কবি রাজনারায়ণের শিক্ষাজীবন শুরু হয় কলকাতার শম্ভু মাস্টারের স্কুলে ১৮৩৩ সালে। তার পর হেয়ার স্কুলে এবং হিন্দু কলেজে পড়েন ১৮৪০ থেকে ১৮৪৩ পর্যন্ত। কলেজ ছাড়েন অস্বাস্থের জন্য। হিন্দু কলেজে (বর্তমান প্রেসিডেন্সী বিশ্ববিদ্যালয়) পড়ার সময় তাঁর সহপাঠী দের মধ্যে ছিলেন শিক্ষাবীদ ভূদেব মুখার্জি, কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত, লেখক গৌরদাস বসাক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক ও বাঙলার পাঠ্যপুস্তক রচয়িতা প্যারি চরণ সরকার, ইয়াং বেঙ্গল গ্রুপের একজন নেতা, ব্যবসায়ী ও সমাজ সংস্কারক রামগোপাল ঘোষ, ইংল্যাণ্ডের লিঙ্কন’স ইন বারের প্রথম এশীয় ব্যারিস্টার জ্ঞানেন্দ্র মোহন ঠাকুর, শিক্ষক নীলমাধব মুখার্জী, শিক্ষাবীদ জগদীশনাথ রায় প্রমুখরা।
১৮৪৩ সালে তিনি প্রসন্নময়ী দেবীর সাথে বিবাহ সূত্রে আবদ্ধ হন। প্রসন্নময়ী দেবী জলে ডুবে মারা যান। তাঁর অকাল মৃত্যুর পরে, তিনি দ্বিতীয়বার বিবাহ করেন নিস্তারিনী দেবীর সঙ্গে ১৮৪৭ সালে। তাঁদের ছয় কন্যা ও তিন পুত্র। তাঁরা ছিলেন স্বর্ণলতা, যোগেন্দ্রনাথ, হেমলতা, সুকুমারী, লীলাবতী, লজ্জাবতী, যতীন্দ্রনাথ, মুনিন্দ্রনাথ ও কুমুদিনী।
কন্যা কবি স্বর্ণলতা দেবীর পুত্ররা, অর্থাৎ কবি রাজনারায়ণের দৌহিত্ররা ছিলেন কবি মনমোহন ঘোষ, ঋষি অরবিন্দ এবং কবি নজরুলের "ভাঙা বাংলার রাঙা যুগের আদি পুরোহিত সাগ্নিক বীর” - বারীন্দ্রকুমার ঘোষ।
মিলনসাগরে কবি কন্যা লজ্জাবতী বসুরও কবিতার পাতা রয়েছে।
১৮৪৯ সালে রাজনারায়ণ বসু সংস্কৃত কলেজের ইংরেজী শিক্ষক হন, যখন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর প্রিন্সিপ্যাল ছিলেন। ১৮৫১ সালে তিনি মেদিনীপুর জেলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক হন। ১৮৬৮ সালে তিনি সেখান থেকেই অবসর গ্রহণ করেন। তিনি বাড়িতে মুন্সীর কাছে পারস্য ভাষাও শিখেছিলেন।
রাজনারায়ণ ১৮৮০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে 'বৃদ্ধ হিন্দুর আশা' নামে একটি পুস্তিকার মাধ্যমে ভারতীয় উপমহাদেশের হিন্দুদের একত্রিত হয়ে একটি সংগঠনের অধীনে আসার আবেদন জানিয়েছিলেন। সমাজসংস্কারক হিসেবে তিনি ১৮৫০-এর দশকে বিধবাবিবাহকেও উৎসাহ দিয়েছেন।
১৮৪৩ সালে তিনি প্রসন্নময়ী দেবীর সাথে বিবাহ সূত্রে আবদ্ধ হন। প্রসন্নময়ী দেবী জলে ডুবে মারা যান। তাঁর অকাল মৃত্যুর পরে, তিনি দ্বিতীয়বার বিবাহ করেন নিস্তারিনী দেবীর সঙ্গে ১৮৪৭ সালে। তাঁদের ছয় কন্যা ও তিন পুত্র। তাঁরা ছিলেন স্বর্ণলতা, যোগেন্দ্রনাথ, হেমলতা, সুকুমারী, লীলাবতী, লজ্জাবতী, যতীন্দ্রনাথ, মুনিন্দ্রনাথ ও কুমুদিনী।
কন্যা কবি স্বর্ণলতা দেবীর পুত্ররা, অর্থাৎ কবি রাজনারায়ণের দৌহিত্ররা ছিলেন কবি মনমোহন ঘোষ, ঋষি অরবিন্দ এবং কবি নজরুলের "ভাঙা বাংলার রাঙা যুগের আদি পুরোহিত সাগ্নিক বীর” - বারীন্দ্রকুমার ঘোষ।
মিলনসাগরে কবি কন্যা লজ্জাবতী বসুরও কবিতার পাতা রয়েছে।
১৮৪৯ সালে রাজনারায়ণ বসু সংস্কৃত কলেজের ইংরেজী শিক্ষক হন, যখন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর প্রিন্সিপ্যাল ছিলেন। ১৮৫১ সালে তিনি মেদিনীপুর জেলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক হন। ১৮৬৮ সালে তিনি সেখান থেকেই অবসর গ্রহণ করেন। তিনি বাড়িতে মুন্সীর কাছে পারস্য ভাষাও শিখেছিলেন।
রাজনারায়ণ ১৮৮০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে 'বৃদ্ধ হিন্দুর আশা' নামে একটি পুস্তিকার মাধ্যমে ভারতীয় উপমহাদেশের হিন্দুদের একত্রিত হয়ে একটি সংগঠনের অধীনে আসার আবেদন জানিয়েছিলেন। সমাজসংস্কারক হিসেবে তিনি ১৮৫০-এর দশকে বিধবাবিবাহকেও উৎসাহ দিয়েছেন।
.
রাজনারায়ণ বসুর ব্রাহ্মধর্ম গ্রহণ - ^^ উপরে ফেরত
একবার তিনি “ট্র্যাভেলস্ অব সাইরাস” নামক একটি গ্রন্থ পাঠ করছিলেন। এই গ্রন্থের একস্থানে লেখা আছে,---মিশর দেশীয় দেবদেবীর আখ্যান সকল রূপক মাত্র। তাঁরও ধারণা হল যে হিন্দুর দেবদেবীর কল্পনাও এইরূপ রূপক মাত্র। অতঃপর, তিনি ব্রাহ্ম ধর্ম গ্রহণ করে ব্রাহ্ম সমাঞ্জ ভুক্ত হন ১৮৪৬ সালে এবং তত্ত্ববোধিনী সভার সভ্য হন।
তিনি ব্রাহ্মধর্ম গ্রহণ করেছিলেন বলে গোঁড়া হিন্দু সমাজপতিরা তাঁকে বোড়াল ছাড়তে বাধ্য করেন। .
রাজনারায়ণ বসুর ৪র্থ কন্যা লীলাবতী দেবীর বিবাহ - ^^ উপরে ফেরত
১৮৮১ সালে তিনি ব্রাহ্ম সমাজের কৃষ্ণকুমার মিত্রর সাথে লীলাবতী দেবীর বিবাহ সম্পন্ন করেন। এই বিবাহ অনুষ্ঠানের জন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গান রচনা করেন এবং নরেন্দ্রনাথ দত্ত, পরে স্বামী বিবেকানন্দ সঙ্গীত পরিবেশন করেন। .
সমাজ সংস্কারক ও দেশপ্রেমী রাজনারায়ণ বসু - ^^ উপরে ফেরত
১৮৫৬ সালে তিনি, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বিধবা বিবাহ কর্মযজ্ঞে অংশ গ্রহণ করেন এবং বোড়ালে বঙ্গ বিদ্যালয় স্থাপন করেন।
১৮৫৭ সালে তিনি সিপাহী বিদ্রোহ প্রত্যক্ষ করেন।
১৮৬১ সালে তিনি হিন্দু মেলা নামক একটি সংগঠন শুরু করেন, যা ভারতীয়দের মধ্যে দেশাত্মবোধের সঞ্চার শুরু করতে সাহায্য করে। মদ্যপানের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরির উদ্দেশ্যে তিনি 'মদ্যপান নিবারণী সভা' নামে একটি সংগঠন তৈরি করেন।
১৮৬৯ সালে, তাঁর সমর্থনে হিন্দু মেলার উদ্বোধন করেন নবগোপাল মিত্র, যা আগামিতে ১৮৮৫র জাতীয় কংগ্রেসের সূচনার ক্ষেত্র তৈরী করতে শুরু করে। ১৮৭৫ সালের হিন্দু মেলার ৯ম অধিবেশনের সভাপতি হন। মাত্র ১৪ বছরের কিশোর রবীন্দ্রনাথ সেই অধিবেশনে তাঁর “হিন্দুমেলার উপহার” ও “দিল্লীর দরবার” নামক কবিতা পাঠ করেছিলেন (রবীন্দ্রনাথের অন্যতম প্রথম স্বরচিত ও জনসমক্ষে পঠিত কবিতা)।
১৮৮৩ সালে তিনি স্যার সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জীর গ্রেপ্তারি ও কারাবাসের প্রতিবাদ করেছিলেন ইণ্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে। এ সময়েই তাঁরই পরামর্শে The Bengal Academy of Literature এর নাম বদলে “বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ” করা হয়।
.
চারিত্রিক অধঃপতন নিয়ে রাজ নারায়ণ বসু - ^^ উপরে ফেরত
তাঁর “সেকাল আর একাল” গ্রন্থে, বাঙালির চারিত্রিক অধঃপতন নিয়ে রাজ নারায়ণ বসু লিখেছেন...
“চরিত্র বিষয়ে আমাদের সমাজ ক্রমে অবনতি প্রাপ্ত হইতেছে। আমরা আমাদের পুরাতন প্রাণগুলি হারাইতেছি, অথচ ইংরাজদিগের সদ্ গুণ সকল অনুকরণ করিতেছি না। বিলাতের অনেক ভদ্র ইংরেজেরা চরিত্র বিষয়ে আমাদিগের অনুকরণ-স্থল হইতে পারেন। এমন শুনা গিয়াছে, তাঁহারা ব্রাণ্ডি পান করেন না, তাঁহারা ব্রাণ্ডির নাম পর্য্যন্ত ভদ্রলোকের নিকট উচ্চারণ করা অশিষ্টাচার জ্ঞান করেন। তাঁহার্দের স্বার্থপরতা অল্প, আতিথেয়তা বিলক্ষণ আছে, কৃতজ্ঞতাও বিলক্ষণ আছে। কৈ, বিলাতের ভদ্রইংরাজদিগের এই সকল ভদ্রগুণত আমরা অনুকরণ করি না। কৈ সাধারণ ইংরেজবর্গের সাহস, অধ্যবসায়, দৃঢ়প্রতিজ্ঞা ও শ্রম-শীলতা ত আমরা অনুকরণ করি না? তাঁহাদের যত মন্দ গুণ, তাই অনুকরণ করি।”
.
তাঁকে নিয়ে সংসদ বাঙালি চরিতাবিধানে লেখা - ^^ উপরে ফেরত
সুবোধচন্দ্র সেনগুপ্ত ও অঞ্জলি বসুর সম্পাদিত সংসদ বাঙালি চরিতাবিধানে তাঁরা লিখেছেন,---
“অন্যত্র পদোন্নতির সম্ভাবনা সত্ত্বেও তিনি মেদিনীপুর ত্যাগ করেননি। এডুকেশন কাউন্সিল স্বীকার করেন , রাজনারায়ণের প্রভাবেই মেদিনীপুরের ছাত্রগণের প্রভূত উন্নতি সাধিত হয়। এখানে বিতর্কসভা প্রতিষ্ঠা করে ছাত্রদের মানসিক সৌকুমার্য সাধনের চেষ্টা করেন। পাঠ্যপুস্তক ছাড়াও জ্ঞানার্জনের জন্য বাইরের বই পড়ার অভ্যাস করান। এই উদ্দেশ্যে একটি পাঠাগারও স্থাপিত হয়। শ্রমিক-কৃষকদের শিক্ষার জন্য একটি রাত্রিকালীন বিদ্যালয় এবং স্ত্রীশিক্ষার জন্য একটি বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। একজন দেশপ্রেমিক হিসেবে তিনি মনে করতেন দেশীয় ভাষার চর্চার দ্বারাই দেশীয় সাহিত্যের উন্নতি সম্ভব। ধর্মমতে তিনি ব্রাহ্ম ছিলেন। জাতিবর্ণভেদ বিশ্বাস না করলেও সমাজে গভীর পরিবর্তনের বিরোধী ছিলেন। তাঁর পরিকলপনায় উদ্দীপিত হয়ে নবগোপাল মিত্র হিন্দু মেলা সৃষ্টি করেন। ১৮৭৫ খ্রি. এই মেলার তিনি উদ্বোধক ছিলেন। হিন্দু মেলার পরে ন্যাশনাল সোসাইটি স্থাপিত হলে তিনি এখানে তিনটি নিবন্ধ পাঠ করেন। এই ন্যাশনাল সোসাইটির তত্ত্বাবধানে ন্যাশনাল স্কুল স্থাপিত হয় এবং সেখানে সার্ভে, ইঞ্জিনিয়ারিং, রসায়ন এবং সঙ্গীতের সঙ্গে ব্যায়াম, অশ্বারোহণ ও বন্দুক-চালনা শোখানো হত। বাঙালিরা যদি শিক্ষক, উকিল ও চাকুরে জাতিতে পরিণত হয় এবং ব্যবসায়-বাণিজ্য ত্যাগ করে---তবে জাতি দরিদ্রতর হবে---এ ছিল তাঁর বিশ্বাস। ইণ্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন স্থাপিত হলে তিনি তার সভ্য হন এবং ১৮৭৮ খ্রি. লিটনের দেশীয় ভাষা সংক্রান্ত আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে যোগ দেন। ‘সঞ্জীবনী সভা’ নামে গুপ্ত রাজনৈতিক সমিতি প্রতিষ্ঠিত হলে তিনি তার সভাপতি হন। রবীন্দ্রনাথ ও জ্যোতিরিন্দ্রনাথ তাঁর দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন। এই সভাকে অনেকে বাংলার বিপ্লবী সংগঠনের ও ব্রিটিশের অধীনতামুক্ত জাতীয় চেতনা প্রসারের অগ্রদূত বলে মনে করেন। ঋষি আখ্যায় অভিহিত বঙ্গ সংস্কৃতির একজন প্রধান পুরোধা রাজনারায়ণ এক সময়ে রবীন্দ্রনাথের গৃহশিক্ষকতাও করেছিলেন।...”
.
রাজনারায়ণ বসুর রচনাসম্ভার - ^^ উপরে ফেরত
রাজনারায়ণ বসুর রচনাসম্ভারে রয়েছে “ব্রাহ্মসমাজের বক্তৃতা” ১ম ও ২য় ভাগ, “ধর্ম্মতত্ত্বদীপিকা” (১৮৫৩) দুই ভাগ, “ব্রহ্মসাধন” (১৮৫৫), “হিন্দুধর্ম্মের শ্রেষ্ঠতা” (১৮৭৩), “প্রকৃতপক্ষে অসম্প্রদায়িকতা কাহাকে বলে?”, “ব্রাহ্মধর্ম্মের বৈদ্য আদর্শ”, “আত্মীয় সভার সভ্যদিগের বৃত্তান্ত”, “হিন্দু অথবা প্রেসিডেন্সি কলেজের ইতিবৃত্ত”, “সে কাল আর এ কাল” (১৮৭৮. ইংরাজ গ্রন্থকর্ত্তা আডিশনকে আদর্শ করে লিখিত), “আত্মচরিত” (১৯০৯), “সায়েন্স অফ রিলিজিয়ন”, “রিলিজিয়ন অফ লাভ” প্রভৃতি।
১৮৪১-৪২ সালে তিনি ক্ষিরোদচন্দ্র মিত্রকে রাজা রামমোহন রায়ের জীবনী লিখতে সাহায্য করেন। ১৮৪৬-৪৯ সালে তিনি তত্ত্ববোধিনী সভায় ইংরেজি অনুবাদক রূপে কাজ করেন।
এ ছাড়া কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'মেঘনাদবধ' কাব্য তিনি ইংরেজিতে অনুবাদ করেন এবং মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের ইচ্ছায় তিনি ঈশা, কেন প্রভৃতি পাঁচখানি উপনিষদও ইংরেজিতে অনুবাদ করেছিলেন।
.
ঋষি রাজনারায়ণ বসুর কবিতা - ^^ উপরে ফেরত
ঋষি রাজনারায়ণ বসুর লেখা একটি মাত্র গান আমরা পেয়েছি ১৮৯৭ সালে প্রকাশিত, নবকান্ত চট্টোপাধ্যায় কর্ত্তৃক সংগৃহীত “সঙ্গীত মুক্তাবলী, প্রথম ভাগ” সংকলন থেকে। একটি গান দিয়েই মিলনসাগরে তাঁর কবিতা ও গানের পাতা করে, তাঁকে মিলনসাগরের কবিদের সভায় আসন দিতে পেরে আমরা ধন্য হয়েছি। এই পাতা ঋষি রাজনারায়ণ বসুর প্রতি মিলনসাগরের শ্রদ্ধাঞ্জলি।
জীবনের শেষ দিকে তিনি মেদিনীপুর ছেড়ে দেওঘর চলে যান এবং সেখানেই আমৃত্যু বসবাস করেন। ১৮৯৯ সালের ৯ই সেপ্টেম্বর দেওঘরেই তিনি পক্ষাঘাতে পরলোক গমন করেন।
বাঙালীদের বহু বদনাম আছে। তাঁরা অলস, তাঁরা আড্ডাবাজ, ফাঁকিবাজ, আরও অনেক কিছু। কিন্তু বাঙালীর যে ভাল গুণগুলি আছে, তার মধ্যে একটা হলো কবিতা লেখা! প্রায় সব বাঙালীই জীবনে দু-এক লাইন কবিতা লেখেন বা লিখেছেন। মিলনসাগরে আমাদের চেষ্টা সেই কবিতার মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক বাঙালীদের মিলনসাগরের কবিদের সভায় ধরা। মিলনসাগরের বাংলা কবিতার কালানুক্রমিক সূচী আসলে বাঙালীর ইতিহাস হয়ে উঠছে, কবিদের জীবনীর মধ্য দিয়ে।
কবি ঋষি রাজনারায়ণ বসুর মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন।
আমাদের ই-মেল : srimilansengupta@yahoo.co.in
হোয়াটসঅ্যাপ : +৯১ ৯৮৩০৬৮১০১৭
এই পাতা প্রথম প্রকাশ - ১২.৩.২০২৬
উৎস ---
- সুবোধচন্দ্র সেনগুপ্ত ও অঞ্জলি বসু, “সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান”, ২০১০।
- শিশিরকুমার দাশ, “সংসদ বাংলা সাহিত্যসঙ্গী”, ২০০৩।
- হরিমোহন মুখোপাধ্যায়, “বঙ্গভাষার লেখক”, ১৯০৪।
- Wikipedia.org, Rajnarayan_Basu
- Rishi Rajnarayan Basu by Haripada Mondal, www.midnapore.in
- সৌমিত্র সেন, Rajnarayan Basu: একাল আর সেকালকে গেঁথে দিয়েছিলেন... zeenews.india.com
- রাজনারায়ণ বসু, সববাংলায়.কম https://sobbanglay.com/
- www.google.com/search, Rajnarayan_Basu