কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . .
সই লো ও বড় বিনোদিয়া কান
ও বড় বিনোদিয়া কান

কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ৪১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

(এই পদটির সঙ্গে “কুঞ্চিত অলক-উপরে অলি-মণ্ডল” বা “কুঞ্চিত অলকা উপরে অলিমণ্ডলী” পদের কম-বেশী মিল রয়েছে, যা বিমানবিহারী মজুমদার মহাশয়ের মতে একই পদ, ভিন্ন প্রথম পঙ্ক্তি যুক্ত। তাই পাঠক চাইলে এই পদদুটির উপর ক্লিক করে তা পড়তে পারেন।---মিলন সেনগুপ্ত। মিলনসাগর॥ )

শ্রীকৃষ্ণের এবং ষোড়শ গোপালের রূপ।
॥ সুহই॥

সই লো ও বড় বিনোদিয়া কান।
কুটিল কটাক্ষে,     লাখে লাখে কুলবতী,
ছাড়ল কুল অভিমান॥ ধ্রু
কুঞ্চিত অলকা উপরে,     অলি মণ্ডল,
কাম কামান ভূরু ভঙ্গী।
মলয়জ তিলক,     ভালে অতি বিলখন,
যা দেখি চাঁদ কলঙ্কী॥
পীত অঙ্গ সম,     ভূষণ ঝলমল,
উরে দোলত বনমাল।
জ্ঞানদাস কহ,     অপরূপ দেখহ,
বিজুরী তরুণ তমাল॥

ই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) প্রকাশিত অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ১৮৩ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

গোপালের রূপ।
॥ সুহই॥

সইলো ও বড় বিনোদিয়া কান।
কুটিল কটাক্ষে,     লাখে লাখে কুলবতী,
ছাড়ল কুল অভিমান॥
কুঞ্চিত অলকা উপরে,     অলি মণ্ডল,
কাম কামান ভূরু ভঙ্গী।
মলয়জ তিলক,     ভালে অতি বিলখন,
যা দেখি চাঁদ কলঙ্কী॥
পীত অঙ্গ সম,     ভূষণ ঝলমল,
উরে দোলত বনমাল।
জ্ঞানদাস কহ,     অপরূপ দেখহ,
বিজুরী তরুণ তমাল॥

ই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৩০ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

গোপালের রূপ।
॥ সুহই॥

সইলো ও বড় বিনোদিয়া কান।
কুটিল কটাক্ষে, লাখে লাখে কুলবতী, ছাড়ল
কুল অভিমান॥ কুঞ্চিত অলকা উপরে.
অলি মণ্ডল, কাম কামান ভুরু-ভঙ্গী। মল-
য়জ তিলক, ভালে অতি বিলখন, যা দেখি
চাঁদ কলঙ্কী॥ পীত অঙ্গ সম, ভূষণ ঝল-
মল, উরে দোলত বনমাল। জ্ঞানদাস কহ
অপরূপ দেখহ, বিজুরী তরুণ তমাল॥

ই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২০৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

ও বড় বিনোদিয়া কান।
কুটিল কটাক্ষে,     লাখে লাখে কুলবতী,
ছাড়ল কুল-অভিমান॥
কুঞ্চিত অলকা,     উপরে অলি মণ্ডল,
কাম কামান ভূরু ভঙ্গী।
মলয়জ-তিলক,     ভালে অতি বিলখন,
যা দেখি চাঁদ কলঙ্কী॥
পীত অঙ্গ সম,     ভূষণ ঝলমল,
পূরে @ দোলত বনমাল।
জ্ঞানদাস কহ,     অপরূপ দেখহ,
তরুণ তমাল॥

@ - এখানে "উরে" অর্থাৎ "বক্ষে" এর বদলে "পূরে" দেওয়া রয়েছে।
---মিলন সেনগুপ্ত। মিলনসাগর॥
ই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, “কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ১৯০ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীকৃষ্ণের পূর্ব্বরাগ।
॥ সুহই॥

ও বড় বিনোদিয়া কান।
কুটিল কটাক্ষে,     লাখে লাখে কুলবতী,
ছাড়ল কুল-অভিমান॥
কুঞ্চিত অলকা,     উপরে অলিমণ্ডল,
কাম কামান ভুরু ভঙ্গী।
মলয়জ-তিলক,     ভালে অতি বিলখণ,
যা দেখি চাঁদ কলঙ্কী॥
পীত অঙ্গ সম,     ভূষণ ঝলমল,
পূরে দোলত বনমাল।
জ্ঞানদাস কহ,     অপরূপ দেখহ,
বিজুরী তরুণ তমাল॥

ই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, রূপানুরাগ, ২২২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

সই লো ও বড় বিনোদিয়া কান।
কুটিল কটাখে     লাখে লাখে কুলবতী
ছাড়ল কুল অভিমান॥

কুঞ্চিত অলকা     উপরে অলি মণ্ডল
কাম-কামান ভূরূ-ভঙ্গী।
মলয়জ তিলক     ভালে অতি বিলখণ
যা দেখি চাঁদ কলঙ্কী॥

পীত অঙ্গ সম     ভূষণ ঝলমল
উরে দোলত বনমাল।
জ্ঞানদাস কহ     অপরূপ দেখ হ
বিজুরী তরুণ তমাল॥

ই পদটি ১৯৫৩ সালে (?) প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ২য় খণ্ড এর ৩০ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

রূপানুরাগ।
॥ কল্যাণী - জপতাল॥

সই লো ও বড় বিনোদিয়া কান।
কুটিল কটাখে     লাখে লাখে কুলবতী
ছাড়ল কুল অভিমান॥
কুঞ্চিত অলকা     উপরে অলি মণ্ডল
কাম কামান ভূরূ ভুঙ্গী।
মলয়জ তিলক     ভালে অতি বিলখণ
যা দেখি চাঁদ কলঙ্কী॥
পীত অঙ্গ সম     ভূষণ ঝলমল
উরে দোলত বনমাল।
জ্ঞানদাস কহ     অপরূপ দেখহ
বিজুরি তরুণ তমাল॥

*********************
^^এই পাতার উপরে ফেরত^^