কবি ত্রৈলোক্যনাথ চক্রবর্ত্তী মহারাজের কবিতা
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
*
কবি ত্রৈলোক্যনাথ চক্রবর্ত্তী মহারাজের পরিচিতির পাতায় . . .
জেলার বেটা বড্ড খচ্চর
কবি ত্রৈলোক্যনাথ চক্রবর্ত্তী মহারাজ
কবির “জেলে ত্রিশ বছর ও পাক-ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম” গ্রন্থের ১১৫ পৃষ্ঠার কবিতা। বরিশাল ষড়যন্ত্র মামলায়, কবির তৃতীয়বারের জেল আলিপুর প্রেসিডেন্সী জেলে মুখে মুখে রচনা করা কবিতা যা তিনি তিৎকার করে সহবন্দীদের শোনাতেন। জেলের ভাতের মধ্যে ধান ও পাথরের ভাগে কোনটা বেশী থাকতো বলা কঠিন ছিল। সেই নিয়ে রচিত কবিতা ---
মিলনসাগরে প্রকাশ ১০.৬.২০২৫।

জেলার বেটা বড্ড খচ্চর
খেতে দেয় ধান আর পাথর...।


*********************









*
সুপারিণ্টেণ্ডেন্ট বড় পাজির পাজি
কবি ত্রৈলোক্যনাথ চক্রবর্ত্তী মহারাজ
কবির “জেলে ত্রিশ বছর ও পাক-ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম” গ্রন্থের ১১৫ পৃষ্ঠার কবিতা। বরিশাল ষড়যন্ত্র মামলায়, কবির তৃতীয়বারের জেল, আলিপুর প্রেসিডেন্সী জেলে মুখে মুখে রচনা করা কবিতা যা তিনি তিৎকার করে সহবন্দীদের শোনাতেন। কবি ছিলেন হাঁপানীর রোগী। কিন্তু শীতের দিনগুলিতে চেয়ে চেয়েও একটি অতিরিক্ত কম্বল পান নি। সেই নিয়ে রচিত কবিতা ---
মিলনসাগরে প্রকাশ ১০.৬.২০২৫।

সুপারিণ্টেণ্ডেন্ট বড় পাজির পাজি,
বেশী কম্বল দিতে হয় না রাজী---।


*********************









*
বিদায় দে মা প্রফুল্ল মনে যাই আমি আন্দামানে
কবি ত্রৈলোক্যনাথ চক্রবর্ত্তী মহারাজ
কবির “জেলে ত্রিশ বছর ও পাক-ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম” গ্রন্থের ১১৫ পৃষ্ঠার কবিতা। বরিশাল ষড়যন্ত্র মামলায়, কবির তৃতীয়বারের জেল, আলিপুর প্রেসিডেন্সী জেলে মুখে মুখে রচনা করা কবিতা যা তিনি তিৎকার করে সহবন্দীদের শোনাতেন। হাঁপানির রোগী হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে আন্দামানের পোর্টব্লায়ারের সেলুলার জেলে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। যাওয়া আগের আলিপুর জেলের সেলের দেওয়ালে সুরকী দিয়ে লেখা কবিতা ---
মিলনসাগরে প্রকাশ ১০.৬.২০২৫।

বিদায় দে মা প্রফুল্ল মনে যাই আমি আন্দামানে,
এই প্রার্থনা করি মাগো মনে যেন রেখো সন্তানে।
আবার আসিবো ভারত-জননী মাতিব সেবায়,
তোমার বন্ধন মোচনে মাগো যেন এ প্রাণ যায়।
বিদায় ভারতবাসী, বিদায় বন্ধু বান্ধবগণ,
বিদায় পুষ্প-তরুলতা, বিদায় পশু পাখিগণ।
ক্ষমো সবে যত করেছি অপরাধ জ্ঞানে অজ্ঞানে,
বিদায় দে মা প্রফুল্ল মনে যাই আমি আন্দামানে।

এই কবিতাটি আমরা মিলনসাগরের প্রতিবাদী কবিতার দেয়ালিকাতেও তুলেছি। সেখানে এই কবিতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন...

*********************









*
What have I, how shall I worship thee
কবি ত্রৈলোক্যনাথ চক্রবর্ত্তী মহারাজ
কবির “জেলে ত্রিশ বছর ও পাক-ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম” গ্রন্থের ১৩২ পৃষ্ঠার কবিতা। কবির আন্দামানের সেলুলার জেলের সেলে রচিত কবিতা। পাঞ্জাবী ও অবাঙ্গালী সহ-বন্দীদের জন্য, সেলের দেওয়াল ও মেঝেতে সুরকী দিয়ে ইংরেজিতে লেখা কবিতা --
মিলনসাগরে প্রকাশ ১০.৬.২০২৫।

What have I, how shall I worship thee,
I Know not, Oh God, please tell me ;
I am prisoner, have no flower,
My heart is desert, there’s no water ;
I am wandering always in the dark,
Unable to follow the Sage’s footmark ;
I heard that you are with the name,
So I always sing your fame.


*********************









*
Murray the Superintendent
কবি ত্রৈলোক্যনাথ চক্রবর্ত্তী মহারাজ
কবির “জেলে ত্রিশ বছর ও পাক-ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম” গ্রন্থের ১৩২ পৃষ্ঠার কবিতা। কবির আন্দামানের সেলুলার জেলের সেলে রচিত কবিতা। পাঞ্জাবী ও অবাঙ্গালী সহ-বন্দীদের জন্য, সেলের দেওয়াল ও মেঝেতে সুরকী দিয়ে ইংরেজিতে লেখা কবিতা ---
মিলনসাগরে প্রকাশ ১০.৬.২০২৫।

Murray the Superintendent is a first-class scoundrel,
Unwilling to keep the sickmen in the hospital ;
For nothing, he abuses ; punishes the prisoner
What shall I say of his brutal behaviour.


*********************