| কবি নরোত্তম দাস-এর পদাবলী |
| গৌরাঙ্গের দুটি পদ যার ধন সম্পদ কবি নরোত্তম দাস নরহরি চক্রবর্তী (ঘনশ্যাম) দ্বারা আনুমানিক ১৭২৫ সাল নাগাদ বিরচিত এবং ৪২৬ গৌরাব্দে (১৯১৩ খৃষ্টাব্দ), রামদেব মিশ্র দ্বারা প্রকাশিত “ভক্তিরত্নাকর” গ্রন্থ। ॥ তথাহি গীতে॥ গৌরাঙ্গের দুটি পদ, যার ধনসম্পদ, সে জানে ভকতিরস সার। গৌরাঙ্গ-মধুর লীলা, যার কর্ণে প্রবেশিলা, হৃদয় নির্ম্মল ভেল তার॥ যে গৌরাঙ্গের নাম লয়, তার হয় প্রেমোদয়, তার মুঞি যাঙ বলিহারি। গৌরাঙ্গগুণেতে ঝুরে, নিত্যলীলা তারে স্ফুরে, সে জন ভকতি অধিকারী॥ গৌরাঙ্গের সঙ্গিগণে, নিত্যসিদ্ধ করি জ্ঞানে, সে যায় ব্রজেন্দ্রসুতপাশ। শ্রীগৌড়মণ্ডলভূমি, যেবা জানে চিন্তামণি, তার হয় ব্রজভূমে বাস॥ গৌরপ্রেম-রসার্ণবে, সে তরঙ্গে যেবা ডুবে, সে রাধামাধব অন্তরঙ্গ। গৃহে বা বনেতে থাকে, গৌরাঙ্গ বলি ডাকে, নরোত্তম মাগে তার সঙ্গ॥ এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের (১৯২৩ সাল) ৩য় খণ্ড, ৪র্থ শাখা, ২০শ পল্লব, শ্রীগৌরাঙ্গ-প্রকারান্তর, ২২০৫-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানশী॥ গৌরাঙ্গের দুটি পদ যার ধন-সম্পদ সে জানে ভকতি-রস-সার। গৌরাঙ্গের-মধুর-লীলা যার কর্ণে প্রবেশিলা হৃদয় নির্ম্মল ভেল তার॥ যে গৌরাঙ্গের নাম লয় তার হয় প্রেমোদয় তার মুঞি যাঙ বলিহারি। গৌরাঙ্গ-গুণেতে ঝুরে নিত্য-লীলা তারে স্ফুরে সে জন ভজন-অধিকারী॥ গৌরাঙ্গের সঙ্গিগণে নিত্য-সিদ্ধ করি মানে সে যায় ব্রজেন্দ্র-সুত-পাশ। শ্রীব্রজ-মণ্ডল ভূমি যেবা জানে চিন্তামণি তার হয়ে ব্রজ-ভূমে বাস॥ গৌর-প্রেম-রসার্ণবে সে তরঙ্গে যেবা ডুবে সে রাধামাধব-অন্তরঙ্গ। গৃহে বা বনেতে থাকে গৌরাঙ্গ বলিয়া ডাকে নরোত্তম মাগে তার-সঙ্গ॥ এই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ২৩১৩-পদসংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো। ॥ ধানশী॥ গৌরাঙ্গের দুটি পদ যার ধন-সম্পদ সে জানে ভকতি-রস-সার। গৌরাঙ্গের-মধুর-লীলা যার কর্ণে প্রবেশিলা হৃদয় নির্ম্মল ভেল তার॥ যে গৌরাঙ্গের নাম লয় তার হয় প্রেমোদয় তার মুঞি যাঙ বলিহারি। গৌরাঙ্গ-গুণেতে ঝুরে নিত্য-লীলা তারে স্ফুরে সে জন ভজন-অধিকারী॥ গৌরাঙ্গের সঙ্গিগণে নিত্য-সিদ্ধ করি মানে সে যায় ব্রজেন্দ্র-সুত-পাশ। শ্রীগৌড়-মণ্ডল ভূমি যেবা মানে চিন্তামণি তার হয়ে ব্রজ-ভূমে বাস॥ গৌর-প্রেম-রসার্ণবে সে তরঙ্গে যেবা ডুবে সে রাধামাধব-অন্তরঙ্গ। গৃহে বা বনেতে থাকে গৌরাঙ্গ বলিয়া ডাকে নরোত্তম মাগে তার-সঙ্গ॥ এই পদটি ১৮০৭ সালে প্রকাশিত, কমলাকান্ত দাস সংকলিত পদরত্নাকর পুথির ৯|৫-পদ-সংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো। ॥ ধানশী॥ গৌরাঙ্গের দুটি পদ যার ধন-সম্পদ সে জানে ভকতি-রস-সার। গৌরাঙ্গের-মধুর-লীলা যার কর্ণে প্রবেশিলা হৃদয় নির্ম্মল ভেল তার॥ যে গৌরাঙ্গের নাম লয় তার হয় প্রেমোদয় তার মুঞি যাঙ বলিহারি। গৌরাঙ্গ-গুণেতে ঝুরে নিত্য-লীলা তারে স্ফুরে সে জন ভজন-অধিকারী॥ গৌরাঙ্গের সঙ্গিগণে নিত্য-সিদ্ধ করি মানে সে যায় ব্রজেন্দ্র-সুত-পাশ। শ্রীব্রজ-মণ্ডল ভূমি যেবা জানে চিন্তামণি তার হয়ে ব্রজ-পুরে বাস॥ গৌরাঙ্গের রসার্ণবে সে তরঙ্গে যে ডুবিবে সে রাধামাধব-অন্তরঙ্গ। গৃহে বা বনেতে থাকে হা চৈতন্য বলি ডাকে নরোত্তম মাগে তার-সঙ্গ॥ এই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত, হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ৩০০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানশী॥ গৌরাঙ্গের দুটি পদ, যার ধন সম্পদ, সে জানে ভকতি রস-সার। গৌরাঙ্গ মধুর-লীলা, যার কর্ণে প্রবেশিলা, হৃদয় নির্ম্মল ভেল তার॥ যে গৌরাঙ্গের নাম লয়, তার হয় প্রেমোদয়, তার মুঞি যাউঁ বলিহারি। গৌরাঙ্গ- গুণেতে ঝুরে, নিত্যলীলা তারে স্ফুরে, সে জন ভজন-অধিকারী॥ গৌরাঙ্গের সঙ্গিগণে, নিত্য-সিদ্ধ করি মানে, সে যায় ব্রজেন্দ্রসুত পাশ। শ্রীগৌড় মণ্ডল ভূমি, যেবা জানে চিন্তামণি, তার হয়ে ব্রজভূমে বাস॥ গৌর প্রেম রসার্ণবে, সে তরঙ্গে যেবা ডুবে, সে রাধামাধব-অন্তরঙ্গ। গৃহে বা বনেতে থাকে, গৌরাঙ্গ বলিয়া ডাকে, নরোত্তম মাগে তার সঙ্গ॥ এই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত, হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ৩০৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। গৌরাঙ্গের দুটীপদ, যার ধন সম্পদ, সে জানে ভকতি-রসসার। গৌরাঙ্গের মধুর-লীলা, যার কর্ণে প্রবেশিলা, হৃদয় নির্ম্মল ভেল তার॥ যে গৌরাঙ্গের নাম লয়, তার হয় প্রেমোদয়, তার মুঞি যাই বলিহারি। গৌরাঙ্গগুণেতে ঝুরে, নিত্যলীলা তার স্ফুরে, সেজন ভকতি অধিকারী॥ গৌরাঙ্গের সঙ্গিগণে, নিত্যসিদ্ধ করি মানে, সে যায় ব্রজেন্দ্রসুত পাশ। শ্রীগৌড়মণ্ডল ভূমি, যেবা জানে চিন্তামণি, তার হয়ে ব্রজভূমে বাস॥ গৌরপ্রেম রসার্ণবে, সে তরঙ্গে যেবা ডুবে, সে রাধামাধব অন্তরঙ্গ। গৃহে বা বনেতে থাকে, হা গৌরাঙ্গ বলে ডাকে, নরোত্তম মাগে তার সঙ্গ॥ এই পদটি ১৯০২ সালে রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ১১৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানশী॥ গৌরাঙ্গের দুটি পদ, যার ধন সম্পদ, সে জানে ভকতি রস সার। গৌরাঙ্গের মধুর লীলা, যার কর্ণে প্রবেশিলা, হৃদয় নির্ম্মল ভেল তার॥ যে গৌরাঙ্গের নাম লয়, তার হয় প্রেমোদয়, তারে মুঞি যাউঁ বলিহারি। গৌরাঙ্গ-গুণেতে ঝুরে, নিত্যলীলা তারে স্ফুরে, সে জন ভজন অধিকারী॥ গৌরাঙ্গের সঙ্গিগণে, নিত্য-সিদ্ধ করি মানে, সে যায় ব্রজেন্দ্রসুত পাশ। শ্রীগৌড় মণ্ডল ভূমি, যেবা জানে চিন্তামণি, তার হয়ে ব্রজভূমে বাস॥ গৌর প্রেম-রসার্ণবে, সে তরঙ্গে যেবা ডুবে, সে রাধামাধব-অন্তরঙ্গ। গৃহে বা বনেতে থাকে, গৌরাঙ্গ বলিয়া ডাকে, নরোত্তম মাগে তার সঙ্গ॥ এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন ”শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ৩০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানশী॥ গৌরাঙ্গের দুটী পদ যার ধন সম্পদ সে জানে ভকতি-রস সার। গৌরাঙ্গের মধুর লীলা যার কর্ণে প্রবেশিলা হৃদয় নির্ম্মল ভেল তার॥ যে গৌরাঙ্গের নাম লয় তার হয় প্রেমোদয় তারে মুঞি যাও বলিহারি। গৌরাঙ্গ-গুণেতে ঝুরে নিত্যলীলা তারে স্ফুরে সে জন ভজন অধিকারী॥ গৌরাঙ্গের সঙ্গিগণে নিত্য সিদ্ধ করি মানে সে যায় ব্রজেন্দ্রসুত পাশ। শ্রীগৌড়মণ্ডল ভূমি যেবা জানে চিন্তামণি তার হয়ে ব্রজভূমে বাস॥ গৌর প্রেম-রসার্ণবে সে তরঙ্গে যেবা ডুবে সে রাধামাধব-অন্তরঙ্গ। গৃহে বা বনেতে থাকে গৌরাঙ্গ বলিয়া ডাকে নরোত্তম মাগে তার সঙ্গ॥ এই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৩৮৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। প্রার্থনা ॥ ধানশী॥ গৌরাঙ্গের দুটি পদ যার ধন সম্পদ, সে জানে ভকতি রস সার। গৌরাঙ্গ মধুরলীলা যার কর্ণে প্রবেশিলা, হৃদয় নির্ম্মল ভেল তার॥ যে গৌরাঙ্গের নাম লয়, তার হয় প্রেমোদয়, তার মুঞি যাউ বলিহারি। গৌরাঙ্গ গুণেতে ঝুরে, নিত্য লীলা তারে, স্ফুরে সেজন ভজন অধিকারী॥ গৌরাঙ্গের সঙ্গিগণে নিত্য সিদ্ধ করি মনে, সে যায় ব্রজেন্দ্রসুত পাশ। শ্রীগৌরাঙ্গমণ্ডল ভূমি যেবা জানে চিন্তামণি তার হয় ব্রজভূমে বাস॥ গৌর প্রেম রসার্ণবে, সে তরঙ্গে যেবা ডুবে সে রাধামাধব অন্তরঙ্গ। গৃহে বা বনেতে থাকে গৌরাঙ্গ বলিয়া ডাকে নরোত্তম মাগে তার সঙ্গ॥ এই পদটি ১৯১৪ সালে সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৭৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানশী॥ গৌরাঙ্গের দুটি পদ, যার ধন সম্পদ, সে জানে ভকতি রস-সার। গৌরাঙ্গের মধুর লীলা, যার কর্ণে প্রবেশিলা, হৃদয় নির্ম্মল ভেল তার॥ যে গৌরাঙ্গের নাম লয়, তার হয় প্রেমোদয়, তারে মুঞি যাই বলিহারি। গৌরাঙ্গ-গুণেতে ঝুরে, নিত্যলীলা তারে স্ফুরে, সে জন ভজন অধিকারী॥ গৌরাঙ্গের সঙ্গিগণে, নিত্য-সিদ্ধ করি মানে, সে যায় ব্রজেন্দ্রসুত পাশ। শ্রীগৌড় মণ্ডল ভূমি, যেবা জানে চিন্তামণি, তার হয়ে ব্রজভূমে বাস॥ গৌর প্রেম-রসার্ণবে, সে তরঙ্গে যেবা ডুবে, সে রাধামাধব-অন্তরঙ্গ। গৃহে বা বনেতে থাকে, গৌরাঙ্গ বলিয়া ডাকে, নরোত্তম মাগে তার সঙ্গ॥ এই পদটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত, হরিলাল চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীপদরত্ন-মালা”, ২০১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানশী॥ গৌরাঙ্গের দুটি পদ যার ধন সম্পদ সে জানে ভকতি রস সার। গৌরাঙ্গের মধুর লীলা যার কর্ণে প্রবেশিলা হৃদয় নির্ম্মল ভেল তার॥ যে গৌরাঙ্গের নাম লয় তার হয় প্রেমোদয় তার মুঞি যাউ বলিহারি। গৌরাঙ্গ-গুণেতে ঝুরে নিত্য লীলা তারে স্ফুরে সে জন ভজন অধিকারী॥ গৌরাঙ্গের সঙ্গীগণে নিত্য সিদ্ধ করে মানে সে যায় ব্রজেন্দ্র সুত পাশ। শ্রীগৌড় মণ্ডল ভূমি যেবা জানে চিন্তামণি তার হয় ব্রজ ভূমে বাস॥ গৌর প্রেম রসার্ণবে সে তরঙ্গে যেবা ডুবে সে রাধা মাধব অন্তরঙ্গ। গৃহে বা বনেতে থাকে গৌরাঙ্গ বলিয়া ডাকে নরোত্তম মাগে তার সঙ্গ॥ এই পদটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত, কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, ”কীর্ত্তন-পদাবলী”, ২৯৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানশী॥ গৌরাঙ্গের দুটীপদ যার ধন সম্পদ, সে জানে ভকতি রস সার। গৌরাঙ্গ মধুরলীলা যার কর্ণে প্রবেশিলা, হৃদয় নির্ম্মল ভেল তার॥ যে গৌরাঙ্গের নাম লয় তার হয় প্রেমোদয়, তারে মুঞি যাউ বলিহারি। গৌরাঙ্গ গুণেতে ঝুরে, নিত্য লীলা তারে স্ফুরে সেজন ভজন অধিকারী॥ গৌরাঙ্গের সঙ্গিগণে নিত্য সিদ্ধ করি মনে সে যায় ব্রজেন্দ্রসুত পাশ। শ্রীগৌড়মণ্ডল ভূমি যেবা জানে চিন্তামণি তার হয়ে ব্রজভূমে বাস॥ গৌর প্রেম-রসার্ণবে সে তরঙ্গে যেবা ডুবে সে রাধামাধব অন্তরঙ্গ। গৃহে বা বনেতে থাকে গৌরাঙ্গ বলিয়া ডাকে নরোত্তম মাগে তার সঙ্গ॥ এই পদটি ১৯৩০ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী নিত্যস্বরূপ সম্পাদিত, “শ্রীহরি সাধক-কণ্ঠহার”, ১৮৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। শ্রীগৌরভক্ত মহিমা। গৌরাঙ্গের দুটি পদ, যার ধন সম্পদ, সে জানে ভকতি-রস-সার। গৌরাঙ্গের মধুর লীলা, যার কর্ণে প্রবেশিলা, হৃদয় নির্ম্মল ভেল তার॥ যে গৌরাঙ্গের নাম লয়, তার হয় প্রেমোদয়, তারে মুঞি যাই বলিহারি। গৌরাঙ্গ গুণেতে ঝুরে, নিত্য লীলা তারে স্ফূরে, সে জন ভকতি অধিকারী॥ গৌরাঙ্গের সঙ্গিগণে, নিত্য সিদ্ধ করি মানে, সে যায় ব্রজেন্দ্রসুতপাশ। শ্রীগৌড়মণ্ডল-ভূমি, যেবা জানে চিন্তামণি, তার হয় ব্রজভূমে বাস॥ গৌরপ্রেম-রসার্ণবে, সে তরঙ্গে যেবা ডুবে, সে রাধামাধব অন্তরঙ্গ। গৃহে বা বনেতে থাকে, হা গৌরাঙ্গ! বলে ডাকে, নরোত্তম মাগে তার সঙ্গ॥ এই পদটি ১৯৩২ সালে প্রকাশিত, ব্রজমোহন দাস সংকলিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব সেবা আরতি ও কীর্ত্তন পদাবলী ও নিত্যক্রিয়া পদ্ধতি”, ৫৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। গৌরাঙ্গের দুটী পদ, যার ধন সম্পদ, সে জানে ভকতি রস-সার। গৌরাঙ্গের মধুর লীলা, যার কর্ণে প্রবেশিলা, হৃদয় নির্ম্মল ভেল তার॥ যে গৌরাঙ্গের নাম লয়, তার হয় প্রেমোদয়, তারে মুঞি যাউ বলিহারি। গৌরাঙ্গ গুণেতে ঝুরে, নিত্যলীলা তারে স্ফুরে, সে জন ভকতি অধিকারী॥ গৌরাঙ্গের সঙ্গিগণে, নিত্য সিদ্ধ করি মানে, সে যায় ব্রজেন্দ্র সুত পাশ। শ্রীগৌড় মণ্ডল ভূমি, যেবা জানে চিন্তামণি, তার হয়ে ব্রজভূমে বাস॥ গৌর প্রেম-রসার্ণবে, সে তরঙ্গে যেবা ডুবে, সে রাধা মাধব অন্তরঙ্গ। গৃহে বা বনেতে থাকে, হা গৌরাঙ্গ বলি ডাকে, নরোত্তম মাগে তার সঙ্গ॥ এই পদটি ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত, সুধীরচন্দ্র রায় ও অপর্ণা দেবী সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “কীর্ত্তন পাদাবলী”, ৪২৯-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। প্রার্থনা ॥ করুণ বরাড়ী - মধ্যম একতালা॥ গৌরাঙ্গের দুটী পদ যার ধন সম্পদ সে জানে ভকতিরসসার। গৌরাঙ্গের মধুর লীলা যার কর্ণে প্রবেশিলা হৃদয় নির্ম্মল ভেল তার॥ যে গৌরাঙ্গের নাম লয় তার হয় প্রেমোদয় তারে মুঞি যাই বলিহারি। গৌরাঙ্গগুণেতে ঝুরে নিত্যলীলা তারে স্ফুরে সে জন ভকতি অধিকারী॥ গৌরাঙ্গের সঙ্গিগণে নিত্য সিদ্ধ করি মানে সে যায় ব্রজেন্দ্রসুত পাশ। শ্রীগৌড়মণ্ডল ভূমি যেবা জানে চিন্তামণি হয় ব্রজভূমে বাস॥ গৌর-প্রেম-রসার্ণবে সে তরঙ্গে যেবা ডুবে সে রাধামাধব অন্তরঙ্গ। গৃহে বা বনেতে থাকে হা গৌরাঙ্গ বলি ডাকে নরোত্তম মাগে তার সঙ্গ॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৫৪৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। প্রার্থনা ॥ ধানশী॥ গৌরাঙ্গের দুটী পদ যার ধন সম্পদ সে জানে ভকতি-রস সার। গৌরাঙ্গ মধুর লীলা যার কর্ণে প্রবেশিলা হৃদয় নির্ম্মল ভেল তার॥ যে গৌরাঙ্গের নাম লয় তার হয় প্রেমোদয় তারে মুঞি যাও বলিহারি। গৌরাঙ্গ গুণেতে ঝুরে নিত্যলীলা তারে স্ফুরে সে জন ভকতি অধিকারী॥ গৌরাঙ্গের সঙ্গিগণে নিত্য সিদ্ধ করি মানে সে যায় ব্রজেন্দ্রসুত পাশ। শ্রীগৌড়মণ্ডল ভূমি যেবা জানে চিন্তামণি তার হয়ে ব্রজভূমে বাস॥ গৌরপ্রেম রসার্ণবে সে তরঙ্গে যেবা ডুবে সে রাধামাধব অন্তরঙ্গ। গৃহে বা বনেতে থাকে হা গৌরাঙ্গ বলি ডাকে নরোত্তম মাগে তার সঙ্গ॥ এই পদটি ১৯৩৭-৫৩ খৃষ্টাব্দের সময়কালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৩য় খণ্ড, প্রার্থনা, ৭১১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ শ্রীললিত - মধ্যম দশকুশী॥ গৌরাঙ্গের দুটি পদ, যার ধন সম্পদ, সে জানে ভকতি-রস-সার। গৌরাঙ্গের মধুর লীলা, যার কর্ণে প্রবেশিলা, হৃদয় নির্ম্মল ভেল তার॥ যে গৌরাঙ্গের নাম লয়, তার হয় প্রেমোদয়, তারে মুঞি যাই বলিহারি। গৌরাঙ্গ গুণেতে ঝুরে নিত্য-লীলা তারে স্ফুরে সে জন ভকতি-অধিকারী॥ গৌরাঙ্গের সঙ্গিগণে, নিত্যসিদ্ধ করি মানে, সে যায় ব্রজেন্দ্র-সুত পাশ। শ্রীগৌড় মণ্ডল ভূমি যেবা জানে চিন্তামণি তার হয় ব্রজভূমে বাস॥ গৌর প্রেম-রসার্ণবে সে তরঙ্গে যেবা ডুবে, সে রাধামাধব-অন্তরঙ্গ। গৃহে বা বনেতে থাকে হা গৌরাঙ্গ বলে ডাকে নরোত্তম মাগে তার সঙ্গ॥ এই পদটি ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত, দুর্গাচরণ বিশ্বাস সংগৃহীত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “কীর্ত্তন-পদাবলী”, ১৭৭-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। গৌরাঙ্গের দুটি পদ যার ধন সম্পদ সে জানে ভকতি রস সার। গৌরাঙ্গ মধুর লীলা যার কর্ণে প্রবেশিলা হৃদয় নির্ম্মল ভেল তার॥ যে গৌরাঙ্গের নাম লয় তার হয় প্রেমোদয় তারে মুঞি যাউ বলিহারি। গৌরাঙ্গ গুণেতে ঝুরে নিত্য লীলা তার স্ফুরে সেজন ভজন অধিকারী॥ গৌরাঙ্গের সঙ্গীগণে নিত্য সিদ্ধ করে মানে সে যায় ব্রজেন্দ্র সুত পাশ। শ্রীগৌড় মণ্ডল ভূমি যেবা জানে চিন্তামণি তার হয় ব্রজভূমে বাস॥ গৌর প্রেম রসার্ণবে সে তরঙ্গে যেবা ডুবে সে রাধা মাধব অন্তরঙ্গ। গৃহে বা বনেতে থাকে গৌরাঙ্গ বলি ডাকে নরোত্তম মাগে তার সঙ্গ॥ এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী", ২৯০-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। গৌরাঙ্গের দুটী পদ যার ধন সম্পদ সে জানে ভকতি রস সার। গৌরাঙ্গ মধুর লীলা যার কর্ণে প্রবেশিলা হৃদয় নির্ম্মল ভেল তার॥ যে গৌরাঙ্গের নাম লয় তার হয় প্রেমোদয় তার মুঞি যাও বলিহারি। গৌরাঙ্গ গুণেতে ঝুরে নিত্যলীলা তারে স্ফুরে সে জন ভকতি অধিকারী॥ গৌরাঙ্গের সঙ্গিগণে নিত্য সিদ্ধ করি মানে সে যায় ব্রজেন্দ্রসুত পাশ। শ্রীগৌড়মণ্ডল ভূমি যেবা জানে চিন্তামণি তার হয়ে ব্রজভূমে বাস॥ গৌরপ্রেম রসার্ণবে সে তরঙ্গে যেবা ডুবে সে রাধামাধব অন্তরঙ্গ। গৃহে বা বনেতে থাকে হা গৌরাঙ্গ বলি ডাকে নরোত্তম মাগে তার সঙ্গ॥ . *********** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| কাঞ্চন দরপণ বরণ সুগোরা রে কবি নরোত্তম দাস এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের (১৯২৩ সাল) ৩য় খণ্ড, ৪র্থ শাখা, ১৮শ পল্লব, শ্রীগৌরাঙ্গের রূপ প্রভৃতি, ২১৬৫-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কামোদ॥ কাঞ্চন দরপণ বরণ সুগোরা রে বর-বিধু জিনিয়া বয়ান। দুটি আঁখি নিমিখ মুরুখ বড় বিধি রে নাহি দিল অধিক নয়ান॥ হরি হরি কেনে বা জনম হৈল মোর। কনক-মুকুর জিনি গোরা-অঙ্গ সুবলনী, হেরিয়া না কেনে হৈলাম ভোর॥ আজানুলম্বিত ভুজ বন-মালা বিরাজিত মালতী-কুসুম সুরঙ্গ। হেরি গোরা-মূরতি কত শত কুলবতী হালত মদন-তরঙ্গ॥ অনুখণ প্রেম-ভরে ও রাঙ্গা নয়ন ঝরে না জানি কি জপে নিরবধি। বিষয়ে আবেশ মন না ভজিলুঁ সে চরণ বঞ্চিত করিল মোরে বিধি॥ নদীয়া নগরী সেহো ভেল ব্রজপুরী প্রিয় গদাধর বাম পাশ। মোহে নাথ অঙ্গীকরু বাঞ্ছা-কলপতরু কহে দীন নরোত্তম দাস॥ এই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ২২৭২-পদসংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো। ॥ কামোদ॥ কাঞ্চন দরপণ বরণ সুগোরা রে বর-বিধু জিনিয়া বয়ান। দুটি আঁখি নিমিখ মুরুখ বড় বিধি রে নাহি দিল অধিক নয়ান॥ হরি হরি কেনে বা জনম হৈল মোর। কনক-মুকুর জিনি গোরা-অঙ্গ সুবলনী, হেরিয়া না কেনে হৈলাম ভোর॥ আজানুলম্বিত ভুজ বন-মালা বিরাজিত মালতী-কুসুম সুরঙ্গ। হেরি গোরা-মূরতি কত শত কুলবতী হালত মদন-তরঙ্গ॥ অনুখণ প্রেম-ভরে ও রাঙ্গা নয়ন ঝরে না জানি কি জপে নিরবধি। বিষয়ে আবেশ মন না ভজিলুঁ সে চরণ বঞ্চিত করিল মোরে বিধি॥ নদীয়া নগরী সেহো ভেল ব্রজপুরী প্রিয় গদাধর বাম পাশ। মোহে অঙ্গীকার করু বাঞ্ছা-কলপতরু কহে দীন নরোত্তম দাস॥ এই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত, হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ৩০০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ তুড়ী॥ কাঞ্চন দরপণ বরণ সুগোরা রে, বর বিধু জিনিয়া বয়ান। দুটী আঁখি নিমিখ, মুরখ বড় বিধি রে, নাহি দিল অধিক নয়ান॥ হরি হরি কেনে বা জনম হৈল মোর। কনক মুকুর জিনি, গোরা-অঙ্গ সুবলনী, হেরিয়া না কেনে হৈলাম ভোর॥ আজানুলম্বিত ভুজ, বনমালা বিরাজিত, মালতী-কুসুম সুরঙ্গ। হেরি গোরা মুরতি, কত কত কুলবতী, হানত মদন তরঙ্গ॥ অনুক্ষণ প্রেম ভরে, রাঙ্গা নয়ন ঝরে, না জানি কি জপে নিরবধি। বিষয়ে আবেশ মন, না ভজিনু সে চরণ, বঞ্চিত করিল মোরে বিধি॥ নদীয়া নাগরী, সেহো ভেল ব্রজপুরী, প্রিয় গদাধর বাম পাশ। মোহে নাথ অঙ্গীকরু, বাঞ্ছা কল্পতরু, কহে দীন নরোত্তমদাস॥ এই পদটি ১৯০২ সালে রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ১১৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কামোদ॥ কাঞ্চন দরপণ, বরণ সুগোরা রে, বর-বিধু জিনিয়া বয়ান। দুটি আঁখি নিমিখ, মুরুখ বর বিধিরে, না দিলে অধিক নয়ান॥ হরি হরি কেনে বা জনম হৈল মোর। কনক-মুকুর জিনি, গোরা অঙ্গ সুবলনি, হেরিয়া না কেনে হৈলাম ভোর॥ আজানুলম্বিত ভুজ, বনমালা বিরাজিত, মালতী কুসুম সুরঙ্গ। হেরি গোরা মূরতি, কত শত কুলবতী, হানত মদন-তরঙ্গ॥ অনুক্ষণ প্রেমভরে, ও রাঙ্গা নয়ন ঝরে, না জানি কি জপে নিরবধি। বিষয়ে আবেশ মন, না ভজিনু সে চরণ, বঞ্চিত করিল মোরে বিধি॥ নদীয়া নগরী, সেহো ভেল ব্রজপুরী, প্রিয় গদাধর বাম পাশ। মোহে নাথ অঙ্গী করু, বাঞ্ছাকলপতরু, কহে দীন নরোত্তম দাস॥ এই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৩৮৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ তুড়ী॥ কাঞ্চন দরপণ, বরণ সুগোরারে, বর বিধু জিনিয়া বয়ান। দুটী আঁখি নিমিখ, মুরখ বড় বিধি রে, নাহি দিল অধিক নয়ান॥ হরি হরি কেন বা জনম হৈল মোর। কনক মুকুর জিনি, গোরা অঙ্গ সুবলনী, হেরিয়া না কেনে হৈল ভোর॥ আজানুলম্বিত ভুজ, বনমালা-বিরাজিত, মালতী কুসুম সুরঙ্গ। হেরি গোরা মূরতি, কত কত কুলবতী, হালত মদন তরঙ্গ॥ অনুক্ষণ প্রেমভরে, রাঙ্গা নয়ন ঝরে, না জানি কি জপে নিরবধি। বিষয়ে আবেশে মন, না ভজিনু সে চরণ, বঞ্চিত করিল মোরে বিধি॥ নদীয়া নগরী, সেহো ভেল ব্রজপুরী, প্রিয় গদাধর বাম পাশ। মোহে নাথ অঙ্গী করু, বাঞ্ছা কলপতরু, কহে দীন নরোত্তমদাস॥ এই পদটি ১৯১৪ সালে সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৭৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কামোদ॥ কাঞ্চন দরপণ, বরণ সুগোরা রে, বর-বিধু জিনিয়া বয়ান। দুটি আঁখি নিমিখ, মুরুখ বর বিধিরে, না দিলে অধিক নয়ান॥ হরি হরি কেনে বা জনম হৈল মোর। কনক-মুকুর জিনি, গোরা-অঙ্গ সুবলনি, হেরিয়া না কেনে হৈলাম ভোর॥ আজানুলম্বিত ভুজ, বনমালা বিরাজিত, মালতী কুসুম সুরঙ্গ। হেরি গোরা মূরতি, কত শত কুলবতী, হানত মদন-তরঙ্গ॥ অনুক্ষণ প্রেমভরে, ও রাঙ্গা নয়ন ঝরে, না জানি কি জপে নিরবধি। বিষয়ে আবেশ মন, না ভজিনু সে চরণ, বঞ্চিত করিল মোরে বিধি॥ নদীয়া নগরী, সেহো ভেল ব্রজপুরী, প্রিয় গদাধর বাম পাশ। মোহে নাথ অঙ্গী করু, বাঞ্ছাকলপতরু, কহে দীন নরোত্তম দাস॥ এই পদটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত, কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, ”কীর্ত্তন-পদাবলী”, ২৯৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ তুড়ী॥ কাঞ্চন দরপণ, বরণ সুগোরারে, বর বিধু জিনিয়া বয়ান। দুটী আঁখি নিমিখ, মুরখ বর বিধিরে, নাহি দিল অধিক নয়ান॥ হরি হরি কেন বা জনম হৈল মোর। কনক মুকুর জিনি, গোরা অঙ্গ সুবলনী, হেরিয়া না কেন হৈল ভোর॥ আজানুলম্বিত ভুজ, বনমালা-বিরাজিত, মালতী কুসুম সুরঙ্গ। হেরি গোরা মূরতি, কত শত কুলবতী, হানত মদন তরঙ্গ॥ অনুক্ষণ প্রেমভরে, রাঙ্গা নয়ন ঝরে, না জানি কি জপে নিরবধি। বিষয়ে আবেশে মন, না ভজিনু সে চরণ, বঞ্চিত করিল মোরে বিধি॥ নদীয়া নগরী, সেহো ভেল ব্রজপুরী, প্রিয় গদাধর বাম পাশ। মোহে নাথ অঙ্গি করু, বাঞ্ছা কল্পতরু, কহে দীন নরোত্তমদাস॥ এই পদটি আনুমানিক ১৯২৬ সালে, সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত “অপ্রকাশিত পদরত্নাবলী” গ্রন্থের ১০৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। এই পদটি সাহিত্য পরিষদের ৪৯৬ সংখ্যক পুথির পদ। প্রার্থনা ॥ সুহই॥ কাঞ্চন-দরপণ বরণ সে গৌরাঙ্গের বর-বিধু জিনিয়া বয়ান। দুটি ছিল দুটি আঁখি সাধ মিটাইয়া দেখি নাহি দিল অধিক নয়ান॥ হরি হরি কেনে বা জনম হৈল মোর। কনক-বরণ জিনি গোরা-অঙ্গ-সুবলনি হেরিয়া না হৈলুঁ মুঞি ভোর॥ ধ্রু॥ আজানুলম্বিত ভুজ গোরা-অঙ্গ-সুবলনি মালতীর কুসুম সুরঙ্গ। হেরি গোরার মূরতি কত শত কুলবতী হালত মদন-তরঙ্গ॥ অনুক্ষণ প্রেম-ভরে এ দুটি নয়ান ঝুরে না জানি কি জপে নিরবধি। * * * * * * * * * *। মোরে নাথ অঙ্গীকরু বাঞ্ছা কলপতরু কহে দীন নরোত্তম দাস॥ এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন ”শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ৮৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কামোদ॥ কাঞ্চন দরপণ- বরণ সুগোরা রে বর বিধু জিনিয়া বয়ান। দুটি আঁখি নিমিখ মুরুখবর বিধি রে না দিলে অধিক নয়ান॥ হরি হরি কেনে বা জনম হৈল মোর। কনক মুকুর জিনি গোরা অঙ্গ সুবলনী হেরিয়া না কেনে হৈলাম ভোর॥ ধ্রু॥ আজানুলম্বিত ভুজ বনমালা বিরাজিত মালতী-কুসুম সুরঙ্গ। হেরি গোরা মূরতি কত শত কুলবতী হানত মদনতরঙ্গ॥ অনুক্ষণ প্রেমভরে ও রাঙ্গা নয়ন ঝরে না জানি কি জপে নিরবধি। বিষয়ে আবেশ মন না ভজিনু সে চরণ বঞ্চিত করিল মোরে বিধি॥ নদীয়ানগরী সেহ ভেল ব্রজপুরী প্রিয় গদাধর বাম পাশ। মোহে নাথ অঙ্গী করু বাঞ্ছাকলপতরু কহে দীন নরোত্তম দাস॥ এই পদটি ১৯৩৭-৫৩ খৃষ্টাব্দের সময়কালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ২য় খণ্ড, রুপানুরাগ, ২৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কামোদ - দশকুশী॥ কাঞ্চন দরপণ, বরণ সুগোরা রে, বর বিধু জিনিয়া বয়ান। দুটি আঁখি নিমিখ, মুরখ বর বিধিরে, না দিলে অধিক নয়ান॥ হরি হরি কেন বা জনম হইল মোর। কনক মুকুর জিনি, গৌরাঙ্গ সুলাবণি, হেরিয়া না কেন হৈলাম ভোর॥ ধ্রু॥ আজানুলম্বিত ভুজ, বনমালা বিরাজিত, মালতী কুসুম-সুরঙ্গ। হেরি গোরা মূরতি, কতশত কুলবতী, হানত মদন-তরঙ্গ॥ অনুক্ষণ প্রেম ভরে, ও রাঙ্গা নয়ান ঝরে, না জানি কি জপে নিরবধি। বিষয়ে আবেশ মন, না হেরিনু অনুখন, বঞ্চিত করিল মোরে বিধি॥ নদীয়া নগরী, সেহো ভেল ব্রজপুরী, প্রিয় গদাধর বাম পাশ। মোহে নাথ অঙ্গী করু, বাঞ্ছা কলপতরু, কহে দীন নরোত্তম দাস॥ এই পদটি ১৯৩৭-৫৩ খৃষ্টাব্দের সময়কালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৪র্থ খণ্ড, ৪৫০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কামোদ - বড় দশকুশী॥ কাঞ্চন দরপণ বরণ সুগোরা রে বর বিধু জিনিয়া বয়ান। দুটি আঁখি নিমিখ মুরুখ বড় বিধি রে নাহি দিল অধিক নয়ান॥ হরি হরি কেনে বা জনম হৈল মোর। কনক মুকুর জিনি গোরা-অঙ্গ সুবলনী হেরিয়া না কেনে হৈলাম ভোর॥ ধ্রু॥ আজানুলম্বিত ভুজ বনমালা বিরাজিত মালতী-কুসুম সুরঙ্গ। হেরি গোরা-মূরতি কত শত কুলবতী হালত মদন-তরঙ্গ॥ অনুখণ প্রেম-ভরে ও রাঙ্গা নয়ন ঝরে না জানি কি জপে নিরবধি। বিষয়ে আবেশ মন না ভজিলুঁ সে চরণ বঞ্চিত করিল মোরে বিধি॥ নদীয়া নগরী সেহ ভেল ব্রজপুরী প্রিয় গদাধর বাম পাশ। মোহে নাথ অঙ্গীকরু বাঞ্ছা-কলপতরু কহে দীন নরোত্তম দাস॥ . *********** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| নিতাই পদ কমল কোটি চন্দ্র সুশীতল কবি নরোত্তম দাস এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের (১৯২৩ সাল) ৩য় খণ্ড, ৪র্থ শাখা, ২০শ পল্লব, শ্রীনিত্যানন্দের গুণ- বর্ণন, ২৩২৩-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানশী॥ নিতাই-পদ-কমল কোটি-চন্দ্র-সুশীতল যার ছায়ায় জগত জুড়ায়। হেন নিতাই বিনে ভাই রাধাকৃষ্ণ পাইতে নাই দঢ় করি ধর নিতাইর পায়॥ সে সম্বন্ধ নাহি যার বৃথাই জনম তার কি করিবে বিদ্যা কুলে তার। মজিয়া সংসার-সুখে নিতাই না বলিল মুখে সেই পাপী অধম সভার॥ অহঙ্কারে মত্ত হৈয়া নিতাই-পদ পাসরিয়া অসত্যেকে সত্য করি মানে। এ ভব সংসার মাঝে নিতাইচাঁদ যে না ভজে তার জন্ম হৈল অকারণে॥ নিতাইচাঁদের দয়া হবে ব্রজে রাধাকৃষ্ণ পাবে কর রাঙ্গা চরণের আশ। নরোত্তম বড় দুখী নিতাই মোরে কর সুখী রাখ রাঙ্গা চরণের পাশ॥ এই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ২৪২৭-পদসংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো। ॥ ধানশী॥ নিতাই-পদ-কমল কোটি-চন্দ্র-সুশীতল যার ছায়ায় জগত জুড়ায়। হেন নিতাই বিনে ভাই রাধাকৃষ্ণ পাইতে নাই দড় করি ধর নিতাইর পায়॥ সে সম্বন্ধ নাহি যার বৃথাই জীবন তার কি করিবে বিদ্যা কুলে তার। মজিয়া সংসার-সুখে নিতাই না বলিল মুখে সেই পাপী অধম সভার॥ অহঙ্কারে মত্ত হৈয়া নিতাই-পদ পাসরিয়া অসত্যেকে সত্য করি মানে। এ ভব সংসার মাঝে নিতাইচাঁদ যে না ভজে তার জন্ম হৈল অকারণে॥ নিতাইচাঁদের দয়া হবে ব্রজে রাধাকৃষ্ণ পাবে কর রাঙ্গা চরণের আশ। নরোত্তম বড় দুখী নিতাই মোরে কর সুখী রাখ রাঙ্গা চরণের পাশ॥ এই পদটি ১৮০৭ সালে প্রকাশিত, কমলাকান্ত দাস সংকলিত “পদরত্নাকর” পুথির ৪৩।৫০-পদ- সংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা- পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো। ॥ ধানশী॥ নিতাই-পদ-কমল কোটি-চন্দ্র-সুশীতল যার ছায়ায় জগত জুড়ায়। হেন নিতাই বিনে ভাই রাধাকৃষ্ণ পাইতে নাই দড়াইয়া ধর নিতাইর পায়॥ হেন মন নাহি যার যাউ সেই ছারে খার বৃথা কুলে কি করিব তার। মজিয়া সংসার-কূপে নিতাই না বলিল মুখে সেই বপু বড় দুরাচার॥ অহঙ্কারে মত্ত হৈয়া নিতাই-পদ পাসরিয়া অসত্যেকে সত্য করি মানি। ব্রজে রাধাকৃষ্ণ পাবে চৈতন্য-করুণা হবে ভজ নিতাইর চরণ দুখানি॥ নিতাই-চরণ সত্য তাহার সেবক নিত্য তাহে মন সদা কর আশ। নরোত্তম বড় দুখী নিতাই মোরে কর সুখী রাখ রাঙ্গা চরণের পাশ॥ এই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত, হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ৩০৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। নিতাই পদকমল, কোটিচন্দ্র সুশীতল, যে ছায়ায় জীবন জুড়ায়। হেন নিতাই বিনে ভাই, রাধাকৃষ্ণ পাইতে নাই, দঢ়করি ধর নিতাইর পায়॥ সে সম্বন্ধ নাহি যার, বৃথা জন্ম গেল তার, সেই পশু বড় দুরাচার। নিতাই না বলিল মুখে, মজিয়া সংসার সুখে, বিদ্যা কুলে কি করিবে তার॥ অহঙ্কারে মত্ত হৈঞা, নিতাইপদ পাশরিয়া, অসত্যেরে সত্য করি মানি। নিতায়ের করুণা হবে, ব্রজে রাধাকৃষ্ণ পাবে, ধর নিতাইয়ের চরণ দুখানি॥ নিতাইয়ের চরণ সত্য, তাহার সেবক নিত্য, নিতাইপদ সদা করে আশ। নরোত্তম বড় দুখী, নিতাই মোরে কর সুখী, রাখ রাঙ্গা চরণের পাশ॥ এই পদটি ১৯০২ সালে রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ১২১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানশী॥ নিতাই পদ কমল, কোটি চন্দ্র সুশীতল, যার ছায়ায় জগত জুড়ায়। হেন নিতাই বিনে ভাই, রাধাকৃষ্ণ পাইতে নাই, দঢ় করি ধর নিতাইর পায়॥ সে সম্বন্ধ নাহি যার, বৃথাই জনম তার, কি করিবে বিদ্যাকুলে তার। নিতাই না বলিল মুখে, মজিয়া সংসার সুখে, সেই পাপী অধম সভার॥ অহঙ্কারে মত্ত হৈয়া, নিতাই পদ পাসরিয়া, অসত্যেকে সত্য করি মানে। এ ভব সংসার মাঝে, নিতাই চাঁদে যে না ভজে, তার জন্ম হৈল অকারণে॥ নিতাই চাঁদের দয়া হবে, ব্রজে রাধাকৃষ্ণ পাবে, কর রাঙ্গা চরণের আশ। নরোত্তম বড় দুখী, নিতাই মোরে কর সুখী, রাখি রাঙ্গা চরণের পাশ॥ এই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৩৯৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। নিতাই পদকমল, কোটিচন্দ্র সুশীতল, যার ছায়ায় জীবন জুড়ায়। হেন নিতাই বিনে ভাই, রাধাকৃষ্ণ পাইতে নাই, দঢ় করি ধর নিতাইয়ের পায়॥ সে সম্বন্ধ নাহি যার, বৃথা জন্ম গেল তার, সেই পশু বড় দুরাচার। নিতাই না বলিল মুখে, মজিল সংসার সুখে, বিদ্যা কুলে কি করিবে তায়॥ অহঙ্কারে মত্ত হৈয়া, নিতাই পদ পাশরিয়া, অসত্যেরে সত্য করি মানি। নিতাইয়ের করুণা হবে, ব্রজে রাধাকৃষ্ণ পাবে, ধর নিতাইয়ের চরণ দুখানি॥ নিতাইয়ের চরণ সত্য, তাহার সেবক নিত্য, নিতাইপদ সদা কর আশ। নরোত্তম বড় দুখী, নিতাই মোরে কর সুখী, রাখ রাঙ্গা চরণের পাশ॥ এই পদটি ১৯১৪ সালে সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৭৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানশী॥ নিতাই পদ কমল, কোটি চন্দ্র সুশীতল, যার ছায়ায় জগত জুড়ায়। হেন নিতাই বিনে ভাই, রাধাকৃষ্ণ পাইতে নাই, দঢ় করি ধর নিতাইর পায়॥ সে সম্বন্ধ নাহি যার, বৃথাই জনম তার, কি করিবে বিদ্যাকুলে তার। নিতাই না বলিল মুখে, মজিয়া সংসার সুখে, সেই পাপী অধম সভার॥ অহঙ্কারে মত্ত হৈয়া, নিতাই পদ পাসরিয়া, অসত্যেকে সত্য করি মানে। এ ভব সংসার মাঝে, নিতাই চাঁদে যে না ভজে, তার জন্ম হৈল অকারণে॥ নিতাই চাঁদের দয়া হবে, ব্রজে রাধাকৃষ্ণ পাবে, কর রাঙ্গা চরণের আশ। নরোত্তম বড় দুখী, নিতাই মোরে কর সুখী, রাখি রাঙ্গা চরণের পাশ॥ এই পদটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত, হরিলাল চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীপদরত্ন-মালা”, ১৯৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। প্রার্থনা ও নিবেদন। ॥ ধানশী॥ নিতাই পদ কমল কোটি চন্দ্র সুশীতল যার ছায়ায় জগত জুড়ায়। হেন নিতাই বিনে ভাই রাধাকৃষ্ণ পাইতে নাই দঢ় করি ধর নিতাইয়ের পায়॥ সে সম্বন্ধ নাহি যার বৃথাই জনম তার কি করিবে বিদ্যা কুলে তার। মজিয়া সংসার সুখে নিতাই না বলিল মুখে সেই পাপী অধম সবার॥ অহঙ্কারে মত্ত হৈয়া নিতাই-পদ পাশরিয়া অসত্যেরে সত্য করি মানে। এ ভব সংসার মাঝে নিতাই চাঁদ যে না ভজে তার জন্ম হৈল অকারণে॥ নিতাইয়ের দয়া হবে ব্রজে রাধাকৃষ্ণ পাবে কর রাঙ্গা চরণের আশ। নরোত্তম বড় দুখী নিতাই মোরে কর সুখী রাখি রাঙ্গা চরণের পাশ॥ এই পদটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত, কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, ”কীর্ত্তন-পদাবলী”, ৩০২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। নিতাই পদকমল, কোটিচন্দ্র সুশীতল, যার ছায়ায় জীবন জুড়ায়। হেননিতাই বিনে ভাই, রাধাকৃষ্ণ পাইতে নাই, দঢ় করি ধর নিতাইয়ের পায়॥ সে সম্বন্ধ নাহি যার, বৃথা জন্ম গেল তার, সেই পশু বড় দুরাচার। নিতাই না বলিল মুখে, মজিল সংসার সুখে, বিদ্যা কুলে কি করিবে তার। অহঙ্কারে মত্ত হৈঞা, নিতাইপদ পাসরিয়া, অসত্যেরে সত্য করি মানি। নিতাইয়ের করুণা হবে, ব্রজে রাধাকৃষ্ণ পাবে, ধর নিতাইয়ের চরণ দুখানি॥ নিতাইয়ের চরণ সত্য, তাহার সেবক নিত্য, নিতাইপদ সদা কর আশ। নরোত্তম বড়দুখী, নিতাই মোরে কর সুখী, রাখ রাঙা চরণের পাশ॥ এই পদটি শ্রীগৌড়ীয় মঠ থেকে, ভাদ্র ১৩৩৩ থেকে মাঘ ১৩৩৩ বঙ্গাব্দ সময়কালে (সেপ্টেম্বর ১৯২৬ - ফেব্রুয়ারী ১৯২৬ খৃষ্টাব্দ) প্রকাশিত “গৌড়ায়” পত্রিকার ১৩শ সংখ্যা, ৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। প্রার্থনা-বিবৃতি নিতাই-পদ কমল, কোটি-চন্দ্র-সুশীতল, যে ছায়ায় জগত জুড়ায়। হেন নিতাই বিনে ভাই, রাধাকৃষ্ণ পাইতে নাই, দৃঢ় করি ধর নিতাইর পায়॥ সে সম্বন্ধ নাহি যার, বৃথা জন্ম গেল তার, সেই পশু বড় দুরাচার। নিতাই না বলিল মুখে, মজিল সংসার-সুখে, বিদ্যাকুলে কি করিবে তার। অহঙ্কারে মত্ত হৈঞা, নিতাই-পদ পাসরিয়া, অসত্যেরে সত্য করি মানি। নিতাইর করুণা হবে, ব্রজে রাধাকৃষ্ণ পাবে, ধর নিতাইর চরণ-দুখানি॥ নিতাইর চরণ সত্য, তাঁহার সেবক নিত্য, নিতাই-পদ সদা কর আশ। নরোত্তম বড় দুঃখী, নিতাই মোরে কর সুখী, রাখ রাঙ্গা-চরণের পাশ॥ এই পদটি ১৯৩০ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী নিত্যস্বরূপ সম্পাদিত, “শ্রীহরি সাধক-কণ্ঠহার”, ১৮৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। প্রার্থনা। মনঃশিক্ষা। নিতাই পদকমল, কোটি চন্দ্র সুশীতল, যে ছায়ায় জীবন জুড়ায়। হেন নিতাই বিনে ভাই, রাধাকৃষ্ণ পাইতে নাই, দৃঢ় করি ধর নিতাইয়ের পায়॥ সে সম্বন্ধ নাহি যার, বৃথা জন্ম গেল তার, সেই পশু বড় দুরাচার। নিতাই না বলিল মুখে, মজিল সংসার সুখে, বিদ্যাকুলে কি করিবে তার॥ অহঙ্কারে মত্ত হৈঞা, নিতাই পদ পাসরিয়া, অসত্যেরে সত্য করি মানি। নিতাইয়ের করুণা হবে, ব্রজে রাধাকৃষ্ণ পাবে, ধর নিতাইয়ের চরণ দুখানি॥ নিতাইয়ের চরণ সত্য, তাঁহার সেবক নিত্য, নিতাইপদ সদা কর আশ। নরোত্তম বড় দুঃখী, নিতাই মোরে কর সুখী, রাখ রাঙ্গাচরণের পাশ॥ এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন ”শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ২৭৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানশী॥ @@@ @@ @@@ কোটি চন্দ্র সুশীতল যার ছায়ায় জগত জুড়ায়। হেন নিতাই বিনে ভাই রাধাকৃষ্ণ পাইতে নাই দঢ় করি ধর নিতাইর পায়॥ সে সম্বন্ধ নাহি যার বৃথাই জনম তার কি করিবে বিদ্যাকুলে তার। মজিয়া সংসার সুখে নিতাই না বলিল মুখে সেই পাপী অধম সভার॥ অহঙ্কারে মত্ত হৈয়া নিতাই পদ পাসরিয়া অসত্যেকে সত্য করি মানে। এ ভবসংসার মাঝে নিতাইচাঁদে যে না ভজে তার জন্ম হৈল অকারণে॥ নিতাইর দয়া হবে ব্রজে রাধাকৃষ্ণ পাবে কর রাঙ্গা চরণের আশ। নরোত্তম বড় দুখী নিতাই মোরে কর সুখী রাখি রাঙ্গাচরণের পাশ॥ @ - অপাঠ্য অক্ষর। এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৫৪৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। প্রার্থনা ॥ ধানশী॥ নিতাই পদকমল কোটি চন্দ্র সুশীতল যার ছায়ায় জগত জুড়ায়। হেন নিতাই বিনে ভাই রাধাকৃষ্ণ পাইতে নাই দৃঢ় করি ধর নিতাইর পায়॥ সে সম্বন্ধ নাহি যার বৃথাই জনম তার কি করিবে বিদ্যাকুলে তার। মজিয়া সংসারসুখে নিতাই না বলিল মুখে সেই পাপী অধম সভার॥ অহঙ্কারে মত্ত হৈয়া নিতাই পদ পাসরিয়া অসত্যেকে সত্য করি মানে। এ ভবসংসার মাঝে নিতাইচাঁদ যে না ভজে তার জন্ম হৈল অকারণে॥ নিতাইর দয়া হবে ব্রজে রাধাকৃষ্ণ পাবে কর রাঙ্গা চরণের আশ। নরোত্তম বড় দুখী নিতাই মোরে কর সুখী রাখ রাঙ্গাচরণের পাশ॥ এই পদটি ১৯৩৭-৫৩ খৃষ্টাব্দের সময়কালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৩য় খণ্ড, প্রার্থনা, ৭০৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানশ্রী - যোত সমতাল॥ নিতাই পদ-কমল, কোটী চন্দ্র সুশীতল, যার ছায় জীবন জুড়ায়। হেন নিতাই বিনে ভাই রাধাকৃষ্ণ পাইতে নাই, দঢ় করি ধর নিতাইর পায়॥ সে সম্বন্ধ নাহি যার বৃথা জন্ম গেল তার, কি করিবে বিদ্যা কুলে তার। নিতাই না বলিল মুখে, মজিল সংসার সুখে, সেই পশু বড় দুরাচার॥ অহঙ্কারে মত্ত হৈয়া, নিতাই পদ পাসরিয়া, অসত্যেরে সত্য করি মানে। নিতাইয়ের করুণা হবে, ব্রজে রাধাকৃষ্ণ পাবে, ধর নিতাইয়ের চরণ দুখানি॥ নিতাইয়ের চরণ সত্য, তাহার সেবক নিত্য, নিতাই পদ সদা কর আশ। নরোত্তম বড় দুখী, নিতাই মোরে কর সুখী, রাখ রাঙ্গা চরণের পাশ॥ এই পদটি ১৯৩৭-৫৩ খৃষ্টাব্দের সময়কালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৪র্থ খণ্ড, ৪৮৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কামোদ - বড় দশকুশী॥ নিতাই পদ কমল কোটীচন্দ্র সুশীতল যার ছায় জগত জুড়ায়। হেন নিতাই বিনে ভাই রাধাকৃষ্ণ পাইতে নাই, দঢ় করি ধর নিতাইর পায়॥ সে সম্বন্ধ নাহি যার বৃথাই জনম তার, কি করিবে বিদ্যা কুলে তার। মজিল সংসার সুখে, নিতাই না বলিল মুখে সেই পাপী অধম সভার॥ অহঙ্কারে মত্ত হৈয়া নিতাই পদ পাসরিয়া অসত্যকে সত্য করি মানে। এ ভব সংসার মাঝে নিতাই-চাঁদ যে না ভজে তার জন্ম হৈল অকারণে॥ নিতাই-চাঁদের দয়া হবে ব্রজে রাধাকৃষ্ণ পাবে কর রাঙ্গা চরণের আশ॥ নরোত্তম বড় দুখী নিতাই মোরে কর সুখী রাখ রাঙ্গা চরণের পাশ॥ এই পদটি ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত, দুর্গাচরণ বিশ্বাস সংগৃহীত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “কীর্ত্তন-পদাবলী”, ১৭৩-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। প্রার্থনা নিতাই পদ কমল কোটি চন্দ্র সুশীতল যার ছায়ায় জগত জুড়ায়। হেন নিতাই বিনে ভাই রাধাকৃষ্ণ পাইতে নাই দৃঢ় করি ধর নিতাইয়ের পায়॥ সে সম্বন্ধ নাহি যার বৃথাই জনম তার কি করিবে বিদ্যা কুলে তার। মজিয়া সংসার সুখে নিতাই না বলিল মুখে সেই পাপী অধম সবার॥ অহঙ্কারে মত্ত হৈয়া নিতাই পদ পাশরিয়া অসত্যের সত্যবলি মানে। এ ভব সংসার মাঝে নিতাই চাঁদ যে না ভজে তার জনন হৈল অকারণে॥ নিতাইয়ের দয়া হবে ব্রজে রাধাকৃষ্ণ পাবে কর রাঙ্গা চরণের আশ। নরোত্তম বড় দুঃখী নিতাই মোরে কর সুখী রাখি রাঙ্গা চরণের পাশ॥ এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী", ২৯৪-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। নিতাই পদকমল কোটি চন্দ্র সুশীতল যার ছায়ায় জগত জুড়ায়। হেন নিতাই বিনে ভাই রাধাকৃষ্ণ পাইতে নাই দৃঢ় করি ধর নিতাইর পায়॥ সে সম্বন্ধ নাহি যার বৃথাই জনম তার কি করিবে বিদ্যাকুলে তার। মজিয়া সংসারসুখে নিতাই না বলিল মুখে সেই পাপী অধম সভার॥ অহঙ্কারে মত্ত হৈয়া নিতাই পদ পাসরিয়া অসত্যেকে সত্য করি মানে। এ ভবসংসার মাঝে নিতাইচাঁদ যে না ভজে তার জন্ম হৈল অকারণে॥ নিতাইর দয়া হবে ব্রজে রাধাকৃষ্ণ পাবে কর রাঙ্গা চরণের আশ। নরোত্তম বড় দুখী নিতাই মোরে কর সুখী রাখ রাঙ্গাচরণের পাশ॥ . *********** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| এক ব্রজ-নারী কাখে কুম্ভ করি কবি নরোত্তম দাস এই পদটি আনুমানিক ১৯২৬ সালে, সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত “অপ্রকাশিত পদরত্নাবলী” গ্রন্থের ১০২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। এটি উনিশ শতকে প্রকাশিত নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির পদ। শ্রীকৃষ্ণের পূর্ব্ব-রাগ ॥ বালা ধানশী॥ এক ব্রজ-নারী কাখে কুম্ভ করি দেখিলু যমুনা যাত্যে। তার রূপ-সীমা কি দিব উপমা বিজুরী পড়িছে পথে॥ মাঝা অতি খীণ ঈষত হিলন নূপুর শোভিছে পায়। আমা পানে চায়্যা ঈষত হাসিয়া পড়ল সখীর গায়॥ সেই হৈতে মন নহে সম্বরণ কি জানি কি কৈল মোরে। ভুরু-কাম-ধনু দিয়া প্রেম-গুণ বিন্ধিল নয়ন-শরে॥ যাহ যাহ দূতি যথা রসবতী বিলম্ব না সহে তোরে। শুনল সুন্দরি নবীন কিশোরী আনিয়া মিলাহ মোরে॥ আমার বচনে ধরিয়া চরণে লইয়া আমার নাম। কহিতে কহিতে রাই উঠে চিতে অমনি পড়ল শ্যাম॥ শ্যামের আরতি লৈয়া গেলা দূতী বসিলা রঙ্গিণী-পাশ। সে সব বচন করে নিবেদন কহে নরোত্তম দাস॥ . *********** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| কালা-কলেবর কাম-কুসুম-শর কবি নরোত্তম দাস এই পদটি আনুমানিক ১৯২৬ সালে, সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত “অপ্রকাশিত পদরত্নাবলী” গ্রন্থের ১০২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। এই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির পদ। শ্রীরাধার রূপোল্লাস ॥ ধানশী॥ কালা-কলেবর কাম-কুসুম-শর হানিয়েছে মরম-সন্ধানে। কিবা মোহিনী দিয়া কিরুপে বান্ধল হিয়া সেই হৈতে আন না লয় মনে॥ কিবা সে চূড়ার ছাঁদ উপরে উদিত চাঁদ একই কালে কত চাঁদ সাজে। দিঠি মোর পরশিতে ও হাসি অলখিতে শেল রহল হিয়া মাঝে॥ ঘরে মোর গুরু-জন সদা বলে কুবচন আর দুখ না যায় সহনে। দো-কুলে কলঙ্ক হয় আর কত প্রাণে সয় মরিব এহি সে অনুমানে॥ নরোত্তম দাসের বাণী শুন ভানু-নন্দিনী তাহে তুমি না ভাবিহ আন। প্রেমের পসরা লৈয়া কালা-কানু ভেট গিয়া পূরব মনোরথ-কাম॥ . *********** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| ঘন-শ্যাম অহে প্রাণ কবি নরোত্তম দাস এই পদটি আনুমানিক ১৯২৬ সালে, সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত “অপ্রকাশিত পদরত্নাবলী” গ্রন্থের ১০৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। এটি উনিশ শতকে প্রকাশিত কমলাকান্ত দাস সংকলিত “পদরত্নাকর” পুথির পদ। মাথুর-বিরহ পঠমঞ্জরী ঘন-শ্যাম অহে প্রাণ @@@@@@@ আমি তোমা পাসরিতে নারি। তোমার বদন-শশী অমিয়া-মধুর হাসি তিল আধ না দেখিলে মরি॥ ধ্রু॥ তোমার নামের আদি হৃদয়ে লিখিতুঁ যদি তবে তোমা দেখিতুঁ সদাই। কেনে বুকে না লিখুলুঁ ঝুরিয়া ঝুরিয়া মৈলুঁ তেঞি তোমা দেখিতে না পাই॥ পরম গুণের নিধি হরিয়া নিলেক বিধি কি করিব কি হবে উপায়। @@@@@@@@ @@@@@ তবে মোর পরাণ জুড়ায়॥ পরম @@নী তুমি তোমারে ল@@ @@ মনে মোর কিছু নাহি ভয়। যে কিছু মনের সাধ বিধাতা করিল @@ নরোত্তম জীবন @@@॥ @ - অপাঠ্য অক্ষর। . *********** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |