কবি বাসুদেব ঘোষ এর বৈষ্ণব পদাবলী
শঙ্খ দুন্দুভি নাদ বাজয়ে সুস্বরে
শঙ্খ দুন্দুভি নাদ বাজএ সুস্বরে
শঙ্খ দুন্দুভি বাজয়ে সুস্বরে
শংখ ঘন্টারিনাদ বাজায় সুস্বরে
ভণিতা বাসুঘোষ
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি নরহরি চক্রবর্তী (ঘনশ্যাম) দ্বারা আনুমানিক ১৭২৫ সাল নাগাদ বিরচিত এবং  
৪২৬ গৌরাব্দে (১৯১৩ খৃষ্টাব্দ), রামদেব মিশ্র দ্বারা প্রকাশিত “ভক্তিরত্নাকর” গ্রন্থ, ৮৯৩-
পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ গীতে যথা - সুহই॥

শঙ্খ দুন্দুভি নাদ বাজয়ে সুস্বরে। গোরাচাঁদের অভিষেক
করে সহচরে॥ গন্ধ চন্দন শিলা ধূপ দীপ জ্বালি। নগরের
নারা সব করে অর্ঘ্যথালী॥ নদীয়ার লোক সব দেখি আন-
ন্দিত। জয় জয় জয় দিয়া কেহ গায় গীত॥ গৌরাঙ্গচান্দের
মুখ করে নিরক্ষণে। গোরা-অভিষেক রস বাসুঘোষ গানে॥

ই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল), ২য়খণ্ড,
৩য় শাখা, ২৮শপল্লব ,স্নান-যাত্রা, ১৫৩৬-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ভূপালী॥

শঙ্খ দুন্দুভি-নাদ বাজয়ে সুস্বরে।
গোরাচাঁদের অভিষেক করে সহচরে॥
গন্ধ চন্দন শিলা ধূপ দ্বীপ জ্বালি।
নগরের নাগরিগণ আনে অর্ঘ্য-থালী॥
নদীয়ার লোক যত দেখি আনন্দিত।
ঘন জয় জয় দিয়া সভে গায় গীত॥
গোরাচাঁদের মুখ সভে করে নিরক্ষণে।
গোরা-অভিষেক-রস বাসু ঘোষ গানে॥

ই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল), ২য়খণ্ড,
৩য় শাখা, ৩০শপল্লব ,ঝুলন-যাত্রা, ১৫৭১-পদসংখ্যায় এইরূপে ২য় বার দেওয়া রয়েছে।

॥ ভূপালী॥

শঙ্খ-দুন্দুভি-নাদ বাজয়ে সুস্বরে।
গোরাচাঁদের অভিষেক করে সহচরে॥
গন্ধ চন্দন শিলা ধূপ দীপ জ্বালি।
নগরের নারীগণ করে অর্ঘ্যথালী॥
নদীয়ার লোক সব দেখি আনন্দিত।
ঘন জয় জয় দিয়া সভে গায় গীত॥
গোরাচাঁদের মুখ সভে করে নিরক্ষণে।
গোরা-অভিষেক-রস বাসুঘোষ গানে॥

ই পদটি দীনবন্ধু দাস দ্বারা ১৭৭১ সালে লিখিত, দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের সংগ্রহের
পুথি (সংকলনের সাল নিয়ে আমরা নিশ্চিত নই), ১৯২৯ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ
থেকে অমূল্যচরণ বিদ্যাভূষণ দ্বারা সম্পাদিত ও মুদ্রিত পদাবলী সংকলন
“শ্রীশ্রীসংকীর্ত্তনামৃত”, ৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ মঙ্গল রাগ॥

শঙ্খ দুন্দুভি নাদ বাজএ সুস্বরে।
গোরাচান্দের অভিষেক করে সহচরে॥
গন্ধ চন্দন শিলা ধূপ দীপ জালি।
নগরে নাগরী সব করে অর্ঘ্যথালী॥
নদীয়ার লোক সব দেখি আনন্দিত।
ঘন জয় জয় দিঞা কেহ গাএ গীত॥
গোরাচান্দের মুখ সভে করে নিরক্ষণে।
গোরা অভিষেকরস বাসুদেব গানে॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ (১ম সংস্করণ ১৯০২), ১৫০-পৃষ্ঠায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ভূপালী॥

শঙ্খ দুন্দুভি বাজয়ে সুস্বরে।
গোরাচাঁদের অভিষেক করে সহচরে॥
গন্ধ চন্দন শিলা ধূপ দীপ জ্বালি।
নগরের নারীগণ আনে অর্ঘ্যথালী॥
নদীয়ার লোক যত দেখে আনন্দিত।
ঘন জয় জয় দিয়া সবে গায় গীত॥
গোরাচাঁদের মুখ সবে করে নিরিখনে।
গোরা অভিষেকরস বাসুঘোষ ভণে॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৪৮১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ভূপালী॥

শঙ্খ দুন্দুভি বাজয়ে সুস্বরে।
গোরাচাঁদের অভিষেক করে সহচরে॥
গন্ধ চন্দন শিলা ধূপ দীপ জ্বালি।
নগরের নারীগণ আনে অর্ঘ্য-থালী॥
নদীয়ার লোক যত দেখে আনন্দিত।
ঘন জয় জয় দিয়া সবে গায় গীত॥
গোরাচাঁদের মুখ সব করে নিরিক্ষণে।
গোরা-অভিষেক-রস বাসু ঘোষ গানে॥

ই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত
মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৩য় খণ্ড, ২৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর অভিষেক
॥ ভাটিয়ারী - ধামালী॥

শঙ্খ দুন্দুভি নাদ বাজয়ে সুস্বরে।
গোরাচান্দের অভিষেক করে সহচরে॥
গন্ধ চন্দন দিলা ধূপ দীপ জ্বালি।
নগরের নারীগণ করে অর্ঘ্যথালি॥
নদীয়ার লোক সব দেখি আনন্দিত।
ঘন জয় জয় দিয়া সবে গায় গীত॥
গোরাচাঁদের মুখ সবে করে নিরীখণে।
গোরা-অভিষেক-রস বাসু ঘোষ গানে॥

ই পদটি ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত, সতী ঘোষ সম্পাদিত “প্রত্যক্ষদর্শীর কাব্যে মহাপ্রভু
শ্রীচৈতন্য”, ১০৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শংখ ঘন্টারিনাদ বাজায় সুস্বরে।
.        গৌরাঙ্গ চাঁদের অভিষেক করে সহচরে॥
গন্ধ চন্দন শিলা ধূপদীপ আনি।
.        নগরের নারী সব করে অর্ঘ থালী॥
নদীয়ার লোক সব দেখে আনন্দিত।
.        ঘন জয় জয় দিয়া কেহো গায় গীত॥
গোরাচাঁদের মুখ সভে করে নিরীক্ষণ।
গোরা অভিষেক বাসু ঘোষে গান॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৬২০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ভূপালী॥

শঙ্খ-দুন্দুভি নাদ বাজয়ে সুস্বরে।
গোরাচাঁদের অভিষেক করে সহচরে॥
গন্ধ চন্দন শিলা ধূপ দীপ জ্বালি।
নগরের নাগরিগণ করে অর্ঘ্যথালি॥
নদীয়ার লোক জত দেখি আনন্দিত।
জয় জয় জয় দিয়া সভে গায় গীত॥
গোরাচান্দের মুখ করে নিরীক্ষণে।
গোরা অভিষেক রস বাসু ঘোষ গানে॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
তৈল হরিদ্রা আর কুঙ্কুম কস্তুরী
ভণিতা বাসুদেব ঘোষ
কবি বাসুদেব ঘোষ                
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল), ২য়খণ্ড,
৩য় শাখা, ২৮শপল্লব ,স্নান-যাত্রা, ১৫৩৭-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
     

॥ বরাড়ী দেশাক॥

তৈল হরিদ্রা আর কুঙ্কুম কস্তুরী।
গোরা-অঙ্গে লেপন করে নব নব নারী॥
সুবাসিত জল আনি কলসে পূরিয়া।
সুগন্ধি চন্দন আদি তাহে মিশাইয়া॥
জয় জয় দিয়া জল ঢালে গোরা-গায়।
শ্রীঅঙ্গ মোছায়্যা কেহ বসন পরায়॥
সিনান-মণ্ডপে দেখ গোরা নটরায়।
মনের হরিষে বাসুদেব ঘোষ গায়॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ (১ম সংস্করণ ১৯০২), ১৫০-পৃষ্ঠায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বরাড়ী॥

তৈল হরিদ্রা আর কুঙ্কুম কস্তুরী।
গোরা-অঙ্গে লেপন করে নব নব নারী॥
সুবাসিত জল আনি কলসি পূরিয়া।
সুগন্ধি চন্দন আনি তাহে মিশাইয়া॥
জয় জয় ধ্বনি দিয়া ঢালে গোরাগায়।
শ্রীঅঙ্গ মুছাঞা কেহ বসন পরায়॥
সিনান মণ্ডপে দেখ গোরা নটরায়।
মনের হরিষে বাসুদেব ঘোষ গায়॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৪৮১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বরাড়ী দেশক॥

তৈল হরিদ্রা আর কুঙ্কুম কস্তুরী।
গোরা-অঙ্গে লেপন করে নব নব নারী॥
সুবাসিত জল আনি কলসী পূরিয়া।
সুগন্ধি চন্দন আনি তাহে মিশাইয়া॥
জয় জয় ধ্বনি দিয়া ঢালে গোরা গায়।
শ্রীঅঙ্গ মোছাঞা কেহ বসন পরায়॥
সিনান-মণ্ডপে দেখ গোরা নটরায়।
মনের হরিষে বাসুদেব ঘোষ গায়॥

ই পদটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত, হরিলাল চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “শ্রীশ্রীপদরত্ন-মালা”, ৬১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বরাড়ী॥

তৈল হরিদ্রা আর কুঙ্কুম কস্তুরি।
গোরা অঙ্গে লেপন করে নব নব নারী॥
সুবাসিত জল আনি কলসী পুরিয়া।
সুগন্ধি চন্দন তাহে মিশাইয়া॥
জয় জয় ধ্বনি দিয়া ঢালে গোরা গায়।
শ্রীঅঙ্গ মুছাঞা কেহ বসন পরায়॥
সিনান মণ্ডপে দেখ গোরা নটরায়।
মনের হরিষে বাসুদেব ঘোষ গায়॥

ই পদটি সাহিত্য-পরিষৎ-পত্রিকায় ১৩৩৩ (১৯২৬) বঙ্গাব্দের অতিরিক্ত সংখ্যায়
প্রকাশিত, মুনশী আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ সঙ্কলিত “বাঙ্গালা প্রাচীন পুথির বিবরণ”,
৩য় খণ্ড, ২য় সংখ্যা, ১৬৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

অভিষেক---

তৈল হরিদ্রা আর কুঙ্কুম কস্তরি।
গোরা অঙ্গে লেপন করয়ে দিজনারি॥
সুবাসিত নির য়ানি কলসে পুরিঞা।
সুগন্ধি চন্দন য়াদি তাহে মিশাইয়া॥
জয় জয় দিয়া জল ঢালে গোরাগায়।
শ্রীয়ঙ্গ মুছিয়া কেহো বসন পরায়॥
সিনানমণ্ডপে দেখ গোরা নটরায়।
বাসুদেব ঘোস ওই গোরাগুন গায়॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১৫৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীগৌরাঙ্গের অভিষেক
॥ বরাড়ী॥

তৈল হরিদ্রা আর কুঙ্কুম কস্তুরি।
গোরা অঙ্গে লেপন করে নব নব নারী॥
সুবাসিত জল আনি কলসি পূরিয়া।
সুগন্ধি চন্দন আনি তাহে মিশাইয়া॥
জয় জয় ধ্বনি দিয়া ঢালে গোরাগায়।
শ্রীঅঙ্গ মুছাঞা কেহ বসন পরায়॥
সিনান মণ্ডপে দেখ গোরা নটরায়।
মনের হরিষে বাসুদেব ঘোষ গায়॥

ই পদটি ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত, সতী ঘোষ সম্পাদিত “প্রত্যক্ষদর্শীর কাব্যে মহাপ্রভু
শ্রীচৈতন্য”, ১০৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

তৈল হরিদ্রা আর কুঙ্কুম কস্তুরি।
গোরা অঙ্গে লেপে সব নব নব নারী॥
সুবাসিত নীর কলসে পূরিয়া।
সুগন্ধি চন্দন আদি তাহে মিশাইয়া॥
জয় জয় দিয়া ঢালে গোরা গায়।
শ্রীঅঙ্গ মুছিয়া কেহ বসন পরায়॥
সিনান মণ্ডপে দেখ গোরা নটরায়।
বাসুদেব ঘোষ ঐছে গোরাগুণ গায়॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৬১৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বরাড়ী দেশাক॥

তৈল হরিদ্রা আর কুঙ্কুম কস্তুরী।
গোরা অঙ্গে লেপন করে নব নব নারী॥
সুবাসিত জল আনি কলসে পূরিয়া।
সুগন্ধি চন্দন আদি তাহে মিশাইয়া॥
জয় জয় দিয়া জল ঢালে গোরা গায়।
শ্রীঅঙ্গ মোছায়্যা কেহ বসন পরায়॥
সিনান মণ্ডপে দেখ, গোরা নটরায়।
মনের হরিষে বাসুদেব ঘোষ গায়॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
দেখত ঝুলত গৌরচন্দ্র অপরূপ দ্বিজমণিয়া
দেখত অরুণ গৌরচন্দ্র অপরূপ দ্বিজমণিয়া
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত
শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল), ২য়খণ্ড,৩য় শাখা, ৩০শপল্লব ,ঝুলন-লীলা, ১৫৫০-
পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ জয়জয়ন্তী॥

দেখত ঝুলত                          গৌরচন্দ্র
অপরূপ দ্বিজমণিয়া।
বিধির অবধি                     রূপ নিরুপম
কষিল কাঞ্চন জিনিয়া॥
ঝুলায়ত কত                        ভকতবৃন্দ
গৌরচন্দ্র বেঢ়িয়া।
আনন্দে সঘন                     জয় জয় রব
উথলে নগর নদিয়া॥
নয়ন-কমল                         মুখ নিরমল
শরদ-চাঁদ জিনিয়া।
নগরের লোক                     ধায় এক-মুখ
হরি হরি ধ্বনি শুনিয়া॥
ধন্য কলিযুগ                    গোরা অবতার
সুরধুনী ধনি ধনিয়া।
গোরাচান্দ বিনে                 আন নাহি মনে
বাসুঘোষে কহে জানিয়া॥

ই পদটি দ্বিজ মাধব সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতীর গ্রন্থশালার
১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, ২৯৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ রাগিণী কামোদ তালোচিত॥

দেখত ঝুলত গৌরচন্দ্র অপরূপ দ্বিজমণিয়া।
বিধির অবধি রূপ নিরুপম কসিল কাঞ্চন জিনিয়া॥
ঝুলায়ত কত ভকতবৃন্দ গৌর গদাধর বেড়িয়া।
আনন্দে সঘনে জয় জয় রব উথলে নগর নদীয়া॥
নয়ান কমল মুখ নিরমল শরদ চাঁন্দ জিনিয়া।
ধন্য কলিযুগ গোরা অবতার সুরধুনী ধনি ধ্বনিয়া।
গোরাচান্দ বিনে আন নাহি মনে বাসু ঘোষ কহে জানিয়া॥

ই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত মহাজন পদাবলী
“শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৩য় খণ্ড, ৪৫১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

ঝুলন লীলা।
শ্রীগৌরচন্দ্র।
॥ জয়জয়ন্তী-মল্লার - মধ্যম দশকুশী॥

দেখত ঝুলত গৌরচন্দ্র অপরূপ দ্বিজমণিয়া।
বিধির অবধি রূপ নিরুপম কসিত কাঞ্চন জিনিয়া॥
ঝুলায়ত কত ভকতবৃন্দ গৌরচন্দ্র বেঢ়িয়া।
আনন্দে সঘন জয় জয় রব, উথলে নগর নদীয়া॥
নয়ন কমল মূখ নিরমল শরদ চাঁদ জিনিয়া।
নগরের লোক ধায়ে একমুখ হরি হরি ধ্বনি শুনিয়া॥
ধন্য কলিযুগ গোরা অবতার সুরধুনি ধনি ধনিয়া।
গোরা চাঁদ বিনে আন নাহি জানে বাসুঘোষ কহে জানিয়া॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
পদাবলী”, ১৬৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

ঝুলনলীলা
॥ তথারাগ॥

দেখত ঝুলত                           গৌরচন্দ্র
অপরূপ দ্বিজমণিয়া।
বিধির অবধি                      রূপ নিরুপম
কষিল কাঞ্চন জিনিয়া॥
ঝুলায়ত কত                         ভকতবৃন্দ
গৌরচন্দ্র বেঢ়িয়া।
আনন্দে সঘন                       জয় জয় রব
উথলে নগর নদিয়া॥
নয়ন কমল                        মুখ নিরমল
শরদ চাঁদ জিনিয়া।
নগরের লোক                     ধায় একমুখে
হরি হরি ধ্বনি শুনিয়া॥
ধন্য কলিযুগ                    গোরা অবতার
সুরধুনী-ধনি-ধনিয়া।
গোরাচাঁদ বিনে                আন নাহি মনে
বাসু ঘোষে কহে জানিয়া॥

ই পদটি ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত, সতী ঘোষ সম্পাদিত “প্রত্যদর্শীর কাব্যে মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্য”,
১০৩-পৃষ্ঠায় ভণিতাহীন রূপে দেওয়া রয়েছে।

দেখত ঝুলত গৌরচন্দ্র অপরূপ দ্বিজমণিয়া।
বিধির অবধি নিরুপম রূপ কষিল কনক দিয়া॥
নাচত কত ভকতবৃন্দ গৌরচন্দ্র বেড়িয়া।
আনন্দে সঘনে দেই জয়রব উথলে নগর নদীয়া॥
নয়ন কমল মুখ নিরমল শারদ চাঁদ জিনিয়া।
নগরের লোক কত শত ধায় হরি হরি বলিয়া॥
ধর্ম্ম কলিযুগে গোরা অবতার সুরধুনী ধ্বনিয়া
@

@ - এই গ্রন্থে শেষের ভণিতার কলিটি দেওয়া নেই।

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি. কলা (বাংলা)
উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https://shodhganga.inflibnet.ac.in )
“বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী
সংকলন, ৫৮২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সারঙ্গ রাগ॥

দেখত অরুণ গৌরচন্দ্র অপরূপ দ্বিজমণিয়া।
বিধির অবধি                     রূপ নিরুপম
কষিল কাঞ্চন জিনিয়া॥
ঝুলায়ত কত                        ভকতবৃন্দ
গৌরচন্দ্র বেড়িয়া।
আনন্দে সঘন                     জয় জয় রব
উথলে নগর নদিয়া॥
নয়ন কমল                        মুখ নিরমল
শরদ চাঁদ জিনিয়া।
নগরের লোক                   ধায় কত কত
হরি হরি ধ্বনি বলিয়া॥
ধন্য কলিযুগে                    গোরা অবতার
সুরধুনী-ধনি ধনিয়া।
কহে বাসু ঘোষ                গৌরাঙ্গ দেখিয়া
প্রেমে গদগদ হইয়া॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
রোই রোই জপে গোরা কৃষ্ণ নাম মধু
রুই রুই জপে গোরা কৃষ্ণ নাম মধু
ভণিতা বাসুদেব ঘোষ
কবি বাসুদেব ঘোষ                        
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের (১৯২৩ সাল), ৩য়খণ্ড,
৪র্থ শাখা, ৩য়পল্লব ,ভবন্ বিরহ, ১৬৩৪-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

রোই রোই জপে গোরা কৃষ্ণ-নাম-মধু।
অমিয়া বরিখে যেন নিরমল বিধু॥
শিব বিহি নাহি পায় যার পদ ভজি।
তরুতলে বৈঠল সব সঙ্গ তেজি॥
ছাড়িয়া সকল সুখ ভেল অশকতি।
সাতকুম্ভ-কলেবর ভাব-বিভূতি॥
দেখিয়া সকল লোক অনুক্ষণ কান্দে।
বাসুদেব ঘোষ হিয়া থির নাহি বান্ধে॥

ই পদটি দ্বিজ মাধব সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতীর
গ্রন্থশালার ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, ৩৪৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ রাগিণী সুহই॥
॥ তাল সমুচিত॥

রোই রোই জপে গোরা কৃষ্ণনাম মধু। অমিআ ঝরয়ে জেন বিমল বিধু॥
শিব বিহি নাহি পায় জার পদ ভজি। তরুতলে বসিলেন সব সঙ্গ তেজি॥
ছাড়িআ সকল সুখ ভেল অসকতি। সাতকুম্ভ কলেবর ভাব বিভূতি॥
দেখিআ সকল লোক অনুক্ষণ কান্দে। বাসুদেব ঘোষ হিয়া থির নাহি বান্ধে॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ, ২০১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

রোই রোই জপে গোরা কৃষ্ণনাম-মধু।
অমিয়া ঝরয়ে যেন বিমল বিধু॥
শিব বিহি নাহি পায় যার পদে ভজি।
তরুতলে বৈঠল সব সঙ্গ তেজি॥
ছাড়িয়া সকল সুখ ভেল অশকতি।
সাত কুম্ভ কলেবর ভাব বিভূতি॥
দেখিয়া সকল লোক অনুক্ষণ কাঁদে।
বাসুদেব ঘোষ হিয়া থির নাহি বাঁধে॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১৫৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

অভিসারানুরাগ
॥ সুহই॥

রোই রোই জপে গোরা কৃষ্ণনামমধু।
অমিয়া ঝরয়ে যেন অমলিন বিধু॥
শিব বিহি নাহি পায় যার পদে ভজি।
তরুতলে বৈঠল সব সঙ্গ তেজি॥
ছাড়িয়া সকল সুখ ভেল অশকতি।
সাতকুম্ভ কলেবর ভাব বিভূতি॥
দেখিয়া সকল লোক অনুক্ষণ কাঁদে।
বাসুদেব ঘোষ হিয়া থির নাহি বাঁধে॥

ই পদটি ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত, সতী ঘোষ সম্পাদিত “প্রত্যদর্শীর কাব্যে মহাপ্রভু
শ্রীচৈতন্য”, ১০১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

রুই রুই জপে গোরা কৃষ্ণ নাম মধু।
অমিঞা বরিখে যৈছে বিমল বিধু॥
তরুতলে বৈঠল সব সঙ্গে তেজি।
শিব বিহি নাহি পায় যার পদ খুঁজি॥
ছাড়িয়া সকল সুখ তেজিয়া সকল।
সাত কুম্ভ কলেবর ভাব বিকল॥
দেখিয়া সকল লোক অনুক্ষণ কান্দে।
কহে বাসুদেব ঘোষ স্থির নাহি বান্ধে॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৫৯৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

রোই রোই জপে গোরা কৃষ্ণ-নাম মধু।
অমিয়া বরিখে যেন নিরমল বিধু॥
শিব বিহি নাহি পায় যার পদ ভজি।
তরুতলে বৈঠল সব সঙ্গ তেজি॥
ছাড়িয়া সকল সুখ ভেল অশকতি।
সাতকুম্ভ কলেবর ভাব বিভূতি॥
দেখিয়া সকল লোক অনুক্ষণ কান্দে।
বাসুদেব ঘোষ হিয়া থির নাহি বান্ধে॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
বিরলে বসিআ একেশ্বরে
বিরলে বসিয়া একেশ্বর
বিরলে বসিয়া একেশ্বরে
ভণিতা বাসু
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি আনুমানিক ১৭০০ সালে, বিশ্বনাথ চক্রবর্তী (হরিবল্লভ দাস) দ্বারা সংকলিত ও
বিরোচিত এবং ১৯২৪ সালে, রাধানাথ কাবাসী দ্বারা সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“শ্রীশ্রীক্ষণদা-গীতচিন্তামণি”, দ্বাদশ ক্ষণদা - কৃষ্ণা দ্বাদশী, ৯২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীগৌরচন্দ্রস্য।
॥ বরাড়ী॥

বিরলে বসিয়া একেশ্বর।
হরিনাম জপে নিরন্তর॥
সব-অবতার-শিরোমণি।
অকিঞ্চন-জন-চিন্তামণি॥
সুগন্ধি চন্দন মাখা গায়।
ধূলি বিনু আন নাহি ভায়॥
মণিময় রতন ভূষণ।
স্বপনে না করে পরশন॥
ছাড়ল লখিমী-বিলাস।
কিবা লাগি তরু-তলে বাস॥
ছাড়ল বনমালা বাঁশী।
এবে দণ্ড ধরিয়া সন্ন্যাসী॥
হাস বিলাস উপেখি।
কান্দিয়া ফুলায় দুটি আঁখি॥
বিভূতি করিয়া প্রেম-ধন।
সঙ্গে লঞা সব অকিঞ্চন জন॥
প্রেম-জলে করই সিনান।
কহে বাসু বিদরে পরাণ॥

ই পদটি আনুমানিক ১৭০০ সালে, বিশ্বনাথ চক্রবর্তী (হরিবল্লভ দাস) দ্বারা সংকলিত ও
বিরোচিত এবং ১৯২৪ সালে, রাধানাথ কাবাসী দ্বারা সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“শ্রীশ্রীক্ষণদা-গীতচিন্তামণি”, ত্রয়োবিংশ ক্ষণদা - শুক্লা অষ্টমী, ১৭৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে ২য় বার
দেওয়া রয়েছে।

শ্রীগৌরচন্দ্রস্য।
॥ বরাড়ী ॥

বিরলে বসিয়া একেশ্বর।
হরিনাম জপে নিরন্তর॥
সব-অবতার-শিরোমণি।
অকিঞ্চন-জন-চিন্তামণি॥
সুগন্ধি চন্দন মাখা গায়।
ধূলি বিনু আন নাহি ভায়॥
মণিময় রতন ভূষণ।
স্বপনে না করে পরশন॥
ছাড়ল লখিমী-বিলাস।
কিবা লাগি তরু-তলে বাস॥
ছাড়ল বনমালা বাঁশী।
এবে দণ্ড ধরিয়া সন্ন্যাসী॥
হাস-বিলাস উপেখি।
কান্দিয়া ফুলায় দুটি আঁখি॥
বিভূতি করিয়া প্রেম-ধন।
সঙ্গে লঞা সব অকিঞ্চন জন॥
প্রেম-জলে করই সিনান।
কহে বাসু বিদরে পরাণ॥

ই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের (১৯২৩ সাল), ৩য় খণ্ড,
৪র্থ শাখা, ২য় পল্লব, ভবন্ বিরহ, ১৬৩৫-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তথা রাগ ॥

বিরলে বসিয়া একেশ্বরে।
হরিনাম জপে নিরন্তরে॥
সুগন্ধি চন্দন মাখা গায়।
ধূলা বিনু আন নাহি ভায়॥
ছাড়ি পহুঁ লখিমী-বিলাস।
এবে ভেল তরুতলে বাস॥
ছাড়িয়া মোহন করে বাঁশী।
দণ্ড ধরি হইলা সন্ন্যাসী॥
রাতি দিবস নাহি জান।
বাসু কহে বিদরে পরাণ॥

ই পদটি দ্বিজ মাধব সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতীর
গ্রন্থশালার ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, ৩৪৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ রাগিণী সুহই॥
॥ তাল সমুচিত॥

বিরলে বসিআ একেশ্বরে। হরিনাম জপে নিরন্তরে॥
সুগন্ধি চন্দন সথাগায়। ধূলা বিনু আন নাহি ভায়॥
ছাড়ি পহু লছিমি বিলাস। অব ভেল তরুতলে বাস॥
ছাড়িআ মোহন করে বাঁসি। দণ্ডধারি হইলা সন্ন্যাসী॥
রাতি দিবস নাহি জান। বাসু কহে বিদরয়ে প্রাণ॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ, ১৯০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বরাড়ী॥

বিরলে বসিয়া একেশ্বরে।        হরিনাম জপে নিরন্তরে॥
সব অবতারশিরোমণি।         অকিঞ্চন জনের চিন্তামণি॥
সুগন্ধি চন্দন মাখা গায়।         এবে ধূলি বিনু আন নাহি ভায়॥
মণিময় রতন ভীষণ।            স্বপনে না করে পরশন॥
ছাড়ল লখিমীবিলাস।             কিবা লাগি তরুতলে বাস॥
ছোড়ল মোহন করে বাঁশী।       এবে দণ্ড ধরিয়া সন্ন্যাসী॥
বিভূতি করিয়া প্রেমধন।         সঙ্গে লই সব অকিঞ্চন॥
প্রেমজলে করই সিনান।          কহে বাসু বিদরে পরাণ॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১৭২-পৃষ্ঠায় ভণিতায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

গম্ভীরায় শ্রীগৌরাঙ্গ
॥ বরাড়ী॥

বিরলে বসিয়া একেশ্বরে।
হরিনাম জপে নিরন্তরে॥
সব অবতারশিরোমণি।
অকিঞ্চন জনের চিন্তামণি॥
সুগন্ধি চন্দন মাখা গায়।
(এবে) ধূলি বিনু আন নাহি ভায়॥
মণিময় রতন ভূষণ।
স্বপনে না করে পরশন॥
@@ @@ লখিমী-বিলাস।
@@ @গি তরুতলে বাস॥
ছোড়ল মোহন করে বাঁশী।
এবং দণ্ড ধরিয়া সন্ন্যাসী॥
বিভূতি করিয়া প্রেমধন।
সঙ্গে লই সব অকিঞ্চন॥
প্রেমজলে করই সিনান।
কহে বাসু বিদরে পরাণ॥

@@ - অপাঠ্য অক্ষর।

ই পদটি ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত, সতী ঘোষ সম্পাদিত “প্রত্যদর্শীর কাব্যে মহাপ্রভু
শ্রীচৈতন্য”, ১০২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

বিরলে বসিয়া একেশ্বরে।
.        হরিনাম জপে নিরন্তরে॥
সুগন্ধি চন্দন মাখে গায়।
এবে ধূলি বিনু নাহি তায়॥
ছাড়ল লখিমী বিলাস।
এবে হেন তরু তলে বাস॥
ছাড়ল বনমালা বাঁশী।
এবে দণ্ড ধরি হৈলা সন্ন্যাসী॥
.        রাত্রিতে দিবস নাহি জান।
.        কহে বাসু বিদরে পরাণ॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৫২৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বরাড়ী॥

বিরলে বসিয়া একেশ্বরে।
হরিনাম জপে নিরন্তরে॥
( সব অবতার শিরোমণি।
আকিঞ্চন জন চিন্তামণি॥ )
সুগন্ধি চন্দন মাখা গায়।
ধূলি বিনু আন নাহি ভায়॥
( মণিময় রতন ভূষণ।
স্বপনে না করে পরশন॥ )
ছাড়ল লখিমী বিলাস।
কিবা লাগি তরুতলে বাস॥
ছাড়ল বনমালা বাঁশী।
এবে দণ্ড ধরিয়া সন্ন্যাসী॥
( বিভূতি করিয়া প্রেম ধন।
সঙ্গে লঞা সব আকিঞ্চন জন॥
প্রেম জলে করই সিনান। )
কহে বাসু বিদরে পরাণ॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
হরি হরি গোরা কোথা গেল
ভণিতা বাসু
কবি বাসুদেব ঘোষ                        
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের (১৯২৩ সাল), ৩য়খণ্ড,
৪র্থ শাখা, ২য়পল্লব ,ভাবী বিরহ, ১৬৩৬-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

হরি হরি গোরা কোথা গেল।
কোন নিদারুণ বিধি এত দুখ দিল॥
হিয়া মোর জরজর পাঁজর ধসে।
পরাণ গেল যদি পিরিতি কিসে॥
ফুকারি কান্দিতে নারি চোরের রমণী।
অনুক্ষণ পড়ে মনে গোরা-মুখখানি॥
ঘরের বাহির নহি কুলের ঝি।
স্বপনে না হয় দেখা করিব কি॥
সে রূপ-মাধুরী লীলা কাহারে কহিব।
গোরা পহুঁ বিনে মুঞি আনলে পশিব॥
গোরা বিনু প্রাণ রহে এহ বড় লাজ।
বাসু কহে কেনে মুণ্ডে না পড়য়ে বাজ॥

ই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ৮৫৯-
পদসংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের
পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো।

॥ সুহই॥

হরি হরি গোরা কোথা গেল।
কোন নিদারুণ বিধি এত দুখ দিল॥
হিয়া মোর জরজর পাঁজর ধসে।
পরাণ গেল যদি পিরিতি কিসে॥
ফুকারি কান্দিতে নারি চোরের রমণী।
অনুক্ষণ পড়ে মনে গোরা-মুখখানি॥
ঘরের বাহির নহি কুলের ঝি।
স্বপনে না হয় দেখা করিব কি॥
সে রূপ-মাধুরী লীলা কাহারে কহিব।
গোরা পহুঁ বিনে মুঞি আনলে পশিব॥
গোরা বিনু প্রাণ রহে ইহ বড় লাজ।
বাসু কহে কেনে মুণ্ডে না পড়য়ে বাজ॥

ই পদটি ১৮০৭ সালে প্রকাশিত, কমলাকান্ত দাস সংকলিত “পদরত্নাকর” পুথির ৪০|১১১-
পদ-সংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের
পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো।

॥ সিন্ধুড়া॥

হরি হরি গোরা কোথা গেল।
কোন নিদারুণ বিধি এত দুখ দিল॥
হিয়া মোর জরজর পাঁজর খসে।
পরাণ গেল যদি পিরিতি কিসে॥
ফুকারি কান্দিতে নারে চোরের রমণী।
অনুক্ষণ পড়ে মনে গোরা-বরণ॥
গোরা বিনু প্রাণ রহে ইহ বড় লাজ।
বাসু কহে কেনে মুণ্ডে না পড়িল বাজ॥

ই পদটি দ্বিজ মাধব সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতীর
গ্রন্থশালার ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, ৩৩৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ রাগিণী সুহই তালোচিত॥

হরি হরি গোরা কোথা গেল। কোন নিদারুণ বিধি এত দুখ দিল॥
হিআ মোর জরজর পাঁজর সে ধসে। পরাণ গেল যদি পিরিতি সে কিসে॥
ফুকুরে কান্দিতে নারে চোরের রমণী। অনুখন পড়ে মনে গোরা মুখখানি॥
ঘরের বাহির নহি কুলের ঝি। সপনে না হয় দেখা করিব সে কি॥
সে রূপ মাধুরীলীলা কাহারে কহিব। গোরা পহু বিনে আমি আনলে পসিব॥
গোরা বিনে প্রাণ রয় য়েই বড় লাজ। বাসু কহে কেনে মুণ্ডে না পড়িল বাজ॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ, ২৫৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শচী ও বিষ্ণুপ্রিয়ার বিলাপ
॥ সুহই॥

হরি হরি গোরা কোথা গেল।
কোন নিদারুণ বিধি এত দুঃখ দিল॥
হিয়া মোর জর জর পাঁজর ধসে।
পরাণ গেল যদি পিরীতি কিসে॥
ফুকারি কাঁদিতে নারে চোরের রমণী।
অনুক্ষণ পড়ে মনে গোরা-মুখখানি॥
ঘরের বাহির নহি কুলের ঝি।
স্বপনে না হয় দেখা করিব কি॥
সে রূপ-মাধুরী লীলা কাহারে কহিব।
গোরা পহুঁ বিনে মুই অনলে পশিব॥
গোরা বিনু প্রাণ রহে এই বড় লাজ।
বাসু কহে কেনে মুণ্ডে না পড়য়ে বাজ॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১৬৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীগৌরাঙ্গের সন্ন্যাস লীলা
॥ সুহই॥

হরি হরি গোরা কোথা গেল।
কোন নিদারুণ বিধি এত দুঃখ দিল॥ ধ্রু॥
হিয়া মোর জর জর পাঁজর গোল ধসি।
পরাণ গেল যদি পিরীতি কিসে বাসি॥
ঘরের বাহির নহি কুলের রমণী।
স্বপনে না হয় দেখা করিব কি জানি॥
সে রূপমাধুরী লীলা কাহারে কহিব।
গোরা পহুঁ বিনে মুই অনলে পশিব॥
গোরা বিনু প্রাণ রহে এই বড় লাজ।
বাসু কহে কেনে মুণ্ডে না পড়য়ে বাজ॥

ই পদটি ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত, সতী ঘোষ সম্পাদিত “প্রত্যক্ষদর্শীর কাব্যে মহাপ্রভু
শ্রীচৈতন্য”, ১১৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

হরি হরি গোরা কোথা গেল।
কোন নিদারুণ বিধি এত দুখ দিল॥
হিয়া জরজর মোর পাঁজর খসে।
পরাণ গেল যদি পীরিতি কিসে॥
ফুকরিতে নারি আমি ত রমণী।
অনুক্ষণ পড়ে মনে গোরারূপখানি॥
ঘরের বাহির না হই কুলের ঝি।
স্বপনে না হয়ে দেখা করিব কী॥
ও রূপ মাধুরী লীলা কাহারে কহিব।
গোরা পহু বিনা আমি অনলে পশিব॥
গোরা বিনু প্রাণ রহে এ বড় লাজ।
বাসুদেব কহে মুণ্ডে না পড়ল বাজ॥

ই পদটি ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত
মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৪র্থ খণ্ড, ৯৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই - মধ্যম দশকুশী॥

হরি হরি গোরা কোথা গেল।
কোন নিদারুণ বিধি এত দুখ দিল॥
হিয়া মোর জর জর পাঁজর ধসে।
পরাণ গেল যদি পিরিতি কিসে॥
ফুকারি কান্দিতে নারি চোরের রমণী।
অনুক্ষণ পড়ে মনে গোরা-মুখখানি॥
ঘরের বাহির নহি কুলের ঝি।
স্বপনে না হয় দেখা করিব বা কি॥
সে রূপ-মাধুরী লীলা কাহারে কহিব।
গোরা পহুঁ বিনে মুঞি অনলে পশিব॥
গোরা বিনু প্রাণ রহে এই বড় লাজ।
বাসু কহে কেনে মুণ্ডে না পড়য়ে বাজ॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ ( সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৭২১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

হরি হরি গোরা কোথা গেল।
কোন নিদারুণ বিধি এত দুখ দিল॥
হিয়া মোর জরজর পাঁজর ধসে।
পরাণ গেল যদি পিরিতি কিসে॥
ফুকারি কাঁদিতে নারি চোরের রমণী।
অনুক্ষণ পড়ে মনে গোরা মুখখানি॥
ঘরের বাহির নহি কুলের ঝি।
স্বপনে না হয় দেখা করিব কি॥
সে রূপ মাধুরী লীলা কাহারে কহিব।
গোরা পহুঁ বিনে মুঞি আনলে পশিব॥
গোরা বিনু প্রাণ রহে এই বড় লাজ।
বাসু কহে কেনে মুণ্ডে না পড়য়ে বাজ॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
সিংহদ্বার তেজি গোরা সমুদ্র আড়ে ধায়
সিংহদ্বার ছাড়ি গোরা সমুদ্রআড়ে ধায়
সিংহদ্বার ত্যজি গোরা সমুদ্র আড়ে ধায়
ভণিতা বাসুদেব ঘোষ
কবি বাসুদেব ঘোষ                        
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের (১৯২৩ সাল), ৩য়খণ্ড,
৪র্থ শাখা, ৬ষ্ঠপল্লব ,দিব্যোন্মাদ, ১৬৬২-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

সিংহদ্বার তেজি গোরা সমুদ্র আড়ে ধায়।
কোথা কৃষ্ণ কোথা কৃষ্ণ সভারে সুধায়॥
চৌদিকে ভকতগণ হরি-গুণ গায়।
মাঝে কনয়া-গিরি ধূলায় লুটায়॥
আছাড়িয়া পড়ে অঙ্গ ভূমে গড়ি যায়।
দীঘল শরীর গোরা পড়ি মুরছায়॥
উত্তান-শয়ন মুখে ফেনা বাহিরায়।
বাসুদেব ঘোষের হিয়া বিদরিয়া যায়॥

ই পদটি দ্বিজ মাধব সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতীর
গ্রন্থশালার ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, ৩৪২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তত্র গৌরচন্দ্র॥
॥ রাগিণী সুহই॥ তাল সমুচিত॥

সিংহদ্বার ছাড়ি গোরা সমুদ্রআড়ে ধায়। কোথা কৃষ্ণ কোথা কৃষ্ণ সভারে সুধায়॥
চৌদিকে ভকতগণ হরিগুণ গায়। মাঝে কনয়া গিরি ধূলায় লোটায়॥
আছাড়িআ পড়ে অঙ্গ ভোমে গড়ি গায়। দিঘল শরীর গোরার পড়ি মূরূছায়॥
উত্থান সময়ে মুখে ফেন বাহিরায়। বাসুদেব ঘোষ হিয়া বিদরিআ জায়॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ, ২০১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

সিংহদ্বার ত্যজি গোরা সমুদ্র আড়ে ধায়।
কোথা কৃষ্ণ কোথা কৃষ্ণ সভারে সুধায়॥
চৌদিকে ভকতগণ হরিগুণ গায়।
মাঝে কনয়াগিরি ধূলায় লুটায়॥
আছাড়িয়া পড়ে অঙ্গ ভূমে গড়ি যায়।
দীঘল শরীরে গোরা পড়ি মূরছায়॥
উত্তান শয়ন মুখে ফেন বহি যায়।
বাসুদেব ঘোষের হিয়া বিদরিয়া যায়॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১৭৩-পৃষ্ঠায় ভণিতায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

সিংহদ্বার ত্যজি গোরা সমুদ্র আড়ে ধায়।
কোথা কৃষ্ণ কোথা কৃষ্ণ সভারে সুধায়॥
চৌদিকে ভকতগণ হরিগুণ গায়।
মাঝে কনয়াগিরি ধূলায় লোটায়॥
আছাড়িয়া পড়ে অঙ্গ ভূমে গড়ি যায়।
দীঘল শরীরে গোরা পড়ি মূরছায়॥
উত্তান শয়ন মুখ ফেনায় ভরিল।
বাসুঘোষের হিয়া গরলে জারিল॥

ই পদটি ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত
মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৪র্থ খণ্ড, ১২৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

পুনশ্চ দিব্যোন্মাদ
॥ সুহই - মধ্যম দশকুশী॥

সিংহদ্বার তেজি গোরা সমুদ্র আড়ে ধায়।
কোথা কৃষ্ণ কোথা কৃষ্ণ সবারে সুধায়॥
চৌদিকে ভকতগণ হরি-গুণ গায়।
মাঝে কনয়া-গিরি ধুলায় লুটায়॥
আছাড়িয়া পড়ে অঙ্গ ভূমে পড়ি যায়।
দীঘল শরীর গোরা পড়ি মুরছায়॥
উত্তান-শয়ন মুখে ফেনা বাহিরায়।
বাসুদেব ঘোষের হিয়া বিদরিয়া যায়॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৬০৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

সিংহদ্বার তেজি গোরা সমুদ্র আড়ে ধায়।
কোথা কৃষ্ণ কোথা কৃষ্ণ সবারে সুধায়॥
চৌদিকে ভকতগণ হরিগুণ গায়।
মাঝে কনয়াগিরি ধূলায় লুটায়॥
আছাড়িয়া পড়ে অঙ্গ ভূমে গড়ি যায়।
দীঘল শরীর গোরা পড়ি মুরছায়॥
উত্তান-শয়ন মুখে ফেনা বাহিরায়।
বাসুদেব ঘোষের হিয়া বিদরিয়া যায়॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
কহ সখি জিবন-উপায়
কহ সখি কি করি উপায়
কহ সখি জীবন উপায়
কহ সখী জীবন উপায়
ভণিতা বাসু ঘোষ
কবি বাসুদেব ঘোষ                        
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের (১৯২৩ সাল), ৩য়খণ্ড,
৪র্থ শাখা, ৬ষ্ঠপল্লব ,বাহ্য-দশায় প্রলাপ, ১৬৬৯-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

অথ কেবলং বাহ্য-দশায়াং বিলাপো যথা।
তত্র শ্রীগৌরচন্দ্রঃ।
॥ সুহই॥

কহ সখি জিবন-উপায়।
ছাড়ি গেল গোরা নট-রায়॥
ভাবি ভাবি তনু ভেল ক্ষীণ।
বিচ্ছেদে বাঁচিব কত দিন॥
নিরমল গৌরাঙ্গ-বদন।
কোথা গেলে পাব দরশন॥
কি বিহি লিখিল মোর ভালে।
চিড়ি দেখি কি আছে কপালে॥
হিয়া জরজর অনুরাগে।
এ দুখ কহিব কার আগে॥
কহ বাসু ঘোষ নিদান।
গোরা বিনু না রহে পরাণ॥

ই পদটি দীনবন্ধু দাস দ্বারা ১৭৭১ সালে লিখিত, দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের সংগ্রহের
পুথি (সংকলনের সাল নিয়ে আমরা নিশ্চিত নই), ১৯২৯ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ
থেকে অমূল্যচরণ বিদ্যাভূষণ দ্বারা সম্পাদিত ও মুদ্রিত পদাবলী সংকলন  
“শ্রীশ্রীসংকীর্ত্তনামৃত”, ১৫৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

অথ মাথুরবিরহঃ।
তত্র গৌরচন্দ্রঃ।
॥ সুহই॥

কহ সখি জীবন উপায়।
ছাড়ি গেল গোরা নটরায়॥
কোথা গেলে পাব দরশন।
নিরমল সো চান্দবয়ন॥
কি বিহি লিখিল মোর ভালে।
চিরি চাহোঁ এ পাপ কপালে॥
ঝুরি ঝুরি তনু হল্য খীন।
এ দুখে বঞ্চিব কত দিন॥
হিয়া জর জর অনুরাগে।
এ দুখ কহিব কার আগে॥
কহে বাসু ঘোষ নিদান।
গোরা বিনে তেজিব পরাণ॥

ই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ৮৯২-
পদসংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের
পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো।

॥ সুহই॥

কহ সখি জীবন-উপায়।
ছাড়ি গেল গোরা নট-রায়॥
ভাবি ভাবি তনু ভেল ক্ষীণ।
বিচ্ছেদে বাঁচিব কত দিন॥
নিরমল গৌরাঙ্গ-বদন।
কোথা গেলে পাব দরশন॥
কি বিহি লিখিল মোর ভালে।
চিড়ি দেখি কি আছে কপালে॥
হিয়া জরজর অনুরাগে।
এ দুখ কহিব কার আগে॥
কহ বাসু ঘোষ নিদান।
গোরা বিনু না রহে পরাণ॥

ই পদটি ১৮০৭ সালে প্রকাশিত, কমলাকান্ত দাস সংকলিত “পদরত্নাকর” পুথির
৪০|১৫-পদ-সংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র
রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো।

॥ পাহিড়া॥

কহ সখি জিবন-উপায়।
ছাড়ি যায় গোরা নট-রায়॥
ঝুরি ঝুরি তনু হৈল ক্ষীণ।
এ দুঃখে বঞ্চিব কত দিন॥
পুন কি পাইব দরশন।
নিরমল ও চান্দবদন॥
কি বিহি লিখিল মোর ভালে।
চিড়ি দেখি কি আছে কপালে॥
হিয়া জরজর অনুরাগে।
এ দুখ কহিব কার আগে॥
বাসু ঘোষে কহিল নিদান।
গোরা বিনু তেজিব পরাণ॥

ই পদটি ১৮০৭ সালে প্রকাশিত, কমলাকান্ত দাস সংকলিত “পদরত্নাকর” পুথির
৪০|১২০-পদ-সংখ্যায় পুনঃ এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি।
সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো।

॥ গান্ধার॥

কহ সখি জিবন-উপায়।
ছাড়ি গেল গোরা নট-রায়॥
ঝুরি ঝুরি তনু হৈল ক্ষীণ।
এ দুঃখে বঞ্চিব কত দিন॥
পুন কি পাইব দরশন।
নিরমল ও চান্দবদন॥
কি বিহি লিখিল মোর ভালে।
চিড়ি দেখি কি আছে কপালে॥
হিয়া জরজর অনুরাগে।
এ দুখ কহিব কার আগে॥
বাসু ঘোষে কহিল নিদান।
গোরা বিনু তেজিব পরাণ॥

ই পদটি দ্বিজ মাধব সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতীর
গ্রন্থশালার ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, ৩৪৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ রাগিণী সুহই॥
॥ তাল সমুচিত॥

কহ সখি জীবন উপায়। ছাড়ি গেলা গোরা নটরায়॥
ভাবি ভাবি তনু ভেল খিন। বিচ্ছেদে বাঁচিব কতদিন॥
নিরমল গৌরাঙ্গ বদন। কোথা গেলে পাব দরশন॥
কি বিধি লিখিল মোর ভালে। চিরে দেখি কি আছে কপালে॥
হিআ জরজর অনুরাগে। এ দুখ কহিব কার আগে॥
কহে বাসুঘোষ নিদান। গোরা বিনু তেজিব পরাণ॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ (১ম সংস্করণ ১৯০২), ২৫৩-পৃষ্ঠায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শচী ও বিষ্ণুপ্রিয়ার বিলাপ
॥ সুহই॥

কহ সখি কি করি উপায়।
ছাড়ি গেল গোরা নটরায়॥
ভাবি ভাবি তনু ভেল ক্ষীণ।
বিচ্ছেদে বাঁচিব কত দিন॥
নিরমল গৌরাঙ্গবদন।
কোথা গেলে পাব দরশন॥
কি বিধি লিখিল মোর ভালে।
চিরি দেখি কি আছে কপালে॥
হিয়া জর জর অনুরাগে।
এ দুখ কহিব কার আগে॥
কহে বাসু ঘোষ নিদান।
গোরা বিনু না রহে পরাণ॥

ই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত “পদামৃত লহরী”,
১৬৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

অথ মাথুর বিরহ
গৌরচন্দ্র
॥ রাগিণী সুহই - তাল সমতাল॥

কহ সখি জীবন উপায়। ছাড়ি গেল গোরা নটরায়॥ ভাবি
ভাবি তনু ভেল ক্ষীণ। বিচ্ছেদে বাঁচিব কতদিন॥ নিরমল
গৌরাঙ্গ বদন। কোথা গেলে পাব দরশন॥ বাসুঘোষ কহয়ে
নিদান। গোরা বিনু না রহে পরাণ॥

ই পদটি ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত, সুধীরচন্দ্র রায় ও অপর্ণা দেবী সম্পাদিত পদাবলী
সংকলন “কীর্ত্তন পাদাবলী”. ৩১০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

বিরহ খণ্ড
॥ সুহই - বড় সমতাল॥

কহ সখি জিবন-উপায়।
ছাড়ি গেল গোরা নটরায়॥
ভাবি ভাবি তনু ভেল ক্ষীণ।
বিচ্ছেদে বাঁচিব কত দিন॥
নিরমল গৌরাঙ্গ-বদন।
কোথা গেলে পাব দরশন॥
কি বিহি লিখিল মোর ভালে।
চিড়ি দেখি কি আছে কপালে॥
হিয়া জরজর অনুরাগে।
এ দুখ কহিব কার আগে॥
কহ বাসু ঘোষ নিদান।
গোরা বিনু না রহে পরাণ॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১৬৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীগৌরাঙ্গের সন্ন্যাস লীলা
॥ সুহই॥

কহ সখি কি করি উপায়।
ছাড়ি গেল গোরা নটরায়॥
ভাবি ভাবি তনু ভেল ক্ষীণ।
বিচ্ছেদে বাঁচিব কত দিন॥
নিরমল গৌরাঙ্গ বদন।
কোথা গেলে পাব দরশন॥
কি বিধি লিখিল মোর ভালে।
চিরি দেখি কি আছে কপালে॥
হিয়া জরজর অনুরাগে।
এ দুখ কহিব কার আগে॥
কহে বাসু ঘোষ নিদান।
গোরা বিনু না রহে পরাণ॥

ই পদটি ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত, সতী ঘোষ সম্পাদিত “প্রত্যক্ষদর্শীর কাব্যে মহাপ্রভু
শ্রীচৈতন্য”, ১১৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

কহ সখী জীবন উপায়।
.        ছাড়ি গেল গোরা নটরায়॥
কোথা গেলে পাব দরশন॥
নিরমিলা সে চাদ বদন।
কিবা বিহি লিখিল মোর ভাল।
.        চিরকাল পাপ কপাল॥

ঝুরি ঝুরি তনু হৈল খিন।
.        এমনি বঞ্চিব কতদিন॥
হিয়া জরজর অনুরাগে।
এ দুখ কহিব কার আগে॥
কহে বাসুঘোষ নিদান।
গোরা বিনু তেজিব পরাণ॥

ই পদটি ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত
মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৪র্থ খণ্ড, ৫৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীগৌরচন্দ্র
॥ সুহই - বড় দশকুশী॥

কহ সখী জীবন উপায়।
ছাড়ি গেল গোরা নটরায়॥
ভাবি ভাবি তনু ভেল ক্ষীণ।
বিচ্ছেদে বাঁচিব কতদিন॥
নিরমল গৌরাঙ্গ বদন।
কোথা গেলে পাব দরশন॥
কি বিহি লিখিল মোর ভালে।
চিরি দেখি কি আছে কি কপালে॥
হিয়া জর জর অনুরাগে।
এ দুঃখ কহিব কার আগে॥
কহ বাসু ঘোষ নিদান।
গোরা বিনে না রহে পরাণ॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ ( সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৭২২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

কহ সখি জিবন উপায়।
ছাড়ি গেল গোরা নটরায়॥
কোথা গেলে পাব দরশন।
নিরমল সোচান্দ বয়ন।
কি বিহি লিখিল মোর ভালে।
চিরি চাহোঁ এ পাপ কপালে॥
ঝুরি ঝুরি তনু হল্য খীন।
এ দুখে বঞ্চিব কতদিন॥
হিয়া জর জর অনুরাগে।
এ দুখ কহিব কার আগে॥
কহে বাসু ঘোষ নিদান।
গোরা বিনে তেজিব পরাণ॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
সন্ন্যাসী হইয়া গেলা পুন যদি বাহুড়িলা
সন্ন্যাসী হইআ গেলা পুনু নাহি বাহুড়িলা
সন্ন্যাসী হইয়া গেলা পুনঃ যদি বাহুড়িলা
হরি হরি গৌরাঙ্গ এমন কেন হৈল
ভণিতা বাসুদেব ঘোষ / বাসুদেবানন্দ
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায়
সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের (১৯২৩ সাল), ৩য়খণ্ড,৪র্থ শাখা, ৯মপল্লব,
দ্বাদশমাসিক বিরহ, ১৮০১-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ পাহিড়া॥

সন্ন্যাসী হইয়া গেলা             পুন যদি বাহুড়িলা
নাহি আইলা নদীয়া নগরে।
হৃদয়ে হৃদয় ধরি               নিজ পর এক করি
তার মুখ দেখিবার তরে॥
হরি হরি গৌরাঙ্গ এমন কেন হৈলা।
সভারে সদয় হৈয়া           মুঞি নারীরে বঞ্চিয়া
এ শোক-সাগরে ভাসাইলা॥ ধ্রু॥
এ নব যৌবনকালে           মুড়াইলা চাঁচর চুলে
কি জানি সাধিলা কোন সিধি।
কি ছার পুরাণ সে              পশুবৎ পণ্ডিত যে
গৌরাঙ্গ-সন্ন্যাসে দিল বিধি॥
অক্রুর আছিল ভাল        রাজ-বোলে লৈয়া গেল
থুইল লৈয়া মথুরানগরী।
নিতি লোক আইসে যায়       তাহাতে সম্বাদ পায়
ভারতী করিলে দেশান্তরী॥
এত বলি বিষ্ণুপ্রিয়া           মরমে বেদনা পাঞা
ধরণীরে মাগয়ে বিদায়।
বাসুদেব ঘোষে কয়           মো সম পামর নাই
তমু হিয়া বিদরে আমার॥

ই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায়
সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের (১৯২৩ সাল), ৩য় খণ্ড, ৪র্থ শাখা, ২১শ পল্লব,
শ্রীগৌরাঙ্গের সন্ন্যাস ইত্যাদি, ২২৭৩-পদসংখ্যায় ২য় বার এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ পাহিড়া॥

সন্ন্যাসী হইয়া গেলা            পুন যদি বাহুড়িলা
নাহি আইলা নদীয়া নগরে।
হৃদয়ে হৃদয়ে ধরি             নিজ পর এক করি
চাঁদ-মুখ দেখিবার তরে॥
হরি হরি গৌরাঙ্গ এমন কেনে হৈলা।
সভারে সদয় হৈয়া          মুঞি নারীরে বঞ্চিয়া
এ শোক-সাগরে ভাসাইলা॥ ধ্রু॥
এ নব যৌবন-কালে          মুড়াইয়া চাঁচর চুলে
না জানি সাধিলা কোন সিধি।
কি ছার পরাণ যে             পশুবত পণ্ডিত সে
গৌরাঙ্গ-সন্ন্যাসে দিল বিধি॥
অক্রুর আছিল ভাল         রাজ-বলে লৈয়া গেল
রাখিল সে মথুরা-নগরী।
নিতি লোক আইসে যায়      তাহাতে সম্বাদ পায়
ভারতী করিল দেশান্তরী॥
এত বলি বিষ্ণুপ্রিয়া          মরমে বেদনা পাইয়া
ধরণীরে মাগয়ে বিদার।
বাসুদেব ঘোষে কয়            মো সম পামর নয়
তমু হিয়া বিদরে আমার॥

ই পদটি দ্বিজ মাধব সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতীর গ্রন্থশালার
১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, ৩৪৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ রাগিণী তাল উদিত॥

সন্ন্যাসী হইআ গেলা পুনু নাহি বাহুড়িলা না আইলা নদীআ নগরে।
হৃদয় বিদরি মরি নিজ পর একুই করি তোমা মুখ দেখিবার তরে॥
হরি হরি গোরা কেনে এমন হইলা।
সভারে সদয় হয়া নারীরে বঞ্চিআ এ দুখসাগরে ভাসাইলা॥
এ নব যৌবনকালে মুড়াইলা চাঁচর চুলে সাধি লেহ আপনার সিদ্ধি।
কি ছার পামর সে পশুবৎ পণ্ডিত জে গৌরাঙ্গ সন্ন্যাস দিল বিধি॥
অক্রুর আছিল ভাল রাজবলে লইআ গেল থুইলে লয়া মথুরা নগরে।
নিতি লোক আইসে জায় তাহাতে সংবাদ পায় ভারতী করিল দেশান্তরী॥
এত বলি বিষ্ণুপ্রিয়া মরমে বেদনা পেআ ধরণীরে মাগয়ে বিদার।
বাসুদেব ঘোষ কয় মো সমান কি পাপী হয় তনু হিয়া বিদরে আমার॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন
“শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ (১ম সংস্করণ ১৯০২), ২৫৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শচী ও বিষ্ণুপ্রিয়ার বিলাপ
॥ পাহিড়া॥

সন্ন্যাসী হইয়া গেলা            পুন যদি বাহুড়িলা
নাহি আইলা নদীয়ানগরে।
হৃদয়ে হৃদয়ে ধরি             নিজ পর এক করি
তার মুখ দেখিবার তরে॥
হরি হরি গৌরাঙ্গ এমন কেনে হৈলা।
সবারে সদয় হৈয়া            মুই নারীরে বঞ্চিয়া
এ শোকসাগরে ভাসাইলা॥ ধ্রু॥
এ নবযৌবন কালে           মুড়াইয়া চাঁচর চুলে
না জানি সাধিলা কোন সিঁধি।
কি জানি পরাণ যে             পশুবৎ পণ্ডিত সে
গৌরাঙ্গে সন্ন্যাসে দিল বিধি॥
অক্রুর আছিল ভাল       রাজ বোলে লৈয়া গেল
খুইল লৈয়া মথুরানগরী।
নিতি লোক আইসে যায়       তাহাতে সম্বাদ পায়
ভারতী করিল দেশান্তরী॥
এত বলি বিষ্ণুপ্রিয়া           মরমে বেদনা পাঞা
ধরণীরে মাগয়ে বিদার।
বাসুদেবানন্দে কয় @           মোসম পামর নাই
তবু হিয়া বিদরে আমার॥

@ - বাসুদেবানন্দে কয় - বাসুদেব আনন্দে কয়।

ই পদটি ১৯৩৩ সালে প্রকাশিত, মহানামশুক নবদ্বীপচন্দ্র ঘোষ সম্পাদিত পদাবলী সংকলন
শ্রীশ্রীগৌরপদরত্নমালা, ৭৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ভূপালী - একতালী॥

সন্ন্যাসী হইয়া গেলা,            পুন যদি বাহুরিলা,
নাহি আইলা নদীয়া নগরে।
হৃদয়ে হৃদয়ে ধরি,             নিজ পর এক করি,
চাঁদমুখ দেখিবার তরে॥
হরি হরি গৌরাঙ্গ এমন কেন হৈলা।
সভারে সদয় হৈয়া,           মুঞি নারীরে বধিয়া,
এ শোক সাগরে ভাসাইলা॥
এ নব যৌবন কালে,          মুড়াইয়া চাঁচর চুলে,
কিজানি সাধিলা কোন নিধি।
কি ছার পুরাণ যে              পশুবত পণ্ডিত সে
গৌরাঙ্গ সন্ন্যাসে দিল বিধি॥
অক্রুর আছিল ভাল,          রাজবলে লৈয়া গেল,
রাখিল সে মথুরা নগরী।
নিতি লোক আইসে যায়,     তাহাতে সম্বাদ পায়,
ভারতী করিল দেশান্তরী॥
এত বলি বিষ্ণুপ্রিয়া,       মরমে বেদনা পাউয়া,
ধরণীরে মাগয়ে বিদায়।
বাসুদেব ঘোষ কয়,           মো সম পামর নয়,
তমু হিয়া বিদরে আমার॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
পদাবলী”, ১৭৪-পৃষ্ঠায় ভণিতায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

বিষ্ণুপ্রিয়ার বিলাপ
॥ শ্রীরাগ॥

॥ পাহিড়া॥

সন্ন্যাসী হইয়া গেলা                 পুন যদি বাহুড়িলা
নাহি আইলা নদীয়া নগরে।
আমাকে না দিল দেখা        কি মোর করমের লেখা
প্রাঁণ কাঁদে দেখিবার তরে॥
হরি হরি গৌরাঙ্গ এমন কেনে হৈলা।
সবারে সদয় হৈয়া               মুই নারীরে বঞ্চিয়া
এ শোকসাগরে ভাসাইলা॥ ধ্রু॥
এ নবযৌবন কালে              মুড়াইয়া চাঁচর চুলে
না জানি সাধিলা কোন সিধি।
কি জানি ভারতী কে              পশুবৎ পণ্ডিত সে
গৌরাঙ্গে সন্ন্যাসে দিলা বিধি॥
অক্রুর আছিল ভাল           রাজ বোলে লৈয়া গেল
থুইল লৈয়া মথুরা নগরী।
নিতি লোক আইসে যায়          তাহাতে সম্বাদ পায়
ভারতী করিল দেশান্তরী॥
এত বলি বিষ্ণুপ্রিয়া              মরমে বেদনা পাঞা
ধরণীরে মাগয়ে বিদার।
বাসু বলে শুন মাই               মো সম পামর নাই
তবু হিয়া বিদরে আমার॥

ই পদটি ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত, সতী ঘোষ সম্পাদিত “প্রত্যক্ষদর্শীর কাব্যে মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্য”,
১০৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

হরি হরি গৌরাঙ্গ এমন কেন হল।
সবারে সদয় হঞা              মোর নারীরে বঞ্চিয়া
শোকের শায়রে ভাসাইল॥
এ নবযৌবন কালে                মুড়াঞা চাঁচর চুলে
না জানি সাধিল কোন সিধি।
কি ছার পুরাণ সে                  পশুয়া পণ্ডিত যে
গৌরাঙ্গে সন্ন্যাস দিল বিধি॥
সন্ন্যাসী হইয়া গেল                 পুন নাহি বাহুড়িল
না আইল নদীয়া নাগরে।
হৃদয়ে হৃদয় ধরি                  নিজ পর এক করি
মোর মুখ দেখিবার তরে॥
অক্রুর আঝিল ভাল            রাশা বলে সঞা গেল
হরি লৈঞী থুইল মধুপুরী।
নিতি লোক আসে যায়           তাহাতে সম্বাদ পায়
ভারতী করেন দেশান্তরী॥
এত কহি বিষ্ণুপ্রিয়া              নিজ অঙ্গ আছাড়িয়া
ধরণীরে মাগয়ে বিদায়।
বাসুদেব ঘোষ কহে           মো সমান পাষান নহে
তবু হিয়া বিদরিয়া যায়॥

ই পদটি ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত মহাজন পদাবলী
“শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৪র্থ খণ্ড, ৪৭৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ভীমপলশ্রী - ডাঁসপাহিড়া॥

সন্ন্যাসী হইয়া গেলা                   পুন যদি বাহুড়িলা
নাহি আইল নদীয়া নগরে।
হৃদয়ে হৃদয়ে ধরি                   নিজ পর এক করি
চাঁদ-মুখ দেখিবার তরে॥
হরি হরি গৌরাঙ্গ এমন কেন হৈলা।
সভারে সদয় হৈয়া                 মুঞি নারীরে বঞ্চিয়া
এ শোক সাগরে ভাসাইলা॥
এ নব যৌবন-কালে                মুড়াইয়া চাঁচর চুলে
না জানি সাধিলা কোন সিধি।
কি ছার পরাণ যে                    পশুবৎ পণ্ডিত সে
গৌরাঙ্গ সন্ন্যাসে দিল বিধি॥
অক্রুর আছিল ভাল                রাজ-বলে লৈয়া গেল
রাখিল সে মথুরা-নগরী।
নিতি লোক আইসে যায়             তাহাতে সম্বাদ পায়
ভারতী করিল দেশান্তরী॥
এত বলি বিষ্ণুপ্রিয়া                মরমে বেদনা পাইয়া
ধরণীরে মাগয়ে বিদার।
বাসুদেব ঘোষে কয়                   মো সম পামর নয়
তবু হিয়া বিদরে আমার॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি. কলা (বাংলা)
উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https://shodhganga.inflibnet.ac.in )
“বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী
সংকলন, ৬৩৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। এই পদটি “সন্ন্যাসী হইয়া গেলা পুন যদি বাহুড়িলা” পদটির
প্রথম দুটি ত্রিপদী পংক্তি বাদ দিয়ে শুরু হচ্ছে। সেই প্রথম দুটি পংক্তি ৪র্থ পংক্তির পরে দেওয়া রয়েছে।
তাই এই পদটিকে স্বতন্ত্র পদ হিসেবে না দেখিয়ে, এখানে একত্রে রাখছি।

॥ তথারাগ॥

হরি হরি গৌরাঙ্গ এমন কেন হৈল।
সভারে সদয় হঞা                 মো নারীরে বঞ্চিয়া
শোকের শায়রে ভাসাইলা॥
এ নব যৌবনকালে                মুড়াঞা মাথার চুলে
না জানি সাধিল কোন সিধি।
কি ছার পুরাণ সে                  পড়ুয়া পণ্ডিত জে
গৌরাঙ্গে সন্ন্যাস দিল বিধি॥
সন্ন্যাসী হইয়া গেল                 পুন নাহি বাহুড়িল
না আইল নদীয়া নগরে।
হ-দয় হ-দয় ধরি                    নিজপর এক করি
মোর মুখ দেখিবার তরে॥
অক্রুর আছিল ভাল              রাজ-বলে লঞা গেল
হরি লৈঞা থুইল মধুপুরি।
নিতি লোকে আসে যায়           তাহাতে সম্বাদ পায়
ভারতী করেন দেশান্তরী॥
এত কহি বিষ্ণুপ্রিয়া               নিজ অঙ্গ আছাড়িয়া
ধরণীরে মাগয়ে বিদায়।
বাসুদেব ঘোষে কহে            মো সমান পাষাণ নহে
তবু হিয়া বিদরিয়া যায়॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
হরি হরি গোরা কোথা গেল
ভণিতা বাসুঘোষ
কবি বাসুদেব ঘোষ                        
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের (১৯২৩ সাল), ৩য়খণ্ড,
৪র্থ শাখা, ১০মপল্লব ,নানাবিধ বিরহ, ১৮৫৬-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

হরি হরি গোরা কোথা গেল।
মরমে পশিল শেল বাহির না হৈল॥
কাহারে কহিব-দুখ না নিঃসরে বাণী।
অনুখণ পড়ে মনে গোরা গুণমণি॥
মো যদি জানিতাম গোরা যাবে রে ছাড়িয়া।
পরাণে পরাণ দিয়া রাখিতাম বান্ধিয়া॥
গধাধর@ দামোদর কেমনে বাঁচিবে।
এত দিনে বাসুঘোষ পরাণে মরিবে॥

@ - গধাধর - গদাধর হবে। মুদ্রণ প্রমাদ।

ই পদটি দ্বিজ মাধব সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতীর
গ্রন্থশালার ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, ৩৪৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ রাগিণী সুহই॥
॥ তালোচিত॥

হরি হরি গোরা কোথা গেল। মরমে রহিল শেল বাহির না হইল॥
কাহারে কহিব দুখ নাহি স্বরে বাণী। অনুক্ষণ পড়ে মনে গোরা গুণমণি॥
মো জদি জানিতাম প্রিয়া যাবে রে ছাড়িয়ে। পরাণে পরাণ দিয়া রাখিতাম বান্ধিয়ে॥
গদাধর দামোদর কেমনে বাঁচিবে। এত দিনে বাসুঘোষ পরাণে মরিবে॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৬৭৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

হরি হরি গোরা কোথা গেল।
মরমে পশিল শেল বাহির না হৈল॥
কাহারে কহিব দুখ না নিঃসরে বাণী।
অনুখন পড়ে মনে গোরা গুণমণি॥
মো জদি জানিতাম গোরা যাবে রে ছাড়িয়া।
পরাণে পরাণ দিয়া রাখিতাম বান্ধিয়া॥
গদাধর দামোদর কেমনে বাঁচিবে।
এত দিনে বাসু ঘোষ পরাণে মরিবে॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর