| কবি দ্বিজ মাধবের বৈষ্ণব পদাবলী |
| বিপিনে গমন দেখি হয়্যা সকরুণ আখি কবি দ্বিজ মাধব ১৮৪৯ সালে প্রকাশিত, গৌরমোহন দাস সংকলিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “পদকল্পলতিকা”, ২০-পৃষ্ঠা। এই পদটি একাধিক সংকলনে, “মাধব দাস” ভণিতাতেও পাওয়া গিয়েছে। পাঠকের সুবিধের জন্য সেই পদগুলিকে এখানেও, নীচের দিকে দেওয়া হয়েছে। ॥ কামোদ॥ বিপিনে গমন দেখি হয়্যা সকরুণ আখি কান্দিতে নন্দরাণী। গোপালের কোলে লয়্যা প্রতি অঙ্গে হাত দিয়া রক্ষ্যা মন্ত্র পড়য়ে আপনি॥ এদুখানি রাঙ্গাপায় ব্রহ্মা রাখুন তায় জানু রক্ষ্যা করুণ দেবগণ। কটিতট সূর্য্যবর রক্ষ্যা করুণ যজ্ঞেশ্বর হৃদয় রাখুন নারায়ণ॥ ভুজ যুগ নখাঙ্গুলী রাখিবেন বনমালী কণ্ঠ রাখুন দিদিমণি। পৃষ্ঠদেশ হয় গ্রীব মস্তক রাখুন শিব অধঃঅঙ্গ রাখুন চক্রপাণি॥ জল স্থল গিরি বনে রাখিবেন জনার্দ্দনে দশদিগ দশদিকপাল। যত শত্রু হউক মিত্র রক্ষ্যা করুণ সর্ব্বত্র নহে তুমি হইও ভারকোল॥ এইসব মন্ত্রপড়ি প্রতি অঙ্গে হাত ধরি গোমুত্রের ফোঁটা ভালে দিল। এ দ্বিজ মাধবে কয় নন্দরাণী প্রেমময় বলরামের হাতে সমর্পিল॥ এই পদটি আনুমানিক ১৮৭০ সাল নাগাদ চন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংগৃহীত এবং তাঁর পুত্র রাজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা ১৯২২ সালে প্রকাশিত “শ্রীশ্রীপদামৃতসিন্ধু”, ৩০-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কামোদ॥ বিপিনে গমন দেখি, হ’য়ে সকরুণ আঁখি, কান্দিতে কান্দিতে নন্দরাণী। গোপালেরে কোলে লইয়ে, প্রতি অঙ্গে হাত দিয়া রক্ষ্যা মন্ত্র পড়য়ে আপনি॥ এ দুখানি রাঙ্গা পায়, ব্রহ্মা রাখুন তায়, জানু রক্ষা করুণ দেবগণ। কটিতট সজঠর, রক্ষা করুণ যজ্ঞেশ্বর, হৃদয় রাখুন নারায়ণ॥ ভুজযুগ নখাঙ্গুলী, রাখিবেন বনমালী, কণ্ঠ রাখুন দিদিমণি। পৃষ্ঠদেশ হয়গ্রীব, মস্তক রাখুন শিব, অধঊর্দ্ধ রাখুন চক্রপাণি॥ জল স্থল গিরি বনে, রাখিবেন জনার্দ্দনে, দশদিক দশদিকপাল। যত শত্রু হউক মিত্র, রক্ষ্যা করুন সর্ব্বত্র, নহে তুমি হইও তার কাল॥ এইসব মন্ত্র পড়ি, প্রতি অঙ্গে হাত ধরি, গোময়ের ফোঁটা ভালে দিল। এ দ্বিজ মাধবে কয়, নন্দরাণী প্রেমময়, বলরামের হাতে সমর্পিল॥ এই পদটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত, হরিলাল চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীপদরত্ন- মালা”, ২৫৭-পৃষ্ঠায়, “মাধব দাস” ভণিতায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ মঙ্গল॥ বিপিন গমন দেখি হৈয়া সকরুণ আঁখি কান্দিতে কান্দিতে নন্দরাণী। গোপালেরে কোলে লৈয়া প্রতি অঙ্গে হাত দিয়া রক্ষা মন্ত্র পড়য়ে আপনি॥ এ দুখানি রাঙ্গাপায় ব্রহ্মা রাখিবেন তায় জানু রক্ষা করু দেবগণ। কটি তট সুজঠর রক্ষা করু যজ্ঞেশ্বর হৃদয় রাখুন নারায়ণ॥ ভুজ যুগ নখাঙ্গুলী রক্ষা করু বনমালী কণ্ঠ মুখ রাখ দিনমণি। মস্তক রাখুন শিব পৃষ্ঠ দেশ হয়গ্রীব অধঃ ঊর্দ্ধ রাখুন চক্রপাণি॥ জল স্থলে গিরিবনে রাখিবেন জনার্দ্দনে দশদিকে দশদিক্ পাল। যত শত্রু হউক মিত্র রক্ষা করু সর্ব্বত্র নহে তুমি হও তার কাল॥ এই সব মন্ত্রপড়ি প্রতি অঙ্গে হস্ত ধরি গোময়ের ফোঁটা ভালে দিল। এ দাস মাধব কয় নন্দরাণী প্রেমময় বলরামের হাতে সমর্পিল॥ এই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রের মহাজন পদালী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ১৬২-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ মঙ্গলমিশ্র সারঙ্গ - ডাঁসপাহিড়া॥ বিপিন গমন দেখি, হৈয়া সকরুণ আঁখি কান্দিতে কান্দিতে নন্দরাণী। গোপালেরে কোলে নিয়া প্রতি অঙ্গে হাত দিয়া রক্ষা মন্ত্র পড়য়ে আপনি॥ এ দুখানি রাঙ্গা পায় ব্রহ্মা রাখিবেন তায়, জানু রক্ষা করু দেবগণ। কটি তট সুজঠর, রক্ষা করু যজ্ঞেশ্বর হৃদয় রাখুন নারায়ণ॥ ভুজ যুগ নখাঙ্গুলী, রক্ষা করু বনমালী কণ্ঠ মুখ রাখু দিনমণি। মস্তক রাখুন শিব পৃষ্ঠদেশ হয়গ্রীব অধ ঊর্দ্ধ রাখুন চক্রপাণি॥ জল স্থলে গিরি বনে রাখিবেন জনার্দ্দনে দশ দিকে দশ দিকপাল। যত শত্রু হউ মিত্র রক্ষা করু সর্ব্বত্র নহে তুমি হও তার কাল॥ এই সব মন্ত্রপড়ি প্রতি অঙ্গে হস্ত ধরি গোময়ের ফোঁটা ভালে দিল। এ দাস মাধব কয় নন্দরাণী প্রেমময় বলরামের হাতে সমর্পিল॥ এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত “শ্রীশ্রীপদকল্পতরু” গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল) ২ খণ্ড, ৩য় শাখা, ২১শ পল্লব, সখ্য-রস--- গোষ্ঠে গমন, পদসংখ্যা ১১৮২ এই রূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ মঙ্গল॥ বিপিন গমন দেখি, হৈয়া সকরুণ আঁখি কান্দিতে কান্দিতে নন্দরাণী। গোপালেরে কোলে লৈয়া প্রতি অঙ্গে হাত দিয়া রক্ষা-মন্ত্র পড়য়ে আপনি॥ এ দুখানি রাঙ্গা পায় ব্রহ্মা রাখিবেন তায় জানু রক্ষা করু দেবগণ। কটিতট সুজঠর রক্ষা করু যজ্ঞেশ্বর হৃদয় রাখুন নারায়ণ॥ ভুজ যুগ নখাঙ্গুলি রক্ষা করু বনমালী কণ্ঠা মুখ রাখু দিনমণি। মস্তক রাখুন শিব পৃষ্ঠদেশ হয়গ্রীব অধ ঊর্দ্ধ রাখু চক্রপাণি॥ জল স্থলে গিরি বনে রাখিবেন জনার্দ্দনে দশ দিকে দশ দিকপাল। যত শত্রু হউ মিত্র রক্ষা করু সর্ব্বত্র নহে তুমি হও তার কাল॥ এই সব মন্ত্র পড়ি প্রতি-অঙ্গে হস্ত ধরি গোময়ের ফোঁটা ভালে দিল। এ দাস মাধব কয় নন্দরাণী প্রেমময় বলরামের হাতে সমর্পিল॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ২৭২-পৃষ্ঠায়, এই রূপে দেওয়া রয়েছে। গোষ্ঠাষ্টমী যাত্রা ॥ মঙ্গল॥ বিপিন গমন দেখি, হৈয়া সকরুণ আঁখি কান্দিতে কান্দিতে নন্দরাণী। গোপালেরে কোলে লৈয়া প্রতি অঙ্গে হাত দিয়া রক্ষা-মন্ত্র পড়য়ে আপনি॥ এ দুখানি রাঙ্গা পায় ব্রহ্মা রাখিবেন তায় জানু রক্ষা করু দেবগণ। কটিতট সুজঠর রক্ষা করু যজ্ঞেশ্বর হৃদয় রাখুন নারায়ণ॥ ভুজ যুগ নখাঙ্গুলি রক্ষা করু বনমালী কণ্ঠমুখ রাখু দিনমণি। মস্তক রাখুন শিব পৃষ্ঠদেশ হয়গ্রীব অধ ঊর্দ্ধ্ব রাখু চক্রপাণি॥ জল স্থলে গিরি বনে রাখিবেন জনার্দ্দনে দশ দিকে দশ দিকপাল। যত শত্রু হউক মিত্র রক্ষা করু সর্ব্বত্র নহে তুমি হও তার কাল॥ এই সব মন্ত্র পড়ি প্রতি অঙ্গে হস্ত ধরি গোময়ের ফোঁটা ভালে দিল। এ দাস মাধব কয় নন্দরাণী প্রেমময় বলরামের হাতে সমর্পিল॥ এই পদটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৫৪১-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ মঙ্গল॥ বিপিন গমন দেখি, হৈয়া সকরুণ আঁখি, কান্দিতে কান্দিতে নন্দরাণী। গোপালেরে কোলে লৈয়া প্রতি অঙ্গে হাত দিয়া, রক্ষা-মন্ত্র পড়য়ে আপনি॥ এ দুখানি রাঙ্গা পায়, ব্রহ্মা রাখিবেন তায়, জানু রক্ষা করু দেবগণ। কটিতট সুজঠর, রক্ষা করু যজ্ঞেশ্বর, হৃদয় রাখুন নারায়ণ॥ ভুজ যুগ নখাঙ্গুলী, রক্ষা করু বনমালী, কণ্ঠ মুখ রাখ দিনমণি। মস্তক রাখুন শিব, পৃষ্ঠদেশ হয়গ্রীব, অধ ঊর্দ্ধ রাখুন চক্রপাণি॥ জলে স্থলে গিরি বনে, রাখিবেন জনার্দ্দনে, দশ দিকে দশ দিক্পাল। যত শত্রু হউক মিত্র, রক্ষা করু সর্ব্বত্র, নহে তুমি হও তার কাল॥ এই সব মন্ত্র পড়ি, প্রতি অঙ্গে হস্ত ধরি, গোময়ের ফোঁটা ভালে দিল। এ দাস মাধব কয়, নন্দরাণী প্রেমময়, বলরামে হাতে সমর্পিল॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| আমার সুন্দর নায়, যে বা আসি দেয় পায় কবি দ্বিজ মাধব আনুমানিক ১৮৭০ সাল নাগাদ চন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংগৃহীত এবং তাঁর পুত্র রাজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা ১৯২২ সালে প্রকাশিত “শ্রীশ্রীপদামৃতসিন্ধু”, ৮৪-পৃষ্ঠা। ॥ শ্রীরাগ॥ আমার সুন্দর নায়, যে বা আসি দেয় পায়, হাসিয়া গণয়ে ষোল পোণ। তোমরা ত তরুণী নিতম্ব কুচ, অতি গুরু উচ্চ এক নায়ে ভরা তিন জন॥ লক্ষের পসরা তোর, নায়ে পার হবে মোর, ইহাতে পাইব আমি কি। আপন বুঝিয়া বলহ, পিছে যেন নহে কলহ, শোন সব গোয়ালার ঝি॥ তুমি ত যুবক মেয়ে, আমিত যুবক নেয়ে, হাস্য পরিহাসে গেল দিন। ওকূলে মানুষ ডাকে, খেয়া কামাই মিছে পাকে, এক্ষণ হৈত খেয়া তিন॥ এখন একবোল বলুক রাই, আগে দেয় কিছু খাই, না বাহিতে গায় হউক বল। দ্বিজ মাধব কয়, রসিক যাদব রায়, নায় কর স্বকাজ সফল॥ এই পদটি সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “পদামৃত লহরী”, ৬৩-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ রাগিণী সুহই - তাল একতালা॥ গোপীদের কথা শুনিয়া শ্রীকৃষ্ণ (নাবিক) বলিতেছেন। আমার সুন্দর না, যেবা আসি দিবে পা, হাসিয়া গণয়ে ষোল পোণা। এ তব নিতম্ব কুচ, অতি গুরুতর উচ, এক নায়ে ভরা তিন জনা॥ লাখের পসরা তোর, নায়ে পার হবে মোর, ইহাতে পাইব আমি কি। এখনি বুঝিয়া বল, পাছে যেন নহে কল, এই জীবিকায় আমি জী॥ শুন বিনোদিনী রাই, আগে দেও কিছু খাই, না’ বাহিতে গায়ে ইউক বল। এখন একবোল বলুক রাই, আগে দেয় কিছু খাই, না বাহিতে গায় হউক বল। এ দ্বিজ মাধবে কয়, রসিক অতিশয়, পাছে মিছে হইবে সকল॥ ভাবার্থ - নাবিক রূপে শ্রীকৃষ্ণ বলিতেছেন--- আমাকে কি দিবে আগে বল, পাছে যেন গোলমাল না হয়। দেখি আমার না’খানি কেমন সুন্দর। আর এক কথা আগে কিছু দাও, খাইলে পরেই নৌকা বাহিতে শক্তি হইবে ইত্যাদি। --- সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, “পদামৃত লহরী”॥ এই পদটি আনুমানিক পঞ্চদশ শতকের শেষ থেকে ষোড়ষ শতকের প্রারম্ভকালে, মাধবাচার্য বা দ্বিজ মাধব দ্বারা রচিত, কলকাতার ভবানীচরণ দত্তের ষ্ট্রীটের বঙ্গবাসী কার্যালয় থেকে, ফাল্গুন ১৩১০ বঙ্গাব্দে (ফেব্রয়ারী ১৯০৪) নটবর চক্রবর্ত্তী দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “শ্রীকৃষ্ণমঙ্গল” কাব্যগ্রন্থের, ৭৫-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। নৌকা খণ্ড ॥ বরাড়ী রাগ॥ আমার সুন্দর না। যেবা আসি দেয় পা॥ হাসিয়া গণয়ে ষোল পণ। তোমার নিতম্ব কুচ, অতি গুরুতর উচ, এক নায়ের ভরা দশ জন॥ হেদেলো গোআলার, মায়্যা বুঝিল, বড়ই তুমি ঢাঁট। দান ফুরাইয়া, হেদেলো গোয়ালিনি, নাএ চড়সিয়া ঝাট॥ লাখের পসরা তোর, নাএ পার হবে মোর, ইহাতে পাইব আর কি। বুঝিয়া উচিত বল, পিছে যেন নহে ফল, এই জীবিকায় আমি জী॥ তুমিত যুবতী মায়্যা, আমিত যুবক নায়্যা, হাস পরিহাসে গেল দিন। ও পারে মানুষ ডাকে, খেয়া নিয়া মিছা পাকে, এতক্ষণে হৈত ভরা তিন॥ খীর নুনী দুগ্ধ দই, আগে আন কিছু খাই, নৌকা বাহিতে হইক বল। দ্বিজ মাধবে কয়, রসিক যাদবরায়, মিছা পাকে হারাবে সকল॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| ওহে কানাই ভালাই লইয়া যাও গোঠে হে কবি দ্বিজ মাধব ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রের মহাজন পদালী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ৩৩৭-পৃষ্ঠা। ॥ বরাড়ী - মধ্যম একতালা॥ ওহে কানাই . ভালাই লইয়া যাও গোঠে হে। তোমার যে রীত-নীত দেখিতে লাগয়ে ভীত কতই কতই মনে উঠে হে॥ তুমি ত রাজার পো ধনে কেনে এত মো বিভা দিতে বলো তোমা তাতে হে। বাঙন হইয়া কেন ঘোষের সোয়াস্ত নাই ব্রজপুরে বধ না মিলিল হে। বসন চুরির কথা শুনি সবে পাইল ব্যথা তেঁই কন্যা তোমারে না দিল হে॥ সে দুখে দুখিত হইয়া বেড়াও রমণী চাইয়া গো-ধন চরাবার ছলা করি হে। আমরা যেমন হই তোমার অবেদ্য নাই এখানে না লাগে ভারি ভুরি হে॥ ( তোমার ) . কুটিল নয়ান শরে জগত মোহিত করে তারে কিছু মোরা না ডরাই হে। রাধার চরণ বলে সব আছে করতলে দ্বিজ মাধবে জান নাই হে॥ . ************************* . সূচীতে . . . মিলনসাগর |