কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন এর কবিতা
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
রক্তাক্ত ভোর
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ৩০.০৭.২০২৫। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
দেশটা এখন ভয়েই ভরা,
মানুষ এখন গর্জন ধরা।
চোখে ঘুম নেই, প্রাণে ভয়,
জীবন যেন কাঁপতে রয়।
চুরি, ছিনতাই, খুনের খেলা,
ভালোবাসা গেছে মরে ভেলা।
মায়ের কোলেও শান্তি নাই,
ছেলের বুকে গুলি খাই।
বিচার চেয়ে পায়না জোট,
দোষী এখন মন্ত্রী-ভোট।
সত্য বললেই হয় নিধন,
মিথ্যা এখন দেশের ধন।
ভোটের নামে খায় ঠকাই,
গরিবেরে দেয় কাঁদাই।
চাকরি নেই, শিক্ষা শূন্য,
ভবিষ্যতের চেহারা গুম্ভ।
নারীর গায়ে লাল রক্ত,
ধর্ষকেরা থাকে শক্ত।
বিচারপতির চক্ষু বাঁধা,
দুর্নীতিতে দেশটা সাধা।
তারপরও বলি আশা করি,
মানবতাই হোক জয় ধরি।
ভালোবাসার দিন ফিরুক,
বাংলা বাঁচুক, মানুষ জাগুক।
*********************
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ৩০.০৭.২০২৫। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
দেশটা এখন ভয়েই ভরা,
মানুষ এখন গর্জন ধরা।
চোখে ঘুম নেই, প্রাণে ভয়,
জীবন যেন কাঁপতে রয়।
চুরি, ছিনতাই, খুনের খেলা,
ভালোবাসা গেছে মরে ভেলা।
মায়ের কোলেও শান্তি নাই,
ছেলের বুকে গুলি খাই।
বিচার চেয়ে পায়না জোট,
দোষী এখন মন্ত্রী-ভোট।
সত্য বললেই হয় নিধন,
মিথ্যা এখন দেশের ধন।
ভোটের নামে খায় ঠকাই,
গরিবেরে দেয় কাঁদাই।
চাকরি নেই, শিক্ষা শূন্য,
ভবিষ্যতের চেহারা গুম্ভ।
নারীর গায়ে লাল রক্ত,
ধর্ষকেরা থাকে শক্ত।
বিচারপতির চক্ষু বাঁধা,
দুর্নীতিতে দেশটা সাধা।
তারপরও বলি আশা করি,
মানবতাই হোক জয় ধরি।
ভালোবাসার দিন ফিরুক,
বাংলা বাঁচুক, মানুষ জাগুক।
*********************
দেশ জুড়ে বঙ্গবিরোধী চক্রান্তে প্রতিবাদ
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ২৪.০৭.২০২৫। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫। এই কবিতাটি তোলা হয়েছে মিলনসাগরের "ভিনরাজ্যে বাঙালি বিতাড়ণের বিরুদ্ধে কবিতার দেয়ালিকাতেও"। সেই পাতায় আরও বহু এই বিষয়ক কবিতা পড়তে এখানে ক্লিক করুন . . .
দেশটা আমার বাংলা ভাষা,
আঘাত কেন এত নির্লজ্জভাবে আসে?
বাঙালির গর্ব, রক্তে লেখা,
বিভাজনের পথ কেউ কেন রাখে খোলা?
নামে ধর্ম, বর্ণের ভোলে,
ভাগ করো না বাঙালিকে দলে দলে।
একই মাটির সন্তান সকল,
ভেদাভেদে পোড়ে হৃদয়, মরে বল।
প্রশাসনের ছত্রছায়ায়,
চুপ কেন শিল্পী, কবি, রায়?
উঠুক আজ কলম বিদ্রোহে, ভাঙুক শিকল জাতিগত বোঝে।
আমরা বাঙালি, গর্বের নাম,
ভাগ করো না বিভেদের কাম।
সাম্প্রদায়িক বিষাক্ত বাণী,
নির্মূল করো আজই, হোক বাণী।
রক্ত ঝরেছে ভাষার জন্য,
ভুলে যাবে কি সেই ইতিহাস অন্তর?
এখনো সময়, জেগে উঠো,
বাংলার নামে দাঁড়াও শক্ত।
*********************
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ২৪.০৭.২০২৫। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫। এই কবিতাটি তোলা হয়েছে মিলনসাগরের "ভিনরাজ্যে বাঙালি বিতাড়ণের বিরুদ্ধে কবিতার দেয়ালিকাতেও"। সেই পাতায় আরও বহু এই বিষয়ক কবিতা পড়তে এখানে ক্লিক করুন . . .
দেশটা আমার বাংলা ভাষা,
আঘাত কেন এত নির্লজ্জভাবে আসে?
বাঙালির গর্ব, রক্তে লেখা,
বিভাজনের পথ কেউ কেন রাখে খোলা?
নামে ধর্ম, বর্ণের ভোলে,
ভাগ করো না বাঙালিকে দলে দলে।
একই মাটির সন্তান সকল,
ভেদাভেদে পোড়ে হৃদয়, মরে বল।
প্রশাসনের ছত্রছায়ায়,
চুপ কেন শিল্পী, কবি, রায়?
উঠুক আজ কলম বিদ্রোহে, ভাঙুক শিকল জাতিগত বোঝে।
আমরা বাঙালি, গর্বের নাম,
ভাগ করো না বিভেদের কাম।
সাম্প্রদায়িক বিষাক্ত বাণী,
নির্মূল করো আজই, হোক বাণী।
রক্ত ঝরেছে ভাষার জন্য,
ভুলে যাবে কি সেই ইতিহাস অন্তর?
এখনো সময়, জেগে উঠো,
বাংলার নামে দাঁড়াও শক্ত।
*********************
আমার সোনার গ্রাম
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ০৯.০৬.২০১৯। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
আমার সোনার ছোট্ট গ্রাম, মাঠে নামে রাঙা সন্ধ্যা,
ধানের গন্ধে মন ভরে যায়, গায় মোর প্রাণের বন্দনা।
কুঁড়ে ঘরের চালা থেকে, ধোঁয়া উঠে ধীরে ধীরে,
আলু ভাজা, শীতল ভাত, বসে খাই উঠোন ঘিরে।
পাখির কুজন ডাকে ভোরে, শিশির ঝরে ঘাসের ডগায়,
চাষার ছেলে হাল নিয়ে যায়, গরুর সাথে মাঠে ধায়।
পাড়ার ছেলেমেয়ে মিলে খেলে, গাছে উঠে আম পাড়ে,
মাটির পানে খালি পায়ে, নেচে চলে বাঁকা রোদের পথে।
জোনাকির আলো রাতে জ্বলে, বাঁশবনে বাজে সুর,
চাঁদের মুখে আলো হেসে, ঢেকে রাখে সকল হুর।
ঠাকুরমা গল্প বলেন, “এক ছিল রাজা এক রানী,”
শোনে সবাই মুখ বুজে, ভাসে চোখে রাজপ্রসাদ-জ্যোতি।
গোয়ালঘরে গরু বাঁধা, মুখে দেয় ঘাসের ঝুড়ি,
পূর্ব দিকের আকাশ ফুঁড়ে, সূর্য হাসে লাল রঙ ধরি।
সাঁঝবেলায় বাজে ঘণ্টা, মসজিদ হতে আজান ধ্বনি,
শান্তির ঘ্রাণ ছড়িয়ে পড়ে, সবার মুখে হাসির বাণী।
এমন গ্রাম আর কোথায় আছে, এমন ভালবাসা?
প্রাণের টানে ফিরে চাই, মাটির টানে ভালোবাসা।
*********************
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ০৯.০৬.২০১৯। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
আমার সোনার ছোট্ট গ্রাম, মাঠে নামে রাঙা সন্ধ্যা,
ধানের গন্ধে মন ভরে যায়, গায় মোর প্রাণের বন্দনা।
কুঁড়ে ঘরের চালা থেকে, ধোঁয়া উঠে ধীরে ধীরে,
আলু ভাজা, শীতল ভাত, বসে খাই উঠোন ঘিরে।
পাখির কুজন ডাকে ভোরে, শিশির ঝরে ঘাসের ডগায়,
চাষার ছেলে হাল নিয়ে যায়, গরুর সাথে মাঠে ধায়।
পাড়ার ছেলেমেয়ে মিলে খেলে, গাছে উঠে আম পাড়ে,
মাটির পানে খালি পায়ে, নেচে চলে বাঁকা রোদের পথে।
জোনাকির আলো রাতে জ্বলে, বাঁশবনে বাজে সুর,
চাঁদের মুখে আলো হেসে, ঢেকে রাখে সকল হুর।
ঠাকুরমা গল্প বলেন, “এক ছিল রাজা এক রানী,”
শোনে সবাই মুখ বুজে, ভাসে চোখে রাজপ্রসাদ-জ্যোতি।
গোয়ালঘরে গরু বাঁধা, মুখে দেয় ঘাসের ঝুড়ি,
পূর্ব দিকের আকাশ ফুঁড়ে, সূর্য হাসে লাল রঙ ধরি।
সাঁঝবেলায় বাজে ঘণ্টা, মসজিদ হতে আজান ধ্বনি,
শান্তির ঘ্রাণ ছড়িয়ে পড়ে, সবার মুখে হাসির বাণী।
এমন গ্রাম আর কোথায় আছে, এমন ভালবাসা?
প্রাণের টানে ফিরে চাই, মাটির টানে ভালোবাসা।
*********************
স্বাধীনতার স্বাদ ও বিষাদ
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ১২.০২.২০১৮। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
রক্তে লেখা ইতিহাসে, স্বাধীনতার জয়,
তবু কেনো ব্যথা জাগে, মনটা থাকে লয়?
বন্দি রাতের অবসানে, উঠলো রক্ত সূর্য,
তবুও কেন জনতার মুখে, শূন্যতা সে দুর্যোগ?
স্বপ্ন ছিলো সোনার দেশ, ভাত-কাপড়ের ভর,
আজও কেনো খালি হাঁড়ি, কান্না জাগায় ঘর?
জয়ধ্বনি আর শ্লোগানে, মঞ্চ কাঁপে শুধু,
তলে তলে গরিবের বুকে, জ্বলে বিষের ধূধূ।
বীরের রক্ত বৃথা গেলো? নাকি বিক্রি হলো চেতনা?
ছলনা আর চাটুকারে, হারালো গরিমা।
তবুও আশা লাল রাখি, বুকের গভীর তলে,
একদিন এই স্বাধীনতা, সত্য হবে বলে।
শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সন্মান পাবে, প্রতিটি মানব প্রাণ,
চাকরি নয়, থাকবে হাতে, কাজের পাকা জ্ঞান।
স্বাধীনতা হবে তখনই, সার্বভৌম এক রোদ,
যেখানে নেই বিষাদছোঁয়া, কেবল শান্তি-সদ্।
*********************
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ১২.০২.২০১৮। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
রক্তে লেখা ইতিহাসে, স্বাধীনতার জয়,
তবু কেনো ব্যথা জাগে, মনটা থাকে লয়?
বন্দি রাতের অবসানে, উঠলো রক্ত সূর্য,
তবুও কেন জনতার মুখে, শূন্যতা সে দুর্যোগ?
স্বপ্ন ছিলো সোনার দেশ, ভাত-কাপড়ের ভর,
আজও কেনো খালি হাঁড়ি, কান্না জাগায় ঘর?
জয়ধ্বনি আর শ্লোগানে, মঞ্চ কাঁপে শুধু,
তলে তলে গরিবের বুকে, জ্বলে বিষের ধূধূ।
বীরের রক্ত বৃথা গেলো? নাকি বিক্রি হলো চেতনা?
ছলনা আর চাটুকারে, হারালো গরিমা।
তবুও আশা লাল রাখি, বুকের গভীর তলে,
একদিন এই স্বাধীনতা, সত্য হবে বলে।
শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সন্মান পাবে, প্রতিটি মানব প্রাণ,
চাকরি নয়, থাকবে হাতে, কাজের পাকা জ্ঞান।
স্বাধীনতা হবে তখনই, সার্বভৌম এক রোদ,
যেখানে নেই বিষাদছোঁয়া, কেবল শান্তি-সদ্।
*********************
চিতার আগুন ও মনের আগুন
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ০৭.০৬.২০১৯। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
চিতার আগুন জ্বলে দেহ,
শেষ করে সব, করে সে গেহ।
কিন্তু মনের আগুন যে ভাই,
সারাজীবন পুড়িয়ে যায়!
লোভের আগুন, হিংসার জ্বালা,
মিথ্যা কথা, গর্বের ছালা।
কাউকে দুঃখ দিলে যদি,
ভেতরটা পুড়ে, শান্তি হারায় সেদিনই।
চিতার আগুন একবারে শেষ,
তাতে নয় কোনো মনের রেশ।
কিন্তু যে আগুন পুড়ে ভিতর,
সেই আগুনে নষ্ট সমাজ, বিবেক চিত্র।
ক্ষমাহীন মন, অহঙ্কার গড়া,
সে আগুনে মানবতা সব হারায় ছড়া।
একবার ভাবো, কোথায় তুমি,
চিতার আগে পুড়ছে কি ভূমি?
ভালোবাসা হোক আগুন নরম,
জ্বালাও মন, করো জীবন ধরম।
চিতার আগুন একদিন যাবে,
মনের আগুন থাকুক প্রেমে ভরে।
*********************
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ০৭.০৬.২০১৯। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
চিতার আগুন জ্বলে দেহ,
শেষ করে সব, করে সে গেহ।
কিন্তু মনের আগুন যে ভাই,
সারাজীবন পুড়িয়ে যায়!
লোভের আগুন, হিংসার জ্বালা,
মিথ্যা কথা, গর্বের ছালা।
কাউকে দুঃখ দিলে যদি,
ভেতরটা পুড়ে, শান্তি হারায় সেদিনই।
চিতার আগুন একবারে শেষ,
তাতে নয় কোনো মনের রেশ।
কিন্তু যে আগুন পুড়ে ভিতর,
সেই আগুনে নষ্ট সমাজ, বিবেক চিত্র।
ক্ষমাহীন মন, অহঙ্কার গড়া,
সে আগুনে মানবতা সব হারায় ছড়া।
একবার ভাবো, কোথায় তুমি,
চিতার আগে পুড়ছে কি ভূমি?
ভালোবাসা হোক আগুন নরম,
জ্বালাও মন, করো জীবন ধরম।
চিতার আগুন একদিন যাবে,
মনের আগুন থাকুক প্রেমে ভরে।
*********************
নদীর ব্যথা
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ২৭.০৬.২০২৫। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
প্রকৃতির অন্তরাল বেদনার কবিতা।
আমি নদী, স্রোতহীন আজ,
বুকে জমে শুষ্কতা বাজ।
আগে ছিল ঢেউয়ের খেলা,
এখন কেবল কান্নার মেলা।
চলতাম আমি গেয়ে গান,
মেঘের সাথে বাঁধতাম প্রণ।
আজকে আমি শুকনো নদী,
হারিয়ে গেছে প্রাণের ছদ্মবদী।
সোনালি কূলে শিশুরা হাঁটত,
পাড়ের বাঁশে বাঁশি বাজত।
এখন কেবল মরা কাদায়,
স্মৃতিরা এসে হাহাকার গায়।
কখনো ছিলাম প্রেমের নদী,
আজকে আমি বেদনার ছদ্মস্মৃতি।
মানুষ দিলো ইটের ঘা,
নিঃশেষ হল জলধারার ছায়া।
ড্যাম বানালো, বাঁধ তুলেছে,
মাতৃজলের কোল শুকেছে।
আমি চাই না সোনার মুকুট,
আমি চাই একটু স্বচ্ছ জুট।
জল ছিলো আমার প্রাণ,
তাতেই গড়া ছিলো মান।
আজও বয়ে চলি বুকে আঘাত,
জীবন ভরা শুধু দীর্ঘশ্বাসের রাত।
*********************
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ২৭.০৬.২০২৫। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
প্রকৃতির অন্তরাল বেদনার কবিতা।
আমি নদী, স্রোতহীন আজ,
বুকে জমে শুষ্কতা বাজ।
আগে ছিল ঢেউয়ের খেলা,
এখন কেবল কান্নার মেলা।
চলতাম আমি গেয়ে গান,
মেঘের সাথে বাঁধতাম প্রণ।
আজকে আমি শুকনো নদী,
হারিয়ে গেছে প্রাণের ছদ্মবদী।
সোনালি কূলে শিশুরা হাঁটত,
পাড়ের বাঁশে বাঁশি বাজত।
এখন কেবল মরা কাদায়,
স্মৃতিরা এসে হাহাকার গায়।
কখনো ছিলাম প্রেমের নদী,
আজকে আমি বেদনার ছদ্মস্মৃতি।
মানুষ দিলো ইটের ঘা,
নিঃশেষ হল জলধারার ছায়া।
ড্যাম বানালো, বাঁধ তুলেছে,
মাতৃজলের কোল শুকেছে।
আমি চাই না সোনার মুকুট,
আমি চাই একটু স্বচ্ছ জুট।
জল ছিলো আমার প্রাণ,
তাতেই গড়া ছিলো মান।
আজও বয়ে চলি বুকে আঘাত,
জীবন ভরা শুধু দীর্ঘশ্বাসের রাত।
*********************
নারী: এক মায়াবী সত্তার নাম
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ০৩.০৮.২০২৫। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
নারী—একটি শব্দ নয়, এক অনন্ত সত্তা।
সে মা হয়ে বুকের দুধে জগতের শুরু করে,
সে মেয়ে হয়ে আঙুল ধরে শেখায় হাঁটতে,
সে স্ত্রী হয়ে প্রহরের চুলে বেঁধে দেয় জীবনের শৃঙ্খল,
সে বোন হয়ে পাশে দাঁড়ায় নিঃশব্দে,
আর মাসি হয়ে শৈশবের গল্পে ফিরে আসে হাসিমুখে।
নারী যেন এক নদী—যে বইছে চিরকাল,
নিজে ক্ষয়ে যায়, অন্যকে সিঞ্চন করে।
তার হাসির ভেতরে চাপা পড়ে কত শত কান্না,
তার আত্মবিসর্জনের ভিতরেই বাসা বাঁধে একটি পরিবারের সুখ।
সংসারের প্রতিটি দেয়ালে তার ছোঁয়া,
তবু স্বীকৃতির খাতা বহু জায়গায় আজও শূন্য।
নারী কেবল কাঁধে শাড়ির আঁচল নয়,
তার কাঁধেই থাকে সংসার, সমাজ আর সভ্যতার বোঝা।
সে প্রেম জানে, সে প্রতিবাদ জানে,
সে রাঁধে, সে লিখে, সে গড়েও ভাঙে।
তবু কত সমাজে নারী শুধু শরীর,
তার মানসিকতা, অনুভব, সৃষ্টিশক্তিকে অবহেলা করে গড়ি পিতৃতান্ত্রিক দুর্গ।
নারী যেন কোনো অদৃশ্য দাসী,
যার অধিকারের বদলে শুধুই দায়িত্ব চাওয়া হয়।
আমি বলি—নারীকে করুণা নয়,
নারীকে প্রয়োজন সম্মান, সচেতনতা ও সংরক্ষণ।
সে যেন শুধুই মা, বোন বা স্ত্রী না হয়—
সে যেন হয়ে ওঠে মানুষ, তার পূর্ণতা নিয়ে।
তার কণ্ঠস্বর যেন থেমে না যায় ভয় আর অপমানের আড়ালে,
তার পদক্ষেপ যেন জড়ায়ে না পড়ে সমাজের বাঁধাধরা বেড়াজালে।
নারী যেন মাথা উঁচু করে বাঁচে,
তারও আছে স্বপ্ন, তারও আছে স্পর্শযোগ্য আকাশ।
নারী মানেই অবলা—এই মিথ ভেঙে দাও,
সে তো আগুন, সে তো অগ্নিপুরুষের জবাব,
সে তো জলের মতো ধৈর্যশীল,
তবু ঘূর্ণির মতো ভয়ংকর প্রয়োজন হলে।
নারী মানেই ভালোবাসা নয়—
নারী মানেই শক্তি, প্রতিজ্ঞা, সৃষ্টি আর সংগ্রাম।
সে এক মায়াবী সত্তা—
যাকে না সম্মান করলে,
সমাজ নিজেই নিঃস্ব হয়ে পড়ে।
*********************
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ০৩.০৮.২০২৫। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
নারী—একটি শব্দ নয়, এক অনন্ত সত্তা।
সে মা হয়ে বুকের দুধে জগতের শুরু করে,
সে মেয়ে হয়ে আঙুল ধরে শেখায় হাঁটতে,
সে স্ত্রী হয়ে প্রহরের চুলে বেঁধে দেয় জীবনের শৃঙ্খল,
সে বোন হয়ে পাশে দাঁড়ায় নিঃশব্দে,
আর মাসি হয়ে শৈশবের গল্পে ফিরে আসে হাসিমুখে।
নারী যেন এক নদী—যে বইছে চিরকাল,
নিজে ক্ষয়ে যায়, অন্যকে সিঞ্চন করে।
তার হাসির ভেতরে চাপা পড়ে কত শত কান্না,
তার আত্মবিসর্জনের ভিতরেই বাসা বাঁধে একটি পরিবারের সুখ।
সংসারের প্রতিটি দেয়ালে তার ছোঁয়া,
তবু স্বীকৃতির খাতা বহু জায়গায় আজও শূন্য।
নারী কেবল কাঁধে শাড়ির আঁচল নয়,
তার কাঁধেই থাকে সংসার, সমাজ আর সভ্যতার বোঝা।
সে প্রেম জানে, সে প্রতিবাদ জানে,
সে রাঁধে, সে লিখে, সে গড়েও ভাঙে।
তবু কত সমাজে নারী শুধু শরীর,
তার মানসিকতা, অনুভব, সৃষ্টিশক্তিকে অবহেলা করে গড়ি পিতৃতান্ত্রিক দুর্গ।
নারী যেন কোনো অদৃশ্য দাসী,
যার অধিকারের বদলে শুধুই দায়িত্ব চাওয়া হয়।
আমি বলি—নারীকে করুণা নয়,
নারীকে প্রয়োজন সম্মান, সচেতনতা ও সংরক্ষণ।
সে যেন শুধুই মা, বোন বা স্ত্রী না হয়—
সে যেন হয়ে ওঠে মানুষ, তার পূর্ণতা নিয়ে।
তার কণ্ঠস্বর যেন থেমে না যায় ভয় আর অপমানের আড়ালে,
তার পদক্ষেপ যেন জড়ায়ে না পড়ে সমাজের বাঁধাধরা বেড়াজালে।
নারী যেন মাথা উঁচু করে বাঁচে,
তারও আছে স্বপ্ন, তারও আছে স্পর্শযোগ্য আকাশ।
নারী মানেই অবলা—এই মিথ ভেঙে দাও,
সে তো আগুন, সে তো অগ্নিপুরুষের জবাব,
সে তো জলের মতো ধৈর্যশীল,
তবু ঘূর্ণির মতো ভয়ংকর প্রয়োজন হলে।
নারী মানেই ভালোবাসা নয়—
নারী মানেই শক্তি, প্রতিজ্ঞা, সৃষ্টি আর সংগ্রাম।
সে এক মায়াবী সত্তা—
যাকে না সম্মান করলে,
সমাজ নিজেই নিঃস্ব হয়ে পড়ে।
*********************
বিবাহ হোক উপযুক্ত বয়সে
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ১৬.০৫.২০২৫। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
বাল্যবিয়ের পরিনাম, শিশুর জীবন ঝুঁকির কাঁধে,
স্বপ্ন গুলো হারিয়ে যায়, অকাল বিয়ের ফাঁদে।
না বুঝেই সংসার টানে, বোঝা পড়ে কিশোর বুকে,
ভেঙে যায় মন, ভেঙে যায় ঘর, কান্না নামে সুখের মুখে।
একটি মেয়ে বই ফেলে আজ, শাড়ি পরে স্বামীর ঘরে,
মনের কথা বলার আগেই, স্বপ্ন মরে মাটির তলে।
ছোট্ট ছেলে বউ হয়ে যায়, জীবন চলে দায়ে,
বন্ধু ছেড়ে সংসার করে, সুখ কি তবে পায়?
বিচ্ছেদের হার দিনে দিনে, আকাশ ছোঁয়ে মরে,
অপরিণত বয়স বলেই, টিকে না সুখের ঘরে ।
ভালোবাসা গড়ে ওঠে, সময় পেলে ধীরে,
বয়স হলে বিয়েটাও হয়, সত্যি সোনার নীড়ে।
সবার কাছে অনুরোধ তাই, শুনো হে সমাজ,
বিয়ে দিও বুঝে শুনে, রাখো না কাঁচা সাজ।
দাও শিক্ষা, দাও আলো, দাও সচেতনতা,
তবেই গড়বে আগামীর বিশ্ব, তবেই হবে মুক্ততা।
আসুক প্রেম পরিণয়ে, থাকুক শান্তি সুখে,
বিবাহ হোক উপযুক্ত বয়সে, মানবতা থাকুক মুখে।
*********************
কবি মোহাম্মদ সামসের খাঁন
রচনা - ১৬.০৫.২০২৫। মিলনসাগরে প্রকাশ - ৩০.০৮.২০২৫।
বাল্যবিয়ের পরিনাম, শিশুর জীবন ঝুঁকির কাঁধে,
স্বপ্ন গুলো হারিয়ে যায়, অকাল বিয়ের ফাঁদে।
না বুঝেই সংসার টানে, বোঝা পড়ে কিশোর বুকে,
ভেঙে যায় মন, ভেঙে যায় ঘর, কান্না নামে সুখের মুখে।
একটি মেয়ে বই ফেলে আজ, শাড়ি পরে স্বামীর ঘরে,
মনের কথা বলার আগেই, স্বপ্ন মরে মাটির তলে।
ছোট্ট ছেলে বউ হয়ে যায়, জীবন চলে দায়ে,
বন্ধু ছেড়ে সংসার করে, সুখ কি তবে পায়?
বিচ্ছেদের হার দিনে দিনে, আকাশ ছোঁয়ে মরে,
অপরিণত বয়স বলেই, টিকে না সুখের ঘরে ।
ভালোবাসা গড়ে ওঠে, সময় পেলে ধীরে,
বয়স হলে বিয়েটাও হয়, সত্যি সোনার নীড়ে।
সবার কাছে অনুরোধ তাই, শুনো হে সমাজ,
বিয়ে দিও বুঝে শুনে, রাখো না কাঁচা সাজ।
দাও শিক্ষা, দাও আলো, দাও সচেতনতা,
তবেই গড়বে আগামীর বিশ্ব, তবেই হবে মুক্ততা।
আসুক প্রেম পরিণয়ে, থাকুক শান্তি সুখে,
বিবাহ হোক উপযুক্ত বয়সে, মানবতা থাকুক মুখে।
*********************
