ভণিতা)। গ। গৌরপদতরঙ্গিণী, পৃ. ১১১ ( নয়নানন্দ ভণিতা )। মন্তব্য - পাঠান্তর দেওয়া হলেও জয়ানন্দের অমিল প্রচুর। তবু সাধারণভাবে বক্তব্য এক। তুলনায় পুঠির পাঠ গৌরপদতরঙ্গিণীর পাঠের সাথে ভালো মেলে।---চিত্রা রায়॥ ( আমরা পাঠান্তর এখানে তুলিনি।---মিলনসাগর॥ ) জয়ানন্দের ভণিতায় এই পদটি ১৯৭১ সালে প্রকাশিত, বিমান বিহারী মজুমদার ও সুখময় মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত “জয়ানন্দ বিরচিত চৈতন্যমঙ্গল” কাব্যগ্রন্থ, নদীয়া খণ্ড, ৫২শ অধ্যায়, ৬২-পৃষ্ঠায় এইরূপে জয়ানন্দের ভণিতায় দেওয়া রয়েছে। ॥ বারাড়ি রাগ॥ একে সে লাবণ্য রূপে কি কহিব একমুখে আরে নানা ফুলের ছামুনি। আলো সজনি॥ আর তাহে মধুর হাসি জীব হেন নাঞি বাসি আর তাহে বিরিতি চাহনি। আলো সজনি॥ কোন বিধি গড়িল মুখ চান্দে। কেমন কেমন করে মন প্রাণ করে উচাটন পরাণ পুতলী মোর কান্দে॥ ধ্রু। বিধিরে বলিব কি কব়্যাছে কুলের ঝি আর তাহে নহি সতন্বরি। আলো সজনি। কহিলে সে লাজ ভয় পরাণ রাখিল নয় মদন আলসে পুড়্যা মরি॥ কহিব কাহার আগে কহিলে পিরিতি ভাঙ্গে জাতি কুল শীল নাই থাকে। জয়ানন্দ বলে ডাকি শুন সব চন্দ্রমুখী ঠেকিলে গৌরাঙ্গ বেড়া পাকে॥ আলো সজনি॥ নয়নানন্দের ভণিতায় এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২২ বঙ্গাব্দের (১৯১৫ সাল), ১ম খণ্ড, ২য় শাখা ২য় পল্লব, রূপাভিসার, ২৯০-পদসংখ্যায়, নয়নানন্দের ভণিতায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। কেবল রূপানুরাগ। ॥ ধানশী॥ গৌরাঙ্গ-লাবণ্য রূপে কি কহব এক মুখে আর তাহে ফুলের কাঁচনি। ও চান্দ মুখের হাসি জিব না গো হেন বাসি আর তাহে পিরিতি-চাহনি॥ সই লো বিহি গঢ়ল কত ছান্দে। কেমন কেমন করে মন সব লাগে উচাটন পরাণ-পুতলি মোর কান্দে॥ ধ্রু॥ বিধিরে বলিব কি করিলে কুলের ঝি আর তাহে নহি সতন্তরি। গেল কুল লাজ ভয় পরাণ রহিবার নয় মনের আনলে পুড়্যা মরি॥ কহিব কাহার আগে কহিলে পিরিতি ভাঙ্গে চিত মোর ধৈরজ না বান্ধে। নয়নানন্দের বাণী শুন শুন বিনোদিনি ঠেকিলা গৌরাঙ্গ-প্রেম-ফান্দে॥ এই পদটি সামান্য পাঠান্তর সহ, শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল), ২য় খণ্ড, ৩য় শাখা ১০মপল্লব ,রূপানুরাগ, ৭৮৭-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানশী॥ গৌরাঙ্গ-লাবণ্য রূপে কি কহিব এক মুখে আর তাহে ফুলের কাঁচনি। চাঁদ-মুখের হাসি জীব না গো হেন বাসি আর তাহে ভাতিয়া চাহনি॥ বিহি সে গঢ়ল রূপ ছান্দে। কেমন কেমন করে মন সব লাগে উচাটন পরাণ-পুতলি মোর কান্দে॥ ধ্রু॥ বিধিরে বলিব কি করিলে কুলের ঝি আর তাহে নহি স্বতন্তরি। গেল কুল লাজ ভয় পরাণ রহিবার নয় মনের অনলে পুড়ে মরি॥ কহিব কাহার আগে কহিলে পিরিতি ভাঙ্গে চিত মোর ধৈরজ না বান্ধে। নয়নানন্দের বাণী শুন শুন বিনোদিনী ঠেকিলা গৌরাঙ্গ-প্রেম-ফান্দে॥ এই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ১২৭৭-পদসংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো। ॥ ধানশী॥ গৌরাঙ্গ-লাবণ্য রূপে কি কহিব এক মুখে আর তাহে ফুলের কাঁচনি। ও চাঁদ-মুখের হাসি জীব না গো হেন বাসি আর তাহে ভাতিয়া চাহনি॥ বিহি সে গঢ়ল রূপ ছান্দে। কেমন কেমন করে মন সব লাগে উচাটন পরাণ-পুতলি মোর কান্দে॥ ধ্রু॥ বিধিরে বলিব কি করিলে কুলের ঝি আর তাহে নহি স্বতন্তরি। গেল কুল লাজ ভয় পরাণ বাহিরাবার নয় প্রেম অনলে পুড়ে মরি॥ কহিব কাহার আগে কহিলে পিরিতি ভাঙ্গে চিত মোর ধৈরজ না বান্ধে। নয়নানন্দের বাণী শুন শুন বিনোদিনী ঠেকিলা গৌরাঙ্গ-প্রেম-ফান্দে॥ এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ১১০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানশী - ধরাতাল॥ গৌরাঙ্গ-লাবণ্যরূপে কি কহব এক মুখে আর তাহে কুলের কাচনি। চাঁদ মুখের হাসি জীব না গো হেন বাসি আর পীরিতি চাহনি॥ সই লো বিহি গড়ল কত ছাঁদে। কেমন কেমন করে মন সব লাগে উচাটন পরাণ পুতলি মোর কাঁদে॥ ধ্রু॥ বিধিরে বলিব কি করিলে কুলের ঝি আর তাহে নহি স্বতন্তরি। গেল কুললাজভয় পরাণ বাহির নয় মনের আনলে পুড়ে মরি॥ কহিব কাহার আগে কহিলে পীরিতি ভাঙ্গে চিত মোর ধৈরজ না বাঁধে। নয়নানন্দের বাণী শুন শুন ঠাকুরাণি ঠেকিলা গৌরাঙ্গপ্রেমফাঁদে॥ এই পদটি ১৯১০ সালে প্রকাশিত নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ১ম খণ্ড, রূপানুরাগ, ৪৭৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। শ্রীগৌরচন্দ্র। ॥ ভীমপলশ্রী - ধড়া॥ গৌরাঙ্গ লাবণ্য রূপে কি কহব এক মুখে আর তাহে কুলের কাঁচনি। ও চাঁদমুখের হাসি জীব না গো হেন বাসি আর তাহে পিরীতি চাহনি॥ বিহি সে গড়ল রূপ ছান্দে। কেমন কেমন করে মন সব লাগে উচাটন পরাণ পুতলি মোর কান্দে॥ ধ্রু॥ বিধিরে বলিব কি করিলে কুলের ঝি আর তাহে নহি স্বতন্তরি। গেল কুললাজভয় পরাণ রহিবার নয় মনের আনলে পুড়ে মরি॥ কহিব কাহার আগে কহিলে পিরীতি ভাঙ্গে চিতে মোর ধৈরজ না বাঁধে। নয়নানন্দের বাণী শুন শুন বিনোদিনী ঠেকিলা গৌরাঙ্গ প্রেম ফাঁদে॥ এই পদটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হরিলাল চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীপদরত্ন-মালা”, ১৪৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বালা-ধানশী॥ গৌরাঙ্গ লাবণ্য রূপের, কি কহব একমুখে, আর তাহে ফুলের কাঁচনি। ও চাঁন্দ মুখের হাসি, জীব না গো হেন বাসি, আর তাহে ভাতিয়া চাহনি॥ (সই লো) বিহি গঢ়ল কত ছান্দে। কেমন কেমন করে মন, সব লাগে উচাটন পরাণ পুতলী মোর কান্দে॥ বিধিরে বলিব কি, করিল কুলের ঝি, আর তাহে নহি স্বতন্তরী। গেল কুল লাজ ভয়, পরাণ রহিবার নয় মনের অনলে পুড়ে মরি॥ কহিব কাহার আগে, কহিলে পিরীতি ভাঙ্গে চিত মোর ধৈরজ না বান্ধে। নয়নানন্দের বাণী, শুন শুন ঠাকুরাণী ঠেকিলা গৌরাঙ্গ প্রেম ফাঁদে॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৪৮৬-পৃষ্ঠায়, নয়নানন্দ (ভরতপুর)-এর পদ হিসেবে, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। রূপানুরাগ ॥ ধানশী॥ গৌরাঙ্গ লাবণ্য রূপে কি কহিব এক মুখে আর তাহে ফুলের কাঁচনি। চাঁদ মুখের হাসি জীব না গো হেন বাসি আর তাহে ভাতিয়া চাহনি॥ বিহি সে গঢ়ল রূপ ছান্দে। কেমন কেমন করে মন সব লাগে উচাটন পরাণ পুতলি মোর কান্দে॥ ধ্রু॥ বিধিরে বলিব কি করিলে কুলের ঝি আর তাহে নহি স্বতন্তরি। গেল কুল লাজ ভয় পরাণ রহিবার নয় মনের অনলে পুড়ে মরি॥ কহিব কাহার আগে কহিলে পিরীতি ভাঙ্গে চিত মোর ধৈরজ না বান্ধে। নয়নানন্দের বাণী শুন শুন বিনোদিনি ঠেকিলা গৌরাঙ্গ প্রেম ফান্দে॥ এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” নয়নানন্দ (ভরতপুর), ১৮৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। গৌরাঙ্গ লাবণ্য রূপে কি কহিব এক মুখে আর তাহে ফুলের কাঁচনি। চাঁদ মুখের হাসি জীব না গো হেন বাসি আর তাহে ভাতিয়া চাহনি॥ বিহি সে গঢ়ল রূপ ছান্দে। কেমন কেমন করে মন সব লাগে উচাটন পরাণ পুতলি মোর কান্দে॥ বিধিরে বলিব কি করিলে কুলের ঝি আর তাহে নহি স্বতন্তরি। গেল কুল লাজ ভয় পরাণ রহিবার নয় মনের অনলে পুড়ে মরি॥ কহিব কাহার আগে কহিলে পিরীতি ভাঙ্গে চিত মোর ধৈরজ না বান্ধে। নয়নানন্দের বাণী শুন শুন বিনোদিনি ঠেকিলা গৌরাঙ্গ প্রেম ফান্দে॥ . ************************ . সূচীতে . . . মিলনসাগর |