কবি বাসুদেব ঘোষ এর বৈষ্ণব পদাবলী
রূপ হেরি কি না হইল মোরে
মদনমোহন গৌরাঙ্গ-বদন
মদনমোহন মানি গৌরাঙ্গবদনখানি
কেনে সুরধুনী গেনু গোরারূপ দেখিনু
ভণিতা বাসুদেব ঘোষ
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি নরহরি চক্রবর্তী (ঘনশ্যাম) দ্বারা আনুমানিক ১৭২৫ সাল নাগাদ বিরচিত এবং  ৪২৬ গৌরাব্দে
(১৯১৩ খৃষ্টাব্দ), রামদেব মিশ্র দ্বারা প্রকাশিত “ভক্তিরত্নাকর” গ্রন্থ, ৯১০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ কশ্চিচ্চ দোশপালঃ॥

রূপ হেরি কি না হইল মোরে। সোনার বরণ তনু, ওই
ছিল কালা কানু, নহিলে কি মন চুরি করে॥ রসের পরাণ
যার, কুল কি করিবে তার, নদীয়ানগরে হেন জনা। কি ছার
দারুণ মতি, মজিল যুবতি সতী, প্রতি ঘরে প্রেমের কাঁদনা॥
নয়ন কমল নব, অরুণ পরাভব, ধারা বহে মখ বুক বায়।
আহা মরি মরি সই, মরম তোমারে কই, জীব নাশে গোরা
না দেখিয়া॥ হিয়ায় প্রেমের রস, তনু কৈলে জর জর, প্রবোধ
না মানে মোর প্রাণী। সুরধুনী তীরে যা’য়া, ভাসাইব কুল-
ক্রিয়া, ভজিব সে গোরা গুণমণি॥ পুরুবে শুনিল যত, সেই
সব অভিমত, এবে ভেল কাল তনু গোরা। বাসুদেব ঘোষের
বাণী, রসিকনাগর জানি, নহিলে গোপীর মনচোরা॥

ই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায়
সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের (১৯২৩ সাল), ৩য়খণ্ড,৪র্থ শাখা, ১৮শপল্লব,
শ্রীগৌরাঙ্গের রূপ প্রভৃতি, ২১৪৯-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তুড়ী॥

মদনমোহন                         গৌরাঙ্গ-বদন
রূপ হেরি কি না হৈল মোরে।
সোণার বরণ তনু           এই ছিল কালা কানু
নহিলে কি মন চুরি করে॥
রসের পরাণ যার          কুল কি করিবে তার
নদীয়া নগরে হেন জনা।
কি ছার দারুণ মতি           মজিল যুবতী সতী
ঘরে ঘরে প্রেমের কান্দনা॥
নয়ন-কমল নব                   অরুণ পরাভব
ধারা বহে বুক বাহিয়া।
আহা মরি মরি সই          মরম তোমারে কই
জীব না গো গোরা না দেখিয়া॥
হিয়ায় প্রেমের শর            তনু কৈল জর জর
প্রবোধ না মানে মোর প্রাণী।
সুরধুনী–তীরে যাঞা          ভাসাইব কুল-ক্রিয়া
ভজিব সে গোরা গুণমণি॥
পূরবে শুনিনু যত             সেই সব অভিমত
এবে ভেল কাল-তনু গোরা।
বাসুদেব ঘোষের বাণী       রসিক নাগর জানি
নহিলে কি গোপীর মন-চোরা॥

ই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ২২৫৬-পদসংখ্যায় এই
রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে
এখানে উপস্থাপন করা হলো।

॥ তুড়ী॥

মদনমোহন                         গৌরাঙ্গ-বদন
রূপ হেরি কি না হৈল মোরে।
সোণার বরণ তনু          এই ছিল কালা কানু
নহিলে কি মন চুরি করে॥
রসের পরাণ যার          কুল কি করিবে তার
নদীয়া নগরে হেন জনা।
কি ছার দারুণ মতি          মজিল যুবতী সতী
ঘরে ঘরে প্রেমের কান্দনা॥
নয়ন-কমল নব                   অরুণ পরাভব
ধারা বহে মুখ বুক বাহিয়া।
আহা মরি মরি সই         মরম তোমারে কই
জীব না সে গোরা না দেখিয়া॥
হিয়ায় প্রেমের শর          তনু কৈল জর জর
প্রবোধ না মানে মোর প্রাণী।
সুরধুনী–তীরে যাঞা         ভাসাইব কুল-ক্রিয়া
ভজিব সে গোরা গুণমণি॥
পূরবে শুনিনু যত             সেই সব অভিমত
এবে ভেল কাল-তনু গোরা।
বাসুদেব ঘোষের বাণী        রসিক নাগর জানি
নহিলে কি গোপীর মন-চোরা॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন
“শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ (১ম সংস্করণ ১৯০২), ১০৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তুড়ী॥

মদনমোহন                          গৌরাঙ্গবদন
রূপ হেরি কি না হৈল মোরে।
সোণার বরণ তনু            এই ছিল কালাকানু
নহিলে কি মন চুরি করে॥
রসের পরাণ যার          কুল কি করিবে তার
নদীয়া নগরে হেন জনা।
কি ছার দারুণ মতি          মজিল যুবতী সতী
ঘরে ঘরে প্রেমের কাঁদনা॥
নয়ন কমল নব                  অরুণ পরাভব
ধারা বহে মুখ বুক বাহিয়া।
আহা মরি মরি সোই        মরম তোমারে কই
জীব না গো গোরা না দেখিয়া॥
হিয়ায় প্রেমের শর           তনু কৈল জর জর
প্রবোধ না মানে মোর প্রাণী।
সুরধুনীতীরে যাঙা            ভাসাইব কুলক্রিয়া
ভজিব সে গোরা গুণমণি॥
পূরবে শুনিনু যত              সেই সব অভিমত
এবে ভেল কালতনু গোরা।
বাসুদেব ঘোষের বাণী         রসিক নাগর জানি
নহিলে কি গোপীর মনচোরা॥

ই পদটি ১৯১০ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত মহাজন পদাবলী
“শ্রীপদামৃতমাধুরী” ১ম খণ্ড, ২৩৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীরাধিকার পূর্ব্বরাগ
জবাটবী-মিলন
শ্রীগৌরচন্দ্র॥

মদন মোহন                             গৌরাঙ্গ বদন
রূপ হেরি কি না হৈল মোরে।
সোণার বরণ তনু               এই ছিল কালা-কানু
নহিলে কি মন চুরি করে?
রসের পরাণ যার              কুল কি করিবে তার
নদীয়া নগরে হেন জনা।
কি ছার দারুণ মতি               মজিল যুবতী সতী
ঘরে ঘরে প্রেমের কান্দনা॥
নয়ন কমল নব                        অরুণ পরাভব
ধারা বহে মুখ বুক বাহিয়া।
আহা মরি মরি সই               মরম তোমারে কই
জীব না গো গোরা না দেখিয়া॥
হিয়ায় প্রেমের শর                তনু কৈল জর জর
প্রবোধ না মানে মোর প্রাণী।
সুরধুনী তীরে যাঞা                ভাসাইব কুলক্রিয়া
ভজিব সে গোরা গুণমণি॥
পূরবে শুনিনু যত                   সেই সব অভিমত
এবে ভেল কাল-তনু গোরা।
বাসুদেব ঘোষের বাণী             রসিক নাগর জানি
নহিলে কি গোপীর মন চোরা॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
পদাবলী”, ১৫৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীগৌরাঙ্গ অনুরাগে
॥ তুড়ী॥

মদনমোহন মানি                       গৌরাঙ্গবদনখানি
রূপ হেরি কি না হৈল মোরে।
সোণার বরণ তনু                    এই ছিল কালাকানু
নহিলে কি মন চুরি করে॥
রসের পরাণ যার                  কুল কি করিবে তার
নদীয়া নগরে হেন জনা।
কি ছার দারুণ মতি                  মজিল যুবতী সতী
ঘরে ঘরে প্রেমের কাঁদনা॥
নয়ন কমল নব                           অরুণ পরাভব
ধারা বহে মুখ বুক বাহিয়া।
আহা মরি মরি সই                  মরম তোমারে কই
জীব না গো গোরা না দেখিয়া॥
হিয়ায় প্রেমের শর                   তনু কৈল জর জর
প্রবোধ না মানে মোর প্রাণী।
সুরধুনীতীরে যাঞা                    ভাসাইব কুলক্রিয়া
ভজিব সে গোরা গুণমণি॥
পূরবে শুনিনু যত                     সেই সব অভিমত
এবে ভেল কালতনু গোরা।
বাসুদেব ঘোষের বাণী                রসিক নাগর জানি
নহিলে কি গোপীর মনচোরা॥

ই পদটি ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত, সতী ঘোষ সম্পাদিত “প্রত্যক্ষদর্শীর কাব্যে মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্য”,
১৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। পদটি “গৌরপদ-তরঙ্গিণী” থেকে নেওয়া হলেও কিছু পাঠান্তর
লক্ষ্য করা যায়।

মদন মোহন                          গৌরাঙ্গ বদন
রূপ হেরি কি না হৈল মোরে।
সোনার বরণ তনু              এই ছিল কালাকানু
নহিলে কি মন চুরি করে॥
রসের পরাণ যার            কুল কি করিবে তার
নদীয়া নগরে হেন জনা।
কি ছার দারুণ মতি             মজিল যুবতী সতী
ঘরে ঘরে প্রেমের কাঁদনা॥
নয়ন কমল নব                     অরুণ পরাভব
ধারা বহে মুখ বুক বাহিয়া।
আহা মরি মরি সোই          মরম তোমারে কই
জীব না গো গোরা না দেখিয়া॥
হিয়ায় প্রেমের শর             তনু কৈল জর জর
প্রবোধ না মানে মোর প্রাণী।
সুরধুনী তীরে যাঞা             ভাসাইব কুলক্রিয়া
ভজিব সে গোরা গুণমণি॥
পূরবে শুনিনু যত                সেই সব অভিমত
এবে ভেল কালতনু গোরা।
বাসুদেব ঘোষের বাণী           রসিক নাগর জানি
নহিলে কি গোপীর মনচোরা॥

ই পদটি ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত, সতী ঘোষ সম্পাদিত “প্রত্যদর্শীর কাব্যে মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্য”,
১০৩-পৃষ্ঠায় পুনরায় ভিন্ন প্রথম পংক্তি সহ, এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

কেনে সুরধুনী গেনু গোরারূপ দেখিনু        
রূপ হেরি কি না হৈল মোরে।                
সোনার বরণ তনু এই ছিল কালা কানু        
নহিলে কি মন চুরি করে॥                    
রসের পরাণ যার।                            
কুলে কি করিবে তার                        
নদীয়া নগরে হেন জনা।
কি শুনি দারুণ মতি                           
মজিল যুবতী সতী                             
প্রতি ঘরে প্রেমের কান্দনা॥
নয়ন কমল নব অরুণ পরাভব                
ধারা বহে বুক মুখ বায়্যা।                    
আহা মরি মরি সই                             
তোমারে মরম কই                             
জীবনাই গোরা না দেখিয়া॥
হিয়া মোর প্রেমের বশ                        
তনু মোর জর জর
প্রবোধ না মানে মোর প্রাণী।                  
ভাসাই বন্ধন ক্রিয়া
তেজিব সে গোরাগুণমণি॥                    
বাসুদেব ঘোষ কন                             
কলিকাল দমন
এই ছিল গোপীর মনচোরা॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি. কলা (বাংলা)
উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https://shodhganga.inflibnet.ac.in )
“বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী
সংকলন, ৭০৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ কচ্চিৎ দেশপাল॥

রূপ হেরি কি না হৈল মোরে।
সোনার বরণ তনু                   এই ছিল কালাকানু
নহিলে কি মন চুরি করে॥
রসের পরাণ যার                কুল কি করিবে তার
নদীয়া নগরে হেন জনা।
কি ছার দারুণ মতি                মজিল যুবতী সতী
প্রতি ঘরে প্রেমের কান্দনা॥
নয়ন কমল নব                         অরুণ পরাভব
ধারা বহে মুখ বুক বায়া।
আহা মরি মরি সই                মরম তোমারে কই
জীব নাশে গোরা না দেখিয়া॥
হিয়ায় প্রেমের শর                তনু কৈল জর জর
প্রবোধ না মানে মোর প্রাণী।
সুরধুনী তীরে যায়া                 ভাসাইব কুলক্রিয়া
ভজিব সে গোরা গুণমণি॥
পূরুবে শুনিল জত                   সেই সব অভিমত
এবে ভেল কাল তনু গোরা।
বাসুদেব ঘোষের বাণী              রসিক নাগর জানি
নহিলে গোপীর মনচোরা॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
কি কহব অপরূপ গৌর কিশোর
কি কহিব অপরূপ গৌরকিশোর
কি হেরিলাম অপরূপ গৌর কিশোর
ভণিতা বাসুদেব ঘোষ
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের (১৯২৩ সাল), ৩য়খণ্ড,
৪র্থ শাখা, ১৮শপল্লব ,শ্রীগৌরাঙ্গের রূপ প্রভৃতি, ২১৫০-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
এই পদটি কোনো পাঠান্তর ছাড়াই নিমানন্দ দাসের পদরসসার গ্রন্থের ২২৫৭ সংখ্যক
হিসেবে রয়েছে।

॥ সুহিণী॥

কি কহব অপরূপ গৌর কিশোর।
অপাঙ্গ-ইঙ্গিতে প্রাণ হরি নিল মোর॥
তেরছ চাহনি তার বড়ই জঞ্জাল।
নগরে উদয় ভেল নাগরীর কাল॥
যেবা ধনী দেখে তারে পাসরিতে নারে।
কুল ছাড়ে কুলবতী নাহি রহে ঘরে॥
বাসুদেব ঘোষ কহে শুন মোর কথা।
গোরার পিরিতি খানি মরমের বেথা॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ, ১০৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহিণী॥

কি কহিব অপরূপ গৌরকিশোর।
অপাঙ্গ ইঙ্গিতে প্রাণ হরি নিল মোর॥
তেরছ চাহনি তায় বড়ই জঞ্জাল।
নগরে উদয় ভেল নাগরীর কাল॥
যে বা ধনী দেখে তারে পাশরিতে নারে।
কুল ছাড়ে কুলবতী নাহি রয় ঘরে॥
বাসুদেব ঘোষ কহে শুন মোর কথা।
গোরার পীরিতিখানি মরমের ব্যথা॥

ই পদটি ১৯১০ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত
মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ১ম খণ্ড, ৪৫৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

রূপানুরাগ
শ্রীগৌরচন্দ্র।
॥ সুহই - মধ্যম দশকুশী॥

কি হেরিলাম অপরূপ গৌর কিশোর।
নয়ান ইঙ্গিতে প্রাণ হরি নিল মোর॥
তেরছ চাহনি তার বড়ই জঞ্জাল।
নগরে উদয় ভেল নাগরীর কাল॥
যেবা ধনি দেখে তারে পাসরিতে নারে।
কুল ছাড়ে কুলবতী নাহি রহে ঘরে॥
বাসুদেব ঘোষ কহে শুন মোর কথা।
গোরার পিরীতি মরমে রহে গাথা॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৭১০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহিণী॥

কি কহব অপরূপ গৌরকিশোর।
অপাঙ্গ ইঙ্গিতে প্রাণ হরি নিল মোর॥
তেরছ চাহনি তার বড়ই জঞ্জাল।
নগরে উদয় ভেল নাগরীর কাল॥
জেবা ধনী দেখে তারে পাশরিতে নারে।
কুল ছাড়ে কুলবতী নাহি রয় ঘরে॥
বাসুদেব ঘোষ কহে শুন মোর কথা।
গোরার পিরিতিখানি মরমের বেথা॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
সজনী ঐ দেখ শচীর নন্দন
ওই দেখ শচীর নন্দন
ভণিতা বাসুদেব
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং  
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের (১৯২৩ সাল), ৩য়খণ্ড,
৪র্থ শাখা, ১৮শপল্লব ,শ্রীগৌরাঙ্গের রূপ প্রভৃতি, ২১৫১-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বরাড়ী॥

সজনী ঐ দেখ শচীর নন্দন।
যেবা জন দেখে তার স্থির নহে মন॥ ধ্রু॥
অসীম গুণের নিধি অপার মহিমা।
এ তিন ভূবনে নাহি রূপে দিতে সীমা॥
খগ মৃগ তরু লতা গুণ শুনি কান্দে
রূপে গুণে কুলবতী বুক নাহি বান্ধে
ব্রহ্মার দুর্ল্লভ নাম জনে জনে দিয়া
বাসুদেব বলে গোরা লইল তরিয়া॥

ই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ২২৫৮-
পদসংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের
পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো।

॥ বরাড়ী॥

সজনী ঐ দেখ শচীর নন্দন।
যেবা জন দেখে তার স্থির নহে মন॥ ধ্রু॥
অসীম গুণের নিধি অপার মহিমা।
এ তিন ভূবনে নাহি রূপে দিতে সীমা॥
খগ মৃগ তরু লতা গুণ শুনি কান্দে
রূপে গুণে কুলবতী বুক নাহি বান্ধে
ব্রহ্মার দুর্ল্লভ নাম জনে জনে দিয়া
বাসুদেব বলে গোরা লইল তরিয়া॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ, ৮২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বরাড়ী॥

সজনী ঐ দেখ শচীর নন্দন।
যেবা জন দেখে তার স্থির নহে মন॥
অসীম গুণের নিধি অপার মহিমা।
এ তিন ভুবনে নাহি রূপে দিতে সীমা॥
খগ মৃগ তরু লতা গুণ শুনি কাঁদে।
রূপে গুণে কুলবতী বুক নাহি বাঁধে॥
ব্রহ্মার দুর্ল্লভ নাম জনে জনে দিয়া।
বাসুদেব বোলে গোরা লইল তরিয়া॥

ই পদটি ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত, সতী ঘোষ সম্পাদিত “প্রত্যদর্শীর কাব্যে মহাপ্রভু
শ্রীচৈতন্য”, ৯৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

ওই দেখ শচীর নন্দন।
যেবা জন দেখে তার
.                স্থির নহে মন॥
অপার গুণের নিধি
.                অপার মহিমা।
এ তিন ভুবনে নাহি
.                রূপের দিতে সীমা॥
খনমৃগ তরুলতা গুণ শুনি কান্দে।
রূপ দেখি কুলবতীর
.                বুক নাহি বান্ধে॥
ব্রহ্মার দুর্ল্লভ প্রেম জনে জনে দিয়া।
বাসুদেব কহে গোরা লইবে তরিয়া॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৭০২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বরাড়ী॥

সজনী ঐ দেখ শচীর নন্দন।
যেবা জন দেখে তার স্থির নহে মন॥ ধ্রু॥
অসীম গুণের নিধি অপার মহিমা।
এ তিন ভুবনে নাহি রূপে দিতে সীমা॥
খগ মৃগ তরুলতা গুণ শুনি কান্দে।
রূপে গুণে কুলবতী বুক নাহি বান্ধে॥
ব্রহ্মার দুর্ল্লভ নাম জনে জনে দিয়া।
বাসুদেব বলে গোরা লইল তরিয়া॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
সখি হে ওই দেখ গোরা-কলেবরে
সখি হে ঐ দেখ গোরা কলেবরে
অই দেখ গোরাকোলেবরে
ভণিতা বাসু ঘোষ
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং  
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের (১৯২৩ সাল), ৩য় খণ্ড,
৪র্থশাখা, ১৮শপল্লব, শ্রীগৌরাঙ্গের রূপ প্রভৃতি, ২১৫২-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ কামোদ॥

সখি হে ওই দেখ গোরা-কলেবরে।
কত চাঁদ জিনি মুখ সুন্দর অধরে॥
করিবর-কর জিনি বাহু সুবলনি।
খঞ্জন জিনিয়া গোরার নয়ন-চাহনি॥
চন্দন-তিলক সাজে সুচারু কপালে।
আজানুলম্বিত চারু নব নব মালে॥
কন্বু-কন্ঠ পীন পরিসর হিয়া মাঝে।
চন্দনে শোভিত কত রত্ন-হার সাজে॥
রামরম্ভা জিনি উরু অরুণ চরণ।
নখমণি জিনি ইন্দু পূর্ণ দরপণ॥
বাসুঘোষ বলে গোরা কোথা না আছিল।
যুবতি বধিতে রূপ বিধি সিরজিল॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ (১ম সংস্করণ ১৯০২), ৮২-পৃষ্ঠায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ কামোদ॥

সখি হে ওই দেখ গোরা-কলেবরে।
কত চাঁদ জিনি মুখ সুন্দর অধরে॥
করিবর-কর জিনি বাহু সুবলনী।
খঞ্জন জিনিয়া গোরার নয়ন চাহনি॥
চন্দন-তিলক শোভে সুচারু কপালে।
আজানুলম্বিত চারু নব নব মালে॥
কন্বুকন্ঠ পীন পরিসর হিয়া মাঝে।
চন্দনে শোভিত কত রত্নহার সাজে॥
রামরম্ভা জিনি উরু অরুণ চরণ।
নখমণি জিনি ইন্দুপূর্ণ দরপণ॥
বাসু ঘোষ বলে গোরা কোথা না আছিল।
যুবতি বধিতে রূপ বিধি সিরজিল॥

ই পদটি ১৯১০ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত
মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ১ম খণ্ড, ১৪৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীরাধিকার পূর্ব্বরাগ
শ্রীগৌরচন্দ্র॥
॥ সুহই - মধ্যম দশকুশী॥

সখি হে ঐ দেখ গোরা কলেবরে।
কত চান্দ জিনি মুখ সুন্দর অধরে॥
করিবর-কর জিনি বাহু সুবলনী।
খঞ্জন জিনিয়া গোরার নয়ন নাচনি॥
চন্দন-তিলক শোভে সুচারু কপালে।
আজানুলম্বিত চারু নব নব মালে॥
কন্বুকন্ঠ পীন পরিসর হিয়া মাঝে।
চন্দনে শোভিত কত রত্নহার সাজে॥
রামরম্ভা জিনি ঊরু অরুণ চরণ।
নখমণি জিনি ইন্দু পূর্ণ দরপণ॥
বাসুঘোষ বলে গোরা কোথা না আছিল।
যুবতী বধিতে রূপ বিধি সিরজিল॥

ই পদটি সাহিত্য-পরিষৎ-পত্রিকায় ১৩৩৩ (১৯২৬) বঙ্গাব্দের অতিরিক্ত সংখ্যায়
প্রকাশিত, মুনশী আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ সঙ্কলিত “বাঙ্গালা প্রাচীন পুথির বিবরণ”,
৩য় খণ্ড, ২য় সংখ্যা, ১৬৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীগৌরাঙ্গের রূপ---

অই দেখ গোরাকো(ক)লেবরে।
কত চান্দ জিনি মুখ সুরঙ্গ অধরে॥
করিবরকর জিনি বাহুর বলনি।
খঞ্জন জিনিয়া গোরার নয়ান চাহনি॥
চন্দনতিলক সাজে সুচারু কপালে।
আজানু লম্বিত চারু নব বনমালে॥
বাসুদেব বলে গোরা কোথা ন(া)য়াছিল।
বু(যু)বতি বরি(ধি)তে গোরা বিধি সিরজিল॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১৫৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ কামোদ॥

সখি হে ঐ দেখ গোরা কলেবর।
কত চাঁদ জিনি মুখ সুন্দর অধর॥
করিবর কর জিনি বাহু সুবলনী।
খঞ্জন জিনিয়া গোরার নয়ন চাহনি॥
চন্দনতিলক শোভে সুচারু কপালে।
আজানুলম্বিত চারু নব নব মালে॥
কন্বুকন্ঠ পীন পরিসর হিয়া মাঝে।
চন্দনে শোভিত কত রত্নহার সাজে॥
রামরম্ভা জিনি ঊরু অরুণ চরণ।
নখমণি জিনি পূর্ণইন্দু দরপণ॥
বাসু ঘোষ বোলে গোরা কোথা না আছিল।
যুবতী বধিতে রূপ বিধি সিরজিল॥

ই পদটি ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত, সতী ঘোষ সম্পাদিত “প্রত্যদর্শীর কাব্যে মহাপ্রভু
শ্রীচৈতন্য”, ৯৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

অই দেখ গোরা কলেবর।
কত চান্দ জিনি মুখ সুন্দর অধর॥
করিবর কর জিনি বাহুর সুবলনী।
খঞ্জন জিনিয়া গোরার নয়ান চাহনী॥
চন্দন তিলক ভালে সুচারু কপালে।
আজানুলম্বিত নব নব বনমালে॥
বাসুদেব বলে গোরা কোথা না আছিল।
যুবতী বধিতে গোরা বিধি সিরজিল॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৬৮৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ কামোদ॥

সখি হে, ওই দেখ গোরা কলেবরে।
কত চাঁদ জিনি মুখ সুন্দর অধরে॥
করিবর কর জিনি বাহু সুবলনী।
খঞ্জন জিনিয়া গোরার নয়ন চাহনি॥
চন্দন তিলক সাজে সুচারু কপালে।
আজানুলম্বিত চারু নব নব মালে॥
কন্বু কন্ঠ পীন পরিসর হিয়া মাঝে।
চন্দনে শোভিত কত রত্ন হার সাজে॥
রামরম্ভা-জিনি উরু অরুণ চরণ।
নখমণি জিনি ইন্দু পূর্ণ দরপণ॥
বাসু ঘোষ বোলে গোরা কোথা না আছিল।
যুবতী বধিতে রূপ বিধি সিরজিল॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
দেখ দেখ সখি গোরা বর দ্বিজমণিয়া
দেখ দেখ সখি! গোরা দ্বিজবর মণিয়া
পেখনু বর গৌরচন্দ্র সুন্দর দ্বিজমণিয়া
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত
শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের (১৯২৩ সাল), ৩য়খণ্ড,৪র্থ শাখা, ১৮শপল্লব ,শ্রীগৌরাঙ্গের রূপ
প্রভৃতি, ২১৫৩-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ কানড়া॥

দেখ দেখ সখি গোরা বর দ্বিজমণিয়া।
নিরুপম রূপ                      বিধি নিরমিল
কেমনে ধৈরজ ধরিয়া॥ ধ্রু॥
আজানুলম্বিত                      সুবাহু-যুগল
বরণ কাঞ্চন জিনিয়া।
কিয়ে সে কেতকী                  কনক-অম্বুজ
কিয়ে বা চম্পক মণিয়া॥
কিয়ে গোরোচনা                    কুঙ্কুম-বরণ
জিনি অঙ্গ ঝলমলিয়া।
মধুর বচনে                     অমিয়া বরিখে
ত্রিজগত-মন ভুলিয়া।
কত কোটি চাঁদ                    বদন নিছনি
নখ-চাঁদে পড়ে গলিয়া॥
বাসুঘোষে কহে                   গৌরাঙ্গ-বদন
কে দেখি আসিবে চলিয়া॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন
“শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ, ৮৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ কল্যাণী॥

দেখ দেখ সখি গোরাবর দ্বিজমণিয়া।
নিরুপম রূপ, বিধি নিরমিল, কেমনে ধৈরজ ধরিয়া॥ ধ্রু॥
আজানুলম্বিত সুবাহু-যুগল, বরণ কাঞ্চন জিনিঞা।
কিয়ে সে কেতকী, কনক-অম্বুজ, কিয়ে বা চম্পক মণিয়া॥
কিয়ে গোরোচনা, কুঙ্কুমবরণা জিনি অঙ্গ ঝলমলিয়া।
মধুর বচনে, অমিয়া বরিখে, ত্রিজগত মন ভুলিয়া।
কত কোটি চাঁদ, বদন নিছনি, নখচাঁদে পড়ে গলিয়া॥
বাসুঘোষে কহে গৌরাঙ্গবদন, কে দেখি আসিবে চলিয়া॥

ই পদটি ১৯৩৩ সালে প্রকাশিত, মহানামশুক নবদ্বীপচন্দ্র ঘোষ সম্পাদিত পদাবলী সংকলন
শ্রীশ্রীগৌরপদরত্নমালা, ৬২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ কানাড়া - একতালী॥

দেখ দেখ সখি! গোরা দ্বিজবর মণিয়া।
নিরুপম রূপ                       বিধি নিরমিল
কেমনে ধৈরজ ধরিয়া॥
আজানু-লম্বিত,                     সুবাহু যুগল.
বরণ কাঞ্চন জিনিয়া।
কিয়ে সে কেতকী,                 কনক অম্বুজ,
কিয়ে বা চম্পক মণিয়া॥
কিয়ে গোরোচনা,                    কুঙ্কুম বরণ,
জিনি অঙ্গ ঝলমলিয়া।
মধুর বচনে,                      অমিয়া বরিখে,
ত্রিজগত মন ভুলিয়া।
কত কোটী চাঁদ,                     বদন নিছনি,
নখচাঁদে পড়ে গলিয়া॥
বাসু ঘোষে কহে                 গৌরাঙ্গ বদনে
কে দেখি আসিবে চলিয়া॥

ই পদটি ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত, সতী ঘোষ সম্পাদিত “প্রত্যদর্শীর কাব্যে মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্য”,
৯৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

পেখনু বর গৌরচন্দ্র সুন্দর দ্বিজমণিয়া।
নিরুপম রূপ নিধি নিরমিল
কেমনে ধৈরজ ধরিঞা॥
আজানুলম্বিত বাহু যুগল                  
গৌর বরণক জনিঞা।
কিয়ে কেতকীদল নিরমিল গো           
কিয়ে সে চম্পক দলীঞা॥
গৌরবর্ণ কিয়ে কুঙ্কুম বরণ গো           
জিনি অঙ্গ ঝলমলিঞা।
বাসুদেব কহে অপরূপ গোরা গো        
কে দেখি আসিব চলিঞা॥

ই পদটি পুনঃ ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত, সতী ঘোষ সম্পাদিত “প্রত্যদর্শীর কাব্যে মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্য”,
১০০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

পেখনু বর গৌরচন্দ্র সুন্দর দ্বিজমণিয়া।   
নিরুপম রূপ নিধি নিরমিল কেমনে        
.                        ধৈরজ ধরিঞা॥
আজানুলম্বিত বাহু যুগল        বর       
কনক জিনিয়া বরণ জিনি                
.                        অঙ্গ ঝলমলিয়া।
বাসুদেব ঘোষ কহে        অপরূপ রূপ দেখি
কে আসিবে চলিয়া॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি. কলা (বাংলা)
উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https://shodhganga.inflibnet.ac.in )
“বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী
সংকলন, ৬৮৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ কানড়া॥

দেখ দেখ সখি গোরা বর দ্বিজমণিয়া।
নিরুপম রূপ                     বিধি নিরমিল
কেমনে ধৈরজ ধরিয়া॥ ধ্রু॥
আজানুলম্বিত                     সুবাহু-যুগল
বরণ কাঞ্চন জিনিয়া।
কিয়ে সে কেতকী                 কনক-অম্বুজ
কিয়ে বা চম্পক মণিয়া॥
কিয়ে গোরোচনা                   কুঙ্কুম বরণ
জিনি অঙ্গ ঝলমলিয়া।
মধুর বচনে                     অমিয়া বরিখে
ত্রিজগত মন ভুলিয়া।
কত কোটি চাঁদ                    বদন নিছনি
নখ-চাঁদে পড়ে গলিয়া॥
বাসুঘোষে কহে                  গৌরাঙ্গ বদন
কে দেখি আসিবে চলিয়া॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
বোলো মোরে ও জনা কেগো সজনি
ও না কে বল গো সজনি
ভণিতা বাসুঘোষ
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি নরহরি চক্রবর্তী (ঘনশ্যাম) দ্বারা আনুমানিক ১৭২৫ সালে সংকলিত ও বিরোচিত এবং ৪৬২  
গৌরাব্দে (১৯৪৯), হরিদাস দাস দ্বারা সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীগীতচন্দ্রোদয় (পূর্বরাগ)”,
৭৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

তত্রাদৌ দর্শনে--- [ শ্রীগৌরচন্দ্রস্য প্রথম-দর্শনে নায়িকা-প্রশ্নঃ ]
॥ বরাড়ী॥

বোলো মোরে ও জনা কেগো সজনি!
কাঞ্চন জিনিয়া       অঙ্গ সুনির্মল        চাঁদ জিনি মুখখানি॥ ধ্রু॥
করিকর-জিনি          বাহু-সুবলনি          আজানুলম্বিত ভুজে।
করযুগ পদ          হেরি কোকনদ          জলে লুকায়ল লাজে॥
ভাঙযুগ বর        দেখিতে সুন্দর          মদন ত্যজে ফুল ধনু।
তেরছ চাহিয়া         হাসিয়া হাসিয়া          হরয়ে সভার তনু॥
কটিতে বসন            অরুণ বরণ          গলে দোলে বনমালা।
বাসুদেব গানে       হৈয়া সাবধানে          জগত করেছে আলা॥

ই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায়
সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের (১৯২৩ সাল), ৩য়খণ্ড,৪র্থ শাখা, ১৮শপল্লব,
শ্রীগৌরাঙ্গের রূপ প্রভৃতি, ২১৫৪-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বরাড়ী॥

ও না কে বল গো সজনি।
কত চাঁদ জিনি                  সুন্দর মুখানি
বরণ কাঞ্চন মণি॥ ধ্রু॥
করি-কর   জিনি                  বাহুর বলনি
আজানুলম্বিত সাজে।
নখ কর পদ                    বিধু কোকনদ
হরি লুকাইল লাজে॥
ভাঙ-যুগ বর                  দেখিতে সুন্দর
মদনে তেজয়ে ধনু।
তেরছ চাহিয়া                  হাসি মিশাইয়া
হানয়ে সভার তনু॥
কটিতে বসন                      অরুণ-বরণ
গলে দোলে বন-মালা।
বাসুঘোষ ভণে                  হও সাবধানে
জগত কব়্যাছে আলা ॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন
“শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ (১ম সংস্করণ ১৯০২), ৮৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বরাড়ী॥

ও না কে বল গো সজনি।
কত চাঁদ জিনি, সুন্দর মুখানি, বরণ কাঞ্চন মণি॥ ধ্রু॥
করিবরকর জিনি, বাহুর বলনি, আজানুলম্বিত সাজে।
নখকরপদ, বিধু কোকনদ, হেরি লুকাইল লাজে॥
ভাঙ যুগবর, দেখিতে সুন্দর, মদন তেজয়ে ধনু।
তেরছ চাহিয়া হাসি মিশাইয়া, হানয়ে সভার তনু॥
কটিতে বসন, অরুণ বরণ, গলে দোলে বনমালা।
বাসু ঘোষ ভণে, হও সাবধানে, জগত করেছে আলা॥

ই পদটি ১৩৩১বঙ্গাব্দে (১৯২৪) প্রকাশিত, দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত পদ-সংকলন “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি”
পদ-সংকলন, ৪৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

রাধার পূর্ব্বজরাগ

ও না কে বল গো সজনি।
কত চাঁদ জিনি                  সুন্দর মুখানি
বরণ কাঞ্চন মণি॥
করিবর-কর জিনি             বাহুর সুবলনি
আজানু-লম্বিত সাজে।
নখ কর পদ                     বিধু কোকনদ
হেরি লুকাইল লাজে॥
ভাঙ-যুগবর                    দেখিতে সুন্দর
মদন তেজয়ে ধনু।
তেরছ চাহিয়া                  হাসি মিশাইয়া
হানয়ে সভার তনু॥
কটিতে বসন                      অরুণ বরণ
গলে দোলে বনমালা।
বাসুঘোয় ভণে                   হও সাবধানে
জগত করেছে আলা॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি. কলা (বাংলা)
উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট, https://shodhganga.inflibnet.ac.in ) “বৈষ্ণব
সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন,
৬৮৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বরাড়ী॥

বোলো মোরে ও জনা কেগো সজনি।
কাঞ্চন জিনিয়া                          অঙ্গ সুনির্মল
চাঁদ জিনি মুখখানি॥ ধ্রু॥
করি-কর জিনি                          বাহু সুবলনি
আজানুলম্বিত ভুজে।
করযুগ পদ                            হেরি কোকনদ
জলে লুকায়ল লাজে॥
ভাঙ যুগ বর                          দেখিতে সুন্দর
মদন ত্যজে ফুল ধনু।
তেরছ চাহিয়া                        হাসিয়া হাসিয়া
হরয়ে সভার তনু॥
কটিতে বসন                             অরুণ বরণ
গলে দোলে বনমালা।
বাসুদেব গানে                          হৈয়া সাবধানে
জগত করেছে আলা॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
দেখহ নাগর নদিয়ার
দেখহ নাগর নদীয়ায়
দেখ সখি আওত গোরা নটরায়
ভণিতা বাসুদেব ঘোষে
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত
শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের (১৯২৩ সাল), ৩য়খণ্ড,৪র্থ শাখা, ১৮শপল্লব ,শ্রীগৌরাঙ্গের রূপ
প্রভৃতি, ২১৫৫-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ কামোদ॥

দেখহ নাগর নদিয়ার।
গজবর-গতি জিতি              গমন সুমাধুরি
অপরূপ গোরা দ্বিজরায়॥ ধ্রু॥
চরণ কমল যেন                ভকত ভ্রমরগণ
পরিমলে চৌদিগে ধায়।
মধু-মদে মাতল                  সব মহী-মণ্ডল
দিগ বিদিগ নাহি পায়॥
রস-ভরে গর গর                অধর মনোহর
ইষত হাসিয়া ঘন চায়।
অপাঙ্গ-ইঙ্গিত বর           নয়ান-কোণের শর
কত কোটি কাম মুরছায়॥
অভরণ বহু মণি             বসন অরুণ জিনি
বাজন নূপুর রাঙ্গা পায়।
জগ ভরি জয় ধ্বনি        জয় গোরা দ্বিজমণি
বাসুদেব ঘোষে গুণ গায়॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন
“শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ, ৮৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ কামোদ॥

দেখহ নাগর নদিয়ায়।
গজবর-গতি জিনি                গমন সুমাধুরী
অপরূপ গোরা দ্বিজরায়॥ ধ্রু॥
চরণ-কমল যেন                ভকত-ভ্রমরগণ
পরিমলে চৌদিকে ধায়।
মধুমদে মাতল                    সব মহীমণ্ডল
দিগবিদিগ নাহি পায়॥
রসভরে গর গর                  অধর মনোহর
ইষৎ হাসিয়া ঘন চায়।
অপাঙ্গ ইঙ্গিতবর            নয়ান কোণের শর
কত কোটি কাম মূরছায়॥
অভরণ বহু মণি              বসন অরুণ জিনি
বাজন-নূপুর রাঙ্গা পায়।
জগ ভরি জয়ধ্বনি         জয় গোরা দ্বিজমণি
বাসুদেব ঘোষে গুণ গায়॥

ই পদটি ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত, সতী ঘোষ সম্পাদিত “প্রত্যদর্শীর কাব্যে মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্য”,
৯৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

দেখ সখি আওত গোরা নটরায়।
গজবর গতি জিনি                    গমন সুমাধুরী
অপরূপ গোরা দ্বিজরায়॥
তেমন সে সুচরণ                    ভকত ভ্রমরগণ
পরিমলে চৌদিকে ধায়।
সুর মহী মণ্ডল                দিগবিদিগ নাহি পায়
রসভরে গরগর অধর সুমনোহর
ইষত হাসিয়া আন চায়॥
অপাঙ্গে ইঙ্গিত বর             নয়ন কোন অনুসর
কোটী মদন মূরছায়॥
আভরণ বহু মানি                বসন অরুণ জিনি
বাজত নূপুর রাঙ্গা পায়।
জগ ভরি জয় ধ্বনি             জয় গোরা দ্বিজমণি
বাসুদেব ঘোষ গুণ গায়॥

ই পদটি ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত মহাজন পদাবলী
“শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৪র্থ খণ্ড, ৪৪৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই - তেওট॥

দেখহ নাগর নদিয়ায়।
গজবর গতি জিতি               গমন সুমাধুরী
অপরূপ গোরা দ্বিজরায়॥
চরণ কমল যেন                ভকত ভ্রমরগণ
পরিমলে চৌদিকে ধায়।
মধুমদে মাতল                   সব মহীমণ্ডল
দিগ বিদিগ নাহি পায়॥
রসভরে গরগর                  অধর মনোহর
ইষত হাসিয়া ঘন চায়।
অপাঙ্গ-ইঙ্গিত বর           নয়ান-কোণের শর
কত কোটি কাম মুরছায়॥
অভরণ বহু মণি             বসন অরুণ জিনি
বাজন নূপুর রাঙ্গা পায়।
জগ ভরি জয়ধ্বনি           জয় গোরাদ্বিজমণি
বাসুদেব ঘোষে গুণ গায়॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি. কলা (বাংলা)
উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https://shodhganga.inflibnet.ac.in )
“বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের
পদাবলী সংকলন, ৬৯৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ কামোদ॥

দেখহ নাগর নদিয়ায়।
গজবর গতি জিতি                 গমন সুমাধুরি
অপরূপ গোরা দ্বিজরায়॥ ধ্রু॥
চরণ কমল যেন                  ভকত ভ্রমরগণ
পরিমলে চৌদিকে ধায়।
মধু-মদে মাতল                     সব মহীমণ্ডল
দিগ বিদিগ নাহি পায়॥
রস ভরে গর গর                 অধর মনোহর
ইষত হাসিয়া ঘন চায়।
অপাঙ্গ ইঙ্গিত বর            নয়ান কোনের শর
কত কোটি কাম মুরুছায়॥
অভরণ বহু মণি               বসন অরুণ জিনি
বাজন-নূপুর রাঙ্গা পায়।
জগ-ভরি জয় ধ্বনি          জয় গোরা দ্বিজমণি
বাসুদেব ঘোষ গুণ গায়॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
আর এক দিন গৌরাঙ্গসুন্দর
ভণিতা বাসুঘোষ / বাসুদেব
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি নরহরি চক্রবর্তী (ঘনশ্যাম) দ্বারা আনুমানিক ১৭২৫ সালে সংকলিত ও বিরোচিত এবং ৪৬২  
গৌরাব্দে (১৯৪৯), হরিদাস দাস দ্বারা সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীগীতচন্দ্রোদয় (পূর্বরাগ)”, ৭১-
পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ পুনঃ ধানশী॥

আর একদিন          গৌরাঙ্গ সুন্দর      নাইতে দেখিল ঘাটে।
কোটি চাঁদ জিনি        বদন সুন্দর       দেখিয়া পরাণ ফাটে॥
অঙ্গ ঢলঢল          কনক কষিল          অমল কমল আঁখি।
নয়নের শর         ভাঙ ধনুবর          বিঁধয়ে কাম-ধানুকী॥
কুটিল কুন্তলে          গলে জলধারা        যেন মুকুতার দাম।
সকল অঙ্গে          মুকুতা ফলল         দেখি মুরুছয়ে কাম॥
মোছে সব অঙ্গ         নিচড়ে কুন্তল        অরুণ বসন পরে।
বাসুঘোষে কহে       মনে হেন লয়       রহিতে নারিব ঘরে॥

ই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায়
সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের (১৯২৩ সাল), ৩য়খণ্ড,৪র্থ শাখা, ১৯শপল্লব,
শ্রীগৌরাঙ্গের রূপ—নাগরী উক্তি, ২১৬৯-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বরাড়ী॥

আর এক দিন                  গৌরাঙ্গসুন্দর
নাহিতে দেখিলুঁ ঘাটে।
কোটি চাঁদ জিনি                 বদন সুন্দর
দেখিয়া পরাণ ফাটে॥
অঙ্গ-ঢল ঢল                    কনক কষিল
অমল কমল আঁখি।
নয়ানের শর                     ভাঙ ধনুবর
বিন্ধয়ে কাম-ধানুকী॥
কুটিল কুন্তল                 তাহে বিন্দু জল
মেঘে মুকুতার দাম।
জল-বিন্দু তনু               হেমে মোতি জনু
হেরিয়া মুরছে কাম॥
মোছে সব অঙ্গ                 নিঙ্গারি কুন্তল
অরুণ বসন পরে।
বাসুঘোষে কয়                হেন মনে লয়
রহিতে নারিব ঘরে॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন
“শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ, ১০৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বরাড়ী॥

আর এক দিন, গৌরাঙ্গসুন্দর, নাহিতে দেখিলুঁ ঘাটে।
কোটি চাঁদ জিনি, বদন সুন্দর, দেখিয়া পরাণ ফাটে॥
অঙ্গ ঢল ঢল, কনক কষিল, অমল কমল আঁখি।
নয়ানের শর, ভাঙ ধনু বর, বিধয়ে কামধানুকী॥
কুটিল কুন্তল, তাহে বিন্দু জল, মেঘে মুকুতার দাম।
জলবিন্দু তল, হেমে মোতি জনু, হেরিয়া মূরছে কাম॥
মোছে সব অঙ্গ, নিঙ্গাড়ি কুন্তল, অরুণ বসন পরে।
বাসু ঘোষে কয়, হেন মনে লয়, রহিতে নারিবে ঘরে॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
পদাবলী”, ১৫৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীগৌরাঙ্গ অনুরাগে
॥ বরাড়ী॥

আর এক দিন                    গৌরাঙ্গ সুন্দর
নাহিতে দেখিলুঁ ঘাটে।
কোটি চাঁদ জিনি                   বদন সুন্দর
দেখিয়া পরাণ ফাটে॥
অঙ্গ ঢল ঢল                       কনক কষিল
অমল কমল আঁখি।
নয়ানের শর                       ভাঙ ধনুবর
বিঁধয়ে কামধানুকী॥
কুটিল কুন্তল                    তাহে বিন্দু জল
মেঘে মুকুতার দাম।
জলবিন্দু ঝরে                 থরে থরে মোতি
হেরিয়া মুরছে কাম॥
মোছে সব অঙ্গ                  নিঙ্গারি কুন্তল
অরুণ বসন পরে।
বাসু ঘোষ কয়                  হেন মনে লয়
রহিতে নারিব ঘরে॥

ই পদটি ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত মহাজন পদাবলী
“শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৪র্থ খণ্ড, ৪৫১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বরাড়ী - একতালা॥

আর এক দিন                   গৌরাঙ্গসুন্দর
নাহিতে দেখিলুঁ ঘাটে।
কোটি চাঁদ জিনি                  বদন সুন্দর
দেখিয়া পরাণ ফাটে॥
অঙ্গ ঢল ঢল                      কনক কষিল
অমল কমল আঁখি।
নয়ানের শর                      ভাঙ ধনুবর
বিন্ধয়ে কাম-ধানুকী॥
কুটিল কুন্তল                   তাহে বিন্দু জল
মেঘে মুকুতার দাম।
জলবিন্দু তনু                হেমে মোতি জনু
হেরিয়া মুরছে কাম॥
মোছে সব অঙ্গ                 নিঙ্গারি কুন্তল
অরুণ বসন পরে।
বাসুঘোষে কয়                   হেন মনে লয়
রহিতে নারিব ঘরে॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি. কলা (বাংলা)
উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https://shodhganga.inflibnet.ac.in )
“বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের
পদাবলী সংকলন, ৬৯৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

আর একদিন গৌরাঙ্গ সুন্দর নাইতে দেখিল ঘাটে।
কোটি চাঁদ জিনি বদন সুন্দর দেখিয়া পরাণ ফাটে॥
অঙ্গ ঢলঢল কনক কষিল অমল কমল আঁখি।
নয়নের শর ভাঙ ধনুবর বিঁধয়ে কাম-ধানুকী॥
কুটিল-কুন্তলে গলে জলধারা যেন মুকুতার দাম।
সকল অঙ্গে মুকুতা ফলল দেখি মুরুছয়ে কাম॥
মোছে সব অঙ্গ নিচড়ে কুন্তল অরুণ বসন পরে।
বাসুদেব কহে মনে হেন লয়ে রহিতে নারিব ঘরে॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
যখন দেখিনু গোরাচাঁদে
যখন দেখিলুঁ গোরাচাঁদে
ভণিতা বাসুদেব ঘোষ
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি নরহরি চক্রবর্তী (ঘনশ্যাম) দ্বারা আনুমানিক ১৭২৫ সালে সংকলিত
ও বিরোচিত এবং ৪৬২  গৌরাব্দে (১৯৪৯), হরিদাস দাস দ্বারা সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “শ্রীশ্রীগীতচন্দ্রোদয় (পূর্বরাগ)”, ৭২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ পুনঃ সিন্ধুড়া॥

যখন দেখিনু গোরাচাঁদে। তখনি পড়িলুঁ প্রেমফাঁদে॥
তনুমন তাহারে সোঁপিলু। লাজকুলে তিলাঞ্জলি দিলু॥
গোরা বিনু না রহে জীবন। গোরা মোর নিজ প্রাণধন॥
জীবন রহে না গোরা বিনে। বাসুদেব ঘোষ রস জানে॥

ই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের (১৯২৩ সাল), ৩য়খণ্ড,
৪র্থ শাখা, ১৯শপল্লব ,শ্রীগৌরাঙ্গের রূপ—নাগরী উক্তি, ২১৭২-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া
রয়েছে।

॥ পঠমঞ্জরী॥

যখন দেখিলুঁ গোরাচাঁদে।
তখনি পড়িলুঁ প্রেম-ফাঁদে॥
তনু মন তাহারে সোঁপিলু।
কুল-ভয়ে তিলাঞ্জলি দিলুঁ॥
গোরা বিনু না রহে জীবন।
গৌরাঙ্গ হইল প্রাণ-ধন॥
ধৈরজ না বান্ধে মোর মনে।
বাসুদেব ঘোষ রস জানে॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ, ১০৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ পঠমঞ্জরী॥

যখন দেখিনু গোরাচাঁদে।        তখনি পড়িলুঁ প্রেমফাঁদে॥
তনু মন তাঁহারে সোঁপিলুঁ।      কুলভয়ে তিলাঞ্জলি দিলুঁ॥
গোরা বিনু না রহে জীবন।      গৌরাঙ্গ হইল প্রাণধন॥
ধৈরজ না বাঁধে মোর মনে।      বাসুদেব ঘোষ রস জানে॥

ই পদটি ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত, সতী ঘোষ সম্পাদিত “প্রত্যদর্শীর কাব্যে মহাপ্রভু
শ্রীচৈতন্য”, ৯৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

যখন দেখিনু গোরা চাঁদে।
তখনি পড়িনু প্রেমফাঁদে॥
তনুমন তাহারে সঁপিনু।        
কুলশীলে তিলাঞ্জলি দিনু॥
গোরা বিনু না রহে জীবন।
গোরা মোর নিজ প্রাণ ধন॥
জীবন না রহে গোরা বিনে।
বাসুদেব ঘোষ রস জানে॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৭০৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

যখন দেখিনু গোরাচাঁদে।
তখনি পড়িলু প্রেমফাঁদে॥
তনুমন তাহারে সোঁপিলু।
লাজকুলে তিলাঞ্জলি দিলু॥
গোরা বিনু না রহে জীবন।
গোরা মোর নিজ প্রাণধন॥
জীবন না রহে গোরা বিনে।
বাসুদেব ঘোষ রস জানে॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
গোরা রূপ দেখিবারে মনে করি সাধ
ভণিতা বাসু ঘোষ
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের (১৯২৩ সাল), ৩য়খণ্ড,
৪র্থ শাখা, ১৯শপল্লব ,শ্রীগৌরাঙ্গের রূপ—নাগরী উক্তি, ২১৭৩-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া
রয়েছে।

॥ তথা রাগ॥

গোরা-রূপ দেখিবারে মনে করি সাধ।
গৌর-পিরিতি খানি বড় পরমাদ॥
কিবা নিশি কিবা দিশি কিছুই না জানি।
অনুখণ পড়ে মনে গোরা গুণমণি॥
গোরা গোরা করি মোর কি হৈল অন্তরে।
কিবা মন্ত্র কৈল গোরা নয়ানের শরে॥
নিঝরে ঝরয়ে আঁখি প্রবোধ না মানে।
বড় পরমাদ প্রেম বাসু ঘোষ গানে॥

ই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ২১৭৩-
পদসংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের
পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো।

॥ তথা রাগ॥

গোরা-রূপ দেখিবারে মনে করি সাধ।
গৌর-পিরিতি খানি বড় পরমাদ॥
কিবা নিশি কিবা দিশি কিছুই না জানি।
অনুখণ পড়ে মনে গোরা রূপখানি॥
গোরা গোরা করি মোর কি হৈল অন্তরে।
কিবা মন্ত্র কৈল গোরা নয়ানের শরে॥
নিঝরে ঝরয়ে আঁখি প্রবোধ না মানে।
বড় পরমাদ প্রেম বাসু ঘোষ গানে॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ, ১০৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ যথারাগ॥

গোরারূপ দেখিবারে মনে করি সাধ।
গৌরপীরিতিখানি বড় পরমাদ॥
কিবা নিশি কিবা দিশি কিছুই না জানি।
অনুক্ষণ পড়ে মনে গোরা গুণমণি॥
গোরা গোরা করি মোর কি হৈল অন্তরে।
কিবা মন্ত্র কৈল গোরা নয়ানের শরে॥
নিঝোরে ঝরয়ে আঁখি প্রবোধ না মানে।
বড় পরমাদ প্রেম বাসু ঘোষ গানে॥

ই পদটি ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত
মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ২য় খণ্ড, ২৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

রূপানুরাদ
শ্রীগৌরচন্দ্র।
॥ সুহই - মধ্যম দশকুশী॥

গোরা-রূপ দেখিবারে মনে করি সাধ।
গৌর-পিরীতিখানি বড় পরমাদ॥
কিবা নিশি কিবা দিশি কিছুই না জানি।
অনুক্ষণ পড়ে মনে গোরা গুণমণি॥
গোরা গোরা করি মোর কি হৈল অন্তরে।
কিবা মন্ত্র কৈল গোরা নয়নের শরে॥
নিঝরে ঝরয়ে আঁখি প্রবোধ না মানে।
বড় পরমাদ প্রেম বাসু ঘোষ গানে॥

ই পদটি ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত
মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৪র্থ খণ্ড, ৪৫২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী - একতালা॥

গোরারূপ দেখিবারে মনে করি সাধ।
গৌর পিরীতি খানি বড় পরমাদ॥
কিবা নিশি কিবা দিশি কিছুই না জানি।
অনুক্ষণ পড়ে মনে গোরা গুণমণি॥
গোরা গোরা করি মোর কি হৈল অন্তরে।
কিবা মন্ত্র কৈল গোরা নয়নের শরে॥
নিঝরে ঝরয়ে আঁখি প্রবোধ না মানে।
বড় পরমাদ প্রেম বাসুঘোষ গানে॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ ( সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৭১৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তথারাগ॥

গোরা-রূপ দেখিবারে মনে করি সাধ।
গৌর-পিরিতিখানি বড় পরমাদ॥
কিবা নিশি কিবা দিশি কিছুই না জানি।
অনুখন পড়ে মনে গোরা গুণমণি॥
গোরা গোরা করি মোর কি হৈল অন্তরে।
কিবা মন্ত্র কৈল গোরা নয়ানের শরে॥
নিঝরে ঝরয়ে আঁখি প্রবোধ না মানে।
বড় পরমাদ প্রেম বাসু ঘোষ গানে॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর