কবি রাসসুন্দরী দেবীর কবিতা ও গীত
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
কবিতা         
মঙ্গলাচরণ ( সরস্বতী বন্দনা )      
কোথা বাঞ্ছাকল্পতরু প্রভু বিশ্বেশ্বর      
ধন্য ধন্য প্রভু তুমি ধন্য ত্রিভূবনে       
আমি অতি মূঢ়মতি, না জানি ভকতি স্তুতি     
ওহে প্রভু বিশ্বেশ্বর, বিশ্বব্যাপী বিশ্বম্ভর      
জন্মিয়া ভারত ভূমে, মজিয়া মোহের ঘুমে      
কোথা রৈলে দীননাথ ওহে দয়াময়       
তুমি জীবনের কান্ত, তুমি আদি তুমি অন্ত    
ওহে প্রভু কৃপাসিন্ধু, অনাথ জনের বন্ধু      
ওহে মন ভোলা, হইয়া বিভোলা     
ধন্য ধন্য তুমি পূর্ণ ব্রহ্ম সনাতন      
নাথ হে জানাব কত, দীনের দিন তো গত    
জগতের প্রাণধন, বিশ্বব্যাপী নিরঞ্জন      
তুমি জগতের পিতা জগজ্জননী     
শান্তিপুর নবদ্বীপ গঙ্গা পরিহরি     
তুই শমন কি করিবি জারি, তুই শমন কি করিবি      
এস গো মা সরস্বতী পুরুক অভিলাষ ( সরস্বতী বন্দনা )    
প্রভু জনার্দ্দন, শ্রীমধুসূদন, বিপদভঞ্জন হরি      
রাসের মন! বলি শোন্, পাগল হলি কি কারণ      
হে পদ্মপলাশ, ভক্ত হৃদে বাস, বিভু বিশ্ব নিকেতন     
হে প্রভু মদনগোপাল কাঙালের ঠাকুর       
তুমি নারায়ণ, লক্ষ্মীকান্ত, মাধব মধুসূদন     
দেখতে এসে ভবের মেলা, দেখি সব মেলা মেলা      
ওহে নাথ, জগৎ তাত, সুদর্শনধারী       
চলিতে শকতিহীন জীর্ণ কলেবর     
ওহে প্রভু বিশ্বব্যাপী, বিশ্বময় বিশ্বরূপী     
রক্ষ হে পুণ্ডরীকাক্ষ রাক্ষসের রিপু     
ওহে কৃষ্ণ রাধাকান্ত, কে জানে তোমার অন্ত    
সত্য ত্রেতা দ্বাপর পরে, যুগধর্ম্ম অনুসারে     
কলিযুগ করি ধন্য, নবদ্বীপে অবতীর্ণ    
আজি আমি কি অপরূপ দেখেছি স্বপন     


অন্যান্য কবিতা     
মনশিক্ষা       
ক্ষুদ্র কবিতা    


গীত     
রামদিয়ার ১২৮০ সালের জ্বর বর্ণন          
দেখো যেন ডুবে না তরী     
মনরে বিপাকে পলি     
ছিল কালবরণ বাঁকা রূপ ত্রিভঙ্গ     


মিলনসাগর
.
১।
২।
৩।
৪।
৫।
৬।
৭।
৮।
৯।
১০।
১১।
১২।
১৩।
১৪।
১৫।
১৬।
১৭।
১৮।
১৯।
২০।
২১।
২২।
২৩।
২৪।
২৫।
২৬।
২৭।
২৮।
২৯।
৩০।
৩১।



৩২।
৩৩।



৩৪।
৩৫।
৩৬।

৩৭।