কবি নরোত্তম দাস-এর পদাবলী
*
যে আনিল প্রেম ধন করুণা প্রচুর
কবি নরোত্তম দাস
এই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত, হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন
“সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ৩০৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

যে আনিল প্রেম ধন করুণাপ্রচুর। হেন প্রভু কোথা গেলা আচার্য্য ঠাকুর॥ কাঁহা মোর স্বরূপ
রূপ কাঁহা সনাতন। কাঁহা দাস রঘুনাথ পতিতপাবন॥ কাঁহা মোর ভট্টযুগ কাঁহা কবিরাজ।
এককালে কোথা গেল গোরা নটরাজ॥ পাষাণে কুটিব মাথা অনলে পশিব। গৌরাঙ্গ গুণের
নিধি কোথা গেলে পাব॥ সে সব সঙ্গীর সঙ্গে যে কৈল বিলাস। সে সঙ্গ না পাঞা কান্দে
নরোত্তমদাস॥

ই পদটি ১৯০২ সালে রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের
৬৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

যে আনিল প্রেম ধন করুণা প্রচুর।
হেন প্রভু কোথা গেলা আচার্য্য ঠাকুর॥
কাঁহা মোর স্বরূপ রূপ কাঁহা সনাতন।
কাঁহা দাস রঘুনাথ পতিত পাবন॥
কাঁহা মোর ভট্ট যুগ কাঁহা কবিরাজ।
এক কালে কোথা গেল গোরা নটরাজ॥
পাষাণে কুটিব মাথা অনলে পশিব।
গৌরাঙ্গ গুণের নিধি কোথা গেলে পাব॥
সে সব সঙ্গীর সঙ্গে যে কৈল বিলাস।
সে সঙ্গ না পাঞা কান্দে নরোত্তম দাস॥

ই পদটি  ১৯১৪ সালে সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের
৪২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।        
                                                             
॥ ধানশী॥

যে আনিল প্রেম ধন করুণা প্রচুর।
হেন প্রভু কোথা গেলা আচার্য্য ঠাকুর॥
কাঁহা মোর স্বরূপ রূপ কাঁহা সনাতন।
কাঁহা দাস রঘুনাথ পতিত পাবন॥
কাঁহা মোর ভট্টযুগ কাঁহা কবিরাজ।
এক কালে কোথা গেল গোরা নটরাজ॥
পাষাণে কুটিব মাথা অনলে পশিব।
গৌরাঙ্গ গুণের নিধি কোথা গেলে পাব॥
সে সব সঙ্গীর সঙ্গে যে কৈল বিলাস।
সে সঙ্গ না পাঞা কান্দে নরোত্তম দাস॥

ই পদটি ১৯৩০ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী নিত্যস্বরূপ সম্পাদিত, “শ্রীহরি
সাধক-কণ্ঠহার”, ১৯১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

সপার্ষদ-ভগবদ্ধিরহজনিত বিলাপঃ।

যে আনিল প্রেমধন করুণা প্রচুর।
হেন প্রভু কোথা গেল আচার্য্য ঠাকুর॥
কাঁহা মোর স্বরূপ রূপ কাঁহা সনাতন।
কাঁহা দাস রঘুনাথ পতিতপাবন॥
কাঁহা মোর ভট্টযুগ কাঁহা কবিরাজ।
এককালে কোথা গেল গোরা নটরাজ॥
পাষাণে কুটিব মাথা অনলে পশিব।
গৌরাঙ্গ গুণের নিধি কোথা গেলে পাব॥
সে সব সঙ্গীর সঙ্গ যে কৈল বিলাস।
সে সঙ্গ না পাঞা কান্দে নরোত্তম দাস॥

.                 ***********               

.                                                                                  
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু দয়া কর মোরে
কবি নরোত্তম দাস
এই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত, হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন
“সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ৩০৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু দয়া কর মোরে। তোমা বিনা কে দয়ালু জগত্সংসারে॥ পতিতপাবন
হেতু তব অবতার। মো সম পতিত প্রভু না পাইবে আর॥ হা হা প্রভু নিত্যানন্দ প্রেমানন্দ
সুখী। কৃপাবলোকন কর আমি বড় দুখী॥ দয়া কর সীতাপতি অদ্বৈত-গোঁসাঞি। তব
কৃপাবলে পাই চৈতন্য নিতাই॥ হা হা স্বরূপ সনাতন রূপ রঘুনাথ। ভট্টযুগ শ্রীজীব হা প্রভু
লোক নাথ॥ দয়া কর শ্রীআচার্য্য প্রভু শ্রীনিবাস। রামচন্দ্র সঙ্গ মাগে নরোত্তম দাস॥

ই পদটি ১৯০২ সালে রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের
৬৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য প্রভু ! দয়া কর মোরে।
তোমা বিনা কে দয়ালু জগত সংসারে॥
পতিত পাবন হেতু তব অবতার।
মো সম পতিত প্রভু না পাইবে আর॥
হাহা প্রভু নিত্যানন্দ প্রেমানন্দে সুখী।
কৃপাবলোকন কর আমি বড় দুখী॥
দয়াকর সীতাপতি অদ্বৈত গোসাঞি।
তব কৃপাবলে পাই চৈতন্য নিতাই॥
হাহা স্বরূপ সনাতন রূপ রঘুনাথ।
ভট্টযুগ শ্রীজীব হা প্রভু লোক নাথ॥
দয়া কর শ্রীআচার্য্য প্রভু শ্রীনিবাস।
রামচন্দ্র সঙ্গ মাগে নরোত্তম দাস॥

ই পদটি  ১৯১৪ সালে সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের
৪৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।        
                                                             
॥ ধানশী॥

শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য প্রভু ! দয়া কর মোরে।
তোমা বিনা কে দয়ালু জগত সংসারে॥
পতিত পাবন হেতু তব অবতার।
মো সম পতিত প্রভু না পাইবে আর॥
হাহা প্রভু নিত্যানন্দ প্রেমানন্দে সুখী।
কৃপাবলোকন কর আমি বড় দুখী॥
দয়াকর সীতাপতি অদ্বৈত গোসাঞি।
তব কৃপাবলে পাই চৈতন্য নিতাই॥
হাহা স্বরূপ সনাতন রূপ রঘুনাথ।
ভট্টযুগ শ্রীজীব হা প্রভু লোক নাথ॥
দয়া কর শ্রীআচার্য্য প্রভু শ্রীনিবাস।
রামচন্দ্র সঙ্গ মাগে নরোত্তম দাস॥

ই পদটি ১৯৩০ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী নিত্যস্বরূপ সম্পাদিত, “শ্রীহরি
সাধক-কণ্ঠহার”, ১৮৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

পুনঃপ্রার্থনা।

শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু দয়া কর মোরে।
তোমা বিনা কে দয়ালু জগৎ সংসারে॥
পতিত পাবন হেতু তব অবতার।
মো সম পতিত প্রভু না পাইবে আর॥
হা হা প্রভু নিত্যানন্দ! প্রেমানন্দ সুখী।
কৃপাবলোকন কর আমি বড় দুঃখী॥
দয়াকর সীতাপতি অদ্বৈত গোসাঞি।
তব কৃপাবলে পাই চৈতন্য নিতাই॥
হা হা স্বরূপ সনাতন রূপ রঘুনাথ।
ভট্টযুগ শ্রীজীব হা প্রভু লোকনাথ॥
দয়া কর শ্রীআচার্য্য প্রভু শ্রীনিবাস।
রামচন্দ্র @ সঙ্গ মাগে নরোত্তম দাস॥

টীকা -
@ - রামচন্দ্র - রামচন্দ্র কবিরাজ। ইনি শ্রীনিবাস আচার্য্য প্রভুর শিষ্য এবং এই পদকর্ত্তার
অত্যন্ত প্রিয়তম সঙ্গী ছিলেন। ইহাঁর ভ্রাতা গৌড়ীয়-বৈষ্ণব-জগতে সম্যক সুপরিচিত
মহাকবি গোবিন্দ কবিরাজ। যে সময়ে এই গীত রচিত হয়, সেই সময় রামচন্দ্র কবিরাজ
ইহলোক পরিত্যাগ করিয়া ভগবন্নিত্যলীলায় প্রবিষ্ট হওয়ায় তাঁহার বিরহে কাতর হইয়া
কহিতেছেন,---‘রামচন্দ্র সঙ্গ মাগে’।---ব্রহ্মচারী নিত্যস্বরূপ, “শ্রীহরি সাধক-কণ্ঠহার”॥

ই পদটি ১৯৩২ সালে প্রকাশিত, ব্রজমোহন দাস সংকলিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
সেবা আরতি ও কীর্ত্তন পদাবলী ও নিত্যক্রিয়া পদ্ধতি”, ৫৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য প্রভু দয়া কর মোরে।
তোমা বিনা কে দয়ালু জগৎ মাঝারে॥
পতিত পাবন হেতু তব অবতার।
মো সম পতিত প্রভু না পাইবে আর॥
হাহা প্রভু নিত্যানন্দ প্রেমানন্দ সুখী।
কৃপাবলোকন কর আমি বড় দুখী॥
দয়া কর সীতানাথ অদ্বৈত গোসাঞি।
তব কৃপাবলে পাই চৈতন্য-নিতাই॥
হা হা স্বরূপ সনাতন রূপ রঘুনাথ।
ভট্ট যুগ শ্রীজীব হা প্রভু লোকনাথ॥
দয়া কর শ্রীআচার্য্য প্রভু শ্রীনিবাস।
রামচন্দ্র সঙ্গ মাগে নরোত্তম দাস॥

.                 ***********               

.                                                                                  
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
হরি হরি আর কবে পালটিবে দশা
কবি নরোত্তম দাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত
শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল) ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ শাখা-২য় ভাগ, ৩৬শ পল্লব, প্রার্থনা,
৩০৪৯-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। এই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত
“পদরসসার” পুথির ২৫৪৬-পদসংখ্যায় হুবহু একই রূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ পাহিড়া॥

হরি হরি আর কবে পালটিবে দশা।
এ সব করিয়া বামে              যাব বৃন্দাবন-ধামে
এই মনে কব়্যার্ছি ভরসা॥ ধ্রু॥
ধন জন পুত্র দারে               এ সব করিয়া দূরে
একান্ত করিয়া কবে যাব।
সব দুখ পারিহরি                বৃন্দাবনে বাস করি
মাধুকরি মাগিয়া খাইব॥
যমুনার জল যেন                  অমৃত সমান হেন
কবে খাব উদর পূরিয়া।
রাধা-কুণ্ড-জলে স্নান             করি কুতূহলে নাম
শ্যাম-কুণ্ডে রহিব পড়িয়া॥
ভ্রমিব দ্বাদশ বনে            রাস-কেলি যেই স্থানে
প্রেমাবেশে গড়াগড়ি দিয়া।
সুধাইব জনে জনে               ব্রজ-বাসিগণ স্থানে
নিবেদিব চরণ ধরিয়া॥
ভোজনের স্থান কবে              নয়নে দর্শন হবে
আর যত আছে উপবন।
তার মাঝে বৃন্দাবন            নরোত্তম দাসের মন
আশা করে যুগল চরণ॥

ই পদটি ১৮০৭ সালে প্রকাশিত, কমলাকান্ত দাস সংকলিত “পদরত্নাকর” পুথির ৪৩।৩৬-পদ-সংখ্যায়
এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-
পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো।

॥ পাহিড়া॥

হরি হরি আর কবে পালটিবে দশা।
এ সব করিয়া বামে              যাব বৃন্দাবন-ধামে
এই মনে করিয়াছি আশা॥ ধ্রু॥
ধন জন পুত্র দারে               সকল করিয়া দূরে
একান্ত করিয়া কবে যাব।
সব দুখ পারিহরি                ব্রজপুর বাস করি
মাধুকরি মাগিয়া খাইব॥
যমুনার জল যেন                 অমৃত সমান হেন
কবে খাব উদর পূরিয়া।
রাধা-কুণ্ডে করি স্নান             হয়্যা কুতূহল মন
শ্যাম-কুণ্ডে রহিব পড়িয়া॥
ভ্রমিব দ্বাদশ বনে            রাস-কেলি যেই স্থানে
প্রেমে গড়াগড়ি তায় দিয়া।
সুধাইব জনে জনে              ব্রজ-বাসিগণ স্থানে
নিবেদিব চরণ ধরিয়া॥
ভোজনের স্থান কবে             লোচনে দর্শন হবে
আর কত আছে উপবন।
তার মাঝে বৃন্দাবন             নরোত্তম দাসের মন
আশা করে যুগল চরণ॥

ই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত, হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”,
১ম খণ্ড, ৩০৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ পাহিড়া॥

হরি হরি আর কবে পালটিব দশা। এ সব করিয়া বামে, যাব বৃন্দাবন-ধামে, এই মনে করিয়াছি আশা॥ ধন
জন পুত্র দারে, এ সব করিয়া দূরে, একান্ত করিয়া কবে যাব। সব দুঃখ পারিহরি, বৃন্দাবনে বাস করি,
মাধুকরী মাগিয়া খাইব॥ যমুনার জল যেন, অমৃত সমান হেন, কবে খাব উদর পূরিয়া। রাধাকুণ্ড-জলে স্নান,
করি কুতূহলে নাম, শ্যামকুণ্ডে রহিব পড়িয়া॥ ভ্রমিব দ্বাদশ বনে, রাসকেলি যেইস্থানে, প্রেমাবেশে গড়াগড়ি
দিয়া। সুধাইব জনে জনে, ব্রজবাসিগণ স্থানে, নিবেদিব চরণ ধরিয়া॥ ভোজনের স্থান কবে, নয়নে
দর্শন হবে, আর যত আছে উপবন। তার সাঝে বৃন্দাবন, নরোত্তমদাসের মন, আশা করে যুগল চরণ॥

ই পদটি ১৯০২ সালে রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৬৭-পৃষ্ঠায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

হরি হরি আর কবে পালটিবে দশা।
এ সব করিয়া বামে,                যাব বৃন্দাবন ধামে,
এই মনে করিয়াছি আশা॥
ধন জন পুত্র দারে,                 এ সব করিয়া দূরে,
একান্ত করিয়া কবে যাব।
সব দুঃখ পারিহরি,                বৃন্দাবনে বাস করি,
মাধুকরী মাগিয়া খাইব॥
যমুনার জল যেন,                   অমৃত সমান হেন,
কবে খাব উদর পূরিয়া।
রাধাকুণ্ড জলে স্নান,                 করি কুতূহলে নাম,
শ্যামকুণ্ডে রহিব পড়িয়া॥
ভ্রমিব দ্বাদশ বনে,               রাস কেলি যেই স্থানে,
প্রেমাবেশে গড়াগড়ি দিয়া।
সুধাইব জনে জনে,                   ব্রজবাসীগণ স্থানে,
নিবেদিব চরণ ধরিয়া॥
ভোজনের স্থান কবে,                 নয়নে দর্শন হবে,
আর যত আছে উপবন।
তার মাঝে বৃন্দাবন,               নরোত্তম দাসের মন,
আশা করে যুগল চরণ॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”,
৩৯১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ পাহিড়া॥

হরি হরি আর কবে পালটিবে দশা।
এ সব করিয়া বামে,              যাব বৃন্দাবন-ধামে,
এই মনে করিয়াছি আশা॥
ধন জন পুত্র দারে,                 এ সব করিয়া দূরে,
একান্ত করিয়া কবে যাব।
সব দুঃখ পারিহরি,                বৃন্দাবনে বাস করি,
মাধুকরী মাগিয়া খাইব॥
যমুনার জল যেন,                   অমৃত সমান হেন,
কবে খাব উদর পূরিয়া।
রাধাকুণ্ড-জলে স্নান,                করি কুতূহলে নাম,
শ্যামকুণ্ডে রহিব পড়িয়া॥
ভ্রমিব দ্বাদশ বনে,              রাস কেলি যেই স্থানে,
প্রেমাবেশে গড়াগড়ি দিয়া।
সুধাইব জনে জনে,                 ব্রজবাসিগণ স্থানে,
নিবেদিব চরণ ধরিয়া॥
ভোজনের স্থান কবে,               নয়নে দর্শন হবে,
আর যত আছে উপবন।
তার সাঝে বৃন্দাবন,             নরোত্তম দাসের মন,
আশা করে যুগল চরণ॥

ই পদটি  ১৯১৪ সালে সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৪৪-পৃষ্ঠায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ পাহিড়া॥

হরি হরি আর কবে পালটিবে দশা।
এ সব করিয়া বামে,              যাব বৃন্দাবন ধামে,
এই মনে করিয়াছি আশা॥
ধন জন পুত্র দারে,               এ সব করিয়া দূরে,
একান্ত করিয়া কবে যাব।
সব দুঃখ পারিহরি,                বৃন্দাবনে বাস করি,
মাধুকরী মাগিয়া খাইব॥
যমুনার জল যেন,                   অমৃত সমান হেন,
কবে খাব উদর পূরিয়া।
রাধাকুণ্ড জলে স্নান,               করি কুতূহলে নাম,
শ্যামকুণ্ডে রহিব পড়িয়া॥
ভ্রমিব দ্বাদশ বনে,              রাস কেলি যেই স্থানে,
প্রেমাবেশে গড়াগড়ি দিয়া।
সুধাইব জনে জনে,                ব্রজবাসিগণ স্থানে,
নিবেদিব চরণ ধরিয়া॥
ভোজনের স্থান কবে,               নয়নে দর্শন হবে,
আর যত আছে উপবন।
তার মাঝে বৃন্দাবন,            নরোত্তম দাসের মন,
আশা করে যুগল চরণ॥

ই পদটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত, কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, ”কীর্ত্তন-পদাবলী”,
২৯৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ পাহিড়া॥

হরি হরি আর কবে পালটিবে দশা।
এ সব করিয়া বামে,              যাব বৃন্দাবন-ধামে,
এই মনে করিয়াছি আশা॥
ধন জন পুত্র দারে,                 এ সব করিয়া দূরে,
একান্ত করিয়া কবে যাব।
সব দুঃখ পারিহরি,                বৃন্দাবনে বাস করি,
মাধুকরী মাগিয়া খাইব॥
যমুনার জল যেন,                    অমৃত সমান হেন,
কবে খাব উদর পূরিয়া।
রাধাকুণ্ড-জলে স্নান,                 করি কুতূহলে নাম,
শ্যামকুণ্ডে রহিব পড়িয়া॥
ভ্রমিব দ্বাদশ বনে,              রাস কেলি যেই স্থানে,
প্রেমাবেশে গড়াগড়ি দিয়া।
সুধাইব জনে জনে,                 ব্রজবাসিগণ স্থানে,
নিবেদিব চরণ ধরিয়া॥
ভোজনের স্থান কবে,                নয়নে দর্শন হবে,
আর যত আছে উপবন।
তার মাঝে বৃন্দাবন,             নরোত্তম দাসের মন,
আশা করে যুগল চরণ॥

ই পদটি ১৯৩০ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী নিত্যস্বরূপ সম্পাদিত, “শ্রীহরি সাধক-কণ্ঠহার”,
২০৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

সাধক দেহোচিত শ্রীবৃন্দাবনবাস-লালসা।

হরি হরি! আর কবে পালটিবে দশা।
এ সব করিয়া বামে,              যাব বৃন্দাবন ধামে,
এই মনে করিয়াছি আশা॥
ধন জন পুত্র দারে,               এ সব করিয়া দূরে,
একান্ত করিয়া কবে যাব।
সব দুঃখ পারিহরি,              বৃন্দাবনে বাস করি,
মাধুকরী মাগিয়া খাইব॥
যমুনার জল যেন,                  অমৃত সমান হেন,
কবে পিব উদর পূরিয়া।
কবে রাধাকুণ্ড জলে             স্নান করি কুতূহলে,
শ্যামকুণ্ডে রহিব পড়িয়া॥
ভ্রমিব দ্বাদশ বনে,            রসকেলি যে যে স্থানে,
প্রেমাবেশে গড়াগড়ি দিয়া।
সুধাইব জনে জনে,                ব্রজবাসিগণ স্থানে,
নিবেদিব চরণ ধরিয়া॥
ভোজনের স্থান কবে,              নয়নগোচর হবে,
আর যত আছে উপবন।
তার মাঝে বৃন্দাবন,            নরোত্তম দাসের মন,
আশা করে যুগল চরণ॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন
”শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ৩৫৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ পাহিড়া॥

হরি হরি আর কবে পালটিবে দশা।
এ সব করিয়া বামে                যাব বৃন্দাবনধামে
এই মনে করিয়াছি আশা॥ ধ্রু॥
ধন জন পুত্র দারে                  এসব করিয়া দূরে
একান্ত করিয়া কবে যাব।
সব দুঃখ পারিহরি                বৃন্দাবনে বাস করি
মাধুকরী মাগিয়া খাইব॥
যমুনার জল যেন                   অমৃত সমান হেন
কবে খাব উদর পূরিয়া।
রাধাকুণ্ডজলে স্নান                 করি কুতূহলে নাম
শ্যামকুণ্ডে রহিব পড়িয়া॥
ভ্রমিব দ্বাদশ বনে              রাসকেলি যেই স্থানে
প্রেমাবেশে গড়াগড়ি দিয়া।
সুধাইব জনে জনে                ব্রজবাসিগণ স্থানে
নিবেদিব চরণ ধরিয়া॥
ভোজনের স্থান যবে                নয়নে দর্শন হবে
আর যত আছে উপবন।
তার মাঝে বৃন্দাবন              নরোত্তমদাসের মন
আশা করে যুগলচরণ॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
পদাবলী”, ৫৪৬-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

প্রার্থনা
॥ পাহিড়া॥

হরি হরি আর কবে পালটিবে দশা।
এ সব করিয়া বামে              যাব বৃন্দাবন-ধামে
এই মনে কব়্যার্ছি ভরসা॥ ধ্রু॥
ধন জন পুত্র দারে               এ সব করিয়া দূরে
একান্ত করিয়া কবে যাব।
সব দুখ পারিহরি                বৃন্দাবনে বাস করি
মাধুকরি মাগিয়া খাইব॥
যমুনার জল যেন                 অমৃত সমান হেন
কবে খাব উদর পূরিয়া।
রাধাকুণ্ডজলে স্নান               করি কুতূহলে নাম
শ্যামকুণ্ডে রহিব পড়িয়া॥
ভ্রমিব দ্বাদশ বনে              রসকেলি যেই স্থানে
প্রেমাবেশে গড়াগড়ি দিয়া।
সুধাইব জনে জনে               ব্রজবাসিগণ স্থানে
নিবেদিব চরণে ধরিয়া॥
ভোজনের স্থান কবে              নয়নে দর্শন হবে
আর যত আছে উপবন।
তার মাঝে বৃন্দাবন            নরোত্তম দাসের মন
আশা করে যুগল চরণ॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী",
৩০১-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

হরি হরি আর কবে পালটিবে দশা।
এ সব করিয়া বামে যাব বৃন্দাবন ধামে
এই মনে কব়্যাছি ভরসা॥
ধন জন পুত্র দারে এ সব করিয়া দূরে
একান্ত করিয়া কবে যাব।
সব দুখ পারিহরি বৃন্দাবনে বাস করি
মাধুকরি মাগিয়া খাইব॥
যমুনার জল যেন অমৃত সমান হেন
কবে খাব উদর পূরিয়া।
রাধাকুণ্ডজলে স্নান করি কুতূহলে নাম
শ্যামকুণ্ডে রহিব পড়িয়া॥ @

@ - এই গ্রন্থে এই পদটি এই অবধি ভণিতাহীন অবস্থায় রয়েছে।

.                 ***********               

.                                                                                  
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
প্রভু মোর মদন গোপাল গোবিন্দ গোপীনাথ
মোর প্রভু মদনগোপাল গোবিন্দ গোপীনাথ
প্রভু মোর মদনমোহন গোবিন্দ গোপীনাথ
মদনগোপাল প্রভু গোবিন্দ গোপীনাথ
কবি নরোত্তম দাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত
শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল) ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ শাখা-২য় ভাগ, ৩৬শ পল্লব, প্রার্থনা,
৩০১৯-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বিভাষ॥

প্রভু মোর মদনগোপাল                গোবিন্দ গোপীনাথ
দয়া কর মুঞি অধমেরে।
সংসার-সাগর মাঝে                পড়িয়া রৈয়াছি নাথ
কৃপা-ডোরে বান্ধি লেহ মোরে॥
অধম চণ্ডাল আমি                    দয়ার ঠাকুর তুমি
শুনিয়াছি বৈষ্ণবের মুখে।
এই বড় ভরসা মনে                 ফেল লৈয়া বৃন্দাবনে
বংশীবট দেখি যেন সুখে॥
কৃপা কর মধুপুরী                    লেহ মোর চুলে ধরি
শ্রীযমুনা দেহ পদ-ছায়া।
অনেক দিবসের আশ                  নহে যেন নৈরাশ
দয়া কর না করিহ মায়া॥
অনিত্য এ দেহ ধরি                আপন আপন করি
পাছে আছে শমনের ভয়।
নরোত্তম দাস মনে               প্রাণ কান্দে রাত্রি দিনে,
পাছে ব্রজ-প্রাপ্তি নাহি হয়॥

ই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ২৫২৬-পদসংখ্যায় এই
রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে
এখানে উপস্থাপন করা হলো।

॥ বিভাষ॥

প্রভু মোর মদনগোপাল                গোবিন্দ গোপীনাথ
দয়া কর মুঞি অধমেরে।
সংসার-সাগর মাঝে                পড়িয়া রৈয়াছি নাথ
কৃপা-ডোরে বান্ধি লেহ মোরে॥
অধম চণ্ডাল আমি                    দয়ার ঠাকুর তুমি
শুনিয়াছি বৈষ্ণবের মুখে।
এই বড় ভরসা মনে                 ফেল লৈয়া বৃন্দাবনে
বংশীবট দেখি যেন সুখে॥
কৃপা কর মধুপুরী                লেহ মোরে কেশে ধরি
শ্রীযমুনা দেহ পদ-ছায়া।
অনেক দিবসের আশ                   নহে যেন নৈরাশ
দয়া কর না করিহ মায়া॥
অনিত্য যে দেহ ধরি                মোর মোর করি মরি
পাছে পাছে শমনের ভয়।
নরোত্তম দাস মনে                     এ ভয় রাত্রি দিনে
পাছে ব্রজ-প্রাপ্তি নাহি হয়॥

ই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত, হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”,
১ম খণ্ড, ৩০৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বিভাস॥

প্রভু মোর মদনগোপাল, গোবিন্দ গোপীনাথ, দয়া কর মুঞি অধমেরে। সংসার-সাগর মাঝে পড়িয়া রৈয়াছি
নাথ, কৃপা ডোরে বান্ধি লেহ মোরে॥ অধম চণ্ডাল আমি, দয়ার ঠাকুর তুমি, শুনিয়াছি বৈষ্ণবের মুখে। এই
বড় ভরসা মনে, ফেল লৈয়া বৃন্দাবনে, বংশীবট দেখি যেন সুখে॥ কৃপা কর মধুপুরী, লেহ মোরে কেশে ধরি,
শ্রীযমুনা দেহ পদছায়া। অনেক দিবসের আশ, নহে যেন নৈরাশ, দয়া কর না করিহ মায়া॥ অনিত্য যে দেহ
ধরি, আপন আপন করি, পাছে পাছে শমনের ভয়। নরোত্তমদাস মনে, প্রাণ কান্দে রাত্রি দিনে, পাছে ব্রজ-
প্রাপ্তি নাহি হয়॥

ই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত, হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”,
১ম খণ্ড, ৩০৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

মোর প্রভু মদনগোপাল, গোবিন্দ গোপীনাথ, দয়া কর মুঞি অধমেরে। সংসার-সাগর মাঝে, পড়িয়া রৈয়াছি
নাথ, কৃপাডোরে বান্ধি লেহ মোরে॥ অধম চণ্ডাল আমি, দয়ার ঠাকুর তুমি, শুনিয়াছি বৈষ্ণবের মুখে। এ বড়
ভরসা মনে, লৈঞা ফেল বৃন্দাবনে, বংশীবট যেন দেখি সুখে॥ কৃপা কর আগু গুরি, লহ মোরে কেশ ধরি,
শ্রীযমুনা দেহ পদছায়া। অনেক দিনের আশ, নহে যেন নৈরাশ, দয়া কর না করহ মায়া॥ অনিত্য এ দেহ
ধরি, আপন আপন করি, পাছে পাছে শমনের ভয়। নরোত্তমদাস ভণে, প্রাণ কান্দে রাত্রি দিনে, পাছে ব্রজ-
প্রাপ্তি নাহি হয়॥

ই পদটি ১৯০২ সালে রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৬৮-পৃষ্ঠায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বিভাষ॥

প্রভু মোর মদন গোপাল,            গোবিন্দ গোপীনাথ,
দয়া কর মুঞি অধমেরে।
সংসার সাগর মাঝে,                পড়িয়া রৈয়াছি নাথ,
কৃপা ডোরে বান্ধি লেহ মোরে॥
অধম চণ্ডাল আমি,                    দয়ার ঠাকুর তুমি,
শুনিয়াছি বৈষ্ণবের মুখে।
এই বড় ভরসা মনে,                 ফেল লৈয়া বৃন্দাবনে,
বংশীবট দেখি যেন সুখে॥
কৃপা কর মধুপুরী,                লেহ মোরে কেশে ধরি,
শ্রীযমুনা দেহ পদ ছায়া।
অনেক দিনের আশ,                    নহে যেন নৈরাশ,
দয়া কর না করিহ মায়া॥
অনিত্য যে দেহ ধরি,                আপন আপন করি,
পাছে পাছে শমনের ভয়।
নরোত্তম দাস মনে,               প্রাণ কান্দে রাত্রি দিনে,
পাছে ব্রজ প্রাপ্তি নাহি হয়॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”,
৩৮৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বিভাস॥

প্রভু মোর মদনগোপাল,                গোবিন্দ গোপীনাথ
দয়া কর মুঞি অধমেরে।
সংসার সাগর মাঝে,                পড়িয়া রৈয়াছি নাথ,
কৃপা ডোরে বান্ধি লেহ মোরে॥
অধম চণ্ডাল আমি,                    দয়ার ঠাকুর তুমি,
শুনিয়াছি বৈষ্ণবের মুখে।
এই বড় ভরসা মনে,                 ফেল লৈয়া বৃন্দাবনে,
বংশীবট দেখি যেন সুখে॥
কৃপা কর মধুপুরী,                  লেহ মোর কেশ ধরি,
শ্রীযমুনা দেহ পদ ছায়া।
অনেক দিবসের আশ,                  নহে যেন নৈরাশ,
দয়া কর না করিহ মায়া॥
অনিত্য যে দেহ ধরি,                আপন আপন করি,
পাছে আছে শমনের ভয়।
নরোত্তম দাস মনে,               প্রাণ কান্দে রাত্রি দিনে,
পাছে ব্রজ-প্রাপ্তি নাহি হয়॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”,
৩৯৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

মোর প্রভু মদনগোপাল,                 গোবিন্দ গোপীনাথ,
দয়া কর মুঞি অধমেরে।
সংসার-সাগর মাঝে,                পড়িয়া রৈয়াছি নাথ,
কৃপাডোরে বান্ধি লেহ মোরে॥
অধম চণ্ডাল আমি,                      দয়ার ঠাকুর তুমি,
শুনিয়াছি বৈষ্ণবের মুখে।
এই বড় ভরসা মনে,                   লৈয়া ফেল বৃন্দাবনে,
বংশীবট যেন দেখি সুখে॥
কৃপা কর আগু গুরী,                লেহ মোরে কেশ ধরি,
শ্রীযমুনা দেহ পদছায়া।
অনেক দিনের আশ,                       নহে যেন নৈরাশ,
দয়া কর না করহ মায়া॥
অনিত্য এ দেহ ধরি,                     আপন আপন করি,
পাছে আছে শমনের ভয়।
নরোত্তমদাস ভণে,                    প্রাণ কান্দে রাত্রি দিনে,
পাছে ব্রজ-প্রাপ্তি নাহি হয়॥

ই পদটি  ১৯১৪ সালে সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৪৫-পৃষ্ঠায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বিভাস॥

প্রভু মোর মদন গোপাল,              গোবিন্দ গোপীনাথ,
দয়া কর মুঞি অধমেরে।
সংসার সাগর মাঝে,                পড়িয়া রৈয়াছি নাথ,
কৃপা ডোরে বান্ধি লেহ মোরে॥
অধম চণ্ডাল আমি,                    দয়ার ঠাকুর তুমি,
শুনিয়াছি বৈষ্ণবের মুখে।
এই বড় ভরসা মনে,                 ফেল লৈয়া বৃন্দাবনে,
বংশীবট দেখি যেন সুখে॥
কৃপা কর আগুসারি,              লেহ মোরে কেশে ধরি,
শ্রীযমুনা দেহ পদ ছায়া।
অনেক দিনের আশ,                     নহে যেন নৈরাশ,
দয়া কর না করিহ মায়া॥
অনিত্য শরীর ধরি,                   আপন আপন করি,
পাছে আছে শমনের ভয়।
নরোত্তম দাস-মনে,                 প্রাণ কান্দে রাত্রি-দিনে,
পাছে ব্রজ প্রাপ্তি নাহি হয়॥

ই পদটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত, কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, ”কীর্ত্তন-পদাবলী”,
২৯৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বিভাস॥

প্রভু মোর মদনগোপাল,                গোবিন্দ গোপীনাথ
দয়া কর মুঞি অধমেরে।
সংসার সাগর মাঝে,                পড়িয়া রৈয়াছি নাথ
কৃপা ডোরে বান্ধি লেহ মোরে॥
অধম চণ্ডাল আমি,                    দয়ার ঠাকুর তুমি,
শুনিয়াছি বৈষ্ণবের মুখে।
এই বড় ভরসা মনে,                 ফেল লৈয়া বৃন্দাবনে,
বংশীবট দেখি যেন সুখে॥
কৃপা কর মধুপুরী,                  লেহ মোরে কেশেধরি,
শ্রীযমুনা দেহ পদ ছায়া।
অনেক দিবসের আশ,                   নহে যেন নৈরাশ,
দয়া কর না করিহ মায়া॥
অনিত্য যে দেহ ধরি,                  আপন আপন করি,
পাছে আছে শমনের ভয়।
নরোত্তম দাস মনে,                  প্রাণ কান্দে রাত্রি দিনে,
পাছে ব্রজ প্রাপ্তি নাহি হয়॥

ই পদটি ১৯৩০ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী নিত্যস্বরূপ সম্পাদিত, “শ্রীহরি সাধক-কণ্ঠহার”,
১৮২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

প্রার্থনা।
দৈন্যবোধিকা।

মোর প্রভু মদন গোপাল।
গোবিন্দ গোপীনাথ,
দয়া কর মুঞি অধমেরে।
সংসার-সাগর মাঝে,                পড়িয়া রৈয়াছি নাথ
কৃপা ডোরে বান্ধি লেহ মোরে॥
অধম চণ্ডাল আমি,                    দয়ার ঠাকুর তুমি,
শুনিয়াছি বৈষ্ণবের মুখে।
এই বড় ভরসা মনে,                 লৈঞা ফেল বৃন্দাবনে,
বংশীবট যেন দেখি সুখে॥
কৃপা করি আগু গুরি,              লহ মোরে কেশে ধরি,
শ্রীযমুনা দেহ পদছায়া।
অনেক দিনের আশ,                     নহে যেন নৈরাশ,
দয়া কর না করহ মায়া॥
অনিত্য এ দেহ ধরি,                  আপন আপন করি,
পাছে আছে শমনের ভয়।
নরোত্তম দাস ভনে,                  প্রাণ কান্দে রাত্রিদিনে,
পাছে ব্রজ প্রাপ্তি নাহি হয়॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন
”শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ৩৪৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বিভাস॥

প্রভু মোর মদন গোপাল                গোবিন্দ গোপীনাথ
দয়া কর মুই অধমেরে।
সংসারসাগর মাঝে                   পড়িয়া রৈয়াছি নাথ
কৃপা-ডোরে বাঁধি লেহ মোরে॥
অধম চণ্ডাল আমি                      দয়ার ঠাকুর তুমি
শুনিয়াছি বৈষ্ণবের মুখে।
এই বড় আশা মনে                    ফেল লৈয়া বৃন্দাবনে
বংশীবট যেন দেখি সুখে॥
কৃপা করি মধুপুরী                  লেহ মোরে কেশে ধরি
যমুনাজী দেহ পদ ছায়া।
অনেক দিবসের আশ                    নহে যেন নৈরাশ
দয়া কর না করিহ মায়া॥
অনিত্য যে দেহ ধরি                  আপন আপন করি
পাছে পাছে শমনের ভয়।
নরোত্তমদাস মনে                    প্রাণ কাঁদে রাত্র দিনে
পাছে ব্রজপ্রাপ্তি নাহি হয়॥

ই পদটি ১৯৩৭-৫৩ খৃষ্টাব্দের সময়কালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন
পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৩য় খণ্ড, প্রার্থনা, ৬৯৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বিভাস - মধ্যম ডশপাহিড়া॥

প্রভু মোর মদনমোহন                 গোবিন্দ গোপীনাথ
দয়াকর মুঞি অধমে রে।
সংসার সাগর মাঝে,                পড়িয়া রৈয়াছি নাথ,
কৃপা-ডোরে বান্ধি লেহ মোরে॥
অধম চণ্ডাল আমি,                    দয়ার ঠাকুর তুমি,
শুনিয়াছি বৈষ্ণবের মুখে।
এই বড় ভরসা মনে,                 ফেল লৈয়া বৃন্দাবনে,
বংশীবট দেখি যেন সুখে॥
কৃপা কর আগুগুড়ী,                লেহ মোরে কেশ ধরি,
শ্রীযমুনা দেহ পদছায়া।
অনেক দিনের আশ,                    নহে যেন নৈরাশ,
দয়া কর না করিহ মায়া॥
অনিত্য এ দেহ ধরি,            মিছা আপন আপন করি,
পাছে আছে শমনের ভয়।
নরোত্তম দাসের মেনে,            প্রাণ কান্দে রাত্রি দিনে,
পাছে ব্রজ প্রাপ্তি নাহি হয়॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
পদাবলী”, ৫৫০-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

প্রার্থনা
॥ ধানশী॥

মদনগোপাল প্রভু                        গোবিন্দ গোপীনাথ
দয়া কর মুঞি অধমেরে।
সংসারসাগর মাঝে                     পড়িয়া রৈয়াছি নাথ
কৃপাডোরে বান্ধি লেহ মোরে॥
অধম চণ্ডাল আমি                        দয়ার ঠাকুর তুমি
শুনিয়াছি বৈষ্ণবের মুখে।
এই বড় ভরসা মনে                     ফেল লৈয়া বৃন্দাবনে
বংশীবট দেখি যেন সুখে॥
কৃপা কর মুধুপুরী                        লেহ মোর চুলে ধরি
শ্রীযমুনা দেহ পদছায়া।
অনেক দিবসের আশ                       নহে যেন নৈরাশ
দয়া কর না করিহ মায়া॥
অনিত্য এ দেহ ধরি                 আপন আপন করি মরি
পাছে আছে শমনের ভয়।
নরোত্তম দাস মনে                    প্রাণ কান্দে রাত্রি দিনে
পাছে ব্রজ-প্রাপ্তি নাহি হয়॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী",
২৯৭-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

মদনগোপাল প্রভু গোবিন্দ গোপীনাথ
দয়া কর মুঞি অধমেরে।
সংসারসাগর মাঝে পড়িয়া রৈয়াছি নাথ
কৃপাডোরে বান্ধি লেহ মোরে॥
অধম চণ্ডাল আমি দয়ার ঠাকুর তুমি
শুনিয়াছি বৈষ্ণবের মুখে।
এই বড় ভরসা মনে ফেল লৈয়া
বৃন্দাবনে বংশীবট দেখি যেন সুখে॥
কৃপা কর মুধুপুরী লেহ মোর চুলে
ধরি শ্রীযমুনা দেহ পদছায়া।
অনেক দিবসের আশ নহে যেন নৈরাশ
দয়া কর না করিহ মায়া॥
অনিত্য এ দেহ ধরি আপন আপন করি
মরি পাছে আছে শমনের ভয়।
নরোত্তম দাস মনে প্রাণ কান্দে রাত্রি
দিনে পাছে ব্রজ প্রাপ্তি নাহি হয়॥

.                 ***********               

.                                                                                  
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
প্রভু হে এইবার করহ করুণা
কবি নরোত্তম দাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত
শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল) ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ শাখা-২য় ভাগ, ৩৬শ পল্লব, প্রার্থনা,
৩০৭৬-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তথা রাগ॥

প্রভু হে এইবার করহ করুণা।
যুগল-চরণ দেখি               সফল করিব আঁখি
এই বড় মনের বাসনা॥ ধ্রু॥
নিজ-পদ-সেবা দিবা        নাহি মোরে উপেখিবা
দুহুঁ পহুঁ করুণা-সাগর।
দুহুঁ বিনু নাহি জানো        এই বড় ভাগ্য মানো
মুঞি বড় পতিত পামর॥
ললিতা-আদেশ পাঞা          চরণ সেবিব যাঞা
প্রিয়-সখী সঙ্গে হর্ষ-মনে।
দুহুঁ দাতা-শিরোমণি        অতি দীন মোরে জানি
নিকটে চরণ দিবে দানে॥
পাব রাধাকৃষ্ণ-পা                 ঘুচিবে মনের ঘা
দূরে যাবে এ সব বিকল।
নরোত্তম দাসে কয়             এই বাঞ্ছা সিদ্ধি হয়
দেহ প্রাণ সকল সফল॥

ই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ২৫৭৯-পদসংখ্যায় এই
রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে
এখানে উপস্থাপন করা হলো।

॥ তথা রাগ॥

প্রভু হে এইবার করহ করুণা।
যুগল-চরণ দেখি                সফল করিব আঁখি
এই বড় মনের বাসনা॥ ধ্রু॥
নিজ-পদ-সেবা দিবা        নাহি মোরে উপেখিবা
দুহুঁ পহুঁ করুণা-সাগর।
দুহুঁ বিনু নাহি জানো         এই বড় ভাগ্য মানো
মুঞি বড় পতিত পামর॥
ললিতা-আদেশ পাঞা          চরণ সেবিব যাঞা
প্রিয়-সখী সঙ্গে হর্ষ-মনে।
দুহুঁ দাতা-শিরোমণি        অতি দীন মোরে জানি
নিকটে চরণ দিবে দানে॥
পাব রাধাকৃষ্ণ-পা                ঘুচিবে মনের ঘা
দূরে যাবে এ সব বিকল।
নরোত্তম দাসে কয়             এই বাঞ্ছা সিদ্ধি হয়
দেহ প্রাণ সফল সকল॥

ই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত, হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”,
১ম খণ্ড, ৩১৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

প্রভু হে এইবার করহ করুণা। যুগল চরণ দেখি, সফল করিব আঁখি, এই মোর মনের কামনা॥ নিজপদ সেবা
দিবা, নাহি মোরে উপেখিবা, দুহুঁ পঁহু করুণাসাগর। দুহুঁ বিনু নাহি জানো, এই বড় ভাগ্যে মানো, মুই বড়
পতিত পামর॥ ললিতা আদেশ পাঞা, চরণ সেবিব যাঞা, প্রিয় সখী সঙ্গে হয় মনে। দুহুঁ দাতা-শিরোমণি,
অতি দীন মোরে জানি, নিকটে চরণ দিবে দানে॥ পাব রাধা কৃষ্ণ পা, ঘুচিবে মনের ঘা, দূরে যাবে এ সব
বিকল। নরোত্তমদাসে কয়, এই বাঞ্ছা সিদ্ধি হয়, দেহ প্রাণ সকল সফল॥

ই পদটি ১৯০২ সালে রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৭১-পৃষ্ঠায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ কেদার॥

প্রভু হে এইবার করহ করুণা।
যুগল চরণ দেখি,               সফল করিব আঁখি,
এই বড় মনের বাসনা॥
নিজ পদ সেবা দিবা,        নাহি মোরে উপেক্ষিবা,
দুহুঁ পহুঁ করুণা সাগর।
দুহুঁ বিনু নাহি জানো,         এই বড় ভাগ্য মানো,
মুঞি বড় পতিত পামর॥
ললিতা আদেশ পাঞা,           চরণ সেবিব যাঞা,
প্রিয় সখী সঙ্গে হয় মনে।
দুহুঁ দাতা শিরোমণি,        অতি দীন মোরে জানি,
নিকটে চরণ দিবে দানে॥
পাব রাধাকৃষ্ণ পা,                ঘুচিবে মনের ঘা,
দূরে যাবে এ সব বিকল।
নরোত্তম দাস কয়,             এই বাঞ্ছা সিদ্ধি হয়,
দেহ প্রাণ সকল সফল॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”,
৩৯৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

প্রভু হে এইবার করহ করুণা।
যুগল চরণ দেখি,                সফল করিব আঁখি,
এই বড় মনের বাসনা॥
নিজ পদ সেবা দিবা,        নাহি মোরে উপেখিবা,
দুহুঁ পহুঁ করুণা সাগর।
দুহুঁ বিনু নাহি জানো,         এই বড় ভাগ্য মানো,
মুই বড় পতিত পামর॥
ললিতা আদেশ পাঞা,          চরণ সেবিব যাঞা,
প্রিয় সখী সঙ্গে হয় মনে।
দুহুঁ দাতা শিরোমণি,       অতি দীন মোরে জানি,
নিকটে চরণ দিবে দানে॥
পাব রাধা কৃষ্ণ পা,                ঘুচিবে মনের ঘা,
দূরে যাবে এ সব বিকল।
নরোত্তমদাসে কয়,             এই বাঞ্ছা সিদ্ধি হয়,
দেহ প্রাণ সকল সফল॥

ই পদটি  ১৯১৪ সালে সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৪৬-পৃষ্ঠায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ কেদারা॥

প্রভু হে এইবার করহ করুণা।
যুগল চরণ দেখি,               সফল করিব আখি,
এই বড় মনের বাসনা॥
নিজ পদ সেবা দিবা,        নাহি মোরে উপেক্ষিবা,
দুহুঁ পহুঁ করুণা সাগর।
দুহুঁ বিনু নাহি জানো,         এই বড় ভাগ্য মানো,
মুঞি বড় পতিত পামর॥
ললিতা আদেশ পাঞা,          চরণ সেবিব যাঞা,
প্রিয় সখী সঙ্গে হয় মনে।
দুহুঁ দাতা শিরোমণি,        অতি দীন মোরে জানি,
নিকট চরণ দিবে দানে॥
পাব রাধাকৃষ্ণ পা,                 ঘুচিবে মনের ঘা,
দূরে যাবে এ সব বিকল।
নরোত্তম দাস কয়,             এই বাঞ্ছা সিদ্ধি হয়,
দেহ প্রাণ সকল সফল॥

ই পদটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত, কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, ”কীর্ত্তন-পদাবলী”,
৩০৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

প্রভু হে এইবার করহ করুণা।
যুগল চরণ দেখি               সফল করিব আঁখি
এই বড় মনের কামনা॥
নিজপদ সেবা দিবা,        নাহি মোরে উপেখিবা
দুহুঁ পঁহু করুণা সাগর।
দুহুঁ বিনু নাহি জানো       এই বড় ভাগ্যে মানো
মুঞি বড় পতিত পামর॥
ললিতা আদেশ পাঞা         চরণ সেবিব ধাঞা
প্রিয় সখী সঙ্গে হয় মনে।
দুহুঁ দাতা শিরোমণি       অতি দীন মোরে জানি
নিকটে চরণ দিবে দানে॥
পাব রাধা কৃষ্ণ পা                ঘুচিবে মনের ঘা
দূরে যাবে এ সব বিকল।
নরোত্তম দাসে কয়             এই বাঞ্ছা সিদ্ধি হয়
দেহ প্রাণ সকল সফল॥

ই পদটি ১৯৩০ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী নিত্যস্বরূপ সম্পাদিত, “শ্রীহরি সাধক-কণ্ঠহার”,
২২৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীকৃষ্ণে বিজ্ঞপ্তিঃ।

প্রভু হে! এইবার করহ করুণা।
যুগল চরণ রেখি,               সফল করিব আঁখি,
এই মোর মনের কামনা॥
নিজ পদ সেবা দিবা,        নাহি মোরে উপেখিবা,
দুঁহু পঁহু করুণাসাগর।
দুহুঁ বিনু নাহি জানো,        এই বড় ভাগ্যে মানো,
মুই বড় পতিত পামর॥
ললিতা আদেশ পাঞা,          চরণ সেবিব যাঞা,
প্রিয় সখী সঙ্গে হয় মনে।
দুহুঁ দাতাশিরোমণি,        অতি দীন মোরে জানি,
নিকটে চরণ দিবে দানে॥
পাব রাধাকৃষ্ণ পা,                 ঘুচিবে মনের ঘা,
দূরে যাবে এ সব বিকল।
নরোত্তম দাসে কয়,             এই বাঞ্ছা সিদ্ধি হয়,
দেহ প্রাণ সকল সফল॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন
”শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ৩৪৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ কেদার॥

প্রভু হে এইবার করহ করুণা।
যুগল চরণ দেখি               সফল করিব আঁখি
এই বড় মনের বাসনা॥ ধ্রু॥
নিজ পদসেবা দিবা        নাহি মোরে উপেখিবা
দুহুঁ পহুঁ করুণাসাগর।
দুহুঁ বিনু নাহি জানো       এই বড় ভাগ্য মানো,
মুঞি বড় পতিত পামর॥
ললিতা আদেশ পাঞা          চরণ সেবিব ধাঞা
প্রিয় সখী সঙ্গে হয় মনে।
দুহুঁ দাতা শিরোমণি        অতি দীন মোরে জানি
নিকটে চরণ দিবে দানে॥
পাব রাধাকৃষ্ণ পা                 ঘুচিবে মনের ঘা
দূরে যাবে এ সব বিকল।
নরোত্তমদাস কয়             এই বাঞ্ছা সিদ্ধি হয়
দেহ প্রাণ তবেত সফল॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
পদাবলী”, ৫৫১-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

প্রার্থনা
॥ তথা রাগ॥

প্রভু হে এইবার করহে করুণা।
যুগল চরণ দেখি              সফল করিব আঁখি
এই বড় মনের বাসনা॥ ধ্রু॥
নিজ পদসেবা দিবা        নাহি মোরে উপেখিবা
তুহুঁ পহু করুণা সাগর।
দুহুঁ বিনু নাহি জানো        এই বড় ভাগ্য মানো
মুঞি বড় পতিত পামর॥
ললিতা আদেশ পাঞা         চরণ সেবিব যাঞা
প্রিয় সখী সঙ্গে হর্ষ মনে।
দুহুঁ দাতা শিরোমণি        অতি দীন মোরে জানি
নিকটে চরণ দিবে দানে॥
পাব রাধাকৃষ্ণ পা                ঘুচিবে মনের ঘা
দূরে যাবে এ সব বিকল।
নরোত্তম দাসে কয়             এই বাঞ্ছা সিদ্ধি হয়
দেহ প্রাণ সকল সফল॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী",
২৯৪-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

প্রভু হে এইবার করহে করুণা।
যুগল চরণ দেখি সফল করিব আঁখি
এই বড় মনের বাসনা॥
নিজ পদসেবা দিবা নাহি মোরে
উপেখিবা তুহুঁ পহুঁ করুণা সাগর।
দুহুঁ বিনু নাহি জানো এত বড় ভাগ্য
মানো মুঞি বড় পতিত পামর॥
ললিতা আদেশ পাঞা চরণ সেবিব
যাঞা প্রিয় সখী সঙ্গে হর্ষ মনে।
দুহুঁ দাতা শিরোমণি অতি দীন মোরে
জানি নিকটে চরণ দিবে দানে॥
পাব রাধাকৃষ্ণ পা ঘুচিবে মনের ঘা
দূরে যাবে এ সব বিকল।
নরোত্তম দাসে কয় এই বাঞ্ছা সিদ্ধি হয়
দেহ প্রাণ সকল সফল॥

.                 ***********               

.                                                                                  
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
জয় জয় শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য নিত্যানন্দ
কবি নরোত্তম দাস
এই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত, হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন
“সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ৩১৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

জয় জয় শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য নিত্যানন্দ। জয়াদ্বৈতচন্দ্র জয় গৌরভক্তবৃন্দ॥ কৃপা করি সবে মেলি
করহ করুণা। অধম পতিতজনে না করিহ ঘৃণা॥ এ তিন সংসার মাঝে তুয়া পদ সার।
ভাবিয়া দেখিনু মনে গতি নাহি আর॥ সে পদ পাবার আশে খেদ উঠে মনে। ব্যাকুলহৃদয়
সদা করিয়ে ক্রন্দনে॥ কিরূপে পাইব কিছু না পাই সন্ধান। প্রভু লোকনাথ পদ নাহিক স্মরণ
॥ তুমি ত দয়াল প্রভু চাহ এক বার। নরোত্তম হৃদয়ের ঘুচাও অন্ধকার॥

ই পদটি ১৯০২ সালে রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৭২-
পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

জয় জয় শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য নিত্যানন্দ।
জয়াদ্বৈতচন্দ্র জয় গৌর ভক্ত বৃন্দ॥
কৃপা করি সবে মেলি করহ করুণা।
অধম পতিত জনে না করিহ ঘৃণা॥
এ তিন সংসার মাঝে তুয়া পদ সার।
ভাবিয়া দেখিনু মনে গতি নাহি আর॥
সে পদ পাবার আশে খেদ উঠে মনে।
ব্যাকুল হৃদয় সদা করিয়ে ক্রন্দনে॥
কিরূপে পাইব কিছু না পাই সন্ধান।
প্রভু লোকনাথ পদ নাহিক স্মরণ॥
তুমি ত দয়াল প্রভু চাহ এক বার।
নরোত্তম হৃদয়ের ঘুচাও অন্ধকার॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৪০০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

জয় জয় শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য নিত্যানন্দ।
জয়াদ্বৈতচন্দ্র জয় গৌরভক্তবৃন্দ॥
কৃপা করি সবে মেলি করহ করুণা।
অধম পতিতজনে না করিহ ঘৃণা॥
এ তিন সংসার মাঝে তুয়া পদ সার।
ভাবিয়া দেখিনু মনে গতি নাহি আর॥
সে পদ পাবার আশে খেদ উঠে মনে।
ব্যাকুল হৃদয় সদা করিয়ে ক্রন্দনে॥
কিরূপে পাইব কিছু না পাই সন্ধান।
প্রভু লোকনাথ পদ নাহিক স্মরণ॥
তুমি ত দয়াল প্রভু চাহ একবার।
নরোত্তম হৃদয়ের ঘুচাও অন্ধকার॥

ই পদটি  ১৯১৪ সালে সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের
৪৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।        

॥ ধানশী॥

জয় জয় শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য নিত্যানন্দ।
জয়াদ্বৈতচন্দ্র জয় গৌর ভক্তবৃন্দ॥
কৃপা করি সবে মেলি করহ করুণা।
অধম পতিত জনে না করিহ ঘৃণা॥
এ তিন সংসার মাঝে তুঁয়া পদ সার।
ভাবিয়া দেখিনু মনে গতি নাহি আর॥
সে পদ পাবার আশে খেদ উঠে মনে।
ব্যাকুল হৃদয় সদা করিয়ে ক্রন্দনে॥
কিরূপে পাইব কিছু না পাই সন্ধান।
প্রভু লোকনাথ পদ নাহিক স্মরণ॥
তুমি ত দয়াল প্রভু চাহ এক বার।
নরোত্তম হৃদয়ের ঘুচাও অন্ধকার॥

ই পদটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত, কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,
”কীর্ত্তন-পদাবলী”, ৩১০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

জয় জয় শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য নিত্যানন্দ।
জয়াদ্বৈতচন্দ্র জয় গৌরভক্তবৃন্দ॥
কৃপা করি সবে মেলি করহ করুণা।
অধম পতিতজনে না করিহ ঘৃণা॥
এ তিন সংসার মাঝে তুঁয়া পদ সার।
ভাবিয়া দেখিনু মনে গতি নাহি আর॥
সে পদ পাবার আশে খেদ উঠে মনে।
ব্যাকুল হৃদয় সদা করিয়ে ক্রন্দনে॥
কিরূপে পাইব কিছু না পাই সন্ধান।
প্রভু লোকনাথ পদ নাহিক স্মরণ॥
তুমি ত দয়াল প্রভু চাঁহ একবার।
নরোত্তম হৃদয়ের ঘুচাও অন্ধকার॥

ই পদটি ১৯৩০ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী নিত্যস্বরূপ সম্পাদিত, “শ্রীহরি সাধক-
কণ্ঠহার”, ৬৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

জয় জয় শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য নিত্যানন্দ।
জয়াদ্বৈতচন্দ্র জয় গৌর-ভক্তবৃন্দ॥
জয় জয় শচীসুত গৌরাঙ্গ সুন্দর।
জয় নিত্যানন্দ পদ্মাবতীর কোঙর॥
জয় জয় সীতানাথ অদ্বৈত গোঁসাঞি।
যাঁহার কৃপাতে পাই চৈতন্য-নিতাই॥
জয় জয় গদাধর প্রেমের সাগর।
গৌরাঙ্গের প্রিয়োত্তম পণ্ডিত প্রবর॥
শ্রীবংশীবদন জয় গৌর-প্রিয়োত্তম।
শ্রীবাস পণ্ডিত জয় জয় ভক্তগণ॥
সবাকার পদরেণু শিরে রহু মোর।
যাহার প্রভাবে নাশে কলি মহাঘোর॥
জয় জয় গুরু গোসাঞি শরণ তোঁহার।
যাঁহার কৃপাতে তরি এ ভব-সংসার॥
জয় জয় রসিকেন্দ্র স্বরূপ গোসাঞি।
প্রভুর নিকটে যাঁর অত্যন্ত বড়াই॥
জয় রূপ সনাতন ভট্ট রঘুনাথ।
শ্রীজীব গোপাল ভট্ট দাস রঘুনাথ॥
জয় জয় নীলাচলচন্দ্র জগন্নাথ।
মো পাপীরে কৃপা করি কর আত্মসাৎ॥
জয় শ্রীগোপালদেব ভকত বত্সল।
নবঘন জিনি তনু পরম উজ্জ্বল॥
জয় জয় গোপীনাথ প্রভু প্রাণ মোর।
পুরীগোসাঞি লাগি যাঁর নাম ক্ষীরচোর॥
জয় রাধে জয় কৃষ্ণ জয় বৃন্দাবন।
জয় জয় শ্রীরাস-মণ্ডল সর্ব্বোত্তম॥
শ্রীরাস-নাগরী জয় জয় নন্দলাল।
জয় জয় মোহন শ্রীমদনগোপাল॥
জয় জয় বংশীবট জয় শ্রীপুলিনা।
জয় জয় শ্রীকালিন্দী জয় শ্রীযমুনা॥
জয় রে দ্বাদশ-বন কৃষ্ণলীলা স্থান।
তালবন খাজুরবন ভাণ্ডীরবন নাম॥
জয় জয় বেলবন খদির বহুলা।
জয় জয় কুমুদ কাম্যবনে কৃষ্ণলীলা॥
জয় জয় নিভৃত নিকুঞ্জ রম্য স্থান।
জয় জয় শ্রীবনাদি ভদ্রবন নাম॥
জয় জয় শ্যামকুণ্ড জয় ললিতাকুণ্ড।
জয় জয় রাধাকুণ্ড প্রতাপ প্রচণ্ড॥
জয় জয় মানসগঙ্গা জয় গোবর্দ্ধন।
জয় জয় দানঘাট লীলা সর্ব্বোত্তম॥
জয় জয় বৃষভানুপুর নামে গ্রাম।
যথায় সঙ্কেত রাধাকৃষ্ণ লীলাস্থান॥
জয় জয় বিমলাকুণ্ড জয় নন্দীশ্বর।
জয় জয় কৃষ্ণকেলি পাবন-সরোবর॥
জয় জয় রোহিণী-নন্দন বলরাম।
জয় জয় রাধাকৃষ্ণ স্বয়ং রস-ধাম॥
জয় জয় মধুবন মধুপান স্থান।
যাঁহা মধুপানে মত্ত হৈলা বলরাম॥
জয় জয় রামঘাট পরম নির্জ্জন।
যাঁহা রাসলীলা কৈলা রোহিণী-নন্দন॥
জয় জয় নন্দনঘাট জয়াক্ষয় বট।
জয় জয় চীরঘাট যমুনা নিকট॥
জয় জয় বৃষভানু অভিমন্যু জয়।
কৃষ্ণ প্রাণতুল্য শ্রীদামাদি জয়॥
জয় জয় পৌর্ণমাসী বলি যোগমায়া।
রাধাকৃষ্ণ লীলা কৈলা কায়া আচ্ছাদিয়া॥
জয় শ্রীসরলা বংশী ত্রিলোকাকর্ষিণী।
কৃষ্ণাধরে স্থিতা নিত্য আনন্দরূপিণী॥
জয় জয় ললিতাদি সর্ব্ব সখীগণ।
যাঁ সবার প্রেমাধীন শ্রীনন্দনন্দন॥
জয় জয় বৃন্দাবন কৃষ্ণপ্রিয়তম।
রাধাকৃষ্ণ লীলা কৈলা অতি মনোরম॥
জয় জয় ব্রজগোপ শ্রেষ্ঠ নন্দরাজ।
জয় জয় ব্রজেশ্বরী শ্রেষ্ঠ গোপীমাঝ॥
জয় জয় সর্ব্বশ্রেষ্ঠ শ্রীবৃন্দাবন।
বেদ-অগোচর স্থান কন্দর্পমোহন॥
জয় জয় রত্নবেদী রত্নসিংহাসন।
জয় জয় রাধাকৃষ্ণ সঙ্গে সখীগণ॥
শুন শুন ওরে ভাই করি এ প্রার্থনা।
ব্রজে রাধাকৃষ্ণ লীলা করহ ভাবনা॥
এই সব রসলীলা যে করে স্মরণ।
শিরে ধরি বন্দি আমি তাঁহার চরণ॥
আনন্দে বল হরি ভজ বৃন্দাবন।
শ্রীগুরু-বৈষ্ণব পদে মজাইয়া মন॥
শ্রীগুরু-বৈষ্ণব-পাদপদ্ম করি আশ।
নাম-সংকীর্ত্তন কহে নরোত্তম দাস॥

ই পদটি ১৯৩০ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী নিত্যস্বরূপ সম্পাদিত, “শ্রীহরি সাধক-
কণ্ঠহার”, ২৪১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

জয় জয় শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য নিত্যানন্দ।
জয়াদ্বৈতচন্দ্র জয় গৌরভক্তবৃন্দ॥
কৃপা করি সবে মেলি করহ করুণা।
অধম পতিত জনে না করিহ ঘৃণা॥
এ তিন সংসার মাঝে তুয়া পদ সার।
ভাবিয়া দেখিনু মনে গতি নাহি আর॥
সে পদ পাবার আশে খেদ উঠে মনে।
ব্যাকুল হৃদয় সদা করিয়ে ক্রন্দনে॥
কিরূপে পাইব কিছু না পাই সন্ধান।
প্রভু লোকনাথ-পদ নাহিক স্মরণ॥
তুমি ত দয়াল প্রভু চাহ একবার।
নরোত্তম-হৃদয়ের ঘুচাও অন্ধকার॥

.                 ***********               

.                                                                                  
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
হরি হরি কবে হেন দশা হবে মোর
কবি নরোত্তম দাস
এই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত, হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন
“সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ৩১৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

হরি হরি কবে হেন দশা হবে মোর। সেবিব দোঁহার পদ আনন্দে বিভোর॥ ভ্রমর হইয়া
সদা রহিব চরণে। শ্রীচরণামৃত সদা করিব আস্বাদনে॥ এই আশা করি আমি যত সখিগণ।
তোমাদের কৃপায় হয় বাঞ্ছিত পূরণ॥ বহুদিন বাঞ্ছা করি পূর্ণ যাতে হয়। সবে মেলি দয়া
কর হইয়া সদয়॥ সেবা আশে নরোত্তম কান্দে দিবানিশি। কৃপা করি কর মোরে অনুগত
দাসী॥

ই পদটি ১৯০২ সালে রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের
৭৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

হরি হরি কবে হেন দশা হবে মোর।
সেবিব দোঁহার পদ আনন্দে বিভোর॥
ভ্রমর হইয়া সদা রহিব চরণে।
শ্রীচরণামৃত সদা করিব আস্বাদনে॥
এই আশা করি আমি যত সখিগণ।
তোমাদের কৃপায় হয় বাঞ্ছিত পূরণ॥
বহুদিন বাঞ্ছা করি পূর্ণ যাতে হয়।
সবে মেলি দয়া কর হইয়া সদয়॥
সেবা আশে নরোত্তম কান্দে দিবানিশি।
কৃপা করি কর মোরে অনুগত দাসী॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৩৯৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

হরি হরি কবে হেন দশা হবে মোর।
সেবিব দোঁহার পদ আনন্দে বিভোর॥
ভ্রমর হইয়া সদা রহিব চরণে।
শ্রীচরণামৃত সদা করিব আস্বাদনে॥
এই আশা করি আমি যত সখিগণ।
তোমাদের কৃপায় হয় বাঞ্ছিত পূরণ॥
বহুদিন বাঞ্ছা করি পূর্ণ যাতে হয়।
সবে মেলি দয়া কর হইয়া সদয়॥
সেবা আসে নরোত্তম কান্দে দিবানিশি।
কৃপা করি কর মোরে অনুগত দাসী॥

ই পদটি  ১৯১৪ সালে সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের
৪৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।        

॥ ধানশী॥

হরি হরি কবে হেন দশা হবে মোর।
সেবিব দোঁহার পদ আনন্দে বিভোর॥
ভ্রমর হইয়া সদা রহিব চরণে।
শ্রীচরণামৃত সদা করিব আস্বাদনে॥
এই আশা করি আমি যত সখিগণ।
তোমাদের কৃপায় হয় বাঞ্ছিত পূরণ॥
বহুদিন বাঞ্ছা করি পূর্ণ যাতে হয়।
সবে মেলি দয়া কর হইয়া সদয়॥
সেবা আশে নরোত্তম কান্দে দিবানিশি।
কৃপা করি কর মোরে অনুগত দাসী॥

ই পদটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত, কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,
”কীর্ত্তন-পদাবলী”, ৩০৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

হরি হরি কবে হেন দশা হবে মোর।
সেবিব দোঁহার পদ আনন্দে বিভোর॥
ভ্রমর হইয়া সদা রহিব চরণে।
শ্রীচরণামৃত সদা করিব আস্বাদনে॥
এই আশা করি আমি যত সখিগণ।
তোমাদের কৃপায় হয় বাঞ্ছিত পূরণ॥
বহুদিন বাঞ্ছা করি পূর্ণ যাতে হয়।
সবে মেলি দয়া কর হইয়া সদয়॥
সেবা আসে নরোত্তম কান্দে দিবানিশি।
কৃপা করি কর মোরে অনুগত দাসী॥

ই পদটি ১৯৩০ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী নিত্যস্বরূপ সম্পাদিত, “শ্রীহরি সাধক-
কণ্ঠহার”, ২৪০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

হরি হরি কবে হেন দশা হবে মোর।
সেবিব দোঁহার পদ আনন্দে বিভোর॥
ভ্রমর হইয়া সদা রহিব চরণে।
শ্রীচরণামৃত সদা করিব আস্বাদনে॥
এই আশা করি আমি যত সখিগণ।
তোমাদের কৃপায় হয় বাঞ্ছিত পূরণ॥
বহুদিন বাঞ্ছা করি পূর্ণ যাতে হয়।
সবে মেলি দয়া কর হইয়া সদয়॥
সেবা আসে নরোত্তম কান্দে দিবানিশি।
কৃপা করি কর মোরে অনুগত দাসী॥

.                 ***********               

.                                                                                  
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
লোকনাথ প্রভু তুমি দয়া কর মোরে
কবি নরোত্তম দাস
এই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত, হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন
“সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ৩১৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। "লোকনাথ" শ্রীনরোত্তম
ঠাকুরের মন্ত্রদাতা এবং শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর পার্ষদ ছিলেন।

লোকনাথ প্রভু তুমি দয়া কর মোরে। রাধাকৃষ্ণ চরণে যেন সদা চিত্ত স্ফুরে॥ তোমার
সহিতে থাকি সখীর সহিতে। এই ত বাসনা মোর সদা উঠে চিতে॥ সখীগণ জ্যেষ্ঠ যেঁহো
তাহার চরণে। মোরে সমর্পিবে কবে সেবার কারণে॥ তবে সে হইবে মোর বাঞ্ছিত পূরণ।
আনন্দে সেবিব দোঁহার যুগল চরণ॥ শ্রীরূপমঞ্জরি সখি কৃপাদৃষ্টে চাঞা। তাপি নরোত্তমে
সিঞ্চ সেবামৃত দিঞা॥

ই পদটি ১৯০২ সালে রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের
৭৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

লোকনাথ প্রভু! তুমি দয়া কর মোরে।
রাধাকৃষ্ণ চরণে যেন সদা চিত্ত স্ফুরে॥
তোমার সহিতে থাকি সখীর সহিতে।
এই ত বাসনা মোর সদা উঠে চিতে॥
সখীগণ জ্যেষ্ঠা যেঁহো তাহার চরণে।
মোরে সমর্পিবে কবে  সেবার কারণে॥
তবে সে হইবে মোর বাঞ্ছিত পূরণ।
আনন্দে সেবিব দোঁহার যুগল চরণ॥
শ্রীরূপ মঞ্জরি সখি কৃপাদৃষ্টে চাঞা ।
তাপি নরোত্তম সিঞ্চ সেবামৃত দিঞা॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৩৯৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

লোকনাথ প্রভু তুমি দয়া কর মোরে।
রাধাকৃষ্ণ চরণে যেন সদা চিত্ত স্ফুরে॥
তোমার সহিতে থাকি সখার সহিতে।
এই ত বাসনা মোর সদা উঠে চিতে॥
সখীগণ জ্যেষ্ঠ যেঁহো তাহার চরণে।
মোরে সমর্পিবে কবে সেবার কারণে॥
তবে সে হইবে মোর বাঞ্ছিত পূরণ।
আনন্দে সেবিব দোঁহার যুগল চরণ॥
শ্রীরূপমঞ্জরি সখি কৃপাদৃষ্টে চাঞা ।
তাপি নরোত্তম সিঞ্চ সেবামৃত দিঞা॥

ই পদটি  ১৯১৪ সালে সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের
৪৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।        

॥ ধানশী॥

লোকনাথ প্রভু তুমি দয়া কর মোরে।
রাধাকৃষ্ণ চরণে যেন সদা চিত্ত স্ফুরে॥
তোমার সহিতে থাকি সখীর সহিতে।
এই ত বাসনা মোর সদা উঠে চিতে॥
সখীগণ জ্যেষ্ঠা যেঁহো তাঁহার চরণে।
মোরে সমর্পিবে কবে  সেবার কারণে॥
তবে সে হইবে মোর বাঞ্ছিত পূরণ।
আনন্দে সেবিব দোঁহার যুগল চরণ॥
শ্রীরূপ মঞ্জরি সখি কৃপাদৃষ্টে চেয়ে ।
তাপি নরোত্তম সিঞ্চ সেবামৃত দিয়ে॥

ই পদটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত, কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,
”কীর্ত্তন-পদাবলী”, ৩০৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

লোকনাথ প্রভু তুমি দয়া কর মোরে।
রাধাকৃষ্ণ চরণে যেন সদা চিত্ত স্ফুরে॥
তোমার সহিতে থাকি সখার সহিতে।
এই ত বাসনা মোর সদা উঠে চিতে॥
সখাগণ জ্যেষ্ঠ যেঁহো তাঁহার চরণে।
মোরে সমর্পিবে কবে  সেবার কারণে॥
তবে সে হইবে মোর বাঞ্ছিত পূরণ।
আনন্দে সেবিব দোঁহার যুগল চরণ॥
শ্রীরূপমঞ্জরি সখি কৃপাদৃষ্টে চাঞা।
তাপি নরোত্তম সিঞ্চ সেবামৃত দিঞা॥

ই পদটি ১৯৩০ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী নিত্যস্বরূপ সম্পাদিত, “শ্রীহরি সাধক-
কণ্ঠহার”, ২৩৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

লোকনাথ! প্রভু তুমি দয়া কর মোরে।
রাধাকৃষ্ণ চরণে যেন সদা চিত্ত স্ফুরে॥
তোমার সহিতে থাকি সখীর সহিতে।
এই ত বাসনা মোর সদা উঠে চিতে॥
সখীগণজ্যেষ্ঠ যেঁহো তাহার চরণে।
মোরে সমর্পিবে কবে সেবার কারণে॥
তবে সে হইবে মোর বাঞ্ছিত পূরণ।
আনন্দে সেবিব দোঁহার যুগল চরণ॥
শ্রীরূপমঞ্জরি! সখি! কৃপাদৃষ্টে চাঞা।
তাপী নরোত্তম সিঞ্চ সেবামৃত দিঞা॥

.                 ***********               

.                                                                                  
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
হাহা প্রভু কর দয়া করুণা তোমার
হা হা প্রভু কর দয়া করুণাসাগর
শ্রীরূপ মঞ্জরী দয়া করহ আমারে
কবি নরোত্তম দাস
এই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত, হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন
“সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ৩১৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

হাহা প্রভু কর দয়া করুণা তোমার। মিছা মায়াজালে তনু দহিছে আমার॥ কবে হেন দশা
হবে সখী সঙ্গ পাব।  বৃন্দাবনে  ফুল  গাঁথি দোঁহাকে পরাব॥ সম্মুখে বসিয়া কবে চামর
ঢুলাব। অগুরু চন্দন গন্ধ দোঁহ অঙ্গে দিব॥ সখীর আজ্ঞায় কবে তাম্বুল যোগাব। সিন্দূর
তিলক কবে দোঁহাকে পরাব॥ বিলাসকৌতুককেলি দেখিব নয়নে। চন্দ্রমুখ নিরখিব বসায়ে
সিংহাসনে॥ সদা সে মাধুরী দেখি মনের লালসে। কতদিনে হবে দয়া নরোত্তমদাসে॥

ই পদটি ১৯০২ সালে রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের
৭৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ পাহিড়া॥

হা হা প্রভু কর দয়া করুণা তোমার।
মিছা মায়া জালে তনু দহিছে আমার॥
কবে হেন দশা হবে সখী সঙ্গ পাব।
বৃন্দাবনে ফুল গাঁথি দোঁহাকে পরাব॥
সম্মুখে বসিয়া কবে চামর ঢুলাব।
অগুরু চন্দন গন্ধ দোঁহ অঙ্গে দিব॥
সখীর আজ্ঞায় কবে তাম্বুল যোগাব।
সিন্দূর তিলক কবে দোঁহাকে পরাব॥
বিলাস কৌতুক কেলি দেখিব নয়নে।
চন্দ্র মুখ নিরখিব বসায়ে সিংহাসনে॥
সদা সে মাধুরী দেখি মনের লালসে।
কত দিনে হবে দয়া নরোত্তম দাসে॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৩৯৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

হাহা প্রভু কর দয়া করুণা তোমার।
মিছা মায়াজালে তনু দহিছে আমার॥
কবে হেন দশা হবে সখী সঙ্গ পাব।
বৃন্দাবনে ফুল গাঁথি দোঁহাকে পরাব॥
সম্মুখে বসিয়া কবে চামর ঢুলাব।
অগুরু চন্দন গন্ধ দোঁহ অঙ্গে দিব॥
সখীর আজ্ঞায় কবে তাম্বুল যোগাব।
সিন্দূর তিলক কবে দোঁহাকে পরাব॥
বিলাসকৌতুককেলি দেখিব নয়নে।
চন্দ্রমুখ নিরখিব বসায়ে সিংহাসনে॥
সদা সে মাধুরী দেখি মনের লালসে।
কত দিনে হবে দয়া নরোত্তমদাসে॥

ই পদটি  ১৯১৪ সালে সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের
৪৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ পাহিড়া॥

হা হা প্রভু কর দয়া করুণা তোমার।
মিছা মায়া জালে তনু দহিছে আমার॥
কবে হেন দশা হবে সখী সঙ্গ পাব।
বৃন্দাবনে ফুল গাঁথি দোঁহাকে পরাব॥
সম্মুখে বসিয়া কবে চামর ঢুলাব।
অগুরু চন্দন গন্ধ দোঁহ অঙ্গে দিব॥
সখীর আজ্ঞায় কবে তাম্বুল যোগাব।
সিন্দূর তিলক কবে দোঁহাকে পরাব॥
বিলাস কৌতুক কেলি দেখিব নয়নে।
চাঁদ মুখ নিরখিব বসায়ে সিংহাসনে॥
সদা সে মাধুরী দেখি মনের লালসে।
কত দিনে হবে দয়া নরোত্তম দাসে॥

ই পদটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত, কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,
”কীর্ত্তন-পদাবলী”, ৩০৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

হাহা প্রভু কর দয়া করুণা তোমার।
মিছা মায়াজালে তনু দহিছে আমার॥
কবে হেন দশা হবে সখী সঙ্গ পাব।
বৃন্দাবনে ফুল গাঁথি দোঁহাকে পরাব॥
সম্মুখে বসিয়া কবে চামর ঢুলাব।
অগুরু চন্দন গন্ধ দোঁহ অঙ্গে দিব॥
সখীর আজ্ঞায় কবে তাম্বূল যোগাব।
সিন্দূর তিলক কবে দোঁহাকে পরাব॥
বিলাস কৌতুলকেলি দেখিব নয়নে।
চন্দ্রমুখ নিরখিব বসায়ে সিংহাসনে॥
সদা সে মাধুরী দেখি মনের লালসে।
কতদিনে হবে দয়া নরোত্তমদাসে॥

ই পদটি ১৯৩০ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী নিত্যস্বরূপ সম্পাদিত, “শ্রীহরি
সাধক-কণ্ঠহার”, ২৩৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

হাহা প্রভু! কর দয়া করুণা তোমার।
মিছা মায়াজালে তনু দহিছে আমার॥
কবে হেন দশা হবে সখী সঙ্গ পাব।
বৃন্দাবনে ফুল গাঁথি দোঁহাকে পরাব॥
সম্মুখে বসিয়া কবে চামর ঢুলাব।
অগুরু চন্দন গন্ধ দোঁহ অঙ্গে দিব॥
সখীর আজ্ঞায় কবে তাম্বূল যোগাব।
সিন্দূর তিলক কবে দোঁহাকে পরাব॥
বিলাস-কৌতুলকেলি দেখিব নয়নে।
চন্দ্রমুখ নিরখিব বসায়ে সিংহাসনে॥
সদা সে মাধুরী দেখি মনের লালসে।
কত দিনে হবে দয়া নরোত্তমদাসে॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন ”শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ৩৫৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে
দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

হা হা প্রভু কর দয়া করুণাসাগর।
মিছা মায়াজালে তনু দহিছে আমার॥
কবে হেন দশা হবে সখী সঙ্গ পাব।
বৃন্দাবনে ফুল গাঁথি দোঁহারে পরাব॥
সম্মুখে রহিয়া কবে চামর ঢুলাব।
অগুরু চন্দন গন্ধ দুহুঁ অঙ্গে দিব॥
সখীর আজ্ঞায় কবে তাম্বুল যোগাব।
সিন্দূর তিলক কবে দোঁহাকে পরাব॥
বিলাস কৌতুক কেলি দেখিব নয়নে।
চন্দ্রমুখ নিরখিব বসায়ে সিংহাসনে॥
সদা সে মাধুরী দেখি মনের লালসে।
কত দিনে হবে দয়া নরোত্তমদাসে॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৫৪৬-পৃষ্ঠায়, ভিন্ন প্রথম পংক্তি সহ (শ্রীরূপ মঞ্জরী দয়া করহ
আমারে) এইরূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা এই পদটিকে পাঠাকের সুবিধার জন্য একটি
স্বতন্ত্র পদ হিসেবেও তুলে দিয়েছি।

প্রার্থনা
॥ ধানশী॥

শ্রীরূপ মঞ্জরী দয়া করহ আমারে।
মিছা মায়াজালে পড়ি গেনু ছারে খারে॥
কবে হেন দশা হবে সখী সঙ্গ পাব।
বৃন্দাবনের ফুল গাঁথি দোঁহারে পরাব॥
সম্মুখে রহিয়া কবে চামর ঢুলাব।
অগুরু চন্দন গন্ধ দুহুঁ অঙ্গে দিব॥
সিন্দূর তিলক কবে দোঁহাকে পরাব।
সখীর আজ্ঞায় কবে তাম্বূল যোগাব॥
বিলাস কৌতুক কেলি দেখিব নয়নে।
চন্দ্রমুখ নিরখিব বসায়ে সিংহাসনে॥
সদা সে মাধুরী দেখি মনের লালসে।
কত দিনে হবে দয়া নরোত্তমদাসে॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব
পদাবলী", ২৯৯-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীরূপ মঞ্জরী দয়া করহ আমারে।
মিছা মায়াজালে পড়ি গেনু ছারে খারে॥
কবে হেন দশা হবে সখী সঙ্গ পাব।
বৃন্দাবনের ফুল গাঁথি দোঁহারে পরাব॥
সম্মুখে রহিয়া কবে চামর ঢুলাব।
অগুরু চন্দন গন্ধ দুহুঁ অঙ্গে দিব॥
সিন্দূর তিলক কবে দোঁহাকে পরাব।
সখীর আজ্ঞায় কবে তাম্বূল যোগাব॥
বিলাস কৌতুক কেলি দেখিব নয়নে।
চন্দ্রমুখ নিরখিব বসায়ে সিংহাসনে॥
সদা সে মাধুরী দেখি মনের লালসে।
কত দিনে হবে দয়া নরোত্তমদাসে॥

.                 ***********               

.                                                                                  
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
এই নব দাসী বলি শ্রীরূপ চাহিবে
কবি নরোত্তম দাস
এই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত, হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন
“সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ৩১৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

এই নব দাসী বলি শ্রীরূপ চাহিবে। হেন শুভক্ষণ মোর কত দিনে হবে॥ শীঘ্র আজ্ঞা
করিবেন দাসী হেথা আয়। সেবার সুসজ্জা কার্য্য করহ ত্বরায়॥ আনন্দিত হঞা হিয়া তাঁর
আজ্ঞাবলে। পবিত্র মনেতে কার্য্য করিব তত্কালে॥ সেবার সামগ্রী রত্ন থালেতে করিয়া।
সুবাসিত বারি স্বর্ণঝারিতে পূরিয়া॥ দোঁহার সম্মুখে লয়ে দিব শীঘ্রগতি। নরোত্তমের দশা
কবে হইবে এমতি॥

ই পদটি ১৯০২ সালে রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৭৫-
পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

এই নব দাসী বলি শ্রীরূপ চাহিবে।
হেন শুভক্ষণ মোর কত দিনে হবে॥
শীঘ্র আজ্ঞা করিবেন “দাসী হেথা আয়”।
“সেবার সুসজ্জা কার্য্য করহ ত্বরায়”॥
আনন্দিত হঞা হিয়া তাঁর আজ্ঞা বলে।
পবিত্র মনেতে কার্য্য করিব তত্কালে॥
সেবার সামগ্রী রত্ন থালেতে করিয়া।
সুবাসিত বারি স্বর্ণ ঝারিতে পূরিয়া॥
দোঁহার সম্মুখে লয়ে দিব শীঘ্রগতি।
নরোত্তমের দশা কবে হইবে এমতি॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৩৯৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

এই নব দাসী বলি শ্রীরূপ চাহিবে।
হেন শুভক্ষণ মোর কত দিনে হবে॥
শীঘ্র আজ্ঞা করিবেন দাসী হেথা আয়।
সেবার সুসজ্জা কার্য্য করহ ত্বরায়॥
আনন্দিত হঞা হিয়া তাঁর আজ্ঞাবলে।
পবিত্র মনেতে কার্য্য করিব তত্কালে॥
সেবার সামগ্রী রত্ন থালেতে করিয়া।
সুবাসিত বারি স্বর্ণঝারিতে পূরিয়া॥
দোঁহার সম্মুখে লয়ে দিব শীঘ্রগতি।
নরোত্তমের দশা কবে হইবে এমতি॥

ই পদটি  ১৯১৪ সালে সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের
৪৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।        

॥ ধানশী॥

এই নব দাসী বলি শ্রীরূপ চাহিবে।
হেন শুভক্ষণ মোর কত দিনে হবে॥
শীঘ্র আজ্ঞা করিবেন “দাসী হেথা আয়”।
“সেবার সুসজ্জা কার্য্য করহ ত্বরায়”॥
আনন্দিত হঞা হিয়া তাঁর আজ্ঞা বলে।
পবিত্র মনেতে কার্য্য করিব তত্কালে॥
সেবার সামগ্রী রত্ন থালেতে করিয়া।
সুবাসিত বারি স্বর্ণ ঝারিতে পূরিয়া॥
দোঁহার সম্মুখে লয়ে দিব শীঘ্রগতি।
নরোত্তমের দশা কবে হইবে এমতি॥

ই পদটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত, কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,
”কীর্ত্তন-পদাবলী”, ৩০৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

এই নব দাসী বলি শ্রীরূপ চাহিবে।
হেন শুভক্ষণ মোর কত দিনে হবে॥
শীঘ্র আজ্ঞা করিবেন দাসী হেথা আয়।
সেবার সুসজ্জা কার্য্য করহ ত্বরায়॥
আনন্দিত হঞা হিয়া তাঁর আজ্ঞা বলে।
পবিত্র মনেতে কার্য্য করিব তত্কালে॥
সেবার সামগ্রী রত্ন থালেতে করিয়া।
সুবাসিত বারি স্বর্ণ ঝারিতে পূরিয়া॥
দোঁহার সম্মুখে লয়ে দিব শীঘ্রগতি।
নরোত্তমের দশা কবে হইবে এমতি॥

ই পদটি ১৯৩০ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী নিত্যস্বরূপ সম্পাদিত, “শ্রীহরি সাধক-
কণ্ঠহার”, ২৩৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

এই নব দাসী বলি শ্রীরূপ চাহিবে।
হেন শুভক্ষণ মোর কতদিনে হবে॥
শীঘ্র আজ্ঞা করিবেন দাসী হেথা আয়।
সেবার সুসজ্জা কার্য্য করহ ত্বরায়॥
আনন্দিত হঞা হিয়া তাঁর আজ্ঞাবলে।
পবিত্র মনেতে কার্য্য করিব তত্কালে॥
সেবার সামগ্রী রত্ন থালেতে করিয়া।
সুবাসিত বারি স্বর্ণ ঝারিতে পূরিয়া॥
দোঁহার সম্মুখে লয়ে দিব শীঘ্রগতি।
নরোত্তমের দশা কবে হইবে এমতি॥

.                 ***********               

.                                                                                  
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর