| কবি নরোত্তম দাস-এর পদাবলী |
| ও মুখ শরদ সুধাকর সুন্দর কবি নরোত্তম দাস এই পদটি উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, দ্বিজ মাধব সংকলিত, ১৯৮২ সালে প্রকাশিত, বিশ্বভারতীর গ্রন্থশালায় রক্ষিত, ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, ৮৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ও মুখ শরদ সুধাকর সুন্দর ইহ নলিনিদল গুঞ্জে। ও তনু নবঘন সুন্দর বঞ্চিত ইহ থীর বিজরিপুঞ্জে॥ দেখ রাধা মাধব জোরি। দুহুক পরস রসে দুহু পুলকিত দুহে দোহা রহল আগৌরি॥ ও নব নাগর সব গুণ আগোর ইহ কলাবতী সীম। ওহ অতি চতুর শিরোমণি বিদদএ সব গুণহি গরীম॥ মধুর বৃন্দাবনে শ্যাম গৌরী তনু দুহু নব কিশোরী কিশোর। নরোত্তম দাস আশ চরণে রহু শ্রীবল্লভ ভোর॥ এই পদটি ১৯০২ সালে রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৫৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ মঙ্গল॥ ও মুখ শরদ, সুধাকর সুন্দর, ইহ নলিনী দল গঞ্জে। ও তনু নব ঘন, সুন্দর রঞ্জিত, ইহ থির দামিনী পুঞ্জে॥ দেখ রাধা মাধব জোরি। দুহুঁক পরশ রসে, দুহুঁ পুলকাইত, দুহুঁ দোঁহা রহল আগোরি॥ ও নব নাগর, সব গুণ আগোর, ইহ সে কলাবতী সীম। ও অতি চতুর, শিরোমণি বিদগধ, এ সব গুণহি গরীম॥ মধুর বৃন্দাবনে, শ্যাম গোরী তনু, দুহুঁ নব কিশোরী কিশোর। নরোত্তম দাস, আশ চরণে রহুঁ, শ্রীবল্লভ মন ভোর॥ এই পদটি ১৯১৪ সালে সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৩৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ মঙ্গল॥ ও মুখ শরদ, সুধাকর সুন্দর, ইহ নলিনী দল গঞ্জে। ও তনু নব ঘন, সুন্দর রঞ্জিত, ইহ থির দামিনী পুঞ্জে॥ দেখ রাধা মাধব জোরি। দুহুঁক পরশ রসে, দুহুঁ পুলকাইত, দুহুঁ দোঁহা রহল আগোরি॥ ও নব নাগর, সব গুণ আগোর, ইহ সে কলাবতী সীম। ও অতি চতুর, শিরোমণি বিদগধ, এ সব গুণহি গরীম॥ মধুর বৃন্দাবনে, শ্যাম গোরী তনু, দুহুঁ নব কিশোরী কিশোর। নরোত্তম দাস, আশ চরণে রহুঁ, শ্রীবল্লভ মন ভোর॥ এই পদটি ১৯৩৭-৫৩ খৃষ্টাব্দের সময়কালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ১ম খণ্ড, রূপানুরাগ, ৪৮৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ জয়জয়ন্তী - দুঠুকী॥ ও মুখ শরদ সুধাকর সুন্দর ইহ নলিনীদল গঞ্জে। ও তনু নব ঘন সুন্দর রঞ্জিত ইহ থির দামিনী-পুঞ্জে॥ দেখ রাধামাধব জোরি। দুহুঁক পরশ রসে দুহুঁ পুলকাইত দুহুঁ দোঁহা রহল আগোরি॥ ধ্রু॥ ও নব নাগর সব গুণ আগোর ইহ যে কলাবতী-সীম। ও অতি চতুর শিরোমণি বিদগধ, এসব গুণহিঁ গরিম॥ মধুর বৃন্দাবনে শ্যামগোরী তনু দুহুঁ নব কিশোরী কিশোর। নরোত্তম দাস আশ চরণে রহু শ্রীবল্লভ মন ভোর॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৫৫৩-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। যুগল রূপ ॥ মঙ্গল॥ ও মুখ শরদ সুধাকর সুন্দর ইহ নলিনীদল গঞ্জে। ও তনু নবঘন সুন্দর রঞ্জিত ইহ থির দামিনীপুঞ্জে॥ দেখ রাধা মাধব জোড়ি। দুহুঁক পরশ রসে দুহুঁ পুলকাইত দুহুঁ দোহাঁ রহল আগোরি॥ ও নব নাগর সব গুণ আগোর ইহ সে কলাবতী সীম। ও অতি চতুর শিরোমণি বিদগধ এ সব গুণহি গরীম॥ মধুর বৃন্দাবনে শ্যাম গোরী তনু দুহুঁ নব কিশোরী কিশোর। নরোত্তম দাস আশ চরণে রহুঁ শ্রীবল্লভ মন ভোর॥ এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী", ২৮৭-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ও মুখ শরদ সুধাকর সুন্দর ইহ নলিনীদল গঞ্জে। ও তনু নবঘন সুন্দর রঞ্জিত ইহ থির দামিনীপুঞ্জে॥ দেখ রাধা মাধব জোড়ি। দুহুঁক পরশ রসে দুহুঁ পুলকাইত দুহুঁ দোঁহা রহল আগোরি॥ ও নব নাগর সব গুণ আগোর ইহ সে কলাবতী সীম। ও অতি চতুর শিরোমণি বিদগধ এ সব গুণহি গরীম॥ মধুর বৃন্দাবনে শ্যাম গৌরী তনু দুহুঁ নব কিশোরী কিশোর। নরোত্তম দাস আশ চরণে রহুঁ শ্রীবল্লভ মন ভোর॥ . *********** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| রাই অঙ্গ ছটায় উদিত ভেল দশদিশ রাখ অঙ্গ ছটায় উদিত ভেল দশদিশ রাগ-অঙ্গ ছটায় উদিত ভেল দশদিশ কবি নরোত্তম দাস এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল) ২য় খণ্ড, ৩য় শাখা, ৪র্থ পল্লব, স্বয়ং-দৌত্য-সম্ভোগ, ৬৫১-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কন্দর্প তাল॥ রাই-অঙ্গ-ছটায় উদিত ভেল দশ দিশ শ্যাম ভেল গৌর-আকার। গৌর ভেল সখীগণ গৌর নিকুঞ্জ বন রাই রূপে চৌদিগে পাথার॥ গৌর ভেল শুক সারী গৌর ভ্রমর ভ্রমরী গৌর পাখী ডাকে ডালে ডালে। গৌর কোকিলগণ গৌর ভেল বৃন্দাবন গৌর তরু গৌর ফল-ফুলে॥ গৌর যমুনা-জল গৌর ভেল জলচর গৌর সারস চক্রবাক। গৌর আকাশ দেখি গৌর চান্দ তার সাথী গৌর তারা বেড়ি লাখে লাখ॥ গৌর অবনী হৈল গৌরময় সব ভেল রাই রূপে চৌদিগ ঝাঁপিত। নরোত্তম দাস কয় অপরূপ রূপ নয় দুহুঁ তনু একই মিলিত॥ টীকা - ১ - ২। রাই-অঙ্গ ইত্যাদি। পদকর্ত্তা নরেত্তম দাস রাই-অঙ্গ-ছটায় ইত্যাদি বাক্যের ইঙ্গত দ্বারা বুঝাইয়াছেন যে, শ্রীরাধার ভাব-কান্তি সমন্বিত হইয়া শ্রীকৃষ্ণ অতঃপর যে শ্রীগৌরাঙ্গ-রূপে প্রাদুর্ভুত হইবেন, এখানে তাহারই পূর্ব্বাভাস সূচিত হইয়াছে। তুলনা করুন,--- “রাধা-ভাব-দ্যুতি-সুবলিতং নৌমি কৃষ্ণস্বরূপম্।” . ---শ্রীরূপগোস্বামীর কড়চা। ---সতীশচন্দ্র রায়, শ্রীশ্রীপদকল্পতরু॥ এই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত পদরসসার পুথির পদসংখ্যা-১১২৬-এ এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো। ॥ কন্দর্প তাল॥ রাই-অঙ্গ-ছটায় উদিত ভেল দশ দিশ শ্যাম ভেল গৌর-আকার। গৌর ভেল সখীগণ গৌর নিকুঞ্জ বন রাই রূপে চৌদিগে পাথার॥ গৌর ভেল শুক সারী গৌর ভ্রমর ভ্রমরী গৌর পাখী ডাকে ডালে ডালে। গৌর কোকিলগণ গৌর ভেল বৃন্দাবন গৌর তরু গৌর ফল-ফুলে॥ গৌর যমুনা-জল গৌর ভেল জলচর গৌর সারস চক্রবাক। গৌর আকাশ দেখি গৌর চান্দ তার সাথী গৌর তারা বেড়ি লাখে লাখ॥ গৌর অবনী হৈল গৌরময় সব ভেল রাই রূপে চৌদিগ রোপিত। নরোত্তম দাস কয় অপরূপ রূপ নয় দুহুঁ তনু একই মিলিত॥ এই পদটি উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, দ্বিজ মাধব সংকলিত, ১৯৮২ সালে প্রকাশিত, বিশ্বভারতীর গ্রন্থশালায় রক্ষিত, ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, ১৭৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। রাই অঙ্গ ছটায় উদিত ভেল দশ দিশ শ্যাম ভেল গৌর আকার। গৌর ভেল সখীগণ গৌর নিকুঞ্জবন রাইরূপে চৌদিকে পাথার॥ গৌর ভেল শুক সারী গৌর ভ্রমর ভ্রমরী গৌর পাখী ডাকে ডালে ডালে। গৌর কোকিলগণ গৌর ভেল বৃন্দাবন গৌর তরু গৌর ফল ফুলে॥ গৌর যমুনার জল গৌর ভেল জলচর গৌর সারস চক্রবাক। গৌর আকাশ দেখি গৌর চাঁন্দ তারা সখী গৌর তারা বেড়ি লাখে লাখ॥ গৌর অবনী হইল গৌরময় সব ভেল রাইরূপে চৌদিক ঝাপিত। নরোত্তম দাসে কয় অপরূপ লয় দোহ তনু একই মিলিত॥ এই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত, হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ২৯৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ শ্রীরাগ - কন্দর্প তাল॥ রাই অঙ্গ ছটায়, উদিত ভেল দশদিশ, শ্যাম ভেল গৌর-আকার। গৌর ভেল সখীগণ, গৌর নিকুঞ্জ বন, রাই রূপে চৌদিগে পাথার॥ গৌর ভেল শুক সারী, গৌর ভ্রমর ভ্রমরী, গৌর পাখী ডাকে ডালে ডালে। গৌর কোকিলগণ, গৌর ভেল বৃন্দাবন, গৌর তরু গৌর ফল ফুলে॥ গৌর যমুনাজল, গৌর ভেল জলচর, গৌর সারস চক্রবাক। গৌর আকাশ দেখি, গোরাচাঁদ তার সাথী, গৌর তারা বেড়ি লাখে লাখ॥ গৌর অবনী হৈল, গৌরময় সব ভেল, রাই রূপে চৌদিক ঝাঁপিত। নরোত্তম দাস কয়, অপরূপ রূপ নয়, দুহুঁ তনু একই মিলিত॥ এই পদটি ১৯০২ সালে রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৫৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ শ্রীরাগ॥ রাই অঙ্গ ছটায়, উদিত ভেল দশদিশ, শ্যাম ভেল গৌর-আকার। গৌর ভেল সখীগণ, গৌর নিকুঞ্জ বন, রাই রূপে চৌদিগে পাথার॥ গৌর ভেল শুক সারী, গৌর ভ্রমর ভ্রমরী, গৌর পাখী ডাকে ডালে ডালে। গৌর কোকিলগণ, গৌর ভেল বৃন্দাবন, গৌর তরু গৌর ফল ফুলে॥ গৌর যমুনা জল, গৌর ভেল জলচর, গৌর সারস চক্রবাক। গৌর আকাশ দেখি, গোরাচাঁদ তার সাথী, গৌর তারা বেড়ি লাখে লাখ॥ গৌর অবনী হৈল, গৌর ময় সব ভেল, রাই রূপে চৌদিক ঝাঁপিত। নরোত্তম দাস কয়, অপরূপ রূপ নয়, দুহুঁ তনু একই মিলিত॥ এই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৩৮৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ শ্রীরাগ - কন্দর্পতাল॥ রাখ-অঙ্গ ছটায়, উদিত ভেল দশদিশ, শ্যাম ভেল গৌর আকার। গৌর ভেল সখীগণ, গৌর নিকুঞ্জ বন, রাই রূপে চৌদিকে পাথার॥ গৌর ভেল শুক সারী, গৌর ভ্রমর ভ্রমরী, গৌরপাখী ডাকে ডালে ডালে। গৌর কোকিলগণ, গৌর ভেল বৃন্দাবন, গৌর তরু গৌর ফল ফুলে॥ গৌর যমুনাজল, গৌর ভেল জলচর, গৌর সারস চক্রবাক। গৌর আকাশ দেখি, গোরাচাঁদ তার সাখী, গৌর তার বেড়ি লাখে লাখ॥ গৌর অবনী হৈল, গৌরময় সব ভেল, রাই রূপে চৌদিগ ঝাঁপিত। নরোত্তমদাস কয়, অপরূপ রূপ নয়, দুহুঁ তনু একই মিলিত॥ এই পদটি ১৯১৪ সালে সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৩৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ শ্রীরাগ॥ রাই অঙ্গ ছটায়, উদিত ভেল দশদিশ, শ্যাম ভেল গৌর-আকার। গৌর ভেল সখীগণ, গৌর নিকুঞ্জ বন, রাই রূপে চৌদিগে পাথার॥ গৌর ভেল শুক সারী, গৌর ভ্রমর ভ্রমরী, গৌর পাখী ডাকে ডালে ডালে। গৌর কোকিলগণ, গৌর ভেল বৃন্দাবন, গৌর তরু গৌর ফল ফুলে॥ গৌর যমুনা জল, গৌর ভেল জলচর, গৌর সারস চক্রবাক। গৌর আকাশ দেখি, গোরাচাঁদ তার সাথী, গৌর তারা বেড়ি লাখে লাখ॥ গৌর অবনী হৈল, গৌর ময় সব ভেল, রাই রূপে চৌদিক ঝাঁপিত। নরোত্তম দাস কয়, অপরূপ রূপ নয়, দুহুঁ তনু একই মিলিত॥ এই পদটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত, হরিলাল চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীপদরত্ন-মালা”, ১১৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ শ্রীরাগ॥ রাই অঙ্গ ছটায় উদিত ভেল দশ দিশ শ্যাম ভেল গৌর আকার। গৌর ভেল সখীগণ গৌর নিকুঞ্জবন রাইরূপ চৌদিক পাথার॥ গৌর ভেল শুক সারী গৌর ভ্রমর ভ্রমরী গৌরপাখী ডাকে ডালে ডালে। গৌর কোকিলগণ গৌর ভেল বৃন্দাবন গৌর তরু গৌর ফল ফুলে॥ গৌর যমুনা জল গৌর ভেল জলচর গৌর সারস চক্রবাক। গৌর আকাশ দেখি গোঁরচাঁদ তার সাথী গৌর তারা বেড়ি লাখে লাখ॥ গৌর অবনী হৈল গৌরময় সব হৈল রাই নামে চৌদিক ঝাঁপিত। নরোত্তম দাস কয় অপরূপ রূপ নয় দুহুঁ তনু একই মিলিত॥ এই পদটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত, কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, ”কীর্ত্তন-পদাবলী”, ২৯২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ শ্রীরাগ - কন্দর্পতাল॥ রাখ-অঙ্গ ছটায়, উদিত ভেল দশদিশ, শ্যাম ভেল গৌর আকার। গৌর ভেল সখীগণ, গৌর নিকুঞ্জ বন, রাই রূপে চৌদিকে পাথার॥ গৌর ভেল শুক সারী, গৌর ভ্রমর ভ্রমরী, গৌরপাখী ডাকে ডালে ডালে। গৌর কোকিলগণ, গৌর ভেল বৃন্দাবন, গৌর তরু গৌর ফল ফুলে॥ গৌর যমুনাজল, গৌর ভেল জলচর, গৌর সারস চক্রবাক। গৌর আকাশ দেখি, গোরাচাঁদ তার সাখী, গৌর তার বেড়ি লাখে লাখ॥ গৌর অবনী হৈল, গৌরময় সব ভেল, রাই রূপে চৌদিক ঝাঁপিত। নরোত্তমদাস কয়, অপরূপ রূপ নয়, দুহুঁ তনু একই মিলিত॥ এই পদটি ১৯২৪ সালে প্রকাশিত, দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি”, ২৫৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। অভিসারিকা [ দিনানন্তরে ] ॥ তথা রাগ॥ রাই অঙ্গ ছটায় উদিত ভেল দশ দিশ শ্যাম ভেল গৌর-আকার। গৌর ভেল সখীগণ গৌর নিকুঞ্জ-বন রাই-রূপে চৌদিগে পাথার॥ গৌর ভেল শুক সারী গৌর ভ্রমর ভ্রমরী গৌর পাখী ডাকে ডালে ডালে। গৌর কোকিলগণ গৌর ভেল বৃন্দাবন গৌর তরু গৌর ফল ফুলে॥ গৌর যমুনা-জল গৌর ভেল জলচর গৌর সারস চক্রবাক। গৌর আকাশ দেখি গৌর চাঁদ তার সাখী গৌর তারা বেড়ি লাখে লাখ॥ গৌর অবনী হৈল গৌরময় সব ভেল রাই-রূপে চৌদিগ ঝাঁপিত। নরোত্তম দাস কয় অপরূপ রূপ নয় দুহুঁ তনু একই মিলিত॥ এই পদটি ১৯২৪ সালে প্রকাশিত, দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি”, ৩২২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। অভিসারিকা ॥ শ্রীরাগ॥ রাই-অঙ্গ ছটায় উদিত ভেল দশ দিশ শ্যাম ভেল গৌর আকার। গৌর ভেল সখীগণ গৌর নিকুঞ্জ বন রাই-রূপে চৌদিকে পাথার॥ গৌর ভেল শুক শারী গৌর ভ্রমরা ভ্রমরী গৌর পাখী ডাকে ডালে ডালে। গৌর কোকিলগণ গৌর ভেল বৃন্দাবন গৌর তরু গৌর ফল ফুলে॥ গৌর যমুনাজল গৌর ভেল জলচর গৌর সারস চক্রবাক। গৌর আকাশ দেখি গৌর চাঁদ তার সাখী গৌর তারা বেড়ি লাখে লাখ॥ গৌর অবনী হৈল গৌরময় সব ভেল রাই-রূপে চৌদিক ঝাঁপিত। নরোত্তমদাসে কয় অপরূপ রূপ নয় দুহুঁ তনু একই মিলিত॥ এই পদটি ১৯৪৫ সালে প্রকাশিত, বিভূতিভূষণ মিত্র সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “কাব্য-রত্নমালা”, ২৪৯-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ শ্রীরাগ - কন্দর্পতাল॥ রাই অঙ্গ ছটায় উদিত ভেল দশদিশ শ্যাম ভেল গৌর আকার। গৌর ভেল সখীগণ গৌর নিকুঞ্জ বন রাই রূপে চৌদিগে পাথার॥ গৌর ভেল শুক সারী গৌর ভ্রমর ভ্রমরী গৌর পাখী ডাকে ডালে ডালে। গৌর কোকিলগণ গৌর ভেল বৃন্দাবন গৌর তরু গৌর ফল ফুলে॥ গৌর যমুনা জল গৌর ভেল জলচর গৌর সারস চক্রবাক। গৌর আকাশ দেখি গৌর চান্দ তার সাখী গৌর তার বেড়ি লাখে লাখ॥ গৌর অবনী হৈল গৌরময় সব ভেল রাই রূপে চৌদিক ঝাঁপিত। নরোত্তম দাস কয় অপরূপ রূপ নয় দুহুঁ তনু একই মিলিত॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৫৫৩-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। যুগলমিলিত শ্রীগৌরাঙ্গ ॥ তথারাগ - কন্দর্প তাল॥ রাইঅঙ্গ ছটায় উদিত ভেল দশ দিশ শ্যাম ভেল গৌর-আকার। গৌর ভেল সখীগণ গৌর নিকুঞ্জ বনে রাই রূপে চৌদিগে পাথার॥ গৌর ভেল শুক সারী গৌর ভ্রমর ভ্রমরী গৌর পাখী ডাকে ডালে ডালে। গৌর কোকিলগণ গৌর ভেল বৃন্দাবন গৌর তরু গৌর ফল-ফুলে॥ গৌর যমুনা-জল গৌর ভেল জলচর গৌর সারস চক্রবাক। গৌর আকাশ দেখি গৌর চান্দ তার সাখী গৌর তারা বেড়ি লাখে লাখ॥ গৌর অবনী হৈল গৌরময় সব ভেল রাই রূপে চৌদিগ ঝাঁপিত। নরোত্তম দাস কয় অপরূপ রূপ নয় দুহুঁ তনু একই মিলিত॥ এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী", ২৯৮-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। রাইঅঙ্গ ছটায় উদিত ভেল দশ দিশ শ্যাম ভেল গৌর আকার। গৌর ভেল সখীগণ গৌর নিকুঞ্জ বনে রাই রূপে চৌদিকে পাথার॥ গৌর ভেল শুক সারী গৌর ভ্রমর ভ্রমরী গৌর পাখী ডাকে ডালে ডালে। গৌর কোকিলগণ গৌর ভেল বৃন্দাবন গৌর তরু গৌর ফল ফুলে॥ গৌর যমুনা-জল গৌর ভেল জলচর গৌর সারস চক্রবাক। গৌর আকাশ দেখি গৌর চান্দ তার সাখী গৌর তারা বেড়ি লাখে লাখ॥ গৌর অবনী হৈল গৌরময় সব ভেল রাই রূপে চৌদিগ ঝাঁপিত। নরোত্তম দাস কয় অপরূপ রূপ নয় দুহুঁ তনু একই মিলিত॥ . *********** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| বড় শেল মরমে রহিল হরি হরি বড় শেল মরমে রহিল কবি নরোত্তম দাস এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল) ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ শাখা-২য় ভাগ, ৩৬শ পল্লব, প্রার্থনা, ২৯৯৬-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। এই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ২৫০৫-পদসংখ্যায় এই রূপেই দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো। ॥ তথা রাগ॥ বড় শেল মরমে রহিল। পাইয়া দুর্ল্লভ তনু শ্রীগুরু চরণ বিনু জন্ম মোর বিফল হইল॥ ধ্রু॥ ব্রজেন্দ্র-নন্দন হরি নবদ্বীপে অবতরি জগত ভরিয়া প্রেম দিল। মুঞি সে পামর-মতি বিশেষে কঠিন অতি তেঞি মোরে করুণা নহিল॥ শ্রীরূপ স্বরূপ সাথ সনাতন রঘুনাথ তাহাতে নহিল মোর মতি। বৃন্দাবন রস-ধাম চিন্তামণি যার নাম সেহো ধামে না কৈলুঁ বসতি॥ বিশেষে বিষয়ে রতি নহিল বৈষ্ণবে মতি নিরবধি ঢেউ উঠে মনে। নরোত্তম দাস কয় জীবার উচিত নয় শ্রীগুরু-বৈষ্ণব-সেবা বিনে॥ এই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত, হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ৩০৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ শ্রীগান্ধার॥ বড় শেল মরমে রহিল। পাইয়া দুর্লভ তনু, শ্রীগুরু-চরণ বিনু, জন্ম মোর বিফল হইল॥ ব্রজেন্দ্র-নন্দন হরি, নবদ্বীপে অবতরি, জগৎ ভরিয়া প্রেম দিল। মুঞি সে পামরমতি, বিশেষে কঠিন অতি, তেঁই মোরে করুণা নহিল॥ শ্রীরূপ স্বরূপ সাথ, সনাতন রঘুনাথ, তাহাতে নহিল মোর মতি। বৃন্দাবন রস-ধাম, চিন্তামণি যার নাম, সেহো ধামে না কৈল বসতি॥ বিশেষ বিষয়ে রতি, নহিল বৈষ্ণবে মতি, নিরবধি ঢেউ উঠে মনে। নরোত্তমদাস কয়, জীবের উচিত নয়, শ্রীগুরু-বৈষ্ণব সেবা বিনে॥ এই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত, হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ৩০৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। হরি হরি বড় শেল মরমে রহিল। পাইয়া দুর্লভ তনু, শ্রীকৃষ্ণ ভজন বিনু, জন্ম মোর বিফল হইল॥ ব্রজেন্দ্রনন্দন হরি, নবদ্বীপে অবতরি, জগৎ ভরিয়া প্রেম দিল। মুঞি সে পামরমতি, বিশেষে কঠিন অতি, তেঁই মোরে করুণা নহিল॥ স্বরূপ সনাতর রূপ, রঘুনাথ ভট্টযুগ, তাহাতে না হৈল মোর মতি। দিব্য চিন্তামণি ধাম বৃন্দাবন হেন স্থান, সেহ ধামে না কৈনু বসতি॥ বিশেষ বিষয়ে মতি, নহিলে বৈষ্ণবে রতি, নিরন্তর খেদ উঠে মনে। নরোত্তমদাস কহে, জীবার উচিত নহে, শ্রীগুরুবৈষ্ণব সেবা বিনে॥ এই পদটি ১৯০২ সালে রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৫৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। প্রার্থনা ॥ শ্রীগান্ধার॥ বড় শেল মরমে রহিল। পাইয়া দুর্ল্লভ তনু, শ্রীগুরু চরণ বিনু, জন্ম মোর বিফল হইল॥ ব্রজেন্দ্র নন্দন হরি, নবদ্বীপে অবতরি, জগৎ ভরিয়া প্রেম দিল। মুঞি সে পামর মতি, বিশেষে কঠিন অতি, তেঁই মোরে করুণা নহিল॥ শ্রীরূপ স্বরূপ সাথ, সনাতন রঘুনাথ, তাহাতে নহিল মোর মতি। বৃন্দাবন রস ধাম, চিন্তামণি যার নাম, সেহো ধামে না কৈল বসতি॥ বিশেষ বিষয়ে রতি, নহিল বৈষ্ণবে মতি, নিরবধি ঢেউ উঠে মনে। নরোত্তম দাস কয়, জীবের উচিত নয়, শ্রীগুরু বৈষ্ণব সেবা বিনে॥ এই পদটি ১৯০২ সালে রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৮৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ শ্রীগান্ধার॥ হরি হরি বড় শেল মরমে রহিল। পাইয়া দুর্ল্লভ তনু, শ্রীকৃষ্ণ ভজন বিনু জন্ম মোর বিফল হইল॥ ব্রজেন্দ্র নন্দন হরি, নবদ্বীপে অবতরি, জগত ভরিয়া প্রেম দিল। মুঞি সে পামর মতি, বিশেষে কঠিন অতি, তেঁই মোরে করুণা নহিল॥ স্বরূপ সনাতন রূপ, রঘুনাথ ভট্ট যুগ, তাহাতে না হৈল মোর মতি। দিব্য চিন্তামণি ধাম, বৃন্দাবন হেন স্থান, সেহো ধামে না কৈনু বসতি॥ বিশেষে বিষয়ে রতি, নহিল বৈষ্ণবে মতি, নিরন্তর খেদ উঠে মনে। নরোত্তম দাস কহে, জীবার উচিত নহে, শ্রীগুরু বৈষ্ণব সেবা বিনে॥ এই পদটি ১৯১৪ সালে সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৩৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ শ্রীগান্ধার॥ বড় শেল মরমে রহিল। পাইয়া দুর্ল্লভ তনু, শ্রীগুরু চরণ বিনু, জন্ম মোর বিফল হইল॥ ব্রজেন্দ্র নন্দন হরি, নবদ্বীপে অবতরি, জগৎ ভরিয়া প্রেম দিল। মুঞি সে পামর মতি, বিশেষে কঠিন অতি, তেঁই মোরে করুণা নহিল॥ শ্রীরূপ স্বরূপ সাথ, সনাতন রঘুনাথ, তাহাতে নহিল মোর মতি। বৃন্দাবন রস ধাম, চিন্তামণি যার নাম, সেহো ধামে না কৈল বসতি॥ বিশেষ বিষয়ে রতি, নহিল বৈষ্ণবে মতি, নিরবধি ঢেউ উঠে মনে। নরোত্তম দাস কয়, জীবের উচিত নয়, শ্রীগুরু বৈষ্ণব সেবা বিনে॥ এই পদটি ১৯১৪ সালে সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৫৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ শ্রীগান্ধার॥ হরি হরি বড় শেল মরমে রহিল। পাইয়া দুর্ল্লভ তনু, শ্রীকৃষ্ণ ভজন বিনু জন্ম মোর বিফল হইল॥ ব্রজেন্দ্র নন্দন হরি, নবদ্বীপে অবতরি, জগত ভরিয়া প্রেম দিল। মুঞি সে পামর মতি, বিশেষে কঠিন অতি, তেঁই মোরে করুণা নহিল॥ স্বরূপ সনাতন রূপ, রঘুনাথ ভট্ট-যুগ, তাহাতে না হৈল মোর মতি। দিব্য চিন্তামণি ধাম, বৃন্দাবন হেন নাম, হেন স্থানে নহিল বসতি॥ বিশেষে বিষয়ে রতি, নহিল বৈষ্ণবে মতি, নিরন্তর খেদ উঠে মনে। নরোত্তম দাস কহে, জীবের উচিত নহে, শ্রীগুরু বৈষ্ণব সেবা বিনে॥ এই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৩৮৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ শ্রীগান্ধার॥ বড় শেল মরমে রহিল। পাইয়া দুর্ল্লভ তনু, শ্রীগুরু-চরণ বিনু, জন্ম মোর বিফল হইল॥ ব্রজেন্দ্র-নন্দন হরি, নবদ্বীপে অবতরি, জগৎ ভরিয়া প্রেম দিল। মুঞি সে পামরমতি, বিশেষে কঠিন অতি, তেঁই মোরে করুণা নহিল॥ শ্রীরূপ স্বরূপ সাথ, সনাতন রঘুনাথ, তাহাতে নহিল মোর মতি। বৃন্দাবন রসধাম, চিন্তামণি যার নাম, সেহো ধামে না কৈল বসতি॥ বিশেষ বিষয়ে রতি, নহিল বৈষ্ণবে মতি, নিরবধি ঢেউ উঠে মনে। নরোত্তমদাস কয়, জীবের উচিত নয়, শ্রীগুরু-বৈষ্ণব সেবা বিনে॥ এই পদটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত, কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, ”কীর্ত্তন-পদাবলী”, ২৯৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ শ্রীগান্ধার॥ বড় শেল মরমে রহিল। পাইয়া দুর্লভ তনু, শ্রীগুরু-চরণ বিনু, জন্ম মোর বিফল হইল॥ ব্রজেন্দ্র-নন্দন হরি, নবদ্বীপে অবতরি, জগৎ ভরিয়া প্রেম দিল। মুঞি সে পামরমতি, বিশেষে কঠিন অতি, তেঁই মোরে করুণা নহিল॥ শ্রীরূপ স্বরূপ সাথ, সনাতন রঘুনাথ, তাহাতে নহিল মোর মতি। বৃন্দাবন রসধাম, চিন্তামণি যার নাম, সেহো ধামে না কৈল বসতি॥ বিশেষ বিষয়ে রতি, নহিল বৈষ্ণবে মতি, নিরবধি ঢেউ উঠে মনে। নরোত্তমদাস কয়, জীবের উচিত নয়, শ্রীগুরু-বৈষ্ণব সেবা বিনে॥ এই পদটি ১৯৩০ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী নিত্যস্বরূপ সম্পাদিত, “শ্রীহরি সাধক-কণ্ঠহার”, ১৯২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। পুনশ্চ সদৈন্য-বিলাপঃ। হরি হরি! বড় শেল মরমে রহিল। পাইয়া দুর্লভ তনু, শ্রীকৃষ্ণ ভজন বিনু, জন্ম মোর বিফল হইল॥ ব্রজেন্দ্রনন্দন হরি, নবদ্বীপে অবতরি, জগৎ ভরিয়া প্রেম দিল। মুঞি সে পামর মতি, বিশেষে কঠিন অতি, তেঁই মোরে করুণা নহিল॥ স্বরূপ সনাতন রূপ, রঘুনাথ ভট্টযুগ, তাহাতে না হৈল মোর মতি। দিব্য চিন্তামণি-ধাম, বৃন্দাবন হেন স্থান, সেই ধামে না কৈনু বসতি॥ বিশেষ বিষয়ে মতি, নহিল বৈষ্ণবে রতি, নিরন্তর খেদ উঠে মনে। নরোত্তম দাস কহে, জীবার উচিত নহে, শ্রীগুরুবৈষ্ণব সেবা বিনে॥ এই পদটি ১৯৩২ সালে প্রকাশিত, ব্রজমোহন দাস সংকলিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব সেবা আরতি ও কীর্ত্তন পদাবলী ও নিত্যক্রিয়া পদ্ধতি”, ৫৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। হরি হরি! বড় শেল মরমে রহিল। পাইয়া দুর্লভ তনু, শ্রীকৃষ্ণ ভজন বিনু, জন্ম মোর বিফল হইল॥ ব্রজেন্দ্র নন্দন হরি, নবদ্বীপে অবতরি, জগৎ ভরিয়া প্রেম দিল। মুঞি সে পামর মতি, বিশেষে কঠিন অতি, তেঞি মোরে করুণা নহিল॥ স্বরূপ সনাতন রূপ, রঘুনাথ ভট্ট যুগ, তাহাতে না হৈল মোর মতি। দিব্য চিন্তামণি ধাম, বৃন্দাবন রম্য স্থান, সেই ধামে না কৈনু বসতি॥ বিশেষে বিষয়ে মতি, নহিল বৈষ্ণবে রতি, নিরন্তর খেদ উঠে মনে। নরোত্তম দাস কহে, জীবের উচিত নহে, শ্রীগুরু বৈষ্ণব সেবা বিনে॥ এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন ”শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ৩৩১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ পাহিড়া॥ বড় শেল মরমে রহিল। পাইয়া দুর্ল্লভ তনু শ্রীগুরুচরণ বিনু জন্ম মোর বিফল হইল॥ ধ্রু॥ ব্রজেন্দ্রনন্দন হরি নবদ্বীপে অবতরি জগৎ ভরিয়া প্রেম দিল। মুঞি সে পামরমতি বিশেষে কঠিন অতি তেঁই মোরে করুণা নহিল॥ শ্রীরূপ স্বরূপ সাথ সনাতন রঘুনাথ তাহাতে নহিল মোর মতি। বৃন্দাবন রসধাম চিন্তামণি যার নাম সেহ ধামে না কৈল বসতি॥ বিশেষ বিষয়ে রতি নহিল বৈষ্ণবমতি নিরবধি ঢেউ উঠে মনে। নরোত্তমদাস কয় যাবার উচিত নয় শ্রীগুরুবৈষ্ণবসেবা বিনে॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৫৪৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। সূচক ॥ তথারাগ ॥ বড় শেল মরমে রহিল। পাইয়া দুর্ল্লভ তনু শ্রীগুর-সেবন বিনু জন্ম মোর বিফল হইল॥ ধ্রু॥ ব্রজেন্দ্রনন্দন হরি নবদ্বীপে অবতরি জগত ভরিয়া প্রেম দিল। মুঞি সে পামর-মতি বিশেষে কঠিন অতি তেঞি মোরে করুণা নহিল॥ শ্রীরূপ স্বরূপ সাথ সনাতন রঘুনাথ তাহাতে নহিল মোর মতি। বৃন্দাবন রসধাম চিন্তামণি যার নাম সেহো ধামে না কৈলুঁ বসতি॥ বিশেষে বিষয়ে রতি নহিল বৈষ্ণবে মতি নিরবধি ঢেউ উঠে মনে। নরোত্তমদাস কয় জীবার উচিত নয় শ্রীগুরুবৈষ্ণবসেবা বিনে॥ এই পদটি ১৯৩৭-৫৩ খৃষ্টাব্দের সময়কালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৩য় খণ্ড, প্রার্থনা, ৬৭৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ গান্ধার - মধ্যম দশকুশী॥ হরি হরি বড় শেল মরমে রহিল। পাইয়া দুর্ল্লভ তনু, শ্রীগুরু সেবন বিনু জন্ম মোর বিফল হইল॥ ব্রজেন্দ্র নন্দন হরি, নবদ্বীপে অবতরি, জগত ভরিয়া প্রেম দিল। মুঞি সে পামর মতি, বিশেষে কঠিন অতি, তেঞি মোরে করুণা নহিল॥ শ্রীরূপ স্বরূপ সাথ, সনাতন রঘুনাথ, তাহাতে নহিল মোর মতি। বৃন্দাবন রস ধাম, চিন্তামণি যার নাম, সেই ধামে না কৈল বসতি॥ বিশেষে বিষয়ে রতি, নহিল বৈষ্ণবে মতি, নিরবধি ঢেউ উঠে মনে। নরোত্তম দাসে কয়, জীবের উচিত নয়, শ্রীগুরু বৈষ্ণব সেবা বিনে॥ এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী", ২৯৫-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। বড় শেল মরমে রহিল। পাইয়া দুর্ল্লভ তনু শ্রীগুর সেবন বিনু জন্ম মোর বিফল হইল॥ ধ্রু॥ ব্রজেন্দ্রনন্দন হরি নবদ্বীপে অবতরি জগত ভরিয়া প্রেম দিল। মুঞি সে পামর মতি বিশেষে কঠিন অতি তেঞি মোরে করুণা নহিল॥ শ্রীরূপ স্বরূপ সাথ সনাতন রঘুনাথ তাহাতে নহিল মোর মতি। বৃন্দাবন রসধাম চিন্তামণি যার নাম সেহো ধামে না কৈলুঁ বসতি॥ বিশেষে বিষয়ে রতি নহিল বৈষ্ণবে মতি নিরবধি ঢেউ উঠে মনে। নরোত্তমদাস কয় জীবার উচিত নয় শ্রীগুরুবৈষ্ণবসেবা বিনে॥ . *********** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| ধন মোর নিত্যানন্দ পতি মোর গৌরচন্দ্র ধন মোর নিত্যানন্দ মন মোর গৌরচন্দ্র কবি নরোত্তম দাস এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল) ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ শাখা-২য় ভাগ, ৩৬শ পল্লব, প্রার্থনা, ৩০৪২-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বরাড়ী॥ ধন মোর নিত্যানন্দ পতি মোর গৌরচন্দ্র প্রাণ মোর যুগলকিশোর। অদ্বৈত আচার্য্য বল গদাধর মোর কুল নরহরি বিলাসহি মোর॥ বৈষ্ণবের পদ-ধূলি তাহে মোর স্নান-কেলি তর্পণ মোর বৈষ্ণবের নাম। বিচার করিয়া মনে ভক্তি-রস আস্বাদনে মধ্যস্থ শ্রীভাগবত পুরাণ॥ বৈষ্ণবের উচ্ছিষ্ট তাহে মোর মন নিষ্ঠ বৈষ্ণবের নামেতে উল্লাস। বৃন্দাবনে চৌতরা তাহে মোর মন ভোরা কহে দীন নরোত্তম দাস॥ এই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ২৫৪০-পদসংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো। ॥ বরাড়ী॥ ধন মোর নিত্যানন্দ পতি মোর গৌরচন্দ্র প্রাণ মোর যুগলকিশোর। অদ্বৈত আচার্য্য বল গদাধর মোর কুল নরহরি বিলসই মোর॥ বৈষ্ণবের পদ-ধূলি তাহে মোর স্নান-কেলি তর্পণ মোর বৈষ্ণবের নাম। বিচার করিয়া মনে ভক্তি-রস আস্বাদনে মধ্যস্থ শ্রীভাগবত পুরাণ॥ বৈষ্ণবের উচ্ছিষ্ট তাহে মোর মন নিষ্ঠ বৈষ্ণবের নামেতে উল্লাস। বৃন্দাবনে চবুতারা তাহে মোর মন ভোরা কহে দীন নরোত্তম দাস॥ এই পদটি ১৮০৭ সালে প্রকাশিত, কমলাকান্ত দাস সংকলিত “পদরত্নাকর” পুথির ৪৩।৩৪-পদ-সংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো। ॥ বরাড়ী॥ ধন মোর নিত্যানন্দ পতি মোর গৌরচন্দ্র প্রাণ মোর যুগলকিশোর। অদ্বৈত আচার্য্য বল গদাধর মোর কুল নরহরি বিলসই মোর॥ বৈষ্ণবের পদ-ধূলি তাহে মোর স্নান-কেলি তর্পণ মোর বৈষ্ণবের নাম। বিচার করিয়া মনে ভক্তি-রস আস্বাদনে মধ্যস্থ শ্রীভাগবত পুরাণ॥ বৈষ্ণবের উচ্ছিষ্ট তাহে মোর মন নিষ্ঠ বৈষ্ণবের নামেতে উল্লাস। বৃন্দাবনে চবুতরা তাহে মোর মন ভোরা কহে দীন নরোত্তম দাস॥ এই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত, হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ৩০৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বরাড়ী॥ ধন মোর নিত্যানন্দ, পতি মোর গৌরচন্দ্র, প্রাণ মোর যুগলকিশোর। অদ্বৈত আচার্য্য বল, গদাধর মোর কুল, নরহরি বিলাসহি মোর॥ বৈষ্ণবের পদ-ধূলি, তাহে মোর স্নান-কেলি, তর্পণ মোর বৈষ্ণবের নাম। বিচার করিয়া মনে, ভক্তি রস আস্বাদনে, মধ্যস্থ শ্রীভাগবত পুরাণ॥ বৈষ্ণবের উচ্ছিষ্ট, তাহে মোর মন নিষ্ঠ, বৈষ্ণবের নামেতে উল্লাস। বৃন্দাবন চৌতারা, তাহে মোর বন ভোরা, কহে দীন নরোত্তমদাস॥ এই পদটি ১৯০২ সালে রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৫৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বরাড়ী॥ ধন মোর নিত্যানন্দ, পতি মোর গৌরচন্দ্র, প্রাণ মোর যুগল কিশোর। অদ্বৈত আচার্য্য বল, গদাধর মোর কুল, নরহরি বিলাসহি মোর॥ বৈষ্ণবের পদধূলি, তাহে মোর স্নান কেলি, তর্পণ মোর বৈষ্ণবের নাম। বিচার করিয়া মনে, ভক্তি রস আস্বাদনে, মধ্যস্থ শ্রীভাগবত পুরাণ॥ বৈষ্ণবের উচ্ছিষ্ট, তাহে মোর মন নিষ্ঠ, বৈষ্ণবের নামেতে উল্লাস। বৃন্দাবন চৌতারা, তাহে মোর মন ভোরা, কহে দীন নরোত্তম দাস॥ এই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৩৯০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বরাড়ী॥ ধন মোর নিত্যানন্দ, পতি মোর গৌরচন্দ্র, প্রাণ মোর যুগল কিশোর। অদ্বৈত আচার্য্য বল, গদাধর মোর কুল, নরহরি বিলাসই মোর॥ বৈষ্ণবের পদধূলি, তাহে মোর স্নান কেলি, তর্পণ মোর বৈষ্ণবের নাম। বিচার করিয়া মনে, ভক্তি রস আস্বাদনে, মধ্যস্থ শ্রীভাগবৎ পুরাণ॥ বৈষ্ণবের উচ্ছিষ্ট, তাহে মোর মন নিষ্ঠ, বৈষ্ণবের নামেতে উল্লাস। বৃন্দাবন চৌতরা, তাহে মন মোর ভোরা, কহে দীন নরোত্তম দাস॥ এই পদটি ১৯১৪ সালে সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৩৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বরাড়ী॥ ধন মোর নিত্যানন্দ, পতি মোর গৌরচন্দ্র, প্রাণ মোর যুগল কিশোর। অদ্বৈত আচার্য্য বল, গদাধর মোর কুল, নরহরি বিলাসহি মোর॥ বৈষ্ণবের পদধূলি, তাহে মোর স্নান কেলি, তর্পণ মোর বৈষ্ণবের নাম। বিচার করিয়া মনে, ভক্তি রস আস্বাদনে, মধ্যস্থ শ্রীভাগবত পুরাণ॥ বৈষ্ণবের উচ্ছিষ্ট, তাহে মোর মন নিষ্ঠ, বৈষ্ণবের নামেতে উল্লাস। বৃন্দাবন চবুতরা, তাহে মোর মন ভোরা, কহে দীন নরোত্তম দাস॥ এই পদটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত, কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, ”কীর্ত্তন-পদাবলী”, ২৯৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বরাড়ী॥ ধন মোর নিত্যানন্দ, পতি মোর গৌরচন্দ্র, প্রাণ মোর যুগল কিশোর। অদ্বৈত আচার্য্য বল, গদাধর মোর কুল, নরহরি বিলাসই মোর॥ বৈষ্ণবের পদধূলি, তাহে মোর স্নান কেলি, তর্পণ মোর বৈষ্ণবের নাম। বিচার করিয়া মনে, ভক্তি রস আস্বাদনে, মধ্যস্থ শ্রীভাগবৎ পুরাণ॥ বৈষ্ণবের উচ্ছিষ্ট, তাহে মোর মন নিষ্ঠ, বৈষ্ণবের মনেতে উল্লাস। বৃন্দাবন চৌতরা, তাহে মন মোর ভরা, কহে দীন নরোত্তম দাস॥ এই পদটি শ্রীগৌড়ীয় মঠ থেকে, ভাদ্র ১৩৩৩ থেকে মাঘ ১৩৩৩ বঙ্গাব্দ সময়কালে (সেপ্টেম্বর ১৯২৬ - ফেব্রুয়ারী ১৯২৬ খৃষ্টাব্দ) প্রকাশিত “গৌড়ীয়” পত্রিকার ১৫শ সংখ্যা, ৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। প্রার্থনা-বিবৃতি ধন মোর নিত্যানন্দ, পতি মোর গৌরচন্দ্র, প্রাণ মোর যুগল-কিশোর। অদ্বৈত আচার্য্য বল, গদাধর মোর কুল, নরহরি বিলসই মোর॥ বৈষ্ণবের পদধূলি, তাহে মোর স্নান কেলি, তর্পণ মোর বৈষ্ণবের নাম। বিচার করিয়া মনে, ভক্তিরস আস্বাদনে, মধ্যস্থ শ্রীভাগবত পুরাণ॥ বৈষ্ণবের উচ্ছিষ্ট, তাহে মোর মনোনিষ্ঠ, বৈষ্ণবের মনেতে উল্লাস। বৃন্দাবন চৌতারা, তাহে মোর মন ঘেরা, কহে দীন নরোত্তম দাস॥ এই পদটি ১৯৩০ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী নিত্যস্বরূপ সম্পাদিত, “শ্রীহরি সাধক-কণ্ঠহার”, ১৮৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। প্রার্থনা। স্বনিষ্ঠা। ধন মোর নিত্যানন্দ, পতি মোর গৌরচন্দ্র, প্রাণ মোর যুগলকিশোর। অদ্বৈত আচার্য্য বল, গদাধর মোর কুল, নরহরি বিলাসই মোর॥ বৈষ্ণবের পদধূলি, তাহে মোর স্নান কেলি, তর্পণ মোর বৈষ্ণবের নাম। বিচার করিয়া মনে, ভক্তি রস আস্বাদনে, মধ্যস্থ শ্রীভাগবত পুরাণ॥ বৈষ্ণবের উচ্ছিষ্ট, তাহে মোর মন নিষ্ঠ, বৈষ্ণবের নামেতে উল্লাস। বৃন্দাবনে চৌতারা, তাহে মোর মন ঘেরা, কহে দীন নরোত্তম দাস॥ এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন ”শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ৩৩২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বরাড়ী॥ ধন মোর নিত্যানন্দ মন মোর গৌরচন্দ্র প্রাণ মোর যুগল কিশোর। অদ্বৈত আচার্য্য বল গদাধর মোর কুল নরহরি বিলাসই মোর॥ বৈষ্ণবের পদধূলি তাহে মোর স্নানকেলি তর্পণ মোর বৈষ্ণবের নাম। বিচার করিয়া মনে ভক্তিরস-আস্বাদনে মধ্যস্থ শ্রীভাগবত পুরাণ॥ বৈষ্ণবের উচ্ছিষ্ট তাহে মোর মন নিষ্ঠ বৈষ্ণবের নামেতে উল্লাস। বৃন্দাবন চবুতরা তাহে মোর মন ভোরা কহে দীন নরোত্তমদাস॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৫৪৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। প্রার্থনা ॥ বরাড়ী॥ ধন মোর নিত্যানন্দ পতি মোর গৌরচন্দ্র প্রাণ মোর যুগলকিশোর। অদ্বৈত আচার্য্য বল গদাধর মোর কুল নরহরি বিলাসই মোর॥ বৈষ্ণবের পদধূলি তাহে মোর স্নানকেলি তর্পণ মোর বৈষ্ণবের নাম। বিচার করিয়া মনে ভক্তিরস-আস্বাদনে মধ্যস্থ শ্রীভাগবত পুরাণ॥ বৈষ্ণবের উচ্ছিষ্ট তাহে মোর মন নিষ্ঠ বৈষ্ণবের নামেতে উল্লাস। বৃন্দাবনে চবুতারা তাহে মোর মন ভোরা কহে দীন নরোত্তমদাস॥ এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী", ২৯৩-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ধন মোর নিত্যানন্দ প্রাণন মোর গৌরচন্দ্র প্রাণ মোর যুগলকিশোর। অদ্বৈত আচার্য্য বল গদাধর মোর কুল নরহরি বিলাসই মোর॥ বৈষ্ণবের পদধূলি তাহে মোর স্নানকেলি তর্পণ মোর বৈষ্ণবের নাম। বিচার করিয়া মনে ভক্তিরস আস্বাদনে মধ্যস্থ শ্রীভাগবত পুরাণ॥ বৈষ্ণবের উচ্ছিষ্ট তাহে মোর মন নিষ্ঠ বৈষ্ণবের নামেতে উল্লাস। বৃন্দাবনে চবুতারা তাহে মোর মন ভোরা কহে দীন নরোত্তমদাস॥ . *********** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| বিধি মোরে কি করিল শ্রীনিবাস কোথা গেল কবি নরোত্তম দাস এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল) ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ শাখা-২য় ভাগ, ৩৫শ পল্লব, ভক্তগণ- বিয়োগে বিলাপ, ২৯৮০-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ পাহিড়া॥ বিধি মোরে কি করিল শ্রীনিবাস কোথা গেল হৃদি মাঝে দিল দারুণ বেথা। গুণের রামচন্দ্র ছিলা সেহো সঙ্গ ছাড়ি গেলা শুনিতে না পাই মুখের কথা॥ পুন কি এমন হব রামচন্দ্র-সঙ্গ পাব এ জনম মিছা বহি গেল। যদি প্রাণ দেহে থাক রামচন্দ্র বলি ডাক তবে যদি যাও সেই ভাল॥ স্বরূপ রূপ সনাতন রঘুনাথ সকরূণ ভট্ট-যুগ দয়া কর মোরে। আচার্য্য শ্রীশ্রীনিবাস রামচন্দ্র যার দাস পুন নাকি মিলিবে আমারে॥ আঁচলে রতন ছিল কোন ছলে কেবা নিল জুড়াইতে নাহি মোর ঠাঁই। নরোত্তম দাসে বলে পড়িলুঁ অসত ভোলে বুঝি মোর কিছু হৈল নাই॥ এই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ২৪৮৯-পদসংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো। ॥ পাহিড়া॥ বিধি মোরে কি করিল শ্রীনিবাস কোথা গেল হৃদি মাঝে দিল দারুণ বেথা। গুণের রামচন্দ্র ছিলা সেহো সঙ্গ ছাড়ি গেলা শুনিতে না পাই মুখের কথা॥ পুন কি এমন হব রামচন্দ্র-সঙ্গ পাব এ জনম মিছা বহি গেল। যদি প্রাণ দেহে থাক রামচন্দ্র বলি ডাক তবে যদি যাও সেই ভাল॥ স্বরূপ রূপ সনাতন রঘুনাথ সকরূণ ভট্ট-যুগ দয়া কর মোরে। আচার্য্য শ্রীশ্রীনিবাস রামচন্দ্র যার দাস পুন নাকি মিলিবে আমারে॥ আঁচলে রতন ছিল কোন ছলে কেবা নিল জুড়াইতে নাহি মোর ঠাঁই। নরোত্তম দাসে বলে পড়িলুঁ অসত ভুলে বুঝি মোর কিছু হৈল নাই॥ এই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত, হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ৩০২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ পাহিড়া॥ বিধি মোরে কি করিল, শ্রীনিবাস কোথা গেল, হৃদি মাঝে দিল দারুণ বেথা। গুণের রামচন্দ্র ছিলা, সেহো সঙ্গ ছাড়ি গেলা, শুনিতে না পাই মুখের কথা॥ পুন কি এমন হব, রামচন্দ্র সঙ্গ পাব, এ জনম মিছা বহি গেল। যদি প্রাণ দেহে থাক, রামচন্দ্র বলি ডাক, তবে যদি যাও সেই ভাল॥ স্বরূপ রূপ সনাতন, রঘুনাথ সকরুণ, ভট্টযুগ দয়া কর মোরে। আচার্য্য শ্রীশ্রীনিবাস, রামচন্দ্র যার দাস, পুন নাকি মিলিবে আমারে॥ আঁচলে রতন ছিল, কোন ছলে কেবা নিল, জুড়াইতে নাহি মোর ঠাঁই। নরোত্তমদাসে বলে, পড়িনু অসৎ ভোলে, বুঝি মোর কিছু হৈল নাই॥ এই পদটি ১৯০২ সালে রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৬১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ পাহিড়া॥ বিধি মোরে কি করিল, শ্রীনিবাস কোথা গেল, হৃদি মাঝে দিল দারুণ বেথা। গুণের রামচন্দ্র ছিলা, সেহো সঙ্গ ছাড়ি গেলা, শুনিতে না পাই মুখের কথা॥ পুনঃ কি এমন হব, রাম চন্দ্র সঙ্গ পাব, এ জনম মিছা বহি গেল। যদি প্রাণ দেহে থাক, রাম চন্দ্র বলি ডাক, তবে যদি যাও সেই ভাল॥ স্বরূপ রূপ সনাতন, রঘু নাথ সকরূণ, ভট্ট যুগ দয়া কর মোরে। আচার্য্য শ্রী শ্রীনিবাস, রাম চন্দ্র যার দাস, পুনঃ নাকি মিলিবে আমারে॥ আঁচলে রতন ছিল, কোন্ ছলে কেবা নিল, জুড়াইতে নাহি মোর ঠাই। নরোত্তম দাসে বলে, পড়িনু অসৎ ভোলে, বুঝি মোর কিছু হৈল নাই॥ এই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৩৮৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ পাহাড়ী॥ বিধি মোরে কি করিল শ্রীনিবাস কোথা গেল হৃদি মাঝে দিল দারুণ বেথা। গুণের রামচন্দ্র ছিলা, সেহ সঙ্গ ছাড়ি গেলা, শুনিতে না পাই মুখের কথা॥ পুন কি এমন হব, রামচন্দ্র সঙ্গ পাব, এ জনম মিছা বহি গেল। যদি প্রাণ দেহে থাক, রামচন্দ্র বলি ডাক, তবে যদি যাও সেই ভাল॥ স্বরূপ রূপ সনাতন, রঘুনাথ সকরুণ, ভট্টযুগ দয়া কর মোরে। আচার্য্য শ্রীশ্রীনিবাস, রামচন্দ্র যার দাস, পুন নাকি মিলিবে আমারে॥ আঁচলে রতন ছিল, কোন ছলে কেবা নিল, জুড়াইতে নাহি মোর ঠাঁই। নরোত্তম দাসে বলে, পড়িনু অসৎ ভেলে, বুঝি মোর কিছু হৈল নাই॥ এই পদটি ১৯১৪ সালে সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৩৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ পাহিড়া॥ বিধি মোরে কি করিল, শ্রীনিবাস কোথা গেল, হৃদি মাঝে দিল দারুণ বেথা। গুণের রামচন্দ্র ছিলা, সেহো সঙ্গ ছাড়ি গেলা, শুনিতে না পাই মুখের কথা॥ পুনঃ কি এমন হব, রাম চন্দ্র সঙ্গ পাব, এ জনম মিছা বহি গেল। যদি প্রাণ দেহে থাক, রাম চন্দ্র বলি ডাক, তবে যদি যাও সেই ভাল॥ স্বরূপ রূপ সনাতন, রঘুনাথ সকরূণ, ভট্ট যুগ দয়া কর মোরে। আচার্য্য শ্রীশ্রীনিবাস, রাম চন্দ্র যার দাস, পুনঃ নাকি মিলিবে আমারে॥ আঁচলে রতন ছিল, কোন্ ছলে কেবা নিল, জুড়াইতে নাহি মোর ঠাঁই। নরোত্তম দাসে বলে, পড়িনু অসৎ ভোলে, বুঝি মোর কিছু হৈল নাই॥ এই পদটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত, কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, ”কীর্ত্তন-পদাবলী”, ২৯৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ পাহাড়ী॥ বিধি মোরে কি করিল, শ্রীনিবাস কোথা গেল, হৃদি মাঝে দিল দারুণ ব্যথা। গুণের রামচন্দ্র ছিলা, সেহো সঙ্গ ছাড়ি গেলা, শুনিতে না পাই মুখের কথা॥ পুন কি এমন হব, রামচন্দ্র সঙ্গ পাব, এ জনম মিছা বহি গেল। যদি প্রাণ দেহে থাক, রাম চন্দ্র বলি ডাক, তবে যদি যাও সেই ভাল॥ স্বরূপ রূপ সনাতন, রঘুনাথ সকরূণ, ভট্টযুগ দয়া কর মোরে। আচার্য্য শ্রীশ্রীনিবাস, রাম চন্দ্র যার দাস, পুন নাকি মিলিবে আমারে॥ আঁচলে রতন ছিল, কোন্ ছলে কেবা নিল, জুড়াইতে নাহি মোর ঠাঁই। নরোত্তম দাসে বলে, পড়িনু অসৎ ভেলে, বুঝি মোর কিছু হৈল নাই॥ এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন ”শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ৩২৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ পাহিড়া॥ বিধি মোরে কি করিল শ্রীনিবাস কোথা গেল হৃদি মাঝে দিল দারুণ ব্যথা। গুণের রামচন্দ্র ছিলা সেহো সঙ্গ ছাড়ি গেলা শুনিতে না পাই মুখের কথা॥ পুনঃ কি এমন হব রাম চন্দ্র সঙ্গ পাব এ জনম মিছা বহি গেল। যদি প্রাণ দেহে থাক রাম চন্দ্র বলি ডাক তবে যদি যাও সেই ভাল॥ স্বরূপ রূপ সনাতন রঘুনাথ সকরূণ ভট্টযুগ দয়া কর মোরে। আচার্য্য শ্রীনিবাস রামচন্দ্র তাঁর দাস পুনঃ না কি মিলিবে আমারে॥ আঁচলে রতন ছিল কোন্ ছলে কে না নিল জুড়াইতে নাহি মোর ঠাঁই। নরোত্তম দাস বলে পড়িনু অসদ্ ভোলে বুঝি মোর কিছু হৈল নাই॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৫৪৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। সূচক ॥ পাহিড়া॥ বিধি মোরে কি করিল শ্রীনিবাস কোথা গেল হৃদি মাঝে দিল দারুণ ব্যথা। গুণের রামচন্দ্র ছিলা সেহো সঙ্গ ছাড়ি গেলা শুনিতে না পাই মুখের কথা॥ পুনঃ কি এমন হব রামচন্দ্রসঙ্গ পাব এ জনম মিছা বহি গেল। যদি প্রাণ দেহে থাক রামচন্দ্র বলি ডাক তবে যদি যাও সেই ভাল॥ স্বরূপ রূপ সনাতন রঘুনাথ সকরূণ ভট্টযুগ দয়া কর মোরে। আচার্য্য শ্রীনিবাস রামচন্দ্র তাঁর দাস পুনঃ না কি মিলিবে আমারে॥ আঁচলে রতন ছিল কোন্ ছলে কে না নিল জুড়াইতে নাহি মোর ঠাঁই। নরোত্তম দাস বলে পড়িনু অসদ্ ভোলে বুঝি মোর কিছু হৈল নাই॥ এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী", ২৯৬-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। বিধি মোরে কি করিল শ্রীনিবাস কোথা গেল হৃদি মাঝে দিল দারুণ ব্যথা। গুণের রামচন্দ্র ছিলা সেহো সঙ্গ ছাড়ি গেলা শুনিতে না পাই মুখের কথা॥ পুনঃ কি এমন হব রামচন্দ্রসঙ্গ পাব এ জনম মিছা বহি গেল। যদি প্রাণ দেহে থাক রামচন্দ্র বলি ডাক তবে যদি যাও সেই ভাল॥ স্বরূপ রূপ সনাতন রঘুনাথ সকরূণ ভট্টযুগ দয়া কর মোরে। আচার্য্য শ্রীনিবাস রামচন্দ্র তাঁর দাস পুনঃ না কি মিলিবে আমারে॥ আঁচলে রতন ছিল কোন্ ছলে কে না নিল জুড়াইতে নাহি মোর ঠাঁই। নরোত্তম দাস বলে পড়িনু অসদ্ ভোলে বুঝি মোর কিছু হৈল নাই॥ . *********** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| যজ্ঞ দান তীর্থ স্নান পুণ্য কর্ম্ম ধর্ম্ম জ্ঞান কবি নরোত্তম দাস এই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত, হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ৩০৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। পদকল্পতরু সহ অন্য কিছু গ্রন্থে এই পদটির শুরুতে প্রথম তিনটি পংক্তি যোগ দিয়ে “হরি হরি কিয়ে মোর করম অভাগ” শিরোনামে পদটি দেওয়া রয়েছে। ॥ বিভাস॥ যজ্ঞ দান তীর্থস্নান, পুণ্যকর্ম্ম ধর্ম্মজ্ঞান, অকারণ সব ভেল মোহে। বুঝিলাম মনে হেন, উপহাস হয় যেন, বসনহীন আভরণ দেহে॥ সাধুমুখে কথামৃত, শুনিয়া বিমল চিত, নাহি ভেল অপরাধ কারণে। সতত অসৎ সঙ্গ, সকলি হইল ভঙ্গ, কি করিব আইল শমনে॥ শ্রুতিস্মৃতি সদা রবে, শুনিয়াছি এই সবে, হরিপদ অভয় শরণ। জনম লইয়া সুখে, কৃষ্ণ না বলিলাম মুখে, না করিলাম সে রূপ-ভাবন॥ রাধা-কৃষ্ণ দুহুঁ পায়, তনু মন রহু তায়, আর দূরে রহুক বাসনা। নরোত্তমদাস কয়, আর মোর নাহি ভয়, তনু মন সোঁপিনু আপনা॥ এই পদটি ১৯০২ সালে রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৬২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। পদকল্পতরু সহ অন্য কিছু গ্রন্থে এই পদটির শুরুতে প্রথম তিনটি পংক্তি যোগ দিয়ে “হরি হরি কিয়ে মোর করম অভাগ” শিরোনামে পদটি দেওয়া রয়েছে। ॥ বিভাস॥ যজ্ঞ দান তীর্থ স্নান, পুণ্য কর্ম্ম ধর্ম্ম জ্ঞান, সব অকারণ ভেল মোহে। বুঝিলাম মনে হেন, উপহাস হয় যেন, বসন হীন আভরণ দেহে॥ সাধু মুখে কথামৃত, শুনিয়া বিমল চিত, নাহি ভেল অপরাধ কারণে। সতত অসৎ সঙ্গ, সকলি হইল ভঙ্গ, কি করিব আইলে শমনে॥ শ্রুতি স্মৃতি সদা রবে, শুনিয়াছি এই সবে, হরিপদ অভয় শরণ । জনম লইয়া সুখে, কৃষ্ণ না বলিলাম মুখে, না করিলাম সে রূপ ভাবন॥ রাধা-কৃষ্ণ দুহুঁ পায়, তনু মন রহু তায়, আর দূরে রহুক বাসনা। নরোত্তম দাস কয়, আর মোর নাহি ভয়, তনু মন সোঁপিনু আপনা॥ এই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৩৮৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বিভাস॥ যজ্ঞ দান তীর্থস্নান, পুণ্য কর্ম্ম ধর্ম্ম জ্ঞান, অকারণ সব ভেল মোহে। বুঝিলাম মনে হেন, উপহাস হয় যেন, বসনহীন আবরণ দেহে॥ সাধু মুখে কথামৃত, শুনিয়া বিমল চিত, নাহি ভেল অপরাধ কারণে। সতত অসৎ সঙ্গ, সকলি হইল ভঙ্গ, কি করিব আইলে শমনে॥ শ্রুতিস্মৃতি সদা রবে, শুনিয়াছি এই সবে, হরিপদ অভয় শরণ । জনম লইয়া সুখে, কৃষ্ণ না বলিলাম মুখে, না করিলাম সে রূপ ভাবন॥ রাধা-কৃষ্ণ দুহুঁ-পায়, তনু মন রহুঁ তায়, আর দূরে রহুক বাসনা। নরোত্তম দাস কয়, আর মোর নাহি ভয়, তনু মন সোঁপিনু আপনা॥ এই পদটি ১৯১৪ সালে সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৪০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বিভাস॥ যজ্ঞ দান তীর্থ স্নান, পুণ্য কর্ম্ম ধর্ম্ম জ্ঞান, সব অকারণ ভেল মোহে। বুঝিলাম মনে হেন, উপহাস হয় যেন, বসন হীন আভরণ দেহে॥ সাধু মুখে কথামৃত, শুনিয়া বিমল চিত, নাহি ভেল অপরাধ কারণে। সতত অসৎ সঙ্গ, সকলি হইল ভঙ্গ, কি করিব আইলে শমনে॥ শ্রুতি স্মৃতি সদা রবে, শুনিয়াছি এই সবে, হরিপদ অভয় শরণ । জনম লইয়া সুখে, কৃষ্ণ না বলিলাম মুখে, না করিলাম সে রূপ ভাবন॥ রাধা-কৃষ্ণ দুহুঁ পায়, তনু মন রহু তায়, আর দূরে রহুক বাসনা। নরোত্তম দাস কয়, আর মোর নাহি ভয়, তনু মন সোঁপিনু আপনা॥ এই পদটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত, কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, ”কীর্ত্তন-পদাবলী”, ২৯৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বিভাস॥ যজ্ঞ দান তীর্থস্নান, পুণ্য কর্ম্ম ধর্ম্ম জ্ঞান, অকারণ সব ভেল মোহে। বুঝিলাম মনে হেন, উপহাস হয় যেন, বসনহীন আভরণ দেহে॥ সাধু মুখে কথামৃত, শুনিয়া বিমল চিত, নাহি ভেল অপরাধ কারণে। সতত অসৎ সঙ্গ, সকলি হইল ভঙ্গ, কি করিব আইল শমনে॥ শ্রুতিস্মৃতি সদা রবে, শুনিয়াছি এই সবে, হরিপদ অভয় শরণ। জনম লইয়া সুখে, কৃষ্ণ না বলিলাম মুখে, না করিলাম সে রূপ-ভাবন॥ রাধা কৃষ্ণ দুহুঁ-পায়, তনু মন রহুঁ তায়, আর দূরে রহুক বাসনা। নরোত্তম দাস কয়, আর মোর নাহি ভয়, তনু মন সোঁপিনু আপনা॥ এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন ”শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ৩৫৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বিভাস॥ যজ্ঞদান তীর্থস্নান পুণ্যকর্ম্ম ধর্ম্মজ্ঞান সব অকারণ ভেল মোহে। বুঝিলাম মনে হেন উপহাস হয় যেন বসনহীন আভরণ দেহে॥ সাধুমুখে কথামৃত শুনিয়া বিমলচিত নাহি ভেল অপরাধ কারণে। সতত অসত সঙ্গ সকলি হইল ভঙ্গ কি করিব আইল শমনে॥ শ্রুতিস্মৃতি সদা রবে শুনিয়াছি এই সবে হরিপদ অভয় শরণ। জনম লইয়া সুখে কৃষ্ণ না বলিলাম মুখে না করিলাম সেরূপ ভাবন॥ রাধাকৃষ্ণ দুহুঁ পায় তনু মন রহু তায় আর দূরে রহুক বাসনা। নরোত্তমদাস কয় আর মোর নাহি ভয় তনু মন সঁপিনু আপনা॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৫৪৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বিভাস॥ যজ্ঞদান তীর্থস্থান পুণ্যকর্ম্ম ধর্ম্মজ্ঞান সব অকারণ ভেল মোহে। বুঝিলাম মনে হেন উপহাস হয় যেন বসনহীন আভরণ দেহে॥ সাধুমুখে কথামৃত শুনিয়া বিমলচিত নাহি ভেল অপরাধ কারণে। সতত অসত সঙ্গ সকলি হইল ভঙ্গ কি করিব আইলে শমনে॥ শ্রুতিস্মৃতি সদা রটে শুনিয়াছি এই বটে হরিপদ অভয় শরণ। জনম লইয়া সুখে কৃষ্ণ না বলিলাম মুখে না করিলাম সেরূপ ভাবন॥ রাধাকৃষ্ণ দুহুঁ পায় তনু মন রহু তায় আর দূরে রহুক বাসনা। নরোত্তমদাস কয় আর মোরে নাহি ভয় তনু মন সঁপিনু আপনা॥ এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী", ২৯৭-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। যজ্ঞদান তীর্থস্থান পুণ্যকর্ম্ম ধর্ম্মজ্ঞান সব অকারণ ভেল মোহে। বুঝিলাম মনে হেন উপহাস হয় যেন বসনহীন আভরণ দেহে॥ সাধুমুখে কথামৃত শুনিয়া বিমলচিত নাহি ভেল অপরাধ কারণে। সতত অসত সঙ্গ সকলি হইল ভঙ্গ কি করিব আইলে শমনে॥ শ্রুতিস্মৃতি সদা রটে শুনিয়াছি এই বটে হরিপদ অভয় শরণ। জনম লইয়া সুখে কৃষ্ণ না বলিলাম মুখে না করিলাম সেরূপ ভাবন॥ রাধাকৃষ্ণ দুহুঁ পায় তনু মন রহু তায় আর দূরে রহুক বাসনা। নরোত্তমদাস কয় আর মোরে নাহি ভয় তনু মন সঁপিনু আপনা॥ . *********** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| গৌরাঙ্গের সহচর শ্রীবাসাদি গদাধর কবি নরোত্তম দাস এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল) ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ শাখা-২য় ভাগ, ৩৫শ পল্লব, ভক্তগণ- বিয়োগে বিলাপ, ২৯৭৯-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। এই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ২৪৮৮-পদসংখ্যায় হুবহু একই রূপে দেওয়া রয়েছে। অথ নিজেষ্টদৈবত এবং ভক্তগণস্য বিয়োগেন বিলাপো যথা। ॥ সুহই॥ গৌরাঙ্গের সহচর শ্রীবাসাদি গদাধর নরহরি মুকুন্দ মুরারি। সঙ্গে স্বরূপ রামানন্দ হরিদাস প্রেম-কন্দ দামোদর পরমানন্দ পুরী॥ যে সব করয়ে লীলা শুনিতে গলয়ে শিলা তাহা মুঞি না পাইলুঁ দেখিতে। তখন নহিল জন্ম এবে ভেল ভব-বন্ধ সে না শেল রহি গেল চিতে॥ প্রভু সনাতন রূপ রঘু নাথ ভট্ট-যুগ ভূগর্ভ শ্রীজীব লোকনাথ। এ সকল প্রভু মেলি যে সব করিলা কেলি বৃন্দাবনে ভক্তগণ সাথ॥ সভে হৈলা অদর্শন শূন্য হৈল ত্রিভুবন অন্ধ হৈল সভাকার আঁখি। কাহারে কহিব দুখ না দেখাঙ ছার মুখ আছি যেন মরা পশুপাখী॥ শ্রীআচার্য্য শ্রীনিবাস আছিলুঁ যাহার পাশ কথা শুনি জুড়াইত প্রাণ। তেঁহো মোরে ছাড়ি গেলা রামচন্দ্র না আইলা দুখে জীউ করে আনচান॥ যে মোর মনের বেথা কাহারে কহিব কথা এ ছার জীবনে নাহি আশ। অন্ন জল বিষ খাই মরিয়া নাহিক যাই ধিক ধিক নরোত্তম দাস॥ এই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত, হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ৩০২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ সুহই॥ গৌরাঙ্গের সহচর, শ্রীবাসাদি গদাধর, নরহরি মুকুন্দ মুরারি। সঙ্গে স্বরূপ রামানন্দ, হরিদাস প্রেম-কন্দ, দামোদর পরমানন্দ পুরী॥ যে সব করয়ে লীলা, শুনিতে গলয়ে শিলা, তাহা মুঞি না পাইনু দেখিতে। তখন নহিল জন্ম, এবে ভেল ভব-বন্ধ, সে না শেল হরি গেল চিতে॥ প্রভু সনাতন রূপ, রঘুনাথ ভট্ট-যুগ, ভূগর্ভ শ্রীজীব লোকনাথ। এ সকল প্রভু মেলি, যে সব করিল কেলি, বৃন্দাবনে ভক্তগণ সাথ॥ সভে হৈল অদর্শন, শূন্য ভেল ত্রিভুবন, অন্ধ হৈল সবাকার আঁখি। কাহারে কহিব দুখ, না দেখাউঁ ছার মুখ, আছি যেন মরা পশু পাখী॥ শ্রীআচার্য্য শ্রীনিবাস, আছিনু যাহার পাশ, কথা শুনি জুড়াইত প্রাণ। তেঁহো মোরে ছাড়ি গেলা, রামচন্দ্র না আইলা, দুখে জীউ করে আনচান॥ যে মোর মনের বেথা, কাহারে কহিব কথা, এ ছার জীবনে নাহি আশ। অন্ন জল বিষ খাই, মরিয়া নাহিক যাই, ধিক ধিক নরোত্তম দাস॥ এই পদটি ১৯০২ সালে রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৬৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ সুহই॥ গৌরাঙ্গের সহচর, শ্রীবাসাদি গদাধর, নরহরি মুকুন্দ মুরারি। সঙ্গে স্বরূপ রামানন্দ, হরিদাস প্রেম কন্দ, দামোদর পরমানন্দ পুরী॥ যে সব করয়ে লীলা, শুনিতে গলয়ে শিলা, তাহা মুঞি না পাইনু দেখিতে। তখন নহিল জন্ম, এবে ভেল ভব-বন্ধ, সে না শেল রহি গেল চিতে॥ প্রভু সনাতন রূপ, রঘু নাথ ভট্ট যুগ, ভূগর্ভ শ্রীজীব লোক নাথ। এ সকল প্রভু মেলি, যে সব করিল কেলি, বৃন্দাবনে ভক্তগণ সাথ॥ সভে হৈলা অদর্শন, শূন্য ভেল ত্রিভুবন, অন্ধ হৈল সভাকার আঁখি। কাহারে কহিব দুখ, না দেখাউঁ ছার মুখ, আছি যেন মরা পশু পাখী॥ শ্রীআচার্য্য শ্রীনিবাস, আছিনু যাহার পাশ, কথা শুনি জুড়াইত প্রাণ। তেঁহো মোরে ছাড়ি গেলা, রামচন্দ্র না আইলা, দুখে জীউ করে আনচান॥ যে মোর মনের বেথা, কাহারে কহিব কথা, এ ছার জীবনে নাহি আশ। অন্ন জল বিষ খাই, মরিয়া নাহিক যাই, ধিক্ ধিক্ নরোত্তম দাস॥ এই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৩৮৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। গৌরাঙ্গের সহচর, শ্রীবাসাদি গদাধর, নরহরি মুকুন্দ মুরারি। স্বরূপ রামানন্দ, হরিদাস প্রেম কন্দ, দামোদর পরমানন্দ পুরী॥ যে সব করয়ে লীলা, শুনিতে গলয়ে শিলা, তাহা মুঞি না পাইনু দেখিতে। তখন নহিলে জন্ম, এবে ভেল ভব-বন্ধ, সে না শেল হরি গেল চিতে॥ প্রভু সনাতন রূপ, রঘু নাথ ভট্ট-যুগ, ভূগর্ভ শ্রীজীব লোকনাথ। এ সকল প্রভু মেলি, যে সব করিলা কেলি, বৃন্দাবনে ভক্তগণ সাথ॥ সভে হৈলা অদর্শন, শূন্য ভেল ত্রিভুবন, অন্ধ হৈল সবাকার আঁখি। কাহারে কহিব দুখ, না দেখাউ ছার মুখ, আছি যেন মরা পশুপাখী॥ শ্রীআচার্য্য শ্রীনিবাস, আছিনু যাহার পাশ, কথা শুনি জুড়াইতে প্রাণ। তেঁহো মোরে ছাড়ি গেলা, রামচন্দ্র না আইল, দুখে জীউ করে আনচান॥ যে মোর মনের ব্যথা, কাহারে কহিব কথা, এ ছার জীবনে নাহি আশ। অন্ন জল বিষ খাই, মরিয়া নাহিক যাই, ধিক ধিক নরোত্তম দাস॥ এই পদটি ১৯১৪ সালে সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৪০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ সুহই॥ গৌরাঙ্গের সহচর, শ্রীবাসাদি গদাধর, নরহরি মুকুন্দ মুরারি। সঙ্গে স্বরূপ রামানন্দ, হরিদাস প্রেম কন্দ, দামোদর পরমানন্দ পুরী॥ যে সব করয়ে লীলা, শুনিতে গলয়ে শিলা, তাহা মুঞি না পাইনু দেখিতে। তখন নহিল জন্ম, এবে ভেল ভব-বন্ধ, সে না শেল রহি গেল চিতে॥ প্রভু সনাতন রূপ, রঘু নাথ ভট্ট-যুগ, ভূগর্ভ শ্রীজীব লোকনাথ। এ সকল প্রভু মেলি, যে সব করিল কেলি, বৃন্দাবনে ভক্তগণ সাথ॥ সভে হৈলা অদর্শন, শূন্য ভেল ত্রিভুবন, অন্ধ হৈল সভাকার আঁখি। কাহারে কহিব দুখ, না দেখাউঁ ছার মুখ, আছি যেন মরা পশু পাখী॥ শ্রীআচার্য্য শ্রীনিবাস, আছিনু যাহার পাশ, কথা শুনি জুড়াইত প্রাণ। তেঁহো মোরে ছাড়ি গেলা, রামচন্দ্র না আইলা, দুখে জীউ করে আনচান॥ যে মোর মনের বেথা, কাহারে কহিব কথা, এ ছার জীবনে নাহি আশ। অন্ন জল বিষ খাই, মরিয়া নাহিক যাই, ধিক্ ধিক্ নরোত্তম দাস॥ এই পদটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত, কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, ”কীর্ত্তন-পদাবলী”, ২৯৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। এই পদটি এই গ্রন্থে “গৌরাঙ্গের দুটি পদ যার ধন সম্পদ” পদটির সাথে এমনভাবে মুদ্রিত হয়েছে যেন তা একই পদ। আমরা পদ দুটিকে আলাদাভাবে তুলে দিচ্ছি। গৌরাঙ্গের সহচর, শ্রীবাসাদি গদাধর, নরহরি মুকুন্দ মুরারি। স্বরূপ রামানন্দ, হরিদাস প্রেম কন্দ, দামোদর পরমানন্দ পুরী॥ যে সব করয়ে লীলা, শুনিতে গলয়ে শিলা, তাহা মুঞি না পাইনু দেখিতে। তখন নহিলে জন্ম, এবে ভেল ভব-বন্ধ, সে না শেল রহি গেল চিতে॥ প্রভু সনাতন রূপ, রঘু নাথ ভট্ট যুগ, ভূগর্ভ শ্রীজীব লোকনাথ। এ সকল প্রভু মেলি, যে সব করিলা কেলি, বৃন্দাবনে ভক্তগণ সাথ॥ সভে হৈল অদর্শন, শূন্য ভেল ত্রিভুবন, অন্ধ হৈল সভাকার আঁখি। কাহারে কহিব দুখ, না দেখাউ ছার মুখ, আছি যেন মরা পশু পাখী॥ শ্রীআচার্য্য শ্রীনিবাস, আছিনু যাহার পাশ, কথা শুনি জুড়াইতে প্রাণ। তেঁহো মোরে ছাড়ি গেলা, রামচন্দ্র না আইলা, দুখে জীউ করে আন চান॥ যে মোর মনের ব্যথা, কাহারে কহিব কথা, এ ছার জীবনে নাহি আশ। অন্ন জল বিষ খাই, মরিয়া নাহিক যাই, ধিক ধিক নরোত্তম দাস॥ এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন ”শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ৩২৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ সুহই॥ গৌরাঙ্গের সহচর শ্রীবাসাদি গদাধর নরহরি মুকুন্দ মুরারি। সঙ্গে স্বরূপ রামানন্দ হরিদাস প্রেমকন্দ দামোদর পরমানন্দ পুরি॥ যে সব করয়ে লীলা শুনিতে গলয়ে শিলা তাহা মুঞি না পাইনু দেখিতে। তখন নহিল জন্ম এবে ভেল ভববন্ধ সে না শেল রহি গেল চিতে॥ প্রভু সনাতন রূপ রঘুনাথ ভট্টযুগ ভূগর্ভ শ্রীজীব লোকনাথ। এ সকল প্রভু মিলি যে সব করিল কেলি বৃন্দাবনে ভক্তগণ সাথ॥ সভে হৈলা অদর্শন শূন্য ভেল ত্রিভুবন অন্ধ হৈল সভাকার আঁখি। কাহারে কহিব দুঃখ না দেখাও ছার মুখ আছি যেন মরা পশু পাখী॥ শ্রীআচার্য্য শ্রীনিবাস আছিনু তাঁহার পাশ কথা শুনি জুড়াইত প্রাণ। তেঁহো মোরে ছাড়ি গেলা রামচন্দ্র না আইলা দুখে জীউ করে আনচান॥ যে মোর মনের ব্যথা কাহারে কহিব কথা এ ছার জীবনে নাহি আশ। অন্নজল বিষ খাই মরিয়া নাহিক যাই ধিক ধিক নরোত্তমদাস॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৫৪৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। সূচক ॥ সুহই॥ গৌরাঙ্গের সহচর শ্রীবাসাদি গদাধর নরহরি মুকুন্দ মুরারি। সঙ্গে স্বরূপ রামানন্দ হরিদাস প্রেমকন্দ দামোদর পরমানন্দ পুরী॥ যে সব করিল লীলা শুনিতে গলয়ে শিলা তাহা মুঞি না পাইনু দেখিতে। তখন নহিল জন্ম এবে ভেল ভববন্ধ সে না শেল রহি গেল চিতে॥ প্রভু সনাতন রূপ রঘুনাথ ভট্টযুগ ভূগর্ভ শ্রীজীব লোকনাথ। এ সকল প্রভু মিলি যে সব করিলা কেলি বৃন্দাবনে ভক্তগণ সাথ॥ সভে হৈলা অদর্শন শূন্য ভেল ত্রিভুবন অন্ধ হৈল সবাকার আঁখি। কাহারে কহিব দুখ না দেখাব ছার মুখ আছি যেন মরা পশু পাখী॥ শ্রীআচার্য্য শ্রীনিবাস আছিনু তাঁহার পাশ কথা শুনি জুড়াইত প্রাণ। তেঁহো মোরে ছাড়ি গেলা রামচন্দ্র না আইলা দুখে জীউ করে আনচান॥ যে মোর মনের ব্যথা কাহারে কহিব কথা এ ছার জীবনে নাহি আশ। অন্নজল বিষ খাই মরিয়া নাহিক যাই ধিক ধিক নরোত্তমদাস॥ এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী", ২৯১-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। গৌরাঙ্গের সহচর শ্রীবাসাদি গদাধর নরহরি মুকুন্দ মুরারি। সঙ্গে স্বরূপ রামানন্দ হরিদাস প্রেমকন্দ দামোদর পরমানন্দ পুরী॥ যে সব করিল লীলা শুনিতে গলয়ে শিলা তাহা মুঞি না পাইনু দেখিতে। তখন নহিল জন্ম এবে ভেল ভববন্ধ সে না শেল রহি গেল চিতে॥ প্রভু সনাতন রূপ রঘুনাথ ভট্টযুগ ভূগর্ভ শ্রীজীব লোকনাথ। এ সকল প্রভু মিলি যে সব করিলা কেলি বৃন্দাবনে ভক্তগণ সাথ॥ সভে হৈলা অদর্শন শূন্য ভেল ত্রিভুবন অন্ধ হৈল সবাকার আঁখি। কাহারে কহিব দুখ না দেখাব ছার মুখ আছি যেন মরা পশু পাখী॥ শ্রীআচার্য্য শ্রীনিবাস আছিনু তাঁহার পাশ কথা শুনি জুড়াইত প্রাণ। তেঁহো মোরে ছাড়ি গেলা রামচন্দ্র না আইলা দুখে জীউ করে আনচান॥ যে মোর মনের ব্যথা কাহারে কহিব কথা এ ছার জীবনে নাহি আশ। অন্নজল বিষ খাই মরিয়া নাহিক যাই ধিক ধিক নরোত্তমদাস॥ . *********** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |