| কবি রাসসুন্দরী দেবীর কবিতা ও গীত |
| রামদিয়ার ১২৮০ সালের জ্বর বর্ণন কবি রাসসুন্দরী দেবী “আমার জীবন”, দ্বিতীয় সংস্করণের প্রথম ভাগের শেষে অন্তর্ভুক্ত কবিতা। কবির লেখা বাংলা সাহিত্যের প্রথম প্রকাশিত আত্মজীবনী “আমার জীবন” প্রকাশিত হয় ১২৭৫ বঙ্গাব্দে (১৮৬৮)। আমরা এই কবিতাটি পেয়েছি কবির ৮৮ বছরে, ১৩০৩ বঙ্গাব্দে (১৮৯৬) লেখা “আমার জীবন” এর দ্বিতীয় সংস্করণ থেকে, যার ভূমিকা লিখেছিলেন জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং গ্রন্থ পরিচয় লিখেছিলেন দীনেশচন্দ্র সেন। ॥ রাগিনী ধানশী - তাল খেম্ টা॥ হায় হায় হ’চ্চে এই রামদিয়াতে জ্বরের মালখানা। সন ১৮২০ সালে কার্ত্তিক মাসে যায় জানা॥ জ্বরের এম্নি যে রীতি, যার বাড়ীর যেটি, ক্রমে ক্রমে শয্যাগত হচ্চে সকলটি ; আবার ভিন্ন দেশের লোক আইলে অম্নি পড়ে বিছানা॥ সে জ্বরের ভঙ্গী বোঝা ভার, হ’ল কি এবার, রোগীদিগের ভাব দেখিয়া লাগ্ চে চমত্কার ; ম’লাম গেলাম শব্দ মুখে মা বাবা বৈ বলে না॥ তাহে পোহায় না রাতি, একি দুর্গতি, ঘরে ঘরে হাত ধরিয়া দেখছে পার্ব্বতী ; যার ম’চ্চে সেই কাঁদ্ চে ব’সে, ঔষধ-পথ্য মেলে না॥ আছে সরকারী বাড়ী, ঔষধের বড়ি, বিনা মূল্যে দিচ্চে তারা লয় না তার কড়ি ; বাবুরা দয়া ক’রে দিচ্চে কত মিছরি আর সাগুদানা॥ . **************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| দেখো যেন ডুবে না তরী কবি রাসসুন্দরী দেবী “আমার জীবন”, দ্বিতীয় সংস্করণের দ্বিতীয় ভাগের দ্বিতীয় রচনার অন্তর্ভুক্ত গীত। কবির লেখা বাংলা সাহিত্যের প্রথম প্রকাশিত আত্মজীবনী “আমার জীবন” প্রকাশিত হয় ১২৭৫ বঙ্গাব্দে (১৮৬৮)। আমরা এই কবিতাটি পেয়েছি কবির ৮৮ বছরে, ১৩০৩ বঙ্গাব্দে (১৮৯৬) লেখা “আমার জীবন” এর দ্বিতীয় সংস্করণ থেকে, যার ভূমিকা লিখেছিলেন জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং গ্রন্থ পরিচয় লিখেছিলেন দীনেশচন্দ্র সেন। দেখো যেন ডুবে না তরী, এই ভব-সাগরে তুফান ভারি। মন হুঁসিয়ারে থেকো, তিলে তিলে জেগো, গুরু বস্তু ধন যতনে রেখো, নিজে থেকো দ্বারে হইয়া দ্বারী। এই ভব-সাগরে তুফান ভারি॥ . **************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| মনরে বিপাকে পলি কবি রাসসুন্দরী দেবী “আমার জীবন”, দ্বিতীয় সংস্করণের দ্বিতীয় ভাগের সপ্তম রচনার অন্তর্ভুক্ত গীত। কবির লেখা বাংলা সাহিত্যের প্রথম প্রকাশিত আত্মজীবনী “আমার জীবন” প্রকাশিত হয় ১২৭৫ বঙ্গাব্দে (১৮৬৮)। আমরা এই কবিতাটি পেয়েছি কবির ৮৮ বছরে, ১৩০৩ বঙ্গাব্দে (১৮৯৬) লেখা “আমার জীবন” এর দ্বিতীয় সংস্করণ থেকে, যার ভূমিকা লিখেছিলেন জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং গ্রন্থ পরিচয় লিখেছিলেন দীনেশচন্দ্র সেন। মনরে বিপাকে পলি, সেই মাকাল ফলে ভুলে রলি। দয়াময় পিতা কৃপাসিন্ধু, কৃপাসিন্ধু ছেড়ে রসসিন্ধু কিনতে এলি। মনরে বিরাকে পলি॥ . **************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| ছিল কালবরণ বাঁকা রূপ ত্রিভঙ্গ কবি রাসসুন্দরী দেবী “আমার জীবন”, দ্বিতীয় সংস্করণের দ্বিতীয় ভাগের দ্বাদশ রচনার অন্তর্ভুক্ত গীত। কবির লেখা বাংলা সাহিত্যের প্রথম প্রকাশিত আত্মজীবনী “আমার জীবন” প্রকাশিত হয় ১২৭৫ বঙ্গাব্দে (১৮৬৮)। আমরা এই কবিতাটি পেয়েছি কবির ৮৮ বছরে, ১৩০৩ বঙ্গাব্দে (১৮৯৬) লেখা “আমার জীবন” এর দ্বিতীয় সংস্করণ থেকে, যার ভূমিকা লিখেছিলেন জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং গ্রন্থ পরিচয় লিখেছিলেন দীনেশচন্দ্র সেন। ছিল কালবরণ বাঁকা রূপ ত্রিভঙ্গ, নদে এসে হয়েছে হে গৌরবরণ গৌরাঙ্গ। ( হে ব্রজনাথ, তোমার ব্রজের চিহ্ন কিছুই নাই হে ) কোথা লুকায়েছ সে অঙ্গ, হলে কাঁচা সোণা গৌরবরণ গৌরাঙ্গ। হে ব্রজনাথ, ব্রজে রাধা বলি বাজাতে বাঁশী এখন হরি বলে বাজাও মৃদঙ্গ॥ . **************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |