কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
রাই কহে এক রন্ধ্রে দোঁহে দিব ফুঁক
কবি জ্ঞানদাস
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪১১-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
বংশী-শিক্ষা
॥ ধানশী॥
রাই কহে এক রন্ধ্রে দোঁহে দিব ফুঁক।
না জানি কেমন বাজে দেখিব কৌতুক॥
এক রন্ধ্রে ফুঁক তবে দেয় রাধা কানু।
রাধাশ্যাম দুটি নাম বাজে ভিনু ভিনু॥
রসের হিলোল উঠে দোঁহাকার গানে।
মোহিল সভার মন মুরলীর তানে॥
গান শুনি সারি শুক কোকিল আনন্দ।
তরুলতা কুসুমে ঝরয়ে মকরন্দ॥
জ্ঞানদাস কহয়ে বিরিঞ্চি অগোচরী।
লীলায় বিহরে দোঁহে কিশোরা কিশোরী॥
এই পদটি ১৩২৭ সালে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, বংশী শিক্ষা, ২১৯ পৃষ্ঠার "নিকুঞ্জ মন্দিরে দেখ অদভুত রঙ্গ" পদের ১৭তম পংক্তি থেকে পদের শেষ পংক্তি অবধি অংশ।
---মিলন সেনগুপ্ত। মিলনসাগর॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ১২৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
বংশী-শিক্ষা
॥ ধানশী॥
রাই কহে এক রন্ধ্রে দোঁহে দিব ফুঁক। না জানি কেমন বাজে দেখিব কৌতুক॥
এক রন্ধ্রে ফুক তবে দেয় রাধা কানু। রাধশ্যাম দুটি নাম বাজে ভিনু ভিনু॥
রসের হিলোল উঠে দোঁহাকার গানে। মোহিল সভার মন মুরলীর তানে॥
গান শুনি সারি শুক কোকিল আনন্দ। তরুলতা কুসুমে ঝরয়ে মকরন্দ॥
জ্ঞানদাস কহয়ে বিরিঞ্চি-অগোচরী। লীলায় বিহরে দোঁহে কিশোরা-কিশোরী॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৫১ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
রাই কহে এক রন্ধ্রে দোঁহে দিব ফুঁক।
না জানি কেমন বাজে দেখিব কৌতুক॥
এক রন্ধ্রে ফুঁক তবে দেয় রাধা কানু।
রাধাশ্যাম দুটি নাম বাজে ভিনু ভিনু॥
রসের হিলোল উঠে দোঁহাকার গানে।
মোহিল সভার মন মুরলীর তানে॥
গান শুনি সারি শুক কোকিল আনন্দ।
তরুলতা কুসুমে ঝরয়ে মকরন্দ॥
জ্ঞানদাস কহয়ে বিরিঞ্চি অগোচরী।
লীলায় বিহরে দোঁহে কিশোরা কিশোরী॥
*********************
॥ ধানশী॥
রাই কহে এক রন্ধ্রে দোঁহে দিব ফুঁক।
না জানি কেমন বাজে দেখিব কৌতুক॥
এক রন্ধ্রে ফুঁক তবে দেয় রাধা কানু।
রাধাশ্যাম দুটি নাম বাজে ভিনু ভিনু॥
রসের হিলোল উঠে দোঁহাকার গানে।
মোহিল সভার মন মুরলীর তানে॥
গান শুনি সারি শুক কোকিল আনন্দ।
তরুলতা কুসুমে ঝরয়ে মকরন্দ॥
জ্ঞানদাস কহয়ে বিরিঞ্চি অগোচরী।
লীলায় বিহরে দোঁহে কিশোরা কিশোরী॥
এই পদটি ১৩২৭ সালে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, বংশী শিক্ষা, ২১৯ পৃষ্ঠার "নিকুঞ্জ মন্দিরে দেখ অদভুত রঙ্গ" পদের ১৭তম পংক্তি থেকে পদের শেষ পংক্তি অবধি অংশ।
---মিলন সেনগুপ্ত। মিলনসাগর॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ১২৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
বংশী-শিক্ষা
॥ ধানশী॥
রাই কহে এক রন্ধ্রে দোঁহে দিব ফুঁক। না জানি কেমন বাজে দেখিব কৌতুক॥
এক রন্ধ্রে ফুক তবে দেয় রাধা কানু। রাধশ্যাম দুটি নাম বাজে ভিনু ভিনু॥
রসের হিলোল উঠে দোঁহাকার গানে। মোহিল সভার মন মুরলীর তানে॥
গান শুনি সারি শুক কোকিল আনন্দ। তরুলতা কুসুমে ঝরয়ে মকরন্দ॥
জ্ঞানদাস কহয়ে বিরিঞ্চি-অগোচরী। লীলায় বিহরে দোঁহে কিশোরা-কিশোরী॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৫১ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
রাই কহে এক রন্ধ্রে দোঁহে দিব ফুঁক।
না জানি কেমন বাজে দেখিব কৌতুক॥
এক রন্ধ্রে ফুঁক তবে দেয় রাধা কানু।
রাধাশ্যাম দুটি নাম বাজে ভিনু ভিনু॥
রসের হিলোল উঠে দোঁহাকার গানে।
মোহিল সভার মন মুরলীর তানে॥
গান শুনি সারি শুক কোকিল আনন্দ।
তরুলতা কুসুমে ঝরয়ে মকরন্দ॥
জ্ঞানদাস কহয়ে বিরিঞ্চি অগোচরী।
লীলায় বিহরে দোঁহে কিশোরা কিশোরী॥
*********************
