| কবি নরোত্তম দাস-এর পদাবলী |
| নাগর পরম প্রেম হেরি সুন্দরী কবি নরোত্তম দাস এই পদটি ১৯০২ সালে রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ১৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কামোদ॥ নাগর পরম প্রেম, হেরি সুন্দরী, উছলিত নয়নক লোর। মৃদুতর বচনে. প্রবোধই নাহক, যতনহি লেই করু কোর॥ কি কহব আনন্দ ওর। রাইক পরশে, ভেল তহি চেতন, মিলিত লোচন জোর ॥ ধ্রু॥ ধনী মুখ হেরি, তাপ সব মেটল বাঢ়ল রসের তরঙ্গ। দুঁহে দোঁহা বদন, হেরি করু চুম্বন, মাতল মনসিজ রঙ্গ॥ দুঁহে দোঁহা একমন, নিবিড় আলিঙ্গন জনু মণি কাঞ্চন জোর। আনন্দ লোচনে, দাস নরোত্তম, হেরত যুগল কিশোর॥ এই পদটি ১৯১৪ সালে সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ১১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কামোদ॥ নাগর পরম প্রেম, হেরি সুন্দরী, উছলিত নয়নক লোর। মৃদুতর বচনে, প্রবোধই নাহক, যতনহি লেই করু কোর॥ কি কহব আনন্দ ওর। রাইক পরশে, ভেল তহি চেতন, মিলিত লোচন জোর ॥ ধ্রু॥ ধনী মুখ হেরি, তাপ সব মেটল বাঢ়ল রসের তরঙ্গ। দুঁহে দোঁহা বদন, হেরি করু চুম্বন, মাতল মনসিজ রঙ্গ॥ দুঁহে দোঁহা একমন, নিবিড় আলিঙ্গন জনু মণি কাঞ্চন জোর। আনন্দ লোচনে, দাস নরোত্তম, হেরত যুগল কিশোর॥ এই পদটি আনুমানিক ১৯২৬ সালে, সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত “অপ্রকাশিত পদরত্নাবলী” গ্রন্থের ১০২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। এই পদটি ১৮০৭ সালে প্রকাশিত কমলাকান্ত দাস সংকলিত “পদরত্নাকর” পুথির পদ। শ্রীরাধা-কৃষ্ণের কুঞ্জে মিলন ॥ কামোদ॥ নাগর-পরম-প্রেম হেরি সুন্দরি . উছলিত নয়নক লোর। মৃদুতর বচনে প্রবোধই নাহক . যতনহি লেই করু কোর॥ কি কহব আনন্দ ওর। রাইক পরশে ভেল তহিঁ চেতন . মীলিত লোচন-জোর॥ ধ্রু॥ ধনী-মুখ হেরি তাপ সব মীটল . বাঢ়ল রসক তরঙ্গ। দুঁহু দোহাঁ বদন হেরি করু চুম্বন . মাতল মনসিজ-রঙ্গ॥ দোহেঁ দোহাঁ এক-মন নিবিড় আলিঙ্গন . জনু মণি-কাঞ্চন জোর। আনন্দ-লোচনে দাস নরোত্তম . হেরত যুগল-কিশোর॥ . *********** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| নিজ নিজ মন্দিরে যাইতে পুনঃপুন কবি নরোত্তম দাস এই পদটি ১৯০২ সালে রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ১৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বিভাষ॥ নিজ নিজ মন্দিরে, যাইতে পুনঃপুন, দুহুঁ মুখচন্দ নিহারি। অন্তরে উথলল, প্রেম পয়োনিধি, নয়নে পূরল ঘন বারি॥ রাই কন্ঠ ধরি, গদ গদ বোলত, দুহুঁ তনু প্রেমে বিভোর। দুহুঁক বিচ্ছেদ, দুহুঁ সহই না পারই, দুহুঁ দুহুঁ করতহি কোর॥ বিগলিত কুন্তলে, মুকুতা দাম দোলে, লোল অলকাবলি শোভা। লহু লহু হাস, বিলাস ললিত মুখ, দুহুঁ দুহুঁ মানস লোভা॥ গদ গদ কন্ঠ, কহই না পারই, ধরই না পারই অঙ্গ। নরোত্তম সহচরি, সহই না পারই, দুহুঁক দুলহ রসভঙ্গ॥ এই পদটি ১৯১৪ সালে সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ১২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বিভাষ॥ নিজ নিজ মন্দিরে, যাইতে পুনঃপুন, দুহুঁ মুখচন্দ নিহারি। অন্তরে উথলল, প্রেম পয়োনিধি, নয়নে পূরল ঘন বারি॥ রাই কন্ঠ ধরি, গদ গদ বোলত, দুহুঁ তনু প্রেমে বিভোর। দুহুঁক বিচ্ছেদ, দুহুঁ সহই না পারই, দুহুঁ দুহুঁ করতহি কোর॥ বিগলিত কুন্তলে, মুকুতা দাম দোলে, লোল অলকাবলি শোভা। লহু লহু হাস, বিলাস ললিত মুখ, দুহুঁ দুহুঁ মানস লোভা॥ গদ গদ কন্ঠ, কহই না পারই, ধরই না পারই অঙ্গ। নরোত্তম সহচরি, সহই না পারই, দুহুঁক দুলহ রসভঙ্গ॥ এই পদটি আনুমানিক ১৯২৬ সালে, সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত “অপ্রকাশিত পদরত্নাবলী” গ্রন্থের ১০৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। এই পদটি ১৮০৭ সালে প্রকাশিত কমলাকান্ত দাস সংকলিত “পদরত্নাকর” পুথির পদ। কুঞ্জ-ভঙ্গ ॥ বিভাস॥ নিজ-নিজ-মন্দিরে যাইতে পুন পুন দুহুঁ মুখ-চন্দ নেহারি। অন্তরে উথলল প্রেম-পয়োনিধি, নয়নে পুরল ঘন বারি॥ রাই-কন্ঠ ধরি গদগদ বোলত দুহুঁ-তনু প্রেম-বিভোরি। দুহুঁক বিচ্ছেদ দুহুঁ সহই না পারই দুহুঁ দুহুঁ আলস-ভোরি॥ গদগদ কন্ঠ কহই না পারই ধরই না পারই অঙ্গ। নরোত্তম-সহচরি সহই না পারই দুহুঁক দুলহ-রস-ভঙ্গ॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৫৫৪-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। অষ্টকালীয় নিত্যলীলা কুঞ্জ হইতে গৃহে গমন ॥ বিভাস॥ নিজ নিজ মন্দিরে যাইতে পুনঃ পুনঃ দুহুঁ মুখচন্দ নিহারি। অন্তরে উথলল প্রেমপয়োনিধি নয়নে পুরল ঘন বারি॥ রাই কন্ঠ ধরি গদগদ বোলত দুহুঁ তনু প্রেমে বিভোর। দুহুঁক বিচ্ছেদ দুহুঁ সহই না পারই দুহুঁ দুহুঁ করতহি কোর॥ বিগলিত কুন্তলে মুকুতাদাম দোলে লোল অলকাবলি শোভা। লহু লহু হাস বিলাস ললিত মুখ দুহুঁ দুহুঁ মানস লোভা॥ গদগদ কন্ঠ কহই না পারই ধরই না পারই অঙ্গ। নরোত্তম সহচরি সহই না পারই দুহুঁক দুলহ রসরঙ্গ॥ এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী", ২৯৪-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। নিজ নিজ মন্দিরে যাইতে পুনঃ পুনঃ দুহুঁ মুখচন্দ নিহারি। অন্তরে উথলল প্রেমপয়োনিধি নয়নে পুরল ঘন বারি॥ রাই কন্ঠ ধরি গদগদ বোলত দুহুঁ তনু প্রেমে বিভোর। দুহুঁক বিচ্ছেদ দুহুঁ সহই না পারই দুহুঁ দুহুঁ করতহি কোর॥ বিগলিত কুন্তলে মুকুতাদাম দোলে লোল অলকাবলি শোভা। লহু লহু হাস বিলাস ললিত মুখ দুহুঁ দুহুঁ মানস লোভা॥ গদগদ কন্ঠ কহই না পারই ধরই না পারই অঙ্গ। নরোত্তম সহচরি সহই না পারই দুহুঁক দুলহ রসরঙ্গ॥ . *********** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| কেলি সমাধি উঠল দুহুঁ তীরহি কবি নরোত্তম দাস এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল) ২য় খণ্ড, ৩য় শাখা, ২৪শ পল্লব, শরত্কালীয়, ১২৭৪-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কেদার॥ কেলি সমাধি উঠল দুহুঁ তীরহি . বসন ভূষণ পরি অঙ্গ। রতন-মন্দির মাহা বৈঠল নাগর . করু বন-ভোজন-রঙ্গ॥ আনন্দ কো করু ওর। বিবিধ মিঠাই খীর বহু বনফল . ভুঞ্জই নন্দ-কিশোর॥ ধ্রু॥ নাগর-শেষ লেই সব রঙ্গিণি . ভোজন করু রসপুঞ্জে। ভোজন সমাধি তাম্বুল সভে খাওল . শূতলি নিজ নিজ কুঞ্জে॥ ললিতানন্দ কুঞ্জ যামুন-তট, . শূতল যুগল কিশোর। দাস নরোত্তম করতহি সেবন . অলস নয়ন হেরি ভোর॥ এই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ১৫২৯-পদসংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো। ॥ বেহাগ॥ কেলি সমাধিয়া উঠল দুহুঁ তীরহি . বসন ভূষণ পরি অঙ্গ। রতন-মন্দির মাহা বৈঠল নাগর . করল ভোজন-রঙ্গ॥ আনন্দ কো করু ওর। বিবিধ মিঠাই খীর বহু বনফল . ভুঞ্জই নন্দ-কিশোর॥ ধ্রু॥ নাগর-শেষ লেই সব সঙ্গিনী . ভোজন করু রসপুঞ্জে। ভোজন সমাধি তাম্বুল সভে খাওল . শুতলি নিজ নিজ কুঞ্জে॥ ললিতানন্দ কুঞ্জ যামুন-তট, . শূতল যুগল কিশোর। দাস নরোত্তম করতহি সেবন . অলস নয়ন হেরি ভোর॥ এই পদটি উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, দ্বিজ মাধব সংকলিত, ১৯৮২ সালে প্রকাশিত, বিশ্বভারতীর গ্রন্থশালায় রক্ষিত, ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, ২৩৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কেদার তাল পরিমিত॥ কেলি সমাধি উঠল দুহু তীরহি বসনভূষণ করু অঙ্গ। রতনমন্দির মাহা বৈঠল নাগর করূ বনভোজন রঙ্গ॥ আনন্দ কো করূ ওর। বিবিধ মিঠাই ক্ষীর বহু বনফল ভুঞ্জই নন্দকিশোর॥ ধ্রু॥ নাগরশেষ লেই সব রঙ্গিণী ভোজন করূ রসপুঞ্জে। ভোজন সমাধি তাম্বুল খাওই বৈঠল মঞ্জুল কুঞ্জে॥ ললিতা নন্দকুঞ্জ যমুনাতট সুন্দর বিলসই যুগল কিশোর। দাস নরোত্তম করতহি কাকুতি হেরি নয়ন ভেল ভোর॥ এই পদটি ১৮৪৯ সালে প্রকাশিত, গৌরমোহন দাস সংকলিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “পদকল্পলতিকা”, ৬৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বেহাগ॥ কেলি সমাধি উঠল দুহু তীরহি বসন ভূষণ পরি অঙ্গ। রতন মন্দির মাহা বৈঠল নাগর করল ভোজন বন্ধ॥ আনন্দ কোকরু ওর। বিবিধ মিঠাই ক্ষীর বহু নব ফল ভুঞ্জই নন্দকিশোর॥ ধ্রু॥ নাগর শেষ লই সব সঙ্গিণী ভোজন করু রস পুঞ্জে। ভোজন সমাধি তাম্বুল খাওল সুতল নিজ নিজ কুঞ্জে॥ ললিতা নন্দ কুঞ্জ যমুনাতট সুতল যুগল কিশোর। দাস নরোত্তম করতই সেবন অলস নয়ন হেরি ভোর॥ এই পদটি ১৯০২ সালে রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ১৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বেহাগ॥ কেলি সমাধি, উঠল দুহুঁ তীরহি, বসন ভূষণ পরি অঙ্গ। রতন মন্দির মাহা, বৈঠল নাগর, করল ভোজন রঙ্গ॥ আনন্দ কো করু ওর। বিবিধ মিঠাই, ক্ষির বহু বনফল, ভুঞ্জই নন্দ কিশোর॥ ধ্রু॥ নাগর শেষ, লেই সব রঙ্গিণী, ভোজন করু রস পুঞ্জে। ভোজন সমাধি, তাম্বুল সভে খাওল, শুতলি নিজ নিজ কুঞ্জে॥ ললিতা নন্দ কুঞ্জ যামুন তট, শুতল যুগল কিশোর। দাস নরোত্তম, করতহি সেবন, অলস নয়ন হেরি ভোর॥ এই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৪০০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ভোজন বিলাস। ॥ কেদার - রাগ॥ কেলি সমাধি, উঠল দুহুঁ তীরহি, বসন ভূষণ পরি অঙ্গ। রতন মন্দির মাঝে, বৈঠল নাঅর, করু বন ভোজন রঙ্গ॥ আনন্দ কো করু ওর। বিবিধ মিঠাই, ক্ষীর বহু বন ফল, ভুঞ্জই নন্দ কিশোর॥ নাগর শেষ, লেই সব রঙ্গিণী, ভোজন করু রস পুঞ্জে। ভোজন সমাধি, তাম্বুল খাঅল, শুতলি নিজ নিজ কুঞ্জে॥ ললিতা নন্দ কুঞ্জ, যমুনাতট, শুতল যুগল কিশোর। দাস নরোত্তম, করতহি সেবন, অলস নয়ান হেরি ভোর॥ এই পদটি ১৯১৪ সালে সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ১২পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বেহাগ॥ কেলি সমাধি, উঠল দুহুঁ তীরহি, বসন ভূষণ পরি অঙ্গ। রতন মন্দির মাহা, বৈঠল নায়র, করল ভোজন রঙ্গ॥ আনন্দ কো করু ওর। বিবিধ মিঠাই, ক্ষির বহু বনফল, ভুঞ্জই নন্দ কিশোর॥ ধ্রু॥ নাগর শেষ, লেই সব রঙ্গিণী, ভোজন করু রস পুঞ্জে। ভোজন সমাপি, তাম্বুল সভে খাওল, শুতলি নিজ নিজ কুঞ্জে॥ ললিতা নন্দ কুঞ্জ যামুন তট, শুতল যুগল কিশোর। দাস নরোত্তম, করতহি সেবন, অলস নয়ন হেরি ভোর॥ এই পদটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত, কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, ”কীর্ত্তন-পদাবলী”, ৩১০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ভোজন বিলাস ॥ কেদার রাগ॥ কেলি সমাধি উঠল দুহুঁ তীরহি বসন ভূষণ পরি অঙ্গ। রতন মন্দির মাঝে বৈঠল না আর করু বন ভোজন রঙ্গ॥ আনন্দ কো করু ওর। বিবিধ মিঠাই ক্ষীর বহু বন ফল ভুঞ্জই নন্দ কিশোর॥ নাগর শেষ লেই সব রঙ্গিণী ভোজন করু রস পুঞ্জে। ভোজন সমাধি তাম্বুল খাঅল শুতলি নিজ-নিজ কুঞ্জে॥ ললিতানন্দ কুঞ্জ যামুনতট শুতল যুগল কিশোর। দাস নরোত্তম করতহি সেবন অলস নয়ান হেরি ভোর॥ এই পদটি ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত, সুধীরচন্দ্র রায় ও অপর্ণা দেবী সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “কীর্ত্তন পাদাবলী”, ৩৭৯-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। রাসলীলা ॥ করুণ বরাড়ী - মধ্যম একতালা॥ কেলি সমাধি উঠল দুহুঁ তীরহি বসন ভূষণ পরি অঙ্গ। রতন-মন্দির মাহা বৈঠল দুহুঁ জন করু বন-ভোজন-রঙ্গ॥ আনন্দে কো করু ওর। বিবিধ মিঠাই ক্ষীর বহু বনফল ভুঞ্জই নন্দকিশোর॥ ধ্রু॥ নাগর-শেষে লেই সব রঙ্গিণী ভোজন করু রসপুঞ্জে। ভোজন সমাধি তাম্বুল সভে খাওল শূতল নিজ নিজ কুঞ্জে॥ ললিতানন্দ কুঞ্জ যামুন-তট শূতল যুগলকিশোর। দাস নরোত্তম করতহি সেবন অলস নয়ন হেরি ভোর॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৫৫৬-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। শরত্কালীয় মহারাস ॥ কেদার॥ কেলি সমাধি উঠল দুহুঁ তীরহি . বসন ভূষণ পরি অঙ্গ। রতন-মন্দির মাহা বৈঠল নাগর . করু বনভোজনরঙ্গ॥ আনন্দে কো করু ওর। বিবিধ মিঠাই খীর বহু বনফল . ভুঞ্জই নন্দকিশোর॥ ধ্রু॥ নাগরশেষ লেই সব রঙ্গিণি . ভোজন করু রসপুঞ্জে। ভোজন সমাধি তাম্বুল সভে খাওল . শূতলি নিজ নিজ কুঞ্জে॥ ললিতানন্দ কুঞ্জ যামুনতট, . শূতল যুগল কিশোর। দাস নরোত্তম করতহি সেবন . অলস নয়ন হেরি ভোর॥ এই পদটি ১৯৩৭-৫৩ খৃষ্টাব্দের সময়কালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৩য় খণ্ড, মহারাস, ৫৫২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কেদার - লোফা॥ কেলি সমাধি, উঠল দুহুঁ তীর হি, বসন ভূষণ পরি অঙ্গ। রতন মন্দির মাহা বৈঠল দুহুঁ জন, নাগর করু বন ভোজন রঙ্গ॥ আনন্দ কো করু ওর। বিবিধ মিঠাই ক্ষীর, বহু বন ফল, ভুঞ্জই নন্দ কিশোর॥ ধ্রু॥ নাগর-শেষ, লেই সব রঙ্গিণী, ভোজন করু রসপুঞ্জে। ভোজন সমাধি, তাম্বুল সভে খাওল, শূতলি নিজ নিজ কুঞ্জে॥ ললিতানন্দন কুঞ্জ যামুন তট, শূতলি যুগল কিশোর। দাস নরোত্তম, করত হি সেবন, অলস নয়ন হেরি ভোর॥ এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী", ২৯০-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। কেলি সমাধি উঠল দুহুঁ তীরহি . বসন ভূষণ পরি অঙ্গ। রতন মন্দির মাহা বৈঠল নাগর . করু বনভোজনরঙ্গ॥ আনন্দে কো করু ওর। বিবিধ মিঠাই খীর বহু বনফল . ভুঞ্জই নন্দকিশোর॥ ধ্রু॥ নাগরশেষ লেই সব রঙ্গিণি . ভোজন করু রসপুঞ্জে। ভোজন সমাধি তাম্বুল সভে খাওল . শূতলি নিজ নিজ কুঞ্জে॥ ললিতানন্দ কুঞ্জ যামুনতট, . শূতল যুগল কিশোর। দাস নরোত্তম করতহি সেবন . অলস নয়ন হেরি ভোর॥ . *********** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| বলি বলি যাত ললিতা আলি কবি নরোত্তম দাস এই পদটি রাধামোহন ঠাকুর (রাধামোহন দাস) দ্বারা আনুমানিক ১৭২৫ সালে সংকলিত ও বিরচিত এবং ১৮৭৮ সালে, রামনারায়ণ বিদ্যারত্ন দ্বারা সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “পদামৃত সমুদ্র”, ২৩৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। এই পদটি বিমানবিহারী মুখোপাধ্যায়, গৌরসুন্দর দাসের “কীর্ত্তনানন্দ” থেকে "কুসুমিত কুঞ্জ কুটির মনমোহন" শিরোনামে পেয়েছিলেন। এই গ্রন্থটি আমরা হাতে পাই নি। সেখানে "বলি বলি জাত ললিতা আলি" পদটির প্রথম দুই পংক্তি, চতুর্থ পংক্তির পরে দেওয়া রয়েছে। এখানে দেওয়ার পাশাপাশি এই পদটিকে আমরা একটি স্বতন্ত্র পদ হিসেবেও তুলে দিয়েছি পাঠকের সুবিধের জন্য। ॥ ললিত রাগ মণ্ঠক তালৌ॥ বলি বলি জাত ললিতা আলি। শ্যাম গোরি মুখ মণ্ডল ঝলকই ছবি উঠত অতি ভালি॥ ধ্রু॥ কুসুমিত কুঞ্জ কুটির মন মোহন কুসুম শেযে দুহুঁ নওল কিশোর। কোকিল মধুকর মঙ্গল গায়ত বন বৃন্দাবন আনন্দে হিলোল॥ রজনিক শেষে জাগি শ্যাম সুন্দরি বৈঠলি সখি গণ সঙ্গ। শ্যাম বয়নে ধনি করহি আগোরল কহইতে রজনিক রঙ্গ॥ হেরি ললিতা তব মৃদু মৃদু হাসত পুলকে রহলি তন ভোরি। নীল বসনে তনু ঝাপলি সুন্দরি লাজে রহলি মুখ মোরি॥ যব মুখ মোরি রহল তঁহি নাগরি কানু করল পুন কোর। আনন্দ হিলোলে দাস নরোত্তম হেরত যুগল কিশোর॥ এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল) ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ শাখা-২য় ভাগ, ৩০শ পল্লব, আষ্টকালীয় নিত্য-লীলা, ২৪৯১-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কৌ ললিত॥ বলি বলি যাত ললিতা আলি। শ্যাম-গোরি-মুখ-মণ্ডল ঝলকই ছবি উঠত অতি ভালি॥ ধ্রু॥ কুসুমিত কুঞ্জ-কুটীর মনমোহন কুসুম-শেজ পর নওল কিশোর। কোকিল মধুকর পঞ্চম গায়ত নব বৃন্দাবন আনন্দ-হিলোল॥ রজনিক শেষে জাগি শ্যাম সুন্দরি বৈঠলি সখীগণ সঙ্গ। শ্যাম-বয়ন ধনি করহি আগোরল কহইতে রজনিক রঙ্গ॥ হেরি ললিতা তব মৃদু মৃদু হাসত পুলকে রহল তনু ভোরি। নীল বসনে তনু ঝাঁপলি সুন্দরি লাজে রহলি মুখ মোরি॥ যব মুখ মোরি রহল তব নাগরি কানু কয়ল পুন কোর। আনন্দ-হিলোলে দাস নরোত্তম হেরত যুগল কিশোর॥ এই পদটি ১৮০৭ সালে প্রকাশিত, কমলাকান্ত দাস সংকলিত “পদরত্নাকর” পুথির ৩৯।১৬-পদ-সংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো। ॥ কৌ ললিত॥ বলি বলি জাঙয়ে ললিতা আলি। শ্যাম-গোরি-মুখ-মণ্ডল ঝলকই ছবি উঠত অতি ভালি॥ ধ্রু॥ কুসুমিত কুঞ্জ-কুটীর মনমোহন কুসুম-শেজ পর নওল কিশোর। কোকিল মধুকর পঞ্চম গায়ত নব বৃন্দাবন আনন্দ-হিলোল॥ রজনী জাগি শ্যাম সঞে সুন্দরী বৈঠলি সখীগণ সঙ্গ। শ্যাম-বয়ন ধনি করহি আগোরল কহইতে রজনিক রঙ্গ॥ হেরি ললিতা তব মৃদু মৃদু হাসত পুলকে রহল তনু ভোরি। পীত বসনে তনু ঝাঁপলি সুন্দরি লাজে রহলি মুখ মোড়ি॥ যব মুখ মোরি রহত সব সুন্দরী কানু করত তব কোর। আনন্দ-লোচন দাস নরোত্তম হেরত যুগল কিশোর॥ এই পদটি ১৯০২ সালে রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ২১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ললিত॥ বলি বলি যাত ললিতা আলি। শ্যাম গোরি মুখ মণ্ডল ঝলকই, ছবি উঠত অতি ভালি॥ ধ্রু॥ কুসুমিত কুঞ্জ, কুটীর মনো মোহন, কুসুম শেজে দুহুঁ নওল কিশোর। কোকিল মধুকর, পঞ্চম গায়ত, বন বৃন্দাবন আনন্দ হিলোল॥ রজনীক শেষে, জাগি শ্যাম সুন্দরী, বৈঠলি সখীগণ সঙ্গ। শ্যাম বয়নে ধনি, করহি আগোরল, কহইতে রজনীক রঙ্গ॥ হেরি ললিতা তব, মৃদু মৃদু হাসত, পুলকে রহলি তনু ভোরি। নীল বসনে তনু, ঝাঁপলি সুন্দরী, লাজে রহলি মুখ মোড়ি॥ যব মুখ মোড়ি, রহল তহিঁ নাগরী, কানু করল পুন কোর। আনন্দ হিলোলে, দাস নরোত্তম হেরত যুগল কিশোর॥ এই পদটি ১৯১৪ সালে সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ১৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ললিত॥ বলি বলি যাঙ ললিতা আলি। শ্যাম গোরি মুখ মণ্ডল ঝলকই, ছবি উঠত অতি ভালি॥ ধ্রু॥ কুসুমিত কুঞ্জ, কুটীর মনোমোহন, কুসুম শেজে দুহুঁ নওল কিশোর। কোকিল মধুকর, পঞ্চম গায়ত, বন বৃন্দাবন আনন্দ হিলোল॥ রজনীক শেষে, জাগি শ্যাম সুন্দরী, বৈঠলি সখীগণ সঙ্গ। শ্যাম বয়নে ধনি, করহি আগোরল, কহইতে রজনীক রঙ্গ॥ হেরি ললিতা তব, মৃদু মৃদু হাসত, পুলকে রহলি তনু ভোরি। নীল বসনে তনু, ঝাঁপলি সুন্দরী, লাজে রহলি মুখ মোড়ি॥ যব মুখ মোড়ি, রহল তহি নাগরী, কানু করল পুন কোর। আনন্দ হিলোলে, দাস নরোত্তম হেরত যুগল কিশোর॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৫৫৪-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। অষ্টকালীয় নিত্যলীলা যুগলের নিদ্রাভঙ্গ ॥ কৌ-ললিত॥ বলি বলি যাত ললিতা আলি। শ্যাম গোরি মুখ- মণ্ডল ঝলকই ছবি উঠত অতি ভালি॥ ধ্রু॥ কুসুমিত কুঞ্জ কুটির মনমোহন কুসুমশেজ পর নওল কিশোর। কোকিল মধুকর পঞ্চম গায়ত নব বৃন্দাবন আনন্দ হিলোর॥ রজনীকশেষে জাগি শ্যাম সুন্দরী বৈঠলি সখিগণ সঙ্গ। শ্যামবয়ান ধনি করহিঁ আগোরল কহইতে রজনিক রঙ্গ॥ হেরি ললিতা তব মৃদু মৃদু হাসত পুলকে রহল তনু ভোরি। নীল বসনে তনু ঝাঁপলি সুন্দরি লাজে রহলি মুখ মোরি॥ যব মুখ মোরি রহত তব নাগরি কানু কয়ল পুন কোর। আনন্দ হিলোলে দাস নরোত্তম হেরত যুগল কিশোর॥ এই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত, বিমান বিহারী মজুমদার সম্পাদিত “পাঁচশত বত্সরের পদাবলী”, ১৭৫-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। এই পদটি বিমানবিহারী মুখোপাধ্যায়, গৌরসুন্দর দাসের “কীর্ত্তনানন্দ” থেকে পেয়েছিলেন। এই গ্রন্থটি আমরা হাতে পাই নি। এখানে পদের প্রথম দুই পংক্তি চতুর্থ পংক্তির পরে দেওয়া রয়েছে। এখানে দেওয়ার পাশাপাশি এই পদটিকে আমরা একটি স্বতন্ত্র পদ হিসেবেও তুলে দিয়েছি পাঠকের সুবিধের জন্য। কুসুমিত কুঞ্জ কুটির মনমোহন কুসুমশেজ পর নওল কিশোর। কোকিল মধুকর পঞ্চম গাবই বন বৃন্দাবন আনন্দ হিলোল॥ বলি বলি জাঙয়ে ললিতা অলি। শ্যাম গোরী মুখমণ্ডল ঝলকয় ছবি উঠত অতি ভালি॥ রজনীক শেষ জানি শ্যামসুন্দরী বৈঠলি সখিগণ সঙ্গ। শ্যাম বয়ন ধনি করহি আগোরল কহইতে রজনীক রঙ্গ॥ হেরি ললিতা তব মৃদু মৃদু হাসত পুলকে রহল তনু ভোরি। পীল বসনে ঝাপি মুখ সুন্দরী লাজে রহল মুখ মোড়ি॥ মুখহি মোড়ি রহল যব সুন্দরী কানু করত তব কোর। আনন্দ মোচনে দাস নরোত্তম হেরত যুগল কিশোর॥ এই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত, বিমান বিহারী মজুমদার সম্পাদিত “ষোড়শ শতাব্দীর পদাবলী সাহিত্য”, ৪৯১-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। কুসুমিত কুঞ্জ কুটির মনমোহন কুসুমশেজ পর নওল কিশোর। কোকিল মধুকর পঞ্চম গাবই বন বৃন্দাবন আনন্দ হিলোল॥ বলি বলি জাঙয়ে ললিতা অলি। শ্যাম গোরী মুখমণ্ডল ঝলকয় ছবি উঠত অতি ভালি॥ রজনীক শেষ জানি শ্যামসুন্দরী বৈঠলি সখিগণ সঙ্গ। শ্যাম বয়ন ধনি করহি আগোরল কহইতে রজনীক রঙ্গ॥ হেরি ললিতা তব মৃদু মৃদু হাসত পুলকে রহল তনু ভোরি। পীল বসনে ঝাপি মুখ সুন্দরী লাজে রহল মুখ মোড়ি॥ মুখহি মোড়ি রহল যব সুন্দরী কানু করত তব কোর। আনন্দ মোচনে দাস নরোত্তম হেরত যুগল কিশোর॥ এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী", ২৯৬-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। বলি বলি যাত ললিতা আলি। শ্যাম গোরি মুখমণ্ডল ঝলকই ছবি উঠত অতি ভালি॥ কুসুমিত কুঞ্জ কুটির মনমোহন কুসুমশেজ পর নওল কিশোর। কোকিল মধুকর পঞ্চম গায়ত নব বৃন্দাবন আনন্দ হিলোর॥ রজনীকশেষে জাগি শ্যাম সুন্দরী বৈঠলি সখিগণ সঙ্গ। শ্যামবয়ান ধনি করহিঁ আগোরল কহইতে রজনিক রঙ্গ॥ হেরি ললিতা তব মৃদু মৃদু হাসত পুলকে রহল তনু ভোরি। নীল বসনে তনু ঝাঁপলি সুন্দরি লাজে রহলি মুখ মোরি॥ যব মুখ মোরি রহল তব নাগরি কানু কয়ল পুন কোর। আনন্দ হিলোলে দাস নরোত্তম হেরত যুগল কিশোর॥ . *********** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| কুসুমিত কুঞ্জ কুটির মনমোহন কবি নরোত্তম দাস এই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত, বিমান বিহারী মজুমদার সম্পাদিত “পাঁচশত বত্সরের পদাবলী”, ১৭৫- পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। এই পদটি বিমানবিহারী মুখোপাধ্যায়, গৌরসুন্দর দাসের “কীর্ত্তনানন্দ” থেকে পেয়েছিলেন। এই গ্রন্থটি আমরা হাতে পাই নি। এই পদটি “বলি বলি যাত ললিতা আলি” শিরোনামের পদ, কিছু পাঠান্তর সহ। কিন্তু সেখানে পদের প্রথম দুই পংক্তি, চতুর্থ পংক্তির পরে দেওয়া রয়েছে। এই পদটিকে আমরা একটি স্বতন্ত্র পদ হিসেবে দেওয়ার পাশাপাশি, “বলি বলি যাত ললিতা আলি” শিরোনামের পদটির সঙ্গেও তুলে দিয়েছি পাঠকের সুবিধের জন্য। কুসুমিত কুঞ্জ কুটির মনমোহন কুসুমশেজ পর নওল কিশোর। কোকিল মধুকর পঞ্চম গাবই বন বৃন্দাবন আনন্দ হিলোল॥ বলি বলি জাঙয়ে ললিতা অলি। শ্যাম গোরী মুখমণ্ডল ঝলকয় ছবি উঠত অতি ভালি॥ রজনীক শেষ জানি শ্যামসুন্দরী বৈঠলি সখিগণ সঙ্গ। শ্যাম বয়ন ধনি করহি আগোরল কহইতে রজনীক রঙ্গ॥ হেরি ললিতা তব মৃদু মৃদু হাসত পুলকে রহল তনু ভোরি। পীল বসনে ঝাপি মুখ সুন্দরী লাজে রহল মুখ মোড়ি॥ মুখহি মোড়ি রহল যব সুন্দরী কানু করত তব কোর। আনন্দ মোচনে দাস নরোত্তম হেরত যুগল কিশোর॥ এই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত, বিমান বিহারী মজুমদার সম্পাদিত “ষোড়শ শতাব্দীর পদাবলী সাহিত্য”, ৪৯০-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। কুসুমিত কুঞ্জ কুটির মনমোহন কুসুমশেজ পর নওল কিশোর। কোকিল মধুকর পঞ্চম গাবই বন বৃন্দাবন আনন্দ হিলোল॥ বলি বলি জাঙয়ে ললিতা অলি। শ্যাম গোরী মুখমণ্ডল ঝলকয় ছবি উঠত অতি ভালি॥ রজনীক শেষ জানি শ্যামসুন্দরী বৈঠলি সখিগণ সঙ্গ। শ্যাম বয়ন ধনি করহি আগোরল কহইতে রজনীক রঙ্গ॥ হেরি ললিতা তব মৃদু মৃদু হাসত পুলকে রহল তনু ভোরি। পীল বসনে ঝাপি মুখ সুন্দরী লাজে রহল মুখ মোড়ি॥ মুখহি মোড়ি রহল যব সুন্দরী কানু করত তব কোর। আনন্দ মোচনে দাস নরোত্তম হেরত যুগল কিশোর॥ . *********** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| সজনি বড়ই বিদগধ কান সই গো বড়ই বিনোদিয়া কান সখিরে বড় বিনোদিয়া কান কবি নরোত্তম দাস এই পদটি রাধামোহন ঠাকুর (রাধামোহন দাস) দ্বারা আনুমানিক ১৭২৫ সালে সংকলিত ও বিরচিত এবং ১৮৭৮ সালে, রামনারায়ণ বিদ্যারত্ন দ্বারা সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “পদামৃত সমুদ্র”, ৪১৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ তথা রাগ ধ্রুব তালৌ॥ সজনি বড়ই বিদগধ কান। কহিল নহে সেজে পিরিতি আরতি কসিল হেম দশ বাণ॥ ধ্রু॥ সমুখে রাখি মুখ আঁচরে মোছই অলকা তিলক বনাই। মদন রস ভরে বদন হেরি হেরি অধরে অধর লাগাই॥ কোরে আগোরি রাখই হিয়া পর পালঙ্কে পাশ নাপাই। ও সুখ সাগরে মদন রস ভরে জাগিয়া রজনি পোহাই॥ কেবল রসময় মধুর মুরতি পিরিতি ময় প্রতি অঙ্গ। কহই নরোত্তম যাহার অনুভব সে জানে ও রস রঙ্গ॥ এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল) ২য় খণ্ড, ৩য় শাখা, ৬ষ্ঠ পল্লব, রসোদ্গার, ৬৬৯-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানশী॥ সজনি বড়ই বিদগধ কান। কহিল নহে সে প্রেম-আরতি কষিল হেম দশবাণ॥ ধ্রু॥ সমুখে রাখিয়া মুখ আঁচরে মোছই অলকা তিলকা বনাই। মদন-রসভরে বদন হেরি হেরি অধরে অধর লাগাই॥ কোরে আগোরি রাখই হিয়া পর পালঙ্কে পাশ না পাই। ও সুখ-সাগরে মদন-রসভরে জাগিয়া রজনি গোঙাই॥ কেবল রসময় মধুর মূরতি পিরিতিময় প্রতি অঙ্গ। নরোত্তম দাস কহ যাহার অনুভব সে জানে ও রসরঙ্গ॥ এই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত পদরসসার পুথির পদসংখ্যা-১১৪৪-এ এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো। ॥ ধানশী॥ সজনি বড়ই বিদগধ কান। কহিল নহে সে প্রেম-কাহিনী কষিল হেম দশবাণ॥ ধ্রু॥ সমুখে রাখিয়া মুখ আঁচরে মোছই অলকা তিলকা বনায়ে। মদন-রসভরে বদন হেরি হেরি অধরে অধর লাগয়ে॥ কোরে আগোরই রাখই হিয়া পর পলকে পাশ না পাই। মদন-রসভরে ও সুখ-সাগরে জাগিয়া রজনি পোহাই॥ কেবল রসময় মধুর মূরতি পিরিতিময় প্রতি অঙ্গ। নরোত্তম কহ যাহার অনুভব সে জানে ও রসরঙ্গ॥ এই পদটি ১৮০৭ সালে প্রকাশিত, কমলাকান্ত দাস সংকলিত পদরত্নাকর পুথির ১৩।৪৮ -সংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো। ॥ সুহই॥ সই গো বড়ই বিনোদিয়া কান। কহিল নহে সে প্রেম-আরতি কষিল হেম দশবাণ॥ ধ্রু॥ সমুখে রাখি মুখ আঁচরে মোছই অলকা তিলকা বনায়। মদন-রসভরে বদন হেরি হেরি অধরে অধর লাগায়॥ কোরে আগোরিয়া রাখই হিয়া পর শয়ন পাশ নাহি পায়। নবীন-প্রেমভরে ও রস-সাগরে জাগিয়া রজনি পোহায়॥ কেবল রসময় মধুর মূরতি পিরিতিময় প্রতি অঙ্গ। কহই নরোত্তম যাহার অনুভব সেই সে ঝুরয়ে ইহ রঙ্গ॥ এই পদটি দীনবন্ধু দাস দ্বারা ১৭৭১ সালে সংকলিত এবং ১৯২৯ সালে অমূল্যচরণ বিদ্যাভূষণ দ্বারা সম্পাদিত ও মুদ্রিত পদাবলী সংকলন “সংকীর্ত্তনামৃত”, ১০০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। সজনি বড়ই বিদগধ কাহ্ন। কহিল নহে সে আরতি কষিল হেম কষিল হেম দশবাণ॥ সমুখে রাখি মুখ আচরে মোছই অলকা তিলক বনায়। মদন-রস-ভরে বদন হেরি হেরি অধরে অধর লাগায়ে॥ কোরে আগোরি রাখই হিয়াপর পলকে পাশ না পাই। ও সুখ-সাগরে মদন রসভরে জাগিঞা রজনী পোহাই॥ কেবল রসময় মধুর মুরতি পিরিতময় প্রতি অঙ্গ। নরোত্তম কহে জাহার অনুভব সে জানে ও রস-রঙ্গ॥ এই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত, হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ২৯৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানশী॥ সজনি বড়ই বিদগধ কান। কহিলে নহে সে, প্রেম আরতি, কষিল হেম দশ-বাণ॥ সমুখে রাখিয়া মুখ, আঁচরে মোছই, অলকা তিলকা বনাই। মদন-রস ভরে, বদন নেহারই, অধরে অধর লাগাই॥ কোরে আগোরি, রাখই হিয়া পর, পালঙ্কে পাশ না পাই। ও সুখ সাগরে, মদন-রসভরে, জাগিয়া রজনী গোঙাই॥ কেবল রসময়, মধুর মূরতি, পিরীতিময় প্রতি অঙ্গ। নরোত্তমদাস কহ, যাহার অনুভব, সে জানে ও রসরঙ্গ॥ এই পদটি ১৯০২ সালে রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ২৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। রসোদগার ॥ ধানশী॥ সজনি ! বড়ই বিদগধ কান। কহিল নহে সে, প্রেম আরতি, কষিল হেম দশ-বাণ॥ সমুখে রাখিয়া মুখ, আঁচরে মোছই, অলকা তিলকা বনাই। মদন রস ভরে, বদন হেরি হেরি, অধরে অধর লাগাই॥ কোরে আগোরি, রাখই হিয়া পর, পালঙ্কে পাশ না পাই। ও সুখ সাগরে, মদন রস ভরে, জাগিয়া রজনী গোঙাই॥ কেবল রসময়, মধুর মূরতি, পিরীতি ময় প্রতি অঙ্গ। নরোত্তম দাস কহ, যাহার অনুভব, সে জানে ও রসরঙ্গ॥ এই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৩৮৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানশী॥ সজনি বড়ই বিদগধ কান। কহিল নহে সে, প্রেম আরতি, কষিল হেম দশবাণ॥ সমুখে রাখিয়া মুখ, আঁচরে মোছই, অলকা তিলকা বনাই। মদন-রসভরে, বদন নেহীরই, অধরে অধর লাগাই॥ কোরে আগোরি, রাখই হিয়া পর, পালঙ্কে পাশ না পাই। ও সুখ সাগরে, মদন-রসভরে, জাগিয়া রজনি গোঙাই॥ কেবল রসময়, মধুর মূরতি, পিরীতিময় প্রতি অঙ্গ। নরোত্তম দাস কহ, যাহার অনুভব, সে জানে ও রসভঙ্গ॥ এই পদটি ১৯১৪ সালে সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ১৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানশী॥ সখিরে, বড় বিনোদিয়া কান । কহিল নহে সে, প্রেম আরতি, কষিল হেম দশ-বাণ॥ সমুখে রাখিয়া মুখ, আঁচরে মোছই, অলকা তিলকা বনাই। মদন রস-ভরে, বদন হেরি হেরি, অধরে অধর লাগাই॥ কোরে আগোরি, রাখই হিয়া পর, শয়নে পাশ না পাই। ও সুখ সাগরে, মদন রস ভরে, জাগিয়া রজনী গোঙাই॥ কেবল রসময়, মধুর মূরতি, পিরীতিময় প্রতি অঙ্গ। কহই নরোত্তম যাহার অনুভব, সেই সে বুঝয়ে এহি রঙ্গ॥ এই পদটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত, কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, ”কীর্ত্তন-পদাবলী”, ২৯৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানশী॥ সজনি বড়ই বিদগধ কান । কহিল নহে সে, প্রেম আরতি, কষিল হেম দশবাণ॥ সমুখে রাখিয়া মুখ, আঁচরে মোছাই, অলকা তিলকা বানাই। মদন-রসভরে, বদন নেহারই, অধরে অধর লাগাই॥ কোরে আগোরি, রাখই হিয়া পর, শয়নে পাশ না পাই। ও সুখ-সাগরে, মদন-রসভরে, জাগিয়া রজনী গোঙাই॥ কেবল রসময়, মধুর মূরতি, পিরীতিময় প্রতি অঙ্গ। নরোত্তম দাস কহ, যাহার অনুভব, সে জানে ও রসভঙ্গ॥ এই পদটি ১৯৩৭-৫৩ খৃষ্টাব্দের সময়কালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ২য় খণ্ড, মানপ্রকরণ, ৬০০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বিভাস - মধ্যম একতালা॥ সজনি বড়ই বিদগধ কান। কহিল নহে সে প্রেম আরতি কষিল হেম দশবাণ॥ ধ্রু॥ সমুখে রাখিয়া মুখ আচরে মোছই অলকা তিলকা বনাই। মদন রসভরে বদন হেরি হেরি অধরে অধর লাগাই॥ কোরে আগোরি রাখই হিয়া পর পালঙ্কে পাশ না পাই। ও সুখ-সাগরে মদন রস ভরে জাগিয়া রজনি গোঙাই॥ কেবল রসময় মধুর মূরতি পিরিতিময় প্রতি অঙ্গ। নরোত্তম দাস কহ যাহার অনুভব সে জানে ও রস রঙ্গ॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৫৫৪-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। রসোদ্গার ॥ ধানশী॥ সজনি বড়ই বিদগধ কান। কহিল নহে সে প্রেম আরতি কষিল হেম দশবাণ॥ ধ্রু॥ সমুখে রাখিয়া মুখ আঁচরে মোছই অলকা তিলকা বনাই। মদনরসভরে বদন হেরি হেরি অধরে অধর লাগাই॥ কোরে আগোরি রাখই হিয়া পর পালঙ্কে পাশ না পাই। ও সুখসাগরে মদনরসভরে জাগিয়া রজনি গোঙাই॥ কেবল রসময় মধুর মূরতি পিরীতিময় প্রতি অঙ্গ। নরোত্তম দাস কহ যাহার অনুভব সে জানে ও রসরঙ্গ॥ এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী", ৩০০-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। সজনি বড়ই বিদগধ কান। কহিল নহে সে প্রেম আরতি কষিল হেম দশবাণ॥ ধ্রু॥ সমুখে রাখিয়া মুখ আঁচরে মোছই অলকা তিলকা বনাই। মদনরসভরে বদন হেরি হেরি অধরে অধর লাগাই॥ কোরে আগোরি রাখই হিয়া পর পালঙ্কে পাশ না পাই। ও সুখসাগরে মদনরসভরে জাগিয়া রজনি গোঙাই॥ কেবল রসময় মধুর মূরতি পিরীতিময় প্রতি অঙ্গ। নরোত্তম দাস কহ যাহার অনুভব সে জানে ও রসরঙ্গ॥ . *********** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| মাধব হামারি বিদায় পায়ে তোর কবি নরোত্তম দাস এই পদটি ১৯০২ সালে রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৩৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বিভাষ॥ মাধব হামারি বিদায় পায়ে তোর। তোহারি প্রেম লাগি, পুন চলি যাওব, অব দরশন নাহি মোর॥ ধ্রু॥ কহইতে রাই বচন ভেল গদ গদ, শুনইতে আকুল কান। দুহুঁ মুখ হেরইতে, দুহুঁ দিঠি ঝর ঝর, শাঙন জলদ সমান॥ এত বলি সুন্দরী, পাওল নিজ মন্দিরে, নিচোলে রহু অতি ভোর। দাস নরোত্তম, হেরই অপরূপ, পীত নিচোলে তনু জোর॥ এই পদটি ১৯১৪ সালে সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ২২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বিভাষ॥ মাধব হামারি বিদায় পায়ে তোর। তোহারি প্রেম লাগি, পুন চলি যাওব, অব দরশন নাহি মোর॥ ধ্রু॥ কহইতে রাই বচন ভেল গদ গদ, শুনইতে আকুল কান। দুহুঁ মুখ হেরইতে, দুহুঁ দিঠি ঝর ঝর, শাঙন জলদ সমান॥ এত বলি সুন্দরী, পাওল নিজ মন্দিরে, নিচোলে রহু অতি ভোর। দাস নরোত্তম, হেরই অপরূপ, পীত নিচোলে তনু জোর॥ এই পদটি আনুমানিক ১৯২৬ সালে, সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত “অপ্রকাশিত পদরত্নাবলী” গ্রন্থের ১০৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। এই পদটি ১৮০৭ সালে প্রকাশিত কমলাকান্ত দাস সংকলিত “পদরত্নাকর” পুথির পদ। কুঞ্জ-ভঙ্গ ॥ ভৈরবী॥ মাধব হামারি বিদায় পায়ে তোর। তুহারি প্রেম লাগি পুন চলি যাওব অব দরশন নাহি মোর॥ ধ্রু॥ কহইতে রাই বচন ভেল গদ গদ শুনইতে আকুল কান। দুহুঁ-মুখ হেরইতে দুহুঁ দিঠি ঝরঝর শাঙন জলদ-সমান॥ এত বলি সুন্দরি পাওল নিজ মন্দির নীচলে রহু অতি ভোর। দাস নরোত্তম হেরই অপরূপ পীত নিচোলে তনু জোর॥ . *********** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |