.
মণিপুর দাঙ্গার দেয়ালিকা
এই পাতাটি পাশাপাশি, ডাইনে-বামে স্ক্রল করে!
This page scrolls sideways - Left <<<  >>> Right !
দেয়ালিকার শেষ প্রান্তে যেতে>>>
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
যে কোনো কবিতায় ক্লিক্ করলেই সেই কবিতাটি আপনার ব্রাওজারের ডান দিক ঘেঁষে ফুটে উঠবে
.
ভিডিও কবি আর্যতীর্থ, রচনা ২১.৭.২০২৩।

সাতাত্তর দিন পরে একটা ভিডিও দেখে সবাই জেগে উঠলেন।
রাজ্যের মুখ্য বললেন, ‘ছিঃ!’
রাজ্যের পালক বললেন ‘ সে কি!’
বিচারব্যবস্থা বললেন ‘ সুও মটো’
বিরোধীরা বললেন ‘ ধিক্কার’
দেশের প্রধান বললেন ‘ সব ধরা পড়বে’।
ব্যাস, অমনি একহাজার পুতুলের মধ্যে একজন গ্রেপ্তার হয়ে গেলো..
সাতাত্তর দিন যাকে গ্রেপ্তার করার প্রমাণ পাননি পুলিশ,
লহমায় আজ সে হাজতে।
ধ্বস্ত মানবীরা তাঁদের ধর্ষিত সম্মান নিয়ে ধুঁকে বাঁচছিলেন রিলিফ ক্যাম্পে,
নিহত ভাই, নিহত বাবার স্মৃতি বুকে আগলে।
তাঁদের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সাংবাদিকেরা,
তাঁদের কথা জানেন তথ্য অনুসন্ধান কমিটির সদস্যরা,
শুধু কেন জানি পুলিশই বয়ান নেওয়ার প্রয়োজন মনে করেননি।
সাতাত্তর দিন পরে, শেকলমুক্ত হয়ে অবশেষে তাঁরা চেঁচালেন ‘ হালুম!’
সুতরাং হে আমার সহনাগরিকগণ,
সর্বদা দেখে নেবেন আপনাদের মোবাইলের ব্যাটারিতে
যেন চার্জ থাকে।
যে কোনো দুর্ঘটনায়, যে কোনো আক্রমণে,
রাজনৈতিক বা ধর্মীয় অত্যাচারে
নিপীড়িত মানুষের কথা আর কেউ শুনতে চাননা,
তাঁরা প্রমাণ চান।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
.
মণিপুর দাঙ্গা নিয়ে কবিতার দেয়ালিকা
Poems on Manipur Riots
मणिपुर दंगा पर कविता
ভিডিও - আর্যতীর্থ
নির্লজ্জ - আর্যতীর্থ
সেই-বেলা-তো - আর্যতীর্থ
নিরামিষ - আর্যতীর্থ
ধৃত - আর্যতীর্থ
গণ কেটে স্বৈর - আর্যতীর্থ
দায়ী - আর্যতীর্থ
প্রশ্ন - সুতপা সেনগুপ্ত
কান্না? ছিলই - অরুণাচল দত্তচৌধুরী
আদালত ও একটি মেয়ে - অরুণাচল দত্তচৌধুরী
আমি মণিপুরের মা বলছি... - সুতপা ভট্টাচার্য চক্রবর্তী
একা হয়ে যাওয়া ধর্ষিতা - স্বপ্না ঘোষ
মনিপুরের আগুন মেয়ে - দেবেশ ঠাকুর
মণিপুর, ৪ঠা মে ২০২৩ - দেবীস্মিতা দেব
মহাভারতের কথা - বিপুল চক্রবর্তী
শিকারী ত্রিশূল - বিপুল চক্রবর্তী
মণিপুর সংহিতা - রাজেশ দত্ত
গোপন কথা, বলতে নেই - সুব্রত চক্রবর্তী (শ্যাম)
মনিপুরের মেয়ে বলছি--- - সুব্রত চক্রবর্তী (শ্যাম)
কবি আর্যতীর্থ
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .
কবির মূল সংগ্রহ . . .
কবির ফেসবুক পাতা . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ২৪.৭.২০২৩




দেশ এত ভালো আছে,
সেটাই নাকি কিছু মানুষের সহ্য হচ্ছে না।
আপনার কন্যার শ্লীলতাহানি বা ধর্ষণ হোক।
কিছু তো করতে পারবেন না,
তাই বাধা দেবেন না, ভিডিও করুন।
আপনার বাড়ি দুম করে কিছু দুষ্কৃতী হামলা করুক,
বুড়ো বাপের কপাল ফাটিয়ে দিক মেরে,
কলেজ পড়ুয়া ছেলেটাকে ছাদ থেকে ঠেলে ফেলে দিক,
টুঁ শব্দ করবেন না। ভিডিও করুন।
এমনকি আপনি নিজে খুন বা ধর্ষিত হলেও মোবাইলে সেই মুহুর্তের ভিডিও করতে
ভুলবেন না।
কেমন করে করবেন সেটা আপনার ব্যাপার, কিন্তু করুন।
তাহলে হয় তো সাতাত্তর দিন বা মাসের পরে
কেউ এসে আপনাকে বলবে ‘ আহা! কষ্ট হয়েছিলো খুব?,
এখনো কি ব্যথাট্যাথা আছে?’
এই চারটে নড়বড়ে থামের দেশে,
ভিডিও ছাড়া নাগরিকের হাতে অবলম্বন বেঁচে নেই আর।
অবশ্য সেটা বেশিদিনের জন্য নয়, এটাও আপনাদের জেনে রাখা দরকার।
‘শান্তি’ ভঙ্গের জন্য, শুনেছি নোটিস গেছে। ক্ষমা চেয়ে পেছোবেন ঠিক ট্যুইটার।
আর্যতীর্থ
.
নির্লজ্জ কবি আর্যতীর্থ, রচনা ২২.৭.২০২৩।


পুরুষতন্ত্রে পুরুষযন্ত্র পুজো করাটাই দস্তুর।
সাম্যের বোধ থেকে সে ধারণা মোটামুটি লাখ ক্রোশ দূর,
মাঝে মাঝে তবু ভিডিও ছড়ালে লজ্জা পায় সে ভারী,
হাজার পুরুষ সবার সামনে নগ্ন করেছে নারী..
আরে ধ্যাত্তেরি , তুমি কি ভাবছো লজ্জিত ধর্ষণে?
ওটা স্বাভাবিক , নারীই করায় যৌন আকর্ষণে,
লজ্জাটা হলো ভাইরাল হওয়া, সে যে কতখানি হীন,
সেটা যে জানালো পুরুষতন্ত্র তাকে দোষে রাতদিন।
বস্ত্রহরণ শিখে সে নিয়েছে মহাভারতের থেকে,
কাজেই খুঁজছে মহান ভারতে বিদুর রয়েছে কে কে।
ধরা পড়ে গিয়ে পুরুষতন্ত্র পুরুষযন্ত্র লুকিয়ে,
ভাবে আপাতত দিতে হবে কিছু লজ্জার দাম চুকিয়ে।
কাজেই ঘোষণা হয় বড় বড়, ‘ ধরবোই সব ব্যাটাকে’
ফাঁসি দেবো বলে হুংকার দিয়ে কেউ চলে যান অ্যাটাকে,
সকলেই জানে প্রমাণিত হলে তবু ফাঁসি এতে নৈব,
জামিনও জুটবে কিছুদিন পরে সহায় থাকলে দৈব,
পুরুষ পুলিশ , পুরুষ উকিল, যেদিকে দেখবে পুরুষই,
পুরুষযন্ত্র নারীর শরীরে চিহ্ন ফেলুক যা খুশি
পুরুষতন্ত্র বরাবরই তাকে ভাববে ভীষণ ফেলনা
মাতা নারী আর বারবধূ নারী , সবই পুরুষের খেলনা,
পুরুষ চাইলে নারীটি মহান, পুরুষ চাইলে নোংরা,
তকমা দেওয়ার অধিকারী সে যে , করবে কি নারী তোমরা?
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
কবি আর্যতীর্থ
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .
কবির মূল সংগ্রহ . . .
কবির ফেসবুক পাতা . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ২৪.৭.২০২৩




সুতরাং প্রায় আশি দিন পরে যত কেউ হোক গ্রেপ্তার
দেশ দেখবে না সংখ্যায় কমে দৈনিক ঘটা রেপ তার,
কারণ এখানে ব্রিজভূষণেরা পাবেই জামিন জলদি,
মালা পরে ফটো বাইরে বেরিয়ে , মাথায় তিলক হলদি,
যারাই দেখেছে তারাই বুঝেছে আসলে কী হয় কেসটা,
লুটে নিয়ে মজা মেয়েগুলো বলে ‘ শ্লীলতাহানির চেষ্টা’,
আরে বাবা এটা পুরুষধর্ম, যন্ত্র করবে ছোঁকছোঁক,
খামোখা যে কেন মেয়েগুলো সেই প্রেম দেখে ভাবে ধর্ষক!
ওদিকে আবার ‘ভালো’ ব্যবহারে বাবাজী বেরোন প্যারোলে,
না জানি ক’জন ওপরমহলে রয়েছেন তাঁর পে-রোলে,
ভাজা মাছ উনি উল্টে খান না, রাম রহিমের দিব্যি,
আহা ধর্ষিতা, কবে আর তোরা মানুষ চিনতে শিখবি,
ওনার স্পর্শে কত না ক্ষমতা, তোদের নালিশে দম কম,
কেন ধর্ষণ বলে ভাবছিস দেবতার সাথে সঙ্গম,
ওই দেখ আজ বাবাজীর কাছে হাজির হোমরা-চোমড়া,
ওঁর কাছে আছে ভোটে জেতাবার ঈপ্সিত প্রাণ-ভোমরা।
পুরুষতন্ত্র পুরুষযন্ত্র ভারী পবিত্র মানে ,
মাঝে মাঝে শুধু ভাইরাল কোনো খবর ঢুকলে কানে,
লজ্জা ঢাকতে দুই একখানা মোরগাকে ধরে আনে।
সুপ্রিম কোর্ট ঘুরে ঘুরে থকা বিলকিস সেটা জানে।
আর্যতীর্থ
.
প্রশ্ন
কবি সুতপা সেনগুপ্ত, রচনা ২৪.৭.২০২৩।



মণিপুরের ইম্ফালে
কাংলা ফোর্ট দেখে মুগ্ধ হয়েছিলাম।
এক মণিপুরী কবি বলেছিলেন,
ভেঙে গুঁড়িয়ে দিতে ইচ্ছে করে..
জানেন, আমাদের প্রমাতামহী প্রপিতামহীরা ওই দুর্গে কাজ করতে বাধ্য হতো।
রাজা আর তার আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য রান্না, তাদের খাবার সার্ভ করা।
এবং সবই সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে।
তারপর থেকে কাংলা ফোর্ট ভাবলেই দেখতে পাই সে-দৃশ্য
আর গা শিউরে ওঠে।
আজ আবারও তো তাই।
শুধু তা দুর্গের ভেতরে নয়,
প্রাকারের বাইরে,
পরিখারও এপাশে।
প্রতিবাদে কী ভাঙব আজ?
কী ভেঙে গুঁড়িয়ে দেব?
নিজেদের?
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
কবি সুতপা সেনগুপ্ত
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .
কবির ফেসবুক পাতা . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ২৪.৭.২০২৩
.
কান্না? ছিলই।
কবি অরুণাচল দত্ত চৌধুরী, রচনা ২২.৭.২০২৩।



কান্না? ছিলই। কী ছিল সুর? কী ছিল তার তাল?
নিকেশ যখন করেছিলাম নিয়েনডার্থাল।
মেয়েগুলোই কাঁদছিল কি? ওরাই সহজ শিকার।
সভ্যতার এই ইতিহাসটা কোরো না অস্বীকার।
দুমড়ে দিয়ে মুচড়ে দিয়ে কাপড়ও নিই কেড়ে।
লক্ষ্য রাখি একটা মেয়েও যেন না যায় বেড়ে।
লজ্জা ডোবাই লোহার ফলায়, মজ্জা অপমানে।
সেই মেয়েটা ডুবতে ডুবতে ভোলে বাঁচার মানে।
বীরত্বটা প্রকাশ্য হয়, ন্যাংটো মেয়ে হাঁটে।
হোঁচট খেয়ে লুটিয়ে পড়ে রাষ্ট্রের চৌকাঠে।
রক্ত দিয়ে সুরুয়া হয়, মাংসতে কোর্মা।
সেই মেয়েটা চেঁচিয়ে বলে, আমি যে তোর মা।
প্রাকইতিহাস পেরিয়ে এসব একবিংশের কথা...
মহান গণতন্ত্রে এখন ঝিকোচ্ছে সভ্যতা।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
কবি অরুণাচল দত্তচৌধুরী
মিলনসাগরে কবির কবিতা . . .
কবির ফেসবুক পাতা . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ২৪.৭.২০২৩
.
আদালত ও একটি মেয়ে
কবি অরুণাচল দত্ত চৌধুরী, রচনা ২২.৭.২০২৩।

ত্যাগ করেছি লজ্জাভূষণ, জবাব দেব পাঁজর খুলে
যা জানতে চান প্রশ্ন করুন ... মহামান্য ধর্মাবতার ...
প্রতিরোধের চিহ্ন সকল, সব দেখাব আঁচল তুলে।
হিসেব দেব অন্ধকারটা কেমন আমায় খাচ্ছিল, তার!

আমি শুধুই একটা শরীর, আমার কোনও মন ছিল না
নানান ধারা উপধারায় একটাই কাজ বিচারসভার,
আজকে মেয়ের চরিত্রতে কালির ফোঁটার সংখ্যা গোনা
প্রশ্ন দিয়ে ছিঁড়বে শরীর! নতুন করে ছিঁড়বে ?... ক’বার?

দেরি হচ্ছে। হোক না দেরি। আমি তাতেও রাজিই আছি।
অন্ধ কুরুপতির সামনে ছিন্ন মেয়ে দাঁড়িয়ে থাকি।
যুগের পরে যুগ চলে যায় ... ক্ষতস্থানে উড়ছে মাছি।
এই বেহায়া বিচারসভায় তাড়া থাকলে চলবে নাকি?

আদিবাসীর তুচ্ছ জীবন... গড়ায় যেন পাথর নুড়ি।
মণিপুরের পাহাড় চিরলে নিকেল প্লাটিনামের খনি
হিসেব কাজেই বড্ড সরল, জল জঙ্গল পাহাড় চুরি।
মণিপুরের কন্যা ছিঁড়লে রক্ত মাংস এবং যোনি।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
কবি অরুণাচল দত্ত চৌধুরী
মিলনসাগরে কবির কবিতা . . .
কবির ফেসবুক পাতা . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ২৪.৭.২০২৩




আমার বস্ত্র কাড়লে তুমি আগুন জ্বলা পাহাড় বনে।
তোমার অঙ্গে স্বর্ণসুতো... গন্ধ ঢাকতে প্রবল ডিও।
পালিয়ে যাচ্ছি। হায়না পুরুষ নখ বেঁধাচ্ছো শরীর স্তনে।
প্রমাণ চাইছ? এই যে হুজুর। আমায় ছেঁড়ার সেই ভিডিও।

হাঁটছি আমরা নগ্ন মেয়ে। স্বপ্ন ভাবছ?। না বাস্তবই!
একুশ শতক পৌঁছিয়ে আজ, সেই কথাটাই বুঝছি খালি,
খবর শুনেও ঘুম ভাঙেনি, দেখতে পাওনি আমার ছবি...
তোমাদের এই বিচার সভা, আগের মতই পুরুষালি!
.
একা হয়ে যাওয়া ধর্ষিতা
কবি স্বপ্না ঘোষ, রচনা ২২.৭.২০২৩।



অশিক্ষা কুশিক্ষায় ভরা দেশে নারী নির্যাতন, ধর্ষণ
হবে না তাও কি হয় নাকি!
একটি ধর্ষণ,
অসহায় সাধারণ নাগরিকের অনেক প্রতিবাদ,
শেষাশেষি রাজনীতির চতুর ঘুঁটি চালাচালি।
নাটক শেষ হয়
বুদ্ধিমান রাজনীতি যে যার সুখী গৃহকোণে
ফিরে যায়,
যন্ত্রণায় রক্তাক্ত অন্ধকার, ছুঁয়ে থাকে
অন্তরে একা হয়ে যাওয়া ধর্ষিতাকে।
স্বপ্না ঘোষ
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
কবি স্বপ্না ঘোষ
মিলনসাগরে কবির কবিতা . . .
কবির ফেসবুক পাতা . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ২৪.৭.২০২৩
.
মনিপুরের আগুন মেয়ে
দেবেশ ঠাকুর, রচনা ২২.৭.২০২৩।

মণিপুরের মেয়ে আমার, মণিপুরের মা
যেখানে তুই রেখেছিস তোর পা
সেখানে তোর ঘরও বাড়ি
সেখানে তোর দেশ,
সেখানে তোর উলঙ্গতা
রাষ্ট্রের রাজবেশ।
জ্বলে যাচ্ছে পুড়ে যাচ্ছে
একটা মানবভূমি
নির্বিকল্প সমাধিতে স্বদেশ আমার,
হিরণ্ময় এক নীরবতায়
ঘুমিয়ে আছ তুমি!
এ কার রাষ্ট্র, এ কার সংবিধান
সারা একটা রাজ্য যখন করছে অগ্নিস্নান
তখন আমরা জলসা করি ,
মহোৎসবের নামে ভুয়ো নির্বাচনে
যুথবদ্ধ হওয়ার জন্য
ছুরি লুকিয়ে হাতের মধ্যে লোভের মনন
খোলসা করি।
পুকুর ঘেঁটে মাছ ধরতে ফলসা ধরি।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
কবি দেবেশ ঠাকুর
মিলনসাগরে কবির কবিতা . . .
কবির ফেসবুক পাতা . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ২৪.৭.২০২৩




হায়রে স্বদেশ বিপন্নতায়
মণিপুরের মাটি থেকে কুড়োচ্ছি ছাই।
নগ্ন যাদের পুত্রবধূ
নগ্ন যাদের জননীরা
নগ্ন যাদের আত্মজারা
পাঞ্চালিকে বস্ত্র জোগায় জন্মভূমি?
চিত্রাঙ্গদা লিখেছে যে অশ্ববাহন বা সাতকাহন
প্রতিশোধের জন্যে তখন ধার দিচ্ছে
তূণীর ভল্ল তোমর ও তির
বব্রুবাহন।
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
কবি দেবীস্মিতা দেব
কবির ফেসবুক পাতা . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ২৪.৭.২০২৩
.




.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
দুষ্টকবি
মিলনসাগরে কবির কবিতা . . .
কবির ফেসবুক পাতা . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ২৪.৭.২০২৩
.








.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
কবি বিপুল চক্রবর্তী
মিলনসাগরে কবির কবিতা . . .
কবির ফেসবুক পাতা . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ২৪.৭.২০২৩
.








.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
कवि फ़ैज़ अहमद फ़ैज़
मिलनसागर में कवि का पन्ना . . .
हमें इस कविता को
सुसंस्कृति परिहार फेसबुक से मिला . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ২৪.৭.২০২৩
The Parade - Ningreichon

जिस देश में माओं बहनों को - फ़ैज़ अहमद फ़ैज़
बिकनी पहनी एक्ट्रेस, जिनको नहिं स्वीकार - अखिल कविराय
मणिपुर में कुछ हुआ नहिं, व्यर्थ मचाया शोर - अखिल कविराय
आँसू तो निकले मगर, कर दी भारी देर - अखिल कविराय
ब्रजभूषण जब पा गए, आज कोर्ट से बेल - अखिल कविराय
दो महिने से लगी थी, मणिपुर में जो आग - अखिल कविराय
लगे डबल इंजिन मगर, फेल हुई सरकार - अखिल कविराय
मणिपुर एक नज्म - गौहर रज़ा
क्यों नही हो रही लहुलुहान मणिपुर की बात? - मुनेश त्यागी
नौंच लो जिस्म - गंगाचरण मिश्र
सुना था - गंगाचरण मिश्र

মণিপুর চলো - দিশারী মুখোপাধ্যায়
ডাবল ইঞ্জিন - প্রসূন ভৌমিক
কুমিরের_কান্না - তৈবুর রহমান
আমি ঈশ্বরের দূত - বিশ্বজিৎ চ্যাটার্জী
.








.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
Poet Ningreichon
We got this poem from the
Facebook wall of
Shahid Akhtar  . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ২৪.৭.২০২৩
<<<এই দেয়ালিকার
<<< শুরুতে ফিরতে
.
.
.

रचना 22.7.2023


बिकनी पहनी एक्ट्रेस, जिनको नहिं स्वीकार ;
मणिपुर के अब दृश्य लख, चुप बैठे इस बार।
चुप बैठे इस बार, कोई भी मुँह नहिं खोला ;
आत्मा दी क्या बेच? पहन कर पार्टी चोला।
कहें ' अखिल ' कविराय, पूजते ऐसे नारी?
डूब मरो बेशर्म, अगर ज्यादा लाचारी।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
कवि अखिल कविराय
वि का फेसबुक . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ২৪.৭.২০২৩
.

रचना 21.7.2023


मणिपुर में कुछ हुआ नहिं, व्यर्थ मचाया शोर ;
अमन चैन है वहाँ पर, खुशी दिखे चहुँओर।
खुशी दिखे चहुँओर, अगर है कोई गड़बड़ ;
दो हैं ऐसे राज्य, एक तो है छत्तीसगढ़।
कहें ' अखिल ' कविराय, दूसरा अब पहचाना ;
राजस्थान है नर्क, आप बोले तो जाना।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
कवि अखिल कविराय
वि का फेसबुक . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ২৪.৭.২০২৩
.

रचना 21.7.2023


आँसू तो निकले मगर, कर दी भारी देर ;
हिंसा का तांडव हुआ, रही द्रोपदी टेर।
रही द्रोपदी टेर, नहीं सुध लेने भागे ;
लुट गई इज्जत , तभी, आप निद्रा से जागे।
कहें ' अखिल ' कविराय, गनीमत, यह नहिं बोले ;
हुआ न कोई रेप, शांति की लहर है डोले।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
कवि अखिल कविराय
वि का फेसबुक . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ২৪.৭.২০২৩
.

रचना 20.7.2023


ब्रजभूषण जब पा गए, आज कोर्ट से बेल ;
मणिपुर का भी होयगा, अभियोजन यों फेल।
अभियोजन यों फेल, पूजते ये हैं नारी ;
पर आरोपी देख, चलाते ये हैं आरी।
कहें ' अखिल ' कविराय, चले बुलडोजर ऐसे ;
नहीं विरोधी बचे, फँसे नहिं अपना वैसे।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
कवि अखिल कविराय
वि का फेसबुक . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ২৪.৭.২০২৩
.

रचना 20.7.2023


दो महिने से लगी थी, मणिपुर में जो आग ;
हिंसा पर काबू नहीं, मानवता पर दाग।
मानवता पर दाग, करी जब महिला नंगी ;
हुआ वहाँ दुष्कर्म, हुई थू थू जब जंगी।
कहें ' अखिल ' कविराय, साब जी मुँह हैं खोले ;
तुलना राजस्थान, और छत्तीसगढ़ तोले।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
कवि अखिल कविराय
वि का फेसबुक . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ২৪.৭.২০২৩
.

रचना 20.7.2023


लगे डबल इंजिन मगर, फेल हुई सरकार ;
मॉडल यह गुजरात का? शासन है लाचार।
शासन है लाचार, हो रही हिंसा भारी ;
दिल्ली है ध्रतराष्ट  ,सुरक्षित नहीं है नारी  ।
कहें ' अखिल ' कविराय, एक जो सब पर भारी ;
मौन न टूटा हाय, अरे क्या हिम्मत हारी?
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
कवि अखिल कविराय
वि का फेसबुक . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ২৪.৭.২০২৩
.
ডাবল ইঞ্জিন
কবি প্রসূন ভৌমিক, রচনা ২৪.৭.২০২৩।


গণতান্ত্রিকতা লেখা বাণী
পরাধীন দেশ, দ্বেষে চুর
ধর্ম জ্বলে, বাণিজ্যে মাদারি
মনুস্মৃতি জপে নাগপুর
হংসরথে রাজার ভ্রমণ
ট্যাক্সের টাকায় তার ট্যুর
বর্গীমুখে দেবতা মুখোশ
রাজা সাজে রামের পুত্তুর
ধর্ষিতাকে মিছিলে হাঁটিয়ে
ছক কষে দাঙ্গা, ভাংচুর
পিশাচ শাসিত নগ্ন দেশ
দাউদাউ জ্বলছে মণিপুর
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
কবি প্রসূন ভৌমিক
মিলনসাগরে কবির কবিতা . . .
কবির ফেসবুক পাতা . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ২৪.৭.২০২৩
এই দেয়ালিকার ব্যাকগ্রাউণ্ড ছবিটি ২০-২২ জুলাই ২০২৩ এ মিলন সেনগুপ্তর আঁকা।
Backdrop Artist - Milan
.
মণিপুর চলো
কবি দিশারী মুখোপাধ্যায়, রচনা ২৪.৭.২০২৩।



রাগ, লজ্জা, ক্রোধ - পরপর তিনজন এল ;
অথবা যেন বিবর্তিত হয়েছে ক্রমে ক্রমে।
আয়োজিত অন্ধকারে ভয় এসেছিল
হত্যার অভিসন্ধি নিয়ে। প্রকৃতির নির্বাচনে তবু
ক্রমে তারা স্পর্ধিত হল।
দুর্বার জেদ তৈরি হল ডোপামিন দিয়ে।
মেরুদণ্ড দৃঢ় হল, ঋজু হল
জেদের অভয়ে।
এইবার যাবে তারা অধর্মের ডিভাইসে,
ফেটে পড়তে মহাবিস্ফোরণে।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
কবি দিশারী মুখোপাধ্যায়
মিলনসাগরে কবির কবিতা . . .
কবির ফেসবুক পাতা . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ২৪.৭.২০২৩
.
আমি মণিপুরের মা বলছি...  

জ্বলছে মনিপুর।
জ্বলছে শহর , নগর
গ্রাম ও জনপদ।  
মায়েদের কান্নায়
ভরে যাচ্ছে
আকাশ বাতাস।
উত্তেজিত জনতা  
সন্ধ্যা আগুন
কয়েকটি পোড়া হাড় ছাড়া
আর কিছু পায়নি।

একজন মায়ের কাছে
যখন এই খবর পৌঁছয়
তখন এটা একটা
সাধারণ খবর মাত্র থাকে না।  
ওই আগুনে জ্বলে যাওয়া মা তখন
সারা দেশের মা হয়ে যায়।

একদিকে সচেতন সমাজ যখন বলছে
ফ্যাসিবাদকে না রুখতে পারলে
গোটা দেশ  মণিপুরের মতো জ্বলবে।
তখন  এই বাক্যবন্ধের দিকে
তাকিয়ে থাকে গোটা দেশটা।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
কবি সুতপা ভট্টাচার্য চক্রবর্তী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .
কবির ফেসবুক পাতা . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ২৪.৭.২০২৩




ছবিটা নাড়িয়ে দিয়েছে পুরো বিশ্বকে।
একটা মনিপুরকে  এই দুনিয়ার মানুষ চিনত.... সেনার বিরুদ্ধে নগ্ন
হয়ে সেদিন প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছিলেন মণিপুরের মা-মেয়েরা...
সতের বছর কেটে গেছে আজও বদলায়নি চিত্রটা... কিন্তু আজ যে
মনিপুরকে দেখা যাচ্ছে
সেই মনিপুরকে তো ...


ইম্ফলের কাঙ্গলা দুর্গের  সামনে
সেদিন নগ্ন হয়ে হেঁটেছিলেন মহিলারা।
বত্রিশ  বছর বয়সী মনোরম থাঞ্জামকে
ধর্ষণ করে খুনের প্রতিবাদে।
তাদের সামনে একটি কাপড়ে
লাল কালিতে লেখা ছিল
‘ইন্ডিয়ান আর্মি রেপ আস’।

আসলে মনিপুরের মায়েরা
কান্না ছাড়া আর কিছুই জানত না।
তাঁরা প্রতিবাদ শিখেছিল
আফস্পার বিরুদ্ধে
লড়াই করতে করতে।  






আজ সেই মনিপুর নিজেরাই
পরস্পরের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মত্ত।  
ফ্যাসিবাদ এভাবেই সংগ্রামকে ভেঙে দেয়।  
ভাঙা লড়াইয়ের ময়দানে তখন কান্না ছাড়া
আর কিছুই অবশিষ্ট থাকে না
একজন মায়ের...

একজন মা বলছি
আসুন আমরা সব্বাই
একেকজন মনিপুরের মা হয়ে যাই।  
মনিপুরের মায়েদের লড়াইটা
আসলে শেষ হয়ে যায়নি।
লড়াই চলছে,
তবে লড়াইয়ের ধরনটা
পালটে গিয়েছে।

॥ কবি সুতপা ভট্টাচার্য চক্রবর্তী॥
.
কুমিরের_কান্না
কবি তৈবুর রহমান, রচনা - ২৪.৭.২০২৩।

সাবধান !!
কুমির কাঁদছে!!
কুমিরের চোখে অশ্রু থাকে না॥
থাকেনা তার চোখে জলের ধারা॥
কুমির চতুর,, ভয়ংকর,, শিকারি,,  তার চক্ষু দিয়ে বাস্প নিসৃত হয়ে চলেছে,
লাল লাল চোখ হতে নিসৃত হয়ে চলেছে---
বর্ণহীন, স্বাদহীন, অত্যন্ত দুষিত এবং দুর্গন্ধযুক্ত বিষাক্ত বাস্প॥
সাবধান!!
দুষিত দূর্গন্ধযুক্ত বারিধারা দেখে ভুল করে ফেলবেন না॥
ভূলেও ভাবলে চলবে না - কুমির কান্না করে চলেছে॥
কুমিরের এই মায়াকান্না ভীষণ অশুভ॥
কান্নার পিছনে গভীর কোনো ষড়যন্ত্র লুকিয়ে রয়েছে॥
নয়তো, কুমির এমনি এমনি কাঁদে না॥
সাধু, সাবধান!!
সাধাসিধে মানুষ কুমিরের কান্না দেখে বিগলিত হয়ে পড়ে॥
তারপর, সরল মানুষগুলো শিকারে পরিণত হয়॥
শিকারের মস্তিস্কের মধ্যে কুমির লাগাতার আঘাত হানতে থাকে॥
মস্তিষ্ক হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়ে॥
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
কবি তৈবুর রহমান
কবির ফেসবুক পাতা . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ২৫.৭.২০২৩





তারপর.....
কুমির অতি সহজেই শিকার ধরে নিজের বাসায় ফিরে গিয়ে থাকে॥
কুমির.....
লিপ্সার বজ্রকঠিন দাঁত বের করে,,
লালসার লকলকে জিহ্বা হতে লালা ঝরিয়ে চলেছে॥
রক্তজবার মতো লাল হয়ে পড়েছে তার মুখ।।
চোখ দিয়ে গলগল করে বেরিয়ে আসছে বিষাক্ত বাস্প।।
যে দূষিত এবং দুর্গন্ধযুক্ত বাস্প দেখে "#কুমিরের_কান্না" বলে মনে হতে পারে॥
ভুললে চলবে না,
কুমিরের মায়াকান্না দেখে বিগলিত হলে হবে না॥
কুমিরের কান্না অত্যন্ত অশুভ, বিপজ্জনকও বটে॥
সুতরাং, সাবধান!!
নইলে রাজ্যের পর রাজ্য, গোটা দেশ কোনো এক সময় গ্যাস-চেম্বারে পরিণত হয়ে যেতে পারে॥
কারণ, কুমিরের কান্না আসলে কান্না নয়॥
সেটা নিশ্চিত কোনো অভিনয়, অথবা, কোনো ছলচাতুরি হতে পারে॥
মনে রাখবেন, কুমিরের কান্না অশুভ, অকল্যাণ-কর, বিপজ্জনকও বটে॥
সাবধান!!
.
সেই-বেলা-তো কবি আর্যতীর্থ, রচনা ২৫.৭.২০২৩।


সেই-বেলা-তো বলিসনি তুই, এই বেলাতে মুখ খুলিস,
আমার হলে ডাকিস পুলিশ, ওদের বেলায় আব্বুলিস?
সেই-বেলা-তো মুখ ঘুরিয়ে দিব্যি ছিলি কুলুপ-ঠোঁট
আমার দলের একই কাজে  বানাস কেন হুজুগ-জোট?
খারাপ কাজের অভিযোগে কেউ যদি হয় কাবুই বেশ
নেই পরোয়া থাকলে সাথে সেই-বেলা-তো’র সুঅভ্যেস।
যেই দেখা যায়  কুকাজগুলোর সব হোতারা লোক তারই
অমনি চালু হাজার ট্রোলের হোয়াটঅ্যাবাউটারি।
সেই-বেলা-তো সব প্রতীকে , ধর্ম দেশ আর জাতপাতে,
নষ্ট কাজের ব্যাখ্যা দিতে ফালতু কথার ফাঁদ পাতে।
সব বেঠিকেই এক কথা তার, দল দোষী তার নয় আদৌ,
সেই-বেলা-তো সক্কলে চুপ, করলো যখন অন্য কেউ।
সেই-বেলা-তো কবি নীরব, অমুক যখন রেপ আর খুন,
ধর্ষক যেই আমার দলের অমনি কলম-নিব আগুন।
অমুক ধর্ম করলো কোতল , সেই-বেলা-তো দিব্যি মাফ,
আমার ধর্মে পিছলালে পা, আস্তিনে ফোঁস কেউটে সাপ।
ভালো কাজে সেই-বেলা-তো কক্ষনো তিল দেয় না মত
হাজার রকম  অপরাধের লিস্টি ভরা তার জগৎ।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
কবি আর্যতীর্থ
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .
কবির মূল সংগ্রহ . . .
কবির ফেসবুক পাতা . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ২৫.৭.২০২৩





সমস্ত পাপ অন্য লোকের, নিজের দলের একটি না,
অকাট্য সব প্রমাণ পেলেও প্রশ্ন শানায় ফেক কিনা।
সেই-বেলা-তো সারাজীবন চলবে বাকির ভুল খুঁজে
দোষ দেখালেই অমনি দেবে হোয়াট-অ্যাবাউট হুল গুঁজে।
নিজের দলের কুকর্মতে করবে না সে দায়-স্বীকার,
সেই-বেলা-তো কেউ বলোনি, সেটাই হবে যুক্তি তার।
মনিপুর আর মালদা-তে তাই সেই-বেলা-তো নির্বিকার,
খারাপগুলো বাড়ছে দেশে চারদিকে বেশ নির্বিচার।
আর্যতীর্থ
.
মণিপুর সংহিতা
কবি রাজেশ দত্ত, রচনা ২৫.৭.২০২৩।
কবিকণ্ঠে কবিতাটির আবৃত্তি শুনুন >>>

নামে যারা মেইতেই,
রাজার সেপাই সেই,
রাষ্ট্রের পোষা শত নাগিনী।
জাতিদাঙ্গার ছলে
বিদ্বেষ বিষ ঢালে,
হিংসার আগুন জ্বালে,
ধর্ষিতা হয় কুকি রমণী।

প্রকৃতি সম্পদে ভরা,
বিপুল ঐশ্বর্যে গড়া
ভূমির সন্তান ওরা
আদিবাসী কুকি জাতি জন।
বণিক ছদ্মবেশে
লোভী দস্যুরা আসে,
দানবিক আগ্রাসে
লুটে নিতে চায় সেই ধন।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
কবি রাজেশ দত্ত
মিলনসাগরে কবির কবিতা . . .
কবির ফেসবুক পাতা . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ২৫.৭.২০২৩
বণিকের সেবাদাস
রাষ্ট্রের সন্ত্রাস
করছে সর্বনাশ ---
খুন, ধর্ষণ, রাহাজানি।
কুকিদের ভূমিছাড়া
করার চক্রান্তে ওরা
বানিয়েছে ভাড়া করা
মেইতেই জঙ্গীবাহিনী।

হে ভারত, জোট বেঁধে
প্রতিবাদে প্রতিরোধে
কুকি মায়ের জন্য কেঁদে
দাঁড়াও ওই মানহারা মানবীর পাশে।
রাষ্ট্রের বর্বরতা
ঘৃণায় খর্ব করো তা,
দাও বিদ্রোহের বারতা
রণসাজে চিত্রাঙ্গদা বেশে।
.
নিরামিষ
কবি আর্যতীর্থ, রচনা ২৬.৭.২০২৩।


‘দেখলি মালদার ব্যাপারটা ?
‘হ্যাঁ রে! এখনো গায়ে দিচ্ছে কাঁটা, মনিপুরের পর পরই!
কাকে ছেড়ে কাকে ধরি, ভাব,  আমাদের রাজ্যেই!
আইন তো কেউ আনছেই না গ্রাহ্যে, কোন কনট্রোলই নেই!’
‘দেখলি মানে তুই খবর শুনলি না পেয়েছিস ভিডিও?’
‘শুধুই খবর রে! মনাদার কাছে আছে, বললাম সেন্ড করে দিও,
করেনি এখনো।
বলে কিনা এটা যেন না দেখে দেশে একজনও।’
‘মানে! সব্বাই তো দেখেছে! বিল্টু , তমাল, আসিফ, অসীম..
তোর ওই মনাদাটা জানে ঘোড়ার ডিম!
আমার কাছে আছে , ফরওয়ার্ড করছি , দেখে নে!’
‘আরে দে দে! আসল ব্যাপার সব নিতে হবে জেনে!
এই তো ডাউনলোড হয়ে গেছে ।থ্যাংক ইউ রে!’
‘থ্যাংকসএর আছেটা কি! যা দেখে দেশ গোটা দেশ উঠছে শিউরে,
সেটা তো না দেখলে নয়!  
দেখতে হয়, নইলে পিছিয়ে পড়তে হয়।’
‘অ্যাই অ্যাই, একি!
আসল জায়গাগুলো সব ঝাপসা দিয়েছে করে দেখি!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
কবি আর্যতীর্থ
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .
কবির মূল সংগ্রহ . . .
কবির ফেসবুক পাতা . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ২৬.৭.২০২৩






‘আসল জায়গা? মানে কোন জায়গা রে?’
‘তুমি জানো গুরু, ওই মেয়েগুলো যেখানে ইয়ে একেবারে!
ধুত্তোর , এ তো একদম নিরামিষ!’
মহাকাব্যের থেকে পাঞ্চালী দেখছেন চেয়ে,
গোটা এক দেশময় ছড়িয়ে গিয়েছে আদিম রিপুর বিষ,
যারা ছিলো মনিপুর-মালদায়,
আর যারা ভিডিওতে ‘ আসল জায়গা’ দেখতে চায়,
আসলে একই ভিড়, কামুক দর্শকামী কোটি কোটি মন..
দ্রৌপদী বুঝছেন, চলছে ও চলবেই বস্ত্রহরণ,
এক নয়, এক হাজার নয়,
মুঠোফোন হাতে ঘোরে কোটি দুঃশাসন ।
বাসুদেবও বিষণ্ণ আজ। তাঁর হাতে নেই এত দীর্ঘ বসন।
আর্যতীর্থ
.
গোপন কথা, বলতে নেই
কবি সুব্রত চক্রবর্তী (শ্যাম), রচনা ২৬.৭.২০২৩।

অসভ্যতার নগ্ন হাত---বিবস্ত্র নারী---রাজপথ ভরা মানুষ, চলছে জল্লাদ
নৃত্য।
এই নিন্দা ধিক্কারের আর ভাষা জানা নেই। আজ অনেকেই কথা বলে---
সমাধিতে মৃত আত্মার সাথে।
চিত্রাঙ্গদা---অর্জুন পত্নী, তুমি বেঁচে আছো কি? চেয়ে দেখো পাহাড়ের
কোলে---নৃশংস মনিপুর।  

ইরম শর্মিলা চানু---লৌহ মানবী---প্রতিবাদ, ১৬ বছরের অনশন। থাঞ্জাম
মনোরমা---ভীষণভাবে ধর্ষিতা,শয়ে শয়ে নারীর বিবস্ত্র মিছিল।
রোগ অনেক পুরানো ও দীর্ঘদিনের। নারী নিগ্রহ-সম্ভ্রম হানি-আর ধর্ষণ।

মনিপুর জ্বলছে---তাছাড়া রাজ্যজুড়ে, ভরে আছে অনেক পুরনো ইতিহাস
। বিস্তীর্ণ অংশে শুধু পোড়া গন্ধ, বাড়ি ঘর-গির্জা-খামার, ডুবে আছে
ছাইয়ের তলায়। ঐ যে রিলিফ ক্যাম্প---বলছে মজবুত দেওয়াল, আছে
শুধু ছেড়া পর্দা, আর কিছুটা ত্রিপল। থাকা আর না থাকার মধ্যে, মৃত্যু
দাঁড়িয়ে হাসছে।

জ্বলছে মনিপুর---মেইতেই, নাগা, কুকি! অনেক দিনের গড়ে ওঠা
বিশ্বাসের ইমারত, আজ সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
কবি সুব্রত চক্রবর্তী (শ্যাম)
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .
কবির ফেসবুক পাতা . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ২৬.৭.২০২৩


নিকেতু-ইরালু---নাগা সমাজকর্মী, অভিযোগ করছেন, সবটাই ইচ্ছাকৃত!
রাজ্যে যে জাতিসংঘর্ষ চলছে, মূল কারিগর খোদ রাষ্ট্র।

এখনো কোনায় কোনায় চলছে গুলির লড়াই।
আধুনিক অস্ত্র সবার হাতে---
কার মদতে চলছে এই গৃহযুদ্ধ? থানা-অস্ত্রাগার-মালখানা, সবই ফাঁকা।
আসছে অস্ত্র-চলছে প্রশিক্ষণ, মানুষে মানুষে, হিন্দু বনাম খ্রিস্টান।
পৌরাণিক দুঃশাসনের ধারাতেই চলছে, এখনও শত শত দ্রৌপদীর
বস্ত্রহরণ।

শিকারি জাল পেতেছে ধীরে ধীরে---খুব নিখুঁতভাবে।
ধর্ম-রাজনীতি-জাতিবিদ্বেষ, তার মূল উপাচার।
শুরু হয়েছে গৃহযুদ্ধ---মরছে সাধারণ মানুষ।
কার মদতে-কার ঔদাসীন্যে?

লিথিয়াম-ইউরেনিয়াম---পেট ভরা আছে, সুন্দর মণিপুরের পাক যন্ত্রে।
আছে বিশ্ববন্দিত, বেআইনি গাজা।
স্রোতের মতো ঢুকছে, ইবামা ট্যাবলেট, মায়ানমার থেকে।
চোরাকারবারের টাকায়, প্লাবিত এই সুন্দর রাজ্য।
আর দেশপ্রেম---ভারত বর্ষ।
ক্ষুধার্ত বাঘের কাছে, মসলা দেয়া কাটা মাংস।
সুতরাং রক্ত চুষে খাও, বাকিটা রাখো সাধারনের জন্য।
বাগানের সব গাছ দেখে পুলকিত হলে চলবে না।
কটা গাছ ফুল ও ফল দেয় সেটা দেখতে হবে।
এ দেখে বিরোধীদল বলে কিছু আছে কি?
শাক দিয়ে আর মাছ ঢাকা যাবেনা।

সবাই এখন মৌনি বাবা---লজ্জা ছেড়ে, একসাথে বলুন না---হিংসা
ভারতের পরিচয় নয়---আমরা সবাই ভারতবাসী। অবিলম্বে এই হিংসা
বন্ধ করতে হবে। তাহলে আপামোর জনসাধারণ বুঝতে পারবে, ইন্ডিয়া
জোটের সার্থকতা।
অত্যন্ত প্রশংসনীয় নামকরণ।
অন্যের কুয়োয় ডুবুরি না নামিয়ে, এখন আপন কুয়ো সাফ রাখুন। এই
মুহূর্তে পেয়েছেন, কুড়িয়ে পাওয়া চৌদ্দ আনা---মানে বোঝার ক্ষমতা
রাখুন। মানুষ কিন্তু বোকা নয়, দূরদর্শনের, একঘেয়েমি পাগলামী, মানুষ
এখন দেখতে বা শুনতে চায় না। সবাইকে ধন্যবাদ।


শ্যাম চক্রবর্তী।
ইংরেজি-২৬/০৭/২৩
.
मणिपुर एक नज्म
कवि गौहर रज़ा

सरासर झूठ है ये
सरासर झूठ है तुम बेख़बर थे
तुम्हें सब कुछ पता था
मणिपुर जल रहा था
और तुम ख़ामोश थे, चुप थे
ये ख़ामोशी तुम्हारी
सियासत का हुनर पहचानती है
ये सीना पीटकर
वहशी दरिंदों की तरह से
खून पीना जानती है
इसे मालुम है
कब आग लगवानी है बस्ती में
इसे मालुम है
वहशी दरिंदों को
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
कवि गौहर रज़ा
कवि का फेसबुक . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ২৬.৭.২০২৩
कहाँ तक छूट देनी है
इसे मालूम है कब तक
बरहना (नंगी) औरतों के देखकर
ख़ामोश रहना है
इसे मालूम है कब
आँख से आँसु के धारों को निकलना है
तुम्हारी ये अदाकारी
कि जिस पर नाज़ है तुम को
न अब तुम को बचाएगी
तुम्हारी ये अदाकारी
कि जिस पर नाज़ है तुम को
न अब तुम को बचाएगी
न ये उनको बचाएगी
कि जिनके हाथ तुमने
मुल्क की इज़्ज़त को बेचा है
तुम्हारी ये अदाकारी
सियासत के खुले बाज़ार में
अब बिक नहीं सकती
हदें जब पार हो जाएं
वतन की आँख में आँसु हों जब
शर्मिन्दगी के
तो गुस्सा फट निकलता है
जरो उस वक़्त
जरो उस वक़्त से जब
वतन की औरतें उठकर
तुम्हें उरियाँ (नंगा) करेंगी
तुम्हारी इस अदाकारी का पर्दा फाड़ देंगी
कोई बच्चा कहेगा
कोई बच्चा कहेगा बताओ माँ
यही राजा है ना जिसको
किसी बुनकर ने सब के सामने
नंगा किया था
कोई बच्चा कहेगा बताओ माँ
यही राजा है ना जिसको
किसी बुनकर ने सब के सामने
नंगा किया था
.
আমি ঈশ্বরের দূত
কবি বিশ্বজিৎ চ্যাটার্জী, রচনা ২৬.৭.২০২৩।


আমি ঈশ্বরের দূত,আয় তোর বসন খুলে দি;
ঈশ্বরপ্রেরিত আমি, তোর গর্ভে বুনে দিই জারজ সন্তান,
তাঁহার প্রসাদে সবই - মণিপুর, ঘাটাল, বিলকিস।
শ্রাবণের অন্ধকারে ঢেকে যায়, ধুয়ে যায় নারী,
আমিতো ঈশ্বর,হাতে শানিত পুরুষতরবারি
তীক্ষ্ণ,স্পষ্ট,যোনিলোভী,প্রকৃতির অমোঘ নিয়মে,
সৃষ্টিকে বজায় রাখি,যেমন মৃত্যুকে রাখে যমে।
সামান্য পাগল কিছু অন্যধারা অন্য কিছু বলে
যদি বলে 'সৃষ্টিছাড়া'- সৃষ্টিধারা এভাবেই চলে।
যিনিই ঈশ্বর, তিনি শুক্রাচার্য আর দৈত্যগুরু,
এইসব মেনে নিয়ে,মেয়ে, তোর পাঠ হোক শুরু।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
কবি বিশ্বজিৎ চ্যাটার্জী
মিলনসাগরে কবির কবিতা . . .
কবির ফেসবুক পাতা . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ২৬.৭.২০২৩
.








.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
কবি বিপুল চক্রবর্তী
মিলনসাগরে কবির কবিতা . . .
কবির ফেসবুক পাতা . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ২৭.৭.২০২৩
.
আজি এ ভারত লজ্জিত হে....
কবি অলকরঞ্জন বসুচৌধুরী, রচনা ২৬.৭.২০২৩।



দুর্যোধন আর দুঃশাসনের হাতে যখন দেশের শাসন,
কাড়বেই তো অসঙ্কোচে তারা কুলনারীর বসন,
গান্ডীব তার লুকিয়ে রেখে নাচছে যে আজ বৃহন্নলা,
স্তব্ধ প্রতিবাদীজনের বিবেক ওই বিদুরের গলা!
প্রকাশ্যে যে লুন্ঠিত আজ অভাগী দ্রৌপদীর শরম,
লজ্জিত আজ মহাভারত, ধ্বস্ত, দীর্ণ দেশের মরম!
আসছে নেমে ধীর গতিতে কালসন্ধ্যার নিবিড় তিমির,
শ্মশান জুড়ে ডাকছে শেয়াল আর কাঁদছে কিছু কুমীর!
আর দেখ হস্তিনাপুরে বসে আছে জুড়ে গদি
কানে তুলো, চোখে ঠুলি, বিবেকবিহীন রাজা _ _!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
কবি অলকরঞ্জন বসুচৌধুরী
মিলনসাগরে কবির কবিতা . . .
কবির ফেসবুক পাতা . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ২৭.৭.২০২৩
.
ধৃত কবি আর্যতীর্থ, রচনা ২৮.৭.২০২৩।

যে লোকটা ছবি তুলেছিলো,
তাকে কাল রাতে ধরে নিয়ে গেছে।
যে ভীষণ ঘটনায় সংখ্যায় বহু বেশি ছিলো অপরাধী,
অসহায় অক্ষম যে মানুষ না পেরেছে ঠেকাতে তাকে,
না সে বলতে পেরেছে
আমি বিরোধিতা করি এই নির্লজ্জ বর্বরতার,
কান্না লুকিয়ে সে শুধু রেকর্ড করেছে,
পৃথিবী জানতে পারে যাতে।
আজ তার হাতে বেড়ি, গ্রেপ্তার করে তাকে নিয়েছে থানাতে।
সুতরাং, ঘটমান বর্তমানে যাবতীয় অপরাধ,
সমস্ত সামূহিক ধর্ষণ আর ধর্ম-উন্মাদকৃত খুন
এবার আর প্রকাশ্যে আসবে না।
হিসহিসে স্বরে কেউ সাবধান করে দিলো
আগামীর প্রতিটি হুইসল-বাজানিয়াকে ,
‘যা হচ্ছে ঘটে যাক, সরকারি বয়ানের বাইরে যা ঘটে যায় পর্দা-আড়ালে,
সেটা যেন অ-দৃষ্ট থাকে,
নইলে অদৃষ্টে ফল কী হতে পারো সেটা বুঝে নাও!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
কবি আর্যতীর্থ
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .
কবির মূল সংগ্রহ . . .
কবির ফেসবুক পাতা . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ২৮.৭.২০২৩







কাজেই শান্তিতে থাকুন প্রিয় সহনাগরিক,
সত্যি কী ঘটেছিলো জানার উপায় আজ জলে বিশবাঁও,
বালিতে গুঁজতে হবে মুখ,
যদি নিরাপদে যেতে চান বেঁচে,
হয়তো  খোঁজ হতে পারে এইবারে, ভিডিওটি কে কে দেখেছে।
‘গণ’-তন্ত্রকে কাল রাত্তিরে পুলিশেরা ধরে নিয়ে গেছে।
আর্যতীর্থ
.
হে পার্থ! কবি সুকান্ত লাহা

মণিপুরি রাজকন্যা চিত্রাঙ্গদা
বিয়ের আগে
তোমাকে শর্ত দিয়েছিলো
তার গর্ভজাত সন্তান
মণিপুরের রাজ্যপাট ছেড়ে
কখনও যাবে না তোমার সাধের হস্তিনাপুরে ;
মেনে নিয়েছিলে তুমি!
তাই
তোমার ঔরসে
চিত্রাঙ্গদার গর্ভে জন্ম নেওয়া বভ্রুবাহন
যায়নি কুরুক্ষেত্র ময়দানে!

মহাকাব্যিক উঠোন পার হয়ে
আজ হাজার বছর পর
কুরুক্ষেত্র যখন হামাগুড়ি দিয়ে উঠে এসেছে
মণিপুরের চাতালে
তখন তুমি কী করবে তৃতীয় পান্ডব?
তুলে নেবে গাণ্ডীব?
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
কবি সুকান্ত লাহা
কবিতাটি আমাদের পাঠিয়েছেন
শ্রী বিদ্যুৎ চৌধুরী
যাঁর ফেসবুক পাতায় যেতে . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ২৮.৭.২০২৩
নাকি সম্মুখ সমরে স্বজনের ভীড় দেখে
ফিরিয়ে নেবে মুখ?
আর তোমাকে উজ্জীবিত করতে
আমাদেরকে প্রতীক্ষা করতে হবে
আবারও কোনো এক কৃষ্ণের?

তোমার চিত্রাঙ্গদা
হাতজোড় করে ভিক্ষা চাইছে প্রাণ
তোমার চিত্রাঙ্গদা
অসহায় গলায় ভিক্ষা চাইছে ইজ্জত
তোমার চিত্রাঙ্গদা
পায়ে ধরে ভিক্ষা চাইছে সম্ভ্রম ;
উত্তরে নিষ্ঠুর হাসির সঙ্গে
ভেসে আসছে ধর্ষকদের মিলিত কন্ঠস্বর ---
"বাঁচবি যদি তো কাপড় খোল্ মাগী!"

খুলেছে!
কাপড় খুলতে বাধ্য হয়েছে ওই মেয়েটি ---
যে মেয়েটি
চার বছরের সন্তানের মা
যে মেয়েটি
জান বাজি রেখে কারগিল যুদ্ধে লড়ে যাওয়া
সৈনিকের বউ
যে মেয়েটি
সনাতনী ভারতবর্ষের বুকে শুধুই এক নারী!
তারিয়ে তারিয়ে
গরম নিশ্বাসের সঙ্গে
মেয়েটির নগ্নতা উপভোগ করছে হাজার মানুষ,
পালা করে মিটিয়ে নিচ্ছে আদিম প্রবৃত্তি,
মোবাইলে অস্পষ্ট করে দেওয়া ছবিতেও
উৎসুক চোখ খুঁজে বেড়াচ্ছে
এক ধর্ষিতা নারীর রক্তাক্ত গোপনাঙ্গ!

কী করবে অর্জুন?
গাণ্ডীব তুলে নেবে?
হাজার মানুষের সামনে প্রকাশ্য রাজপথে
খুলে নেওয়া হচ্ছে চিত্রাঙ্গদার লজ্জা ঢাকার শাড়ি ;
আসলে
নগ্ন হয়ে যাচ্ছে তোমার স্বদেশ
উলঙ্গ হয়ে যাচ্ছে তোমার সভ্যতা
বস্ত্রহীন হয়ে যাচ্ছে তোমার সনাতনী ঐতিহ্য!

নগ্নতার সংক্রমণ ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ছে
মণিপুর থেকে মালদা
কটক থেকে কলকাতা
নাগাল্যান্ড থেকে নদীয়া ;
সারা পৃথিবী জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে যাচ্ছে
ধর্ষিতা নারীর ছিন্নভিন্ন যৌনাঙ্গের রক্ত ;
ঝনঝন করে ভাঙছে
মহাকাব্যিক ভারতবর্ষের অহংকারী ঐতিহ্য!


ঝেড়ে ফেলো সব দ্বিধাদ্বন্দ্ব
মুছে দাও সকল জড়তা
যুগে যুগে দেশে দেশে
গ্রাম গঞ্জ শহর নগর মাঠে ময়দানে
লাঞ্ছিতা চিত্রাঙ্গদার সম্ভ্রম রক্ষা করতে
গাণ্ডীব তোলো
হে তৃতীয় পান্ডব ;
শঙ্খনাদে প্রতিধ্বনিত হোক ভোরের ভৈরবী ;
তোমার ধনুকের টঙ্কারে
দেশজুড়ে স্তব্ধ হয়ে যাক ধর্ষকের জান্তব উল্লাস!   

- কবি সুকান্ত লাহা
.
গণ কেটে স্বৈর কবি আর্যতীর্থ, রচনা ২৭.৭.২০২৩।

আমার পথই একটিমাত্র, বাদবাকি চায় নামুক দেশ,
প্রতিটি দেশের রাষ্ট্রপ্রমুখ এমন শোনান প্রাত্যহিক,
বিশ্ব এখন ডান বামে হেলে ধরছে গুটানো শামুক-বেশ,
ব্রিজেরা ভাঙছে, পাঁচিল উঠছে, দেখে মনে হয় খাঁচাই ঠিক।
গণতন্ত্রের গণটি গৌণ, সেই কথা খুব গোপন নয়,
প্রমুখেরা চান যারা বাঙ্ময়, তারা বেছে নিক মৌনতা
এ-আই প্রহরী হানা দিতে থাকে রোজ নাগরিক যাপন-ময়,
গোয়েবেলস হাঁকে শোন ভাবীকাল, আমার পেটেন্ট এই প্রথা।
জননীর মতো সন্তান হবে ,সেই থিতু আশা সব মা’রই,
গণতন্ত্রেরা তেমনই  স্বপ্ন দেখেছিলো আগে, হয়তো বা,
স্বৈররা করে গণের মুখোশে সময়ের বুকে পায়চারি,
স্তম্ভেরা ভেঙে হয় খানখান ,নড়বড়ে ভিতে নয় বোবা।
মুঠোতে ক্ষমতা , ভক্ত মিডিয়া, বিরোধী মানেই দেশনাশক,
অতীত বদলে আগ্রহী খুব, সোনার আগামী খুড়োর কল,
রাষ্ট্র-লাগামে হাঁসফাঁস দেশে যদি এরকম পাও শাসক,
ডেমোক্রেসির ডেমোটি সেখানে ডেমন লুকানো কপট-ছল ।
সমকালে তার শবের পাহাড়, ঘরে বানভাসি চোখের জল।
আর্যতীর্থ
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
কবি আর্যতীর্থ
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .
কবির মূল সংগ্রহ . . .
কবির ফেসবুক পাতা . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ২৮.৭.২০২৩
.
একালের ভগবান
কবি জাহির আব্বাস, রচনা ২৭.৭.২০২৩।


ভগের অধিকার নিতে নিতে
তুমি আজ ভগবান,
তোমার জন্য অপেক্ষা করে
ফুল, মালা, লালবাতি গাড়ি।
পাহাড় থেকে সাগর
পাশের ঘর থেকে যোগীপুর থেকে মণিপুর
নষ্ট পলিথিনের মতো দলিত হয়
ইজ্জৎহারা সস্তা মাংস নারী।
তুমি তো রচনা কর দ্রৌপদীর কাব্য
কে আর ধরে রাখে অশ্রুবারি,
ধন্য হে বীর, বীরের দল
ধন্য তোমাদের উদ্ধত তরবারি!
২৭.০৭.২৩
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
কবি জাহির আব্বাস
কবির ফেসবুক পাতা . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ২৮.৭.২০২৩
.
মণিপুর ২০২৩
কবি তৈমুর খান, রচনা ২৭.৭.২০২৩।

দৃশ্যটি বারবার দেখছিলাম,বারবার
আমিও পুরুষ নাকি?আমারও এমন ইচ্ছা হয়?
তাদের মতোই ইচ্ছাগুলি
জেগে উঠছিল নাকি এখনো জেগে ওঠে?
অনেক পশুর গান,যে গান কখনো শুনিনি
অনেক পশু, তবুও এমন পশু কখনো দেখিনি!
হাড় হিম হয়ে আসে,অশ্রুও আগুনের ফুলকির মতো
দুই হাত আজ শুধু তরবারি চায়,শুধু তরবারি
ধর্ষণের আর্তনাদে আকাশ ঢেকে যায়
স্বপ্নগুলি নারী শরীরের মতো
বাঁচার ইচ্ছাগুলি কুঞ্চিত স্থলিত যোনি
অপমানে রক্তাক্ত বেদনাবিধুর আয়ু
কোন্ লিপি লিখবে হৃদয় ভাঙার হাহাকার?
কোন্ ইতিহাস লিখবে পরিচয় নির্লজ্জ সভ্যতার?
কতদিন আর এই ধর্ষণ হুংকার?
কতদিন লিঙ্গোত্থিত রাষ্ট্রের এমন স্বৈরাচার?

তৈমুর খান
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
কবি তৈমুর খান
মিলনসাগরে কবির কবিতা . . .
কবির ফেসবুক পাতা . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ২৮.৭.২০২৩



আজি এ ভারত লজ্জিত হে.... - অলকরঞ্জন বসুচৌধুরী
ভারত জ্বলে - অলকরঞ্জন বসুচৌধুরী
ধ্বংসের পূর্বাভাস - আভা সরকার মণ্ডল
হে পার্থ! - সুকান্ত লাহা
একালের ভগবান - জাহির আব্বাস
মণিপুর ২০২৩ - তৈমুর খান
এ কেমন খেলা, এ যে ছেলেখেলা - রজতশুভ্র সেনগুপ্ত
অস্ত্র এবার তোলো - বারুদ গুপ্ত
মণিপুর ২০২৩ - জয় গোস্বামী
ব্যাধ - অজিত বাইরী
নবজন্ম তোমার - রণেশ রায়
ভারত মাতার নগ্ন ছবি - কৃষ্ণা গুহ
এ কোন মণিপুর? এ কোন ভারত? - দুষ্টকবি
.
এ কেমন খেলা, এ যে ছেলেখেলা
কবি রজতশুভ্র সেনগুপ্ত, রচনা ২৮.৭.২০২৩. ১১ই শ্রাবণ ১৪৩০।

এ কেমন খেলা, এ যে ছেলেখেলা,
একজন মারে অন‍্যজনকে না বুঝিয়া ঠেলা।
জনতা সব হাততালি দেয় বলে মার আরো মার,
ছেলেরা সব তাতিয়ে ওঠে উস্কানিভরা সব কথার।

জনতার  সমর্থন যার যার দলের প্রতি এবেলা,
এ কেমন যুক্তিহীন রক্তের হোলি খেলা?
কেউ কাঁদে বিষাদে কেউ লাফায় আনন্দে,
দিনের শেষে বাড়ি ফেরে শূন‍্য নিয়ে হাতে।

বন্ধ হোক মানুষ মেরে মানুষের ভালো করার খেলা,
এ খেলায় কেউ জেতেনা  বুঝবে খেলাশেষে তোমরা।
তোমার  রক্ত ওর রক্তে নেই কোনো ভেদাভেদ,
তোমাকে আর তাকে আলাদা করেছে তোমার অহংকার আর জেদ।

যে মহিলার বস্ত্র গিয়েছে খোয়া তার যে দুর্দশা,
এতবড় দেশে  সেই লজ্জা ঢাকার নেই কি কোনোই আশা?
এত নিচে নামলে পরে আর কি কোনোদিন পারবে উঠে দাড়াতে?
দোহাই তোমাদের এই দেশটাকে আর নামিওনা নিচে।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
কবি রজতশুভ্র সেনগুপ্ত
মিলনসাগরে কবির কবিতা . . .
কবির ফেসবুক পাতা . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ২৮.৭.২০২৩
.
অস্ত্র এবার তোলো
কবি বারুদ গুপ্ত

কুকি-মেইতির কেন এ দ্বন্দ্ব মণিপুর!
কতকাল হবে! শান্তি কোথায় কতদূর!
উলঙ্গ এই সভ্যতা দেখি চোখ যায় যতদূর।
         কতদিন ধরে এ লড়াই দেখো চলছে
         সুখা মানবতা দাউদাউ করে জ্বলছে,
         এক প্রাণ জাতি গনগনে আঁচে গলছে।
কারা যেন বলে নারী মর্যাদা চাই?
এ ভারতে আজ নারী মর্যাদা নাই,
এদেশের নারী শ্মশানে কবরে ঠাঁই।
         স্বাধীনতা পেতে কতো মহাপ্রাণ বলি
          বদলে হে "দেশ"বল তুই কি কি পেলি?
          যুগযুগ ধরে জননী আমার নগ্নই শুধু হলি।
রুখে দাঁড়াবার সময় এবার হলো
মনে ক্রোধ এনে ভয় লাজ সব ভোলো
জননী-রা সব আত্মরক্ষায় অস্ত্র এবার তোলো।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
কবি বারুদ গুপ্ত
কবিতাটি আমাদের পাঠিয়েছেন কবি রাজেশ দত্ত।
মিলনসাগরে তাঁর কবিতা . . .
কবিজেশ দত্তর ফেসবুক পাতা . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ৩০.৭.২০২৩
.








.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
কবি জয় গোস্বামী
মিলনসাগরে কবির কবিতা . . .
কবিতাটি আমরা পেয়েছি শ্রী সুকুমার মিত্রর
ফেসবুক পাতা থেকে।
তাঁর ফেসবুক পাতা . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ৩০.৭.২০২৩
.
क्यों नही हो रही लहुलुहान मणिपुर की बात?
कवि मुनेश त्यागी

मन की बात तो कितनी बार कर ली,
अब कब करोगे मणिपुर की बात?
मां बहनों की इज्जत रौंद दी सड़क पर
कब करोगे घायल मणिपुर की बात?
सारे देश का सिर झुक गया है शर्म से
कब करोगे लहुलुहान मणिपुर की बात?
हाहाकार मचा है सड़क से संसद तक
क्यों नहीं कर रहे हो मणिपुर की बात?
गूंगे बहरे और अंधे हो गए हैं साधु और भक्त
क्यों नहीं करते धूलधूसरित मणिपुर की बात?
अचम्भित हुई सारी दुनिया और सारा देश
क्यों गुमसुम हो गयी है मणिपुर की बात?
फूंक दिए गए हैं घर मंदिर चर्च और खेत
फिर भी नही हो रही है मणिपुर की बात?
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
कवि मुनेश त्यागी
यह कविता हमें सुसंस्कृति परिहार नाम के
फेसबुक से मिला।
सुसंस्कृति परिहार का फेसबुक . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ৩০.৭.২০২৩

खेत हवा गगन और चमन पूछते हैं सभी
क्यों नही करते आहत मणिपुर की बात?
सारी दुनिया पर होगी फैकमफैक फैकमफैक
पर नहीं होगी संसद में कोई मणिपुर की बात।
सारा भारत बैठा हुआ है आस पर आस लगाए
वो बच रहे हैं करने से सिर्फ मणिपुर की बात।
रौंद दिए सब कानून संविधान मान और सम्मान
मुखारबिंद से अब तो करो मणिपुर की बात।
सत्ता और जमीन पर हो जाएगा जब कब्जा
अब तो तभी ही हो पाएंगी मणिपुर की बात।
कोई हादसा नहीं, यह है एक बड़ी साजिश
बहुत ही करीने से दिया गया है अंजाम इसे,
कुछ नहीं बोलेंगे कुछ भी नहीं करेंगे ये दरिंदे
जनता के दरबार में ले जाओ मणिपुर की बात।
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
কবি সুব্রত চক্রবর্তী (শ্যাম)
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .
কবির ফেসবুক পাতা . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ৩০.৭.২০২৩
মনিপুর---মনির ভূমি---
কেউ বলে রত্নের ভূমি।
এখানে অভাব থাকলেও, সম্পদের অভাব নেই।
জানেন আমাদের রাজা ছিল।
ছিল অন্যায়ের প্রবেশ নিষেধ।
শস্যাগার-ধনাগার-অস্ত্রাগার---অশ্বশালা-গজশালা-বিরাম কুঞ্জ---
ছিল জ্ঞানী, গুণী, শিল্পী, শিল্পচর্চা।
এটা এখন অব্দি ঈর্ষার বিষয়। কাল সমুদ্রের ঢেউ, কেড়ে নিয়েছে
অতীতের রাজবংশ।
সিংহাসন আমরা কখনো চাইনি---
সিংহাসনেই আমাদের চেয়েছে।
ধর্মহীন, বর্ণহীন, মনুষ্যত্বের সাঁকোয় সমৃদ্ধ ছিল,
মনিপুরের উর্বর জমিন।  

তোমরা আর তরবারি, কোষমুক্ত করোনা---
রক্ত মেখে মৃত্যু নাচবে-নিজ ভূমিতে।
মারামারি, দাঙ্গা, রক্তপাত, মুন্ডু পাত---অনেক হলো।
স্বার্থান্বেষীর, ধর্মীয় ভাইরাস, এখনো আছে ছড়ানো।
নগ্নতা-বেআব্রু-দেখে শিউরে উঠেছে বিশ্ব।
খ্রিষ্টান-হিন্দু-বৌদ্ধ---ঐক্য পরিষদ
আছে কোন, ঐশ্বরিক ক্ষমতা---প্রয়োজন হতে পারে,
দ্রৌপদীর শাড়ি---কখনো শেষ হবে না---বেরোবে নকশার পর নকশা।
মিহি কাপড়ের আদল।
যা বাঁচাবে শুধু আমাদের ইজ্জত!
মনিপুরের মেয়ে বলছি---
কবি সুব্রত চক্রবর্তী (শ্যাম), রচনা ৩০.৭.২০২৩।

মধ্য রাত, নিশুতি গ্রাম, নিশুতি পথঘাট।  
অনেকটা কবিতার মত।
শুধু মনিপুরের আকাশে নেই,
বাঁকা চাঁদ। আকাশের কালো পর্দায় শুধু আলোর অক্ষর।
চারদিকে ছড়িয়ে ছড়িয়ে ফুটে আছে, নানা রঙের ছোট ছোট ফুল।
অনেকটা সুন্দরীর নাকের নোলকের মত।
ঐ যে নানা হ্রদ বিল, পদ্ম ও শালুক ফুলের ছড়াছড়ি---
নেই কোন পূজারী---
নিজেরাই অঞ্জলি দেয়, বনের অদৃশ্য দেবতার দেউলে।
যেদিকে দৃষ্টি যায়, শুধু দৃষ্টিনন্দন
অন্তহীন সৌন্দর্য।

থাঞ্জাম মনোরমার মা---রামানি। সুর তুলেছেন জ্ঞানেশ্বরী নাগবি---কে
কোন শ্রেণীর, জানার দরকার নেই।
শুধু জানি আমরা সবাই মহিলা।
আমাদের সাত বোনের দেশ বলা হয়। ভয় আসে ভয় দেখাতে। কিন্তু
আমরা---ভয়হীন নিষ্পাপ।
ঐযে সাদা ফেনায়, পাথরগুলি জাগছে ডুবছে---
কদিন পরেই শীত ঋতু, ছুঁইয়ে দিবে, রুপোর কাঠি---
চেহারা হবে শাপ গ্রস্ত অস্পরার মত। থমকে যাবে সব নাচের ছন্দ।
.
ব্যাধ
কবি অজিত বাইরী

ডানা ছেতরে, মাটিতে মুখ থুবড়ে পড়ে আছে নিসর্গের মুক্ত
বিহঙ্গ;
ডানায় টাটকা রক্তের দাগ। কাছে গিয়ে ঝুঁকে চমকে
উঠলাম, এ তো আমাদের পবিত্র গণতন্ত্র!
নীলিমার মতো নীল চোখ দুটি বেরিয়ে এসেছে ঠিকরে,
ঠোঁটের পাশে জমাট বেঁধে শুকিয়ে গিয়েছে রক্ত।
পাশেই পড়ে আছে ভাঙাফুটো জনগণের মত
দানের বাক্স;  চারপাশে ছড়িয়ে আছে রক্তে ভেজা পালক।
বাক্সের উপর কালো কালো অক্ষরে লেখা আতঙ্ক, সন্ত্রাস,
লুট, মৃত্যু।
কত শিশু অনাথ হয়ে গেল! কত পিতা হল
সন্তানহারা, কত মায়ের বুক ফাটলো!
কত সংসার ভেসে গেল রক্তনদীতে খড়কুটোর মতো।
পেছন ফিরে দেখি, লক্ষ্যভেদী ব্যাধ—-
চোখে তার দপদপ করছে জয়ের মত্ত উল্লাস।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
কবি অজিত বাইরী
মিলনসাগরে কবির কবিতা . . .
কবির ফেসবুক পাতা . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ৩১.৭.২০২৩
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
কবি আভা সরকার মণ্ডল

কবির ফেসবুক . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ৪.৮.২০২৩


কোথায় সেই পুরুষ ?  ঈশ্বর-ই বা কোথায়?
ছিন্নভিন্ন হতে হতে মেয়েটির গগন বিদারী আর্ত চিৎকারে
থমকে তো যায় না পৃথিবীর গতি...
নারীর,নাড়ীছেঁড়া রক্তের ঋণ শুধাতে
এগিয়েও আসে না কেউ ....
এ তো ধ্বংসেরই পূর্বাভাস ...

প্রকৃতি আত্মহত্যা করে না ---প্রতিশোধ নেয়!
মাটির কাছে.... মায়ের কাছে
নতজানু না হলে
অবিশ্বাসের সুনামি ভাসিয়ে নেবে নষ্ট জীবনের কারখানা ...
তাঁর কোনো ছেলে ধর্ষক আর কোনো মেয়ে হবে ধর্ষিতা --
এই পরিহাস থেকে মুক্তি পেতে একদিন
দশভূজা হয়ে কোনো নারী আর আগলাবে না সংসার ---
বহন করবে না সন্তান জন্মের মস্ত দায়---
ধ্বংসের পূর্বাভাস
কবি আভা সরকার মণ্ডল

এ তো আর পুরাণ কথা নয় যে
সঠিক সময়ে নেমে আসবেন ঈশ্বর--
আঁচল ছেঁড়া এক টুকরো বস্ত্র খণ্ডের
ঋণ শুধাতে তিনি রক্ষা করবেন নারীর সম্ভ্রম !

একেই একচখা ঈশ্বর
সন্তান জন্মের বীভৎস কষ্টকর দায় চাপিয়ে দিয়েছেন একা নারীর উপর
তদুপরি সমস্ত শক্তির ভাণ্ডারও তুলে দিয়েছেন পুরুষের হাতে..

কল্পনাতেই শুধু নারীর দশ হাত !
কল্পনাতেই শুধু অসুর নিধন ক্ষমতা !---
বাস্তবে এর কোন রূপরেখা নেই !

নারী  হল আক্রোশ মিটানোর আধার
যুদ্ধ হোক কিংবা জীবন
আসুরিক উল্লাসে মেতে উঠার ক্ষেত্র হয়ে
যুগ যুগ ধরে ক্ষতবিক্ষত হয়েছে নারীর যোনি---‌
যা কিনা পুরুষেরও জন্মদ্বার !
.
দায়ী কবি আর্যতীর্থ

আমরা যারা শান্ত থাকি গর্জে ওঠার স্বপ্ন গিলে,
আমরা যারা রাগ ঢেলেছি সুবোধ সুশীল মোম-মিছিলে,
আমরা যারা চামড়া মোটায় সহ্য করি তাবত স্খালন,
তারাই করি স্বদেশখেকো ভয়াল বিষের লালনপালন।
ক্ষমতাকে রাখতে হাতে যুদ্ধবাজই দলে ভারী
এই কথাটা না বোঝে যে হিস্ট্রিতে সে খুব আনাড়ি,
যতই কেন শান্তি মহান শিখিয়ে চলুন সব অবতার,
ওসব কথায় কান না দেওয়া রোগ পুরনো মানবতার।
মানুষ শুরুর পরের থেকেই বোধহয় চালু আমরা ওরা,
একটা কারো থাকবে দাবী, ‘ এখান থেকে যা না তোরা!’
একটি দলের ধ্যান ধারণায় থাকবে তারাই মূলনিবাসী,
বাদবাকিদের তাড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে হবে খুনপিয়াসী।
আমরা ওরা’র মাঝখানে ঠিক দাঁড়িয়ে থাকে ব্যক্তি ক’জন
যাদের মুখে স্থির এক দাবী, ‘ বিপক্ষ নয়, সবাই স্বজন’
তারাই বলে ভুল এ বিবাদ, আগুন অমন লাগলে প্রবল,
সব মানুষের ঘর জ্বালাবে হিংসাভরা শিখার ছোবল।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
কবি আর্যতীর্থ
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .
কবির মূল সংগ্রহ . . .
কবির ফেসবুক পাতা . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ৫.৮.২০২৩






আমরা কেমন ঝিমিয়ে গিয়ে আর বলি না সেসব কথা,
সে দেশ কি আর বাঁচতে পারে, নীরবতাই যখন প্রথা?
ঘরের ভেতর  গর্জে মৃদু, বাইরে সবাই  সাজছি বোবা,
গান্ধী সুভাষ ইত্যাদি নাম, বইয়ের পাতায় বাড়ায় শোভা।
আমরা যারা শান্ত খুবই, ঝুটঝামেলা এড়িয়ে চলি,
লাশের দিকে পেছন ফিরে প্রেমের গানের ভাঁজছি কলি,
আমরা যারা নি-শিরদাঁড়া, চোখ বুজে নিই আগুন দেখে,
দেখতে থাকি দেশ-কাটা লোক নিচ্ছে তাতেই রুটি সেঁকে,
খাচ্ছি তারাই ভাতের গ্রাসে মনিপুরের রক্ত মেখে।
আর্যতীর্থ
.
নবজন্ম তোমার কবি রণেশ রায়, রচনা ৭.৮.২০২৩।

পূব দিগন্তে আঁধার ঘনায়
পৃথিবীর মাথায় আকাশে
নৈঃশব্দের হিমেল ঠান্ডায়
পাহাড়ের কম্পন বাতাসে বাতাসে
থরে থরে শব সেজে সেথায়।

সেখানে রাজাসনে
আকাশের  নক্ষত্ররা পাহারায়
এ পৃথিবীর রাঘবের অভিষেক সেখানে
অভিমন্যু খুন হয়ে যায়
লুঠেরার দখল সেথায়
শকুন্তলা বিবস্ত্র
ধর্ষিতা চিত্রাঙ্গদা লুটায় ধুলায়।

শবেরা অট্ট হাসি হেসে ওঠে
সে হাসির কোলাহলে দিগন্ত উদ্ভাসিত
আকাশে সাইরেনের ওলা ওঠা
যুদ্ধের রংগমঞ্চে সে এক চলমান চলচ্চিত্র।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
কবি রণেশ রায়
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .
কবির ফেসবুক পাতা . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ৭.৮.২০২৩





কেউ পোঁছে না তোমাকে
তুমি এক চেতনা বিহ্বল ব্রাত্য জন
অর্জুন পুত্র বভ্রূবাহন
নবজন্ম তোমার আজ
মায়ের ইজ্জত রক্ষার দায় তুলে নিয়ে কাধে
আজের নতুন প্রতিশ্রুতি তোমার
বীর তুমি তুলে নাও হাতিয়ার
নেমে পর কুরুক্ষেত্র ময়দানে এবার।

মহাদিগন্ত ডাকে আমায়
আমি চলি গানে গানে
মহাকালের দৃষ্টি কবিতায় আমার
রাত শেষে ভোরের উদয় বেলায়
মণিপুর জাগবে আবার।
.
ভারত জ্বলে কবি অলকরঞ্জন বসুচৌধুরী, রচনা ১১.৮.২০২৩। (ক্ষমাপ্রার্থনা : সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত)


স্বদেশ জ্বলে,
প্রদেশ জ্বলে।
গগনতলে
ঘোর অনলে
যাচ্ছে পুড়ে
এই দুপুরে
ঘর আর উঠোন।
পুড়ছে জীবন,
তোমার আমার
ফসল, খামার।
পুড়ছে মানুষ-
নেই কারো হুঁশ !
মৌনী মুদী
চক্ষু মুদি
তখতে বসে
ঢুলছে কষে।
জ্বলছে স্বদেশ,
দুঃখ অশেষ,
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
কবি অলকরঞ্জন বসুচৌধুরী
মিলনসাগরে কবির কবিতা . . .
কবির ফেসবুক পাতা . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ১১.৮.২০২৩
.
উঠছে ব্যথা
টনটনিয়ে
জ্বলছে আগুন
গনগনিয়ে।
দেখছে জগৎ
সব স্থানুবৎ,
নাচছে মরণ-
চলছে নিধন!
যাচ্ছে জীবন
যখন তখন।
ভাইকে যে ভাই
হানছে সবাই
মতির ভরম--
লুটছে শরম
দেশের মায়ের!
আপন ভাইয়ের
ঝরায় যে খুন,
জ্বলছে আগুন।
ভারত জুড়ে
নামছে তিমির,
রাজধানীতে
  কাঁদছে কুমির।
সূর্পনখা
নাকটি চোখা,
কাঁদছে সেও
   টিভির স্ক্রিনে
চোখ ভিজিয়ে
    গ্লিসারিনে।
হায় মনিপুর
শান্তি সুদূর!
মরছে মানুষ
নেই কারো হুঁশ!
দাঙ্গা চলে
পূর্বাচলে।
ঝরছে দেখ
   রক্ত তাজা,
नौंच लो जिस्म
कवि गंगाचरण मिश्र

नौंच लो जिस्म
कर दो नग्न
अपनी छाती जैसी
सड़कों पर
निर्वस्त्र करके
घुमाए जाने का
तमाशा देखो
और फिर देश की
पंचायत में
রাজধানীতে
  রাবণ রাজা!
বিশ্ব জুড়ে
বেড়ায় ঘুরে,
সব ব্যাপারে
বচন ঝাড়ে।
একটাই গুণ-
লাগলে আগুন
মাড়ায় না আর
 সেদিক পানে,
তখন তুলো
তার দু কানে,
চক্ষে ঠুলি,
কুলুপ মুখে,
তার কী বা দায়
    দেশের দুখে!
তার সে সভায়
মূক যে সবাই।
যতেক চেলা
দেখছে খেলা!
এ খেল আজব -
যাদব মাধব
করছে বিবাদ,
গুনছে প্রমাদ
রহিম ও রাম।
নেই কোনো দাম
লোকের প্রাণের
ও সম্মানের!
অস্ত্রধারী,
দাঙ্গাকারী
পেশীর বলে
দাপিয়ে চলে।
দেশ গাঁ সবার,
খেত আর খামার
করছে উজাড়!
কিন্তু যে তার
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
বিবেক মৃত,
দ্বেষের ঘৃত
ঢালছে কেবল
    সেই অনলে --
সোনার স্বদেশ
 যায় যে জ্বলে!
চিন্তা কাহার --
জ্বলছে পাহাড়
জ্বলছে নগর,
শান্তির ঘর!
নিদ্রা রাতের
  করছে হরণ
দাঙ্গাবাজের
 মূর্তি ভীষণ!
স্বপ্নে ঘেরা
দেশকে এরা
বিষিয়ে দিয়ে
যাচ্ছে নিয়ে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
কোন অতলে --
আগুন জ্বলে!
আর কত দেরি,
আর কতকাল --
কবে ভোর হবে
এ রাত ভয়াল?
আর কত রক্ত
আর কত রণ!
আর কত দূর
শান্তির তোরণ?
কবে শেষ হবে
 খুন ভেজা পথ,
জাগবে আবার
 শান্তির ভারত!
হিংসার ফলে রে
ঘর যে জ্বলে রে ।
এ হলাহলে
ভারত জ্বলে!
ঘোর অনলে
স্বদেশ জ্বলে!
कवि गंगाचरण मिश्र
कवि का फेसबुक . . .
हमें इस कविता श्री देवेन्द्र सुरजन के
फेसबुक से मिली . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ১২.৮.২০২৩
सीना ठोककर
मां, बहन, बेटी की अस्मत
बचाने की दलीलें दो
थपथपाओ मेजें
सत्ता के लिए
यही है आजादी के
अमृतकाल का
कड़वा सच!
.
सुना था
कवि गंगाचरण मिश्र

सुना था
इस मोड़ से
जाते हैं
कुछ रस्ते
मिलती हैं
कुछ राहें
सुना था
इस गली के
उस मोड़ पर
एक घर का
ख्वाब देखा था
किसी ने
न दस्तक जरूरी
न आवाज़ देना
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
कवि गंगाचरण मिश्र
कवि का फेसबुक . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ২২.৮.২০২৩
सुना था
ऐसा इक आशियाना
मोहब्बत का
कोई बनाना चाहता था
हां अब इस
बस्ती में
हर घर के दरवाजे
खिड़कियां
जल चुके हैं
सुना है हर गली में
सख्त पहरे हैं
इक राह निकलती थी
जहां से मोहब्बत में
वो चौराहे
कर्फ्यू के साये में हैं
बेपर्दा होकर
अपने हाथों से ही
अपना बदन ढांकने
मज़बूर है मोहब्बत
सुना है कि बदहवास
भीड़ के उबलते हुए
नारों के छाले
बस्ती में हर तरफ हैं
सुना है इस गली से
बेलिबास करके
शर्म को सरेबाजार
घुमाया गया है
.
ভারত মাতার নগ্ন ছবি কবি কৃষ্ণা গুহ।

আর কত সহ্য করবে নারী !!
এবার ধরো তরবারি।

আজ মনিপুর কাল মালদা
দিকে দিকে নগ্ন হচ্ছ তুমি!!

জ্বলছি আমি ,জ্বলছো তুমি ,
জ্বলছে সারা ভারতবর্ষ !!

যে ভারতবর্ষ  স্বপ্ন দেখেছিল
"ভারত আবার জগত সভায় শ্রেষ্ঠ আসন লবে"
যে ভারতবর্ষ নেতাজীর
যে ভারতবর্ষ স্বামীজীর !!
আজ বিশ্ব দরবারে সেই ভারতের নগ্ন ছবি।

এ কেমন গণতন্ত্র ?
প্রশাসনের মুখে কুলুপ আঁটা!!
নগ্ন করেছে নারীর দেহ
এ কেমন হিংস্র বর্বরতা!!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
কবি কৃষ্ণা গুহ
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .
কবির ফেসবুক পাতা . . .

এখানে তোলা হয়েছে  
২১..২০২৩




উল্লাসে মেতেছে ধর্ষক পুরুষ
দুঃশাসন দুর্যোধনের অট্টহাসিতে কাঁপছে চিত্রাঙ্গদা
অর্জুনের মনিপুর।

মনুষ্যত্ব বিকৃত আজ।
চিরকাল শুনে এসেছি
"বসন পর মা বসন পরো"
এবার নারী একজট হও !!
বলি বসন খোলো নারী বসন খোলো!!

সময় এসেছে প্রাগৈতিহাসিক যুগে ফিরে চলো।

উড়িয়ে কালো ধ্বজা,
এসো নগ্ন মিছিল করি !
গাছের ছালে গোপনাঙ্গ ঢাকি!
বিশ্ববাসী দেখুক ভারত মাতার নগ্ন ছবি।