সুকুমার সেনের মতে এই কবি শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর এক বিশিষ্ট অনুচর ছিলেন। তিনি তাঁর ১৯৫৭ সালে সাহিত্য অকাদেমি থেকে প্রকাশিত, “বৈষ্ণব পদাবলী” সংকলনের “পরিচায়িকা”-য় লিখেছেন . . .
“বাসুদেব দাস সম্ভবত চৈতন্যের এক বিশিষ্ট অনুচর বাসুদেব দত্ত। এঁর লেখা অল্প কয়েকটি পদ পাওয়া গেছে।”
“বাসুদেব দাস সম্ভবত চৈতন্যের এক বিশিষ্ট অনুচর বাসুদেব দত্ত। এঁর লেখা অল্প কয়েকটি পদ পাওয়া গেছে।”
.
গৌরমোহন দাস সংকলিত “পদকল্পলতিকা” গ্রন্থে - ^^ উপরে ফেরত
১৮৪৯ সালে প্রকাশিত, গৌরমোহন দাস সংকলিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “পদকল্পলতিকা” গ্রন্থের “দণ্ডে শতবার খায় যাহা দেখে তাহা চায়” পদটি “বসুদেব দাস” ভণিতায় দেওয়া রয়েছে। ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত, সুকুমার সেন সম্পাদিত, সাহিত্য অকাদেমির, “বৈষ্ণব পদাবলী” সংকলনে “বাসুদেবদাস” ভণিতায় দেখা যায়। .
চন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের “শ্রীশ্রীপদামৃতসিন্ধু” সংকলনে - ^^ উপরে ফেরত
১৯২২ সালে প্রকাশিত, চন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের “শ্রীশ্রীপদামৃতসিন্ধু” সংকলনে “বাসুদেস দাস” এর ভণিতায় “দণ্ডে শতবার খায়, যাহা দেখে তাহা চায়” পদটি এবং “বাসুদেব ঘোষ” ভণিতার “সোঙরি পূরব লীলা, ত্রিভঙ্গ হইয়া” পদদুটি রয়েছে। দুটো পদকেই সেই গ্রন্থের সূচীতে বাসুদেব দাসের নামে সংকলিত করা হয়েছে। তাঁরা কি “বাসুদেব দাস” ও “বাসুদেব ঘোষ” ভণিতার কবিদেরকে এক ও অভিন্ন পদকর্তা বলে মনে করতেন ?
“বাসুদেব ঘোষ” ভণিতার “সোঙরি পূরব লীলা, ত্রিভঙ্গ হইয়া” পদটি পড়তে কবি বাসুদেব ঘোষের পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন . . .
এই “বাসুদেবদাস” ভণিতার কোনো পদ নেই বৈষ্ণবদাস সংকলিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থে। অন্যান্য গ্রন্থে বাসু, বাসুঘোষ, বাসুদেব, বাসুদেব ঘোষ, বাসুদেব দত্ত প্রভৃতি ভণিতার পদ থাকলেও বাসুদেব দাস ভণিতার কোন পদ পাওয়া যায়নি। .
খগেন্দ্রনাথ মিত্র ও নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসীর "পদামৃতমাধুরী"-তে - ^^ উপরে ফেরত
রায়বাহাদুর খগেন্দ্রনাথ মিত্র ও নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসীর, সহসম্পাদিত চার খণ্ডে প্রকাশিত বৈষ্ণব পদাবলীর সংকলন "পদামৃতমাধুরী" র ৩য় খণ্ডে “দণ্ডে শতবার খায়, যাহা দেখে তাহা চায়” পদটি বাসুদেব দাস ভণিতায় রয়েছে। সংকলনের ৪র্থ খণ্ডে পদকর্তার পরিচয়ে কেবল মাত্র বাসুদেব ঘোষের পরিচয় রয়েছে তাঁর অন্য দুই ভাই মাধব ঘোষ ও গোবিন্দ ঘোষের সঙ্গে। তিনিও কি মনে করতেন যে বাসুদেব দাস ভণিতা আসলে বাসুদেব ঘোষেরই বৈষ্ণব পরিচয় “দাস” উপাধির ভণিতায় রচিত একটি পদ?
বাসুদেব ঘোষ সম্বন্ধে রায়বাহাদুর খগেন্দ্রনাথ মিত্র "পদামৃতমাধুরী", ৪র্থ খণ্ডের ভূমিকায় লিখেছেন . . .
“বাসুদেব ঘোষ, মাধব ঘোষ এবং গোবিন্দ ঘোষ - ইঁহারা তিন ভ্রাতা এবং তিন জনই পদকর্ত্তা ছিলেন। ইঁহাদের পৈতৃক বাস ছিল কুমারহট্ট গ্রামে। ইঁহারা তিন ভ্রাতা শ্রীগৌরাঙ্গের সমসাময়িক এবং ভক্ত ছিলেন। বাসুদেব এবং নরহরি সরকার ঠাকুর নদীয়ানাগরী-ভাবের পদাবলী রচনার সূত্রপাত করিয়া গিয়াছেন। ইঁহারা শ্রীগৌরাঙ্গকে শ্রীকৃষ্ণ হইতে অভিন্ন জানিতেন।”
আমরা মিলনসাগরে কবি বসুদেব দাস / বাসুদেব দাস এর বৈষ্ণব পদাবলী ও তাঁর জীবন ও কর্মযজ্ঞ. যতটা পাওয়া গেল, আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে পারলে এই প্রচেষ্টার সার্থকতা। এই পাতা কবি বসুদেব দাস / বাসুদেব দাস এর প্রতি মিলনসাগরের শ্রদ্ধাঞ্জলি।
কবি বসুদেব দাস / বাসুদেব দাস এর মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন।
আমাদের ই-মেল : srimilansengupta@yahoo.co.in
হোয়াটসঅ্যাপ : +৯১ ৯৮৩০৬৮১০১৭
এই পাতা প্রথম প্রকাশ - ১৮.১.২০২৬
.
.
.
.
গৌরমোহন দাস সংকলিত “পদকল্পলতিকা” গ্রন্থে - ^^ উপরে ফেরত
১৮৪৯ সালে প্রকাশিত, গৌরমোহন দাস সংকলিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “পদকল্পলতিকা” গ্রন্থের “দণ্ডে শতবার খায় যাহা দেখে তাহা চায়” পদটি “বসুদেব দাস” ভণিতায় দেওয়া রয়েছে। ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত, সুকুমার সেন সম্পাদিত, সাহিত্য অকাদেমির, “বৈষ্ণব পদাবলী” সংকলনে “বাসুদেবদাস” ভণিতায় দেখা যায়। .
চন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের “শ্রীশ্রীপদামৃতসিন্ধু” সংকলনে - ^^ উপরে ফেরত
১৯২২ সালে প্রকাশিত, চন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের “শ্রীশ্রীপদামৃতসিন্ধু” সংকলনে “বাসুদেস দাস” এর ভণিতায় “দণ্ডে শতবার খায়, যাহা দেখে তাহা চায়” পদটি এবং “বাসুদেব ঘোষ” ভণিতার “সোঙরি পূরব লীলা, ত্রিভঙ্গ হইয়া” পদদুটি রয়েছে। দুটো পদকেই সেই গ্রন্থের সূচীতে বাসুদেব দাসের নামে সংকলিত করা হয়েছে। তাঁরা কি “বাসুদেব দাস” ও “বাসুদেব ঘোষ” ভণিতার কবিদেরকে এক ও অভিন্ন পদকর্তা বলে মনে করতেন ?
“বাসুদেব ঘোষ” ভণিতার “সোঙরি পূরব লীলা, ত্রিভঙ্গ হইয়া” পদটি পড়তে কবি বাসুদেব ঘোষের পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন . . .
এই “বাসুদেবদাস” ভণিতার কোনো পদ নেই বৈষ্ণবদাস সংকলিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থে। অন্যান্য গ্রন্থে বাসু, বাসুঘোষ, বাসুদেব, বাসুদেব ঘোষ, বাসুদেব দত্ত প্রভৃতি ভণিতার পদ থাকলেও বাসুদেব দাস ভণিতার কোন পদ পাওয়া যায়নি। .
খগেন্দ্রনাথ মিত্র ও নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসীর "পদামৃতমাধুরী"-তে - ^^ উপরে ফেরত
রায়বাহাদুর খগেন্দ্রনাথ মিত্র ও নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসীর, সহসম্পাদিত চার খণ্ডে প্রকাশিত বৈষ্ণব পদাবলীর সংকলন "পদামৃতমাধুরী" র ৩য় খণ্ডে “দণ্ডে শতবার খায়, যাহা দেখে তাহা চায়” পদটি বাসুদেব দাস ভণিতায় রয়েছে। সংকলনের ৪র্থ খণ্ডে পদকর্তার পরিচয়ে কেবল মাত্র বাসুদেব ঘোষের পরিচয় রয়েছে তাঁর অন্য দুই ভাই মাধব ঘোষ ও গোবিন্দ ঘোষের সঙ্গে। তিনিও কি মনে করতেন যে বাসুদেব দাস ভণিতা আসলে বাসুদেব ঘোষেরই বৈষ্ণব পরিচয় “দাস” উপাধির ভণিতায় রচিত একটি পদ?
বাসুদেব ঘোষ সম্বন্ধে রায়বাহাদুর খগেন্দ্রনাথ মিত্র "পদামৃতমাধুরী", ৪র্থ খণ্ডের ভূমিকায় লিখেছেন . . .
“বাসুদেব ঘোষ, মাধব ঘোষ এবং গোবিন্দ ঘোষ - ইঁহারা তিন ভ্রাতা এবং তিন জনই পদকর্ত্তা ছিলেন। ইঁহাদের পৈতৃক বাস ছিল কুমারহট্ট গ্রামে। ইঁহারা তিন ভ্রাতা শ্রীগৌরাঙ্গের সমসাময়িক এবং ভক্ত ছিলেন। বাসুদেব এবং নরহরি সরকার ঠাকুর নদীয়ানাগরী-ভাবের পদাবলী রচনার সূত্রপাত করিয়া গিয়াছেন। ইঁহারা শ্রীগৌরাঙ্গকে শ্রীকৃষ্ণ হইতে অভিন্ন জানিতেন।”
আমরা মিলনসাগরে কবি বসুদেব দাস / বাসুদেব দাস এর বৈষ্ণব পদাবলী ও তাঁর জীবন ও কর্মযজ্ঞ. যতটা পাওয়া গেল, আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে পারলে এই প্রচেষ্টার সার্থকতা। এই পাতা কবি বসুদেব দাস / বাসুদেব দাস এর প্রতি মিলনসাগরের শ্রদ্ধাঞ্জলি।
কবি বসুদেব দাস / বাসুদেব দাস এর মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন।
আমাদের ই-মেল : srimilansengupta@yahoo.co.in
হোয়াটসঅ্যাপ : +৯১ ৯৮৩০৬৮১০১৭
এই পাতা প্রথম প্রকাশ - ১৮.১.২০২৬
.