কবি কৃষ্ণদাসের বৈষ্ণব পদাবলী
*
গাও রে গাও রে সুখে কৃষ্ণের চরিত
কবি কৃষ্ণদাস
আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত
শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩২৫ বঙ্গাব্দ (১৯১৮), দ্বিতীয় খণ্ড, তৃতীয় শাখা, ২৩শ পল্লব,
গোবর্দ্ধন-লীলা, পদসংখ্যা ১২৪৩। এই পদটি, ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত
বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৫৩৯-পৃষ্ঠায় একই রূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ শ্রীগান্ধার॥

গাও রে গাও রে সুখে কৃষ্ণের চরিত।
গিরি গোবর্দ্ধন-                                 যাত্রা মনোরম
শ্রবণ-মঙ্গল গীত॥ ধ্রু॥
এক দিন ব্রজে                                ইন্দ্র-পূজা কাজে
সাজে গোপ গোপী যত।
জানিয়া কারণ                                   নন্দের নন্দন
কহেন আপন মত॥
শুন ব্রজ-রাজ                                  গোপের সমাজ
না পূজ দেবের রাজা।
মোর লয় মনে                                 গিরি গোবর্দ্ধনে
সাবধানে কর পূজা॥
এহি সে উচিত                                মোর অভিমত
পাইবে বাঞ্ছিত ফল।
নানা উপহারে                                  বস্ত্র অলঙ্কারে
সত্বরে সাজিয়া চল॥
বিপ্রে দেহ দান                                  হইবে কল্যাণ
না ভাবিহ আন চিতে।
কহে কৃষ্ণদাস                                  সভার উল্লাস
শ্রীবাস-বচন-রীতে॥

ই পদটি, ১৮৭০ সাল নাগাদ চন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় সংগৃহীত এবং রাজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা
১৯২২ সালে প্রকাশিত “শ্রীশ্রীপদামৃতসিন্ধু” সংকলনের ৪৯-পৃষ্ঠায় এভাবে দেওয়া রয়েছে।

গাওরে গাওরে সুখে কৃষ্ণের চরিত।
গিরি গোবর্দ্ধন যাত্রা মনোরম, শ্রবণ-মঙ্গল গীত॥
এক দিন ব্রজে, ইন্দ্র পূজা কাজে, সাজে গোপ গোপী যত।
জানিয়া কারণ, নন্দের নন্দন, কহেন আপন মত॥
শুন ব্রজ-রাজ, গোপের সমাজ, না পূজ দেবের রাজা।
মোর লয় মনে, গিরি গোবর্দ্ধনে, সাবধানে কর পূজা॥
এহি সে উচিত, মোর অভিমত, পাইবে বাঞ্ছিত ফল।
নানা উপহার, বস্ত্র অলঙ্কার, সত্বরে সাজিয়া চল॥
বিপ্রে দেও দান, হইবে কল্যাণ, না ভাবিহ আন চিতে।
কহে কৃষ্ণদাস, সভার উল্লাস, শ্রীবাস বচন রীতে॥

.            *************************              
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
কি আনন্দ আজু বৃন্দাবনে
কবি কৃষ্ণদাস
আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায়
সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩২৫ বঙ্গাব্দ (১৯১৮), দ্বিতীয় খণ্ড,
তৃতীয় শাখা, ২৩শ পল্লব, গোবর্দ্ধন-লীলা, পদসংখ্যা ১২৪৪। এই পদটি, ১৯৪৬ সালে
প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”,
৫৪০-পৃষ্ঠায় একই রূপে দেওয়া রয়েছে।

.        ॥ শ্রীগান্ধার॥

কি আনন্দ আজু বৃন্দাবনে।
গিরি-গোবর্দ্ধন-পূজা না যায় কহনে॥ ধ্রু॥
নন্দ আদি গোপ গোপী একত্র হইয়া।
গিরি-গোবর্দ্ধন পূজে নিকটে যাইয়া॥
মিষ্টান্ন পক্কান্ন আনি ধরিলা সকলে।
কৃষ্ণ-গুণ গায় নানা বাদ্য কোলাহলে॥
হেনই সময় কৃষ্ণ দেব-মায়া মতে।
আরোহণ একরূপে করিলা পর্ব্বতে॥
দেখি গোপ গোপীগণে প্রণাম করিলা।
সভে কহে গোবর্দ্ধন মূর্ত্তিমন্ত হৈলা॥
প্রণাম করিয়া কহে নন্দের নন্দন।
দেখ দেখ কি ভাগ্য যতেক গোপগণ॥
যত ব্রজ-বাসী সভে পাইলা আহ্লাদ।
পর্ব্বতের স্থানে মাগি নিল আশীর্ব্বাদ॥
নানা দ্রব্য অলঙ্কারে সাজায়্যা গোধনে।
বেদের বিহিত দান দিলেন ব্রাহ্মণে॥
কৃষ্ণের সহিত তবে গেলা গোবর্দ্ধনে।
ইন্দ্র-মুখ-ভঙ্গ-কথা কৃষ্ণদাস ভণে॥

ই পদটি, ১৮৭০ সাল নাগাদ চন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় সংগৃহীত এবং রাজেন্দ্রনাথ
বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা ১৯২২ সালে প্রকাশিত “শ্রীশ্রীপদামৃতসিন্ধু” সংকলনের ৪৯-পৃষ্ঠায়
এভাবে দেওয়া রয়েছে।

কি আনন্দ আজু বৃন্দাবনে॥ ধ্রু॥
নন্দ আদি গোপ গোপী একত্র হইয়া।
গিরি গোবর্দ্ধন পূজে নিকটে যাইয়া॥
মিষ্টান্ন পক্কান্ন আনি ধরিল সকলে।
কৃষ্ণগুণ গায় নানা বাদ্য কোলাহলে॥
হেনই সময় কৃষ্ণ দেব মায়া মতে।
আরোহণ একরূপে করিলা পর্ব্বতে॥
দেখি গোপগোপীগণে প্রণাম করিলা।
সভে কহে গোবর্দ্ধন মূর্ত্তিমন্ত হৈলা॥
প্রণাম করিয়া কহে নন্দের নন্দন।
দেখ দেখ কি ভাগ্য যতেক গোপগণ॥
যত ব্রজ-বাসী সভে পাইলা আহ্লাদ।
পর্ব্বতের স্থানে মাগি নিল আশীর্ব্বাদ॥
নানা দ্রব্য অলঙ্কার সাজিয়া গোধনে।
বেদের বিহিত দান দিলেন ব্রাহ্মণে॥
কৃষ্ণের সহিত তবে গেলা গোবর্দ্ধনে।
ইন্দ্রমুখ-ভঙ্গ কথা কৃষ্ণদাস ভণে॥

.            *************************              
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
আনন্দে ভকতগণ দেই জয়-রব
কবি কৃষ্ণদাস
আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায়
সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩২৫ বঙ্গাব্দ (১৯১৮), দ্বিতীয় খণ্ড,
তৃতীয় শাখা, ৩১শ পল্লব, অভিষেক-লীলা, পদসংখ্যা ১৫৭০। এই পদটি, ১৯৪৬ সালে
প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”,
৫৩৭-পৃষ্ঠায় এবং জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত ও মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন
“শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, ১৯৩৪, ১৫০-পৃষ্ঠায় একই রূপে দেওয়া রয়েছে।

.        ॥ সুহই॥

আনন্দে ভকতগণ দেই জয়-রব।
শ্রীবাস পণ্ডিত-ঘরে মহামহোত্সব॥
পঞ্চগব্য পঞ্চামৃত শত ঘট জলে।
গৌরাঙ্গের অভিষেক করে কুতূহলে॥
রতন-বেদীর পর বসি গোরাচান্দ।
অপরূপ রূপ সে রমণী-মন-ফাঁদ॥
শান্তিপুর-নাথ আর নিত্যানন্দ রায়।
হেরিয়া গৌরাঙ্গ মুখ প্রেমে ভাসি যায়॥
মুকুন্দ মুরারি আদি সুমধুর গায়।
হরি বলি হরিদাস নাচিয়া বেড়ায়॥
কহে কৃষ্ণদাস গোরা চাঁদের অভিষেক।
নদীয়ার নরনারী দেখে পরতেক॥

পঞ্চগব্য - দধি, দুগ্ধ, ঘৃত, গোময়, গোমুত্র।
পঞ্চামৃত - দধি, দুগ্ধ, ঘৃত, মধু, শর্করা (চিনি)।        

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৫৭৪-পৃষ্ঠায় এভাবে দেওয়া রয়েছে।

.        ॥ সুহই॥

আনন্দে ভকতগণ দেই জয়-রব।
শ্রীবাস পণ্ডিত ঘরে মহামহোত্সব॥
পঞ্চগব্য পঞ্চামৃত শত ঘট জলে।
গৌরাঙ্গের অভিষেক করে কুতূহলে॥
রতন-বেদীর প’র বসি গোরাচান্দ।
অপরূপ রূপ সে রমণী-মন-ফাঁদ॥
শান্তিপুর-নাথ আর নিত্যানন্দ রায়।
হেরি গৌরাঙ্গ মুখ প্রেমে ভাসি যায়॥
মুকুন্দ মুরারি আদি সুমধুর গায়।
হরি বলি হরিদাস নাচিয়া বেড়ায়॥
কহে কৃষ্ণদাস গোরাচাঁদের অভিষেক।
নদীয়ার নরনারী দেখে পরতেক॥

ই পদটি, ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রের মহাজন
পদালী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ২৮-পৃষ্ঠায় এভাবে দেওয়া রয়েছে।

.        ॥ ধানশী, জপতাল॥

আনন্দে ভকতগণ দেই জয়-রব।
শ্রীবাস পণ্ডিতের ঘরে মহামহোত্সব॥
পঞ্চগব্য পঞ্চামৃত শত ঘট জলে।
গৌরাঙ্গের অভিষেক করে কুতূহলে॥
রতন বেদীর পর বসি গোরাচাঁদ।
অপরূপ সে রমণী-মন ফান্দ॥
শান্তিপুর নাথ আর নিত্যানন্দ রায়।
হেরিয়া গৌরাঙ্গ-মুখ প্রেমে ভাসি যায়॥
মুকুন্দ মুরারি আদি সুমধুর গায়।
হরি বলি হরিদাস নাচিয়া বেড়ায়॥
কহে কৃষ্ণদাস গোরাচাঁদের অভিষেক।
নদীয়ার নরনারী দেখে পরতেক॥

.            *************************              
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
জয় জয় মহাপ্রভু জয় গৌরচন্দ্র
কবি কৃষ্ণদাস
আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায়
সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩৩৪ বঙ্গাব্দ (১৯২৭), ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ
শাখা-২য় ভাগ, ৩২শ পল্লব, অষ্টকালীয় নিত্য-লীলা, পদসংখ্যা ২৮৪৭। এই পদটি, ১৯৪৬
সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৫৩৬-পৃষ্ঠায়
এবং ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৫৭৫-
পৃষ্ঠায় একই রূপে দেওয়া রয়েছে।

.        অথ প্রাতঃকাল-লীলা

.        শ্রীগৌরচন্দ্রো যথা।

.        ॥ কৌ॥

জয় জয় মহাপ্রভু জয় গৌরচন্দ্র।
জয় বিশ্বম্ভর জয় করুণার সিন্ধু॥
জয় শচীসুত জয় পণ্ডিত নিমাঞি।
জয় মিশ্র পুরন্দর জয় শচী আই॥
জয় জয় নব-দ্বীপ জয় সুরধনী।
জয় লক্ষ্মী বিষ্ণুপ্রিয়া প্রভুর গৃহিণী॥
জয় জয় নবদ্বীপ-বাসী ভক্তগণ।
জয় জয় নিত্যানন্দ অদ্বৈত-চরণ॥
নিত্যানন্দ-পদ-দ্বন্দ্ব সদা করি আশ।
নাম-সংকীর্ত্তন গাইল কৃষ্ণদাস॥

ই পদটি জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত ও মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন
“শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, ১৯৩৪, ১৫-পৃষ্ঠায় এভাবে দেওয়া রয়েছে।

.        ॥ কৌ॥

জয় জয় মহাপ্রভু জয় গৌরচন্দ্র।
জয় বিশ্বম্ভর জয় করুণার সিন্ধু॥
জয় শচীসুত জয় পণ্ডিত নিমাঞি।
জয় মিশ্র পুরন্দর জয় শচী মাই॥
জয় জয় নবদ্বীপবাসি-ভক্তগণ।
জয় জয় নিত্যানন্দ অদ্বৈতচরণ॥
নিত্যানন্দপদদ্বন্দ্ব সদা করি আশ।
নামসংকীর্ত্তন গাইল কৃষ্ণদাস॥

ই পদটি, ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত ও মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ৩-পৃষ্ঠায় “দীন কৃষ্ণদাস”
ভণিতায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

.        ॥ তুড়ী॥

জয় জয় মহাপ্রভু জয় গৌরচন্দ্র।
জয় বিশ্বম্ভর জয় করুণার সিন্ধু॥
জয় শচীসুত জয় পণ্ডিত নিমাঞি।
জয় মিশ্র পুরন্দর জয় শচী আই॥
জয় জয় নব-দ্বীপ জয় সুরধনী।
জয় লক্ষ্মী বিষ্ণুপ্রিয়া প্রভুর গৃহিণী॥
জয় জয় নবদ্বীপ-বাসী ভক্তগণ।
জয় জয় নিত্যানন্দ অদ্বৈত-চরণ॥
নিত্যানন্দ-পদ-দ্বন্দ্ব সদা করি আশ।
নাম-সংকীর্ত্তন গায় দীন কৃষ্ণদাস॥

.            *************************              
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
জয় রাধে শ্রীরাধে কৃষ্ণ
কবি কৃষ্ণদাস
আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত
শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩৩৪ বঙ্গাব্দ (১৯২৭), ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ শাখা-২য় ভাগ, ৩২শ পল্লব,
অষ্টকালীয় নিত্য-লীলা, পদসংখ্যা ২৮৫৯। এই পদটি, ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়
সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৫৪০-পৃষ্ঠায় একই রূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তুড়ী॥

জয় রাধে শ্রী-                                    রাধে কৃষ্ণ
শ্রীরাধে জয় রাধে।
নন্দ-নন্দন বৃষ্-                                  ভানু-দুলারি
সকল-গুণ-অগাধে॥ ধ্রু॥
নব-ঘন-সুন্দর                                নওল কিশোরি
নিজ-গুণ হীতম সাধে।
চাঁচর কেশে                                  মউর-শিখণ্ডক
কুঞ্চিত-কেশিনি জাদে॥
পীতাম্বর-ধর                                 ওঢ়ে নীল শাড়ি
ঘন সৌদামিনি রাজে।
কানু-গলে বন-                               মালা বিরাজিত
রাই-গলে মোতি সাজে॥
অরুণিত-চরণে                                মঞ্জির রঞ্জিত
খঞ্জন-গঞ্জন লাজে।
কৃষ্ণদাস ভণে                                    শ্রীবৃন্দাবনে
যুগল-কিশোর বিরাজে॥

.            *************************              
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
জয় রাধে কৃষ্ণ গোবিন্দ গোপাল
কবি কৃষ্ণদাস
আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত
শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩৩৪ বঙ্গাব্দ (১৯২৭), ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ শাখা-২য় ভাগ, ৩২শ পল্লব,
অষ্টকালীয় নিত্য-লীলা, পদসংখ্যা ২৮৬০। এই পদটি, ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়
সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৫৪০-পৃষ্ঠায় একই রূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুর॥

জয় রাধে কৃষ্ণ গোবিন্দ গোপাল।
গিরিবর-ধারী                                     কুঞ্জ-বিহারী
ব্রজ-জীবন নন্দলাল॥ ধ্রু॥
সুরঙ্গ পাগ শিরে                                 টেড়ি শোভে
বাঁকে নয়ন বিশাল।
তা পর ময়ূর-                                চন্দ্রিকা বিরাজে
রতনকি পেচ রসাল॥
ঘুঙ্গুরওয়ালী (                     )           অলকে ঝলকে
উরে মোতিয়নকি মাল।
মুরলি বাজাওয়ে                               রীজ রিঝাওয়ে
শুনি ধনি রহত সাম্ভাল॥
নাসায় মুকুতা                                   বেশর ঝলকে
মদ-গজ-মধুরিম চাল।
কৃষ্ণদাস প্রভু                                  এই কৃপা কিজে
ভেট মোহে মদন গোপাল॥

.            *************************              
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
নিতাই চৈতন্য দোহেঁ বড় অবতার
কবি কৃষ্ণদাস
আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায়
সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩৩৪ বঙ্গাব্দ (১৯২৭), ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ
শাখা-২য় ভাগ, ৩৬শ পল্লব, প্রার্থনা, পদসংখ্যা ২৯৯১। এই পদটি, ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত,
হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৫৩৮-পৃষ্ঠায়
একই রূপে দেওয়া রয়েছে।

.        ॥ শ্রীরাগ॥

নিতাই চৈতন্য দোহেঁ বড় অবতার।
এমন দয়াল দাতা না হইবে আর॥
ম্লেচ্ছ চণ্ডাল নিন্দুক পাষণ্ডাদি যত।
করুণায় উদ্ধার করিলা কত কত॥
হেন অবতারে মোর কিছুই না হৈল।
হায় রে দারুণ প্রাণ কি সুখে রহিল॥
যত যত অবতার হইল ভুবনে।
হেন অবতার ভাই না হয় কখনে॥
হেন প্রভুর পদদ্বন্দ্ব না করি ভজন।
হাতে তুলি মুখে বিষ করিলুঁ ভক্ষণ॥
গৌর-কীর্ত্তনে প্রেমে জগত ডুবিল।
হায় রে অভাগার বিন্দু পরশ নহিল॥
কান্দে কৃষ্ণদাস কেশ ছিঁড়ি নিজ-করে।
ধিক্ ধিক্ অভাগিয়া কেন নাহি মরে॥

ই পদটি জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত ও মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন
“শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, ১৯৩৪, ৯-পৃষ্ঠায় এভাবে দেওয়া রয়েছে।

.        ॥ শ্রীরাগ॥

নিতাই চৈতন্য দোহে বড় অবতার।
এমন দয়াল দাতা না হইবে আর॥
ম্লেচ্ছ চণ্ডাল নিন্দুক পাষণ্ডাদি যত।
করুণাময় উদ্ধার করিলা কত শত॥
হেন অবতারে মোর কিছুই না হৈল।
হায় রে দারুণ প্রাণ কি সুখে রহিল॥
যত যত অবতার হইল ভুবনে।
হেন অবতার ভাই না হয় কখনে॥
হেন প্রভুর পদদ্বন্দ্ব না করি ভজন।
হাতে তুলি মুখে বিষ করিনু ভক্ষণ॥
গৌর-কীর্ত্তন-রসে জগত ডুবিল।
হায় রে অভাগার বিন্দু পরশ নহিল॥
কাঁদে কৃষ্ণদাস কেশ ছিঁড়ি নিজ-করে।
ধিক্ ধিক্ অভাগিয়া কেন নাহি মরে॥

.            *************************              
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
অদোষ-দরশী মোর প্রভু নিত্যানন্দ
কবি কৃষ্ণদাস
আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায়
সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩৩৪ বঙ্গাব্দ (১৯২৭), ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ
শাখা-২য় ভাগ, ৩৬শ পল্লব, প্রার্থনা, পদসংখ্যা ২৯৯২। এই পদটি, ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত,
হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৫৩৮-পৃষ্ঠায়
একই রূপে দেওয়া রয়েছে।

.        ॥ শ্রীরাগ॥

অদোষ-দরশী মোর প্রভু নিত্যানন্দ।
না ভজিলুঁ হেন প্রভুর চরণারবিন্দ॥
হায় রে না জানি মুঞি কেমন অসুর।
পাইয়া না ভজিলুঁ হেন দয়ার ঠাকুর॥
হায় রে অভাগার প্রাণ কি সুখে আছহ।
নিতাই বলিয়া কেনে মরিয়া না যাহ॥
নিতাইর করুণা শুনি পাষাণ মিলায়।
হায় রে দারুণ হিয়া না দরবে তায়॥
নিতাই চৈতন্য অপরাধ নাহি মানে।
যারে তারে নিজ-প্রেম-ভক্তি করে দানে॥
তাঁর নাম লইতে না গলয়ে মোর হিয়া।
কৃষ্ণদাস কহে মুঞি বড় অভাগিয়া॥

ই পদটি জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত ও মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন
“শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, ১৯৩৪, ২৮৬-পৃষ্ঠায় এভাবে দেওয়া রয়েছে।

.        ॥ শ্রীরাগ॥

অদোষদরশি মোর প্রভু নিত্যানন্দ।
না ভজিনু হেন প্রভুর চরণারবিন্দ॥
হায় রে না জানি মুই কেমন অসুর।
পাঞা না ভজিনু হেন দয়ার ঠাকুর॥
হায় রে অভাগার প্রাণ কি সুখে আছহ।
নিতাই বলিয়া কেনে মরিয়া না যাহ॥
নিতাইর করুণা শুনি পাষাণ মিলায়।
হায় রে দারুণ হিয়া না দরবে তায়॥
নিতাই চৈতন্য অপরাধ নাহি মানে।
যারে তারে নিজ প্রেমভক্তি করে দানে॥
তাঁর নাম লইতে না গলে মোর হিয়া।
কৃষ্ণদাস কহে মুই বড় অভাগিয়া॥

.            *************************              
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
জয় জয় নিত্যানন্দ রায়
কবি কৃষ্ণদাস
আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত
শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩৩৪ বঙ্গাব্দ (১৯২৭), ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ শাখা-২য় ভাগ, ৩৬শ পল্লব,
প্রার্থনা, পদসংখ্যা ৩০০৬। এই পদটি, ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব
পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৫৩৮-পৃষ্ঠায় একই রূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তুড়ী॥

জয় জয় নিত্যানন্দ রায়।
অপরাধ পাপ মোর                                তাহার নাহিক ওর
উদ্ধারহ নিজ করুণায়॥ ধ্রু॥
আমার অসত মতি                           তোমার নামে নাহি রতি
কহিতে না বাসি মুখে লাজ।
জনমে জনমে কত                                করিয়াছি আত্ম-ঘাত
অতয়ে সে মোর এই কাজ॥
তুমি ত করুণা-সিন্ধু                                 পাতকী জনার বন্ধু
এবার করহ যদি ত্যাগ।
পতিত-পাবন নাম                                  নির্ম্মল সে অনুপাম
তাহাতে লাগয়ে বড় দাগ॥
পুরুবে যবন আদি                                  কত কত অপরাধী
তরায়্যাছ শুনিয়াছি কাণে।
কৃষ্ণদাস অনুমানি                                ঠেলিতে নারিবে তুমি
যদি ঘৃণা না করহ মনে॥

ই পদটি জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত ও মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”,
১৯৩৪, ২৮৬-পৃষ্ঠায় এভাবে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

জয় জয় নিত্যানন্দ রায়।
অপরাধ পাপ মোর                                তাহার নাহিক ওর
উদ্ধারহ নিজ করুণায়॥ ধ্রু॥
আমার অসত মতি                        তোমার নামে নাহি রতি
কহিতে না বাসি মুখে লাজ।
জনমে জনমে কত                                করিয়াছি আত্মঘাত
অতএ সে মোর এই কাজ॥
তুমিও করুণাসিন্ধু                                পাতকী জনার বন্ধু
এবার করহ যদি ত্যাগ।
পতিতপাবন নাম                                নির্ম্মল সে অনুপাম
তাহাতে লাগয়ে বড় দাগ॥
পুরুবে যবন-আদি                                কত কত অপরাধী
তরাইছ শুনিয়াছি কানে।
কৃষ্ণদাস অনুমানি                                ঠেলিতে নারিবে তুমি
যদি ঘৃণা না করহ মনে॥

.            *************************              
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
দেখ দুই ভাই গৌর নিতাই
কবি কৃষ্ণদাস
আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত
শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩২৫ বঙ্গাব্দ (১৯১৮), ২য় খণ্ড, ৩য় শাখা, ৩১শ পল্লব, অভিষেক-
লীলা, পদসংখ্যা ১৫৭৬। এই পদটি, ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত
বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৫৩৭-পৃষ্ঠায় একই রূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বরাড়ী॥

দেখ দুই ভাই                                   গৌর নিতাই
বসিলা বেদীর পরে।
গগন তেজিয়া                                আসিলা নামিয়া
যেন শশি-দিবাকরে॥
হেরি হরষিত                                   ঠাকুর পণ্ডিত
নিজগণ লৈয়া সাথে।
জল সুবাসিত                                   ঘট ভরি কত
ঢালয়ে দোঁহার মাথে॥
শঙ্খ ঘন্টা কাঁশী                              বেণু বীণা বাঁশী
খোল করতাল বায়।
জয় জয় বোল                                 হরি হরি রোল
চৌদিগে ভকত গায়॥
সিনান করায়্যা                                  বসন পরায়্যা
বসাইলা সিংহাসনে।
ধূপ দীপ জ্বালি                                লৈয়া অর্ঘ্যথালি
পূজা কৈলা দুই জনে॥
উপহারগণ                                    করায়্যা ভোজন
তাম্বুল চন্দন শেষে।
ফুল-হার দিয়া                                আরাত্রি করিয়া
প্রণমিল কৃষ্ণদাসে॥

ই পদটি জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত ও মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”,
১৯৩৪, ১৫১-পৃষ্ঠায় এভাবে দেওয়া রয়েছে।

॥ বরাড়ী॥

দেখ দুই ভাই গৌর নিতাই বসিলা বেদীর পরে।
গগন ত্যজিয়া নামিয়া আসিয়া যেন নিশা দিবাকরে॥
হেরি হরষিত ঠাকুর পণ্ডিত নিজগণ লইয়া সাথে।
জল সুবাসিত ঘট ভরি কত ঢালয়ে দুঁহার মাথে॥
শঙ্খ ঘন্টা কাঁশী বেণু বীণা বাঁশী খোল করতাল বায়।
জয় জয় রোল হরি হরি বোল চৌদিগে ভকত গায়॥
সিনান করাঞা বসন পরাঞা বসাইলা সিংহাসনে।
ধূপ দীপ জ্বালি লৈয়া অর্ঘ্য-থালি পূজা কৈল দুই জনে॥
উপহারগণ করাঞা ভোজন তাম্বুল চন্দন শেষে।
ফুলহার দিয়া আরাতি করিয়া প্রণমিল কৃষ্ণদাসে॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”,
৫৭৫-পৃষ্ঠায় এভাবে দেওয়া রয়েছে।

॥ বরাড়ী॥

দেখ দুই ভাই,                                   গৌর নিতাই,
বসিলা বেদীর’পরে।
গগন তেজিয়া,                                নামিলা আসিয়া,
যেন নিশা--দিবাকরে॥
হেরি হরষিত,                                   ঠাকুর পণ্ডিত,
নিজগণ লৈয়া সাথে।
জল সুবাসিত,                                  ঘট ভরি কত,
ঢালয়ে দোঁহার মাথে॥
শঙ্খ ঘন্টা কাঁশী,                              বেণু বীণা বাঁশী,
খোল করতাল বায়।
জয় জয় বোল,                                 হরি হরি বোল,
চৌদিগে ভকত গায়॥
সিনান করাইয়া,                                বসন পরাইয়া,
বসাইলা সিংহাসনে।
ধূপ দীপ জ্বালি,                                লৈয়া অর্ঘ্যথালি
পূজা কৈলা দুই জনে॥
উপহারগণ                                    করাইয়া ভোজন
তাম্বুল চন্দন শেষে।
ফুল-হার দিয়া                                  আরাত্রি করিয়া
প্রণমিল কৃষ্ণদাসে॥

ই পদটি, ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হরিলাল চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীপদরত্ন-
মালা”, ১৪৮-পৃষ্ঠায় এভাবে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহিনী, দুঠুকী॥

দেখ দুই ভাই,                                   গৌর নিতাই,
বসিলা বেদীর পরে।
গগন তেজিয়া,                                নামিলা আসিয়া,
যেন শশা দিবাকরে॥
হেরি হরষিত,                                   ঠাকুর পণ্ডিত,
নিজগণ লইয়া সাথে।
জল সুবাসিত,                                   ঘট ভরি কত,
ঢালয়ে দোঁহার মাথে॥
শঙ্খ ঘন্টা কাঁশী,                               বেণু বীণা বাঁশী,
খোল করতাল বায়।
জয় জয় রোল,                                 হরি হরি রোল,
চৌদিগে ভকত গায়॥
সিনান করাইয়া,                                  বসন পরাইয়া,
বসাইলা সিংহাসনে।
ধূপ দীপ জ্বালি,                                লৈয়া অর্ঘ্য থালি,
পূজা কৈলা দুইজনে॥
উপহারগণ,                                    করাইয়া ভোজন,
তাম্বুল চন্দন শেষে।
ফুল হার দিয়া,                                  আরতি করিয়া,
প্রণমিল কৃষ্ণদাসে॥

.            *************************              
.                                                                                 
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর