পদকর্তা বীরহাম্বীর -                                                                       পাতার উপরে . . .  
এরপরই তিনি বৈষ্ণব ভাবধারায় জীবন অতিবাহিত করতে থাকেন। তাঁর রচিত দুটি পদ পাওয়া গিয়েছে।
দুটি পদেই “বীর হাম্বীর” ভণিতা দেওয়া রয়েছে। প্রথম পদটি “প্রভু মোর শ্রীনিবাস পূরাইলা মনে আশ” রচনা
করেছিলেন শ্রীনিবাসের শিষ্যত্ব গ্রহণ করার পরেই। দ্বিতীয় পদটি “শুন গো মরম-সখি কালিয়া কমল-
আঁখি”, যা ভক্তিরত্নাকর গ্রন্থের নবম পল্লবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এটি ব্রজলীলায় শ্রীরাধার অনুরাগ-বর্ণনার পদ।

আমরা প্রতিটি পদে, সেই পদের উত্স-গ্রন্থের নাম উল্লেখ করেছি। একাধিক ক্ষেত্রে একাধিক রূপে পাওয়া
একই পদ একত্রে তুলে দিয়েছি  তুলনার জন্য।  সংস্কৃত ভাষার  পদগুলির বাংলায় অনুবাদ বা ব্যাখ্যা হাতে
পেলেই তুলে দেওয়ার চেষ্টা করছি।

আমরা
মিলনসাগরে  কবি বীর হাম্বীর-এর বৈষ্ণব পদাবলী আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে পারলে এই
প্রচেষ্টার সার্থকতা।


কবি বীর হাম্বীর-এর মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন।    


আমাদের ই-মেল -
srimilansengupta@yahoo.co.in     


এই পাতা প্রথম প্রকাশ - ১১.৪.২০১৭                                                         পাতার উপরে . . .    
...
বীর হাম্বীর
চৈতন্য পরবর্তী কবি, মল্ল রাজা
শাসন কাল ১৫৬৫ ~ ১৬২০
আমাদের কাছে
কবির  কোনো ছবি নেই | একটি ছবি
এবং আরও তথ্য আমাদের কাছে
পাঠালে আমরা কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে  
প্রেরকের নাম এই পাতায় উল্লেখ করবো |
আমাদের ঠিকানা-
srimilansengupta@yahoo.co.in
গ্রন্থ লুঠ ও বৈষ্ণব ধর্মে দীক্ষা   
পদকর্তা বীরহাম্বীর   
বৈষ্ণব পদাবলী নিয়ে মিলনসাগরের ভূমিকা     
বৈষ্ণব পদাবলীর "রাগ"      
কৃতজ্ঞতা স্বীকার ও উত্স গ্রন্থাবলী     
মিলনসাগরে কেন বৈষ্ণব পদাবলী ?     
এই পাতার কবিতার ভণিতা -
বীর হাম্বীর
কবি বীর হাম্বীর - এর নাম ছিল রাজা হাম্বীর মল্ল দেব। তিনি বাঁকুড়া জেলার বনবিষ্ণুপুরের  
রাজবংশের ৪৯তম শাসক ছিলেন। ১৫৮৬ সালে তাঁর সিংহাসনে অভিষেক হয়। পিতা রাজা ধারি মল্ল।

তিনি মুঘল সম্রাট আকবরের সমসাময়িক ছিলেন। আফগানদের বিরুদ্ধে তিনি আকবরের পক্ষে করেন যুদ্ধ
করেন। তিনি বাংলার সুবাদারের নিকট বার্ষিক রাজস্ব প্রদান করতেন এবং মুঘল সার্বভৌমত্ব স্বীকার করে
নিয়েছিলেন।

তাঁর আমলেই, জগন্নাথ কর্মকার তৈরী করেন বিখ্যাত কামান “দলমাদল”। তাঁর আমলেই, ১৬০০ সালে তৈরী
হয় বিষ্ণুপুরের বিখ্যাত রাসমঞ্চ। এখনো যা বিষ্ণুপুরের দ্রষ্টব্য বস্তু ও স্থানের অন্যতম।
.
গ্রন্থ লুঠ ও বৈষ্ণব ধর্মে দীক্ষা -                                                          পাতার উপরে . . .  
নিত্যানন্দ দাস রচিত প্রেমবিলাস ও নরহরি চক্রবর্তী রচিত ভক্তিরত্নাকর গ্রন্থ থেকে জানা  যায়,  
শ্রীনিবাসাচার্য,  নরোত্তম দাস,  শ্যামানন্দ বা দুঃখী কৃষ্ণদাসের, বৃন্দাবন থেকে কৃষ্ণদাস কবিরাজের
চৈতন্যচরিমামৃত সহ বিভিন্ন গ্রন্থ নিয়ে
গৌড় যাত্রাপথে রাজা বীর হাম্বীরের পোষিত দস্যুদল দ্বারা লুণ্ঠিত হন।
পরে তাঁর রাজসভায়, শ্রীনিবাসের ভাগবত পাঠ শুনে তিনি বৈষ্ণবধর্মের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়েন এবং
সস্ত্রীক  শ্রীনিবাসের শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন। শ্রীনিবাস আচার্য তাঁকে বৈষ্ণবধর্মে দীক্ষিত করেন।
.
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .