কানাই খুটিয়া সম্বন্ধে রবীন্দ্রনাথ মাইতি সাহিত্যভারতীর উদ্ধৃতি -               পাতার উপরে . . .  
রবীন্দ্রনাথ মাইতি সাহিত্যভারতী তাঁর “চৈতন্য-পরিকর” গ্রন্থের, ৩২০-পৃষ্ঠায় কানাই খুটিয়া ও জগন্নাথ
মাহিতী সম্বন্ধে লিখেছেন . . .
“
চৈতন্যচরিতামৃতে বর্ণিত শ্রীক্ষেত্রে প্রথম বত্সরে কৃষ্ণজন্ম যাত্রা-দিনে নন্দমহোত্সব-কালে কৃষ্ণদাস বা কানাই
খুটিয়া ও জগন্নাথ মাহিতী যথাক্রমে নন্দ এবং ব্রজেশ্বরীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। জগন্নাথ ও বলরাম নামে
কানাইর দুইজন পুত্র ছিলেন।
মহাপ্রভুর তিরোভাবের পর শ্রীনিবাস, এবং তাহারও পরে নরোত্তম নীলাচলে
গিয়া কানাইর সহিত সাক্ষাৎ করিয়াছিলেন। কানাই খুটিয়া
নরোত্তমকে জগন্নাথ-মন্দির দর্শন করাইয়াছিলেন।
ডা. বিমান বিহারী মজুমদার কানাই-খুটিয়া রচিত "মহাভাব প্রকাশ" নামক একটি গ্রন্থের উল্লেখ করিয়াছেন।”

কানাই খুঁটিয়ার রচনার মধ্যে রয়েছে অপ্রকাশিত গ্রন্থ “মহাভাবপ্রকাশ”।



আমরা
মিলনসাগরে কবি কানাই খুটিয়ার বৈষ্ণব পদাবলী তুলে আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে পারলে  
এই প্রচেষ্টাকে সফল মনে করবো।



কবি কানাই খুটিয়ার মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন।   

আমাদের ই-মেল -
srimilansengupta@yahoo.co.in     


এই পাতার প্রথম প্রকাশ - ২৭.১.২০১৮
কবি কানাই খুটিয়ার দ্বিতীয় পদ সহ এই পাতার পরিবর্ধিত সংস্করণ - ১৪.১০.২০১৮

...
কবি কানাই খুটিয়া - উত্কল প্রদেশের নীলাচলের কবি। তাঁর একটি মাত্র পদ "মন-চোরা বাঁশী বাজিও
ধীরে ধীরে" পাওয়া গিয়েছিল। সম্প্রতি
আমাদের সংগ্রহে আসা, ১৯৩৭-৫৩ সময় কালে প্রকাশিত, নবদ্বীপ
চন্দ্র ব্রজবাসী ও
রায়বাহাদুর খগেন্দ্রনাথ মিত্রের “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ২য় খণ্ডে আরেকটি পদ "ওরে বাঁশী
বাজিহ খলের বদনে" পেয়েছি।

বৈষ্ণবদাসের শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থে তাঁর কোনো পদ নেই। প্রথম তাঁর পদ সংকলিত হয় নিমানন্দ দাসের
পদরসসার পুথিতে। সেখান থেকে আধুনিক কালের পাঠাকের কাছে পৌঁছোয় ১৯২৬ সালে প্রকাশিত,
সতীশচন্দ্র রায়ের "অপ্রকাশিত পদরত্নাবলী" গ্রন্থে।

অপ্রাসঙ্গিক হলেও এখানে উল্লেখযোগ্য এই যে, পদরসসার গ্রন্থের পুথিটি পদকল্পতরুর কাজ করার সময়ে
সতীশচন্দ্র রায়, পুথির মালিকের কাছ থেকে এই শর্তে পেয়েছিলেন যে তিনি অল্পদিনের মধ্যেই পুথির কাজ
শেষ করে ফেরত দিয়ে দেবেন। কিন্তু পুথিটি পদে পদে কাজে লাগবে জেনে তিনি তাঁর মুক্তার ন্যায় হস্তাক্ষরে
পুথিটি নকল করে রাখেন একটি বাঁধানো খাতায়। ফোটোকপি, জেরক্স ইত্যাদি তখনও পৃথিবীতে এসে
পৌঁছায়নি! পুথিটি ফেরত দিয়ে আসার কয়েক বছরের মধ্যেই মালিকের কাছ থেকে পুথিটি চুরি যায় এবং
সম্ভবত চিরদিনের জন্য তা নষ্ট হয়ে গিয়েছে।
সতীশচন্দ্রের হাতে লেখা অনুলিপিটি তাঁর মৃত্যুর পরে বঙ্গীয়
সাহিত্য পরিষদের হাতে তুলে দেওয়া হয় সংরক্ষণের জন্য।

১৯৮৫ নাগাদ যুধিষ্ঠির জানা বা মালীবুড়ো রচিত “শ্রীচৈতন্যের অন্তর্ধান রহস্য”, অখণ্ড গ্রন্থের ২৪৭-পৃষ্ঠায়
রয়েছে যে, গোবিন্দদাস বাবাজী রচিত “চৈতন্য চকড়া”-য় রয়েছে যে কৌড়িবাণ (ধনবান) জমিদার কানাই
খুণ্টিয়া, নীলাচলের নৃসিংহবল্লভ উদ্যানে, প্রায়োপবেশনে বসা দেবদাসী লাবণ্যর,
শ্রীচৈতন্যকে দেখে প্রাণত্যাগ
করার পরে, তাঁর সত্কারের সমস্ত খরচ বহন করেছিলেন, চৈতন্য মহাপ্রভুর নির্দেশে।
কানাই খুঁটিয়া সম্বন্ধে যুধিষ্ঠির জানা ওরফে মালিবুড়োর উদ্ধৃতি    
কানাই খুটিয়া সম্বন্ধে রবীন্দ্রনাথ মাইতি সাহিত্যভারতীর উদ্ধৃতি   
বৈষ্ণব পদাবলী নিয়ে মিলনসাগরের ভূমিকা     
বৈষ্ণব পদাবলীর "রাগ"      
কৃতজ্ঞতা স্বীকার ও উত্স গ্রন্থাবলী     
মিলনসাগরে কেন বৈষ্ণব পদাবলী ?     
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .
এই পাতার কবিতার ভণিতা -
কানাই খুটিয়া
.
.
কানাই খুঁটিয়া সম্বন্ধে যুধিষ্ঠির জানা ওরফে মালিবুড়োর উদ্ধৃতি -                পাতার উপরে . . .  
যুধিষ্ঠির জানা ওরফে মালিবুড়ো, তাঁর “শ্রীচৈতন্যের অন্তর্ধান রহস্য”, অখণ্ড, গ্রন্থে জানিয়েছেন  . . .


“
খুঁটিয়া হলো উত্কলে ব্রাহ্মণের উপাধি। খুঁটিয়া সম্পর্কে ওড়িষ্যার বিভিন্ন মতবাদ প্রচলিত আছে।  কারো  
মতে এটি রাজপ্রদত্ত উপাধি। শ্রীজগন্নাথদেবের মন্দির দ্বার রক্ষকগণ খুঁটিয়া নামে পরিচিত, কেহ কেহ বলেন
জগন্নাথদেবের শৃঙ্গারের জন্য মাল্য-সরবরাহ করাই খুঁটিয়াগণের নির্দিষ্ট সেবা। চৈতন্য চরিতামৃত থেকে জানা
যায় নীলাচলে
শ্রীচৈতন্যদেব  ব্রজলীলা অভিনয় করতেন। এই অভিনয়ে কানাই খুঁটিয়া পাট্ করতেন  
নন্দগোপের। আর জগন্নাথ মাহান্তি সাজতেন ব্রজেশ্বরী।
শ্রীচৈতন্যদেব কানাই খুঁটিয়াকে পিতা ও জগন্নাথ
মাহান্তিকে মাতৃজ্ঞানে বন্দনা করতেন
।”