| কবি নরোত্তম দাস-এর পদাবলী |
| কুসুম আসন হেরি বামে কিশোরী গোরী কুসুম আসনে হরি বামে কিশোরী গোরি কবি নরোত্তম দাস এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল) ২য় খণ্ড, ৩য় শাখা, ২৪শ পল্লব, শরত্কালীয় মহারাস, ১২৭৫-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কামোদ॥ কুসুম-আসন হেরি বামে কিশোরি গোরি বৈঠল কুঞ্জ-কুটীরে। চিবুকে দক্ষিণ কর ধরি প্রিয় গিরিধর মুখানি নিছিয়া লেই শিরে॥ দেখ সখি অপরূপ ছান্দে। প্রেম-জলধি মাঝে ডূবল দুহুঁ জন মনমথ পড়ি গেও ফান্দে॥ রতন পালঙ্ক পর শেজ বিরাজিত শূতল যুগল কিশোর। স্মের মধুর মুখ- পঙ্কজ মনোহর মরকত কাঞ্চন জোর॥ প্রিয় নর্ম্ম সহচরি বীজন করে ধরি বীজই মারুত মন্দ। শ্রম-জল সকল কলেবর মীটল হেরই পরম আনন্দ॥ নরোত্তম দাস আশ পদ-পঙ্কজ- সেবন-মধুরিম-পানে। নিজ নিজ কুঞ্জে নিন্দ গেও সখিগণ প্রিয়জন সেবই বিধানে॥ এই পদটি উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, দ্বিজ মাধব সংকলিত, ১৯৮২ সালে প্রকাশিত, বিশ্বভারতীর গ্রন্থশালায় রক্ষিত, ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, ২৩৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কামোদ রাগ তাল পরিমিত॥ কুসুম আসনে হরি বামে কিশোরী গোরি বৈঠল কুঞ্জকুটিরে। চিকুরে দক্ষিণ কর ধরি প্রিয় গিরিধর মুখানি নিছিয়া লেয় শিরে॥ দেখ সখি অপরূপ ছান্দে। প্রেম জলধি মাহা ডুবল দুহু জন মন্মথ পড়ি গেও ফান্দে॥ রতন পালঙ্কপর সেজ বিরাজিত সুতল যুগলকিশোর। স্মের মধুর মুখ পঙ্কজ মনোহর মরকত কাঞ্চন জোড়॥ প্রিয় নর্ম সহচরী চামর করে ধরি বিজই মারুত মন্দ। শ্রমজল সকল কলেবর মিটল হেরই পরম আনন্দ॥ নরোত্তম দাস আশ পদপঙ্কজ সেবল মধুরিম পানে। নিজনিজ কুঞ্জে নিন্দ গেও সখীগণ প্রিয়জন সেবল বিধানে॥ এই পদটি ১৯০২ সালে রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কামোদ॥ কুসুম আসন হেরি, বামে কিশোরী গোরী, বৈঠল কুঞ্জ কুটীরে। চিবুকে দক্ষিণ কর, ধরি প্রিয় গিরিধর, মুখানি নিছিয়া লেই শিরে॥ দেখ সখি, অপরূপ ছান্দে। প্রেম জলধি মাঝে, ডুবল দুহুঁ জন, মনমথ পড়ি গেও ফাঁদে॥ রতন পালঙ্ক পর, শেজ বিরাজিত, শুতল যুগল কিশোর। স্মের মধুর মুখ, পঙ্কজ মনোহর, মরকত কাঞ্চন যোড়॥ প্রিয় মর্ম্ম সহচরী, বীজন করে ধরি, বীজই মারুত মন্দ। শ্রম জল সকল, কলেবর মীটল, হেরই পরম আনন্দ॥ নরোত্তম দাস আশ, দুহুঁ পদ পঙ্কজ, সেবন মধুরিম পানে। নিজ নিজ কুঞ্জে, নিন্দ গেও সখীগণ, প্রিয়জন সেবই বিধানে॥ এই পদটি ১৯১৪ সালে সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কামোদ॥ কুসুম আসন হেরি, বামে কিশোরী গোরী, বৈঠল কুঞ্জ কুটীরে। চিবুকে দক্ষিণ কর, ধরি প্রিয় গিরিধর, মুখানি নিছিয়া লেই শিরে॥ দেখ সখি, অপরূপ ছান্দে। প্রেম জলধি মাঝে, ডুবল দুহুঁ জন, মনমথ পড়ি গেও ফাঁদে॥ রতন পালঙ্ক পর, শেজ বিরাজিত, শুতল যুগল কিশোর। স্মের মধুর মুখ, পঙ্কজ মনোহর, মরকত কাঞ্চন যোড়॥ প্রিয় মর্ম্ম সহচরী, বীজন করে ধরি, বীজই মারুত মন্দ। শ্রম জল সকল, কলেবর মীটল, হেরই পরম আনন্দ॥ নরোত্তম দাস আশ, দুহুঁ পদ পঙ্কজ, সেবন মধুরিম পানে। নিজ নিজ কুঞ্জে, নিন্দ গেও সখীগণ, প্রিয়জন সেবই বিধানে॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৫৫৬-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। শরত্কালীয় মহারাস ॥ কামোদ॥ কুসুম আসন হেরি বামে কিশোরি গোরি বৈঠল কুঞ্জকুটীরে। চিবুকে দক্ষিণ কর ধরি প্রিয় গিরিধর মুখানি নিছিয়া লেই শিরে॥ দেখ সখি অপরূপ ছান্দে। প্রেমজলধি মাঝে ডূবল দুহুঁ জন মনমথ পড়ি গেল ফান্দে॥ রতন পালঙ্ক পর শেজ বিরাজিত শূতল যুগল কিশোর। স্মের মধুর মুখ- পঙ্কজ মনোহর মরকত কাঞ্চন জোড়॥ প্রিয় নর্ম্মসহচরি বীজন করে ধরি বীজই মারুত মন্দ। শ্রমজল সকল কলেবর মীটল হেরই পরম আনন্দ॥ নরোত্তম দাস আশ পদ-পঙ্কজ সেবন মধুরিমপানে। নিজ নিজ কুঞ্জে নিন্দ গেও সখিগণ প্রিয়জন সেবই বিধানে॥ এই পদটি ১৯৩৭-৫৩ খৃষ্টাব্দের সময়কালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৩য় খণ্ড, মহারাস, ৫৫৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কামোদ - দশকুশী॥ কুসুম আসন হেরি, বামে কিশোরি গোরী বৈঠল কুঞ্জ কুটীরে। চিবুকে দক্ষিণ কর, ধরি প্রিয় গিরিধর, মুখানি নিছিয়া লেই শিরে॥ দেখ সখি অপরূপ ছাঁন্দে। প্রেম জলধি মাঝে, ডুবল দুহুঁজন, মনমথ পড়ি গেল ফাঁন্দে॥ রতন পালঙ্ক পর, শেজ বিরাজিত, শূতল যুগল কিশোর। স্মের মধুর মুখ- পঙ্কজ মনোহর, মরকত কাঞ্চন জোর॥ প্রিয় নর্ম্ম সহচরী, বীজন করে ধরি, বীজই মারুত মন্দ। শ্রমজল সকল, কলেবর মীটল, হেরই পরম আনন্দ॥ নরোত্তম দাস, আশ পদ-পঙ্কজ, সেবন মধুরিম পানে। নিজ নিজ কুঞ্জে, নিন্দ গেও সখিগণ, প্রিয়জনে সেবই বিধানে॥ এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী", ২৮৯-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। কুসুম আসন হেরি বামে কিশোরি বৈঠল কুঞ্জকুটীরে। চিবুকে দক্ষিণ কর ধরি প্রিয় গিরিধর মুখানি নিছিয়া লেই শিরে॥ দেখ সখি অপরূপ ছান্দে। প্রেমজলধি মাঝে ডূবল দুহুঁ জন মনমথ পড়ি গেল ফান্দে॥ রতন পালঙ্ক পর শেজ বিরাজিত শূতল যুগল কিশোর। স্মের মধুর মুখ পঙ্কজ মনোহর মরকত কাঞ্চন জোড়॥ প্রিয় নর্ম্মসহচরি বীজন করে ধরি বীজই মারুত মন্দ। শ্রমজল সকল কলেবর মীটল হেরই পরম আনন্দ॥ নরোত্তম দাস আশ পদ পঙ্কজ সেবন মধুরিমপানে। নিজ নিজ কুঞ্জে নিন্দ গেও সখিগণ প্রিয়জন সেবই বিধানে॥ . *********** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| বৃন্দাবন রম্যস্থান কোটি চিন্তামণি ধাম বৃন্দাবন রম্যস্থান দিব্য চিন্তামণি ধাম কবি নরোত্তম দাস এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল) ২য় খণ্ড, ৩য় শাখা, ২৭শ পল্লব, বাসন্তী-রাস-লীলা প্রকারান্তর, ১৫২০-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ শ্রীরাগ॥ বৃন্দাবন রম্য স্থান কোটি-চিন্তামণি-ধাম রতন-মন্দির মনোহর। আনন্দে কালিন্দী-জলে রাজহংস কেলি করে কনক-কমল উতপল॥ তার মধ্যে হেম-পৃষ্ঠ অষ্টদলে বেষ্টিত অষ্ট সখী প্রধানা নায়িকা। তার মধ্যে রত্নাসন বসিলেন দুই জন শ্যাম গোরী সুন্দরী রাধিকা॥ ও রূপ লাবণ্য-রাশি অমিয়া পড়িছে খসি হাস পরিহাস সম্ভাষণে। নরোত্তম দাস কয় নিত্যানন্দ সুখময় সদাই সোঙরুক মোর মনে॥ এই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ২০৬৬-পদসংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো। ॥ কানড়া॥ বৃন্দাবন রম্য স্থান কোটি-চিন্তামণি-ধাম রতন-মন্দির মনোহর। আনন্দে কালিন্দী-জলে রাজহংস কেলি করে কনক-কমল উতপল॥ তার মধ্যে হেম-পৃষ্ঠ অষ্টদলে বেষ্টিত অষ্ট সখী প্রধানা নায়িকা। তার মধ্যে রত্নাসন বসিয়াছে দুই জন শ্যাম গোরী সুন্দরী রাধিকা॥ ও রূপ লাবণ্য-রাশি অমিয়া পড়িছে খসি হাস পরিহাস সম্ভাষণে। নরোত্তম দাস কয় নিত্যানন্দ সুখময় সদাই স্মরুক মোর মনে॥ এই পদটি ১৮০৭ সালে প্রকাশিত, কমলাকান্ত দাস সংকলিত পদরত্নাকর পুথির ৪৩।৪৮-পদ-সংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো। ॥ শ্রীরাগ॥ বৃন্দাবন রম্য স্থান কোটি-চিন্তামণি-ধাম রতন-মন্দির মনোহর। আনন্দে কালিন্দী-জলে রাজহংস কেলি করে কনক-কমল উতপল॥ তার মধ্যে অষ্ট প্রেষ্ঠ অষ্টদলে বেষ্টিত অষ্ট সখী প্রধানা নায়িকা। তার মধ্যে রম্যস্থানে বসিয়াছে দুই জনে শ্যাম গোরী সুন্দরী রাধিকা॥ সে রূপ লাবণ্য-রাশি অমিয়া পড়িছে খসি সহাস মধুর সম্ভাষণে। নরোত্তম দাস কয় নিত্যানন্দ সুখময় সদাই সোঙরুক মোর মনে॥ এই পদটি উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, দ্বিজ মাধব সংকলিত, ১৯৮২ সালে প্রকাশিত, বিশ্বভারতীর গ্রন্থশালায় রক্ষিত, ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, ২৫৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ রাগ তালো যথা॥ বৃন্দাবন রম্যস্থান কোটী চিন্তামণিধাম রতন মন্দির মনোহর। আনন্দে কালিন্দী জলে রাজহংস কেলি করে কনক কমল উত্পল॥ তার মধ্যে হেম পৃষ্ঠ অষ্টদলে বেষ্টিত অষ্ট সখী প্রধানা নায়িকা। তার মধ্যে রত্নাসন বসিয়াছে দুইজন শ্যাম গোরি সুন্দরী রাধিকা॥ ওরূপ লাবণ্যরাশি অমিয়া পড়িছে খসি হাস পরিহাস সম্ভাষণে। নরোত্তম দাস কয় নিত্যানন্দ সুখময় কৃপাকরি রাখহ চরণে॥ এই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত, হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ৩০৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। বৃন্দাবন রম্যস্থান, দিব্য চিন্তামণি ধাম, রতন মন্দির মনোহর। আবৃত কালিন্দী নীরে, রাজহংস কেলি করে, তাহে শোভে কনক কমল॥ তার মধ্যে হেম পীঠ, অষ্ট দলেতে বেষ্টিত, অষ্টদলে প্রধান নায়িকা। তার মধ্যে রত্নাসনে, বসি আছেন দুই জনে, শ্যাম সঙ্গে সুন্দরী রাধিকা॥ ওরূপ লাবণ্য রাশি, অমিয় পড়িছে খসি, হাস্য পরিহাস সম্ভাষণে। নরোত্তম দাস কয়, নিত্যলীলা সুখময়, সদাই স্ফুরুক মোর মনে॥ এই পদটি ১৯০২ সালে রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ১০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ শ্রীরাগ॥ বৃন্দাবন রম্যস্থান, দিব্য চিন্তামণি ধাম, রতন মন্দির মনোহর। আনন্দে কালিন্দী জলে, রাজহংস কেলি করে, কনক কমল উত্পল॥ তার মধ্যে হেম পীঠ, অষ্ট দলেতে বেষ্টিত, অষ্ট সখী প্রধানা নায়িকা। তার মধ্যে রত্নাসনে, বসি আছেন দুই জনে, শ্যাম সঙ্গে সুন্দরী রাধিকা॥ ও রূপ লাবণ্যরাশি, অমিয়া পড়িছে খসি, হাস্য পরিহাস সম্ভাষণে। নরোত্তম দাস কয়, নিত্য লীলা সুখময় ; সদাই সোঙরুক মোর মনে॥ এই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৩৯৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। বৃন্দাবন রম্যস্থান, দিব্য চিন্তামণি ধাম, রতন মন্দির মনোহর। আনন্দে কালিন্দী নীরে, রাজহংস কেলি করে, তা হে শোভে কনক কমল॥ তার মধ্যে হেম পীঠ, অষ্ট দলেতে বেষ্টিত, @ অষ্টদলে প্রধান নায়িকা। তার মধ্যে রত্নাসনে, বসি আছেন দুই জনে, শ্যাম সঙ্গে সুন্দরী রাধিকা॥ ওরূপ লাবণ্যরাশি, অমিয়া পড়িছে খসি, হাস্য পরিহাস সম্ভাষণে। নরোত্তম দাস কয়, নিত্যলীলা সুখময়, সদাই স্ফুরুক মোর মনে॥ @ - “অষ্ট দলেতে বেষ্টিত” - এই অংশটি অপাঠ্য। এই পদটি ১৯১৪ সালে সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ শ্রীরাগ॥ বৃন্দাবন রম্যস্থান, দিব্য চিন্তামণি ধাম, রতন মন্দির মনোহর। আনন্দে কালিন্দী-জলে, রাজহংস কেলি করে, কনক কমল উত্পল॥ তার মধ্যে হেম-পীঠ, অষ্ট দলেতে বেষ্টিত, অষ্ট সখী প্রধানা নায়িকা। তার মধ্যে রত্নাসনে, বসি আছেন দুই জনে, শ্যাম সঙ্গে সুন্দরী রাধিকা॥ ও রূপ লাবণ্যরাশি, অমিয়া পড়িছে খসি, হাস্য পরিহাস সম্ভাষণে। নরোত্তম দাস কয়, নিত্য লীলা সুখময় ; সদাই সোঙরুক মোর মনে॥ এই পদটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত, হরিলাল চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীপদরত্ন-মালা”, ২৬৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ শ্রীরাগ॥ বৃন্দাবন রম্য স্থান কোটি চিন্তামণি ধাম রতন মন্দির মনোহর। আনন্দে কালিন্দী জলে রাজহংস কেলি করে কনক কমল উতপল॥ তার মধ্যে হেম পীঠ অষ্টদল বেষ্টিত অষ্ট সখী প্রধানা নায়িকা। তার মধ্যে রত্নাসন বসিলেন দুই জন শ্যাম গৌরী সুন্দরী রাধিকা॥ ওরূপ লাবণ্য রাশি অমিয়া পড়িছে খসি হাস পরিহাস সম্ভাষণ। নরোত্তম দাস কয় নিত্যানন্দ রসময় সদাই সোঙরু মোর মনে॥ এই পদটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত, কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,”কীর্ত্তন-পদাবলী”, ৩০২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। বৃন্দাবন রম্যস্থান, দিব্য চিন্তামণি ধাম, রতন মন্দির মনোহর। আনন্দে কালিন্দীনীরে, রাজহংস কেলি করে, তাহে শোভে কনক কমল॥ তার মধ্যে হেমপীঠ, অষ্টদলেতে বেষ্টিত, অষ্টদলে প্রধান নায়িকা। মধ্যে রত্নাসনে, বসিআছেন দুই জনে, শ্যাম সঙ্গে সুন্দরী রাধিকা॥ ওরূপ লাবণ্য রাশি, অমিয়া পড়িছে খসি, হাস পরিহাস সম্ভাষণে। নরোত্তমদাস কয়, নিত্যলীলা সুখময়, সদাই স্ফুরুক মোর মনে॥ এই পদটি ১৯২৪ সালে প্রকাশিত, দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি”, ২৭২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। অভিসারিকা ॥ শ্রীরাগ॥ বৃন্দাবন রম্যস্থান কোটি চিন্তামণি ধাম রতন মন্দির মনোহর। আনন্দে কালিন্দী জলে রাজহংস কেলি করে কনক কমল উতপল॥ তার মধ্যে হেম পীঠ অষ্ট দলে বেষ্টিত অষ্ট সখী প্রধানা নায়িকা। তার মধ্যে রত্নাসনে বসিয়াছে দুই জনে শ্যাম সঙ্গে সুন্দর রাধিকা॥ ও রূপ লাবণ্যরাশি অমিয়া পড়িছে খসি হাস পরিহাস সম্ভাষণে। নরোত্তম দাস কয় নিত্যানন্দ রসময় সদাই স্মরুক মোর মনে॥ এই পদটি ১৯৩০ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী নিত্যস্বরূপ সম্পাদিত, “শ্রীহরি সাধক-কণ্ঠহার”, ২৪৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। বৃন্দাবন রম্যস্থান, দিব্য চিন্তামণি ধাম, রতন মন্দির মনোহর। আনন্দে কালিন্দী নীরে, রাজহংস কেলি করে, তাহে শোভে কনক কমল॥ তার মধ্যে হেমপীঠ, অষ্টদলেতে বেষ্টিত, অষ্টদলে প্রধানা নায়িকা। তার মধ্যে রত্নাসনে, বসি আছেন দুইজনে, শ্যাম সঙ্গে সুন্দরী রাধিকা॥ ওরূপ লাবণ্যরাশি, অমিয় পড়িছে খসি, হাস্য পরিহাস সম্ভাষণে। নরোত্তমদাস কয়, নিত্যলীলা সুখময়, সদাই স্ফুরুক মোর মনে॥ এই পদটি ১৯৩৭-৫৩ খৃষ্টাব্দের সময়কালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ২য় খণ্ড, অভিসারোত্কণ্ঠা, ১৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ করুণ বরাড়ি - মধ্যম একতালা॥ বৃন্দাবন রম্য স্থান, দিব্য চিন্তামণি-ধাম, রতন মন্দির মনোহর। আনন্দে কালিন্দী জলে, রাজহংস কেলি করে, কনক কমল উতপল॥ তার মধ্যে হেম পীঠ, অষ্ট দলে বেষ্টিত, অষ্ট সখী প্রধানা নায়িকা। মধ্যে রত্না সিংহাসনে, বসিয়াছে দুই জনে, শ্যাম সঙ্গে সুন্দরী রাধিকা॥ ওরূপ লাবণ্য রাশি, অমিয়া পড়িছে খসি, হাস পরিহাস সম্ভাষণে। নরোত্তম দাস কয়, নিত্য লীলা সুখময়, সদাই স্ফুরুক মোর মনে॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৫৫৭-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। বাসন্ত-রাস-লীলা প্রকারান্তর ॥ শ্রীরাগ॥ বৃন্দাবন রম্য স্থান কোটি চিন্তামণি-ধাম রতনমন্দির মনোহর। আনন্দে কালিন্দীজলে রাজহংস কেলি করে কনককমল উতপল॥ তার মধ্যে হেমপীঠ অষ্টদলে বেষ্টিত অষ্ট সখী প্রধানা নায়িকা। তার মধ্যে রত্নাসন বসিলেন দুই জন শ্যাম গোরী সুন্দরী রাধিকা॥ ও রূপ লাবণ্যরাশি অমিয়া পড়িছে খসি হাস পরিহাস সম্ভাষণে। নরোত্তম দাস কয় নিত্যানন্দ সুখময় সদাই সোঙরুক মোর মনে॥ . *********** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| রাই কানু পিরীতির বালাই লৈয়া মরি কবি নরোত্তম দাস এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল) ২য় খণ্ড, ৩য় শাখা, ৪র্থ পল্লব, স্বয়ং-দৌত্য-সম্ভোগ, ৬৫৩-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বিহাগড়া॥ রাই-কানু-পিরিতির বালাই লৈয়া মরি। ক্ষণে করে আলিঙ্গন ক্ষণে মুখ চুম্বন ক্ষণে রাখে হিয়ার উপরি॥ আউলায়্যা চাঁচর কেশ করে বহুবিধ বেশ সিন্দুর চন্দন দেই ভালে। মুখচাঁদে দেখি ঘাম আকুল হইয়া শ্যাম মোছায়ই বসন-অঞ্চলে॥ দাসীগণ-করে হৈতে চামর লইয়া হাতে আপনে করয়ে মৃদু বায়। দেখি রাই-মুখ-শশী সুধা ঝরে রাশি রাশি হেরি নাগর অনিমিখে চায়॥ ঐছন আরতি দেখি রাইয়ের সজল আঁখি বাহু পসারিয়া করে কোরে। দুহুঁ হিয়ায় দুহুঁ রাখি দুহুঁ চুম্বে মুখ-শশী দুহুঁ-প্রেমে দুহুঁ ভেল ভোরে॥ নিকুঞ্জ-মন্দির মাঝে শুতল কুসুম-শেজে দোহেঁ দোঁহা বান্ধি ভুজ-পাশে। আর যত সখীগণ সভে করে নিরীক্ষণ দূরে রহুঁ নরোত্তম দাসে॥ এই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত পদরসসার পুথির পদসংখ্যা-১১২৮-এ এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো। ॥ বিহাগড়া॥ রাই-কানু-পিরিতির বালাই লৈয়া মরি। ক্ষণে করে আলিঙ্গন ক্ষণে মুখ চুম্বন ক্ষণে রাখে হিয়ার উপরি॥ আলুয়্যা চাঁচর কেশ করে বহুবিধ বেশ সিন্দুর চন্দন দেই ভালে। মুখচাঁদে দেখি ঘাম আকুল হইয়া শ্যাম মোছায়ই বসন-অঞ্চলে॥ দাসীগণ-কর হৈতে চামর লইয়া হাতে আপনে করয়ে মৃদু বায়। দেখি রাই-মুখ-শশী সুধা ঝরে রাশি রাশি হেরি নাগর অনিমিখে চায়॥ ঐছন আরতি দেখি রাইয়ের সজল আঁখি বাহু পসারিয়া করে কোরে। দুহুঁ হিয়ায় দুহুঁ রাখি দুহুঁ চুম্বে মুখ-শশী দুহুঁ-প্রেমে দুহুঁ ভেল ভোরে॥ নিকুঞ্জ-মন্দির মাঝে শুতল কুসুম-শেজে দোহেঁ দোঁহা বান্ধি ভুজ-পাশে। আর যত সখীগণ সভে করে নিরীক্ষণ দূরে রহুঁ নরোত্তম দাসে॥ এই পদটি উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, দ্বিজ মাধব সংকলিত, ১৯৮২ সালে প্রকাশিত, বিশ্বভারতীর গ্রন্থশালায় রক্ষিত, ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, ৬৯ -পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। রাই কানুর পিরিতীর বালাই লয়ে মরি। খেনে করে আলিঙ্গন খেনে মুখচুম্বন খেনে রাখে হিয়ার উপরি॥ এলঞে চাঁচর কেশ করে বহুবিধ বেশ সিন্দুর চন্দন দেই ভালে। মুখচাঁন্দ দেখি ঘাম আকুল হয়েছে শ্যাম মোছহায়ই বসনঅঞ্চলে॥ দাসীগণ করে হইতে চামর লইআ হাথে আপনে করএ মৃদু বার। দেখি রাই মুখশশী সুধা ঝোরে রাশি রাশি হেরি নাগর অনিমিখে চায়॥ ঐছন আরতি দেখি রেএর সজল আঁখি বাহু পসারিঞা করে কোর। দোহ হিয়ায় দুহু রাখি দোহু চুম্বে মুখশশী দুহু প্রেমে দুহু ভেল ভোর॥ কুঞ্জমন্দির মাঝে শীতল কুসুম সেজে দোহে দোঁহা বান্ধি ভুজপাশে। আর জত সখীগণ সভে করে নিরীক্ষণ দূরে রহু নরোত্তম দাসে॥ এই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত, হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ২৯৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বিহাগড়া॥ রাই কানু পিরীতির বালাই লৈয়া মরি। ক্ষণে করে আলিঙ্গন, ক্ষণে মুখ চুম্বন, ক্ষণে রাখে হিয়ার উপরি॥ আলাঞা চাঁচর কেশ, করে বহুবিধ বেশ, সিন্দূর চন্দন দেই ভালে। মুখচাঁদে দেখি ঘাম, আকুল হইয়া শ্যাম, মোছায়ই বসন-অঞ্চলে॥ দাসীগণ কর হৈতে, চামর লইয়া হাতে, আপনে করয়ে মৃদু বায়। দেখি রাই মুখ- শশী, সুধা ঝরে রাশি রাশি, হেরে নাগর অনিমিখে চায়॥ ঐছন আরতি দেখি, রাইয়ের সজল আঁখি, বাহু পসারিয়া করে কোরে। দুহুঁ হিয়ায় দুহুঁ রাখি, দুহুঁ চুম্বে মুখ-শশী, দুহুঁ প্রেমে দুহুঁ ভেল ভোরে॥ নিকুঞ্জ মন্দির মাঝে, শুতল কুসুম শেজে, দুহুঁ দোঁহা বান্ধি ভুজ পাশে। আর যত সখীগণ, সবে করে নিরীক্ষণ, দূরে রহুঁ নরোত্তমদাসে॥ এই পদটি ১৯০২ সালে রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ১৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বিহাগড়া॥ রাই কানু পিরীতির বালাই লৈয়া মরি। ক্ষণে করে আলিঙ্গন, ক্ষণে মুখ চুম্বন, ক্ষণে রাখে হিয়ার উপরি॥ আলাঞা চাঁচর কেশ, করে বহুবিধ বেশ, সিন্দূর চন্দন দেই ভালে। মুখচাঁদে দেখি ঘাম, আকুল হইয়া শ্যাম, মোছায়ই বসন-অঞ্চলে॥ দাসীগণ কর হৈতে, চামর লইয়া হাতে, আপনে করয়ে মৃদু বায়। দেখি রাই মুখশশী, সুধা ঝরে রাশি রাশি, হেরে নাগর অনিমিখে চায়॥ ঐছন আরতি দেখি, রাইয়ের সজল আঁখি, বাহু পসারিয়া করে কোরে। দুহুঁ হিয়ার দুহুঁ রাখি, দুহুঁ চুম্বে মুখশশী, দুহুঁ প্রেমে দুহুঁ ভেল ভোরে॥ নিকুঞ্জ মন্দির মাঝে, শুতল কুসুম শেজে, দুহুঁ দোঁহা বান্ধি ভুজ পাশে। আর যত সখীগণ, সবে করে নিরীক্ষণ, দূরে রহুঁ নরোত্তম দাসে॥ এই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৩৮৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বিহাগড়া॥ রাই কানু পিরীতির বালাই লৈয়া মরি। ক্ষণে করে আলিঙ্গন, ক্ষণে মুখ চুম্বন, ক্ষণে রাখে হিয়ার উপরি॥ আলাঞা চাঁচর কেশ, করে বহুবিধ বেশ, সিন্দুর চন্দন দেই ভালে। মুখচাঁদ দেখি ঘাম, আকুল হইয়া শ্যাম, মোছায়ই বসন অঞ্চলে॥ দাসীগণ কর হৈতে, চামর লইয়া হাতে, আপনে করয়ে মৃদু বায়। দেখি রাই মুখশশী, সুধা ঝরে রাশি রাশি, হেরে নাগর অনিমিখে চায়॥ ঐছন আরতি দেখি, রাইয়ের সজল আঁখি, বাহু পসারিয়া করে কোরে। দুহুঁ হিয়ায় দুহুঁ রাখি, দুহুঁ চুম্বে মুখশশী, দুহুঁ প্রেমে দুহুঁ ভেল ভোরে॥ নিকুঞ্জ মন্দির মাঝে, শুতল কুসুম শেজে, দুহুঁ দোঁহা বান্ধি ভুজপাশে। আর যত সখীগণ, সবে করে নিরীক্ষণ, দূরে রহুঁ নরোত্তমদাসে॥ এই পদটি ১৯১৪ সালে সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বিহাগড়া॥ রাই কানু পিরীতির বালাই লৈয়া মরি। ক্ষণে করে আলিঙ্গন, ক্ষণে মুখ চুম্বন, ক্ষণে রাখে হিয়ার উপরি॥ আলাঞা চাঁচর কেশ, করে বহুবিধ বেশ, সিন্দূর চন্দন দেই ভালে। মুখচাঁদে দেখি ঘাম, আকুল হইয়া শ্যাম, মোছায়ই বসন-অঞ্চলে॥ দাসীগণ কর হৈতে, চামর লইয়া হাতে, আপনে করয়ে মৃদু বায়। দেখি রাই মুখশশী, সুধা ঝরে রাশি রাশি, হেরে নাগর অনিমিখে চায়॥ ঐছন আরতি দেখি, রাইয়ের সজল আঁখি, বাহু পসারিয়া করে কোরে। দুহুঁ হিয়ার দুহুঁ রাখি, দুহুঁ চুম্বে মুখশশী, দুহুঁ প্রেমে দুহুঁ ভেল ভোরে॥ নিকুঞ্জ মন্দির মাঝে, শুতল কুসুম শেজে, দুহুঁ দোঁহা বান্ধি ভুজ পাশে। আর যত সখীগণ, সবে করে নিরীক্ষণ, দূরে রহুঁ নরোত্তম দাসে॥ এই পদটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত, কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, ”কীর্ত্তন-পদাবলী”, ২৯২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বিহাগড়া॥ রাই কানু পিরীতির বালাই লৈয়া মরি। ক্ষণে করে আলিঙ্গন, ক্ষণে মুখ চুম্বন, ক্ষণে রাখে হিয়ার উপরি॥ আলাঞা চাঁচর কেশ, করে বহুবিধ বেশ, সিন্দূর চন্দন দেই ভালে। মুখচাঁদ দেখি ঘাম, আকুল হইয়া শ্যাম, মোছায়ই বসন অঞ্চলে॥ দাসীগণ কর হৈতে, চামর লইয়া হাতে, আপনে করয়ে মৃদু বায়। দেখি রাই মুখশশী, সুধা ঝরে রাশি রাশি, হেরে নাগর অনিমিখে চায়॥ ঐছন আরতি দেখি, রাইয়ের সজল আঁখি, বাহু পসারিয়া করে কোরে। দুহুঁ হিয়ার দুহুঁ রাখি, দুহুঁ চুম্বে মুখশশী, দুহুঁ প্রেমে দুহুঁ ভেল ভোরে॥ নিকুঞ্জ মন্দির মাঝে, শুতল কুসুম শেজে, দুহুঁ দোঁহা বান্ধি ভুজপাশে। আর যত সখীগণ, সবে করে নিরীক্ষণ, দূরে রহুঁ নরোত্তম দাসে॥ এই পদটি ১৯২৪ সালে প্রকাশিত, দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি”, ১০৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। “রাই-কানু-পিরিতির বালাই লৈয়া মরি” @ আউলাঞা চাঁচর কেশ করে বহুবিধ বেশ সিন্দুর চন্দন দেই ভালে। মুখ-চাঁদে দেখি ঘাম আকুল হইয়া শ্যাম মোছায়ই বসন অঞ্চলে॥ দাসীগণ করে হৈতে চামর লইয়া হাতে আপনে করয়ে মৃদু বায়। দেখি রাই মুখ-শশী সুধা ঝরে রাশি রাশি হেরে নাগর অনিমিখে চায়॥ @@ আর যত সখীগণ সভে করে নিরীক্ষণ দূরে রহুঁ নরোত্তম দাসে॥ @ - এখানে দ্বিতীয় পংক্তিটি দেওয়া নেই। @@ - এখানে তিনটি পংক্তিটি দেওয়া নেই। এই পদটি ১৯২৪ সালে প্রকাশিত, দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি”, ২৬০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। অভিসারিকা “রাই-কানু-পিরীতির বালাই লৈয়া মরি” @ আলাঞা চাঁচর কেশ করে @@@ বেশ সিন্দূর চন্দন দেই ভালে। মুখচাঁদে দেখি ঘাম আকুল হইয়া শ্যাম মোছায়ই বসন-অঞ্চলে॥ দাসীগণ-কর হৈতে চামর লইয়া হাতে আপনে করয়ে মৃদু বায়। দেখি রাই-মুখ-শশী সুধা ঝরে রাশি রাশি হেরে নাগর অনিমিখে চায়॥ বাহু পসারিয়া করে কোরে। ঐছন আরতি দেখি রাইয়ের সজল আঁখি দুহুঁ প্রেমে দুহুঁ ভেল ভোরে॥ [ আর যত সখীগণ সবে করে নিরীক্ষণ ] দূরে রহুঁ নরোত্তম দাস॥ @ - এখানে দ্বিতীয় পংক্তিটি দেওয়া নেই। এই পদটি ১৯২৪ সালে প্রকাশিত, দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি”, ৩৪৪ ও ৪৩৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বিহাগড়া॥ রাই কানু পিরীতির বালাই লৈয়া মরি। ক্ষণে করে আলিঙ্গন ক্ষণে মুখ চুম্বন ক্ষণে রাখে হিয়ার উপরি॥ আলায়্যা চাঁচর কেশ করে বহুবিধ বেশ সিন্দূর চন্দন দেই ভালে। মুখচাঁদ দেখি ঘাম আকুল হইয়া শ্যাম মোছায়ই বসন অঞ্চলে॥ দাসীগণ কর হৈতে চামর লইয়া হাতে আপনে করয়ে মৃদু বায়। দেখি রাই মুখশশী সুধা ঝরে রাশি রাশি হেরে নাগর অনিমিখে চায়॥ ঐছন আরতি দেখি রাইয়ের সজল আঁখি বাহু পসারিয়া করে কোরে। দুহুঁ হিয়ায় দুহুঁ রাখি দুহুঁ চুম্বে মুখ-শশী দুহুঁ প্রেমে দুহুঁ ভেল ভোরে॥ @ আর যত সখীগণ সভে করে নিরীক্ষণ দূরে রহুঁ নরোত্তম দাসে॥ @ - এখানকার পংক্তিটি দেওয়া নেই। এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৫৫৩-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। মিলন ॥ বিহাগড়া॥ রাই কানু পিরীতির বালাই লৈয়া মরি। ক্ষণে করে আলিঙ্গন ক্ষণে মুখচুম্বন ক্ষণে রাখে হিয়ার উপরি॥ আউলায়্যা চাঁচর কেশ করে বহুবিধ বেশ সিন্দূর চন্দন দেই ভালে। মুখচাঁদে দেখি ঘাম আকুল হইয়া শ্যাম মোছায়ই বসন অঞ্চলে॥ দাসীগণ করে হৈতে চামর লইয়া হাতে আপনে করয়ে মৃদু বায়। দেখি রাইমুখশশী সুধা ঝরে রাশি রাশি হেরি নাগর অনিমিখে চায়॥ ঐছন আরতি দেখি রাইয়ের সজল আঁখি বাহু পসারিয়া করে কোরে। দুহুঁ হিয়ায় দুহুঁ রাখি দুহুঁ চুম্বে মুখশশী দুহুঁ প্রেমে দুহুঁ ভেল ভোরে॥ নিকুঞ্জ মন্দির মাঝে শুতল কুসুমশেজে দোহেঁ দোহাঁ বান্ধি ভুজপাশে। আর যত সখীগণ সভে করে নিরীক্ষণ দূরে রহুঁ নরোত্তম দাসে॥ এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী", ২৯৮-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। রাই কানু পিরীতির বালাই লৈয়া মরি। ক্ষণে করে আলিঙ্গন ক্ষণে মুখচুম্বন ক্ষণে রাখে হিয়ার উপরি॥ আউলায়্যা চাঁচর কেশ করে বহুবিধ বেশ সিন্দূর চন্দন দেই ভালে। মুখচাঁদে দেখি ঘাম আকুল হইয়া শ্যাম মোছায়ই বসন অঞ্চলে॥ দাসীগণ করে হৈতে চামর লইয়া হাতে আপনে করয়ে মৃদু বায়। দেখি রাইমুখশশী সুধা ঝরে রাশি রাশি হেরি নাগর অনিমিখে চায়॥ ঐছন আরতি দেখি রাইয়ের সজল আঁখি বাহু পসারিয়া করে কোরে। দুহুঁ হিয়ায় দুহুঁ রাখি দুহুঁ চুম্বে মুখশশী দুহুঁ প্রেমে দুহুঁ ভেল ভোরে॥ নিকুঞ্জ মন্দির মাঝে শুতল কুসুমশেজে দোহেঁ দোহাঁ বান্ধি ভুজপাশে। আর যত সখীগণ সভে করে নিরীক্ষণ দূরে রহুঁ নরোত্তম দাসে॥ . *********** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |