| কবি নরোত্তম দাস-এর পদাবলী |
| হরি হরি কি মোর করম অনুরত কবি নরোত্তম দাস এই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত, হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ৩১৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। হরি হরি কি মোর করম অনুরত। বিষয়ে কুটিলমতি, সৎসঙ্গে না হৈল রতি, কিসে আর তরিবার পথ॥ স্বরূপ সনাতন রূপ, রঘুনাথ ভট্টযুগ, লোকনাথ সিদ্ধান্ত সাগর। শুনিতাম সে কথা, ঘুচিত মনের ব্যথা, তবে ভাল হইত অন্তর॥ যখন গৌর নিত্যানন্দ, অদ্বৈতাদি ভক্তবৃন্দ, নদীয়া নগরে অবতার। তখন না হৈল জন্ম, এবে দেহে কিবা কর্ম্ম, মিছা মাত্র বহি ফিরি ভার॥ হরিদাস আদি বুলে, মহোত্সব আদি করে, না হেরিনু সে সুখ বিলাস। কি মোর দুঃখের কথা, জনম গোঙানু বৃথা, ধিক্ ধিক্ নরোত্তমদাস॥ এই পদটি ১৯০২ সালে রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৭৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ পাহিড়া॥ হরি হরি কি মোর করম অনুরত। বিষয়ে কুটিল মতি, সৎসঙ্গে না হৈল রতি, কিসে আর তরিবার পথ॥ স্বরূপ সনাতন রূপ, রঘুনাথ ভট্ট যুগ, লোকনাথ সিদ্ধান্ত সাগর। শুনিতাম সে কথা, ঘুচিত মনের ব্যথা তবে ভাল হইত অন্তর॥ যখন গৌর নিত্যানন্দ, অদ্বৈতাদি ভক্তবৃন্দ, নদীয়া নগরে অবতার। তখন না হৈল জন্ম, এবে দেহে কিবা কর্ম্ম, মিছা মাত্র বহি ফিরি ভার॥ হরিদাস আদি বুলে, মহোত্সব আদি করে, না হেরিনু সে সুখ বিলাস। কি মোর দুঃখের কথা, জনম গোঙানু বৃথা, ধিক ধিক নরোত্তম দাস॥ এই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৩৯৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। হরি হরি কি মোর করম অনুরত। বিষয়ে কুটিলমতি, সৎসঙ্গে না হৈল রতি, কিসে আর তরিবার পথ॥ স্বরূপ সনাতন রূপ, রঘুনাথ ভট্টযুগ, লোকনাথ সিদ্ধান্ত-সাগর। শুনিতাম সে কথা, ঘুচিত মনের ব্যথা তবে ভাল হইত অন্তর॥ যখন গৌর নিত্যানন্দ, অদ্বৈতাদি ভক্তবৃন্দ, নদীয়া নগরে অবতার। তখন না হৈল জন্ম, এবে দেহে কিবা কর্ম্ম, মিছা মাত্র বহি ফিরি ভার॥ হরিদাস আদি বুলে, মহোত্সব আদি করে, না হেরিনু সে সুখ বিলাস। কি মোর দুঃখের কথা, জনম গোঙানু বৃথা, ধিক্ ধিক্ নরোত্তমদাস॥ এই পদটি ১৯১৪ সালে সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৫০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ পাহিড়া॥ হরি হরি কি মোর করম অনুরত। বিষয়ে কুটিল মতি, সৎসঙ্গে না হৈল রতি, কিসে আর তরিবার পথ॥ স্বরূপ সনাতন রূপ, রঘুনাথ ভট্ট যুগ, লোকনাথ সিদ্ধান্ত সাগর। শুনিতাম সে কথা, ঘুচিত মনের ব্যথা তবে ভাল হইত অন্তর॥ যখন গৌর নিত্যানন্দ, অদ্বৈতাদি ভক্তবৃন্দ, নদীয়া নগরে অবতার। তখন না হৈল জন্ম, এবে দেহে কিবা কর্ম্ম, মিছা মাত্র বহি ফিরি ভার॥ হরিদাস আদি বুলে, মহোত্সব আদি করে, না হেরিনু সে সুখ বিলাস। কি মোর দুঃখের কথা, জনম গোঙানু বৃথা, ধিক ধিক নরোত্তম দাস॥ এই পদটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত, কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, ”কীর্ত্তন-পদাবলী”, ৩০৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। হরি হরি কি মোর করম অনুরত। বিষয়ে কুটিলমতি সৎসঙ্গে না হৈল রতি কিসে আর তরিবার পথ॥ স্বরূপ সনাতন রূপ রঘুনাথ ভট্টযুগ লোকনাথ সিদ্ধান্ত-সাগর। শুনিতাম সে কথা, ঘুচিত মনের ব্যথা তবে ভাল হইত অন্তর॥ যখন গৌর নিত্যানন্দ অদ্বৈতাদি ভক্তবৃন্দ নদীয়া নগরে অবতার। তখন না হৈল জন্ম এবে দেহে কিবা কর্ম্ম মিছা মাত্র বহি ফিরি ভার॥ হরিদাস আদি বুলে মহোত্সব আদি করে না হেরিনু সে সুখ বিলাস। কি মোর দুঃখের কথা জনম গোঙানু বৃথা ধিক্ ধিক্ নরোত্তমদাস॥ এই পদটি ১৯৩০ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী নিত্যস্বরূপ সম্পাদিত, “শ্রীহরি সাধক-কণ্ঠহার”, ২৩১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। অথ আক্ষেপঃ। হরি হরি! কি মোর করম অনুরত। বিষয়ে কুটিলমতি, সৎসঙ্গে না হৈল রতি, কিসে আর তরিবার পথ॥ স্বরূপ সনাতন রূপ, রঘুনাথ ভট্টযুগ, লোকনাথ সিদ্ধান্ত-সাগর। শুনিতাম সে সব কথা, ঘুচিত মনের ব্যথা তবে ভাল হইত অন্তর॥ যখন গৌর নিত্যানন্দ, অদ্বৈতাদি ভক্তবৃন্দ, নদীয়া নগরে অবতার। তখন না হৈল জন্ম, এবে দেহে কিবা কর্ম্ম, মিছা মাত্র বহি ফিরি ভার॥ হরিদাস আদি বুলে, মহোত্সব আদি ক’রে, না হেরিনু সে সুখ বিলাস। কি মোর দুঃখের কথা, জনম গোঙানু বৃথা, ধিক্ ধিক্ নরোত্তম দাস॥ . *********** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| হরি হরি বিফলে জনম গোঙাইনু হরি হরি বিফলে জনম গোয়াইনু কবি নরোত্তম দাস এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল) ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ শাখা-২য় ভাগ, ৩৬শ পল্লব, প্রার্থনা, ২৯৮৮-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। এই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ২৪৯৭-পদসংখ্যায় হুবহু একই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো। ॥ তথা রাগ॥ হরি হরি বিফলে জনম গোঙাইলুঁ। মনুষ্য-জনম পাঞা রাধাকৃষ্ণ না ভজিয়া জানিয়া শুনিয়া বিষ খাইলুঁ॥ গোলোকের প্রেম-ধন হরি-নাম-সঙ্কীর্ত্তন রতি না হইল কেনে তায়। সংসার-দাবানলে নিরবধি হিয়া জ্বলে জুড়াইতে না কৈলুঁ উপায়॥ নন্দের নন্দন যে শচীর নন্দন সে বলরাম আপনে নিতাই। দীন হীন যত ছিল হরি-নামে উদ্ধারিল তার সাক্ষী জগাই মাধাই॥ হাহা প্রভু নন্দ-সুত বৃষভানু-সুতা-যূথ করুণা করহ এইবার। নরোত্তম দাস কয় না ঠেলিহ রাঙ্গা-পায় তোমা বিনে কে আছে আমার॥ এই পদটি ১৮০৭ সালে প্রকাশিত, কমলাকান্ত দাস সংকলিত “পদরত্নাকর” পুথির ৪৩।২৯-পদ- সংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা- পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো। ॥ তথা রাগ॥ হরি হরি বিফলে জনম গোঙাইলুঁ। মনুষ্য-জনম পাঞা রাধাকৃষ্ণ না ভজিয়া জানিয়া শুনিয়া বিষ খাইলুঁ॥ গোলোকের প্রেম-ধন হরি-নাম-সঙ্কীর্ত্তন রতি না হইল কেনে তায়। সংসার-দাবানলে দিবানিশি হিয়া জ্বলে জুড়াইতে নাহিক উপায়॥ ব্রজেন্দ্র নন্দন যেই শচীসুত হৈল সেই বলরাম হইল নিতাই। দীন হীন যত ছিল হরি-নামে উদ্ধারিল তার সাক্ষী জগাই মাধাই॥ হাহা প্রভু নন্দ-সুত বৃষভানু-সুতা-যুত করুণা করহ এইবার। নরোত্তম দাস কয় না ঠেলিহ রাঙ্গা-পায় তোমা বিনে কে আছে আমার॥ এই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত, হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ৩০৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। হরি হরি বিফলে জনম গোঙাইনু। মনুষ্য জনম পাইয়া, রাধাকৃষ্ণ না ভজিয়া, জানিয়া শুনিয়া বিষ খাইনু॥ গোলোকের প্রেমধন, হরিনাম সঙ্কীর্ত্তন, রতি না হইল কেনে তায়। সংসার বিষানলে, দিবানিশি হিয়া জ্বলে, জুড়াইতে না কৈনু উপায়॥ ব্রজেন্দ্রনন্দন যেই, শচীসুত হৈল সেই, বলরাম হইল নিতাই। দীনহীন যত ছিল, হরিনামে উদ্ধারিল, তার সাক্ষী জগাই মাধাই॥ হাহা প্রভু নন্দসুত, বৃষভানুসুতাযুত, করুণা করহ এইবার। নরোত্তমদাস কয়, না ঠেলিহ রাঙ্গাপায়, তোমা বিনে কে আছে আমার॥ এই পদটি ১৯০২ সালে রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৮৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ পাহিড়া॥ হরি হরি বিফলে জনম গোঙাইনু। মনুষ্য জনম পাইয়া, রাধাকৃষ্ণ না ভজিয়া, জানিয়া শুনিয়া বিষ খাইনু॥ গোলোকের প্রেমধন, হরিনাম সঙ্কীর্ত্তন, রতি না হইল কেনে তায়। সংসার দাবানলে, নিরবধি হিয়া জ্বলে, জুড়াইতে না কৈনু উপায়॥ ব্রজেন্দ্র নন্দন যেই, শচীসুত হৈল সেই, বলরাম হইল নিতাই। দীন হীন যত ছিল, হরিনামে উদ্ধারিল, তার সাক্ষী জগাই মাধাই॥ হাহা প্রভু নন্দ সুত, বৃষভানু সুতাযুত, করুণা করহ এইবার। নরোত্তম দাস কয়, না ঠেলিহ রাঙ্গা পায়, তোমা বিনে কে আছে আমার॥ এই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৩৯২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। হরি হরি বিফলে জনম গোঙাইনু। মনুষ্য জনম পাইয়া, রাধাকৃষ্ণ না ভজিয়া, জানিয়া শুনিয়া বিষ খাইনু॥ গোলোকের প্রেমধন, হরিনাম সঙ্কীর্ত্তন, রতি না জ@@ কেনে তায়। সংসার বিষানলে, দিবানিশি হিয়া জ্বলে, জুড়াইতে না কৈনু উপায়॥ ব্রজেন্দ্রনন্দন যেই, শচীসুত হৈল সেই, বলরাম হইল নিতাই। দীনহীন যত ছিল, পরিণামে উদ্ধারিল, তার সাক্ষী জগাই মাধাই॥ হাহা প্রভু নন্দসুত, বৃষভানুসুতাযুত, করুণা করহ এইবার। নরোত্তম দাস কয়, না ঠেলিহ রাঙ্গাপায়, তোমা বিনে কে আছে আমার॥ @@@ - অপাঠ্য অক্ষর। এই পদটি ১৯১৪ সালে সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৫৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ পাহিড়া॥ হরি হরি বিফলে জনম গোঙাইনু। মনুষ্য জনম পাইয়া, রাধা কৃষ্ণ না ভজিয়া, জানিয়া শুনিয়া বিষ খাইনু॥ গোলোকের প্রেমধন, হরিনাম সঙ্কীর্ত্তন, রতি না হইল কেন তায়। সংসার দাবানলে, নিরবধি হিয়া জ্বলে, জুড়াইতে না কৈনু উপায়॥ ব্রজেন্দ্র নন্দন যেই, শচীসুত হৈল সেই, বলরাম হইল নিতাই। দীন হীন যত ছিল, হরিনামে উদ্ধারিল, তার সাক্ষী জগাই মাধাই॥ হাহা প্রভু নন্দ-সুত, বৃষভানু-সুতাযুত, করুণা করহ এইবার। নরোত্তম দাস কয়, না ঠেলিহ রাঙ্গা পায়, তোমা বিনে কে আছে আমার॥ এই পদটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত, হরিলাল চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীপদরত্ন-মালা”, ১৯৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ শ্রীরাগ॥ হরি হরি বিফলে জনম গোঙাইনু। মনুষ্য জনম পাঞা রাধাকৃষ্ণ না ভজিয়া জানিয়া শুনিয়া বিষ খাইনু॥ ধ্রু॥ গোলোকের প্রেমধন হরিনাম সংকীর্ত্তন রতি না হইল কেন তায়। সংসার দাবানলে নিরবধি হিয়া জ্বলে জুড়াইতে না কৈনু উপায়॥ নন্দের নন্দন যে শচীর নন্দন সে বলরাম আপনি নিতাই। দীন হীন যত ছিল হরি নামে উদ্ধারিল তার সাক্ষী জগাই মাধাই॥ হাহা প্রভু নন্দসুত বৃষভানু-সুতা-যুত করুণা করহ এইবার। নরোত্তম দাস কয় না ঠেলিহ রাঙ্গা পায় তোমা বিনে কে আছে আমার॥ এই পদটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত, কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, ”কীর্ত্তন-পদাবলী”, ৩০১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। হরি হরি বিফলে জনম গোঙাইনু। মনুষ্য জনম পাইয়া, রাধাকৃষ্ণ না ভজিয়া, জানিয়া শুনিয়া বিষ খাইনু॥ গোলোকের প্রেমধন, হরিনাম সঙ্কীর্ত্তন, রতি না হইল কেনে তায়। সংসার বিষানলে, দিবানিশি হিয়া জ্বলে, জুড়াইতে না কৈনু উপায়॥ ব্রজেন্দ্র নন্দন যেই, শচীসুত হৈল সেই, বলরাম হইল নিতাই। দীনহীন যত ছিল, পরিণামে উদ্ধারিল, তার সাক্ষী জগাই মাধাই॥ হাহা প্রভু নন্দসুত, বৃষভানু সুতাযুত, করুণা করহ এইবার। নরোত্তমদাস কয়, না ঠেলিহ রাঙ্গা পায়, তোমা বিনা কে আছে আমার॥ এই পদটি ১৯৩০ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী নিত্যস্বরূপ সম্পাদিত, “শ্রীহরি সাধক-কণ্ঠহার”, ১৭৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। প্রার্থনা। দৈন্যবোধিকা। হরি! হরি! বিফলে জনম গোঙাইনু। মনুষ্য জনম পাইয়া, রাধাকৃষ্ণ না ভজিয়া, জানিয়া শুনিয়া বিষ খাইনু॥ গোলোকের প্রেমধন, হরিনাম সঙ্কীর্ত্তন, রতি না জন্মিল কেনে তায়। সংসার বিষানলে, দিবানিশি হিয়া জ্বলে, জুড়াইতে না কৈনু উপায়॥ ব্রজেন্দ্রনন্দন যেই, শচীসুত হৈল সেই, বলরাম হইল নিতাই। দীন হীন যত ছিল, পরিণামে উদ্ধারিল, তার সাক্ষী জগাই মাধাই॥ হা হা প্রভু নন্দসুত! বৃষভানুসুতাযুত, করুণা করহ এইবার। নরোত্তম দাস কয়, না ঠেলিহ রাঙ্গাপায়, তোমা বিনা কে আছে আমার॥ এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন ”শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ৩৩১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ শ্রীরাগ॥ হরি হরি বিফলে জনম গোঙাইনু। মনুষ্য জনম পাঞা রাধাকৃষ্ণ না ভজিয়া জানিয়া শুনিয়া বিষ খাইনু॥ গোলোকের প্রেমধন হরিনাম-সঙ্কীর্ত্তন রতি না হইল কেন তায়। সংসার-দাবানলে নিরবধি হিয়া জ্বলে জুড়াইতে না কৈনু উপায়॥ নন্দের নন্দন যে শচীর নন্দন সে বলরাম আপনে নিতাই। দীনহীন যত ছিল হরিনামে উদ্ধারিল তার সাক্ষী জগাই মাধাই॥ হাহা প্রভু নন্দসুত বৃষভানুসুতাযুত করুণা করহ এইবার। নরোত্তমদাস কয় না ঠেলিহ রাঙ্গাপায় তোমা বিনে কে আছে আমার॥ এই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত “পদামৃত লহরী”, ২২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ রাগিণী গৌরী - তাল দাশপাহিড়া॥ হরি হরি বিফলে জনম গোঙাইনু। মনুষ্য জনম পাঞা, রাধাকৃষ্ণ না ভজিয়া, জানিয়া শুনিয়া বিষ খাইনু॥ গোলোকের প্রেমধন, হরিনাম সংকীর্ত্তন, রতি না জন্মিল কেন তায়। সংসার দাবানলে, নিরবধি হিয়া জ্বলে, জুড়াইতে না কৈনু উপায়॥ ব্রজেন্দ্র নন্দন যেই, শচীসুত হইল সেই, বলরাম হউল নিতাই। দীন হীন যত ছিল, হরিনামে উদ্ধারিল, তার সাক্ষী জগাই মাধাই॥ হাহা প্রভু নন্দ সুত, বৃষভানু সুতা যুত, করুণা করহ এইবার। নরোত্তম দাস কয়, না ঠেলিহ রাঙ্গা পায়, তোমা বিনে কে আছে আমার॥ এই পদটি ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত, দুর্গাচরণ বিশ্বাস সংগৃহীত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “কীর্ত্তন-পদাবলী”, ১৭৫-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। হরি হরি বিফলে জনম গোয়াইনু। মনুষ্য জনম পাঞা রাধাকৃষ্ণ না ভজিয়া জানিয়া শুনিয়া বিষ খাইনু॥ গোলোকের প্রেমধন হরিনাম সংকীর্ত্তন রতি না হইল কেন তায়। সংসার দাবানলে নিরবধি হিয়া জ্বলে জুড়াইতে না কৈনু উপায়॥ নন্দের নন্দন যে শচীর নন্দন সে বলরাম আপনে নিতাই। দীন হীন যত ছিল হরিনামে উদ্ধারিল তার সাক্ষী জগাই মাধাই॥ হা-হা প্রভু নন্দসুত বৃষভানু-সুতা-যুত করুণা করহ এইবার। নরোত্তম দাস কয় না ঠেলিহ রাঙ্গা পায় তোমা বিনে কে আছে আমার॥ . *********** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| হরি হরি কিয়ে মোর করম অভাব হরি হরি কি মোর করম অভাব কবি নরোত্তম দাস এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল) ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ শাখা-২য় ভাগ, ৩৬শ পল্লব, প্রার্থনা, ৩০২০-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। অন্য কিছু গ্রন্থে এই পদটির প্রথম তিনটি পংক্তি বাদ দিয়ে “যজ্ঞ দান তীর্থ-স্নান পূণ্য-কর্ম্ম ধর্ম্ম-জ্ঞান” শিরোনামে পদটি রয়েছে। ॥ তথা রাগ॥ হরি হরি কিয়ে মোর করম অভাগ। বিফলে জনম গেল হৃদয়ে রহল শেল না ভেল হরি অনুরাগ॥ ধ্রু॥ যজ্ঞ দান তীর্থ-স্নান পূণ্য-কর্ম্ম ধর্ম্ম-জ্ঞান অকারণ সব গেল মোহে। বুঝিলাম মনে হেন উপহাস হয় যেন বসন-হীন অভরণ দেহে॥ সাধু-মুখে কথামৃত শুনিয়া বিমল-চিত নাহি ভেল অপরাধ-কারণ। সতত অসত-সঙ্গ সকলি হইল ভঙ্গ কি করিব আইলে শমনে॥ শ্রুতি স্মৃতি সদা রবে শুনিয়াছি এই সবে হরি-পদ অভয়-শরণ। জনম লইয়া সুখে কৃষ্ণ না বলিলাম মুখে না করিলাম সে রূপ-ভাবন॥ রাধা-কৃষ্ণ-দুহুঁ-পায় তনু মন রহু তায় আর দূরে রহুক বাসনা। নরোত্তম দাস কয় আর মোর নাহি ভয় তবু মন সোঁপিলুঁ আপনা॥ এই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ২৫২৭-পদসংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো। ॥ তথা রাগ॥ হরি হরি কিয়ে মোর করম অভাগ। বিফলে জনম গেল হৃদয়ে রহল শেল না ভেল হরি অনুরাগ॥ ধ্রু॥ যজ্ঞ দান তীর্থ-স্নান পূণ্য-কর্ম্ম ধর্ম্ম-জ্ঞান অকারণ সব গেল মোহে। বুঝিলাম মনে হেন উপহাস হয় যেন বসন-হীন অভরণ দেহে॥ সাধু-মুখে কথামৃত শুনিয়া বিমল-চিত নাহি ভেল অপরাধ-কারণ। সতত অসত-সঙ্গ সকলি হইল ভঙ্গ কি করিব আইল শমনে॥ শ্রুতি স্মৃতি সদা রবে শুনিয়াছি এই সবে হরি-পদ অভয়-শরণ। জনম লইয়া সুখে কৃষ্ণ না বলিলাম মুখে না করিলাম সে রূপ-ভাবন॥ রাধা-কৃষ্ণ-দুহুঁ-পায় তনু মন রহু তায় আর দূরে রহুক বাসনা। নরোত্তম দাস কয় আর মোর নাহি ভয় তবু মন সোঁপিলুঁ আপনা॥ এই পদটি ১৮০৭ সালে প্রকাশিত, কমলাকান্ত দাস সংকলিত “পদরত্নাকর” পুথির ৪৩।২৪-পদ- সংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা- পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো। ॥ পঠমঞ্জরী॥ হরি হরি কিয়ে মোর করম অভাগী। মিছাই জনম গেল হৃদয়ে রহল শেল না ভেল হরি অনুরাগী॥ ধ্রু॥ যজ্ঞ দান তীর্থ-স্নান পূণ্য-কর্ম্ম ধর্ম্ম-জ্ঞান অকারণ সব গেল মোহে। বুঝিলাম মনে হেন উপহাস হয় যেন বস্ত্র-হীন অভরণ দেহে॥ সাধু-মুখে কথামৃত শুনিয়া বিমল-চিত নাহি ভেল অপরাধ-কারণ। সতত অসত-সঙ্গ আর সব হইল ভঙ্গ কি করিব আইল শমনে॥ শ্রুতি স্মৃতি সদা রবে শুনিয়াছি এই সবে হরি-পদ অভয়-সাধন। জনম লইয়া সুখে রাধাকৃষ্ণ বল মুখে চিত্ত কর সে রূপ-স্মরণ॥ রাধা-কৃষ্ণ-পদছায় তনু মন রহু তায় আর দূরে যাউক বাসনা। নরোত্তম দাস কয় কিবা মোর লাজ ভয় তবু মন সোঁপিলুঁ আপনা॥ এই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত, হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ৩১০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। হরি হরি, কি মোর করম অভাগ। বিফলে জীবন গেল, হৃদয়ে রহিল শেল, নাহি ভেল হরি অনুরাগ॥ যজ্ঞ, দান, তীর্থস্থান, পূণ্যকর্ম্ম জপ ধ্যান, অকারণে সব গেল মোহে। বুঝিলাম মনে হেন, উপহাস হয় যেন, বস্ত্রহীন অলঙ্কার দেহে॥ সাধু মুখে কথামৃত, শুনিয়া বিমল চিত, নাহি ভেল অপরাধ কারণ। সতত অসৎ-সঙ্গ, সকলি হইল ভঙ্গ, কি করিব আইলে শমন॥ শ্রুতি স্মৃতি সদা রবে, শুনিয়াছি এই সবে, হরিপদ অভয় শরণ। জনম লইয়া সুখে, কৃষ্ণ না বলিনু মুখে, না করিনু সেরূপ ভাবন॥ রাধাকৃষ্ণ দুহুঁ পায়, তনু মন রহু তায়, আর দূরে রহুক বাসনা। নরোত্তমদাসে কয়, আর মোর নাহি ভয়, তবু মন সঁপিনু আপনা॥ এই পদটি ১৯০২ সালে রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৮৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ পঠমঞ্জরী॥ হরি হরি, কি মোর করম অভাগ। বিফলে জীবন গেল, হৃদয়ে রহল শেল, নাহি ভেল হরি অনুরাগ॥ যজ্ঞ, দান, তীর্থ স্নান, পূণ্যকর্ম্ম ধর্ম্ম জ্ঞান, অকারণে সব গেল মোহে। বুঝিলাম মনে হেন, উপহাস হয় যেন, বস্ত্রহীন আভরণ দেহে॥ সাধু মুখে কথামৃত, শুনিয়া বিমল চিত, নাহি ভেল অপরাধ কারণ। সতত অসৎ-সঙ্গ, সকলি হইল ভঙ্গ, কি করিব আইলে শমন॥ শ্রুতি স্মৃতি সদা রবে, শুনিয়াছি এই সবে, হরি পদ অভয় শরণ। জনম লইয়া সুখে, কৃষ্ণ না বলিনু মুখে, না করিনু সেরূপ ভাবন॥ রাধাকৃষ্ণ দুহুঁ পায়, তনু মন রহু তায়, আর দূরে যাউক বাসনা। নরোত্তম দাসে কয়, আর মোর নাহি ভয়, তবু মন সঁপিনু আপনা॥ এই পদটি ১৯১৪ সালে সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৫৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ পঠমঞ্জরী॥ হরি হরি কি মোর করম অভাগ। বিফলে জীবন গেল, হৃদয়ে রহল শেল, নাহি ভেল হরি অনুরাগ॥ যজ্ঞ, দান, তীর্থ-স্নান, পূণ্যকর্ম্ম ধর্ম্ম-জ্ঞান, অকারণে সব গেল মোহে। বুঝিলাম মনে হেন, উপহাস হয় যেন, বস্ত্রহীন আভরণ দেহে॥ সাধু মুখে কথামৃত, শুনিয়া বিমল চিত, নাহি ভেল অপরাধ কারণ। সতত অসৎ-সঙ্গ, সকলি হইল ভঙ্গ, কি করিব আইলে শমন॥ শ্রুতি স্মৃতি সদা রবে, শুনিয়াছি এই সবে, হরি-পদ অভয় শরণ। জনম লইয়া সুখে, কৃষ্ণ না বলিনু মুখে, না করিনু সেরূপ ভাবন॥ রাধাকৃষ্ণ দুহুঁ পায়, তনু মন রহু তায়, আর দূরে যাউক বাসনা। নরোত্তম দাসে কয়, আর মোর নাহি ভয়, তবু মন সঁপিনু আপনা॥ এই পদটি ১৯৩০ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী নিত্যস্বরূপ সম্পাদিত, “শ্রীহরি সাধক-কণ্ঠহার”, ২০০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। দৈন্যবোধিকা প্রার্থনা। হরি! হরি! কি মোর করম অভাগ। বিফলে জীবন গেল, হৃদয়ে রহল শেল, নাহি ভেল হরি-অনুরাগ॥ যজ্ঞ, দান, তীর্থস্নান, পূণ্যকর্ম্ম, জপ, ধ্যান, অকারণে সব গেল মোহে। বুঝিলাম মনে হেন, উপহাস হয় যেন, বস্ত্রহীন অলঙ্কার দেহে॥ সাধুমুখে কথামৃত, শুনিয়া বিমল চিত, নাহি ভেল অপরাধ কারণ। সতত অসৎ-সঙ্গ, সকলি হইল ভঙ্গ, কি করিব আইলে শমন॥ শ্রুতি স্মৃতি সদা রবে, শুনিয়াছি এই সবে, হরিপদ অভয় শরণ। জনম লইয়া সুখে, কৃষ্ণ না বলিনু মুখে, না করিনু সেরূপ ভাবন॥ রাধাকৃষ্ণ দুহুঁ পায়, তনু মন রহু তায়, আর দূরে যাউক বাসনা। নরোত্তমদাসে কয়, আর মোর নাহি ভয়, তনু মন সঁপিনু আপনা॥ . *********** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| হরি হরি আর কি এমন দশা হব। কবে হরি হরি আর কি এমন দয়া হবে। কবে কবি নরোত্তম দাস এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল) ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ শাখা-২য় ভাগ, ৩৬শ পল্লব, প্রার্থনা, ৩০৬৫-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। এই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ২৫৬২-পদসংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ পাহিড়া॥ হরি হরি আর কি এমন দশা হব। কবে বৃষভানু পুরে আহীর-গোপের ঘরে তনয়া হইয়া জনমিব॥ ধ্রু॥ জাবট-নগরে কবে পাণি-গ্রহণ হবে বসতি করিব কবে তায়। সখীর পরম-প্রেষ্ঠ যে হয় তাহার শ্রেষ্ঠ সেবন করিব তার পায়॥ তিহোঁ কৃপাবাণ হৈয়া রাতুল চরণ লইয়া আমারে করিবে সমর্পণ। সফল হইবে দশা পূরিবে মনের আশা সম্বাহিব যুগল চরণ॥ বৃন্দাবনে দুই জন চতুর্দ্দিকে সখীগণ সেবন করিব অবশেষে। সখীগণ চারিভিতে নানা যন্ত্র লৈয়া হাতে দেখিব মনের অভিলাষে॥ দুহুঁ-চাঁদ মুখ দেখি জুড়াবে তাপিত আঁখি নয়নে বহিবে প্রেম-ধার। বৃন্দার নিদেশ পাব দোহাঁর নিকটে যাব হেন দিন হইবে আমার॥ শ্রীরূপমঞ্জরী সখী মোরে অনাথিনী দেখি রাখিবে রাতুল দুটী পায়। নরোত্তম দাসে মনে প্রিয় নর্ম্ম-সখীগণে আমারে গণিয়া লবে তায়॥ এই পদটি ১৮০৭ সালে প্রকাশিত, কমলাকান্ত দাস সংকলিত “পদরত্নাকর” পুথির ৪৩।৩৮-পদ-সংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো। ॥ পাহিড়া॥ হরি হরি আর কি এমন দশা হব। ব্রজে বৃষভানু পুরে আহীর-গোপের ঘরে তনয়া হইয়া জনমিব॥ ধ্রু॥ জাবট-নগরে কবে পাণি-গ্রহণ হবে বসতি করিব কবে তায়। সখীর পরম-প্রেষ্ঠ যে হয় তাহার শ্রেষ্ঠ সেবন করিব তার পায়॥ তিহোঁ কৃপাবাণ হৈয়া রাতুল চরণ লইয়া আমারে করিবে সমর্পণ। সফল হইবে দশা পূরিবে মনের আশা সম্বাহিব যুগল চরণ॥ বৃন্দাবনে দুই জন চতুর্দ্দিকে সখীগণ সেবন করিব অভিলাষে। সখীগণ চারিভিতে নানা যন্ত্র করি হাতে রহিবেন মনের হরিষে॥ দুহুঁ-চাঁদ মুখ দেখি জুড়াবে তাপিত আঁখি নয়নে বহিবে অশ্রু-ধার। বৃন্দার আদেশ পাঞা পরম আনন্দ হঞা কবে হেন হইবে আমার॥ শ্রীরূপমঞ্জরী সখী মোরে অনাথিনী দেখি রাখিবে রাতুল দুটী পায়। নরোত্তম দাসে মনে প্রিয় নর্ম্ম-সখীগণে কবে দাসী করিবে আমায়॥ এই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত, হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ৩১১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। হরি হরি আর কি এমন দশা হব। কবে বৃষভানু পুরে, আহীরী গোপের ঘরে, তনয়া হইয়া জনমিব॥ যাবটে আমার কবে, এপাণি গ্রহণ হবে, বসতি করিব কবে তায়। সখীর পরম প্রেষ্ঠ, যে হয় তাহার প্রেষ্ঠ, সেবন করিব তার পায়॥ তেঁহ কৃপাবাণ হৈয়া, রাতুল চরণ লঞা, আমারে করিবে সমর্পণ। সফল হইবে দশা, পূরিবে মনের আশা, সেবি দুহাঁর যুগল-চরণ॥ বৃন্দাবনে দুইজন, চতুর্দ্দিকে সখীগণ, সেবন করিব অবশেষে। সখীগণ চারিভিতে, নানা যন্ত্র লৈঞা হাতে, দেখিব মনের অভিলাষে॥ দুহুঁ চাঁদ মুখ দেখি, জুড়াবে তাপিত আঁখি, নয়নে বহিবে অশ্রুধার। বৃন্দার নিদেশ পাব, দোঁহার নিকটে যাব, হেন দিন হইবে আমার॥ শ্রীরূপ মঞ্জরী সখী, মোরে অনাথিনী দেখি, রাখিবে রাতুল দুটী পায়। নরোত্তমদাস ভণে, প্রিয় নর্ম্ম সখীগণে, কবে দাসী করিবে আমায়॥ এই পদটি ১৯০২ সালে রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৮৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ পাহিড়া॥ হরি হরি আর কি এমন দশা হব। কবে বৃষভানু পুরে, আহীরি গোপের ঘরে, তনয়া হইয়া জনমিব॥ ধ্রু॥ যাবটে আমার কবে, এ পাণিগ্রহণ হবে, বসতি করিব কবে তায়। সখীর পরম প্রেষ্ঠ, যে হয় তাহার শ্রেষ্ঠ, সেবন করিব তাঁর পায়॥ তেঁহ কৃপাবাণ হৈয়া, রাতুল চরণ লইয়া, আমারে করিবে সমর্পণ। সফল হইবে দশা, পূরিবে মনের আশা, সেবি দুহাঁর যুগল-চরণ॥ বৃন্দাবনে দুইজন, চতুর্দ্দিকে সখীগণ, সেবন করিব অবশেষে। সখীগণ চারিভিতে, নানা যন্ত্র লৈয়া হাতে, দেখিব মনের অভিলাষে॥ দুহুঁ চাঁদ মুখ দেখি, জুড়াবে তাপিত আঁখি, নয়নে বহিবে প্রেমধার। বৃন্দার নিদেশ পাব, দোঁহার নিকটে যাব, হেন দিন হইবে আমার॥ শ্রীরূপ মঞ্জরী সখী, মোরে অনাথিনী দেখি, রাখিবে রাতুল দুটী পায়। নরোত্তম দাস মনে, প্রিয় নর্ম্ম সখীগণে, কবে দাসী করিবে আমায়॥ এই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৩৯৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। হরি হরি আর কি এমন দশা হব। কবে বৃষভানু পুরে, আহারী @ গোপের ঘরে, তনয়া হইয়া জনমিব॥ ধ্রু॥ যাবটে আমার কবে, এপাণি গ্রহণ হবে, বসতি করিব কবে তায়। সখীর পরম প্রেষ্ঠ, যে হয় তাহার শ্রেষ্ঠ, সেবন করিব তাঁর পায়॥ তেঁহ কৃপাবাণ হৈঞা, রাতুল চরণে লঞা, আমারে করিবে সমর্পণ। সফল হইবে দশা, পূরিবে মনের আশা, সেবি দুহাঁর যুগল-চরণ॥ বৃন্দাবনে দুইজন, চতুর্দ্দিকে সখীগণ, সেবন করিব অবশেষে। সখীগণ চারিভিতে, নানা যন্ত্র লৈঞা হাতে, দেখিব মনের অভিলাষে॥ দুহুঁ চাঁদমুখ দেখি, জুড়াবে তাপিত আঁখি, নয়নে বহিবে অশ্রধার। বৃন্দার নিদেশ পাব, দোঁহার নিকটে যাব, হেন দিন হইবে আমার॥ শ্রীরূপ মঞ্জরী সখী, মোরে অনাথিনী দেখি, রাখিবে রাতুল দুটী পায়। নরোত্তমদাস মনে, প্রিয় নর্ম্ম সখীগণে, কবে দাসী করিবে আমায়॥ @ - আহারী - শব্দটি মুদ্রণপ্রমাদ হতে পারে। এই পদটি ১৯১৪ সালে সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৫৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ পাহিড়া॥ হরি হরি আর কি এমন দশা হব। কবে বৃষভানু পুরে, আহীরি গোপের ঘরে, তনয়া হইয়া জনমিব॥ ধ্রু॥ যাবটে আমার কবে, এ পাণিগ্রহণ হবে, বসতি করিব কবে তায়। সখীর পরম প্রেষ্ঠ, যে হয় তাহার শ্রেষ্ঠ, সেবন করিব তাঁর পায়॥ তেঁহ কৃপাবাম্ হৈয়া, রাতুল চরণ লইয়া, আমারে করিবে সমর্পণ। সফল হইবে দশা, পূরিবে মনের আশা, সেবি দুহাঁর যুগল-চরণ॥ বৃন্দাবনে দুইজন, চতুর্দ্দিকে সখীগণ, সেবন করিব অবশেষে। সখীগণ চারিভিতে, নানা যন্ত্র লৈয়া হাতে, দেখিব মনের অভিলাষে॥ দুহুঁ চাঁদ মুখ দেখি, জুড়াবে তাপিত আঁখি, নয়নে বহিবে প্রেমাধার। বৃন্দার নিদেশ পাব, দোঁহার নিকটে যাব, হেন দিন হইবে আমার॥ শ্রীরূপ মঞ্জরী সখী, মোরে অনাথিনী দেখি, রাখিবে রাতুল দুটী পায়। নরোত্তম দাস মনে, প্রিয় নর্ম্ম সখীগণে, কবে দাসী করিবে আমায়॥ এই পদটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত, হরিলাল চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীপদরত্ন-মালা”, ২০৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ পাহিড়া॥ হরি হরি আর কি এমন দশা হব। কবে বৃষভানু পুরে আহীর গোপের ঘরে তনয়া হইয়া জনমিব॥ জাবট নগরে কবে পাণি গ্রহণ হবে বসতি করিব কবে তায়। সখীর পরম প্রেষ্ঠ যে হয় তাহার শ্রেষ্ঠ সেবন করিব তাঁর পায়॥ তেহ কৃপাবাণ হৈয়া রাতুল চরণ লয়া আমারে করিবে সমর্পণ। সফল হইবে দশা পূরিবে মনের আশা সম্বাইব যুগল চরণ॥ বৃন্দাবনে দুইজন চতুর্দ্দিকে সখীগণ সেবন করিব অবশেষে। সখীগণ চারিভিতে নানাযন্ত্র লৈয়া হাতে দেখিব মনের অভিলাষে॥ দুহুঁ চাঁদ মুখ দেখি জুড়াবে তাপিত আঁখি নয়নে বহিবে প্রেমধারা। বৃন্দার নিদেশ পাব দোহাঁর নিকটে যাব হেন দিন হইবে আমার॥ শ্রীরূপমঞ্জরী সখী মোরে অনাথিনী দেখি রাখিবে রাতুল দুটী পায়। নরোত্তম দাসের মনে প্রিয়নর্ম্ম সখীগণে আমারে গণিয়া লবে তায়॥ এই পদটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত, কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, ”কীর্ত্তন-পদাবলী”, ৩০৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। হরি হরি আর কি এমন দশা হব। কবে বৃষভানু পুরে, আহারী গোপের ঘরে, তনয় হইয়া জনমিব॥ যাবটে আমার করে, এপাণি গ্রহণ হবে, বসতি করিব কবে তায়। সখীর পরম শ্রেষ্ঠ, যে হয় তাহার প্রেষ্ঠ, সেবন করিব তার পায়॥ তেই কৃপাবান্ হৈঞা, রাতুল চরণে লঞা, আমারে করিবে সমর্পণ। সফল হইবে দশা, পূরিবে মনের আশা, সেবি দুহাঁর যুগল চরণ॥ বৃন্দাবনে দুইজন, চতুর্দ্দিকে সখীগণ, সেবন করিব অবশেষে। সখীগণ চারিভিতে, নানা যন্ত্র লৈঞা হাতে, দেখিব মনের অভিলাষে॥ দুহুঁ চাঁদমুখ দেখি, জুড়াবে তাপিত আঁখি, নয়নে বহিবে অশ্রুধার। বৃন্দার নিদেশ পাব, দোঁহার নিকটে যাব, হেন দিন হইবে আমার॥ শ্রীরূপ মঞ্জরী সখী, মোরে অনাথিনী দেখি, রাখিবে রাতুল দুটী পায়। নরোত্তমদাস ভণে, প্রিয় নর্ম্ম সখীগণে, কবে দাসী করিবে আমায়॥ এই পদটি ১৯৩০ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী নিত্যস্বরূপ সম্পাদিত, “শ্রীহরি সাধক-কণ্ঠহার”, ২১৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। স্বাভীষ্ঠ লালসা। হরি হরি! আর কি এমন দশা হব। কবে বৃষভানু পুরে, আহীরী গোপের ঘরে, তনয় হইয়া জনমিব॥ যাবটে আমার কবে, এ পাণিগ্রহণ হবে, বসতি করিব কবে তায়। সখীর পরম শ্রেষ্ঠ, যে হয় তাহার প্রেষ্ঠ, সেবন করিব তার পায়॥ তেঁহ কৃপাবান হৈঞা, রাতুল চরণে লঞা, আমারে করিবে সমর্পণ। সফল হইবে দশা, পূরিবে মনের আশা, সেবি দুহাঁর যুগল-চরণ॥ বৃন্দাবনে দুইজন, চতুর্দ্দিকে সখীগণ, সেবন করিব অবশেষে। সখীগণ চারিভিতে, নানা যন্ত্র লৈঞা হাতে, দেখিব মনের অভিলাষে॥ দুহুঁ চাঁদমুখ দেখি, জুড়াবে তাপিত আঁখি, নয়নে বহিবে অশ্রুধার। বৃন্দার নিদেশ পাব, দোঁহার নিকটে যাব, হেন দিন হইবে আমার॥ শ্রীরূপমঞ্জরী সখী, মোরে অনাথিনী দেখি, রাখিবে রাতুল দুটী পায়। নরোত্তম দাস ভণে, প্রিয় নর্ম্মসখীগণে, কবে দাসী করিবে আমায়॥ এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন ”শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ৩৫৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ পাহিড়া॥ হরি হরি আর কি এমন দশা হব। কবে বৃষভানুপুরে আহীরী গোপের ঘরে তনয়া হইয়া জনমিব॥ ধ্রু॥ যাবটে আমার কবে এ পাণিগ্রহণ হবে বসতি করিব কবে ঘর। সখীর পরম প্রেষ্ঠ যে তাহার হয় শ্রেষ্ঠ সেবন করিব তার পর॥ তেঁহ কৃপাবান্ হৈয়া রাতুল চরণ লইয়া আমারে করিবে সমর্পণ। সফল হইবে দশা পূরিবে মনের আশা সম্বাইব যুগল চরণ॥ বৃন্দাবনে দুইজন চতুর্দ্দিকে সখীগণ সেবন করিব অবশেষে। সখীগণ চারিভিতে নানা যন্ত্র লৈয়া হাতে দেখিব মনের অভিলাষে॥ দুহুঁ চাঁদমুখ দেখি জুড়াবে তাপিত আঁখি নয়নে বহিবে প্রেমাধার। বৃন্দার নিদেশ পাব দোঁহার নিকটে যাব হেন দিন হইবে আমার॥ শ্রীরূপমঞ্জরী সখী মোরে অনাথিনী দেখি রাখিবে রাতুল দুটী পায়। নরোত্তমদাস মনে প্রিয় নর্ম্মসখীগণে আমারে গণিয়া লবে পায়॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৫৪৯-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। প্রার্থনা ॥ পাহিড়া॥ হরি হরি আর কি এমন দশা হব। কবে বৃষভানুপুরে আহীর গোপের ঘরে তনয়া হইয়া জনমিব॥ ধ্রু॥ জাবট নগরে কবে পাণি গ্রহণ হবে বসতি করিব কবে তায়। সখীর পরমপ্রেষ্ঠ যে হয় তাহার শ্রেষ্ঠ সেবন করিব তার পায়॥ তিহোঁ কৃপাবান হৈয়া রাতুল চরণ লৈয়া আমারে করিবে সমর্পণ। সফল হইবে দশা পূরিবে মনের আশা সম্বাহিব যুগল চরণ॥ বৃন্দাবনে দুইজন চতুর্দ্দিকে সখীগণ সেবন করিব অবশেষে। সখীগণ চারিভিতে নানা যন্ত্র লয়্যা হাতে দেখিব মনের অভিলাষে॥ দুহুঁ চাঁদমুখ দেখি জুড়াবে তাপিত আঁখি নয়নে বহিবে প্রেমধার। বৃন্দার নিদেশ পাব দোহাঁর নিকটে যাব হেন দিন হইবে আমার॥ শ্রীরূপ মঞ্জরী সখী মোরে অনাথিনী দেখি রাখিবে রাতুল দুটি পায়। নরোত্তম দাসের মনে প্রিয়নর্ম্মসখীগণে আমারে গণিয়া লবে তায়॥ এই পদটি ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত, দুর্গাচরণ বিশ্বাস সংগৃহীত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “কীর্ত্তন-পদাবলী”, ১৭৯ -পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। হরি হরি আর কি এমন দয়া হবে। কবে বৃষভানু পুরে আহীর গোপের ঘরে তনয়া হইয়া জনমিব॥ জাবট নগরে কবে পাণি গ্রহণ হব বসতি করিব কবে তায়। সখীর পরমপ্রেষ্ঠ যে তাহায় হয় শ্রেষ্ঠ সেবন করিব তাঁর পায়॥ তেঁহ কৃপাবান হৈয়া রাতুল চরণ লয়া আমারে করিবে সমর্পণ। সফল হইবে দশা পূরিবে মনের আশা সম্বাইব যুগল চরণ॥ বৃন্দাবনে দুইজন চতুর্দ্দিকে সখীগণ সেবন করিব অবশেষে। সখীগণ চারিভিতে নানা যন্ত্র লৈয়া হাতে দেখিব মনের অভিলাষে॥ দুহুঁ চাঁদমুখ দেখি জুড়াবে তাপিত আঁখি নয়নে বহিবে প্রেম ধার। বৃন্দার নিদেশ পাব দোহাঁর নিকটে যাব হেন দিন হইবে আমার॥ শ্রীরূপ মঞ্জরী সখী মোরে অনাথিনী দেখি রাখিবে রাতুল দুটি পায়। নরোত্তম দাসের মনে প্রিয় নর্ম্ম সখীগণে আমারে গণিয়া লবে তায়॥ এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী", ৩০১-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে। হরি হরি আর কি এমন দশা হব। কবে বৃষভানুপুরে আহীর গোপের ঘরে তনয়া হইয়া জনমিব॥ জাবট নগরে কবে পাণি গ্রহণ হবে বসতি করিব কবে তায়। সখীর পরমপ্রেষ্ঠ যে হয় তাহার শ্রেষ্ঠ সেবন করিব তার পায়॥ তিহোঁ কৃপাবান হৈয়া রাতুল চরণ লৈয়া আমারে করিবে সমর্পণ। সফল হইবে দশা পূরিবে মনের আশা সম্বাহিব যুগল চরণ॥ বৃন্দাবনে দুইজন চতুর্দ্দিকে সখীগণ সেবন করিব অবশেষে। সখীগণ চারিভিতে নানা যন্ত্র লয়্যা হাতে দেখিব মনের অভিলাষে॥ দুহুঁ চাঁদমুখ দেখি জুড়াবে তাপিত আঁখি নয়নে বহিবে প্রেমধার। বৃন্দার নিদেশ পাব দোহাঁর নিকটে যাব হেন দিন হইবে আমার॥ শ্রীরূপ মঞ্জরী সখী মোরে অনাথিনী দেখি রাখিবে রাতুল দুটি পায়। নরোত্তম দাসের মনে প্রিয়নর্ম্মসখীগণে আমারে গণিয়া লবে তায়॥ . *********** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |