প্রাণ হরি হরি কবে মোর হইবে সুদিনে। গোবর্দ্ধন
হরি হরি কবে মোর হইব শুভ দিনে। গোবর্দ্ধন
হরি হরি কবে মোর হইবে সুদিনে। গোবর্দ্ধন
হরি হরি কবে মোর হইবে সুদিন। গোবর্দ্ধন
কবি নরোত্তম দাস
এই পদটি রাধামোহন ঠাকুর (রাধামোহন দাস) দ্বারা আনুমানিক ১৭২৫ সালে সংকলিত ও বিরচিত এবং
১৮৭৮ সালে, রামনারায়ণ বিদ্যারত্ন দ্বারা সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “পদামৃত সমুদ্র”, ৪৭৯-পৃষ্ঠায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশীরাগ কন্দর্পতালৌ॥

প্রাণ হরি হরি কবে মোর হইব সুদিনে।
গোবর্দ্ধন গিরিবর পরম নিভৃত স্থল রাধাকৃষ্ণ করাব শয়নে॥
ভৃঙ্গারের জলে রাঙ্গা চরণ ধোয়াইব মোছাইব আপন চিকূরে।
কনক সম্পুট করি কর্পূর তাম্বূল ভরি যোগাইব বদন কমলে॥
প্রিয়সখীগণ সঙ্গে সেবন করিব রঙ্গে চরণ সেবিব নিজ করে।
দুহুঁক কমল দিঠি, কৌতুকে হেরব, দুহুঁ অঙ্গ পুলক অঙ্কুরে॥
কনক মালতী ফুলে মালা গাথি কুতুহলে পরাইব দোঁহার উপরে।
চৈতন্য চাঁদের দাস এই মনে অভিলাষ নরোত্তম মনোরথ ধরে॥

এই পদটি রাধামোহন ঠাকুর (রাধামোহন দাস) দ্বারা আনুমানিক ১৭২৫ সালে সংকলিত ও বিরচিত এবং
১৮৭৮ সালে, রামনারায়ণ বিদ্যারত্ন দ্বারা সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “পদামৃত সমুদ্র”, ৪৭৯-পৃষ্ঠায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে। রাধামোহন ঠাকুর এই পদটিকে প্রচুর পাঠান্তর সহ, এই গ্রন্থেই “প্রাণ হরি
হরি কবে মোর হইবে সুদিনে” শিরোনামে, একটি স্বতন্ত্র পদ হিসেবে সন্নিবেশ করেছিলেন। আমরাও এই
পদটিকে একটি স্বতন্ত্র হিসেবেও সন্নিবেশ করলাম।

॥ মঙ্গলগুজ্জরিরাগ শেখরতালৌ॥

হরি হরি কবে মোর হইব শুভ দিনে।
গোবর্দ্ধন গিরিবর পরম নিভৃত ঘর রাই কানু করাব শয়নে॥ ধ্রু॥
ললিতা বিশাখা সঙ্গে সেবন করিব রঙ্গে সুকোমল কমল চরণে।
সুবর্ণ সম্পূট করি তাম্বূল কর্পূর ভরি যোগাইব যুগল বদনে॥
কাঞ্চন ঝারিতে রাধাকুণ্ড জল ভরি রাই কানু আগে লঞা দিব।
গুরুরূপা সখী বামে ত্রিভঙ্গ হইয়া প্রেমে চামরের বাতাস করিব॥
সোনার কটুরি করি কর্পূর চন্দন ভরি কবে দিব দুহুঁকার গায়।
মল্লিকা মালতি যুথি নানা ফুলে মালা গাঁথি কবে দিব দোঁহার গলায়।
কবে বা এমন হব দুহুঁ মুখ নিরখিব লিলারস নিকুঞ্জশয়নে।
শ্রীকুন্দলতার সঙ্গে কেলি কৌতুক রঙ্গে নরোত্তম করিব সেবনে॥

এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত
শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল) ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ শাখা-২য় ভাগ, ৩৬শ পল্লব, প্রার্থনা,
৩০৬৯-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। এই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত
“পদরসসার” পুথির ২৫৬৬-পদসংখ্যায় হুবহু একই রূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বিহাগড়া॥

হরি হরি কবে মোর হইবে সুদিনে।
গোবর্দ্ধন গিরিবর                পরম নিভৃত ঘর
রাই কানু করাব শয়নে॥ ধ্রু॥
ভৃঙ্গারের জলে রাঙ্গা                চরণ ধোয়ায়ব
মোছায়ব আপন চিকুরে।
কনক-সম্পুট করি                কর্পূর তাম্বূল পূরি
যোগাইব দুহুঁক অধরে॥
প্রিয়-সখীগণ সঙ্গে                সেবন করিব রঙ্গে
চরণ সেবিব নিজ করে।
দুহুঁক কমল-দিঠি                   কৌতুকে হেরব
দুহুঁ অঙ্গ পুলক-অঙ্কুরে॥
মল্লিকা মালতী যূথী             নানা ফুলে হার গাঁথি
কবে দিব দোঁহার গলায়।
সোণার কটোরি করি                   কর্পূর চন্দন ভরি
কবে দিব দোঁহাকার গায়॥
কবে বা এমন হব                   দুহুঁ-মুখ নিরখিব
লীলা-রস নিকুঞ্জ-শয়নে।
শ্রীকুন্দলতার সঙ্গে          কেলি-কৌতুক-রঙ্গে
নরোত্তম করিবে শ্রবণে॥

এই পদটি ১৮০৭ সালে প্রকাশিত, কমলাকান্ত দাস সংকলিত “পদরত্নাকর” পুথির ৪৩।২৪-পদসংখ্যায় এই
রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে
এখানে উপস্থাপন করা হলো।

॥ বিহাগড়া॥

হরি হরি কবে মোর হইবে সুদিনে।
গোবর্দ্ধন গিরিবর                পরম নিভৃত ঘর
রাই কানু করাব শয়নে॥ ধ্রু॥
ভৃঙ্গারের জলে রাঙ্গা                চরণ ধোয়ায়ব
মোছায়ব যতনে চিকুরে।
কনক-সম্পুট করি                কর্পূর তাম্বূল ভরি
যোগাইব বদন কমলে॥
প্রিয়-সখীগণ সঙ্গে                সেবন করিব রঙ্গে
চরণ সেবিব নিজ করে।
দুহুঁক কমল-দিঠি                   প্রেমাবেশে হেরব
দুহুঁ অঙ্গ পুলক-অঙ্কুরে॥
কনক-মালতী ফুলে                মালা গাঁথি কুতূহলে
পরাইব দোহাঁকার উরে।
গৌরাঙ্গ-চান্দের দাস                এই মনে অভিলাষ
নরোত্তম মনোরথ পূরে॥

এই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত, হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম
খণ্ড, ৩১৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

হরি হরি কবে মোর হইবে সুদিন। গোবর্দ্ধন গিরিবরে, পরম নিভৃত ঘরে, রাই কানু করাব শয়ন॥ ভৃঙ্গারের
জলে রাঙ্গা, চরণ ধোয়াইব, মুছিব আপন চিকুরে। কনক সম্পুট করি, কর্পূর তাম্বূল পূরি, যোগাইব দুহুঁক
অধরে॥ প্রিয় সখীগণ সঙ্গে, সেবন করিব রঙ্গে, চরণ সেবিব নিজ করে। দুহুঁক কমল দিঠি, কৌতুকে হেরব,
দুহুঁ অঙ্গ পুলক অন্তরে॥ মল্লিকা মালতী যূথি, নানা ফুলে মালা গাঁথি, কবে দিব দোঁহার গলায়। সোণার
কটোরা করি, কবর চন্দন ভরি, কবে দিব দোহাকার গায়॥ আর কবে এমন হব, দুহুঁ মুখ নিরখিব, লীলারস
নিকুঞ্জশয়নে। শ্রীকুন্দলতার সঙ্গে, কেলি কৌতুক রঙ্গে, নরোত্তম করিবে শ্রবণে॥

এই পদটি ১৯০২ সালে রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৮৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া
রয়েছে।

॥ বিহাগড়া॥

হরি হরি কবে মোর হইবে সুদিনে।
গোবর্দ্ধন গিরিবর,                পরম নিভৃত ঘর,
রাই কানু করাব শয়নে॥
ভৃঙ্গারের জলে রাঙ্গা,                চরণ ধোয়াইব,
মোছাইব আপন চিকুরে।
কনক সম্পুট করি,                কর্পূর তাম্বুল পূরি,
যোগাইব দুহুঁক অধরে॥
প্রিয় সখীগণ সঙ্গে,                সেবন করিব রঙ্গে,
চরণ সেবিব নিজ করে।
দুহুঁক কমল দিঠি,                   কৌতুকে হেরব,
দুহুঁ অঙ্গ পুলক অঙ্কুরে॥
মল্লিকা মালতী যূথি,             নানা ফুলে মালা গাঁথি,
কবে দিব দোঁহার গলায়।
সোনার কটোরা করি,                   কর্পূর চন্দন ভরি,
কবে দিব দোঁহাকার গায়॥
আর কবে এমন হব,                   দুহুঁ মুখ নিরখিব,
লীলারস নিকুঞ্জ শয়নে।
শ্রীকুন্দ লতার সঙ্গে,          কেলি কৌতুক রঙ্গে,
নরোত্তম করিবে শ্রবণে॥

এই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”,
৩৯৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

হরি হরি কবে মোর হইবে সুদিন।
গোবর্দ্ধন গিরিবরে,                পরম নিভৃত ঘরে,
রাই কানু করাব শয়ন॥
ভৃঙ্গারের জলে রাঙ্গা,                চরণ ধোয়াইব,
মুছিব আপন চিকুরে।
কনক সম্পুট করি,                কর্পূর তাম্বুল পূরি,
যোগাইব দুহুঁক অধরে॥
প্রিয় সখীগণ সঙ্গে,                সেবন করিব রঙ্গে,
চরণ সেবিব নিজ করে।
দুহুঁক কমল চিঠি,                   কৌতুকে হেরব,
দুহুঁ অঙ্গ পুলক অন্তরে॥
মল্লিকা মালতী যূথি,             নানা ফুলে মালা গাঁথি,
কবে দিব দোঁহার গলায়।
সোণার কটোরা করি,                   কর্পূর চন্দন ভরি,
কবে দিব দোঁহাকার গায়॥
আর কবে এমন হব,                   দুহুঁ মুখ নিরখিব,
লীলারস নিকুঞ্জশয়নে।
শ্রীকুন্দ লতার সঙ্গে,          কেলি কৌতুক রঙ্গে,
নরোত্তম করিবে শ্রবণে॥

এই পদটি  ১৯১৪ সালে সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৫৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে
দেওয়া রয়েছে।

॥ বিহাগড়া॥

হরি হরি কবে মোর হইবে সুদিনে।
গোবর্দ্ধন গিরিবর,                পরম নিভৃত ঘর,
রাই কানু করাব শয়নে॥
ভৃঙ্গারের জলে রাঙ্গা,                চরণ ধোয়াইব,
মোছাইব আপন চিকুরে।
কনক সম্পুট করি,                কর্পূর তাম্বুল পূরি,
যোগাইব দুহুঁক অধরে॥
প্রিয় সখীগণ সঙ্গে,                সেবন করিব রঙ্গে,
চরণ সেবিব নিজ করে।
দুহুঁক কমল দিঠি,                   কৌতুকে হেরব,
দুহুঁ অঙ্গ পুলক অঙ্কুরে॥
মল্লিকা মালতী যূথি,             নানা ফুলে মালা গাঁথি,
কবে দিব দোঁহার গলায়।
সোনার কটোরা করি,                   কর্পূর চন্দন ভরি,
কবে দিব দোঁহাকার গায়॥
আর কবে এমন হব,                   দুহুঁ মুখ নিরখিব,
লীলারস নিকুঞ্জ শয়নে।
শ্রীকুন্দ লতার সঙ্গে,          কেলি কৌতুক রঙ্গে,
নরোত্তম করিবে শ্রবণে॥

এই পদটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত, কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, ”কীর্ত্তন-পদাবলী”, ৩০৫-
পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

হরি হরি কবে মোর হইবে সুদিন।
গোবর্দ্ধন গিরিবরে                পরম নিভৃত ঘরে
রাই কানু করাব শয়ন॥
ভৃঙ্গারের জলে রাঙ্গা                চরণ ধোয়াইব
মোছাইব আপন চিকুরে।
কনক সম্পুট করি                কর্পূর তাম্বুল পূরি,
যোগাইব দুহুঁক অধরে॥
প্রিয় সখীগণ সঙ্গে                সেবন করিব রঙ্গে
চরণ সেবিব নিজ করে।
দুহুঁক কমল দিঠি                   কৌতুকে হেরব
দুহুঁ অঙ্গ পুলক অন্তরে॥
মল্লিকা মালতী যুথি             নানা ফুলে মালা গাঁথি
কবে দিব দোঁহার গলায়।
সোণার কটোরা করি                   কবর চন্দন ভরি
কবে দিব দোঁহাকার গায়॥
আর কবে এমন হব                   দুহুঁ মুখ নিরখিব
লীলারস নিকুঞ্জশয়নে।
শ্রীকুন্দলতার সঙ্গে          কেলি কৌতুক রঙ্গে
নরোত্তম করিবে শ্রবণে॥

এই পদটি ১৯৩০ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী নিত্যস্বরূপ সম্পাদিত, “শ্রীহরি সাধক-কণ্ঠহার”, ২২৮-পৃষ্ঠায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

পুনঃ সাভীষ্ট লালসা।

হরি হরি! কবে মোর হইবে সুদিন।
গোবর্দ্ধন গিরিবরে,                পরম নিভৃত ঘরে,
রাই কানু করাব শয়ন॥
ভৃঙ্গারের জলে রাঙ্গা,                চরণ ধোয়াইব,
মুছব আপন চিকুরে।
কনক সম্পুট করি,                কর্পূর তাম্বূল পূরি,
যোগাইব দুহুক অধরে॥
প্রিয় সখীগণ সঙ্গে,                সেবন করিব রঙ্গে,
চরণ সেবিব নিজ করে।
দুহুঁক কমল দিঠি,                   কৌতুকে হেরব,
দুহুঁ অঙ্গ পুলক অন্তরে॥
মল্লিকা মালতী যুথি,             নানা ফুলে মালা গাঁথি,
কবে দিব দোঁহার গলায়।
সোনার কটোরা করি,                   কর্পূর চন্দন ভরি,
কবে দিব দোঁহাকার গায়॥
আর কবে এমন হব,                   দুহুঁ মুখ নিরখিব,
লীলারস নিকুঞ্জশয়নে।
শ্রীকুন্দলতার সঙ্গে,          কেলি কৌতুক রঙ্গে,
নরোত্তম করিবে শ্রবণে॥

এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন ”
শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ৩৫৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বিহাগড়া॥

হরি হরি কবে মোর হইবে সুদিনে।
গোবর্দ্ধন গিরিবর                পরম নিভৃত ঘর
রাই-কানু করাব শয়নে॥ ধ্রু॥
ভৃঙ্গারের জলে                        রাঙ্গা চরণ ধোয়াইব
মুছাইব আপন চিকুরে।
কনক সম্পুট করি                কর্পূর তাম্বুল পূরি
যোগাইব দুহুঁক অধরে॥
প্রিয়সখীগণ সঙ্গে                সেবন করিব রঙ্গে
চরণ সেবিব নিজ করে।
দুহুঁক কমল দিঠি                   কৌতুকে লেওব দুহুঁ
দুহুঁ অঙ্গ পুলকনিকরে॥
মল্লিকা মালতী যুথী             নানা ফুলে মালা গাঁথি
কবে দিব দোহাঁর গলায়।
সোনার কোটরা করি                   কর্পূর চন্দন ভরি
কবে দিব দোঁহাকার গায়॥
কবে এমন হব                           দুহুঁ মুখ নিরখিব
লীলারস নিকুঞ্জশয়নে।
শ্রীকুন্দলতার সঙ্গে          কেলি কৌতুক রঙ্গে
নরোত্তম শুনিবে শ্রবণে॥

এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
পদাবলী”, ৫৪৭-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

প্রার্থনা
॥ বিহাগড়া॥

হরি হরি কবে মোর হইবে সুদিনে।
গোবর্দ্ধন গিরিবর                পরম নিভৃত ঘর
রাই কানু করাব শয়নে॥ ধ্রু॥
ভৃঙ্গারের জলে রাঙ্গা                চরণ ধোয়ায়ব
মোছায়ব আপন চিকুরে।
কনক সম্পুট করি                কর্পূর তাম্বূল পূরি
যোগাইব দুহুঁক অধরে॥
প্রিয় সখীগণ সঙ্গে                সেবন করিব রঙ্গে
চরণ সেবিব নিজ করে।
দুহুঁক কমলদিঠি                           কৌতুকে হেরব
দুহুঁ অঙ্গ পুলকঅঙ্কুরে॥
মল্লিকা মালতী যূথী             নানা ফুলে হার গাঁথি
কবে দিব দোঁহার গলায়।
সোণার কটোরি করি                   কর্পূর চন্দন ভরি
কবে দিব দোঁহাকার গায়॥
কবে বা এমন হব                   দুহুঁ মুখ নিরখিব
লীলারস নিকুঞ্জশয়নে।
শ্রীকুন্দলতার সঙ্গে          কেলি কৌতুক রঙ্গে
নরোত্তম শুনিবে শ্রবণে॥

এই পদটি ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত, দুর্গাচরণ বিশ্বাস সংগৃহীত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “কীর্ত্তন-পদাবলী”,
১৭০-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

হরি হরি কবে মোর হৈবে শুভদিনে।
গোবর্দ্ধন গিরিবর,                পরম নিভৃত স্থল,
রাইকানু করাব শয়নে॥
ললিতা বিশাখা সঙ্গে,                সেবন করিব রঙ্গে,
সুকোমল কমল-চরণে।
সুবর্ণ সম্পুট করি,                তাম্বূল কর্পূর ভরি,
যোগাইব যুগল বদনে॥
কাঞ্চন ঝারিতে করি,                কাধাকুণ্ড জল ভরি,
কাই-কানু আগে লয়্যা দিব।
গুরুরূপা সখী বামে,                ত্রিভঙ্গ হইয়া প্রেমে,
চামরের বাতাস করিব॥
সোণার কটোরি করি                   কর্পূর চন্দন ভরি,
কবে দিব দোহাকার গায়॥
মল্লিকা মালতী যুঁথী,             নানা ফুলে মালা গাঁথি,
কবে দিব দোঁহার গলায়।
কবে বা এমন হব,                   দুহুঁ মুখ নিরখিব,
লীলা রস নিকুঞ্জ শয়নে।
শ্রীকুন্দলতার সঙ্গে,                  কেলি কৌতুক রঙ্গে,
নরোত্তম করিব সেবনে॥

এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী", ৩০২-পৃষ্ঠায়,
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

হরি হরি কবে মোর হইবে সুদিনে।
গোবর্দ্ধন গিরিবর পরম নিভৃত ঘর
রাই কানু করাব শয়নে॥
ভৃঙ্গারের জলে রাঙ্গা চরণ ধোয়ায়ব
মোছায়ব আপন চিকুরে।
কনক সম্পুট করি কর্পূর তাম্বূল পূরি
যোগাইব দুহুঁক অধরে॥
প্রিয় সখীগণ সঙ্গে সেবন করিব রঙ্গে
চরণ সেবিব নিজ করে।
দুহুঁক কমলদিঠি কৌতুকে হেরব
দুহুঁ অঙ্গ পুলকঅঙ্কুরে॥
মল্লিকা মালতী যূথী নানা ফুলে হার
গাঁথি কবে দিব দোঁহার গলায়।
সোণার কটোরি করি কর্পূর চন্দন ভরি
কবে দিব দোঁহাকার গায়॥
কবে বা এমন হব দুহুঁ মুখ নিরখিব
লীলারস নিকুঞ্জশয়নে।
শ্রীকুন্দলতার সঙ্গে কেলি কৌতুক রঙ্গে
নরোত্তম শুনিবে শ্রবণে॥

.                 ***********               

.                                                                                  
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
কবি নরোত্তম দাস-এর পদাবলী
*
হরি হরি কবে মোর হইব শুভ দিনে
কবি নরোত্তম দাস
এই পদটি রাধামোহন ঠাকুর (রাধামোহন দাস) দ্বারা আনুমানিক ১৭২৫ সালে সংকলিত ও বিরচিত এবং
১৮৭৮ সালে, রামনারায়ণ বিদ্যারত্ন দ্বারা সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “পদামৃত সমুদ্র”, ৪৭৯-পৃষ্ঠায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে। রাধামোহন ঠাকুর এই পদটিকে প্রচুর পাঠান্তর সহ, এই গ্রন্থেই “প্রাণ হরি
হরি কবে মোর হইবে সুদিনে” শিরোনামেও, একটি স্বতন্ত্র পদ হিসেবে সন্নিবেশ করেছিলেন। আমরাও এই
পদটিকে একটি স্বতন্ত্র হিসেবেও সন্নিবেশ করলাম।

॥ মঙ্গলগুজ্জরিরাগ শেখরতালৌ॥

হরি হরি কবে মোর হইব শুভ দিনে।
গোবর্দ্ধন গিরিবর পরম নিভৃত ঘর রাই কানু করাব শয়নে॥ ধ্রু॥
ললিতা বিশাখা সঙ্গে সেবন করিব রঙ্গে সুকোমল কমল চরণে।
সুবর্ণ সম্পূট করি তাম্বূল কর্পূর ভরি যোগাইব যুগল বদনে॥
কাঞ্চন ঝারিতে রাধাকুণ্ড জল ভরি রাই কানু আগে লঞা দিব।
গুরুরূপা সখী বামে ত্রিভঙ্গ হইয়া প্রেমে চামরের বাতাস করিব॥
সোনার কটুরি করি কর্পূর চন্দন ভরি কবে দিব দুহুঁকার গায়।
মল্লিকা মালতি যুথি নানা ফুলে মালা গাঁথি কবে দিব দোঁহার গলায়।
কবে বা এমন হব দুহুঁ মুখ নিরখিব লিলারস নিকুঞ্জশয়নে।
শ্রীকুন্দলতার সঙ্গে কেলি কৌতুক রঙ্গে নরোত্তম করিব সেবনে॥

.                 ***********               

.                                                                                  
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
*
গোবর্দ্ধন গিরিবর পরম নির্জ্জন স্থল
গোবর্দ্ধন গিরিবর কেবল নির্জ্জন স্থল
কবি নরোত্তম দাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত
শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল) ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ শাখা-২য় ভাগ, ৩৬শ পল্লব, প্রার্থনা,
৩০৬৩-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। এই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত
“পদরসসার” পুথির ২৫৬০-পদসংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

গোবর্দ্ধন গিরিবর              পরম নির্জ্জন স্থল
রাই কানু করাব বিশ্রামে।
ললিতা বিশাখা সঙ্গে           সেবন করিব রঙ্গে
সুখময় রাতুল চরণে॥
কনক-সম্পুট করি              কর্পূর তাম্বুল পূরি
যোগাইব বদন-কমলে।
মণিময় কিঙ্কিণী                 রতন-নূপুর আনি
পরাইব চরণ-যুগলে॥
কনক-কটোরা ভরি              সুগন্ধি চন্দন খুরি
দোঁহাকার শ্রীঅঙ্গে ঢালিব।
গুরু-রূপা সখী বামে            ত্রিভঙ্গ হইয়া ঠামে
চামরের বাতাস করিব॥
দোঁহার কমল-আঁখি             পুলক হইবে দেখি
দুহুঁ-পদ পরশিব করে।
চৈতন্যদাসের দাস             মনে মাত্র অভিলাষ
নরোত্তমদাসে সদা স্ফুরে॥

ই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত, হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”,
১ম খণ্ড, ৩১১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

গোবর্দ্ধন গিরিবর, কেবল নির্জ্জন স্থল, রাই কানু করিবে বিশ্রামে। ললিতা বিশাখা সঙ্গে, সেবন করিব রঙ্গে,
সুখময় রাতুল চরণে॥ কনক সম্পুট করি, কর্পূর তাম্বুল ভরি, যোগাইব বদনকমলে। মণিময় কিঙ্কিণী,
রতননূপুর আনি, পরাইব চরণ যুগলে॥ কনক কটোরা পুরি, সুগন্ধি চন্দন বুরি, দোঁহাকার শ্রীঅঙ্গে ঢালিব।
গুরুরূপা সখী বামে, ত্রিভঙ্গ হইয়া ঠামে, চামরের বাতাস করিব॥ দোঁহার কমল আঁখি, পুলক হইয়া দেখি,
দুহুঁপদ পরশিব করে। চৈতন্যদাসের দাস, মনে মাত্র অভিলাষ, নরোত্তমদাসে সদা স্ফুরে॥

ই পদটি ১৯০২ সালে রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৯১-পৃষ্ঠায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

গোবর্দ্ধন গিরিবর,                 পরম নির্জ্জন স্থল,
রাই কানু করাব বিশ্রামে।
ললিতা বিশাখা সঙ্গে,              সেবন করিব রঙ্গে,
সুখময় রাতুল চরণে॥
কনক সম্পুট করি,                 কর্পূর তাম্বুল ভরি,
যোগাইব বদন কমলে।
মণিময় কিঙ্কিণী,                    রতন নূপুর আনি,
পরাইব চরণ যুগলে॥
কনক কটোরা পূরি,                সুগন্ধি চন্দন খুরি,
দোঁহাকার শ্রীঅঙ্গে ঢালিব।
গুরুরূপা সখী বামে,               ত্রিভঙ্গ হইয়া ঠামে,
চামরের বাতাস করিব॥
দোঁহার কমল আঁখি,                পুলক হইবে দেখি,
দুহুঁ পদ পরশিব করে।
চৈতন্য দাসের দাস,               মনে মাত্র অভিলাষ,
নরোত্তম দাসে সদা স্ফুরে॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”,
৩৯৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

গোবর্দ্ধন গিরিবর,                কেবল নির্জ্জন স্থল,
রাই কানু করিবে বিশ্রামে।
ললিতা বিশাখা সঙ্গে,              সেবন করিব রঙ্গে,
সুখময় রাতুল চরণে॥
কনক সম্পুট করি,                 কর্পূর তাম্বুল ভরি,
যোগাইব বদনকমলে।
মণিময় কিঙ্কিণী,                     রতননূপুর আনি,
পরাইব চরণ যুগলে॥
কনক কটোরা পূরি,                সুগন্ধি চন্দন বুরি,
দোঁহাকার শ্রীঅঙ্গে ঢালিব।
গুরুরূপা সখী বামে,               ত্রিভঙ্গ হইয়া ঠামে,
চামরের বাতাস করিব॥
দোঁহার কমল আঁখি,                পুলক হইয়া দেখি,
দুহুঁপদ পরশিব করে।
চৈতন্যদাসের দাস,                 মনে মাত্র অভিলাষ,
নরোত্তমদাসে সদা স্ফুরে॥

ই পদটি  ১৯১৪ সালে সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৬০-পৃষ্ঠায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

গোবর্দ্ধন গিরিবর,                 পরম নির্জ্জন স্থল,
রাই কানু করাব বিশ্রামে।
ললিতা বিশাখা সঙ্গে,              সেবন করিব রঙ্গে,
সুখময় রাতুল চরণে॥
কনক সম্পুট করি,                  কর্পূর তাম্বুল ভরি,
যোগাইব বদন কমলে।
মণিময় কিঙ্কিণী                      রতন নূপুর আনি
পরাইব চরণ যুগলে॥
কনক কটোরা পূরি                সুগন্ধি চন্দন খুরি
দোঁহাকার শ্রীঅঙ্গে ঢালিব।
গুরুরূপা সখী বামে               ত্রিভঙ্গ হইয়া ঠামে
চামরের বাতাস করিব॥
দোঁহার কমল আঁখি                পুলক হইবে দেখি
দুহুঁ পদ পরশিব করে।
চৈতন্য দাসের দাস               মনে মাত্র অভিলাষ
নরোত্তম দাসে সদা স্ফুরে॥

ই পদটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত, হরিলাল চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“শ্রীশ্রীপদরত্ন-মালা”, ২০৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই ॥

গোবর্দ্ধন গিরিবর              পরম নির্জ্জন স্থল
রাই কানু করাব বিশ্রামে।
.                                                 ঙ্গে @
সুখময় রাতুল চরণে॥
কনক সম্পুট ভরি              কর্পূর তাম্বুল পূরি
যোগাইব চরণ কমলে।
মণিময় কিঙ্কিণী                 রতন নূপুর আনি
পরাইব চরণ যুগলে॥
কনক কটোরা ভরি             সুগন্ধি চন্দন ঘুরি
দোহাকার শ্রীঅঙ্গে ঢালিব।
গুরুরূপা সখী বামে            ত্রিভঙ্গ হইয়া ঠামে
চামরের বাতাস করিব॥
দোঁহার কমল আঁখি             পুলক হইবে দেখি
দুহুঁপদ পরশিব করে।
চৈতন্য দাসের দাস             মনে মাত্র অভিলাষ
নরোত্তম দাস সদা স্ফুরে॥

@ এই পংক্তিটি এই গ্রন্থে মুদ্রিত হয় নি।

ই পদটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত, কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,
”কীর্ত্তন-পদাবলী”, ৩০৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

গোবর্দ্ধন গিরিবর,              পরম নির্জ্জন স্থল,
রাই কানু করিবে বিশ্রামে।
ললিতা বিশাখা সঙ্গে,          সেবন করিব রঙ্গে,
সুখময় রাতুল চরণে॥
কনক সম্পুট করি,              কর্পূর তাম্বুল ভরি,
যোগাইব বদন কমলে।
মণিময় কিঙ্কিণী,                 রতননূপুর আনি,
পরাইব চরণযুগলে॥
কনক কটোরা পূরি,              সুগন্ধি চন্দন বুরি,
দোঁহাকার শ্রীঅঙ্গে ঢালিব।
গুরুরূপা সখী বামে,             ত্রিভঙ্গ হইয়া ঠামে,
চামরের বাতাস করিব॥
দোঁহার কমল আঁখি,             পুলক হইয়া দেখি,
দুহুঁপদ পরশিব করে।
চৈতন্যদাসের দাস,           মনে মাত্র অভিলাষ,
নরোত্তম দাসে সদা স্ফুরে॥

ই পদটি ১৯৩০ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী নিত্যস্বরূপ সম্পাদিত, “শ্রীহরি সাধক-কণ্ঠহার”,
২১৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

স্বাভীষ্ঠ লালসা।

গোবর্দ্ধন গিরিবর,                 কেবল নির্জ্জন স্থল,
রাই কানু করিবে শয়নে।
ললিতা বিশাখা সঙ্গে,              সেবন করিব রঙ্গে,
সুখময় রাতুল চরণে॥
কনক সম্পুট করি,                 কর্পূর তাম্বূল ভরি,
যোগাইব বদনকমলে।
মণিময় কিঙ্কিণী,                      রতন নূপুর আনি,
পরাইব চরণ যুগলে॥
কতক কটোরা পূরি,                সুগন্ধি চন্দন বুরি,
দোঁহাকার শ্রীঅঙ্গে ঢালিব।
গুরুরূপা সখী বামে,               ত্রিভঙ্গ ভঙ্গিম ঠামে,
চামরের বাতাস করিব॥
দোঁহার কমল আঁখি,                পুলক হইয়া দেখি,
দুহু পদ পরশিব করে।
চৈতন্যদাসের দাস,                মনে মাত্র অভিলাষ,
নরোত্তম দাসে সদা স্ফুরে॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন
”শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ৩৫৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

গোবর্দ্ধন গিরিবর                 পরম নির্জ্জন স্থল
রাই কানু করাব বিশ্রামে।
ললিতা বিশাখা সঙ্গে              সেবন করিব রঙ্গে
সুখময় রাতুল চরণে॥
কনক সম্পুট ভরি                  কর্পূর তাম্বুল পূরি
যোগাইব চরণকমলে।
মণিময় কিঙ্কিণী                     রতন নূপুর আনি
পরাইব চরণযুগলে॥
কনক কটোরা ভরি                সুগন্ধি চন্দন থুরি
দোঁহাকার শ্রীঅঙ্গে ঢালিব।
গুরুরূপা সখী বামে               ত্রিভঙ্গ হইয়া ঠামে
চামরের বাতাস করিব॥
দোহাঁর কমল আঁখি                পুলক হইয়া দেখি
দুহুঁ পদ পরশিব করে।
চৈতন্যদাসের দাস                মনে মাত্র অভিলাষ
নরোত্তমদাসে সদা স্ফুরে॥

.                 ***********               

.                                                                                  
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
হরি হরি কবে মোর হইবে সুদিনে। কেলি
কবি নরোত্তম দাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত
শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল) ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ শাখা-২য় ভাগ, ৩৬শ পল্লব, প্রার্থনা,
৩০৬২-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। এই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত
“পদরসসার” পুথির ২৫৫৯-পদসংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তথা রাগ॥

হরি হরি কবে মোর হইবে সুদিনে।
কেলি-কৌতুক-রঙ্গে করিব সেবনে॥
ললিতা বিশাখা সনে            যতেক সখীর গণে
মণ্ডলী করিব দুহুঁ মেলি।
রাই কানু দুহুঁ ধরি        নৃত্য করে ফিরি ফিরি
নিরখি গোঙাব কুতূহলী॥
আলয় বিশ্রাম ঘর               গোবর্দ্ধন গিরিবর
রাই কানু করাব শয়নে।
নরোত্তম দাসে কয়               এই যেন মোর হয়
অনুক্ষণ চরণ সেবনে॥

ই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত, হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”,
১ম খণ্ড, ৩১১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

হরি হরি কবে মোর হইবে সুদিনে। কেলিকৌতুক রঙ্গে করিব সেবনে॥ ললিতা বিশাখা সনে, যতেক
সখীগণে, মণ্ডলী করিব দোঁহ মেলি। রাই কানু করে ধরি, নৃত্য করে ফিরি ফিরি, নিরখি গোঙাব কুতূহলী॥
অলস বিশ্রাম ঘরে, গোবর্দ্ধন গিরিবরে, রাইকানু করিব শয়নে। নরোত্তম দাসে কয়, এই যেন মোর হয়,
অনুক্ষণ চরণ সেবনে॥

ই পদটি ১৯০২ সালে রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৯২-পৃষ্ঠায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

হরি হরি কবে মোর হইবে সুদিনে।
কেলি কৌতুক রঙ্গে করিব সেবনে॥
ললিতা বিশাখা সনে,            যতেক সখীর গণে,
মণ্ডলী করিব দোঁহ মেলি।
রাই কানু করে ধরি,        নৃত্য করে ফিরি ফিরি,
নিরখি গোঙাব কুতূহলী॥
আলয় বিশ্রাম ঘর,               গোবর্দ্ধন গিরিবর,
রাই কানু করাব শয়নে।
নরোত্তম দাস কয়,               এই যেন মোর হয়,
অনুক্ষণ চরণ সেবনে॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”,
৩৯৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

হরি হরি কবে মোর হইবে সুদিনে।
কেলি কৌতুক রঙ্গে করিব সেবনে॥
ললিতা বিশাখা সনে,                যতেক সখীগণে,
মণ্ডলী করিব দোঁহ মেলি।
রাই কানু করে ধরি,         নৃত্য করে ফিরি ফিরি,
নিরখি গোঙাব কুতূহলী॥
আলয় বিশ্রাম ঘরে,               গোবর্দ্ধন গিরিবরে,
রাইকানু করিব শয়নে।
নরোত্তম দাস কয়,               এই যেন মোর হয়,
অনুক্ষণ চরণসেবনে॥

ই পদটি  ১৯১৪ সালে সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৬১-পৃষ্ঠায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

হরি হরি কবে মোর হইবে সুদিনে।
কেলি কৌতুক রঙ্গে করিব সেবনে॥
ললিতা বিশাখা সনে,            যতেক সখীর গণে,
মণ্ডলী করিব দোঁহ মেলি।
রাই কানু করে ধরি,        নৃত্য করে ফিরি ফিরি,
নিরখি গোঙাব কুতুহলী॥
আলয় বিশ্রাম ঘর,               গোবর্দ্ধন গিরিবর,
রাই কানু করাব শয়নে।
নরোত্তম দাস কয়,               এই যেন মোর হয়,
অনুক্ষণ চরণ সেবনে॥

ই পদটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত, কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, ”কীর্ত্তন-পদাবলী”,
৩০৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

হরি হরি কবে মোর হইবে সুদিনে।
কেলিকৌতুক রঙ্গে করিব সেবনে॥
ললিতা বিশাখা সনে,                যতেক সখাগণে,
মণ্ডলী করিব দোঁহ মেলি।
রাই কানু করে ধরি,          নৃত্য করে ফিরি ফিরি,
নিরখি গোঙাব কুতুহলী॥
আলয় বিশ্রাম ঘরে,               গোবর্দ্ধন গিরিবরে,
রাইকানু করাব শয়নে।
নরোত্তম দাস কয়,                এই যেন মোর হয়,
অনুক্ষণ চরণসেবনে॥

ই পদটি ১৯৩০ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী নিত্যস্বরূপ সম্পাদিত, “শ্রীহরি সাধক-কণ্ঠহার”,
২১৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

স্বাভীষ্ঠ লালসা।

হরি হরি! কবে মোর হইবে সুদিনে।
কেলিকৌতুক রঙ্গে করিব সেবনে॥
ললিতা বিশাখা সনে,            যতেক সখীর গণে,
মণ্ডলী করিব দোঁহা মেলি।
রাই কানু করে ধরি,        নৃত্য করে ফিরি ফিরি,
নিরখি গোঙাব কুতূহলী॥
আলস-বিশ্রাম-ঘরে,               গোবর্দ্ধন গিরিবরে,
রাইকানু করিবে শয়নে।
নরোত্তম দাসে কয়,               এই যেন মোর হয়,
অনুক্ষণ চরণ সেবনে॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন
”শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ৩৫৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

হরি হরি কবে মোর হইবে সুদিনে।
কেলি কৌতুক রঙ্গে             সকল সখীর সঙ্গে
কাধাকৃষ্ণ করিব সেবনে॥ ধ্রু॥
ললিতা বিশাখা সনে            যতেক সখীর গণে
মণ্ডলী করিব দুহু মিলি।
রাই কানু দুহুঁ ধরি        নৃত্য করে ফিরি ফিরি
নিরখি গোঙাব কুতূহলি॥
আলস বিশ্রামঘর               গোবর্দ্ধন গিরিবর
রাই কানু করাব শয়নে।
নরোত্তমদাস কয়               এই যেন মোর হয়
অনুক্ষণ চরণসেবনে॥

.                 ***********               

.                                                                                  
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
হরি হরি কি মোর করম গতি মন্দ
হরি হরি কি মোর করম অতি মন্দ
কবি নরোত্তম দাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত
শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল) ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ শাখা-২য় ভাগ, ৩৬শ পল্লব, প্রার্থনা,
২৯৮৯-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

হরি হরি কি মোর করম-গতি মন্দ।
ব্রজে রাধাকৃষ্ণ-পদ            না ভজিলুঁ তিল-আধ
না বুঝিলুঁ রাগের সম্বন্ধ॥ ধ্রু॥
স্বরূপ সনাতন রূপ                  রঘুনাথ ভট্ট-যুগ
ভূগর্ভ শ্রীজীব লোকনাথ।
ইহা সবার পাদপদ্ম            না সেবিলুঁ তিল-আধ
আর কিসে পূরিবেক সাধ॥
কৃষ্ণদাস কবিরাজ               রসিক-ভকত মাঝ
যেহোঁ কৈল চৈতন্যচরিত।
গৌর-গোবিন্দ-লীলা             শুনিতে গলয়ে শীলা
তাহাতে না হৈল মোর চিত॥
সে সব ভকত-সঙ্গ             যে করিল তার সঙ্গ
তার সঙ্গে কেনে নৈল বাস।
কি মোর দুঃখের কথা        জনম গোঞাইলুঁ বৃথা
ধিক্ ধিক্ নরোত্তম দাস॥

ই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ২৪৯৮-পদসংখ্যায় এই
রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে
এখানে উপস্থাপন করা হলো। 

॥ সুহই॥

হরি হরি কি মোর করম-অতি মন্দ।
ব্রজে রাধাকৃষ্ণ-পদ              না ভজিলুঁ তিল-আধ
না বুঝিলাম রাগের সম্বন্ধ॥ ধ্রু॥
স্বরূপ সনাতন রূপ                    রঘুনাথ ভট্ট-যুগ
ভূগর্ভ শ্রীজীব লোকনাথ।
ইহা সবার পাদপদ্ম           না সেবিলাম তিল-আধ
আর কিসে পূরিবেক সাধ॥
কৃষ্ণদাস কবিরাজ                  রসিক-ভকত মাঝ
যেহোঁ কৈল চৈতন্যচরিত।
গৌর-গোবিন্দ-লীলা                শুনিতে গলয়ে শীলা
তাহাতে না হৈল মোর চিত॥
সে সব ভকত-সঙ্গ                 যে করিল তার সঙ্গ
তার সঙ্গে কেনে নৈল বাস।
কি মোর দুঃখের কথা            জনম গোঙালুঁ বৃথা
ধিক্ ধিক্ নরোত্তম দাস॥

ই পদটি ১৮০৭ সালে প্রকাশিত, কমলাকান্ত দাস সংকলিত “পদরত্নাকর” পুথির ৪৩।২৭-পদ-
সংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-
পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো।

॥ সুহই॥

হরি হরি কি মোর করম-অতি মন্দ।
ব্রজে রাধাকৃষ্ণ-পদ            না ভজিলুঁ তিল-আধ
না বুঝিলুঁ রাগের সম্বন্ধ॥ ধ্রু॥
স্বরূপ সনাতন রূপ                  রঘুনাথ ভট্ট-যুগ
ভূগর্ভ শ্রীজীব লোকনাথ।
ইহা সবার পাদপদ্ম           না সেবিলুঁ তিল-আধ
আর না পূরিবে মনসাধ॥
কৃষ্ণদাস কবিরাজ                রসিক-ভকত মাঝ
যেহোঁ কৈল চৈতন্যচরিত।
গৌর-গোবিন্দ-লীলা              শুনিতে গলয়ে শীলা
তাহাতে না হৈল মোর চিত॥
তাহার ভকত-সঙ্গ               তার সঙ্গী তার সঙ্গ
তার সঙ্গে কেনে নৈল বাস।
কি কব দুঃখের কথা             জনম গোঙালু বৃথা
ধিক্ ধিক্ নরোত্তম দাস॥

ই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত, হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”,
১ম খণ্ড, ৩০৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

হরি হরি কি মোর করমগতি মন্দ। ব্রজে রাধাকৃষ্ণ পদ, না ভজিনু তিল আধ, না বুঝিনু রাগের সম্বন্ধ॥
স্বরূপ সনাতন রূপ, রঘুনাথ ভট্টযুগ, ভূগর্ভ শ্রীজীব লোকনাথ। ইহাঁ সবার পাদপদ্ম, না সেবিনু তিল আধ,
আর কিসে পূরিবেক সাধ॥ কৃষ্ণদাস কবিরাজ, রসিক ভকত মাঝ, যেহোঁ কৈল চৈতন্যচরিত। গৌর-গোবিন্দ-
লীলা, শুনিতে গলয়ে শীলা, তাহাতে না হৈল মোর চিত॥ সে সব ভকত সঙ্গ, যে করিল তার সঙ্গ, তার সঙ্গে
কেনে নহিল বাস। কি মোর দুঃখের কথা, জনম গোঙাইনু বৃথা, ধিক্ ধিক্ নরোত্তমদাস॥

ই পদটি ১৯০২ সালে রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৯৫-পৃষ্ঠায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

হরি হরি কি মোর করম অতি মন্দ।
ব্রজে রাধাকৃষ্ণ পদ,            না ভজিনু তিল আধ,
না বুঝিলাম রাগের সম্বন্ধ॥
স্বরূপ সনাতন রূপ,                    রঘুনাথ ভট্টযুগ,
ভূগর্ভ শ্রীজীব লোকনাথ।
ইহা সবার পাদপদ্ম,          না সেবিলাম তিল আধ,
আর কিসে পূরিবেক সাধ॥
কৃষ্ণদাস কবিরাজ,                 রসিক ভকত মাঝ,
যেহোঁ কৈল চৈতন্য চরিত।
গৌর-গোবিন্দ লীলা,               শুনিতে গলয়ে শীলা,
তাহাতে না হৈল মোর চিত॥
সে সব ভকত সঙ্গ,                যে করিল তার সঙ্গ,
তার সঙ্গে কেনে নহিল বাস।
কি মোর দুঃখের কথা,            জনম গোঙাইনু বৃথা,
ধিক্ ধিক্ নরোত্তম দাস॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”,
৩৯২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

হরি হরি কি মোর করমগতি মন্দ।
ব্রজে রাধাকৃষ্ণ পদ,            না ভজিনু তিল আধ,
না বুঝিনু রাগের সম্বন্ধ॥
স্বরূপ সনাতন রূপ,                    রঘুনাথ ভট্টযুগ,
ভূগর্ভ শ্রীজীব লোকনাথ।
ইহাঁ সবার পাদপদ্ম,         না সেবিলাম তিল আধ,
আর কিসে পূরিবেক সাধ॥
কৃষ্ণদাস কবিরাজ,                রসিক ভকত মাঝ,
যেঁহো কৈল চৈতন্যচরিত।
গৌর-গোবিন্দলীলা,               শুনিতে গলয়ে শীলা,
তাহাতে না হৈল মোর চিত॥
সে সব ভকত সঙ্গ,              যে করিল তার সঙ্গ,
তার সঙ্গে কেনে নহিল বাস।
কি মোর দুঃখের কথা,          জনম গোঙাইনু বৃথা,
ধিক্ ধিক্ নরোত্তম দাস॥

ই পদটি  ১৯১৪ সালে সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৬২-পৃষ্ঠায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

হরি হরি কি মোর করম অতি মন্দ।
ব্রজে রাধাকৃষ্ণ পদ,            না ভজিনু তিল আধ,
না বুঝিলাম রাগের সম্বন্ধ॥
স্বরূপ সনাতন রূপ,                  রঘুনাথ ভট্টযুগ,
ভূগর্ভ শ্রীজীব লোকনাথ।
ইহা সবার পাদপদ্ম,         না সেবিলাম তিল আধ,
আর কিসে পূরিবেক সাধ॥
কৃষ্ণদাস কবিরাজ,                রসিক ভকত মাঝ,
যেহোঁ কৈল চৈতন্য চরিত।
গৌর-গোবিন্দ লীলা,              শুনিতে গলয়ে শীলা,
তাহাতে না হৈল মোর চিত॥
সে সব ভকত সঙ্গ,               যে করিল তার সঙ্গ,
তার সঙ্গে কেনে নহিল বাস।
কি মোর দুঃখের কথা,         জনম গোঙাইনু বৃথা,
ধিক্ ধিক্ নরোত্তম দাস॥

ই পদটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত, হরিলাল চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“শ্রীশ্রীপদরত্ন-মালা”, ১৯৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

হরি হরি কি মোর করম অতি মন্দ।
ব্রজে রাধাকৃষ্ণ পদ             না ভজিনু তিল আধ
না বুঝিলাম রাগের সম্বন্ধ॥
স্বরূপ সনাতন রূপ                    রঘুনাথ ভট্টযুগ
ভূগর্ভ শ্রীজীব লোকনাথ।
ইহা সবার পাদ পদ্ম         না সেবিলাম তিল আধ
আর কিসে পূরিবেক সাধ॥
কৃষ্ণদাস কবিরাজ                 রসিক ভকত মাঝ
যেহো কৈল চৈতন্য চরিত।
গৌর গোবিন্দ লীলা               শুনিতে গলয়ে শীলা
তাহাতে না হৈল মোর চিত॥
সে সব ভকত সঙ্গ                 যে করিল তার সঙ্গ
তার সঙ্গে কেন নৈল বাস।
কি মোর দুঃখের কথা           জনম গোঙাইনু বৃথা
ধিক ধিক নরোত্তম দাস॥

ই পদটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত, কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, ”কীর্ত্তন-পদাবলী”,
৩০০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

হরি হরি কি মোর করম গতি মন্দ।
ব্রজে রাধাকৃষ্ণ পদ,            না ভজিনু তিল আধ,
না বুঝিলাম রাগের সম্বন্ধ॥
স্বরূপ সনাতন রূপ,                   রঘুনাথ ভট্টযুগ,
ভূগর্ভ শ্রীজীব লোকনাথ।
ইহাঁ সবার পাদপদ্ম,         না সেবিলাম তিল আধ,
আর কিসে পূরিবেক সাধ॥
কৃষ্ণদাস কবিরাজ,                রসিক ভকত মাঝ,
যেহোঁ কৈল চৈতন্যচরিত।
গৌর-গোবিন্দলীলা,               শুনিতে গলয়ে শীলা,
তাহাতে না হৈল মোর চিত॥
সে সব ভকত সঙ্গ,               যে করিল তার সঙ্গ,
তার সঙ্গে কেনে নহিল বাস।
কি মোর দুঃখের কথা,          জনম গোঙাইনু বৃথা,
ধিক্ ধিক্ নরোত্তম দাস॥

ই পদটি ১৯৩০ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী নিত্যস্বরূপ সম্পাদিত, “শ্রীহরি সাধক-কণ্ঠহার”,
১৭০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

প্রার্থনা।
দৈন্যবোধিকা।

হরি! হরি! কি মোর করমগতি মন্দ।
ব্রজে রাধাকৃষ্ণ পদ,            না ভজিনু তিল আধ,
না বুঝিনু রাগের সম্বন্ধ॥
স্বরূপ সনাতন রূপ,                    রঘুনাথ ভট্টযুগ,
ভূগর্ভ শ্রীজীব লোকনাথ।
ইহাঁ সবার পাদপদ্ম,            না সেবিনু তিল আধ,
আর কিসে পূরিবেক সাধ॥
কৃষ্ণদাস কবিরাজ,                 রসিক ভকত মাঝ,
যেঁহো কৈল চৈতন্যচরিত।
গৌর-গোবিন্দলীলা,               শুনিতে গলয়ে শিলা,
তাহাতে না হৈল মোর চিত॥
সে সব ভকত সঙ্গ,                যে করিল তার সঙ্গ,
তার সঙ্গে কেনে নহিল বাস।
কি মোর দুঃখের কথা,          জনম গোঙাইনু বৃথা,
ধিক্ ধিক্ নরোত্তম দাস॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন
”শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ৩৩১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

হরি হরি কি মোর করমগতি মন্দ।
ব্রজে রাধাকৃষ্ণপদ            না ভজিনু তিল আধ
না বুঝিলাম রাগের সম্বন্ধ॥ ধ্রু॥
স্বরূপ সনাতন রূপ                    রঘুনাথ ভট্টযুগ
ভূগর্ভ শ্রীজীব লোকনাথ।
ইহা সবার পাদপদ্ম          না সেবিলাম তিল আধ
আর কিসে পূরিবেক সাধ॥
কৃষ্ণদাস কবিরাজ                 রসিক ভকত মাঝ
যেহোঁ কৈল চৈতন্যচরিত।
গৌর-গোবিন্দলীলা                শুনিতে গলয়ে শীলা
তাহাতে না হৈল মোর চিত॥
সে সব ভকত-সঙ্গ                 যে করিল তার সঙ্গ
তার সঙ্গে কেনে নৈল বাস।
কি মোর দুঃখের কথা           জনম গোঙাইনু বৃথা
ধিক্ ধিক্ নরোত্তম দাস॥

ই পদটি ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত, দুর্গাচরণ বিশ্বাস সংগৃহীত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “কীর্ত্তন-পদাবলী”,
১৭৫-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

হরি হরি কি মোর করম অতি মন্দ।
ব্রজে রাধাকৃষ্ণ পদ           না ভজিনু তিল আধ
না বুঝিলাম রাগের সম্বন্ধ॥
স্বরূপ সনাতন রূপ                  রঘুনাথ ভট্টযুগ
ভূগর্ভ শ্রীজীব লোকনাথ।
ইহা সবার পাদ পদ্ম       না সেবিলাম তিল আধ
আর কিসে পূরিবেক সাধ॥
কৃষ্ণ দাস কবিরাজ              রসিক ভকত মাঝ
যেহো কৈল চৈতন্য চরিত।
গৌরী গোবিন্দ লীলা            শুনিতে গলয়ে শীলা
তাহাতে না হৈল মোর চিত॥
সে সব ভকত সঙ্গ              যে করিল তার সঙ্গ
তার সঙ্গে কেন নৈল বাস।
কি মোর দুঃখের কথা          জনম গোঙাইনু বৃথা
ধিক ধিক নরোত্তম দাস॥

ই পদটি ১৯৩৭-৫৩ খৃষ্টাব্দের সময়কালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন
পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৩য় খণ্ড, প্রার্থনা, ৬৭৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই - মধ্যম দশকুশী॥

হরি হরি কি মোর করম গতি মন্দ।
ব্রজে রাধাকৃষ্ণ পদ,            না সেবিনু তিল আধ,
না বুঝিলাম রাগের সম্বন্ধ॥
স্বরূপ সনাতন রূপ,                   রঘুনাথ ভট্টযুগ,
ভূগর্ভ শ্রীজীব লোকনাথ।
ইহা সভার পাদ-পদ্ম,        না সেবিলাম তিল আধ,
আর কিসে পুরিবেক সাধ॥
কৃষ্ণদাস কবিরাজ,                 রসিক ভকত মাঝ,
যেহোঁ কৈল চৈতন্য-চরিত।
গৌর গোবিন্দ লীলা,               শুনিতে গলয়ে শীলা,
তাহাতে না হইল মোর চিত॥
সে সব ভকত সঙ্গ,                যে করিল তার সঙ্গ,
তার সঙ্গে কেনে নৈল বাস।
কি মোর দুখের কথা,            জনম গোঙাইনু বৃথা,
ধিক ধিক নরোত্তম দাস॥

.                 ***********               

.                                                                                  
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
করঙ্গ কৌপীন লৈয়া ছেঁড়া কাঁথা গায় দিয়া
কবি নরোত্তম দাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত
শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল) ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ শাখা-২য় ভাগ, ৩৬শ পল্লব, প্রার্থনা,
৩০৫০-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তথা রাগ॥

করঙ্গ কৌপীন লৈয়া          ছিঁড়া কাঁথা গায় দিয়া
তেয়াগিব সকল বিষয়।
হরি-অনুরাগ হবে              ব্রজের নিকুঞ্জে কবে
যাইয়া করিব নিজালয়॥
হরি হরি কবে মোর হইবে সুদিন।
ফল মূল বৃন্দাবনে             খাঞা দিবা-অবসানে
ভ্রমিব হইয়া উদাসীন॥ ধ্রু॥
শীতল যমুনা-জলে               স্নান করি কুতূহলে
  প্রেমাবেশে আনন্দিত হৈয়া।
বাহুর উপর বাহু তুলি        বৃন্দাবনের কুলি কুলি
কৃষ্ণ বলি বেড়াব কান্দিয়া॥
দেখিব সঙ্কেত-স্থান             জুড়াবে তাপিত প্রাণ
প্রেমাবেশে গড়াগড়ি দিব।
কাহাঁ রাধা প্রাণেশ্বরী             কাহাঁ গিরিবর-ধারী,
কাহাঁ নাথ বলিয়া ডাকিব॥
মাধবী-কুঞ্জের পরি              সুখে বসি শুক শারী
গাইবেক রাধাকৃষ্ণ-রস।
তরু-মূলে বসি ইহা              শুনি জুড়াইবে হিয়া
কবে সুখে গোঙাব দিবস॥
শ্রীগোবিন্দ গোপীনাথ             শ্রীমতী রাধিকা সাথ
দেখিব রতন-সিংহাসনে।
দীন নরোত্তম দাস                 করয়ে দুর্ল্লভ আশ
এমতি হইবে কত দিনে॥

ই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ২৪৫৭-পদসংখ্যায় এই
রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে
এখানে উপস্থাপন করা হলো।

॥ তথা রাগ॥

করঙ্গ কৌপীন লৈয়া          ছিঁড়া কাঁথা গায় দিয়া
তেয়াগিয়া সকল বিষয়।
হরি-অনুরাগ হবে               ব্রজের নিকুঞ্জে কবে
যাইয়া করিব নিজালয়॥
হরি হরি কবে মোর হইবে সুদিন।
ফল মূল বৃন্দাবনে              খাঞা দিবা-অবসানে
ভ্রমিব হইয়া উদাসীন॥ ধ্রু॥
শীতল যমুনা-জলে                  স্নান করি কুতূহলে
প্রেমাবেশে আনন্দিত হৈয়া।
বাহুর উপর বাহু তুলি           বৃন্দাবনের গলি গলি
কৃষ্ণ বলি বেড়াব কান্দিয়া॥
দেখিব সঙ্কেত-স্থান               জুড়াব তাপিত প্রাণ
প্রেমাবেশে গড়াগড়ি দিব।
কাহাঁ রাধা প্রাণেশ্বরী             কাহাঁ গিরিবর-ধারী,
কাহাঁ নাথ বলিয়া কান্দিব॥
মাধবী-কুঞ্জের পরি               সুখে বসি শুক শারী
গাইবেক রাধাকৃষ্ণ-রস।
তরু-মূলে বসি ইহা               শুনি জুড়াইবে হিয়া
কবে সুখে গোঙাব দিবস॥
শ্রীগোবিন্দ গোপীনাথ             শ্রীমতী রাধিকা সাথ
দেখিব রতন-সিংহাসনে।
দীন নরোত্তম দাস                 করয়ে দুর্ল্লভ আশ
এমতি হইবে কত দিনে॥

ই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত, হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”,
১ম খণ্ড, ৩০৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ পাহিড়া॥

করঙ্গ কৌপীন লৈয়া, ছেঁড়া কাঁথা গায় দিয়া, তেয়াগিয়া সকল বিষয়। হরি-অনুরাগ হবে, ব্রজের নিকুঞ্জে
কবে, যাইয়া করিব নিজালয়॥ হরি হরি কবে মোর হইবে সুদিন। ফল মূল বৃন্দাবনে, খাঞা দিবা অবসানে,
ভ্রমিব হইয়া উদাসীন॥ শীতল যমুনা-জলে, স্নান করি কুতূহলে, প্রেমাবেশে আনন্দিত হৈয়া। বাহুর উপর বাহু
তুলি, বৃন্দাবনের কুলি কুলি, কৃষ্ণ বলি বেড়াব কান্দিয়া॥ দেখিব সঙ্কেত-স্থান, জুড়াবে তাপিত প্রাণ,
প্রেমাবেশে গড়াগড়ি দিব। কাহাঁ রাধা প্রাণেশ্বরী, কাহাঁ গিরিবর-ধারী, কাহাঁ নাথ বলিয়া ডাকিব॥ মাধবী
কুঞ্জের পরি, সুখে বসি শুক শারী, গাইবেক রাধাকৃষ্ণ-রস। তরু মূলে বসি ইহা, শুনি জুড়াইবে হিয়া, কবে
সুখে গোঙাব দিবস॥ শ্রীগোবিন্দ গোপীনাথ, শ্রীমতী রাধিকা সাথ, দেখিব রতন-সিংহাসনে।
দীন নরোত্তমদাস, করয়ে দুর্লভ আশ, এমতি হইবে কত দিনে॥

ই পদটি ১৯০২ সালে রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৯৬-পৃষ্ঠায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ পাহিড়া॥

করঙ্গ কৌপীন লৈয়া,          ছেঁড়া কাঁথা গায় দিয়া,
তেয়াগিয়া সকল বিষয়।
হরি অনুরাগ হবে,               ব্রজের নিকুঞ্জে কবে,
যাইয়া করিব নিজালয়॥
হরি হরি কবে মোর হইবে সুদিন।
ফল মূল বৃন্দাবনে,              খাঞা দিবা অবসানে,
ভ্রমিব হইয়া উদাসীন॥
শীতল যমুনা জলে,                স্নান করি কুতূহলে,
  প্রেমাবেশে আনন্দিত হৈয়া।
বাহুর উপর বাহু তুলি,         বৃন্দাবনের কুলি কুলি,
কৃষ্ণ বলি বেড়াব কান্দিয়া॥
দেখিব সঙ্কেত স্থান,              জুড়াবে তাপিত প্রাণ,
প্রেমাবেশে গড়াগড়ি দিব।
কাঁহা রাধা প্রাণেশ্বরী,             কাঁহা গিরিবর-ধারী,
কাঁহা নাথ বলিয়া ডাকিব॥
মাধবী কুঞ্জের পরি,              সুখে বসি শুক শারী,
গাইবেক রাধাকৃষ্ণ রস।
তরুমূলে বসি ইহা,                শুনি জুড়াইবে হিয়া,
কবে সুখে গোঙাব দিবস॥
শ্রীগোবিন্দ গোপীনাথ,            শ্রীমতী রাধিকা সাথ,
দেখিব রতন-সিংহাসনে।
দীন নরোত্তম দাস,               করয়ে দুর্ল্লভ আশ,
এমতি হইবে কত দিনে॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”,
৩৯১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ পাহিড়া॥

করঙ্গ কৌপীন লৈয়া,          ছেঁড়া কাঁথা গায় দিয়া,
তেয়াগিয়া সকল বিষয়।
হরি-অনুরাগ হবে,           ব্রজের নিকুঞ্জে কবে,
যাইয়া করিব নিজালয়॥
হরি হরি কবে মোর হইবে সুদিন।
ফল মূল বৃন্দাবনে,           খাঞা দিবা অবসানে,
ভ্রমিব হইয়া উদাসীন॥
শীতল যমুনা জলে,             স্নান করি কুতূহলে,
  প্রেমাবেশে আনন্দিত হৈয়া। @
বাহুর উপর বাহু তুলি,            বৃন্দাবনের কুলি কুলি,
কৃষ্ণ বলি বেড়াব কান্দিয়া॥
দেখিব সঙ্কেত-স্থান,           জুড়াবে তাপিত প্রাণ,
প্রেমাবেশে গড়াগড়ি দিব।
কাঁহা রাধা প্রাণেশ্বরী,             কাঁহা গিরিবর-ধারী,
কাঁহা নাথ বলিয়া ডাকিব॥
মাধবী কুঞ্জের পরি,            সুখে বসি শুক শারী,
গাইবেক রাধাকৃষ্ণ-রস।
তরুমূলে বসি ইহা,            শুনি জুড়াইবে হিয়া,
কবে সুখে গোঙাব দিবস॥
শ্রীগোবিন্দ গোপীনাথ,             শ্রীমতী রাধিকা সাথ,
দেখিব রতন-সিংহাসনে।
দীন নরোত্তমদাস,             করয়ে দুর্ল্লভ আশ,
এমতি হইবে কত দিনে॥

@ - এই পক্তিটি এই গ্রন্থের স্ক্যানে বাদ পড়ে গেছে বা গ্রন্থে মুদ্রিত হয়নি।

ই পদটি  ১৯১৪ সালে সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৬৩-পৃষ্ঠায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ পাহিড়া॥

করঙ্গ কৌপীন লৈয়া,          ছেঁড়া কাঁথা গায় দিয়া,
তেয়াগিয়া সকল বিষয়।
হরি অনুরাগ হবে,              ব্রজের নিকুঞ্জে কবে,
যাইয়া করিব নিজালয়॥
হরি হরি কবে মোর হইবে সুদিন।
ফল মূল বৃন্দাবনে,              খাঞা দিবা অবসানে,
ভ্রমিব হইয়া উদাসীন॥
শীতল যমুনা জলে,                 স্নান করি কুতূহলে,
  প্রেমাবেশে আনন্দিত হৈয়া।
বাহুর উপর বাহু তুলি,         বৃন্দাবনের কুলি কুলি,
কৃষ্ণ বলি বেড়াব কান্দিয়া॥
দেখিব সঙ্কেত স্থান,             জুড়াবে তাপিত প্রাণ,
প্রেমাবেশে গড়াগড়ি দিব।
কাঁহা রাধা প্রাণেশ্বরী,             কাঁহা গিরিবর-ধারী,
কাঁহা নাথ বলিয়া কান্দিব॥
মাধবী কুঞ্জের পরি               সুখে বসি শুক শারী,
গাইবেক রাধাকৃষ্ণ রস।
তরুমূলে বসি ইহা,                শুনি জুড়াইবে হিয়া,
কবে সুখে গোঙাব দিবস॥
শ্রীগোবিন্দ গোপীনাথ,             শ্রীমতী রাধিকা সাথ,
দেখিব রতন-সিংহাসনে।
দীন নরোত্তম দাস,                 করয়ে দুর্ল্লভ আশ,
এমতি হইবে কত দিনে॥

ই পদটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত, কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, ”কীর্ত্তন-পদাবলী”,
২৯৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ পাহিড়া॥

করঙ্গ কৌপীন লৈয়া,          ছেঁড়াকাঁথা গায়দিয়া,
তেয়াগিয়া সকল বিষয়।
হরি-অনুরাগ হবে,            ব্রজের নিকুঞ্জে কবে,
যাইয়া করিব নিজালয়॥
হরি হরি কবে মোর হইবে সুদিন।
ফল মূল বৃন্দাবনে,           খাঞা দিবা অবসানে,
ভ্রমিব হইয়া উদাসীন॥
শীতল যমুনা-জলে,             স্নান করি কুতূহলে,
  প্রেমাবেশে আনন্দিত হৈয়া।
বাহুর উপর বাহু তুলি,            বৃন্দাবনের কুলি,
কৃষ্ণ বলি বেড়াব কান্দিয়া॥
দেখিব সঙ্কেত-স্থান,           জুড়াবে তাপিত প্রাণ,
প্রেমাবেশে গড়াগড়ি দিব।
কাঁহারাধা প্রাণেশ্বরী,             কাঁহাগিরি বরধারী,
কাঁহা নাথ বলিয়া ডাকিব॥
মাধবী কুঞ্জের পরি            সুখে বসি শুক শারী,
গাইবেক রাধাকৃষ্ণ রস।
তরুমূলে বসি ইহা,            শুনি জুড়াইবে হিয়া,
কবে সুখে গোঙাব দিবস॥
শ্রীগোবিন্দ গোপীনাথ,          শ্রীমতী রাধিকা সাথ,
দেখিব রতন-সিংহাসনে।
দীন নরোত্তম দাস,             করয়ে দুর্ল্লভ আশ,
এমতি হইবে কত দিনে॥

ই পদটি ১৯৩০ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী নিত্যস্বরূপ সম্পাদিত, “শ্রীহরি সাধক-কণ্ঠহার”,
২০৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

সাধক দেহোচিত শ্রীবৃন্দাবনবাস-লালসা।

করঙ্গ কৌপীন লৈঞা,          ছেঁড়া কান্থা গায় দিয়া,
তেয়াগিব সকল বিষয়।
কৃষ্ণে অনুরাগ হবে,              ব্রজের নিকুঞ্জে কবে,
যাইয়া করিব নিজালয়॥
হরি হরি! কবে মোর হইবে সুদিন।
ফলমূল বৃন্দাবনে,               খাঞা দিবা অবসানে,
ভ্রমিব হইয়া উদাসীন॥
শীতল যমুনা জলে,                স্নান করি কুতূহলে,
  প্রেমাবেশে আনন্দিত হঞা।
বাহুর উপর বাহু তুলি,             বৃন্দাবনে কুলিকুলি,
কৃষ্ণ বলি বেড়াব কান্দিয়া॥
দেখিব সঙ্কেত স্থান,              জুড়াবে তাপিত প্রাণ,
প্রেমাবেশে গড়াগড়ি দিব।
কাঁহা রাধা! প্রাণেশ্বরী!             কাঁহা গিরিবরধারী,
কাঁহা নাথ! বলিয়া ডাকিব॥
মাধবীকুঞ্জেরোপরি,                সুখে বসি শুকসারী,
গাইবেক রাধাকৃষ্ণ রস।
তরুমূলে বসি তাহা,               শুনি জুড়াইবে হিয়া,
কবে সুখে গোঙাব দিবস॥
শ্রীগোবিন্দ গোপীনাথ,             শ্রীমতী রাধিকা সাথ,
দেখিব রতন সিংহাসনে।
দীন নরোত্তম দাস,                 করয়ে দুর্লভ আশ,
এমতি হইবে কত দিনে॥

.                 ***********               

.                                                                                  
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
প্রাণেশ্বর নিবেদন এই জন করে
কবি নরোত্তম দাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত
শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল) ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ শাখা-২য় ভাগ, ৩৬শ পল্লব, প্রার্থনা,
৩০২১-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তথা রাগ॥

প্রাণেশ্বর নিবেদন এই জন করে।
গোবিন্দ গোকুলচন্দ্র              পরম আনন্দ-কন্দ
গোপী-কুল-প্রিয়-দেহ হরে॥
তুয়া প্রিয় পদ-সেবা           এই ধন মোরে দিবা
তুমি প্রভু করুণার নিধি।
পরম মঙ্গল যশ                    শ্রবণ-পরশ-রস
কার কিবা কাজ নহে সিদ্ধি॥
দারুণ সংসার-গতি                বিষম বিষয়-মত,
তুয়া বিসরণ-শেল বুকে।
জর জর তনু মন                  অচেতন অনুক্ষণ
জীয়ন্তে মরণ ভেল দুখে॥
মো বড় অধম জনে               কর কৃপা-নিরক্ষণে
দাস করি রাখ বৃন্দাবনে।
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য নাম                পহু মোর গৌরধাম
নরোত্তম লইল শরণে॥

ই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ২৫২৮-পদসংখ্যায় এই
রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে
এখানে উপস্থাপন করা হলো।

॥ তথা রাগ॥

প্রাণেশ্বর নিবেদন এই জন করে।
গোবিন্দ গোকুলচন্দ্র              পরম আনন্দ-কন্দ
গোপী-কুল-প্রিয়-দেহ মোরে॥
তুয়া প্রিয় পদ-সেবা           এই ধন মোরে দিবা
তুমি প্রভু করুণার নিধি।
পরম মঙ্গল যশ                    শ্রবণ-পরশ-রস
কার কিবা কাজ নহে সিদ্ধি॥
দারুণ সংসার-গতি             বিষম বিষয়-মত,
তুয়া বিসরণ-শেল বুকে।
জর জর তনু মন                  অচেতন অনুক্ষণ
জীয়ন্তে মরণ ভেল দুখে॥
মো বড় অধম জনে              কর কৃপা-নিরক্ষণে
দাস করি রাখ বৃন্দাবনে।
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য নাম              প্রভু মোর গৌরধাম
নরোত্তম লইল শরণে॥

ই পদটি ১৮০৭ সালে প্রকাশিত, কমলাকান্ত দাস সংকলিত “পদরত্নাকর” পুথির ৪৩।৩১-পদ-সংখ্যায়
এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর
দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো।

॥ শ্রীরাগ॥

প্রাণেশ্বর নিবেদন চরণ-কমলে।
গোবিন্দ গোকুলচন্দ্র              পরম আনন্দ-কন্দ
গোপী-কুল-প্রিয়-দেব হরে॥
তুয়া প্রিয় পদ-সেবা           এই ধন মোরে দিবা
তুমি প্রভু করুণার নিধি।
পরম মঙ্গল যশ                    শ্রবণ-পরশ-রস
কার কিবা কাজ নহে সিদ্ধি॥
দারুণ সংসার-গতি             বিষম বিষয়-মত,
তুয়া বিসরণ-শেল বুকে।
জর জর তনু মন                অচেতন অনুক্ষণ
জীয়ন্তে মরণ ভেল দুখে॥
মো হেন অধম জনে           কর কৃপা-নিরক্ষণে
দাস করি রাখ বৃন্দাবনে।
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য নাম             প্রভু মোর গৌরধাম
নরোত্তম লইল শরণে॥

ই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত, হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”,
১ম খণ্ড, ৩০৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

প্রাণেশ্বর নিবেদন এই জন করে। গোবিন্দ গোকুলচন্দ্র, পরম আনন্দ কন্দ, গোপীকুলপ্রিয় দেখ মোরে॥ তুয়া
প্রিয় পদসেবা, এই ধন মোরে দিবা, তুমি প্রভু করুণার নিধি। পরম মঙ্গল যশে, শ্রবণ পরশ রসে, কার
কিবা কায নহে সিদ্ধি॥ দারুণ সংসার গতি, বিষম বিষয়মতি, তুয়া বিস্মরণ শেল বুকে। জর জর তনু মন,
অচেতন অনুক্ষণ, জীয়ন্তে মরণ ভেল দুঃখে॥ মো বড় অধম জনে, কর কৃপা নিরীক্ষণে, দাস করি রাখ
বৃন্দাবনে। শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য নাম, প্রভু মোর গৌর ধাম, নরোত্তম লইল শরণে॥

ই পদটি ১৯০২ সালে রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৯৭-পৃষ্ঠায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বিভাষ॥

প্রাণেশ্বর নিবেদন এই জন করে।
গোবিন্দ গোকুলচন্দ্র,              পরম আনন্দ কন্দ,
গোপীকুল প্রিয় দেহ মোরে॥
তুয়া প্রিয় পদসেবা,             এই ধন মোরে দিবা,
তুমি প্রভু করুণার নিধি।
পরম মঙ্গল যশ,                    শ্রবণ পরশ রস,
কার কিবা কাজ নহে সিদ্ধি॥
দারুণ সংসার গতি,             বিষম বিষয় মতি,
তুয়া বিস্মরণ শেল বুকে।
জর জর তনু মন,                 অচেতন অনুক্ষণ,
জীয়ন্তে মরণ ভেল দুঃখে॥
মো বড় অধম জনে,           কর কৃপা নিরীক্ষণে,
দাস করি রাখ বৃন্দাবনে।
শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য নাম,             প্রভু মোর গৌর ধাম,
নরোত্তম লইল শরণে॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”,
৩৯৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

প্রাণেশ্বর নিবেদন এই জন করে।
গোবিন্দ গোকুলচন্দ্র,            পরম আনন্দ কন্দ,
গোপীকুলপ্রিয় দেখ মোরে॥
তুয়া প্রিয় পদসেবা,           এই ধন মোরে দিবা,
তুমি প্রভু করুণার নিধি।
পরম মঙ্গল যশে,                শ্রবণ পরশ রসে,
কার কিবা কায নহে সিদ্ধি॥
দারুণ সংসার গতি,             বিষম বিষয়মতি,
তুয়া বিস্মরণ শেল বুকে।
জর জর তনু মন,               অচেতন অনুক্ষণ,
জীয়ন্তে মরণ ভেল দুঃখে॥
মো বড় অধমজনে,           কর কৃপা নিরীক্ষণে,
দাস করি রাখ বৃন্দাবনে।
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য নাম,           প্রভু মোর গৌর ধাম,
নরোত্তম লইল শরণে॥

ই পদটি ১৯১৪ সালে সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৬৪-পৃষ্ঠায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বিভাষ॥

প্রাণেশ্বর নিবেদন এই জন করে।
গোবিন্দ গোকুলচন্দ্র,              পরম আনন্দ কন্দ,
গোপীকুল প্রিয় দেহ মোরে॥
তুয়া প্রিয় পদসেবা,             এই ধন মোরে দিবা,
তুমি প্রভু করুণার নিধি।
পরম মঙ্গল যশ,                     শ্রবণে পরম রস,
কার কিবা কাজ নহে সিদ্ধি॥
দারুণ সংসার গতি,             বিষয়েতে লুব্ধ মতি,
তুয়া বিস্মরণ শেল বুকে।
জর জর তনু মন,                  অচেতন অনুক্ষণ,
জীয়ন্তে মরণ ভেল দুঃখে॥
মো বড় অধম জনে,            কর কৃপা নিরীক্ষণে,
দাস করি রাখ বৃন্দাবনে।
শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য নাম,              প্রভু মোর গৌর ধাম,
নরোত্তম লইল শরণে॥

ই পদটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত, কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, ”কীর্ত্তন-পদাবলী”,
৩০১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

প্রাণেশ্বর নিবেদন এই জন করে।
গোবিন্দ গোকুলচন্দ্র,            পরম আনন্দ কন্দ,
গোপীকুলপ্রিয় দেহ মোরে॥
তুয়া প্রিয় পদসেবা,           এই ধন মোরে দিবা,
তুমি প্রভু করুণার নিধি।
পরম মঙ্গল যশে,                শ্রবণ পরশ রসে,
কার কিবা কায নহে সিদ্ধি॥
দারুণ সংসার গতি,             বিষম বিষয়মতি,
তুয়া বিস্মরণ শেল বুকে।
জর জর তনু মন,                অচেতন অনুক্ষণ,
জীয়ন্তে মরণ ভেল দুঃখে॥
মো বড় অধম জনে,            কর কৃপা নিরীক্ষণে,
দাস করি রাখ বৃন্দাবনে।
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য নাম,             প্রভু মোর গৌর ধাম,
নরোত্তম লইল শরণ॥

ই পদটি ১৯৩০ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী নিত্যস্বরূপ সম্পাদিত, “শ্রীহরি সাধক-কণ্ঠহার”,
১৭৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

প্রার্থনা।
দৈন্যবোধিকা।

প্রাণেশ্বর! নিবেদন এইজন করে।
গোবিন্দ গোকুলচন্দ্র,                পরম আনন্দকন্দ,
গোপীকুলপ্রিয় দেহ মোরে॥
তুয়া প্রিয় পদসেবা,             এই ধন মোরে দিবা,
তুমি প্রভু করুণার নিধি।
পরম মঙ্গল যশে,                    শ্রবণ পরশ রসে,
কার কিবা কায নহে সিদ্ধি॥
দারুণ সংসার গতি,               বিষম বিষয় মতি,
তুয়া বিস্মরণ শেল বুকে।
জর জর তনু মন,                  অচেতন অনুক্ষণ,
জীয়ন্তে মরণ ভেল দুঃখে॥
মো বড় অধম জনে,            কর কৃপা নিরীক্ষণে,
দাস করি রাখ বৃন্দাবনে।
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য নাম,              প্রভু মোর গৌরধাম,
নরোত্তম লইল শরণে॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন
”শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ৩৪৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বিভাস॥

প্রাণেশ্বর নিবেদন এই জন করে।
গোবিন্দ গোকুলচন্দ্র                    পরমানন্দ কন্দ
গোপীকুলপ্রিয় দেহ মোরে॥ ধ্রু॥
তুয়া প্রিয়া পদসেবা                এই ধন মোরে দিবা
তুমি প্রভু করুণার নিধি।
পরম মঙ্গল যশ                        শ্রবণ পরশ রস
কার কেবা কাজ নহে সিদ্ধি॥
দারুণ সংসার গতি                 বিষম বিষয়ে মতি
তুয়া বিস্মরণ শেল বুকে।
জর জর তনু মন                     অচেতন অনুক্ষণ
জীয়ন্তে মরণ ভেল দুঃখে॥
মো বড় অধম জনে                 কর কৃপা নিরীখণে
দাস করি রাখ বৃন্দাবনে।
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্যনাম                 প্রভু মোর গৌরধাম
নরোত্তম লইল শরণে॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব পদাবলী”, ৫৫০-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

প্রার্থনা
॥ বিভাস॥

প্রাণেশ্বর নিবেদন এই জন করে।
গোবিন্দ গোকুলচন্দ্র                  পরমানন্দ কন্দ
গোপীকুলপ্রিয় দেহ মোরে॥ ধ্রু॥
তুয়া প্রিয়া পদসেবা               এই ধন মোরে দিবা
তুমি প্রভু করুণার নিধি।
পরম মঙ্গল যশ                      শ্রবণ পরশ রস
কার কিবা কাজ নহে সিধি॥
দারুণ সংসারে গতি             বিষম বিষয়ে মতি
তুয়া বিস্মরণ শেল বুকে।
জর জর তনু মন                   অচেতন অনুক্ষণ
জীয়ন্তে মরণ ভেল দুঃখে॥
মো বড় অধম জনে               কর কৃপা নিরীখণে
দাস করি রাখ বৃন্দাবনে।
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্যনাম                প্রভু মোর গৌরধাম
নরোত্তম লইল শরণে॥

ই পদটি ১৯৩৭-৫৩ খৃষ্টাব্দের সময়কালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন
পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৩য় খণ্ড, প্রার্থনা, ৭০২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ গান্ধার - মধ্যম দশকুশী॥

প্রাণেশ্বর নিবেদন এই জন করে।
গোবিন্দ গোকুল চন্দ্র,          পরম আনন্দ কন্দ,
গোপীকুল-প্রিয় দেব হরে॥
তুয়া প্রিয় পদ সেবা,         এই ধন মোরে দিবা,
তুমি প্রভু করুণার নিধি।
পরম মঙ্গল যশ,                  শ্রবণ পরশ রস,
কার কিবা কাজ নহে সিদ্ধি॥
দারুণ সংসার গতি,           বিষয়ে বিষম মতি,
তুয়া বিসরণ শেল বুকে।
জর জর তনু মন,                 অচেতন অনুক্ষণ,
জীয়ন্তে মরণ ভেল দুখে॥
মো বড় অধম জনে,            কর কৃপা নিরীক্ষণে,
দাস করি রাখ বৃন্দাবনে।
শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য নাম,            প্রভু মোর গৌর ধাম,
নরোত্তম লইল শরণে॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী",
২৯৫-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

প্রাণেশ্বর নিবেদন এই জন করে।
গোবিন্দ গোকুলচন্দ্র পরমানন্দ কন্দ
গোপীকুলপ্রিয় দেহ মোরে॥
তুয়া প্রিয়া পদসেবা এই ধন মোরে দিবা
তুমি প্রভু করুণার নিধি।
পরম মঙ্গল যশ শ্রবণ পরশ রস
কার কিবা কাজ নহে সিধি॥
দারুণ সংসারে গতি বিষম বিষয়ে মতি
তুয়া বিস্মরণ শেল বুকে।
জর জর তনু মন অচেতন অনুক্ষণ
জীয়ন্তে মরণ ভেল দুঃখে॥
মো বড় অধম জনে কর কৃপা নিরীখণে
দাস করি রাখ বৃন্দাবনে।
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্যনাম প্রভু মোর গৌরধাম
নরোত্তম লইল শরণে॥

.                 ***********               

.                                                                                  
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
রাধাকৃষ্ণ সেব মন জীবনে মরণে
রাধাকৃষ্ণ সেবঁ মুঞি জীবনে মরণে
কবি নরোত্তম দাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল) ৪র্থ খণ্ড,
৪র্থ শাখা-২য় ভাগ, ৩৬শ পল্লব, প্রার্থনা, ৩০৬১-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। এই
পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ২৫৫৮-
পদসংখ্যায় হুবহু একই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র
রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো।

॥ ধানশী॥

রাধাকৃষ্ণ সেব মন জীবনে মরণে।
তার স্থান তার লীলা স্মর রাত্রি দিনে॥
যখন যে লীলা করে যুগল-কিশোর।
সখীর সঙ্গিনী হঙ তাতে হঞা ভোর॥
শ্রীরূপমঞ্জরি-পদ সেবোঁ নিরবধি।
তার পাদ-পদ্ম মোর মন্ত্র মহৌষধি॥
শ্রীরূপমঞ্জরি দেবি মোরে কর দয়া।
অনুক্ষণ দেহ তুয়া পাদ-পদ্ম-ছায়া॥
শ্রীরসমঞ্জরি দেবি কর অবধান।
অনুক্ষণ করোঁ তুয়া পাদ-পদ্ম-ধ্যান॥
বৃন্দাবনে নিত্য নিত্য যুগল বিলাস।
প্রার্থনা করয়ে সদা নরোত্তম দাস॥

ই পদটি ১৮০৭ সালে প্রকাশিত, কমলাকান্ত দাস সংকলিত “পদরত্নাকর” পুথির
৪৩|৪২-পদ-সংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র
রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো।

॥ ধানশী॥

রাধাকৃষ্ণ ভজ মন জীবনে মরণে।
তার স্থান তার লীলা স্মর রাত্রি দিনে॥
যে বনে যে লীলা কৈলা যুগল-কিশোর।
সখীর সঙ্গিনী হঙ তাতে হঞা ভোর॥
শ্রীরূপমঞ্জরি-পদ সেবোঁ নিরবধি।
তাহার চরণ-পদ্ম মোর মহৌষধি॥
শ্রীরূপমঞ্জরি দেবি মোরে কর দয়া।
অনুক্ষণ দেহ মোরে পাদ-পদ্ম-ছায়া॥
শ্রীরূপমঞ্জরি দেবি কর অবধান।
অনুক্ষণ করোঁ তুয়া পাদ-পদ্ম-ধ্যান॥
বৃন্দাবনে নিত্য লীলা দোহার বিলাস।
প্রার্থনা করয়ে সদা নরোত্তম দাস॥

ই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত, হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন
“সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ৩১০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

রাধাকৃষ্ণ সেবঁ মুঞি জীবনে মরণে। তাঁর স্থান তাঁর লীলা দেখোঁ রাত্রি দিনে॥ যে স্থানে যে
লীলা করে যুগল কিশোর। সখীর সঙ্গিনী হঞা তাঁহে হঙ ভোর॥ শ্রীরূপ মঞ্জরি দেবি মোরে
কর দয়া। অনুক্ষণ দেহ তুয়া পাদপদ্ম ছায়া॥ শ্রীরসমঞ্জরি দেবি কর অবধান। অনুক্ষণ
দেহ তুয়া পাদপদ্ম ধ্যান॥ বৃন্দাবনে নিত্য নিত্য যুগল বিলাস। প্রার্থনা করয়ে সদা
নরোত্তমদাস॥

ই পদটি ১৯০২ সালে রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের
৯৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

রাধাকৃষ্ণ সেব মন জীবনে মরণে।
তাঁর স্থান তাঁর লীলা দেখো রাত্রি দিনে॥
যে স্থানে যে লীলা করে যুগল কিশোর।
সখীর সঙ্গিনী হঞা তাঁহে হঙ ভোর॥
শ্রীরূপ মঞ্জরি দেবি !  মোরে কর দয়া।
অনুক্ষণ দেহ তুয়া পাদপদ্ম ছায়া॥
শ্রীরাস মঞ্জরি দেবি!  কর অবধান।
অনুক্ষণ দেহ তুয়া পাদপদ্ম ধ্যান॥
বৃন্দাবনে নিত্য নিত্য যুগল বিলাস।
প্রার্থনা করয়ে সদা নরোত্তম দাস॥

ই পদটি ১৯১৪ সালে সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের
৬৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

রাধাকৃষ্ণ সেব মন জীবনে মরণে।
তাঁর স্থান তাঁর লীলা দেখো রাত্রি দিনে॥
যে স্থানে যে লীলা করে যুগল কিশোর।
সখীর সঙ্গিনী হঞা তাঁহে হঙ ভোর॥
শ্রীরূপ মঞ্জরি দেবি !  মোরে কর দয়া।
অনুক্ষণ দেহ তুয়া পাদপদ্ম ছায়া॥
শ্রীরাস মঞ্জরি দেবি!  কর অবধান।
অনুক্ষণ দেহ তুয়া পাদপদ্ম ধ্যান॥
বৃন্দাবনে নিত্য নিত্য যুগল বিলাস।
প্রার্থনা করয়ে সদা নরোত্তম দাস॥

ই পদটি ১৯৩০ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী নিত্যস্বরূপ সম্পাদিত, “শ্রীহরি সাধক-
কণ্ঠহার”, ২১৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীরূপরতিমঞ্জর্য্যোঃ বিজ্ঞপ্তিঃ।

রাধাকৃষ্ণ সেবঁ মুঞি জীবনে মরণে।
তাঁর স্থান তাঁর লীলা দেখোঁ রাত্রি দিনে॥
যে স্থানে যে লীলা করে যুগল কিশোর।
সখীর সঙ্গিনী হঞা তাঁহে হঙ ভোর॥
শ্রীরূপমঞ্জরি পদ সেবোঁ নিরবধি।
তাঁপ পাদপদ্ম মোর মন্ত্র মহৌষধি॥
শ্রীরসমঞ্জরি দেবি! মোরে কর দয়া।
অনুক্ষণ দেহ তুয়া পাদপদ্ম ছায়া॥
বৃন্দাবনে নিত্য নিত্য যুগল বিলাস।
প্রার্থনা করয়ে সদা নরোত্তম দাস॥

.                 ***********               

.                                                                                  
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
রাধাকৃষ্ণ প্রাণ মোর যুগল কিশোর
কবি নরোত্তম দাস
এই পদটি বিশ্বনাথ চক্রবর্তী (হরিবল্লভ দাস) দ্বারা আনুমানিক ১৭০০ সালে  সংকলিত ও
বিরোচিত এবং ১৯২৪ সালে, রাধানাথ কাবাসী দ্বারা সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“শ্রীশ্রীক্ষণদা-গীতচিন্তামণি”, ত্রিংশ ক্ষণদা - পৌর্ণমাসী, ২৪৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ গান্ধার॥

রাধাকৃষ্ণ প্রাণ মোর যুগলকিশোর।
জীবনে মরণে গতি আর নাহি মোর॥
যমুনার তীরে কেলি-কদম্বের বন।
রতন-বেদীর পর বসাব দুই জন॥
শ্যাম-গোরী-অঙ্গে দিব চুয়া চন্দনের গন্ধ।
চামর ঢুলাব কবে হেরব মুখ-চন্দ॥
মালতী ফুলের মালা গাঁথি দিব উরে।
অধরে তুলিয়া দিব তাম্বুল কর্পূরে॥
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভুর দাসের অনুদাস।
নরোত্তম দাস মাগে সেবা-অভিলাষ॥

ই পদটি রাধামোহন ঠাকুর (রাধামোহন দাস) দ্বারা আনুমানিক ১৭২৫ সালে সংকলিত
ও বিরচিত এবং ১৮৭৮ সালে, রামনারায়ণ বিদ্যারত্ন দ্বারা সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “পদামৃত সমুদ্র”, ৪৭৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

অখ প্রার্থনা॥
॥ গান্ধাররাগ সমতালৌ॥

রাধাকৃষ্ণ প্রাণ মোর যুগলকিশোর। জীবনে মরণে গতি আর নাহি মোর॥ ধ্রু॥
যমুনা পুলিন কেলিকদম্বের বন। রতন বেদীর পর বসাব দুই জন॥
ললিতা বিশাখা আদি যত সখি বৃন্দে। আজ্ঞায় করিব সেবা চরণারবিন্দে॥
শ্যাম গোরি অঙ্গে দিব চুয়া চন্দনের গন্ধ। চামর ঢুলাব কবে হেরিব মুখচন্দ্র॥
মালতী ফুলের মালা গাঁথিয়া দিব গলে। অধরে তুলিয়া দিব কর্পূর তাম্বুলে॥
শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য পহুঁর দাসের দাস। নরোত্তমদাস করে সেবা অভিলাষ॥

ই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল) ৪র্থ খণ্ড,
৪র্থ শাখা-২য় ভাগ, ৩৬শ পল্লব, প্রার্থনা, ৩০৬০-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

রাধাকৃষ্ণ প্রাণ মোর যুগলকিশোর।
জীবনে মরণে গতি আর নাহি মোর॥
কালিন্দীর কূলে কেলি-কদম্বের বন।
রতন-বেদীর পর বৈসাব দুই জন॥
শ্যাম-গোরী-অঙ্গে দিব চুয়া চন্দনের গন্ধ।
চামর ঢুলাব সে হেরব মুখ-চন্দ॥
গাঁথিয়া মালতীর মালা দিব দোহাঁর গলে।
অধরে তুলিয়া দিব কর্পূর তাম্বুলে॥
ললিতা বিশাখা আদি যত সখীবৃন্দে।
আজ্ঞায় করিব সেবা চরণারবিন্দে॥
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভুর-দাস-অনুদাস।
নরোত্তম দাস কবে সেবা অভিলাষ॥

ই পদটি উনিশ শতকে প্রকাশিত, নিমানন্দ দাস সংকলিত “পদরসসার” পুথির ২৫৫৭-
পদসংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের
পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো।

॥ ধানশী॥

রাধাকৃষ্ণ প্রাণ মোর যুগলকিশোর।
জীবনে মরণে গতি আর নাহি মোর॥
কালিন্দীর কূলে কেলি-কদম্বের বন।
রতন-বেদীর পর বৈসাব দুই জন॥
শ্যাম-গোরী-অঙ্গে দিব চুয়া চন্দনের গন্ধ।
চামর ঢুলাব সে হেরব মুখ-চন্দ॥
গাঁথিয়া মালতীর মালা দিব দোহাঁর গলে।
অধরে তুলিয়া দিব কর্পূর তাম্বুলে॥
আজ্ঞায় করিব সেবা চরণারবিন্দে॥
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভুর-দাস-অনুদাস।
সেবা অভিলাষ মাগে নরোত্তম দাস॥

ই পদটি ১৮০৭ সালে প্রকাশিত, কমলাকান্ত দাস সংকলিত “পদরত্নাকর” পুথির
৪৩|২১-পদ-সংখ্যায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র
রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো।

॥ ধানশী॥

রাধাকৃষ্ণ প্রাণ মোর যুগলকিশোর।
জীবনে মরণে গতি আর নাহি মোর॥
কালিন্দীর কূলে কেলি-কদম্বের বন।
রতন-বেদীর পর বৈসাব দুই জন॥
শ্যাম-গোরী-অঙ্গে দিব চুয়া চন্দনের গন্ধ।
চামর ঢুলাব সে হেরব মুখ-চন্দ॥
গাঁথিয়া মালতীর মালা দিব দুহুঁ উরে।
অধরে তুলিয়া দিব কর্পূর তাম্বুলে॥
আজ্ঞায় করিব সেবা চরণারবিন্দে॥
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভুর-দাস-অনুদাস।
নরোত্তম দাস কবে সেবা অভিলাষ॥

ই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত, হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন
“সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ৩১১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

রাধাকৃষ্ণ প্রাণ মোর যুগল কিশোর। জীবনে মরণে গতি আর নাহি মোর॥ কালিন্দীর কূলে
কেলিকদম্বের বন। রতন বেদীর উপর বসাব দুজন॥ শ্যামগোরী অঙ্গে দিব (চুয়া) চন্দনের
গন্ধ। চামর ঢুলাব কবে হেরিব মুখচন্দ্র॥ গাঁথিয়া মালতীর মালা দিব দোঁহার গলে। অধরে
তুলিয়া দিব কর্পূরতাম্বুলে॥ ললিতা বিশাখা আদি যত সখীবৃন্দ। আজ্ঞায় করিব সেবা
চরণারবিন্দ॥ শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভুর দাসের অনুদাস। সেবা অভিলাষ করে নরোত্তমদাস॥

ই পদটি ১৯০২ সালে রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের
৯৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

রাধাকৃষ্ণ প্রাণ মোর যুগল কিশোর।
জীবনে মরণে গতি আর নাহি মোর॥
কালিন্দীর কূলে কেলি কদম্বের বন।
রতন বেদীর পর বসাব দুইজন॥
শ্যাম গোরী অঙ্গে দিব চুয়া চন্দনের গন্ধ।
চামর ঢুলাব কবে হেরিব মুখ চন্দ॥
গাঁথিয়া মালতীর মালা দিব দোঁহার গলে।
অধরে তুলিয়া দিব কর্পূর তাম্বুলে॥
ললিতা বিশাখা আদি যত সখী বৃন্দে।
আজ্ঞায় করিব সেবা চরণারবিন্দে॥
শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য প্রভুর দাসের অনুদাস।
সেবা অভিলাষ করে নরোত্তম দাস॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৩৯৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

রাধাকৃষ্ণ প্রাণ মোর যুগলকিশোর।
জীবনে মরণে গতি আর নাহি মোর॥
কালিন্দীর কূলে কেলিকদম্বের বন।
রতনবেদীর পর বসাব দুই জন॥
শ্যামগোরী অঙ্গে দিব (চুয়া) চন্দনের গন্ধ।
চামর ঢুলাব কবে হেরিব মুখচন্দ্র॥
গাঁথিয়া মালতীর মালা দিব দোহাঁর গলে।
অধরে তুলিয়া দিব কর্পূরতাম্বুলে॥
ললিতা বিশাখা আদি যত সখীবৃন্দ।
আজ্ঞায় করিব সেবা চরণারবিন্দ॥
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভুর দাসের অনুদাস।
সেবা অভিলাষ মাগে নরোত্তমদাস॥

ই পদটি ১৯১৪ সালে সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের
৬৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

রাধাকৃষ্ণ প্রাণ মোর যুগল কিশোর।
জীবনে মরণে গতি আর নাহি মোর॥
কালিন্দীর কূলে কেলি-কদম্বের বন।
রতন বেদীর পর বসাব দুইজন॥
শ্যাম গোরী অঙ্গে দিব চুয়া চন্দনের গন্ধ।
চামর ঢুলাব কবে হেরিব মুখ চন্দ॥
গাঁথিয়া মালতীর মালা দিব দোঁহার গলে।
অধরে তুলিয়া দিব কর্পূর তাম্বুলে॥
ললিতা বিশাখা আদি যত সখী-বৃন্দে।
আজ্ঞায় করিব সেবা চরণারবিন্দে॥
শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য প্রভুর দাসের অনুদাস।
সেবা অভিলাষ করে নরোত্তম দাস॥

ই পদটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত, হরিলাল চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “শ্রীশ্রীপদরত্ন-মালা”, ২০৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ গান্ধার॥

রাধাকৃষ্ণ প্রাণ মোর যুগল কিশোর।
জীবনে মরণে আর গতি নাহি মোর॥
কালিন্দীর কূলে কেলি কদম্বের বন।
রতন বেদীর পর বসাব দুইজন॥
শ্যাম গোরী অঙ্গে দিব চুয়া চন্দনের গন্ধ।
চামর ঢুলাব কবে হেরিব মুখচন্দ্র॥
গাঁথিব মালতী মালা দিব দোঁহার গলে।
অধরে তুলিয়া দিব কর্পূর তাম্বুলে॥
ললিতা বিশাখা আদি যত সখীবৃন্দ।
আজ্ঞায় করিব সেবা চরণারবিন্দ॥
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভুর দাসের অনুদাস।
সেবা অভিলাষ করে নরোত্তমদাস॥

ই পদটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত, কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,
”কীর্ত্তন-পদাবলী”, ৩০২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

রাধাকৃষ্ণ প্রাণ মোর যুগলকিশোর।
জীবনে মরণে গতি আর নাহি মোর॥
কালিন্দীর কূলে কেলিকদম্বের বন।
রতন বেদীর উপর বসাব দুজন॥
শ্যামগৌরী অঙ্গে দিব (চুয়া) চন্দনের গন্ধ।
চামর ঢুলাব কবে হেরিব মুখচন্দ্র॥
গাঁথিয়া মালতীর মালা দিব দোঁহার গলে।
অধরে তুলিয়া দিব কর্পূরতাম্বুলে॥
ললিতা বিশাখা আদি যত সখী বৃন্দে।
আজ্ঞায় করিব সেবা চরণারবৃন্দে॥
শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য প্রভুর দাসের অনুদাস।
নরোত্তম দাস করে সেবা অভিলাষ॥

ই পদটি ১৯৩০ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী নিত্যস্বরূপ সম্পাদিত, “শ্রীহরি সাধক-
কণ্ঠহার”, ২১৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

সখীবৃন্দে বিজ্ঞপ্তিঃ।

রাধাকৃষ্ণ প্রাণ মোর যুগলকিশোর।
জীবনে মরণে গতি আর নাহি মোর॥
কালিন্দীর কুলে কেলিকদম্বের বন।
রতন বেদীর পর বসাব দুজন॥
শ্যামগৌরী অঙ্গে দিব (চুয়া) চন্দনের গন্ধ।
চামর ঢুলাব কবে হেরিব মুখচন্দ॥
গাঁথিয়া মালতীর মালা দিব দোঁহার গলে।
অধরে তুলিয়া দিব কর্পূর তাম্বূলে॥
ললিতা বিশাখা আদি যত সখীবৃন্দ।
আজ্ঞায় করিব সেবা চরণারবিন্দ॥
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভুর দাসের অনুদাস।
সেবা অভিলাষ করে নরোত্তমদাস॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন ”শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ৩৫৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে
দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

রাধাকৃষ্ণ প্রাণ মোর যুগলকিশোর।
জীবনে মরণে আর গতি নাহি মোর॥
কালিন্দীর কুলে কেলি-কদম্বের বন।
রতন বেদীর পর বসাব দুজন॥
শ্যাম গোরী অঙ্গে দিব চুয়া চন্দনের গন্ধ।
চামর ঢুলাব সে হেরব মুখচন্দ॥
গাঁথিয়া মালতীর মালা দিব দোঁহার গলে।
অধরে তুলিয়া দিব কর্পূরতাম্বুলে॥
ললিতা বিশাখা আদি যত সখীবৃন্দে।
আজ্ঞায় করিব সেবা চরণারবিন্দে॥
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভুর দাস অনুদাস।
প্রার্থনা করয়ে সদা নরোত্তমদাস॥

ই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত “পদামৃত লহরী”,
২৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

প্রার্থনা গীত শেষ করিয়া এই গানটি করিতে হয়
॥ রাগিণী সুহই - তাল লোফা॥

রাধা কৃষ্ণ প্রাণ মোর যুগল কিশোর। জীবনে মরণে গতি আর নাহি মোর॥
কালিন্দীর কূলে কেলি কদম্বেরি বন। রতন বেদীর পর বসাব দুই জন॥
শ্যাম গৌরী অঙ্গে দিব চুয়া চন্দন সুগন্ধ। চামর ঢুলাব কবে হেরব মুখ চন্দ॥
গাঁথিয়া মালতী মালা দিব দোঁহার গলে। অধরে তুলিয়া দিব কর্পূর তাম্বুলে॥
ললিতা বিশাখা আদি যত সখী বৃন্দে। আজ্ঞাতে করিব সেবা চরণারবিন্দে॥
শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য প্রভুর দাসের অনুদাস। প্রার্থনা করয়ে সদা নরোত্তম দাস॥

ই পদটি ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত, সুধীরচন্দ্র রায় ও অপর্ণা দেবী সম্পাদিত পদাবলী
সংকলন “কীর্ত্তন পাদাবলী”, ৪২৬-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

প্রার্থনা
॥ ধানশ্রী - যৎতাল॥

রাধাকৃষ্ণ প্রাণ মোর যুগল কিশোর।
জীবনে মরণে গতি আর নাহি মোর॥
কালিন্দীর কূলে কেলিকদম্বের বন।
রতনবেদীর পর বসাব দুজন॥
শ্যাম গোরী অঙ্গে দিব চুয়া চন্দন গন্ধ।
চামর ঢুলাব কবে হেরব মুখচন্দ॥
গাঁথিয়া মালতীর মালা দিব দোঁহার গলে।
অধরে তুলিয়া দিব কর্পূর তাম্বুলে॥
ললিতা বিশাখা আদি যত সখীবৃন্দ।
আজ্ঞায় করিব সেবা চরণারবিন্দ॥
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভুর দাসের অনুদাস।
সেবা অভিলাষ করে নরোত্তম দাস॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৫৪৮-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

প্রার্থনা
॥ ধানশী॥

রাধাকৃষ্ণ প্রাণ মোর যুগল কিশোর।
জীবনে মরণে গতি আর নাহি মোর॥
কালিন্দীর কূলে কেলি কদম্বের বন।
রতন বেদীর পর বৈসাব দুইজন॥
শ্যামগৌরীঅঙ্গে চুয়া চন্দনের গন্ধ।
চামর ঢুলাব সে হেরব মুখচন্দ॥
গাঁথিয়া মালতীর মালা দিব দোঁহার গলে।
অধরে তুলিয়া দিব কর্পূরতাম্বূলে॥
ললিতা বিশাখা আদি যত সখীবৃন্দে।
আজ্ঞায় করিব সেবা চরণারবিন্দে॥
শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য প্রভু দাস অনুদাস।
নরোত্তম দাস করে সেবা অভিলাষ॥

ই পদটি ১৯৩৭-৫৩ খৃষ্টাব্দের সময়কালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ
মিত্রর মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৩য় খণ্ড, প্রার্থনা, ৭১৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া
রয়েছে।

॥ ধানশ্রী - জপতাল॥

রাধাকৃষ্ণ প্রাণ মোর যুগল কিশোর।
জীবনে মরণে গতি আর নাহি মোর॥
কালিন্দীর তীরে কেলি কদম্বের বন।
রতন বেদীর পর বসাইব দুই জন॥
শ্যামগোরী অঙ্গে দিব চুয়াচন্দনের গন্ধ।
চামর ঢুলাব কবে হেরি মুখ চন্দ॥
গাঁথিয়া মালতীমালা দিব দোঁহার গলে।
অধরে তুলিয়া দিব কর্পূর তাম্বুলে॥
ললিতা বিশাখা আদি যত সখী-বৃন্দে।
আজ্ঞায় করিব সেবা চরণারবিন্দে॥
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু দাসের অনুদাস।
নরোত্তম দাস করে সেবা অভিলাষ॥

ই পদটি ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত, দুর্গাচরণ বিশ্বাস সংগৃহীত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“কীর্ত্তন-পদাবলী”, ১৬৯-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীকৃষ্ণের প্রার্থনা

রাধা কৃষ্ণ প্রাণ মোর যুগল কিশোর।
জীবনে মরণে গতি আর নাহি মোর॥
যমুনা-পুলিন কেলি কদম্বের বন।
রতন-বেদীর পর বসাব দু’জন॥
ললিতা বিশাখা আদি যত সখীবৃন্দে।
আজ্ঞায় করিব সেবা চরণারবিন্দে॥
শ্যাম-গৌরী অঙ্গে দিব চুয়া চন্দনের গন্ধ।
চামর ঢুলাব কবে হেরিব মুখচন্দ॥
মালতী ফুলের মালা গাঁথি দিব গলে।
অধরে তুলিয়া দিব কর্পূর তাম্বুলে॥
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভুর দাসের অনুদাস।
নরোত্তম দাস করে সেবা অভিলাষ॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব
পদাবলী", ২৯৯-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

রাধাকৃষ্ণ প্রাণ মোর যুগল কিশোর।
জীবনে মরণে গতি আর নাহি মোর॥
কালিন্দীর কূলে কেলি কদম্বের বন।
রতন বেদীর পর বৈসাব দুইজন॥
শ্যামগৌরীঅঙ্গে চুয়া চন্দনের গন্ধ।
চামর ঢুলাব সে হেরব মুখচন্দ॥
গাঁথিয়া মালতীর মালা দিব দোঁহার গলে।
অধরে তুলিয়া দিব কর্পূরতাম্বূলে॥
ললিতা বিশাখা আদি যত সখীবৃন্দে।
আজ্ঞায় করিব সেবা চরণারবিন্দে॥
শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য প্রভু দাস অনুদাস।
নরোত্তম দাস করে সেবা অভিলাষ॥

.                 ***********               

.                                                                                  
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
রাধাকৃষ্ণ নিবেদন এই জন করে
কবি নরোত্তম দাস
এই পদটি বিশ্বনাথ চক্রবর্তী (হরিবল্লভ দাস) দ্বারা আনুমানিক ১৭০০ সালে  সংকলিত ও বিরোচিত এবং
১৯২৪ সালে, রাধানাথ কাবাসী দ্বারা সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীক্ষণদা-গীতচিন্তামণি”, সপ্তদশ
ক্ষণদা - শুক্লা দ্বিতীয়, ১৩৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বরাড়ী॥

রাধাকৃষ্ণ! নিবেদন এই জন করে।
দুঁহু অতি রসময়                    সকরুণ হৃদয়
অবধান কর নাথ মোরে॥
হে কৃষ্ণ গোকুলচন্দ               গোপীজন-বল্লভ
হে কৃষ্ণ-প্রেয়সী-শিরোমণি।
হেম-গৌরী শ্যাম-গাত্র            শ্রবণে পরশ মাত্র
গুণ শুনি জুড়ায় পরাণি॥
অধম দুর্গত জনে              কেবল করুণা মনে
ত্রিভুবনে এ যশ খেয়াতি।
শুনিয়া সাধুর মুখে               শরণ লইনু সুখে
উপেখিলে নাহি মোর গতি॥
জয় রাধে জয় রাধে           জয় কৃষ্ণ জয় রাধে
জয় কৃষ্ণ জয় রাধে রাধে।
অঞ্জলি মস্তকে ধরি            নরোত্তম ভূমে পড়ি
কহুঁ পূর মোর সাধে॥

ই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায়
সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের (১৯২৭ সাল) ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ শাখা-২য় ভাগ,
৩৬শ পল্লব, প্রার্থনা, ৩০২২-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তথা রাগ॥

রাধাকৃষ্ণ নিবেদন এই জন করে।
দুঁহু অতি রসময়                    সকরুণ-হৃদয়
অবধান কর নাথ মোরে॥ ধ্রু॥
হে কৃষ্ণ গোকুলচন্দ               গোপী-জন-বল্লভ
হে কৃষ্ণ-প্রেয়সী-শিরোমণি।
হেম-গৌরী শ্যাম-গাত্র           শ্রবণে পরশ মাত্র
গুণ শুনি জুড়ায় পরাণি॥
অধম দুর্গত জনে             কেবল করুণা মনে
ত্রিভুবনে এ যশ-খেয়াতি।
শুনিয়া সাধুর মুখে                শরণ লইলুঁ সুখে
উপেখিলে নাহি মোর গতি॥
জয় রাধে জয় কৃষ্ণ            জয় জয় রাধে কৃষ্ণ
কৃষ্ণ কৃষ্ণ জয় জয় রাধে।
অঞ্জলি মস্তকে ধরি             নরোত্তম ভূমে পড়ি
দোহেঁ পূরাও মোর মন-সাধে॥

ই পদটি ১৮০৭ সালে প্রকাশিত, কমলাকান্ত দাস সংকলিত “পদরত্নাকর” পুথির ৪৩।২২-পদ-সংখ্যায়
এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আমরা পুথিটি হাতে পাইনি। সতীশচন্দ্র রায়ের পদকল্পতরুর টীকা-পাঠান্তর
দেখে এখানে উপস্থাপন করা হলো।

॥ তথা রাগ॥

প্রাণনাথ নিবেদন এই জন করে।
দুঁহু অতি রসময়                    সকরুণ-হৃদয়
অবধান কর নাথ মোরে॥ ধ্রু॥
হে কৃষ্ণ গোকুলচন্দ্র               গোপী-জন-বল্লভ
হে কৃষ্ণ-প্রেয়সী-শিরোমণি।
হেম-গৌরী শ্যাম-গাত্র              শ্রবণে পরশ মাত্র
গুণ শুনি জুড়ায় পরাণি॥
অধম দুর্গতি জনে                 করহ করুণা মনে
ত্রিভুবনে ঘুষুক-খেয়াতি।
শুনিয়া সাধুর মুখে                 শরণ লইলুঁ সুখে
উপেখিলে নাহি মোর গতি॥
জয় রাধে জয় কৃষ্ণ                জয় সখি সতৃষ্ণ
কৃষ্ণ কৃষ্ণ জয় জয় রাধে।
পদাম্বুজ শিরে ধরি             নরোত্তম ভূমে পড়ি
যাচে প্রভু পূর এই সাধ॥

ই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত, হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”,
১ম খণ্ড, ৩০৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

রাধাকৃষ্ণ নিবেদন এইজন করে। দোঁহ অতি রসময়, সকরুণ-হৃদয়, অবধান কর নাথ মোরে॥ হে কৃষ্ণ
গোকুলচন্দ্র, গোপীজন বল্লভ, হে কৃষ্ণ প্রেয়সী-শিরোমণি। হেম গৌরী শ্যাম-গায়, শ্রবণে পরশ পায়, গুণ শুনি
জুড়ায় পরাণী॥ অধম দুর্গতিজনে, কেবল করুণামনে, ত্রিভুবনে এ যশঃ খেয়াতি। শুনিয়া সাধুর মুখে, শরণ
লইনু সুখে, উপেখিলে নাহি মোর গতি॥ জয় রাধে জয় কৃষ্ণ, জয় জয় রাধে কৃষ্ণ, কৃষ্ণ কৃষ্ণ জয় জয় রাধে।
অঞ্জলি মস্তকে করি, নরোত্তম ভূমে পড়ি, কহে দোঁহে পূরাও মন সাধে॥

ই পদটি ১৯০২ সালে রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ১০১-পৃষ্ঠায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বিভাষ॥

রাধাকৃষ্ণ নিবেদন এই জন করে।
দোঁহ অতি রসময়,                  সকরুণ-হৃদয়,
অবধান কর নাথ মোরে॥
হে কৃষ্ণ গোকুল চন্দ্র,              গোপী-জন-বল্লভ,
হে কৃষ্ণ প্রেয়সী-শিরোমণি।
হেম গৌরী শ্যাম গায়,           শ্রবণে পরশ পায়,
গুণ শুনি জুড়ায় পরাণী॥
অধম দুর্গত জনে,              কেবল করুণা মনে,
ত্রিভুবনে এ যশঃ খেয়াতি।
শুনিয়া সাধুর মুখে,                শরণ লইলুঁ সুখে,
উপেখিলে নাহি মোর গতি॥
জয় রাধে জয় কৃষ্ণ,            জয় জয় রাধে কৃষ্ণ,
কৃষ্ণ কৃষ্ণ জয় জয় রাধে।
অঞ্জলি মস্তকে ধরি,            নরোত্তম ভূমে পড়ি,
কহে দোঁহে পূরাও মন সাধে॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”,
৩৯২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

রাধাকৃষ্ণ নিবেদন এইজন করে।
দোঁহ অতি রসময়,                  সকরুণ, হৃদয়,
অবধান কর নাথ মোরে॥
হে কৃষ্ণ গোকুলচন্দ্র,               গোপীজন বল্লভ,
হে কৃষ্ণপ্রেয়সী-শিরোমণি।
হেম গৌরী শ্যাম-গায়,              শ্রবণে পরশ পায়,
গুণ শুনি জুড়ায় পরাণী॥
অধম দুর্গতিজনে,                 কেবল করুণামনে,
ত্রিভুবনে এ যশঃ খেয়াতি।
শুনিয়া সাধুর মুখে,                 শরণ লইনু সুখে,
উপেখিলে নাহি মোর গতি॥
জয় রাধে জয় কৃষ্ণ,            জয় জয় রাধে কৃষ্ণ,
কৃষ্ণ কৃষ্ণ জয় জয় রাধে।
অঞ্জলি মস্তকে ধরি,            নরোত্তম ভূমে পড়ি,
কহে দোঁহে পূরাও মন সাধে॥

ই পদটি ১৯১৪ সালে সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য্য সম্পাদিত “নরোত্তম দাস” সংকলনের ৬৬-পৃষ্ঠায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বিভাষ॥

রাধাকৃষ্ণ নিবেদন এই জন করে।
দোঁহ অতি রসময়,                   সকরুণ-হৃদয়,
অবধান কর নাথ মোরে॥
হে কৃষ্ণ গোকুল-চন্দ্র,               গোপী-জন-বল্লভ,
হে কৃষ্ণ প্রেয়সী-শিরোমণি।
হেম গৌরী শ্যাম গায়,              শ্রবণে পরশ পায়,
গুণ শুনি জুড়ায় পরাণী॥
অধম দুর্গত জনে,                কেবল করুণা মনে,
ত্রিভুবনে এ যশঃ খেয়াতি।
শুনিয়া সাধুর মুখে,                  শরণ লইলুঁ সুখে,
উপেখিলে নাহি মোর গতি॥
জয় রাধে জয় কৃষ্ণ,              জয় জয় রাধে কৃষ্ণ,
কৃষ্ণ কৃষ্ণ জয় জয় রাধে।
অঞ্জলি মস্তকে ধরি,              নরোত্তম ভূমে পড়ি,
কহে দোঁহে পূরাও মন সাধে॥

ই পদটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত, কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,
”কীর্ত্তন-পদাবলী”, ৩০০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

রাধাকৃষ্ণ নিবেদন এই জন করে।
দোঁহ অতি রসময়,                  সকরুণ হৃদয়,
অবধান কর নাথ মোরে॥
হে কৃষ্ণ গোকুলচন্দ্র,               গোপীজন বল্লভ,
হে কৃষ্ণপ্রেয়সী শিরোমণি।
হেম গৌরী শ্যাম-গায়,              শ্রবণে পরশ পায়,
গুণ শুনি জুড়ায় পরাণী॥
অধম দুর্গতিজনে,               কেবল করুণা মনে,
ত্রিভুবনে এ যশঃ খেয়াতি।
শুনিয়া সাধুর মুখে,                  শরণ লইনু সুখে,
উপেখিলে নাহি মোর গতি॥
জয় রাধে জয় কৃষ্ণ,            জয় জয় রাধে কৃষ্ণ,
কৃষ্ণ কৃষ্ণ জয় জয় রাধে।
অঞ্জলি মস্তকে করি,             নরোত্তম ভূমে পড়ি,
কহে দোঁহে পূরাও মন সাধে॥

ই পদটি ১৯৩০ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী নিত্যস্বরূপ সম্পাদিত, “শ্রীহরি সাধক-কণ্ঠহার”,
১৭২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

প্রার্থনা।
সম্প্রার্থনাত্মিকা।

রাধাকৃষ্ণ! নিবেদন এই জন করে।
দোঁহ অতি রসময়,                  সকরুণ হৃদয়,
অবধান কর নাথ! মোরে॥
হে কৃষ্ণ গোকুলচন্দ্র!               গোপীজন-বল্লভ!
হে কৃষ্ণপ্রেয়সী-শিরোমণি!
হেমগৌরী শ্যাম-গায়,              শ্রবণে পরশ পায়,
গুণ শুনি জুড়ায় পরাণী॥
অধম দুর্গতিজনে,               কেবল করুণা মনে,
ত্রিভুবনে এ যশঃ খেয়াতি।
শুনিয়া সাধুর মুখে                 শরণ লইনু সুখে,
উপেখিলে নাহি মোর গতি॥
জয় রাধে! জয় কৃষ্ণ!        জয় জয় রাধে! কৃষ্ণ!
কৃষ্ণ! কৃষ্ণ! জয় জয় রাধে!
অঞ্জলি মস্তকে করি,           নরোত্তম ভূমে পড়ি,
কহে দোঁহে পূরাও মন সাধে॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন
”শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ৩৪৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বিভাষ॥

রাধাকৃষ্ণ নিবেদন এই জন করে।
দুহঁ অতি রসময়                        সকরুণ হৃদয়
অবধান কর নাথ মোরে॥ ধ্রু॥
হে কৃষ্ণ গোকুলচন্দ্র                     গোপীজনবল্লভ
হে কৃষ্ণ প্রেয়সী শিরোমণি।
হেম গোরী শ্যাম গায়ে              শ্রবণে পরশ পায়ে
গুণ শুনি জুড়ায় পরাণি॥
অধম দুর্গতজনে                     কেবল করুণমনে
ত্রিভুবনে এ যশ খেয়াতি।
শুনিয়া সাধুর মুখে                   পরাণ লইনু সুখে
উপেখিলে নাহি মোর গতি॥
জয় রাধে জয় কৃষ্ণ               জয় জয় রাধে কৃষ্ণ
কৃষ্ণ কৃষ্ণ জয় জয় রাধে।
অঞ্জলি মস্তকে ধরি                নরোত্তম ভূমে পড়ি
দোঁহে পূরাও মোর মন সাধে॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব পদাবলী”, ৫৫০-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

প্রার্থনা
॥ বিভাস॥

রাধাকৃষ্ণ নিবেদন এই জন করে।
দুঁহু অতি রসময়                       সকরুণ হৃদয়
অবধান কর নাথ মোরে॥ ধ্রু॥
হে কৃষ্ণ গোকুলচন্দ্র                    গোপীজনবল্লভ
হে কৃষ্ণ প্রেয়সী শিরোমণি।
হেম গোরী শ্যাম গায়ে              শ্রবণে পরশ পায়ে
গুণ শুনি জুড়ায় পরাণি॥
অধম দুর্গতজনে                    কেবল করুণমনে
ত্রিভুবনে এ যশ খেয়াতি।
শুনিয়া সাধুর মুখে                   শরণ লইনু সুখে
উপেখিলে নাহি মোর গতি॥
জয় রাধে জয় কৃষ্ণ               জয় জয় রাধে কৃষ্ণ
কৃষ্ণ কৃষ্ণ জয় জয় রাধে।
অঞ্জলি মস্তকে ধরি                নরোত্তম ভূমে পড়ি
দোঁহে পূরাও মোর মন সাধে॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন "বৈষ্ণব পদাবলী",
২৯৯-পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

রাধাকৃষ্ণ নিবেদন এই জন করে।
দুঁহু অতি রসময় সকরুণ হৃদয়
অবধান কর নাথ মোরে॥
হে কৃষ্ণ গোকুলচন্দ্র গোপীজনবল্লভ
হে কৃষ্ণ প্রেয়সী শিরোমণি।
হেম গোরী শ্যাম গায়ে শ্রবণে পরশ
পায়ে গুণ শুনি জুড়ায় পরাণি॥
অধম দুর্গতজনে কেবল করুণমনে
ত্রিভুবনে এ যশ খেয়াতি।
শুনিয়া সাধুর মুখে শরণ লইনু সুখে
উপেখিলে নাহি মোর গতি॥
জয় রাধে জয় কৃষ্ণ জয় জয় রাধে কৃষ্ণ
কৃষ্ণ কৃষ্ণ জয় জয় রাধে।
অঞ্জলি মস্তকে ধরি নরোত্তম ভূমে পড়ি
দোঁহে পূরাও মোর মন সাধে॥

.                 ***********               

.                                                                                  
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর