কবি বাসুদেব ঘোষ এর বৈষ্ণব পদাবলী
কিএ হাম পেখলু কনক পুতলিয়া
কিয়ে হাম পেখলুঁ কনক-পুতলিয়া
কিয়ে হাম পেখলোঁ কনকপুতলিয়া
কিয়ে হাম পেখনু কনক পুতলিয়া
কিয়ে হাম পেখিনু কনকপুতলিয়া
কিয়ে হাস পেখলু কনক পুতলিয়া
কিবে হামা পেখলু কনক পুতলিয়া
ভণিতা বাসুদেব ঘোষ
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি নরহরি চক্রবর্তী (ঘনশ্যাম) দ্বারা আনুমানিক ১৭২৫ সাল নাগাদ বিরচিত এবং  
৪২৬ গৌরাব্দে (১৯১৩ খৃষ্টাব্দ), রামদেব মিশ্র দ্বারা প্রকাশিত “ভক্তিরত্নাকর” গ্রন্থ, ৭৭৪-
পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ গীতে রাগঃ কামোদঃ॥

কিএ হাম পেখলু কনক পুতলিয়া। শচীর অঙ্গণে নাচে
ধূলি ধূসরিয়া॥ চৌদিগে দিগম্বর @ বালক বেঢ়িয়া। তার মাঝে
নাচে গোরা হরি হরি বলিয়া॥ উজ্জ্বল কমলপদ ধায় দ্বিজ-
মণিয়া। জননী শুনয়ে ভাল নূপুরের ধনিয়া॥ কহে বাসুদেব-
ঘোষ শিশু রস জানিয়া। ধন্য নদিয়ার লোক নবদ্বীপ ধনিয়া॥

@ - দিগম্বর - গ্রন্থে “বিগম্বর” দেওয়া রয়েছে।

ই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল), ২য় খণ্ড,
৩য় শাখা, ১৯শ পল্লব, কৌমারোচিত বাত্সল্য, ১১৫০-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

অথ কৌমার-পৌগণ্ড-কালোচিত-বাত্সল্যং যথা।
শ্রীগৌরচন্দ্রঃ।
॥ মায়ুর॥

কিয়ে হাম পেখলুঁ কনক-পুতলিয়া।
শচীর আঙ্গিনায় নাচে ধূলি-ধূসরিয়া॥
চৌদিকে দিগম্বর বালকে বেঢ়িয়া।
তার মাঝে গোরা নাচে হরি হরি বলিয়া॥
রাতুল কমল-পদে ধায় দ্বিজমণিয়া।
জননী শুনয়ে ভাল নূপুরের ধ্বনিয়া॥
বাসুদেব ঘোষে কহে শিশু-রস জানিয়া।
ধন্য নদিয়ার লোক নবদ্বীপ ধনিয়া॥

ই পদটি দীনবন্ধু দাস দ্বারা ১৭৭১ সালে লিখিত, দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের সংগ্রহের
পুথি (সংকলনের সাল নিয়ে আমরা নিশ্চিত নই), ১৯২৯ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ
থেকে অমূল্যচরণ বিদ্যাভূষণ দ্বারা সম্পাদিত ও মুদ্রিত পদাবলী সংকলন
“শ্রীশ্রীসংকীর্ত্তনামৃত”, ২৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ মায়ুর রাগ॥

কিয়ে হাম পেখলোঁ কনকপুতলিয়া।
শচীর আঙ্গিনাএ ধুলাএ ধুসরিয়া॥
চৌদিকে দিগম্বর বালক বেঢ়িয়া।
কঙল কুন্তল ভালে জগত দুলালিয়া॥
উজল কমল পদ ধায় দ্বিজমণিয়া।
জননী শুনএ ভাল নূপুর ধনিয়া॥
কহে বাসুদেব ঘোষ শিশুরস জানিয়া।
ধন্য নদিয়ার লোক নবদ্বীপ ধনিয়া॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ, ৪৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বেলোয়ারস, দশকোশি॥

কিয়ে হাস পেখলু কনক পুতলিয়া।
শচীর আঙ্গিনায় নাচে ধূলি-ধূসরিয়া॥
চৌদিকে দিগম্বর বালক বেড়িয়া।
তার মাঝে গোরা নাচে হরি হরি বলিয়া॥
রাতুল কমল পদে ধায় দিনমণিয়া।
জননী শুনয়ে ভাল নূপুর সুধ্বনিয়া॥
বাসুদেব ঘোষ কহে শিশুরস জানিয়া।
ধন্য নদিয়ার লোক নবদ্বীপ ধনিয়া॥

ই পদটি চন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সমস্ত জীবন ধরে, ১৮৭০ সাল পর্যন্ত সংগৃহীত
এবং তাঁর পুত্র রাজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা ১৯২২ সালে প্রকাশিত “শ্রীশ্রীপদামৃতসিন্ধু”,
২০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

কৌমার লীলা।
গৌরচন্দ্র।

কিয়ে হাম পেখনু কনক পুতলিয়া। শচীর আঙ্গিনায় খেলেরে ধূলি ধূসরিয়া॥ চৌদিগে
দিগম্বর বালক বেঢ়িয়া। মাঝেরে গৌরাঙ্গ নাচেরে হরি হরি বলিয়া॥ উজ্জ্বল কমল পদে ধায়
দিনমণিয়া। জননী শুনয়ে ভালরে নূপুরকিধ্বনিয়া॥
কহে বাসুদেব ঘোষ শিশুরস জানিয়া। ধন্য রে নদিয়াবাসীরে নবদ্বীপধনিয়া॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৪৮৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ মায়ুর॥

কিয়ে হাম পেখলু কনক-পুতলিয়া।
শচীর আঙ্গিনায় নাচে ধূলি-ধূসরিয়া॥
চৌদিকে দিগম্বর বালকে বেড়িয়া।
তার মাঝে গোরা নাচে হরি হরি বলিয়া॥
রাতুল কমল-পদে ধায় দ্বিজমণিয়া।
জননী শুনয়ে ভাল নূপুরে সুধ্বনিয়া॥
বাসুদেব ঘোষে কহে শিশু-রস জানিয়া।
ধন্য নদীয়ার লোক নবদ্বীপ ধনিয়া॥

ই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত
মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৩য় খণ্ড, ১০৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

কৌমার পৌগণ্ড-কালোচিত
বাত্সল্য রস
শ্রীগৌরচন্দ্র।
॥ ধানশ্রী মিশ্র বিভাস - জপতাল॥

কিয়ে হাম পেখলুঁ কনক পুতলিয়া।
শচীর আঙ্গিনায় নাচে ধূলি ধূসরিয়া॥
চৌদিকে দিগম্বর বালকে বেড়িয়া।
তার মাঝে গোরা নাচে হরি হরি বলিয়া॥
রাতুল কমল পদে ধায় দ্বিজমণিয়া।
জননি শুনয়ে ভাল নূপুরে ধ্বনিয়া॥
বাসুদেব ঘোষে কহে শিশু-রস জানিয়া।
ধন্য নদিয়ার লোক নবদ্বীপ ধনিয়া॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১৫৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীগৌরাঙ্গের বাল্যলীলা
॥ বেলোয়ার - দশকোশি॥

কিয়ে হাম পেখলুঁ কনক পুতলিয়া।
শচীর আঙ্গিনায় নাচে ধূলি ধূসরিয়া॥
চৌদিকে দিগম্বর বালক বেড়িয়া।
তার মাঝে গোরা নাচে হরি হরি বলিয়া॥
রাতুল কমল পদে ধায় দিনমণিয়া।
জননী শুনয়ে ভাল নূপুর সুধ্বনিয়া॥
বাসুদেব ঘোষ কহে শিশুরস জানিয়া।
ধন্য নদিয়ার লোক নবদ্বীপ ধনিয়া॥

ই পদটি ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত, সতী ঘোষ সম্পাদিত “প্রত্যদর্শীর কাব্যে মহাপ্রভু
শ্রীচৈতন্য”, ৯৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

কিবে হামা পেখলু কনক পুতলিয়া।
শচীর আঙ্গিনায় নাচে ধূলি ধূসরিয়া॥
চৌদিকে দিগম্বর বালক বেঢ়িয়া।
মধ্যে গৌরাঙ্গ নাচে হরি হরি বলিয়া॥
জননী শুনই তান নূপুরক ধ্বনিয়া।
উজোর করিল পদে ধায় দ্বিজমণিয়া॥
কহে বাসুদেব ঘোষ শিশুরস জানিয়া।
ধন্যরে নদিয়ার লোক কলিযুগ ধনিয়া॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৫৪০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ কামোদরাগ॥

কিয়ে হাম পেখিনু কনকপুতলিয়া।
শচীর অঙ্গনে নাচে ধুলি ধূসরিয়া॥
চৌদিকে দিগম্বর বালকে বেঢ়িয়া।
তার মাঝে গোরা নাচে হরি হরি বলিয়া॥
উজ্জ্বল কমল পদে ধায় দ্বিজমনিয়া।
জননী শুনয়ে ভাল নূপুর ধ্বনিয়া॥
বাসুদেব ঘোষে কহে শিশুরস জানিয়া।
ধন্য নদীয়ার লোক নবদ্বীপ ধনিয়া॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
পূর্ব্বলীলা গোরাচাঁদের মনেতে পড়িল
পূর্ব্বলীলা গোরাচান্দের মনেতে পড়িল
আজু রে গৌরাঙ্গের মনে কি ভাব উঠিল
গোষ্ঠলীলা গোরা চাঁদের মনেতে পড়িল
ভণিতা বাসুদেব ঘোষ
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি নরহরি চক্রবর্তী (ঘনশ্যাম) দ্বারা আনুমানিক ১৭২৫ সাল নাগাদ বিরচিত এবং  
৪২৬ গৌরাব্দে  (১৯১৩ খৃষ্টাব্দ),  রামদেব মিশ্র  দ্বারা প্রকাশিত  “ভক্তিরত্নাকর” গ্রন্থ, ৯৩৫-
পৃষ্ঠা।

॥ গীতে যথা - তোড়ী॥

পূর্ব্বলীলা গোরাচাঁদের মনেতে পড়িল। সাঙলি ধবলি
বলি সঘনে ডাকিল॥ শিঙা বেণু মুরলী করিয়া জয়ধ্বনি। হৈ
হৈ করিয়া ঘন ফিরায় পাঁচনী॥ রামাই সুন্দরা আর সঙ্গে
নিত্যানন্দ। গৌরীদাস আদি সভে হইলা আনন্দ॥ বাসুদেব-
ঘোষে কহে মনের হরিষে। গোষ্ঠলীলা গোরাচাঁদ করিলা
প্রকাশে॥

ই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল), ২য় খণ্ড,
৩য় শাখা, ২১শ পল্লব, সখ্য-রস-গোষ্ঠে গমন, ১১৮৬-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বেলোয়ার॥

আজু রে গৌরাঙ্গের মনে কি ভাব উঠিল।
ধবলী সাঙলী বলি সঘনে ডাকিল॥
শিঙ্গা বেণু মুরলী করিয়া জয় ধ্বনি।
হৈ হৈ করিয়া ফিরায় পাঁচনী॥
রামাই সুন্দরানন্দ সঙ্গে নিত্যানন্দ।
গৌরীদাস অভিরাম সভার আনন্দ॥
বাসুদেব ঘোষ কহে মনের হরিষে।
গোষ্ঠলীলা গোরাচাঁদ করিলা প্রকাশে॥

ই পদটি দীনবন্ধু দাস দ্বারা ১৭৭১ সালে লিখিত, দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের সংগ্রহের
পুথি (সংকলনের সাল নিয়ে আমরা নিশ্চিত নই), ১৯২৯ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ
থেকে অমূল্যচরণ বিদ্যাভূষণ দ্বারা সম্পাদিত ও মুদ্রিত পদাবলী সংকলন
“শ্রীশ্রীসংকীর্ত্তনামৃত”, ২৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

অথ গোষ্ঠ॥
তত্র গৌরচন্দ্রঃ।

পূর্ব্বলীলা গোরাচান্দের মনেতে পড়িল।
ধবলি শ্যামলি বলি ঘন ডাক দিল॥
সিঙ্গা বেণু মুরলীর করি জয়ধ্বনি।
হৈ হৈ বলিঞা ঘন ফিরাএ পাচনি॥
রামাই সুন্দরানন্দ সঙ্গে নিত্যানন্দ।
গৌরীদাস আদি সভে হইল আনন্দ॥
বাসুদেব ঘোষ গায় মনের হরিষে।
গোষ্ঠলীলা গোরাচান্দ করিল প্রকাশে॥

ই পদটি ১৮৪৯ সালে প্রকাশিত গৌরমোহন দাস সংকলিত পদাবলী সংকলন
“পদকল্পলতিকা”, ২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া দেওয়া রয়েছে।

॥ মায়ুর॥

গোষ্ঠলীলা গোরা চাঁদের মনেতে পড়িল। ধবলী
শামলী বলি সঘনে ডাকিল॥ শিঙা বেণু মুরলী করিয়া জয়
ধ্বনি। হৈ হৈ করিয়া ঘন ফিরায় পাঁচনি॥ রামাই সুন্দরানন্দ
সঙ্গে মুকুন্দ। গৌরীদাস আদি সভে হইল আনন্দ॥ বাসুদেব
ঘোষে গায় মনের হরিষে। গোষ্ঠলীলা গোরাচাঁদ করিল
প্রকাশে॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ (১ম সংস্করণ ১৯০২), ২১২-পৃষ্ঠায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ মায়ূর॥

গোষ্ঠলীলা গোরাচাঁদের মনেতে পড়িল।
ধবলী শাঙলী বলি সঘনে ডাকিল॥
শিঙ্গা বেনু মূরলী করিয়া জয়ধ্বনি।
হৈ হৈ করিয়া ঘন ঘুরায় পাঁচনি॥
রামাই সুন্দরানন্দ সঙ্গেতে মুকুন্দ।
গৌরীদাস আদি সবে পাইল আনন্দ॥
বাসুদেব ঘোষ গায় মনের হরিষে।
গোষ্ঠলীলা গোরাচাঁদ করিল প্রকাশে॥

ই পদটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত, হরিলাল চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “শ্রীশ্রীপদরত্ন-মালা”, ২৫০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

আজু রে গৌরাঙ্গের মনে কি ভাব উঠিল।
ধবলী সাঙলী বলি সঘনে ডাকিল॥
শিঙ্গা বেণু মুরলী ভরিয়া জয়ধ্বনি।
হৈ হৈ বলিয়া গোরা ফিরায় পাঁচনী॥
রামাই সুন্দরানন্দ সঙ্গে নিত্যানন্দ।
গৌরীদাস অভিরাম সভার আনন্দ॥
বাসুদেব ঘোষ কহে মনের হরিষে।
গোষ্ঠ লীলা গোরাচাঁদ করিলা প্রকাশে॥

ই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত
মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৩য় খণ্ড, ১৫৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীকৃষ্ণের গোষ্ঠলীলা।
॥ বেলোয়ার - মধ্যম একতালা॥

আজু রে গৌরাঙ্গের মনে কি ভাব উঠিল।
ধবলী শাঙলী বলি সঘনে ডাকিল॥
শিঙ্গা বেণু মুরলি করিয়া জয়ধ্বনি।
হৈ হৈ বলিয়া গোরা ফিরায় পাঁচনি॥
রামাই সুন্দরানন্দ সঙ্গে নিত্যানন্দ।
গৌরীদাস অভিরাম সভার আনন্দ॥
বাসুদেব ঘোষ কহে মনের হরিষে।
গোষ্ঠ লীলা গোরাচান্দ করিলা প্রকাশে॥

ই পদটি ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত, সুধীরচন্দ্র রায় ও অপর্ণা দেবী সম্পাদিত পদাবলী
সংকলন “কীর্ত্তন পাদাবলী”. ২২৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

গোষ্ঠখণ্ড।
॥ বেলোয়ার - মধ্যম একতালা॥

আজু রে গৌরাঙ্গের মনে কি ভাব উঠিল।
ধবলী সাঙলী বলি সঘনে ডাকিল॥
সিঙ্গা বেণু মুরলী করিয়া জয়ধ্বনি।
হৈ হৈ বলিয়া গোরা ফিরায় পাঁচনী॥
রামাই সুন্দরানন্দ সঙ্গে নিত্যানন্দ।
গৌরীদাস অভিরাম সবার আনন্দ॥
বাহু তুলি গোরাচাঁদ করে হরিধ্বনি।
আনন্দে বিভোর ভেল নদীয়া-রমণী॥
বাসুদেব ঘোষ কহে মনের হরিষে।
গোষ্ঠ লীলা গোরাচান্দ করিলা প্রকাশে॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১৬৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

গোষ্ঠলীলা
॥ মায়ূর॥

গোষ্ঠলীলা গোরাচাঁদের মনেতে পড়িল।
ধবলী শাঙলী বলি সঘনে ডাকিল॥
শিঙ্গা বেনু মুরলী করিয়া জয়ধ্বনি।
হৈ হৈ করিয়া ঘন ঘুরায় পাঁচনি॥
রামাই সুন্দরানন্দ সঙ্গেতে মুকুন্দ।
গৌরীদাস আদি সবে পাইল আনন্দ॥
বাসুদেব ঘোষ গায় মনের হরিষে।
গোষ্ঠলীলা গোরাচাঁদ করিল প্রকাশে॥

ই পদটি ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত, সতী ঘোষ সম্পাদিত “প্রত্যদর্শীর কাব্যে মহাপ্রভু
শ্রীচৈতন্য”, ১০২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

গোষ্ঠলীলা গোরা চাঁদের মনেতে পড়িল।
ধবলী শাঙলী বলি সঘনে ডাকিল॥
শিঙ্গা বেনু মুরলী করিয়া জয়ধ্বনি।
হৈহৈ করিয়া ঘন ফিরায় পাঁচনি॥
রামাই সুন্দরানন্দ সঙ্গে নিত্যানন্দ।
গৌরীদাস আদি সভে পাইল আনন্দ॥
বাসুদেব ঘোষে গায় মনের হরিষে।
গোষ্ঠ লীলা গোরাচাঁদ করিলা প্রকাশে॥

ই পদটি ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত, দুর্গাচরণ বিশ্বাস সংগৃহীত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“কীর্ত্তন-পদাবলী”, ১২৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

বিদায় গোষ্ঠ
শ্রীগৌরচন্দ্র

আজুরে গৌরাঙ্গের মনে কি ভাব উঠিল।
ধবলী সাঙলি বলি সঘনে ডাকিল॥
শিঙ্গা বেনু মুরলী করিয়া জয়ধ্বনি।
হৈ হৈ করিয়া গোরা ফিরায় পাঁচনী॥
রমাই সুন্দরানন্দ প্রভুর সঙ্গে নিত্যানন্দ।
গৌরীদাস অভিরাম সভার আনন্দ॥
বাসুদেব ঘোষ কহে মনের হরিষে।
গোষ্ঠলীলা গোরাচাঁদ করিল প্রকাশে॥

ই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত বিমানবিহারী মজুমদার সম্পাদিত “পাঁচশত বত্সরের
পদাবলী ১৪১০-১৯১০”, ৭১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

আজু রে গৌরাঙ্গের মনে কি ভাব উঠিল।
ধবলী সাঙলী বলি সঘনে ডাকিল॥
শিঙ্গা বেনু মুরলী করিয়া জয় ধ্বনি।
হৈ হৈ করিয়া ফিরায় পাঁচনী॥
রামাই সুন্দরানন্দ সঙ্গে নিত্যানন্দ।
গৌরীদাস অভিরাম সভার আনন্দ॥
বাসুদেব ঘোষ কহে মনের হরিষে।
গোষ্ঠলীলা গোরাচাঁদ করিল প্রকাশে॥

ই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত, বিমান বিহারী মজুমদার সম্পাদিত “ষোড়শ শতাব্দীর
পদাবলী-সাহিত্য”, ৩৩৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

আজু রে গৌরাঙ্গের মনে কি ভাব উঠিল।
ধবলী সাঙলী বলি সঘনে ডাকিল॥
শিঙ্গা বেনু মুরলী করিয়া জয় ধ্বনি।
হৈ হৈ করিয়া ফিরায় পাঁচনী॥
রামাই সুন্দরানন্দ সঙ্গে নিত্যানন্দ।
গৌরীদাস অভিরাম সভার আনন্দ॥
বাসুদেব ঘোষ কহে মনের হরিষে।
গোষ্ঠলীলা গোরাচাঁদ করিল প্রকাশে॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৫৭৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ রাগ তোড়ী॥

পূর্ব্বলীলা গোরাচাঁদের মনেতে পড়িল।
ধবলী সাঙলি বলি সঘনে ডাকিল॥
সিঙা বেনু মুরলী করিয়া জয়ধ্বনি।
হৈ হৈ করিয়া ঘন ফিরায় পাঁচনি॥
রামাই সুন্দর আর সঙ্গে নিত্যানন্দ।
গৌরীদাস আদি সভে হইলা আনন্দ॥
বাসুদেব ঘোষ কহে মনের হরিষে।
গোষ্ঠলীলা গোরাচাঁদ করিলা প্রকাশে॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
বৃন্দাবন-লীলা গোরার মনেতে পড়িল
বৃন্দাবনের লীলা গোরার মনেতে পড়িল
বৃন্দাবনলীলা তবে মনেতে পড়িল
বৃন্দাবোনলিলা গোরার মনেতে পড়িল
ভণিতা বাসুদেব ঘোষ
কবি বাসুদেব ঘোষ        
এই পদটি নরহরি চক্রবর্তী (ঘনশ্যাম) দ্বারা আনুমানিক ১৭২৫ সাল নাগাদ বিরচিত এবং  
৪২৬ গৌরাব্দে (১৯১৩ খৃষ্টাব্দ), রামদেব মিশ্র দ্বারা প্রকাশিত “ভক্তিরত্নাকর” গ্রন্থ, ৯৪১-
পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ গীতে যথা - কামোদঃ॥

বৃন্দাবন-লীলা গোরার মনেতে পড়িল। যমুনার ভাণ সুর-
ধুনিরে করিল॥ ফুলবন দেখি বৃন্দাবনের সমান। সখাগণে
করে গোপীগণ অনুমান॥ খোল করতাল গোরা সুমেলি
করিয়া। তার মাঝে নাচে গোরা জয় জয় দিয়া॥ ঢল ঢল
গোরা তনু কাঞ্চন জিনিয়া। আজানু লম্বিত ভুজ নব কম-
নিয়া॥ বাসুদেবঘোষ তাহে করয়ে বিলাস। রাসরস গোরা
পহুঁ করয়ে প্রকাশ॥

ই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল), ২য় খণ্ড,
৩য় শাখা, ২৩শ পল্লব, গোবর্দ্ধন-লীলা, ১২৫৩-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তুড়ী॥

বৃন্দাবন-লীলা গোরার মনেতে পড়িল।
যমুনার ভাব সুরধুনীরে করিল॥
ফুলবন দেখি বৃন্দাবনের সমান।
সহচরগণ গোপীগণ অনুমান॥
খোল করতাল গোরা সুমেলি করিয়া।
তার মাঝে নাচে গোরা জয় জয় দিয়া॥
বাসুদেব ঘোষ তাহে করয়ে বিলাস।
রাস-রস গোরাচাঁদ করিলা প্রকাশ॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ (১ম সংস্করণ ১৯০২), ২১৫-পৃষ্ঠায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তুড়ী॥

বৃন্দাবনের লীলা গোরার মনেতে পড়িল।
যমুনার ভাব সুরধুনীরে করিল॥
ফুলবন দেখি বৃন্দাবনের সমান।
সহচরগণ গোপী সম অনুমান॥
খোল করতাল গোরা সুমেল করিয়া।
তার মাঝে নাচে গোরা জয় জয় দিয়া॥
বাসুদেব ঘোষ তাহে করয়ে বিলাস।
রাস-রস গোরাচাঁদ করিল প্রকাশ॥

ই পদটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত, হরিলাল চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “শ্রীশ্রীপদরত্ন-মালা”, ৪১০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

রাসলীলা।
তস্য শ্রীগৌরচন্দ্র।
॥ তুড়ী॥

বৃন্দাবন-লীলা গোরার মনেতে পড়িল।
যমুনার ভাব সুরধুনীরে করিল॥
ফুলবন দেখি বৃন্দাবনের সমান।
সহচরগণ গোপীগণ অনুমান॥
খোল করতাল গোরা সুমেলি করিয়া।
তার মাঝে নাচে গোরা জয় জয় দিয়া॥
বাসুদেব ঘোষ তাহে করয়ে বিলাস।
রাস রস গোরাচাঁদ করিলা প্রকাশ॥

ই পদটি সাহিত্য-পরিষৎ-পত্রিকায় ১৩৩৩ (১৯২৬) বঙ্গাব্দের অতিরিক্ত সংখ্যায়
প্রকাশিত, মুনশী আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ সঙ্কলিত “বাঙ্গালা প্রাচীন পুথির বিবরণ”,
৩য় খণ্ড, ২য় সংখ্যা, ১৬৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

রাস---

বৃন্দাবোনলিলা গোরার মনেতে পড়িল।
যমুনার ভাব সুরধনিরে করিল॥
ফুলবোন দেখি বৃন্দাবোনের শমান।
সথা সব গোপীগণ করে অনুমান॥
খোল করতাল গোরা সুমেলি করিঞা।
তার মাঝে নাচে গোরা জয় জয় দিঞা॥
বাসুদেব ঘোষ কহে করএ বিলাশ।
রাশরশ গোরা পহু করল প্রকাশ॥

ই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত “পদামৃত লহরী”,
১৪৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

অথ রাসলীলা
॥ রাগিণী তুড়ী - তাল বড় দশকুশি॥

বৃন্দাবন লীলা গোরার মনেতে পড়িল। যমুনার ভাবে
সুরধুনীরে দেখিল॥ ফুলবন দেখি বৃন্দাবনের সমান। সহচরগণ
ব্রজগোপী অনুমান॥ খোল করতাল গোরা সুমেলি করিয়া। তার
মাঝে নাচে গোরা জয় জয় দিয়া॥ বাসুদেব ঘোষ তাহে করয়ে
বিলাস। রাসরস গোরাচাঁদ করিলা প্রকাশ॥

ই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত
মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৩য় খণ্ড, ৪৯০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শারদ পূর্ণিমায় মহারাস।
শ্রীগৌরচন্দ্র।
॥ তুড়ী - বড় রূপক॥

বৃন্দাবন লীলা গোরার মনেতে পড়িল।
যমুনার ভাবে সুরধুনীরে দেখিল॥
ফুলবন দেখি বৃন্দাবনের সমান।
সহচরগণ গোপীগণ অনুমান॥
খোল করতাল গোরা সুমেলি করিয়া।
তার মাঝে নাচে গোরা জয় জয় দিয়া॥
বাসুদেব ঘোষ-পহুঁ করয়ে বিলাস।
রাস-রস গোরাচাঁদ করিলা প্রকাশ॥

ই পদটি ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত, সুধীরচন্দ্র রায় ও অপর্ণা দেবী সম্পাদিত পদাবলী
সংকলন “কীর্ত্তন পাদাবলী”. ৩৭১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

রাসলীলা
মহারাস
॥ তুড়ী - রূপক॥

বৃন্দাবন-লীলা গোরার মনেতে পড়িল।
যমুনার ভাব সুরধুনী যে ধরিল॥
ফুল-বন দেখি বৃন্দাবনের সমান।
সহচরগণ গোপীগণ অনুমান॥
খোল করতাল গোরা সুমেলি করিয়া।
তার মাঝে নাচে গোরা জয় জয় দিয়া॥
বাসুদেব ঘোষ তাহে করয়ে বিলাস।
রাস-রস গোরাচাঁদ করিলা প্রকাশ॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১৬৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শরত্কালীয় মহারাস
॥ তুড়ী॥

বৃন্দাবনের লীলা গোরার মনেতে পড়িল।
যমুনার ভাব সুরধুনীরে করিল॥
ফুলবন দেখি বৃন্দাবনের সমান।
সহচরগণ গোপী সম অনুমান॥
খোল করতাল গোরা সুমেল করিয়া।
তার মাঝে নাচে গোরা জয় জয় দিয়া॥
বাসুদেব ঘোষ কহে করয়ে বিলাস।
রাসরস গোরাচাঁদ করিল প্রকাশ॥

ই পদটি ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত, সতী ঘোষ সম্পাদিত “প্রত্যদর্শীর কাব্যে মহাপ্রভু
শ্রীচৈতন্য”, ১০২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

বৃন্দাবনলীলা তবে মনেতে পড়িল।
যমুনার ভাব সুরধুনীরে করিল॥
ফুলবন দেখি বৃন্দাবনের সমান।
সহচরগণ করে গোপ গোপী অনুমান॥
খোল করতাল গোরা সুমেল করিয়া।
তার মাঝে নাচে গোরা জয় জয় দিয়া॥
বাসুদেব ঘোষ তাহে করয়ে বিলাস।
রাস রস গোরা পহুঁ করিলা প্রকাশ॥

ই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত বিমানবিহারী মজুমদার সম্পাদিত “পাঁচশত বত্সরের
পদাবলী ১৪১০-১৯১০”, ১৬৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

রাসলীলা

বৃন্দাবন-লীলা গোরার মনেতে পড়িল।
যমুনার ভাব সুরধুনীরে করিল॥
ফুলবন দেখি বৃন্দাবনের সমান।
সহচরগণ গোপীগণ অনুমান॥
খোল করতাল গোরা সুমেলি করিয়া।
তার মাঝে নাচে গোরা জয় জয় দিয়া॥
বাসুদেব ঘোষ তাহে করয়ে বিলাস।
রাস-রস গোরাচাঁদ করিলা প্রকাশ॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৬১০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ কামোদ॥

বৃন্দাবন-লীলা গোরার মনেতে পড়িল।
যমুনার ভান সুরধুনীরে করিল॥
ফুলবন দেখে বৃন্দাবনের সমান।
সখাসণে করে গোপীগণ অনুমান॥
খোল করতাল গোরা সুমেলি করিয়া।
তার মাঝে নাচে গোরা জয় জয় দিয়া॥
ঢল ঢল গোরাতনু কাঞ্চন জিনিয়া।
আজানু লম্বিত ভুজ নব কমনিয়া॥
বাসুদেব ঘোষ তাহে করএ বিলাস।
রাস রস গোরাপহুঁ করিলা প্রকাশ॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
সোঙরি পুরুবলীলা ত্রিভঙ্গ হইলা
সঙরি পুরব লীলা ত্রিভঙ্গ হইয়া
সোঙরি পূরব লীলা ত্রিভঙ্গ হইয়া
সোঙরি পূরুব লীলা ত্রিভঙ্গ হইয়া
সোঙ্গরি পূরব কেলি ত্রিভঙ্গ হইয়া
ভণিতা বাসুদেব ঘোষ
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি নরহরি চক্রবর্তী (ঘনশ্যাম) দ্বারা আনুমানিক ১৭২৫ সাল নাগাদ বিরচিত এবং  
৪২৬ গৌরাব্দে (১৯১৩খৃষ্টাব্দ), রামদেব মিশ্র দ্বারা প্রকাশিত “ভক্তিরত্নাকর” গ্রন্থ, ৯৩৪-পৃষ্ঠা।

॥ পুনর্ধানশী॥

সোঙরি পুরুবলীলা ত্রিভঙ্গ হইলা। মোহন মুরলী গোরা
অধরে ধরিলা॥ মুরলীর রন্ধ্রে ফুক দিলা গোরাচান্দ। অঙ্গুলি
চালা’য়া করে সুললিত গান॥ নগরের লোক যত শুনিয়া
মোহিত। সুরধুনি তীরে তরু লতা পুলকিত॥ বাসুদেব ঘোষ
তাহা কি বলিতে জানে। ভুবনমোহিল গোরা মুরলীর গানে।

ই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল),
২য়খণ্ড,৩য় শাখা, ২৫শপল্লব ,দান-লীলা, ১৩৫৩-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বেলোয়ার॥

সোঙরি পুরব-লীলা ত্রিভঙ্গ হইয়া।
মোহন মুরলী গোরা অধরে লইয়া॥
মুরলীর রন্ধ্রে ফুক দিল গোরাচাঁদ।
অঙ্গুলী চালাঞা করে সুললিত গান॥
নগরের লোক যত শুনিয়া মোহিত।
সুরধুনী-তীরে তরু লতা পুলকিত॥
ভুবন মোহন গোরা-মুরলীর স্বরে।
বাসুদেব ঘোষ ইথে কি বলিতে পারে॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ (১ম সংস্করণ ১৯০২), ২১৪-পৃষ্ঠায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বেলোয়ার॥

সোঙরি পূরব লীলা ত্রিভঙ্গ হইয়া।
মোহন মুরলী গোরা অধরে লইয়া॥
মুরলীর রন্ধ্রে ফুক দিল গোরাচাঁদ।
অঙ্গুলী নাচাঞা করে সুললিত গান॥
নগরের লোক যত শুনিয়া মোহিত।
সুরধুনীতীরে তরু লতা পুলকিত॥
ভুবনমোহন গোরা মুরলীর স্বরে।
বাসুদেব ঘোষ ইথে কি বলিতে পারে॥

ই পদটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত, হরিলাল চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “শ্রীশ্রীপদরত্ন-মালা”, ৩০৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

দান-লীলা।
(প্রকারান্তর)
তস্য শ্রীগৌরচন্দ্র।
॥ বেলোয়ার॥

সোঙরি পূরব লীলা ত্রিভঙ্গ হইয়া।
মোহন মুরলী গোরা অধরে লইয়া॥
মুরলীর রন্ধ্রে ফুক দিল গোরাচাঁদ।
অঙ্গুলী চালাঞা করে সুললিত গান॥
নগরের লোক যত শুনিয়া মোহিত।
সুরধুনী তীরে তরু লতা পুলকিত॥
ভুবন মোহন গোরা মুরলীর স্বরে।
বাসুদেব ঘোষ ইথে কি বলিতে পারে॥

ই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত “পদামৃত লহরী”,
৫৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

পুনশ্চ দানলীলা
গৌরচন্দ্র
॥ রাগিণী হোলোয়ার - সমতাল॥

সঙরি পূরব লীলা ত্রিভঙ্গ হইয়া। মোহন মুরলী গোরা
অধরে লইয়া॥ মুরলীর রন্ধ্রে ফুক্ দিয়া গোরাচাঁদ। অঙ্গুলি
লোলাঞা করে সুললিত গান॥ নগরের লোক যত শুনিয়া
মোহিত। সুরধুনী তীরে তরুলতা পুলকিত॥ ভুবন মোহিল
গোরা মুরলীর স্বরে। বাসুদেব ঘোষ ইথে কি বলিতে পারে॥

ই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত
মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৩য় খণ্ড, ৩৬৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

পুনশ্চ দানলীলা।
॥ তুড়ী - মধ্যম একতালা॥

সোঙরি পূরব লীলা ত্রিভঙ্গ হইয়া।
মোহন মুরলী গোরা অধরে লইয়া॥
মুরলীর রন্ধ্রে ফুক দিল গোরাচাঁদ।
অঙ্গুলী বানাইয়া করে সুললিত গান॥
নগরের লোক যত শুনিয়া মোহিত।
সুরধুনী তীরে তরু লতা পুলকিত॥
ভুবন মোহন গোরা মুরলীর স্বরে।
বাসুদেব ঘোষ ইথে কি বলিতে পারে॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১৬৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

দানলীলা
॥ বেলোয়ার॥

সোঙরি পূরুব লীলা ত্রিভঙ্গ হইয়া।
মোহন মুরলী গোরা অধরে লইয়া॥
মুরলীর রন্ধ্রে ফুঁক দিল গোরাচাঁন্দে।
অঙ্গুলি নাচাঞা গায় সুললিত ছান্দে॥
নগরের লোক যত শুনিয়া মোহিত।
সুরধুনীতীরে তরু লতা পুলকিত॥
ভুবনমোহন গোরা মুরলীর স্বরে।
বাসুদেব ঘোষ ইথে কি বলিতে পারে॥

ই পদটি ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত, সতী ঘোষ সম্পাদিত “প্রত্যদর্শীর কাব্যে মহাপ্রভু
শ্রীচৈতন্য”, ১০২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

সোঙ্গরি পূরব কেলি ত্রিভঙ্গ হইয়া।
মোহন মুরলী গোরা অধরে ধরিয়া॥
মুরলীর রন্ধ্রে ফুঁক দিল গোরা চান্দে।
অঙ্গুলি নচালায়া করে সুললিত ছাঁদে॥
নগরের লোক যত শুনিয়া মোহিত।
সুরধুনী তলে তরু লতা পুলকিত॥
বাসুদেব ঘোষ কহে কে বলিতে পারে।
ভুবন মোহিল গোরা মুরলীর স্বরে॥

ই পদটি ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত, দুর্গাচরণ বিশ্বাস সংগৃহীত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“কীর্ত্তন-পদাবলী”, ১৩৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

দান-লীলা।
(প্রকারান্তর)
তস্য শ্রীগৌরচন্দ্র।

সোঙরি পূরব লীলা ত্রিভঙ্গ হইয়া।
মোহন মুরলী গোরা অধরে লইয়া॥
মুরলীর রন্ধ্রে ফুঁক দিল গোরাচাঁদ।
অঙ্গুলী চালাঞা করে সুললিত গান॥
নগরের লোক যত শুনিয়া মোহিত।
সুরধুনী তীরে তরু লতা পুলকিত॥
ভুবন মোহন গোরা মুরলীর স্বরে।
বাসুদেব ঘোষ ইথে কি বলিতে পারে॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৫৭৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

সোঙরি পুরুব লীলা ত্রিভঙ্গ হইলা।
মোহন মুরলী গোরা অধরে ধরিলা॥
মুরলীর রন্ধ্রে ফুক দিল গোরাচাঁদ।
অঙ্গুলি চালাঞা করে সুললিত গান॥
নগরের লোক যত শুনিয়া মোহিত।
সুরধুনীতিরে তরুলতা পুলকিত॥
বাসুদেব ঘোষ তাহা কি বলিতে জানে।
ভুবন মোহিল গোরা মুরলীর গানে॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
আজু গৌরাঙ্গের মনে কি ভাব উঠিল
আজু রে গৌরাঙ্গের মনে কি ভাব উঠিল
গৌরাঙ্গচাঁদের মনে কি ভাব উঠিল
আযু মনে কি ভাব পড়িল
ভণিতা বাসুঘোষ / বাসুদেব
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি নরহরি চক্রবর্তী (ঘনশ্যাম) দ্বারা আনুমানিক ১৭২৫ সাল নাগাদ বিরচিত এবং  
৪২৬ গৌরাব্দে (১৯১৩খৃষ্টাব্দ), রামদেব মিশ্র দ্বারা প্রকাশিত “ভক্তিরত্নাকর” গ্রন্থ, ৯৩৫-পৃষ্ঠা।

॥ গীতে যথা - কামোদঃ॥

আজু গৌরাঙ্গের মনে কি ভাব উঠিল। নদীয়ার পথে
গোরা দান সিরজিল॥ কি রসের দান চাহে গোরা দ্বিজমণি।
বেত্র দিয়া আগুলিয়া রাখয়ে তরুণী॥ দান দেহ দান দেহ
বলি ঘন ডাকে। নাগর-নাগরী যত পড়িল বিপাকে॥ কৃষ্ণ-
অবতারে আমি সাধিয়াছি দান। সে ভাব পড়িল মনে বাসু-
ঘোষে গান॥

ই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল),
২য়খণ্ড,৩য় শাখা, ২৫শপল্লব ,দান-লীলা, ১৩৬৮-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

গৌরাঙ্গচাঁদের মনে কি ভাব উঠিল।
নদীয়ার মাঝে গোরা দান সিরজিল॥
কি রসের দান চাহে গোরা দ্বিজ-মণি।
বেত্র দিয়া আগুলিয়া রাখয়ে তরুণী॥
দান দেহ দান দেহ বলি গোরা ডাকে।
নগরের নাগরী সব পড়িল বিপাকে॥
কৃষ্ণ-অবতারে আমি সাধিয়াছি দান।
সে ভাব পড়িল মনে বাসুঘোষে গান॥

ই পদটি চন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সমস্ত জীবন ধরে, ১৮৭০ সাল পর্যন্ত সংগৃহীত
এবং তাঁর পুত্র রাজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা ১৯২২ সালে প্রকাশিত “শ্রীশ্রীপদামৃতসিন্ধু”,
৭৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

অথ দানলীলা প্রকারান্তরং।
॥ মায়ূর॥

আজু রে গৌরাঙ্গের মনে কি ভাব উঠিল। নদীয়ার মাঝে গোরা দান
সিরজিল॥ দান দেহ বলি ডাকে গোরা দ্বিজমণি। বেত্র দিয়া আগুলিয়া
রাখয়ে তরণী॥ দান দেহ দেহ বলি ঘন ঘন ডাকে। নদিয়া-নাগরী
সব পড়িল বিপাকে॥ কৃষ্ণ অবতারে আমি সাধিয়াছি দান। সে ভাব পড়িল
মনে বাসু ঘোষে গান॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ (১ম সংস্করণ ১৯০২), ২১৪-পৃষ্ঠায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ মায়ূর॥

আজু রে গৌরাঙ্গের মনে কি ভাব উঠিল।
নদীয়ার মাঝে গোরা দান সিরজিল॥
দান দেহ বলি ডাকে গোরা দ্বিজমণি।
বেত্র দিয়া আগুলিয়া রাখয়ে তরণী॥
দান দেহ কেহ বলি ঘন ঘন ডাকে।
নদীয়া নাগরী সব পড়িল বিপাকে॥
কৃষ্ণ-অবতারে আমি সাধিয়াছি দান।
সে ভাব পড়িল মনে বাসু ঘোষ গান॥

ই পদটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত, হরিলাল চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “শ্রীশ্রীপদরত্ন-মালা”, ২৯৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

দান-লীলা।
তস্য শ্রীগৌরচন্দ্র।
॥ বরাড়ী॥

গৌরাঙ্গচাঁদের মনে কি ভাব উঠিল।
নদীয়ার মাঝে গোরা দান সিরজিল॥
কিসের দান চাহে আছি গোরা দ্বিজমণি।
বেত্র দিয়া আগুলিয়া রাখয়ে তরণী॥
দান দেহ দান দেহ বলি গোরা ডাকে।
নগরের নাগরী সব পড়িল বিপাকে॥
কৃষ্ণ অবতারে আমি সাধিয়াছি দান।
সে ভাব পড়িল মনে বাসুঘোষ গান॥

ই পদটি সাহিত্য-পরিষৎ-পত্রিকায় ১৩৩৩ (১৯২৬) বঙ্গাব্দের অতিরিক্ত সংখ্যায়
প্রকাশিত, মুনশী আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ সঙ্কলিত “বাঙ্গালা প্রাচীন পুথির বিবরণ”,
৩য় খণ্ড, ২য় সংখ্যা, ১৬৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

দানলীলা---

আযু মনে কি ভাব পড়িল।
নদিয়া নগরে গোরা দান সিরজিল॥
কি রসের দান চাহে গোরা গুনমনি।
বেত্র দিঞা আগুলিঞা রাখএ তরূনি॥
দান দেহ দান দেহ বলি ঘন ডাকে।
নগরে নাগরি সব পড়িল বিপাকে॥
কৃষ্ণ অবতারে য়ামি সাধিয়াছি দান।
সভা (সে ভাব) পড়িল মনে বাসুদেব গান॥

ই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত
মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৩য় খণ্ড, ৩৫০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীযমুনার দানলীলা
শ্রীগৌরচন্দ্র।
॥ তুড়ি - বড়রূপক॥

আজু রে গৌরাঙ্গের মনে কি ভাব উঠিল।
নদীয়ার মাঝে গোরা দান সিরজিল॥
কি রসের দান চাহে গোরা দ্বিজমণি।
বেত্র দিয়া আগুলিয়া রাখয়ে তরুণী॥
দান দেহ দান দেহ বলি গোরা ডাকে।
নগরের নাগরী সব পড়িল বিপাকে॥
কৃষ্ণ অবতারে আমি সাধিয়াছি দান।
সে ভাব পড়িল মনে বাসুঘোষে গান॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১৬৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

দানলীলা
॥ মায়ূর॥

আজু রে গৌরাঙ্গের মনে কি ভাব উঠিল।
নদীয়ার মাঝে গোরা দান সিরজিল॥
দান দেহ বলি ডাকে গোরা দ্বিজমণি।
বেত্র দিয়া আগুলিয়া রাখয়ে তরুণী॥
দান দেহ দেহ বলি ঘন ঘন ডাকে।
নদীয়া নাগরী সব পড়িল বিপাকে॥
কৃষ্ণ অবতারে আমি সাধিয়াছি দান।
সে ভাব পড়িল মনে বাসু ঘোষ গান॥

ই পদটি ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত, সতী ঘোষ সম্পাদিত “প্রত্যদর্শীর কাব্যে মহাপ্রভু
শ্রীচৈতন্য”, ১০৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

আজুরে গৌরাঙ্গের মনে কি ভাব উঠিল।
নদীয়ার মাঝে গোরা দান সিরজিল॥
কিসের দান চাহে গোরা দ্বিজমণি।
বেত্র দিয়া আগুলিয়া রাখয়ে তরণী॥
দান দেহ দান দেহ বলি ঘন ডাকে।
নদীয়া নাগরী সব পড়িল বিপাকে॥
কৃষ্ণ অবতারে আমি সাধিয়াছি দান।
সে ভাব পড়িল মনে বাসুঘোষ গান॥

ই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত বিমানবিহারী মজুমদার সম্পাদিত “পাঁচশত বত্সরের
পদাবলী ১৪১০-১৯১০”, ১৫৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

আজু রে গৌরাঙ্গের মনে কি ভাব উঠিল।
নদীয়ার মাঝে গোরা দান সিরজিল॥
কি রসের দান চাহে গোরা দ্বিজমণি।
বেত্র দিয়া আগুলিয়া রাখয়ে তরুণী॥
দান দেহ দান দেহ বলি গোরা ডাকে।
নদীয়া নাগরী সব পড়িল বিপাকে॥
কৃষ্ণ অবতারে আমি সাধিয়াছি দান।
সে ভাব পড়িল মনে বাসু ঘোষ গান॥

ই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত, বিমান বিহারী মজুমদার সম্পাদিত “ষোড়শ শতাব্দীর
পদাবলী-সাহিত্য”, ৪৫৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

আজু রে গৌরাঙ্গের মনে কি ভাব উঠিল।
নদীয়ার মাঝে গোরা দান সিরজিল॥
কি রসের দান চাহে গোরা দ্বিজমণি।
বেত্র দিয়া আগুলিয়া রাখয়ে তরুণী॥
দান দেহ দান দেহ বলি গোরা ডাকে।
নদীয়া নাগরী সব পড়িল বিপাকে॥
কৃষ্ণ অবতারে আমি সাধিয়াছি দান।
সে ভাব পড়িল মনে বাসু ঘোষ গান॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৫৮৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

গৌরাঙ্গচাঁদের মনে কি ভাব উঠিল।
নদীয়ার মাঝে গোরা দান সিরজিল॥
কি রসের দান চাহ গোরা দ্বিজমণি।
বেত্র দিয়া আগুলিয়া রাখএ তরুণি॥
দান দেহ দান দেহ বলি গোরা ডাকে।
নগরের নাগরী সব পড়িল বিপাকে॥
কৃষ্ণ অবতারে আমি সাধিয়াছি দান।
সে ভাব পড়িল মনে বাসু ঘোষে গান॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
কে যাবে কে যাবে বড়াই ডাকে উচ্চস্বরে
কে যাবে কে যাবে বলি ডাকে উচ্চৈস্বরে
কবি বাসুদেব ঘোষ / বলরাম দাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল), ২য় খণ্ড,
৩য় শাখা, ২৫শপল্লব, দান-লীলা, ১৩৬৯-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ শ্রীরাগ॥

কে যাবে কে যাবে বড়াই ডাকে উচ্চস্বরে।
দধি দুগ্ধ ঘৃত ঘোল মথুরায় বেচিবারে॥
সাজাইল পসরা রাই দিল দাসীর মাথে।
চলিলা মথুরার বিকে রঙ্গিয়া বড়াই সাথে॥
পথে যাইতে কহে কথা কানু-পরসঙ্গ।
প্রেমে গরগর চিত পুলকিত অঙ্গ॥
নবীন প্রেমের ভরে চলিতে না পারে।
চঞ্চলা হরিণী যেন দীগ নেহারে॥
হোর কি দেখিয়ে বড়াই কদম্বের তলে।
তড়িতে জড়িত যেন নব জলধরে॥
তাহার উপরে শোভে নব ইন্দ্র ধনু।
বড়াই বলে চিহ্ন না নন্দের বেটা কানু॥
মথুরার বিকে যাইতে আর পথ নাই।
পাতিয়া মঙ্গল-ঘট বস্যাছে কানাই॥
বাসুদেব ঘোষ কহে দধির পসারিণি।
পাতিয়া মঙ্গল-ঘট বসিয়াছে দানী॥

ই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ১৮৭৯-
পদসংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের
পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো।

॥ শ্রীরাগ॥

কে যাবে কে যাবে বড়াই ডাকে উচ্চস্বরে।
দধি দুগ্ধ ঘৃত ঘোল মথুরায় বিকি করিবারে॥
সাজাইল পসরা রাই দিল দাসীর মাথে।
চলিলা মথুরার বিকে রঙ্গিয়া বড়াই সাথে॥
পথে যাইতে কহে কথা কানু-পরসঙ্গ।
প্রেমে গদগদ চিত পুলকিত অঙ্গ॥
নবীন প্রেমের ভরে চলিতে না পারে।
চঞ্চলা হরিণী যেন দিগ নেহারে॥
বাসুদেব ঘোষ কহে দধির পসারিণি।
পাতিয়া মঙ্গল-ঘট বসিয়াছে দানী॥

ই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত
মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৩য় খণ্ড, ৩৬৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

পুনশ্চ দানলীলা।
॥ তুড়ী - মধ্যম একতালা॥

কে যাবে কে যাবে বড়াই ডাকে উচ্চস্বরে।
দধি দুগ্ধ ঘৃত ঘোল মথুরায় বেচিবারে॥
সাজাইয়া পসরা রাই দিল দাসীর মাথে।
চলিলা মথুরায় বিকে রঙ্গিয়া বড়াই সাথে॥
পথে যাইতে কহে কথা কানু পরসঙ্গ।
প্রেমে গরগর চিত পুলকিত অঙ্গ॥
নবীন প্রেমের ভরে চলিতে না পারে।
চঞ্চলা হরিণী যেন দীগ নেহারে॥
হোর কি দেখিয়ে বড়াই কদম্বের তলে।
তড়িতে জড়িত যেন নব জলধরে॥
তাহার উপরে শোভে নব ইন্দ্র ধনু।
বড়াই বলে চিন না নন্দের বেটা কানু॥
মথুরায় বিকে যাইতে আর পথ নাই।
পাতিয়া মঙ্গল ঘট বস্যাছে কানাই॥
বাসুদেব ঘোষ কহে দধির পসারিনি।
পাতিয়া মঙ্গল ঘট বসিয়াছে দানী॥

ই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত বিমানবিহারী মজুমদার সম্পাদিত “পাঁচশত বত্সরের
পদাবলী ১৪১০-১৯১০”, ১৫৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

কে যাবে কে যাবে বড়াই ডাকে উচ্চস্বরে।
দধি দুগ্ধ ঘৃত ঘোল মথুরায় বেচিবারে॥
সাজাইয়া পসরা রাই দিল দাসীর মাথে।
চলিলা মথুরায় বিকে রঙ্গিয়া বড়াই সাথে॥
পথে যাইতে কহে কথা কানুপরসঙ্গ।
প্রেমে গরগর চিত পুলকিত অঙ্গ॥
নবীন প্রেমের ভরে চলিতে না পারে।
চঞ্চল হরিণী যেন দীগ নেহারে॥
হোর কি দেখিয়ে বড়াই কদম্বের তলে।
তড়িতে জড়িত যেন নব জলধরে॥
তাহার উপরে শোভে নব ইন্দ্রধনু।
বড়াই বলে চিন না নন্দের বেটা কানু॥
মথুরায় বিকে যাইতে আর পথ নাই।
পাতিয়া মঙ্গল ঘট বস্যাছে কানাই॥
বাসুদেব ঘোষ কহে দধির পসারিণি।
পাতিয়া মঙ্গল ঘট বসিয়াছে দানী॥

ই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত, বিমান বিহারী মজুমদার সম্পাদিত “ষোড়শ শতাব্দীর
পদাবলী-সাহিত্য”, ৪৫৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

কে যাবে কে যাবে বড়াই ডাকে উচ্চস্বরে।
দধি দুগ্ধ ঘৃত ঘোল মথুরায় বেচিবারে॥
সাজাইয়া পসরা রাই দিল দাসীর মাথে।
চলিলা মথুরায় বিকে রঙ্গিয়া বড়াই সাথে॥
পথে যাইতে কহে কথা কানুপরসঙ্গ।
প্রেমে গরগর চিত পুলকিত অঙ্গ॥
নবীন প্রেমের ভরে চলিতে না পারে।
চঞ্চল হরিণী যেন দীগ নেহারে॥
হোর কি দেখিয়ে বড়াই কদম্বের তলে।
তড়িতে জড়িত যেন নব জলধরে॥
তাহার উপরে শোভে নব ইন্দ্রধনু।
বড়াই বলে চিন না নন্দের বেটা কানু॥
মথুরায় বিকে যাইতে আর পথ নাই।
পাতিয়া মঙ্গল ঘট বস্যাছে কানাই॥
বাসুদেব ঘোষ কহে দধির পসারিণি।
পাতিয়া মঙ্গল ঘট বসিয়াছে দানী॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট, https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in ) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব ঘোষ”,
৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৭৫৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ শ্রীরাগ॥

কে যাবে কে যাবে বড়াই ডাকে উচ্চস্বরে।
দধি দুগ্ধ ঘৃত ঘোল মথুরায় বেচিবারে॥
সাজাইল পসরা রাই দিল দাসীর মাথে।
চলিলা মথুরার বিকে রঙ্গিয়া বড়াই সাথে॥
পথে যাইতে কহে কথা কানু পরসঙ্গ।
প্রেমে গরগর চিত পুলকিত অঙ্গ॥
নবীন প্রেমের ভরে চলিতে না পারে।
চঞ্চলা হরিণী যেন দীগ নেহারে॥
হোর কি দেখিয়ে বড়াই কদম্বের তলে।
তড়িতে জড়িত যেন নব জলধরে॥
তাহার উপরে শোভে নব ইন্দধনু।
বড়াই বলে চিহ্ন না নন্দের বেটা কানু॥
মথুরার বিকে যাইতে আর পথ নাই।
পাতিয়া মঙ্গল ঘট বস্যাছে কানাই॥
বাসুদেব ঘোষ কহে দধির পসারিণী।
পাতিয়া মঙ্গল ঘট বসিয়াছে দানী॥

ই পদটি বলরাম দাসের ভণিতায়, ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯) রমণীমোহন
মল্লিক সম্পাদিত, জীবনী ও টীকা সমেত বলরাম দাসের পদাবলী সংকলন “বলরামদাস”,
দান-লীলা, ১৩৬-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বড়ারী॥

কে যাবে কে যাবে বলি ডাকে উচ্চৈস্বরে।
দধি দুগ্ধ ঘৃত ঘোল বিকি বেচিবারে॥
সাজায়ে পসরা রাই দিল দাসীর মাথে।
চলিল মথুরার বিকে বড়ায়ের সাথে॥
পথে যেতে কহে কথা কানু পরসঙ্গ।
অন্তরে উপজিল প্রেম তরঙ্গ॥
নবীন প্রেমের ভরে চলিতে না পারে।
চঞ্চল হরিণী যেন দিগ নেহারে।
বলরাম দাসে কহে শুন বিনোদিনি।
গমন বিলম্ব কর পথে আছে দানী॥

ই পদটি বলরাম দাসের ভণিতায়, ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়
সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৭৪৮-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

দানলীলা
॥ বড়ারী॥

কে যাবে কে যাবে বলি ডাকে উচ্চৈঃস্বরে।
দধি দুদ্ধ ঘৃত ঘোল বিকে বেচিবারে॥
সাজায়ে পসরা রাই দিল দাসীর মাথে।
চলিল মথুরার বিকে বড়ায়ে সাথে॥
পথে যেতে কহে কথা কানু পরসঙ্গ।
অন্তরে উপজিল প্রেমের তরঙ্গ॥
নবীন প্রেমের ভরে চলিতে না পারে।
চঞ্চল হরিণী যেন চৌদিকে নেহারে॥
বলরাম দাসে কহে শুন বিনোদিনী।
গমন বিলম্ব কর পথে আছে দানী॥

ই পদটি বলরাম দাসের ভণিতায়, ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী অমরচৈতন্য
সম্পাদিত বলরামদাসের পদাবলী, ১১৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বড়ারী॥

কে যাবে কে যাবে বলি ডাকে উচ্চৈস্বরে।
দধি দুদ্ধ ঘৃত ঘোল বিকি বেচিবারে॥
সাজায়ে পসরা রাই দিল দাসীর মাথে।
চলিল মথুরার বিকে বড়ায়ে সাথে॥
পথে যেতে কহে কথা কানু পর সঙ্গ।
অন্তরে উপজিল প্রেম তরঙ্গ॥
নবীন প্রেমের ভরে চলিতে না পারে।
চঞ্চল হরিণী যেন দিগ নেহারে॥
বলরাম দাসে কহে শুন বিনোদিনি।
গমন বিলম্ব কর পথে আছে দানী॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
না জানিয়ে গোরাচাঁদের কোন ভাব মনে
কবি বাসুদেব ঘোষ                
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল),
২য়খণ্ড,৩য় শাখা, ২৬শপল্লব ,নৌকা-বিলাস, ১৪০৯-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তুড়ী॥

না জানিয়ে গোরাচাঁদের কোন ভাব মনে।
সুরধুনী-তীরে গেলা সহচর সনে॥
প্রিয় গদাধর আদি সঙ্গে ত করিয়া।
নৌকায় চড়িলা গৌর প্রেমাবেশ হৈয়া
আপনে কাণ্ডারী হৈয়া বায় নৌকাখানি।
ডুবিল ডুবিল বলি সিঞ্চে সভে পানি॥
পারিষদগণ সবে হরি হরি বোলে।
পুরব সোঙরি কেহো ভাসে প্রেম-জলে॥
গদাধর-মুখ হেরি মৃদু মৃদু হাসে।
বাসুদেব ঘোষে কহে মনের উল্লাসে॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ (১ম সংস্করণ ১৯০২), ২১৩-পৃষ্ঠায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তুড়ী॥

না জানিয়ে গোরাচাঁদের কোন ভাব মনে।
সুরধুনীতীরে গেলা সহচর সনে॥
প্রিয় গদাধর আদি সঙ্গেতে করিয়া।
নৌকায় চড়িল গোরা প্রেমাবিষ্ট হৈয়া॥
আপনি কাণ্ডারী হৈয়া বায় নৌকাখানি।
ডুবিল ডুবিল বলি সিঞ্চে সবে পানি॥
পারিষদগণ সবে হরি হরি বোলে।
পূরব স্মরিয়া কেহ ভাসে প্রেমজলে॥
গদাধরের মুখ হেরি মনে মনে হাসে।
বাসুদেব ঘোষে কহে মনের উল্লাসে॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৪৮১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
      
॥ তুড়ী॥

না জানিয়ে গোরাচাঁদের কোন ভাব মনে।
সুরধুনী-তীরে গেলা সহচর সনে॥
প্রিয় গদাধর আদি সঙ্গেতে করিয়া।
নৌকায় চড়িয়া গৌর প্রেমাবেশ হৈয়া॥
আপনি কাণ্ডারী হৈয়া বায় নৌকা খানি।
ডুবিল ডুবিল বলি সিঞ্চে সবে পানী॥
পারিষদগণ সবে হরি হরি বোলে।
পূরব সোঙরি কেহ ভাসে প্রেম-জলে॥
গদাধর-মুখ হেরি মৃদু মৃদু হাসে।
বাসুদেব ঘোষ কহে মনের উল্লাসে॥

ই পদটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত, হরিলাল চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “শ্রীশ্রীপদরত্ন-মালা”, ৩২৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীশ্রীমানস গঙ্গায় নৌকা-বিলাস।
তস্য শ্রীগৌরচন্দ্র।
॥ শ্রীরাগ॥

না জানিয়ে গোরাচাঁদের কোন ভাব মনে।
সুরধুনী তীরে গেলা সহচর সনে॥
প্রিয় গদাধর আদি সঙ্গেতে করিয়া।
নৌকায় চলিল গৌর প্রেমাবেশ হৈয়া॥
আপনি কাণ্ডারী হৈয়া বায় নৌকা খানি।
ডুবিল ডুবিল বলি সিঞ্চে সবে পানী॥
পারিষদগণ সবে হরি হরি বোলে।
পূরব সোঙরি কেহ ভাসে প্রেমজলে॥
গদাধর মুখ হেরি মৃদু মৃদু হাসে।
বাসুদেব ঘোষ কহে মনের উল্লাসে॥

ই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত “পদামৃত লহরী”,
৬০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

অথ নৌকাবিলাস
গৌরচন্দ্র
॥ রাগিণী সুহই - জোত সোমতাল॥

না জানিয়ে গোরাচাঁদের কোন ভাব মনে। সুরধুনী তীরে
গেলা সহচর সনে॥ প্রিয় গদাধর আদি সঙ্গেতে করিয়া।
নৌকায় চলিল গোরা প্রেমাবেশ হইয়া॥ আপনি কাণ্ডারী হয়ে
বায় নৌকাখানি। ডুবিল ডুবিল বলি সিঞ্চে সবে পানি॥
পারিষদগণ সবে হরি হরি বলে। পূরব সোঙরি কেহ ভাসে
প্রেমজলে॥ গদাধর মুখ হেরি মৃদু মৃদু হাসে। বাসুদেব ঘোষ
কহে মনের উল্লাসে॥

ই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত
মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৩য় খণ্ড, ৩৭৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

মানস গঙ্গার নৌকাবিলাস।
তদুচিত শ্রীগৌরচন্দ্র।
॥ তুড়ী - বড় রূপক তাল॥

না জানিয়ে গোরাচাঁদের কোন ভাব মনে।
সুরধুনী তীরে গেলা সহচর সনে॥
প্রিয় গদাধর আদি সঙ্গেতে করিয়া।
নৌকায় চড়িলা গৌর প্রেমাবেশ হৈয়া॥
আপনি কাণ্ডারী হইয়া বায় নৌকাখানি।
ডুবিল ডুবিল বলি সিঞ্চে সবে পানী॥
পারিষদগণ সভে হরি হরি বলে।
পূরব সোঙরি কেহো ভাসে প্রেম জলে॥
গদাধর মুখ হেরি মৃদু মৃদু হাসে।
বাসুদেব ঘোষ কহে মনের উল্লাসে॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১৬৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

নৌকাবিলাস
॥ তুড়ী॥

না জানিয়ে গোরাচাঁদের কোন্ ভাব মনে।
সুরধুনীতীরে গেল সহচর সনে॥
প্রিয় গদাধর আদি সঙ্গেতে করিয়া।
নৌকায় চড়িল গোরা প্রেমাবিষ্ট হৈয়া॥
আপনি কাণ্ডারী হৈয়া বায় নৌকাখানি।
ডুবিল ডুবিল বলি সিঞ্চে সবে পানি॥
পারিষদগণ সবে হরি হরি বোলে।
পূরুব স্মরিয়া কেহ ভাসে প্রেমজলে॥
গদাধরের মুখ হেরি মনে মনে হাসে।
বাসুদেব ঘোষে কহে মনের উল্লাসে॥

ই পদটি ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত, দুর্গাচরণ বিশ্বাস সংগৃহীত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“কীর্ত্তন-পদাবলী”, ১৫১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীশ্রীমানস-গঙ্গায় নৌকাবিলাস।
তস্য শ্রীগৌরচন্দ্র।

না জানিয়ে গোরাচাঁদের কোন্ ভাব মনে।
সুরধুনী তীরে গেলা সহচর সনে॥
প্রিয় গদাধর আদি সঙ্গেতে করিয়া।
নৌকায় চড়িয়া গৌর প্রেমাবেশ হৈয়া॥
আপনি কাণ্ডারী হৈয়া বায় নৌকা খানি।
ডুবিল ডুবিল বলি সিঞ্চে সভে পানী॥
পারিষদগণ সভে হরি হরি বোলে।
পুরব সোঙরি কেহ ভাসে প্রেমজলে॥
গদাধর-মুখ হেরি মৃদু মৃদু হাসে।
বাসুদেব ঘোষ কহে মনের উল্লাসে॥

ই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত বিমানবিহারী মজুমদার সম্পাদিত “পাঁচশত বত্সরের
পদাবলী ১৪১০-১৯১০”, ১৬৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

না জানিয়ে গোরাচাঁদের কোন ভাব মনে।
সুরধুনী-তীরে গেলা সহচর সনে॥
প্রিয় গদাধর আদি সঙ্গে ত করিয়া।
নৌকায় চড়িলা গৌর প্রেমাবেশ হৈয়া॥
আপনে কাণ্ডারী হৈয়া বায় নৌকাখানি।
ডুবিল ডুবিল বলি সিঞ্চে সভে পাণি॥
পারিষদগণ সবে হরি হরি বোলে।
পুরব সোঙরি কেহ ভাসে প্রেমজলে॥
গদাধর-মুখ হেরি মৃদু মৃদু হাসে।
বাসুদেব ঘোষে কহে মনের উল্লাসে॥

ই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত, বিমান বিহারী মজুমদার সম্পাদিত “ষোড়শ শতাব্দীর
পদাবলী-সাহিত্য”, ৪৭০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

না জানিয়ে গোরাচাঁদের কোন ভাব মনে।
সুরধুনী-তীরে গেলা সহচর সনে॥
প্রিয় গদাধর আদি সঙ্গে ত করিয়া।
নৌকায় চড়িলা গৌর প্রেমাবেশ হৈয়া॥
আপনে কাণ্ডারী হৈয়া বায় নৌকাখানি।
ডুবিল ডুবিল বলি সিঞ্চে সভে পাণি॥
পারিষদগণ সবে হরি হরি বোলে।
পুরব সোঙরি কেহ ভাসে প্রেমজলে॥
গদাধর-মুখ হেরি মৃদু মৃদু হাসে।
বাসুদেব ঘোষে কহে মনের উল্লাসে॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৫৮৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তুড়ী॥

না জানিয়ে গোরাচাঁদের কোন ভাব মনে।
সুরধুনী-তীরে গেলা সহচর সনে॥
প্রিয় গদাধর আদি সঙ্গে ত’ করিয়া।
নৌকায় চড়িল গৌর প্রেমাবেশ হইয়া॥
আপনে কাণ্ডারী হৈয়া বায় নৌকাখানি।
ডুবিল ডুবিল বলি সিঞ্চে সভে পানি॥
পারিষদগণ সভে হরি হরি বোলে।
পূরব সোঙরি কেহ ভাসে প্রেমজলে॥
গদাধর মুখ হেরি মৃদু-মৃদু হাসে।
বাসুদেব ঘোষে কহে মনের উল্লাসে॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
ফাগু খেলে গোরাচাঁদ নদীয়ানগরে
দেখ দেখ ঋতু-রাজ বসন্ত সময়
ফাগুআ খেলেয়ে গোরা নদিআ নগরে
ফাগুয়া খেলে গোরাচাঁদ নদীয়া নগরে
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি নরহরি চক্রবর্তী (ঘনশ্যাম) দ্বারা আনুমানিক ১৭২৫ সাল নাগাদ বিরচিত এবং  
৪২৬ গৌরাব্দে (১৯১৩ খৃষ্টাব্দ), রামদেব মিশ্র দ্বারা প্রকাশিত “ভক্তিরত্নাকর” গ্রন্থ, ৯৪২-
পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ পুনর্বসন্তঃ॥

ফাগু খেলে গোরাচাঁদ নদীয়ানগরে। হরয়ে যুবতি-চিত
নয়নের শরে॥ সহচর মেলি ফাগু মারে গোরাগায়। চন্দন
পিচকা লৈয়া কেহ কেহ ধায়॥ নানা যন্ত্র সুমেলি করিয়া
শ্রীনিবাস। গদাধর আদি সঙ্গে করয়ে বিলাস॥ হরি বুলি বাহু
তুলি নাচে হরিদাস। বাসুদেবঘোষ রস করিল প্রকাশ॥
      
ই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল),
২য়খণ্ড,৩য় শাখা, ২৬শপল্লব ,নৌকা-বিলাস, ১৪২৫-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বসন্তরাগ॥

দেখ দেখ ঋতু-রাজ বসন্ত সময়।
সহচর সঙ্গে বিহরে গোরা রায়॥
ফাগু খেলে গোরাচান্দ নদীয়া নগরে।
যুবতীর চিত হরে নয়নের শরে॥
সহচর মেলি ফাগু দেয় গোরা-গায়।
কুঙ্কুম পিচকা লেই কেহ কেহ ধায়॥
নানা যন্ত্রে সুমেলি করিয়া শ্রীনিবাস।
গদাধর আদি সঙ্গে করয়ে বিলাস॥
হরি বলি বাহু তুলি নাচে হরিদাস।
বাসুদেব ঘোষ রস করিল প্রকাশ॥

ই পদটি দ্বিজ মাধব সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতীর
গ্রন্থশালার ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, ২৭৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বসন্ত রাগ তাল পরিমিত॥

ফাগুআ খেলেয়ে গোরা নদিআ নগরে। যুবতীর চিৎ হরে নয়নের শরে॥
সহচর মেলি ফাগু মারে গোরাগায়। চন্দন পিচকারি লএ কেহুঁ কেহুঁ ধায়॥
নানা জন্ত সুমেলি করিয়া শ্রীনিবাস। গদাধর আদি সঙ্গে করিয়া বিলাস॥
হরি বলি বাহু তুলি নাচে হরিদাস। বাসুদেব ঘোষ রস করএ বিলাস॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ (১ম সংস্করণ ১৯০২), ২১৬-পৃষ্ঠায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

দোলযাত্রা
॥ বসন্ত॥

দেখ দেখ ঋতুরাজ বসন্ত সময়।
সহচর সঙ্গে বিহরে গোরারায়॥
ফাগু খেলে গোরাচাঁদ নদীয়া নগরে।
যুবতীর চিত হরে নয়নের শরে॥
সহচর মেলি ফাগু দেয় গোরা-গায়।
কুঙ্কুম পেচকা লেই কেহ কেহ ধায়॥
নানা যন্ত্রে সুমেলি করিয়া শ্রীনিবাস।
গদাধর আদি সঙ্গে করয়ে বিলাস॥
হরি বলি বাহু তুলি নাচে হরিদাস।
বাসুদেব ঘোষ রস করিল প্রকাশ॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৪৮০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বসন্ত॥

দেখ দেখ ঋতুরাজ বসন্ত সময়।
সহচর সঙ্গে বিহরে গৌররায়॥
ফাগু খেলে গোরাচাঁদ নদীয়া নগরে।
যুবতীর চিত হরে নয়নের শরে॥
সহচর মেলি ফাগু দেয় গোরা গায়।
কুঙ্কুম পিচকা লেই কেহ কেহ ধায়॥
নানা যন্ত্রে সুমেলি করিয়া শ্রীনিবাস।
গদাধর আদি সঙ্গে করয়ে বিলাস॥
হরি বলি বাহু তুলি নাচে হরিদাস।
বাসুদেব ঘোষ রস করিল প্রকাশ॥

ই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত “পদামৃত লহরী”,
১৩০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

অথ বসন্ত লীলা
গৌরচন্দ্র
॥ রাগ বসন্ত - তাল মধ্যম দশকুশি॥

দেখ দেখ ঋতুরাজ বসন্ত সময়। সহচর সঙ্গে বিহরে গৌর
রায়॥ ফাগু খেলত গোরা নদীয়া নগরে। যুবতীর চিত হরে
নয়নের শরে॥ সহচর মেলি ফাগু দেয় গোরা গায়। কুম্ কুম্
পিচকা লেই কেহ কেহ ধায়॥ নানা যন্ত্রে সুমেলি করিয়া শ্রীনিবাস।
গদাধর আদি সঙ্গে করয়ে বিলাস॥ হরি বলি বাহু তুলি নাচে
হরিদাস। বাসুদেব ঘোষ রস করিল প্রকাশ॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১৬৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

ফাগুখেলা
॥ বসন্ত॥

দেখ দেখ ঋতুরাজ বসন্ত সময়ে।
সহচর সঙ্গে গোরাচাঁদ বিহরয়ে॥
ফাগু খেলে গোরাচাঁদ নদীয়া নগরে।
যুবতীর চিত হরে নয়নের শরে॥
সহচর মেলি ফাগু দেয় গোরাগায়।
কুঙ্কুম পিচকা লেই পিছে পিছে ধায়॥
নানা যন্ত্রে সুমেলি করিয়া শ্রীবাস।
গদাধর আদি সঙ্গে করয়ে বিলাস॥
হরি হরি বলি বাহু তুলি নাচে হরিদাস।
বাসুদেব ঘোষ রস করিল প্রকাশ॥

ই পদটি ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত, সতী ঘোষ সম্পাদিত “প্রত্যদর্শীর কাব্যে মহাপ্রভু
শ্রীচৈতন্য”, ১০৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

ফাগুয়া খেলে গোরাচাঁদ নদীয়া নগরে।
যুবতীর চিত হরে নয়নের শরে॥
সহচর মিলি ফাগু মারে গোরা রায়।
চন্দন পেচিকা লঞা কেহো কেহো ধায়॥
নানা যন্ত্রে সুমেলি করিয়া শ্রীনিবাস।
গদাধর আদি সঙ্গে করিয়ে বিলাস॥
হরি বলি ভুজ তুলি নাচে হরিদাস।
বাসুদেব ঘোষ করেন প্রকাশ॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৫৮০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বসন্তরাগ॥

দেখ দেখ ঋতুরাজ বসন্ত সময়।
সহচর সঙ্গে বিহরে গোরা রায়॥
ফাগু খেলে গোরাচাঁদ নদীয়া নগরে।
যুবতীর চিত হরে নয়নের শরে॥
সহচর মেলি ফাগু দেয় গোরা গায়।
কুঙ্কুম পিচকা লেই কেহ কেহ ধায়॥
নানা যন্ত্র সুমেলি করিয়া শ্রীনিবাস।
গদাধর আদি সঙ্গে করয়ে বিলাস॥
হরি হরি বলি বাহু তুলি নাচে হরিদাস।
বাসুদেব ঘোষ রস করিল প্রকাশ॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
নবদ্বীপে উদয় করিলা দ্বিজ-রাজ
নবদ্বীপে উদয় গোলক রাজ
ভণিতা বাসুদেব ঘোষ
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত
শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল), ২য়খণ্ড,৩য় শাখা, ২৭শপল্লব ,বাসন্তী-রাস-লীলা,
১৪৯৪-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী বা বসন্ত॥

নবদ্বীপে উদয় করিলা দ্বিজ-রাজ।
কলি-তিমির ঘোর             গোরাচাঁদের উজোর
পারিষদ-তারাগণ মাঝ॥ ধ্রু॥
কীর্ত্তনে ঢর ঢর                      অঙ্গ ধূলি-ধূসর
হালত ভাব-তরঙ্গে।
করে করতাল ধরি                বোলত হরি হরি
ক্ষেণে ক্ষেণে রহই ত্রিভঙ্গে॥
বামে প্রিয় গদাধর              কান্ধের উপরে তার
সুবলিত বাহু আজানে।
সোঙরি বৃন্দাবন                     আকুল অনুখণ
ধারা বহে অরুণ-নয়ানে॥
আঁখিযুগ ঝর ঝর                   যেন নব জলধর
দশন বিজুরী জিনি ছটা।
বাসুদেব ঘোষ গীতে          কলি-জীব উদ্ধারিতে
বরিষণ হরি-নাম-ঘটা॥

ই পদটি দ্বিজ মাধব সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতীর গ্রন্থশালার ১৩৮১টি
পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, ২৫১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ রাগ তালো যথা॥

নবদ্বীপে উদয় করিল দ্বিজরাজ।
কলি তিমির ঘোর গোরাচান্দ উজল পারিষদগণ তার মাঝ॥
কীর্তনে ঢরঢর অঙ্গ ধূলি ধূসর হানত ভাব তরঙ্গে।
করে করতাল ধরি বোলত হরিহরি খেনে খেনে রহই ত্রিভঙ্গে॥
বামে প্রিয় গদাধর কান্ধের উপরে তাল সুবলিত বাহু আজানে।
সোঙরি বৃন্দাবন আকুল অনুক্ষণ ধারা বহে অরুণ নয়ানে॥
আঁখি যুগ ঝর ঝর যেন নব জলধর দশন বিজরী যেন ছটা।
বাসুদেব ঘোষ গীতে কলিযুগ উদ্ধারিতে বরিখত হরিনাম ঘটা॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন
“শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ (১ম সংস্করণ ১৯০২), ৯০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশ্রী॥

নবদ্বীপে উদয় করিলা দ্বিজরাজ।
কলি-তিমির ঘোর            গোরাচাঁদের উজোর
পারিষদ-তারাগণ মাঝ॥ ধ্রু॥
কীর্ত্তনে ঢর ঢর                      অঙ্গ ধূলিধূসর
হানত ভাব-তরঙ্গে।
করে করতাল ধরি                বোলত হরি হরি
ক্ষণে ক্ষণে রহই ত্রিভঙ্গে॥
বামে প্রিয় গদাধর             কাঁধের উপরে তার
সুবলিত বাহু আজানে।
সোঙরি বৃন্দাবন                   আকুল অনুক্ষণ
ধারা বহে অরুণ নয়ানে॥
আঁখিযুগ ঝর ঝর                 যেন নব জলধর
দশন বিজুরী জিনি ছটা।
বাসুদেব ঘোষ গীতে          কলি-জীব উদ্ধারিতে
বরিষণ হরিনাম ঘটা॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”,
৪৮১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বসন্ত॥

নবদ্বীপে উদয় করিলা দ্বিজ-রাজ।
কলি-তিমির ঘোর,               গোরাচাঁদ উজোর,
পারিষদ-তারাগণ মাঝ॥
কীর্ত্তনে ঢর ঢর,                       অঙ্গধূলি-ধূসর,
হাস ত ভাব-তরঙ্গে।
করে করতাল ধরি,                বোলত হরি হরি,
ক্ষণে ক্ষণে রহই ত্রিভঙ্গে॥
বামে প্রিয় গদাধর,             কান্ধের উপরে তার,
সুবলিত বাহু আজানে।
সোঙরি বৃন্দাবন,                    আকুল অনুক্ষণ,
ধারা বহে অরুণ নয়ানে॥
আঁখিযুগ ঝর ঝর,                  যেন নব জলধর,
দশন বিজুরী জিনি ছটা।
বাসুদেব ঘোষ গীতে,          কলি-জীব উদ্ধারিতে,
বরিখল হরি-নাম ঘটা॥

ই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত মহাজন পদাবলী
“শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৩য় খণ্ড, ৬২৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

বাসন্তী রাসলীলা।
শ্রীগৌরচন্দ্র।
॥ মধ্যম দশকুশী॥

নবদ্বীপে উদয় করল দ্বিজরাজ।
কলিতিমির ঘোর,                গোরাচাঁদ উজোর,
পারিষদ তারাগণ মাঝ॥
কীর্ত্তনে ঢর ঢর,                      অঙ্গ ধূলিধূসর,
হালত ভাব তরঙ্গে।
করে করতাল ধরি,              বোলত হরি হরি,
ক্ষণে ক্ষণে রহই ত্রিভঙ্গে॥
বামে প্রিয় গদাধর,            কান্ধের উপরে তার,
সুবলিত বাহু আজানে।
সোঙরি বৃন্দাবন,                  আকুল অনুখণ,
ধারা বহে অরুণ নয়ানে॥
আঁখিযুগ ঝর ঝর,                 যেন নব জলধর,
দশন বিজুরী জিনি ছটা।
বাসুদেব ঘোষ গীতে,          কলিজীবে উদ্ধারিতে,
বরিখল হরিনাম-ঘটা॥

ই পদটি ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত, সতী ঘোষ সম্পাদিত “প্রত্যদর্শীর কাব্যে মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্য”,
১০০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

নবদ্বীপে উদয় গোলক রাজ।
কলি তিমির ঘোর                 নাচয়ে গৌর মোর
সঙ্গে সব গৈব সমাজ॥
কীর্ত্তনে চরাচর                         অঙ্গ ধূলি ধূসর
হাসত ভাব তরঙ্গে।
ক্ষেণে করতাল ধরি                 বোলত হরি হরি
ক্ষেণে রহে ত্রিভঙ্গে॥
প্রিয় গদাধর কান্ধে হি উপর
সুবলিত বহে ধারা অজান।
সোঙরি বৃন্দাবন আন্ধল অনুক্ষণ
রাধা রাধা বোলত বয়ান॥
নয়ন ধারা প্রেমে ভরে বাদর
দশন বিজুরী যেন ছটা।
কহে বাসুদেব ঘোষ               জীবে উদ্ধারিতে
বরিখত হরিনাম ঘটা॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি. কলা (বাংলা)
উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https://shodhganga.inflibnet.ac.in )
“বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের
পদাবলী সংকলন, ৫১৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশ্রী॥

নবদ্বীপে উদয় করিলা দ্বিজরাজ।
কলি তিমির ঘোর               গোরাচাঁদের উজোর
পারিষদ তারাগণ মাঝ॥ ধ্রু॥
কীর্ত্তনে ঢর ঢর                         অঙ্গ ধূলিধূসর
হানত ভাব তরঙ্গে।
করে করতাল ধরি                  বোলত হরি হরি
ক্ষণে ক্ষণে রহই ত্রিভঙ্গে॥
বামে প্রিয় গদাধর                কাঁধের উপরে তার
সুবলিত বাহু আজানে।
সোঙরি বৃন্দাবন                      আকুল অনুক্ষণ
ধারা বহে অরুণ নয়ানে॥
আঁখিযুগ ঝর ঝর                     যেন নব জলধর
দশন বিজুরি জিনি ছটা।
বাসুদেব ঘোষ গীতে              কলি-জীব উদ্ধারিতে
বরিখল হরিনাম ঘটা॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
ফুল বল গোরাচাঁদ দেখিয়া নয়নে
ফুলবন গোরাচাঁদ দেখিয়া নয়নে
ফুলবন গোরাচাঁন্দ দেখিয়া নয়নে
ভণিতা বাসুদেব ঘোষ
কবি বাসুদেব ঘোষ                
এই পদটি নরহরি চক্রবর্তী (ঘনশ্যাম) দ্বারা আনুমানিক ১৭২৫ সাল নাগাদ বিরচিত এবং  
৪২৬ গৌরাব্দে (১৯১৩ খৃষ্টাব্দ), রামদেব মিশ্র দ্বারা প্রকাশিত “ভক্তিরত্নাকর” গ্রন্থ, ৯৩৬-
পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ গীতে যথা - কামোদঃ॥

ফুল বল @ গোরাচাঁদ দেখিয়া নয়নে। ফুলের সমর গোরা
বলিল বচনে॥ ঘন ঘন জয় দিয়া পারিষদ গণে। গোরাগায়ে
ফুল ফেলি মারে জনে জনে॥ গদাধর আদি আর সঙ্গে নিত্যা-
নন্দ। ফুলের সমরে গোরা হইলা আনন্দ॥ গদাধর সঙ্গে
গোরা করয়ে বিলাস। বাসুদেব ঘোষ কহে রস পরকাশ॥

@ বল - অন্যত্র সব গ্রন্থে “বন” দেওয়া রয়েছে।

ই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল),
২য়খণ্ড,৩য় শাখা, ২৭শপল্লব ,ফুল-দোল, ১৫২৫-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তুড়ী॥

ফুলবন গোরাচাঁন্দ দেখিয়া নয়নে।
ফুলের সমর গোরার পড়ি গেল মনে।
ঘন জয় জয় দিয়া পারিষদগণে।
গোরা-গায়ে ফুল পেলি মারে জনে জনে॥
প্রিয় গদাধর সঙ্গে আর নিত্যানন্দ।
ফুলের সমরে গোরার হইল আনন্দ॥
গদাধর সঙ্গে পহু করয়ে বিলাস।
বাসুদেব ঘোষ এই করল প্রকাশ॥

ই পদটি দ্বিজ মাধব সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতীর
গ্রন্থশালার ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, ২৮৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তত্র গৌরচন্দ্র॥ রাগিণী তুড়ি॥ তাল পরিমিত॥

ফুলবন গোরাচাঁন্দ দেখিয়া নয়নে। ফুলের সমর গোরার পড়ি গেল মনে।
ঘন জয় জয় দিএ পারিষদগণে। গোরা গায় ফুলকেলি মারে জনে জনে॥
প্রিয় গদাধর সঙ্গে আর নিত্যানন্দ। ফুলের সমরে গোরা হইল আনন্দ॥
গদাধর সঙ্গে পহুঁ করএ বিলাস। বাসুদেব ঘোষ এই রস পরকাস॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ (১ম সংস্করণ ১৯০২), ২২০-পৃষ্ঠায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তুড়ী॥

ফুলবন গোরাচাঁদ দেখিয়া নয়নে।
ফুলের সমর গোরার পড়ি গেল মনে।
ঘন জয় জয় দিয়া পারিষদগণে।
গোরা-গায় ফুল ফেলি মারে জনে জনে॥
প্রিয় গদাধর সঙ্গে আর নিত্যানন্দ।
ফুলের সমরে গোরার হইল আনন্দ॥
গদাধর সঙ্গে পহুঁ করয়ে বিলাস।
বাসুদেব ঘোষ তাই করল প্রকাশ॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৪৮১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তুড়ী॥

ফুলবন গোরাচাঁদ দেখিয়া নয়নে।
ফুলের সমর গোরার পড়ি গেল মনে।
ঘন জয় জয় দিয়া পারিষদগণে।
গোরা গায়ে ফুল ফেলি মারে জনে জনে॥
প্রিয় গদাধর সঙ্গে আর নিত্যানন্দ।
ফুলের সমরে গোরার হইল আনন্দ॥
গদাধর সঙ্গে পহুঁ করয়ে বিলাস।
বাসুদেব ঘোষ এই করল প্রকাশ॥

ই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত “পদামৃত লহরী”,
১৪৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

অথ ফুলদোল লীলা
॥ রাগিণী তুড়ী - সমতাল॥

ফুলবন গোরাচাঁদ দেখিয়া নয়নে। ফুলের সমর গোরার
পড়ি গেল মনে॥ ঘন জয় জয় দিয়া পারিষদগণে। গোরা গায়ে
ফুল ফেলি মারে জনে জনে॥ প্রিয় গদাধর সঙ্গে আর নিত্যানন্দ।
ফুলের সমরে গোরার হইল আনন্দ॥ গদাধর সঙ্গে পহুঁ করয়ে
বিলাস। বাসুদেব ঘোষ এই করল প্রকাশ॥

ই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত
মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৩য় খণ্ড, ৬৬৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

ফুলদোল।
॥ বসন্ত রাগ তুড়ি - বড় রূপক॥

ফুলবন গোরাচাঁদ দেখিয়া নয়নে।
ফুলের সমর গোরার পড়ি গেল মনে॥
ঘন জয় জয় দিয়া পারিষদগণে।
গোরা গায় ফুল ফেলি মারে জনে জনে॥
প্রিয় গদাধর সঙ্গে আর নিত্যানন্দ।
ফুলের সমরে গোরার হইল আনন্দ॥
গদাধরের সঙ্গে পহুঁ করয়ে বিলাস।
বাসুদেব ঘোষ এই করিল প্রকাশ॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১৬৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

ফুলদোল
॥ তুড়ী॥

ফুলবন গোরাচাঁদ দেখিয়া নয়নে।
ফুলের সমর গোরার পড়ি গেল মনে।
ঘন জয় জয় দিয়া পারিষদগণে।
গোরাগায় ফুল ফেলি মারে জনে জনে॥
প্রিয় গদাধর সঙ্গে আর নিত্যানন্দ।
ফুলের সমরে গোরার হইল আনন্দ॥
গদাধর সঙ্গে পহুঁ করয়ে বিলাস।
বাসুদেব ঘোষ তাহা করিল প্রকাশ॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৫৮৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ কামোদ॥

ফুলবন গোরাচাঁদ দেখিয়া নয়নে।
ফুলের সমর গোরা বলিল বচনে॥
ঘন ঘন জয় দিয়া পারিষদ গণে।
গোরা গায়ে ফুল ফেলি মারে জনে জনে॥
গদাধর আদি আর সঙ্গে নিত্যানন্দ।
ফুলের সমরে গোরা হইল আনন্দ॥
গদাধর সঙ্গে পহু করয়ে বিলাস।
বাসুদেব ঘোষ কহে রস পরকাশ॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর