কবি কৃষ্ণা গুহর কবিতা
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
কবির কান্না
কবি কৃষ্ণা গুহ
মিলনসাগরে প্রকাশ ২১.৯.২০২৩।
মনের গর্ভে যখন কান্না জড় হয়,
তখন কি কবির কলমে প্রেম আসে !
বা যখন প্রাণে পরশ লাগে বসন্তের,
পল্লবিত হয় সুখ,
তখন কি কবির কলমে দুঃখ আসে?
না না।
কবি ও তো রক্তে মাংসে গড়া মানুষ !
তারও মান আছে মন আছে,
এই রঙ্গালয়ে অভিনয়ে ক্লান্ত সে।
তার নিজস্ব কল্পনার শাখা-প্রশাখার বিস্তারে বাঁধা।
যখন শমন আসে দুঃখের কবিতা লেখ কবি, প্রতিবাদী লেখ!!
বা ছবি দেখে লিখে দাও দু'কলি।
কবি অঝোরে কাঁদে তার কলম নিজস্বতা হারায়,
অনিচ্ছা সত্ত্বেও লিখতে হয় তাকে!!
মনে অস্ফুট গুঞ্জন, মুখে চাপা হাসি চোখের কোনে টলটল
অশ্রু নিয়ে কবি লিখে যায় ফরমাইশি কবিতা।
তাকে যে সেরার সেরা হতেই হবে !
গলায় উঠবে উত্তরীয়!
কপালে চন্দন,
তাকে ঘিরে তথাকথিত কবি সাহিত্যিকরা একদিন কাটাবে কোন রঙ্গমঞ্চে
হৈ হৈ করে কবিতায় গানে গানে।
*********************
কবি কৃষ্ণা গুহ
মিলনসাগরে প্রকাশ ২১.৯.২০২৩।
মনের গর্ভে যখন কান্না জড় হয়,
তখন কি কবির কলমে প্রেম আসে !
বা যখন প্রাণে পরশ লাগে বসন্তের,
পল্লবিত হয় সুখ,
তখন কি কবির কলমে দুঃখ আসে?
না না।
কবি ও তো রক্তে মাংসে গড়া মানুষ !
তারও মান আছে মন আছে,
এই রঙ্গালয়ে অভিনয়ে ক্লান্ত সে।
তার নিজস্ব কল্পনার শাখা-প্রশাখার বিস্তারে বাঁধা।
যখন শমন আসে দুঃখের কবিতা লেখ কবি, প্রতিবাদী লেখ!!
বা ছবি দেখে লিখে দাও দু'কলি।
কবি অঝোরে কাঁদে তার কলম নিজস্বতা হারায়,
অনিচ্ছা সত্ত্বেও লিখতে হয় তাকে!!
মনে অস্ফুট গুঞ্জন, মুখে চাপা হাসি চোখের কোনে টলটল
অশ্রু নিয়ে কবি লিখে যায় ফরমাইশি কবিতা।
তাকে যে সেরার সেরা হতেই হবে !
গলায় উঠবে উত্তরীয়!
কপালে চন্দন,
তাকে ঘিরে তথাকথিত কবি সাহিত্যিকরা একদিন কাটাবে কোন রঙ্গমঞ্চে
হৈ হৈ করে কবিতায় গানে গানে।
*********************
শব্দ চাষ
কবি কৃষ্ণা গুহ
মিলনসাগরে প্রকাশ ২১.৯.২০২৩।
শব্দ চাষের জমিতে শব্দবীজ আজ
হলো পল্লবিত কুসুমিত।
গলে যাওয়া অনুভূতির চাদরে টুকরো টুকরো স্মৃতিকথা !
নিরন্তর প্রয়াসে আজ কবিতার বাস্তবায়ন!
আনন্দে আবেশে হল সমাদৃত।
চিত্তে তুমুল উল্লাস
বাঁধন হারা মন আজ!
সোনালী খাতায় প্রেমের কবিতা
পথ চলুক, মালা গাঁথুক !!
একসাথে হোক উন্মুক্ত শব্দের দিগন্ত!!
উদাসী শব্দরা আনন্দে উল্লাসে হোক আত্মবিভোর।
*********************
কবি কৃষ্ণা গুহ
মিলনসাগরে প্রকাশ ২১.৯.২০২৩।
শব্দ চাষের জমিতে শব্দবীজ আজ
হলো পল্লবিত কুসুমিত।
গলে যাওয়া অনুভূতির চাদরে টুকরো টুকরো স্মৃতিকথা !
নিরন্তর প্রয়াসে আজ কবিতার বাস্তবায়ন!
আনন্দে আবেশে হল সমাদৃত।
চিত্তে তুমুল উল্লাস
বাঁধন হারা মন আজ!
সোনালী খাতায় প্রেমের কবিতা
পথ চলুক, মালা গাঁথুক !!
একসাথে হোক উন্মুক্ত শব্দের দিগন্ত!!
উদাসী শব্দরা আনন্দে উল্লাসে হোক আত্মবিভোর।
*********************
প্রেম স্পন্দন
কবি কৃষ্ণা গুহ
মিলনসাগরে প্রকাশ ২১.৯.২০২৩।
একদিন চেয়েছিলাম আমার আমিত্ব ছেড়ে তোমাতে বিলীন হতে!
হতে চেয়েছিলাম নিঃস্ব, তোমার আত্মিক বন্ধনে।
তুমি দাওনি ধরা !
এলে যেদিন আলো আঁধারিতে কেবল চরণ দুটি দেখেছি রাঙা।
গোলাপের গন্ধ যখন গায়ে মাখে অজান্তেই নিজেকে হারাই মধুর সুবাসে !!
প্রেমের স্পন্দনে হৃদয়ের সুখানুভূতি শরীর জুড়ে!
এক পা দু পা করে এগিয়ে গেলাম
হাত বাড়ালাম বোধের ঘরে।
বন্ধুর পথ ,আলোর তুফান ,স্বপ্নে বিভোর
দু নয়ন!!
চতুর্দিকে জ্বলে উঠলো প্রেমের আলো
মৃদুমন্দ বাতাসে ভালবাসায় ভরে উঠল মন!
হৃদ মাঝারে তুমি আছো অনুক্ষণ।
বেঁধেছো আমায়
প্রেমডোরে চলো ছুটে চলি প্রেম অভিসারে!!
ভাবনার ঘরে জ্বলে উঠলো চেতনা
প্রেমের ঘরে কোথায় শূন্যতা?
পৃথিবীর সমস্ত প্রেমের উৎস ভরে উঠুক অনাবিল ভালোবাসায়।
প্রেমের সঞ্জীবনী ঢালা পৃথিবী বিলাবে মধুর অমৃত বাণী অবলীলায়।
*********************
কবি কৃষ্ণা গুহ
মিলনসাগরে প্রকাশ ২১.৯.২০২৩।
একদিন চেয়েছিলাম আমার আমিত্ব ছেড়ে তোমাতে বিলীন হতে!
হতে চেয়েছিলাম নিঃস্ব, তোমার আত্মিক বন্ধনে।
তুমি দাওনি ধরা !
এলে যেদিন আলো আঁধারিতে কেবল চরণ দুটি দেখেছি রাঙা।
গোলাপের গন্ধ যখন গায়ে মাখে অজান্তেই নিজেকে হারাই মধুর সুবাসে !!
প্রেমের স্পন্দনে হৃদয়ের সুখানুভূতি শরীর জুড়ে!
এক পা দু পা করে এগিয়ে গেলাম
হাত বাড়ালাম বোধের ঘরে।
বন্ধুর পথ ,আলোর তুফান ,স্বপ্নে বিভোর
দু নয়ন!!
চতুর্দিকে জ্বলে উঠলো প্রেমের আলো
মৃদুমন্দ বাতাসে ভালবাসায় ভরে উঠল মন!
হৃদ মাঝারে তুমি আছো অনুক্ষণ।
বেঁধেছো আমায়
প্রেমডোরে চলো ছুটে চলি প্রেম অভিসারে!!
ভাবনার ঘরে জ্বলে উঠলো চেতনা
প্রেমের ঘরে কোথায় শূন্যতা?
পৃথিবীর সমস্ত প্রেমের উৎস ভরে উঠুক অনাবিল ভালোবাসায়।
প্রেমের সঞ্জীবনী ঢালা পৃথিবী বিলাবে মধুর অমৃত বাণী অবলীলায়।
*********************
আঁধার পেরিয়ে
কবি কৃষ্ণা গুহ
মিলনসাগরে প্রকাশ ২১.৯.২০২৩।
নিয়নের আলো মেখে মৌন মেয়েটি দাঁড়িয়েছে একা, শহরের রাস্তায়
সাঁঝ বেলায়!
আঁধার দীর্ঘ হয় ক্লান্ত পায়ে ফিরে যেতে হয়,
বিকোয় না শরীর!
ঘরময় ওষুধের গন্ধ অক্সিমিটার,থার্মোমিটার অক্সিজেন,খন্ডদিন
বন্দিত্ব যাপন।
দুচোখ ভরে মায়াবী স্বপ্ন,
কবে হবে রোগমুক্ত দিন?
স্মৃতির টুকরো ভেসে আসে মেঘে,
জুঁই বেল কামিনীর সুবাস'রা জেগে থাকে প্রাণে।
শহর ছুঁয়ে আছে মৌনতায়,অনন্ত জীবনের ছায়ায় মানুষ গড়ছে নিজস্ব ভুবন!!
রঙিন জ্যোৎস্নায় জ্বলে উঠবে কবে আলোর রোশনাই?
*********************
কবি কৃষ্ণা গুহ
মিলনসাগরে প্রকাশ ২১.৯.২০২৩।
নিয়নের আলো মেখে মৌন মেয়েটি দাঁড়িয়েছে একা, শহরের রাস্তায়
সাঁঝ বেলায়!
আঁধার দীর্ঘ হয় ক্লান্ত পায়ে ফিরে যেতে হয়,
বিকোয় না শরীর!
ঘরময় ওষুধের গন্ধ অক্সিমিটার,থার্মোমিটার অক্সিজেন,খন্ডদিন
বন্দিত্ব যাপন।
দুচোখ ভরে মায়াবী স্বপ্ন,
কবে হবে রোগমুক্ত দিন?
স্মৃতির টুকরো ভেসে আসে মেঘে,
জুঁই বেল কামিনীর সুবাস'রা জেগে থাকে প্রাণে।
শহর ছুঁয়ে আছে মৌনতায়,অনন্ত জীবনের ছায়ায় মানুষ গড়ছে নিজস্ব ভুবন!!
রঙিন জ্যোৎস্নায় জ্বলে উঠবে কবে আলোর রোশনাই?
*********************
যেতে চাই
কবি কৃষ্ণা গুহ
মিলনসাগরে প্রকাশ ২১.৯.২০২৩।
টিপ টিপ বৃষ্টিতে কিছু রোদ কিছু ছায়া !!
পাখিটা এসে বসলো পাতা ঝরা গাছটায়।
ভারী সুন্দর পাখি নাম না জানা
আমি মনের ঘরের জানালা খুলে, দাঁড়াই এসে পাখিটার পাশে।
আকাশে তখন অলস মেঘের ঘনঘটা!!
হঠাৎ দমকা হাওয়া, পাখিটা ডানা ঝাপটায়!
ওর পাখায় তো ওড়ার নেশা
আমি দ্রুতগতিতে হাঁটছি--- আমাকে কাঁপিয়ে দিচ্ছে বাতাস!!
মন উথাল পাথাল
কোন পথে যাব জানিনা।
যে বাতাস পাখিটার পাখনায় খেলা করে, আমার দুচোখ খোঁজে সেই নাম না জানা পাখি।
যে ব্যাপ্ত আকাশে পাখিটা উড়ে গেল, আমিও তো যেতে চাই সেখানে!
পড়ন্ত বিকেলে আলো আঁধারিতে রামধনু রং ডানায় মেখে
ফুড়ুৎ করে উড়ে যেতে!
*********************
কবি কৃষ্ণা গুহ
মিলনসাগরে প্রকাশ ২১.৯.২০২৩।
টিপ টিপ বৃষ্টিতে কিছু রোদ কিছু ছায়া !!
পাখিটা এসে বসলো পাতা ঝরা গাছটায়।
ভারী সুন্দর পাখি নাম না জানা
আমি মনের ঘরের জানালা খুলে, দাঁড়াই এসে পাখিটার পাশে।
আকাশে তখন অলস মেঘের ঘনঘটা!!
হঠাৎ দমকা হাওয়া, পাখিটা ডানা ঝাপটায়!
ওর পাখায় তো ওড়ার নেশা
আমি দ্রুতগতিতে হাঁটছি--- আমাকে কাঁপিয়ে দিচ্ছে বাতাস!!
মন উথাল পাথাল
কোন পথে যাব জানিনা।
যে বাতাস পাখিটার পাখনায় খেলা করে, আমার দুচোখ খোঁজে সেই নাম না জানা পাখি।
যে ব্যাপ্ত আকাশে পাখিটা উড়ে গেল, আমিও তো যেতে চাই সেখানে!
পড়ন্ত বিকেলে আলো আঁধারিতে রামধনু রং ডানায় মেখে
ফুড়ুৎ করে উড়ে যেতে!
*********************
ভারত মাতার নগ্ন ছবি
কবি কৃষ্ণা গুহ
মিলনসাগরে প্রকাশ ২১.৯.২০২৩। এই কবিতাটি মিলনসাগরের মণিপুর দাঙ্গার দেয়ালিকাতেও তোলা হয়েছে। সেই পাতায় গিয়ে এই কবিতাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন . . .।
আর কত সহ্য করবে নারী !!
এবার ধরো তরবারি।
আজ মনিপুর কাল মালদা
দিকে দিকে নগ্ন হচ্ছ তুমি!!
জ্বলছি আমি ,জ্বলছো তুমি ,
জ্বলছে সারা ভারতবর্ষ !!
যে ভারতবর্ষ স্বপ্ন দেখেছিল
"ভারত আবার জগত সভায় শ্রেষ্ঠ আসন লবে"
যে ভারতবর্ষ নেতাজীর
যে ভারতবর্ষ স্বামীজীর !!
আজ বিশ্ব দরবারে সেই ভারতের নগ্ন ছবি।
এ কেমন গণতন্ত্র ?
প্রশাসনের মুখে কুলুপ আঁটা!!
নগ্ন করেছে নারীর দেহ
এ কেমন হিংস্র বর্বরতা!!
উল্লাসে মেতেছে ধর্ষক পুরুষ
দুঃশাসন দুর্যোধনের অট্টহাসিতে কাঁপছে চিত্রাঙ্গদা অর্জুনের মনিপুর।
মনুষ্যত্ব বিকৃত আজ।
চিরকাল শুনে এসেছি
"বসন পর মা বসন পরো"
এবার নারী একজট হও !!
বলি বসন খোলো নারী বসন খোলো!!
সময় এসেছে প্রাগৈতিহাসিক যুগে ফিরে চলো।
উড়িয়ে কালো ধ্বজা,
এসো নগ্ন মিছিল করি !
গাছের ছালে গোপনাঙ্গ ঢাকি!
বিশ্ববাসী দেখুক ভারত মাতার নগ্ন ছবি।
*********************
কবি কৃষ্ণা গুহ
মিলনসাগরে প্রকাশ ২১.৯.২০২৩। এই কবিতাটি মিলনসাগরের মণিপুর দাঙ্গার দেয়ালিকাতেও তোলা হয়েছে। সেই পাতায় গিয়ে এই কবিতাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন . . .।
আর কত সহ্য করবে নারী !!
এবার ধরো তরবারি।
আজ মনিপুর কাল মালদা
দিকে দিকে নগ্ন হচ্ছ তুমি!!
জ্বলছি আমি ,জ্বলছো তুমি ,
জ্বলছে সারা ভারতবর্ষ !!
যে ভারতবর্ষ স্বপ্ন দেখেছিল
"ভারত আবার জগত সভায় শ্রেষ্ঠ আসন লবে"
যে ভারতবর্ষ নেতাজীর
যে ভারতবর্ষ স্বামীজীর !!
আজ বিশ্ব দরবারে সেই ভারতের নগ্ন ছবি।
এ কেমন গণতন্ত্র ?
প্রশাসনের মুখে কুলুপ আঁটা!!
নগ্ন করেছে নারীর দেহ
এ কেমন হিংস্র বর্বরতা!!
উল্লাসে মেতেছে ধর্ষক পুরুষ
দুঃশাসন দুর্যোধনের অট্টহাসিতে কাঁপছে চিত্রাঙ্গদা অর্জুনের মনিপুর।
মনুষ্যত্ব বিকৃত আজ।
চিরকাল শুনে এসেছি
"বসন পর মা বসন পরো"
এবার নারী একজট হও !!
বলি বসন খোলো নারী বসন খোলো!!
সময় এসেছে প্রাগৈতিহাসিক যুগে ফিরে চলো।
উড়িয়ে কালো ধ্বজা,
এসো নগ্ন মিছিল করি !
গাছের ছালে গোপনাঙ্গ ঢাকি!
বিশ্ববাসী দেখুক ভারত মাতার নগ্ন ছবি।
*********************
তোমার মতন হতে চাই
কবি কৃষ্ণা গুহ
মিলনসাগরে প্রকাশ ২১.৯.২০২৩।
জানো অমলকান্তি ,আমি আজও তোমায় খুঁজি!
ছাপাখানার অভ্যন্তরে তুমি আছো জানি ।
তোমার বন্ধুরা কে কি হতে চেয়েছিল সে নিয়ে আমার মাথা ব্যথা নেই,
একটা সময় আমিও আকাশ হতে চেয়েছিলাম।
আজ আমি তোমার মতন রোদ্দুর হতে চাই!
যখন চারিদিকে গভীর সঙ্কট ,ওষ্ঠাগত প্রাণ কোন বর্ষার জল ও শান্ত করেনি আমায় !
আমি চেয়ে থাকি রোদেলা দুপুরের উজ্জ্বল আকাশে,
চাইনা আমি নিথর নিশ্চুপ হয়ে থাকতে ! চাই রোদ্দুরে নিজেকে ঝলসে নিতে।
চাই তাপ আরো উত্তাপ রুদ্ধ বিবেক চাই না!
চাই গভীর আত্মবিশ্বাস।
আগুনে ঝাঁপ দিচ্ছে প্রতিনিয়ত কত মানুষ। নিজেকে পুড়িয়ে নেব তাপে উত্তাপে গভীর প্রত্যয়ে !
অমলকান্তি আমিও তোমার মতন রোদ্দুর হতে চাই।
নিজেকে ঝলসে নেব রুখে দাঁড়াবো
রোদ্দুর হয়ে সব অন্যায়ের বিরুদ্ধে।
রোদ্দুরের ঝলমলে আকাশেই হবে আমার বিদ্রোহ আমার প্রতিবাদ।
শব্দেরা জ্বলবে !!দামামা বাজবে !!
পড়ন্ত রোদের ঠোঁটে ক্ষুধার্তের আর্তনাদ ছবি আঁকবে।
রোদ্দুর তুমি আমার বিশ্বাস
তোমার আলোর বিকিরণ পরিপূর্ণ করবে আমায়।
দিয়েছ তুমি সেই আশ্বাস।
আমি ও তোমার মতন রোদ্দুর হতে চাই।
*********************
কবি কৃষ্ণা গুহ
মিলনসাগরে প্রকাশ ২১.৯.২০২৩।
জানো অমলকান্তি ,আমি আজও তোমায় খুঁজি!
ছাপাখানার অভ্যন্তরে তুমি আছো জানি ।
তোমার বন্ধুরা কে কি হতে চেয়েছিল সে নিয়ে আমার মাথা ব্যথা নেই,
একটা সময় আমিও আকাশ হতে চেয়েছিলাম।
আজ আমি তোমার মতন রোদ্দুর হতে চাই!
যখন চারিদিকে গভীর সঙ্কট ,ওষ্ঠাগত প্রাণ কোন বর্ষার জল ও শান্ত করেনি আমায় !
আমি চেয়ে থাকি রোদেলা দুপুরের উজ্জ্বল আকাশে,
চাইনা আমি নিথর নিশ্চুপ হয়ে থাকতে ! চাই রোদ্দুরে নিজেকে ঝলসে নিতে।
চাই তাপ আরো উত্তাপ রুদ্ধ বিবেক চাই না!
চাই গভীর আত্মবিশ্বাস।
আগুনে ঝাঁপ দিচ্ছে প্রতিনিয়ত কত মানুষ। নিজেকে পুড়িয়ে নেব তাপে উত্তাপে গভীর প্রত্যয়ে !
অমলকান্তি আমিও তোমার মতন রোদ্দুর হতে চাই।
নিজেকে ঝলসে নেব রুখে দাঁড়াবো
রোদ্দুর হয়ে সব অন্যায়ের বিরুদ্ধে।
রোদ্দুরের ঝলমলে আকাশেই হবে আমার বিদ্রোহ আমার প্রতিবাদ।
শব্দেরা জ্বলবে !!দামামা বাজবে !!
পড়ন্ত রোদের ঠোঁটে ক্ষুধার্তের আর্তনাদ ছবি আঁকবে।
রোদ্দুর তুমি আমার বিশ্বাস
তোমার আলোর বিকিরণ পরিপূর্ণ করবে আমায়।
দিয়েছ তুমি সেই আশ্বাস।
আমি ও তোমার মতন রোদ্দুর হতে চাই।
*********************
মনন স্নান
কবি কৃষ্ণা গুহ
মিলনসাগরে প্রকাশ ২১.৯.২০২৩।
শেষ বিকেল
রোদ দিয়েছে ডুব
স্তব্ধতা ভাঙে মেঘের গুরুম গুর।
সন্ধ্যার আলাপনে মেতে ওঠে ঝরা পাতা,
দূরে রেললাইনের ধারে দাঁড়িয়ে গণিকারা !
রাস্তায় অনাহারী শিশু
কাতরায়, জঠরে দাবানলে ক্ষুধার।
বাস্তবের কঠিন কসাঘাত !
মায়ের ফিরে আসা শরীর বিকোয় না আজ।
অসংগত জীবন
ক্ষত বিক্ষত চারিধার
তবুও শরীরে নিঃশব্দে ঘটে যায় মনন স্নান।
*********************
কবি কৃষ্ণা গুহ
মিলনসাগরে প্রকাশ ২১.৯.২০২৩।
শেষ বিকেল
রোদ দিয়েছে ডুব
স্তব্ধতা ভাঙে মেঘের গুরুম গুর।
সন্ধ্যার আলাপনে মেতে ওঠে ঝরা পাতা,
দূরে রেললাইনের ধারে দাঁড়িয়ে গণিকারা !
রাস্তায় অনাহারী শিশু
কাতরায়, জঠরে দাবানলে ক্ষুধার।
বাস্তবের কঠিন কসাঘাত !
মায়ের ফিরে আসা শরীর বিকোয় না আজ।
অসংগত জীবন
ক্ষত বিক্ষত চারিধার
তবুও শরীরে নিঃশব্দে ঘটে যায় মনন স্নান।
*********************
অনুভবের উঠোন
কবি কৃষ্ণা গুহ
মিলনসাগরে প্রকাশ ২১.৯.২০২৩।
আজন্ম একটা টান অনুভব করেছি!
কত দ্রুতগতিতে তোমার উঠোনে পৌঁছানো যায় তাই ভাবি।
লোকালয় হোক বা অরণ্য
কোন সীমাবদ্ধতা আর
আঁকড়ে ধরবে না !
দুপুরের নির্জনতা এখনো কুরে কুরে খায়,ফুরোয় না সময়!
কথা ছিল একটা মুক্ত আকাশ পেলে প্রেমের উৎস মূল ছোঁব।
লোকালয়ে আর নয় হৃদয়াশ্রমে বসবাস করবো দুজনে।
আনন্দ মধুর স্বপ্ন খুঁজবো জীবনের
ভেলায় ভেসে ভেসে!
বক্ররেখায় নয় তোমার আমার অভিসার হোক এক নতুন সরলরেখায় বুক বেঁধেছি আশায়।
*********************
কবি কৃষ্ণা গুহ
মিলনসাগরে প্রকাশ ২১.৯.২০২৩।
আজন্ম একটা টান অনুভব করেছি!
কত দ্রুতগতিতে তোমার উঠোনে পৌঁছানো যায় তাই ভাবি।
লোকালয় হোক বা অরণ্য
কোন সীমাবদ্ধতা আর
আঁকড়ে ধরবে না !
দুপুরের নির্জনতা এখনো কুরে কুরে খায়,ফুরোয় না সময়!
কথা ছিল একটা মুক্ত আকাশ পেলে প্রেমের উৎস মূল ছোঁব।
লোকালয়ে আর নয় হৃদয়াশ্রমে বসবাস করবো দুজনে।
আনন্দ মধুর স্বপ্ন খুঁজবো জীবনের
ভেলায় ভেসে ভেসে!
বক্ররেখায় নয় তোমার আমার অভিসার হোক এক নতুন সরলরেখায় বুক বেঁধেছি আশায়।
*********************
শ্রাবন ঝুলা
কবি কৃষ্ণা গুহ
মিলনসাগরে প্রকাশ ২১.৯.২০২৩।
একদিন আকাশ নীল থেকে শ্রাবণ এসে বৃষ্টিকে বলল, ফিরে চল বৃষ্টি,
মেঘ লোক ডাকছে আবার!
টিনের চালে বৃষ্টির টিপ টিপ !
কত বিষন্ন কবির কলম করেছে সজীব !!
আর যুগ যুগান্তরের মেঘ নাচছে দ্রিমিকা দ্রিমিকা দ্রিম।
জানালার কাঁচে শ্রাবণ আঁকছে ছবি !
বর্ষায় বসন্ত খোঁজে যুবক-যুবতী !
দোল খায় শ্রাবণ ঝুলায় ঝরে পড়ে ফুলরেনু
শরীর জুড়ে মাতাল তরঙ্গ শ্রাবণ ঝুলায় কে যেন বাজায় বেনু!
চঞ্চল হাওয়া ডেকে বলে আয় ফিরে আয়,-----
মেঘ চুঁইয়ে উঠবে রোদ্দুর এবার।
বলাকারা পাখনা মেলে যাবে উড়ে !
হাওয়ারা ভাসবে মেঘের ভেলায় শরৎ মেখে গায়ে।
*********************
কবি কৃষ্ণা গুহ
মিলনসাগরে প্রকাশ ২১.৯.২০২৩।
একদিন আকাশ নীল থেকে শ্রাবণ এসে বৃষ্টিকে বলল, ফিরে চল বৃষ্টি,
মেঘ লোক ডাকছে আবার!
টিনের চালে বৃষ্টির টিপ টিপ !
কত বিষন্ন কবির কলম করেছে সজীব !!
আর যুগ যুগান্তরের মেঘ নাচছে দ্রিমিকা দ্রিমিকা দ্রিম।
জানালার কাঁচে শ্রাবণ আঁকছে ছবি !
বর্ষায় বসন্ত খোঁজে যুবক-যুবতী !
দোল খায় শ্রাবণ ঝুলায় ঝরে পড়ে ফুলরেনু
শরীর জুড়ে মাতাল তরঙ্গ শ্রাবণ ঝুলায় কে যেন বাজায় বেনু!
চঞ্চল হাওয়া ডেকে বলে আয় ফিরে আয়,-----
মেঘ চুঁইয়ে উঠবে রোদ্দুর এবার।
বলাকারা পাখনা মেলে যাবে উড়ে !
হাওয়ারা ভাসবে মেঘের ভেলায় শরৎ মেখে গায়ে।
*********************
